Achira News Logo
Achira News

আলিপুরদুয়ার করিডোরে হাতিদের সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত তাপীয় ক্যামেরার ব্যবহার করেছে রেল

Uttarbanga Sambad
আলিপুরদুয়ার করিডোরে হাতিদের সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত তাপীয় ক্যামেরার ব্যবহার করেছে রেল
Full News
Share:

প্রণব সূত্রধর, আলিপুরদুয়ার:হাতি করিডর এলাকায় ইনট্রুশন ডিটেকশন সিস্টেম (আইডিএস) প্রযুক্তির পর এবার হাতি বাঁচাতে এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) প্রযুক্তিনির্ভর থার্মাল ক্যামেরা ব্যবহার করার পরিকল্পনা রেলের (AI Thermal Cameras)। ইতিমধ্যে যা পরীক্ষামূলকভাবে চলছে লামডিং ডিভিশনে। তাতে সাফল্য মিললে কিছুদিনের মধ্যে যা কার্যকর করা হবে অসম ও ডুয়ার্সের জঙ্গল রুটে। রেল সূত্রে খবর, ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে এই ক্যামেরা থাকবে। রাতেও ক্যামেরা প্রায় তিনশো-পাঁচশো মিটার দূর পর্যন্ত জীবজন্তুর ছবি স্পষ্ট তুলে ধরবে। যে ছবি মনিটরে দেখে সজাগ হতে পারবেন চালক। ফলে ট্রেনে কাটা পড়ে হাতি ও অন্য বন্যপ্রাণের মৃত্যু বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন রেলকর্তারা। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের (NFR) আলিপুরদুয়ারের ডিআরএম দেবেন্দ্র সিং বলেন, ‘রেল বাজেটে উন্নয়নমূলক একাধিক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তারমধ্যে হাতি করিডর এলাকায় এআই থার্মাল ক্যামেরা ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।’ গতবছর ডিসেম্বর মাসে অসমের মজুনামুখ ও কামপুর এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় আটটি হাতির মৃত্যু ঘটে। এছাড়াও ধূপগুড়ি সংলগ্ন এলাকাতে হাতিমৃত্যুতে শোরগোল পড়ে যায়। ২০২৩-এর নভেম্বর মাসে রাজাভাতখাওয়া এসকে ১২৬ নম্বর লেভেল ক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় তিনটি হাতির মৃত্যুর হয়েছিল। তারপরই হাতি করিডর এলাকায় আইডিএস প্রযুক্তি ব্যবহারে জোর দেওয়া হয়। রাজাভাতখাওয়া এলাকায় কুনকি হাতি দিয়ে আইডিএস প্রযুক্তির ট্রায়াল রান সম্পন্ন হয়। এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা ব্যবহারে আরও সুবিধা মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে জঙ্গল রুটের বিভিন্ন ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে ওই ক্যামেরা বসানো হবে। সোমবার রেল বাজেট নিয়ে প্রত্যেকটি জোনের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণো। যাতে অংশ নেন বিভিন্ন ডিভিশনের কর্তারাও। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল জানিয়েছে, এই জোনের জন্য আগামী অর্থবর্ষে বরাদ্দ হয়েছে ১১,৪৮৬ কোটি টাকা। সেবক-রংপো রেলপ্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার কথা বলেছেন রেলমন্ত্রী। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল সূত্রে খবর, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে না হলেও, আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে সমস্ত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইরকনকে। পাশাপাশি, কোকরাঝাড়-গেলেফু, বানারহাট-সামসে ইন্দো-ভুটান রুটের সার্ভের পর জমি অধিগ্রহণের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে বলে ভার্চুয়াল বৈঠকে জানান রেলমন্ত্রী। অশ্বিনী বৈষ্ণোর বক্তব্য, ‘উত্তরবঙ্গ সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের রেলওয়ে নেটওয়ার্কে জোর েওয়া হয়েছে। নজরে রাখা হয়েছে চিকেন নেকের নিরাপত্তার বিষয়টি।’ উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জলকিশোর শর্মা বলেন, ‘২০১৪ থেকে এবারের বাজেটে আমাদের জোনের জন্য পাঁচগুণ বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্পের কাজ দ্রুততার সঙ্গে শুরু করা হবে।’

Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Achira News.
Publisher: Uttarbanga Sambad

Want to join the conversation?

Download our mobile app to comment, share your thoughts, and interact with other readers.

আলিপুরদুয়ার করিডোরে হাতিদের সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত তাপীয় ক্যামেরার ব্যবহার করেছে রেল | Achira News