মুর্শিদাবাদের স্কুলে স্কুলে ভর্তির জন্য নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ফি। বিড়ি শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকার স্কুল থেকে আদিবাসী নিবিড় এলাকার স্কুল। ছবিটা একই। এর প্রতিবাদে জেলায় স্কুলে স্কুলে বিক্ষোভও দেখাচ্ছে এসএফআই। কিন্তু অধিকাংশ স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্যমিলছে না কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা। ফলে স্কুল চালানো কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই বাড়তি টাকা চাপানো হচ্ছে পড়ুয়াদের উপর। এর প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদ জেলার ডিআই’এর অফিস ঘিরে বিক্ষোভ দেখাল এসএফআই। এদিন বহরমপুরে এসএফআই জেলা দপ্তর থেকে মিছিল করে বহরমপুর রবীন্দ্রসদনের পিছনে ডিআই অফিসে যান ছাত্রছাত্রীরা। অফিসের মধ্যে ঢুকে পরে পড়ুয়াদের মিছিল। অফিসের মধ্যেই বসে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পরে ডিআই’এর দপ্তরে দেওয়া হয় ডেপুটেশন। অফিসের মধ্যেই বিক্ষোভ সভা থেকে এসএফআই জেলা সভাপতি অদিতি নন্দী বলেছেন, "এই বাড়তি ফি অভিভাবকদের উপর বাড়তি বোঝা তৈরী করছে। রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর ব্যর্থ। ডিআই অফিসকে তৃণমূলের অফিস বানানো হয়েছে। স্কুলের মাথায় তৃণমূল নেতাদের বসানো হয়েছে। স্কুলের পরিচালকরা পড়ুয়াদের কথা শুনতে চাইছেন না। অভিভাবকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে ডিআই অফিসকে নির্দেশ দিতে হবে যে ২৪০ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না।"এদিন বিক্ষোভে এসএফআই জেলা সম্পাদক এনজামুল হক বলেছেন, "এই অতিরিক্ত ফি গরীব পড়ুয়াদের উপর বাড়তি বোঝা। এতে পড়ুয়াদের স্কুল থেকে দুরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। ড্রপ আউটের সম্ভাবনা বাড়ছে। স্কুল শিক্ষা দপ্তর নিজেদের ভূমিকা এড়িয়ে যেতে পারে না। দ্রুত নির্দেশ জারি না হলে ডিআই অফিসে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনে নামবে এসএফআই।এদিন এসআইএফ নেতৃত্ব বলেন যে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার সাধারণের শিক্ষাকে ধ্বংস করতে চাইছে। সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে যে কোনও স্কুল ২৪০ টাকারও বেশি টাকা নিতে পারবে না। স্কুল চালানোর খরচ সরকারকে বহন করতে হবে। শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
অর্থের অভাবে মুর্শিদাবাদের স্কুলগুলি সংকটে
Ganashakti Patrika•

Full News
Share:
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Achira News.
Publisher: Ganashakti Patrika
Want to join the conversation?
Download our mobile app to comment, share your thoughts, and interact with other readers.