Achira News Logo
Achira News
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 08:42 AM
আলিপুরদুয়ার করিডোরে হাতিদের সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত তাপীয় ক্যামেরার ব্যবহার করেছে রেল

আলিপুরদুয়ার করিডোরে হাতিদের সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত তাপীয় ক্যামেরার ব্যবহার করেছে রেল

প্রণব সূত্রধর, আলিপুরদুয়ার:হাতি করিডর এলাকায় ইনট্রুশন ডিটেকশন সিস্টেম (আইডিএস) প্রযুক্তির পর এবার হাতি বাঁচাতে এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) প্রযুক্তিনির্ভর থার্মাল ক্যামেরা ব্যবহার করার পরিকল্পনা রেলের (AI Thermal Cameras)। ইতিমধ্যে যা পরীক্ষামূলকভাবে চলছে লামডিং ডিভিশনে। তাতে সাফল্য মিললে কিছুদিনের মধ্যে যা কার্যকর করা হবে অসম ও ডুয়ার্সের জঙ্গল রুটে। রেল সূত্রে খবর, ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে এই ক্যামেরা থাকবে। রাতেও ক্যামেরা প্রায় তিনশো-পাঁচশো মিটার দূর পর্যন্ত জীবজন্তুর ছবি স্পষ্ট তুলে ধরবে। যে ছবি মনিটরে দেখে সজাগ হতে পারবেন চালক। ফলে ট্রেনে কাটা পড়ে হাতি ও অন্য বন্যপ্রাণের মৃত্যু বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন রেলকর্তারা। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের (NFR) আলিপুরদুয়ারের ডিআরএম দেবেন্দ্র সিং বলেন, ‘রেল বাজেটে উন্নয়নমূলক একাধিক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তারমধ্যে হাতি করিডর এলাকায় এআই থার্মাল ক্যামেরা ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।’ গতবছর ডিসেম্বর মাসে অসমের মজুনামুখ ও কামপুর এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় আটটি হাতির মৃত্যু ঘটে। এছাড়াও ধূপগুড়ি সংলগ্ন এলাকাতে হাতিমৃত্যুতে শোরগোল পড়ে যায়। ২০২৩-এর নভেম্বর মাসে রাজাভাতখাওয়া এসকে ১২৬ নম্বর লেভেল ক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় তিনটি হাতির মৃত্যুর হয়েছিল। তারপরই হাতি করিডর এলাকায় আইডিএস প্রযুক্তি ব্যবহারে জোর দেওয়া হয়। রাজাভাতখাওয়া এলাকায় কুনকি হাতি দিয়ে আইডিএস প্রযুক্তির ট্রায়াল রান সম্পন্ন হয়। এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা ব্যবহারে আরও সুবিধা মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে জঙ্গল রুটের বিভিন্ন ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে ওই ক্যামেরা বসানো হবে। সোমবার রেল বাজেট নিয়ে প্রত্যেকটি জোনের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণো। যাতে অংশ নেন বিভিন্ন ডিভিশনের কর্তারাও। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল জানিয়েছে, এই জোনের জন্য আগামী অর্থবর্ষে বরাদ্দ হয়েছে ১১,৪৮৬ কোটি টাকা। সেবক-রংপো রেলপ্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার কথা বলেছেন রেলমন্ত্রী। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল সূত্রে খবর, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে না হলেও, আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে সমস্ত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইরকনকে। পাশাপাশি, কোকরাঝাড়-গেলেফু, বানারহাট-সামসে ইন্দো-ভুটান রুটের সার্ভের পর জমি অধিগ্রহণের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে বলে ভার্চুয়াল বৈঠকে জানান রেলমন্ত্রী। অশ্বিনী বৈষ্ণোর বক্তব্য, ‘উত্তরবঙ্গ সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের রেলওয়ে নেটওয়ার্কে জোর েওয়া হয়েছে। নজরে রাখা হয়েছে চিকেন নেকের নিরাপত্তার বিষয়টি।’ উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জলকিশোর শর্মা বলেন, ‘২০১৪ থেকে এবারের বাজেটে আমাদের জোনের জন্য পাঁচগুণ বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্পের কাজ দ্রুততার সঙ্গে শুরু করা হবে।’
87 shares
😊
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 11:26 AM
স্প্যানিশ গবেষকরা ইঁদুরের অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার নির্মূল করার ক্ষেত্রে সাফল্যের দাবি করেছেন

স্প্যানিশ গবেষকরা ইঁদুরের অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার নির্মূল করার ক্ষেত্রে সাফল্যের দাবি করেছেন

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার নির্মূল করার উপায় কি তবে পাওয়া গেল? স্প্যানিশ ন্যাশনাল ক্যানসার রিসার্চ সেন্টারের বিজ্ঞানীদের গবেষণায় তেমনটাই দাবি করা হয়েছে। ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে ক্যানসার নির্মূল করেছেন গবেষকেরা, দাবি এমনটাই। এই গবেষণা রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বিজ্ঞানীমহলে। অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রূপ হল ‘প্যানক্রিয়াটিক ডাক্টাল অ্যাডিনোকার্সিনোমা’। এই ক্যানসার ছড়াতে শুরু করলে তাকে নিয়ন্ত্রণে আনা প্রায় অসম্ভব। এই ধরনের ক্যানসার তাড়াতাড়ি ধরাও পড়ে না। তলে তলে শরীরে বাড়তে থাকে। গবেষকেরা দেখেছেন, কয়েকটি জিনের মিউটেশনের (রাসায়নিক বদল) কারণেই ক্যানসারের এত বাড়বাড়ন্ত হয়। সেই জিনগুলিকে আয়ত্তে আনতে তিন ধরনের ওষুধের থেরাপি কার্যকর হতে পারে। ওষুধগুলির কাজ হল সেই জিনের রাসায়নিক বদলকে ঠেকিয়ে রাখা। ইঁদুরের উপর ওষুধগুলির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফল হয়েছে বলে দাবি করেছেন গবেষকেরা। কোন কোন জিনের বদলে মাথাচাড়া দেয় অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারে? কেআরএএস জিন: ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে অগ্ন্যাশয়ের কোষের অনিয়মিত ও অস্বাভাবিক বিভাজনের জন্য দায়ী এই জিন। এই জিনের রাসায়নিক বদল যত দ্রুত হবে, ততই ক্যানসার কোষ ছড়িয়ে পড়তে থাকে শরীরে। টিপি৫৩: এই জিনের বদল হলে কোষের মৃত্যু হয় না, বরং তার বিভাজনের হার বেড়ে যায়। কোষ অস্বাভাবিক ভাবে বিভাজিত হয়ে সংখ্যায় বাড়তে শুরু করে, যা ক্যানসারের রূপ নেয়। সিডিকেএন২এ: এই জিন কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। যদি এই জিনে বদল ঘটে, তা হলে কোষের বৃদ্ধি অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়। এসএমএডি৪: এই জিনের রূপান্তর ঘটলে ক্যানসার আক্রান্ত কোষের সংখ্যা বেড়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। কোন কোন ওষুধে আশার আলো দেখছেন গবেষকেরা বদলে যাওয়া জিন ও ক্যানসারের সময়ে বাড়তে থাকা প্রোটিনগুলিকে আয়ত্তে আনতে ‘ট্রিপল-ড্রাগ ট্রিটমেন্ট থেরাপি’-তে জোর দিয়েছেন গবেষকেরা। ক্যানসারের কোষগুলির বৃদ্ধি ও বিভাজন ঠেকাতে আফাটিনিব নামক ওষুধের প্রয়োগ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি ঠেকাতে ডারাক্সোনর‌্যাসিব নামক ওষুধটিও মেশানো হয়েছে তাতে। তৃতীয় ওষুধটি হল আরএএফ১ ইনহিবিটর, যেটি কেআরএএস জিনের রাসায়নিক বদল ঠেকাতে পারে। এই তিন ওষুধ মিশিয়ে বিশেষ এক রকম থেরাপি করা হয়েছে ইঁদুরের উপরে। তাতে দেখা গিয়েছে, অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার পুরোপুরি নির্মূল হয়েছে। তবে মানুষের উপরে পরীক্ষা নিরীক্ষার পরেই গবেষণাটিতে সিলমোহর দেওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছে।
43 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 1, 2026, 10:03 AM
গ্লুকোমিটার বোঝাঃ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি নির্দেশিকা

গ্লুকোমিটার বোঝাঃ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি নির্দেশিকা

চিকিৎসকের চেম্বারেবা প্যাথোলজিক্যাল ল্যাবে গিয়ে নিয়মিত রক্তে শর্করার পরীক্ষা বা প্রস্রাবেরপরীক্ষা করানো সময় ও সামর্থ্য সকলের থাকে না। তার উপরে বিপদেআপদে তৎক্ষণাৎ পরীক্ষাএবং ফলাফল মেলাও সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ডায়াবিটিসের রোগীদের বাড়িতে একটি করেগ্লুকোমিটার কিনে রাখা বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। হাতের এক ফোঁটারও কমরক্ত তৎক্ষণাৎ ফলাফল জানিয়ে দেবে। রক্তে শর্করার মাত্রা কখন কতখানি, তা জানার সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায়। তবেএখন বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে গ্লুকোমিটারের পাশাপাশি আরও এক যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়েগিয়েছে, যার নাম কনটিনিউয়াস গ্লুকোজ় মনিটর বা সিজিএম। তবে খরচের কথা মাথায় রেখে অনেকেইনতুন এই যন্ত্র ব্যবহার করতে পারেন না। কিন্তু যাঁরাগ্লুকোমিটার ব্যবহার করেন বা নতুন করে ব্যবহার করবেন, তাঁদের কিছু নিয়মকানুন জেনে নেওয়াদরকার। আর তাই মধুমেহ রোগের চিকিৎসক আশিস মিত্র সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন। তাঁরকথায়, ‘‘গ্লুকোমিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিক রোগীদের বেশকিছু নিয়ম মেনে চলা দরকার। প্রথমত, যাঁরা ইনসুলিন নিচ্ছেন এবং যাঁদেররক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত হেরফের করে, তাঁদের জন্য গ্লুকোমিটার বেশ কাজের। এ বার দেখতে হবে, কী ভাবে পরীক্ষা করতে হবে। যেমন, যাঁরা ইনসুলিন নিচ্ছেন, তাঁদের গ্লুকোমিটার ব্যবহারের প্রথম ১৫দিন বিশেষ পন্থা মেনে চলতে হয়।’’ রক্তে শর্করার মাত্রা নজরে রাখা দরকার কাদের? ছবি: সংগৃহীত গ্লুকোমিটারে পরীক্ষাকরার বিশেষ পদ্ধতি কী? চিকিৎসক জানাচ্ছেন, প্রথম১৫ দিন সারা দিনে সাত বার পরীক্ষা করতে হবে। একে বলা হয়, ‘সেল্‌ফ মনিটরিং অফব্লাড গ্লুকোজ়’ বাএসএমবিজি। সাত বার কখন কখন পরীক্ষা করাতে হবে? · ঘুমথেকে উঠে খালি পেটে প্রথম বার পরীক্ষা করতে হবে। · প্রাতরাশেরঠিক আগের মুহূর্তে পরীক্ষা করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে এর মাঝে চা-বিস্কুট খান। সেইপার্থক্যটি দেখার জন্য এই জলখাবারের আগে পরীক্ষা করাতে হয়। · প্রাতরাশেরদু’ঘণ্টা পর পরীক্ষা করতে হবে। · মধ্যাহ্নভোজেরআগে গ্লুকোমিটার ব্যবহার করতে হবে। · আবারমধ্যাহ্নভোজের দু’ঘণ্টা পর পরীক্ষা করতে হবে। · নৈশভোজেরআগে পরীক্ষা করতে হবে। · শেষেনৈশভোজের দু’ঘণ্টা পর পরীক্ষা করতে হবে। যদিওঅনেকেই রাতের খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন বলে সেই সময়টি হেরফেরকরতে পারে। এর পাশাপাশি, ইনসুলিননেওয়া শুরু করার প্রথম দু’সপ্তাহ আরও একটি নিয়ম পালন করতে হয়।রাত ২-৩টে নাগাদ ঘুম থেকে উঠে এক বার গ্লুকোমিটারে পরীক্ষা করতে হবে শর্করা। কারণসেই সময়ে এক বার রক্তে শর্করার মাত্রা নীচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। প্রথম দু’সপ্তাহপেরিয়ে গেলে রোজ সাত বার পরীক্ষা করানোর দরকার পড়ে না। কিন্তু সে ক্ষেত্রে অন্যভাবে পরীক্ষা করতে হবে। চিকিৎসকের কথায়, ‘‘এর পরের সাত দিনে অন্তত যেন প্রতিবারের রিডিং থাকেই। ধরা যাক, সোমবারঘুম থেকে উঠে, মঙ্গলবার জলখাবারেরআগে, বুধবারপ্রাতরাশের পরে, এই ভাবে পরীক্ষাকরাতেই হবে। তার বেশি বারও করা যেতে পারে। কিন্তু এক বার করতেই হবে। এই মনিটারিংদেখে চিকিৎসক বিচার করবেন পরবর্তী পদক্ষেপ।’’ ইনসুলিন নেওয়ার দরকার না পড়লেও যাঁদের রক্তে শর্করারমাত্রা খুব হেরফের করে, তাঁদেরও সারা দিন ধরেগ্লুকোজ় নজরে রাখা দরকার। কোন কোন ভুল করেনরোগীরা? ‘সেল্‌ফ মনিটরিং অফব্লাড গ্লুকোজ়’ বা এসএমবিজি-র উদ্দেশ্য না বুঝেঅনেক রোগী সকালে খালি পেটে এবং দুপুরে খাওয়ার আগে বা পরে, অথবা রাতে খাওয়ারআগে পরীক্ষা করেন। কিন্তু আসল উদ্দেশ্যই সফল হচ্ছে না। চিকিৎসক বলছেন, ‘‘সারা দিন ধরে গ্লুকোজ়নজরে রাখার জন্য ২৪ ঘণ্টার রিডিং প্রয়োজন। এমনিতেই ঘুমের কারণে সেটা ১৬-১৮ ঘণ্টারকাছাকাছি হয়। কিন্তু তার থেকেও কম করলে রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক মতো বোঝাইযাবে না।’’ এর পাশাপাশি চিকিৎসক জানাচ্ছেন, বার বার হাতের আঙুল ফুটিয়ে রক্ত বারকরতে হলে ব্যথা হতে পারে। তাই তাঁর পরামর্শ, আঙুলের ডগার মাঝখানে সূচ না ফুটিয়ে একটু পাশে ফোটালেকম যন্ত্রণা হবে। আর যদি ব্যথায় ভয় হয়, তা হলে আধুনিক সিজিএম যন্ত্র ব্যবহার করা যেতে পারে।যা বাহুতে প্যাচ হিসেবে আটকে দেওয়া হয়, আর রিডারে ঘণ্টায় ঘণ্টায় সুগারের মাত্রা দেখা যাবে।তবে ১৫ দিনের জন্য সেখানে প্রায় ৩০০০-৪০০০ টাকা খরচ হয়ে যেতে পারে।
72 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 1, 2026, 09:57 AM
ভারত সরকার মহাকাশ গবেষণা ও জ্যোতির্বিজ্ঞান উদ্যোগের জন্য তহবিল বরাদ্দ করেছে

ভারত সরকার মহাকাশ গবেষণা ও জ্যোতির্বিজ্ঞান উদ্যোগের জন্য তহবিল বরাদ্দ করেছে

মহাকাশ গবেষণা যে তাদের অন্যতম গুরুত্বের বিষয়, ২০২৫ সালেরবাজেট পেশের সময়েই বুঝিয়ে দিয়েছিল নরেন্দ্র মোদী সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষেরবাজেটেও সেই ধারা বজায় থাকল। দেশে চারটি টেলিস্কোপ এবং জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রস্থাপন এবং সংস্কারের কথা রবিবার বাজেট পেশের সময় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয়অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এ জন্য বরাদ্দ হয়েছে বাজেটে। মনে করা হচ্ছে, এর ফলেবিজ্ঞানীরা আরও ভাল ভাবে নজর রাখতে পারবেন সূর্য, নক্ষত্র, ছায়াপথ সর্বোপরিমহাকাশের উপরে। মহাকাশ গবেষণায় গোটা বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন এ দেশেরবিজ্ঞানীরা। রবিবার বাজেট পেশ করার সময়ে নির্মলা জানান, দেশে বিজ্ঞাননিয়ে গবেষণার পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিতে চায় মোদী সরকার। নতুন এই বিনিয়োগের ফলে এদেশের বিজ্ঞানীদের মহাকাশ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞান নিয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি করবে। এর ফলে তারাওমহাকাশ গবেষণার পথে এগোবে। সারা দুনিয়ায় জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে যে গবেষণা চলছে,তাতে ভারত উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারবে। বাজেটে যে চারটি টেলিস্কোপের কথা বলা হয়েছে, সেগুলি হল—ন্যাশনাল লার্জ সোলার টেলিস্কোপ (এনএলএসটি), ন্যাশনাল লার্জ অপটিক্যাল ইনফ্রারেডটেলিস্কোপ (এনএলওটি), হিমালয়ান চন্দ্র টেলিস্কোপ, কসমস ২ প্ল্যানেটোরিয়াম। ন্যাশনাল লার্জ সোলার টেলিস্কোপে আরও ভাল ভাবে ধরা দেবেসূর্য। বিজ্ঞানীরা তাতে চোখ দিয়ে দেখতে পাবেন সূর্যে কী চলছে, চৌম্বকক্ষেত্র,মহাকাশের আবহাওয়া। মহাকাশের আবহাওয়ার প্রভাব পড়ে কৃত্রিম উপগ্রহে। পৃথিবীতেযোগাযোগের মাধ্যমও প্রভাবিত হয়। সেই সংক্রান্ত সমস্যা এড়ানো যাবে, যদি তাইমহাকাশের আবহাওয়ায় ভাল ভাবে নজর রাখা যায়। সেই কাজটা করবে এনএলএসটি। ন্যাশনাল লার্জ অপটিক্যাল ইনফ্রারেড টেলিস্কোপ মহাকাশে খুবদূরের জিনিসে নজর রাখতে সাহায্য করবে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের। অন্য সৌরজগতের গ্রহ,ছায়াপথ, নীহারিকা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন তাঁরা। এর ফলে মহাজাগতিক বিষয়ে নতুন নতুনগবেষণা সম্ভব হবে। হিমালয়ান চন্দ্র টেলিস্কোপের আপগ্রেডেশন বা উন্নতিসাধন হবেবলে রবিবার জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। লাদাখে পৃথিবীর উচ্চতম মহাকাশপর্যবেক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। সেখানেই রয়েছে এই টেলিস্কোপ। এই যন্ত্রটির আপগ্রেডেশনহলে তা আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠবে। বিশেষ আবহাওয়াতেও তা পর্যবেক্ষণে সমর্থ হবে। কসমস ২ প্ল্যানেটোরিয়ামটি শিক্ষাকেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলতেচাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। মহাকাশ বিজ্ঞান এবং গবেষণাকে সাধারণ মানুষ, বিশেষতযুবসমাজের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে প্ল্যানেটোরিয়ামটি। তাদের আগ্রহ বাড়াবে।মনে করা হচ্ছে, বাজেটের এই বরাদ্দ আদতে দেশে বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণার পথ আরও খুলেদেবে। সাধারণ মানুষকে বিজ্ঞানের দিকে ঝুঁকতে সাহায্য করবে। ২০২৫ সালের বাজেটে মহাকাশ গবেষণার খাতে ১৩,৪১৬.২০ কোটি টাকাবরাদ্দ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ২০২৪ সালের বাজেটে সেই পরিমাণ ছিল ১৩০৪২.৭৫ কোটিটাকা। তার চেয়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছিল গত বছর অর্থাৎ ২০২৫সালের বাজেটে। তার মধ্যে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল বেসরকারি সংস্থারমহাকাশ গবেষণায় অংশগ্রহণের খাতে। এ বার মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পরিকাঠামোউন্নয়নে নজর দিল কেন্দ্র। যাতে আরও ভাল নজর রাখা যায় মহাকাশে, সেই মতো চালানো যাবেনতুন নতুন গবেষণা।
16 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 1, 2026, 01:53 AM
দ্য মর্নিং বার্ড অ্যান্ড টু সানসঃ এ রেয়ার সেলেস্টিয়াল ফেনোমেনন ব্যাখ্যা করা হয়েছে

দ্য মর্নিং বার্ড অ্যান্ড টু সানসঃ এ রেয়ার সেলেস্টিয়াল ফেনোমেনন ব্যাখ্যা করা হয়েছে

কাজী নজরুল ইসলামের কবিতায় ‘সকাল বেলার পাখি’ হতে চেয়েছিল শিশুটি। মায়ের ধমকে তা সম্ভব হয়নি। তাই সুয্যি মামার আগে ঘুম থেকে উঠে পড়াও যায়নি। কিন্তু ঘুম থেকে উঠে যদি দেখা যায়, একটা নয়, দু’-দুটো সূর্য জ্বলজ্বল করছে আকাশে? নিশ্চয়ই ভাবছ, ধুত! তা আবার হয় নাকি? আলবাত হয়। সম্প্রতি রাশিয়ায় একই সময় পাশাপাশি দু’টি সূর্য দেখা গিয়েছে। কীভাবে? এর নেপথ্যে রয়েছে এক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। তোমরা সকলেই জানো, সৌরমণ্ডলে মাত্র একটি নক্ষত্র রয়েছে। তার নাম সূর্য। সূর্যকে কেন্দ্র করেই পৃথিবীসহ সব গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু ও ধূমকেতু আবর্তিত হয়। কয়েকদিন আগে রাশিয়ার সাখালিন দ্বীপের বাসিন্দারা আকাশে দু’টি সূর্যের দেখা পেয়েছেন। এমন বিরল ও বিস্ময়কর মহাজাগতিক দৃশ্যে অবাক হয়ে যান তাঁরা। বিজ্ঞান বলে, এটি একটি বিরল প্রাকৃতিক বায়ুমণ্ডলীয় ঘটনা। আসল সূর্যের পাশে যে উজ্জ্বল আলো দেখা গিয়েছে সেটি দৃষ্টিভ্রম বা অপটিক্যাল ইলিউশন। এই অপটিক্যাল ইলিউশনের জন্যই মরুভূমিতে পথিক ভুল করে মনে করেন সামনে মরূদ্যান মানে জল আছে। মরুভূমিতে বালি খুব গরম হলেও উপরের বাতাস ঠান্ডা থাকে, অথচ নীচের দিকের বায়ু গরম হয়। তাপের ভিন্নতার কারণে আলো বেঁকে যায়। একে আলোর অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন বলে। তাই দূরের আকাশের আলো মাটিতে জলের মতো কাঁপে— এটা দেখেই পথিক মরূদ্যান বলে ভুল করেন। এমনই এক ইলিউশন বা ভ্রমের কারণে দু’টি সূর্যের দেখা মিলেছে। একে বলা হয় ‘সান ডগ’ বা প্যারহিলিয়ন। খুব ঠান্ডা জায়গায় আকাশে অনেক উঁচুতে পাতলা মেঘ থাকে। এগুলির ভিতরে থাকে বরফের অসংখ্য ছোটো ছোটো কণা। কণাগুলি ক্ষুদ্র হলেও তাদের আকৃতি ছয় কোনা আয়না বা প্রিজমের মতো। সূর্যের আলো এই বরফের কণার ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় সোজা পথে চলতে পারে না। বেঁকে যায়। ঘটে প্রতিসরণ। সেই প্রতিসারিত রশ্মি প্রতিফলিত হয় সাদা মেঘের মধ্যে। এর ফলে তৈরি হয় এক বা একাধিক নকল সূর্য। দেখা যায় উজ্জ্বল আলোর বলয়। সাধারণত ভীষণ ঠান্ডা এলাকায় সান ডগ তৈরি হয়। সেখানে বরফের কণা সহজেই তৈরি হয়। শীতকালের সকালে বা বিকেলের সময়, যখন সূর্য একটু নীচের দিকে থাকে, তখন সান ডগ দেখার সুযোগ বেশি হয়। অনেক সময় এই আলোগুলির মধ্যে হালকা লাল, হলুদ বা নীল রংও দেখা যায়। বরফের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় আলোর বিচ্ছুরণের জন্যই ঘটে এমন ঘটনা। ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা আকাশে যে রামধনু দেখ, তার নেপথ্যেও অনেকটা এধরনের বৈজ্ঞানিক ক্রিয়াই কাজ করে। সেখানে প্রিজমের কাজ করে বৃষ্টির ফোঁটা। রাশিয়ার সাখালিন দ্বীপে যখন সান ডগ দেখা গিয়েছে, তখন সেখানকার তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরে তা আরও কমে মাইনাস ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল। এমন শীতই সান ডগ তৈরির জন্য আদর্শ। তবে এমন দৃশ্যের নাম সান ডগ কেন? অনেক বছর আগে মানুষ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানত না। তাঁরা ভাবতেন, সূর্যের পাশে যে আলোক বলয় দেখা যাচ্ছে, সেগুলি সূর্যের সঙ্গে থাকা সঙ্গী বা কুকুর। এই ভাবনা থেকেই নাম হয় সান ডগ। বিজ্ঞান না থাকলেও মানুষ প্রকৃতির এই দৃশ্য দেখে কল্পনার গল্প বানিয়েছিলেন। সেই গল্পগুলি আজও লোকমুখে প্রচলিত। আরও একটি মজার প্রাকৃতিক ঘটনার কথা বলা যাক। সামনেই গ্রীষ্ম আসছে। নরওয়ের মতো দেশে এই সময় রাতেও সূর্য দেখা যায়। সেই জন্য নরওয়েকে বলা হয় নিশীথ সূর্যের দেশ। কেবল নরওয়ে নয়। সুইডেন, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও রাশিয়ার কিছু অংশেও এই ঘটনা দেখা যায়। অবাক হলে? নিশ্চয়ই ভাবছ কেন এমন হয়? এর নেপথ্যেও রয়েছে বিজ্ঞান। নরওয়ের উত্তরাংশ সুমেরু বৃত্ত বা আর্কটিক সার্কেলের মধ্যে অবস্থিত। সুমেরু বৃত্তের উত্তর দিকে অবস্থিত স্থানগুলিতে গ্রীষ্মকালে সূর্য পুরোপুরি অস্ত যায় না। বিশেষ করে মে মাসের শেষ থেকে জুলাই মাসের শেষ পর্যন্ত, ২৪ ঘণ্টা ধরে আকাশে সূর্যের দেখা মেলে। এসময়ে সূর্য দিগন্তের নীচে নামে না, তাই রাতও হয় না। কেন এমন হয়? আসলে পৃথিবী কক্ষতলের সঙ্গে সাড়ে ৬৬ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকা অবস্থায় নিজের অক্ষের চারপাশে পাক খেতে খেতে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এই হেলে থাকার কারণে গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে বেশি ঝুঁকে থাকে। ফলে সুমেরু বৃত্ত থেকে সুমেরু বিন্দু পর্যন্ত সূর্য সম্পূর্ণরূপে অস্ত যায় না। এর জন্যই দেখা মেলে নিশীথ সূর্যের। দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকালেও একই ঘটনা ঘটে।
33 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 29, 2026, 03:40 PM
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় হিমালয় অঞ্চলে ভারতীয় সৈন্যদের জন্য বহনযোগ্য বায়ো-সেন্সর তৈরি করেছে

