Achira News Logo
Achira News
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 4, 2026, 03:22 AM
পশ্চিমবঙ্গে ধীরে ধীরে শীতের অবসান

পশ্চিমবঙ্গে ধীরে ধীরে শীতের অবসান

আজকাল ওয়েবডেস্ক:গত কয়েক দিনে পশ্চিমবঙ্গে আবহাওয়া ফের একবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সকালেই কুয়াশা দেখা যাচ্ছে এবং শীতের প্রকোপ কিছুটা কমলেও এখনও সকালের তাপমাত্রা খানকটা কম রয়েছে। বিশেষ করে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী দক্ষিণবঙ্গের শহরগুলোতে সকালে কুয়াশা এবং ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে, যা শীতের শেষ দিকের একটি দিক হিসেবেই মনে করছেন সকলে। আইএমডি-র তথ্য অনুসারে বুধবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রির কাছে থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৬ ডিগ্রির ঘরে। ফলে সেখান থেকে শীত যে এবার ধীরে ধীরে বিদায়ের পথে সেকথা বলাই যায়। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, ফেব্রুয়ারির শুরুতেই উত্তরবঙ্গের অনেক জায়গায় শীতের প্রকৃতি কিছুটা কমেছে এবং সেখানে এখন সুন্দর আবহাওয়া রয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গে যেমন কলকাতা ও তার আশেপাশে তাপমাত্রা কিছুটা কম, ঠিক তেমনি সকালের কুয়াশা ও সন্ধ্যার শীত অনুভূত হচ্ছে। সাম্প্রতিক আবহাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭ সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় ১৬ সেলসিয়াসের দিকে থাকবে। একইভাবে বাঁকুড়ায় দিনে প্রায় ২৮° সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠতে পারে, ফলে খানিকটা গরমের দিকেই যাবে তাপমাত্রা। এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া সাধারণত শুষ্ক ও পরিষ্কার থাকে, তবে কিছু জেলায় হালকা কুয়াশা বা মেঘলা আকাশ দেখা দিতে পারে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী সামনের দিনগুলোতে রাজ্যের অধিকাংশ অংশে আবহাওয়া শুকনো ও পরিষ্কার থাকার সম্ভাবনা বেশি, যদিও কিছু স্থানে সকাল ও সন্ধ্যায় কুয়াশা থাকতে পারে। শীতের ঋতু থেকে বেরিয়ে আসার এই সময়ে মানুষের জন্য সাজেশন হল: সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা শীত অনুভূত হওয়ায় বাইরে বের হওয়ার সময় একটু গরম কাপড় পরিধান করা ভাল; দিনের সময়ে সূর্য উঠলে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় হালকা পোশাকও আরামদায়ক হতে পারে। তাছাড়া, কুয়াশা থাকলে গাড়ি চালানোর সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, কারণ কম দৃষ্টিসীমার কারণে পথ চলাচলে সমস্যা হতে পারে। সার্বিকভাবে, পশ্চিমবঙ্গে শীতের প্রভাব ধীরে ধীরে কমছে এবং ধীরে ধীরে গরমের খেলা শুরুর দিকে। রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণ—দুই প্রান্তেই এই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। এখান থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। কমার সম্ভাবনা একেবারেই কম থাকবে।
10 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:00 AM
শীতের ঢেউয়ের মধ্যে কলকাতার ন্যূনতম তাপমাত্রা কম

শীতের ঢেউয়ের মধ্যে কলকাতার ন্যূনতম তাপমাত্রা কম

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনই খুব একটা কমছে না জানিয়ে দিল আবহাওয়া দফতর। আজ, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে দশমিক ৩ ডিগ্রি কম। দক্ষিণবঙ্গে সব থেকে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে সিউড়ি এবং কল্যানীতে। দু’জায়গাতেই আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে রাতের তাপমাত্রা কম থাকলেও আজ বেলা বাড়তেই তাপমাত্রাও বাড়বে বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগামী কয়েকদিন ওঠানামা করবে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে। রাতে ও ভোরে শীতের আমেজ বজায় থাকবে। তবে তাপমাত্রা বাড়বে দিনের বেলায়। আগামী দু’দিন দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার দু’একটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতায় আজ পরিস্কার আকাশ। আগামী সাতদিন থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া। কাল থেকে শীতের অনুভূতি কিছুটা কমবে। আগামী সাতদিন কলকাতার তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। উত্তরবঙ্গের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার কোন হেরফের নেই আগামী চার-পাঁচ দিনে। মোটের উপর একই রকম আবহাওয়া বজায় থাকবে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের উপরের দিকে জেলাতে ১০-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে। উত্তরের সমতলের জেলাতে ১৪-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। অন্যদিকে হিমাচল প্রদেশ, পশ্চিম উত্তর প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব রাজস্থান, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশে। চরম ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে রাজধানী দিল্লিতে। পাঞ্জাব, চণ্ডীগড়, হরিয়ানা, বিহার, ওড়িশা এবং রাজস্থানে ঘন কুয়াশার সর্তকতা রয়েছে।
41 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 03:31 PM
যাত্রী সচেতনতা অভিযানের মধ্যে বুনিয়াদপুর রেল স্টেশন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উন্নতি দেখছে

যাত্রী সচেতনতা অভিযানের মধ্যে বুনিয়াদপুর রেল স্টেশন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উন্নতি দেখছে

অনুপ মণ্ডল, বুনিয়াদপুর:জরিমানায় ভোলবদল! স্টেশন (Buniadpur Station) চত্বর পরিষ্কার রাখার জন্য বিস্তর নিষেধাজ্ঞা, সচেতনতায় জোর দিয়েছিল রেল। কিন্তু অসচেতন যাত্রীরা তা কার্যত তোয়াক্কাই করেন না। যত্রতত্র পান ও গুটখার পিক ফেলা, ট্রেনের অপেক্ষায় থেকে সিগারেটের সুখটানকে তাঁরা অভ্যাসে পরিণত করে নিয়েছিলেন। তাতে এবার বাদ সেধেছে আরপিএফের জরিমানা। আর তাতেই পালটে গিয়েছে বুনিয়াদপুর রেলস্টেশনের পরিবেশটা। এনএসজি-৫ ক্যাটিগোরিতে থাকা স্টেশনটি এখন পরিচ্ছন্নতার দিক থেকে টেক্কা দিচ্ছে অনেক স্টেশনকেই। আরপিএফ সূত্রে খবর, গত পাঁচ মাসে এই সংক্রান্ত জরিমানা থেকে আদায় হয়েছে প্রায় চার লক্ষ টাকা। বুনিয়াদপুর আরপিএফ পোস্ট কমান্ডার কৃষ্ণেন্দু দাস বলছেন, স্টেশন চত্বরে শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। যাত্রী বা দর্শনার্থী, নিয়ম ভাঙলে কারও ছাড় নেই।’ স্টেশন পরিসর নোংরা করলে পাঁচশো টাকা, ধূমপান করলে দুশো টাকা- নানা ক্ষেত্রে এমন জরিমানার অঙ্ক লেখা রয়েছে স্টেশন চত্বরে। স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে এমন বোর্ড থাকায় তা যাত্রীদের নজরে পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু নজরে পড়লেও ‘কিছু হবে না’ সিদ্ধান্ত নিয়ে অধিকাংশ যাত্রী নিজেদের কাজটি সেরে ফেলতেন এতদিন। কিন্তু এখন নিয়ম ভাঙার ক্ষেত্রে জরিমানার অঙ্ক গুনতে হওয়ায় সতর্ক প্রায় প্রত্যেকেই। আরপিএফ আধিকারিকদের বক্তব্য, জরিমানায় জোর দেওয়ার পর থেকেই যাত্রীরা অতিমাত্রায় সতর্ক ও সচেতন হয়েছেন। স্টেশনের প্রবেশপথ, বুকিং কাউন্টার, প্ল্যাটফর্ম, ফুটওভার ব্রিজে নজরদারি চলছে এক কিলোমিটার জায়গাজুড়ে। সিসিটিভি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি আরপিএফ কর্মীরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। মাঝে মাঝে নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রোনও। কমান্ডার কৃষ্ণেন্দু বলছেন, ‘স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকা শুধু যাত্রীদের যাতায়াতের জায়গা নয়, জনপরিসরও। একে পরিষ্কার রাখা সকলের দায়িত্ব। আমরা শুধু আইন প্রয়োগ করছি না, সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টাও করছি।’ স্থানীয় বাসিন্দা নীলাঞ্জন মণ্ডল মনে করেন, ‘কড়াকড়ির ফলে পরিবেশের উন্নতি হয়েছে।’ তবে জরিমানার আগে আরও বেশি প্রচার ও সচেতনতার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন অনেকে। আরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পাঁচ মাসে ধূমপান, পানের পিক ফেলা এবং নোংরা করার অপরাধে জরিমানা বাবদ যে অর্থ আদায় হয়েছে, তার ধারেকাছে নেই গত কয়েক বছরের এই সংক্রান্ত আদায়কৃত টাকা। এক আধিকারিক বলছেন, জরিমানা আদায়ে আরও জোর দেওয়া হবে।
60 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 12:10 PM
কলকাতায় হঠাৎ শীতের ঢেউ আছড়ে পড়েছে।

কলকাতায় হঠাৎ শীতের ঢেউ আছড়ে পড়েছে।

সরস্বতীর পুজোর পর থেকেই আচমকা উধাও হয়ে গিয়েছিল শীত। জানুয়ারির শেষভাগ পর্যন্ত তিলোত্তমায় শীতের প্রকৃত আমেজ সেভাবে টের পাওয়া যায়নি। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, চলতি বছরে শীতের অধ্যায় বুঝি আগেই শেষ হয়েছে। কিন্তু সেই ধারণায় জল ঢালল মঙ্গলবারের সকাল। আচমকা বদলে গেল আবহাওয়া। ফের শীতের আমেজ ফিরল শহরে। মঙ্গলবার ভোর থেকেই কলকাতার আকাশে ঘন কুয়াশার দাপট। তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। ফেব্রুয়ারির শুরুতেই এমন আবহাওয়ায় নতুন করে শীতের আমেজ অনুভব করছেন শহরবাসী। কুয়াশার চাদরে ঢেকে গিয়েছে রাস্তা, উড়ালপুল ও শহরতলির বিস্তীর্ণ এলাকা। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে রেল চলাচলেও। একাধিক ট্রেন নির্ধারিত সময়ের থেকে দেরিতে চলছে বলে জানা গিয়েছে। শুধু কলকাতা নয়, মঙ্গলবার সকাল থেকে কুয়াশা কার্যত দাপট দেখাচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার পথঘাট কুয়াশায় মুড়ে রয়েছে। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ফের শীতের অনুভূতি দেখা দিয়েছে। হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, আপাতত তাপমাত্রায় কিছুটা ওঠানামা থাকবে। এ দিন কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। আগামী কয়েক দিন উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। তবে বেলা গড়ালেই শীতের আমেজ অনেকটাই কমে যাবে। দিনের বেলায় ফের গরম অনুভূত হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় কোনও পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। উত্তরবঙ্গের উঁচু দিকের জেলাগুলিতে পারদ থাকতে পারে ১০ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। দেশের অন্য অংশেও আবহাওয়ার নাটকীয় রূপ বদলের সম্ভাবনা রয়েছে। হিমাচলপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখন্ডে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। একই সঙ্গে পূর্ব রাজস্থান, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির জন্য জারি হয়েছে চরম ঘন কুয়াশার সতর্কতা। ফেব্রুয়ারির শুরুতেই ফের শীতের প্রত্যাবর্তনে স্বস্তি পেলেও, আবহাওয়াবিদদের মতে এই ঠান্ডা স্থায়ী হবে না। কয়েক দিনের মধ্যেই ফের তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
99 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 3, 2026, 11:09 AM
তাপমাত্রার ওঠানামার মধ্যে কলকাতা অসময়ে শীতল ঢেউয়ের সম্মুখীন

তাপমাত্রার ওঠানামার মধ্যে কলকাতা অসময়ে শীতল ঢেউয়ের সম্মুখীন

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনই খুব একটা কমছে না জানিয়ে দিল আবহাওয়া দফতর। আজ, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে দশমিক ৩ ডিগ্রি কম। দক্ষিণবঙ্গে সব থেকে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে সিউড়ি এবং কল্যানীতে। দু’জায়গাতেই আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে রাতের তাপমাত্রা কম থাকলেও আজ বেলা বাড়তেই তাপমাত্রাও বাড়বে বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগামী কয়েকদিন ওঠানামা করবে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে। রাতে ও ভোরে শীতের আমেজ বজায় থাকবে। তবে তাপমাত্রা বাড়বে দিনের বেলায়। আগামী দু’দিন দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার দু’একটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতায় আজ পরিস্কার আকাশ। আগামী সাতদিন থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া। কাল থেকে শীতের অনুভূতি কিছুটা কমবে। আগামী সাতদিন কলকাতার তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। উত্তরবঙ্গের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার কোন হেরফের নেই আগামী চার-পাঁচ দিনে। মোটের উপর একই রকম আবহাওয়া বজায় থাকবে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের উপরের দিকে জেলাতে ১০-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে। উত্তরের সমতলের জেলাতে ১৪-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। অন্যদিকে হিমাচল প্রদেশ, পশ্চিম উত্তর প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব রাজস্থান, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশে। চরম ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে রাজধানী দিল্লিতে। পাঞ্জাব, চণ্ডীগড়, হরিয়ানা, বিহার, ওড়িশা এবং রাজস্থানে ঘন কুয়াশার সর্তকতা রয়েছে।
100 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 09:03 AM
মানব সভ্যতার সুরক্ষাঃ পৃথিবীর প্রান্তে ডুমসডে ভল্ট

