Achira News Logo
Achira News
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 07:00 AM
নাকা চেক চলাকালীন পশ্চিমবঙ্গে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ

নাকা চেক চলাকালীন পশ্চিমবঙ্গে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই জেলায় জেলায় নাকা চেকিং বাড়িয়েছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে নিউ টাউনের সিটি সেন্টারের কাছে একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দারা ইকোপার্ক থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার সকালে নিউটাউন সিটি সেন্টারের কাছে অভিযান চালায়। একটি অ্যাপ ক্যাব আটকে তল্লাশি করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, সুরেশ ঠাকুর নামে এক ব্যক্তি গাড়ি চালাচ্ছিলেন। সুরেশ গুজরাটের বাসিন্দা। তল্লাশিতে ওই গাড়ি থেকে ২৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। টাকার উৎস সম্পর্কে সঠিক প্রমাণ বা কাগজপত্র দেখাতে না পারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সুরেশ ঠাকুরকে।উল্লেখ্য, দু’দিন আগেইআলিপুরদুয়ার জেলায় নাকা তল্লাশির সময়ে বিপুল নগদ টাকা উদ্ধার হয়। অসমের নাম্বার প্লেট লাগানো একটি গাড়ি দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। গাড়ি দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়ি থেকে ১০০ ও ৫০০ টাকার নোটের বান্ডিল উদ্ধার করে পুলিশ। মোট ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। টাকার উৎস সম্পর্কে সঠিক প্রমাণ বা কাগজপত্র দেখাতে না পারায় গাড়ির চালককে গ্রেপ্তার করা হয়।গত ১৫ মার্চ পশ্চিমবঙ্গে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। সেই দিন থেকেই রাজ্য লাগু হয় আদর্শ আচরণবিধি। সাধারণত ৫০ হাজার টাকার অধিক নগদ বা ১০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের সামগ্রী নিয়ে যাতায়াত করলে সেই সামগ্রী বা অর্থের উৎস সম্পর্কে সঠিক নথি বা প্রমাণ দেখানোর নির্দেশিকা রয়েছে। নচেৎ সেই অর্থ বা জিনিস বাজেয়াপ্ত করতে পারে পুলিশ।
4 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 06:54 AM
জলদাপাড়া বন এলাকা সংলগ্ন গ্রামগুলিতে হাতিরা হাভোক ধ্বংস করে

জলদাপাড়া বন এলাকা সংলগ্ন গ্রামগুলিতে হাতিরা হাভোক ধ্বংস করে

ফালাকাটা:জলদাপাড়া বনাঞ্চল সংলগ্ন গ্রামগুলিতে হাতির হানা অব্যাহত(Elephant Attack)। বৃহস্পতিবার রাতে ফালাকাটার রাইচেঙ্গা ও খাউচাঁদপাড়া গ্রামে হাতির দল ঢুকে ব্যাপক তছনছ চালায়। বৃষ্টির সুযোগ নিয়ে বনাঞ্চল থেকে লোকালয়ে ঢুকে পড়া হাতিগুলি বিঘার পর বিঘা ভুট্টা খেত নষ্ট করার পাশাপাশি এক গ্রামবাসীর ঘর ও পোলট্রি ফার্মের ক্ষতি করেছে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার মাঝরাতে যখন বৃষ্টি হচ্ছিল, সেই সুযোগে জলদাপাড়া জঙ্গল থেকে দুটি হাতি রাইচেঙ্গা গ্রামে ঢুকে পড়ে। বর্তমানে ওই এলাকায় প্রচুর ভুট্টা চাষ হয়েছে। হাতি দুটি নৃপেন চন্দ ও শ্যামল সিকদারের ভুট্টা খেতে ঢুকে পড়ে এবং ফসল তছনছ করে দেয়। খবর পেয়ে রাতেই বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় হাতি দুটিকে জঙ্গলে তাড়িয়ে দেন। অন্যদিকে, খাউচাঁদপাড়া গ্রামেও হানা দেয় ২-৩টি হাতির একটি দল। সেখানে এক গ্রামবাসীর ঘরের বেড়া ভেঙে দেয় হাতিগুলি। পাশাপাশি একটি পোলট্রি ফার্মেও হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতি করা হয়েছে। এই গ্রামেও দুই কৃষকের ভুট্টা খেত নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ। বারবার হাতির হানায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জলদাপাড়া বন দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাতির হানায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখতে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে গ্রামবাসীদের দাবি, কেবল ক্ষতিপূরণ দিলেই হবে না; হাতি যাতে জঙ্গল থেকে লোকালয়ে বেরিয়ে আসতে না পারে, তার জন্য বন দপ্তরকে স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
31 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:52 AM
নির্বাচনের মরশুমে ঝাড়গ্রামের দেওয়াল-চিত্রশিল্পীদের চাহিদা বেড়েছে

নির্বাচনের মরশুমে ঝাড়গ্রামের দেওয়াল-চিত্রশিল্পীদের চাহিদা বেড়েছে

বুদ্ধদেব বেরা, ঝাড়গ্রামঅন্য সময়ে তাঁদের ডাক পড়ে না। কিন্তু ভোট এলেই হাতে রং-তুলি নিয়ে হাজির হন তাঁরা। বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজনৈতিক দলগুলি আগে থেকেই তাঁদের বুকিং করে নেন। আবার অনেক জায়গায় দেওয়াল আঁকার শিল্পী খুঁজে পাওয়া যায় না বলে জানান রাজনৈতিক কর্মীরা। নির্বাচনের ঘণ্টা বাজতেই পাড়ার অলিগলির ফাঁকা দেওয়ালগুলিতে প্রার্থীর নাম লিখতে ডাক পড়ে শিল্পীদের। তার সঙ্গে আঁকা হয় প্রতীক চিহ্ন। সারা বছর এই সমস্ত শিল্পীর কদর না থাকলেও ভোটের মরশুমে এঁদের কদর বাড়ে। ঝাড়গ্রামের দেওয়াল লিখনের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের তাই ভোট মরশুমে লক্ষ্মীলাভও হয়।সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের হয়েই দেওয়াল লিখনে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন চণ্ডীচরণ মাহাতো ও সঞ্জয় মাণ্ডিরা। রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দলকুলি গ্রামে চণ্ডীচরণের বাড়ি। সঞ্জয় থাকেন ঝাড়গ্রাম শহরের জামদা এলাকায়।শহরের আদিবাসী মার্কেটে সঞ্জয়ের একটি দোকান রয়েছে। যেখানে সঞ্জয় নানা রকম বিজ্ঞাপন, প্রচারমূলক দেওয়াল লিখনের কাজ করেন। এমন দোকান রয়েছে চণ্ডীচরণেরও। অনেকে শিল্পী আবার দোকান ছাড়াই কন্ট্রাক্ট হিসেবে কাজ করে থাকেন। বিধানসভা, লোকসভা, পঞ্চায়েত, পুরসভা যে কোনও ভোটেই অন্য কাজ ভুলে রাজনৈতিক দলগুলির হয়ে রং-তুলি নিয়ে দেওয়াল লিখনের কাজে নেমে পড়েন তাঁরা। চণ্ডীচরণ জানিয়েছেন, ১৫ থেকে ২০ ফুট লম্বা দেওয়াল রং করার জন্য ৩০০ টাকা দেওয়া হয়। দেওয়াল লিখনের সমস্ত রং তাঁদেরই দিতে হয়। তবে যে দেওয়াল জুড়ে দেওয়াল লিখন হবে সেই দেওয়ালটি সাদা রং করার দায়িত্ব থাকে রাজনৈতিক দলের। অনেক ক্ষেত্রে আবার রঙের দাম রাজনৈতিক দলগুলি দিয়ে দেয়। তখন শিল্পীরা ২০০ টাকা করে পান।চণ্ডীচরণ বলেন, 'তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস- সব মিলিয়ে এ বার ২০০টিরও বেশি বরাত পেয়েছি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়াল লিখনের কাজ চলছে।' দু'জন শিল্পী মিলে একদিনে ২০ থেকে ২৫টি দেওয়াল লিখতে পারেন। সঞ্জয় বলেন, 'কুড়ি বছরের বেশি সময় ধরে দেওয়াল লিখছি। চাহিদা বিন্দুমাত্র কমেনি। উল্টে আরও বেড়েছে। সারা বছর রাজনৈতিক দলগুলি আমাদের ভুলে থাকলেও ভোটের সময় ঠিক মনে রাখে। এই সময়ে ভালো উপার্জনও হয়।'
57 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 06:48 AM
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বদলির বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বদলির বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:বিধানসভা নির্বাচনের (WB Assembly Election 2026) মুখে পশ্চিমবঙ্গে আমলা ও পুলিশ আধিকারিকদের দফায় দফায় অপসারণ এবং তাঁদের ভিনরাজ্যে পাঠানো নিয়ে এবার আইনি লড়াই শুরু হলো। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) এই সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta HC on Officer Transfer) মামলা দায়ের হলো। শুক্রবার এই বিষয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলার প্রেক্ষাপট গত রবিবার মধ্যরাত থেকে রাজ্যে প্রশাসনিক রদবদল শুরু করে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার—একের পর এক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। জেলাস্তরেও একাধিক জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে বদল করা হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অপসারিত এই আধিকারিকদের এ রাজ্যে নির্বাচনের কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না। পরিবর্তে তাঁদের অনেককেই ভিনরাজ্যে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে। আইনজীবীদের যুক্তি আদালতে মামলাকারীর পক্ষে সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এভাবে রাজ্যের উচ্চপদস্থ আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের ইচ্ছামতো অন্য রাজ্যে পাঠানোর এক্তিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই। তিনি যুক্তি দেন: রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের ভিনরাজ্যে পাঠিয়ে দিলে পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একযোগে এত সংখ্যক আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার ফলে প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হচ্ছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তটি প্রশাসনিক পরিকাঠামোর ওপর হস্তক্ষেপের সামিল। তৃণমূলের আইনজীবী অর্ক নাগ এই বিষয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে চান। তাঁরা কমিশনের এই অপসারণ ও বদলির নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন। আদালতের অবস্থান আবেদন শোনার পর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি দাখিল করার অনুমতি দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হবে। উল্লেখ্য, কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এখন দেখার, আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টের শুনানিতে কমিশন কী যুক্তি দেয়।
29 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:20 AM
দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে দুর্নীতির অভিযোগ টিএমসি বিধায়কের

দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে দুর্নীতির অভিযোগ টিএমসি বিধায়কের

এই সময়, কালনা:চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন পূর্বস্থলী উত্তরের বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তিনি দাবি করেছেন, দলের প্রার্থী হওয়ার জন্য তাঁর কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা চাওয়া হয়েছিল। তিনি তা দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ঘুরিয়ে তিনি বলতে চেয়েছেন, সেই কারণেই এ বার তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।প্রার্থী না-হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রীতিমতো অভিমানের সঙ্গে তপন জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন। ইতিমধ্যেই তিনি পূর্বস্থলীর স্টেশন রোড লাগোয়া এলাকায় তাঁর কার্যালয়ে 'প্রাক্তন বিধায়কের কার্যালয়' লিখেও দিয়েছেন।তাঁর বৃহস্পতিবারের বক্তব্য সম্পর্কে পূর্বস্থলী উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী বসুন্ধরা গোস্বামী বলেছেন, 'এই অভিযোগটা বোধহয় সর্বৈব মিথ্যা। ' তিনি এ দিন সিপিএম-কে মার্কসীয় মৌলবাদী ও বিজেপি-কে ধর্মীয় মৌলবাদী বলে অভিহিত করেছেন। জবাবে এই কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী প্রদীপ সাহা বলেছেন, 'মৌলবাদ কী বুঝলে মার্কসীয় মৌলবাদ বলতেন না।'
97 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:15 AM
কলকাতার সরকারি হাসপাতালে দুজনের রহস্যজনক মৃত্যু

কলকাতার সরকারি হাসপাতালে দুজনের রহস্যজনক মৃত্যু

শুক্রবার সকালে চাঞ্চল্য কলকাতায়। আরজি করের পরে এ বার এসএসকেএম হাসপাতাল (SSKM Hospital) থেকেও এল রহস্যমৃত্যুর খবর। সরকারি হাসপাতাল চত্বর থেকে উদ্ধার হলো এক তরুণের ঝুলন্ত মৃতদেহ।জানা গিয়েছে, মৃত যুবক হাসপাতালের সাফাইকর্মী। এ দিন সকালে হাসপাতালের মেইন ব্লকের উল্টোদিকে গ্যাস্ট্রো ওপিডি-র কাছে চারতলা থেকে ওই যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের নাম ইমরান সর্দার (২২)। তিনি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রো বিভাগে চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে কাজ করতেন।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সকালে SSKM কর্মীরাই প্রথম ঝুলন্ত দেহটি দেখতে পান এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।অন্যদিকে, এ দিন সকালেই শহরের অন্য সরকারি হাসপাতাল আরজি করেও ঘটেছে এক মর্মান্তিক কাণ্ড। সন্তানের চিকিৎসা করাতে এসেRG Kar হাসপাতালেরট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের লিফটে আটকে পড়ে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, লিফট দুর্ঘটনার জেরে ভিতরে আটকে পড়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে।
55 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:09 AM
নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের বদলি নিয়ে ভারতীয় রাজ্যে বিতর্ক

নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের বদলি নিয়ে ভারতীয় রাজ্যে বিতর্ক

রাজ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পরেই একের পর এক আমলা, পুলিশকর্তার বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলো কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার কমিশনের এই পদক্ষেপের উপরে স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলা দায়েরের অনুমতি দিল প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী সোমবার মামলার শুনানি।মামলার আবেদনে জানানো হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন সংঘটিত করা। কিন্তু প্রশাসনের সমস্ত বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে পাঠানোর এক্তিয়ার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নেই। তাতে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হয়।উল্লেখ্য, গত ৭২ ঘণ্টায় রাজ্যের ৪৩ জনপুলিশকর্তা–আমলাকে বদলির বেনজির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুধবারই বিধাননগরের সিপি মুরলীধর শর্মা, শিলিগুড়ির সিপি সৈয়দ ওয়াকার রাজা–সহ ১৫ জন পুলিশকর্তাকে তামিলনাড়ুর ভোটে পুলিশ অবজ়ার্ভার করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে মুরলীধর বা ওয়াকারকে কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে অপসারণ করেনি। হঠাৎ দু’টি গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ কমিশনারেটের সিপিকে অন্য রাজ্যে পাঠিয়ে দিলে এই দু’টি কমিশনারেটের আইনশৃঙ্খ‍লার দায়িত্ব কে সামাল দেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।অন্য দিকে, কমিশনের গোটা প্রক্রিয়াটি নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ‘স্বেচ্ছাচারিতা’ বলে অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
59 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 05:58 AM
আইপিএল সংকটঃ অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স, জোশ হ্যাজেলউড ও মিচেল স্টার্ক চোটের কারণে ছিটকে গেলেন

আইপিএল সংকটঃ অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স, জোশ হ্যাজেলউড ও মিচেল স্টার্ক চোটের কারণে ছিটকে গেলেন

IPL শুরুর আগেই সমস্যায় অধিকাংশ ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি। একের পর এক ক্রিকেটার ছিটকে যাচ্ছেন চোটের জন্য। কেউ কেউ প্রাথমিক পর্বে খেলা থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন নিজেদের। আর সেই তালিকায় অধিকাংশই অস্ট্রেলিয়ার তারকা প্লেয়ার। প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজ়েলউডদের পরে এ বার সেখানে নাম জুড়ল আর এক অভিজ্ঞ পেসার মিচেল স্টার্কের। দিল্লি ক্যাপিটালসের এই তারকা পেসার খেলতে পারবেন না IPL-এর শুরুর দিকে, এমনটাই জানিয়েছেন। তবে চোট নয়, এর নেপথ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশ। কেন এই সিদ্ধান্ত?বিশ্বকাপের আগে পাওয়া চোট সারিয়ে এখনও ফিট হতে পারেননি কামিন্স, হ্যাজ়েলউডরা। IPL-এর শুরুতে অন্তত দুটো ম্যাচেRCB পাবে না হ্যাজ়েলউডকে। অন্য দিকে প্রথম কয়েকটি ম্যাচে সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদ পাবে না তাদের ক্যাপ্টেন প্যাট কামিন্সকে। এ বার ধাক্কা পেল দিল্লি ক্যাপিটালস। গত মরশুমে ১১.৭৫ কোটি টাকায় কেনা স্টার্ককে এ বারেও ধরে রেখেছিল DC। কিন্তু প্রাথমিক পর্বে তিনি খেলতে পারবেন না, এমনটাই জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড।গত বছর গোটা মরশুম জুড়ে টানা একের পর এক ম্যাচে খেলে গিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। এর মধ্যে রয়েছে পুরো অ্যাশেজ় সিরিজ়। পাঁচ ম্যাচেই খেলেছিলেন স্টার্ক। গত ১২ মাসে টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি বল করেছেন তিনিই। খেলেছিলেন বিগ ব্যাশ লিগেও। তাই তাঁর ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের জন্য এই পথে হেঁটেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড।২০২৬ সালের অগস্ট থেকে পরের ১২ মাসে মোট ২১টি টেস্ট ম্যাচ খেলার কথা অজ়িদের। এর মধ্যে রয়েছে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ় এবং অ্যাশেজ। রয়েছে ২০২৭ সালের ODI বিশ্বকাপও।এই সূচির কথা ভেবেই স্টার্ককে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাইছে না অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। কামিন্স ও হ্যাজ়েলউডকে নিয়েও একই পথে হেঁটেছে তারা। কবে ফিরবেন এই তারকাত্রয়ী, সেই তারিখও জানা যায়নি।তবে এর ফলে বড় ধাক্কা খেল DC। তাদের পেস অ্যাটাকের মূল অস্ত্র ছিলেন স্টার্ক। ১ এপ্রিল LSG-র বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে IPL-এ যাত্রা শুরু করবে দিল্লি। এখন দেখার স্টার্কের অভাব কী ভাবে ঢাকে তারা।
76 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 05:46 AM
ক্রমবর্ধমান তেলের দাম এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে রুপির রেকর্ড পতন

ক্রমবর্ধমান তেলের দাম এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে রুপির রেকর্ড পতন

আজকাল ওয়েবডেস্ক:শুক্রবার রুপি-র দর সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে। অপরিশোধিত তেলের দামের বৃদ্ধি এবং পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ফলে রুপির ওপর নতুন করে চাপ বেড়েছে। রকের্ড গড়ে এই প্রথমবার ভারতীয় রুপি ৯৩ টাকার সীমা অতিক্রম করেছে। এ দিন মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে রুপি-র দর ৯৩.১৫। উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত তীব্র আকার নেওয়ায় রুপির সাম্প্রতিক দরপতন অব্যাহত রইল। এই সংঘাত জ্বালানি পরিকাঠামোকে ব্যাহত করেছে এবং অপরিশোধিত তেলের দামকে অনেকটা বেড়েছে। দীর্ঘস্থায়ী সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের ওপরেই রয়েছে। যা ভারতের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়, কারণ ভারত নিজস্ব তেলের চাহিদার একটি বিশাল অংশ আমদানি করে থাকে। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায়, ডলারের চাহিদা বাড়ে এবং রুপির ওপর নিম্নমুখী চাপ সৃষ্টি হয়। একই সময়ে, ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে 'ঝুঁকি-বিমুখ' মনোভাব তৈরি করেছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলারের মতো 'নিরাপদ আশ্রয়স্থল' হিসেবে বিবেচিত সম্পদের দিকে ঝুঁকছেন। এর ফলে ডলার শক্তিশালী হয়েছে এবং রুপি-সহ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মুদ্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই অনিশ্চয়তার আবহে বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও ভারতীয় শেয়ার বাজারে তাদের শেয়ার বিক্রি বাড়িয়ে দিয়েছেন, যা রুপির ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি করেছে। যখন বিশ্বের বিভিন্ন তহবিলগুলো বাজার থেকে অর্থ তুলে নেয়, তখন তারা রুপিকে ডলারে রূপান্তর করে, যা রুপির দরপতনের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করে। পাশাপাশি, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সতর্ক অবস্থানও এই চাপের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারতের ক্ষেত্রে, এর প্রভাব কেবল মুদ্রাবাজারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দুর্বল রুপি এবং অপরিশোধিত তেলের চড়া দাম - এই দুইয়ের সংমিশ্রণ আমদানিনির্ভর মুদ্রাস্ফীতিকে উস্কে দিতে পারে (বিশেষ করে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রে), যার ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ ভোক্তাদের খরচ বৃদ্ধি পাবে। বাজার বিশেষজ্ঞরা এখন পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের গতিপ্রকৃতি, অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা এবং রুপিকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে কোনও হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত পাওয়া যায় কি না - সেসব বিষয়ের ওপর নজর রাখছেন।
98 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 05:44 AM
মার্কিন-ইরান যুদ্ধের খবরকে'ভুয়ো খবর "বলে উড়িয়ে দিলেন নেতানিয়াহু