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় হিমালয় অঞ্চলে ভারতীয় সৈন্যদের জন্য বহনযোগ্য বায়ো-সেন্সর তৈরি করেছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রা, অক্সিজেনের অভাব আর প্রতিকূল পরিবেশ— হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলে কর্তব্যরত ভারতীয় সেনাদের জন্য এবার এক রক্ষাকবচ তৈরি করল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিরান্ডা হাউস কলেজ। প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও-র (DRDO) সহযোগিতায় তৈরি এই পোর্টেবল সেন্সরটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘BioFET’। এটি মূলত একটি বায়োলজিক্যাল চিপ যা হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আগেই জওয়ানদের সতর্ক করে দিতে সক্ষম। কীভাবে কাজ করবে এই জাদুকরী চিপ?গবেষণার প্রধান অধ্যাপক মনিকা তোমার জানান, এই ডিভাইসটি রক্ত থেকে একই সঙ্গে তিনটি বায়োমোলিক্যুল শনাক্ত করতে পারে। যদি রক্তে এই মলিক্যুলগুলোর মাত্রা বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায়, তবে ডিভাইসটি দ্রুত সতর্কবার্তা দেবে।• পোর্টেবিলিটি: অনেকটা গ্লুকোমিটারের মতো দেখতে এই যন্ত্রটি সহজেই সঙ্গে রাখা যায়।• ফলাফল: কোনও বড় ল্যাবরেটরি ছাড়াই অন-দ্য-স্পট রক্ত পরীক্ষা করে জওয়ানের হৃদযন্ত্রের অবস্থা জানা সম্ভব। দুর্গম সীমান্তে কেন এটি জরুরি?হিমালয়ের মতো উচ্চতায় এবং প্রচণ্ড ঠান্ডায় জওয়ানদের রক্ত ঘন হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। ফলে রক্ত জমাট বেঁধে (Blood Clotting) হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। অধ্যাপক তোমারের কথায়, “আমাদের জওয়ানরা অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে কাজ করেন। এই সেন্সরটি রক্ত জমাট বাঁধার বিপজ্জনক স্তর শনাক্ত করতে পারে, যা সময়মতো চিকিৎসা শুরু করতে এবং জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে।” ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর পথে বড় পদক্ষেপপাঁচ বছরের নিরলস পরিশ্রমে তৈরি এই প্রোটোটাইপটি ইতিমধ্যেই ট্রায়ালের জন্য ডিআরডিও-র হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ায় বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং প্রতিরক্ষা খাতে বড় সাশ্রয় হবে। মিরান্ডা হাউসের একদল ছাত্র ও শিক্ষক মিলে তৈরি করা এই ডিভাইসটি সফলভাবে ট্রায়াল পার করলে এটি হতে চলেছে ভারতীয় সামরিক চিকিৎসার ইতিহাসে অন্যতম বড় গেম-চেঞ্জার।
72 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Jan 9, 2026, 03:58 PM
স্ক্রামজেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষায় সাউন্ডপ্রুফ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ডি. আর. ডি. ও-র নতুন মাইলফলক অর্জন

স্ক্রামজেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষায় সাউন্ডপ্রুফ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ডি. আর. ডি. ও-র নতুন মাইলফলক অর্জন

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:শব্দভেদী অস্ত্রের উন্নয়নে নয়া মাইলফলক ছুঁল ডিআরডিও। একটি দূরপাল্লার স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন সংক্রাম্ত দীর্ঘকালীন পরীক্ষায় সফল হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। শব্দভেদী ক্রুজ মিসাইলের জন্য যাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি বলে মনে করা হচ্ছে। হায়দরাবাদে ডিআরডিও-র একটি গুরুত্বপূর্ণ ল্যাবরেটরিতে ওই পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইঞ্জিনটি ১২ মিনিটেরও বেশি সময় টিকে ছিল বলে জানা গিয়েছে। এটা এক নতুন মাইলফলক বলেই মনে করা হচ্ছে।এর আগে গত বছরের ২৫ এপ্রিল স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন নিয়ে প্রথম পরীক্ষাটি করা হয়েছিল। এরপর এদিনের পরীক্ষার সাফল্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির দিকে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু ঠিক কী এই হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল? শব্দের গতির পাঁচগুণ বেশি গতিতে অর্থাৎ ৬ হাজার ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টারও বেশি গতিবেগে দীর্ঘ সময় ওড়ার ক্ষমতা রাখে এই ক্ষেপণাস্ত্র। অত্যাধুনিক স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের সাহায্যে দীর্ঘ সময় ধরে উড়ানের ক্ষেত্রে সাফল্য মিলবে বলেই এদিনের পরীক্ষায় সুস্পষ্ট ইঙ্গিত মিলল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এই সাফল্যে। তিনি জানিয়েছেন, এর ফলে ভারতের হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের ক্ষেত্রে এক মজবুত ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হল। তিনি এই মাইলফলক স্পর্শের জন্য ডিআরডিও-র বিজ্ঞানী থেকে শিল্প সহযোগীদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। প্রতিরক্ষা দপ্তরের সচিব ও ডিআরডিও-র চেয়ারম্যান সমীর ভি কামাতও অভিনন্দন জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট টিমকে। জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের ক্ষেত্রে এর ফলে উল্লেখযোগ্য এক মাইলফলক স্পর্শ করল দেশ। এই যুগান্তকারী সাফল্য ভারতকে অত্যাধুনিক মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একেবারে সামনের দিকে স্থাপন করল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্য দেশগুলি দূরপাল্লার নির্ভুল হাইপারসনিক অস্ত্র তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমেছে। সেই পরিস্থিতিতে ডিআরডিও-র এই সাফল্য সকলকে চমতে দিতে চলেছে তা বলাই যায়। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
93 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Jan 4, 2026, 04:13 PM
রেড লাইট থেরাপির শক্তি আনলক করুনঃ একটি অ-আক্রমণাত্মক অ্যান্টি-এজিং সমাধান

রেড লাইট থেরাপির শক্তি আনলক করুনঃ একটি অ-আক্রমণাত্মক অ্যান্টি-এজিং সমাধান

থমকে যাবে বয়সের কাঁটা। বাড়ার বদলে বরং কমবে ত্বকের বয়স। ভাবছেন এই অ্যান্টি এজিং ট্রিটমেন্ট করাতে কোনও ইনজেকশন নিতে হবে? বা সার্জারি করাতে হবে? একেবারেই নয়। বরং সাধারণ লাইট এনার্জি ট্রিটমেন্টেই হবে কামাল। কী সেটা? রেড লাইট ট্রিটমেন্ট বা থেরাপি। বর্তমানে এই রেড লাইট থেরাপি রীতিমত টেন্ডিং। বিভিন্ন খেলোয়াড় থেকে শুরু করে তারকা, এমনকী নাসাতেও এই ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। এই থেরাপিতে ত্বকের কোষ ২০০ শতাংশ পর্যন্ত সুপারচার্জ হতে পারে। কিন্তু কীভাবে কাজ করে, কীভাবেই বা হয়ে থাকে এই ট্রিটমেন্ট? সবটা জেনে নিন। ১৯৯০ এর দশকে এই রেড লাইট থেরাপি প্রথম পরীক্ষা করে দেখে নাসা। সেখানে ৬৬০ এবং ৮৫০ এনএম ওয়েভলেন্থের আলো ব্যবহার করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে কোষের পাওয়ারহাউজ অর্থাৎ মাইটোকোন্ড্রিয়াকে এনার্জি দেওয়া হয়। কোনও রকম অতি বেগুনি রশ্মি ব্যবহার করে হয় না। থাকে সামান্য তাপ এবং আলোর ব্যবস্থা যাতে বডি একদম ভিতর থেকে এনার্জি পেতে পারে। লাল আলো কোষের এনার্জিকে স্টিমুলেট করে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে এই থেরাপির মাধ্যমে মাইটোকোন্ড্রিয়াল আউটপুট ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এর কারণে দ্রুত ক্ষত সেরে যাওয়া, প্রদাহ কম হওয়া এবং অ্যান্টি এজিং এফেক্ট দেখা যাবে ত্বকে। কোলাজেন ৩১ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। বলিরেখা কমে। ত্বকের নমনীয়তা বাড়ে। সবটা মিলিয়ে ত্বকের বয়স বাড়ে না। বরং আপনার বায়োলজিক্যাল এজের তুলনায় অল্পবয়সী দেখায়। কেবল ত্বকের উপকার নয়, লাল আলোর এই থেরাপিতে উপকৃত হয় চুলও। চুলের ঘনত্ব বাড়ে। নতুন চুল গজায়। মাত্র ২৪ সপ্তাহে ৩৯ শতাংশ চুলের ঘনত্ব বাড়ে। ক্ষত, ফোলাভাব কমায় রেড লাইট থেরাপি। এবং তা দ্রুত গতিতে। আর্থরাইটিস বা গাঁটের ব্যথাও কমায় এই থেরাপি। প্রায় ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কমে যায় গাঁটের ব্যথা লাল আলোর থেরাপি করালে।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় এমনটাই দেখা গিয়েছে। মস্তিষ্কের কগনিটিভ ফাংশন বাড়ে। একই সঙ্গে ৫০ শতাংশ দ্রুতি গতিতে কোষ মেরামত করে এই রেড লাইট থেরাপি। গভীর ভাবে ঘুমাতে সাহায্য করে। মেলোটোনিন উৎপাদন বেশি করে। মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে রেড লাইট থেরাপি। পাশাপাশি উর্বরতা বাড়ায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে। যে কোনও আলো হলেই হবে না। ৬৬০ থেকে ৮৫০ এনএম ওয়েভলেন্থের আলো চাই। ফলাফল দেখার জন্য প্রতি সপ্তাহে ৩ থেকে ৫টি সেশন করা উচিত। সস্তার প্যানেলের আলো ব্যবহার না করাই ভাল, সেই আলোগুলো ত্বকের বেশি গভীরে প্রবেশ করতে পারে না। তাহলে কি এই রেড লাইট থেরাপির কোনও নেতিবাচক এফেক্ট নেই? গবেষণায় দেখা গিয়েছে সেটা সামান্যই। ঘন ঘন বা একদিনে একাধিক সেশন না করাই ভাল। গর্ভবতী থাকলে চিকিৎসকের থেকে পরামর্শ নিন যে এই ট্রিটমেন্ট করতে পারবেন কিনা। এফডিএ ক্লিয়ার্ড ডিভাইস ব্যবহার করবেন নিরাপত্তার জন্য।
97 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Dec 29, 2025, 03:53 PM
পিনাকা দূরপাল্লার গাইডেড রকেটের সফল পরীক্ষা করল ডি. আর. ডি. ও

পিনাকা দূরপাল্লার গাইডেড রকেটের সফল পরীক্ষা করল ডি. আর. ডি. ও

আজকাল ওয়েবডেস্ক:ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও ২৯ ডিসেম্বর সোমবার ওড়িশার চাঁদিপুরে অবস্থিত ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জে (ITR) পিনাকা লং রেঞ্জ গাইডেড রকেট (LRGR–120)-এর প্রথম পরীক্ষামূলক উড়ান সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এই পরীক্ষায় রকেটটির সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার পাল্লা যাচাই করা হয় এবং পরিকল্পনা সমস্ত উড়ানের সময় ইন-ফ্লাইট ম্যানুভার নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয়। লক্ষ্যবস্তুকে রকেটটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হানে বলে জানিয়েছে ডিআরডিও। পরীক্ষার সময় মোতায়েন করা সমস্ত রেঞ্জ ইন্সট্রুমেন্ট রকেটটির সম্পূর্ণ গতিপথ জুড়ে উড়ান সফলভাবে ট্র্যাক করে। এই লং রেঞ্জ গাইডেড রকেটটি আর্মামেন্ট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এস্টাব্লিশমেন্ট (ARDE)-এর নেতৃত্বে ডিজাইন করা হয়েছে। সহায়তা করেছে হাই এনার্জি ম্যাটেরিয়ালস রিসার্চ ল্যাবরেটরি (HEMRL), ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবরেটরি (DRDL) এবং রিসার্চ সেন্টার ইমারাত (RCI)। এই পরীক্ষামূলক উড়ান পরিচালনা ও সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিল ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (ITR) এবং প্রুফ অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল এস্টাব্লিশমেন্ট (P&EE)। পরীক্ষায় রকেটটি সেনাবাহিনীতে ব্যবহৃত (ইন-সার্ভিস) পিনাকা লঞ্চার থেকেই উৎক্ষেপণ করা হয়। এর মাধ্যমে একই লঞ্চার থেকে বিভিন্ন পাল্লার পিনাকা রকেট উৎক্ষেপণের সক্ষমতা সফলভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এই সাফল্যের জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ডিআরডিও-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “দীর্ঘ পাল্লার গাইডেড রকেটের সফল নকশা ও উন্নয়ন সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বহুগুণে বাড়াবে।” রাজনাথ এটিকে একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সচিব ও ডিআরডিও-র চেয়ারম্যান ড. সমীর ভি কামাত স্বয়ং এই উড়ান পরীক্ষা প্রত্যক্ষ করেন এবং নির্ধারিত লক্ষ্য সফলভাবে অর্জনের জন্য সংশ্লিষ্ট সমস্ত দলকে অভিনন্দন জানান। প্রসঙ্গত, সোমবারই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারতের তিন বাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডার ঢেলে সাজানোর জন্য ৭৯ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে।প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য আর্টিলারি রেজিমেন্টের জন্য লয়টার মিউনিশন সিস্টেম, লো লেভেল লাইট ওয়েট রাডার, পিনাকা মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেমের (এমআরএলএস) জন্য দূরপাল্লার গাইডেড রকেট গোলাবারুদ এবং ইন্টিগ্রেটেড ড্রোন ডিটেকশন অ্যান্ড ইন্টারডিকশন সিস্টেম মার্ক-২ সংগ্রহের জন্য প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
55 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Dec 18, 2025, 03:18 PM
বিজ্ঞানীরা বিশ্বের সবচেয়ে ছোট বৈপ্লবিক ক্ষমতা সম্পন্ন রোবট উন্মোচন করেছেন

বিজ্ঞানীরা বিশ্বের সবচেয়ে ছোট বৈপ্লবিক ক্ষমতা সম্পন্ন রোবট উন্মোচন করেছেন

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:খালি চোখে তাকে দেখতে রীতিমতো কসরত করতে হয়। দৈর্ঘ্যে মোটামুটি ০.০৫ মিলিমিটার ও প্রস্থে ০.২ থেকে ০.৩ মিলিমিটার। অর্থাৎ একটা বালির দানার থেকেও ছোট। বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রোবট কিন্তু সাঁতারে ওস্তাদ। সে ভাবতে পারে। অনুভবও করে। সত্যিই এক বিস্ময় খুদে এই যন্ত্রমানব। পেনসিলভ্যানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও মিচিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা সৃষ্টি করেছে এই অনন্য রোবটকে। ছোট্ট এই যন্ত্রটি ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের সহায়তায় তৈরি। একেকটি কোষের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব এই রোবটটির মাধ্যমে। ফলে চিকিৎসাক্ষেত্রে অগ্রগতি ঘটাতে পারে এই অসামান্য আবিষ্কার। এমনটাই মনে করছে বিজ্ঞানী মহল। পাশাপাশি ক্ষুদ্রাকৃতির যন্ত্র তৈরিতে সাহায্য করে উৎপাদন শিল্পেও সহায়তা করতে পারবে এটি। অন্যতম গবেষক মার্ক মিসকিন বলছেন, ”আমরা তৈরি করেছি এমন স্বয়ংক্রিয় রোবট, যা সাধারণ রোবটের ১০ হাজার ভাগের একভাগ। প্রোগ্রাম করা রোবটের এক নতুন মাত্রা ধার্য করা যাবে এর মাধ্যমে।” বলাই বাহুল্য এই রোবটগুলি একসঙ্গে মিলে কাজ করবে। এরা জটিল বিন্যাসে চলাচল করতে পারে। এবং এমনকী মাছের ঝাঁকের মতো সমন্বিত ভঙ্গিতে দলবদ্ধ ভাবেও চলতে পারে। আর যেহেতু তাদের চালন ব্যবস্থায় কোনো চলমান অংশ নেই, তাই রোবটগুলি অত্যন্ত টেকসইও। মাইক্রোপাইপেটের সাহায্যে এদের সহজেই স্থানান্তরিত করা যায় এবং দিব্যি মাসব্যাপী সাঁতার কাটতে সক্ষম এই খুদে রোবটেরা। যত সময় গিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অবিশ্বাস্য উন্নতির ফলে যন্ত্রের আকার ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হয়েছে। কয়েক মিলিমিটারের কম্পিউটারও তৈরি হয়ে গিয়েছে। এবার এল এক কণা রোবট। কল্পবিজ্ঞানকেও হার মানাবে এই নয়া আবিষ্কার। রোবটগুলি আলোকরশ্মির স্পন্দন দ্বারা চালিত হয়। প্রতিটি রোবটেরই স্বতন্ত্র প্রোগ্রামিং রয়েছে। ফলে রোবটদের দল সম্মিলিত কাজের বিভিন্ন অংশ আলাদাভাবে সম্পন্ন করতে পারবে। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
21 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Dec 11, 2025, 02:59 PM
দোমজুর পুলিশ স্টেশনের মতিঝিলের ওএনজিসি রোডে এনএস ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকল্পের কাছে আগুন লেগেছে।

দোমজুর পুলিশ স্টেশনের মতিঝিলের ওএনজিসি রোডে এনএস ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকল্পের কাছে আগুন লেগেছে।

হাওড়ার ডোমজুড়ে অগ্নিকাণ্ড। ডোমজুড় থানার মতিঝিল এলাকার ওএনজিসি রোডের এনএস ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্টের কাছে অগ্নিকাণ্ড। আজ, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা নাগাদ আগুন লাগে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে গোটা এলাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। আগুন নেভানোর কাজ করছেন দমকলের কর্মীরা।
89 shares
😢
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Dec 2, 2025, 02:40 PM
বাংলার 16 জন ভোটারের এস. আই. আর গণনা ফর্ম বিলম্বিত হয়েছেঃ একটি রহস্যময় ঘটনা

বাংলার 16 জন ভোটারের এস. আই. আর গণনা ফর্ম বিলম্বিত হয়েছেঃ একটি রহস্যময় ঘটনা

নিজস্ব সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া:এনুমারেশন ফর্ম দেওয়ার কাজ বাংলায় প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এসআইআর সংক্রান্ত ফর্ম হাতেই পেলেন না শ্যামপুর বিধানসভার ১৯০ অংশের ১৬ জন ভোটার। তাঁদের মধ্যে কারোর নাম রয়েছে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় আবার কেউ ২০১৯ সাল থেকে ভোট দিয়ে আসছেন। তাহলে কেন ফর্ম এখনও মিলল না তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিএলওকে এই বিষয়ে জানানো হলেও কোনও সুরাহা পাওয়া যায়নি বলেই অভিযোগ ভোটারদের। স্বাভাবিকভাবে দুশ্চিন্তায় তাঁরা। কোনওভাবে নাম বাদ পড়বে না তো? ফর্ম যারা পাননি, তাঁদের মধ্যে অন্যতম সৌভিক পাখিরা। শ্যামপুর বিধানসভার ১৯০ অংশের ভোটার। বছর ৩৫ এর সৌভিকের অভিযোগ, ”২০১৯ সাল থেকে ভোট দিয়ে আসছি। এমনকি ২০২৫ এর ভোটার তালিকাতেও নাম রয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এসআইআরের প্রেক্ষিতে এনুমারেশন ফর্ম পায়নি।” শুধু তিনিই নন, শান্তনু প্রামানিক নামে আরও এক ব্যক্তি জানান, তাঁর বৌদির নামেও এনুমারেশন ফর্ম আসেনি। তিনি বলেন। ”বিষয়টি নিয়ে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।” তাঁর কথায়, ” এক্ষেত্রে শীর্ষ আধিকারিকদের যুক্তি এরা প্রত্যেকেই প্রকৃত ভোটার। তাই ১৬ ডিসেম্বরের পর আবেদন করলে ওই ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় উঠে যাবে।” আর এখানেই এনুমারেশন ফর্ম না পাওয়া ভোটারদের প্রশ্ন, যে নাম উঠবে সেটা তো নতুন ভোটার হিসেবে! তাহলে এতদিন ভোট দিয়েও কেন ফর্ম পাওয়া গেল না সেই উত্তর অজানা সবার কাছেই, দাবি সংশ্লিষ্ট ভোটারদের। অন্যদিকে ঘটনার খোঁজ পেয়েই বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন অ্যাসিটেন্ট রির্টানিং অফিসার প্রণব কুমার মণ্ডল। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
83 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Nov 27, 2025, 03:21 PM
বাঁকুড়া বন বিভাগ আধুনিক শান্তির বন্দুকগুলিতে উন্নীত করেছে

বাঁকুড়া বন বিভাগ আধুনিক শান্তির বন্দুকগুলিতে উন্নীত করেছে

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া:জঙ্গলের পথে বুনো হাতি সামলানো হোক, কিংবা আহত চিতাকে উদ্ধার করা, বাঁকুড়া বনদপ্তরের ভরসা ছিল দু’টি পুরনো ট্রাঙ্কুলাইজিং বন্দুক। এমনকী বাঁকুড়ার মতো জায়গায় হঠাৎ দেখা দেওয়া বাঘকে নিয়ন্ত্রণে আনতেই বন কর্মীদের ভরসা ছিল এই বন্দুকই। যা নিয়ে বনকর্মীদের রীতিমত সমস্যার মধ্যে পড়তে হতো। যা নিয়ে যথেষ্টে উদ্বেগে ছিলেন বনকর্মীরা। এবার তা কাটতে চলেছে। বনকর্মীদের হাতে উঠতে চলেছে ডেনমার্কের তৈরি আধুনিক কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস-চালিত ড্যানিজেক্ট বন্দুক। আজ, বৃহস্পতিবার বেলিয়াতোড় রেঞ্জ অফিসে হয়ে গেল সেই বন্দুকেরই প্রশিক্ষণ! বন আধিকারিকদের কথায়, নতুন প্রযুক্তি তৈরি এই বন্দুক বদলে দেবে বাঁকুড়ার রেসকিউ-অপারেশন। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গের বনকর্মীরা নতুন প্রযুক্তির এই বন্দুক হাতে পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গের বনকর্মীরা এখনও হাতে পাননি। তবে বনদপ্তর সূত্রে খবর, শীঘ্রই দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া জেলা নতুন প্রযুক্তির এই বন্দুক পেয়ে যাবে। বনাঞ্চল ছেড়ে কখনও হাতি, আবার কখন বাঘকেও দেখা গিয়েছে! তা সামলাতে দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক অস্ত্রের দাবি জানিয়ে আসছিলেন বনকর্মীরা। এদিন প্রশিক্ষণের ফাঁকেই বাঁকুড়া উত্তর বিভাগের ডিএফও শেখ ফরিদ বলেন, “আমাদের দু’টোই মান্ধাতা আমলের বন্দুক আছে। চাপ ঠিক না থাকলে শট যেতই না।” তাঁর কথায়, ”বড়জোড়ায় ৭০ টি বুনো হাতি রয়েছে। মাঝে মধ্যেই শহর লাগোয়া বড়জোড়ায় হাতিগুলি বেরিয়ে পড়ে। তা সামলাতে গেলে পুরনো বন্দুক একেবারেই ভরসা দিত না।” আধুনিক এই বন্দুক হাতে আসলে দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলেই আশা ডিএফও শেখ ফরিদের। কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস-চালিত ড্যানিজেক্ট বন্দুক বৈশিষ্ট্য কী? বনদফতর জানাচ্ছে, উচ্চচাপ নিউম্যাটিক সিস্টেমে তৈরি এই বন্দুক নির্দিষ্ট দূরত্ব, প্রাণীর ওজন এবং শরীরের পুরুত্ব অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত প্রেশারে ডার্ট ছুড়তে পারে। ফলে ডার্টের বিচ্যুতি কমে, শট হয় আরও স্থির। আঘাতও কম লাগে। ডার্ট ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে স্প্রিং-অ্যাক্টিভেটেড সিস্টেমে ওষুধ শরীরে ছড়িয়ে পড়ে বলে দাবি বনকর্মীদের। শুধু তাই নয়, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকে দ্রুত কার্যকর করতেও সাহায্য করে। বেলিয়াতোড়ের বনকর্মীরা জানাচ্ছেন, ”পুরনো বন্দুক দিয়ে বড় আকারের প্রাণীকে লক্ষ্য করে শট নেওয়া রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ক্ষেত্রবিশেষে দু’বার, তিনবার শট নিতে হত। ততক্ষণে পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকত।” নতুন বন্দুকের প্রায় নিখুঁত নিশানা সেই সমস্যাই মিটিয়ে দেবে বলে আশা তাঁদের। জানা গিয়েছে, ড্যান ইনজেক্ট পাওয়ার পর বনদপ্তর রেঞ্জভিত্তিক একটি র‍্যাপিড রেসপন্স ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে চায়। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
21 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Nov 18, 2025, 03:13 PM
মালদার কৃষক মনোতোষ রাজবংশী এআরসি প্রযুক্তির সাহায্যে আলু চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন

মালদার কৃষক মনোতোষ রাজবংশী এআরসি প্রযুক্তির সাহায্যে আলু চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন

সিদ্ধার্থশংকর সরকার, পুরাতন মালদা:উন্নতমানের আলুর বীজ উৎপাদনে সফল হয়েছেন মহিষবাথানির বাসিন্দা মনোতোষ রাজবংশী। এবার থেকে আলু চাষের জন্য মালদার (Malda) কৃষকদের আর পঞ্জাবের ওপর নির্ভর করতে হবে না। মনোতোষ নিজেও একজন কৃষক। তাঁর কঠোর পরিশ্রম আলু চাষের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। তাঁর তৈরি এই আলুর বীজে একদিকে যেমন ভালো ফলন হবে, তেমনি অন্যদিকে আলু উত্পাদনের খরচ বহুলাংশে কমিয়ে দেবে। তবে এই সাফাল্য একদিনে আসেনি, এর জন্য প্রায় তিন বছর সময় লেগেছে। মনোতোষ যে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে এই কাজটি করেছেন তাকে এপিকাল রুটেড কাটিং (এআরসি) বলে। তিনি জানান, ২০২২ সাল থেকে এই অত্যাধুনিক এআরসি প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। তিনি নিজের ফার্মে জ্যোতি, হিমালিনী সহ প্রায় ২৬ প্রকার আলুর বীজ উৎপাদন করেছেন। প্রত্যেকটি বীজ বেশ উন্নতমানের এবং রোগমুক্ত। অত্যন্ত আধুনিক এই পদ্ধতির মাধ্যমে তিনি ইতিমধ্যে প্রায় ৫০০ প্যাকেট আলুর বীজ তৈরি করে ফেলেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩০০ প্যাকেট বীজ কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হয়ে গিয়েছে। মনোতোষ বলেন, ‘আমি বাইরে এই রুটেড কাটিং নিয়ে অনেক কাজ হতে দেখেছি। সেখানে দেখে উদ্যোগ নিয়েছিলাম। অবশেষে প্রায় তিন বছর পর সফলতা পেয়েছি। কঠোর পরিশ্রম ও পর্যবেক্ষণের পর এই বীজ তৈরি করতে পেরেছি। আশা করছি, এই বীজ রোপণ করলে কৃষকরা বাজারে প্রচলিত বীজের তুলনায় ভালো ফলন পাবেন।’ কীভাবে এই বিশেষ প্রকৃতির বীজ তৈরি হয় সেই প্রশ্নে তিনি জানান, এই এআরসি পদ্ধতি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। প্রথমে ল্যাবরেটরি থেকে অত্যন্ত যত্নসহকারে মাল্টি কাটিং করে রোগমুক্ত আলুর চারা তৈরি করা হয়। এরপর সেই চারাগুলিকে ভাইরাসমুক্ত পরিবেশে তৈরি নেট হাউসে রাখা হয়। এরপর আলুর বীজ তৈরি করা হয়। এই পর্যায়ক্রমিক প্রক্রিয়ায় বীজের গুণগত মান আরও ভালো হয়। মনোতোষের এই উদ্যোগকে জেলা কৃষি দপ্তর স্বাগত জানিয়েছে। মালদার কৃষি দপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর বিদ্যুৎকুমার বর্মন বলেন, ‘এপিকাল রুটেড কাটিং পদ্ধতিতে যে বীজ তৈরি হচ্ছে, সেই বীজে কৃষকদের অনেক উপকার হবে। কৃষকরা কম দামে স্থানীয় বাজারে ভালো বীজ পাবেন।’
25 shares
😊
AajKaal News logo
AajKaal News
Oct 29, 2025, 02:33 PM
43 বছর বয়সের পরে শুক্রাণুর গুণমান দ্রুত হ্রাস পায়, উর্বরতা এবং জেনেটিক ঝুঁকি বৃদ্ধি করে