মানব সভ্যতার সুরক্ষাঃ পৃথিবীর প্রান্তে ডুমসডে ভল্ট

আজকাল ওয়েবডেস্ক:পৃথিবীর একেবারে প্রান্তে এমন একটি জায়গা আছে যেখানে শুধু বরফ, নীরবতা এবং অন্ধকারই বিরাজমান। সেখানে মানব সভ্যতার কোনও চিহ্ন নেই। যে জায়গাটির কথা বলা হচ্ছে, সেটা নরওয়ের একটি ছোট এলাকা। এর নাম লংইয়ারবিন। এটা একটা দ্বীপ যা উত্তর মেরুর খুব কাছে অবস্থিত। এখানে মাসের পর মাস সূর্যের আলো দেখা যায় না এবং তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নীচে থাকে। তবে এই জায়গাটি মেরু ভাল্লুকদের বাসস্থান। এখানেই মানবজাতি ভবিষ্যতের জন্য তাদের সবচেয়ে মূল্যবান উত্তরাধিকার লুকিয়ে রেখেছে। বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত স্থানএই জায়গাটিতে একটি পাহাড় আছে, যাকে বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত স্থান বলা হয়। এর নাম সভালবার্ড গ্লোবাল সিড ভল্ট, যা সাধারণত ‘ডুমসডে ভল্ট’ নামে পরিচিত। এখানেই মানব সভ্যতাকে পুনর্নির্মাণের সূত্রটি নিহিত আছে। প্রাথমিকভাবে এটা গ্লোবাল সিড ভল্ট হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে সারা বিশ্বের ফসলের বীজ নিরাপদে সংরক্ষণ করা হয়, যাতে যদি কখনও কোনও বৈশ্বিক বিপর্যয় ঘটে, তবে কৃষি ও জীবন আবার শুরু করা যায়। সমগ্র ডিজিটাল সভ্যতার ব্যাকআপপরে এই পাহাড়ের ভেতরে আরেকটি মিশন হাতে নেওয়া হয়, যার নাম আর্কটিক ওয়ার্ল্ড আর্কাইভ। এর অর্থ হল, এখন এখানে শুধু বীজ নয়, বরং সমগ্র ডিজিটাল সভ্যতার একটি ব্যাকআপও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ধারণাটি হল, পৃথিবী যদি ইন্টারনেটবিহীন হয়ে যায়, সার্ভার পুড়ে যায় বা ডেটা মুছে যায়, তবুও মানবজাতির জ্ঞান সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যাবে না। এই কারণেই বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ডিজিটাল সম্পদ এখানে জমা রেখেছে। ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার থেকে শুরু করে আধুনিক প্রযুক্তির সোর্স কোড পর্যন্ত সবকিছুই এই বরফের ভল্টে সুরক্ষিত আছে। ভারত এই স্থানে কী সংরক্ষণ করেছে?ভারত এখানে শুধু প্রযুক্তিগত নথিই নয়, তার সাংস্কৃতিক পরিচয়ও ডিজিটাল আকারে সংরক্ষণ করেছে। তাজমহলের থ্রিডি ডিজিটাল রেকর্ড, সংবিধানের একটি অনুলিপি, বিরল পাণ্ডুলিপি এবং ইসরোর গুরুত্বপূর্ণ মিশনগুলোর ডেটাও ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য এখানে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। হায়দ্রাবাদের ইক্রিস্যাট এবং ভারতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে এক লাখেরও বেশি বীজের নমুনা এখানে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জোয়ার, বাজরা এবং রাগি-র মতো বাজরা শস্য, সেইসঙ্গে ডাল ও ধানের বিরল জাত। এই সমস্ত বীজ সিল করা পাত্রে রাখা আছে, যার মালিকানা সম্পূর্ণরূপে ভারতের। কীভাবে ডেটা মহাপ্রলয় থেকে সুরক্ষিত থাকবে?আর্কটিক ওয়ার্ল্ড আর্কাইভের সবচেয়ে বড় শক্তি হল এটা সম্পূর্ণ অফলাইন। এখানে কোনও ইন্টারনেট সংযোগ নেই, তাই হ্যাকিংয়েরও কোনও সুযোগ নেই। তথ্যগুলো একটি বিশেষ ফিল্মে রেকর্ড করা হয়, যা বিদ্যুৎ ছাড়াই শত শত বছর ধরে সুরক্ষিত থাকতে পারে। প্রাকৃতিক বরফ বা পারমাফ্রস্টই এই নিরাপত্তার প্রধান উৎস। এমনকী যদি পুরো বিশ্ব অন্ধকারে ডুবে যায়, তবুও এখানে সংরক্ষিত তথ্য সুরক্ষিত থাকবে। এর একমাত্র উদ্দেশ্য হল মানবতাকে সংরক্ষণ করা। একারণেই এই বরফের গুহাটিকে ভবিষ্যতের ব্ল্যাক বক্স বলা হয়, যেখানে মানব সভ্যতার পরিচয় শান্তিতে তার সময়ের জন্য অপেক্ষা করছে।
62 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 06:45 AM
ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে ইচ্ছুক ইরানের ইঙ্গিত

ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে ইচ্ছুক ইরানের ইঙ্গিত

আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার জন্য তৈরি ইরান। তবে সমঝোতা হতে হবে ন্যায্য এবং নিরপেক্ষ। মঙ্গলবার তা স্পষ্ট করে দিল তেহরান। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে ইতিমধ্যে এই মর্মে নির্দেশ দিয়ে দিয়েছেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামনেইয়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তা নিয়ে গত এক মাসে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের কূটনৈতিক উত্তেজনা ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরানের উপর ধারাবাহিক ভাবে চাপ দিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প। আমেরিকা ইরানে হামলা করতে পারে, এমন আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্টের এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। অনেকেই দাবি করছেন, সাম্প্রতিক উত্তেজনার পরিস্থিতিতে এই প্রথম বার আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়ে এতটা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিল ইরান। মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডলে ইংরেজি এবং ফারসি ভাষায় পোস্ট করেন পেজ়েশকিয়ান। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্পের তরফে আলোচনার প্রস্তাব আসার পরে এবং পশ্চিম এশিয়ার বন্ধুরাষ্ট্রগুলির অনুরোধের পরে ইরান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি লেখেন, “আলোচনা ন্যায্য এবং পক্ষপাতহীন হলে, সেই পথে এগোনো যেতে পারে বলে আমি বিদেশমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছি। তবে উপযুক্ত পরিবেশ থাকতে হবে, যেখানে আমাদের উপর কোনও হুমকি দেওয়া হবে না। আমাদের কাছ থেকে অযৌক্তিক কোনও প্রত্যাশা থাকবে না। আলোচনা হতে হবে পারস্পরিক মর্যাদা, বিচক্ষণতা এবং যথাযথ নীতির ভিত্তিতে।” ঘটনাচক্রে, রবিবারই আমেরিকাকে সতর্ক করে খামেনেই বলেছেন, ইরানের উপর হামলা করলে আঞ্চলিক যুদ্ধের সূত্রপাত হবে। ওই মন্তব্যের পাল্টা দিয়েছেন ট্রাম্পও। তিনি জানান, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে খামেনেইয়ের এই বক্তব্য প্রত্যাশিতই ছিল। তা সত্ত্বেও তিনি আশাবাদী যে তেহরানের সঙ্গে সমঝোতা হবে ওয়াশিংটনের। একই সঙ্গে তিনি এ-ও হুঁশিয়ারি দেন যে শেষ পর্যন্ত ইরান কোনও রকম চুক্তিতে পৌঁছোতে না পারলে, তার জন্যও তৈরি রয়েছে আমেরিকা।
11 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 06:13 AM
বসন্ত জ্বরঃ শিশুদের জন্য সংক্রমণ বৃদ্ধির একটি মরশুম

বসন্ত জ্বরঃ শিশুদের জন্য সংক্রমণ বৃদ্ধির একটি মরশুম

শীত ও গ্রীষ্মের মাঝের ঋতুটি বসন্ত। এই সন্ধিক্ষণে আবহাওয়ার রূপান্তর ঘটে। বিকেল থেকে সকাল পর্যন্ত ঠাণ্ডাভাব থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে রোদের তাপ বাড়তে থাকে। গরম অনুভূত হয়। এক কথায় সারা দিনে আবহাওয়ার তারতম্যের ফলে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু জন্মায়। তাই বসন্তের আগেই জীবাণুবাহিত জ্বর, সর্দি, কাশি,শ্বাসকষ্টজনিত রোগ বেশি হয়। এই সময় হাম, পক্স হয়। চোখের সংক্রমণ হয়। তাই এই সময়টাতেশিশুদের সবচেয়ে বেশি সাবধানে রাখা জরুরি। বাবা-মায়েরা কী ভাবে সামলাবেন, রইল কিছুপরামর্শ। কোন কোন রোগ থেকে সতর্ক থাকতে হবে? অ্য়াডিনোভাইরাস ও রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাসের (আরএসভি) সংক্রমণে এই সময়ে ভাইরাল জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বাড়ে। ছোটরাই বেশি ভোগে। চিকিৎসক অরুণাংশু তালুকদারের মতে, ঠান্ডা লাগার ফলে টনসিল রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হয়। এর ফলে জ্বর আসে। তাই বাড়িতে কারও জ্বর বা সর্দি-কাশি হলে, ছোটদের দূরে রাখতে হবে। খাবারের সঙ্গে বা পানীয় জলের মাধ্যমে নানা জীবাণুর সংক্রমণ হয় এই সময়ে। আন্ত্রিক বা ডায়েরিয়ারপ্রকোপ বাড়ে। ছোটদের বাইরের খাবার, পানীয়, শরবত কোনও কিছুই খাওয়ানো যাবে না। জলফুটিয়ে খাওয়াতে পারলে ভাল হয়। হাম ও পক্সের প্রকোপও বাড়ে। পক্স হচ্ছে বসন্ত রোগ এটি ভেরিসলা জস্টার নামক ভাইরাস থেকে হয়। এই রোগ শীতকালের শেষ ও বসন্তকালে বেশি হয়। আগে থেকে জ্বর আসে পরে সারা শরীরে ফোস্কার মত ছোট আকারে বার হয়। সারা শরীর জ্বালা করে। এই রোগের স্থায়িত্ব সাত থেকে পনেরো দিন হতে পারে। তাই জ্বর যদি তিন থেকে চার দিনের বেশি থাকে, তাহলে আগে থেকেই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। পাঁচ থেকে দশ বছরের শিশুর যদি হাঁপানি থাকে, অথবা ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা দেখা দেয়, তা হলে নজর দিতে হবে। কারণ এই সময়ে হাঁপানি, অ্যালার্জিজনিত রোগের প্রকোপও বাড়ে। বাবা-মায়েরাকীভাবেসামলাবেন? সময়মতো টিকাকরণে অনেক ভাইরাসজনিত রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আর সাবধানতা হিসেবে রোগের লক্ষণ ধরা পড়ার পরে বাড়ির অন্য সকলকে একটু সতর্ক থাকা দরকার। যেমন, রোগ ধরা পড়লে প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সাধারণ কিছু স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলতে হবে। এই সময় খাবার তালিকায় সজনেডাঁটা, সজনেফুল, সজনেশাক ও নিমপাতা খেলে ভাল হয়। খুব বেশি ঠান্ডা লাগানো যাবে না। দিনের দিকে সুতির পোশাক পরানো ভাল। রাতে বাইরে বেরোলে গরম পোশাক পরাতে হবে শিশুকে। এই ঋতুতে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হয় শিশুরা। কোনও শিশুর কাশি হয়, কারও বা রাত্রে ঘুমোবার সময় নাক বন্ধ হয়ে যায়। অনেকে কাশির ফলে সারা রাত ঘুমাতে পারে না। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো বিপজ্জনক হতে পারে। শিশুর প্রস্রাব ঠিকমতো হচ্ছে কি না, তা-ও নজরে রাখতে হবে। প্রস্রাব যদি দিনে পাঁচ বারের কম হয়, তা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অন্তত পাঁচ বছর বয়স অবধি পানীয় জল ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খাওয়ান। জল পরিশোধনের ব্যবস্থা থাকলে সেই যন্ত্রটিও নিয়মিত পরিষ্কার করুন। বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক নিয়মিত পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন।
43 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 04:36 AM
দক্ষিণবঙ্গের হালকা শীত শীঘ্রই শেষ হতে চলেছেঃ আবহাওয়া দফতর তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে

দক্ষিণবঙ্গের হালকা শীত শীঘ্রই শেষ হতে চলেছেঃ আবহাওয়া দফতর তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে

কনকনে ঠান্ডা না থাকলেও সকাল-সন্ধ্যায় বেশ অনুভূত হচ্ছে হালকা শীতের আমেজ। বেলা গড়ালেই বাড়ছে রোদের তেজ। উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে আপাতত এমনই থাকবে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা। তবে এই মনোরম এই আবহাওয়া বেশি দিন থাকবে না দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, আগামী সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গ থেকে পাকাপাকি ভাবে বিদায় নিতে পারে শীত।মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুধু শহর কলকাতা নয়, দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় তাপমাত্রা আপাতত ১১ থেকে ১৫ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। মঙ্গলবার শ্রীনিকেতনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৬, ঝাড়গ্রামে ১৪.৮, বাঁকুড়া ১৩.০ এবং কল্যাণীতে ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা থাকলেও, রোদ উঠলেই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে আকাশ। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, ফেব্রুয়ারির শেষে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আপাতত বেশ মনোরম। সঙ্গে বজায় রয়েছে কুয়াশার দাপট। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকার তাপমাত্রা আপাতত ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশেই থাকবে। সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশেই ঘোরাফেরা করবে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আপাতত উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রায় বিশেষ কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে দু'টি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে দেশে। এ ছাড়াও দিন কয়েকের মধ্যে আরও পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। যার জেরেই বঙ্গে ওঠানামা করছে তাপমাত্রার পারদ। যদিও আবহাওয়া দপ্তর স্পষ্ট জানিয়েছে, নতুন করে ঠান্ডা পড়ার আর কোনও আশঙ্কা নেই।
24 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 04:15 AM
উত্তরবঙ্গে কুয়াশা অব্যাহত, অন্যত্র তাপমাত্রা বৃদ্ধি

উত্তরবঙ্গে কুয়াশা অব্যাহত, অন্যত্র তাপমাত্রা বৃদ্ধি

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:রাজ্যে সেই কনকনে শীত আর নেই। শুধুমাত্র ভোর এবং রাতের দিকেই টের পাওয়া যাচ্ছে শীতের আমেজ। বেলা কিছুটা বাড়লেই অনুভূত হচ্ছে গরম। আগামী কয়েকদিন কেমন থাকবে রাজ্যের আবহাওয়া। জেনে নিন (Weather Update)। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের (North Bengal) জেলাগুলিতে অব্যাহত থাকবে কুয়াশার দাপট। আগামী ৪-৫ দিন সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা লক্ষ্য করা যাবে ভোরের দিকে। তবে দার্জিলিং জেলায় মঙ্গলবার কুয়াশার হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এতে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম থাকলেও রাতে শীতের শিরশিরানি অনুভূত হবে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) ক্ষেত্রে আবহাওয়ার মেজাজ কিছুটা ভিন্ন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম জেলায় ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, তবে তাপমাত্রার পারদ সামান্য ওঠানামা করতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে অর্থাৎ পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং বীরভূমে শীতের দাপট এখনও বেশ খানিকটা বজায় থাকবে।
94 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 09:58 PM
সলিসিটর জেনারেল লাদাখের যুবকদের একত্রিত করার জন্য পরিবেশ কর্মী সোনম ওয়াংচুকের প্রচেষ্টার সমালোচনা করেছেন

সলিসিটর জেনারেল লাদাখের যুবকদের একত্রিত করার জন্য পরিবেশ কর্মী সোনম ওয়াংচুকের প্রচেষ্টার সমালোচনা করেছেন

নেপাল বা বাংলাদেশের মতো লাদাখের তরুণ প্রজন্মকে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের সামনে এমনই মন্তব্য করলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। পিটিআই সূত্রে খবর, পরিবেশকর্মীর স্ত্রী গীতাঞ্জলি জি আংমোর একটি আবেদনের শুনানি চলাকালীন ওই মন্তব্য করেন সলিসিটর জেনারেল। তিনি আরও জানান যে, খুব সতর্ক হয়ে সোনম তাঁর বক্তৃতা দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন গান্ধীজির বাণী। যেখানে নেপাল বা বংলাদেশের মতো আন্দোলনের আহ্বান জানিয়েছিলেন তরুণ প্রজন্মকে। সলিসিটর জেনারেল জানান, জেলবন্দি পরিবেশকর্মী কেন্দ্রীয় সরকার এবং লাদাখের মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন। অন্য দিকে, সোমামের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জানতে চান যে, তাঁর স্বামী তিন দশক ধরে লাদাখ এবং সমগ্র ভারতে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের শিক্ষা, উদ্ভাবন ও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কাজ করেছেন। যা রাজ্য এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসা কুড়িয়েছে, তবে এখন কেন তাঁর বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ করা হল?
100 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 2, 2026, 04:26 PM
ভারতের বক্সার রাজাভাটখাওয়া-জয়ন্তী রেলপথ 38 বছর পর পুনরায় খোলা হবেঃ সংরক্ষণের উদ্বেগ উত্থাপিত

