Achira News Logo
Achira News
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 06:00 AM
ভারতীয় ইতিহাসঃ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং মাইলফলকগুলির একটি সময়রেখা

ভারতীয় ইতিহাসঃ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং মাইলফলকগুলির একটি সময়রেখা

১৬২৮: সম্রাট শাহজাহান আনুষ্ঠানিকভাবে আগ্রার সিংহাসনে বসেন ১৭৯২: যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর টিপু সুলতান অর্ধেক মহীশুর ইংরেজদের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন ১৯১৮: সাহিত্যিক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯২২: বাংলার গভর্নর-জেনারেল রোনাল্ডসে কলকাতার "স্কুল অফ ট্রপিক্যাল ডিজিজেস"-এর দ্বারোদ্‌ঘাটন করেন ১৯২২: ধ্রুপদী সঙ্গীত শিল্পী ভারতরত্ন পণ্ডিত ভীমসেন যোশির জন্ম ১৯৩৮: নৃত্যগুরু পণ্ডিত বিরজু মহারাজ ওরফে ব্রিজমোহন মিশ্রর জন্ম ১৯৪৮: সিংহল (পরবর্তীতে শ্রীলঙ্কা নামকরণ হয়) স্বাধীন হয় ১৯৪৯: নির্মাণের ১৭৬ বছর পর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের দরজা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ১৯৭৪: পদার্থ বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর মৃত্যু ১৯৭৪: অভিনেত্রী ঊর্মিলা মাতন্ডকরের জন্ম ১৯৯০: বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক মৈত্রেয়ী দেবীর মৃত্যু ১৯৯৮ : বাঙালি চলচ্চিত্র কৌতুকাভিনেতা রবি ঘোষের মৃত্যু ২০০১: ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়ের মৃত্যু ২০০৪: স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক চালু হয় ২০২৩: জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী বাণী জয়রামের মৃত্যু
89 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:59 AM
বিধাননগরের এক মহিলার সাইবার জালিয়াতির কারণে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বিধাননগরের এক মহিলার সাইবার জালিয়াতির কারণে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

সাইবার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে বিপুল অঙ্কের ক্ষতির মুখে পড়ছেন অনেকেই। বিধাননগরে ফের এক মহিলা এমন ফাঁদে পড়ে কয়েক লক্ষ টাকা খোয়ালেন। সম্প্রতি তিনি বিধাননগর পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।
8 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:53 AM
আর্থিক সংকট এবং নেতৃত্বের অভাবের মধ্যে হাওড়া পৌর কর্পোরেশনের সংগ্রাম

আর্থিক সংকট এবং নেতৃত্বের অভাবের মধ্যে হাওড়া পৌর কর্পোরেশনের সংগ্রাম

আক্ষরিক অর্থেই চরম আর্থিক সঙ্কটে ভুগছে হাওড়া পুরসভা। এক দিকে পুরসভার নিজস্ব আয় প্রায়তলানিতে ঠেকেছে। অন্য দিকে, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসারের অভাবে প্রতিটি দফতর ধুঁকছে। পুর পরিষেবা কাকে বলে, কার্যত সেটাই ভুলতে বসেছেন সাধারণ মানুষ। যার ফলে ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, যত্রতত্র পড়ে থাকা আবর্জনা, জঞ্জাল উপচে পড়া ভ্যাট, অপরিষ্কার নর্দমা, বেআইনি পার্কিং এবং অবাধে গড়ে ওঠা বেআইনি বহুতলই হয়ে উঠেছে গত সাত বছর ধরে নির্বাচন না-হওয়া হাওড়া শহরের প্রধান পরিচয়।
25 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:49 AM
জয়া আহসানের আসন্ন ছবি'ওসিডি'এবং শিশু নির্যাতনের বিষয়ে কলকাতায় কথা বলেছেন

জয়া আহসানের আসন্ন ছবি'ওসিডি'এবং শিশু নির্যাতনের বিষয়ে কলকাতায় কথা বলেছেন

এক সপ্তাহ পার হলেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে কলকাতায় জয়া আহসান। শহরের এক রেস্তরাঁয় আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় নায়িকার কথায় উঠে এল তাঁর আগামী ছবি, আট ঘণ্টার কাজ নিয়ে তাঁর বক্তব্য। সেই সঙ্গে বিশ্ব জুড়ে শিশুদের উপর নানা ধরনের নির্যাতনের প্রসঙ্গও। মতৃত্ব নিয়ে তাঁর একান্ত ভাবনা ঠিক কী, সেটাও অকপটে শোনালেন জয়া। প্রশ্ন: এ বার অনেকটা লম্বা সময় পরে কলকাতায় এলেন। জয়া:হ্যাঁ, মাঝে একটু বেশি সময় ঢাকায় ছিলাম। এ বার নিজের আসন্ন ছবি ‘ওসিডি’-র জন্য কলকাতায় এলাম। আমার অভিনীত অন্যতম প্রিয় কাজ বলতে পারেন এটা। প্রশ্ন: জয়া আহসান তা হলে এ বার ‘বাতিক’-এর জ্বালায় নাজেহাল, তাই তো? জয়া:হ্যাঁ, একেবারে তাই। এই ছবিটা করতে করতে আমি খুঁজতে শুরু করি, আমার মধ্যে কিসের বাতিক রয়েছে। ছবিটা করার সময় আমাদের পরিচালক সৌকর্যকে একাধিক বার জিজ্ঞেস করতাম, ‘‘আমার কিসে ওসিডি আছে?’’ প্রশ্ন: খুঁজে পেলেন সেটা আপনি? জয়া: হ্যাঁ, আমি বুঝতে পেরেছি, নিখুঁত অভিনয় নিয়ে আমার ‘ওসিডি’ রয়েছে। খালি মনে হয় সব (অভিনয়) যেন এক রকম হয়ে যাচ্ছে। তার পর নিজেকেই যেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে ফেলি, আবার বিরক্ত হয়ে যাই নিজের উপরেই। নিজেকে বলি, ‘‘আরে বাবা, আমি তো মানুষ! কিন্তু মন বোঝে না। খালি মনে হয়, আমি কি ভাল করতে পারছি? এটা ভাবতে ভাবতে মানসিক অসুস্থতার জায়গায় চলে যাই। আরও নিখুঁত, আরও নিখুঁত হতে গিয়ে নিজের উপর বাড়তি চাপ দিয়ে ফেলি। প্রশ্ন: এটা থেকে মুক্তির পথ ভাবলেন কিছু? জয়া:নাহ্! ঠিক মুক্তি নয়। তবে ভেবে দেখেছি, কোনও কিছু সুন্দর ভাবে মন দিয়ে করলেই চাপমুক্ত থাকা যায়। প্রশ্ন: কোনও চরিত্র হয়ে ওঠার জন্য জয়া আহসান কী ভাবে তৈরি করেন নিজেকে? জয়া:আমি যখন যে বিষয়ে কাজ করি, সেটা নিয়ে কিছুটা পড়াশোনা করি। ‘ওসিডি’ ছবিটা করার সময় ‘পিডোফিলিয়া’ নিয়ে রীতিমতো চর্চা করেছি। শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ কোন মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ, কী থেকে হয়— এগুলো না জানলে এমন বিষয় নিয়ে কাজ করাটা মুশকিল। এই ছবি সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। তাই প্রস্তুতিটা জরুরি। আসলে যেখানে শিশুরা জড়িয়ে থাকে, দায়িত্বটা অনেক বেড়ে যায়। তাই না? প্রশ্ন: এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে ‘এপস্টিন ফাইল’ নিয়ে আলোচনা চলছে। তাবড় সব ব্যক্তিত্বদের নাম উঠে আসছে ওই বিতর্কে। জয়া:হ্যাঁ, আসলে এটা তো একটা মানসিক ব্যাধি। একটা বাচ্চা দেখলে সাধারণ মানুষের মনে মায়া জন্মায়, স্নেহ জন্মায়। কিন্তু, কিছু মানুষের শিশুদের দেখলে যৌন আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। তাঁরা ওই শরীরের ভিতরটা দেখতে চায়। আসলে এটা তো একটা অসুস্থতা। এই ‘পিডোফিলিয়া’ বিষয়টা নিয়ে কিন্তু বাংলা ছবিতে এখনও পর্যন্ত কোনও কাজ হয়নি। সেটাও কিন্তু খুব দুর্ভাগ্যজনক। প্রশ্ন: শৈশবের সঙ্গে মিশে রয়েছে হিংসা, এই ধরনের বিষয় নিয়ে কাজ করতে গেলে মনের উপর কতটা চাপ পড়ে? জয়া:‘ওসিডি’ ও ‘পিডোফিলিয়া’— দুটোই স্পর্শকাতর বিষয়। এই ছবিতে আমার করা চরিত্রটা শৈশবে যৌন শোষণের শিকার এবং তার পরিণাম কী ভয়ঙ্কর হতে পারে, অভিনয় করতে গিয়ে সেটার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। তাই চাপ তো পড়েই। প্রশ্ন: বাস্তব জীবনে জয়ার সঙ্গে এমন কোনও ঘটনা ঘটেছে? জয়া:আমি আসলে শুনেছি। এই ধরনের যৌন শোষণের ঘটনা পরিবারের মধ্যেই বেশি হয়। তাই এই বিষয়টা নিয়ে সব সময় ঢাকাচাপা দিয়ে রাখতেই দেখেছি। আমি আমার অনেক ঘনিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ‘ওসিডি’ও দেখেছি। প্রশ্ন: শিশুদের প্রতি মায়া প্রসঙ্গে মনে হল, জয়া আহসান কখনও মা হতে চাননি? জয়া:আমি তো নিজেকে মা-ই মনে করি। হয়তো আমি কাউকে জন্ম দিইনি। কিন্তু আমার সঙ্গে আমার পোষ্যদের যে সম্পর্ক কিংবা আমার বাড়ির গাছেদের, তাতে আমি নিজেকে মা বলেই ভাবি। ওদের সঙ্গে আমি কথা বলি, আমার সঙ্গে সময় না কাটালে গাছেরা মরে যায়, পোষ্যেরা কষ্ট পায়। আমি ওদের কথা বুঝতে পারি। আমার কলকাতার বাড়িতে এলে গাছগুলোর নতুন পাতা গজাতে দেখেছি। ওরা আমাকে দেখলে খুশিতে ঝলমল করে। জন্ম দিতে পারলেই কি সন্তানেরা মায়ের কাছে থাকে? আমি জগতের সকলের মা হয়ে থাকতে চাই, তার মধ্যেই আনন্দ, সারদাদেবীর মতো। প্রশ্ন: শিশুদের জন্য কতটা নিরাপদ এই পৃথিবী? জয়া:অসম্ভব অনিরাপদ। আমি চাইলে কিন্তু সন্তান দত্তক নিতে পারি। তার জন্য সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু বাধা একটাই। একটা শিশুকে পৃথিবীতে আনলে তার জন্য একটা নিরাপদ জায়গা করে দিতে হবে। কিন্তু মানুষ প্রতিনিয়ত ‘আমি আমি’ করে চলছে। প্রশ্ন: দুটো ব্যাধির কথা হচ্ছে। আরও একটা সামাজিক ব্যাধি ‘হোমোফোবিয়া’। আপনার এই প্রসঙ্গে অবস্থান কী? জয়া:আমার চারপাশে এমন মানুষও দেখেছি। আমি মনে করি, সম্পর্ক মনের মিলন, লিঙ্গের নয়। আসলে সবটাই ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। শারীরিক ভাবে স্ত্রী-পুরুষের এই পার্থক্যটা একটা অবয়ব। সবটাই মনের যোগাযোগ। প্রশ্ন: পর্দায় সমলিঙ্গের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে কী কোনও ছুতমার্গ রয়েছে জয়ার? জয়া:নাহ্, ওটা তো অভিনয়। যদি আমি দেখি, কোনও বিষয় অহেতুক উদ্দেশ্যে দেখানো হচ্ছে, তা হলে আপত্তি রয়েছে। এমন কিছু করতে চাই না, যেখানে মনে হবে আমাকে ভুল ভাবে ব্যবহার করা হল। প্রশ্ন: অনেকগুলো ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন, ৮ ঘণ্টার কাজের দাবির সঙ্গে কি একমত আপনি? জয়া:দেখুন, অভিনয়টা শুধু শারীরিক নয়। এই পেশায় শরীর ও মনকে সঙ্গে নিয়ে একাগ্রচিত্তে কাজটা করতে হয়। আর এই কাজটা কিন্তু সহজ নয়। আমি মনে করি, কাজের একটা নির্ধারিত সময় থাকা দরকার। ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্য থাকলে তবেই একজন অভিনেতার কর্মজীবন সফল হয়। এই আট ঘণ্টার মধ্যে কিন্তু ভাল কাজ করা সম্ভব। আট ঘণ্টা কাজ করা মানে কোনও ভাবেই গুণগত মানের সঙ্গে আপোস করা নয়। প্রশ্ন: আপনি নিজে কখনও প্রযোজক-পরিচালকের কাছে এই দাবি রেখেছেন? জয়া:হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রেই বলে দিয়েছি, আমার কাজের শিফ্‌ট কিন্তু আট ঘণ্টার। আবার যখন প্রয়োজন হয়, তখন আট ঘণ্টার বেশিও কাজ করি। আমি কখনওই প্রযোজক, পরিচালককে বিপদে ফেলি না। আমি কাজের ক্ষেত্রে জেদাজেদিতে বিশ্বাসী নই। বরং গুণগত মানের দিকটা বজায় থাকল কি না সেই বিষয়টা নিয়ে চিন্তিত। প্রশ্ন: আপনি কখনও নাচগানের মশলা মার্কা ছবিতে কাজ করবেন? জয়া:আমি তো স্বার্থপর! অভিনয় থেকে যত রকমের রস নিতে পারব সব করব। অভিনয় করাটা আমার কাছে একটা নেশার মতো। একটা জীবনে কতগুলো চরিত্র হয়ে বাঁচা যায় বলুন তো? এটা তো সবাই পারবে না, আমি পারি। মানে অভিনেতারা এই যাপনটা করতে পারে। আর এটার যে কি নেশা, যে করে সে-ই জানে। প্রশ্ন: কিন্তু এই যে যাপন, তা থেকে মোহাবিষ্ট হতে হতে আত্মকেন্দ্রিকও হয়ে যান কেউ কেউ? জয়া:হ্যাঁ, তা হয়। যে কোনও অভিনেতা কিন্তু নিজেকে নিয়ে মোহাবিষ্ট। আসলে অভিনয়টা আমার কাছে একটা অ্যাড্রিনালিন রাশ-এর মতো, সেটাই আমাকে আকর্ষণ করে। প্রশ্ন: আপনি নিজেকে নিয়ে গুগল করে দেখেন? জয়া:না, দেখি না। সময় হয় না, ইচ্ছে হয় না। লোকে বলে অনেক কথা। প্রশ্ন: লোকের তো জয়া আহসানের বয়স নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই, আপনি কী বলবেন? জয়া:কেউ বলে আমার ৪০, কারও কাছে আমি ৫০, কেউ পৌঁছে দিয়েছে ষাটের দরজায়। আসলে আমি ছোট বয়স থেকে কাজ করছি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি, খুব ভারী ভারী চরিত্রে কাজ করেছি আর অনেক বছর ধরে কাজ করছি। তাই যে যার মতো করে আমার বয়স ধরে নিয়েছে। প্রশ্ন: সমাজে কি সফল নারীদের বিড়ম্বনা বেশি? জয়া: আসলে মানুষ আজকাল মন্তব্য করতে ভালবাসে। আর সমাজমাধ্যম তো প্রতিদিন যেন হাস্যকর জায়গায় চলে গিয়েছে। তবে ‘সফল’ শব্দাটা বড্ড স্বার্থপর মনে হয়। আমি সার্থকতায় বিশ্বাসী। প্রশ্ন: এখন তারকারা ডিটক্স করছেন, জয়া কী ভাবে ডিটক্স করেন? জয়া:গাছের পরিচর্যা আমার কাছে থেরাপির মতো। তবে আমি মাঝেমধ্যে ‘মোবাইল ফাস্টিং’ করি। মোবাইল থেকে দূরে থাকি। এটা খুব ভাল ভাবে করতে পারি। সে সময় কেউ আমাকে পায় না। ইচ্ছাকৃত ভাবেই আড়ালে চলে যাই।
72 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:45 AM
বারাসাত জেলা পুলিশ যানজট ও দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক গার্ডদের প্রবর্তন করেছে

বারাসাত জেলা পুলিশ যানজট ও দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক গার্ডদের প্রবর্তন করেছে

ক্রমবর্ধমান যানজট ও পথ দুর্ঘটনায় লাগাম টানতে গোবরডাঙা থানা এলাকায় ট্র্যাফিক গার্ড চালু করল বারাসত জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার গোবরডাঙা বাজার এলাকায় অবস্থিত পুরনো পুলিশ ফাঁড়িকে নতুন ভাবে সাজিয়ে ট্র্যাফিক গার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন বারাসতের এসডিপিও অজিঙ্কা বিদ্যাগড়। ছিলেন হাবড়ার এসডিপিও সুবীরকুমার বাগ, গোবরডাঙা থানার ওসি পিঙ্কি ঘোষ এবং গোবরডাঙা পুরপ্রধান শঙ্কর দত্ত।
82 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:41 AM
সমঝোতার দাবির মধ্যে মার্কিন সেনা ড্রোন ভূপাতিত করায় ইরান-মার্কিন উত্তেজনা