43 বছর বয়সের পরে শুক্রাণুর গুণমান দ্রুত হ্রাস পায়, উর্বরতা এবং জেনেটিক ঝুঁকি বৃদ্ধি করে

প্রজনন শুধু মহিলাদের উপর নির্ভর করে না, পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা ও মানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, ৪৩ বছর বয়সের পর থেকেই শুক্রাণুর গুণগত মান দ্রুত কমতে শুরু করে। ফলে তারপর শুধু সন্তানধারণের ক্ষমতা নয়, ভবিষ্যৎ সন্তানের জিনগত ঝুঁকিও বেড়ে যায়। ব্রিটেনের বিখ্যাত ওয়েলকাম স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউট–এর গবেষকরা সম্প্রতি ২৪ থেকে ৭৫ বছর বয়সি ৮১ জন সুস্থ পুরুষের শুক্রাণু বিশ্লেষণ করেন। এই গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুক্রাণুর জিনে কী ধরনের পরিবর্তন বা 'মিউটেশন' ঘটে তা খুঁজে বার করা। যেখানে দেখা যায়, প্রতি বছর শুক্রাণুতে গড়ে ১.৬৭টি নতুন জিনগত মিউটেশন যোগ হচ্ছে। অর্থাৎ যত বয়স বাড়ছে, শুক্রাণুর ডিএনএ ততটাই পরিবর্তিত হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বলেন, প্রায় ৪৩ বছর বয়সে এই পরিবর্তনের হার আচমকা বেড়ে যায়। একেই তাঁরা বলছেন শুক্রাণুর 'টার্নিং পয়েন্ট'। আরও পড়ুনঃশরীরের এই ৫ জায়গার ব্যথায় লুকিয়ে ক্যানসারের বিপদ! উপেক্ষা করলেই বাড়বে মারণ রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি এই পরিবর্তনের ফলে কিছু শুক্রাণুতে এমন মিউটেশন দেখা যায়, যা ভবিষ্যৎ সন্তানের মধ্যে বিরল জিনগত রোগ বা বিকাশজনিত সমস্যার কারণ হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে গবেষকরা উল্লেখ করেছেন নুনান সিনড্রোম, অ্যাপার্ট সিনড্রোম ও কস্টেলো সিনড্রোম–এর মতো রোগ, যেগুলো শিশুর হৃদযন্ত্র, হাড়ের গঠন এবং স্নায়ু বিকাশে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। গবেষক দলের প্রধান ড. মাইকেল ও'ডোনোভানের কথায়, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে ভেবেছি কেবল মহিলাদের প্রজনন বয়সের সীমা রয়েছে, কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে পুরুষদেরও একটি জৈবিক ঘড়ি আছে। বয়স বাড়লে শুক্রাণুর মান এবং জিনের স্থিতিশীলতা-দুটোই কমে যায়।” বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, এসব পরিবর্তিত শুক্রাণু অনেক ‘স্বার্থপর শুক্রাণু’-র মতো আচরণ করে অর্থাৎ, তারা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং স্বাভাবিক শুক্রাণুকে প্রতিযোগিতায় হারিয়ে দেয়। ফলে ক্ষতিকর মিউটেশনগুলির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। যদিও গবেষণাটি ছোট পরিসরে হয়েছে। তবুও এটি প্রথমবারের মতো স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে, পুরুষদের বয়স বাড়লে জিনগত ঝুঁকি কতটা বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, যারা ভবিষ্যতে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের উচিত সুস্থ জীবনযাপন বজায় রাখা, ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনে আগেভাগেই শুক্রাণু সংরক্ষণ করে রাখা। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ পুরুষের প্রতি মিলিলিটারে ১৫ মিলিয়নের বেশি এবং মোট ৩৯ মিলিয়নের কম শুক্রাণু থাকা উচিত নয়। যদি সংখ্যাটি এর চেয়ে কম হয়, তাহলে সন্তানধারণে সমস্যা হতে পারে। তবে কেবল সংখ্যাই নয়, শুক্রাণুর গতি, আকার এবং গুণমানও গর্ভধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
7 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Oct 27, 2025, 02:55 PM
অ্যান্টার্কটিকার বরফ-মুক্ত অতীত প্রাচীন উদ্ভিদ জীবাশ্মের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে

অ্যান্টার্কটিকার বরফ-মুক্ত অতীত প্রাচীন উদ্ভিদ জীবাশ্মের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে

কৌশিক ঘোষ, কলকাতা:আন্টার্কটিকা। এই নাম শুনলেই বরফঢাকা এক মহাদেশের কথা ভেসে ওঠে আমাদের মনে। কিন্তু একসময় সেখানে বরফের লেশমাত্র ছিল না। সেটা সাড়ে ৩ কোটি বছর আগের কথা। ধীরে ধীরে সেখানে বরফ জমতে শুরু করে, হিমবাহ তৈরি হয়। আর তার হাত ধরেই বর্ষার মরশুমের সূচনা হয় ভারতে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের অধীনস্থ লখনউয়ের বীরবল সাহানি ইনস্টিটিউট অব প্যালিওসায়েন্স এবং দেরাদুনের ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অব হিমালয়ান জিওলজির সাম্প্রতিক এক গবেষণা রিপোর্টে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। নেপথ্যে কিছু গাছের পাতার ফসিল। ৩ কোটি ৪০ লক্ষ বছর পুরোনো।লাইসং ফর্মেশনে অতি যত্নে সংরক্ষিত ওই ফসিল উদ্ধার হয়েছিল নাগাল্যান্ডের এক প্রত্যন্ত পাহাড়ে। গবেষণা বলছে, আন্টার্কটিকায় যখন বরফের চাদর জমতে শুরু করেছে, সেই সময়ের পাতা এটি। তখন নাগাল্যান্ডের আবহাওয়া উষ্ণ এবং আর্দ্র। ধীরে ধীরে ভারতের উত্তর-পূর্বের এই অংশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এই ধরনের ক্রান্তীয় পরিবেশের কারণ কী ছিল, তা অনুসন্ধান করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, ওই সময় আন্টার্কটিকায় বরফের চাঁই বা স্তূপ তৈরি হতে শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, আন্টার্কটিকায় বরফ জমতে শুরু করার পর বিশ্বব্যাপী বায়ু প্রবাহ ও বৃষ্টিপাতের চরিত্রগত পরিবর্তন হয়। বদলে যায় জলবায়ুর ধারা। কারণ, বড় ধরনের বৃষ্টি বলয় ‘ইন্টারট্রপিক্যাল কনভারজেন্স জোন’ (আইটিসিজেড) দক্ষিণ মেরুর দিক থেকে ট্রপিক্যাল এলাকার দিকে সরে আসে। এর জন্য ভারতে বেশি মাত্রায় বৃষ্টি ও তাপমাত্রার পরিবেশ তৈরি হয়। এই থেকেই দেশে বর্ষার মরশুমের সূচনা হয়।বিষয়টি প্রমাণ করতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে ফসিলটি (পাতার আকার, গঠন) বিশ্লেষণ করেন বিজ্ঞানীরা। নাম ক্লাইমেট লিফ অ্যানালিসিস মাল্টিভ্যারিয়েট প্রোগাম বা ক্ল্যাম্প। তাতে দেখা যায়, বর্তমানের তুলনায় সেসময় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও তাপমাত্রা বেশি ছিল নাগাল্যান্ডে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তা ক্রমে নিম্নমুখী। কারণ, আন্টার্কটিকার হিমবাহগুলি গলতে শুরু করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস বলেন, ‘দেশে বর্ষা আসার বিষয়টি বিভিন্ন বিষয়কে প্রভাবিত করে। বর্ষার উপর নানা গবেষণা চলছে। তার থেকে নতুন তথ্য আসছে।’কিন্তু গবেষণার এই ফলাফলে নয়া তথ্যের পাশাপাশি উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। আন্টার্কটিকার বরফ দ্রুত গলতে শুরু করায় ‘আইটিসিজেড’ ফের তার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে, এমন আশঙ্কা উঁকি দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে ভারতে বর্ষার সময় ও চরিত্রগত পরিবর্তন হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে গবেষকদের মধ্যে। ভারতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে যে বর্ষার আগমন হয়, তার কোনও পরিবর্তন হলে শুধু পরিবেশ নয়, অর্থনীতির উপরও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা। তাই বিজ্ঞানীদের আর্জি, নিজেদের স্বার্থেই পরিবেশ রক্ষা করুক মানবজাতি।
19 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Oct 24, 2025, 02:30 PM
বায়ু দূষণ মোকাবিলায় দিল্লিতে প্রথমবার কৃত্রিম বৃষ্টি হতে চলেছে

বায়ু দূষণ মোকাবিলায় দিল্লিতে প্রথমবার কৃত্রিম বৃষ্টি হতে চলেছে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:বাজির দৌরাত্ম্যে দীপাবলির পর ফের লাগামছাড়া হয়েছে দিল্লির দূষণ। গত কয়েকদিনে ৪৫০ পেরিয়ে গিয়েছে দূষণের মাত্রা। যা অত্যন্ত ভয়াবহ। গুরুতর এই পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রথমবার দিল্লিতে কৃত্রিম বৃষ্টি নামানোর সিদ্ধান্ত নিল দিল্লির বিজেপি সরকার। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা ঘোষণা করেছেন কৃত্রিমভাবে ‘ক্লাউড সিডিং’ বা মেঘ জমিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর দিল্লিতে বৃষ্টি নামানো হবে। সম্প্রতি এক্স হ্যান্ডেলে এই তথ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘দিল্লির বুরারি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রকল্প চালানো হয়। যা সফল হয়েছে। প্রথমবার দিল্লিতে কৃত্রিমভাবে মেঘ সঞ্চার করে বৃষ্টিপাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যা রাজধানীর বায়ু দূষণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠবে। এই উদ্যোগ শুধু প্রযুক্তিক্ষেত্রে ঐতিহাসিক নয়, বরং দিল্লির দূষণ মোকাবিলায় পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এক বিরাট অগ্রগতি।’ পাশাপাশি তিনি আরও লেখেন, ‘আবহাওয়া বিভাগের মতে ২৮, ২৯ ও ৩০ অক্টোবর দিল্লিতে মেঘলা আকাশের আশা করা হচ্ছে। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তবে ২৯ অক্টোবর প্রথমবার কৃত্রিম বৃষ্টির সাক্ষী হতে চলেছে দিল্লি।’ অভিনব এই উদ্যোগে দিল্লি সরকারকে সাহায্য করছে কানপুর আইআইটি। এই উদ্যোগের জন্য সরকারের খরচ পড়ছে ৩.২১ কোটি টাকা। কিন্তু কীভাবে করা হবে এই কৃত্রিম বৃষ্টি? জানা যাচ্ছে, বৃষ্টি নামানোর জন্য উত্তর-পশ্চিম ও দিল্লির পার্শ্ববর্তী এলাকার উপর দিয়ে বিমান ওড়ানো হবে। সেখানে জলিয় বাষ্পপূর্ণ মেঘের উপর সিলভার আয়োডিনের ন্যানোপার্টিকেল, আয়োডাইজড নুন ও রকসল্টের মিশ্রন ছড়ানো হবে। যা মেঘের জলীয় বাষ্পকে সম্পৃক্ত করবে এবং বৃষ্টি নামাবে। উল্লেখ্য, গত মাসেই দিল্লির সরকার আইআইটি কানপুরের সঙ্গে ক্লাউড সিডিং-এর একটি চুক্তি করে। তার ভিত্তিতেই ২৯ নভেম্বর দিল্লিতে প্রথমবার নামতে চলেছে বৃষ্টি। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
6 shares
😊
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Oct 23, 2025, 03:45 PM
জগদ্ধাত্রী পূজা উদযাপনের জন্য চন্দননগর মহাকাশ থিম আলোকিত করেছে

জগদ্ধাত্রী পূজা উদযাপনের জন্য চন্দননগর মহাকাশ থিম আলোকিত করেছে

সুমন করাতি, হুগলি:আলোর শহর চন্দননগরের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। জগদ্ধাত্রী পুজোয় চন্দননগরের অনন্য আলোকসজ্জা দেখতে আসেন বিভিন্ন এলাকার মানুষ। আলোর শহরে এবার মহাকাশ ভাবনা। চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পূজায় এবার আলোর সাজে দেখা যাবে ভারতের গর্ব। প্রতি বছর জগদ্ধাত্রী পুজো ঘিরে আলোর মায়াজালে মোড়া এই শহর এবারে এক বিশেষ ভাবনাকে আলোকিত করতে চলেছে। এবারের থিম মহাকাশ, মহাকাশচারী এবং ভারতীয় বৈজ্ঞানিকদের মহাকাশ অভিযান। চন্দননগরের বিখ্যাত আলোকশিল্পী অসীম দে জানান, “আমরা এবারে আলোকসজ্জার মাধ্যমে দেখাতে চলেছি মহাকাশচারীদের জীবনযাত্রা, তাদের গবেষণা ও মহাকাশে কাজ করার অভিজ্ঞতা। একই সঙ্গে আলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হবে কিভাবে ভারতের মাটি থেকে এক মহাকাশযান যাত্রা শুরু করে অসীম মহাশূন্যের উদ্দেশ্যে।” তিনি আরও বলেন, “আজ ভারত বৈজ্ঞানিক ও সামরিক ক্ষেত্রে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতীয় বিজ্ঞানীরা দেশকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিচ্ছেন। মহাকাশ গবেষণায় ভারতের সাফল্য এখন বিশ্বের গর্বের বিষয় হয়ে উঠছে। আমাদের আলোকসজ্জা সেই গর্বের প্রতিফলন।” চন্দননগরের এবারের আলোকসজ্জা তাই শুধু শোভা নয়। পুজোর সাজের পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও দেশের গর্বের প্রতীক হয়ে উঠতে চলেছে এই আলকসজ্জা। চন্দননগর দেখতে চলেছে আলোর ভাষায় বলা এক মহাকাশ কাব্য। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
49 shares
😊
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 22, 2025, 03:00 PM
নেদারল্যান্ডসের বিজ্ঞানীরা মানুষের গলায় নতুন লালা গ্রন্থি আবিষ্কার করেছেন

নেদারল্যান্ডসের বিজ্ঞানীরা মানুষের গলায় নতুন লালা গ্রন্থি আবিষ্কার করেছেন

মানব শরীরে এক নতুন অঙ্গের হদিশ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। প্রস্টেট ক্যানসারের বিষয়ে গবেষণা করার সময়ে আচমকাই ওই অঙ্গ খুঁজে পান নেদারল্যান্সের বিজ্ঞানীদের দল। নেদারল্যান্ডের ক্যানসার ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা মানুষের গলায় লুকিয়ে থাকা একটি লালা গ্রন্থি আবিষ্কার করেছেন। এই নতুন গ্রন্থিগুলোকে টিউবারিয়াল স্যালিভারি গ্রন্থি বলা হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এই গ্রন্থিগুলো নাসোফ্যারিঞ্জে অবস্থিত, যা নাকের পেছনের অংশ এবং গলার উপরের অংশকে ঘিরে থাকে। এই স্থানটি মানুষের শরীরে দীর্ঘদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করা হলেও, এই লালা গ্রন্থিগুলো আগে কখনও শনাক্ত করা যায়নি। অন্তত একশো জন রোগীর শরীরে পরীক্ষা চালিয়ে ওই লালা গ্রন্থির উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার ক্যানসারের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, কেবল শারীরবৃত্তীয় জ্ঞানের জন্য নয়, বরং চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে এই আবিষ্কার। বিশেষ করে ক্যানসারের রেডিয়েশন থেরাপির সময় এই গ্রন্থিগুলো সুরক্ষিত রাখা গেলে রোগীর মুখ, গলার শুষ্কতা ও অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমানো সম্ভব হতে পারে। আরও পড়ুনঃপুজোর আগে ঝামেলা ছাড়াই ঝকঝকে রান্নাঘর! সহজ কটি ট্রিকসের জাদুতে হেঁশেলে চট করে জমবে না ধুলোময়লা গবেষণার প্রধান বিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতে এই আবিষ্কার মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারের চিকিৎসা পরিকল্পনায় নতুন দিক খুলে দিতে পারে এবং রোগীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সহায়ক হবে। আসলে ক্যানসারের চিকিৎসা করার সময় রেডিওথেরাপি ব্যবহার করা হয়। সেসময়ে রোগীদের যাতে কথা বলতে কিংবা খাবার চিবোতে সমস্যা না হয় তার জন্য প্রধান লালাগ্রন্থিগুলিকে বাঁচিয়ে তা প্রয়োগ হয়। কিন্তু এতদিন হাজার হাজার ‌আণুবীক্ষণিক লালা গ্রন্থিগুলির সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা অবহিত ছিলেন না বলে সেগুলো রেডিয়েশনের কবল থেকে বাঁচত না। ফলে রোগীর শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেত। আগামী দিনে এই লালা গ্রন্থিগুলির সম্পর্কে সচেতন থাকলে রেডিয়েশনের সময় রোগীদের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম দেখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই আবিষ্কার মানবদেহের গঠন ও কার্যকারিতার বোঝাপড়াকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। বিজ্ঞানীরা আরও বিস্তারিতভাবে এই গ্রন্থিগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন।
33 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 21, 2025, 03:00 PM
স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করাঃ এআই প্রযুক্তি মৃত প্রিয়জনের কণ্ঠস্বর ফিরিয়ে এনেছে

স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করাঃ এআই প্রযুক্তি মৃত প্রিয়জনের কণ্ঠস্বর ফিরিয়ে এনেছে

আজকাল ওয়েবডেস্ক:প্রিয়জনকে হারানোর যন্ত্রণা হয়তো কখনওই পুরোপুরি দূর হয় না। মনের গভীরে শুধু থেকে যায় কিছু না-বলা কথা, কিছু অসমাপ্ত কথোপকথন। কেমন হত যদি সেই প্রিয় মানুষটির কণ্ঠস্বর আরও একবার শোনা যেত? পুরনো রেকর্ডিং নয়, একেবারে জীবন্ত কথোপকথনের মাধ্যমে? যা ছিল কল্পবিজ্ঞানের পর্যায়ে, তাকেই এ বার বাস্তবে রূপ দিল দুই স্কুলছাত্র। তাদের তৈরি এক যুগান্তকারী কৃত্রিম মেধা বা এআই (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) প্রযুক্তি প্রয়াত প্রিয়জনের কণ্ঠস্বরকে ফিরিয়ে এনে শোকস্তব্ধ মানুষকে মানসিক শান্তির পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করছে। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তিটি তৈরি করেছে দুই হাইস্কুল পড়ুয়া, ইথান লিম এবং এডওয়ার্ড জিয়াং। তাদের তৈরি অ্যাপে প্রয়াত ব্যক্তির পুরনো ভয়েস নোট, অডিয়ো রেকর্ডিং বা ভিডিয়োর অংশ আপলোড করলেই এআই সেই কণ্ঠস্বরের সমস্ত বৈশিষ্ট্য- গলার স্বর, কথা বলার ধরন, নিজস্ব বাচনভঙ্গি এবং ব্যক্তিত্বকে নিখুঁতভাবে অনুকরণ করতে পারবে। এরপর ব্যবহারকারী সেই ‘ভার্চুয়াল কণ্ঠস্বরের’ সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেন, ঠিক যেমনটা তিনি তাঁর প্রিয়জনের সঙ্গে বলতেন। নির্মাতাদের মতে, এর উদ্দেশ্য প্রিয়জনের বিকল্প তৈরি করা নয়, বরং শোকাহত একজন মানুষকে একটি সুরক্ষিত পরিসর দেওয়া, যেখানে তিনি নিজের আবেগ প্রকাশ করতে পারবেন এবং না-বলা কথাগুলি বলে মনকে হালকা করতে পারবেন। এই প্রযুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল এতে মানসিক শান্তির খোঁজ পেতে পারেন ব্যবহারকারীরা। ব্যবহারকারী যখন তাঁর পরিচিত কণ্ঠে কথা বলেন, তখন এআই শুধু কথোপকথনই চালায় না, তার নেপথ্যে কাজ করে মনোবিজ্ঞানীদের দ্বারা পরীক্ষিত ‘গ্রিফ রিকভারি’ বা শোক কাটানোর কৌশল। এই কৌশলগুলি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে কথোপকথনের মধ্যে গেঁথে দেওয়া হয়েছে, যা ব্যবহারকারীকে অজান্তেই মানসিক যন্ত্রণা থেকে বেরিয়ে আসতে এবং পরিস্থিতিকে মেনে নিতে সাহায্য করে। অর্থাৎ এই প্রযুক্তি বন্ধুর মতো শোকাচ্ছন্ন মানুষের পাশে থেকে মানসিক শান্তির পথে নিয়ে যায় তাঁদের। নির্মাতারা জানিয়েছেন, এই প্রযুক্তির লক্ষ্যই হল, বর্তমান নিয়ে সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি অতীতের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়া।আরও পড়ুন: প্রজনন নিশ্চিত করতে দিনে ৪০ বার সঙ্গম! রাজা ক্লান্ত হলেও জোর করে বাধ্য করেন রানি, কোন রাজ্যের ঘটনা? ইথান এবং এডওয়ার্ড এই অ্যাপটি তৈরি করেছে একটি স্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে- মানুষের সেবা করা। এটি সম্পূর্ণ অলাভজনক একটি উদ্যোগ, যার একমাত্র উদ্দেশ্য শোক এবং মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাওয়া মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। প্রিয়জনের চেনা কণ্ঠস্বরের উষ্ণতার সঙ্গে প্রমাণিত নিরাময় কৌশলকে মিশিয়ে দিয়ে এই প্রযুক্তি এক সহানুভূতিশীল এবং উদ্ভাবনী উপায়ে ব্যবহারকারীদের মানসিক শান্তি খুঁজে পেতে সাহায্য করছে। যদিও এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ব্যক্তিকে কোনও ধরনের ডিলিউশিন কিংবা প্রজুক্তি নির্ভরতার দিকে ঠেলে দিতে পারে কি না, তা নিয়ে ভবিষ্যতে বিতর্ক দানা বাঁধতে পারে। তবে নির্মাতাদের লক্ষ্য কিন্তু স্পষ্ট- তাঁরা কাউকে অতীতে আটকে রাখতে চান না, বরং অতীতকে সুন্দরভাবে বিদায় জানিয়ে বর্তমানে শান্তিতে বাঁচার পথ দেখাতে চান। প্রিয়জনকে হারানোর যন্ত্রণা হয়তো চিরকালীন, কিন্তু সেই যন্ত্রণা বয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে এই প্রযুক্তি যদি কিছুটা শান্তির প্রলেপ দিতে পারে, তবে সেটাই হবে বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় জয়।
33 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Sep 18, 2025, 02:30 PM
ইসরায়েল বিশ্বের প্রথম কার্যকর হাই-পাওয়ার লেজার ইন্টারসেপশন সিস্টেম মোতায়েন করেছে

ইসরায়েল বিশ্বের প্রথম কার্যকর হাই-পাওয়ার লেজার ইন্টারসেপশন সিস্টেম মোতায়েন করেছে

‘স্টার ওয়ার্স’ বললেই মাথায় আসে লাল-নীল লেজ়ার সম্বলিত অস্ত্র। এত দিন অবশ্য এই সকল অস্ত্র ছিল কল্পবিজ্ঞানের বইয়ের পাতায় বা কল্পবিজ্ঞানের সিনেমার পর্দায়। তবে বিজ্ঞানে আজ যা কল্পনা, তা-ই তো কাল বাস্তব হয়ে ওঠে। এ বার সাইফাইয়ের ঘেরাটোপ পেরিয়ে লেজ়ার পরিচালিত অস্ত্রশস্ত্রও চলে এল বাস্তবের মাটিতে। বিশ্বের প্রথম কার্যকর, উচ্চ-ক্ষমতা সম্পন্ন লেজার ইন্টারসেপশন সিস্টেম মোতায়েন করল ইজ়রায়েল। সিস্টেমটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘আয়রন বিম’।চলতি সপ্তাহে আনুষ্ঠানিক ভাবে আয়রন বিম লেজার সিস্টেম প্রকাশ করেছে রাফাল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস। তাদের দাবি আধুনিক যুদ্ধকে চিরতরে বদলে দিতে পারে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।বস্তুত আমেরিকা থেকে ভারত, চিন — বহু দেশই লেজ়ার চালিত অস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। অনেক দেশই তাদের লেজার অস্ত্রের পরীক্ষায় সফলও হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত একমাত্র ইজ়রায়েলই আনুষ্ঠানিক ভাবে মোতায়েন করল লেজ়ার ইন্টারসেপ্টর।ইন্টারসেপ্টরের কাজ হলো শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মর্টারকে শনাক্ত করে আকাশেই তাকে ধ্বংস করা। ঐতিহ্যবাহী ইন্টারসেপ্টরগুলির ইন্টারসেপশনের খরচ প্রায় ৬০,০০০ ডলার। অথচ আয়রন বিমের লেজার প্রযুক্তির প্রতিটি শটের জন্য বিদ্যুতের পিছনে খরচ হবে মাত্র ২ ডলার করে।ফলে শুধু শচত্রুপক্ষের ছোড়া অস্ত্রকে নিরপেক্ষ করাই নয়, আয়রন বিমের ফলে যুদ্ধের অর্থনীতিও উল্টে যাবে বলে দাবি ইসরায়েলের। তাদের অস্ত্রশস্ত্র আটকাতে যেখানে ফতুর হয়ে যাবে শত্রুপক্ষ, সেখানে মাত্র ২ ডলার করে খরচা করেই ক্ষেপণাস্ত্র, মর্টার, ড্রোন আটকে দেবে আয়রন বিম।Iron Beam 450 Reaches Final Development and Readiness for DeliveryRafael, together with Israel’s Ministry of Defense, has completed the final series of trials for the Iron Beam 450, the world’s first operational high-energy laser defense system.In these landmark tests, Iron…pic.twitter.com/fhKrB9rL5iইজ়রায়েলের বহু-স্তরীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কতা সকলেই জানে। ‘আয়রন ডোম’, ‘ডেভিডস স্লিং’ এবং ‘অ্যারো সিস্টেম’ দিয়ে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সজ্জিত। তবে ইরানের সঙ্গে চলতি বছরে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে এই বহুস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মোটেই দুর্ভেদ্য নয়। ফাঁকফোঁকড় আছে।সেই সব ফাঁক ভরাতেই এই বহুস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের পরিপূরক হিসেবে নকশা করা হয়েছে আয়রন বিম-এর। রকেট, মর্টার, ড্রোন এবং কম উচ্চতা দিয়ে ওড়া বিমানের মতো ছোট, স্বল্প-পাল্লার হুমকিগুলির মোকাবিলা করবে আয়রন বিম। যাতে অন্যান্য ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টরগুলির উপর বোঝা হালকা হয়।ইজ়রায়েলি বায়ুসেনা, রাফাল সংস্থা এবং এলবিট সিস্টেমের সহযোগিতায় ইজ়রায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গবেষণা ও উন্নয়ন শাখা আয়রন বিম সিস্টেমটি তৈরি করেছে। দক্ষিণ ইজ়রায়েলে কয়েক সপ্তাহ ধরে কঠোর পরীক্ষা চলেছে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার।ছদ্ম যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করে এর পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষাগুলিতে দেখা গিয়েছে, একটি শক্তিশালী, নির্ভুল লেজ়ার রশ্মির সাহায্যে আকাশপথে আসা বিভিন্ন ধরনের হুমকিকে প্রতিহত করতে সক্ষম এই ব্যবস্থা।
68 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 12, 2025, 02:50 PM
বিমানগুলি সাদা রঙ করা হয় কেন? বিমান চলাচলের ব্যবহারিক পছন্দের পিছনে বিজ্ঞান