ভারতের বক্সার রাজাভাটখাওয়া-জয়ন্তী রেলপথ 38 বছর পর পুনরায় খোলা হবেঃ সংরক্ষণের উদ্বেগ উত্থাপিত

আলিপুরদুয়ার, প্রকাশ মণ্ডল:ইংরেজ আমলে ডলোমাইট, চা এবং কাঠ সংগ্রহের জন্য বক্সার রাজাভাতখাওয়া-জয়ন্তী রেলপথ চালু করা হয়। ১৯৮৩ সাল ‘বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প’ মান্যতা পাওয়ার পর থেকে রাজাভাতখাওয়া থেকে জয়ন্তী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। বক্সা বাঘ বনে বাঘেদের প্রাকৃতিক পরিবেশের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। প্রায় চার দশক বাদে সেই রেলপথই পুনরুদ্ধারে অর্থ বরাদ্দ করার ঘটনায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। ব্যাঘ্র প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে যাওয়া সংশ্লিষ্ট ১৫ কিলোমিটার রেলপথ পুনরুদ্ধারের জন্য ১৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রেল। গত শুক্রবার উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল একথা জানিয়েছে। আর তাতেই ডুয়ার্সে জঙ্গলে বন্যপ্রাণীদের বসতের পরিবেশ নিয়ে চিন্তিত পরিবেশকর্মীরা। বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের উদ্যেশে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের রাজাভাতখাওয়া-জয়ন্তীর রেলপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। রেল পথ সংস্কার হলে আবারও রাজাভাতখাওয়া থেকে জয়ন্তী পর্যন্ত ছুটবে ট্রেন। ওই রেলপথ ঘিরে যে সকল বসতি রয়েছে, তাঁদেরই বা কী হবে। অন্যত্র সরিয়ে দিলে, তাঁদের কোথায় পুনর্বাসন করা হবে। এই বিষয়ে কোনো সঠিক পরিকল্পনা জানায়নি রেল। জানা গিয়েছে, বন্ধ হয়ে যাওয়া এই রেলপথ দিয়ে এক সময় টয় ট্রেন চালানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। রেল সেই প্রস্তাবকেই কার্যকর করতে যাচ্ছে কি না সেটাই এখন দেখার। রেলের এই উদ্যোগে ‘বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প’-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত বিভিন্ন পরিবেশপ্রেমীরা। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের ডিআরএম দেবেন্দ্র সিংহ বলেন, ‘‘রেলপথটি পুনর্নির্মাণের জন্য ১৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এছাড়া আমাদের হাতে কোনো তথ্য নেই। বন দফতরের সঙ্গে এই নিয়ে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি। শীঘ্রই এ নিয়ে আলোচনা করা হবে। রেলের এই বিবৃতির নিয়ে ভোটের মুখে রাজনীতির অভিযোগ তৃণমূল নেতাদের। তাঁদের বক্তব্য, ‘‘রাজাভাতখাওয়া থেকে জয়ন্তী পর্যন্ত রেললাইনটি জঙ্গলে ঘেরা। পর্যটকেরা জঙ্গলের প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে এখানে ছুটে আসেন। এক সময় পর্যটনের স্বার্থে সেখানে ছোট ট্রেন চালানোর প্রস্তাব উঠলেও, তার বাস্তবায়ন হয়নি।’’ এত বছর বাদে হঠাৎ এহেন উদ্যোগে হতবাক সকলে। এই বিষয়ে আলিপুদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিজ্ঞা বলেন, “ওই রেলপথ ফের চালু হলে এলাকায় অর্থনীতির উন্নয়ন হবে। রাজ্য এবং কেন্দ্র, দুই সরকার মিলে এই আলোচনা করে সকলের ভালর জন্য যা হবে সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে।’’ এই বিষয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র আধিকারিক অপূর্ব সেন জানান, তাঁদের কাছে এই মুহূর্তে নিয়ে কোনও তথ্য নেই। রেল থেকে এই সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে তাদের জানানো হয়নি।
54 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 2, 2026, 02:36 PM
দিনহাটা হাসপাতালের আবর্জনার স্তূপঃ রোগী ও কর্মীদের জন্য একটি স্বাস্থ্য ঝুঁকি

দিনহাটা হাসপাতালের আবর্জনার স্তূপঃ রোগী ও কর্মীদের জন্য একটি স্বাস্থ্য ঝুঁকি

দিনহাটা:দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা করাতে এসে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়ছেন রোগী ও তাঁদের পরিজন। আউটডোরের গেটের পাশেই দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা আবর্জনার দুর্গন্ধে কার্যত শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্গন্ধ এড়াতে অনেককেই নাকে রুমাল চেপে, কাউকে আবার হাত দিয়ে নাক বন্ধ করে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। দিনহাটা মহকুমার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে আবর্জনার স্তূপ জমে থাকা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। হাসপাতালের গেটের সামনে এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কেবল সাধারণ মানুষের কষ্টের কারণ নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য বড়সড়ো হুমকি। হাসপাতালের আবর্জনা খোলা অবস্থায় পড়ে থাকলে সেখানে মাছি, মশা এবং অন্য কীটপতঙ্গ বংশবৃদ্ধি করে। এর ফলে জলবাহিত রোগ যেমন টাইফয়েড, কলেরা ও ডায়ারিয়ার প্রকোপ বাড়তে পারে। এছাড়া মশাবাহিত রোগ ডেিঙ্গ বা ম্যালেরিয়ার জীবাণু ছড়ানোর প্রবল সম্ভাবনা থাকে। কোয়ালিদহর বাসিন্দা রমেন বর্মন হাসপাতালের এই পরিস্থিতিতে বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘ডাক্তার দেখাতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে ভাবিনি। আগের সপ্তাহেও এসেছিলাম, তখনও একই অবস্থা ছিল। এবার তো আবর্জনা আরও জমে গিয়েছে।’ শুধু রমেনবাবুই নন, আউটডোরের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক রোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের একই অভিযোগ। অনেকে জানান, দুর্গন্ধের কারণে মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাবের মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। স্বাস্থ্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, পচনশীল আবর্জনার তীব্র দুর্গন্ধে বাতাসে বিষাক্ত গ্যাস মিশে থাকে। যাঁরা লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন, তাঁদের মাথাব্যথা, বমিভাব এবং শ্বাসকষ্ট হতেই পারে। হঁাপানি বা সিওপিডি রোগীদের জন্য এই পরিবেশ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তঁাদের মতে, হাসপাতাল হল সুস্থ হওয়ার জায়গা। কিন্তু গেটের মুখেই যদি জীবাণুর উৎস থাকে, তবে রোগীদের ক্ষতস্থানে সেপটিক বা সেকেন্ডারি ইনফেকশন হওয়ার ভয় থাকে। নবজাতক শিশু এবং প্রসূতিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তারা দ্রুত আক্রান্ত হতে পারে। এদিন হাসপাতালে উপস্থিত অনেকেই জানান, হাসপাতালের আউটডোর গেটের ঠিক পাশেই হাসপাতালের আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। এটি একদিন বা দু’দিনের সমস্যা নয়। প্রায় কয়েক মাস ধরেই এভাবেই সেখানে আবর্জনা জমে থাকছে। মাঝেমধ্যে পুরসভার তরফে সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হলেও, অনেক সময় দীর্ঘদিন পর্যন্ত আবর্জনা পড়ে থাকছে। ক্রমেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট দিনহাটা মহকুমা হাসপাতাল এলাকায় অন্যতম বৃহৎ স্বাস্থ্যকেন্দ্র। প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য ও সাধারণ আবর্জনা তৈরি হয়। নিয়ম অনুযায়ী সেগুলো নির্দিষ্ট সময় অন্তর পুরসভার তরফে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা। অভিযোগ, সপ্তাহখানেক অন্তর আবর্জনা তোলার কথা থাকলেও বাস্তবে তা নিয়মিত হচ্ছে না। এর ফলেই আউটডোরের সামনের এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এই সমস্যা নতুন নয় বলে দাবি স্থানীয়দের। বছরের পর বছর ধরে দিনহাটা হাসপাতালে এই একই পরিস্থিতি চলে আসছে বলে অভিযোগ। একদিকে রোগীরা অসুস্থ শরীরে চিকিৎসা নিতে আসছেন, অন্যদিকে হাসপাতাল চত্বরে এমন পরিবেশ তাঁদের আরও অসুস্থ করে তুলছে। হাসপাতাল সুপার রণজিত মণ্ডল বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। পুনরায় পুরসভার সঙ্গে কথা বলা হবে, যাতে দ্রুত আবর্জনা সরানো যায় এবং ভবিষ্যতে এমন সমস্যা না হয়।’ শুধুমাত্র আউটডোরের গেটের পাশেই নয়, হাসপাতালে প্রধান গেটের পাশেও বেশ কিছু জায়গায় স্তূপাকারে রাখা হচ্ছে জঞ্জাল। কোচবিহার জেলার সদর হাসপাতালের পর দিনহাটা মহকুমা হাসপাতাল সবথেকে বড় হাসপাতাল হলেও এই হাসপাতালের কোনও সঠিক নজর দেওয়া হয় না পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে।
79 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 12:42 PM
দীর্ঘস্থায়ী ঠোঁট কামড়ানোঃ অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যার একটি অগ্রদূত

দীর্ঘস্থায়ী ঠোঁট কামড়ানোঃ অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যার একটি অগ্রদূত

ঠোঁট ফাটার সমস্যা অনেকেরই থাকে। আবহাওয়া পরিবর্তন বা জলশূন্যতার কারণে সাময়িক ভাবে ঠোঁট ফাটলে তাকে সাধারণত কোনও রোগ বলা যায় না। কিন্তু যদি সারা বছর ধরে ঠোঁট ফাটে, ক্রিম বা লিপ বাম মেখেও সমস্যার সমাধান না হয়, তা হলে চিন্তার কারণ আছে। ঠোঁট ফাটা বা ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয়, কাইলাইটিস। এটিকে শারীরিক কোনও সমস্যার পূর্বলক্ষণের বলা যেতে পারে। ক্রনিক ঠোঁট ফাটার সমস্যা কী কী কারণে হতে পারে? অপুষ্টি বা ভিটামিনের অভাব ভিটামিনের অভাব হলে সে কারণে ঠোঁট ফাটার সমস্যা শুরু হতে পারে। ভিটামিন বি৩, বি৬ ও বি১২ ভিটামিনের অভাবে ঠোঁট ফাটে সবচেয়ে বেশি। তা ছাড়া, জ়িঙ্ক ও আয়রনের অভাবেও ঠোঁট ফাটার সমস্যা দেখা দেয়। থাইরয়েডের সমস্যা থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজ়ম হলে ত্বক ও ঠোঁট অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। ময়েশ্চারাইজ়ার ব্যবহার করার পরেও যদি ঠোঁট ফাটা না কমে, তবে তা থাইরয়েডের লক্ষণ হতে পারে। ডায়াবিটিস রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে, শরীর থেকে জল বেরিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। এর ফলে জলশূন্যতা দেখা দেয় মুখের ভিতর ও ঠোঁট শুকিয়ে যায়। এ ছাড়া ডায়াবিটিস থাকলে মুখগহ্বরের ভিতরে ছত্রাকের সংক্রমণও হতে দেখা যায়, ফলে ঠোঁটের কোণ শুকিয়ে যায়, ঠোঁটের চামড়া ফেটে রক্ত বার হতে পারে। হজমের সমস্যা ক্রনিক অম্বল, গ্যাস বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে শরীরে ভিটামিন ও খনিজের শোষণ ঠিকমতো হয় না। অপুষ্টির কারণে তথন ঠোঁট ফাটার সমস্যা দেখা দেয়। মাঝেমধ্যেই যদি ঠোঁট ফেটে রক্ত বার হতে থাকে, তা হলে সেটি অন্ত্রের রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন? ঠোঁটের কোণে যদি ঘা বা পুঁজ হয় তা হলে সতর্ক হতে হবে। যদি ঠোঁটের চামড়া মোটা হয়ে যায় ও তাতে সাদাটে ছোপ দেখা দেয়, তা হলে দেরি করা ঠিক হবে না। প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ার পরেও যদি ঠোঁট ও মুখগহ্বর শুকিয়ে যেতে থাকে, তা হলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
11 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 12:04 PM
ভারতের ডুয়ার্স অঞ্চলে কয়েক দশক পর পরিত্যক্ত রেলপথ পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে

ভারতের ডুয়ার্স অঞ্চলে কয়েক দশক পর পরিত্যক্ত রেলপথ পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে

আশির দশকে শেষ বার ট্রেন চলেছিল রাজাভাতখাওয়া-জয়ন্তী রেলপথে। আলিপুরদুয়ারে ডলোমাইট, চা এবং কাঠ সংগ্রহের জন্যই ওই রেলপথ ব্যবহার করা হত। তার পর পরিবেশ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়েছে। ধীরে ধীরে রেলপথের দু’ধারে গড়ে ওঠে জনবসতি। প্রায় চার দশক বাদে সেই রেলপথই পুনরুদ্ধারে কেন্দ্র অর্থ বরাদ্দ করায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। ডুয়ার্সের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তায় পরিবেশকর্মীরা। রেলপথের সংরক্ষণ এবং নতুন করে ট্রেন চালানোর উদ্যোগের কারণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ১৯৮৩ সাল বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প মান্যতা পাওয়ার পর থেকে রাজাভাতখাওয়া থেকে জয়ন্তী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিবেশের কথা ভেবেই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। গত শুক্রবার একটি বিবৃতিতে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জলকিশোর শর্মা জানান, সংশ্লিষ্ট রেলপথ পুনরুদ্ধারের জন্য ১৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ১৫.১৩ কিলোমিটার রেলপথ সংস্কার হলে আবার রাজাভাতখাওয়া থেকে জয়ন্তী পর্যন্ত ট্রেন ছুটবে। ওই রেলপথ ঘিরে যে সকল বসতি রয়েছে, সেগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এই ঘোষণার পরে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। প্রথমত, যে উদ্দেশ্যে রাজাভাতখাওয়া-জয়ন্তীর রেলপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, সেই বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের ভবিষ্যৎ কী হবে? যে রেলপথ জয়ন্তীতে গিয়ে শেষ হচ্ছে, সেখানে কাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা করল রেল মন্ত্রক? ব্যাঘ্র প্রকল্পের মাঝখান দিয়ে ট্রেন ছুটিয়ে আখেরে কার কী লাভ? উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের ডিআরএম দেবেন্দ্র সিংহ বলেন, ‘‘রেলপথটি পুনর্নির্মাণের জন্য ১৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।এর বাইরে সম্পূর্ণ রিপোর্ট বা আরও কোনও তথ্য আমাদের হাতে পৌঁছোয়নি।’’ বন দফতরের ছাড়পত্র কি আছে? ডিআরএমের জবাব, ‘‘এখনও সে সব নিয়ে আলোচনা হয়নি। ছাড়পত্র বা বাকি যে সব ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।’’ কিন্তু শুধুমাত্র পর্যটনের সুবিধার জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়া হল কি না, তারও সদুত্তর দেয়নি রেল। সংশ্লিষ্ট কাজে অর্থ বরাদ্দের আগে পরিবেশের উপর প্রভাব সংক্রান্ত কোনও সমীক্ষা করা হয়েছিল কি না, কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক ছাড়পত্র দিয়েছে কি না ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর বা ব্যাখ্যা নেই উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাছে। এই পরিস্থিতিতে বন্যপ্রাণের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত বিভিন্ন পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ সংগঠন। পরিবেশকর্মী অনিমেষ বসুর কথায়, ‘‘যেখানে মানুষই নেই, বনবস্তি ইতিমধ্যে তুলে দেওয়া হয়েছে, সেখানে রেল চালানো একটা অবান্তর পরিকল্পনা। বন্যপ্রাণের ক্ষতি ছাড়া লাভের কিছু তো দেখতে পাচ্ছি না। আসলে এই রেলপথটির প্রয়োজনই নেই। আগেও এই রেলপথ সাধারণ মানুষের জন্য ছিল না। সেই সময় শুধু বাণিজ্যিক কারণে ট্রেন চলত। ‘টাইগার রিজ়ার্ভ’ ঘোষণা হওয়ার পরেই তা বন্ধ হয়ে যায়। এখন ঠিক কোন উদ্দেশ্য নিয়ে, কার ভাল চেয়ে রেলপথ তৈরি হচ্ছে, জানা নেই।’’ বন্ধ হয়ে যাওয়া এই রেলপথ দিয়ে এক সময় টয় ট্রেন চালানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। রেলের এই বিবৃতির পর তৃণমূল নেতা বলছেন, ‘‘রাজাভাতখাওয়া থেকে জয়ন্তী পর্যন্ত যে রেললাইনটি রয়েছে, ওই জায়গাটি ভীষণই সুন্দর। পর্যটনের স্বার্থে সেখানে ছোট ট্রেন চালানোর প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু তার বাস্তবায়ন হয়নি।’’ শিলিগুড়ির মেয়রের দাবি, এই ঘোষণার নেপথ্যে রয়েছে রাজনীতি। সামনেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট। তার আগে এমন নানাবিধ ঘোষণা এবং পরিকল্পনার কথা বলে মানুষকে আকর্ষিত করার চেষ্টা করছে বিজেপি। তাতে পরিবেশের উপর কী প্রভাব পড়বে কিংবা আদৌ মানুষের কাজে কতটা আসবে, সে নিয়ে ভাবনাচিন্তাই করা হয়নি। যদিও আলিপুদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গার দাবি, মানুষের কথা ভেবে সুচিন্তিত ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই রেলপথ ফের চালু হলে আঞ্চলিক অর্থনীতির উন্নয়ন হবে। তবে বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য এবং কেন্দ্র, দুই সরকার মিলে এই সিদ্ধান্ত নেবে। সকলের ভালর জন্য যা হবে সে-ই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’ বক্সার ব্যাঘ্র প্রকল্প দিয়ে রেলপথ চালু হলে পর্যটনে তার সুফল কতটা মিলবে তা নিয়ে দ্বিধায় সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের পেশাদার এবং বিশেষজ্ঞেরাও। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজ়ম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, ‘‘আগে এই পথে ট্রেন চলত এটা সত্যি। কিন্তু বক্সার টাইগার রিজার্ভ ঘোষণার পর পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের কথা ভেবেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ট্রেন। সে সব মাথায় রেখে নিশ্চয়ই রেলের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। আমার মনে হয় বন এবং পরিবেশ দফতরের সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’’ বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ফিল্ড ডিরেক্টর অপূর্ব সেন জানান, তাঁদের কাছে এই মুহূর্তে নিয়ে কোনও তথ্য নেই। রেল থেকে এ সংক্রান্ত কোনও চিঠিও পাননি।
83 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 2, 2026, 09:24 AM
দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে

দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে

দক্ষিণবঙ্গে আবার একবার তাপমাত্রা সামান্য নিম্নমুখী হয়েছে গত দু’দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শীতের আমেজ কিছুটা জোরালো হলেও নতুন করে কনকনে ঠান্ডা পড়ার কোনও ইঙ্গিত দেয়নি আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৫ ডিগ্রি কম। রবিবার এই তাপমাত্রা ছিল ১৫.২ ডিগ্রি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের নিচেই রয়েছে। রবিবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ওঠে ২৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৪ ডিগ্রি কম। কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আপাতত আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা দেখা দিলেও দিনের বেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার ও মেঘমুক্ত। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানের মত কিছু জেলায় সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এর জেরে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে ২০০ থেকে ৯৯৯ মিটার পর্যন্ত। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে কুয়াশার প্রভাব থাকবে তুলনামূলকভাবে বেশি।দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। সেখানে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটার পর্যন্ত নেমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও আগামী অন্তত এক সপ্তাহ রাতের তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ হালকা শীতের আমেজ থাকলেও বিদায়বেলায় শীতের জাঁকজমকপূর্ণ প্রত্যাবর্তন আপাতত দেখা যাবে না।
96 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 2, 2026, 03:20 AM
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্তরবঙ্গের শীতের মেজাজ ম্লান

তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্তরবঙ্গের শীতের মেজাজ ম্লান

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:ভোরের হালকা কুয়াশা আর মনোরম পরিবেশ—ফেব্রুয়ারির শুরুতে বঙ্গের আকাশে (Weather Update) এখন এটাই নিত্যসঙ্গী। কিন্তু এই কুয়াশার (Fog) চাদর দেখে যাঁরা আবারও হাড়কাঁপানো শীতের অপেক্ষায় ছিলেন, তাঁদের জন্য নিরাশার খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আপাতত জাঁকিয়ে শীত ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই বঙ্গে। বরং আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কিছুটা বৃদ্ধির ইঙ্গিত মিলেছে। উত্তরবঙ্গের চিত্র:উত্তরবঙ্গের (North Bengal Weather Update) জেলাগুলোতে ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট থাকবে। পাহাড়ি অঞ্চলে শীতের আমেজ সমতলের তুলনায় অনেকটাই বেশি। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। উত্তরবঙ্গের ওপরের দিকের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা ১০ থেকে ১৪ ডিগ্রির মধ্যে থাকলেও নিচের দিকের জেলাগুলোতে তা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। তবে আগামী ৪-৫ দিন উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রার বিশেষ পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। পুরো রাজ্যেই আপাতত বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস নেই। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণও স্বাভাবিক থাকবে। শীতপ্রেমীদের জন্য মন খারাপের খবর হলেও, পর্যটন বা উৎসবের মরশুমে এই পরিষ্কার আকাশ সাধারণ মানুষের কাছে স্বস্তির। দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া পরিস্থিতি:হাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal Weather Update) আগামী সাতদিন মূলত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। কুয়াশা কেবল ভোরের দিকেই সীমাবদ্ধ থাকবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি কার্যত উধাও। তবে সকাল এবং সন্ধ্যায় হালকা শীতের আমেজ বজায় থাকবে। আগামী ৫ থেকে ৭ দিন তাপমাত্রার সামান্য ওঠানামা চললেও তা২ ডিগ্রিসেলসিয়াসের গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। বিশেষ করে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দুই বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কুয়াশার দাপট কিছুটা বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সোমবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে।
43 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 03:12 AM
রাজাপুরে মাটির ক্ষয় সমস্যাঃ বাসিন্দাদের পদক্ষেপের দাবি

রাজাপুরে মাটির ক্ষয় সমস্যাঃ বাসিন্দাদের পদক্ষেপের দাবি

ভূমি দফতরের অনুমতি ছাড়াই চাষের জমির মাটিতে কোপ পড়ছে অভিযোগ। পাশাপাশি, সেই মাটি গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় তা রাস্তায় পড়ছে। আর তাতে পিছলে দুর্ঘটনাও ঘটছে প্রায়। এমনই অবস্থা রাজাপুরের বৃন্দাবনপুর, জগন্নাথপুর, জোয়ারগোড়ি এলাকায়। পুলিশ বা ভূমি দফতর কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।
93 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 1, 2026, 12:17 PM
ভারতের আবহাওয়ার পূর্বাভাসঃ আগামী ফেব্রুয়ারিতে শুষ্ক থাকবে, ফসলের ক্ষতি হতে পারে

ভারতের আবহাওয়ার পূর্বাভাসঃ আগামী ফেব্রুয়ারিতে শুষ্ক থাকবে, ফসলের ক্ষতি হতে পারে

হাঁড়কাপানো শীতে জানুয়ারিতে ভারতের অনেক জায়গার বাসিন্দাদের জবুথুবু অবস্থা হয়েছিল। যদিও জানুয়ারির শেষ থেকে শীত কমতে থাকে, বাড়তে থাকে তাপমাত্রা। ফেব্রুয়ারি পড়তে না পড়তে শীতপ্রিয় মানুষদের জন্য দুঃসংবাদ দিল ভারতের মৌসম ভবন (আইএমডি)। জানাল, চলতি মাসে উষ্ণতা আরও বাড়বে। শুষ্ক থাকবে আবহাওয়া! মৌসম ভবনের পূর্বাভাসে মাথায় হাত কৃষকদের। আবহাওয়ার তারতম্যে এই সময়ে ফলন হওয়া ছোলা, তেল বা গম চাষে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে শুধু বৃষ্টি কম হবে তা-ই নয়, সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকতে পারে। আইএমডি ডিরেক্টর মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, ‘‘সারা দেশে ফেব্রুয়ারিতে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা বাড়বে। তার ফলে গম বা যবের মতো ফসলে সময়ের তুলনায় আগেই পাক ধরতে পারে। তাতে শস্যের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। হ্রাস হতে পারে ফলন।’’ কোথায় কোথায় বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের থেকে কম হতে পারে, তার পূর্বাভাস দিয়েছেন তিনি। মৃত্যুঞ্জয় জানিয়েছেন, মূলত উত্তর-পশ্চিম ভারত— পূর্ব ও পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, পঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, চণ্ডীগড় এবং দিল্লিতে ফেব্রুয়ারি মাসে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘‘ডিসেম্বর এবং জানুয়ারির বেশির ভাগ সময় পশ্চিমি ঝঞ্ঝা না-থাকায় পশ্চিম হিমালয় অঞ্চলে শুষ্ক শীতকাল দেখা যায়।’’ তিনি আরও জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওই অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের হ্রাসের প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই পরিবর্তন বলে মত আইএমডি-র। মৃত্যুঞ্জয় জানান, পর পর দু’টি পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণে দেশের পশ্চিম অংশে বৃষ্টিপাত হয়েছে। জানুয়ারিতে বঙ্গোপসাগরের উপর একটি নিম্নচাপ অঞ্চলের জন্য দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভিজেছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়েও সতর্ক করেছে মৌসম ভবন। মৃত্যুঞ্জয় জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারিতে দেশের বেশির ভাগ অংশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে। দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশ ছাড়া বাকি জায়গার তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকবে বলে মনে হচ্ছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রার ক্ষেত্রেও একই হেরফের দেখা যেতে পারে বলে জানাল আইএমডি। তাপমাত্রার খামখেয়ালিপনার কারণে শীতকালীন ফসলের চাষে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয়। শুধু গম নয়, ছোলার ফলনও হয় শীতকালেই। সাধারণ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এই সব ফসল রোপণ করা হয়ে থাকে। জানুয়ারির পর থেকে ফসলে পাক ধরে। সেই সময় ঠান্ডা আবহাওয়ার প্রয়োজন হয়। মৌসম ভবনের পূর্বাভাসের পর তাই চিন্তায় কৃষকেরা। মুম্বইভিত্তিক এক বাণিজ্যিক সংস্থার আধিকারিকের কথায়, ‘‘শীতকালীন ফসলের উৎপাদনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাপমাত্রা বৃদ্ধি হলে ফলন কমবে।’’
10 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 1, 2026, 10:47 AM
কর্মসংস্থান, অর্থনীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় বাড়াতে ভারতের পর্যটন শিল্প

কর্মসংস্থান, অর্থনীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় বাড়াতে ভারতের পর্যটন শিল্প

দেশের পর্যটনকে চাঙ্গা করতে বাজেটে একগুচ্ছ খাতে বিনিয়োগের কথা জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। রবিবার তিনি জানিয়েছেন পর্যটন শিল্প নতুন কর্মসংস্থান, আঞ্চলিক অর্থ ব্যবস্থাকে উন্নত করতে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।বাজেটে বিশেষ করে জোর দেওয়া হয়েছে মাউন্টেন ট্যুরিজিমের উপরে। ভারতে বিশ্বমানের ট্রেকিং এবং হাইকিং অভিজ্ঞতা প্রদানের সুযোগ রয়েছে। তাই হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং জম্মু-কাশ্মীরে মাউন্টেন ট্রেল তৈরির কথাও জানান অর্থমন্ত্রী। পূর্বঘাট পর্বতমালার আরাকু ভ্যালি এবং পশ্চিমঘাট পর্বতমালার পোথিগাই মালাইতেও পরিবেশবান্ধব নতুন মাউন্টেন ট্রেল গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন।পূর্ব ভারতের ৫ রাজ্য বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশে পাঁচটি পর্যটন কেন্দ্র তৈরি করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। একই সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করে তুলতে ৪,০০০ ই-বাসের ব্যবস্থা করা হবে।বছরের বিশেষ সময়ে ওড়িশা, কর্নাটক এবং কেরালার উপকূলবর্তী অঞ্চলে ডিম পাড়তে আসে লক্ষ লক্ষ কচ্ছপ। তাকে কেন্দ্র করে পর্যটনের কথা জানিয়েছেন তিনি। টার্টেল ট্রেল গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশের সীমান্তে অবস্থিত পুলিকট হ্রদ-সহ ৩টি স্থানে বার্ড ওয়াচিং ট্রেল গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন।ভারতীয় সংস্কৃতিতে বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রভাবকে অস্বীকার করা যায় না। বৌদ্ধ সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে পর্যটনের প্রসারে অরুণাচলপ্রদেশ, সিকিম, অসম, মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরায় বিশেষ প্রকল্পের কথাও জানানো হয়েছে। যার অধীনে প্রাচীন মঠ এবং মন্দিরের সংস্কার এবং সংরক্ষণ করা হবে। গড়ে তোলা হবে প্রিলগ্রিমেজ ইন্টারপ্রিটেশন সেন্টার এবং বিভিন্ন ধর্মীয় কার্যকলাপে অংশগ্রহণের ব্যবস্থাও।প্রত্নতাত্ত্বিক এবং সাংস্কৃতিক স্থানগুলিতেও পর্যটন শিল্প বিকাশের উপর জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। হরপ্পা-মহেঞ্জোদারো সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ গুজরাটের লোথাল-ধোলাভিরা, সিন্ধু সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ হরিয়ানার রাখিগড়ি, তামিলনাড়ুর আদিচেনাল্লুর, উত্তরপ্রদেশের সারনাথ-হস্তিনাপুর, লে প্যালেস মতো ১৫টি স্থানে পর্যটনকে প্রসারের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্মলা। একই সঙ্গে প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় ঘটবে মানুষের। এই সব স্থানে জনসাধারণের জন্য বিশেষ ট্রেলের আয়োজন করার কথা জানান অর্থমন্ত্রী।সীতারামন ভারতজুড়ে ২০টি পর্যটন কেন্দ্রে গাইডদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য একটি পাইলট প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছেন। IIM-এর সঙ্গে যৌথ ভাবে গোটা ভারতে ১০ হাজার গাইডকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও জানান।২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট ভারতীয়দের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণকে আরও সাশ্রয়ী করে তুলবে বলেই আশ্বাস। বিদেশ ভ্রমণ প্যাকেজের ক্ষেত্রে টিসিএস বা শুল্ক কমানো হবে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে ১০ লাখ টাকার নীচে থাকলে কর দিতে হতো ৫ শতাংশ। ১০ লাখ টাকা পেরিয়ে গেলে কর ছিল ২০ শতাংশ। এই ট্যাক্স কমিয়ে ২ শতাংশ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্মলা।এদিন সংসদে সীতারামন বলেন, ‘আমি ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর হোটেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং টেকনোলজিকে আপগ্রেড করে একটি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হসপিটালিটি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব রাখছি। এটি শিক্ষা, শিল্প এবং সরকারের মধ্যে একটি সেতু হিসেবে কাজ করবে।’
82 shares
😊
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 1, 2026, 08:41 AM
পশ্চিমাঞ্চলীয় অশান্তির মধ্যে উত্তর ভারতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের আশঙ্কা

