আজকাল ওয়েবডেস্ক:সোমবার ভোটের ফলাফল সামনে আসার পর থেকেই জায়গায় জায়গায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। তাতে বিজেপি কর্মীদের নামও জড়িয়েছে। এরপরই হিংসায় আমল না দিয়ে হিংসামুক্ত বাংলা গড়ে তোলা ডাক দিয়েছে বিজেপি। খোদ নরেন্দ্র মোদি এই আহ্বান জানিয়েছেন। সতর্ক করে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বিষয়টিকে অত্যন্ত্য গুরুত্ব দিয়ে নজরে রাখছে পদ্ম শিবিরের রাজ্য নেতৃত্ব। তবে, এই হিংসায় বিজেপি নেতা, কর্মীরা জড়িত বলে মানতে রাজি নয় গেরুয়া নেতৃত্ব। উল্টে তাঁদের দাবি, তৃণমূলের লোকেরাই সহানুভূতি আদায়ে এই ধরণের হামলা, মারধর চালাচ্ছে। দখল করা ভাঙচুর করা তৃণমূলের সংস্কৃতি: সুব্রত মৈত্র দখল করা ভাঙচুর করা তৃণমূলের সংস্কৃতি: সুব্রত মৈত্র রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র তথা আইনজীবী দেবজিৎ সরকার বলেছেন, "আমরা কোনও তৃণমূল পার্টি অফিস দখল করিনি। এটা তৃণমূলের লোকেরাই করছে সহানুভূতি কুড়োতে। এরা বিজেপির পতাকা নিয়ে দুষ্কর্ম করছে। দলের রাজ্য সভাপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন এ ধরণের কাজ দল অনুমোদন করে না। এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। পরিস্কার বলছি, আমরা এ ধরণের কাজ বরদাস্ত করব না। দলের তরফে প্রশাসনকে বলা হয়েছে কড়া হাতে পদক্ষেপ করতে। এমনকি বিজেপির লোক থাকলেও পদক্ষেপ করতে হবে।" খবর, বেশ কয়েকজন তৃণমূল পৌর প্রতিনিধি, এমনকি বিধায়কও ঘোষণা করছেন তারা নাকি বিজেপি হয়ে গিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে দেবজিৎ বলেন, "যাঁরা মানুষের উপর অত্যাচার করেছেন তাঁদের বিজেপিতে ঠাঁই দেওয়া হবে না।" রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও এদিন বলেছেন, "পরিষ্কার করে বলে দিচ্ছি বিজেপির পতাকা নিয়ে কোনও হিংসা করা চলবে না। কোনও হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। কোনও তৃণমূলের পার্টি অফিসে যদি ভাঙচুর চলে, মুখ্যমন্ত্রী বা তার পরিবারের সদস্যদের যদি কদর্য ভাষায় আক্রমণ করা হয় তাহলে আমি তাঁদের দল থেকে বরখাস্ত করব। সেই ক্ষমতা আমার দল আমাকে দিয়েছে।"
পশ্চিমবঙ্গে হিংসাঃ তৃণমূল ও বিজেপি একে অপরকে দোষারোপ করছে, উত্তেজনা বাড়ছে
AajKaal News•

Full News
Share:
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Achira News.
Publisher: AajKaal News
Want to join the conversation?
Download our mobile app to comment, share your thoughts, and interact with other readers.