বিমানগুলি সাদা রঙ করা হয় কেন? বিমান চলাচলের ব্যবহারিক পছন্দের পিছনে বিজ্ঞান

আজকাল ওয়েবডেস্ক:বিমানবন্দরের চারপাশে তাকালেই লক্ষ্য করা যায় যে, প্রায় সব বিমানই সাদা রঙের। ছোট অভ্যন্তরীণ বিমান থেকে শুরু করে বড় আন্তর্জাতিক বিমান, বেশিরভাগ বিমানের বাইরের অংশের রং-ই সাদা। তার উপরে থাকে রঙিন বিমান সংস্থার লোগো বা নাম। প্রথমে, এটা কাকতালীয় ঘটনা বলে মনে হত। যদিও এর নেপথ্যে রয়েছে বিজ্ঞান। বিমানের রঙ শুধু মাত্র ভাল লাগার বিষয় নয়। এটা সুরক্ষা, খরচ এবং এমনকি যাত্রীদের আরামের সঙ্গেও যুক্ত। সাদা রঙ বিমানের জন্য সবচেয়ে ব্যবহারিক এবং নির্ভরযোগ্য রঙ হয়ে উঠেছে। বিমানগুলি কেন সাদা রঙ করা হয়? ১. সাদা তাপ বিকিরণ করে বিমানগুলি রোদে বসে আকাশে উঁচুতে উড়তে অনেক সময় ব্যয় করে। সাদা রঙ সূর্যালোক প্রতিফলিত করে বিমানকে ঠান্ডা রাখে। অনেকটা গ্রীষ্মকালে সাদা শার্ট পরার মতো। বিমানের বাইরের অংশে যদি গাঢ় রঙ করা হয়, তবে তা আরও তাপ শোষণ করবে। কেবিন ঠান্ডা রাখার জন্য এয়ার কন্ডিশনারকে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হয়, তাই বেশি জ্বালানি ব্যবহার করা হয়। বিমান সংস্থাগুলি তাদের বিমান সাদা রঙ করে অর্থ এবং শক্তি সাশ্রয় করে। বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাদা রঙ এতে সাহায্য করে। সাদা পৃষ্ঠে ফাটল, তেল লিক এবং অন্যান্য ধরণের ক্ষতি অনেক সহজে দেখা যায়। যদি বিমানের রঙ কালছে হয়, তাহলে ছোটখাটো সমস্যাগুলি অলক্ষিত হতে পারে, যা বিপজ্জনক। যেহেতু বিমানগুলি নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়, তাই সাদা রঙটি পরিদর্শনকে দ্রুত, সহজ এবং সকলের জন্য নিরাপদ করে তোলে। ২. সাদা রঙ দীর্ঘস্থায়ী হয় গরম রোদ, ঠান্ডা তাপমাত্রা, বৃষ্টি, বরফ এবং তীব্র বাতাস- বিমানগুলি কঠিন আবহাওয়ার মধ্যে দিয়ে যাতায়াত করে। এই পরিস্থিতিতে গাঢ় বা উজ্জ্বল রঙগুলি দ্রুত বিবর্ণ, খোসা ছাড়তে পারে বা উজ্জ্বলতা হারাতে পারে। তবে, সাদা রঙ অনেক টেকসই। এটি বিমানটিকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিষ্কার এবং নতুন দেখায়, যা ঘন ঘন টাচ-আপ বা সম্পূর্ণ পুনরায় রঙ করার জন্য বিমান সংস্থাগুলির অর্থ সাশ্রয় করে। বিমানটি পুনরায় রঙ করা ব্যয়বহুল, বিমানটি গ্রাউন্ডেড থাকাকালীন এক থেকে দুই সপ্তাহ সময় নেয় এবং এর জন্য ১৫০,০০০ থেকে ৩০০,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত খরচ হতে পারে। আরেকটি সুবিধা হল ওজন। রঙের ভার বিমানের ওজন ৫৫০ কেজি পর্যন্ত বাড়িয়ে তোলে। অতিরিক্ত ওজন জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি করে এবং বিমান সংস্থাগুলির লাভ হ্রাস করে। ৩. পুনঃবিক্রয় মূল্যে সহায়তা করে উচ্চ মূল্যের কারণে, বিমান সংস্থাগুলি প্রায়শই তাদের বিমানগুলি অন্যান্য ক্যারিয়ারের কাছে বিক্রি করে বা লিজ দেয়। নতুন মালিককে সাধারণত উজ্জ্বল বা অস্বাভাবিক রঙে রং করা বিমানটি পুনরায় রঙ করতে হয়, যা খুব ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। নতুন মালিকরা নতু করে রঙের জন্য ব্যয় না করেই সাদা বিমানগুলিতে তাদের লোগোগুলি সহজেই যুক্ত করতে পারেন কারণ এটি মূলত একটি ফাঁকা ক্যানভাস। ৪. আকাশে এবং জরুরি অবস্থার সময় দেখা সহজ সাদা সবচেয়ে দৃশ্যমান রঙগুলির মধ্যে একটি। এটি আকাশে এবং মাটিতে আলাদাভাবে দেখা যায়, যা পাইলটদের সংঘর্ষ এড়াতে এবং সামগ্রিক সুরক্ষা উন্নত করতে সহায়তা করে। জরুরি পরিস্থিতিতে, সাদা বিমানটি আশেপাশের পরিবেশে মিশে যাওয়া গাঢ় রঙের বিমানের তুলনায় অনেক সহজে দেখা যায়। ৫. পাখির আঘাত কমায় এমনকি বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তাও রঙের দ্বারা প্রভাবিত হয়। পাখিরা হালকা রঙের বিমানগুলি আরও সহজে দেখতে পায়, তাই তারা এড়িয়ে চলে। সাদা বিমানগুলি নীলআকাশে স্পষ্ট দেখা যায়, পাখির আঘাতের সম্ভাবনা কমায়। বিমান চলাচলের নিরাপত্তা গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, হালকা রঙের বিমানগুলি মানুষ এবং প্রাণী উভয়ের জন্যই সনাক্ত করা সহজ, যা অনেক দিক থেকে ফ্লাইটগুলিকে নিরাপদ করে তোলে। কেন এয়ার নিউজিল্যান্ড ব্যতিক্রম? যদিও বেশিরভাগ বিমান সাদা রঙের, এয়ার নিউজিল্যান্ড একটি বিরল ব্যতিক্রম। ২০০৭ সালে, ফ্রান্সে রাগবি বিশ্বকাপ উদযাপনের জন্য বিমান সংস্থাটি একটি বোয়িং ৭৭৭-কে কালো রং করেছিল, যা নিউজিল্যান্ডের জাতীয় রঙ প্রতিফলিত করার জন্য বিখ্যাত "অল ব্ল্যাক" লুক তৈরি করেছিল। এই পদক্ষেপের মাধ্যমেই একটি ট্রেন্ড সেট হয়। এরপর ওই বিমান সংস্থাটি নিশ্চিত করে যে, তার ভাণ্ডারের প্রতি ধরণের বিমানের অন্তত একটি বিমানে থাকে কালো-সাদা লিভারি। নিউজিল্যান্ডে কালো রঙ একটি গুরুত্বপূর্ণ রং, যা জাতীয় গর্বের প্রতিনিধিত্ব করে এবং ক্রীড়া জার্সি থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক প্রতীক পর্যন্ত সবকিছুতেই এটি প্রদর্শিত হয়। ২০২২ সালের আগস্টে, এয়ার নিউজিল্যান্ড স্টার অ্যালায়েন্স বহরের প্রথম সম্পূর্ণ কালো বিমান A321neo ZK-OYB সামনে আনে। এর বোয়িং 777-300ER বিশ্বের বৃহত্তম কালো রঙের বাণিজ্যিক বিমানের খেতাবও অর্জন করে।
58 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Sep 11, 2025, 04:52 PM
শিবপুর বান্ধু মহল ক্লাবের'রাশি রহস্য'উদ্যোগ দুর্গাপূজার সময় ভাগ্য প্রকাশ করে

শিবপুর বান্ধু মহল ক্লাবের'রাশি রহস্য'উদ্যোগ দুর্গাপূজার সময় ভাগ্য প্রকাশ করে

ভবিষ্যতে নিজেদের জীবনে কী ঘটতে চলেছে, তা প্রায় সকলেই জানতে চান। এ বার পুজোর সময়ে প্যান্ডেলে ঢুকলেই সকলে নিজেদের ভবিষ্যতের কথা জানতে পারবেন। বলা ভালো, ভবিষ্যতে আপনার ভাগ্যে ঠিক কী কী ঘটতে চলেছে? তার কিছুটা হলেও আভাস পাবেন। এ বার দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট থানার মধ্য শিবপুর বন্ধুমহল ক্লাব সে রকমই একটি উদ্যোগ নিয়েছে।এ বারে তাদের থিম ‘রাশি রহস্য’। পুজো উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, মণ্ডপে ঢুকলে সমস্ত রাশির মানুষজনই নিজেদের ভাগ্য গণনা করতে পারবেন। তারা মণ্ডপের ভিতরে পৌরাণিক, আধ্যাত্মিক ও জ্যোতিষ শাস্ত্রের মেল বন্ধন ঘটিয়েছেন। এখানে মা দুর্গা শোভা পাবেন শনি মহারাজ রূপে। আর মণ্ডপের মধ্যে বিশালাকার মহিষাসুর মূর্তি থাকবে। সেখানে মহিষাসুরকে ধ্যান মগ্ন অবস্থায় দেখা যাবে।মণ্ডপে ঢুকলেই সকলে পুরোনো রাজ প্রাসাদের অনুভূতি পাবেন। মণ্ডপের মধ্যে ১২টি ল্যাপটপ রাখা হবে। সেখানে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে কোনও রাশির মানুষেরা নিজেদের ভাগ্য বা রাশিফল জানতে পারবেন। এ ছাড়াও কোন রাশির কী বৈশিষ্ট্য রয়েছে সেগুলিও প্রজেক্টারের মাধ্যমে মণ্ডপের মধ্যেই দর্শকরা দেখতে পাবেন। মণ্ডপের মধ্যে উদ্যোক্তারা সেগুলি দেখানোর ব্যবস্থা করেছেন।সেখানকার পুজো উদ্যোক্তা স্নেহাশিস লাহা বলেন, ‘ভবিষ্যতে কী ঘটতে চলেছে, তা জানতে আমরা সকলেই খুব আগ্রহী। তাই সেই ভাবনার সঙ্গে মেলবন্ধন করে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা এখানে রাশিচক্রকে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতে প্রত্যেকটা রাশির জীবনে কী ঘটতে চলেছে, তার কিছুটা আভাস পাওয়া যাবে। সেই সঙ্গে প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জায় কিছু নতুনত্বের ছোঁয়া থাকবে।’মণ্ডপ শিল্পী প্রশান্ত মিস্ত্রির কথায়, ‘এ বছর আমাদের পুজো ৩৫ বছরে পা দিল। জ্যোতিষশাস্ত্রের উপরে ভিত্তি করে মানুষের ভালো-খারাপ দিকগুলিকে আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করছি। এখানে পৌরাণিক ও আধ্যাত্মিকতার একসঙ্গে মেলবন্ধন ঘটিয়েছি। আমাদের পুরো প্যান্ডেলটাই পরিবেশবান্ধব। রঙ ফুটিয়ে তোলার জন্য প্যারিস, চট, প্লাই, কাঠ ও বাঁশের মতো জিনিস ব্যবহার করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ১৬ লক্ষ টাকার বাজেটের উপরে পুরো কাজটা করা হয়েছে।’ উদ্যোক্তাদের দাবি, এ বারে তাঁদের মণ্ডপ ও প্রতিমা কলকাতার যে কোনও মণ্ডপকে টেক্কা দেবে।
57 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Aug 31, 2025, 02:52 PM
দ্য ইন্টারসেকশন অফ ইমাজিনেশন অ্যান্ড সায়েন্সঃ দ্য ইমার্জেন্স অফ সায়েন্স ফিকশন

দ্য ইন্টারসেকশন অফ ইমাজিনেশন অ্যান্ড সায়েন্সঃ দ্য ইমার্জেন্স অফ সায়েন্স ফিকশন

প্রাচীনকাল থেকেই বারবার মানুষের মনে উঁকি দিয়ে গেছে ভবিষ্যতের আশা‌‌, আশঙ্কা, দুশ্চিন্তা, দুরাশা। কেমন হবে আগামীদিন?‌ ‘‌শেষের সেদিন’‌ কি সত্যিই ভয়ংকর?‌ নাকি প্রযুক্তির উন্নতির জোয়ারে সওয়ার হয়ে ক্রমশ সহজ থেকে সহজতর হবে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা? ‌এই সব প্রশ্নের মধ্যে দিয়ে মানুষ বারবার কল্পনা করতে চেষ্টা করেছে সভ্যতার ভবিষ্যৎকে। আর ঠিক এখান থেকেই জন্ম নিয়েছে কালজয়ী সব সাহিত্যকীর্তি। দুই মলাটের মাঝে জায়গা করে নিয়েছে আলাদা এক সাহিত্য–ঘরানা, যার নাম কল্পবিজ্ঞান। ‘‌কল্পবিজ্ঞান’‌–এর আড়ালে হাতছানি রয়েছে দুটি শব্দের। কল্পনা এবং বিজ্ঞান। অর্থাৎ, শুরুতেই দুই শব্দের বাঁধনে সংজ্ঞায়িত করে নেওয়া যায় এই সাহিত্য-ঘরানাকে। প্রথমত, এই ধরনের লেখা মূলত কল্পনাপ্রসূত। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যৎ কল্পনার গোড়ার কথায় ধরেই নেওয়া হচ্ছে, আগামীদিনে যে সব ক্ষেত্রে মানুষ প্রভূত উন্নতি করবে তার মধ্যে একটি অবশ্যই বিজ্ঞান। তবে পরবর্তীকালে অনেক সাহিত্যিকই কল্পনা এবং বিজ্ঞানের বাঁধন ভেঙে বেরিয়ে নতুন রসে, নতুন আঙ্গিকে রূপ দিয়েছেন কল্পবিজ্ঞান চর্চাকে। কে প্রথম লিখেছিলেন কল্পবিজ্ঞান কাহিনী?‌ এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারা বেশ কঠিন। কারণ, ওই যে বললাম, সভ্যতার মূল পরিচায়ক লক্ষণগুলি স্পষ্ট হয়ে ওঠার পর থেকেই মানুষের মনে আগামীকে জানার কৌতূহল জেগেছে। সেই বিচারে স্পেনের আলতামিরা গুহা হোক বা মধ্যপ্রদেশের ভীমবেটকা, আদিম মানুষের আঁকা গুহাচিত্রের আড়ালে সেই জিজ্ঞাসা যে ফুটে ওঠেনি, তা কে বলতে পারে?‌ তবে ‘‌সবজান্তা’‌ উইকিপিডিয়ার কাছে এই প্রশ্নের একটা উত্তর আছে বটে। বিশ্বকোষ বলছে, বিশ্বের সর্বপ্রথম কল্পবিজ্ঞান কাহিনী বা ‌বলা ভালো, পৌরাণিক কল্পবিজ্ঞান কাহিনীর নাম হল ‘‌দ্য এপিক অফ গিলগামেশ’, যার রচনাকাল আনুমানিক ২১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ। প্রাচীন মেসোপটেমীয়দের পুরাণের এক দুর্দমনীয় নায়ক গিলগামেশ। কাহিনীর দ্বিতীয়াংশে দেখা যায়, প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুতে দিশেহারা নায়ক পাড়ি দিচ্ছেন ভবিষ্যতে। মৃত্যুহীন, জ্বরাহীন, ব্যাধিহীন অখণ্ড যৌবনের রহস্য উদ্ঘাটনের আশা নিয়ে। এখান থেকে ধারণা করা যায়, আজ থেকে প্রায় চার সহস্রাব্দ আগেও মানুষের মনে ‘‌টাইম মেশিন’‌–এ চড়ে ভবিষ্যৎ থেকে ঘুরে আসার অভিলাষ ছিল। আশা ছিল, ভবিষ্যতের মানুষ হবে অনেক বেশি জ্ঞানী, বুদ্ধিমান এবং প্রযুক্তিতে তুখোড়। এতটাই ধুরন্ধর হবে তারা যে জীবন্মৃত্যুর গোলকধাঁধাও ভেদ করে ফেলবে! তবে আদিমকালের কল্পবিজ্ঞানের কথা এখানেই শেষ নয়। প্রাচীনকালে বারবার লেখা হয়েছে ভবিষ্যতের কাহিনী। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে রোমান রচয়িতা লুসিয়ান লিখেছেন ‘‌আ ট্রু হিস্ট্রি’‌। এই গল্পে মানুষের মহাকাশযাত্রা, ভিনগ্রহী জীবদের ধারণা মেলে। গ্রিক ভাষায় লেখা এই গল্প সম্পর্কে অনেক পণ্ডিতের অভিমত, কালের আগে কল্পনা করেছিলেন লেখক লুসিয়ান অফ সামোসাটা। প্রাচীন জাপানি লোকসাহিত্যও এমন অনেক কল্পবিজ্ঞানধর্মী লেখার উদাহরণ দেয়। যেমন, উরাশিমা তারো, নহংগি, ‌দ্য টেল অফ দ্য বাম্বু কাটার‌। এই সব গল্পে হাজার বছর পরের কথা ছাড়াও আছে, উড়ন্ত পিরিচ, গ্রহান্তরের যাত্রা, ভিনগ্রহী জীবের সচিত্র বর্ণনা। এই তালিকায় আছে আরব্য রজনীর নামও। চিরযৌবন দায়ী বনৌষধি, কথাবলা গাছ, মহাকাশের সরীসৃপ- এহেন অনেক উপাদানের মধ্যে দিয়ে ভেসে আসে কল্পবিজ্ঞানের দ্যোতনা। প্রাচীনযুগের বিজ্ঞান ও পৌরাণিক কল্পবিজ্ঞানের বিশ্লেষণ নিয়ে আলোচনা করতে হলে অবশ্যই উল্লেখ করতে হয় সুইস লেখক এরিক ভন দানিকেনের‌ নাম। লিখেছেন অসংখ্য বই। ‘দেবতা কি গ্রহান্তরের মানুষ?’, ‘দেবতারা কি মর্ত্যে এসেছিলেন?’‌, ‘প্রচলিত ইতিহাস কি অসম্পূর্ণ?’,‌ ‘বীজ ও মহাবিশ্ব’-র মতো সংকলনে তিনি বিভিন্ন সভ্যতার পুরাণ–মহাকাব্য–প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বিশদ কাটাছেঁড়া করেছেন। তাঁর গবেষণা, তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে তিনি বারবার প্রশ্ন তুলেছেন, যুগ যুগ আগের মানুষ আমাদের ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দিয়ে গিয়েছেন কি? ইলিয়াড, ওডিসি, রামায়ণ, মহাভারতে বর্ণিত বিভিন্ন যন্ত্র, যান, প্রযুক্তি, সমরাস্ত্র, রণকৌশল ছিল তৎকালীন সময়ের তুলনায় অনেক অনেক আধুনিক। তবে ইউরোপে নবজাগরণ এবং শিল্পবিপ্লবের হাত ধরে বিশ্বজুড়ে জোয়ার আসে বিজ্ঞানচর্চায়। এই সময় গ্যালিলিও, কোপারনিকাস, দ্য ভিঞ্চি, গুটেনবার্গের মতো কৃতীরা যে গবেষণা করে গিয়েছেন, সেই সব তত্ত্ব, সেই সব নকশা কল্পবিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠ কীর্তির চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা নকশা থেকে প্রমাণ পাওয়া যায়, তিনি হেলিকপ্টার, উড়োজাহাজ, ডুবোজাহাজের মতো অত্যাধুনিক জটিল প্রযুক্তির কল্পনা করেছিলেন। গ্যালিলিও বা কোপারনিকাসরা সেই যুগে দাঁড়িয়ে, কার্যত কোনও আধুনিক যন্ত্র ছাড়া ভেদ করেছিলেন মহাকাশের জটিল রহস্য। বিজ্ঞানী জোহান্স কেপলারের লেখা ‘‌সমনিয়াম’ (‌১৬৩৪)‌‌‌ বা ফ্রান্সিস গডউইনের লেখা ‘‌দ্য ম্যান ইন দ্য মুন’‌ (‌১৬৩৮)‌ চন্দ্রপৃষ্ঠে মানুষের সফল পদার্পণের গল্প বলে। এঁদের সমসাময়িক পেশাদার সাহিত্যিকরাও লিখে গিয়েছেন কল্পবিজ্ঞান কাহিনী। যেমন উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ‘‌দ্য টেমপেস্ট’‌ (‌১৬১০–১১)‌, ফ্রান্সিস বেকনের ‘‌দ্য আটলান্টিস’‌ (‌১৬২৭)‌, জনাথন সুইফটের ‘‌গ্যালিভার্স ট্রাভেল’‌ (‌১৭২৬)‌ ইত্যাদি অগ্রগণ্য। এরপর সাহিত্য–ঘরানা হিসেবে কল্পবিজ্ঞানকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। রেনেসাঁর যুগের মনীষীদের হাতে স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরের ওপরে দাঁড়িয়ে ইমারত গড়ে তোলেন আধুনিক লেখকরা। নিঃসন্দেহে বলা চলে, এটাই ছিল কল্পবিজ্ঞানধর্মী সাহিত্যের স্বর্ণযুগ। একের পর এক এসেছেন প্রথিতযশা কল্পবিজ্ঞান লেখকরা। এই সময় জুল ভার্ন লেখেন ‘‌টোয়েন্টি থাউজ্যান্ড লিগস আন্ডার দ্য সি’‌, ‘‌জার্নি টু দ্য সেন্টার অফ দ্য আর্থ’‌–এর মতো লেখা। তাঁর সঙ্গে যোগ্য সংগত দেয় এইচজি ওয়েলসের লেখা ‘‌দ্য টাইম মেশিন’‌, ‘‌দ্য ওয়ার অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’‌। মেরি শেলির লেখা ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন : অর দ্য মডার্ন প্রমিথিয়াস’‌ লেখার মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন একাধারে কল্পবিজ্ঞান, একই সঙ্গে শিরদাঁড়া দিয়ে শীতল স্রোত খেলিয়ে দেওয়া ভয়ের গল্প। এরপর কল্পবিজ্ঞানধর্মী গল্পের সঙ্গে হাত ধরাধরি করে চলতে থাকে হাস্যকৌতুক থেকে শুরু করে পলিটিকাল স্যাটায়ার, সবই। একে একে আসতে থাকেন ভিক্টর হুগো, এডগার অ্যালেন–পো, জেন সি.‌ লাউডন, এডওয়ার্ড এস.‌ এলিস, স্যামুয়েল বাটলার, রাডয়ার্ড কিপলিং, মার্ক টোয়েন, জর্জ বার্নার্ড–শ, জ্যাক লন্ডন, আইজ্যাক অ্যাসিমভ, আর্থার সি‌ ক্লার্ক, ফিলিপ কে‌ ডিক, এইচ পি লাভক্র্যাফ্ট। এক্ষেত্রে মনে করিয়ে দিতেই হয় শার্লক হোমসের স্রষ্টা স্যর আর্থার কোনান ডয়েলের অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র প্রফেসর চ্যালেঞ্জারের কথা।
22 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Aug 26, 2025, 03:39 PM
নাসার বিজ্ঞানী গৌতম চট্টোপাধ্যায় পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার জন্য নর্থস্টার পুরস্কার পেয়েছেন

নাসার বিজ্ঞানী গৌতম চট্টোপাধ্যায় পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার জন্য নর্থস্টার পুরস্কার পেয়েছেন

ছোটবেলায় হ্যারিকেনের আলোয় পড়াশোনা করে আজ তিনি নাসার অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী। ডক্টর গৌতম চট্টোপাধ্যায় নাসার জেট প্রপালেশন ল্যাবরেটরির নাম উজ্জ্বল করেছেন। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে তিনি নাসার বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছেন। চলতি বছর ১০ সেপ্টেম্বর তিনি নাসার নর্থস্টার অ্যাওয়ার্ড পেতে চলেছেন। জানা গিয়েছে, এটি নাসার সবোর্চ্চ সম্মান। বিজ্ঞানী গৌতম চট্টোপাধ্যায় ইন্সপায়ার ক্যাটাগরিতে এই সম্মান পাচ্ছেন।কোন্নগরের নবগ্রামে জন্ম গৌতমের। ছোটবেলা থেকেই তাঁর পরিবারে তেমন আর্থিক স্বচ্ছলতা ছিল না। স্কুলের গণ্ডি পেরোনোর পরে গৌতম টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফাউন্ড মেডেল রিসার্চ-এর কাজ শুরু করেন। তার পরে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে তিনি নাসার বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছেন। নাসার চারটে ডিফারেন্স ক্যাটিগরি রয়েছে। সেগুলি হলো ডিসকভার, ইন্সপায়ার, অ্যাডভ্যান্স ও থ্রইভ। গৌতম নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য তাঁকে ইন্সপায়ার ক্যাটিগরিতে মনোনীত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, নিজের কাজের জন্যও গৌতম এই পুরস্কার পাচ্ছেন।তবে এটাই প্রথম নয়। গবেষণার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান জগতেও তিনি ইতিমধ্যে অসামান্য সম্মান পেয়েছেন। গত বছর নিউ ইয়র্ক থেকে তিনি পেয়েছেন আমস্ট্রং মেডেল। এ ছাড়াও পিপিল লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-সহ একাধিক পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। বর্তমানে তিনি রয়েছেন নাসার ক্যালিফোর্নিয়ার বেসাদেনা (BESADENA)-তে। এত বড় সম্মান পাওয়ার পরে কী বলছেন গৌতম চট্টোপাধ্যায়?বিজ্ঞানীর কথায়, ‘সম্মান পেয়ে আমার খুব ভালো লাগছে। অন্য গ্রহে প্রাণ রয়েছে কি না সেটা জানার জন্য বর্তমানে আমি গবেষণা করছি। এর জন্য বিভিন্ন রকমের যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়েছে। যখন পৃথিবী তৈরি হয় তখন তাতে জল ছিল কি না? ধুমকেতুরা জল এনেছে কি না? নতুন নতুন তারা, গ্রহ সেগুলি কী ভাবে তৈরি হয়? তার সৃষ্টি কী ভাবে হয়? সে বিষয়ে জানার জন্য বিভিন্ন রকমের নতুন যন্ত্রপাতি আবিষ্কার করা হচ্ছে। দূষণ কী ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়? সেই বিষয় নিয়েও রিসার্চ চলছে। ডিসেম্বরে কোন্নগরে আসব।’গৌতমের দিদি লিলি আচার্য বলেন, ‘আমরা ছোট থেকেই খুব কষ্ট করে বড় হয়েছি। একটা ঘরে সব ভাই-বোনরা থেকে পড়াশোনা করেছি। আর ভাইয়ের ছোট থেকেই বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ। ওঁর ভালোবাসা ছিল বিজ্ঞান। আজ গর্বে বুক ভরে উঠেছে। ভাই আজ সর্বোচ্চ সম্মান পাচ্ছে।’ গৌতমের বোন ডলি চক্রবর্তী বলেন, ‘ভাই এই জায়গায় পৌঁছেও ওঁর পা মাটিতেই রয়েছে। আমাদের ভাই মাটির মানুষ। ভাই একেবারে সাধারণ মানুষের মতোনই সকলের সঙ্গে মেশে। ও আগামী প্রজন্মকে সত্যিই পথ দেখাচ্ছে।’
93 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
Aug 23, 2025, 04:23 PM
এলোন মাস্ক ম্যাক্রোহার্ড উন্মোচন করেছেনঃ এআই-চালিত সফ্টওয়্যারের একটি নতুন ফ্রন্টিয়ার