পশ্চিমাঞ্চলীয় অশান্তির মধ্যে উত্তর ভারতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের আশঙ্কা

মাঝে দু’-তিন দিন ঝলমলে রোদ উঠেছিল উত্তরভারতের রাজ্যগুলিতে। কিন্তু বাজেট পেশের দিন, রবিবার আবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হল পার্বত্য অঞ্চলে। এমনকি, ছাড় পেল না সমতলও। পার্বত্য অঞ্চলে হল তুষারপাতও। ভারতীয় মৌসম ভবন বলছে,দু’টি পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণেই আবার হাওয়াবদলউত্তর ভারতে। পূর্বাভাস বলছে, পশ্চিম হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলেআগামী কয়েক দিন হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি, তবেবিক্ষিপ্ত ভাবে। আকাশ মেঘে ঢাকা থাকার কারণে উত্তর ভারতের বহু জায়গায় বেড়েছে তাপমাত্রা। তবে মেঘ সরলে আবার কনকনে ঠান্ডা পড়তে পারে। গত কয়েক সপ্তাহে জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরাখণ্ড,হিমাচলের বেশ কিছু এলাকায় টানা বৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়েবরফ পড়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, বিরতির পরে দ্বিতীয় ইনিংসে সেভাবে টানা বৃষ্টি হবে না। ভারী বৃষ্টিও হবে না। তবে বিস্তীর্ণ এলাকায় বিক্ষিপ্তবৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম এবং মধ্য ভারতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিরসঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। জম্মু ও কাশ্মীরএবং হিমাচল প্রদেশে আরও বেশি বরফ পড়বে। দু’টি পশ্চিমিঝঞ্ঝার প্রভাবেই এই হাওয়াবদল হল উত্তর ভারতে। আবহবিদেরা বলছেন, মেঘ ক্রমে পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান,দিল্লির দিকে সরে যাবে। মেঘ সরলে আবার বাড়বে ঠান্ডা। শনিবার রাত থেকে দিল্লি এবং সংলগ্ন অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত ভাবেহালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আকাশ মেঘে ঢাকা থাকার কারণে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটাবেড়েছে। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, উত্তর-পশ্চিম ভারতে সর্বনিম্নতাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। তার পরে চার দিন সেই তাপমাত্রা ২থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। সঙ্গে বইবে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া। সে কারণেপঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থানের কিছু অংশেআবার কনকনে ঠান্ডা পড়তে পারে। শ্রীনগর, হিসারে তাপমাত্রা ঝপকরে নামতে পারে অনেকটাই। তবে গোটা ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাস্বাভাবিকের থেকে একটু বেশিই থাকবে। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। বৃষ্টিপাতওহবে কম। উত্তর-পশ্চিম ভারতে ওই সময়ে যা বৃষ্টি হওয়ার কথা, তারচেয়ে ৭৮ শতাংশ কম হবে।
91 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 1, 2026, 05:52 AM
পশ্চিমা ঝঞ্ঝার মধ্যে বাংলার তাপমাত্রা বেড়েছে

পশ্চিমা ঝঞ্ঝার মধ্যে বাংলার তাপমাত্রা বেড়েছে

একের পর এক পশ্চিমি ঝঞ্ঝা। যার প্রভাবে বঙ্গে শীতের দফারফা। বাড়ছে তাপমাত্রা। আজ, রবিবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। গতকাল, শনিবার শহরের সর্বাধিক তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস আজ, রবিবার শহরের আকাশ থাকবে পরিষ্কার। যদিও এদিন সকালে শহরের আকাশে হাল্কা কুয়াশা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। মাঘেই শহর থেকে শীতের প্রায় বিদায় হওয়ায় মনভার শহরবাসীর। এদিন শহরের সর্বাধিক তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। গত ২৪ ঘণ্টায় শহরে কোথাও বৃষ্টি হয়নি।
20 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 1, 2026, 05:07 AM
জল সঙ্কটঃ শহর ও সম্প্রদায়ের জন্য এক ভয়ঙ্কর ভবিষ্যৎ

জল সঙ্কটঃ শহর ও সম্প্রদায়ের জন্য এক ভয়ঙ্কর ভবিষ্যৎ

তুহিনশুভ্র মণ্ডল In the beginning, When God created the universe, the earth was formless and desolate. The raging ocean that covered everything was engulfed in total darkness. The spirit of God was moving over the water. Then God commanded ‘let there be light’—and light appeared. বাইবেলের এই অমোঘ পংক্তিগুলো সৃষ্টির আদিলগ্নে জলের অপরিসীম গুরুত্বকে মহিমান্বিত করে। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে শুরু করে আধুনিক বিজ্ঞান—সবার মতেই জলই জীবনের স্পন্দন। কিন্তু আজ সেই সৃষ্টির উৎসটিই হয়ে দাঁড়িয়েছে গভীর দুশ্চিন্তার কারণ। সাম্প্রতিক ‘অ্যাকোয়াডাক্ট ওয়াটার রিস্ক অ্যাটলাস’-এর রিপোর্ট আমাদের এক ভয়ংকর ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৩৮টি বড় শহর আজ চরম জলসংকটের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। এর মধ্যে ভারতবর্ষের ১৭টি রাজ্য (২৮টি রাজ্য ও ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে) রয়েছে চরম ঝুঁকির তালিকায়, যার মধ্যে আমাদের পশ্চিমবঙ্গও অন্যতম। উত্তরবঙ্গ সরাসরি এই তালিকার শীর্ষে না থাকলেও, সংকটের কালো মেঘ যে এই জনপদের আকাশে জমছে না, তা হলফ করে বলা যায় না। ভারতের প্রেক্ষাপট পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৭ শতাংশের বাস এই ভারতবর্ষে। প্রায় ১৪০ কোটি মানুষের এই বিশাল দেশে জলের চাহিদা গাণিতিক হারে বাড়ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং মিষ্টি পানীয় জলের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে ভারতের প্রায় ৭০০টি জেলার মধ্যে ২৫৬টি জেলা আজ ‘অতি সংকটজনক’ হিসেবে চিহ্নিত। প্রায় ৪০ কোটি নগরবাসী আজ শুধু জলের অভাবেই নয়, বরং দূষিত জল ও পরিস্রুত পানীয় জলের প্রাপ্যতার বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখোমুখি। একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা এবং শিল্প-কৃষির বিপুল চাহিদা মেটাতে গিয়ে আমরা ভূপৃষ্ঠীয় এবং ভূগর্ভস্থ—উভয় প্রকার জলভাণ্ডারকেই প্রায় নিঃশেষ করে ফেলছি। টলছে পৃথিবীর ভারসাম্য জলের এই যথেচ্ছ ব্যবহার কেবল জীবনকেই সংকটে ফেলছে না, বদলে দিচ্ছে পৃথিবীর গতিপ্রকৃতিও। একটি চমকপ্রদ ভূ-বৈজ্ঞানিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, গত ১৭ বছরে এই পৃথিবী থেকে প্রায় ২১৫০ বিলিয়ন টন জল তুলে নেওয়া হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ ভর স্থানান্তরের ফলে পৃথিবীর অক্ষরেখা পূর্ব দিকে প্রায় ৮০ সেন্টিমিটার হেলে গিয়েছে। ভাবলে অবাক হতে হয়, আমাদের অপরিকল্পিত পাম্প ব্যবহার বা চাষের কাজে ভূগর্ভস্থ জল তুলে নেওয়ার জেদ খোদ গ্রহের ভারসাম্যকে বিঘ্নিত করছে। এই সমস্যা ভারত ও আমেরিকায় সবচেয়ে প্রকট। ২০২২ সালের আইপিসিসি রিপোর্ট বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় ৪৪ কোটি শহরবাসী চরম জলকষ্টের শিকার হবেন। ১৯৭১ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে যে সংকটের শুরু হয়েছিল, তা এখন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বজুড়ে প্রভাব জল এখন আর কেবল জীবনের নাম নয়, জল এখন রাজনীতির দাবার চাল। এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় তেলের চেয়েও জলের গুরুত্ব বাড়ছে। বলা হচ্ছে, আগামীদিনের যুদ্ধগুলো হবে জল নিয়ে। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদের জল নিয়ে সাম্প্রতিক বিবাদ এই বৈশ্বিক সংকটের নবতম সংযোজন। ভারতের অভ্যন্তরেও আমরা দেখেছি চেন্নাইয়ের সেই হাহাকার, যেখানে এক লিটার পানীয় জলের দাম ৪০০ টাকায় ঠেকেছিল। আস্ত ট্রেন ভর্তি করে জল পাঠাতে হয়েছিল শহরবাসীর তৃষ্ণা মেটাতে। কাবেরী নদীর জলবণ্টন নিয়ে তামিলনাডু ও কর্ণাটকের দীর্ঘকালীন বিবাদ, যেখানে কেরল ও পুদুচেরিও জড়িয়ে পড়েছে, তা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে জলসংকট কেবল পরিবেশগত নয়, বরং তা একটি তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার কারণ। আড়ালে এক মানবিক সংকট ভারত আজ বিশ্বের বৃহত্তম ভূগর্ভস্থ জল ব্যবহারকারী দেশ। প্রতি বছর প্রায় ২৫০ কিউবিক কিলোমিটার জল আমরা মাটির নীচ থেকে তুলছি, যা সমগ্র বিশ্বের ব্যবহারের এক-চতুর্থাংশের বেশি। এর প্রায় ৮৫ শতাংশ খরচ হচ্ছে কৃষিকাজে। বিদ্যুৎ ভরতুকি এবং আইনের শিথিলতার সুযোগ নিয়ে পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও কর্ণাটকের মতো রাজ্যে জলস্তর আশঙ্কাজনকভাবে নেমে গিয়েছে। নীতি আয়োগের ২০১৮ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি ভারতীয় আজ উচ্চ থেকে চরম জলকষ্টের মধ্যে বাস করছেন এবং প্রতি বছর প্রায় ২ লক্ষ মানুষ মারা যান শুধুমাত্র নিরাপদ পানীয় জলের অভাবে। পূর্বাভাস বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বেঙ্গালুরু, দিল্লি, হায়দরাবাদ ও চেন্নাইয়ের মতো ২১টি বড় শহর সম্পূর্ণ জলশূন্য হয়ে যেতে পারে। এটি কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি এক উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের জন্য গভীর মানবিক ট্র্যাজেডি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ভারতে মোট রোগের ১০ শতাংশের উৎস হল দূষিত জল। ডায়ারিয়া বা ডিসেন্ট্রির মতো রোগে প্রতি বছর অসংখ্য শিশুর প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে এই সংকট। উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় জল বোর্ডের (CGWB) ২০২৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গ ভৌগোলিকভাবে এখনও অনেকটা নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে। এখানে জলস্তর সাধারণত ০-২ মিটার বা কোথাও ২-৫ মিটার গভীরে পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের বর্ষা-পরবর্তী বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে ৮.৪ শতাংশ বেশি হওয়ায় ভূগর্ভস্থ জলস্তর কিছুটা পুষ্ট হয়েছে। কিন্তু এই আপাত স্বস্তি কি স্থায়ী? উত্তরবঙ্গেও কি অপরিকল্পিত নগরায়ণ বা জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপ নেই? ডুয়ার্স থেকে শুরু করে সমতল—সর্বত্র সবুজের পরিমাণ কমছে। জলাভূমি ভরাট করে গড়ে উঠছে বহুতল। মাটির নীচে জল যাওয়ার প্রাকৃতিক পথগুলো আমরা বন্ধ করে দিচ্ছি। ফলে গ্রাউন্ড ওয়াটার রিচার্জ বা ভূগর্ভস্থ জল পুনর্ভরণ ব্যাহত হচ্ছে। সিক্ত শিলাস্তর বা ‘অ্যাকুইফার’ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে অগভীর কূপগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন, কুমারগঞ্জ, হরিরামপুর কিংবা শিলিগুড়ি ও কালিম্পংয়ের জলসংকটগুলো কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা? মোটেও না। শুকিয়ে যাওয়া নদীগুলো আমাদের এক সুনির্দিষ্ট বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যখন দেখি পানীয় জলের জন্য পাহাড়ে দীর্ঘ পথ হাঁটতে হচ্ছে মানুষকে, কিংবা কেউ নর্দমার জল ছেঁকে পান করছেন—তখন বুঝতে হবে ভবিষ্যৎ কতটা অন্ধকার। সমাধানের সন্ধানে সরকারি স্তরে ‘জল জীবন মিশন’, ‘অটল ভূজল যোজনা’, ‘নমামি গঙ্গে’ কিংবা রাজ্যের ‘জল ধরো জল ভরো’-র মতো প্রকল্পগুলো রয়েছে। বৃষ্টির জল সংরক্ষণ বা বর্জ্য জলের পুনর্ব্যবহার নিয়ে সচেতনতা প্রসারের চেষ্টাও হচ্ছে। কিন্তু এসবের প্রকৃত প্রয়োগ কতটা ফলপ্রসূ হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। আমাদের কৃষি ব্যবস্থায় ‘সাস্টেনেবল ক্রপিং প্যাটার্ন’ বা টেকসই ফসল চক্রের প্রবর্তন এখন সময়ের দাবি। কবি ডব্লিউ এইচ অডেন বলেছিলেন, ‘হাজারে হাজারে প্রেমহীন জীবন কাটিয়েছে, কিন্তু একটিও জল ছাড়া নয়’। আমাদের মনে রাখতে হবে, বিন্দু বিন্দু জল দিয়েই সিন্ধু গড়ে ওঠে, আর সেই বিন্দুর অপচয়ই আমাদের বিনাশ ডেকে আনবে। বালুরঘাটের শিশু কিশোর নাট্যদল ‘কথক’-এর সেই গানটি যেন আজ প্রতিটি মানুষের বিবেককে নাড়া দেয়— ‘চল রে সবাই চল/জল কে বাঁচাই চল’। এই আহ্বান আজ আর কোনও নাটকের সংলাপ নয়, এটি বেঁচে থাকার লড়াই। আমরা কি সেই ডাক শুনতে পাচ্ছি? নাকি আরও এক মহাপ্রলয়ের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি? (লেখক শিক্ষক ও পরিবেশকর্মী)
38 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 1, 2026, 04:43 AM
কলকাতার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে কমেছে, শীতের কোনও সম্ভাবনা নেই

