আমেরিকার অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিতে চলেছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ? ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের খরচ জোগাতে হোয়াইট হাউসের কাছে ২০০ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয মুদ্রায় ১৬ লক্ষ কোটি টাকার বেশি) চেয়েছে পেন্টাগন। যা ইরানের মোট জিডিপির প্রায় অর্ধেক! যুদ্ধ শুরুর মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই এই বিপুল ফান্ডের দাবিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মার্কিন মুলুকে।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই আমেরিকাকে তীব্র কটাক্ষ করেছে তেহরান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, এই বিশাল অর্থের বোঝা আদতে আম আমেরিকানদের উপরে ট্রাম্পের চাপানো ‘ইজ়রায়েল-ফার্স্ট ট্যাক্স’।ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ট্রাম্প সমর্থকদের মধ্যে যে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ অর্থাৎ, আমেরিকাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি উঠতে শুরু করেছে, তাকেই আরও উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আরাগচি।আল-জাজ়িরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচির দাবি, ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশেই আমেরিকা এই যুদ্ধে জড়াতে বাধ্য হয়েছে। আর তার মাশুল গুনছেন সাধারণ আমেরিকান নাগরিকরা।বৃহস্পতিবার ভোরে বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র ইরানের ‘সাউথ পার্স’-এ আকাশপথে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইজ়রায়েল। পাল্টা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলির তেল ও গ্যাসক্ষেত্রে আঘাত হেনেছে ইরানও।এতে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কায় নড়েচড়ে বসেছে গোটা পৃথিবীই। বেগতিক বুঝে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেছেন, ‘ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ইজ়রায়েল এই হামলা চালিয়েছে। এর সঙ্গে আমেরিকা বা কাতারের কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা এ ব্যাপারে বিন্দুবিসর্গও জানতাম না।’যদিও হোয়াইট হাউসের এক সূত্রের দাবি, ট্রাম্প সবই জানতেন। এমনকী তিনি ইজ়রায়েলকে এই হামলার অনুমতিও দিয়েছিলেন। ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পরিস্থিতি প্রতিকূল দেখেই এখন তিনি দায় ঝেড়ে ফেলছেন।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুদ্ধঃ 200 বিলিয়ন ডলারের বোঝা নাকি'ইসরায়েল-প্রথম কর'?
EI Samay•

Full News
Share:
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Achira News.
Publisher: EI Samay
Want to join the conversation?
Download our mobile app to comment, share your thoughts, and interact with other readers.