সমঝোতার দাবির মধ্যে মার্কিন সেনা ড্রোন ভূপাতিত করায় ইরান-মার্কিন উত্তেজনা

এক দিকে সংঘাত। অপর দিকে বোঝাপড়া চলার দাবি। আপাততআমেরিকা-ইরান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নির্যাস তেমনই। মঙ্গলবার আরব সাগরে ইরানেরএকটি ড্রোনকে গুলি করে নামিয়েছে মার্কিন সেনা। তার পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ডট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে তাঁদের বোঝাপড়া চলছে। তবে কোন বিষয়ে এইবোঝাপড়়া, তা খোলসা করেননি ট্রাম্প। ইরানের উপর নজরদারি চালানোর জন্য আরব সাগরে রণতরী ‘ইউএসআব্রাহাম লিঙ্কন’-কে মোতায়েন করে রেখেছে আমেরিকা। আমেরিকার সেনাবাহিনীর সেন্ট্রালকমান্ড মঙ্গলবার জানিয়েছে, ইরানের একটি ড্রোন ওই রণতরীর দিকে ধেয়ে আসে। তার পরেইএফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান থেকে গুলি করে ওই ড্রোনটিকে নামানো হয়। মার্কিন সেনার দাবি, ড্রোনটি‘আগ্রাসী আচরণ’ করছিল। কোনও কারণ ছাড়াই মার্কিন রণতরীর চার দিকে ঘুরে বেড়াচ্ছিল! এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরেই হোয়াইট হাউসে ইরান প্রসঙ্গে মুখখোলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ওরা বোঝাপড়ায় আসছে।” তার পরেই ইরানে সাম্প্রতিকমার্কিন অভিযানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “এর আগেও ওদের (ইরান) কাছেকিছু করার (বোঝাপড়ায় আসার) সুযোগ ছিল। কিন্তু সেটা আর কার্যকর হয়নি।” তার পরেইট্রাম্পের সংযোজন, “আমার মনে হয় ওরা ওই ঘটনার (ইরানে আমেরিকার সামরিক অভিযান) পুনরাবৃত্তিচাইবে না। তাই ওরা বোঝাপড়া চাইছে। আমরা এখন ওদের সঙ্গে বোঝাপড়া করছি।”
58 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:40 AM
সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফির হত্যার তদন্ত করছে লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ

সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফির হত্যার তদন্ত করছে লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ

লিবিয়া গুলি করে হত্যা করা হল মুয়াম্মার গদ্দাফির পুত্র সইফ আল-ইসলাম গদ্দাফিকে। মঙ্গলবার লিবিয়ার উত্তরপশ্চিম প্রান্তে জিনটান শহরে বাড়িতে ঢুকে তাঁকে খুন করেন চার বন্দুকধারী। তাঁদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি। অজ্ঞাতপরিচয় ওই বন্দুকধারীদের প্রত্যেকেরই মুখ মাস্ক দিয়ে ঢাকা ছিল। লিবিয়ার প্রয়াত প্রাক্তন শাসকের ৫৩ বছর বয়সি পুত্রের উপরে কী উদ্দেশ্যে হামলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, লিবিয়ার প্রশাসন এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তবে সরকারি ভাবে কোনও বিবৃতি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সইফের ফরাসি আইনজীবী মার্সেল সেসালডি এএফপি-কে জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময়ে দুপুর ২টো নাগাদ হত্যা করা হয় গদ্দাফিপুত্রকে। চার জন বন্দুকধারী তাঁর জিনটানের বাড়িতে প্রবেশ করেছিলেন বলেও জানান তিনি। সইফের অনুগামীদের দাবি, বন্দুকধারীরা বাড়িতে প্রবেশের আগে সিসি ক্যামেরা বিকল করে দিয়েছিলেন। ফলে বাড়ির ভিতরে কী হয়েছিল, তা-ও স্পষ্ট নয়। অন্য দিকে লিবিয়ার সংবাদমাধ্যমে সইফের বোন দাবি করেছেন, আলজেরিয়া সীমান্তের কাছে হত্যা করা হয়েছে তাঁকে। তবে সইফের রাজনৈতিক উপদেষ্টা-সহ বেশির ভাগ ঘনিষ্ঠেরাই দাবি করছেন, জিনতানের বাড়িতেই হামলা হয়েছে গদ্দাফিপুত্রের উপরে। লিবিয়ায় গদ্দাফির শাসনের আমল থেকেই প্রগতিশীল রাজনীতিক হিসাবে পরিচিতি তৈরি হয়েছিল তাঁর। সইফ ওই সময়ে কোনও ঘোষিত পদে ছিলেন না। তবে পশ্চিমি দেশগুলির সঙ্গে লিবিয়ার সম্পর্ক ফের মসৃণ করার চেষ্টায় তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। গদ্দাফির উত্তরসূরি হিসাবেও অনেকে বিবেচনা করতেন তাঁকে। বাবার শাসনকালে সইফই ছিলেন লিবিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শক্তিধর ব্যক্তিত্ব। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালের বিদ্রোহে গদ্দাফিকে হত্যার পরে বন্দি করা হয় সইফকে। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালে ছাড়া পান তিনি। সেই থেকে জিনতানেই থাকছিলেন তিনি। ২০২১ সালে সইফ ঘোষণা করেছিলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পদপ্রার্থী হবেন তিনি। ভোটে লড়ার ঘোষণা করেছিলেন ঠিকই, কিন্তু সেই নির্বাচন পরে অনির্দিষ্ট কালের জন্য পিছিয়ে যায়।
62 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:40 AM
মোদী চাপের মুখে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি হয়েছেন বলে অভিযোগ গান্ধীর

মোদী চাপের মুখে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি হয়েছেন বলে অভিযোগ গান্ধীর

আমেরিকার ধনকুবের তথা যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের ফাইলে নরেন্দ্র মোদীর নাম এবং ঘুষ কেলেঙ্কারিতে মোদীর ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি গৌতম আদানিকে আমেরিকার সমন— এই দুইয়ের চাপেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শর্ত মেনে বাণিজ্য চুক্তি করতে রাজি হয়েছেন বলে রাহুল গান্ধী আজ অভিযোগ তুললেন। তাঁর দাবি, ‘‘প্রধানমন্ত্রী ভয়ঙ্কর চাপে রয়েছেন। হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে নরেন্দ্র মোদীর ভাবমূর্তির যে বেলুন ফোলানো হয়েছিল, তা ফেটে যেতে পারে। তাই তিনি আপস করে ফেলেছেন।’’ তিনি এ সব কথা সংসদে বলতে চাইছিলেন বুঝেই তাঁকে সংসদে বিতর্কে বলতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে রাহুলের অভিযোগ।
25 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:40 AM
অবৈতনিক চুক্তি কর্মীদের হতাশাজনক দুর্দশাঃ ঋণের বোঝা এবং আত্মহত্যার অভিযোগ

অবৈতনিক চুক্তি কর্মীদের হতাশাজনক দুর্দশাঃ ঋণের বোঝা এবং আত্মহত্যার অভিযোগ

দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের ধর্মতলার কাউন্টার থেকে মাসেপ্রায় এক কোটি ২০ লক্ষ টাকার টিকিট বিক্রি করেও এক বছরের বেশিসময় ধরে বেতন পাচ্ছেন না ২১ জন ঠিকা কর্মী। ঋণের বোঝা সইতে না পেরে তাঁদেরই এক জন, শঙ্খঅগোস্তি (৩১) সোমবার রাতে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ। শঙ্খের বাড়ি উত্তরপাড়ারভদ্রকালীর ১৯ নম্বর শিবতলা লেনে।
18 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:34 AM
বাস্তবতা বজায় রাখতে ব্যর্থঃ আর্জেন্টিনা পরিবর্তিত সময়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ

বাস্তবতা বজায় রাখতে ব্যর্থঃ আর্জেন্টিনা পরিবর্তিত সময়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ

মারাদোনার বিশ্বজয়ের অবিস্মরণীয় চলচ্ছবির টানে ভিড় হয়েছিল বইমেলায় আর্জেন্টিনার প‍্যাভিলিয়নে। কিন্তু বুয়োনোস আইরেসের প্রবীণ সাংবাদিক-লেখক মাতিলদে সানচেস মনে হল, অন‍্য দৃশ‍্যপট নিয়ে চিন্তিত। ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর উৎপাটনের ঘটনা মেসি-মারাদোনার দেশের মনেও প্রবল ছাপ রেখেছে। মাতিলদে বলছিলেন, “আমাদের দেশের বোর্হেসের কল্পকাহিনি থেকে শুরু করে নানা আঙ্গিকে প্রযুক্তি-নির্ভর দৃশ‍্যপ্রপাত পর্যন্ত ফেল করে যাচ্ছে বাস্তবের অদ্ভুত ঘটনার সামনে। এ সব সিনেমা-মার্কা বয়ানের সঙ্গে এঁটে উঠতে বই বা কাগজের প্রতিবেদনও সর্বত্রই মুশকিলে পড়ছে।”
52 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:33 AM
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে চায় ভারত

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে চায় ভারত

পাকিস্তানকেহারিয়ে আত্মবিশ্বাসী আয়ুষ মাত্রের দল। বুধবার ছোটদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেভারতের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। আফগানিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে হালকা ভাবে নেওয়ারসুযোগ নেই। পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নদের প্রতিযোগিতার অন্যতম শক্তিশালী দলের বাধাটপকাতে হবে আফগান বাধা টপকাতে হবে। অন্য দিকে, মঙ্গলবারঅস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেল ইংল্যান্ড। সুপার সিক্সপর্বের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেরা ক্রিকেট খেলতে পারেননি অনূর্ধ্ব-১৯ভারত। বৈভব সূর্যবংশী, অ্যারন জর্জ,মাত্রে, বিহান মলহোত্র, অভিজ্ঞানকুন্ডুরা প্রত্যাশিত পারফর্ম করতে পারেননি। ভারতের জয়ের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণভূমিকা ছিল স্পিনারদের। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যাটিং ব্যর্থতা সেমিফাইনালের আগেভারতীয় শিবিরের অন্যতম উদ্বেগ। আফগান দলে একাধিক ভাল স্পিনার রয়েছে। হারারের ২২গজও স্পিনারদের সাহায্য করে। স্বভাবতই সেমিফাইনালের আগে সাবধানী ভারতীয় শিবির।ধারাবাহিকতার অভাব ভাবাচ্ছে শেষ পাঁচ বারের ফাইনালিস্টদের। আফগানিস্তানেরকাছে হারতে হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্টইন্ডিজ়ের মতো দলকে। মাহবুব খানের দলের অন্যতম শক্তি ব্যাটিং। ফয়জল শিনোজ়াদা,মাহবুব, ওসমান সাদাতের মতো ব্যাটারেরা বেশ ভালফর্মে রয়েছেন। দলে একাধিক অলরাউন্ডার থাকায় ভারসাম্যও ভাল। সিনিয়র ক্রিকেটের মতোঅনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ও আফগানিস্তান এখন জায়ান্ট কিলারের তকমা পাচ্ছে। আফগান বোলারেরাবুধবার ভারতকেও সমস্যায় ফেললে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ছোটদেরবিশ্বকাপের ফাইনালে যারাই উঠুক, আগামীরবিবার তাদের খেলতে হবে ইংল্যান্ডের সঙ্গে। মঙ্গলবার প্রথম সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ারঅনর্ধ্ব-১৯ দলকে ২৭ রানে হারিয়েছে ইংল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। প্রথমে ব্যাট করে ৭উইকেটে ২৭৭ করে ইংল্যান্ড। ১০৭ বলে ১১০ রানের ইনিংস খেলেন থমাস রিউ। ৪০ রান করেছেনকালেব ফ্যালকোনর। অস্ট্রেলিয়ার হেডেন স্কিলার ৩১ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। জবাবে ৪৭.৩ওভারে ২৫০ রানে শেষ হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। অধিনায়ক অলিভার পিকের ১০০ রানেরইনিংসও তাদের হার বাঁচাতে পারেনি। ৩০ রানে ২ উইকেট ইংল্যান্ডের জেমস মিন্টোর। ৩৩রানে ২ উইকেট সেবাস্তিয়ান মরগ্যানের।
95 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:31 AM
বালিগঞ্জ স্টেশনে ফুটব্রিজ থেকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু, যান চলাচলে ব্যাঘাত

বালিগঞ্জ স্টেশনে ফুটব্রিজ থেকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু, যান চলাচলে ব্যাঘাত

সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে বালিগঞ্জ স্টেশনের ফুট ওভারব্রিজ থেকে নীচে পড়ে গুরুতর আহত হলেন বছর পঞ্চাশের এক প্রৌঢ়। সঙ্কটজনক অবস্থায় ওই প্রৌঢ়কে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে রাত পর্যন্ত তাঁর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। মঙ্গলবারের এই ঘটনার জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা ওই পথে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। রাত আটটা নাগাদ ফের ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
75 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:26 AM
দ্য জুরাসিক পিরিয়ডঃ এ টাইম অফ জায়ান্ট সরোপডস অ্যান্ড ফিয়ার্স থেরোপডস

দ্য জুরাসিক পিরিয়ডঃ এ টাইম অফ জায়ান্ট সরোপডস অ্যান্ড ফিয়ার্স থেরোপডস

পৃথিবীর ‘ইতিহাসে’ সবচেয়ে বড় স্থলচর প্রাণী ছিল ওরা। সেই লম্বা গলার ডাইনোসরদের ঘিরেই আবর্তিত হত জুরাসিক যুগের খাদ্যশৃঙ্খল। ওদের খেয়েই বেঁচে থাকত সমসাময়িক শিকারি ডাইনোসরদের বেশ কিছু প্রজাতি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমনটাই আভাস মিলেছে। আজ থেকে প্রায় ২০ কোটি বছর আগের কথা। আনুমানিক ওই সময় থেকেই পৃথিবীতে শুরু হয় জুরাসিক যুগ। চলে প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি বছর আগে পর্যন্ত। তখন পৃথিবী জুড়ে ঘুরে বেড়াত বিভিন্ন প্রজাতির ডাইনোসর। কেউ শিকার, কেউ বা শিকারি। ছিল বিভিন্ন গোত্রের ডাইনোসর। যেমন ছিল পিছনের দু’পায়ে ভর দিয়ে চলা থেরোপড গোত্রের ডাইনোসরেরা, তেমনই ছিল চারপেয়ে সরোপডেরাও। থেরোপডেরা ছিল হিংস্র শিকারি, যাদের মধ্যে অন্যতম টির‌্যাইনোসরাস-রেক্স বা টি-রেক্স। নিজেদের সময়ের সবচেয়ে হিংস্র এক শিকারি প্রজাতি। অন্য দিকে সরোপডেরা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্রের। এরা ছিল তৃণভোজী। এই গোত্রের সকল ডাইনোসরেরাই ছিল বিশাল চেহারার। লম্বা গলা। লেজও লম্বা। মাথা এবং পা তুলনায় অনেক ছোট। তৃণভোজী এই ডাইনোসরদের মধ্যে অ্যাপাটোসরাস, ব্র্যাকিওসরাস, ডিপ্লোডোকাস, টাইটানোসরাস বা আর্জেন্টিনোসরাসের মতো বিভিন্ন প্রজাতি ছিল। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, জুরাসিক যুগের শেষ পর্বে খাদ্য-খাদক শৃঙ্খলে সরোপড শাবকেরাই ছিল হিংস্র ডাইনোসরদের প্রধান শিকার। শিকারি ডাইনোসরদের টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল শাবক এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক সরোপডেরা। যে ডাইনোসরেরা ব়ড় হয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থলচর প্রাণী হয়ে উঠত, সেই ডাইনোসরদেরই শৈশব ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনও মুহূর্তে কোনও হিংস্র শিকারির পেটে চালান হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকত। ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের আর্থ সায়েন্সের বিভাগের জীবাশ্মবিদ ক্যাসিয়াস মরিসন এবং তাঁর সঙ্গীরা ডাইনোসরদের উপরে এই গবেষণাটি করেন। তাঁরা এই গবেষণার জন্য বেছে নেন আমেরিকার কলোরাডো অঞ্চল। এই এলাকা থেকে অতীতে বিভিন্ন ডাইনোসরের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এখান থেকে খুঁজে পাওয়া বিভিন্ন প্রজাতির জীবাশ্ম বিশ্লেষণ করে দেখেন গবেষকেরা। জীবাশ্মগুলি প্রায় ১৫ কোটি বছরের পুরানো, যা ছিল জুরাসিক যুগের একেবারে শেষের দিকের অধ্যায়। সম্প্রতি নিউ মেক্সিকো মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি অ্যান্ড সায়েন্স-এর বুলেটিনে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল ওই সময়ের খাদ্য-খাদক শৃঙ্খল কেমন ছিল, তা বোঝা। গাছপালা, তৃণভোজী এবং মাংসাশী ডাইনোসরদের মধ্যে কেমন শৃঙ্খল ছিল, তা বিশ্লেষণ করার উদ্দেশ্যে গবেষণা শুরু করেন মরিসন এবং তাঁর সঙ্গীরা। মরিসনের কথায়, “ডিপ্লোডোকাস এবং ব্র্যাকিওসরাসের মতো প্রাপ্তবয়স্ক সরোপডেরা নীল তিমির চেয়েও লম্বা ছিল। যখন তারা হাঁটত, তখন মাটি কেঁপে উঠত। কিন্তু ওদের ডিমগুলির ব্যাস ছিল মাত্র এক ফুট (১২ ইঞ্চি)। ডিম ফোটার পরে এই সরোপডের শাবকদের বড় হতে অনেক বছর সময় লেগে যেত।” গবেষকদলের প্রধান মরিসনের মতে, বিশালাকার সরোপডদের পক্ষে এই ছোট ডিমগুলির যত্ন নেওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ত। তাই ডিমের প্রতি খুব বেশি খেয়াল রাখত না সরোপডেরা। ফলে এই শাবকেরা একপ্রকার অবহেলাতেই বড় হত। তিনি বলেন, “এটি এমন একটি বাস্তুতন্ত্র ছিল, যেখানে জীবনের কোনও দামই ছিল না। অ্যালোসরাসের মতো শিকারি ডাইনোসরেরা সম্ভবত এই শাবকদের খেয়েই বেঁচে থাকত।” কলোরাডোর এই অঞ্চল থেকে অতীতে ছয় ধরনের ভিন্ন ভিন্ন সরোপড প্রজাতির জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। ফলে, কে কাকে শিকার করত, তা বোঝার জন্য গবেষকেরা এখানে একসঙ্গে অনেকগুলি উদাহরণ পেয়েছেন। জীবাশ্মগুলির আকার, দাঁতের ক্ষয়ের ধরণ বা জীবাশ্মের মধ্যে পাওয়া আইসোটোপ বিশ্লেষণ করে দেখেন তাঁরা। জীবাশ্ম হয়ে যাওয়া পাকস্থলীর তথ্যও বিশ্লেষণ করে দেখা হয়। তাতে দেখা যায়, জুরাসিক যুগের ওই শেষ পর্বে বাস্তুতন্ত্রের একেবারে মাঝখানে ছিল সরোপডেরা। গাছপালা থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করত সরোপড। সরোপডদের খেয়ে পুষ্টি সংগ্রহ করত শিকারি ডাইনোসরেরা। ওই সময়ে সরোপডের পাশাপাশি আরও অনেক তৃণভোজী গোত্রের ডাইনোসর ছিল। যেমন অর্নিথিস্কিয়ান। এই গোত্রের অন্যতম হল পিঠে মোটা চামড়ার কাঁটা কাঁটা বর্মযুক্ত স্টেগোসরাস। এই প্রজাতি-সহ সকল অর্নিথিস্কিয়ানই সরোপডদের চেয়ে আকারে অনেক ছোট। ফলে এদেরও শিকারিদের পেটে চালান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকত। কিন্তু জীবাশ্ম গবেষণায় উঠে এসেছে, এদের চেয়ে সরোপড শাবকেরাই বেশি শিকার হত। খাদ্যশৃঙ্খলে উদ্ভিদ এবং শিকারি ডাইনোসরদের মাঝে সবচেয়ে বেশি যোগসূত্র তৈরি করত এই সরোপডেরাই।
94 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:26 AM
মান্ডু আবিষ্কার করুনঃ বসন্তে আনন্দ ও ভালবাসার একটি শহর