কলকাতার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে কমেছে, শীতের কোনও সম্ভাবনা নেই

জানুয়ারিপেরিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন। তবে তাপমাত্রা বেশ খানিকটা কমে গেল কলকাতা ওপার্শ্ববর্তী এলাকায়। এক ধাক্কায় স্বাভাবিকের নীচেও নেমে গিয়েছে পারদ। আলিপুর আবহাওয়াদফতর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় এখনও ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে। কুয়াশাথাকবে দক্ষিণেও। মাঘ শেষ হতে এখনও দেরি আছে। তবে কি ফের ঠান্ডা বাড়তে পারে? বিদায়বেলায়শীতের প্রত্যাবর্তন হবে? তেমনকোনও সম্ভাবনা অবশ্য এখনই দেখতে পাচ্ছেন না আবহবিদেরা। তাপমাত্রা খানিকটা কমলেওকনকনে ঠান্ডা পড়ার সম্ভাবনা আপাতত আর নেই। গত শুক্রবার কলকাতার তাপমাত্রা ১৮ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে উঠে গিয়েছিল। শনিবার কিছুটা কমে তা হয়েছিল ১৬.২ ডিগ্রি।রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়েছে ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকেরচেয়ে ০.৪ ডিগ্রি কম। ভোরের দিকে সামান্য কুয়াশা থাকলেও কলকাতায় দিনভর আকাশ পরিষ্কারএবং মেঘমুক্তই থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণবঙ্গেরসর্বত্র আপাতত শুকনো আবহাওয়া থাকবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্বমেদিনীপুরের মতো কিছু জেলায় সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনারয়েছে। এর ফলে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে ৯৯৯ মিটার থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত।উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ঘনকুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কুয়াশার কারণে এই সমস্ত জেলায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারেনেমে যেতে পারে। উত্তর বা দক্ষিণবঙ্গের কোথাও আপাতত তাপমাত্রার খুব বড় কোনওপরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। আগামী অন্তত সাত দিন রাতের তাপমাত্রা একই রকম থাকবে।
83 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 1, 2026, 04:40 AM
বাংলার শীত বিদায়ঃ আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে উত্তরবঙ্গে কুয়াশা, দক্ষিণে তাপমাত্রা বাড়ছে

বাংলার শীত বিদায়ঃ আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে উত্তরবঙ্গে কুয়াশা, দক্ষিণে তাপমাত্রা বাড়ছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:ফেব্রুয়ারির শুরুতেই বঙ্গে শীতের বিদায় ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার থেকেই রাজ্যের আবহাওয়ায় এক বড়সড়ো বদল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার পথ রুদ্ধ হওয়ায় শীতের কামড় ক্রমশ ফিকে হয়ে আসছে (Weather Update)। উত্তরবঙ্গের (North Bengal) জেলাগুলিতে শীতের আমেজ এখনও বজায় থাকলেও কুয়াশার দাপট বেড়েছে। উত্তরের সব জেলাতেই আগামী কয়েকদিন কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে। তবে রবিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যার কারণে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে। তাছাড়া জেলাগুলিতে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে উঠতে শুরু করেছে। রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা দিতে পারে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের আমেজ কার্যত উধাও হয়ে রোদেলা ও গুমোট আবহাওয়া অনুভূত হবে। আগামী ৫ থেকে ৭ দিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার বড় কোনও পতন হবে না।
47 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 25, 2026, 03:41 PM
পশ্চিম অশান্তির কারণে দক্ষিণবঙ্গে গরম, উত্তরবঙ্গে কুয়াশার সতর্কতা জারি

পশ্চিম অশান্তির কারণে দক্ষিণবঙ্গে গরম, উত্তরবঙ্গে কুয়াশার সতর্কতা জারি

শীত বিদায়ের ঘন্টা বেজেছিল আগেই। ভোর বা রাতের দিকে হালকা শীতের আমেজ থাকলেও দিনের তাপমাত্রা এতটাই বেড়েছে যে শীতবস্ত্র খানিক গরম ধরাচ্ছে শহরবাসীর। রবিবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রার পারদ চড়েছে। উত্তর-পশ্চিম ভারতে থাকা পশ্চিমি ঝঞ্ঝার জেরেই তাপমাত্রার এই পরিবর্তন বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।রবিবার ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট থাকলেও দিনের আকাশ মূলত পরিষ্কারই ছিল। এদিনের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৬ এবং ১৫ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আপাতত বঙ্গের সব জেলাতেই শুস্ক আবহাওয়াই থাকবে। আগামী ৭ দিনে দুই বঙ্গেরই রাতের তাপমাত্রার বিশেষ পরিবর্তন হবে না। উত্তর -পশ্চিম ভারতে থাকা পশ্চিমি ঝঞ্ঝা ও দক্ষিণ কর্নাটকে উপর অবস্থিত ঘূর্ণাবর্তের জেরেই বঙ্গের আবহাওয়ার এই পরিবর্তন ঘটছে। তবে দুই বঙ্গেই কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে। দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান সহ দুই ২৪ পরগনা জেলাতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জেলায় জারি থাকছে ঘন কুয়াশার সতর্কতা। ফলে কমবে দৃশ্যমানতা।শনিবার দক্ষিণবঙ্গের কল্যাণীতাই সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল। সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস । উত্তরবঙ্গের সমতল এলাকার মধ্যে কোচবিহারেই সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দার্জিলিঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ।
95 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 25, 2026, 03:24 PM
প্রকৃতির ক্রোধে জর্জরিত আফগানিস্তানঃ ভারী বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের ধ্বংসাত্মক পরিণতি

প্রকৃতির ক্রোধে জর্জরিত আফগানিস্তানঃ ভারী বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের ধ্বংসাত্মক পরিণতি

কাবুল, ২৫ জানুয়ারি: একদিকে প্রবল বৃষ্টি, অন্যদিকে তুষারপাত। প্রকৃতির জোড়া রোষে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান। বিচ্ছন্ন বহু গ্রাম। এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৬১ জন। আহত ১১০ জনের বেশি। আফগানিস্তানের ৩৪টির মধ্যে ১৫টি প্রদেশে এই দুর্যোগ ভয়াবহ প্রভাব ফেলেছে। বড় সড়কগুলি বরফ ও কাদায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যার ফলে দুর্গম গ্রামগুলির সঙ্গে কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে মূল এলাকার। প্রবল শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে অন্তত ৪৫৮ ঘর ভেঙে গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে অসংখ্য গবাদিপশুর। ২০২৬ সালে আফগানিস্তান ভয়াবহ মানবিক সংকটে পড়তে চলেছে বলে এই মাসের শুরুতে সতর্ক করেছিল রাষ্ট্রসঙ্ঘ। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ক্ষয়ক্ষতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষত দেশের প্রত্যন্ত এলাকা, যেখানে বহু ঘর মাটি দিয়ে তৈরি, সেখানে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ।
9 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 24, 2026, 02:58 PM
সূর্য উত্তর গোলার্ধের দিকে সরে যাওয়ায় দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে

সূর্য উত্তর গোলার্ধের দিকে সরে যাওয়ায় দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে

কলকাতা, ২৪ জানুয়ারি: সূর্যের অবস্থানগত পরিবর্তনের জেরে তাপমাত্রা বাড়ছে দক্ষিণবঙ্গে। সূর্য এখন উত্তর গোলার্ধের দিকে সরে আসছে। তাই রোদ চড়া হচ্ছে আস্তে আস্তে। যদিও শীতের বিদায় ঘণ্টা এখনই বাজাতে রাজি নন আবহাওয়াবিদরা। আজ, শনিবার স্বাভাবিকের ঘরে কলকাতার স্বাভাবিক তাপমাত্রা। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য কম। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছে ২৫.৬ ডিগ্রি। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দিনদুয়েকের মধ্যে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা ফের আসছে। ফলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়বে। কলকাতায় ২৬ জানুয়ারি নাগাদ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের কোথাও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আপাতত ১০ ডিগ্রির নীচে থাকবে না। আর আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে।
29 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 20, 2026, 03:43 PM
স্থায়ী নিয়োগ ও দুর্নীতি সংস্কারের দাবি কলকাতার যুবকদের

স্থায়ী নিয়োগ ও দুর্নীতি সংস্কারের দাবি কলকাতার যুবকদের

"কোরাপসন হঠাও, কর্পোরেশন বাঁচাও" এই স্লোগানকে সামনে রেখে বুধবার কলকাতা কর্পোরেশন অভিযান করছে ডিওয়াইএফআই। কলকাতার সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে কলকাতা কর্পোরেশনের কেন্দ্রীয় দপ্তর পর্যন্ত মিছিল করবে তারা।কলকাতা কর্পোরেশনের সমস্ত শূন্য পদে স্থায়ী নিয়োগ করতে হবে। বেআইনি প্রোমোটাররাজ, পুকুর ভরাট, গাছ কেটে পরিবেশ ধ্বংস করা চলবে না। কর্পোরেশন স্কুলগুলি চালু করতে হবে। সমস্ত ঠিকা ও অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী করতে হবে। এই দাবি নিয়েই কর্পোরেশন অভিযান করবে ডিওয়াইএফআই। মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে কাছে এই দাবি নিয়ে ডেপুটেশনও জমা দেবে ডিওয়াইএফআই।সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, কলকাতা শহরকে বাঁচাতে হলে কর্পোরেশনের দুর্নীতিকে বন্ধ করতে হবে। কলকাতায় বিপুল সংখ্যায় কর্মহীন যুবরা রয়েছেন। অথচ কর্পোরেশন শূন্যপদে স্থায়ী নিয়োগ করছে না। শূন্যপদে নিয়োগ করতেই হবে। পাশাপাশি দাবি, ঠিকা কর্মী ও অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী করতে হবে। এছাড়াও ১০০ দিনের কর্মীদের ভাতা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ন্যূনতম মজুরির হারে দিতে হবে।এছাড়াও যুবদের দাবি, কলকাতা বাসিন্দারা প্রতিদিন বাইরে চলে যাচ্ছেন। বদলাচ্ছে জনবিন্যাস। এর প্রধান কারণ প্রতিদিন অবৈধ প্রোমোটিং হচ্ছে। বাড়ছে আবাসের খরচ। একাধিক অবৈধ নির্মাণের ঘটনা সামনে এসেছে। কর্পোরেশন এর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। শাসক দলের একধিক কাউন্সিলর ও নেতারা এই অবৈধ নির্মানের সঙ্গে যুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়াও কর্পোরেশনের অন্দরেই রয়েছে দুর্নীতির ঘুঘুর বাসা। কেএমসির মূল আর্থিক মুনাফা হয় হোর্ডিং, অ্যাসেসমেন্ট ও বিল্ডিং প্ল্যান থেকে। সেখানেই রয়েছে দুর্নীতি। সেই দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। ডিওয়াইএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি শিল্পায়ন ও স্থায়ী কর্মসংস্থানের জন্য রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে কলকাতায় এই কর্মসূচি। সংগঠন বলেছে "শিল্প চাই কাজ চাই, বাম পথে বাংলা চাই"। এর আগে বক্রেশ্বরে ৬ নম্বর ইউনিট খোলার দাবিতে মিছিল সমাবেশ ও রক্তদান হয়েছে গত শনিবার। সোমবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য অধিগৃহীত জমিতে শিল্পের জন্য মিছিল সংগঠিত করেছে। চলতি মাসে গোটা রাজ্যব্যাপী একাধিক মিছিল সমাবেশ করবে ডিওয়াইএফআই।
94 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 20, 2026, 03:43 PM
ডিওয়াইএফআই কলকাতা কর্পোরেশনে স্থায়ী নিয়োগ এবং পরিবেশগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে

ডিওয়াইএফআই কলকাতা কর্পোরেশনে স্থায়ী নিয়োগ এবং পরিবেশগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে

"কোরাপসন হঠাও, কর্পোরেশন বাঁচাও" এই স্লোগানকে সামনে রেখে বুধবার কলকাতা কর্পোরেশন অভিযান করছে ডিওয়াইএফআই। কলকাতার সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে কলকাতা কর্পোরেশনের কেন্দ্রীয় দপ্তর পর্যন্ত মিছিল করবে তারা।কলকাতা কর্পোরেশনের সমস্ত শূন্য পদে স্থায়ী নিয়োগ করতে হবে। বেআইনি প্রোমোটাররাজ, পুকুর ভরাট, গাছ কেটে পরিবেশ ধ্বংস করা চলবে না। কর্পোরেশন স্কুলগুলি চালু করতে হবে। সমস্ত ঠিকা ও অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী করতে হবে। এই দাবি নিয়েই কর্পোরেশন অভিযান করবে ডিওয়াইএফআই। মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে কাছে এই দাবি নিয়ে ডেপুটেশনও জমা দেবে ডিওয়াইএফআই।সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, কলকাতা শহরকে বাঁচাতে হলে কর্পোরেশনের দুর্নীতিকে বন্ধ করতে হবে। কলকাতায় বিপুল সংখ্যায় কর্মহীন যুবরা রয়েছেন। অথচ কর্পোরেশন শূন্যপদে স্থায়ী নিয়োগ করছে না। শূন্যপদে নিয়োগ করতেই হবে। পাশাপাশি দাবি, ঠিকা কর্মী ও অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী করতে হবে। এছাড়াও ১০০ দিনের কর্মীদের ভাতা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ন্যূনতম মজুরির হারে দিতে হবে।এছাড়াও যুবদের দাবি, কলকাতা বাসিন্দারা প্রতিদিন বাইরে চলে যাচ্ছেন। বদলাচ্ছে জনবিন্যাস। এর প্রধান কারণ প্রতিদিন অবৈধ প্রোমোটিং হচ্ছে। বাড়ছে আবাসের খরচ। একাধিক অবৈধ নির্মাণের ঘটনা সামনে এসেছে। কর্পোরেশন এর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। শাসক দলের একধিক কাউন্সিলর ও নেতারা এই অবৈধ নির্মানের সঙ্গে যুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়াও কর্পোরেশনের অন্দরেই রয়েছে দুর্নীতির ঘুঘুর বাসা। কেএমসির মূল আর্থিক মুনাফা হয় হোর্ডিং, অ্যাসেসমেন্ট ও বিল্ডিং প্ল্যান থেকে। সেখানেই রয়েছে দুর্নীতি। সেই দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। ডিওয়াইএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি শিল্পায়ন ও স্থায়ী কর্মসংস্থানের জন্য রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে কলকাতায় এই কর্মসূচি। সংগঠন বলেছে "শিল্প চাই কাজ চাই, বাম পথে বাংলা চাই"। এর আগে বক্রেশ্বরে ৬ নম্বর ইউনিট খোলার দাবিতে মিছিল সমাবেশ ও রক্তদান হয়েছে গত শনিবার। সোমবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য অধিগৃহীত জমিতে শিল্পের জন্য মিছিল সংগঠিত করেছে। চলতি মাসে গোটা রাজ্যব্যাপী একাধিক মিছিল সমাবেশ করবে ডিওয়াইএফআই।
2 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 19, 2026, 03:10 PM
কলকাতার অসহনীয় তাপমাত্রা বৃদ্ধিঃ দিনের উচ্চতায় শীতের ঠাণ্ডা কমেছে