এলোন মাস্ক ম্যাক্রোহার্ড উন্মোচন করেছেনঃ এআই-চালিত সফ্টওয়্যারের একটি নতুন ফ্রন্টিয়ার

নতুন করে AI দুনিয়ায় ইলন মাস্ক। টেকদুনিয়ায় এখন প্রবলভাবে আলোচিত হচ্ছে এআই। সেখানেই নকুন করে রাখার কথা ঘোষণা করেছেন মাস্ক। X হ্যান্ডলে তাঁর নতুন সংস্থার নাম ঘোষণাও করেছেন মাস্ক। ম্যাক্রোহার্ড (Macrohard) নামে একটি এআই সফটঅয়্যার কোম্পানি লঞ্চ করতে চলেছেন তিনি। এখন মাস্কের অধীনে রয়েছে xAI, সেটিও এআই নিয়ে কাজ করা সংস্থা। তার পাশাপাশি কাজ করছে ম্যাক্রোহার্ড।মাইক্রোসফট-এর নামের সঙ্গে মাস্কের নয়া সংস্থার নামের বৈপরীত্য নিয়েও কথা উঠেছে। মাইক্রোর বিপরীত ম্যাক্রো, সফট-এর বিপরীত হার্ড। মাস্ক তাঁর পোস্টে লিখেছেন, মাইক্রোসফটের মতো সফটঅয়্যার সংস্থা কোনও ফিজ়িক্যাল কম্পোন্যান্ট তৈরি করে না। ফলে সেই কাজ সম্পূর্ণভাবে এআই পদ্ধতিতে করে দেওয়া যেতে পারে।মাস্কের পরিকল্পনা সফল হলে দুনিয়ায় নতুন চমক আসতে পারে। কোডিং, ইমেজ ও ভিডিয়ো জেনারেশনে সক্ষম মডেল তৈরি করা হবে। এগুলি মানুষের মতোই কাজ করবে। সফটঅয়্যারের মাধ্যমে এগুলি কাজ করে যে কোনও বিষয়ে সবচেয়ে ভালো মানের কাজ করতে পারবে। অর্থাৎ, এআই নির্ভর এমন একটি ব্যবস্থা, যেটি সহজেই মানুষ-ইঞ্জিনিয়ারের মতো কাজ করতে পারবে। সপ্তাহখানেক আগেই আমেরিকার পেটেন্ট অফিসে ম্যাক্রোহার্ডের নামে ট্রেডমার্ক নিয়েছে xAI.xAI is building A Pure AI Software Company, MacrohardSince companies like Microsoft focus solely on software without producing physical hardware, their operations could theoretically be fully replicated or automated by AI agents working together in a digital environment, like…কর্পোরেট দুনিয়ায় ব্যবসায়িক কাজে মাইক্রোসফটের বহু সফটঅয়্যার ব্যবহার করা হয়। টেকদুনিয়ায় বছরের পর বছর ধরে মাইক্রোসফটের এই দাপট চলছে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্টের ব্যবহার চলছে। মাইক্রোসফটের এই বাজার দখল করার জন্যই কি বড় পদক্ষেপ ইলন মাস্কের?
39 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Aug 22, 2025, 03:49 PM
ভারতের উচ্চ লক্ষ্যঃ 2040 এবং 2035 সালে প্রথম মুনওয়াকার এবং স্পেস স্টেশন উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা

ভারতের উচ্চ লক্ষ্যঃ 2040 এবং 2035 সালে প্রথম মুনওয়াকার এবং স্পেস স্টেশন উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:চাঁদের মাটিতে প্রথম ভারতীয়র পা পড়বে ২০৪০ সালের মধ্যে। তারও আগে ২০৩৫ সালের মধ্যেই মহাকাশ স্টেশন স্থাপন করবে ভারত। আগেই এই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ইসরো প্রকাশ করল সেই স্পেস স্টেশনের মডেল। যার নাম হবে ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন তথা বিএএস। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের পর মহাকাশ স্টেশন স্থাপন করেছে চিনও। সেই স্টেশনের নাম তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশন। এর মধ্যেই স্পেস রেসে এবার শামিল ভারত। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক অতীতে মহাকাশে ভারতের জয়যাত্রা গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে। চন্দ্রযান ৩ গড়েছে ইতিহাস। সূর্য সম্পর্কে আরও জানতে পাড়ি দিয়েছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আদিত্য এল১। সামনেই রয়েছে ‘মিশন গগনযান’ও। কিন্তু এখানেই না থেমে ইসরোর নয়া টার্গেটের কথা বুঝিয়ে দিচ্ছে আমেরিকা, ও চিনের সঙ্গে মহাকাশেও টক্কর নিতে প্রস্তুত নয়াদিল্লি। বলে রাখা ভালো, সম্প্রতি নাসা ও ইসরোর উদ্যোগে তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহ ‘নিসার’ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে মহাশূন্যে পাড়ি দিয়েছে। জানা যাচ্ছে, ভূপৃষ্ঠ, সমুদ্র, বরফ এবং অরণ্যের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করবে ১.৫ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা) খরচে তৈরি নিসার। তবে এর নির্মাণ খরচের মধ্যে ৭৮৮ কোটি টাকা দিয়েছে ইসরো। আপাত ভাবে এই বিনিয়োগ বিপুল অঙ্কের হলেও তা শেষপর্যন্ত ‘লাভদায়ক’ হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আগামিদিনে অনেক বড় আবিষ্কারের পথ খুলে দিতে পারে নিসার অন্বেষণ। অসমে প্রতি বছরই হওয়া বন্যার আগাম হদিশ কিংবা হিমালয়ের হিমাবাহের গলন কত দ্রুত হচ্ছে সবই বের করা সম্ভব হবে। ফলে এই পদক্ষেপেও বিশ্বকে চমকে দিয়েছে ইসরো। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
51 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Aug 20, 2025, 03:55 PM
দিঘা সৈকতে রহস্যময় আলোর আবির্ভাব, আতঙ্ক ও অনুমানের সূত্রপাত

দিঘা সৈকতে রহস্যময় আলোর আবির্ভাব, আতঙ্ক ও অনুমানের সূত্রপাত

আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুধবার সন্ধ্যার আকাশে হঠাৎই অদ্ভুত এক আলোক রশ্মি দেখা গেল দিঘার সমুদ্র উপকূলে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ দিঘার সমুদ্রসৈকতে ভ্রমণে আসা পর্যটক ও স্থানীয় মানুষ হঠাৎ আকাশের দিকে তাকিয়ে চমকে ওঠেন। দেখা যায়, আকাশে একদিকে উজ্জ্বল আলোক রশ্মি ছড়িয়ে পড়ছে। অন্যদিকে ধোঁয়ার মতো ছায়া তৈরি হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই দৃশ্য মিলিয়ে গেলেও, ততক্ষণে আতঙ্ক ও কৌতূহল ছড়িয়ে পড়েছে পর্যটন শহর জুড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হঠাৎ এই দৃশ্য দেখে প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো কোনও প্রাকৃতিক ঘটনা বা উল্কাপাত হচ্ছে। কেউ কেউ আবার ভিনগ্রহী মহাকাশযানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। তবে শোনা যাচ্ছে এটি কোনো ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের আলো। কেউ কেউ বলছেন, ওই সময় ওড়িশার চাঁদিপুর উপকূল থেকে ভারতীয় সেনার মিসাইল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হচ্ছিল। আরও পড়ুন:ছেলেকে শোধরাতে পারিনি, আমার কারও প্রতি কোনও অভিযোগ নেই, মধ্যমগ্রাম বিস্ফোরণের ঘটনায় আক্ষেপ নিহতের সেই মিসাইলটির নাম ‘অগ্নি–৫’। এটি একটি দীর্ঘ পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল, যার পাল্লা প্রায় ৫,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO)-র অধীনে তৈরি এই মিসাইল নিউক্লিয়ার অস্ত্র বহনে সক্ষম। নিরাপত্তার স্বার্থে পরীক্ষার দিনক্ষণ আগে থেকে প্রকাশ করা হয় না। সেই উৎক্ষেপণ থেকেই উৎপন্ন অগ্নিশিখা ও ধোঁয়ার রেখাই দিঘার আকাশে অদ্ভুত আলোক রশ্মি হিসেবে দৃশ্যমান হয়। যদিও এই কথার সত্যতা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ফলে নিশ্চয় করে বলা সম্ভব নয় এই আলো অগ্নি-৫ উৎক্ষেপণের আলো না অন্য কিছু। কিন্তু আলো যার থেকেই সৃষ্টি হোক না কেন এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে পর্যটকদের ভিড় জমে যায় সৈকতে। অনেকে মোবাইল ফোনে ভিডিও ও ছবি ক্যামেরা বন্দি করেন। দিঘায় এমনিতেই মোটামুটি সারাবছর ভিড় থাকে। এর পাশাপাশি জগন্নাথদেবের মন্দির সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পর ভিড় আরও বেড়ে গিয়েছে। হোটেল ও রিসর্টে থাকার জন্য আগে থেকেই বুকিং সেরে ফেলতে হয়। আবার অনেকসময় পৌঁছেও বুকিং সেরে নেওয়া যায়। গত ১৫ আগস্টকে ধরে অনেক অফিসেই পরপর তিনদিন ছুটি ছিল। যার জন্য দিঘায় ভিড় হয়েছিল ব্যাপক। সড়কপথে বা ট্রেনে বহু পর্যটক পৌঁছে গিয়েছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের এই সৈকত নগরীতে। সেইসময় দিঘার অবস্থা জানাতে গিয়ে দিঘা হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে জগন্নাথধাম উন্মুক্ত হওয়ার পর দিঘায় ভিড় অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে। তিনি জানিয়েছিলেন, টানা ছুটিতে তিল ধারণের ঠাঁই থাকবে না দিঘায়। ইতিমধ্যেই অধিকাংশ হোটেলের বুকিং সম্পূর্ণ। বাকি হোটেলেও দ্রুত বুকিং হয়ে যাবে বলে তিনি জানান। ফার্স্ট কাম ফার্স্ট সার্ভ পদ্ধতিতে এই বুকিং হয় বলে তিনি জানান। সেইসঙ্গে ভিড়ের কথা ভেবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ভিড়ের জন্য সমুদ্র সৈকত, বাজার ও জনবহুল এলাকায় নিরাপত্তা কর্মীর সংখ্যা আরও বাড়ানোর‌ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে মওকা বুঝে যাতে কোনো হোটেলের তরফে অতিরিক্ত ভাড়া না নেওয়া হয় সেই বিষয়টির উপরেও নজর রাখা হবে। অভিযোগ পেলেই তদন্ত করে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয় প্রশাসনের তরফে। এর পাশাপাশি এই বিষয়ে এগিয়ে এসেছে হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনও। তারাও জানায় এই সময়ে তাদের পক্ষ থেকেও খোলা হয় কন্ট্রোল রুম। যেখানে ২৪ ঘন্টা মজুত থাকেন তাদের সদস্যরা। অভিযোগ পেলেই তাঁরা সংশ্লিষ্ট হোটেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। রাজ্যে এখন ভরা বর্ষার মরসুম। পর্যটকদের জন্য দিঘায় সব হোটেলই তৈরি ইলিশ, চিংড়ি ও পমফ্রেট মাছ নিয়ে। বিশেষ করে ইলিশের হরেকরকম পদ নিয়ে দিঘা প্রস্তুত তার পর্যটকদের অভ্যর্থনা জানাতে। সঙ্গে কাঁকড়া তো আছেই।
5 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Aug 15, 2025, 02:55 PM
উদ্ভাবনী মাছ ছদ্মবেশ'অদৃশ্য প্রযুক্তি', পরিবেশ-বান্ধব শীতল সমাধানকে অনুপ্রাণিত করে

উদ্ভাবনী মাছ ছদ্মবেশ'অদৃশ্য প্রযুক্তি', পরিবেশ-বান্ধব শীতল সমাধানকে অনুপ্রাণিত করে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:সম্প্রতি জাপানি বিজ্ঞানীরা সন্ধান পেয়েছেন এমন এক মাছের, যা এক সেকেন্ডে শরীরের রং বদলে চারপাশের সঙ্গে মিশে যেতে পারে! শিকারিদের এড়াতে এই কৌশল ব্যবহার করে মাছটি। গবেষকরা বলছেন, ভবিষ্যতে এ ক্ষমতা মানুষের জন্য ‘অদৃশ্য প্রযুক্তি’ আবিষ্কারে অনুপ্রেরণা হতে পারে। নেটিজেনদের মন্তব্য, ‘কমিকসের ইনভিজিবল ম্যান হয়তো একদিন বাস্তবেই আসবে!’একটি ফিল্মেই ঘর ঠান্ডা! গরমের জ্বালায় অস্থির? এসি বা পাখার খরচ নিয়ে চিন্তায় আছেন? তাহলে চিনের এই দারুণ আবিষ্কার আপনার মুখে হাসি ফোটাবে! তারা এমন এক ম্যাজিক ফিল্ম তৈরি করেছে যা কোনওরকম বিদ্যুৎ ছাড়াই আপনার ঘর ১৫ ডিগ্রি পর্যন্ত ঠান্ডা রাখতে পারে। এটি মূলত সূর্যের তাপকে প্রতিফলিত করে এবং ঘরের ভেতরের তাপকে বাইরে পাঠিয়ে দেয়। এতে করে এসি বা কুলার ছাড়াই ঘর ঠান্ডা থাকে। এই পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিটি শুধু বাড়ি নয়, ইলেক্ট্রনিক্সকেও ঠান্ডা রাখতে পারে। বিদ্যুৎ বাঁচিয়ে ঠান্ডা থাকার এমন সহজ সমাধান কে না চায়?চিকিৎসায় এআই-এর বিপদ? গুগল-এর স্বাস্থ্য বিষয়ক এআই, মেড-জেমিনি, সম্প্রতি একটি গবেষণাপত্রে মানব মস্তিষ্কের এক কাল্পনিক অংশের নাম দেয় ‘ব্যাসিলার গ্যাংলিয়া’। এই ভুয়া আবিষ্কার নিয়ে এখন চিকিৎসকদের মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। কারণ, মানব শরীরে এমন কোনও অঙ্গের অস্তিত্বই নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সম্ভবত দুটি আসল শব্দ- ব্যাসাল গ্যাংলিয়া এবং ব্যাসিলার আর্টারি-র ভুল মিশ্রণ। গুগল যদিও একে একটি মুদ্রণ বিভ্রাট বলে দাবি করে তাদের ব্লগপোস্ট সংশোধন করেছে, কিন্তু মূল গবেষণাপত্রটি এখনও অপরিবর্তিত। এআই-এর এই ধরনের ভুল বা ‘বিভ্রম’ শুধু হাস্যকর নয়, চিকিৎসার ক্ষেত্রে তা জীবনঘাতীও হতে পারে। ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুডি গিচোয়া বলেন, এআই-এর মূল সমস্যা হল তারা ‘আমি জানি না’ বলার রাস্তায় যায় না, বরং ভুল তথ্য তৈরি করে, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে অত্যন্ত বিপজ্জনক।স্পেনে ঘাস কাটার দায়িত্বে ছাগলের দল স্পেনের কিছু শহরে এখন পার্কের ঘাস কাটার জন্য আধুনিক যন্ত্রের পরিবর্তে ছাগলের দলকে কাজে লাগানো হচ্ছে! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। তারা কোনও যন্ত্র নয়, বরং ছাগলের পাল দিয়ে ঘাস, আগাছা, আর ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে। ছাগলগুলো যেন জীবন্ত লন-মোয়ারের মতো কাজ করে। এটি শুধু কার্বন নির্গমন কমায় না, বরং শহরের জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ আর শ্রমের খরচও বাঁচায়। তাদের চরে খাওয়ার ধরন এমন যে, কিছু জায়গায় ঘাস সাফ করে আর অন্য জায়গায় বন্য ফুল ও ছোট প্রাণীর জন্য জায়গা করে দেয়। এটি এক অদ্ভুত পরিবেশবান্ধব সমাধান।
18 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jul 31, 2025, 02:52 PM
কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের ল্যাব ডিসপ্লে বোর্ডে আগুন

কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের ল্যাব ডিসপ্লে বোর্ডে আগুন

এসএসকেএম হাসপাতালে ল্যাব রুমের ডিসপ্লে বোর্ডে আগুন লাগা ঘিরে চাঞ্চল্য। তবে ঘটনায় বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলে দমকল পৌঁছনোর আগেই নিভিয়ে দেওয়া হয় আগুন।
98 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jul 30, 2025, 03:37 PM
'সর্বজনীন ক্যান্সার টিকা "-র স্বপ্ন বাস্তবায়নের আরও কাছাকাছি বিজ্ঞানীরা

'সর্বজনীন ক্যান্সার টিকা "-র স্বপ্ন বাস্তবায়নের আরও কাছাকাছি বিজ্ঞানীরা

গেইনসভিল(ফ্লোরিডা):নানা ধরনের ক্যানসার (Cancer) নির্ণয় ও রোগ সারানোর নানা ওষুধ ও থেরাপি ইতিমধ্যেই আয়ত্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু সব ধরনের ক্যানসার এক ওষুধে সারানোর মতো ব্যাপার এখনও তাঁদের অধরা। ক্যানসারের মতো একটা ভয়ংকর অসুখকে একেবারে গোড়া থেকে সারিয়ে ফেলার স্বপ্ন অনেকদিন ধরেই দেখছে বিজ্ঞান। সেই স্বপ্ন সত্যি হওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে যাওয়ার খবর মিলল সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। গত ১৮ জুলাই ‘নেচার বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং’ জার্নালে একটি খবর বেরিয়েছে, যা রীতিমতো হইচই ফেলে দেওয়ার মতো। ভাবুন তো, শুধু একটা এমআরএনএ ভ্যাকসিন দিয়েই ফুসফুস, লিভার, ব্রেন, কিডনি, প্যানক্রিয়াস–-অর্থাৎ যত কঠিন টিউমার-ভিত্তিক ক্যানসার আছে, সব নাকি পুরো ঠিক হয়ে যাবে! শুনে অবিশ্বাস্য লাগছে, তাই না? এটাই হল সেই বহু প্রতীক্ষিত ‘ইউনিভার্সাল ক্যানসার ভ্যাকসিন’! মান্না দের সেই গানটার কথা মনে আছে তো–-‘ঝড়ের দিগন্ত থেকে স্বপ্ন ছড়ানো’! সত্যিই যেন তেমনই কিছু একটা হতে চলেছে। ড. ইলিয়াস সায়োর-এর নেতৃত্বে ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন। এমআরএনএ ভ্যাকসিন দিয়ে ক্যানসারের চিকিৎসা নতুন নয়। এতদিন বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করতেন ক্যানসার কোষের গায়ে থাকা এমন একটা প্রোটিন খুঁজে বের করতে, যেটা শুধু ক্যানসার কোষেই থাকে, ভালো কোষে থাকে না। তারপর সেই প্রোটিনকে নিশানা করে শরীরের টি-সেল নামের সৈনিক কোষগুলিকে লেলিয়ে দেওয়া হত ক্যানসার কোষ ধ্বংস করার জন্য। রক্তের ক্যানসার চিকিৎসায় এই পদ্ধতি বেশ সফল। কিন্তু অন্য ক্যানসারগুলির ক্ষেত্রে এটি তেমন কাজে আসছিল না। কারণ, ক্যানসার কোষগুলি একেকটা একেকরকম, খুব চালাক! তবে ড. সায়োর-এর দল একেবারেই অন্যরকমভাবে ভেবেছেন। তাঁরা দেখলেন, ক্যানসার কোষের নির্দিষ্ট প্রোটিনকে নিশানা করার দরকার নেই। আসলে সব ক্যানসার কোষই নিজেদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার হাত থেকে লুকোনোর জন্য একটা সাধারণ কৌশল ব্যবহার করে। তারা পিডি-এল১ নামের একটি প্রোটিনকে লুকিয়ে রাখে, যাতে আমাদের শরীরের সৈনিক কোষগুলি তাদের দেখতে না পায়। এই নতুন গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, যদি এমআরএনএ ভ্যাকসিনের সঙ্গে পিডি-১ ইনহিবিটর নামের একটা প্রচলিত ওষুধ একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়, তাহলে ক্যানসার কোষগুলি আর নিজেদের লুকিয়ে রাখতে পারে না।
86 shares
😢
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Jul 30, 2025, 02:32 PM
পৃথিবীর বরফ মানচিত্রের জন্য নাসা-ইসরোর যৌথ উদ্যোগ এনআইএসআর উপগ্রহ উৎক্ষেপণ

পৃথিবীর বরফ মানচিত্রের জন্য নাসা-ইসরোর যৌথ উদ্যোগ এনআইএসআর উপগ্রহ উৎক্ষেপণ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল:নাসা ও ইসরোর উদ্যোগে তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহ ‘নিসার’ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে মহাশূন্যে পাড়ি দিল। বুধবার বিকেল ৫টা বেজে ১০ মিনিটে মহাকাশযাত্রার কথা ছিল ‘নিসারে’র, যদিও পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কৃত্রিম উপগ্রহটির উৎক্ষেপণ সফল হয় ৫টা বেজে ৪০ মিনিটে। ইসরোর তরফে এক্স হ্যান্ডেল উৎক্ষেপণের ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। ক্যাপশানে লেখা হয়েছে,“উৎক্ষেপণ। আমরা উৎক্ষেপণ করেছি! নিসারকে সঙ্গে নিয়ে GSLV-F16 সফলভাবে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছে।” এই বিষয়ে ইসরোর চেয়ারম্যান ড. ভি নারায়ণন বলেন, নিসারের উৎক্ষেপণ কৃত্রিম উপগ্রহের প্রযুক্তিতে বিরাট পদক্ষেপ। #WATCH| NASA-ISRO NISAR satellite onboard GSLV-F16 launched from Satish Dhawan Space Centre (SDSC) in Sriharikota, Andhra Pradesh NISAR, or NASA-ISRO Synthetic Aperture Radar is a joint venture of ISRO and NASA and has been designed to provide a detailed view of the Earth to…pic.twitter.com/Cx942PCufJ — ANI (@ANI)July 30, 2025 জানা যাচ্ছে, ভূপৃষ্ঠ, সমুদ্র, বরফ এবং অরণ্যের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করবে ১.৫ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা) খরচে তৈরি নিসার। তবে এর নির্মাণ খরচের মধ্যে ৭৮৮ কোটি টাকা দিয়েছে ইসরো। আপাত ভাবে এই বিনিয়োগ বিপুল অঙ্কের হলেও তা শেষপর্যন্ত ‘লাভদায়ক’ হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। জানা যাচ্ছে, প্রতি ৯৭ মিনিটে পৃথিবীকে চক্কর কাটবে সে। এবং মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই এই গ্রহের ভূখণ্ড ও তুষারাবৃত অঞ্চলের বিস্তৃত মানচিত্র তৈরি করে ফেলবে। সবচেয়ে বড় কথা, অন্ধকার, মেঘ, ধোঁয়া ইত্যাদিকে এড়িয়ে পৃথিবীর সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম পরিবর্তনও ধরে ফেলতে পারবে নিসার। ফলে এই সব তথ্য গবেষকদের কাছে অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠবে। বিনামূল্যেই সেই তথ্য ব্যবহার করে বিজ্ঞানী, জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা তাঁদের কাজ চালাতে পারবেন। ফলে আগামিদিনে অনেক বড় আবিষ্কারের পথ খুলে দিতে পারে নিসার অন্বেষণ। অসমে প্রতি বছরই হওয়া বন্যার আগাম হদিশ কিংবা হিমালয়ের হিমাবাহের গলন কত দ্রুত হচ্ছে সবই বের করা সম্ভব হবে। তবে উৎক্ষেপণের পরই সেটি কর্মক্ষম হয়ে উঠবে না। উৎক্ষেপণের পর তা সেটআপ করতে ৯০ দিন সময় লাগবে। তারপরই সেটি কাজ শুরু করবে। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
33 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jul 26, 2025, 02:37 PM
রাজগঞ্জ-এর রামপ্রসাদ মোদক-এ অলৌকিক দাবির পিছনে বিজ্ঞানের সন্ধান পেলেন পড়ুয়ারা

