পরিবেশ কর্মী সোনম ওয়াংচুককে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে আটকের মামলার শুনানি হয়েছে সোমবার। তাঁর পক্ষে সওয়ালে বলা হয়েছে যে তাঁকে এমন কড়া আইনে আটক করা হয়েছে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে।ঘটনায় ওয়াঙচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো সুপ্রিম কোর্টে আবেদন দায়ের করেছিলেন। বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং প্রসন্ন বি. ভাড়ালের বেঞ্চে হয়েছে শুনানি।আরও দেখুনসংবাদপত্র বিজ্ঞাপনসংবাদ বিজ্ঞপ্তিবাংলা সাহিত্য বিষয়ক বইস্থানীয় সংবাদখেলাধুলার ইভেন্টের টিকিটডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সরাজনৈতিক বিশ্লেষণ কোর্সকলকাতায়রাজ্য সংবাদমানবাধিকার বিষয়ক সেমিনারলাদাখকে স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া সহ ষষ্ঠ তফসিলের আওতায় এনে, স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ওয়াংচুকের নেতৃত্বে লাদাখের সব অংশের মানুষ আন্দোলনে শামিল ছিলেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর লেহ-তে অনশনে বসেছিলেন আন্দোলনকারীরা। কেন্দ্রের তরফে ভূমিকা নিরাশাজনক হওয়ায় বাড়ছিল ক্ষোভ। সেদিন আন্দোলনকারীদের একাংশ ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করে। এই ঘটনাকে ব্যবহার করে অত্যন্ত কড়া আইন এনএসএ-তে গ্রেপ্তার করা হয় ওয়াঙচুককে।উল্লেখ্য, বিজেপি লাদাখে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। তবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি সরকার।উল্লেখ্য, ২০১৯’র ৫ আগস্ট সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভেঙে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়া হয়। তার একটি লাদাখ। কেন্দ্রীয় শাসন ঘিরে অভিযোগ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে, পরিকাঠামোর নামে পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মানুষ। এই আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন ওয়াঙচুক।২০২৫'র ২৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় এনে আটক করা হয় ওয়াঙচুককে। পরে তাঁকে রাজস্থানের যোধপুরের জেলে স্থানান্তর করা হয়। গোটা ঘটনায় লাদাখ জুড়ে সশস্ত্রবাহিনী মোতায়েন করার পাশাপাশি কোনো বিক্ষোভ সংগঠিত হলে তার বিরুদ্ধে করা ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয় প্রশাসন। সেদিনের ঘটনায় লাদাখের ৪ জন বাসিন্দা নিহত হন। ৯০ জন মানুষ আহত হন।কিসের ভিত্তিতে ওয়াংচুকের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা ভঙ্গের মতো এমন কড়া অভিযোগ আনা হলো, এই প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। আংমোর হয়ে কোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। সোমবারের শুনানিতে তিনি যুক্তি দেন, এই ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা ভঙ্গের আইন প্রয়োগ আইনবিধি সঙ্গত নয়।ওয়াঙচুকের পক্ষে বলা হয়েছে, চারটি ভিডিও-কে দেখিয়ে উত্তেজনায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অথচ অভিযুক্তদের আইনজীবীকে এমন কোনও ভিডিও দেখতে দেওয়া হয়নি।সিবাল বলেন যে জাতীয় নিরাপত্তা আইনেও অভিযুক্তকে তাঁর বক্তব্য জানানোর সুযোগ দেওয়ার সংস্থান রয়েছে। আটকের কারণ লিখিতভাবে জানানো হয়েছে গ্রেপ্তারির অনেক পর। এই আইনের ৫ক ধারা দেখিয়েছে সংবিধানের ২২ ধারাকে অগ্রাহ্য করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া অসাংবিধানিক।মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জানুয়ারি।
আটক পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে
Ganashakti Patrika•

Full News
Share:
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Achira News.
Publisher: Ganashakti Patrika
Want to join the conversation?
Download our mobile app to comment, share your thoughts, and interact with other readers.