কলকাতার অসহনীয় তাপমাত্রা বৃদ্ধিঃ দিনের উচ্চতায় শীতের ঠাণ্ডা কমেছে

কলকাতা, ১৯ জানুয়ারি:কথায় বলে, ‘মাঘের শীত বাঘের গায়।’ অর্থাৎ মাঘ মাসের তীব্র শীতে বাঘ পর্যন্ত কাবু হয়। তবে চলতি বছর মাঘের শুরুতেই দেখা যাচ্ছে কিছুটা ব্যতিক্রমী চিত্র। পৌষে দক্ষিণবঙ্গে যে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা পড়েছিল, তা এখন প্রায় উধাও। উলটে হাওয়া অফিসের পূর্বাভাসকে সত্যি করে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। বেলা বাড়তেই গায়ে গায়ে জ্যাকেট, সোয়েটার বা চাদর জড়িয়ে রাখার জো নেই। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি। আজ তা প্রায় দেড় ডিগ্রি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১.১ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে, এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫.২ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৭ ডিগ্রি কম। তবে কি বঙ্গ থেকে এই বছরের জন্য বিদায় নিল শীত? আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দু’দিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি বাড়বে। তার পরের চার দিন তাপমাত্রার বড়ো কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। এদিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী সাতদিন রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
8 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 17, 2026, 03:54 PM
শীতকালীন অয়নান্ত ঘনিয়ে আসায় বাংলায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার আশঙ্কা

শীতকালীন অয়নান্ত ঘনিয়ে আসায় বাংলায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার আশঙ্কা

বঙ্গে বাজতে চলেছে শীত বিদায়ের ঘন্টা। সপ্তাহান্তে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে থাকলেও, নতুন সপ্তাহের শুরু থেকেই ধীরে ধীরে তা বাড়তে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। তবে জেলাগুলিতে জারি থাকছে কুয়াশার সতর্কতা। সুতরাং, হালকা ঠান্ডা থাকলেও মোটের উপর মনোরম থাকতে চলেছে সরস্বতী পুজোর সময়ের আবহাওয়া।আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, আপাতত দক্ষিণবঙ্গে শুস্ক আবহাওয়ায় বিরাজ করবে। শনিবার শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশেই থাকবে,যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৪ ডিগ্রি কম। রবিবারও এই চিত্রের বিশেষ পরিবর্তন হবেনা বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে কলকাতা সহ অধিকাংশ জেলাতেই কমতে চলেছে শীতের আমেজ।সেই সময় প্রায় ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের আশেপাশেই ঘোরাঘুরি করবে। আপাতত অবস্থার বিশেষ পরিবর্তন ঘটবে না বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।তবে কুয়াশার প্রভাব জারি রাজ্য জুড়ে। ফলত দক্ষিণ থেকে উত্তর দুই বঙ্গের একাধিক রাজ্যে জারি কুয়াশার সতর্কতা। দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দুই বর্ধমান সহ হুগলিতেও ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, উত্তরবঙ্গের মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায়ও জারী ঘন কুয়াশার সতর্কতা। আগামী সপ্তাহের সোমবার পর্যন্ত একই অবস্থা জারি থাকবে বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।
35 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Jan 17, 2026, 02:36 PM
ঘন কুয়াশায় দিল্লির আকাশসীমা পঙ্গু, বিমান চলাচল বিলম্বিত ও বাতিল হওয়ার আশঙ্কা

ঘন কুয়াশায় দিল্লির আকাশসীমা পঙ্গু, বিমান চলাচল বিলম্বিত ও বাতিল হওয়ার আশঙ্কা

ঘন কুয়াশার দাপটে শনিবার সকাল থেকে দিল্লির আকাশপথ কার্যত অচল হয়ে পড়ে। ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিক উড়ান দেরিতে ওঠানামা করে। কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা অত্যন্ত কমে যাওয়ায় বিমান চলাচল ব্যাহত হয় বলে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে। সকালের দিকে দৃশ্যমানতা বিপজ্জনক স্তরে নেমে আসে। এর ফলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক— দু’ধরনের উড়ানেই প্রভাব পড়ে। যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে হয়। বহু যাত্রী ভোগান্তির কথা জানান, কেউ কেউ আবার সংযোগকারী উড়ান মিস করেন। এর মধ্যেই দিল্লির বায়ুস্তরের গুণমানের সূচক আরও উদ্বেগজনক আকার ধারণ করে। শনিবার সকালে দিল্লির বায়ুগুণমানের গড় সূচক ছিল ‘খুব খারাপ’। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘন কুয়াশা ও দূষণের মিলিত প্রভাবেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টে ভোগা মানুষদের বাড়ির বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন উত্তর ভারতে কুয়াশার দাপট বজায় থাকতে পারে। ফলে দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় উড়ান পরিষেবায় আরও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যাত্রীদের উড়ানের সময়সূচি আগেভাগে যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে বিমান সংস্থাগুলি।
50 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Jan 15, 2026, 03:39 PM
জম্মু ও কাশ্মীরে পাকিস্তানি ড্রোন দেখা গেছে, ভারতীয় বাহিনী উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে

জম্মু ও কাশ্মীরে পাকিস্তানি ড্রোন দেখা গেছে, ভারতীয় বাহিনী উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে

পাক সীমান্তে ফের উত্তেজনা। ফের জম্মু ও কাশ্মীরের আকাশে দেখা মিলল সন্দেহজনক পাকিস্তানি ড্রোনের। সাম্বা ও পুঞ্চ সেক্টরে এই ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। সেনা সূত্রে খবর,সাম্বা জেলার রামগড় সেক্টরের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন কেসো মানহাসান গ্রামে এবং পুঞ্চের দেগওয়ার সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে ড্রোনগুলির সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে সেনা।রাডারে ড্রোনের উপস্থিতি ধরা পড়তেই ভারতীয় জওয়ানরা মুহূর্তের মধ্যে তৎপর হয়ে ওঠেন। ড্রোনগুলিকে রুখতে এবং নিস্ক্রিয় করতে সঙ্গে সঙ্গে ‘কাউন্টার-ইউএএস’ বা ড্রোন-প্রতিরোধী ব্যবস্থা সক্রিয় করে সেনাবাহিনী।এক সপ্তাহের মধ্যে তিনদিন পাকিস্তান থেকে ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনায় কপালে ভাঁজ ভারতীয় গোয়েন্দাদের। তবে কি কোনও বড় মাপের নাশকতার ছক চলছে?ঘন কুয়াশা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার সুযোগ নিতে চাইছে পাকিস্তান?এই ধরনের পরিস্থিতিতে এর আগে ড্রোন মারফৎ মাদক ও অস্ত্র পাচার করতে দেখা গিয়েছে পাকিস্তানকে। এই ঘটনার জেরে গোটা সীমান্ত এলাকা জুড়ে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে এবং নজরদারি কয়েক গুণে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
51 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 14, 2026, 03:00 PM
আপনার উৎপাদনশীলতা ও সুস্থতা বাড়াতে শীতকালীন সহজ অভ্যাস

আপনার উৎপাদনশীলতা ও সুস্থতা বাড়াতে শীতকালীন সহজ অভ্যাস

উত্তরবঙ্গ সংবাদ দিজিটাল ডেস্ক:প্রতিদিন সকালে অ্যালার্মের শব্দে ঘুম ভাঙা থেকে শুরু করে রাতে ল্যাপটপ বন্ধ করা পর্যন্ত আমরা যেন একটা অন্তহীন দৌড়ের মধ্যে আছি। কিন্তু দিনশেষে নিজের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কি মনে হয়—আজকের দিনটা কি সত্যিই নিজের জন্য ছিল? জীবনকে বদলে দিতে এই শীতে শুরু করুন নতুন কিছু অভ্যাস। ঘুম থেকে উঠেই নোটিফিকেশন চেক করার অভ্যাস আপনার মস্তিষ্ককে সকাল থেকেই ক্লান্ত করে দেয়। অন্তত প্রথম ৩০ মিনিট ফোন থেকে দূরে থাকুন। জানলাটা খুলে দিন, এক কাপ চা বা কফি হাতে নিয়ে আকাশের রঙ দেখুন। এই ছোট শুরুটা আপনার সারাদিনের কাজের গতি নির্ধারণ করে দেবে। সারাদিন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে চোখের ওপর যে চাপ পড়ে, তার থেকে মুক্তি দিতে পারে ইনডোর প্ল্যান্টস। আপনার বারান্দা বা ঘরের কোণে কয়েকটা সবুজ গাছ রাখুন। বিকেলে ফোনটা ঘরে রেখে ছাদে বা পার্কে ১৫ মিনিট হাঁটুন। মাটির গন্ধ আর খোলা হাওয়া আপনার ক্লান্তি নিমেষেই শুষে নেবে। সব কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় না লিখে একটা ডায়েরিতে লিখতে শুরু করুন। নিজের না বলা কথা, ছোট ছোট সাফল্য কিংবা মন খারাপের মুহূর্তগুলো পাতায় বন্দি থাক। আর শোবার আগে নীল আলোর ফোনের বদলে কোনো প্রিয় বইয়ের পাতায় ডুব দিন। বই পড়ার অভ্যাস রাতে গভীর ঘুমের ওষুধ হিসেবে কাজ করে। সবকিছু পারফেক্ট হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কোনোদিন রান্না করতে ইচ্ছে না করলে প্রিয় রেস্তোরাঁ থেকে খাবার আনিয়ে নিন, প্রিয় কোনো গান চালিয়ে ড্রয়িং রুমে একটু নাচুন, কিংবা অনেক পুরনো কোনো বন্ধুর সাথে কথা বলুন। আনন্দ আসলে বড় কোনো অর্জনে নয়, ছোট ছোট মুহূর্তের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে।
2 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 12, 2026, 03:49 PM
আটক পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

আটক পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

পরিবেশ কর্মী সোনম ওয়াংচুককে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে আটকের মামলার শুনানি হয়েছে সোমবার। তাঁর পক্ষে সওয়ালে বলা হয়েছে যে তাঁকে এমন কড়া আইনে আটক করা হয়েছে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে।ঘটনায় ওয়াঙচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো সুপ্রিম কোর্টে আবেদন দায়ের করেছিলেন। বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং প্রসন্ন বি. ভাড়ালের বেঞ্চে হয়েছে শুনানি।আরও দেখুনসংবাদপত্র বিজ্ঞাপনসংবাদ বিজ্ঞপ্তিবাংলা সাহিত্য বিষয়ক বইস্থানীয় সংবাদখেলাধুলার ইভেন্টের টিকিটডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সরাজনৈতিক বিশ্লেষণ কোর্সকলকাতায়রাজ্য সংবাদমানবাধিকার বিষয়ক সেমিনারলাদাখকে স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া সহ ষষ্ঠ তফসিলের আওতায় এনে, স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ওয়াংচুকের নেতৃত্বে লাদাখের সব অংশের মানুষ আন্দোলনে শামিল ছিলেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর লেহ-তে অনশনে বসেছিলেন আন্দোলনকারীরা। কেন্দ্রের তরফে ভূমিকা নিরাশাজনক হওয়ায় বাড়ছিল ক্ষোভ। সেদিন আন্দোলনকারীদের একাংশ ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করে। এই ঘটনাকে ব্যবহার করে অত্যন্ত কড়া আইন এনএসএ-তে গ্রেপ্তার করা হয় ওয়াঙচুককে।উল্লেখ্য, বিজেপি লাদাখে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। তবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি সরকার।উল্লেখ্য, ২০১৯’র ৫ আগস্ট সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভেঙে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়া হয়। তার একটি লাদাখ। কেন্দ্রীয় শাসন ঘিরে অভিযোগ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে, পরিকাঠামোর নামে পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মানুষ। এই আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন ওয়াঙচুক।২০২৫'র ২৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় এনে আটক করা হয় ওয়াঙচুককে। পরে তাঁকে রাজস্থানের যোধপুরের জেলে স্থানান্তর করা হয়। গোটা ঘটনায় লাদাখ জুড়ে সশস্ত্রবাহিনী মোতায়েন করার পাশাপাশি কোনো বিক্ষোভ সংগঠিত হলে তার বিরুদ্ধে করা ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয় প্রশাসন। সেদিনের ঘটনায় লাদাখের ৪ জন বাসিন্দা নিহত হন। ৯০ জন মানুষ আহত হন।কিসের ভিত্তিতে ওয়াংচুকের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা ভঙ্গের মতো এমন কড়া অভিযোগ আনা হলো, এই প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। আংমোর হয়ে কোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। সোমবারের শুনানিতে তিনি যুক্তি দেন, এই ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা ভঙ্গের আইন প্রয়োগ আইনবিধি সঙ্গত নয়।ওয়াঙচুকের পক্ষে বলা হয়েছে, চারটি ভিডিও-কে দেখিয়ে উত্তেজনায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অথচ অভিযুক্তদের আইনজীবীকে এমন কোনও ভিডিও দেখতে দেওয়া হয়নি।সিবাল বলেন যে জাতীয় নিরাপত্তা আইনেও অভিযুক্তকে তাঁর বক্তব্য জানানোর সুযোগ দেওয়ার সংস্থান রয়েছে। আটকের কারণ লিখিতভাবে জানানো হয়েছে গ্রেপ্তারির অনেক পর। এই আইনের ৫ক ধারা দেখিয়েছে সংবিধানের ২২ ধারাকে অগ্রাহ্য করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া অসাংবিধানিক।মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জানুয়ারি।
98 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 12, 2026, 03:00 PM
কলকাতায় তাপমাত্রার আকস্মিক হ্রাস, দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শীতল বাতাস

কলকাতায় তাপমাত্রার আকস্মিক হ্রাস, দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শীতল বাতাস

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাঝে একটি দিন, তারপরেই আবহাওয়ার পরিবর্তন। গতকাল, রবিবার শহরের তাপমাত্রা একধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। আজ, সোমবার ফের ফিরে এসেছে কনকনে ঠান্ডা। সক্রিয় উত্তুরে হাওয়া। যার ফলে শহর থেকে দক্ষিণবঙ্গে জাঁকিয়ে পড়েছে শীত। আজ, সোমবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। গতকাল, রবিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রির ঘরে। আজ, সেটি একধাক্কায় অনেকটাই কমেছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, এদিন শহরের আকাশ থাকবে পরিষ্কার। তবে আজ, সোমবার সকালে শহরের আকাশে হাল্কা কুয়াশা ছিল। গতকাল, রবিবার শহরের সর্বাধিক তাপমাত্রা ছিল ২৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। এদিন শহরের সর্বাধিক তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। গত ২৪ ঘণ্টায় শহরে কোথাও বৃষ্টি হয়নি। দক্ষিণবঙ্গে আজ, সোমবার শীতলতম স্থান নদীয়ার কল্যাণী। সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
57 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 10, 2026, 03:33 PM
কলকাতা ও উত্তরবঙ্গে শীতল হাওয়া, কুয়াশার সতর্কতা জারি