মান্ডু আবিষ্কার করুনঃ বসন্তে আনন্দ ও ভালবাসার একটি শহর

বসন্তে বদলে যায় প্রকৃতি। শীতের রুক্ষ খোলসে যেন রং লাগে। দিগন্ত হয় ওঠে রঙিন। পলাশ, শিমুলের রঙে ছেয়ে যায় বনভূমি। মনেএ লাগে রং। এমন মরসুমেই বেড়ানোর পরিকল্পনা করছেন? সমুদ্র-পাহাড়-বনভূমি তা ঘোরা হল, বসন্তে চলুন এমন জায়গায় যেখানে রয়েছে ইতিহাস, আছে মনোমুগ্ধকর স্থাপত্য আর লোকমুখে প্রচলিত প্রেমকাহিনি। একটু অন্য রকম ভ্রমণের শরিক হতে বেছে নেবেন কোন স্থান? মান্ডু রানি রূপমতী ও মালোয়ার রাজা বাজ বাহাদুরের প্রেমকাহিনি মিশে আছে মান্ডু-তে। সত্য-মিথ্যা নিয়ে তর্কবিতর্ক থাকতে পারে। তবে এখানকার রূপমতী মহলকে প্রেমের স্মারক হিসাবেই মেনে নিয়েছেন অনেকে। মোগল সম্রাট জাহাঙ্গিরের অতি প্রিয় মান্ডু, বিশেষ করে বর্ষাকালে। তিনি নাম দিয়েছিলেন সাদিয়াবাদ, অর্থাৎ সিটি অফ জয়। মধ্যপ্রদেশের ধার জেলায় মান্ডুতে গেলে অনেক কিছুই দেখতে পাবেন। মান্ডু জুড়ে ছড়িয়ে আছে নানা সৌধ, প্রাসাদ ইত্যাদি। দুই থেকে তিন দিনে মান্ডু-র বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান দেখে নিতে পারবেন। মোটামুটি তিন ভাগে বিভক্ত মান্ডু-র প্রধান আকর্ষণ হল, ভিলেজ বা সেন্ট্রাল গ্রুপ, রয়্যাল গ্রুপ এবং রেওয়াকুণ্ড গ্রুপ। শোনা যায়, রূপমতীর জন্যই বাজ বাহাদুর পাহাড়ের মাথায় বানিয়ে দিয়েছিলেন একটি মহল, যা পরিচিত রূপমতী মহল নামে। এই স্থান থেকেই চারপাশের দৃশ্যাবলি দেখতেন তিনি। তারই অদূরে রয়েছে রেওয়া কুণ্ড। সেখান থেকে জল এনে তিনি পূজা-অর্চনা করতেন। রূপমতী মহল থেকে খানিক দূরেই রয়েছে বাজ বাহাদুরের মহল। মান্ডুর আর একটি আকর্ষণ হল জাহাজ মহল। দু’টি কৃত্রিম জলাশয়ের মাঝে তার অবস্থান। প্রতিটি মহলের নিজস্বতা রয়েছে। বর্ষায় মান্ডু সুন্দর হলেও, বসন্ত বড় আরামদায়ক। সেজে ওঠা প্রকৃতির সঙ্গে ঐতিহাসিক মহলগুলি ঘুরতে ভালই লাগবে। মাউন্ট আবু রাজস্থানের পাহাড়ি শহর মাউন্ট আবু। ইতিহাস-ভূগোলের এক আশ্চর্য সমাহার মিলবে এই স্থানে গেলে। সড়কপথে মাউন্ট আবু যাওয়ার সময় দেখতে পাবেন পাথরে বায়ুর ক্ষয়কাজের চিহ্ন। মরু অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি। দিলওয়াড়া মন্দিরটির শ্বেতপাথরের কারুকাজ দেখলে অজান্তেই তাজমহলের সঙ্গে তুলনা চলে আসতে পারে। ছবি: সংগৃহীত। মাউন্ড আবু ভারি শান্ত একটি জনপদ। দর্শনীয় স্থানও নেহাত কম নয়, তবে সবচেয়ে বেশি বিস্ময় সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখে এখানকার জৈন মন্দিরটি। দিলওয়াড়া মন্দিরটির শ্বেতপাথরের কারুকাজ দেখলে অজান্তেই তাজমহলের সঙ্গে তুলনা চলে আসতে পারে। পাথর কেটে তৈরি এই মন্দিরের নকশা আর স্থাপত্য মনোমুগ্ধকর। বড় বড় খিলান ও গম্বুজ, মন্দিরের চেহারায় আলাদা গাম্ভীর্য এনেছে। মন্দিরের ছাদে পাথরের সূক্ষ্ম কারুকাজ বিস্ময় জাগায়। দিলওয়ারা মন্দিরগুলি জৈন তীর্থঙ্কর আদিনাথের নামে উৎসর্গীকৃত। মন্দিরগুলি একাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর মধ্যে চালুক্য রাজবংশ দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। এ ছাড়াও এখান থেকে ঘুরে নেওয়া যায় নককি হ্রদ, টড রক, গুরু শিখর-সহ একাধিক জায়গা। ২-৩ দিন লাগবে মাউন্ট আবু ঘুরতে। বিরূপাক্ষ মন্দির। ছবি: সংগৃহীত। হাম্পি,কর্নাটক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস ‘তুঙ্গভদ্রার তীরে’। সেই তুঙ্গভদ্রা নদীর পাশেই কর্নাটকের ঐতিহাসিক শহর হাম্পি। এক সময় এই স্থানকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল বিজয়নগর সাম্রাজ্য। দক্ষিণ ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী হিন্দুরাজ্য হিসাবে খ্যাতি ছিল বিজয়নগরের। এই হাম্পিতেই এখন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে প্রাচীন মন্দির, ঐতিহাসিক নিদর্শন, ধ্বংসাবশেষ। ১৯৮৬ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি দেয় হাম্পিকে। এখানে এলে ঘুরে নিতে পারেন বিরূপাক্ষ মন্দির। কেউ কেউ আবার একে পম্পাপতির মন্দিরও বলেন। প্রবেশপথে রয়েছে তোরণ ও দু’টি বিশালাকার প্রাঙ্গণ। মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে রয়েছে পাথরের তৈরি বিশাল শিবলিঙ্গ। এ ছাড়াও মন্দিরের ভিতরে রয়েছে পম্পাদেবী, ভুবনেশ্বরী, পাতালেশ্বর, সূর্যনারায়ণ প্রভৃতি দেবতার মন্দির। এখানকার আর এক সুন্দর মন্দির হল বিজয়বিঠ্ঠ‌ল। মন্দির প্রাঙ্গণে রয়েছে গ্রানাইট পাথরের তৈরি একটি সুবিশাল রথ। তার গায়ে গায়ে সূক্ষ্ম কারুকার্য। রয়েছে মিউজ়িক টেম্পল। একক পাথরের তৈরি বিশালাকার ১৬টি স্তম্ভ ধরে আছে মন্দিরের ছাদ। কান পেতে আঘাত করলেই শোনা যায় সপ্তসুর। ঘুরে নিতে পারেন হাম্পি গ্রাম। দর্শনীয় স্থান রয়েছে আরও। ভাল ভাবে হাম্পি ঘুরতে গেলে অন্তত ৩টি দিন এখানে থেকে যেতে হবে।
6 shares
😊
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:25 AM
জম্মু ও কাশ্মীরে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী

জম্মু ও কাশ্মীরে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী

জম্মু-কাশ্মীরে আবার সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াই। গোপন সূত্রে নিরাপত্তাবাহিনী এবং পুলিশ খবর পায় উধমপুরের মাজালতা এলাকায় একটি জঙ্গলে কয়েক জন জঙ্গি আশ্রয় নিয়েছে। সেই খবর পেয়েই তল্লাশি অভিযানে নামে বাহিনী। এক সেনা সূত্রকে উদ্ধৃত করে পিটিআই জানিয়েছে, দুই থেকে তিন জন সন্দেহভাজন জঙ্গির গতিবিধির খবর পেয়ে সোমবার ভোরেই উধমপুরের পার্বত্য এলাকার রামনগরের জাফর জঙ্গলে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। মঙ্গলবারও জঙ্গিদের খোঁজে অভিযান জারি রাখা হয়। সেই সময় জঙ্গলের ভিতর থেকে বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালায় বাহিনীও। এই ঘটনায় বুধবার পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সেনা সূত্রে খবর, জঙ্গিরা জইশের সদস্য বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ এবং সেনাবাহিনী এলাকাটি ঘিরে রেখেছে যাতে জঙ্গিরা ঘন জঙ্গল এবং অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে। এলাকায় অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। জঙ্গিদের ধরতে রাতভর অভিযান জারি রেখেছে বাহিনী। উল্লেখ্যে, গত ১৮ জানুয়ারি, জম্মুর-কশ্মীরের কিশ্তওয়ারে সেনা ও জঙ্গির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জানা গিয়েছে, আত্মগোপন করে থাকা জঙ্গিদের ডেরার কাছে পৌঁছোতেই নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পাল্টা গুলি চালায় বাহিনীও।
64 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:18 AM
এনডিএ-র সাংসদদের বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি তুলে ধরার আহ্বান মোদীর

এনডিএ-র সাংসদদের বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি তুলে ধরার আহ্বান মোদীর

বাজেট নিয়ে সংশয় রয়েছে মানুষের মধ্যে। তাই জনগণের কাছে বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি তুলে ধরার জন্য এনডিএ সাংসদদের আজ পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
79 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:12 AM
বিদেশ নীতির পরিবর্তনের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রথম পর্যায়ের বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে ভারত

বিদেশ নীতির পরিবর্তনের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রথম পর্যায়ের বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে ভারত

: এক বছরেরও বেশি উচ্চাবচ কূটনৈতিক পথ অতিক্রম করে ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির প্রথম পর্যায়ের বোঝাপড়ায় পৌঁছল। কূটনৈতিক শিবির মনে করছে, একই সঙ্গে নরম ও গরম বিদেশনীতির আশ্রয় নিয়েই এই চুক্তির পথে এগিয়েছে সাউথ ব্লক, কয়েক মাস আগেও যা দুঃসাধ্য বলে মনে হচ্ছিল। এক দিকে ভারত রাশিয়া থেকে অশোধিত তেল আমদানি একেবারেই কমিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে আমেরিকার বিভিন্ন দাবি মেনে নিয়েছে। অন্য দিকে ব্রিটেন এবং ইইউ-সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করে পরোক্ষে চাপও বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের উপর। দেশের ভিতরেও যাতে ট্রাম্প কিছুটা চাপে থাকেন, তার জন্য আমেরিকার বিভিন্ন লবি সংস্থাকে টাকা দিয়ে সক্রিয়তা বহাল রেখেছে সাউথ ব্লক।
85 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 02:51 AM
স্বস্তির মধ্যে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

স্বস্তির মধ্যে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত ঘোষণার পরে স্বস্তির সঙ্গে মাথা তুলেছে প্রশ্নও। কেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট চুক্তির কথা জানালেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নন, কাদের মধ্যে চুক্তি সই হল, যৌথ বিবৃতি কোথায় ইত্যাদি। মঙ্গলবারও দিনভর শোনা গিয়েছে সেই ধোঁয়াশা ও ধন্দের কথা। ট্রাম্প ভারতের শুল্ক কমিয়ে ১৮% করায় বহু রফতানি সংস্থা স্বস্তি প্রকাশ করেছে। তবে এই শিল্পের উপদেষ্টা জিটিআরআই-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তবের দাবি, যতক্ষণ না দু’পক্ষ চুক্তির বিষয়গুলি নিয়ে যৌথ বিবৃতি দিচ্ছে, আলোচনার লিখিত তথ্য সামনে আনছে এবং তা কার্যকর হওয়ার খুঁটিনাটি স্পষ্ট করছে, ততক্ষণ ধোঁয়াশা কাটার সম্ভাবনা কম। গোটা ঘটনাটিকে বরং রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা উচিত।
15 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 02:47 AM
সরকারের দমন-পীড়ন সত্ত্বেও পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশ বিদ্রোহের সঙ্গে লড়াই করছে

সরকারের দমন-পীড়ন সত্ত্বেও পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশ বিদ্রোহের সঙ্গে লড়াই করছে

পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ বালোচিস্তানে বিদ্রোহের আগুনজ্বলছে। দমনপীড়ন চালিয়েও বালোচ বিদ্রোহীদের এখনও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনিইসলামাবাদ। এই পরিস্থিতিতে পাক সেনাবাহিনীর ‘প্রতিবন্ধকতার’ কথা স্বীকার করে নিলেনসে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। কী কারণে বালোচদের বিদ্রোহে লাগাম পরানোযাচ্ছে না, মঙ্গলবার পাকিস্তানের আইনসভায় তা ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। পাক আইনসভার নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে দাঁড়িয়েআসিফ বলেন, “ভৌগোলিক ভাবে বালোচিস্তান পাকিস্তানের ৪০ শতাংশ স্থান জুড়ে রয়েছে। এটাকেনিয়ন্ত্রণ করা একটা জনবহুল শহরকে নিয়ন্ত্রণ করার চেয়ে অনেক বেশি শক্ত। আমাদেরসেনারা সেখানে রয়েছে এবং তারা তাদের (সন্ত্রাসবাদী) বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে। কিন্তুতারা এত বড় একটা এলাকা পাহারা দেওয়ার ক্ষেত্রে শারীরিক ভাবে প্রতিবন্ধী।”প্রসঙ্গত, বালোচিস্তান পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ হলেও এখানকার জনসংখ্যা অন্যপ্রদেশগুলির তুলনায় অনেক কম। বালোচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে দরিদ্র প্রদেশও বটে। গত কয়েক দিনে বারে বারে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তানেরবালোচিস্তান। এই প্রদেশের বিভিন্ন স্কুল, ব্যাঙ্কএবং সামরিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত সপ্তাহে এমন ১২টিজায়গায় হামলার অভিযোগ ওঠে। তাতে উঠে আসে বালোচ বিদ্রোহী গোষ্ঠী বালোচ লিবারেশনআর্মি বা বিএলএ-র নাম। এই প্রদেশে ঘাঁটি রয়েছে আর এক বিদ্রোহীগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এরও। ইসলামাবাদের দাবি, বিএলএ বালোচিস্তানের ১২টি জায়গায় হামলাচালানোর পর নিরাপত্তাবাহিনীর ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন সাধারণনাগরিকও। এর পর গত শনিবার থেকে বালোচ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানচালাচ্ছে পাকিস্তানি সেনা। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই অভিযানে ১৪৫ জন বালোচবিদ্রোহীর মৃত্যুর খবর মিলেছিল। সোমবার তা বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৭ বলে জানানো হয়েছে।তবে সামরিক অভিযান চললেও বালোচিস্তানে পাক সেনার প্রতিবন্ধকতার কথা জানিয়েইসলামাবাদ নিজেদের সীমাবদ্ধতার কথাই জানিয়ে রাখল বলে মনে করা হচ্ছে।
12 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 02:26 AM
কলকাতার ডেঙ্গু মহামারী নির্মাণ সাইট এবং বহুতল ফ্ল্যাটগুলির সঙ্গে যুক্ত

