অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীর প্রাক্তন বৌদি সুস্মিতা সম্প্রতি বিয়ে করেছেন৷ সেই বিয়েকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক৷ সায়ক সুস্মিতাকে সমাজমাধ্যমে কটাক্ষ করেন যেন এটাই সুস্মিতার শেষ বিয়ে হয়৷ বাচ্চার জন্য বিয়ে- এই নিয়ে সমাজমাধ্যমে একের পর এক কমেন্টে সুস্মিতার দিকে আঙুল তোলা হতে থাকে৷ এরপরেই সুস্মিতা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে লাইভ করেন৷ যদিও লাইভ করে সব সত্যি জানানোর আগে সায়কের সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়৷ সেই কথোপকথন সুস্মিতা সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেছেন৷ "আমি তোদের কোনও বিষয় কমেন্ট করি না। বহুবার বহু সাংবাদিক জানতে চাইলেও মুখ খুলিনি৷ কিন্তু তোরা যা শুরু করেছিস তার শেষ হওয়া দরকার৷ শেষ ভালভাবে করতে চাইছিস তাহলে ১১.১৫ এর মধ্যে চলে আয়।" ১২ টায় সাংবাদিকদের ডেকেছেন বলেও জানিয়েছেন সুস্মিতা৷ সায়ক সাংবাদিকদের আসতে বারণ করতে বলে সুস্মিতাকে৷ কিন্তু সুস্মিতা জানায়, সায়ক লাইভ লোকেশন শেয়ার না করলে সুস্মিতাও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা স্থগিত রাখবেন না৷ তিনি বলেন, "শেষ সাত বছর আমি তোদের কথাই শুনে এসেছি। সাত বছর ধরে তো ব্ল্যাকমেল করছিস৷ এবার আমি নিজে সেটা জানাব।" সায়ক সুস্মিতাকে নিবৃত করতে চাইলে সুস্মিতা বলে তাদের মধ্যে শুরু থেকেই কথা হয়েছিল কেউ কারও বিরুদ্ধে কোনও কথা বলবে না৷ বাচ্চা প্রসঙ্গে সুস্মিতা জানান, তিনি মা হতে অক্ষম এই অপবাদ শোনার পরেও তিনি মুখ খোলেননি যে সায়কদের পরিবার বাচ্চা চায়নি৷ সায়ক যখন বারবার সুস্মিতাকে থামানোর চেষ্টা করে এবং সায়কের দাদা সব্যসাচী এই বিষয় আর কোনও মন্তব্য করবে না যদি না সুস্মিতা আর কিছু বলে - এমন জানালেও সুস্মিতা বলেন, সমস্যার সমাধান করতে হলে সায়ককে আসতে হবে৷ নয়তো লাইভ করে সুস্মিতা সব সত্যি জানাবেন বলে দাবি করেন। সায়ক অনুনয়ের সুরে বলেন যে তিনি সব ঠিক করে দেবেন। রাগ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন সুস্মিতার বিরুদ্ধে। এমনকি বিয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে ভিডিয়ো বানাবেন সেকথাও বলেন৷ এরপরে সুস্মিতা লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন৷ বলেন, আমি বাঁচতে চেয়েছি, এটা কি অপরাধ? লেখা আর মানুষ এক নয়। আমি যখন সব্যসাচীকে বিয়ে করি তখন ওর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ছিল না। হ্যাঁ সব্যসাচীকে বিয়ের আগে আমার বিয়ে ছিল। সব্যসাচীরও একাধিক সম্পর্ক ছিল। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাচ্চার দায়িত্ব নিতে চাইলেও সুস্মিতাকে বাচ্চা রাখতে দেওয়া হয় না। সায়ক বলেছিল এই যে ফ্যামিলি ড্রামাটা আমরা দেখাই এটা আমাদের বিজনেস৷ এখান থেকে বেরিয়ে যাস না। আমার মা কালো, দেবলীনা নন্দীর গল্পের সঙ্গে সুস্মিতার গল্পের মিল আছে বলেও জানান সুস্মিতা৷ বাচ্চা না হওয়া আর বাচ্চা না চাওয়া দুটো আলাদা বিষয়। ২০১৯ এ আমার বাচ্চা মারা গেছে৷ আমার ডিভোর্স হয়েছে তার অনেক বছর পর৷ আমি থানায় যাব না। কারণ থানায় এর সলিউশন নেই৷ একটা সুন্দর লেখার পিছনে যে কত বড় শয়তান লুকিয়ে থাকতে পারে, তার কোনও ধারণা নেই। " সুস্মিতা লাইভে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন, "চারটে বিয়ে করা অপরাধ নাকি ১০ টা মানুষের সঙ্গে লিভ ইন করা অপরাধ? বউয়ের সামনে অন্য নারীতে আসক্ত হওয়া অপরাধ নাকি বাচ্চা চাওয়া অপরাধ? " লাইভের মধ্যেই ফোনে সায়ক চক্রবর্তী কতবার ফোন করেছেন সেটাও দেখান। সুস্মিতার আগে দুটো বিয়ে ছিল৷ এই ভয় দেখিয়ে তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হত, সুস্মিতা প্রশ্ন করেন, তাঁর দুটো বিয়ে ছিল বলে কি তাঁর সঙ্গে যা খুশি করা যায়? তাঁর টাকা লুট করা যায়? বিবাহিত স্বামী তাঁর সামনে অন্যনারীসঙ্গ করতে পারে? সুস্মিতা বলেছেন, সুন্দরবন থেকে এসে অনেক লড়াই করেছেন৷ অনেক ধাক্কা খেলেও তিনি হেরে যাননি৷ বড়লোক ছেলেকে বিয়ে করেননি বরং একসঙ্গে বড়লোক হচ্ছেন৷
সুস্মিতার বিয়ে নিয়ে বিতর্ক, প্রাক্তন শ্যালক সায়াক চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে তিরস্কার করেছেন
AajKaal News•

Full News
Share:
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Achira News.
Publisher: AajKaal News
Want to join the conversation?
Download our mobile app to comment, share your thoughts, and interact with other readers.