রাজগঞ্জ-এর রামপ্রসাদ মোদক-এ অলৌকিক দাবির পিছনে বিজ্ঞানের সন্ধান পেলেন পড়ুয়ারা

রামপ্রসাদ মোদক, রাজগঞ্জ:আনন্দে লাফাচ্ছিল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ঊর্মি দেবনাথ। জিজ্ঞাসা করতে ঊর্মি বলে, ‘বাবাদের ভণ্ডামি ধরে ফেলেছি। বাড়ি গিয়ে মাকেও এই ভণ্ডামির কারবারের হাতেকলমে প্রমাণ দেব। কিছুদিন আগে আমাদের বাড়িতে এক সাধুবাবা আসেন। মাকে বলেন, তিনি নাকি অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী। ক্ষমতা দেখাতে গিয়ে মাটির মতো কিছুটা জিনিস নিয়ে কাগজের সঙ্গে ঘষে আগুন জ্বালিয়ে দেখান তিনি। এরপর আমার মা সেই সাধুর ক্ষমতা দেখে তাজ্জব হয়ে গিয়ে পারলে তাঁর পুজো করেন! কিন্তু তাঁর অলৌকিক ক্ষমতার রহস্য কী, জানতে পেরে আমি আনন্দে আত্মহারা।’ ঊর্মি বলে, ‘স্যররা দেখিয়ে দিয়েছেন বাজারের পটাশিয়াম সার কাগজের টুকরোয় গ্লিসারিন মাখিয়ে ঘষলেই আগুন জ্বলে উঠছে। আজকে জানতে পারলাম, এতে কোনও অলৌকিক কিছু নেই, সবটা বিজ্ঞান।’ অষ্টম শ্রেণির ছাত্র দেবজি‌ৎ দাস বলে, ‘একটি গ্লাসে জল নিয়ে তার উপরে পোস্ট কার্ড রেখে উলটে দিলে এক ফোঁটাও জল পড়ছে না। এই পরীক্ষা নিজে হাতে করে দেখতে পেয়ে খুব আনন্দ হচ্ছে। আজ বায়ুর চাপ সম্পর্কে বুঝতে পারলাম।’ শুক্রবার রাজগঞ্জের সারিয়াম যশোধর হাইস্কুলে ‘এসো মজার ছলে বিজ্ঞান শিখি’ নামের শিবিরের আয়োজন করে, পড়ুয়াদের হাতেকলমে বিজ্ঞান শিক্ষা দেয় ‘বিজ্ঞান দরবার কলকাতা’ এবং ‘সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাব জলপাইগুড়ি’। কলকাতার বিজ্ঞান দরবারের প্রাক্তন সম্পাদক জয়দেব দে বলেন, ‘হাতেকলমে পড়ুয়াদের বিজ্ঞান শিক্ষা দেওয়ায় বিজ্ঞানের প্রতি ওদের আগ্রহ অনেক বাড়ে। যেমন একটি বেলুনকে একটি কাপের মধ্যে দিয়ে ফুলিয়ে দিতে পারলে কাপটি বেলুনের গায়ে লেগে থাকবে। এটা হল ঘর্ষণ বল।’ জলপাইগুড়ি সায়েন্স অ্যান্ড নেচারের সম্পাদক ডঃ রাজা রাউত বলেন, ‘বর্তমানে পড়াশোনার পাঠক্রমে, বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের হাতেকলমে শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হল, হাতেকলমে শিক্ষা দেওয়ার মতো পরিকাঠামো গ্রামীণ স্কুলগুলোয় নেই। সেইজন্যই নো কস্ট এবং লো কস্ট কিছু সামগ্রী নিয়ে বিদ্যালয়গুলিতে বিজ্ঞান শিক্ষা দেওয়ায় উদ্দেশ্যেই আজ এই শিবিরের আয়োজন।’ এই প্রসঙ্গে সারিয়াম যশোধর হাইস্কুলের শিক্ষক সুবীর সরকার বলেন, ‘দুটি সংস্থাকেই ধন্যবাদ। তাঁরা আমাদের মতো গ্রামীণ এলাকার স্কুলে এসে ছাত্রছাত্রীদের শেখালেন বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি।’
30 shares
😊
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jul 23, 2025, 02:33 PM
শিলিগুড়ির বাসিন্দা ডঃ সৌমি ব্যানার্জি ব্রেকথ্রু গবেষণায় নতুন রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করেছেন

শিলিগুড়ির বাসিন্দা ডঃ সৌমি ব্যানার্জি ব্রেকথ্রু গবেষণায় নতুন রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করেছেন

রণজিৎ ঘোষ, শিলিগুড়ি:রক্তের নতুন গ্রুপ আবিষ্কারের (New blood group discovered) সঙ্গে নাম জুড়ল শিলিগুড়ির (Siliguri)। আর তা সম্ভব হয়েছে এখানকার ভূমিকন্যা ডাঃ সৌমী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃতিত্বের জন্য। বেঙ্গালুরুর যে ল্যাবরেটরিতে এই নতুন রক্তের গ্রুপ প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল, সেখানকার ট্রান্সফিউশন মেডিসিনের গবেষক তথা ল্যাব কনসালটেন্ট ডাঃ সৌমী। সৌমীর বাবা ডাঃ শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ও শিলিগুড়ির প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক। তিনি উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ইএনটি বিভাগে স্পেশালিস্ট মেডিকেল অফিসার হিসাবে কর্মরত। মেয়ের সাফল্যে গর্বিত শেখরবাবুও। ছোটবেলায় রায়গঞ্জের সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে পড়াশোনা করলেও, পরবর্তীতে শিলিগুড়ির ব্যাংডুবি সেনা স্কুলে শিক্ষালাভ সৌমীর। উচ্চশিক্ষা লাভের পর কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস পাশ করেন তিনি। এমডি করার জন্য যান বেঙ্গালুরুতে। এমডি এবং ডিএনবি পাশ করার পরে পাঁচ বছর ধরে সেখানকার রোটারি টিটিকে ব্লাড সেন্টারে ইমিউনো হেমাটোলজি কনসালটেন্ট হিসাবে কাজ করছেন সৌমী। মূলত রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করাই তাঁর কাজ। জানা গিয়েছে, কোনও ব্লাড ব্যাংকের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় থেকে অন্য যে কোনও সমস্যায় বা রক্তের গ্রুপ নিয়ে প্রশ্ন থাকলে, সেই রক্ত পরীক্ষার জন্য এই ব্লাড সেন্টারটিতে পাঠানো হয়। এছাড়াও রোটারি টিটিকে একটি অত্যাধুনিক ব্লাড ব্যাংক যেখানে একটি রেয়ার ডোনার রেজিস্ট্রি তৈরি করা হয়েছে, যা এই ধরনের বিরল রক্তের গ্রুপের রোগীদের সাহায্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছে। সৌমী বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ডাক্তার লতা জগন্নাথন, ডাক্তার অঙ্কিত মাথুর, এবং বিজয় রেড্ডিকে নিয়ে গঠিত অভিজ্ঞ চিকিত্সক ও টেকনিশিয়ানদের এই দলটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও বেশ কয়েকটি বিরল রক্তের গ্রুপের রোগীদের শনাক্তকরণ ও ট্রান্সফিউশনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই কেসগুলি একাধিক আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থাপন করা হয়েছে। সৌমী জানান, কর্ণাটকের কোলারের একটি হাসপাতালে একজন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর হৃৎপিণ্ডে অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চলছিল। চিকিৎসক সেই রোগীর জন্য কয়েক ইউনিট রক্ত মজুত করতে বলেছিলেন। ওই রোগীর ‘ও পজিটিভ’ রক্ত ছিল। কিন্তু রোগীর রক্ত নিয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে থাকা ৮-১০ জন রক্তদাতার ‘ও পজিটিভ’ রক্তের সঙ্গে ক্রস ম্যাচিং করাতে গিয়ে বিপত্তি বাধে। কোনও ‘ও পজিটিভ’ রক্তের সঙ্গেই ওই রোগীর রক্ত মিলছিল না। এরপরেই ওই হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক রোগীর রক্তের নমুনা তাঁদের ব্লাড সেন্টারে পাঠায়। নানান পরীক্ষায় দেখা যায়, ওই রোগীর রক্তের সঙ্গে অন্য কোনও ও পজিটিভ রক্ত মিলছে না। ওই মহিলার শরীরে দুর্লভ কোনও রক্ত রয়েছে, তখনই সন্দেহ হয়। টিম তৈরি করে ১৫০ কিলোমিটার দূরে ওই রোগীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের আরও ২০ জনের রক্তের নমুনা নেওয়া হয়। কিন্তু ২০ জনের সঙ্গেও ওই রোগীর রক্তের নমুনা মেলেনি। তারপরেই রোগী এবং তাঁর পরিবারের মোট ২১ জনের রক্ত ইংল্যান্ডের ইন্টারন্যাশনাল ব্লাড গ্রুপ রেফারেন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। ১০ মাস পরীক্ষানিরীক্ষার পরে ওই আন্তর্জাতিক ল্যাবরেটরি জানায়, ওই মহিলার রক্তে একটি বিরল অ্যান্টিজেন রয়েছে। এটাকে ক্রোমার সিস্টেমের অ্যান্টিজেন হিসাবে ধরা হয়। যা আগে কখনও শনাক্ত করা হয়নি। সৌমী বলছেন, ‘বেঙ্গালুরুর কোনারের এই রোগীই বিশ্বের প্রথম, যাঁর শরীরে এই রক্ত পাওয়া গিয়েছে। ওই ল্যাবরেটরিতেই নতুন এই রক্তের নাম দেওয়া হয় সিআরআইবি। ক্রোমারের সিআর এবং ইন্ডিয়ার আই, বেঙ্গালুরুতেই যেহেতু প্রথম শনাক্ত হয়েছে, সে জন্য বি।’ এই নতুন অ্যান্টিজেন আবিষ্কারের পরে মে মাসে ইতালির মিলানে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ব্লাড ট্রান্সফিউশন সংস্থার কনফারেন্স হয়। সেই কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন সৌমী বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌমীর বক্তব্য, ‘সেখানে এই রক্তের আবিষ্কার সম্পর্কে সমস্ত তথ্য তুলে ধরা হয়। সমস্ত নথিপত্র দেখার পর ওই সংস্থা ৩১ মে নতুন অ্যান্টিজেন হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।’
24 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Jul 20, 2025, 03:56 PM
কার্ড ছাড়াই এ. টি. এম থেকে নগদ টাকা তুলুনঃ একটি নির্দেশিকা

কার্ড ছাড়াই এ. টি. এম থেকে নগদ টাকা তুলুনঃ একটি নির্দেশিকা

আজকাল ওয়েবডেস্ক: মাঝে মাঝে এমন হয় যে আমাদের নগদ টাকার প্রয়োজন হয়, কিন্তু আমরা এটিএম কার্ডটি বাড়িতে ভুলে যাই। যদি এখন আপনার সঙ্গেও এমনটি ঘটে, তাহলে আর হতাশ হওয়ার দরকার নেই। প্রযুক্তি এতটাই এগিয়ে গেছে যে, এখন আপনি কার্ড ছাড়াই এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন। আপনার কেবল আপনার মোবাইল এবং ইউপিআই অ্যাপ থাকা দরকার। আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে আপনি টাকা তুলতে পারবেন। এই নতুন সুবিধাটি কী?আজকাল দেশের প্রায় সব বড় ব্যাঙ্ক যেমন SBI, HDFC, ICICI, PNB, UCO ব্যাংক, Axis ইত্যাদি তাদের গ্রাহকদের কার্ড ছাড়াই এটিএম থেকে টাকা তোলার সুবিধা দিচ্ছে। এর জন্য, বেশিরভাগ ব্যাঙ্ক UPI বা তাদের মোবাইল অ্যাপ যেমন YONO, iMobile, UCash ইত্যাদি ব্যবহার করে। আসুন জেনে নেওয়া যাক আপনি কীভাবে টাকা তুলতে পারবেন। এটিএম কার্ড ছাড়াই এটিএম থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি? - প্রথমে ATM-এ যান এবং স্ক্রিনে 'কার্ডলেস ক্যাশ উইথড্রয়াল' বা 'UPI ক্যাশ উইথড্রয়াল' বা 'YONO ক্যাশ'-এর মতো একটি বিকল্প বেছে নিন। - আপনার স্ক্রিনে একটি QR কোড বা কোড নম্বর আসবে। - আপনার ফোনে যেকোনো UPI অ্যাপ (যেমন Paytm, PhonePe, GPay, BHIM ইত্যাদি) খুলুন এবং সেখানে 'Scan & Pay' দিয়ে সেই QR কোডটি স্ক্যান করুন। - আপনি যে পরিমাণ টাকা তুলতে চান তা লিখুন এবং UPI পিন দিয়ে লেনদেন নিশ্চিত করুন। - কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ATM থেকে টাকা বেরিয়ে আসবে এবং কার্ড দেখানোর প্রয়োজন হবে না। বিঃদ্রঃ- SBI-এর মতো কিছু ব্যাঙ্ক তাদের YONO অ্যাপ থেকে ৬-সংখ্যার YONO ক্যাশ কোডও দিয়ে থাকে, যা আপনি ATM-এ প্রবেশ করিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা তুলতে পারবেন। এই বিষয়গুলিতে বিশেষ মনোযোগ দিন - আপনার স্মার্টফোনে একটি UPI অ্যাপ থাকা উচিত। - ব্যাঙ্কের সেই শাখা বা ATM-এ কার্ডলেস/UPI উইথড্রয়াল সুবিধা থাকা উচিত। - প্রতিটি ব্যাঙ্কে একদিনে টাকা তোলার সীমা আলাদা হতে পারে। এই পদ্ধতির সুবিধা - কার্ড হারিয়ে গেলে বা বাড়িতে ভুলে গেলেও আপনি টাকা তুলতে পারবেন। - কার্ড ক্লোনিং বা স্কিমিংয়ের মতো জালিয়াতির কোনও ঝুঁকি নেই। - এই পদ্ধতিটি বয়স্ক বা তরুণদের জন্যও খুবই সহজ এবং নিরাপদ। আরও পড়ুন-প্রবীণদের জন্য স্বস্তি, দু'বছরের এফডি-তে এই ব্যাঙ্কের সুদের হার ৮.১০ শতাংশ মজাই মজা! এই দেশগুলিতে গেলে দিতে হবে না এক পয়সা করও, উপার্জনের পুরোটাই আপনার
65 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jul 15, 2025, 03:42 PM
বিমান বাহিনীর পাইলট আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গ্রাউন্ডব্রেকিং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন

বিমান বাহিনীর পাইলট আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গ্রাউন্ডব্রেকিং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন

বিমানবাহিনীর পাইলটকে মহাশূন্যে ফলাতে হয়েছে মেথির চারাও। কেবল এই একটিই নয়, সরাসরি অন্তত ৭ ধরনের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালিয়েছেন শুভাংশু শুক্লা।বুধবার বিকেলে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়াগোর সমুদ্রে তাঁদের নিয়ে ঝাঁপ দিয়েছে মহাকাশযান ‘ড্রাগন ক্যাপসুল’। সঙ্গীদের সঙ্গে বেরিয়ে এসেছেন শুভাংশু। আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে ১৮ দিন কাটিয়ে পৃথিবীতে ফেরার পর ভেসে গিয়েছেন অভিনন্দনের বন্যায়।ভারতের শুভাংশু শুক্লার মহাকাশ অভিযানে সঙ্গী ছিলেন পেগি হুইটসন, পোলান্ডের স্লজ উজানস্কি উইসেনস্কি এবং হাঙ্গেরির টিবর কাপু। ‘নাসা’ জানিয়েছে মোট ৬০ ধরনের পরীক্ষা চালিয়েছে চার মহাকাশচারীর এই দলটি। আর ভারতের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইসরো’ জানিয়েছে শুভাংশু নিজেই চালিয়েছেন ৭ ধরনের পরীক্ষা। তার কোনো কোনোটিতে তাঁর শরীরকেই গবেষণার বিষয় করেছেন তিনি নিজেই। সেভাবেই দেওয়া হয়েছিল দীর্ঘ প্রশিক্ষণ।মুগ এবং মেথির বীজ মহাকাশে মাধ্যাকর্ষণ বিহীন অবস্থায় কী করে দেখেছেন শুভাংশু। বীজ থেকে চারা ফলানোর জন্য আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের সরঞ্জাম ব্যবহার করেছেন।আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র আসলে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ। পৃথিবীকে ঘিরে পাক খায়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য এখানেই মহাকাশযান নিয়ে পৌঁছান মহাকাশচারীরা।ইসরো জানাচ্ছে, মানবশরীরের পেশিতে মহাকাশের প্রভাব নিয়েও গবেষণা করেছেন শুক্লা। পেশি তৈরি হওয়া বা মায়োজেনেসিস প্রক্রিয়া দেখতে হয়েছে। ভারতের ‘গগনায়ন’ প্রকল্প বেরিয়ে আসা তথ্যে বিশেষ উপকৃত হবে।শুক্লার গবেষণার তালিকায় ছিল টারডিগ্রেডস নামে অনুজীবও। কঠিন আবহাওয়ায় টিকে থাকতে পারে এই অনুজীব। তারই ভারতীয় প্রকরণে মহাশূন্যের প্রভাব দেখেছেন তিনি।এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার ওপরও গবেষণা হয়েছে। মনে করা হয় জলজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষ, অর্থাৎ উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়া, যা থেকে পরিবেশে আসে অক্সিজেন, তা নিয়েও গবেষণা চালিয়েছেন শুক্লা। গবেষণা করেছেন, খাদ্য ও জ্বালানি নিয়ে। লক্ষ্ণৌয়ের শুভাংশুর গবেষণার তালিকায় থেকেছে অভিকর্ষ বিহীন অবস্থায় বিশেষ ধরনের কম্পিউটার স্ক্রিনে প্রভাবও।
61 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Jul 14, 2025, 02:46 PM
যুদ্ধক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তারের জন্য ভারত অ্যাডভান্সড আর্টিলারি গান সিস্টেম, এ. টি. এ. জি. এস-এর উন্মোচন করেছে

যুদ্ধক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তারের জন্য ভারত অ্যাডভান্সড আর্টিলারি গান সিস্টেম, এ. টি. এ. জি. এস-এর উন্মোচন করেছে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:অমৃতসর থেকে তোপ দাগলে ধ্বংস হবে লাহোর! পদাতিক বাহিনীর জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে এমনই শক্তিশালী কামান তৈরি করেছে ডিআরডিও। এই কামান বা তোপের পোশাকি নাম হল ‘অ্য়াডভান্সড টাওয়েড আর্টিলারি গান সিস্টেম’ (এটিএজিএস)। ডিফেন্স ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের দাবি, যুদ্ধের ময়দানে এটিজিএস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ডিআরডিও জানিয়েছে, কার্গিল যুদ্ধে জরুরি ভূমিকা পালন করা বোফর্স কামানের উত্তরসূরি এটিজিএস। এটি ১৫৫ মিমি/৫২ ক্যালিবারের কামান। যেটিকে যৌথ প্রকল্পে তৈরি করেছে ভারত ফোর্জ এবং টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেড। এর অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দূরের লক্ষ্যেও নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম। এটিজিএস প্রতিপক্ষকে তোপ দাগার পরেই নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে স্থান পরিবর্তন করে। উল্লেখ্য, আমেরিকা, চিনের মতো প্রথমসারির সামরিক শক্তিগুলির কাছে রয়েছে অতি শক্তিশালী কামান। ভারতের তৈরি এডিজিএস কম যায় না। এর অসাধারণ পাল্লার কারণে। ৪৮ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানতে পারে। অর্থাৎ পাঞ্জাবের অমৃতসর থেকে পাকিস্তানের লাহোর শহরে আঘাত হানতে পারে এটি। উল্লেখ্য, উভয় শহরের দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার। এটিজিএস প্রথমবার তোপ দাগতে সময় নেয় ৮০ সেকেন্ড। পরবর্তী ক্ষেত্রে ৬০ সেকেন্ডে পর পর পাঁচবার কামান থেকে গোলা ছুড়তে পারে। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
45 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Jun 25, 2025, 02:47 PM
এফডিএ এইচআইভি প্রতিরোধের যুগান্তকারী ওষুধ অনুমোদন করেছেঃ'ইয়েজটুগো'লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য আশা প্রদান করে

এফডিএ এইচআইভি প্রতিরোধের যুগান্তকারী ওষুধ অনুমোদন করেছেঃ'ইয়েজটুগো'লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য আশা প্রদান করে

আজকাল ওয়েবডেস্কঃগোটা বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী রোগের মধ্যে একটি এডস। হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস বা এইচআইভি এক বার মানব শরীরে প্রবেশ করলে তা আক্রমণ করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে। এই ভাইরাস শরীরের ইমিউনিটিকে এমনভাবে তছনছ করে দেয় যে, সামান্য অসুখও বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায়। তাড়া করে মৃত্যু ভয়। আর এই এডসের চিকিৎসাতেই আশার আলো দেখালেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি এইচআইভির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চিকিৎসা জগৎ এক ঐতিহাসিক মাইলফলকে পৌঁছেছে। মারণ ব্যধিকে রুখে দিতে নতুন ওষুধ আসতে চলেছে বাজারে। এই ওষুধটি এডস প্রতিরোধে ১০০ শতাংশ কার্যকরী বলে দাবি করা হয়েছে। আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) ওষুধটির ছাড়পত্র দিয়েছে, যা তৈরি করেছে গিলিয়েড সায়েন্সেস নামের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা। এইচআইভি প্রতিরোধের জন্য বছরে দু'বার ইনজেকশনের মাধ্যমে রোগীর শরীরে ওষুধ দেওয়ার অনুমোদন করেছে এফডিএ। ইয়েজটুগো নামে এই যুগান্তকারী ওষুধটি দৈনিক ট্যাবলেট বা মাসিক ইনজেকশন নয়, বছরে মাত্র দুটি ইনজেকশনের মাধ্যমে এইচআইভি থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারবে। গবেষণার ক্লিনিকাল ট্রায়ালগুলোতে ৯৯% এরও বেশি মানুষ এইচআইভি সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত ছিলেন। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের জগতে এডসের এই ওষধের কার্যকারিতা বিপুল সাফল্য আনতে চলেছে। যদিও চ্যালেঞ্জ এখনও শেষ হয়নি। ওষুধের দাম এবং সাধারণ মানুষের কাছে কতটা এই ওষুধ পৌঁছবে তা ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের। গিলিয়েড ইতিমধ্যে ১২০ টিরও বেশি দেশে জেনেরিক সংস্করণ তৈরির জন্য লাইসেন্স দিয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে লক্ষ লক্ষ ডোজ তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে এই সংস্থা। কফির নেশা কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি! কোন কফিতে চরম ঝুঁকি? গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
47 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Jun 6, 2025, 03:11 PM
চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প ইলন মাস্কের সাথে ফোন কল প্রত্যাখ্যান করেছেন

চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প ইলন মাস্কের সাথে ফোন কল প্রত্যাখ্যান করেছেন

ইলন মাস্কের সঙ্গে কি ফোনে কথাবলবেন? প্রশ্ন করা হয়েছিল ডোনাল্ডট্রাম্পকে। ওই প্রশ্ন শুনেই রীতিমতো ঝাঁঝিয়ে উঠলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর কটাক্ষসিক্ত জবাব,‘‘যে লোকটার মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে?’’ ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এখনই মাস্কেরসঙ্গে কথা বলার কোনও ইচ্ছেই নেই তাঁর। ট্রাম্প এবং মাস্কের প্রকাশ্যে বাদানুবাদচরমে উঠেছে বিগত কয়েক ঘণ্টায়। সুর সপ্তমে চড়িয়ে মাস্ক দাবি করেছেন, তিনি সাহায্যনা করলে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জিততেই পারতেন না। পাল্টা আর্থিক অবরোধেরহুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্পও। এই অবস্থায় দু’জনের মধ্যে কথা বলিয়ে শৈত্য কাটানো যায়কি না, হোয়াইট হাউসের তরফে সেই চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিভিন্ন মার্কিনসংবাদমাধ্যম। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল, শুক্রবারই দু’জনের মধ্যে ফোনে কথা হতে পারে। সেই জল্পনায় ইতি টানতে স্বয়ংট্রাম্পের কাছ থেকেই বিষয়টি জানতে চেয়েছিল মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ। তারজবাবে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, মাস্কের সঙ্গে এখনই কথা বলার ইচ্ছে তাঁর নেই। ট্রাম্পেরএ-ও দাবি, মাস্কই আসলে কথা বলতে চেয়েছেন। কিন্তু তিনি কথা বলতে চান না। দ্বিতীয় বার আমেরিকার প্রেসিডেন্টহওয়ার পর থেকেই ট্রাম্পের সঙ্গে মাস্কের ‘সুসম্পর্ক’ নিয়ে চর্চা শুরু হয় বিভিন্নমহলে। প্রায়ই দু’জনকে একসঙ্গে দেখা যেত। প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসে মাস্ককেনিজের বিশেষ পরামর্শদাতা হিসাবে নিয়োগ করেছিলেন ট্রাম্প। তাঁর জন্য আলাদা একটিদফতরও তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্পের ‘জনকল্যাণমূলক’ বিলকে ‘জঘন্য পদক্ষেপ’বলে চিহ্নিত করে প্রশাসনিক উপদেষ্টার পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেন মাস্ক। ছেড়ে দেনখরচ কমানোর দফতরের দায়িত্বভারও। তার পর থেকেই দু’জনের সম্পর্কে অবনতি ঘটে। গত কয়েকদিনে তা প্রকাশ্যেও চলে এসেছে। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, মাস্ককে ছাড়াইতিনি আমেরিকার পেনসিলভেনিয়া প্রদেশে জিততে পারতেন। ট্রাম্পের ওই দাবি সম্বলিতভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই একটি পোস্ট করেন টেসলা এবং এক্স-এর কর্ণধারমাস্ক। সেখানে তিনি লেখেন, “আমার সাহায্য ছাড়া ট্রাম্প এই নির্বাচনে জিততে পারতেননা।” মাস্কের দাবি, সে ক্ষেত্রে মার্কিন আইনসভার নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজ়েন্টেটিভসেডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতেন আর উচ্চকক্ষ সেনেটে অল্পের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতাবজায় থাকত রিপাবলিকানদের। অবশ্য ভোটে জিততে ট্রাম্পকে তিনি কী ভাবে সাহায্যকরেছিলেন, তার ব্যাখ্যা দেননি মাস্ক। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়িয়ে‘বড় বোমা’ ফেলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মাস্ক। বিতর্কিত ‘এপস্টাইন ফাইলে’ ট্রাম্পেরনাম রয়েছে, সে কথা উল্লেখ করে দাবি করেছেন, শুধু এই কারণেই ফাইলটি প্রকাশ্যে আনা হয়নি। বোমাসংক্রান্ত পোস্টটি পুনরায় প্রকাশ্যে এনে মাস্ক লিখেছেন, “ভবিষ্যতের জন্য এটাকে মাথায় রেখেদিন। সত্যি সামনে আসবে।” প্রসঙ্গত, জেফ্রি এপস্টাইন নামের এক বিতর্কিতব্যক্তির ঘনিষ্ঠ এক জনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকেছিলেন ভার্জিনিয়া গিফরেনামের এক মহিলা। মামলার নথিতে এপস্টাইন-ঘনিষ্ঠদের যাবতীয় তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল।শোনা গিয়েছিল, যৌন কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত এপস্টাইনের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠসম্পর্কের কথা। এ-ও শোনা যায় এপস্টাইনের বিলাসবহুল বিমান ‘লোলিটা এক্সপ্রেস’-এচেপে বেশ কয়েক বার বিভিন্ন দেশে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। চলতি বছরের গোড়ায় ওই ফাইলেরএকাংশ প্রকাশ্যে আনা হয়। কিন্তু মাস্ক ওই ফাইলের পুরো অংশ প্রকাশ্যে আনার দাবিজানিয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, একটি সাক্ষাৎকারে প্রশ্নকর্তার সুরে সুর মিলিয়ে মাস্কবলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ‘ইমপিচ’ (পদচ্যুত) করা উচিত এবং তাঁর জায়গায় ভাইসপ্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সকে বসানো উচিত। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবারট্রাম্প বলেছিলেন, “আমি ইলনের ব্যাপারে খুবই হতাশ। ওঁর সঙ্গে আর দারুণ সম্পর্ক থাকবে কি নাজানা নেই।” তার পর একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করে মাস্কও বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, দু’জনের মধ্যে‘দারুণ সম্পর্ক’ আর নেই। ট্রাম্পও মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্সের সঙ্গে চুক্তিবাতিলের কথা বলেছেন। সেই আবহে দু’জনের একান্তে আলোচনায়বসার জল্পনা তৈরি হওয়ায় অনেকেই মনে করছিলেন, এ বার হয়তো এই আক্রমণ, প্রতি আক্রমণথামবে। হয়তো নিজেদের মধ্যে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ মিটিয়ে নেবেন ট্রাম্প-মাস্ক। কিন্তুমার্কিন প্রেসিডেন্টের মাস্ক সম্পর্কে ‘মাথা খারাপ’ মন্তব্যের পর তা আর সম্ভব হবেনা বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
43 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Jun 6, 2025, 03:02 PM
প্রাথমিক ছাড়পত্র প্রত্যাখ্যানের পর স্টারলিঙ্কের ভারতীয় লঞ্চ বিলম্বিত