কলকাতার ডেঙ্গু মহামারী নির্মাণ সাইট এবং বহুতল ফ্ল্যাটগুলির সঙ্গে যুক্ত

শ্যামগোপাল রায়বিপদের উৎস বার বার আঙুল তুলে দেখিয়ে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কলকাতায় ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তের অন্যতম কারণ হলো, নির্মীয়মাণ আবাসন ও বহুতল ফ্ল্যাটবাড়ি। নির্মাণস্থলে জমে থাকা জল এবং খোলা ড্রাম ও পরিত্যক্ত পাত্রে জমা জলে এডিস ইজিপ্টাই প্রজাতির মশার বংশবিস্তার হচ্ছে দ্রুত। একই ছবি অনেক বহুতল আবাসনেও। ছাদে বৃষ্টির জল জমে থাকা, জলের খোলা ট্যাঙ্ক, এসি ও ফ্রিজের ট্রে-তে জমা জল-এ সবের পরিণামে ফি বছর বাড়ে ডেঙ্গি-আক্রান্তের সংখ্যা।সেই সমস্যা ঠেকাতে এ বার ডেঙ্গির পিক সিজন বলে যে সময়টাকে (জুলাই থেকে অক্টোবর) ধরে নেওয়া হয়, সেটা শুরু হওয়ার আগেই নতুন গাইডলাইন তৈরি করেছে পুর দপ্তর। যা মানতে হবে নির্মীয়মাণ আবাসনের প্রোমোটার এবং ফ্ল্যাটের মালিকদের। তাঁরা নিয়ম মানছেন কি না, সে দিকে নজর রাখতে হবে পুরসভাগুলোকে। পুর দপ্তর সূত্রের খবর, ওই গাইডলাইনে বলা হয়েছে, আবাসনে নিকাশির সুষ্ঠু ব্যবস্থা রাখতে হবে। ছাদের কোথাও জল জমতে দেওয়া যাবে না। জলের ট্যাঙ্ক সব সময়ে ঢেকে রাখা এবং ফুলদানি-টব-এসি মেশিন-ফ্রিজের ট্রে-জলের ড্রাম সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করা বাধ্যতামূলক।লিফ্ট, বেসমেন্ট ও আবাসন চত্বরের কোনও পরিত্যক্ত পাত্রে জল জমে থাকছে কি না, তার উপর নিয়মিত নজরদারির নির্দেশ রয়েছে। নির্মাণস্থলের ক্ষেত্রেও পুরসভার গাইডলাইনে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, লিফ্ট বেসমেন্টে জল জমতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে সেখানে লার্ভিসাইডের মতো কীটনাশক কিংবা কেরোসিন ছড়ানোর কথা বলা হয়েছে। জলের ড্রাম ও পাত্র ঢেকে রাখা, নালা বা গর্তে জল জমতে না-দেওয়া এবং ত্রিপল বা পলিথিনের ছাউনিতে জল জমছে কি না, সেটা নিয়মিত দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের অফিসারদের কয়েক জনের বক্তব্য, 'নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের সচেতনতা না-বাড়লে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।'বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ক্ষেত্রে বহুতলের আবাসিকদের সংগঠনগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আবাসনের বাসিন্দাদের নিয়ে নিয়মিত সচেতনতা বৈঠক, ভিতরে ঢুকে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখা এবং জল জমার জায়গা চিহ্নিত করাই ডেঙ্গি প্রতিরোধের সব চেয়ে কার্যকর উপায়। কলকাতা পুরসভার মুখ্য পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাস বলছেন, 'ডেঙ্গির বাহক এডিস মশা মূলত পরিষ্কার, স্থির জলে জন্মায়। সে রকম অবস্থা সহজেই তৈরি হয় বহুতল আবাসন ও নির্মীয়মাণ বাড়িতে। ছাদের কোণে জমে থাকা সামান্য বৃষ্টির জল, জলের খোলা ট্যাঙ্ক, এসি বা ফ্রিজের ট্রে- এ সব জায়গাই এডিস মশার জন্য আদর্শ প্রজনন ক্ষেত্র। মাত্র ৭-১০ দিনের মধ্যেই লার্ভা থেকে পূর্ণাঙ্গ মশা তৈরি হয়।'সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে অন্তত একবার জল ফেলে পরিষ্কার না-করলে ডেঙ্গির ঝুঁকি বেশি। তার জন্যই ডেঙ্গি প্রতিরোধে কেবলই পুরসভার অভিযান যথেষ্ট নয় বলে বিশেষজ্ঞদের মত। তাঁদের বক্তব্য, আবাসিকদের সংগঠন, নির্মাণ সংস্থা এদের মধ্যে সমন্বয় জরুরি। কলকাতা পুরসভার মুখ্য পতঙ্গবিদের মতে, জল জমতে না-দেওয়াই এডিস নিয়ন্ত্রণের একমাত্র কার্যকর উপায়।
29 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:06 AM
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য তথ্য প্রতিবেদন (এস. আই. আর) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মতামত পেশ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য তথ্য প্রতিবেদন (এস. আই. আর) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মতামত পেশ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলার শুনানি সামনে থেকে শুনবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের প্রধান বিচারপতি সুযোগ দিলে একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে শীর্ষ আদালতে তিনি তাঁর মতও তুলে ধরতে চান। সেই মতো আজ সকাল পৌনে দশটার সময় সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছবেন। আদালত সাধারণত শুরু হয় সাড়ে দশটায়। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার দাবি করে মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন। দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে শুনানি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলাটি শুনানি তালিকার ৩৭ নম্বরে রয়েছে। তারই সঙ্গে ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলাটিও যুক্ত করা হয়েছে। কমিশনের বিরুদ্ধে কবি জয় গোস্বামীর দায়ের করা মামলাটিও শুনানির জন্য তালিকাবদ্ধ। তাই এসআইআর সংক্রান্ত বাংলার সব মামলাই একত্রে শুনানির আবেদন করবেন তৃণমূলের আইনজীবীরা। মামলায় অভিষেক মনু সিংভি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো আইনজীবীরা সওয়াল করার জন্য তৈরি। একইসঙ্গে মমতাও নিজে বাংলায় এসআইআরের বাস্তব চিত্রর কিছু অংশ তুলে ধরতে চান। ‘মুখ্যমন্ত্রী’ হিসাবে নন। কারণ, সাংবিধানিক পদে থাকা কোনও ব্যক্তি পদে থেকে আদালতে সওয়াল করতে পারেন না। পদ থেকে সরে গিয়ে সওয়াল-জবাব করা যায়। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান, সাধারণ একজন নাগরিক হিসাবে তাঁকে বলতে দিক আদালত। ফলে আজ শীর্ষ আদালতে মমতার উপস্থিতির দিকে চোখ গোটা দেশেরই। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আই-প্যাকের মামলাটি শুনানির জন্য উঠলেও এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট (ইডি) মামলা পিছানোর সময় চাইল। বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর আদালতে মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাবদ্ধ ছিল। তবে তার আগেই এদিন সকালে আদালত বসতেই ইডির আইনজীবী তথা কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই মামলায় যে হলফনামা ফাইল করেছে, তা সোমবার অনেক রাতে পেয়েছি। তাই প্রতি হলফনামা ফাইল করার জন্য তা পড়ার সময় দিন। আদালতও আপত্তি করেনি। বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি শুনানি হবে। তৃণমূলের নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রতীক জৈনের বাড়ি-অফিসে গত ৮ জানুয়ারি হানা দিয়েছিল ইডি। সেই খবর পেয়েই তৃণমূলনেত্রী সোজা পৌঁছে যান ঘটনাস্থলে। নিয়ে চলে আসেন কিছু ফাইলপত্র। তাই এভাবে এজেন্সির কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ রাজ্য পুলিশের কয়েকজনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে ইডি। সেই মামলারই শুনানি চলছে।
82 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 02:06 AM
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধগুলিকে আরও সাশ্রয়ী করে তোলার লক্ষ্যে ভারত সরকার

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধগুলিকে আরও সাশ্রয়ী করে তোলার লক্ষ্যে ভারত সরকার

কম দামে প্রয়োজনীয় ওষুধ মিলবে এ বার থেকে। সেই ব্যবস্থা করল কেন্দ্র সরকার। পাশাপাশি ওষুধ শিল্পে যাতে আরও সম্প্রসারণ ঘটানো যায়, সে দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জেপি নড্ডা। তাঁর দাবি, ওষুধ শিল্পের বৃদ্ধি ও দাম নির্ধারণ নীতির মধ্যেভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে সরকার। এই পদক্ষেপকে ‘শক্তিশালী’ ও ‘স্থায়ী’নীতি বলে দাবি করেছেন নড্ডা। সুস্থ থাকতে কী করতে তাঁর পরামর্শও দেন তিনি। নড্ডার পরামর্শ, সুস্থ থাকতে হলে কম নুন খেতে হবে। মন্ত্রীর দাবি, ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওষুধ সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করার বিষয়ে সরকার জোরদিয়েছে। ওষুধ শিল্পের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলেও দাবিনড্ডার। বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়মিতপরামর্শ দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা আলোচনাও করে থাকেন বলে জানান মন্ত্রী। নড্ডা জানান,জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন কেন্দ্রগুলিতে রোগ নির্ণয় করারপরিষেবার পাশাপাশি বিনামূল্যে ওষুধও বিতরণ করা হয়। ‘জন জন ওষুধ কেন্দ্রের’ মাধ্যমেজেনেরিক ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। দাবি, গত দশ বছরে জনগনের ওষুধের জন্য খরচ ৬২.৬ শতাংশ থেকে কমে ৩৯.৪ শতাংশ হয়েছে। তিনিআরও জানান, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ গবেষণা করে জানিয়েছে অতিরিক্তনুন খাওয়ার ফলেই উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ বাড়ছে। এই বিষয়ে সচেতন করার জন্য ওস্বাস্থ্যকর খাবার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য ‘ইট রাইট ইন্ডিয়া’ বাস্তবায়িত করছেখাদ্য নিয়ামক সংস্থা ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়া’।স্বাস্থ্যকর্মীদের ‘ইট রাইট টুলকিট’ তৈরি ও তা প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।গণমাধ্যম ও সমাজ মাধ্যমে নাগর্কদের নিয়মিত সচেতন করা হয় বলেও দাবি মন্ত্রীর। তিনি জানান,‘আজ থেকে একটু কম’ এই ধরনের প্রচার চালিয়ে নুন, চিনি, চর্বি কম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
49 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:04 AM
ভারত সরকার প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়া সত্ত্বেও জল ও বিদ্যুৎ উদ্যোগের জন্য বরাদ্দ হ্রাস করেছে

ভারত সরকার প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়া সত্ত্বেও জল ও বিদ্যুৎ উদ্যোগের জন্য বরাদ্দ হ্রাস করেছে

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কথা ছিল ২০২২ সালের মধ্যে সব ঘরে পানীয় জলের সংযোগ হয়ে যাবে। সকলের মাথার উপর হবে ছাদ। সকলের জন্য হবে বিদ্যুৎ। কোনও প্রতিশ্রুতিই পূরণ হয়নি। উলটে ২০২৬ সালের বাজেটে দেখা গেল জল জীবন মিশনের বরাদ্দ কমানো হয়েছে। আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের বাজেট বরাদ্দও কমে গিয়েছে। এবার বিদ্যুৎ নিয়েও নতুন সিদ্ধান্ত হচ্ছে। বাজেট বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছিলেন যে, পাওয়ার ফিনান্স কর্পোরেশন এবং রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন কর্পোরেশন নিয়ে বড়োসড়ো কোনো সিদ্ধান্ত হবে। রিভিউ করা হবে এই দু‌ই সংস্থাকেই। দুদিনের মধ্যেই সরকারি সূত্রের খবর গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগমকে আর পৃথকভাবে রাখা‌ই হবে না। এই সংস্থার অস্তিত্ব মিশিয়ে দেওয়া হবে পাওয়ার ফিনান্স কর্পোরেশনের সঙ্গে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার ফিনান্স কর্পোরেশন ২০২০ সাল থেকেই ধীরে ধীরে গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগমের কিছু কিছু অংশিদারিত্ব গ্রহণ করতে শুরু করে। পাওয়ার ফিনান্সের ৫৬ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে ভারত সরকারের কাছে। আবার এই কর্পোরেশনের হাতেই চলে এসেছে গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগমের ৫২ শতাংশ শেয়ার। প্রশ্ন উঠছে, কেন এমন সংযুক্তির পরিকল্পনা? এই দুটি সংস্থাই সরকারের নবরত্ন প্রতিষ্ঠান। দুটির কাজ আলাদা। তাহলে আগামী দিনে গ্রামে বিদ্যুতের যে প্রকল্পগুলি এই সংস্থা দেখভাল করে এবং এদের অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি কী হবে? সরকারি সূত্রের খবর, এই দুই সংস্থাই শুধু নয়, এপ্রিল মাস থেকে আরও বেশি সরকারি সংস্থার বেসরকারিকরণ হতে চলেছে। বিভিন্ন সেক্টরের জন্য যেসব ক্ষেত্রে একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলির পৃথক সত্তা আর রাখা হবে না। যথাসম্ভব সংযুক্তিকরণ ও বেসরকারিকরণ হবে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থাগুলির সিংহভাগের মাথায় ডিরেক্টর পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। তাহলে কি সরকারি সংস্থার সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হবে বলেই ধীরে ধীরে নতুন নিয়োগও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? পাওয়ার কর্পোরেশন ও রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন কর্পোরেশনের সংযুক্তিকরণ নিয়ে ক্যাবিনেট নোট তৈরি হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হবে। শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। নতুন আর্থিক বছরেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তার আগে রিভিউ কমিটি নিয়োগ করা হচ্ছে।
49 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:03 AM
মণিপুরের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেইতেই বিধায়ক জুম্নাম খেমচান্দ সিংহের নাম ঘোষণা করল বিজেপি।

মণিপুরের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেইতেই বিধায়ক জুম্নাম খেমচান্দ সিংহের নাম ঘোষণা করল বিজেপি।

নয়াদিল্লি: আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি শাসনের মেয়াদ শেষ। তার আগেই মণিপুরের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বেছে নিল বিজেপি। দিল্লিতে দলীয় বৈঠক শেষে মেইতেই সম্প্রদায়ভুক্ত বিধায়ক জুমনাম খেমচাঁদ সিংকে বিধানসভার দলনেতা ও মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি শাসন শেষ হলে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন সিংজামেইয়ের বিধায়ক খেমচাঁদ। গত কয়েক বছর ধরে জাতি হিংসায় রক্তাক্ত মণিপুর। আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি শাসনের শেষে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের ভবিষ্যৎ কী, তা ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই প্রবল জল্পনা চলছিল। নতুন সরকার গঠনের পরিকল্পনার পাশাপাশি কুকি ও মেইতেই উভয় পক্ষকেই কীভাবে খুশি করা যায়, তা নিয়েও দীর্ঘ চর্চা চলে। ঠিক হয়, নতুন সরকারে মুখ্যমন্ত্রী পদে মেইতেই জনগোষ্ঠীভুক্ত কোনো মুখকে আনা হবে। উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন দু’জন। একজন কুকি সম্প্রদায়ের, অন্যজন নাগা। সূত্রের খবর, এর পরেই গত রবিবার আচমকা সমন পাঠিয়ে মণিপুরের এনডিএ বিধায়কদের দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়। সোমবারের বৈঠকে মণিপুরের জন্য বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুগকে বিশেষ দায়িত্বও দেওয়া হয়। তার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয় সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিয়ে। সূত্রের খবর, সেই সময়েই মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য মেইতেই জনগোষ্ঠীর ছ’জন বিধায়কের নাম উঠে আসে। শেষ পর্যন্ত সিংজামেইয়ের বিধায়ক খেমচাঁদ সিংকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নেওয়া হয়। বিজেপি বিধায়ক থোকচোম রাধেশ্যাম সিং বলেন, ‘আমরা একটা নির্বাচিত ও জনপ্রিয় সরকার পেতে চলেছি। তার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ।’ যদিও কুকিরা সাফ জানিয়েছে, তাঁদের সম্প্রদায় থেকে যথেষ্ট সংখ্যক প্রতিনিধি না থাকলে এই নতুন সরকারকে মানার প্রশ্নই নেই। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব সেই দাবিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে খবর। প্রসঙ্গত, কুকি-মেইতেইদের বিবাদ ঘিরে ২০২৩ সালের মে মাস থেকে উত্তপ্ত মণিপুর। গোষ্ঠী সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন ২৬০ জনেরও বেশি। ঘরছাড়া ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং শেষ পর্যন্ত ইস্তফা দিয়েছিলেন। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরেই ৬২ বছর বয়সি বিজেপি নেতা খেমচাঁদ তাইকোন্ডোতে ফিফথ-ডান ব্ল্যাক বেল্ট পেয়ে নজির গড়েন। এর আগে কোনো ভারতীয় দক্ষিণ কোরিয়ার তাইকোন্ডো ফেডারেশন থেকে ফিফথ-ডান ব্ল্যাক বেল্ট পাননি। প্রসঙ্গত, খেমচাঁদের নির্বাচনী লড়াইয়ের জীবন শুরু হয়েছিল ২০১২ সালে। সেবার তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। কিন্তু, হেরে যান। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। - ফাইল চিত্র
64 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:02 AM
পশ্চিমবঙ্গে ভোটারদের নাম মুছে ফেলার অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে

পশ্চিমবঙ্গে ভোটারদের নাম মুছে ফেলার অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে

সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি: ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় লড়াইতে এঁটে উঠতে পারবে না বিজেপি। সেটা বুঝতে পেরেই নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে একতরফাভাবে ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। সেটাও আবার বেছে বেছে তৃণমূলের জেতা আসনগুলিতেই।’ মঙ্গলবার দিল্লিতে বসে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও বললেন, ‘বাংলাকে টার্গেট করেছে ওরা। নাহলে ১২ রাজ্যে যখন এসআইআর (স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন) হচ্ছে, তখন শুধুমাত্র বাংলাতেই কেন ৮১ হাজার মাইক্রো অবর্জাভার? কেন ভোটের মাত্র দু’মাস আগে ভোটার তালিকা শুদ্ধকরণ? বিজেপি কী মনে করে, কেউ কিছুই বোঝে না!’ পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর পর্বে ভোগান্তির শিকার হওয়া পরিবারগুলির একাংশকে দিল্লিতে হাজির করেছে তৃণমূল। তাঁদের মধ্যে ৯০ জনকে নিয়ে এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন দলের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁদের পাশে বসিয়ে বাংলায় তৃণমূলের জেতা আসনে নাম বাদ দেওয়ার ফিরিস্তি পেশ করেন নেত্রী। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনি আসন ভবানীপুরে ৪০ হাজার লোকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা বন্দর বিধানসভা কেন্দ্রে সেই সংখ্যাটা ৭০ হাজার। এই প্রেক্ষিতেই মমতার অভিযোগ, ‘যেখানেই তৃণমূল জিতেছে, সেখানে গড়ে ৪০ হাজার থেকে এক লক্ষ লোকের নাম বাদ দিয়েছে। অথচ বিজেপির জেতা আসনে সেই সংখ্যাটা গড়ে ২ থেকে ১১ হাজার। এটা কেন? কেনই বা প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ যাবে? নাম-পদবির বানানে সামান্য হেরফেরের মতো খুঁত বের করে নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। কমিশনকে দিয়ে তৃণমূলকে বিপদে ফেলাই আসলে বিজেপির টার্গেট।’ এরপরেই তাঁর গলায় প্রত্যয়ের সুর। বললেন, ‘তবে যত চেষ্টাই করো, বাংলায় বিজেপি জিতবে না। জিতবে তৃণমূলই। গতবারের চেয়ে অধিক আসন নিয়ে। এটা আমার চ্যালেঞ্জ। বিজেপিকে বলছি, গণতান্ত্রিকভাবে লড়ুন। কমিশনকে দিয়ে ষড়যন্ত্র করবেন না।’ একইসঙ্গে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভোটে জিতে ফের দিল্লি আসব। আপনাদের মিষ্টি খাওয়াব।’ গত দু’-তিন মাস ধরে প্রকৃত ভোটারদের হেনস্তা, দেড়শোর বেশি মানুষের প্রাণহানি নিয়ে এদিনও গর্জে উঠেছেন মমতা। সাফ জানিয়েছেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এফআইআর হওয়া উচিত! কেন মৃত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেবে না কমিশন? সোমবার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিনও তাঁর ক্ষোভ কমেনি। সুর চড়িয়ে বলেছেন, ‘আপনার ভুলের দায় কে নেবে? কেন আপনার শাস্তি হবে না? জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরানোর জন্য প্রয়োজনে সংসদে ‘মোশন ফর রিমুভাল’ আনা হোক। রিমুভালের জন্য প্রয়োজনীয় সাংসদ সংখ্যা আমাদের কাছে নেই ঠিকই। তবে সংসদের রেকর্ডে তো বিষয়টি লিপিবদ্ধ হবে।’ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকও প্রশ্ন তুললেন, ‘কমিশনের এ কী ব্যবহার! ১০ কোটি মানুষের সমর্থনে জিতে আসা তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী ছ’টি চিঠি লিখেছেন জ্ঞানেশ কুমারকে। উত্তর দেওয়া তো দূর, একটিরও প্রাপ্তিস্বীকার করেননি।’ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা। গত ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত খসড়া তালিকায় বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষ নাম। লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির নামে আরও প্রায় দেড় কোটি মানুষকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তৃণমূলনেত্রীর অভিযোগ, এসব বিজেপির স্বার্থরক্ষার জন্যই। তবে তিনিও জানিয়ে দিয়েছেন, চূড়ান্ত তালিকায় একজনও প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ গেলে ছেড়ে কথা বলবে না তৃণমূল। এক ইঞ্চি জমিও বাংলায় বিজেপিকে ছাড়া হবে না!
5 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:00 AM
রেস্তোরাঁর কর্মচারী অর্ডার করা খাবারের পরিবর্তে গরুর মাংস পরিবেশন করছেনঃ ইনফ্লুয়েন্সার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দেয়

রেস্তোরাঁর কর্মচারী অর্ডার করা খাবারের পরিবর্তে গরুর মাংস পরিবেশন করছেনঃ ইনফ্লুয়েন্সার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দেয়

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অর্ডার মাফিক খাবারের পরিবর্তে গো-মাংস পরিবেশন করেছিলেন পার্ক স্ট্রিটের এক নামী রেস্তরাঁর কর্মী। গ্রাহকের কাছে তা নিয়েও ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’ বলে স্বীকারও করে নেন সেই কর্মী। কিন্ত, তাতেও ক্ষান্ত হননি নেটদুনিয়ায় ‘ইনফ্লুয়েন্সার’। সেই ‘লঘু দোষে গুরু শাস্তি’ মাথায় নিয়ে চারদিন শ্রীঘরে থাকতে হল রেস্তরাঁ কর্মীকে। মঙ্গলবার জেল হেফাজত শেষে অভিযুক্তকে ফের ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক অভিযুক্ত রেস্তরাঁ কর্মীকে একহাজার টাকার বন্ডে জামিনের আর্জি মঞ্জুর করেছেন। ৩০ জানুয়ারি পার্ক স্ট্রিটের একটি নামী রেস্তরাঁয় খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। অর্ডার মাফিক খাবার পরিবেশন করতে ভুল হয় রেস্তরাঁ কর্মীর। গোমাংস পরিবেশন করায় ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় গোটা ঘটনাটির ভিডিও করে পোস্ট করেন। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার নেশায় এখানেই ঘটনা শেষ করেননি তিনি। ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’-এর স্বীকারোক্তিকে পাত্তা না দিয়ে রেস্তরাঁ কর্মীর ধর্ম খুঁজে বিষয়টিকে ‘ইচ্ছাকৃত’ বলে নেটদুনিয়ায় প্রমাণের চেষ্টা করেন সায়ক। এমনটাই দাবি, নেটিজেনদের একাংশের। সেই ঘটনার পর পার্ক স্ট্রিট থানায় রেস্তরাঁ কর্মীর নামে লিখিত অভিযোগ করেন ইনফ্লুয়েন্সার। তার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার হন তিনি। রেস্তরাঁ কর্মী গ্রেপ্তার হওয়ার পরই প্রতিবাদে গর্জে ওঠে নেট দুনিয়ারই একাংশ। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ তুলে পার্ক স্ট্রিট থানায় সায়ক চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ৪টি অভিযোগ জমা পড়ে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু করেছে পুলিশ। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এই ঘটনাটি নিয়ে সরব রাজনৈতিক মহলও। এপ্রসঙ্গে, তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘একটা ডেপো ছেলে। বড় বড় কথা বলে প্রচার জোগাড়ের চেষ্টা করছে। যে রেস্তরাঁ আগে থেকেই গো-মাংস পরিবেশন করে বলে পরিচিত রয়েছে, সেখানে ওই ছেলেটি কেন খেতে গিয়েছে? সব জেনে ওই রেস্তরাঁতেই খেতে যাওয়ার পিছনে কোনও কারণ রয়েছে। এ থেকে প্রশ্ন উঠছে, ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করতে বিজেপির কোনও নেতার কথায় কি চলছিলেন ওই ইনফ্লুয়েন্সার?’
89 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:00 AM
শীতের ঢেউয়ের মধ্যে কলকাতার ন্যূনতম তাপমাত্রা কম

শীতের ঢেউয়ের মধ্যে কলকাতার ন্যূনতম তাপমাত্রা কম

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনই খুব একটা কমছে না জানিয়ে দিল আবহাওয়া দফতর। আজ, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে দশমিক ৩ ডিগ্রি কম। দক্ষিণবঙ্গে সব থেকে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে সিউড়ি এবং কল্যানীতে। দু’জায়গাতেই আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে রাতের তাপমাত্রা কম থাকলেও আজ বেলা বাড়তেই তাপমাত্রাও বাড়বে বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগামী কয়েকদিন ওঠানামা করবে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে। রাতে ও ভোরে শীতের আমেজ বজায় থাকবে। তবে তাপমাত্রা বাড়বে দিনের বেলায়। আগামী দু’দিন দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার দু’একটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতায় আজ পরিস্কার আকাশ। আগামী সাতদিন থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া। কাল থেকে শীতের অনুভূতি কিছুটা কমবে। আগামী সাতদিন কলকাতার তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। উত্তরবঙ্গের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার কোন হেরফের নেই আগামী চার-পাঁচ দিনে। মোটের উপর একই রকম আবহাওয়া বজায় থাকবে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের উপরের দিকে জেলাতে ১০-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে। উত্তরের সমতলের জেলাতে ১৪-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। অন্যদিকে হিমাচল প্রদেশ, পশ্চিম উত্তর প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব রাজস্থান, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশে। চরম ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে রাজধানী দিল্লিতে। পাঞ্জাব, চণ্ডীগড়, হরিয়ানা, বিহার, ওড়িশা এবং রাজস্থানে ঘন কুয়াশার সর্তকতা রয়েছে।
41 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 02:00 AM
নির্বাচন কমিশনের বিতর্কে সংসদে বক্তব্য রাখবেন মোদী

নির্বাচন কমিশনের বিতর্কে সংসদে বক্তব্য রাখবেন মোদী

রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের উপরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে লোকসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিকেল ৫টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাখার কথা।নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দায়ের করা সেই মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। এই মামলায় আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেন মমতা। পাশাপাশি, SIR সংক্রান্ত মামলারও শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।৩ ফেব্রুয়ারি, দিল্লির বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার কথা বলেন। এর পরেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি সংসদে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে চলেছে তৃণমূল? বুধবার বিরোধীরা এই ইস্যুতে কী পদক্ষেপ করে, সে দিকে থাকবে নজর।এ দিন বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। বিশ্বজুড়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানা ধরনের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি নেওয়া হবে।
9 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:59 AM
অনির্বাচিত ভোটারদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নতুন প্রয়োজনীয়তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে

অনির্বাচিত ভোটারদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নতুন প্রয়োজনীয়তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে

শুভঙ্কর বসু, কলকাতা: উদ্দেশ্য কি স্রেফ ভোটার হয়রানি? নাকি স্রেফ চূড়ান্ত তালিকা থেকে ‘বৈধ’ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার নয়া কৌশল! কারণ, এসআইআরের শুনানিতে নথি হিসাবে পাসপোর্টের কপি জমা দিলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে না। দেখাতে হবে বাবা-মায়ের নথিও। এই যুক্তিতে এবার কয়েক লক্ষ আনম্যাপড ভোটারকে ফের শুনানির নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় শুনানিতে ডাক পাওয়া ওই ভোটাররা যদি বাবা-মায়ের নথি না দেখাতে পারেন, সেক্ষেত্রে তাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে। এসআইআর বিজ্ঞপ্তি জারির সময় কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছিল, যাঁরা আনম্যাপড ভোটার, অর্থাৎ ২০০২ সালের তালিকায় যাঁদের নিজের ও কোনও আত্মীয়ের নাম নেই, তাঁদের শুনানির সম্মুখীন হতে হবে। কমিশন এও জানিয়েছিল, এই আনম্যাপড ভোটারদের নথি দিয়ে প্রমাণ করতে হবে, তিনি ভারতীয়। সেক্ষেত্রে মোট ১৩টি নথি নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল পাসপোর্ট। কিন্তু সূত্রের খবর, শুনানিতে পাসপোর্টের কপি জমা দেওয়া কয়েক লক্ষ ভোটারকে ফের শুনানিতে ডেকেছে কমিশন। যুক্তি, তাঁরা বাবা-মায়ের কোনো নথি দেখাতে পারেননি। এবার তাঁদের কাছে সেই নথি চাওয়া হচ্ছে। যেসব আনম্যাপড ভোটারের জন্ম ১৯৮৭ সালের এপ্রিলের পর থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে, তাঁদের বাবা অথবা মায়ের কোনো নথি পেশ করা আবশ্যিক। এছাড়াও যেসব ভোটারের জন্মতারিখ ২০০৪ সালের পর, তাঁদের বাবা এবং মা দু’জনের নথিই দিতে হবে। অন্যথায় তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় থাকবে না। যাদবপুর বিধানসভার জয়া সেন, গৌরী সাহা কিংবা মুর্শিদাবাদের ভোটার জিয়াউল শেখ! এই যুক্তিতেই দ্বিতীয়বার নোটিস পেয়েছেন। তাঁদের সকলেরই প্রশ্ন, কমিশনের কথা মতো পাসপোর্টের কপি জমা দেওয়ার পরও তা গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না। এখন বাবা-মায়ের নথি চাওয়া হচ্ছে। তাহলে কি পাসপোর্ট ভারতীয় হওয়ার প্রমাণ নয়? যদিও ইআরওরা জানাচ্ছেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁদের করার কিছু নেই। কমিশনের দেওয়া সিস্টেমে যেমনটা রয়েছে, সেভাবেই কাজ হচ্ছে। অন্যথায় নথি আপলোড করা যাচ্ছে না। তবে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, শুধুই কি হয়রানি? না কি নেপথ্যে অন্য উদ্দেশ্য রয়েছে? কারণ পাসপোর্টকে বৈধ নথি হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে কমিশনই তালিকা স্থির করেছে। তাহলে এখন কেন আনম্যাপড ভোটারদের থেকে বাবা-মায়ের নথি চাওয়া হচ্ছে? তাহলে কি বৈধ ভোটারের নাম বাদ দিতেই এই কৌশল?
86 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:56 AM
মোদীর সিদ্ধান্তে সমালোচনার মুখে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি

মোদীর সিদ্ধান্তে সমালোচনার মুখে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি

সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি: ভারতের কৃষকদের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়েই আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি করেছে ভারত সরকার। আমেরিকার কৃষিপণ্যের ভারতে অবাধ রপ্তানির ছাড় দেওয়া হয়েছে। আবার একই সঙ্গে রাশিয়া থেকে তেলও কেনা যাবে না এবং আমেরিকা থেকেই পেট্রপণ্য ক্রয়ের শর্ত মেনে ভারতের চরম স্বার্থহানি ঘটানো হয়েছে। আমেরিকার কাছে এক নির্লজ্জ আত্মসমর্পণ? এই মর্মে সম্মিলিতভাবে বিরোধীরা আক্রমণ করেছে মোদি সরকারকে। কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী পাটি, শিবসেনা, রাষ্ট্রীয় জনতা দল সহ গোটা ইন্ডিয়া জোট এককাট্টা হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এ ব্যাপারে জবাবদিহি চেয়েছে। বিরোধীদের প্রশ্ন, ভারত সরকারের যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করে দিচ্ছেন কেন? অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন আচমকা যুদ্ধবিরতি, রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণার পর এবার এই বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তি। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই ভারতের সরকারি বিবৃতির তোয়াক্কা না করেই ট্রাম্প বিশ্বকে নিজের মতো করে জানিয়ে দিচ্ছেন যে, কী সিদ্ধান্ত হয়েছে। সোমবার রাতে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, প্রথম বাণিজ্য চুক্তির কথা। এরপর ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান যে, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে এবং বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে মার্কিন কৃষিসচিব ব্রুক রোলিন্সের বিবৃতিতে। রোলিন্স মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির জেরে ভারতের বিপুল বাজারে এবার আমেরিকার কৃষিপণ্য অবাধে প্রবেশ করতে পারবে। ২০২৪ সালে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ১০৩ কোটি ডলার। এবার ভারতের বিরাট জনসংখ্যার বাজারে মার্কিন কৃষিপণ্য বিক্রি করার বৈপ্লবিক সুযোগ করে দেবে এই চুক্তি। আর তার জেরে ভারতের থেকে নগদ অর্থ আমেরিকায় প্রবেশ করবে বহুগুণ বেশি। রোলিন্স বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেছেন, এই প্রথম আমেরিকার কৃষি বাণি঩জ্যে এত বড় জয় পাওয়া গেল। ট্রাম্পের দলের সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এক ধাপ এগিয়ে বলেছেন, ওয়েল প্লেইড প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। আমার মনে হয় এবার বাকি দেশগুলি আপনার বার্তা পেয়ে যাবে। অন্যরাও ভারতের পথে হাঁটবে শীঘ্রই। রাশিয়ার আর্থিক রক্তক্ষরণ শুরু হল বলে। এভাবে মার্কিন প্রশাসন, বাণিজ্যমহল, রাজনৈতিক দল এত উচ্ছ্বসিত কেন? প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। বলেছে, কৃষি পণ্য নিয়ে মার্কিন সরকার দাবি করছে তাদের বিরাট জয় হয়েছে। বিনা শুল্কে কৃষি পণ্য ঢুকবে ভারতে। এর ফলে ভারতের কৃষকদের সর্বনাশ হবে শুধু এমন নয়। ভারতের গরিব ও মধ্যবিত্তকে আগামী দিনে অনেক বেশি দামে নানাবিধ খাদ্যপণ্য কিনতে হবে। কারণ কৃষিপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। আর মার্কিন রপ্তানির কারণে ভারতের উৎপাদন মার খাবে। এদিকে ভারত সরকার বিরোধীদের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেছে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের দাবি, কৃষি ও ডেয়ারি সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। চুক্তিতে কোনো অবাধ ছাড় নেই। ভারতের কৃষকদের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেয় সরকার। আমি সংসদেই চুক্তি নিয়ে বলতে চেয়েছিলাম। বিরোধীরা মিথ্যা প্রচার করছে। এর আগে তাঁর মন্ত্রকও জানিয়েছিল, ভারত চুক্তি নিয়ে কোনও আপস করেনি। যে অনড় মনোভাব আমাদের ছিল, সেই শর্তেই চুক্তি হবে। যদিও বিরোধীদের দাবি, বাণিজ্য চুক্তির শর্তাবলি জনগণকে জানানো হোক। সংসদ চলছে। সেখানেই সব ধোঁয়াশা কাটানো দরকার।
87 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:53 AM
ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিঃ প্রত্যেক নাগরিকের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক

ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিঃ প্রত্যেক নাগরিকের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক

নয়াদিল্লি: বড়ো সিদ্ধান্ত! এর ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিক লাভবান হবে। আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি ও ভারতীয় পণ্যে পালটা শুল্ক হ্রাসের ঘোষণাকে এভাবেই ব্যাখ্যা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে অভিনন্দন জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে মোদি জানান, এই চুক্তি অনুকূল অর্থনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছে। বিরোধী শিবিরকে একহাত নিয়ে মোদির বক্তব্য, ‘শুল্ক নিয়ে সমালোচনা চলছিল। তবে আমরা ধৈর্য ধরেছিলাম। তার ফলাফল এখন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য-সংঘাত চললেও লাভজনক অবস্থায় রয়েছে ভারত।’ সোমবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মোদি। এরপরেই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। ভারতের উপর পালটা শুল্ক ২৫ থেকে ১৮ শতাংশ কমানোর কথাও জানান তিনি। পরে এক্স হ্যান্ডলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। এদিন বাণিজ্য চুক্তির সাফল্য নিয়ে মোদিকে শুভেচ্ছা জানান এনডিএ শিবিরের শরিক দলের নেতারা। সাংসদীয় বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ন’টি বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। সাংসদের মধ্যে এবিষয়ে যথেষ্ট উচ্ছ্বাস রয়েছে। মোট ৩৯টি দেশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। এটা সত্যিই ঐতিহাসিক।’
64 shares
😊
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:53 AM
কলকাতা ও আশেপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প