মার্কিন-ইরান যুদ্ধের খবরকে'ভুয়ো খবর "বলে উড়িয়ে দিলেন নেতানিয়াহু

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আমেরিকাকে জড়িয়েছে ইজ়রায়েল, এমন সব খবরই ভুয়ো বলে দাবি করলেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, 'এই সব ফেক নিউজ। এর কোনও ভিত্তিই নেই'।বৃহস্পতিবার ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু আরও জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আমেরিকাকে জোর করে টেনে এনে জড়ানো হয়েছে বলে যে সব রিপোর্ট প্রকাশিত হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ছাড়া আর কিছু নয়। কেবল তাই-ই নয়, এটা হাস্যকরও বটে। বেঞ্জামিনের কথায়, 'কেউ কি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলতে পারে, কী করতে হবে? কী করলে আমেরিকার ভালো হবে তা বোঝার পরেই ট্রাম্প যে কোনও সিদ্ধান্ত নেন'।ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইজ়রায়েল ও আমেরিকার মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় রয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের লক্ষ্যের দিকে বিদ্যুৎগতিতে এগোচ্ছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২১ দিন ধরে ইজ়রায়েল-আমেরিকার যৌথ বিমান হামলার পরে ইরানের ইউরেনিয়ামকে আরও সমৃদ্ধ করে হাতিয়ার তৈরি বা ব্য়ালেস্টিক মিসাইল বানানোর ক্ষমতাই নেই।ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইজ়রায়েল ও আমেরিকার মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় রয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের লক্ষ্যের দিকে বিদ্যুৎগতিতে এগোচ্ছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২১ দিন ধরে ইজ়রায়েল-আমেরিকার যৌথ বিমান হামলার পরে ইরানের ইউরেনিয়ামকে আরও সমৃদ্ধ করে হাতিয়ার তৈরি বা ব্য়ালেস্টিক মিসাইল বানানোর ক্ষমতাই নেই।সাংবাদিক সম্মেলনে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, 'আমরা জিতছি। ইরান ধ্বংসের পথে। ইরানের মিসাইল ও ড্রোনের গুণগত মান ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। ওদের সব মিসাইল ও ড্রোন আমরা নষ্ট করে দেব'। তবে ইরান আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে না বলে যে দাবি নেতানিয়াহু করেছেন, তার সমর্থনে কোনও প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি।ইরান কিন্তু ইজ়রায়েল লক্ষ্য করে মিসাইল বা ড্রোন হামলা বন্ধ করেনি। নেতানিয়াহুর সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীনই তারা ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল ছুড়েছে ইজ়রায়েলের দিকে।ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডে ইজ়রায়েল একাই হামলা চালিয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু অবশ্য জানিয়েছেন, ওই ধরনের হামলা আর না চালাতে অনুরোধ করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্প অনুরোধ করলে ইজ়রায়েল ফের ইরানের প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডারে হামলা চালাবে। নেতানিয়াহুর কথায়, 'ট্রাম্প হামলা বন্ধ রাখতে বলেছেন। তাই বন্ধ রাখছি'।
82 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 05:27 AM
বিধানসভা নির্বাচনের সময় এলপিজি-র ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধিতে কলকাতার রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত

বিধানসভা নির্বাচনের সময় এলপিজি-র ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধিতে কলকাতার রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃকলকাতার রাস্তায় যাতায়াত করাই এখন দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, অন্যদিকে বিধানসভা নির্বাচনের কারণে গণপরিবহন তুলে নেওয়ার তোড়জোড়— এই জোড়া ফলায় বিদ্ধ সাধারণ যাত্রী। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই কলকাতায় অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম লিটার প্রতি ৮ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা(LPG Price Hike)। জ্বালানির এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও জোগানের অভাবে ইতিমধ্যেই শহর থেকে ৩০ শতাংশ অটো উধাও হয়ে গিয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতেই এলপিজির দাম লিটারে ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছিল ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। তার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে লিটার প্রতি এলপিজির দাম এক লাফে ৮ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা হয়ে গেল। ইরান-ইরাক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের জোগানে টান পড়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অটো চালকরা দ্বিগুণ ভাড়া চাইছেন, আবার অনেক রুটে গ্যাস ভরার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকায় রাস্তায় অটোর দেখা মিলছে না। অটোর সংকটের মাঝেই গোদের ওপর বিষফোড়ার মতো দেখা দিয়েছে নির্বাচন। পুলিশ ও আরটিও (RTO)-র পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই ১৬০০-র বেশি বেসরকারি বাস রিকিউজিশন করা হয়েছে। আগামী ৫ এপ্রিল থেকে রাস্তা থেকে বাস কমার হার আরও বাড়বে। বাসমালিকদের সংগঠন জানাচ্ছে, শহরে বর্তমানে প্রায় আড়াই হাজার বেসরকারি বাস চলে, যার মধ্যে অন্তত দু’হাজার বাসই নির্বাচনের কাজে তুলে নেওয়া হবে। ফলে অফিসযাত্রী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে। শুধু সরকারি বা বেসরকারি বাস নয়, নির্বাচনের ডিউটির জন্য স্কুলবাস, অ্যাপ ক্যাব এবং পুলকারও তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এমনকি অসমের নির্বাচনের জন্য উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু বাস সেখানে পাঠানো হতে পারে। সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহা বলেন, “এবার দু’দফায় নির্বাচন হওয়ায় এবং ফোর্সের সংখ্যা বেশি থাকায় একসঙ্গে অনেক গাড়ি তুলে নেওয়া হচ্ছে। তার ওপর অটো সংকট যোগ হওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে চলেছে।” সব মিলিয়ে, এপ্রিলের শুরু থেকেই কলকাতার রাস্তায় যাতায়াত করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে যে চরম নাজেহাল হতে হবে, তা এখন স্পষ্ট। সরকারি বাসও চাহিদার তুলনায় অমিল হওয়ায় বিকল্প যাতায়াতের কোনও উপায়ই অবশিষ্ট থাকছে না শহরবাসীর কাছে।
2 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 05:23 AM
পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিঃ ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত

পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিঃ ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত

এই সময়, তমলুক:আসন্ন ভোটকে সামনে রেখে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট পরিচালনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর্যালোচনায় ২৫ জন অবজার্ভারকে নিয়ে বৈঠক করল জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার নিমতৌড়িতে জেলাশাসকের কার্যালয়ে ওই বৈঠকে ছিলেন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলাশাসক, ১৬টি বিধানসভার রিটার্নিং অফিসার–সহ পদস্থ আধিকারিকরা। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত জেনারেল অবজার্ভার, পুলিশ অবজার্ভার ও এক্সপেন্ডিচার অবজার্ভারদের সঙ্গে জেলার সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ১৬ জন জেনারেল অবজার্ভার, চারটি মহকুমার জন্য চারজন পুলিশ অবজার্ভার এবং পাঁচ জন এক্সপেনডিচার অবজার্ভার নিযুক্ত হয়েছেন। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রেই একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক থাকবেন, যাঁরা ভোট প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি নজরদারি করবেন।সূচি অনুযায়ী, ৩০ মার্চ গেজেট নোটিফিকেশন হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল। যাচাই ৭ এপ্রিল এবং প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ এপ্রিল। জেলায় ভোটগ্রহণ ২৩ এপ্রিল এবং ভোটগণনা ৪ মে। ৬ মে-র মধ্যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট ভোটার প্রায় ৪০ লক্ষ ৮৫ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২১ লক্ষ ৫ হাজার ১৯২, মহিলা ভোটার ১৯ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮০৭ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৯ জন। ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সী নতুন ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৪৮ হাজার ৯৪৯। জেলায় মোট ৪৪২০টি প্রধান বুথ ও ৬২০টি সহায়ক বুথ রাখা হয়েছে। এ বারে বুথের ভিতরের পাশাপাশি বাইরেও সিসিটিভি–র নজরদারি থাকবে। প্রচারের খরচ এবং রাজনৈতিক গতিবিধির উপরেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।জেলাশাসক ইউনিস ঋষিন ইসমাইল বলেন, ‘জেলায় ২৫ জন অবজার্ভার এসেছেন। আজকের বৈঠকে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি, ম্যানপাওয়ার ও পরিকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাতে অবজার্ভাররা সন্তুষ্ট। জেলায় স্বচ্ছ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বত্র সতর্ক রয়েছে।
23 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 05:11 AM
সুস্মিতার বিয়ে নিয়ে বিতর্ক, প্রাক্তন শ্যালক সায়াক চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে তিরস্কার করেছেন

সুস্মিতার বিয়ে নিয়ে বিতর্ক, প্রাক্তন শ্যালক সায়াক চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে তিরস্কার করেছেন

অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীর প্রাক্তন বৌদি সুস্মিতা সম্প্রতি বিয়ে করেছেন৷ সেই বিয়েকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক৷ সায়ক সুস্মিতাকে সমাজমাধ্যমে কটাক্ষ করেন যেন এটাই সুস্মিতার শেষ বিয়ে হয়৷ বাচ্চার জন্য বিয়ে- এই নিয়ে সমাজমাধ্যমে একের পর এক কমেন্টে সুস্মিতার দিকে আঙুল তোলা হতে থাকে৷ এরপরেই সুস্মিতা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে লাইভ করেন৷ যদিও লাইভ করে সব সত্যি জানানোর আগে সায়কের সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়৷ সেই কথোপকথন সুস্মিতা সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেছেন৷ "আমি তোদের কোনও বিষয় কমেন্ট করি না। বহুবার বহু সাংবাদিক জানতে চাইলেও মুখ খুলিনি৷ কিন্তু তোরা যা শুরু করেছিস তার শেষ হওয়া দরকার৷ শেষ ভালভাবে করতে চাইছিস তাহলে ১১.১৫ এর মধ্যে চলে আয়।" ১২ টায় সাংবাদিকদের ডেকেছেন বলেও জানিয়েছেন সুস্মিতা৷ সায়ক সাংবাদিকদের আসতে বারণ করতে বলে সুস্মিতাকে৷ কিন্তু সুস্মিতা জানায়, সায়ক লাইভ লোকেশন শেয়ার না করলে সুস্মিতাও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা স্থগিত রাখবেন না৷ তিনি বলেন, "শেষ সাত বছর আমি তোদের কথাই শুনে এসেছি। সাত বছর ধরে তো ব্ল্যাকমেল করছিস৷ এবার আমি নিজে সেটা জানাব।" সায়ক সুস্মিতাকে নিবৃত করতে চাইলে সুস্মিতা বলে তাদের মধ্যে শুরু থেকেই কথা হয়েছিল কেউ কারও বিরুদ্ধে কোনও কথা বলবে না৷ বাচ্চা প্রসঙ্গে সুস্মিতা জানান, তিনি মা হতে অক্ষম এই অপবাদ শোনার পরেও তিনি মুখ খোলেননি যে সায়কদের পরিবার বাচ্চা চায়নি৷ সায়ক যখন বারবার সুস্মিতাকে থামানোর চেষ্টা করে এবং সায়কের দাদা সব্যসাচী এই বিষয় আর কোনও মন্তব্য করবে না যদি না সুস্মিতা আর কিছু বলে - এমন জানালেও সুস্মিতা বলেন, সমস্যার সমাধান করতে হলে সায়ককে আসতে হবে৷ নয়তো লাইভ করে সুস্মিতা সব সত্যি জানাবেন বলে দাবি করেন। সায়ক অনুনয়ের সুরে বলেন যে তিনি সব ঠিক করে দেবেন। রাগ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন সুস্মিতার বিরুদ্ধে। এমনকি বিয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে ভিডিয়ো বানাবেন সেকথাও বলেন৷ এরপরে সুস্মিতা লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন৷ বলেন, আমি বাঁচতে চেয়েছি, এটা কি অপরাধ? লেখা আর মানুষ এক নয়। আমি যখন সব্যসাচীকে বিয়ে করি তখন ওর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ছিল না। হ্যাঁ সব্যসাচীকে বিয়ের আগে আমার বিয়ে ছিল। সব্যসাচীরও একাধিক সম্পর্ক ছিল। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাচ্চার দায়িত্ব নিতে চাইলেও সুস্মিতাকে বাচ্চা রাখতে দেওয়া হয় না। সায়ক বলেছিল এই যে ফ্যামিলি ড্রামাটা আমরা দেখাই এটা আমাদের বিজনেস৷ এখান থেকে বেরিয়ে যাস না। আমার মা কালো, দেবলীনা নন্দীর গল্পের সঙ্গে সুস্মিতার গল্পের মিল আছে বলেও জানান সুস্মিতা৷ বাচ্চা না হওয়া আর বাচ্চা না চাওয়া দুটো আলাদা বিষয়। ২০১৯ এ আমার বাচ্চা মারা গেছে৷ আমার ডিভোর্স হয়েছে তার অনেক বছর পর৷ আমি থানায় যাব না। কারণ থানায় এর সলিউশন নেই৷ একটা সুন্দর লেখার পিছনে যে কত বড় শয়তান লুকিয়ে থাকতে পারে, তার কোনও ধারণা নেই। " সুস্মিতা লাইভে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন, "চারটে বিয়ে করা অপরাধ নাকি ১০ টা মানুষের সঙ্গে লিভ ইন করা অপরাধ? বউয়ের সামনে অন্য নারীতে আসক্ত হওয়া অপরাধ নাকি বাচ্চা চাওয়া অপরাধ? " লাইভের মধ্যেই ফোনে সায়ক চক্রবর্তী কতবার ফোন করেছেন সেটাও দেখান। সুস্মিতার আগে দুটো বিয়ে ছিল৷ এই ভয় দেখিয়ে তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হত, সুস্মিতা প্রশ্ন করেন, তাঁর দুটো বিয়ে ছিল বলে কি তাঁর সঙ্গে যা খুশি করা যায়? তাঁর টাকা লুট করা যায়? বিবাহিত স্বামী তাঁর সামনে অন্যনারীসঙ্গ করতে পারে? সুস্মিতা বলেছেন, সুন্দরবন থেকে এসে অনেক লড়াই করেছেন৷ অনেক ধাক্কা খেলেও তিনি হেরে যাননি৷ বড়লোক ছেলেকে বিয়ে করেননি বরং একসঙ্গে বড়লোক হচ্ছেন৷
96 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 05:04 AM
2026 আইপিএল মরশুমের আগে অনুশীলনে বিরাট কোহলি

2026 আইপিএল মরশুমের আগে অনুশীলনে বিরাট কোহলি

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃগত আইপিএল মরসুমে ১৪৪ স্ট্রাইক রেটে ৬৫৭ রান করে দলকে প্রথমবার ট্রফি এনে দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। ২০২৬-এর মরসুম(IPL 2026)শুরুর আগে ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সেই একই ছন্দে ধরা দিলেন ‘কিং কোহলি’। বৃহস্পতিবার নেটে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং অনুশীলনে ঘাম ঝরালেন তিনি। স্পিনারদের শাসন করলেও অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমারের মারণ ইয়র্কারে কিছুটা রক্ষণাত্মক মেজাজে দেখা গেল তাঁকে। বৃহস্পতিবার কোহলির অনুশীলনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বেঙ্গালুরুর দুই স্পিনার স্বপ্নিল সিং ও সূযশ শর্মার বলে একের পর এক বিশাল ছক্কা হাঁকাতে দেখা যায় বিরাটকে। কখনও ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে, আবার কখনও দাঁড়িয়ে থেকেই অনায়াসে বল গ্যালারিতে পাঠাচ্ছিলেন তিনি। পেসার বেঙ্কটেশ আইয়ার ও রসিক দারের বিরুদ্ধেও তাঁর ব্যাট থেকে চেনা কভার ড্রাইভ ও লফটেড শট দেখা গিয়েছে। অনুশীলনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুহূর্ত ছিল ভুবনেশ্বর কুমারের স্পেল। ৩৬ বছর বয়সেও ভুবির সুইং ও নিয়ন্ত্রিত বোলিং কোহলিকে কিছুটা সমস্যায় ফেলে। বিশেষ করে বিরাটের পা লক্ষ্য করে করা একটি নিখুঁত ইয়র্কার সামলাতে হিমশিম খান প্রাক্তন আরসিবি অধিনায়ক। শেষ মুহূর্তে কোনওরকমে পা সরিয়ে উইকেট বাঁচান তিনি। বলটি পাশে পড়ে থাকা একটি ব্যাটে লাগলে হাসিমুখে ভুবনেশ্বরের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা বলতে দেখা যায় বিরাটকে। দুই পুরনো সতীর্থের এই লড়াই ভক্তদের নস্টালজিক করে তুলেছে। আগামী মরসুমের প্রথম ম্যাচেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মুখোমুখি হবে চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। জয় দিয়ে মরসুম শুরু করাই এখন প্রধান লক্ষ্য কোহলির। গতবারের পারফরম্যান্স ধরে রেখে দলকে আবারও সাফল্যের শিখরে নিয়ে যেতে অনুশীলনে কোনও খামতি রাখছেন না আধুনিক ক্রিকেটের এই মহাতারকা।
31 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 04:48 AM
2026 আইপিএল মরশুমের আগে ঋষভ পন্থের অধিনায়কত্ব হুমকির মুখে

2026 আইপিএল মরশুমের আগে ঋষভ পন্থের অধিনায়কত্ব হুমকির মুখে

যদি ২০২৬ সালের IPL-এলখনউ সুপার জায়ান্টস(LSG) ভালো না করে, তা হলে কি তাদের অধিনায়কঋষভ পন্থকেসরিয়ে দেওয়া হবে? এই প্রশ্নটি শুনে অনেকেই চমকে যাবেন। আসলেই, টুর্নামেন্ট শুরুও হয়নি, কিন্তু এখন থেকেই পন্থকে সরানোর কথা উঠতে শুরু করেছে। এর পিছনে বড় কারণ হলো LSG-এর মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কার একটি বিবৃতি, যা ফ্যানদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।২০২৬ সালের IPL-এর সিজন শুরু হবে ২৮ মার্চ থেকে। লখনউ-এর প্রথম ম্যাচ ১ এপ্রিল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে। গত সিজনে সপ্তম স্থানে থাকা লখনউ এ বার ভালো করার আশা নিয়ে নামছে। তাই অধিনায়ক পন্থের উপরও চাপ থাকবে। তিনি ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল খেলোয়াড় হলেও, গত সিজনে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই এই সিজনটা তাঁর জন্য অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার বড় সুযোগ।তবে টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগে LSG-এর কর্ণধারের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। প্রথম ম্যাচের ঠিক ১৩ দিন আগে গোয়েঙ্কা একটি পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি মানুষকে তাদের ফলাফল দিয়ে বিচার করি, কতক্ষণ বসে কাজ করেছেন তা দিয়ে নয়। আউটপুটই একমাত্র সঠিক মানদণ্ড।’নতুন IPL সিজনের এত কাছাকাছি সময়ে এই পোস্ট বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি বিশেষ ভাবে পন্থের জন্যই বলা হয়েছে? অনেকেই মনে করছেন, এটা পন্থকে সতর্কবার্তা— যদি সিজন ভালো না যায়, তা হলে তাঁকে অধিনায়কের পদ থেকে সরানো হবে বা রিলিজ করা হতে পারে। পোস্টে ফ্যানদের প্রতিক্রিয়া ছিল যথেষ্ট তীব্র, অনেকে লিখেছেন, খেলাধুলাকে এমন ভাবে বিচার করা ঠিক নয়।সঞ্জীব গোয়েঙ্কা পরিচিত এমন মালিক হিসেবে, যিনি ক্রিকেটের সিদ্ধান্তে অনেক বেশি মাথা ঘামান। এবং খেলোয়াড়দের প্রকাশ্যে তিরস্কার করেন। লখনউ-এর প্রাক্তন অধিনায়ক কেএল রাহুলের সঙ্গে তাঁর আচরণ এর উদাহরণ। ২০২৪ সালের IPL-এর এক ম্যাচের পর মাঠে রাহুলকে প্রকাশ্যে বাজে ব্যবহার করেছিলেন। গত মরশুমেও পন্থের ব্যর্থতার পর বা টিমের হারের সময় তিনি খোলাখুলিই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আগেও যখন তিনি রাইজিং পুণে সুপারজায়েন্টসের মালিক ছিলেন, মাত্র একটি মরশুমের ব্যর্থতার পর এমএস ধোনিকে অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়েছিলেন, যা তখনও ব্যাপক বিতর্ক তৈরি করেছিল।
82 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 04:46 AM
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বদলি নিয়ে বিতর্ক