প্রাথমিক ছাড়পত্র প্রত্যাখ্যানের পর স্টারলিঙ্কের ভারতীয় লঞ্চ বিলম্বিত

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:ভারতে স্টারলিঙ্কের ছাড়পত্র পেতে ৩ বছর আগে আবেদন জানিয়েছিল এলন মাস্ক। অবশেষে সেই আবেদনে শিলমোহর দিল মোদি সরকার। অনুমান করা হচ্ছে, এই সিদ্ধান্তের জেরে ভারতে স্যাটেলাইট নির্ভর ইন্টারনেট পরিষেবায় আসতে চলেছে নবজোয়ার। অনুমান করা হচ্ছে, এই অনুমতির জেরে এয়ারটেল ও জিও’র সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে ভারতে অত্যাধুনিক ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করবে স্টারলিঙ্ক। জানা যাচ্ছে, ২০২২ সালেই ভারতের বাজারে প্রবেশ করতে আবেদন জানিয়েছিল স্টারলিঙ্ক। যদিও সেই সময় জাতীয় নিরাপত্তাজনিত একাধিক বিষয় মাথায় রেখে মাস্কের সংস্থাকে অনুমতি দেয়নি ভারত সরকার। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, অবশেষে সমস্ত বাধা কাটিয়ে ভারতের বাজারে ব্যবসা শুরু করতে চলেছে স্পেসএক্সের অধীনস্থ স্টারলিঙ্ক। উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসেই ভারতে স্যাটেলাইট নির্ভর ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করতে স্পেসএক্সের সঙ্গে চুক্তি করেছিল এয়ারটেল। পরে সেই পথে হাঁটে মুকেশ আম্বানির জিও। তবে চুক্তি সম্পন্ন হলেও সেখানে শর্ত ছিল পরিষেবা তখনই পাওয়া যাবে যখন ভারত সরকারের তরফে এর অনুমোদন দেওয়া হবে। অবশেষে জানা যাচ্ছে সব কাটিয়ে শীঘ্রই ভারতে অত্যাধুনিক ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করবে এলন মাস্কের সংস্থা। যার ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতেও এবার সহজে পৌঁছে যাবে ইন্টারনেট পরিষেবা। যদিও স্টারলিঙ্ক বা ভারতের টেলিকম সংস্থার তরফে এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ ব্যবহার করেন স্টারলিঙ্কের অত্যাধুনিক ইন্টারনেট পরিষেবা। রিপোর্ট বলছে, এই মুহূর্তে মহাকাশে ৬৭৫০টি স্যাটেলাইট রয়েছে মাস্কের সংস্থার। লো আর্থ অরবিট (ভূপৃষ্ঠের ১৬০ থেকে ২০০০ কিমি উচ্চতা) থেকে এই পরিষেবা প্রধান করা হয়। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যেহেতু এই পরিষেবা প্রধান করা হয়ে থাকে ফলে যে কোনও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সহজে ইন্টারনেট ব্যবহার সহজ হয়ে উঠবে এই পরিষেবায়। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
16 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
May 29, 2025, 02:37 PM
রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক জটিল প্রতিক্রিয়া ব্যাখ্যা দিয়ে আদালতকে স্তব্ধ করে দিয়েছেন

রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক জটিল প্রতিক্রিয়া ব্যাখ্যা দিয়ে আদালতকে স্তব্ধ করে দিয়েছেন

মধ্যপ্রদেশে এক রসায়নের অধ্যাপিকার বিরুদ্ধে বিদ্যুতের শক দিয়ে স্বামীকে খুনের অভিযোগ। সেই মামলার শুনানির সময় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যে ভিত্তিহীন তা প্রমাণ করতে তিনি যে রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন, তাতে তাজ্জব বনে যান বিচারপতি থেকে শুরু করে আইনজীবী ও অন্যান্যরা। জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে বিচারপতি বিবেক আগরওয়াল ও বিচারপতি দেবনারায়ণ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলাটির শুনানি চলছিল। আসামি বছর ষাটের মমতা পাঠক। তিনি রসায়নের একজন ক্ষুরধার অধ্যাপক। ২০২১ সালে অভিযুক্ত মমতা পাঠকের বিরুদ্ধে তাঁর স্বামী নীরজ পাঠককে বিদ্যুতের শক দিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই মামলাটির শুনানির সময় মমতা নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের সাপেক্ষে তাঁর রসায়নের জ্ঞানের ভান্ডার তুলে ধরেন। আদালতকে তিনি বোঝানোর চেষ্টা করেন, যে অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে তোলা হচ্ছে, সেটিকে বিদ্যুতের শক দিয়ে খুন বলা যাবে না। একটি টিস্যুর মধ্যে বৈদ্যুতিক প্রবাহ গেলে কী হয়, সে বিষয়ে একটি জটিল ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযুক্ত। সেখানে তিনি জমে থাকা ধাতব কণার পরিমাণ, ল্যাব পরীক্ষায় অ্যাসিডভিত্তিক পৃথকীকরণের খুঁটিনাটি ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, এগুলি কেবল পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণের পরে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। অধ্যাপকের সেই ব্যাখ্যা শুনে গোটা আদালত স্তম্ভিত হয়ে যায়। এর পরই অভিযুক্ত মমতা পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করে দাবি করেন, কেন এই মৃত্যুকে ‘ইলেকট্রিক বার্ন’ বলা যাবে না। রসায়নের ভাষায় ব্যাখ্যা করে সেটি বিচারপতিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। আর তাঁর এই ব্যাখ্যা শুনে বিচারপতিও স্তম্ভিত হয়ে যান। পাল্টা তিনি বলেন, ‘‘আপনি রসায়নের অধ্যাপক, তাই না?’’ এ কথা শুনে অভিযুক্তের উত্তর, ‘হ্যাঁ, হুজুর।’ এদিন শুনানির সময় বিচারপতি মমতাকে প্রশ্ন করেন, স্বামীকে খুনের অভিযোগ রয়েছে আপনার বিরুদ্ধে। বিদ্যুতের শক দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অন্তত সেটাই বলছে। এ বিষয়ে কিছু বলার আছে আপনার? জবাবে অভিযুক্ত মমতা বলেন, আমার বিরুদ্ধে ভুল অভিযোগ তোলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টও ভুল রয়েছে। কোনটা ‘থার্মাল বার্ন’ আর কোনটা ‘ইলেকট্রিক বার্ন’, ময়নাতদন্তের ঘরে তা আলাদা করে চিহ্নিত করা হয়নি। সেখানে সেটা চিহ্নিত করা সম্ভবও নয়। এরপরই বিচারপতি পাল্টা প্রশ্নে করেন, কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তো তা-ই বলছে! জবাবে প্রয়াত নীরজ পাঠকের স্ত্রী অভিযুক্ত মমতা বলেন, ওটা বিদ্যুতের শকে মৃত্যু নয়, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যেটা উল্লেখ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। কারণ, এটি চিহ্নিত করতে গেলে ল্যাব টেস্টের প্রয়োজন। উল্লেখ্য, মমতা মধ্যপ্রদেশের ছতরপুরের বাসিন্দা। ২০২১ সালের ২৯ এপ্রিল তাঁর বিরুদ্ধে স্বামী নীরজ পাঠককে প্রথমে কড়া ডোজ়ের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে এবং বিদ্যুতের শক দিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের পরই মমতা ছেলেকে নিয়ে ঝাঁসিতে পালিয়ে যান। মমতা পুলিশি তদন্তে দাবি করেন, ১ মে ঝাঁসি থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। তার পরই পুলিশের হাতে একটি ভয়েস রেকর্ডিং আসে, সেখানে নীরজ দাবি করেন, স্ত্রী মমতা তাঁর উপর অত্যাচার করেন। আরও কিছু তথ্য পুলিশের হাতে আসে, যেগুলি মমতার বিরুদ্ধেই গিয়েছে। নিম্ন আদালত মমতাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবনের নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে যান মমতা। গত বছর জামিনও পেয়েছেন তিনি। গত ২৯ এপ্রিল শুনানি হয়। সেখানে ডিভিশন বেঞ্চ রায় সংরক্ষিত রাখে। সেই শুনানিতেই মমতা ব্যাখ্যা দিয়ে দাবি করেছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যা বলা হয়েছে, সেটি সঠিক নয়। কেন সঠিক নয়, তা প্রমাণে রসায়নের এই অধ্যাপিকা তার সপক্ষে ব্যাখ্যা দেন।
54 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
May 29, 2025, 02:34 PM
সূর্যকুমার যাদবের বাবা তাঁর অবসর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন

সূর্যকুমার যাদবের বাবা তাঁর অবসর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন

আজকাল ওয়েবডেস্ক:বহু বছর ধরেই পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে বিজ্ঞানী হিসেবে দেশের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন ভারতের তারকা ক্রিকেটার সূর্যকুমার যাদবের বাবা অশোক কুমার যাদব। আর বাবার অবসর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে দিনটিকে স্মরণীয় করে তুললেন খোদ তারকা ক্রিকেটার। সপরিবারে উপস্থিত থেকে আবেগঘন ভাষণে বাবার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করলেন তিনি। এদিন স্কাই-এর বাবার অবসরের অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আত্মীয়স্বজন ও সহকর্মীরা। সূর্যকুমার আইপিএলের মধ্যে ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও পরিবারের পাশে থাকতে এক মুহূর্তও দেরি করেননি। সাদা শার্ট ও ট্রাউজারে সজ্জিত সূর্যকুমার ভাষণের শুরুতেই হালকা ঠাট্টা-মশকরা দিয়ে মন জয় করে নেন সবার। তিনি বলেন, ‘বাবা হয়তো অফিসটাকে আর মিস করবেন না। কারণ বাড়িতে তাঁর ‘সেকেন্ড ইনিংস’ আরও মধুর হতে চলেছে।” ভাষণে উঠে আসে তাঁর শৈশবের নানা স্মৃতি—স্কুলের টিফিন দেওয়া, স্কুলে না পালাতে দেওয়া, কলেজে নিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা। যা শুনে হাসিতে ফেটে পড়েন উপস্থিত সকলে। সবাই। Suryakumar Yadav Giving beautiful speech on his father retirement day.????pic.twitter.com/hl345SPMZq তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জীবনে একটা সুপারম্যান থাকে, যে আমাদের পথ দেখায়। আমার জীবনে সেই সুপারম্যান আমার বাবা। আমি কীভাবে নিজের কেরিয়ার গড়ব, জানতাম না, কিন্তু বাবা এক মুহূর্তের জন্য আমার হাত ছাড়েননি’। বাবার নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে সূর্য বলেন, ‘এখন বাবা পুরো সময়টা আমাদের সঙ্গে কাটাতে পারবেন। মা, যিনি সবসময় বাবার শক্তির স্তম্ভ হয়ে থেকেছেন, তিনিও এবার তাঁর সঙ্গ উপভোগ করতে পারবেন’। সূর্যকুমারের ভাষণের ভিডিও ক্লিপ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। উল্লেখ্য, ৩৪ বছর বয়সী সূর্যকুমার যাদব চলতি আইপিএলে দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ১৪টি ম্যাচে ৬৪০ রান করে চলতি মরশুমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে প্লে-অফে পৌঁছাতে বড় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। বাড়ল চুক্তি, আরও এক বছর ইস্টবেঙ্গলেই অস্কার আরও একবার মিলল 'মানবিক' রোহিতের পরিচয়, কিভাবে বাঁচিয়েছিলেন তরুণ ইন্টার্নের চাকরি?
98 shares
😊
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
May 22, 2025, 04:18 PM
ইসরোর উচ্চাকাঙ্ক্ষী স্পেস ওডিসিঃ অন্বেষণ ও আবিষ্কারের একটি দশক

ইসরোর উচ্চাকাঙ্ক্ষী স্পেস ওডিসিঃ অন্বেষণ ও আবিষ্কারের একটি দশক

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়:২০৪৭ সাল, স্বাধীনতার ১০০ বছর। আর এই সময় পর্যন্ত পরপর মিশন সাজানো ইসরোর। যাকে ‘স্পেস ক‌্যালেন্ডার’ বললে কিছুই বলা হয় না। ইসরো যার নামকরণ করেছে ‘ইন্ডিয়ান স্পেস ওডিসি’ বা ভারতের মহাকাশ গবেষণার ‘মহাকাব‌্য’। ২০২৫-এর গ্রীষ্মে কলকাতায় সায়েন্স সিটির একটি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে সেই পরিসংখ‌্যান দিয়ে গেলেন ইসরোর চেয়ারম‌্যান ড. ভি নারায়ণন। চলতি বছরের শেষে হবে প্রথম গগনযান অভিযান। আগামী তিন বছরে এই অভিযানকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম দুটি অভিযান হবে কোনও ক্রু মেম্বার অর্থাৎ অভিযাত্রী ছাড়াই। যানটি নিরাপদে মহাকাশে গিয়ে ফিরে আসতে পারছে কিনা, সেটি পরখ করে দেখা হবে। থাকবে শুধু ‘ব্যোমমিত্রা’ – একটি রোবট। শেষের অর্থাৎ মূল অভিযানে থাকবে চারজন অভিযাত্রী। এঁদের প্রশিক্ষণের একটা বড় অংশ হয়েছে রাশিয়ার সহযোগিতায়। সেই অভিযান হওয়ার কথা ২০২৭-এর প্রথম কয়েকমাসের মধ্যে। ড. নারায়ণনের কথায়, এই অভিযানে ‘সেফ ল‌্যান্ডিং’ অত‌্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পনা হয়ে গিয়েছে চন্দ্রযান ৪, চন্দ্রযান ৫ অভিযানেরও। ২০২৮-এ সামনে আসতে পারে দেশের নিজস্ব স্পেস স্টেশনের মডিউল। তবে সেটি চূড়ান্ত রূপ পেতে আরও খানিকটা দেরি। তার আগে রয়েছে লম্বা চমক! এবছরের আগস্টে নাসার সঙ্গে মিলে একটি লঞ্চপ‌্যাড তৈরি করে ফেলবে ইসরো। অর্থাৎ স্পেস স্টেশন তৈরির প্রথম ধাপ। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে এত সব পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় এই পর্বেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এক কথায় ‘ফ‌্যান্টাস্টিক ম‌্যান’ বলে সম্বোধন করলেন ইসরোর চেয়ারম‌্যান। তাঁর কথায়, “প্রধানমন্ত্রী অনেক স্বপ্ন দেখে রেখেছেন। তিনি একবার মজা করে বলেছিলেন, চাঁদে কবে মানুষকে নিয়ে যেতে পারবে ভারত? প্রধানমন্ত্রীর একটাই লক্ষ‌্য, মানুষকে পরিষেবা দিতে হবে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় সংক্রান্ত খবর হোক, কৃষিক্ষেত্র হোক, টেলি-কমিউনিকেশন হোক – সব দিকের খেয়াল রাখতে হবে।” এরপরই দেশের ‘স্পেস ওডিসি’-র বাকি তালিকাটা সামনে রাখলেন ড. নারায়ণন। অভিযান হবে শুক্র, মঙ্গল গ্রহেও। প্রথমবারের চেষ্টায় সব থেকে কম খরচে মঙ্গলে উপগ্রহ পাঠিয়েছে ভারত। সেটি ছিল প্রদক্ষিণ করার অভিযান। নতুন উপগ্রহটিকে মঙ্গলে নামানোর পরিকল্পনা চলছে। ২০৩৫-এ পরিকল্পনা রয়েছে মহাকাশে দেশের নিজস্ব স্পেস স্টেশন তৈরির। ২০২৪-এর মধ্যে লক্ষ‌্য রয়েছে চাঁদের মাটিতে ভারতবাসীকে নিয়ে যাওয়ার। তার জন‌্য চন্দ্রযান পরপর পরীক্ষা চালাবে। চন্দ্রযান ৪ আপাতত চাঁদ থেকে মাটি নিয়ে ফিরবে। তা পরীক্ষার পর চন্দ্রযান ৫ শক্তিশালী রোভার নিয়ে নামবে চাঁদের মাটিতে। এর আগে ২০২৩ সালে চন্দ্রযান ৩ যে রোভার পাঠিয়েছিল, তা মাত্র ১৪ দিন ঘুরে বেড়িয়েছে চাঁদের দক্ষিণ প্রান্তে। শেষে প্রবল শীতে চলে গিয়েছে চিরঘুমে। চন্দ্রযান ৫-এর রোভারের আয়ু ১০০ দিন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বহরেও বড় হবে সেই যান। স্বাভাবিকভাবে ওজন প্রায় দেড় হাজার কেজি বেড়ে যাবে। জাপানের সঙ্গে যৌথভাবে হবে এই অভিযান। রকেটের চরিত্রেও বদল আসছে। যে ‘ফ‌্যাটবয়’ চন্দ্রযান ৩-কে নিয়ে বিরাট লাফ দিয়েছিল, তাকে প্রতিস্থাপিত করা হবে নতুন প্রজন্মের এলভিএম ৩, আসবে এসএসএলভি। সুতরাং সবমিলিয়ে ভারতের মহাকাশ গবেষণায় এই দীর্ঘ সূচিকে ফিল্মি ভাষায় বলাই যায়, ‘কুর্সিকি পেটি বাঁধ লিজিয়ে…’। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
100 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
May 19, 2025, 04:52 PM
প্রযুক্তি ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলে যায়ঃ কলকাতার দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রতিফলন

প্রযুক্তি ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলে যায়ঃ কলকাতার দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রতিফলন

শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায়:চ্যাটজিপিটির এক ক্লিকে কখনও আমরা রাজা-রানির বেশ ধারণ করছি, তো কখনও হয়ে যাচ্ছি কার্টুনের চরিত্র। আবার জটিল কোনও সমস্যার নিমেশে মিলছে সমাধান। আপাত দৃষ্টিতে প্রযুক্তির এই আধুনিকতা উপভোগ্যই বটে। কিন্তু আড়ালে আবডালে কি এই প্রযুক্তিই মানব সমাজকে ‘পঙ্গু’ করে তোলার জন্য যথেষ্ট হয়ে উঠবে? এ প্রশ্ন এবার জড়িয়ে যেতে চলেছে কলকাতার দুর্গাপুজোতেও। ঈশ্বরে বিশ্বাস এবং আধুনিক বিজ্ঞানকে একসুতোয় বাঁধতে চলেছেন শিল্পী সুবল পাল। সত্যজিৎ রায়ের ‘অনুকূল’ গল্পটির কথা মনে আছে? যেখানে ‘রোবট’ ভৃত্যই শেষমেশ মালিককে ‘সরিয়ে’ যাবতীয় সম্পত্তির অধিকারী হয়ে যায়। সেই কবে তিনি বিজ্ঞানের আশীর্বাদ আর অভিশাপের সহাবস্থানের বর্ণনা দিয়েছিলেন গল্পের মধ্যে দিয়ে। তাঁর লেখা যে আজও কতখানি প্রাসঙ্গিক, সেকথা আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রমরমায় কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর এখন জলভাত। তাহলে? মানুষের কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ কী? সে উত্তর সময়ের গর্ভে। কিন্তু কালের নিয়মে গুটি গুটি পায়ে দুর্গাপুজোর শিল্পেও এবার ঢুকে পড়ল এআই। ভাবছেন তো কলকাতার কোন পুজোয় এবার এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে আলাপ হবে? উত্তর হল, উত্তর কলকাতার জগৎ মুখার্জি পার্ক। কখনও বনগাঁ লোকাল, তো কখনও কলকাতা মেট্রোর থিমে সেজে কলকাতার দুর্গাপুজোর মানচিত্রে উল্লেখযোগ্য জায়গা করে নিয়েছে জগৎ মুখার্জি পার্ক। এবার সেই শিল্পীর হাত ধরেই অভিনব এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হবেন পুজোপ্রেমীরা। মানব জীবনে এআই-এর উপস্থিতি, তার প্রভাব, প্রয়োজনীয়তা ঠিক কতখানি, আবার কখন সে-ই হয়ে ওঠে ‘অসুর’, মণ্ডপজুড়ে তারই প্রতিফলন ঘটবে। সুবল পালের কথায়, ‘একটা সময় যখন কম্পিউটার এল, তখনও অনেকে রে রে করে উঠেছিল। কিন্তু দেখা গেল, তা মানুষের হীতেই ব্যবহৃত হয়েছে। এখন এআই একটা ঘরেই গোটা পৃথিবী তৈরি করে দিতে পারে। বলা ভালো মানুষের জীবনের দখল নিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। পরবর্তীতে তা মানুষের আচরণ আর ক্ষমতায় কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই আমার কাজে ধরা পড়বে।’ আর প্রতিমা? সেখানেও কি থাকবে প্রযুক্তির ছোঁয়া? পুজোর এত মাস আগে সবটা বলে দিতে একেবারেই নারাজ শিল্পী। তবে এটুকু বলে দিয়েছেন, সেখানেও থাকবে চমক। ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি এবং বিশ্বাসে দর্শনার্থীদের যাতে আঘাত না লাগে, সেকথা মাথায় রেখেই দুর্গাকে গড়ে তুলবেন সুবল পাল। সবমিলিয়ে শিল্পীর অভিনব সৃজনে বাংলার দুর্গাপুজো ফের বিস্মিত করবে গোটা বিশ্বকে। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
1 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
May 15, 2025, 04:35 PM
প্রযুক্তি দৈনন্দিন জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেঃ এআই এবং রোবোটিক্স নেতৃত্ব দিচ্ছে

প্রযুক্তি দৈনন্দিন জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেঃ এআই এবং রোবোটিক্স নেতৃত্ব দিচ্ছে

আজকাল ওয়েবডেস্কঃসে এক সময় ছিল, যখন মাথার উপর ঘুরন্ত পাখা কিংবা ফ্রিজ দেখেও বিস্ময়ের অন্ত ছিল না মানুষের। গ্যাজেটের সঙ্গে সেই প্রথম পরিচয়ের দিনগুলো এখন বোধহয় কল্পকথার সামিল। প্রযুক্তি এখন যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, তাতে রোজকার জীবনের সবটুকুকে আক্ষরিক অর্থেই হাতের মুঠোর ভিতরে এনে দিয়েছে হরেক রকম অত্যাধুনিক গ্যাজেট। আর তাতেও রোজই আসছে নিত্যনতুন বদল। আসছে আরও নতুন নতুন ভাবনাও। এ বছরের গোড়াতেই যেমন লাস ভেগাসে হয়ে যাওয়া কনজিউমার ইলেক্ট্রনিক্স শো ২০২৫-এ তাক লাগিয়ে দিয়েছে আরও একঝাঁক দুরন্ত ভাবনার ছোটবড় গ্যাজেটের ঘোষণা। দৈনন্দিন জীবনযাপনে যে সব গ্যাজেট আগামী কিছুদিন রাজত্ব করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা, বলা বাহুল্য তাদের নেপথ্যে এক বড়সড় ভূমিকা নিয়েছে এআই, রোবোটিক্স-এর মতো প্রযুক্তি। যার কয়েকটা ইতিমধ্যেই এসে গিয়েছে বাজারে, বাকিরাও আসবে শিগগিরই। তাদের হাতে পেলে জীবন এবং যাপন দুটোই যে আরও খানিক বদলে যাবে, সেটুকু বলাই যায়। আসুন বরং জেনে নেওয়া যাক চমকে দেওয়া গ্যাজেটদের হালহদিশ। নেকোজিতা ফুফু- ঘুম ভেঙে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা বা কফি-তে আলসে চুমুক না দিলে যেন দিনটাই ঠিকমতো শুরু হয় না! কিন্তু উঠতে দেরি হয়ে গেলে? তড়িঘড়ি অফিস ছোটার তাড়ায় কি সেই সুখটুকু বাদ দিতে পারেন, নাকি মন চায়? এখানেই মুশকিল আসান হয়ে উঠতে পারে এক কুট্টি বেড়াল। তবে জ্যান্ত নয়, রোবোট। ‘ইউকাই ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর তৈরি এই ছোট্ট বেড়াল-রোবোট নেকোজিতা ফুফু একেবারে উঠে বসবে কাপের কিনারায়। তারপর আপনার হয়ে ফুঁ দিয়ে সেই হাওয়াতেই চুমুক দেওয়ার মতো ঠান্ডা করে দেবে ভিতরকার ফুটন্ত গরম তরলকে। তারপর? চা-কফিতে দিন শুরু হবেই হবে! ওমনিয়া- আয়নায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিজেকে দেখতে কে না ভালবাসেন! সাজ কেমন হল, কেমন দেখাচ্ছে, কে বেশি সুন্দরী— সে সব তো আরশিই বলে এসেছে বরাবর। কিন্তু তার সঙ্গে যদি সে এবার বলে দেয় আপনার স্বাস্থ্যের খবরও? এআই প্রযুক্তির হাত ধরে এই ৩৬০ ডিগ্রি বডি মিরর শুধু আপনার সাজেই চোখ রাখবে, তা নয়। সেই সঙ্গেই জানিয়ে দেবে হার্ট, লাংস, শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কে কেমন আছে। জানিয়ে দেবে আপনার ঘুম হচ্ছে কিনা, স্বাস্থ্যেরই বা কেমন হাল। মানে, যাকে বলে আপনার সবটুকু নজরে রাখা— এবার তারই ভার নেবে এই আয়না। রে-ব্যান মেটা স্মার্ট গ্লাসেস- চশমা ছিল আপনার ঝাপসা দৃষ্টির সঙ্গী। চশমা ছিল আপনার চোখদুটোকে রক্ষা করার চাবিকাঠি। সেই চশমাই যদি এবার দুনিয়া দেখার সুযোগ করে দেয় আরও ভাল করে? মেটা এআই-সংবলিত এই স্মার্ট গ্লাসেস কিন্তু ঠিক সে কাজটাই করবে। বাড়িয়ে দেবে আপনার দেখার পরিধি। এই চশমা চোখে শুধু চারপাশটা দেখা নয়, একইসঙ্গে করে ফেলুন অনুবাদের কাজ, চোখ রাখুন ইতিহাসে। কিংবা জেনে নিন আপনারই ফ্রিজে রাখা টুকিটাকি দিয়ে চটজলদি কোন রেসিপিটা বানিয়ে ফেলা যায়। ব্যাপারটা দারুণ না? কিরিন’স ইলেক্ট্রিক সল্ট স্পুন - রোজের পাতে নুন ছাড়া আপনার চলেই না। রান্নাতেও নুন দেওয়া চাই জম্পেশ করে। এদিকে ডাক্তারবাবু ভয় দেখাচ্ছেন যখন তখন। চোখ রাঙাচ্ছে বাড়ির লোকও। তা হলে ঠিক আপনারই কথা ভেবে তৈরি এই বিশেষ চামচ। সামান্য একটু বিদ্যুতের ব্যবহারে এই চামচই আপনার জিভে এনে দেবে নোনতা স্বাদ। ব্যস! রান্নায় কম নুন দিলেও দিব্যি ভাল লাগবে। দুপুর কিংবা রাতের পাতে আলাদা করে নুন নিয়ে বকুনিটাও খেতে হবে না। জাপানি ব্রুয়ার সংস্থা ‘কিরিন’-এর তৈরি এই চামচই আপনাকে অভ্যস্ত করে দেবে লো-সোডিয়াম ডায়েটে। নোনতা স্বাদও আছে, ঠিক যেমনটা চাই। এদিকে প্রেশার বাড়িয়ে ফেলার চিন্তা উধাও! স্পাইসার- নতুন সংসার করছেন। মা পইপই করে বলে দেওয়া সত্ত্বেও রান্নায় মশলাপাতি দিতে গিয়ে নাজেহাল দশা। এই গরম মশলা বেশি হয়ে যাচ্ছে, ওই কম ঢালছেন জিরেগুঁড়ো। আর হলুদ বেশি পড়ে যাওয়া তো লেগেই আছে! এখানেই কামাল করতে পারে স্পাইসার। এআই প্রযুক্তি নির্ভর এই মশলা রাখার কৌটো বা স্পাইস ডিসপেন্সার আপনার কথামতোই খেয়াল রাখবে কীসে কোন মশলা কতটা দিতে হবে। তারপর ঠিক ততটাই ঢেলে দেবে আপনার হাতে, চামচে বা বাটিতে, একেবারে ঠিকঠিক মাপে। আর তারপর? স্বাদের গুণেই আপনার রান্না চেটেপুটে খাবে বাড়ির লোক! টাইমকেটল ডব্লিউ৪ প্রো এআই ইন্টারপ্রেটার বাডস- অফিসের ভিনদেশি ক্লায়েন্টের সঙ্গে গুরুগম্ভীর মিটিং চলছে। নোটস নেওয়ার কথা, এদিকে ভাষাটাই যে বুঝতে পারছেন না ছাই! কিংবা হয়তো বিদেশে বেড়াতে গিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এদিক সেদিক। গাইড সব দেখিয়েশুনিয়ে বোঝাচ্ছেন ঠিকই, তবে স্থানীয় ভাষায়। সবটাই বেরিয়ে যাচ্ছে মাথার কয়েক মাইল উপর দিয়ে! কুছ পরোয়া নেই। এআই প্রযুক্তির কারিকুরিতে এই বিশেষ ইয়ারবাডস হয়ে উঠতে পারে আপনার যোগ্য সঙ্গী। চলতে-ফিরতে যখন খুশি ভিনদেশি ভাষা নিমেষের মধ্যে অনুবাদ করে দেবে আপনার কানে। অনলাইন হোক বা অফলাইন, একেবারে রিয়েল টাইম কমিউনিকেশনের মাধ্যমেই চলবে অনুবাদ। এমনকি লম্বা মিটিংয়ের নোটসও সামারি আকারে শুনিয়ে দেবে ঝটিতি। বাকিটা তখন স্রেফ বাঁয়ে হাতকা খেল! মেটা কোয়েস্ট থ্রি- জিমে যাওয়াই হয়ে উঠছে না সময় করে। হলে গিয়ে সিনেমা দেখা, সে তো ভুলতেই বসেছেন। বাড়িতেই বরং তাদের এনে ফেলুন না! না না, যন্ত্রপাতি-বড়সড় সরঞ্জাম এনে মহাযজ্ঞের দরকার নেই। চাই শুধু এই ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি হেডসেট। ব্যস! ডিজিটাল দুনিয়া থেকে আস্ত জিম কিংবা মাল্টিপ্লেক্স অডিটোরিয়ামটাকেই নিয়ে আসুন না আপনার বেডরুমে। তারপরে আপনাকে আর পায় কে! জেনি- বাড়ির প্রবীণতম সদস্য এখন ডিমেনশিয়ার রোগী। কোনও কিছুই ঠিকমতো মনে রাখতে পারছেন না। যখনতখন ছোটবড় ভুল হয়ে যাচ্ছে। তাঁকে এই অসহায় অবস্থায় দেখে যেমন মনখারাপ হয়, তেমনই দুশ্চিন্তা লেগেই থাকে। এদিকে দু’দণ্ড যে তাঁকে বাড়তি সময় দেবেন, তারও উপায় কই! কিন্তু জানেন কি, ডিমেনশিয়ার রোগীদের একটু ভাল রাখতে পারে ইমোশনাল সাপোর্ট? এখানেই ভরসা হতে পারে জেনি। ‘টমবট’-এর তৈরি এই ছোট্ট রোবোট-কুকুরের চেহারা থেকে আচরণ সবটাই এক্কেবারে জ্যান্ত কুকুরছানার মতো। অথচ আসল পোষ্যের মতো দেখভালের ঝক্কি নেই। ডিমেনশিয়ার ধাক্কায় নড়বড়ে হয়ে পড়া মানুষটার সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে তাঁকে ভাল রাখতেই পারে এই আদরকাড়া কুকুরছানা। কেউ কেউ বলেন, প্রযুক্তি আসলে মানুষকে কুঁড়ে করে দিচ্ছে। তবু এই ছুটন্ত জীবনে নিত্যনতুন কিছু গ্যাজেট যদি আপনার ভাল থাকার সঙ্গী হয়ে ওঠে, ক্ষতি কী? অন্যদের চেয়ে আপনার কি বেশি গরম লাগে? নেপথ্যে ৫ মারাত্মক রোগ নয় তো! সতর্ক না হলেই বড় বিপদে পড়বেন
22 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Apr 15, 2025, 03:33 PM
ইসরোর শ্রীহরিকোটায় মহাকাশ গবেষণা অ্যাডভেঞ্চারে অংশ নিলেন দশম শ্রেণির ছাত্রী হিমগনা ঘোষ

