আজকাল ওয়েবডেস্ক:২০১৩ সালে কামদুনির এক কলেজ গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজ্য। সেই কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম মুখ টুম্পা কয়াল, মৌসুমী কয়াল। রাজনীতি ছাড়া আন্দোলন করা অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার বলে মনে করছেন প্রতিবাদী টুম্পা কয়াল। সেই কারণেই কি রাজনীতির ময়দানে পা রাখতে চলেছেন টুম্পা? কামদুনির অন্যতম প্রতিবাদী তাঁর রাজনীতি-যোগ জল্পনা উস্কে দিয়ে বলেন, "ভোটে লড়তে চেয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর দ্বারস্থ হয়েছি। ১২ বছর হয়ে গিয়েছে। এখন আমি ভাবছি যেকোনও একটা রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এসে আন্দোলন করব এবং মানুষের পাশে দাঁড়াব। সেই কারণে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম বিজেপিতে যোগদান করব। ব্যক্তিগত দিক থেকে আমি অনেকটাই দেরি করে ফেলেছি। এখন জানি না দল কী করবে। দল যে সিদ্ধান্ত নেবে সেই সিদ্ধান্তই আমাকে মেনে নিতে হবে। কারণ, আমি তো অনেক শেষে এসেছি। সেটা দল যেটা মনে করবে সেই সিদ্ধান্ত হবে।" টুম্পা আরও বলেন, "আমরা, কামদুনির প্রতিবাদীরা ২০১৩ থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। রাজ্য পুলিশের কথা আমাদের কিছু বলার নেই। যারা দোষী, যারা ধর্ষণকারী তাদের সাপোর্ট ও সুরক্ষা দিত ওরা। যারা প্রতিবাদী তাঁদের কখনও সুরক্ষা রাজ্যের পুলিশ দেয়নি।" উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৭ জুন, রাজারহাটের ডিরোজিও কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী বাড়ি ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হন। গ্রাম থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে এক জমিতে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। ঘটনার পর ৯ জন গ্রেপ্তার হয়। যদিও দশ বছর পর ২০২৩ সালে আসামীদের ফাঁসির সাজা রদ করে কলকাতা হাইকোর্ট। দু'জনের যাবজ্জীবন এবং চারজনকে বেকসুর খালাস করা হয়। এরপরই রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছে রাজ্য সরকার ও কামদুনির নির্যাতিতার পরিবার।
কামদুনি গণধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে রাজনীতিতে আসতে পারেন বিক্ষোভকারী নেত্রী টুম্পা কয়েল
AajKaal News•

Full News
Share:
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Achira News.
Publisher: AajKaal News
Want to join the conversation?
Download our mobile app to comment, share your thoughts, and interact with other readers.