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বদলি নিয়ে বিতর্ক

আজকাল ওয়েবডেস্ক:ভোট ঘোষণা হতেই আচমকা ভিনরাজ্যে বদলি করে দেওয়া হচ্ছে রাজ্যের একের পর এক শীর্ষ আমলাদের। এতেই বিতর্ক তুঙ্গে উটেছে। কমিশনের সক্রিয়তাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে তোপ দেগেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। আমলাদের এই রদবদলকে গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে বিপজ্জনক ইঙ্গিত বলে সরব তিনি। আমলা রদবদল নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে মমতা ব্যানার্জির অভিযোগকে সমর্থন করছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কী বলেছেন ওমর আবদুল্লা?'এই ধরনের ব্যাপক রদবদল বা বদলি কেবল অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতেই ঘটে - বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে; তবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। অবশ্য, পশ্চিমবঙ্গ আবারও সেই সত্যটি প্রমাণ করবে যা আমি সর্বদা বিশ্বাস করে এসেছি - রাজনৈতিক দলগুলোর হয়ে নির্বাচনে জয় এনে দেন কর্মকর্তারা নন, বরং সেই দলগুলোর নেতারাই। নির্বাচন কমিশন ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে যতই কারসাজির চেষ্টা করুক না কেন, তাতে ফলাফলের কোনও পরিবর্তন হবে না। ভোট গণনার দিন মমতা দিদি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করবেন।' কেজরিওয়ালের বক্তব্য:'বিজেপি অসৎ উপায়ে নির্বাচনে জেতার জন্য নির্বাচন কমিশনকে তাদের অস্ত্র বানিয়েছে। আজ পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটছে, দিল্লির নির্বাচনেও ঠিক তাই হয়েছিল। ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে ফেলা হয়েছিল, পুলিশ প্রশাসন বিজেপির গুণ্ডামিকে প্রশ্রয় দিয়েছিল এবং পুরো প্রশাসন বিজেপিকে জেতানোর কাজেই ব্যস্ত ছিল। গণতন্ত্রকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। আজ মমতা দিদিও গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য লড়ছেন। এই সংগ্রামে আমরা তাঁর সঙ্গে আছি।' কী অভিযোগ বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর?গত রবিবার নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্য প্রশাসনে একাধিক রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্য ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে সরানোর পর অপসারণ করে হয় রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে। সরিয়ে দেওয়া হয় একাধিক জেলার পুলিশ সুপার ও কমিশনারকেও। বৃহস্পতিবারও রাজ্য কর্মরত ছ'জন আমলাকে ভিন রাজ্যে বদলি করেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের বিরোধিতা করে শুরুতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কড়া চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার আবারও কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হলেন মমতা ব্যানার্জি। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, 'এটি কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটা সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।' কমিশনের পদক্ষেপকে তিনি 'বাংলার প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা' বলেও দাবি করেছেন। কমিশনের কার্যকলাপের মধ্যে স্ববিরোধিতা রয়েছে, যা তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বলে মনে করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। উদাহরণ তুলে তিনি লেখেন, 'তারা (কমিশন) দাবি করে যে, অপসারিত আধিকারিকদের নির্বাচনী দায়িত্ব দেওয়া উচিত নয়; অথচ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই একই আধিকারিকদের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শিলিগুড়ি এবং বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারদের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করার সময় তাঁদের স্থলাভিষিক্ত কাউকে আগে থেকে নিযুক্ত না করায়, এই দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নগরকেন্দ্র কার্যত নেতৃত্বহীন হয়ে পড়েছিল। এই চরম প্রশাসনিক ত্রুটিটি প্রকাশ্যে আসার পরেই কেবল তড়িঘড়ি করে সংশোধনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এটি কোনও সুশাসন বা প্রশাসনিক দক্ষতা নয়; বরং এটি বিশৃঙ্খলা, বিভ্রান্তি এবং চরম অযোগ্যতারই প্রতিফলন—যাকে জোর করে 'কর্তৃত্ব' হিসেবে চালানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে।' মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, 'বাংলা কখনওই ভয়ভীতির কাছে নতি স্বীকার করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। বাংলা লড়াই করবে, বাংলা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে এবং বাংলার মাটিতে বিভেদকামী ও ধ্বংসাত্মক কোনও এজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টাকে বাংলা চূড়ান্তভাবে পরাস্ত করবে।'
29 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 04:43 AM
প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশ আধিকারিকদের বদলি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশ আধিকারিকদের বদলি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃরাজ্যের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও একের পর এক শীর্ষ পুলিশকর্তার বদলি(IPS Transfer)নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঠানো তিন পাতার একটি বিস্ফোরক চিঠিতে তিনি কমিশনের পদক্ষেপকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এবং ‘সংবিধানবিরোধী’ বলে কড়া আক্রমণ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, নির্বাচনী বিধিভঙ্গের কোনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই যেভাবে একতরফা বদলি করা হচ্ছে, তা রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্বল করার এক গভীর ষড়যন্ত্র। চিঠির শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি-সহ জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারদের যেভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাতে তিনি ‘গভীরভাবে মর্মাহত’। তাঁর প্রশ্ন, কোনও আলোচনা বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই ১৫ জন শীর্ষ পুলিশ আধিকারিককে কেন ভিনরাজ্যে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হলো? যাঁদের রাজ্যে দায়িত্ব পালনে ‘অযোগ্য’ মনে করা হচ্ছে, তাঁদেরই আবার অন্য রাজ্যে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করাকে ‘চরম স্বেচ্ছাচারিতা’ ও ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। চিঠিতে বিশেষভাবে উঠে এসেছে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ বা এসআইআর (SIR)-এর প্রসঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এখনও সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। এই সংকটজনক সময়ে জেলাশাসকদের সরিয়ে দিলে নতুন আধিকারিকদের পক্ষে বকেয়া কাজ সামলানো কঠিন হবে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ মানুষের আপিল করার সময় কমিয়ে দিয়ে এটা কি ‘গণতন্ত্রের প্রহসন’ করা হচ্ছে না? মার্চ-এপ্রিল মাসে বাংলায় কালবৈশাখীর প্রকোপ থাকে। মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, স্থানীয় পরিস্থিতি ও ভূপ্রকৃতি সম্পর্কে অভিজ্ঞ আধিকারিকদের সরিয়ে দিলে দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধারকাজ ব্যাহত হতে পারে। বাইরে থেকে আসা আধিকারিকদের পক্ষে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে। এর ফলে কোনও আইনশৃঙ্খলা সমস্যা তৈরি হলে তার দায়ভার নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। চিঠির শেষাংশে মুখ্যমন্ত্রী আরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, সংবিধানের ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদের অপব্যবহার করে রাজ্যে প্রশাসনিক অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। নির্বাচিত সরকারকে দুর্বল করার এই প্রচেষ্টাকে তিনি পরোক্ষ ‘জরুরি অবস্থা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রাজ্য ও কমিশনের এই টানাপড়েন এখন তুঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া চিঠির পর কমিশন পাল্টা কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
23 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 04:26 AM
উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

আজকাল ওয়েবডেস্ক:পাহাড়ের তিন আসন ছেড়ে,একযোগে ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার নজরে নির্বাচনী ইস্তেহার। শুক্রবার, বিকেল চারটেয়, কালীঘাটে তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করবেন দলের সুপ্রিমো। নির্বাচনী ইস্তেহার কী?আসলে ভোটের মুখে, রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি। জনগণের কাছে নিজেদের উদ্দেশ্য, দায়বদ্ধতা নিয়ে বার্তা। অর্থাৎ ভোট জিতলে, ওই দল, সাধারণের জন্য কী কী করার পরিকল্পনা করেছে, একযোগে তা জানানো। তৃণমূল কংগ্রেস, বারে বারে নির্বাচনী ইস্তেহারে চমক রেখেছে। ২০২১ সালের নির্বাচনী ইস্তেহার সেগুলির মধ্যে নজরত কেড়েছিল বিশেষভাবে। যেমন নজর কেড়েছিল একুশের ভোটের আগের স্লোগানগুলিও। এবার ভোটের নির্ঘণ্ট সামনে আসার আগেই তৃণমূল কংগ্রেস যুবসাথী প্রকল্প শুরু করে দিয়েছে। ভোটের আগেই, ১৫ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেছে রাজ্যবাসীর কাছে। সূত্রের খবর, ছাব্বিশের ভোটের মুখেও তৃণমূল মূলত ফোকাস করছে উন্নয়ন এবং নারী-যুব ক্ষমতায়নে। দেড় দশক ক্ষমতার মসনদে বসে থাকার পর, এই ভোট তৃণমূলের কাছে কেবল ফিরে আসার ভোট নয়। ভোট ১৫ বছরের সরকারের হয়ে রাজ্যের সামনে দাঁড়িয়ে, নিজেদের পুনরায় প্রমাণ করার ভোট। সেই কারণেই, গোটা প্রক্রিয়ায় এবার তৃণমূল কংগ্রেস অতি সাবধানী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তেমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। শাসক দলের প্রার্থী তালিকাতেই যদিও তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এবার একযোগে, ৭৪জন বিধায়ককে প্রার্থী তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। ১৫ বিধায়কের আসন বদল করেছেন এক ঝটকায়। ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকায় এবার একেবারে ছেঁটে ফেলা হয়েছে 'স্টার গ্লো'। বদলে যে কথা অভিষেক এর আগেও বারবার বলেছেন, দলে গুরুত্ব দেওয়া হবে পারফম্যান্সকে। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়টিকেও। এবারের প্রার্থী তালিকায় চমক অন্য এক বিষয়েও। ২৩৯ পুরুষ প্রার্থী এবং ৫২ মহিলা প্রার্থীদের যে তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, তাঁদের মধ্যে ১৩ জন মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়েছেন। যেখানে তাবড় তাবড় নামেদের নিয়ে জল্পনায় ছেয়ে গিয়েছিল চতুর্দিক, সেখানে ঠিক সকাল ১১টা থেকে, জেলায় জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস আচমকা যোগদান কর্মসূচি শুরু করে। বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, কলকাতা। জায়গায় জায়গায় শুরু হয় যোগদান। তখনও কেউ আঁচ করতে পারেননি, তাঁরাই তৃণমূলের প্রার্থী। ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেও তাঁরা তৃণমূলের কেউ ছিলেন না। এবার নজর, ইস্তেহারে। চতুর্থবার ফিরে আসার লরাইয়ের আগে, জনগণের মন জিততে কোন কোন বিষয় তুলে ধরবেন মমতা? অপেক্ষা কিছুক্ষণের।
38 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 04:20 AM
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার হালনাগাদঃ অসময়ের বৃষ্টিপাতের তীব্রতা, সতর্কতা জারি

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার হালনাগাদঃ অসময়ের বৃষ্টিপাতের তীব্রতা, সতর্কতা জারি

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃচৈত্রের শুরু থেকেই উত্তরবঙ্গ জুড়ে অকাল বৃষ্টির দাপট চলছে(North Bengal Weather Update)। কখনও ঝোড়ো হাওয়া, আবার কখনও শিলাবৃষ্টি— সব মিলিয়ে পাহাড় থেকে সমতল, সর্বত্রই আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা অব্যাহত। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, শুক্রবার থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ ও তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। দার্জিলিং থেকে মালদহ— সর্বত্রই শনিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির এই স্পেল জারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে চরম সতর্কতা আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলা অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর এবং মালদহে আগামী শনিবার পর্যন্ত দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে। শুক্রবার থেকে দুর্যোগের মাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে হিমালয় সংলগ্ন জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়া এবং কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির (Hailstorm) সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না হাওয়া অফিস। দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া ও কালবৈশাখীর পূর্বাভাস কেবল উত্তরবঙ্গ নয়, দক্ষিণবঙ্গেও শুক্রবার থেকে বৃষ্টির দাপট বাড়বে। শুক্র ও শনিবার দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এই সময়ে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তবে রবিবার থেকে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে। কলকাতার আকাশ ও তাপমাত্রা বুধবার কলকাতার আকাশ মূলত মেঘলা থাকবে। মঙ্গলবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪.২ ডিগ্রির আশেপাশে। শুক্রবার থেকে কলকাতাতেও ঝড়-বৃষ্টির মাত্রা বাড়তে পারে। তিলোত্তমায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবার সম্ভাবনা রয়েছে। এক নজরে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া পরিস্থিতি: চৈত্রের এই অকাল বৃষ্টিতে চা চাষ ও আম চাষের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন উত্তরবঙ্গের কৃষকরা। আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।
1 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 04:17 AM
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পার্ল হারবার হামলার কথা উল্লেখ করলেন ট্রাম্প

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পার্ল হারবার হামলার কথা উল্লেখ করলেন ট্রাম্প

আজকাল ওয়েবডেস্ক:মার্কিন সফরে গিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সানায়ে তাকাইচি। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ট্রাম্প-তাকাইচি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। পরে একজন জাপানি সাংবাদিক মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে জানতে চান যে, ইরানে হামলা চালানোর আগে আমেরিকা কেন জাপান-সহ ইউরোপ ও এশিয়ার 'বন্ধু'দেশগুলোকে এই বিষয়ে আগেভাগে জানায়নি। জবাবে একঘর কূটনীতিকের সামনে আচমকা ১৯৪১ সালে জাপানের পার্ল হারবার হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প বলে বসেন, "আপনারা তো আচমকাই পার্ল হারবারে হামলা চালিয়েছিলেন। আগে থেকে আমাদের বলেছিলেন?" ভরা সভায় এতেই অস্বস্তিতে পড়েন জাপানি প্রধানমন্ত্রী। তবে ওই সাংবাদিক বৈঠকেই যুদ্ধের আগাম আভাস কেন দেওয়া হয়নি তা ব্যাখ্যা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, "একটা কথা মনে রাখবেন, আপনি চাইবেন না যে আপনার পরিকল্পনার আগাম কোনও ইঙ্গিত বা বার্তা শত্রুপক্ষের কাছে পৌঁছে যাক। আমরা যখন অভিযানে নামি, তখন অত্যন্ত কঠোরভাবেই নামি। আর আমরা কাউকে এ বিষয়ে কিছু জানাইনি, কারণ আমরা শত্রুপক্ষকে চমকে দিতে চেয়েছিলাম।"এরপর তিনি কৌতুকের সুরে যোগ করেন, "চমক বা আকস্মিক আক্রমণের বিষয়টি জাপান ছাড়া আর কে-ই বা ভাল বোঝে? আপনারা পার্ল হারবার হামলার কথা আমাদের কেন আগে জানাননি?" ট্রাম্প আরও বলেন, "আমার মনে হয়, চমক বা আকস্মিক আক্রমণের ওপর আপনাদের বিশ্বাস আমাদের চেয়েও অনেক বেশি।" ট্রাম্প এখানে যে 'চমক'-এর কথা উল্লেখ করেছেন, তা হল ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে জাপানের আকস্মিক বিমান হামলা। ওই হামলায় ২,৩৯০ জন মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছিলেন। এর ঠিক পরদিনই আমেরিকা, জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ শুরু হয়। আমেরিকার ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট সেই দিনটি সমন্ধে বলেছিলেন—"এমন একটি দিন, যা চিরকাল কলঙ্কের দিন হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।" ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আমেরিকার পারমাণবিক বোমা হামলার মধ্য দিয়ে সেই যুদ্ধের অবসান ঘটে। ১৯৫১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আমেরিকা ও জাপান একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে এবং সেই থেকে তারা একে অপরের 'বন্ধু' হিসেবেই অবস্থান করছে। এরপর ট্রাম্প আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানকে আকস্মিকভাবে আক্রমণের সুফল বা ফলাফল সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "ওদের চমকে দেওয়াটা জরুরি ছিল এবং আমরা ঠিক সেটাই করেছি। আর সেই আকস্মিক আক্রমণের সুবাদেই—অভিযানের প্রথম দু'দিনের মধ্যেই—আমরা সম্ভবত আমাদের লক্ষ্যমাত্রার ৫০ শতাংশ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি; যা আমাদের পূর্ব-ধারণার চেয়েও অনেক বেশি ছিল। আর আমি যদি আগেভাগেই সবাইকে এ বিষয়ে জানিয়ে দিতাম, তবে তো সেটা আর 'চমক' হিসেবেই গণ্য হত না।" 'বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা কেবল আপনার দ্বারাই সম্ভব': ট্রাম্পের প্রশংসায় জাপানি প্রধানমন্ত্রী মধ্য এশিয়ায় চলমান সংঘাত বর্তমানে ২১তম দিনে গড়িয়েছে। সে প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জাপানি প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, বিশ্ব বর্তমানে "বিশ্ব অর্থনীতি মারাত্মক এক ধাক্কার সম্মুখীন হতে চলেছে।" তবে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুদায়িত্ব তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপরই ন্যস্ত করেন। বলেন, "আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, একমাত্র আপনিই- ডোনাল্ড - সমগ্র বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। আর তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যটি সম্মিলিতভাবে অর্জনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বহু অংশীদারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে আমি প্রস্তুত।" তাকাইচি প্রতিবেশী অঞ্চলে ইরানের আক্রমণ এবং হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। পাল্টা ট্রাম্প বলেন, "আমি আশা করি জাপান এগিয়ে আসবে, বুঝতেই পারছেন - কারণ আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কটি ঠিক সেই মানেরই।"
62 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 04:05 AM
বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে নিরাপত্তা বাড়াল পুলিশ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে নিরাপত্তা বাড়াল পুলিশ

শিলিগুড়ি:বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই শিলিগুড়ি জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করেছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। নির্বাচনের আগে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ভোরে প্রধান নগর থানার সাদা পোশাকের পুলিশ এক বড়সড় অভিযানে নেমে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করল(Arms Recovery Siliguri)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যে প্রধান নগর থানার পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে যে, দার্জিলিং মোড় এলাকায় এক যুবক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরি করছে। খবর পাওয়া মাত্রই সাদা পোশাকের পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় হানা দেয়। বেশ কিছুক্ষণ ওঁত পেতে থাকার পর ২৪ বছর বয়সী গোপাল কর্মকার নামে এক যুবককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। পুলিশ ওই যুবককে আটক করে তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ হয় তদন্তকারীদের। তল্লাশির সময় গোপালের কোমর থেকে একটি দেশি পিস্তল এবং পকেট থেকে একটি জীবন্ত কার্তুজ উদ্ধার হয়। কোনও বৈধ নথি দেখাতে না পারায় পুলিশ তাকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে (Arms Act) মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, নির্বাচনের আগে নাশকতা চালানো বা পাচারের উদ্দেশ্যেই এই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে কোনও বড় আন্তঃরাজ্য অস্ত্র পাচারকারী চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রধান নগর থানার পুলিশ। ধৃতকে বৃহস্পতিবারই শিলিগুড়ি আদালতে তোলা হবে। ভোটের আগে শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গ বর্তমানে ‘হাই অ্যালার্ট’-এ রয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী দিনেও এ ধরণের তল্লাশি অভিযান ও কড়াকড়ি জারি থাকবে। বিশেষ করে শহরের প্রবেশপথ ও ভিড় এলাকায় সাদা পোশাকের পুলিশের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
49 shares
😊
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 03:53 AM
দমদম হাসপাতালে লিফটে ত্রুটির কারণে রোগীর মৃত্যু