ইসরোর শ্রীহরিকোটায় মহাকাশ গবেষণা অ্যাডভেঞ্চারে অংশ নিলেন দশম শ্রেণির ছাত্রী হিমগনা ঘোষ

সুমন করাতি, হুগলি:তারকেশ্বর থেকে শ্রীহরিকোটা পাড়ি দিচ্ছে দশম শ্রেণির হিমগ্ন ঘোষ। দশম শ্রেণির ছাত্র হিমগ্ন আগামী কয়েক দিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোতেই কাটাবে। মহাকাশ গবেষণার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আরও চর্চা করবে সে। আর তাকে নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে তারকেশ্বরের হরিপাল এলাকায়। মহাকাশ বিজ্ঞান ও গবেষণা নিয়ে ছোট থেকেই অত্যন্ত আগ্রহী হিমগ্ন ঘোষ। মহাকাশ বিজ্ঞানের খবর খুঁটিয়ে সবসময় পড়ে সে। অনেক দিনের ইচ্ছে শ্রীহরিকোটায় গিয়ে হাতেকলমে গিয়ে কাজ শিখবে। বিজ্ঞানের বিষয়ে আরও জানবে। সেই সুযোগ এসেও যায়। জানা গিয়েছে, শ্রীহরিকোটার ইসরোর দপ্তরের মহাকাশ প্রযুক্তি ও রকেট বিজ্ঞানের উপর দক্ষতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন হয়েছে। সেখানেই সে ডাক পেয়েছে। দেশের নবম ও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে মহাকাশ গবেষণা নিয়ে প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করছে শ্রীহরিকোটায় ইসরোর দপ্তর। চলতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পড়ুয়াদের সেখানে ডাকা হচ্ছে। এবার মোট ৩৫০ জন ছাত্রছাত্রী সেখানে যাবে বলে খবর। বাংলা থেকে ডাক পেয়েছে ১০ জন। তাদের মধ্যেই অন্যতম তারকেশ্বরের বাসিন্দা দশম শ্রেণির হিমগ্ন। তারকেশ্বরের হরিপালের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সে। স্থানীয় একটি ইংরাজি স্কুলের ছাত্র সে। কৃতি হিসেবেই সে স্কুল ও এলাকায় পরিচিত। ছোট থেকেই মহাকাশ বিজ্ঞানের উপর তার অসীম আগ্রহ। সেই আগ্রহ আরও বাড়ছে। ছেলেকে নিয়ে গর্বিত বাবা-মাও। আগামী ১৬ মে হরিপাল থেকে ইসরোর উদ্দেশ্যে রওনা হবে হিমগ্ন। তাঁকে নিয়ে গর্বিত তার প্রতিবেশীরাও। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
74 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Apr 15, 2025, 03:01 PM
দুর্গাপুরে এনআইটিতে গবেষণা চলাকালীন বিস্ফোরণে অধ্যাপক ও ছাত্র আহত

দুর্গাপুরে এনআইটিতে গবেষণা চলাকালীন বিস্ফোরণে অধ্যাপক ও ছাত্র আহত

গবেষণা চলাকালীন বিস্ফোরণ, গুরুতর আহত পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউড অফ টেকনোলজি(NIT)-র এক অধ্যাপক। আহত হয়েছেন এক ছাত্রও। মঙ্গলবার NIT-তে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।NIT সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পড়ুয়াদের নিয়ে ‘থার্মিট ওয়েল্ডিং’ সম্পর্কিত একটি গবেষণার কাজ চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ইন্দ্রজিৎ বসাক।গবেষণা চলাকালীন সেখানে আচমকাই বিস্ফোরণ হয়। কেমিক্যালে ঝলসে যান ইন্দ্রজিৎ বসাক এবং আকাশ মাঝি নামে এক ছাত্র। তাঁদের তড়িঘড়ি দুর্গাপুরের গান্ধী মোড়ের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দু’জনকেই ICU-তে স্থানান্তরিত করা হয়।অধ্যাপক ইন্দ্রজিৎ বসাকের বাড়ি দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারের রিকল পার্কে এবং আকাশ আসানসোলের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন আকাশের আরও দুই সহপাঠী। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।NIT-র মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রীকৃষ্ণ রাই বলেন, ‘অধ্যাপক ইন্দ্রজিৎ বসাকের অবস্থা সঙ্কটজনক। প্রয়োজনে তাঁকে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে।’
16 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Apr 9, 2025, 05:10 PM
মার্কিন-চীন বাণিজ্য যুদ্ধ বৃদ্ধিঃ একে অপরের আমদানিতে শুল্ক আরোপ

মার্কিন-চীন বাণিজ্য যুদ্ধ বৃদ্ধিঃ একে অপরের আমদানিতে শুল্ক আরোপ

দফায় দফায় চীনের ওপর ১০৪ শতাংশ আমদানি শুল্ক বসিয়েছিল আমেরিকা। বুধবার ফের পালটা পদক্ষেপ নিয়ে আমেরিকার আমদানির ওপর ৮৪ শতাংশ শুল্ক বসালো চীন।চীন এবং আমেরিকা, একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য সঙ্গীও। আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক শাসানির জেরে বিশ্ববাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা জানাচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।ট্রাম্পের শুল্কনীতিতে ভারত চুপ থাকার রাস্তা নিলেও চীন সহ বিশ্বের বহু দেশই পালটা পদক্ষেপ নিয়েছে।আমেরিকা প্রথম দফায় শুল্ক চাপানোর পর ২ এপ্রিল ফের চড়া হারে শুল্ক চাপায় আমেরিকা। চীনকে তাদের শুল্ক তোলার শর্ত দেওয়া হয়েছিল। চীন তা মানেনি। আমেরিকা ফের শুল্ক চাপিয়ে তার হার ১০৪ শতাংশে তুলে দেয়। এরপরই চীন ফের শুল্ক চাপায়। ফলে চীনে আমেরিকার রপ্তানিতে মোট ৮৪ শতাংশ শুল্ক বসছে।চীনের দাবি, একতরফা শুল্ক চাপিয়ে শাসানোর রাস্তাতে কোনও সমঝোতা সম্ভব নয়। ট্রাম্প আলোচনা চাইলে চীন রাজি। কিন্তু একতরফা শর্ত ঝুলিয়ে আলোচনায় বসা যায় না। আমেরিকা এখন চীনার সংস্থাগুলির শেয়ার তাদের বাজারে নথিভুক্তি বন্ধের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। তবে তাতে শেয়ার বাজার আদৌ ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর খুশি হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে সব মহলেই। কারণ চীনা বিভিন্ন সংস্থার শেয়ারের চাহিদা রয়েছে বরাবরই।চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় চিঠি পাঠিয়ে বলেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যাহত হবে গুরুতর মাত্রায়। উদ্বেগ জানানোর পাশাপাশি এই নীতির বিরোধিতা করা হচ্ছে। চীন বলেছে যে বাণিজ্য যুদ্ধের বিপক্ষে দেশ। আবার দেশের স্বার্থরক্ষার সঙ্গত অবস্থান নিয়েও চলে চীন।চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিঙ বলেন, পারস্পরিক অগ্রগতির নীতি মাথায় রেখে প্রতিবেশীদের সঙ্গে দৃঢ় বোঝাপড়া নিয়ে চলতে আগ্রহী চীন।প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বেজিঙে আলোচনাসভায় বক্তৃতা দেন শি। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেন তিনি। সভাপতিত্ব করেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াঙ।
89 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Apr 9, 2025, 05:10 PM
দুর্নীতির প্রতিবাদে কলকাতার শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলা

দুর্নীতির প্রতিবাদে কলকাতার শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলা

শিক্ষকদের হাতে লাঠি পর্যন্ত ছিল না। নিজেদের দাবি জানাতে গিয়েছিলেন। সঙ্গত দাবি। তাঁদের ওপর যেভাবে আক্রমণ করা হয়েছে তা বর্বরোচিত।চাকরি হারানো শিক্ষকদের ওপর পুলিশের আক্রমণের ঘটনায় একথা বলেছেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী।বুধবার কসবায় কলকাতার ডিআই অফিসে চাকরি হারানো শিক্ষকদের ওপর কেবল লাঠি নয়, লাথিও মেরেছে পুলিশ। ধরে ধরে লাঠিপেটা করা হয় শিক্ষকদের। রাজ্যের মুখ্যসচিব ‘আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার’ পরামর্শ দেন। কিন্তু দুর্নীতির প্রশ্নে একটি কথাও বলেননি। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু আবার প্রশ্ন তোলেন কেন শিক্ষকরা ডিআই দপ্তরে যাবেন!বিকেলেই কসবার অদূরে গড়িয়াহাট মোড়ে রাস্তা অবরোধ করেন শিক্ষকরা। বস্তুত এদিন জেলায় জেলায় ডিআই দপ্তরের সামনে প্রবল বিক্ষোভ দেখিয়েছেন শিক্ষকরা।তিনি বলেন, ‘‘শিক্ষা ধ্বংস করা হচ্ছে, ভবিষ্যৎ ধ্বংস করা হচ্ছে। রাস্তায় নামা জরুরি। আজই প্রতিবাদ হচ্ছে। সব অংশের কাছে আবেদন কাল সর্বত্র প্রতিবাদে নামুন।’’চক্রবর্তী বলেন, ‘‘হকের চাকরি ফেরানোর দাবি সঙ্গত। ওএমআর শিটের মিরর ইমেজ দেওয়ার দাবি সঙ্গত। সেটি লুকিয়ে রেখেছে প্রশাসন। সেই দাবি জানানো কোনও অন্যায় নয়। তৃণমূলের দুর্নীতির কারণে চাকরি চলে গেলে তাঁরা এই দাবি তুলবেন না! তার জন্য লাঠিপেটা করতে হবে! এমনকি লাথি মারতে হবে! বর্বরতা চালাচ্ছে পুলিশ এবং প্রশাসন।’’হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার, এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কবুল করেছে যে দুর্নীতি হয়েছে। টাকার বিনিময়ে চাকরি হয়েছে। কিন্তু যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করে তালিকা আদালতে জমা দেয়নি। আদালত বারবার চাইলেও নিজেদের দুর্নীতি আড়াল করতে অযোগ্যদের নাম জানায়নি। উলটে প্রমাণ নষ্ট করতে ওএমআর শিট নষ্ট করেছে। কিন্তু তার ‘মিরর ইমেজ’ বা কম্পিউটারে ধরে রাখা প্রতিলিপি কোথায় সেই প্রশ্ন তুলে এদিন ডিআই অফিস যান চাকরি হারানো শিক্ষকরা।চক্রবর্তী বলেন, ‘‘অযোগ্যদের পাশে সরকার, চাকরি চোরদের পাশে সরকার।’’ তিনি বলেন, ‘‘নেতাজী ইন্ডোরে যেভাবে শিক্ষকদের বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী যেন তিনি পাইয়ে দেবেন। সিভিক ভলান্টিয়ারের মতো কাজ করাবেন শিক্ষকদের। তাঁরা মানবেন কেন, তাঁরা তো যোগ্যতার পরীক্ষায় পাশ করেছেন।’’
22 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Apr 9, 2025, 05:10 PM
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবিতে এস. এস. সি-র বিরুদ্ধে কোচবিহারের শিক্ষকদের বিক্ষোভ

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবিতে এস. এস. সি-র বিরুদ্ধে কোচবিহারের শিক্ষকদের বিক্ষোভ

স্কুল সার্ভিস কমিশনকে ওএমআর’র মিরর ইমেজ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া ব্যবস্থা করা, সরকার তথা এসএসসি-কে দ্রুততার সাথে যোগ্য, অযোগ্যদের তালিকার সার্টিফায়েড কপি ওয়েবসাইট ও সংবাদপত্রে প্রকাশ করার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া, যোগ্যদের চাকরি সসম্মানে ফিরিয়ে দেওয়ার দায়ভার রাজ্য সরকারকে বহন করার দাবি সহ একাধিক দাবিকে সামনে রেখে বুধবার কোচবিহার শহরে মিছিল ও কোচবিহার জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচিতে শামিল হল যোগ্য শিক্ষক- শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মী অধিকার মঞ্চ-২০১৬। এদিন মিছিল করে কোচবিহার জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের দপ্তরের সামনে আসবার পথে এই চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মীদের মিছিলকে বাঁধা দেয় পুলিশ। রাস্তার ওপর ব্যারিকেড দিয়ে রীতিমতো আটকে দেওয়ার চেষ্টা হয় তাদের। কিন্তু এদিন আন্দোলনকারী চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকা শিক্ষা কর্মীরা এই ব্যারিকেড ভেঙে চলে আসেন বিদ্যালয় পরিদর্শকের দপ্তরের মূল ফটকের সামনে। এখানে পুলিশের কাছে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে রাস্তার ওপরই বসে পড়েন তাঁরা। আন্দোলনে এসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এক কর্মচ্যুত শিক্ষক। প্রাথমিক সুশ্রুষার পর তাকে টোটোতে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কোচবিহার এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। অভিযোগ, লাঠি, জল কামান, টিয়ার গ্যাসের সেল সবকিছু নিয়ে প্রশাসন প্রস্তুত থাকলেও, কোন অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা ছিল না প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলে এদিন অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।আন্দোলনে এসে গুরুতর অসুস্থ কর্মচ্যুত শিক্ষক।বুধবার চাকরিহারাদের বিক্ষোভে সংহতি জানিয়ে শিলিগুড়িতে বিক্ষোভ মিছিল সিপিআই(এম)’র। মিছিল শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্ক থেকে শুরু হয়ে হিলকার্ট রোড হয়ে এয়ারভিউ মোড়ে (মহাত্মা গান্ধী মোড়) শেষ হয়। এরপর এয়ার ভিউ মোড় অবরোধ হয়।বুধবার দুপুরে উত্তর দিনাজপুর জেলার ডিআই কে ঘেরাও করে বিক্ষোভ জানান চাকরিহারারা।এদিন জলপাইগুড়িতে পোস্টার হাতে বাবার সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল ছোট্ট শিশুও! বলে আমার বাবা যোগ্য শিক্ষক। বাবার চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানায়। এদিন জলপাইগুড়ি ডিআই অফিসের সামনে এই ছবি ধরা পড়ে গণশক্তির চিত্র সাংবাদিকের ক্যামেরায়। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক)’র অফিসে মিছিল করে গিয়ে চাকরিহারাদের দাবিপত্র পেশ করতে এসে দাবি করেন শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের ওএমআর শিটের মিরর ইমেজ এসএসসিকে প্রকাশ করতে হবে। যোগ্য অযোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের দ্রুত সার্টিফায়েড কপি সরবরাহ করতে হবে। এমনকি রাজ্য সরকারকে তাদের চাকুরি সসম্মানে ফিরিয়ে দেওয়ার দায় নিতে হবে। ডিআই অফিসের গেটে ঢুকতে গেলে তাদের গেটের সামনে ব্যারিকেড করে পথ আটকায় বিরাট পুলিশ বাহিনী। দাবির সপক্ষে কোন সদুত্তর না মেলায় চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকারা শহরের অন্যতম প্রবেশদ্বার গোশালা মোরের সামনে জাতীয় সরক অবরোধে সামিল হন। পরে প্রশাসনের অনুরোধে ও মানুষের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে জাতীয় সরক অবরোধ স্থগিত রেখে বাড়ি ফিরে যান তাঁরা।এদিন বালুরঘাটে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে ডিআই অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিলো সদ্য চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা। দক্ষিণ দিনাজপুরে রঘুনাথপুরে (মাধ্যমিক) ডিআই অফিস চত্ত্বর রাগে ক্ষোভে আবেগে কেঁদে ফেলেন চাাকরিহারারা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কয়েকশত চাকরি হারানো শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী বুধবার মিছিল করে পৌঁছে যায় ডিআই সেকেন্ডারি অফিসের তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। এদিন বিক্ষোভে এসে চাকুরীহারা শিক্ষক বিশ্বজিৎ প্রামাণিক বলেন, ‘‘আমি দর্শন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গোল্ড মেডেল পেয়েছি। আমার বাবা দিন মজুর ও মা পরিচারিকার কাজ করে আমার পড়াশোনা চালিয়েছে। আমিও এক দোকানে দিনে কাজ করতাম এবং রাতে চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে চাকরি পেয়েছি। আমার মা, বাবা,স্ত্রী, দশ বছরের মেয়ে নিয়ে আমি এখন দিশাহারা।’’ এদিন চাকরিহারারা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, আমরা কোন দোষ করিনি। এসএসসি আমাদের পরীক্ষা সহ ইন্টারভিউ নিয়েছে। যারা দোষ করেছে সেটা তারাই বুঝুক আমাদের কেন বলি দিচ্ছেন। তাদের বক্তব্য আমরা চাকরি হারিয়ে ক্রমশ মৃত্যু মুখে এগিয়ে যাচ্ছি।চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে উত্তাল বিক্ষোভ বীরভূমের সিউড়িতে।যোগ্য-অযোগ্য তালিকা প্রকাশ করতে হবে। ওএমআর-এর মিরর ইমেজ গেল কোথায় ? জবাব দিতে হবে এসএসসিকে। মন্ত্রীদের বাঁচিয়ে যোগ্যদের কেন বলি করা হল ? এই সব প্রশ্ন তুলে বহরমপুরে ডিআই অফিস ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন চাকরি হারারা। অফিসের গেটে ঝুলিয়ে দেওয়া হল তালা। স্পষ্ট বললেন সরকার যোগ্য, অযোগ্য ফারাক করছে না। অযোগ্যদের সঙ্গে যোগ্যদের মিশিয়ে দিতে চাইছে। বুধবার দুপুরে চাকরি হারানোর প্রতিবাদে বহরমপুরে ডিআই অফিস অভিযানে শামিল হয় যোগ্য শিক্ষক - শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চ মুর্শিদাবাদ শাখা।এখন আর অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ নয়। যোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের রিভিউ পিটিশন দাখিল করা, চাকরিতে বহাল রাখা, বেতন বন্ধ না করা এবং ওএমআরের মিরার ইমেজ প্রকাশ করার দাবি জানিয়ে সারা রাজ্যের সাথে পুরুলিয়াতেও জেলা শিক্ষা দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন সদ্য চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষা কর্মীরা। তালা ঝুলিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখালেন তারা। ক্ষোভে ফেটে পড়লেন রাজ্য সরকারের ভূমিকার প্রতি তীব্র ধিক্কার জানিয়ে। ঘটনাকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় শিক্ষা ভবনের বাইরে। এদিন চাকরি বাতিল হওয়া শিক্ষক শিক্ষিকারা পুরুলিয়া শহরের জেলা শিক্ষা দপ্তরের মাঠে জমায়েত হন। সেখান থেকে ব্যানার পোস্টার ও ওএমআর সিটের প্রতীক নিয়ে নিয়ে মিছিল করে শিক্ষা ভবনের মূল দরজার সামনে হাজির হন। সেখানে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। সদ্য চাকরি হারানো শিক্ষক শুভাশিস পান বলেন, ‘‘তারা ডি আই মারফত শিক্ষা দপ্তরের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে চান। ওএমআর শিটের মিরার ইমেজ অতি সত্বর প্রকাশ করে রিভিউ পিটিশন দাখিল করতে হবে, যোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করা, তাদের চাকরি বহাল রাখা, পেমেন্ট বন্ধ না করার দাবি জানান তিনি।’’ তিনি বলেন ,‘‘ যোগ্য হয়েও আজ তারা চাকরি হারা। কোনমতেই তারা ভলেন্টারি সার্ভিস দিতে পারবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর সেদিনের সভার আশ্বাসে তারা আশাহত হয়েছেন। তাদের একটাই দাবি তারা যোগ্য তাই কোনোভাবেই তাদের চাকরি কেড়ে নেওয়া চলবে না। নতুন করে এই পদের জন্য পরীক্ষাও তারা দেবেন না।’’আরেক শিক্ষিকা মল্লিকা মণ্ডল বলেন,‘‘ সামনে শুধুই অন্ধকার। কোনভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমরা যোগ্য অথচ আমাদের সঙ্গে চরম অন্যায় করা হলো। মুখ্যমন্ত্রীর সভায় গিয়ে ভেবেছিলাম ললিপপ পাব। কিন্তু তিনি ললিপপের থেকেও আরও বেশি জিনিস ধরালেন। সেটা হলো অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার থেকে ভলেন্টিয়ার সার্ভিস টিচার।’’ তিনি বলেন ,‘‘আমরা যদি মুখ্যমন্ত্রীকে ভলেন্টিয়ার মুখ্যমন্ত্রী বলি তাহলে কি সেটা তার শুনতে ভালো লাগবে। ন্যায্য চাকরির দাবিতে তারা আন্দোলন করবেন। তাদের দাবি নিয়ে তারা জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) এর সঙ্গে এদিন আলোচনাও করেন।এদিন মুখ্যমন্ত্রী একরাশ ধিক্কার জানিয়ে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে উত্তাল বিক্ষোভ বীরভূমের সিউড়িতেও। সদ্য সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে বাতিল হওয়া প্যানেলের জেরে চাকরি খোয়ানো শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মীরা বুধবার সিউড়ি শহরে মিছিল সংঘটিত করেন। বাসস্ট্যান্ডে পথ অবরোধের মধ্যে দিয়ে তাদের ক্ষোভ উগড়ে দেন। ক্ষোভের নিশানায় ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তার পৃষ্ঠপোষকতায় চলা এসএসসি। এদিন চাকরিহারারা পথ অবরোধ করার সাথে সাথে ডিআই অফিসেও তুমুল বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। পুলিশের বাধা সরিয়ে অফিস চত্বরে ঢুকে অবস্থান করেছেন। স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। বিক্ষোভ কারীদের মধ্যে বিনয় কর্মকার, নুরুল ইসলামরা একরাশ ক্ষোভ উগড়ে জানিয়েছেন, ‘‘আমাদের স্পষ্ট দাবি ওএমআরের মিরর কপি বের করো, অযোগ্যদের ছেঁটে ফেলে যোগ্যদের চাকরিতে পুনর্বহাল করো। আর এটা এখনও হয় নি একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর জন্য।’’ মুখ্যমন্ত্রীর জন্যই আজ তাদের এই পরিণতি বলে দাবি করে সিউড়ি বাসস্যান্ডে টায়ার জ্বালিয়ে তাদের ক্ষোভ, বঞ্চনা উগড়ে দেন বিপর্যস্ত শিক্ষকরা।
89 shares
😐