আজকাল ওয়েবডেস্ক:বন্ধুদের সঙ্গে দেদার মদ্যপান। তুমুল হুল্লোড় শেষে বাড়ি ফিরেই ঘটল অঘটন। আবাসনের ব্যালকনি থেকে মত্ত অবস্থায় নীচে পড়ে যায় এক কিশোর। ঘটনাস্থলেই মর্মান্তিক পরিণতি হল তার। যে ঘটনায় এলাকা জুড়ে তুমুল শোরগোল পড়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। মঙ্গলবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে মত্ত অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবাসনের আটতলা থেকে নীচে পড়ে যায় এক কিশোর। মাটিতে ধপ করে পড়েই মৃত্যু হয়েছে ১৫ বছরের কিশোরের। জানা গেছে, সেই রাতেই বন্ধুদের সঙ্গে শহরের এক নামী পানশালায় মদ্যপান করতে গিয়েছিল ওই কিশোর। মদ্যপান করে বাড়ি ফেরার পরেই অঘটন ঘটে। কিশোরদের মদ্যপানের ঘটনা ঘিরে ওই নামী পানশালার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করতে চলেছে পুলিশ। ড. বিষ্ণুবর্ধন রোডের মাতৃ আলপাইন অ্যাপার্টমেন্টে ঘটনাটি ঘটেছে। ওই আবাসনেই থাকত কিশোর। পানশালায় বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপানের পর বাড়ি ফিরেছিল সে। বাড়ির ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ছিল সেই সময়। আচমকাই ব্যালকনি থেকেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীচে পড়ে যায় দশম শ্রেণির ছাত্র। এই ঘটনার পরেই রাজারাজেশ্বরী থানায় অভিযোগ দায়ের করে কিশোরের পরিবার। ঘটনাটি ঘিরে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। কীভাবে কিশোর ব্যালকনি থেকে পড়ে যায়, আদৌ এ ঘটনায় পানশালার কোনও ভূমিকা রয়েছে কিনা, ১৮ বছরের নীচে কেন ওই পানশালায় মদ্যপানের চল রয়েছে, সবটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গত মাসেই এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। বাবা-মায়ের বাড়িতেই সর্বনাশ তরুণ ইঞ্জিনিয়ারের। আবাসনের ১৭তলা থেকে ঠাস করে মাটিতে পড়ে মৃত্যু ২৬ বছরের ইঞ্জিনিয়ারের। যে ঘটনায় শোকের ছায়া পরিবারে। ঘটনায় হতবাক প্রতিবেশীরাও। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। বুধবার পুলিশ জানিয়েছে, এক আবাসনের ১৭তলা থেকে পড়ে গিয়ে ২৬ বছরের এক ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু হয়েছে। মৃত তরুণের নাম, নিকশাপ। ইউরোপে ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে ফিরে এক নামী কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। তিনি থাকতেন হসরঘাট্টা এলাকার গৌড়ীয় মঠে। বুধবার বেঙ্গালুরুর শেট্টিহাল্লি এলাকায় প্রিন্স টাউন অ্যাপার্টমেন্টে বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেই অ্যাপার্টমেন্টের ১৭তলা থেকে পড়েই তরুণ ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। মামলা রুজু করে শুরু হয়েছে তদন্ত। ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশকে মৃত তরুণের বাবা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় ভুগছিলেন। চিকিৎসাও চলছিল তাঁর। অসুস্থতার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ১৭ তলা থেকে পড়ে গিয়েছিলেন নাকি কেউ ধাক্কা দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেলে দিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বেঙ্গালুরুতে অষ্টম তলা থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু
AajKaal News•

Full News
Share:
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Achira News.
Publisher: AajKaal News
Want to join the conversation?
Download our mobile app to comment, share your thoughts, and interact with other readers.