দমদম হাসপাতালে লিফটে ত্রুটির কারণে রোগীর মৃত্যু

আজকাল ওয়েবডেস্ক:হাসপাতালে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। কিন্তু যে ভয়াবহ ঘটনা ঘটল রোগীর সঙ্গে, পরিণতি হল মৃত্যু। তথ্য, আরজি করে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন দমদমের বাসিন্দা। হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টার লিফটে আটকে মৃত্যু হয় তাঁর। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির বয়স চল্লিশ বছর। নাম, অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে চিকিৎসার জন্য পাঁচ তলায় লিফটে করে যাচ্ছিলেন আজ ভোরে। ছেলে এবং স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে। সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তির অপর এক পুত্র ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। তাঁর কাছেই যাচ্ছিলেন তিনজন। তখনই লিফট আটকে পড়ে‌। সেখানে হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তবে বাকি দু'জন সুস্থ রয়েছেন বলেই তথ্য প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় লিফটে কোনও লিফট ম্যান ছিলেন না। ইতিমধ্যেই লিফট ম্যানকে আটক করা হয়েছে। হাসপাতালের মধ্যে কীভাবে এই যান্ত্রিক ত্রুটি, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠছে, এই ধরনের ঘটনা কীভাবে ঘটল না নিয়েও। ঘটনায় উত্তাল হয় এলাকা। অন্যান্য রোগীর পরিজনেরা ক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছে পুলিশ।
13 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 03:48 AM
নির্বাচন কমিশন প্রবীণ নাগরিক এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য হোম ভোটিং সুবিধা চালু করেছে

নির্বাচন কমিশন প্রবীণ নাগরিক এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য হোম ভোটিং সুবিধা চালু করেছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। এবারও ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়স্ক প্রবীণ নাগরিক এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য বাড়িতে বসেই ভোট দেওয়ার(Home voting facility)সুবিধা থাকছে। শুক্রবার এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়েছে, কারা এই সুবিধা পাবেন এবং কীভাবে আবেদন করতে হবে। বাড়িতে বসে ভোটের নিয়মাবলি কমিশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পাঁচ দিনের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ৮৫ ঊর্ধ্ব প্রবীণ বা বিশেষ ভাবে সক্ষম ভোটার অথবা তাঁদের পরিবারের লোককে নির্দিষ্ট বিএলও-র (BLO) মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারের কাছে‘১২ডি’ (12D)ফর্মে আবেদন জানাতে হবে। আবেদন মঞ্জুর হলে রিটার্নিং অফিসাররা ভোটগ্রহণের একটি সময়সূচি স্থির করবেন, যা সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদেরও জানানো হবে। নির্দিষ্ট দিনে ভোটকর্মীরা সরাসরি ভোটারের বাড়িতে গিয়ে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট সংগ্রহ করবেন। পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা পাবেন কারা? জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্য এবারও পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন: এঁদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মনোনীত নোডাল অফিসারের কাছে আবেদন করতে হবে। এ ছাড়াও, ভোটের কাজে নিযুক্ত কর্মীদের জন্য থাকছে ‘ফেসিলিটেশন সেন্টার’, যেখানে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। সেনাবাহিনী ও আধা-সেনাদের জন্য ইটিপিবিএস দেশরক্ষা বা আধা-সেনা বাহিনীর জওয়ানদের জন্য ইলেকট্রনিক ভাবে পোস্টাল ব্যালট সিস্টেমের (ETPBS) ব্যবস্থা করেছে কমিশন। রিটার্নিং অফিসার ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ব্যালট পাঠাবেন এবং জওয়ানরা ডাক পরিষেবার মাধ্যমে তাঁদের ভোট পাঠাতে পারবেন। এর জন্য কোনো ডাক খরচ দিতে হবে না। তবে মনে রাখতে হবে, ৪ মে ভোট গণনার দিন সকাল ৮টার মধ্যে এই ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে পৌঁছানো বাধ্যতামূলক। এই বিশেষ পদক্ষেপের ফলে শারীরিক অসুস্থতা বা কাজের চাপের কারণে কেউ যাতে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন।
23 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 03:41 AM
ভারতের আবর্জনা সংকটঃ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বোঝা

ভারতের আবর্জনা সংকটঃ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বোঝা

নিত্য ব্যবহার্য যে কোনও সামগ্রীর কোনও না কোনও অংশ এক সময় বর্জনীয়। সেই বর্জ্যই প্রতিদিন জমা হয় আস্তকুঁড়ে। হিসাব বলছে, এ দেশে প্রতি বছর ৬২ লক্ষ টন আবর্জনা তৈরি হয়। তার মধ্যে প্লাস্টিকের মতো সামগ্রীর বর্জ্যের পরিমাণ ৯ লক্ষের কাছাকাছি, যা প্রকৃতিতে মিশে যায় না। তাই মানুষকে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে এই বর্জ্য নিয়ে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কী? পচনশীল বা অপচনশীল আবর্জনাকেই পুর্নব্যবহারের জন্য গড়ে উঠেছে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্ট। ওই সব কেন্দ্রে পচনশীল জৈব বর্জ্য পদার্থ, অপচনশীল অজৈব বর্জ্য পদার্থ যেমন কাগজ, পেন্সিল এবং রবারজাত দ্রব্য, এবং প্লাস্টিক ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর অব্যবহারযোগ্য অংশগুলিকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করা হয়ে থাকে। এই পদ্ধতিটিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বলা হয়ে থাকে। যাঁরা আবর্জনাকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলেন, তাঁদের ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট অফিসার বলা হয়ে থাকে। এই পেশায় আসার জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট-এর কৌশল জানা প্রয়োজন। তা ছাড়াও প্রার্থীদের বিশেষ বিষয়ে ডিগ্রিও থাকতে হবে। পড়াশোনার সুযোগ: মূলত পরিবেশ রক্ষার জন্যই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হয়ে থাকে। এ বিষয়ে আগ্রহ থাকলে দ্বাদশের পর স্নাতক স্তরে পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়টি বেছে নেওয়া যেতে পারে। ওই বিষয়ের মাধ্যমেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার খুঁটিনাটি শিখতে পারবেন পড়ুয়ারা। কারণ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্নাতক স্তরে আলাদা করে পড়ানো হয় না। তবে, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলিতে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে ব্যাচেলর অফ সায়েন্স (বিএসসি) করানো হয়ে থাকে। পাশাপাশি, ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ওই বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা করানো হয়ে থাকে। এ ছাড়াও ইনস্টিটিউট ফর ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট, ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অন টেকনোলজি এনহ্যান্সড লার্নিং (এনপিটিইএল) থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সার্টিফিকেট কোর্স করার সুযোগ পাওয়া যায়। কী শেখানো হয়? বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অপচনশীল অজৈব এবং পচনশীল জৈব বর্জ্য পদার্থ চিহ্নিত করে তা পুর্নব্যবহারযোগ্য করে তোলার কৌশল শেখানো হয়ে থাকে। বর্জ্যের প্রকারভেদ অনুযায়ী, সার বা বিভিন্ন সামগ্রী কী ভাবে তৈরি করা হয়, তাও শিখে নেওয়া যেতে পারে। কাজের সুযোগ: ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্টে প্রসেসিং ম্যানেজার, ফিল্ড কেমিস্ট, প্লান্টে সুপারভাইজ়ার, প্রজেক্ট কো‌‌-অর্ডিনেটর, এনভায়রনমেন্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ পাওয়া যায়। ওই সমস্ত পদে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ করা হয়। পদোন্নতির পর ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট অফিসার হিসাবেও কাজের সুযোগ পাওয়া যাবে।
65 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 03:38 AM
বলিউড সেলিব্রিটি থেকে বিজয়-রশ্মিকার বিয়েঃ হেয়ারড্রেসার হিসাবে সৌরভ রায়ের যাত্রা

বলিউড সেলিব্রিটি থেকে বিজয়-রশ্মিকার বিয়েঃ হেয়ারড্রেসার হিসাবে সৌরভ রায়ের যাত্রা

কলকাতায় নয়, অসমেই জন্ম ও বড় হওয়া। বাঙালি পরিবারের ছেলে।কাজ করার পরিকল্পনা ছিল টলিউডে, কিন্তু পৌঁছে যান বলিউডে। তব্বু থেকে জাহ্নবীকপূর, শিল্পা শেট্টী থেকে মলাইকা অরোরা— কাকে না সাজিয়েছেন তিনি! গত তিন বছর ধরেনিজের কেশসজ্জার জন্য সৌরভকে ছাড়া আর কাউকে বিশ্বাস করেন না রশ্মিকা মন্দানা।গায়ে হলুদ, মেহন্দি বা বিয়েতে তাই বাঙালি কেশসজ্জাশিল্পীর ছোঁয়া এতটাই স্পষ্ট।আনন্দবাজার ডট কম-এর মুখোমুখি হয়ে নিজের যাত্রা থেকে বিজয়-রশ্মিকার বিয়েরখুঁটিনাটি, সব প্রকাশ করলেন ২৬ বছরের সৌরভ রায়। প্রশ্ন: এখন রশ্মিকার চুলের গোটাদায়িত্ব আপনারই কাঁধে? চারদিকে আপনাকে নিয়ে কত আলোচনা! সৌরভ:সকলের এতভালবাসা পেয়ে সত্যিই আপ্লুত আমি। ‘টিম ব্রাইড’ (কনের দল)-এর সকলেরই কৃতিত্ব আছে এতে। সবচেয়ে বড়কৃতিত্ব রাশুর (রশ্মিকাকে তিনি যে নামে ডাকেন)। ওঁ আসলে বড় সুন্দর মনের মানুষ, সেটার ছাপ ওঁর মুখেই পড়ে। তাই সব অনুষ্ঠানেএত অপূর্ব দেখাচ্ছিল রশ্মিকাকে। প্রশ্ন: আর বিজয় কেমন? সৌরভ:বিজয়েরসঙ্গে কাজ করিনি। রশ্মিকার সঙ্গেই থাকতাম ওই দিনগুলোয়। কিন্তু বিজয়ও দুর্দান্ত এক মানুষ। তাঁর সাজও প্রচুর প্রশংসা পেয়েছে। তারউপরে ওঁদের প্রেমটা ভীষণ মিষ্টি। বিয়ে ও গায়ে হলুদে রশ্মিকার কেশসজ্জা। ছবি: সংগৃহীত প্রশ্ন: উদয়পুরে রশ্মিকা-বিজয়েরবিয়ের ৫ দিনে বিশেষ নিয়মকানুন মানতে হয়েছিল? সৌরভ:সব তারকা-বিয়েতেই এখনঅল্পস্বল্প নিয়ম মেনে চলতে হয়। ফোন লক করা, ক্যামেরা ঢেকে রাখা ইত্যাদি। সকলেরজন্যই এক নিয়ম। এগুলো দরকারি বলেই মনে হয় আমার। আমাদেরও যা ছবি, ভিডিয়ো উঠেছে, তাপেশাদার চিত্রগ্রাহকরাই তুলেছেন। প্রশ্ন: খাবারদাবার কেমন ছিল? সৌরভ:কত রকমের খাবার,তা গুনে শেষ করা যাবে না। (হেসে) অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণই ছিল খাবার। দক্ষিণ থেকেউত্তর, সব জায়গার রান্না ছিল। প্রশ্ন: বিজয়-রশ্মিকাও ডায়েট ভেঙেখাওয়াদাওয়া করছিলেন? সৌরভ:তাঁদেরজীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন। (হেসে) ডায়েটের কথা কে মাথায় রাখে? তবেতার মধ্যেও স্বাস্থ্যের কথা খেয়াল রাখতে হচ্ছিল বটে। ৫ দিনের একটানা পর পর অনুষ্ঠান যে। অত ধকল নেওয়ার জন্য কিছু তো নিয়মমানতেই হবে। তাই কিছু মিষ্টি পদ ছিল চিনি ও গ্লুটেনহীন। আসলে রশ্মিকা মিষ্টি খেতে খুব ভালবাসেন। তিনি ওগুলোই খাচ্ছিলেন। বিজয়ওখুব স্বাস্থ্যসচেতন। তাঁদের পরিবারের লোকজনও তেমন। রিসেপশন ও মেহন্দিতে রশ্মিকার কেশসজ্জা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম প্রশ্ন: তাঁরা যে সম্পর্কেজড়িয়েছেন, সে খবর নিশ্চয়ই আপনাদের কাছে আগেই ছিল? সৌরভ:(হেসে) হ্যাঁ! ওঁরা আসলে বাইরের জগৎকে সব কথা আগে থেকে বলতে চাননি। কিন্তু আমরাতো জানতামই যে, বিয়েটা হবে। আজ, নয়তো কাল। ওঁদের প্রেম কি আর আজকের কথা? ৭ বছরের তুমুল প্রেম। এত দিনের সম্পর্ক, তাও ওঁদের এখন দেখলে মনে হবে, যেননতুন জুটি। বিয়ের দিন রশ্মিকাকে দেখলে বুঝতে পারতেন, কতটা খুশি ছিলেন তিনি। প্রশ্ন: সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তকোনটি ছিল বিজয়-রশ্মিকার? সৌরভ:ওঁদের বাগ্‌দানেরদিনটা ঐশ্বরিক ছিল। যখন বিজয় ওঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন হাঁটু মুড়ে…রশ্মিকাও হাঁটু মুড়ে বসে পড়েন। চোখে হালকা জলও আসে দু’জনের।ওই মুহূর্তটা ভীষণ সুন্দর ছিল। প্রশ্ন: আর বিয়ের প্রস্তুতি? সৌরভ:বিয়ের ৬-৭ মাসআগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু চুপিচুপি। রশ্মিকা নিজের সাজ নিজেইঠিক করেছিলেন। আর এত বছর ধরে রশ্মিকার সঙ্গে কাজ করে ওঁর পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কেধারণা আমার ছিলই। তাই আলাদা করে খুব খাটতে হয়নি। অন্যান্য তারকা-বিয়ের মতো কোনও ‘স্টেটমেন্টলুক’ এখানে করা হয়নি। একেবারেই ওঁর পছন্দের কথা ভেবে সাজগোজঠিক করা হয়েছিল। প্রশ্ন: কোন দিন কী রকম সাজবেনবলেছিলেন রশ্মিকা? সৌরভ:বিয়ের সাজেরশ্মিকা শুরু থেকেই ‘লং মারমেড হেয়ার’চেয়েছিলেন। মানে পিছন থেকে চুলটা পুরো মৎস্যকন্যার মতো দেখতে লাগবে। গায়ে হলুদেরদিন টানটান থাকবে চুল, পিছনে ঝুঁটি। মেহন্দির জন্য চুল একটু হালকা বাঁধতেচেয়েছিলেন। একটু মজাদার কিছু দরকার ছিল। রিসেপশন নিয়ে আমরা একটু ধন্দে ছিলাম।বিনুনি থাকবে, না কি খোঁপা। কারণ, আগের কোনও অনুষ্ঠানে আমরা খোঁপা করিনি। শেষমেশআমরা বিনুনিই করি ওঁর চুলে। রশ্মিকার কেশসজ্জার দায়িত্ব সৌরভের কাঁধেই। ছবি: ইনস্টাগ্রাম প্রশ্ন: সব সাজ কি তবে পরিকল্পনামতোই হল? সৌরভ:তা কি আর হয়!গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান অনেকটা হোলির মতো আয়োজন করা হয়েছিল। হলুদের হোলি। দু’টিকে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সবাই যাতে আনন্দ করতে পারেন। কিন্তু সেটা আমরা আগে থেকে জানতাম না। ফলেসেখানেই বিপাকে পড়তে হয়। জলের সঙ্গে রং মেশানো ছিল। রশ্মিকাও প্রচণ্ড রংখেলেছিলেন। সেই সময়েই ওঁর চুলে লাল রং ধরে যায়। আমরা কেউই বুঝতে পারিনি। তার পরযখন মেহন্দির জন্য সাজানো হচ্ছিল, তখন দেখা যায়, রশ্মিকার চুলে লাল রং ধরে গিয়েছে!প্রচণ্ড দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। কারণ, আমার কাছে যা যা পরচুলা ছিল, চুলেরপিছনে আটকানোর জন্য, তার সঙ্গে রং মিলত না। এ দিকে, পুরো বিয়ের অনুষ্ঠান তখন বাকি। প্রশ্ন: তাই জন্যই কি রশ্মিকারচুলে লাল আভা দেখা যায় বিমানবন্দরের সাজেও? সৌরভ:(হেসে) হ্যাঁ।ওটা সহজে তোলা যায়নি। প্রশ্ন: মেহন্দি আর বিয়েরঅনুষ্ঠান কী ভাবে সামলালেন? সৌরভ:আমি খুবই চিন্তায়পড়ে গিয়েছিলাম। রশ্মিকা ভেবেছিলেন, স্নানের পর উঠে যাবে। কিন্তু সেটা হয়নি। আমিওঁকে বললাম, ‘‘রাশু, তোমার চুল একেবারে ল’রিয়ালেরবিজ্ঞাপনের মতো দেখাচ্ছে। পুরো বারগেন্ডি লাল হয়ে গিয়েছে।’’রশ্মিকা খানিক ক্ষণের মধ্যেই শান্ত হয়ে যায়। আমরাও ধীরে ধীরে পরচুলার সঙ্গে ওঁরচুলের রং মিলিয়ে মিলিয়ে বিষয়টিকে সামলে নিই। বুঝতেই পারবেন না, চুলের কোন অংশ ওঁরনিজের, কোন অংশ নয়। প্রশ্ন: বলিউডের আর পাঁচটা বিয়েরসাজ থেকে কী ভাবে আলাদা বিজয়-রশ্মিকার সাজ? সৌরভ:সাজের থেকেওঅন্য একটা বিষয় কাজ করেছে এখানে। দু’জন যে সাজই বেছে নিন নাকেন, তা ছিল অন্য রকম। কারণ, ওঁরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব এবংঐতিহ্যকে ধরে রাখতে চেয়েছিলেন। কোনটা ট্রেন্ডিং বা লোকে কোনটা নিয়ে বেশি আলোচনাকরবেন, এ সব ভেবে এগোননি। প্রশ্ন: রশ্মিকা আর বিজয় কিতাঁদের সাজে সীতা আর রামের ছাপ রাখতে চেয়েছিলেন? অনেকেইকিন্তু মিল পেয়েছেন। সৌরভ:আমি ঠিকজানি না ওঁদের উদ্দেশ্য সেটা ছিল কি না। কারণ, আমাদের কিছু বলেননি লুক সেট হওয়ারসময়ে বা সাজার সময়ে। তবে এটা ঠিক, রশ্মিকা নিজের সাজে দেবীর ছাপ রাখতে চেয়েছিলেন।আসলে সেটা ওঁর কোডাভা সংস্কৃতির সাজের সঙ্গেই চলে আসে। সেটাকেই অনেকে সীতার সঙ্গেতুলনা করছেন হয়তো। কেশসজ্জাশিল্পী সৌরভ রায়। ছবি: সংগৃহীত প্রশ্ন: রশ্মিকাকে সাজানোরবিশেষত্ব কোথায়? সৌরভ:ওঁরব্যক্তিত্ব। ওঁর এনার্জিটাই খুব পজ়িটিভ। সবাইকে আনন্দে রাখে, হাসিয়ে রাখে। শান্ত,কখনও বিরক্ত হন না। ওঁর মধ্যে ছোট শহরের একটা ছাপ এখনও রয়ে গিয়েছে। এখনও কুর্গথেকে আসা ওই মিষ্টি, সরল মেয়েটা ওঁর ভিতরে রয়েছে। প্রশ্ন: বলিউডে আর কার সঙ্গে কাজকরতে ভাল লাগে? সৌরভ:প্রথমনাম, রশ্মিকাই হবে। দ্বিতীয়, জাহ্নবী কপূর। প্রশ্ন: কোন অভিনেত্রীর চুলসবচেয়ে ভাল? সৌরভ:(হেসে) প্রথম রশ্মিকা, তার পর জাহ্নবী। দু’জনের মধ্যেইদক্ষিণ ভারতীয় রক্ত রয়েছে। তৃতীয় নাম বলতে হলে, শিল্পা শেট্টী। এই বয়সেও প্রচণ্ডঘন ও সুন্দর চুল। প্রশ্ন: কিন্তু নায়িকাদের নাকিপরচুলা পরাতেই হয়? সৌরভ:সে তো সিনেমায়বিভিন্ন চরিত্রের জন্য পরতেই হয়। যেমন ‘মেট্রো ইন দিনো’-তে সারা আলি খানকে বব কাট করা উইগ পরাতে হয়েছিল। সারার সঙ্গে সৌরভ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম প্রশ্ন: কিন্তু এমনি সময়েও তোপরতে হয়? সৌরভ:না, না।সিনেমা ছাড়া তাঁরা পরচুলা পরেন না। প্রশ্ন: বিয়ের জন্য রশ্মিকাকেপরতে হয়েছিল যে? সৌরভ:সেটাও তোপ্রয়োজনে। মৎস্যকন্যার মতো চুল তৈরি করতে হলে যে কারও চুলেই সেটা প্রয়োজন। কেবল ওইদৈর্ঘ্যটা পাওয়ার জন্য পরচুলার দরকার পড়ে। তা-ওঅল্প করে পিছন দিকে। কিন্তু রোজের সাজে একেবারেই নায়িকারা পরচুলা পরেন না। নিজেদেরচুলের সাজই যথেষ্ট। প্রশ্ন: নায়কদের সঙ্গে কাজ করতেচান না? সৌরভ:সত্যি বলতে,পুরুষদের চুলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার অবকাশ বড়ই কম। লম্বা চুল থাকলেও। চরিত্রেরক্ষেত্রেও ৫-৬টির বেশি স্টাইল করা যায় না। তাই পেশা হিসেবেও সুযোগ কম। তা ছাড়া, আমার মহিলাদের সাজাতেই বেশি ভাললাগে। ছোট থেকেই আমি বাড়ির মেয়েদের সাজাতে ভালবাসতাম। প্রশ্ন: বাড়ির পুরুষ মেয়েদেরসাজাতে ভালবাসে, সমাজ তো সোজা চোখে দেখে না এটা। তা নিয়ে সমস্যা হয়নি বা়ড়িতে? সৌরভ:আমার পরিবারেসত্যিই কোনও দিন এ সব নিয়ে কেউ ভাবতেন না। তবে এ-ও ঠিক, কেউ ভাবেননি যে আমি এটাকেইপেশা করে নেব। ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার বা শিক্ষক অথবা ও রকম কিছুই করব বলে ধরেনিয়েছিলেন সকলে। প্রশ্ন: প্রথম দিকে নিশ্চয়ই খুবইকঠিন ছিল মুম্বইয়ের জীবন? সৌরভ:খানিকটা ছিল বটে। কিন্তুআমি ওখানে গিয়েই একটা কোর্স করেছিলাম। সেই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রচুর সাহায্যপেয়েছিলাম। ওরাই প্রথম দিকে সহকারী হিসেবে কাজের সন্ধান দিয়েছিল। প্রথম কাজইপেয়েছিলাম পোশাকশিল্পী সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় ও মণীশ মলহোত্রর ফ্যাশন শো-তে। প্রশ্ন: বলিউডে পা পড়ল কী ভাবে? সৌরভ:একাধিকরূপটানশিল্পীর সঙ্গে যোগাযোগ করি, যাঁরা বলিউডে কাজ করেন। সে ভাবেই এক জনখ্যাতনামী শিল্পীর সহকারী হিসেবে সুযোগ পাই সিনেমায় সাজানোর জন্য। ৬ মাস পর ধীরেধীরে একা কাজ করার পথে এগোই। প্রশ্ন: প্রথম কোন তারকার মূলকেশসজ্জাশিল্পী হিসেবে কাজ করেন? সৌরভ:সহকারী হিসেবে তব্বুম্যাম, মলাইকা অরোরাদের সঙ্গে কাজ করেছি। কিন্তু তারা সুতারিয়ার সঙ্গে প্রথম কাজশুরু আমার। তব্বু এবং তারা সুতারিয়াকে সাজাতে ব্যস্ত সৌরভ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম। প্রশ্ন: কলকাতায় কাজ করার ইচ্ছেআছে? সৌরভ:খুব আছে!কিন্তু কোনও সুযোগ আসেনি এখনও। প্রশ্ন: কোন কোন নায়িকাকে সাজাতেচান? সৌরভ:কোয়েলমল্লিক! ছোটবেলায় ওঁর ছবির গান খুব দেখতাম। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ও খুব সুন্দরী।তাঁর কেশসজ্জা করারও ইচ্ছে আছে। প্রশ্ন: তা হলে তো কলকাতায় আসতেইহবে! সৌরভ:আমি তো যাই। যদিও খুব বেশি না। কাজের জন্য মলাইকা এবংসারার সঙ্গে বহু বার গিয়েছি কলকাতা। প্রতি বার প্রচুর মিষ্টি খেয়ে আসি। মুম্বইয়েরবাঙালি বন্ধুদের জন্য তো কলকাতা থেকে লুচি, কষা মাংস, মিষ্টি দই, রসগোল্লা নিয়েওআসতে হয়।
67 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 03:36 AM
কিংবদন্তি গায়ক আলকাজিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাঃ তাঁদের সঙ্গীত যাত্রার প্রতি শ্রদ্ধা