কলকাতা ও আশেপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভূমিকম্পে কাঁপল কলকাতা সহ সংলগ্ন এলাকা। দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি সহ রাজ্যের বিভিন্ন অংশে কম্পন অনুভূত হয়েছে। জানা গিয়েছে, মায়ানমারের ইয়াঙ্গন শহরের ৯৫ কিমি পশ্চিমে ভূমিকম্পের উৎসস্থল। মঙ্গলবার রাত ৯টা বেজে ৪মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৭ কিমি গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল। মায়ানমার থেকে বাংলাদেশ হয়ে এর প্রভাব পড়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণবঙ্গে। ৯টা ২২ মিনিটে ফের কম্পন অনুভূত হয়। আপটার শকের মাত্রা ছিল ৫.৩।
28 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:53 AM
বর্ধিত উপস্থিতি ও বিক্রয় সহ কলকাতা বইমেলা শেষ হয়েছে

বর্ধিত উপস্থিতি ও বিক্রয় সহ কলকাতা বইমেলা শেষ হয়েছে

সোহম কর ও অলকাভ নিয়োগী, কলকাতা: কলকাতা বইমেলা ৪৯ রানে ব্যাট করছে। হাফ সেঞ্চুরি করতে আবার মাঠে নামবে আগামী বছর। মঙ্গলবার মেলার শেষ দিন। গিল্ড হাউজের সামনে সমাপ্তি অনুষ্ঠানের মঞ্চ। সেখানে দুপুর থেকে ভিড়। আর দিনভর রোদ পিঠে মেখে ভিড় পায়ে হেঁটে ঘুরল এ স্টল থেকে ও স্টল। শেষ মুহূর্তের লাগামছেঁড়া কেনাকাটায় ব্যস্ত রইল অধিকাংশ পাঠক। রাত ন’টায় সমাপ্তি অনুষ্ঠান। বিকেল থেকে চলল তার অপেক্ষা। অপেক্ষার অবসান। সমাপ্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজের পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। মঞ্চে বসে বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী। গিল্ডের সভাপতি সুধাংশুশেখর দে ও সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় বললেন, ‘গতবছরের তুলনায় ভিড় ও বই বিক্রি ১৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। গতবার এসেছিলেন ২৭ লক্ষ। এবার ৩২ লক্ষ মানুষ মেলায় এসেছেন। গতবছর ২৩ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবছর সে সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৬ কোটি।’ অন্যদিকে মঙ্গলবার দিনভর যে ভিড় স্টলে স্টলে দৌড়চ্ছিল, সে ভিড় ভূত-পেত্নির বই দেখলেই থমকে দাঁড়িয়েছে। এবছর নাকি অপদেবতাদের বই-ই ট্রেন্ড লিস্টের প্রথমে। মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া, চীনের স্টল খোলেনি। তা জন্য একাংশ হতাশ। প্রায় সব স্টলে পাঠকদের অনুরোধ, ‘শেষ দিনে একটু কম দেবেন না?’ কোনও প্রকাশক গম্ভীর হয়ে বলেছেন, ‘না’। কেউ ক্যাশিয়ারের দিকে তাকিয়ে বলেছেন, ‘একেবারে রাউন্ড ফিগার করে দে।’ কোনও প্রকাশক ‘আসুন আসুন’ বলে নিয়ে গিয়েছেন নিজের স্টলে। কেউ কেউ বলেছেন, ‘বিক্রি ভালোই হয়েছে।’ জনাকয়েক গলায় আক্ষেপ নিয়ে বললেন, ‘তন্ত্র, ভূত আর কমিক্স, এগুলিই হিট। সিরিয়াস বিষয়ের পাঠক কই?’ চায়ের কাপে তুফান তোলা এসব আলোচনা একটানা চলল লিটল ম্যাগাজিন প্যাভিলিয়নের আশপাশে। মেলার বাইরেও চলল তর্ক। সাসপেন্স রইল ৫০ বছরের বইমেলা কেমন হবে তা ঘিরে। নিশ্চয়ই অন্যরকম কিছু হবে। এই অন্যরকম যে কীরকম হতে চলেছে তা এখনই জানার কথা নয় কারও। ‘বইতীর্থ’ হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আগেই ঘোষণা করেছিলেন। তা নিয়েই আগ্রহ সবার। তবে সব কিছুর মধ্যেই শেষ দিনের বিষন্নতা এল ফিরে ফিরে। বইয়ের স্টলের ফাঁকা হতে থাকা তাক, প্রকাশকদের শেষ মুহূর্তের হিসেবনিকেশ, টুকরো টুকরো মনখারাপের ছবির মধ্যে ইতি ঘোষণা হল এবছরের বইমেলার। বাজল শেষের ঘণ্টা। যে যেখানে ছিলেন সেখানে দাঁড়িয়ে পড়লেন। করতালিতে ভরালেন মেলামাঠ। তারপর বাঙালির চেনা শব্দ, ‘আসছে বছর আবার হবে।’ সে যে বইমেলার সুবর্ণ জয়ন্তী!
29 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:52 AM
পরিকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে রাজ্য বাজেটের জন্য অপেক্ষা করছে বাংলা

পরিকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে রাজ্য বাজেটের জন্য অপেক্ষা করছে বাংলা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ বাদে কাল রাজ্য বাজেট। আরও নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। কারণ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার ভাগ্যে শিকে ছেঁড়েনি। তাই বঙ্গবাসী এবার তাকিয়ে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই। মুখ্যমন্ত্রী এবারও তাঁর রাজ্যকে নিরাশ করবেন না বলে সূত্রের খবর। সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলিকে সামনে রেখে বাংলার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি চাঙা করার লক্ষ্যেই তিনি বাজেট সাজাচ্ছেন। পরিকাঠামো উন্নয়নে রাস্তাঘাটের কাজ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-বার্ধক্য ভাতার মতো প্রকল্পে জোর—আসন্ন রাজ্য বাজেটে সরকারের নজর এই অভিমুখেই। বিভিন্ন দপ্তরের আনাচে কানাচে যা চর্চা চলছে, তাতে সরকারি কর্মীরাও বাড়তি কিছু সুরাহার আশায় রয়েছেন। গত তিনটি বাজেটের মতো এবারও ডিএ বৃদ্ধির জল্পনায় বুক বাঁধছেন তাঁরা। কেন্দ্রের অপেক্ষায় না থেকে রাজ্যের হাল টেনে নিয়ে যাওয়ার নানাবিধ জল্পনায় ইন্ধন জুগিয়েছে অবশ্যই সম্প্রতি সিঙ্গুরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর হুংকার—‘আমরা কারও ভিক্ষা চাই না। বাংলার মানুষের পাশে দাঁড়াবে রাজ্য সরকারই।’ এই বার্তার ছায়াই বাজেটে পড়তে চলেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। সেক্ষেত্রে রাজ্যের সার্বিক বাজেট বরাদ্দ সাত থেকে আট শতাংশ বৃদ্ধির জোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জানা যাচ্ছে, রাজ্যের সব থেকে বড়ো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাবও বাজেটে পেশ হতে পারে। ২০২১ সালে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে সে বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকেই প্রকল্পটি চালু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। গত পাঁচ বছরে শুধুমাত্র এই প্রকল্পের মাধ্যমেই মহিলাদের হাতে ৭৪ হাজার কোটি টাকার নগদ জোগান নিশ্চিত করেছে রাজ্য। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বরাদ্দ ধরা হয়েছিল ২৭ হাজার কোটি টাকা। এবার এই অঙ্ক কতটা বাড়ে, সেদিকেই নজর সব মহলের। এছাড়াও সামাজিক সুরক্ষা প্রদানের সঙ্গে জড়িত অস্থায়ী কর্মীদের জন্যও বেশ কিছু সুবিধা দেওয়ার চিন্তাভাবনা রাজ্যের রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও কেন্দ্র বাংলার ২ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি আটকে রেখেছে। বাড়ছে না কেন্দ্রীয় করে রাজ্যের ভাগের হারও। ফলে রাজ্যের কোষাগারের উপরে চাপ বাড়াটাই স্বাভাবিক। এই পরিস্থিতিতে রাজস্ব ঘাটতি সামাল দিতে এফআরবিএম আইনের অধীনে থেকেই ঋণের পথে রাজ্য হাঁটছে বলে সূত্রের খবর। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তৃতীয়বার সরকার গঠনের পর, জুলাই মাসের চূড়ান্ত বাজেটে তা দাঁড়িয়েছিল ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৭২৭ কোটি টাকায়। ২০২১ সালেও অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ হয়েছিল ৫ ফেব্রুয়ারি। ছাব্বিশের ভোটের আগেই সেই ৫ ফেব্রুয়ারিই পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। ফলে আগেরবারের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে এবারও বাংলার মানুষকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনমুখী বাজেট উপহার দিতে চলেছেন বলেই মত রাজনৈতিক তথা প্রশাসনিক মহলের।
2 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:52 AM
গোপনীয়তা নীতি নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের তীব্র সমালোচনা ভারতের প্রধান বিচারপতির

গোপনীয়তা নীতি নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের তীব্র সমালোচনা ভারতের প্রধান বিচারপতির

নয়াদিল্লি: ‘কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনারা ছেলেখেলা করতে পারেন না। আমাদের এক বিন্দু তথ্যও ফাঁস করতে দেব না। দেশের আইন-সংবিধান না মানতে পারলে, ভারত ছেড়ে চলে যান।’ গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতি নিয়ে মঙ্গলবার হোয়াটসঅ্যাপের বিরুদ্ধে এই ভাষাতেই তোপ দাগলেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। মার্কিন এই মেসেজিং অ্যাপের নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেটা। তাদেরই মঙ্গলবার কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শুনানিতে মার্কিন এই সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাকে তিরস্কার করে দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের সাফ বক্তব্য—ভারতীয়দের উপর কোনও ধরনের শোষণ বরদাস্ত করা হবে না। ২০২১ সালে নতুন ‘প্রাইভেসি পলিসি’ কার্যকর করে হোয়াটসঅ্যাপ। নতুন সেই নীতিতে জানানো হয়, ‘এই অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে মেটার অন্যান্য প্ল্যাটফর্মেও তথ্য শেয়ারে সম্মতি দিতে হবে। নাহলে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না।’ তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে আপত্তি উঠতে শুরু করে। অভিযোগ ওঠে, ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশনে’র কথা বলা হলেও হোয়াটসঅ্যাপ থেকে দেদার তথ্য এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যবহারকারীর গোপন তথ্য আদান-প্রদান করা হচ্ছে ব্যবসায়িক স্বার্থে। আর তা শত্রু দেশের হাতেও চলে যাচ্ছে। এর জেরে সংকটে পড়তে পারে জাতীয় সুরক্ষা। বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে কম্পিটিশন কমিশন অব ইন্ডিয়া (সিসিআই)। ২০২৪ সালের নভেম্বরে শেষ হয় তদন্ত। সিসিআই সাফ জানায়, নিজেদের একচেটিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ওই সুরক্ষাবিধি মেনে নিতে বাধ্য করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। এর জেরে ২১৩ কোটি টাকার জরিমানা করা হয় মেটাকে। হোয়াটসঅ্যাপের নয়া ‘প্রাইভেসি পলিসি’র উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করে সিসিআই। গত নভেম্বরে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (এনসিএলটি)। কিন্তু জরিমানা বহাল রাখা হয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মেটা। এদিন সেই মামলার শুনানিতে মেটা ও হোয়াটসঅ্যাপকে একযোগে ভর্ৎসনা করেছে শীর্ষ আদালত। হোয়াটসঅ্যাপের আইনজীবী অবশ্য সওয়ালে জানান, সমস্ত নিয়ম মেনেই গোপনীয়তার নীতি তৈরি করা হয়েছে। তখনই কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলে ওঠেন, সাধারণভাবে বোঝা না গেলেও বাণিজ্যিক স্বার্থে সাধারণ মানুষের তথ্য আদানপ্রদান করা হচ্ছে। সেকথা শোনার পর প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ‘বিষয়টিকে কোনোভাবেই মান্যতা দেওয়া যায় না। যদি আপনারা আমাদের সংবিধান মানতে না পারেন, তাহলে ভারত ছেড়ে চলে যান। জনসাধারণের গোপনীয়তা নিয়ে আপস করা যাবে না।’ শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে— ‘হোয়াটসঅ্যাপের গোপনীয়তা নীতির অনেক বিষয় স্পষ্ট নয়। অনেক সময় আমরাই বুঝতে পারি না। তাহলে গ্রামাঞ্চলের গরিব, অশিক্ষিত সাধারণ মানুষ, বিহারের প্রত্যন্ত এলাকার কোনো বাসিন্দা কীভাবে সবটা বুঝবেন? এই সুযোগেই ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়ে যাচ্ছে। এটা কোনোভাবেই হতে দেওয়া যায় না। এমনকি এই প্রসঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন দেশের প্রধান বিচারপতি। বলেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপে ডাক্তার কোনো ওষুধ প্রেসক্রাইব করলে... সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞাপন আসা শুরু হয়ে যায়!’
47 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 01:52 AM
ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনার মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা নিয়ে বিতর্ক

ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনার মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা নিয়ে বিতর্ক

এই সময়, নয়াদিল্লি ও কলকাতা:গুঞ্জন ছিলই। তবে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি চলাকালীন আদালতে দেখা যায়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আজ, বুধবার বাংলার ভোটার লিস্টে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (সার) নিয়ে মমতার দায়ের করা মামলাটির শুনানি নির্ধারিত রয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে। পাশাপাশি কবি জয় গোস্বামীর তরফে ‘সার’ নিয়ে অন্য যে মামলাটি দায়ের হয়েছিল, তারও শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে আজ। ‘সার’ মামলার শুনানিতে আজ শীর্ষ আদালতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হাজির হতে পারেন, এই জল্পনা জোরালো হলো। মমতা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী বা তৃণমূলনেত্রী হিসেবে নন, এক জন সাধারণ নাগরিক হিসেবেই এই মামলাটি দায়ের করেছেন।তবে তিনি যে হেতু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে জ়েড প্লাস নিরাপত্তা পান, তাই সুপ্রিম কোর্টে হাজির হতে হলে শীর্ষ আদালতের রেজিস্ট্রির কাছে আলাদা করে আবেদন জানাতে হতো। তৃণমূল সূত্রের খবর, সেই অনুমতি করা হয়েছিল এবং তা মিলে গিয়েছে।‘সার’ মামলায় তিনি নিজে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করবেন কি না, তা মঙ্গলবার দিল্লিতে বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা স্পষ্ট করেননি। তবে তাঁর নিরাপত্তা সংক্রান্ত অনুমতি মিলে যাওয়ায় আজ সিজেআই সূর্য কান্তের এজলাসে মুখ্যমন্ত্রীর হাজির হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলেই মনে করা হচ্ছে।মমতা এর আগে বহু রাজনৈতিক মিটিংয়েই বলেছেন, তিনি আইনজীবী হিসেবে কালো কোট গায়ে দিয়ে বালুরঘাটের একটি মামলায় দাঁড়িয়েছিলেন। আইন পাশ করলেও অবশ্য সে ভাবে আইনজীবীর পেশায় তিনি থাকেননি। ‘সার’ নিয়ে যে ভাবে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে, তার প্রতিবাদে তিনি নিজে সুপ্রিম কোর্টে লড়বেন বলেও জানিয়েছিলেন। তিনি এ–ও বলেছিলেন, ‘দরকার হলে আমিও সুপ্রিম কোর্টে মানুষের হয়ে আবেদন জানাব, মানুষের হয়ে কথা বলব। আমি আইনজীবী। কিন্তু নাগরিক হিসেবে যাব। আমি আমার কথা বলতেই পারি।’ তবে এক জন মুখ্যমন্ত্রী নিজে শীর্ষ আদালতে শুনানিতে হাজির হলে তা ভারতীয় রাজনীতিতে বিরল ঘটনা হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।সূত্রের দাবি, ‘সার’–এ ক্ষতিগ্রস্ত বাংলার বাসিন্দাদের উদ্দেশে এ দিন মমতা বলেন, ‘বুধবার সুপ্রিম কোর্টে যাব ভেবেছি। তোমাদের সবার দুর্দশার কথা তুলে ধরব দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির কাছে। তোমাদের জন্য ন্যায়বিচার চাইব আমি। আশা করি তোমরা ন্যায়বিচার পাবে।’ মমতা ও জয় গোস্বামীর পাশাপাশি তৃণমূলের দুই সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেনের দায়ের করা বাংলার ‘সার’ নিয়ে দু’টি মামলাও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।১৯৯৪–এর ১০ ফেব্রুয়ারি বালুরঘাট জেলা আদালতে মমতা কালো কোর্ট গায়ে দিয়ে মামলা করেছিলেন। সেখানে জেলার বিশিষ্ট আইনজীবী শঙ্কর চক্রবর্তী, বিপ্লব মিত্র, সুভাষ চাকিরা উপস্থিত ছিলেন। এই মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সওয়াল করেছিলেন। আইনজ্ঞরা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের সদস্য হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টেও কালো কোট গায়ে দিয়ে তাঁর সওয়াল করতে বাধা নেই। তবে শেষমেশ মমতা কী করবেন, তা নিয়ে তীব্র জল্পনা রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে।যদিও এ নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিতে দেরি করেনি রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সিপিএম-এর রাজ্যসভার সাংসদ তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আদালত একটা পাবলিক স্পেস। সেখানে যে কেউ যেতে পারেন। এতে কোনও বাহাদুরি নেই। আবেদনকারী হলে নিজের মামলা নিজে সওয়াল করতে পারেন। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজের সাংবিধানিক পদমর্যাদাকে এমন জায়গায় নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, এর পর আর সাংবিধানিক পদাধিকারীদের প্রতি মানুষের কোনও রকম শ্রদ্ধা থাকবেন না।’ রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘উনি কোথাকার আইনজীবী আমি জানি না। বুধবার সবাই নতুন ড্রামা দেখবে। নতুন উকিল দেখবে। এ সব করে কোনও লাভ হবে না। উনি চাইছেন, এসআইআর প্রক্রিয়া ঘেঁটে দিয়ে ২০২৪–এর লোকসভা ভোটের সময়কার ভোটার তালিকা দিয়ে এ বারের বিধানসভা ভোট করাতে। যেখানে মৃত ভোটারদের নামও থাকবে।’
28 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:51 AM
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ভারতে গবেষণা ও শিক্ষা কেন্দ্রের সূচনা করেছে