কিংবদন্তি গায়ক আলকাজিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাঃ তাঁদের সঙ্গীত যাত্রার প্রতি শ্রদ্ধা

আজ অলকাজির (যাজ্ঞিক) জন্মদিন। প্রথমেই ওঁকে আমার তরফ থেকে অনেক শুভেচ্ছা। ওঁর সঙ্গে যে কত স্মৃতি, তা বলে শেষ করা যাবে না। আমাদের ডুয়েট শ্রোতারা গ্রহণও করেছিলেন। একটা কথা ভেবে সত্যিই গর্ব হয়। অলকাজির সঙ্গে কিন্তু সবচেয়ে বেশি গান আমারই। কুমার শানু, অভিজিৎ (ভট্টাচার্য) এবং বাকি সকলের চেয়ে আমার সঙ্গেই বেশি গান উনি গেয়েছিলেন। মানুষ আমাদের ডুয়েটকে ‘জুটি’ হিসাবে দেখত। আমাদের রসায়ন নিয়ে কম হইচই হয়নি। কিন্তু ছয়-সাত মাস আগে একটা খবর পেয়ে খুব মন খারাপ হয়ে গেল। অলকাজির কানে কোনও সমস্যা হয়েছে, জানতে পারলাম। উনি পদ্মভূষণ পেয়েছেন। তাই শুভেচ্ছা জানাতে ওঁকে ফোন করি। ওঁর পরিবারের একজন ফোন তুলেছিলেন। তখনই এই খবরটা পেয়ে মন খারাপ হয়ে যায়। কানের সমস্যার জন্য গলাতেও প্রভাব পড়েছে। অলকার সঙ্গে শুধু ছবির প্লেব্যাক নয়। লাইভ অনুষ্ঠানও কত করেছি আমরা! সে সব মনে করতে গেলে, বলে আর শেষ করা যাবে না। রিয়্যালিটি শো-তেও আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। মঞ্চের অনুষ্ঠানে তো আমাদের মধ্যে রঙ্গ-রসিকতা হতই। ওঁর সঙ্গে বহু মজার ও খুনসুটির স্মৃতি রয়েছে। দর্শকও কিন্তু আমাদের এই রসায়ন পছন্দ করে। আমাদের বয়স হয়েছে ঠিকই। কিন্তু আজও গান গাইলে সেই রসায়নই ধরা পড়বে। আসলে গান গাওয়ার জন্য মনের ভিতরটা পরিষ্কার রাখা খুব জরুরি। সেটা থাকলে তার প্রভাব গানের মধ্যে দেখাই যাবে। তখন শ্রোতারা সেই গান পছন্দ করবেন। কিন্তু ওঁর কান ও গলার সমস্যার খবরটা শুনে মন খারাপ হয়ে যায়। এত গান গেয়েছি আমরা। ওঁকে আবার একটা ভাল গান গাইতে দেখতে চাই আমি। গায়িকা অলকাকে তো সকলেই চেনেন। মানুষ অলকাও কিন্তু খুব ভাল। সেটাই ওঁর গানে বার বার ফুটে উঠেছে। তাই ওঁর সঙ্গীতজীবন এতটা দীর্ঘ। সবচেয়ে বড় কথা, কত খুনসুটি করতাম ওঁর সঙ্গে। উনি কিন্তু কখনও রেগে যেতেন না। স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সবটা গ্রহণ করতেন। মনে আছে, একসঙ্গে রেকর্ডিং থাকলেও উনি আগে গান গাইতে চাইতেন। যদিও পৌঁছোতাম আগে আমিই। কিন্তু রেকর্ডিং স্টুডিয়োয় পৌঁছেই আমি সঙ্গীত পরিচালককে মজা করে বলতাম ‘লেডিজ় ফার্স্ট’। আমাদের একসঙ্গে গাওয়া গান গুনে শেষ করা যাবে না। অনেকেই জানতে চান, কোনটা আমার সবচেয়ে পছন্দের। সকলের আগে ‘কয়ামত সে কয়ামত তক’-এর গানগুলোই মনে পড়ে। আজও সেই গান মানুষ শোনে। ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর গানগুলোও আমার পছন্দের তালিকায় রয়েছে। আমি প্রার্থনা করি, ঈশ্বর যেন ওঁর কণ্ঠ দ্রুত সারিয়ে দেন। আবার যেন আমরা একসঙ্গে গান গাইতে পারি। (সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে অনুলিখিত)
86 shares
😊
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 03:34 AM
নয়াদিল্লির আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে একজনের মৃত্যু

নয়াদিল্লির আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে একজনের মৃত্যু

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃআরজি কর হাসপাতালে(RG Kar Hospital)ফের এক চাঞ্চল্যকর মৃত্যুর ঘটনা সামনে এল। শুক্রবার সকালে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের লিফটে আটকে পড়ে মৃত্যু হল অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তির। অভিযোগ, লিফটটি যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে বেসমেন্টে আটকে গেলেও দীর্ঘ এক ঘণ্টা কোনো উদ্ধারকারী বা লিফট অপারেটরকে পাওয়া যায়নি। সঠিক সময়ে উদ্ধার না হওয়ায় লিফটের ভেতরেই দমবন্ধ হয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দমদমের বাসিন্দা অরূপবাবু এদিন সকালে তাঁর স্ত্রী ও ছেলের সঙ্গে হাসপাতালে এসেছিলেন। তাঁর ছেলের হাতের হাড় ভেঙে যাওয়ায় অস্ত্রোপচারের কথা ছিল। ভোরে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করতে তিনি ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের পাঁচ তলায় যান। সেখান থেকে নিচে নামার সময় লিফটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, লিফটটি গ্রাউন্ড ফ্লোরে না থেমে সরাসরি বেসমেন্টে চলে যায় এবং সেখানে লক হয়ে যায়। মৃতের আত্মীয়দের অভিযোগ, লিফটে কোনো অপারেটর ছিলেন না। অরূপবাবু ভেতর থেকে চিৎকার করে সাহায্যের আবেদন জানালেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রায় এক ঘণ্টা লিফটের ভেতরে ছটফট করার পর যখন দরজা খোলা হয়, তখন দেখা যায় অরূপবাবু নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃতের আত্মীয় ও অন্যান্য রোগীর পরিজনেরা। হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় টালা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। হাসপাতাল চত্বরে বর্তমানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই ঘটনায় হাসপাতালের লিফট রক্ষণাবেক্ষণ এবং জরুরি অবস্থায় উদ্ধারকাজের পদ্ধতি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এক ঘণ্টা ধরে কেন কাউকে পাওয়া গেল না, সেই উত্তর খুঁজছে নিহতের পরিবার।
66 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 03:33 AM
পরিত্যক্ত সিগারেট ফিল্টারগুলির ধ্বংসাত্মক পরিবেশগত প্রভাব দশকব্যাপী দীর্ঘ গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে

পরিত্যক্ত সিগারেট ফিল্টারগুলির ধ্বংসাত্মক পরিবেশগত প্রভাব দশকব্যাপী দীর্ঘ গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে

রাস্তায় যাতায়াতের সময় প্রায়শই পথের ধারে পোড়া সিগারেটের টুকরো পড়ে থাকতে দেখা যায়। ধূমপানের পরে ফেলে দেওয়া সিগারেটের ওই ফিল্টার কতটা ক্ষতি করে পরিবেশের, কখনও ভেবে দেখেছেন? এরা সহজে মিশতে চায় না মাটিতে। পচন হয় খুব ধীর গতিতে। এমনকি, ১০ বছর পরেও এরা ‘বিষ’ ছড়ায় পরিবেশে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় মিলেছে সেই আভাস। পোড়া সিগারেটের ফিল্টার যে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, তা আগেই প্রমাণিত। তবে কতটা? বিশেষ করে এতটা দীর্ঘ সময় পরে তা কী প্রভাব ফেলে পরিবেশে, তা নিয়ে এত দিন খুব বেশি কিছু জানা ছিল না। কারণ, এত দিন এ বিষয়ে যে গবেষণাগুলি হয়েছে, তার বেশির ভাগই স্বল্পমেয়াদি। সদ্য পড়ে থাকা সিগারেটের ফিল্টার (এক দিন বা এক মাস সময় ধরে পড়ে থাকা ফিল্টার) নিয়েই গবেষণাগুলি হয়েছিল। তবে এই গবেষণাটি ১০ বছর ধরে পর্যবেক্ষণের ফসল। দীর্ঘ এক দশক ধরে পড়ে থাকা সিগারেটের ফিল্টারগুলির কতটা ক্ষয় হয়, কী কী পরিবর্তন আসে, সেই সব ধরা পড়েছে এই গবেষণায়। সিগারেটের ফিল্টারগুলি মূলত তৈরি হয় সেলুলোজ় অ্যাসিসেট দিয়ে। এটি হল সেলুলোজ়ের একটি প্লাস্টিক পলিমার। সেলুলোজ়ের সঙ্গে অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইডের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তৈরি হয় এটি, যা বহু বছর ধরে পড়ে থাকার পরেও পুরোপুরি ক্ষয়ে যায় না। মাটিতে পড়ে থাকলে বিভিন্ন পচনশীল পদার্থের মতো এগুলিরও ভৌত, রাসায়নিক এবং জৈবিক পরিবর্তন হয়। কিন্তু ১০ বছরেও তা পুরোপুরি মাটিতে মেশে না। এদের মধ্যে পরিবর্তনগুলি হয় খুব ধীর গতিতে। শেষে মাইক্রোপ্লাস্টিকের মতো অবশিষ্টাংশ হয়ে মাটিতে পড়ে থাকে। অন্তত ১০ বছর ধরে চলা পর্যবেক্ষণে এমনটাই উঠে এসেছে। সম্প্রতি পরিবেশ দূষণ বিষয়ক জার্নাল ‘এনভার্নমেন্টাল পলিউশন’-এ এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। সিগারেটের ফিল্টার পরিবেশে কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে অন্যতম বিশদ চিত্র তুলে ধরে এই গবেষণাটি। একই সঙ্গে দূষণের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের উপরেও আলোকপাত করে। বিভিন্ন এলাকায়, ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে পড়ে থাকা সিগারেটের ফিল্টারের উপরে এই গবেষণা চলে। হাজার হাজার ফিল্টারকে নমুনা হিসাবে ব্যবহার করা হয়। শহুরে এলাকায়, বেলে মাটিতে বা জৈবিক পুষ্টিসমৃদ্ধ মাটি (যেখানে গাছপালা প্রচুর)— তিন ধরনের জায়গার নমুনাতেই এই গবেষণা চলে। প্রতিটি এলাকায় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফিল্টারে কী কী পরিবর্তন আসছে, তা পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকেরা। এক দশক ধরে প্রতিটি ক্ষেত্রেই সিগারেটের ফিল্টারের ভর কমেছে। অর্থাৎ, কিছু অংশে পচন হয়েছে। কিছু পরিবর্তনও এসেছে। তবে পরিবর্তনের গতি এক এক ক্ষেত্রে এক এক রকম। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পড়ে থাকা ফিল্টারগুলিতে প্রাথমিক পর্যায়ের পচন দ্রুতই ঘটে। প্রথম কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বাইরের স্তরগুলি ভাঙতে শুরু করে। মাটিতে মিশে যেতে শুরু করে ওই অংশগুলি। তবে প্রাথমিক পর্যায় কেটে যাওয়ার পরে পচনের গতি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে খুব ধীর গতিতে ক্ষয় হয় এটিতে। এর কারণ ফিল্টারের নিজস্ব গঠন। ধূমপানের সময়ে ফিল্টারের পরিস্রাবণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য সেলুলোজ় অ্যাসিসেট তন্তুকে রাসায়নিক ভাবে পরিবর্তন করা হয়। এই বিশেষ গড়নের জন্যই পচন ধীর গতিতে হয়। যে পরিবেশে মাটিতে জৈবিক পদার্থের পরিমাণ কম, সেখানে ফিল্টারের পচন তুলনামূলক ধীর গতিতে হয়। যেমন শহুরে এলাকায় ১০ বছর পরেও ফিল্টারের তন্তুগুলি অনেক ক্ষেত্রেই প্রায় অক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকে। সেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে পচনের পরে গোটা প্রক্রিয়াটি থমকে যায়। তবে অনুকূল পরিবেশে, যেখানে মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি, সেখানে ফিল্টারে অণুজীব বাসা বাঁধে। ধীরে ধীরে ফিল্টারের তন্তুর গঠন ভাঙতে শুরু করে সেই অনুজীব। তবে গতি খুবই ধীরে। পরীক্ষা করা নমুনাগুলির মধ্যে শহুরে এলাকায় ১০ বছর পরে প্রায় ৫২ শতাংশ পচন হয়েছিল। অর্থাৎ, প্রায় অর্ধেক তখনও টিকে ছিল পরিবেশে। জৈবপদার্থ সমৃদ্ধ মাটির ক্ষেত্রে পচনের হার তুলনায় বেশি। ১০ বছর পরে ওই এলাকাগুলির নমুনায় প্রায় ৮৪ শতাংশ পচন দেখা গিয়েছে। তবে কিছু অংশ তখনও রয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে গবেষণায়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অনুকূল পরিবেশে মাটিতে পড়ে থাকা সেলুলোজ় অ্যাসিটেট তন্তু ক্রমে ভাঙতে শুরু করে। এবং ধীরে ধীরে আশপাশের মাটির সঙ্গে মিশে যায়। ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের নীচে রাখলে দেখা যায়, ১০ বছর ধরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয় হলেও এটি পুরোপুরি মিশে যায় না। অণুজীব বাসা বাঁধার পরেও ফিল্টারের মূল উপাদানের কিছু টুকরো রয়েই যায়। গবেষকদের দাবি, এই ফিল্টারগুলি মাটিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক তৈরিতে ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে গবেষণায় এ-ও দেখা গিয়েছে, ১০ বছর পরেও এই ফিল্টারের মধ্যে বিষাক্ত পদার্থ রয়ে যায়। গবেষকদের দাবি, সদ্য ফেলে দেওয়া সিগারেটের ফিল্টার জলের সংস্পর্শে এলে তা থেকে নিকোটিন, অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের মতো বিভিন্ন বিষাক্ত যৌগ নির্গত হয়। এগুলি জলের বাস্তুতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে কয়েক বছর ধরে পড়ে থাকার পরেও সিগারেটের ফিল্টারের ‘বিষ’ হারিয়ে যায় না। সদ্য পোড়া সিগারেটের ফিল্টার থেকে সবচেয়ে বেশি বিষাক্ত পদার্থ ছড়ায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিষাক্ত পদার্থের পরিমাণ কমতে থাকে। তবে তা পুরোপুরি নিঃশেষ হয়ে যায় না।
85 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 03:16 AM
আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে একজনের মৃত্যু

আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে একজনের মৃত্যু

আরজি কর হাসপাতালে লিফ্‌টে আটকে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। ওই ব্যক্তির নাম অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় (৪০)। শুক্রবার ভোরে এই ঘটনার পরেই হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখান রোগীর পরিজনেদের একাংশ। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি দমদমের বাসিন্দা। ভোর ৫টা নাগাদ তিনি হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের লিফ্‌টে চেপে পাঁচ তলায় যাচ্ছিলেন। লিফ্‌ট আটকে মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ঘটনার সময় লিফ্‌ট পরিচালনার (লিফ্‌ট অপারেটর) জন্য কেউ ছিলেন না। তাই কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়েছে টালা থানার পুলিশ। সূত্র মারফত এ-ও জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির এক পুত্র আরজি কর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। পুত্রকে দেখতে চার বছরের কনিষ্ঠ পুত্র এবং স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের পাঁচ তলায় যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু কোনও কারণে লিফ্‌টে আটকে পড়েন তাঁরা। তীব্র ঝাঁকুনির পর লিফ্‌ট উপরে না উঠে, নীচের বেসমেন্টে নেমে আসে। বেশ কিছু সময় কেটে যাওয়ার পরে লিফ্‌ট খুলে তিন জনকে উদ্ধার করা হয়। অরূপ ঘটনাস্থলেই মারা গেলেও তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র এবং স্ত্রী সুস্থ রয়েছেন। যান্ত্রিক গোলযোগের জেরেই এই দুর্ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে টালা থানার পুলিশ। হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা দেখে আরজি করে যান কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যেরা। পরিস্থিতি অবশ্যে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এখন। অরূপের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাচ্ছে পুলিশ। পরিবারের তরফে এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন রোগীর পরিজনেদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, অধিকাংশ সময়েই হাসপাতালের লিফ্‌টগুলিতে কোনও অপারেটর বা চালক থাকেন না। ফলে প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই ওঠানামা করতে হয়। ট্রমা কেয়ার সেন্টারের মতো হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে এই ধরনের গাফিলতি হল কী করে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। এক রোগীর আত্মীয় বলেন, “কোন ভরসায় এ বার লিফ্‌টে উঠব? অধিকাংশ সময়েই সাহায্য করার জন্য কাউকে পাওয়া যায় না।” ২০২৪ সালের ৮ অগস্ট রাতে আরজি কর হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ে ধর্ষণ এবং খুন করা হয় এক চিকিৎসক-ছাত্রীকে। সেই ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। এ বার কলকাতার সেই হাসপাতালেই লিফ্‌ট আটকে মৃত্যু হল এক যুবকের।
63 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 03:12 AM
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্রথম সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে প্রস্তুত

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্রথম সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে প্রস্তুত

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃবৃহস্পতিবার সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশের(Supplementary Voter List)জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা প্রকাশিত হয়নি। তবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে আশা করা হচ্ছে, শুক্রবারই প্রথম অতিরিক্ত বা সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া হতে পারে। মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যে ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম ‘বিচারাধীন’ বা অ্যাডজুডিকেশন অবস্থায় ছিল, তাঁদের নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ শেষ হলেই এই নতুন তালিকা সামনে আসবে। কমিশন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায় ২৫ লক্ষ ৩৪ হাজার বিচারাধীন ভোটারের নথি যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ৭ হাজারের বেশি বুথ থেকে নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা কমিশনের হাতে পৌঁছেছে। তবে বাকি বুথগুলির রিপোর্ট এখনও হাতে না আসায় বৃহস্পতিবার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। শুক্রবারের মধ্যে অবশিষ্ট তালিকা হাতে এলেই প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করবে কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পশ্চিমবঙ্গের এই বিশেষ যাচাই বা SIR (Special Inquiry Report) প্রক্রিয়ায় ৭০০-এর বেশি কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারক যুক্ত রয়েছেন। প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি করছেন এই জুডিশিয়াল অফিসাররা। তবে এই কাজের স্পর্শকাতরতা বিচার করে বিচারকদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে প্রশাসনের। নবান্ন ও কমিশনের তরফে সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা ডিএসপি-দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, এ বছর পশ্চিমবঙ্গে মাত্র দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফার ভোট গ্রহণ ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। ভোটের এই নির্ঘণ্টের আগেই সমস্ত বিচারাধীন ভোটারের নাম চূড়ান্ত করতে চাইছে কমিশন। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির তত্ত্বাবধানে নিয়োগ করা জুডিশিয়াল অফিসাররা যে ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন, তাঁদের নাম ধাপে ধাপে সাপ্লিমেন্টারি লিস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। এখন দেখার, শুক্রবার কতজন ভোটারের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করে কমিশন।
21 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 03:11 AM
কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে লিফটে ত্রুটির কারণে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে লিফটে ত্রুটির কারণে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

আবার সংবাদ শিরোনামে আরজি কর হাসপাতাল। এ বার উত্তর কলকাতার এই সরকারি হাসপাতালের লিফটে আটকে পড়ে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। ঘটনায় শুক্রবার সকালে ব্যাপক শোরগোল হাসপাতাল চত্বরে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃতের আত্মীয়েরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে টালা থানার পুলিশ।জানা গিয়েছে, মৃতের নাম অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বয়স চল্লিশ বছর। এ দিন সকালে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের লিফটে আটকে মৃত্যু হয় দমদমের ওই বাসিন্দার। চার বছরের সন্তান ও স্ত্রীয়ের সঙ্গে আরজি কর হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। খেলতে গিয়ে শিশুর পায়ে ফ্র্যাকচার হওয়ায় হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের কথা ছিল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এ দিন ভোরে নাবালক সন্তানের অস্ত্রোপচারের জন্য ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের পাঁচ তলায় লিফটে করে যাচ্ছিলেন অরূপ। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও আহত শিশুও। কিন্তু পাঁচ তলায় ওঠার বদলে লিফটটি তিন তলায় উঠে হঠাৎই নীচে নামতে থাকে। গ্রাউন্ডে নামার বদলে সেটি বেসমেন্টে চলে যায়। ভিতরেই অসুস্থ শিশুকে নিয়ে আটকে পড়েন ওই যুবক ও তাঁর স্ত্রী। শত চেষ্টা করেও ভিতর থেকে লিফটের দরজা খোলা যায়নি।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার সময়ে লিফটে কোনও অপারেটর ছিলেন না। বন্ধ লিফটের ভিতর থেকে মহিলা-শিশুর আর্তচিৎকার শুনে ছুটে আসেন আশপাশে থাকা রোগীর পরিজনেরা। সাহায্যের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন অনেকে। কিন্তু অভিযোগ, প্রায় এক ঘণ্টা কেটে গেলেও লিফট থেকে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে উদ্ধারকারীরা এসে লিফটের দরজা খুললে ভিতর থেকে উদ্ধার হয় ওই যুবকের নিথর দেহ।অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার সময়ে লিফটে কোনও লিফট ম্যান ছিল না। ইতিমধ্যেইআরজি কর হাসপাতালেরওই লিফটের দায়িত্বে থাকা লিফটম্যানকে আটক করা হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি অন্য কোনও কারণে এই দুর্ঘটনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছে রোগীর পরিবার। সরব অন্যান্য রোগীর পরিজনেরাও। মৃতের আহত সন্তান এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনার কারণে যুবকের স্ত্রীও ট্রমায়।
29 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 03:07 AM
কলকাতা অটো-রিকশা এলপিজির দাম এক সপ্তাহের মধ্যে 13 টাকা বেড়েছে

কলকাতা অটো-রিকশা এলপিজির দাম এক সপ্তাহের মধ্যে 13 টাকা বেড়েছে

এই সময়:সাত দিন যেতে পারল না, তার মধ্যে ফের বাড়ল কলকাতায় অটোরিকশার এলপিজি–র দাম। বৃহস্পতিবার রাতের সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, আজ, শুক্রবার থেকে অটোরিকশার এলপিজির লিটার প্রতি দাম ৮ টাকা বেড়ে হচ্ছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা। সাত দিন আগে, ১২ মার্চ ওই অটোরিকশার এলপিজি–র দাম কলকাতায় লিটার প্রতি ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে ৫ টাকা বেড়ে হয় ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। অর্থাৎ, এক সপ্তাহের মধ্যে অটোরিকশার এলপিজি–র দাম কলকাতায় ১৩ টাকা বাড়ল। সে ক্ষেত্রে যে সব রুটের অটোরিকশার ভাড়া ১২ তারিখের পরেও বাড়েনি, সে সব রুটে আজ বা কাল থেকে ভাড়া বাড়বে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। তার উপর অটোরিকশার এলপিজি নিতে পাম্পগুলিতে পড়ছে দীর্ঘ লাইন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে এলপিজি নিয়ে পথের মতো গৃহস্থের হেঁশেলেও স্বস্তি নেই। কেন্দ্রীয় সরকার যা–ই দাবি করুক, গৃহস্থের ঘরে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার সরবরাহে এখনও যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে বলে কলকাতা ও শহরতলির এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন।কেন্দ্রের তরফে এর জন্য মূলত দায়ী করা হচ্ছে প্যানিক বুকিংকে অর্থাৎ প্রয়োজন না–থাকলেও সাধারণ মানুষের একাংশের আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে এলপিজি বুক করাকে। সমস্যার অন্যতম কারণ হিসেবে প্যানিক বুকিংকে মেনে নিলেও সমস্যার জন্য শুধুই ওই ফ্যাক্টরের দিকে আঙুল তুলতে নারাজ কলকাতা ও লাগোয়া এলাকায় তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার এলপিজি সরবরাহ করা ডিস্ট্রিবিউটররা।গৃহস্থালির ওই এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহকদের বক্তব্য, আগে যেখানে গড়ে দিনে ৫০০টি সিলিন্ডার বুকিং হতো, এখন সেই জায়গায় দিনে ১০০০–১২০০ সিলিন্ডার বুকিং হচ্ছে। অথচ বাড়তি সিলিন্ডার পাওয়া দূরের কথা, আগের যে রোজকার চাহিদা, সেই ৫০০ সিলিন্ডারের ৩০ শতাংশ সরবরাহই কমে গিয়েছে। স্বভাবতই, এলপিজি সিলিন্ডারের চাহিদা ও সরবরাহে একেবারেই ভারসাম্য নেই। ডিস্ট্রিবিউটরদের বক্তব্য, ১ মার্চের আগে অনলাইনে গ্যাস বুকিংয়ের পরে ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড (ডিএসি) জেনারেটেড হলেই গ্রাহকরা দু’দিনের মধ্যে বাড়িতে সিলিন্ডার পেতেন। সেখানে এখন ডিএসি জেনারেট হওয়ার পরে গ্রাহকদের বাড়িতে সিলিন্ডার পৌঁছতে লেগে যাচ্ছে ৮–১০ দিন।কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, গৃহস্থালির অর্থাৎ ডোমেস্টিক এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহে সে রকম কোনও ঘাটতি নেই। কিন্তু অল ইন্ডিয়া এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিজন বিশ্বাসের বক্তব্য, ‘কেন্দ্রীয় সরকার একদিকে দাবি করছে যে, গ্যাস সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। অথচ তারাই বিকল্প জ্বালানি হিসেবে পিএনজি (পাইপ্‌ড ন্যাচারাল গ্যাস) এবং ইনডাকশন কুকটপের মতো বিভিন্ন বৈদ্যুতিক উনুন ব্যবহার করতে বলে প্রচার চালাচ্ছে। যদি সব কিছু ঠিকই থাকে, তা হলে এই বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলা হচ্ছে কেন?’ তাঁর দাবি, আসলে আমাদের দেশে পিএনজি আমদানি করে একটি মাত্র সংস্থা। সম্ভবত সেই সংস্থার কথা ভেবেই কেন্দ্রীয় সরকার পিএনজি ব্যবহার করার উপর জোর দিচ্ছে।’ শহরতলির এলপিজি ডিলারদের দাবি, এখন শহরাঞ্চলে একবার সিলিন্ডার পাওয়ার ২৫ দি‍ন পরে গ্যাস বুক করা যাচ্ছে। ডিএসি জেনারেটেড হওয়ার ১০ দিন পরে সাধারণ মানুষের ঘরে সিলিন্ডার পৌঁছচ্ছে। সব মিলিয়ে, সময় লাগছে ৩৫ দিন।কেন্দ্রীয় সরকারের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, এখনও দিনে ৭০ হাজার প্যানিক বুকিং হচ্ছে। এলপিজি সিলিন্ডারের বেআইনি মজুতদারি ও কালোবাজারি রুখতে রাজ্য সরকারগুলিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছে কেন্দ্র। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজ্যে ১২ হাজারের বেশি তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে। তাতে ১৬ হাজারের বেশি এলপিজি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
50 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 03:06 AM
ইসরায়েলের প্ররোচনায় মার্কিন-ইরান যুদ্ধের অভিযোগ অস্বীকার নেতানিয়াহুর

ইসরায়েলের প্ররোচনায় মার্কিন-ইরান যুদ্ধের অভিযোগ অস্বীকার নেতানিয়াহুর

আজকাল ওয়েবডেস্ক:অশান্ত মধ্য এশিয়া। ইরানে, ইজরায়েল-মার্কিন হানার জের এখনও অব্যাহত। প্রত্যাঘাতে মরিয়া তেহরান। দুনিয়াজুড়ে গুঞ্জন যে, ইজরায়েলের উস্কানিতেই ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছে। তবে, এই অভিযোগ নস্যাৎ করলেন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। যেসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযোগ মাথাচাড়া দিয়েছে, সেগুলোকে নেতানিয়াহু “ভুয়ো খবর” বলে অবিহিত করেছেন। কী বলেছেন নেতানিয়াহু? ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যে, আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই সংঘাতে (ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ) টেনে এনেছি- এটা কেবল একটি অপপ্রচারই নয়, বরং হাস্যকর। কেউ কি সত্যিই মনে করে যে, অন্য কেউ প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্পকে নির্দেশ দিতে পারে যে তাঁকে কী করতে হবে? এও কি সম্ভব?” তিনি আরও যোগ করেন, ট্রাম্প “সর্বদাই সেই সিদ্ধান্তগুলো নেন, যা তিনি আমেরিকার জন্য মঙ্গলজনক বলে মনে করেন।” ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যকার “ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের” প্রশংসাও করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, “আমরা বিদ্যুৎগতিতে আমাদের লক্ষ্যগুলো অর্জন করছি।” ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দাবি, আমেরিকা ও ইজরায়েলের টানা ২০ দিনের বিমান হামলার পর ইরানের এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার কিংবা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কোনও ক্ষমতা অবশিষ্ট নেই। একটি সাংবাদিক বৈঠকে নেতানিয়াহুতিনি বলেন, “যুদ্ধে আমরা জয়ী হচ্ছি, আর ইরান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে।” তিনি জানান, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। বেঞ্জামিন নিতানিয়াহু বলেন, “আমরা এখন যেসব ঘাঁটি ধ্বংস করছি, সেগুলো মূলত সেই কারখানা—যেখানে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এবং তারা যেসব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, সেগুলোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বা উপাদান তৈরি করা হয়।” তবে, ইরানের যে আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের কোনও ক্ষমতা নেই, নিজের সেই দাবির সপক্ষে নেতানিয়াহু কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারেননি। নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেন যে, ইরান এখন “যেকোনও সময়ের চেয়ে দুর্বল”, অন্যদিকে ইজরায়েল একটি আঞ্চলিক শক্তি—এবং “কেউ কেউ তো একে বিশ্বশক্তি হিসেবেও অভিহিত করবেন।” তিনি আরও যোগ করেন যে, তেহরানের বিরুদ্ধে এই অভিযান “যতদিন প্রয়োজন, ততদিনই অব্যাহত থাকবে।” এদিকে, নেতানিয়াহু যখন সাংবাদিক বৈঠকে বক্তব্য রাখছিলেন, ঠিক সেই সময়েই ইরান নতুন করে এক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইজরায়েলি সেনাবাহিনীও নিশ্চিত করেছে যে, তাদের দেশের দিকে লক্ষ্য করে নতুন করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে। নেতানিয়াহু আরও জানান যে, ইরানের ‘সাউথ পার্স’ গ্যাসের ঘাঁটিতে হামলা চালানোর বিষয়টি ইজরায়েল সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবেই করেছে। তবে তিনি এও উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের হামলার ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ইজরায়েল ওই গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক গ্যাস ঘাঁটিতে ভবিষ্যতে আর কোনও হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবে। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাদের অনুরোধ করেছেন যেন আমরা ভবিষ্যতে আর কোনও হামলা না চালাই। আমরা তাঁর অনুরোধ মেনে হামলা থেকে বিরত থাকছি।” প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু হুঙ্কারের সুরে বলেন, “ইরানের সেই ‘মৃত্যু-পূজারি গোষ্ঠী’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পথ- হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে বিশ্বকে ব্ল্যাকমেইল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু তাদের এই অপচেষ্টা কখনোই সফল হবে না।”
7 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 03:03 AM
হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধঃ ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক নৌপরিবহন পথ ব্যাহত

হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধঃ ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক নৌপরিবহন পথ ব্যাহত

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃইরান ও ইজরায়েলের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের প্রভাবে কার্যত রুদ্ধ হয়ে পড়েছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ‘হরমুজ প্রণালী’(Strait of Hormuz)। তেহরানের লাগাতার হুমকির মুখে এই জলপথে জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ায় বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট। তেলের দাম আকাশছোঁয়া, গ্যাসের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে বিভিন্ন দেশে। এই অচলাবস্থা কাটাতে এবার জোটবদ্ধ হয়ে ময়দানে নামল ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস এবং জাপান। বিশ্বের এই প্রথম সারির ছয়টি দেশ এক মিলিত বিবৃতিতে ইরানের ‘অবিবেচনামূলক’ হামলার কড়া নিন্দা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে এই জরুরি সমুদ্রপথে বাধা সৃষ্টি করছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে। এই ছয় দেশ স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি বোঝাই জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তারা সামরিক ও কূটনৈতিকভাবে প্রস্তুত। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই জোট কেবল হরমুজ প্রণালী রক্ষা নয়, বরং কাতার ও সৌদি আরবের তেল-গ্যাস প্ল্যান্টে ইরানের হামলারও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কাতার এনার্জি জানিয়েছে, ইরানের এই আক্রমণের ফলে তাদের এলএনজি (LNG) রপ্তানি ক্ষমতা ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখে দাঁড়িয়েছে তারা। সৌদি আরবের খনিগুলিতেও হামলার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। আমেরিকা ও ইজরায়েল বনাম ইরান— এই ত্রিমুখী লড়াইয়ের জেরে হরমুজ প্রণালীতে বর্তমানে শতাধিক জ্বালানি বোঝাই জাহাজ আটকে রয়েছে। ইরান এই জাহাজগুলির ওপর ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। এমন পরিস্থিতিতে ৬ দেশের এই জোট জানিয়েছে: হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। জ্বালানি সংকটের প্রভাবে ইউরোপ ও এশিয়ার একাধিক দেশে মুদ্রাস্ফীতি চরমে পৌঁছানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শান্তি বজায় রাখার পরামর্শ দিয়ে এই ৬ দেশ দাবি করেছে, বিশ্ব অর্থনীতিকে বাঁচাতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
70 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:55 AM
ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলি এটিএম থেকে নগদ তোলার নিয়ম ও সীমার পরিবর্তন আনবে

ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলি এটিএম থেকে নগদ তোলার নিয়ম ও সীমার পরিবর্তন আনবে

এই সময়:আগামী মাসের শুরু থেকে এটিএম থেকে নগদ তোলার নিয়ম, চার্জ এবং সীমা সংক্রান্ত একগুচ্ছ বদল আনতে চলেছে এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এবং বন্ধন ব্যাঙ্ক। এর ফলে গ্রাহকদের দৈনন্দিন লেনদেনের অভ্যাসে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কাজেই গ্রাহকদের এখনই এই নতুন নিয়মগুলি সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি।এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক এটিএম থেকে ইউপিআই-ভিত্তিক নগদ তোলার ক্ষেত্রে বদল আনতে চলেছে। যা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন অনেক গ্রাহক ইউপিআই-এর মাধ্যমে এটিএম থেকে টাকা তুললেও তা আলাদা সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু ১ এপ্রিল থেকে ইউপিআই ব্যবহার করে এটিএম থেকে নগদ তোলার বিষয়টি মাসিক নিখরচায় এটিএম লেনদেনের সীমার মধ্যেই ধরা হবে। অর্থাৎ, নির্ধারিত ফ্রি লিমিট পার হয়ে গেলে প্রতিটি লেনদেনের জন্য ২৩ টাকা এবং তার উপরে প্রযোজ্য কর ধার্য করা হবে। ফলে যাঁরা নিয়মিত ইউপিআই ব্যবহার করে এটিএম থেকে টাকা তোলেন, তাঁদের জন্য খরচ কিছুটা বাড়তে পারে।অন্যদিকে, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক তাদের একাধিক ডেবিট কার্ডে দৈনিক নগদ উত্তোলনের সীমা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমাতে চলেছে। আগে যেখানে নির্দিষ্ট কিছু কার্ডে দিনে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তোলা যেত, তা কমিয়ে ৫০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। আবার কিছু প্রিমিয়াম কার্ডের ক্ষেত্রে এই সীমা ১.৫ লক্ষ টাকা থেকে কমিয়ে ৭৫ হাজার টাকা করা হচ্ছে। ব্যাঙ্কের এই সিদ্ধান্তের ফলে বড় অঙ্কের নগদ লেনদেন করতে অভ্যস্ত গ্রাহকদের নতুন করে পরিকল্পনা সাজাতে হবে।বন্ধন ব্যাঙ্কও এটিএম লেনদেনের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করছে। এখন থেকে নিজেদের এটিএম-এ গ্রাহকরা প্রতি মাসে নিখরচায় পাঁচটি আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন, যদিও নন-ফিনানশিয়াল লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনও সীমা থাকবে না। তবে অন্য ব্যাঙ্কের এটিএম ব্যবহার করলে মেট্রো শহরে মাসে তিনটি এবং নন-মেট্রো শহরে পাঁচটি বিনামূল্যের লেনদেনের সুযোগ মিলবে। এই সীমার মধ্যে আর্থিক ও নন-ফিনানশিয়াল—দুই ধরনের লেনদেনই ধরা হবে। সীমা অতিক্রম করলে প্রতিটি আর্থিক লেনদেনে ২৩ টাকা এবং নন-ফিনানশিয়াল লেনদেনে ১০ টাকা করে চার্জ ধার্য হবে। এমনকি অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় লেনদেন ব্যর্থ হলেও ২৫ টাকা জরিমানা দিতে হবে।কাজেই আগামী দিনে গ্রাহকদের আরও সচেতন ও পরিকল্পিত ভাবে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা ব্যবহার করতে হবে বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
54 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 02:38 AM
কেরলের 70 শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, অর্ধেকেরও বেশি কোটিপতি

কেরলের 70 শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, অর্ধেকেরও বেশি কোটিপতি

কেরলের প্রায় ৭০ শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে এবং অর্ধেকেরও বেশি বিধায়ক বর্তমানে কোটিপতি। বিধায়কদের নিজেদেরই দাখিল করা হলফনামা থেকে এই তথ্য সামনে এনেছে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মসের (এডিআর) একটি রিপোর্ট।
81 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 02:32 AM
কেরালা হাইকোর্ট মহিলাদের চরিত্র হত্যার নিন্দা করেছে, এটিকে'অশুভ সামাজিক সহিংসতা'বলে অভিহিত করেছে

কেরালা হাইকোর্ট মহিলাদের চরিত্র হত্যার নিন্দা করেছে, এটিকে'অশুভ সামাজিক সহিংসতা'বলে অভিহিত করেছে

ভিত্তিহীন ভাবে কোনও মহিলার চরিত্র কালিমালিপ্ত করাকে ‘ক্ষতিকর সামাজিক হিংসা’ বলে চিহ্নিত করল কেরালা হাই কোর্ট। বিচারপতি সি এস ডায়াস গত ১১ মার্চ একটি মামলার রায়ে বলেছেন, সমাজ যখন কোনও মহিলার কাজের চেয়ে তাঁর ভাবমূর্তিতে বেশি মনোযোগ দেয়, তখন সেই সমাজ নিজের মানসিক দৈন্যকেই প্রকাশ করে ফেলে।
88 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:24 AM
বনগাঁতে দলীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন টিএমসি প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস।

বনগাঁতে দলীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন টিএমসি প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস।

এই সময়, হাবরা ও বনগাঁ:ভোট প্রচারের রণকৌশল ঠিক করতে বৃহস্পতিবার বনগাঁর নীলদর্পণ প্রেক্ষাগৃহে কর্মী বৈঠক করলেন বনগাঁ উত্তরের তৃণমূলের প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। এ দিন বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, কাউন্সিলার–সহ কেন্দ্রের সাত পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান এবং বুথ ও অঞ্চলের সভাপতি ও কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক থেকেই বিশ্বজিৎ দ্বন্দ্ব ভুলে জয়ের লক্ষ্যে একজোট হয়ে প্রচারে নামার নির্দেশ দিয়েছেন। এ দিনই হাবরায় এসে দেওয়াল লিখনের মধ্যে দিয়ে ভোটের প্রচার শুরু করে দিলেন প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।বনগাঁ পুরসভার ২২টি ওয়ার্ড ও সাতটি পঞ্চায়েত এলাকা নিয়ে বনগাঁ উত্তর কেন্দ্র। এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। তিনি জেলার সাংগঠনিক সভাপতিও। গত লোকসভা নির্বাচনের পুরসভা ভিত্তিক প্রতিটি ওয়ার্ডেই পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। দলের অন্দরে দ্বন্দ্বের কারণে ফলাফল তৃণমূলের বিপক্ষে গিয়েছে বলে রিপোর্ট। জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী। এ বার তাই অনেকটা সতর্ক হয়ে মাঠে নেমেছেন বিশ্বজিৎ। এ দিন পুরসভা ও সাতটি পঞ্চায়েতের সংগঠনের নেতা–কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। বিশ্বজিৎ বলেন, ‘বনগাঁ উত্তরের মাটি তৃণমূলের। খুব দ্রুত বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার শুরু করা হবে। তার আগে প্রচারের রণকৌশল থেকে সাংগঠনিক সব বিষয় নিয়ে বৈঠক হয়েছে। বনগাঁর চার কেন্দ্রেই এ বার তৃণমূল জিতবে।’অন্যদিকে, এ দিনই হাবরার নির্বাচনী সমীকরণে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। উন্নয়নকেই হাতিয়ার করে চতুর্থ বারের জন্য এই কেন্দ্র থেকে তিনি জয়ী হবেন বলে জানিয়েছেন বালু। তাঁর মতে, ‘এখানে লড়াই মূলত সংগঠন ও উন্নয়নের উপর ভিত্তি করে। সেখানে তৃণমূল অনেক এগিয়ে।’ হাবরা শহরের পাশাপাশি রাউতারা, পৃথিবা, কুমড়া, মছলন্দপুর-সহ অন্যান্য পঞ্চায়েত এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন তিনি। হাবরা হাসপাতালকে ১০০০ শয্যায় উন্নীত করা, নিকাশি ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন, জল জমা রুখতে একাধিক পাম্পিং স্টেশন, রাস্তা ও পানীয় জলের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার কথা তুলে ধরেই প্রচারের ঝাঁজ বাড়াতে চাইছেন জ্যোতিপ্রিয়।
65 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:20 AM
মার্কিন রাষ্ট্রপতির অনুরোধে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে সম্মত ইউরোপীয় দেশগুলি

মার্কিন রাষ্ট্রপতির অনুরোধে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে সম্মত ইউরোপীয় দেশগুলি

হরমুজ়(Strait of Hormuz) দিয়ে নিরাপদে তেলের ট্যাঙ্কার পারাপার করাতে বিভিন্ন দেশকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (American President Donald Trump)। প্রায় এক সপ্তাহ পরে তাতে সাড়া দিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ইটালি-সহ ইউরোপের একাধিক দেশ। রাজি হয়েছে জাপানও (Japan)। বৃহস্পতিবার যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘হরমুজ় স্বাভাবিক করতে আমেরিকার সঙ্গে যোগ দিতে আমরা প্রস্তুত।’ তবে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করা হয়নি বিবৃতিতে।পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। শুধু তাই নয়, তেল নিয়ে কোনও জাহাজ বেরনোর চেষ্টা করলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ড কর্পস। তার পর থেকেই বাজারে দেখা দিয়েছে তেলের সংকট। দাম ছাড়িয়ে গিয়েছে ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার।এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক জাহাজের উপরে ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা করে বিবৃতি জারি করেছে জাপান ও ইউরোপের দেশগুলি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিরস্ত্র বাণিজ্যিক জাহাজের উপরে ইরানের হামলা, তেল ও গ্যাসের পরিকাঠামোয় আক্রমণ এবং হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার তীব্র নিন্দা জানাই।’ ইরানকে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে। বলা হয়েছে, ‘ইরানের এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বের সবাইকে ভুগতে হবে।’এর পরেই হরমুজ় খুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘হরমুজ দিয়ে তেলবাহি জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে যা যা করা প্রয়োজন, আমরা করতে প্রস্তুত।’ একই সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে তেল ছাড়ার সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।এর মধ্যেই ইরানের তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেনআমেরিকার অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট। Fox নিউজ়ের ‘মর্নিং উইথ মারিয়া’ শো-তে যোগ দেন স্কট। সেখানে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে।’ নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি করতে পারে না। অনেক তেল জাহাজে জমিয়ে রাখা হয়। পরে সেগুলো বিক্রি করার জন্য অপেক্ষা করে। এই তেলের উপর থেকেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
12 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Mar 20, 2026, 02:17 AM
আইএসএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মোহনবাগান ও মুম্বাই সিটি এফসি মুখোমুখি

আইএসএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মোহনবাগান ও মুম্বাই সিটি এফসি মুখোমুখি

আইএসএলে আজ ফের একবার মাঠে নামছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। ঘরের মাঠে তাদের প্রতিপক্ষ মুম্বাই সিটি এফসি। মূলত, লিগ টেবিলে শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে এই ম্যাচ দুই দলের জন্যই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম চার ম্যাচে দুরন্ত জয় তুলে নেওয়ার পর মরসুমের প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে গোলশুন্য ড্র করেছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। তা স্বতেও, পয়েন্ট তালিকায় এখনও নিজেদের শীর্ষস্থান বজায় রেখেছে লোবেরো’র দল। অন্যদিকে, শেষ ম্যাচে ইন্টার কাশীর বিপক্ষে দুরন্ত জয় তুলে নিয়েছে মুম্বাই সিটি এফসি। যারফলে স্বাভাবিকভাবেই এই ম্যাচে নামার আগে কিছুটা হলেও আত্মবিশ্বাসী তারা। তার উপর ঘরের মাঠে মোহনবাগানকে হারাতে পারলেই লিগ শীর্ষে উঠে আসবে পিটার ক্র্যাটকির দল। যা এই ম্যাচের আগে নিঃসন্দেহে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাবে তাদের। তবে, বিষয়টি নিয়ে বিশেষ ভাবতে রাজি নন মোহনবাগান কোচ সার্জিও লোবেরো। ম্যাচের আগেরদিন তাঁর স্পষ্ট জবাব, ফিফা বিরতির আগে এই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে দলের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করতে চান তিনি। আগের ম্যাচে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে পয়েন্ট নষ্ট করায় বেশ হতাশ বাগান কোচ। জানালেন, ম্যাচটা তাঁদের জেতা উচিত ছিল। খেলার শুরু থেকে দাপট বজায় রেখেও জিততে না পারায় কিছুটা হলেও আক্ষেপ রয়েছে লোবেরো’র। যদিও, আপাতত সেসব ভুলে মুম্বাই ম্যাচে ফোকাস করতে চান তিনি। চলতি আইএসএলে মুম্বাই অন্যতম শক্তিশালী দল। মোহনবাগানের মতো এবারের লিগে তারাও এখনও অপরাজিত রয়েছে। ফলে, এই ম্যাচে একটা তুল্যমূল্য লড়াই হতে চলেছে বলে মনে করছেন সবুজ-মেরুন কোচ। তবে, মুম্বাইকে সমীহ করলেও এই ম্যাচে জয় ছাড়া অন্যকিছু ভাবতে চান না তিনি। লোবেরো’র স্পষ্ট জবাব, তিন পয়েন্ট পাওয়ার জন্যই একটা ম্যাচ খেলা হয়। কিন্তু যখন ম্যাচ ড্র হয়, তখন দু’পয়েন্ট নষ্ট হয়। সেই ভুল কোনওভাবেই আজ ফের একবার করতে চান না বাগান কোচ। পাশাপাশি, এই ধরণের চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ খেলতে যে তিনি ভালোবাসেন, সেকথাও এদিন জানাতে ভুললেন না লোবেরো। এদিকে, মুম্বইকে সমীহ করলেও তাদের বাড়তি গুরুত্ব দিতে রাজি নন তিনি। বরং, পিটার ক্র্যাটকির দলের বিরুদ্ধে নিজেদের ভারসাম্য রাখা ঠিক রাখাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। এই প্রসঙ্গে বলা যায়, মোহনবাগানের আক্রমণভাগ টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা। তাই, জেমি ম্যাকলারেন, দিমিত্রি পেত্ৰাতোসদের আটকাতে প্রায় প্রতি ম্যাচেই প্রতিপক্ষ দল রক্ষণে লোক বাড়িয়ে খেলছে। ফলে, একাধিক সুযোগ তৈরী করলেও বারবার গোলমুখে এসে আটকে যাচ্ছে বাগানের স্ট্রাইকাররা। বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে শেষ ম্যাচেও সে কারণেই জয় হাতছাড়া হয়েছে তাদের। যা নজর এড়ায়নি কোচ লোবেরো’র। আর সেজন্য যে মুম্বইয়ের বিপক্ষে তাঁর আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে তাও এদিন জানিয়ে দেন তিনি। তবে, এই ম্যাচের আগে বাগান কোচকে স্বস্তি দিচ্ছে স্ট্রাইকার রবসন রবিনহো এবং ডিফেন্ডার আলবার্তো রদ্রিগেজের সুস্থ হয়ে ওঠা। এই ম্যাচে নামার জন্য এই দুই ফুটবলারই ম্যাচ খেলার জন্য পুরোপুরি ফিট। আর তাই আগের ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে নিজের প্রাক্তন দলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে ফিফা বিরতির আগে লিগ টেবিলে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করতে চাইছেন মোহনবাগান কোচ লোবেরো।
52 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:13 AM
পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সাংসদ ও প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বিজেপির চমক

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সাংসদ ও প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বিজেপির চমক

এই সময়, ব্যারাকপুর: বিজেপির দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকায় সবচেয়ে বেশি চমক ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে। সোমবার বিজেপির প্রথম তালিকায় ব্যারাকপুর লোকসভার বেশ কয়েকটি বিধানসভায় প্রার্থীর নাম ছিল না। মঙ্গলবার তৃণমূল পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতেই চিন্তা বাড়তে থাকে বিজেপি শিবিরে। বৃহস্পতিবার পদ্ম শিবিরের ১১৩ জনের নাম জানা যেতেই চমকের সঙ্গে বিতর্কও বেড়েছে।ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংকে নোয়াপাড়ায় পাঠানো হয়েছে। তবে তাঁকে নোয়াপাড়ায় প্রার্থী করায় এই কেন্দ্রের একদা কাউন্সিলার ও তৃণমূল নেতা বিকাশ বসু খুনের বিতর্ক নতুন করে মাথাচাড়া দেবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। জগদ্দল কেন্দ্রের প্রার্থী রাজেশ কুমারের নামও বড় চমক। কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজেশ কুমার এ বার তৃণমূল প্রার্থী তথা গতবারের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে বিজেপির টিকিটে লড়বেন। রাজেশ কুমার গত ৩১ জানুয়ারি অবসর নিয়েছেন। কেন বিজেপি'তে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'মানুষের জন্য কাজ করে বিজেপি। তাই বিজেপিতে যোগ দিয়ে মানুষের হয়ে কাজ করতে চাই।'বীজপুরের বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস আগে তৃণমূল করতেন। ২০১৯-এ লোকসভা নির্বাচনে অর্জুন সাংসদ হতেই তিনি পদ্মশিবিরে যোগ দেন। মাঝখানে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না। তৃণমূল কর্মী রাজু কুড়মি খুনের অভিযোগেও তাঁর নাম ছিল। এ বার তাঁকেই বীজপুরের প্রার্থী করে স্থানীয় অঙ্ককে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। যদিও তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক সুবোধ অধিকারী বলেন, 'বীজপুরে আমাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএম। বিজেপিকে প্রতিপক্ষই মনে করছি না।'ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচিকে। তাঁর লড়াই তৃণমূলের তারকা বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে। বৃহস্পতিবার তাঁর নাম ঘোষণা পর কৌস্তুভবলেন, 'তোলাবাজদের হাত থেকে ব্যারাকপুরকে মুক্ত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।' আর রাজ বলছেন, 'আমি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অর্জুন সিংকে চেয়েছিলাম। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হবে না।' কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী অরূপ চৌধুরী ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। পেশায় ব্যবসায়ী অরূপ বিজেপি কিষাণ মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদক। তাঁকে প্রার্থী করায় কামারহাটির বিজেপি নেতৃত্ব যে খুব একটা খুশি নন তা তাঁরা হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন।খড়দহের বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চক্রবর্তী অধ্যাপক। আরএসএসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। বিজেপির তালিকা প্রকাশ হতেই ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, 'আমি অর্জুনকে হারিয়েছি। ব্যারাকপুরে সাতে সাত করবে তৃণমূল।'
19 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:03 AM
নির্বাচনের আগে বনগাঁতে অভিজ্ঞ প্রার্থীকে মাঠে নামিয়েছে বিজেপি।

নির্বাচনের আগে বনগাঁতে অভিজ্ঞ প্রার্থীকে মাঠে নামিয়েছে বিজেপি।

এই সময়, বনগাঁ:প্রার্থী বাছাইয়ে পুরোনোদের উপরেই মতুয়া গড়ে ভরসা রাখলেন বিজেপি নেতৃত্ব। বনগাঁ উত্তর, দক্ষিণ ও গাইঘাটা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়কদের একই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে। তবে, মতুয়া অধ্যুষিত বাগদা কেন্দ্রে এ দিন প্রার্থী ঘোষণা হয়নি। বনগাঁর প্রাক্তন জেলা সভাপতি দেবদাস মণ্ডল হাবরা কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন।বনগাঁ উত্তরে বিজেপির বিধায়ক ছিলেন অশোক কীর্তনিয়া। ২০২১–এ ১০ হাজারের কিছু বেশি ভোটে জিতে বিধায়ক হন।এ বারেও ফের তাঁকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। অশোকের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বাজি বিশ্বজিৎ দাস। অশোক বলেন, ‘দল আমার উপর ফের আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ। জিতে বনগাঁ উত্তরের মর্যাদা রাখব।’ বিশ্বজিৎ বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে বিধায়ক হিসেবে কোনও কাজ করেননি উনি।’ বনগাঁ দক্ষিণে বিদায়ী বিধায়ক স্বপন মজুমদারকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। সন্ধ্যায় গোপালনগরের পল্লা বাজার ও চাঁদপাড়ায় মিছিল করেন স্বপন। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য। প্রার্থী হওয়ার পরেই স্বপন মজুমদারের চরিত্র নিয়ে মুখ খুলেছিলেন তিনি। এ দিন স্বপন বলেন, ‘অন্যের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ করার আগে তৃণমূল প্রার্থী যেন নিজের এবং তাঁর বাবা শঙ্কর আঢ্যর বিষয়টি ভাবেন।’বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডলের বাড়িও বনগাঁর মতিগঞ্জে। তাঁকে হাবরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। দেবদাসের বিরুদ্ধে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দেবদাস বলেন, ‘হাবরায় তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত।’ জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ‘গণনার দিন পরিষ্কার হয়ে যাবে, হাবরার মানুষ তৃণমূলের পক্ষেই থেকেছেন।’ অশোকনগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী চিকিৎসক সুময় হীরা। বারাসতে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়।
4 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 02:01 AM
প্রার্থী বাছাই নিয়ে সিপিআই (এম) অফিসে ভাঙচুর