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ভারতে গবেষণা ও শিক্ষা কেন্দ্রের সূচনা করেছে

নিজস্ব প্রতিনিধি, লন্ডন: ভারতে নতুন গবেষণা ও শিক্ষাকেন্দ্র চালু করল কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। নাম কেমব্রিজ-ইন্ডিয়া সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ (সিএএস)। গবেষণা, প্রযুক্তি থেকে শুরু করে ক্রিকেট। বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার সুযোগ পাবে ভারতীয় পড়ুয়ারা। চলতি সপ্তাহে ভারত সফরে এসেছে কেমব্রিজের প্রতিনিধি দল। টিমের অন্যতম সদস্য ব্রিটেনের এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য প্রফেসর ডেবোরা প্রেন্টিস। কেমব্রিজের নতুন উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ও ভারতের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এই অত্যাধুনিক সেন্টারের মাধ্যমে ভারতের শ্রেষ্ঠ গবেষকদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ মিলবে। আমাদের ক্রিকেটাররা ভারতে এসে খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন।’ প্রসঙ্গত, মার্চ মাসে ভারতে অনুশীলনের জন্য আসছে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরুষ ক্রিকেট দল। ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার লিন্ডি ক্যামেরন বলেন, ‘কেমব্রিজ ভারতের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভারতের মাটিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি।’ দিল্লি, মুম্বই ও বেঙ্গালুরু সফরকারী এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন কেমব্রিজের শিক্ষা ও পরিবেশ সংক্রান্ত সহ উপাচার্য প্রফেসর ভাস্কর ভিরা। তাঁর কথায়, ‘ভারত-কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় অংশিদারিত্বের এই নয়া অধ‌্যায়ের জন্য মুখিয়ে রয়েছি। সিএএস নিয়ে আমার সহকর্মীদের পাশাপাশি ভারতীয় অংশীদারদের উৎসাহ দেখে খুব ভালো লাগছে।’
5 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 01:26 AM
সংঘাতের অবসানের প্রচেষ্টার মধ্যে মার্কিন-রাশিয়া-ইউক্রেন ত্রিপক্ষীয় বৈঠক পুনরায় শুরু হয়েছে

সংঘাতের অবসানের প্রচেষ্টার মধ্যে মার্কিন-রাশিয়া-ইউক্রেন ত্রিপক্ষীয় বৈঠক পুনরায় শুরু হয়েছে

রাশিয়া এবং ইউক্রনের মধ্যে চলা যুদ্ধ বন্ধ করতে ফের বসতে চলেছে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। বুধবার থেকেই এই লক্ষ্যে আবু ধাবিতে ফের শান্তি বৈঠকে বসছে ইউক্রেন, রাশিয়া এবং আমেরিকা। দ্বিতীয় দফার এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বার্তা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই লড়াই বন্ধ করার জন্য পুতিনের প্রতি আর্জি জানিয়েছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।এ দিকে এই বৈঠক শুরুর আগে ইউক্রেনে ফের ড্রোন এবং মিসাইল নিয়ে পাওয়ার গ্রিডে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া । ৪৫০টির বেশি ড্রোন এবং ৭০টির বেশি মিসাইল নিয়ে পাওয়ার গ্রিডে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া বলে অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি। বিদ্যুৎ কেন্দ্র ছাড়াও কিইভ এবং খারকিভেও হামলা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ। শান্তি বৈঠকের আগে এই হামলা নিয়ে যুদ্ধ বন্ধ করার ব্যাপারে রাশিয়ার সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কিইভ।অন্য দিকে, কিইভের উপর হামলা শুরু হতেই মস্কোতে বার্তা দিয়েছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই পুতিন এই লড়াই বন্ধ করুন।’যদিও পুতিনের প্রতি নরম ভাব দেখিয়েছন ট্রাম্প। এএফপির প্রতিবেদন অনুসারে, ওভাল হাউসে সংবাদিককদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, পুতিন তাঁর কথা রেখেছেন। তাঁর দাবি, আগের রবিবার থেকে গত রবিবার পর্যন্ত ইউক্রেনে কোনও হামলা হবে না বলে কথা দিয়েছিলেন পুতিন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট সেই কথা রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।প্রসঙ্গত, চার বছর ধরে চলা রাশিয়া এবং ইউক্রেনের লড়াই বন্ধ করতে উদ্যোগ নেন ট্রাম্প। এই লক্ষ্য নিয়ে গত বছরেই জ়েলেনস্কি এবং পুতিনের সঙ্গে আলাদা ভাবে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। যুদ্ধ থামানোর জন্য শান্তি প্রস্তাবের খসড়াও দিয়েছিলেন তিনি। যদিও তাঁর কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল কিইভ এবং মস্কো। তবে গত মাসেই ওই যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্য নিয়ে আবু ধাবিতে প্রথম বার ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে কোনও রফা সূত্র বের হয়ে আসেনি। বুধবার থেকেই আবার সেখানেই দু'দিনের ত্রিপাক্ষিক শান্তি বৈঠক বসতে চলেছে। এখন এই বৈঠকের ফল কী হয় তার দিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।
12 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 12:41 AM
একমাত্র অতিথি শিক্ষকের অবসর গ্রহণের কারণে উত্তর দিনাজপুরের স্কুল বন্ধ

একমাত্র অতিথি শিক্ষকের অবসর গ্রহণের কারণে উত্তর দিনাজপুরের স্কুল বন্ধ

বিশ্বরূপ বিশ্বাস, চোপড়াএক অতিথি শিক্ষকের অবসরের জেরে বন্ধ হয়ে গেল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কালিগছ আদিবাসী জুনিয়র হাই স্কুল। ৩১ জানুয়ারি স্কুলের দরজায় তালা ঝোলানো হয়। পরিকাঠামো থাকলেও শিক্ষক না থাকায় বন্ধ হয়ে গেল আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকার এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। স্কুলের পড়ুয়াদের ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২২-এ এই স্কুলের এক স্থায়ী শিক্ষক বদলি হন। এরপরে ২০২৫-এ আরও একজন স্থায়ী শিক্ষক বদলি হয়ে যান। স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে স্কুলটি চালিয়ে আসছিলেন একমাত্র অতিথি শিক্ষক প্রদীপকুমার ঘোষ।শতাধিক ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে একাই স্কুল পরিচালনা করতেন তিনি। পরে অবশ্য পড়ুয়া সংখ্যা কমে ৩৩ জনে এসে পৌঁছায়। তবে ৩১ জানুয়ারি তাঁর অবসর গ্রহণের পরে স্কুলে আর কোনও শিক্ষকই রইল না। তাই বিকাশ ভবন থেকে নির্দেশ আসে, স্কুলে থাকা ৩৩ জন ছাত্রছাত্রীকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দিয়ে অন্যত্র ভর্তি করাতে হবে। নির্দেশ মেনে ওই অতিথি শিক্ষক পড়ুয়াদের টিসি প্রদান করেন। সমস্ত দায়িত্ব শেষ করে ৩১ জানুয়ারি স্কুলে এসে তালা লাগিয়ে বেরিয়ে যান তিনি।জুনিয়র হাইস্কুলের পাশেই থাকা একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিবলাল সিংহ বলেন, 'প্রথম থেকেই দেখেছি, ওই জুনিয়র হাই স্কুলে যে শিক্ষকই আসেন, নানা অজুহাতে বদলি নিয়ে চলে যান। প্রদীপ একাই স্কুল চালাতেন। এমনও দিন গিয়েছে যে, আমরা গিয়ে ওখানে ক্লাস করিয়েছি। শেষ পর্যন্ত স্কুলটা বন্ধই হয়ে গেল। ছাত্রছাত্রীদের কথা ভেবে খুব খারাপ লাগছে।'অবসরপ্রাপ্ত অতিথি শিক্ষক প্রদীপ ঘোষ বলেন, 'আমি একার হাতেই স্কুল সামলাতাম। অবসর নেওয়ার সময়ে নির্দেশ এল পড়ুয়াদের টিসি দিয়ে অন্যত্র ভর্তি করাতে হবে। আমি আমার দায়িত্ব পালন করে অবসর নিয়েছি। কিন্তু স্কুলটা বন্ধ হওয়ায় খুব কষ্ট হচ্ছে। শিক্ষক নিয়োগ করলে স্কুল চালানো যেত। এখন স্কুলের সামনে দিয়ে গেলে মন খারাপ হয়ে যাবে।'গত বছর ওই স্কুল থেকে বদলি নেওয়া শিক্ষক রমিতকুমার দাস বলেন, '২০১৪-তে আমার শিক্ষকতা জীবনের প্রথম স্কুল কালিগছ আদিবাসী জুনিয়র হাই স্কুল। ২০২৫-এ আমি বদলি হই। আমার স্ত্রীর শারীরিক সমস্যা ছিল, তাই আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম, যাতে আমাকে বদলি করানো হয়। শুনলাম স্কুলটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সত্যি খুব খারাপ লাগছে।' শেফালি মুর্মু নামে এক অভিভাবক ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, 'তিন-চার কিলোমিটার পথ পেরিয়ে আমার ছেলে এখন মাঝিয়ালি হাই স্কুলে যায়। রাজ্যে মেলা-খেলা সব হয়। কিন্তু শিক্ষার এমন অবস্থা কেন? আমরা আদিবাসী বলেই কি অবহেলিত?' চোপড়ার অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক ফারুক মণ্ডল বলেন, 'শিক্ষকের অভাব তো ছিলই পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীও কমে যাচ্ছিল। আমি জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শককে বিষয়টি জানিয়েছি, যাতে আবার নতুন ভাবে বিদ্যালয়টি চালু করা যায়।'
42 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 11:34 PM
নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে কেশপুরে হিংসা

নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে কেশপুরে হিংসা

নির্বাচনের আগে ফের উত্তপ্ত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর। সেখানে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। হামলায় আহত হয়েছেন ১২ জন বলে দাবি বিজেপি নেতাদের। ওই হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসে বিজেপি। যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে কেশপুরের রামকাটা এলাকায়। কেশপুর বিধানসভার আনন্দপুর থানার রামকাটায় একটি বৈঠক করছিলেন বিজেপির কর্মীরা। অভিযোগ, দলীয় ওই অভ্যন্তরীণ বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিজেপির কর্মীদের উপর হামলা চালায় এক দল তৃণমূল কর্মী।বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তন্ময় দাসের দাবি, ঘটনায় আহত হয়েছেন তাঁদের দলের প্রায় ১৫ জন কর্মী। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁর অভিযোগ, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বিজেপির লোকজনকে ঘিরে ধরে মারধর করেন। তাঁদের মোটরসাইকেলে ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ তাঁর।ওই এলাকার বিজেপি নেত্রী সোনালী ওঝার দাবি, দলীয় বৈঠক চলার সময়েই তৃণমূল কর্মীরা এসে ভিডিয়ো করে নিয়ে যায়। বৈঠক শেষ হওয়ার পরই তাঁদের কর্মীদের ঘিরে নির্মমভাবে বাঁশ-লাঠি নিয়ে হামলা চালানো হয়।অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা পরিষদ সদস্য তথা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মহম্মদ রফিকের দাবি, মঙ্গলবার ওই এলাকায় পিকনিক করেছিলেন বিজেপির কর্মীরা। সেখানে মদ্যপান করার পরেই তাঁদের নিজেদের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই হামলার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজন কোনওমতেই যুক্ত নয় বলেও তাঁর দাবি।জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত এই নিয়ে কোনও অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।যদিও বিজেপির দাবি, পুলিশকে এই নিয়ে বলার পরে তাঁদেরকেই হুমকি দেওয়া হয়েছে।
51 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 11:26 PM
এলাহাবাদ হাইকোর্টের অ্যাডহক বিচারক হিসেবে পাঁচ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগ করল সুপ্রিম কোর্ট।

এলাহাবাদ হাইকোর্টের অ্যাডহক বিচারক হিসেবে পাঁচ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগ করল সুপ্রিম কোর্ট।

পাঁচ জনঅবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে দুই বছরের জন্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের অস্থায়ী বিচারপতি হিসাবেনিয়োগের প্রস্তাবে মঙ্গলবার অনুমোদন দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের প্রধানবিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে কলেজিয়াম বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মহম্মদফয়েজ আলম খান, মহম্মদ আসলাম, সৈয়দ আফতাব হোসেন রিজভি, রেণু আগরওয়াল ও জ্যোৎস্নাশর্মা ইলাহাবাদ হাই কোর্টের অ্যাড-হক বিচারক হবেন। ২০২১সালে দেশের বিভিন্ন হাই কোর্টে বিচারাধীন ৫৭ লক্ষ মামলাকে ‘ডকেট এক্সপ্লোসন’হিসাবে উল্লেখ করে মামলার নিষ্পত্তির জন্য আ্যাড-হক নিয়েগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।গত বছরের জানুয়ারিতে দেশের শীর্ষ আদালত অনুমতি দিয়েছিল অ্যাড-হক বিচারপতি নিয়োগের।
18 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 11:24 PM
মেলবোর্নে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি ভাঙচুরের নিন্দা ভারতের

মেলবোর্নে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি ভাঙচুরের নিন্দা ভারতের

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি ভাঙচুর এবং অবমাননার তীব্র নিন্দা করল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। অস্ট্রেলিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি পোস্ট করেন। লেখেন, “মেলবোর্নে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি ভাঙার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে ভারত। আমরা বিষয়টি অস্ট্রেলীয় প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি। দ্রুত পদক্ষেপ করে মূর্তি উদ্ধার ও দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থার আর্জিও জানানো হয়েছে।” জানা গিয়েছে, মেলবোর্নের রোভিলে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান ইন্ডিয়ান কমিউনিটি সেন্টারের সামনে মহাত্মা গান্ধীর একটি ব্রোঞ্জের মূর্তি ছিল। গত ১২ জানুয়ারি অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা ওই গান্ধীমূর্তিটি চুরি করে নিয়ে যায়। অভিযোগ, চুরি করার সময় মূর্তিটির পায়ের উপরের অংশ থেকে কেটে নেওয়া হয়। শুধু পড়ে রয়েছে ব্রোঞ্জের মূর্তিটির পা। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১২ নভেম্বর তৎকালীন অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন মূর্তিটি উন্মোচন করেছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়াতেই মহাত্মা গান্ধীর ব্রোঞ্জের মূর্তি ভাঙা পড়েছিল মেলবোর্নে। ঘটনার পর পালটা গুজরাতে নাথুরাম গডসের একটি মূর্তিও ভাঙা হয়।
47 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 11:15 PM
মার্কিন-ইরান উত্তেজনার মধ্যে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সৌদি আরব সফর

মার্কিন-ইরান উত্তেজনার মধ্যে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সৌদি আরব সফর

পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি আলোচনার কেন্দ্রে। বিশেষত আমেরিকা ও ইরানের সম্পর্ক এখন বিশ্বের নজরে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরব সফরে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। রাজধানী রিয়াধে সৌদির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবার আরবে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এমনটাই জানিয়েছে সমাজমাধ্যমে। দূতাবাস জানিয়েছে, সরকারি কাজেই রিয়াধে এসেছেন ডোভাল। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন ভারতের দূত সুহেল আজাজ খান ও আরবের রাজনৈতিক উপমন্ত্রী সৌদ আল সাতি। প্রসঙ্গত, সাতি এর আগে ভারতে আরবের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। আরব সাগরে ইতিমধ্যেই ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ’ রণতরী বাহিনী মোতায়েন করেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ইরানকে বার্তা দিয়েছেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে ডোভাল ও তাঁর দলের সদস্যদের আলোচনার বিষয় হতে পারে ভারত ও আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা। কয়েক মাস আগেই প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে পাকিস্তান ও আরবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। তার পরে আরবে পৌঁছে গেলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।
81 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 11:12 PM
খাদ্য সরবরাহ কর্মীদের নৃশংস হামলায় দিল্লির এক ব্যক্তির মৃত্যু

খাদ্য সরবরাহ কর্মীদের নৃশংস হামলায় দিল্লির এক ব্যক্তির মৃত্যু

রাতে একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে আচমকা এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তিন খাবার ডেলিভারি কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে গত ৩ জানুয়ারি মধ্য দিল্লির কনট প্লেস এলকায়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রায় দু’সপ্তাহ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ওই যুবক। গত ১৯ জানুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্য এক জনের খোঁজ চালাচ্ছে তারা। মৃতের নাম শিবম গুপ্ত (৩৬)। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৩ জানুয়ারি রাতে একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় ওই যুবকের সঙ্গে রাস্তায় তিন খাবার ডেলিভারি কর্মীর কোনও বিষয়ে নিয়ে বচসা শুরু হয়। এর পরেই ওই যুবককে বেধড়ক মারধর করে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে তিন কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনার খবর পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে প্রায় ১৬ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শিবম মাথায় গুরুতর চোট পেয়েছিলেন। তদন্তে নেমে এলাকার সিসি ক্যামেরা খতিয়ে দেখে পুলিশ। সেখানে দেখা গিয়েছে, বচসার জেরে ওই তিন কর্মী তাঁদের হেলমেট দিয়ে ব্যবসায়ীকে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। এর পর ওই যুবককে ওখানে ফেলে রেখে পালিয়ে যান তাঁরা। শিবমের রক্তমাখা পোশাক ফরেনসিক তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অভিযুক্তেরা মৃতের পূর্বপরিচিত কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখছে তারা। এই ঘটনার পর শিবমের বাবা অনিলকান্ত গুপ্ত জানান, গত ২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শিবম একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “আমি রাতে বারবার শিবমকে ফোন করছিলাম। কিন্তু কোনও উত্তর পাচ্ছিলাম না। কিছুক্ষণ পর পুলিশের কাছ থেকে একটি ফোন আসে এবং জানানো হয় যে আমার ছেলে হাসপাতালে ভর্তি।” অভিযুক্ত কর্মীদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানান অনিলকান্ত। তিনি বলেন, “আমার ছেলেই আমার সব ছিল। এখন আমরা শুধু ন্যায়বিচারের আশা করছি। অপরাধীদের এমন কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত যাতে আর কারও ঘর এ ভাবে ধ্বংস না হয়।”
75 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 11:10 PM
আর্থিক সংগ্রাম শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় বাধাঃ অ্যাডমিট কার্ড আটকে রাখার গল্প

আর্থিক সংগ্রাম শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় বাধাঃ অ্যাডমিট কার্ড আটকে রাখার গল্প

বুদ্ধদেব বেরা, ঝাড়গ্রামটেস্ট পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে পাশ করেছিল। কিন্তু তিন বছরের হস্টেল ফি বকেয়া থাকায় পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড আটকে রাখে স্কুলহস্টেল কর্তৃপক্ষ। ফলে সোমবার মাধ্যমিকের প্রথম দিন জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষাই দিতে পারল না ঢোলকাট পুকুরিয়া প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্র দিবাকর মুর্মু। যদিও বিষয়টি পরে জানাজানি হওয়ায় অ্যাডমিট কার্ড হাতে পায় সে। তাই নিয়ে মঙ্গলবার ইংরাজি পরীক্ষা দেয় দিবাকর। যদিও পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে, প্রথম পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকার কারণে ওই ছাত্রের একটা বছর নষ্ট হলো।বিনপুর-১ ব্লকের ফুলঝোর গ্রামে দিবাকরের বাড়ি। পরিবারে মা-বাবা ও বোন রয়েছে। বাবা হরেকৃষ্ণ মুর্মু একজন ক্ষুদ্র চাষি। মা গৃহবধূ। বোন পানমণি আউলিয়াতে মামার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে। দিবাকরের বাবা বলেন, 'দুই সন্তানের পড়াশোনার ভার আমার পক্ষে চালানো অসম্ভব। তাই ছেলেকে আশ্রমের হস্টেলে ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু টাকা দিতে পারিনি বলে আমার ছেলে তার জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা দিতে পারবে না, এটা আমার কল্পনার বাইরে ছিল।'জানা গিয়েছে, ঢোলকাট পুকুরিয়া প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দির একটি আশ্রম কর্তৃক পরিচালিত স্কুল। আশ্রম চত্বরে ছাত্রদের জন্য স্কুলের একটি হস্টেল হয়েছে। যেখানে প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়ারদের থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে। ছেলে যাতে ভালো ভাবে পড়াশোনা করতে পারে সে জন্য ষষ্ঠ শ্রেণিতে দিবাকরকে ওই স্কুলের হস্টেলে রাখার ব্যবস্থা করেন হরেকৃষ্ণ। দিবাকর তপসিলি উপজাতিভুক্ত (এসটি) হওয়ায় অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর থেকে তার হস্টেলের খরচ দেওয়া হতো। সেই টাকা হস্টেল কর্তৃপক্ষকে ফি হিসাবে দিত দিবাকর।অভিযোগ, তিন বছর দিবাকরের হস্টেল খরচ বাবদ ফি জমা না পড়ায় বকেয়া দাঁড়ায় প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। গত ২২ জানুয়ারি রেজিস্টারের সই করিয়ে পরীক্ষার্থীদের হাতে অ্যাডমিট কার্ড তুলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোপাল আচার্য। স্কুল সুত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর ১২২ জন পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের মধ্যে দিবাকর-সহ পাঁচজন ছাত্রের হস্টেল ফি বকেয়া থাকায় অ্যাডমিটগুলি হস্টেল কর্তৃপক্ষ জমা রেখে তাদের বকেয়া বিল মিটিয়ে দিতে বলে। দু'জন পরীক্ষার্থী হস্টেলের সম্পূর্ণ বিল এবং দু'জন অর্ধেক বিল মিটিয়ে দিয়ে অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করে। কিন্তু অভিযোগ, দিবাকর অ্যাডমিট কার্ড নিতে আসেনি। হরেকৃষ্ণ দাবি করেন, 'এত টাকা জোগাড় করতে না পেরে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ছেলের পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডের জন্য অনেক বার যোগাযোগ করেছি। ওরা রবিবার দেওয়া হবে বলে আশা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়নি।'দিবাকরের পরীক্ষাকেন্দ্র ঝাড়গ্রাম ননীবালা বিদ্যালয় স্কুলে তার অনুপস্থিতির কারণ সন্ধান করতে গিয়ে বিষয়টি সামনে আসে। পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রধান শিক্ষক মুক্তিপদ বিশুই পরীক্ষার প্রথম দিন দিবাকরের অনুপস্থিতির কারণ সন্ধান করতে গিয়ে জেনেছিলেন তার অ্যাডমিট কার্ড না থাকায় পরীক্ষা দিতে পারেনি। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানালে দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়। মুক্তিপদ বলেন, 'বাংলা পরীক্ষার দিন ওই পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলেও এদিন সে ইংরাজি পরীক্ষা দিয়েছে।' দিবাকর বলে, 'মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করেছিলাম। হস্টেলের ফি দিতে না পারায় অ্যাডমিট পাইনি। আমার সমস্ত বন্ধুরা যখন বাংলা পরীক্ষা দিতে এলো আমি তখন ঘরেই বসেছিলাম। বাবার যদি টাকা থাকতো তাহলে আমিও বাংলা পরীক্ষাটা দিতে পারতাম।'আশ্রমের প্রধান ব্রহ্মচারী রবীন্দ্রনাথ মহারাজ বলেন, 'হস্টেলের বকেয়া ফি জমা দিয়ে পরীক্ষার আডমিট কার্ড নিয়ে যাওয়ার জন্য জানানো হয়েছিল। কিন্তু দিবাকর ছাড়া সকলেই টাকা জমা দিয়ে, কেউ মুচলেকা দিয়ে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে গিয়েছে। বলা হয়েছিল পরীক্ষার আগের দিন সকলকে হস্টেলে আসার জন্য। কারণ তাদের পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা আমাদের পক্ষ থেকেই করা হবে। কিন্তু বাকি চারজন এলেও দিবাকর আসেনি। তবে মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সঙ্গে এসে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে গিয়েছে দিবাকর।' তিনি আরও জানান, ওই ছাত্র যদি সোমবার সকালে এসে যোগাযোগ করত, তাহলে ও প্রথম দিনের পরীক্ষা দিতে পারত।এদিন অ্যাডমিট কার্ড নেওয়ার জন্য দিবাকরের পরিবার ১০ হাজার টাকা জমা দিয়ে মুচলেকা দেয় আশ্রম কর্তৃপক্ষের কাছে। তবে এমন ঘটনায় মাধ্যমিক পরীক্ষার জেলা কনভেনার জয়দীপ হোতা বলেন, 'কোনও পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড কারও আটকে রাখার অধিকার নেই। এটা আইনবিরুদ্ধ। ওই পরীক্ষার্থী একটি বিষয়ে পরীক্ষা না দেওয়ায় তার পুরো বছরটাই নষ্ট হয়ে গেল। এই ধরনের ঘটনা কখনও কাম্য নয়।' জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) জগবন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'বিষয়টি নজরে আসার পরেই স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং আশ্রমের হস্টেলে গিয়ে পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী পরীক্ষাগুলি তার ভালো হোক এই কামনা করি। ছাত্রটির ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা খেলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের ভাবনাচিন্তা রয়েছে।'
89 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 10:46 PM
চুক্তি নিয়ে বিরোধের প্রতিবাদে বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিক্ষোভ, চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্থগিত

চুক্তি নিয়ে বিরোধের প্রতিবাদে বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিক্ষোভ, চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্থগিত

শ্রমিক ও কর্মীদের বিক্ষোভ চট্টগ্রাম বন্দরে! বিক্ষোভের জেরে মঙ্গলবার সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায় বলে খবর। এতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে কর্ণফুলী চ্যানেল দিয়ে বন্দরে আগত ও বহির্গামী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেন বিক্ষোভকারীরা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিরভিত্তিক একটি সংস্থার মুরিং কন্টেনার টার্মিনালের (এনসিটি) সঙ্গে আইনি চুক্তির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে শনিবার থেকে শ্রমিক ও কর্মচারীরা প্রতি দিন আট ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করছিলেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে তাঁরা ২৪ ঘণ্টার পূর্ণ কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেন। আইনি চুক্তি বাতিল না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্ট কালের জন্য কর্মবিরতি পালনের হুঁশিয়ারিও দেন শ্রমিক-কর্মীরা। গত তিন দিন ধরে বন্দরের প্রধান জেটিকেন্দ্রিক কার্যক্রম ব্যাহত হলেও জাহাজ চলাচল সচল ছিল। তবে মঙ্গলবার বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, এ ঘটনার ফলে বন্দরের সব ধরনের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সিপিএর পরিচালক মহম্মদ ওমর ফারুক ‘দ্য ডেইলি স্টার’কে বলেন, “পাইলটেরা জাহাজে ওঠার আগে থেকেই বিক্ষোভকারীরা ডক অফিসে আন্দোলন শুরু করেন।” তাঁর সংযোজন, “মঙ্গলবার সকালে নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে জাহাজ পরিচালনা শুরু করতে আসা সিপিএ পাইলটেরা কাজ শুরু করতে পারেননি। কারণ বিক্ষোভকারীরা সহায়ক লজিস্টিক সেবার কর্মী ও কর্মচারীদের কাজ বন্ধ করতে বাধ্য করেন।” বন্দর সূত্র জানা গিয়েছে, সকাল ১০টার দিকে ডক অফিসে বিক্ষোভ শুরু হয়। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা সবাইকে ডক অফিস থেকে বার করে দিয়ে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেন বলে অভিযোগ।
94 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 10:39 PM
দিল্লির বিজেপি সরকার স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

দিল্লির বিজেপি সরকার স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

দিল্লিবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে চলছে বিজেপি। এ বার থেকে প্রতি বছর হোলি এবং দীপাবলিতে বিনামূল্যে একটি করে রান্নার গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার পাবেন তাঁরা। কী ভাবে পাবেন এবং কারা পাবেন তা মঙ্গলবার বিস্তারিত জানিয়ে দিয়েছে পদ্মশিবির। দিল্লিতে গত বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা ক্ষমতায় এলে হোলি এবং দীপাবলিতে বিনামূল্যে একটি করে সিলিন্ডার দেওয়া হবে। এ বার সেই পথেই হাঁটছে তারা। মঙ্গলবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত তাঁর মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকেন। সেখানে এই প্রস্তাবটি তোলা হয় বলে জানা গিয়েছে। প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিক ভাবে অনুমোদিত হওয়ার পরেই দিল্লিবাসীর জন্য এই ঘোষণা করেন বিজেপি নেতৃত্ব। কারা কারা এই সিলিন্ডার পাবেন তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পটি মূলত অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবার এবং নিম্ন আয়ের নারীদের সহায়তার জন্য। বিবৃতিতে বলা আছে, দিল্লির বৈধ রেশন কার্ডধারী সকল পরিবার এবং অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলি এই সুবিধা পাবে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার’ পদ্ধতির মাধ্যমে একটি সিলিন্ডারের মূল্য সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। যাঁদের বাড়িতে পিএনজি সংযোগ রয়েছে, তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বাদ পড়বেন না। বিজেপি সূত্রে খবর, এই প্রকল্পে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ হবে, যার মধ্যে বর্তমানে ২৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে রেখা জানিয়েছেন, তাঁর সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে দায়বদ্ধ।
26 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 10:11 PM
মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধ করে নতুন সংখ্যালঘু শিক্ষা সংস্থা গঠন করল উত্তরাখণ্ড

মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধ করে নতুন সংখ্যালঘু শিক্ষা সংস্থা গঠন করল উত্তরাখণ্ড

উত্তরাখণ্ডে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মাদ্রাসা বোর্ড। তার বদলে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি পরিচালনার জন্য নতুন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ওই পরিচালন কমিটিই উত্তর ভারতের এই রাজ্যের সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির জন্য পাঠ্যক্রম ঠিক করব। আরও জানা গিয়েছে, সমস্ত সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেই ওই বোর্ডের থেকেই অনুমোদন নিতে হবে। উত্তরাখণ্ডের বিশেষ সচিব পরাগ মধুকর ধাকাতে জানাচ্ছন, চলতি বছরের জুলাই মাসে সে রাজ্যে মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধ হচ্ছে। তার বদলে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে উত্তরাখণ্ড সংখ্যালঘু বোর্ডের আওতায় আনা হবে। ওই পরিচালন সংস্থা আবার রাজ্যের শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন। প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা অধিবেশনের সময়েই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামি মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধের কথা ঘোষণা করেছিলেন। নতুন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুজিত সিংহ গান্ধী। অধ্যাপক রাকেশ জৈন, পেমা তেনজিন, রোবিনা আমন, গুরমীত সিংহ ও সৈয়দ আলি হামিদ, এলবা মেড্রেল থাকছেন সদস্য হিসাবে। প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক চন্দ্র শেখর ভাট ও রেজেন্দ্র সিংহ বিশ্‌তও থাকছেন বোর্ড সদস্য হিসাবে। রাজ্যের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদের (স্টেট কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং) ও সংখ্যালঘু কল্যাণ দফতরের ডিরেক্টর পদাধিকারবলে নতুন বোর্ডের সদস্য হবেন।
69 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 09:11 PM
বিহারের বাসে দম্পতির ব্যাগ চুরি, অভিযুক্ত গ্রেফতার, জিনিসপত্র উদ্ধার

বিহারের বাসে দম্পতির ব্যাগ চুরি, অভিযুক্ত গ্রেফতার, জিনিসপত্র উদ্ধার

মহাজাতি সদন বাস ধরেছিলেন বিহার থেকে আসা দম্পতি। বাস থেকে নেমে তাঁরা দেখতে পান উধাও ব্যাগ। চুরি গিয়েছে সোনার গয়না, টাকা-সহ নথি। পুলিশের তৎপরতায় গ্রেফতার অভিযুক্ত। উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া সামগ্রী। ২২ জানুয়ারি বিকালের ঘটনার পরে ওই দিনই গিরিশ পার্ক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিহারের কাটিহার জেলার বাসিন্দা সন্দীপ কুমার। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর স্ত্রীর ব্যাগ থেকে সোনার দু’টি চুড়ি, একটি হার ও ব্রেসলেট চুরি হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ওজন ৫৩ গ্রাম। একই সঙ্গে চুরি হয়েছে ২৫ হাজার টাকা ও আসল আধার কার্ড। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে গত ৩০ জানুয়ারি আসানসোলের বাসিন্দা পিঙ্কি রায় (২৬)-কে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সন্দীপের নথি-সহ টাকা ও গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। ৫ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্ত মহিলাকে আদালতে পেশ করা হবে।
64 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 09:03 PM
ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমাচ্ছে আমেরিকা, চিন-ভারত বাণিজ্য বেড়েছে

ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমাচ্ছে আমেরিকা, চিন-ভারত বাণিজ্য বেড়েছে

দর কষাকষির পরে ভারতীয় পণ্যের উপরে ২৫ শতাংশের বদলে ১৮ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। শোনা যাচ্ছে, জরিমানা ববদ আরোপিত বাড়তি ২৫ শতাংশ‌ও মকুব করা হবে। এই পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূতের দাবি, গত অর্থবর্ষে ভারত ও চিনের মধ্যে ব্যবসা হয়েছে ১২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। আরও দাবি, ২০২৪ সালের চেয়ে সেই পরিমাণ ১২ শতাংশেরও বেশি। চৈনিক দূত সু ফেইহংয় জানান, ব্রিকস্-এ ভারতের সভাপতিত্বকে চিন সমর্থন করে। তাঁর আরও দাবি, নয়াদিল্লির সঙ্গে বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত বেজিং। গ্লোবাল সাউথের উন্নয়নে ভারতের সঙ্গে কাজ করার জন্যও ড্রাগনের দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চিনের নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সু-এর দাবি, গত বছরের অগস্টে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান নরেন্দ্র মোদী ও শি জিনপিঙের বৈঠকের পরে দুই দেশের সম্পর্কের পুননির্মাণ হয়েছে। নতুন করে সূচনা হয়েছে উন্নয়নের। চিনের দাবি, বিভিন্ন দিক থেকেই দুই দেশ পারস্পরিক বিনিময়ে সমৃদ্ধ হয়ে উঠছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা। এই প্রসঙ্গেই তিনি জানান, ভারত থেকে চিনে রফতানি বেড়েছে ৯.৭ শতাংশ। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য হয়েছে প্রায় ১৫৫ বিলিয়ন ডলারের (১২.৯৪ লক্ষ কোটি)। চিন ও ভারতের আত্মনির্ভর হওয়ার ‘কৌশল’ সম্পর্কে শি-এর দেশের দূত উল্লখ করেন ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রসঙ্গ। ড্রাগনের দেশের দূতের দাবি, দুই দেশের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় থাকবে। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে গলওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের জওয়ানদের মধ্যে সংঘর্ষের পরে দু’দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। ধীরে ধীরে সেই শৈত্য অনেকটাই কেটেছে।
34 shares
😐