প্রার্থী বাছাই নিয়ে সিপিআই (এম) অফিসে ভাঙচুর

তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনকে কালীগঞ্জে আসনে প্রার্থী করায় সিপিএমের পলাশি এরিয়া কমিটির অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছিলেন দলের কিছু কর্মী। পরে, দলের জেলা স্তরের নেতারা এই নিয়ে কথা বলতে গেলে, তাঁদের শারীরিক ভাবে হেনস্থা করা হয় বলেও অভিযোগ। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এরিয়া কমিটির সম্পাদক-সহ সাত জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সিপিএম সূত্রের খবর।
25 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 01:59 AM
হাওড়ার সালোপ বাজারে সোনা ব্যবসায়ীদের ব্যাগ চুরি

হাওড়ার সালোপ বাজারে সোনা ব্যবসায়ীদের ব্যাগ চুরি

এই সময়, হাওড়া:দোকান বন্ধ করার সময়ে ডোমজুড়ের সলপ বাজার এলাকায় এর স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সোনার গয়না ও নগদ টাকা ভর্তি একটি ব্যাগ ছিনতাই করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে, বুধবার রাত প্রায় ১০টা নাগাদ। পুলিশ সূত্রের খবর, সোনার দোকানের মালিক শৈলেন নস্কর প্রতি দিনের মতোই দোকান বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দোকানের শাটার নামিয়ে তালা দিতে যাওয়ার সময়ে তিনি টাকার ব্যাগটি পায়ের কাছেই রেখেছিলেন।আচমকাই ব্যাগটি তুলে নিয়ে চম্পট দেয় এক দুষ্কৃতী। ব্যাগে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা নগদ এবং আনুমানিক ৭থেকে ৮ ভরি সোনার গয়না ছিল বলে দাবি করেছেন ওই দোকানদার। সঙ্গে সঙ্গে তিনি চিৎকার করতে করতে দুষ্কৃতীর পিছু নেন। স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী তাকে ধাওয়া করেন। কিন্তু চোখের পলকে সেই দুষ্কৃতী দৌড়ে একটি মোটরবাইকে উঠে পড়ে। দুষ্কৃতীর মুখে কালো রঙের মাস্ক পরা ছিল, ফলে তাকে চিনতে পারেননি দোকানদার।পুরো ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুষ্কৃতীরা বাইক নিয়ে বাঁকড়া এলাকার দিকে পালিয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত দুই দুষ্কৃতীর পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।
98 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Mar 20, 2026, 01:40 AM
ভারতের প্রধান নির্বাচক হিসেবে অজিত আগরকরের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

ভারতের প্রধান নির্বাচক হিসেবে অজিত আগরকরের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

আগামী ২০২৭ একদিনের বিশ্বকাপ অবধি কি ভারতের নির্বাচক প্রধান হিসেবে দেখা যাবে অজিত আগারকারকে ? তাঁর আমলে তিনিটি আইসিসি ট্রফি জিতেছে ভারত। স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচক প্রধান হিসেবে বেশ সফল প্রাক্তন ভারতীয় এই ক্রিকেটার। অবশ্যই শুরুটা কিন্তু এতটা সহজ ছিল না আগারকারের জন্য। চেতন শর্মাকে সরিয়ে যখন তাঁকে দায়িত্বে নিয়ে আসা হয়েছিল তখন ভারতীয় ক্রিকেটের পরিস্থিতি কিছুটা টালমাটাল। সেখান থেকে তাঁর প্রথম বড় দায়িত্ব ছিল ২০২৩ বিশ্বকাপের দল বাছা। এরপর তিনি সব মিলিয়ে মোট চারটি আইসিসি ট্রফির দল গড়েছেন। তারমধ্যে ২০২৪ ও ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের খেতাব জিতেছে ভারত। পাশাপাশি, ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও ঘরে তুলেছেন শুভমন গিল, রোহিত শর্মা’রা। শুধু তাই নয়, মাঝে দুটি এশিয়া কাপও জিতেছে তারা। মাত্র একবার আইসিসি ট্রফিতে ব্যর্থ হতে হয়েছে ভারতকে। ২০২৩ সালে খেতাব জিততে না পারলেও রানার্স আপ হয়েছিল ভারত। অর্থাৎ নির্বাচক প্রধান হিসেবে তাঁর সময়ে চারটি আইসিসি ট্রফির তিনবার খেতাব জিতেছে সূর্যকুমার যাদব’রা। নির্বাচক প্রধান হিসেবে আগারকারের সাফল্য নিঃসন্দেহে প্রশ্নাতীত। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আগারকারের সঙ্গে কি ফের একবার চুক্তি বৃদ্ধি করবে বিসিসিআই ? জানা গিয়েছে, এজন্য নিজে থেকেই আবেদন জানিয়েছেন ভারতের নির্বাচক প্রধান। বোর্ডের কাছে তিনি অনুরোধ করেছেন তাঁর চুক্তি যেন আগামী ২০২৭ একদিনের বিশ্বকাপ অবধি বাড়ানো হয়। বোর্ড সম্ভবত আগারকারের এই দাবি মেনে নিতে চলেছে। কারণ, আপাতত তাদের হাতে তেমন কোনও বিকল্প নেই। যদিও, সামনেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ এবং একদিনের বিশ্বকাপ রয়েছে। তাই, বোর্ডের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এদিকে, পশ্চিমাঞ্চলের আরও এক প্রাক্তন ক্রিকেটারও প্রধান নির্বাচক হওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। আগারকারকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে হয়তো তাঁর সঙ্গে একবার কথা বলবে বিসিসিআই কর্তারা। এই প্রসঙ্গে বলা যায়, নির্বাচক হিসেবে সফল হওয়ার পাশাপাশি একাধিক সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আগারকার। তাঁর অধীনে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে বাদ দিয়েও বেশ সফলতা পেয়েছে ভারত। টেস্টে তরুণ শুভমন গিলকে অধিনায়ক করাটা যদি আগারকারের একটা দারুন সিদ্ধান্ত হয়েছে থাকে, তাহলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের ঈশান কিশানকে সুযোগ দেওয়াটা নিঃসন্দেহে তাঁর একটা মাস্টারস্ট্রোক। আগারকারের এই সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে বারবার নানারকম সমালোচনা করা হলেও এইগুলোই বিভিন্নসময়ে ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ পার্থ্যক্য গড়ে দিয়েছে। তাই আলোচনা চললেও বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেটে অজিত আগারকারের যে যোগ্য বিকল্প নেই, তা বলাই বাহুল্য।
27 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 01:33 AM
টিএমসি-র সাসপেন্ডেড ছাত্রনেতা রজনী হালদার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দুটি আসনে নির্দলভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

টিএমসি-র সাসপেন্ডেড ছাত্রনেতা রজনী হালদার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দুটি আসনে নির্দলভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

সোনারপুর দক্ষিণ এবং আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রথেকে নির্দল হিসাবে লড়ার কথা জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের নিলম্বিত ছাত্র নেত্রীরাজন্যা হালদার। সোনারপুর দক্ষিণে তৃণমূল ফের প্রার্থী করেছে বিধায়ক-অভিনেত্রী অরুন্ধতী মৈত্রকে (লাভলি)। প্রাক্তন সাংসদ ও অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে বৃহস্পতিবার ওই আসন থেকেপ্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি-ও। বিজেপির প্রার্থী ঘোষণার পরেই এ দিন নির্দল হিসাবেদাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন রাজন্যা। প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগে বিজেপিতে রাজন্যার যোগদেওয়া নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’ গড়ে নানা কর্মসূচিকরছিলেন রাজন্যা। সেই মঞ্চের হয়েই নির্দল প্রার্থী হিসাবে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেনতিনি। রাজন্যার বক্তব্য, “সোনারপুরেকোনও দল স্থানীয়দের প্রার্থী হিসাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। উন্নয়নের প্রশ্নে ক্রমেপিছিয়ে পড়ছে এলাকা। তাই আমার ভোটে দাঁড়ানো।” জনসংগ্রাম মঞ্চের হয়ে আরও কয়েকটিকেন্দ্রেও প্রার্থী দেওয়া হচ্ছে।
98 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 01:32 AM
মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কলকাতা পুলিশের'পিঙ্ক বুথ "উদ্যোগ

মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কলকাতা পুলিশের'পিঙ্ক বুথ "উদ্যোগ

সুপ্রকাশ মণ্ডলফাঁকা হয়ে এসেছে হয়তো, তবুও শ্যামবাজার পাঁচমাথা মোড় বলে কথা। রাত সাড়ে ১১টাতেও সব রাস্তাতেই কমবেশি ভিড়। সবাই কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছেন। সেই ভিড়ে মহিলাও ছিলেন কয়েক জন। ভিড় থাকলে কী হবে, বাস তো হাতেগোনা। বিকল্প যানবাহন নেই বললেই চলে। সোদপুরের মাধবী হালদার কোনও বাসই পাচ্ছিলেন না। তখন তাঁকে একজন সন্ধান দেন অদূরের ‘পিঙ্ক বুথ’-এর। কলকাতা পুলিশ রাত-পথে মহিলাদের সাহায্যে যে ‘অ্যাসিস্ট্যান্স বুথ’ চালু করেছে, সেগুলিই পিঙ্ক বুথ। মাধবী সেই বুথে গেলেন এবং ফিরে এলেন। কারণ, বুথ ফাঁকা। শেষ পর্যন্ত কোনও রকমে ডানলপে পৌঁছে সেখান থেকে সোদপুরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন একলা মহিলা। আর কোনও উপায়ও ছিল না। ততক্ষণে ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছুঁই–ছুঁই।কলকাতা পুলিশ আপাতত শহরে পাঁচটি ব্যস্ত জায়গায় পিঙ্ক বুথ তৈরি করেছে। শ্যামবাজার ছাড়াও, কাঁকুড়গাছি মোড়, উল্টোডাঙা হাডকো মোড়, বেহালা চৌরাস্তা এবং গড়িয়াহাট মোড়ে তৈরি হয়েছে এই বুথগুলি। এ ছাড়াও রাতের রাস্তায় থাকার কথা প্যাট্রোলিং কারের। নাম ‘শাইনিং’। রাতের রাস্তায় মহিলাদের সাহায্য করার পাশাপাশি তাঁদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করার কথা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অপসারিত কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার এই ‘পিঙ্ক বুথ’ এবং ‘শাইনিং’-এর সূচনা করেছিলেন মাত্র কয়েক দিন আগেই।বুধবার রাত সওয়া ১১টা নাগাদ দেখা গেল, শ্যামবাজার মোড়ের পিঙ্ক বুথের সামনে এসে দাঁড়াল পুলিশের একটি গাড়ি। বুথ থেকে দু’জন মহিলা পুলিশকর্মী উঠলেন সেই গাড়িতে। গাড়ি চলে গেল। মাধবী এসেছিলেন আরও খানিক পরে। তারও পরে এসেছিলেন দু’জন। তাঁরা দেখলেন, পিঙ্ক বুথে এক জন সিভিক ভলান্টিয়ার বসে। তিনি বিশেষ কিছু বলতে পারলেন না। এই যদি শ্যামবাজারের ছবি হয়, তা হলে কাঁকুড়গাছির ছবিটা উজ্জ্বল নয়। রাত তখন সবে ১২টা ছাড়িয়েছে। কাঁকুড়গাছি থেকে বাগমারি যাওয়ার রাস্তার পাশের পিঙ্ক বুথ খাঁ–খাঁ করছে।শ্যামবাজারে তবুও রাত ১২টার কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত রাস্তায় টহলদারি পুলিশের ভ্যান ছিল। ছিলেন জনাকয়েক পুলিশকর্মী। সেই পুলিশকর্মীরা জানান, পিঙ্ক বুথে মহিলা পুলিশকর্মীরা দুপুর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত থাকেন। কাঁকুড়গাছিতে কোনও পুলিশকর্মীই চোখে পড়ল না। যদিও রাস্তায় লোকজন আছেন, তার মধ্যে জনাকয়েক মহিলাও ছিলেন। তাঁদের এক জনের গন্তব্য এয়ারপোর্ট ১ নম্বর গেট, আর এক জনের বিরাটি। দু’জনই হা পিত্যেশ করে দীর্ঘক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে রইলেন। ক্যাব ভাড়া করার সামর্থ্য তাঁদের নেই। শেষ পর্যন্ত ৪৬ নম্বর রুটের একটি বাস এলে দু’জন তাতেই চড়লেন। সে বাসের গন্তব্য এয়ারপোর্ট ১ নম্বর গেট। বিরাটির বাসিন্দা সেখান থেকে কী ভাবে যাবেন, জানেন না।শ্যামবাজার থেকে হাতিবাগান, সেখান থেকে উল্টোডাঙা হয়ে কাঁকুড়গাছি। সেখান থেকে বেলেঘাটা হয়ে ইএম বাইপাস ধরে যেতে গিয়ে অনেক মহিলাকেই দেখা গেল পথে। তাঁদের কেউ বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে, কাউকে দেখা গেল হাঁটতে। কিন্তু কোথাও চোখে পড়ল না ‘শাইনিং’ টিমের গাড়ির। শ্যামবাজারের মোড়ে পিঙ্ক বুথের সাহায্য চেয়ে ফিরে যাওয়া এক তরুণীর মন্তব্য, ‘রাত ১১টায় কলকাতায় তাও কিছু যানবাহন মেলে। অসুবিধাটা হয় আরও বেশি রাতের দিকে। সেই সময়ে যদি পিঙ্ক বুথে পুলিশই না থাকে, তা হলে কী লাভ!’
53 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 01:31 AM
বিক্ষোভ উস্কে দেওয়ার দায়ে ইরানের কুস্তিগীর সালেহ মোহাম্মাদির প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

বিক্ষোভ উস্কে দেওয়ার দায়ে ইরানের কুস্তিগীর সালেহ মোহাম্মাদির প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

সালেহ মোহাম্মদি (Saleh Mohammadi)। ইরানের (Iran) প্রতিভাময় কুস্তিগীর (Wrestler)। মাত্র ১৯ বছর বয়স। এর মধ্যেই দেশ-বিদেশে একাধিক খেতাব জিতেছিলেন। কিন্তু আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধেপ্রতিবাদেপা মেলানোর অভিযোগে বৃহস্পতিবার তাঁকে প্রকাশ্যেফাঁসি(Iran executes 19-year-old wrestler Saleh Mohammadi) দিল ইরান সরকার। দাবি, বিক্ষোভের সময়ে দু’জন পুলিশ কর্মীকে খুন করেছিলেন তিনি। তবে ইরানের মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, এই অভিযোগ নেহাতই অজুহাত।সালেহকে ফাঁসি দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাস্টিং (IRIB)। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ দিন কুম শহরে ‘একদল মানুষের উপস্থিতিতে’ সালেহ মোহাম্মদিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। সালেহর সঙ্গেই ফাঁসির দড়িতে ঝোলানো হয়েছে সৈয়দ দাভোদি ও মেহদি ঘাসেমি নামে আরও দুই প্রতিবাদীকে।ফাঁসির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইরানের মানবাধিকার সংগঠন IHRNGO। সংগঠনের পরিচালক মাহমুদ আমিরি মোঘাদ্দম বলেন, ‘লাগাতার নির্যাতন ও জোর করে স্বীকারোক্তি আদায়ের পরে তিন জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।’ ভবিষ্যতে এ ভাবে আরও ফাঁসি দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। মোঘাদ্দম বলেন, ‘এই ঘটনাকে আমরা বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখছি। বিরোধী স্বর দমন করতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।’কার্যত বিনা বিচারে তিন জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও। একটি বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘কোনও বিচার হয়নি। গায়ের জোরে স্বীকারোক্তি আদায় করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন ইরানের কমব্যাট অ্যাথলিট এবং মানবাধিকার কর্মী নিমা ফার। তাঁর কথায়, ‘এটা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক হত্যা। সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টি করাই মূলত লক্ষ্য।’উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের সময়ে এক নিরাপত্তা কর্মীকে খুনের অভিযোগে নাভিদ আফকারি নামে এক ইরানি কুস্তিগীরকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। সালেহর ফাঁসির সঙ্গে সেই ঘটনার মিল পাচ্ছেন অনেকেই। ইরানকে সমস্ত রকম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবিও জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলি। মোঘাদ্দমের কথায়, ‘ইরান এখন ইসলামিক প্রজাতন্ত্র টিকিয়ে রাখার লড়াই লড়ছে। তারা জানে, সরকারের কাছে সবচেয়ে বড় হুমকি হলো সাধারণ মানুষ। তাই ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা চলছে।’
25 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Mar 20, 2026, 01:30 AM
আইপিএল-এ কে. কে. আর-এর সঙ্গে যোগ দিতে ম্যাথিশা পাথিরানাকে বাধা দিল শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড।

আইপিএল-এ কে. কে. আর-এর সঙ্গে যোগ দিতে ম্যাথিশা পাথিরানাকে বাধা দিল শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড।

আসন্ন আইপিএলে কি কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলতে দেখা যাবে শ্রীলঙ্কার পেসার মাথিশা পাথিরানাকে ? বিষয়টি নিয়ে জটিলতা ক্রমেই বাড়ছে। চোট কাটিয়ে আপাতত তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে গেলেও জাতীয় দলের এই পেসারকে কেকেআর শিবিরে যোগ দেওয়ার অনুমতি দিচ্ছে না শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। শুধু তাই নয়, বোর্ডের অনুমতি না মেলায় প্রতিদিন বিমানের টিকিট বুক করেও তা বাতিল করে দিতে হচ্ছে পাথিরানাকে। এবারের নিলামে পাথিরানাকে ১৮ কোটি টাকা দিয়ে দলে নিয়েছে কেকেআর। শ্রীলঙ্কার তরুণ এই পেসার ম্যাচের ডেথ ওভারে বিধ্বংসী বোলিংয়ের জন্য বিশেষ পরিচিত। দায়িত্ব নিয়ে একাই ম্যাচের রং বদলেছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে দলে নেওয়ায় কেকেআরের শক্তি যে কিছুটা হলেও বেড়েছিল, তা বলাই বাহুল্য। যদিও, বিশ্বকাপের ম্যাচে খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চার ওভার বল করার পরেই উঠে যেতে হয় তাঁকে। তারপর আর বাকি বিশ্বকাপে আর খেলতে পারেননি। তবে, আপাতত চোট সারিয়ে উঠে বর্তমানে অনেকটাই ফিট পাথিরানা। যদিও, দেশের অন্যতম সেরা পেসারকে নিয়ে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটবোর্ড। তাই, আসন্ন আইপিএলে খেলার জন্য পাথিরানাকে এখনও ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। এই অবস্থায় শ্রীলঙ্কান এই তারকার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে নাইট ম্যানেজমেন্ট। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন কেকেআরের এক কর্তা। জানিয়েছেন, কবে পাথিরানা শিবিরে যোগ দেবে তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানাননি। কারণ, রোজই তাঁর জন্য টিকিট বুক করেও তা আবার বাতিল করে দিতে হচ্ছে। এরই মাঝে পাথিরানার ম্যানেজার সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, কেকেআর জার্সি পরে প্রস্তুতিতে মগ্ন তিনি। তা স্বতেও তাঁকে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড না ছাড়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বলা যায়, বুধবার থেকে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে কেকেআর। যদিও, দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য পেসার পাথিরানা কবে দলের সঙ্গে যদি দেবে, বা আদৌ এবারের আইপিএলে খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় কিন্তু থাকছেই।
50 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 01:03 AM
ভবানীপুর আসনের জন্য পৃথক স্লোগান প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

ভবানীপুর আসনের জন্য পৃথক স্লোগান প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

শুধু ভবানীপুর কেন্দ্রের জন্য আলাদা স্লোগান তৈরি করে বাড়ি বাড়ি যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। তাতে লেখা হবে, ‘উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে’। মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার দলের প্রস্তুতি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
21 shares
😐