কলকাতা ও উত্তরবঙ্গে শীতল হাওয়া, কুয়াশার সতর্কতা জারি

বিগত কয়েকদিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও শনিবার ফের নামলো কলকাতার তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে জেলাগুলিতে জারি শৈত্যপ্রবাহ। রাজ্যে উত্তুরে হওয়া প্রবেশের পথে বিশেষ কোনও বাধা না থাকায়, রাজ্যজুড়ে ব্যাপক ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। সেই সঙ্গে জারি রয়েছে কুয়াশার দাপটও।শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৫ ডিগ্রি কম। আপাতত তাপমাত্রার বিশেষ কোনও পরিবর্তন হচ্ছেনা বলেই জানাচ্ছে আলিপুর হাওয়া অফিস। পাশাপাশি, আগামী কয়েকদিন স্বাভাবিকের তুলনায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমই থাকবে বঙ্গের জেলাগুলির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, রাজ্যের সর্বত্রই জারি থাকছে কুয়াশার সতর্কতা। এর জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় সকালের দিকে দৃশ্যমানতা হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা ১৯৯ মিটার থেকে ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে। ফলত ওই জেলাগুলিতে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। পাশাপাশি, দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কমে যাওয়ায় মালদা ও উত্তর দিনাজপুরের দু- একটি জায়গায় গোটা দিনজুড়েই ব্যাপক ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে বলেও জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।শনিবার দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল বোলপুরের শ্রীনিকেতনে। এদিন ওখানকার তাপমাত্রা ৬.৬ ডিগ্রিতে নেমে যায়। পাশাপাশি, বাঁকুড়ায় ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমানে ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বহরমপুরে ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সহ ডায়মন্ড হারবারে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামে এদিনের পারদ। এদিন উত্তরবঙ্গের দার্জিলিঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা রাজ্যের মধ্যেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। পাশাপাশি, জলপাইগুড়িতে ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আলিপুরদুয়ার ও রায়গঞ্জে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস সহ বালুরঘাটে ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামে পারদ।
33 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Jan 9, 2026, 03:08 PM
শীতকালীন ত্বকের যত্নের সিক্রেটগুলি আনলক করাঃ শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক প্রতিকার

শীতকালীন ত্বকের যত্নের সিক্রেটগুলি আনলক করাঃ শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক প্রতিকার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:শীতের আমেজ কার না প্রিয়? কিন্তু এই সময় ত্বকের দফারফা হতে সময় লাগে না। ঠান্ডা হাওয়া আর আর্দ্রতার অভাবে ত্বক হয়ে পড়ে খসখসে ও প্রাণহীন। নামী ব্র্যান্ডের দামি ক্রিমের পেছনে ছোটেন অনেকেই। কিন্তু আপনি কি জানেন, আসল সমাধান লুকিয়ে আছে আপনার হেঁশেলেই? কোনও রাসায়নিক ছাড়াই বাড়িতে তৈরি করে নেওয়া যায় শীতকালীন ‘স্কিন কেয়ার’। কেন এই বাড়তি যত্ন?শীতকালে বাতাসের জলীয় বাষ্প কমে যায়। ফলে ত্বক খুব দ্রুত জল হারাতে শুরু করে। ঘরোয়া প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার কেবল আর্দ্রতাই ফেরায় না, ত্বকের স্বাভাবিক রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। ৭টি অব্যর্থ ঘরোয়া টোটকা১) শিয়া বাটার ও আমন্ড তেল:শিয়া বাটারের সঙ্গে অল্প আমন্ড তেল মিশিয়ে হালকা আঁচে গরম করুন। এরপর ঠান্ডা করে ফেটিয়ে নিলেই তৈরি জমাট বাঁধা ক্রিম। এটি রুক্ষ ত্বকের জন্য মহৌষধ।২) অ্যালোভেরা ও গ্লিসারিন:যাঁরা খুব বেশি চ্যাটচ্যাটে ভাব পছন্দ করেন না, তাঁদের জন্য এটি সেরা। অ্যালোভেরা জেল ও গ্লিসারিন মিশিয়ে তৈরি করুন হালকা ‘হাইড্রেটিং জেল’।৩) দুধের সর ও অলিভ অয়েল:এই পুরনো ঘরোয়া টোটকা আজও কার্যকর। দুধের সরের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাখলে ত্বকে আসবে রাজকীয় জেল্লা।৪) মধু ও নারকেল তেল:মধু আর্দ্রতা টানে আর নারকেল তেল তা ত্বকে ধরে রাখে। এই মিশ্রণ নিস্তেজ ত্বকে প্রাণ ফেরাতে সক্ষম।৫) মৌমাছির মোম বা বি-ওয়াক্স:জল, অলিভ অয়েল ও মোম মিশিয়ে তৈরি এই ক্রিম প্রচণ্ড শীতেও ত্বক ফাটতে দেয় না।৬) অ্যালোভেরা ও নারকেল তেল:যাঁদের ত্বক শীতে লাল হয়ে যায় বা চুলকায়, তাঁদের জন্য এই শীতল মিশ্রণটি বেশ আরামদায়ক।৭) ভিটামিন-ই ট্রিটমেন্ট:যেকোনও ঘরোয়া ক্রিমের সঙ্গেই ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। জরুরি পরামর্শসব সময় ভিজে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন। রাতে ঘুমনোর আগে একটু ভারী ক্রিম ব্যবহার করা ভালো। মনে রাখবেন, অ্যালোভেরা যুক্ত মিশ্রণ ফ্রিজে রাখবেন। এক সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করতে যাবেন না যেন! এছাড়া, কোনও উপাদান ব্যবহারের আগে ‘প্যাচ টেস্ট’ করে নিতে ভুলবেন না। আপনার ত্বকের ধরণ বুঝে বেছে নিন সঠিক ঘরোয়া ময়েশ্চারাইজার। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
75 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 8, 2026, 02:52 PM
দক্ষিণবঙ্গে শীতের ঢেউয়ের মধ্যে কলকাতার তাপমাত্রা বেড়েছে

দক্ষিণবঙ্গে শীতের ঢেউয়ের মধ্যে কলকাতার তাপমাত্রা বেড়েছে

কলকাতা, ৮ জানুয়ারি:একদিনে প্রায় এক ডিগ্রি বৃদ্ধি। যার ফলে ফের ১১ ডিগ্রির ঘরে চলে এলো কলকাতার তাপমাত্রা। যদিও এখনও তা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই নীচে। আগামী দু-তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে শীতের তীব্রতা মোটামুটি একইরকম থাকবে। জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর। গত মঙ্গলবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জায়গায় মরশুমের শীতলতম দিন ছিল। ওই দিন কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০.২ ডিগ্রি। বুধবার তা বেড়ে ১০.৩ ডিগ্রি হয়। আজ, বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১১.৬ ডিগ্রি। গতকালের তুলনায় তাপমাত্রা ১.৩ ডিগ্রি বাড়লেও তা স্বাভাবিকের থেকে ২.৩ ডিগ্রি নীচে। শীতে কাঁপছে অন্য জেলাগুলিও। দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে শীতলতম স্থান শ্রীনিকেতন। আজ সকালে সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে, উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১ ডিগ্রিতে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী দু-তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে শীতের তীব্রতা মোটামুটি একইরকম থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না। তারপর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো বাড়লেও শীতের আমেজ বজায় থাকবে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে ১২-১৩ ডিগ্রির আশপাশে আসতে পারে।
99 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 5, 2026, 03:39 PM
দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি সত্ত্বেও বাংলায় শীতল ঢেউয়ের আশঙ্কা

দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি সত্ত্বেও বাংলায় শীতল ঢেউয়ের আশঙ্কা

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও শীতের কাঁপুনি থেকে রেহাই মিলছে না বঙ্গবাসীর। সোমবার ফের কলকাতা তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি কমে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার কলকাতা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৯। কিন্তু শীতের কাঁপুনি থেকে রেহাই মেলেনি। ঘন কুয়াশার কারণে তাপমাত্রা তারতম্য বোঝা যায়নি।চলতি সপ্তাহে প্রথম দিকে আবহাওয়ার খুব একটা পরিবর্তন হবে না। দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। হাতে থাকবে কুয়াশা দাপট ফলে কমবে দৃশ্যমানতা। উত্তর থেকে দক্ষিণ কুয়াশার ফলে জাঁকিয়ে শীতের অনুভূত হবে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় দৃশ্যমানতা ২০০ মিটার পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। উত্তরবঙ্গে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে যাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী তিন দিনে অর্থাৎ মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে তাপমাত্রার পারদ এক ধাক্কায় ২-৩ ডিগ্রি নামতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিমের জেলাগুলিতে, পারদের কাঁটা থাকতে পারে ১১-১২ ডিগ্রির ঘরে।উত্তরবঙ্গে ঠান্ডা বেশ শীতল। হয় অফিসের পূর্বাভাস দার্জিলিংয়ে তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের জেলা দার্জিলিঙে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখন ২ ডিগ্রির ঘরে । পূর্বাভাস বলছে, দার্জিলিংয়ে সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রির ঘরে থাকবে । কালিম্পং ৯ ডিগ্রি, শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়িতে ১২ ডিগ্রি ৷ গোটা উত্তরবঙ্গে থাকবে কুয়াশার দাপট ৷
67 shares
😢
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Jan 4, 2026, 04:48 PM
হিমালয়ের বিস্ময়ঃ ভারী তুষারপাত পর্যটন গন্তব্যগুলিতে আনন্দ এবং বিপদ নিয়ে আসে

হিমালয়ের বিস্ময়ঃ ভারী তুষারপাত পর্যটন গন্তব্যগুলিতে আনন্দ এবং বিপদ নিয়ে আসে

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য, শিলিগুড়ি: ঠিক যেন তুষারের কার্পেট পেতে রেখেছে কেউ! দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু, ফালুট, সীমানা থেকে সিকিমের জুলুক, ছাঙ্গু উপত্যকা, না-থুলা অথবা ইয়ুংথাং। যেদিকে চোখ যায় রাশিরাশি বরফ। তুষারে ঢেকেছে গাছগাছালি থেকে বাড়ির ছাদ। রাস্তা বরফের আস্তরণে তলিয়ে থাকায় বিপত্তিও বেড়েছে। পর্যটক বোঝাই গাড়ির চাকা পিছলে যেতে শুরু করেছে। কমেছে দৃশ্যমানতা। বেড়েছে অক্সিজেনের সমস্যা। কিন্তু বিপদের হাতছানির তোয়াক্কা না-করেই তুষারপাতের নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগের নেশার একরকম বেপরোয়া পর্যটকেরা। বর্ষ বরণের প্রথম দিন ইয়ুংথাং উপত্যকা থেকে সেই যে তুষারপাতের সূচনা হয়েছে আর থামেনি। ছাঙ্গু উপত্যকা, না-থুলা পাস, বাবা মন্দির সহ জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে ভারী তুষারপাত চলছে। শনিবার রাত থেকে তুষারপাতের তীব্রতা বেড়েছে। পাহাড়ের ঢাল, জঙ্গল এবং উঁচু পাহাড়ি গিরিপথগুলি বরফের চাদরে মুড়েছে। তুষারাবৃত এলাকায় ক্যামেরা এবং শীতকালীন সরঞ্জাম নিয়ে ভিড় করেছেন পর্যটকরা। শিশুরা তুষারে খেলায় মেতেছে। সেলফি তোলার হিড়িক পড়েছে। অনেকেই এমন তুষারপাত পেয়ে নিজেদের ভাগ্যবান ভাবছেন।যদিও কনকনে ঠান্ডা। গ্যাংটকে দিনের তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। রাতের তাপমাত্রা শূন্যের কাছাকাছি চলে যাচ্ছে। নাথু-লা পাসের মতো উঁচু এলাকার তাপমাত্রা প্রায় মাইনাস ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। তীব্র বরফের বাতাসের কারণে ঠান্ডা আরও জাকিয়ে বসেছে। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ হলেও, পর্যটকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। দার্জিলিং পাহাড়ে ঠাই নেই দশা। ভিড় বেড়েছে সান্দাকফুতে। তুষারপাতের নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগের আশায় বড়দিনের পর থেকে পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে দার্জিলিং ও সিকিমে। সিকিম পর্যটন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর সিকিমে হোটেল এবং হোমস্টগুলি প্রায় সম্পূর্ণ বুকড। সিকিম সরকারের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল বিভাগের উপদেষ্টা এসকে সুব্বা জানান, পর্যটকদের ভিড় ক্রমশ বাড়ছে। তুষারপাতের জন্য উত্তর সিকিমের প্রায় সমস্ত হোটেল বুকড। গত রবিবার ৬ হাজারের বেশি পর্যটক নাথু-লা পাস এবং পূর্ব সিকিমের ছাঙ্গু হ্রদ পরিদর্শন করেছেন। সিকিম পর্যটন দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বড়দিনের পর থেকে পর্যটকরা তুষারপাত দেখার আশায় উত্তর সিকিমে ভিড় জমাতে শুরু করেছে। জিরো পয়েন্টে তুষারপাতের চলছে। সিকিম সরকারের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান পরিবহন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সিকিমে ১ হাজার ১৮১টি হোটেল, ১ হাজার ৯৮১টি হোমস্টে, ৬০০টিরও বেশি রেস্তোরাঁ রয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত গেস্টহাউস এবং পিজি সুবিধা রয়েছে। সেখানে আরও দেড় হাজার পর্যটক থাকতে পারবেন। সব মিলিয়ে রাজ্যের হোটেল ও হোমস্টেগুলোতে ২২ হাজার ৬৫২টি রুম এবং ৪৩ হাজার ৮০৭টি শয্যা রয়েছে। এখন শুধুমাত্র গ্যাংটকে প্রতিদিন ৪৫ হাজার পর্যটক থাকতে পারেন। কিন্তু এবার ভিড় যেভাবে বেড়ে চলেছে আগাম বুকিং করে না গেলে পর্যটকদের বিপদে পড়তে হতে পারে। সিকিম প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণ পারমিট অবাধ নয়। কয়েকটি সুরক্ষিত অঞ্চলে অতিরিক্ত ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। অসুবিধা এড়াতে অনলাইনে ভ্রমণ পারমিট ইস্যুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পর্যটকদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে আরও ১ হাজার হোমস্টে তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এদিকে দার্জিলিংয়ে তুষারপাত না-হলেও বেশিরভাগ হোটেল এবং হোমস্টে বুকড আছে। করোনা কালের পর এবারই প্রথম এতো পর্যটক শৈল শহরে। হোটেল থেকে হোমস্টে সর্বত্র ঠাই নেই দশা। ট্যুর অপারেটর সংস্থাগুলো সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার জানুয়ারি মাস জুড়ে দার্জিলিং পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্য ইকো ট্যুরিজম কমিটির চেয়ারম্যান রাজ বসু বলেন, “এবার দার্জিলিং পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় সর্বকালীন রেকর্ড ছাড়াতে পারে। জানুয়ারি মাস জুড়ে শৈল শহরে পা ফেলার জায়গা মিলবে না। তুষারপাত হলে তো কথাই নেই। এটা খুবই ভালো দিক।” খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
5 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 4, 2026, 03:21 PM
তাপমাত্রার পরিবর্তনঃ উত্তরবঙ্গে ঠাণ্ডা, দক্ষিণবঙ্গে বেড়েছে তাপমাত্রা

তাপমাত্রার পরিবর্তনঃ উত্তরবঙ্গে ঠাণ্ডা, দক্ষিণবঙ্গে বেড়েছে তাপমাত্রা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত পড়লেও দক্ষিণে বাড়ছে তাপমাত্রা। ওড়িশা উপকূলে অবস্থান করছে বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত। সেই কারণে একাধাক্কায় অনেকটাই বাড়ল তাপমাত্রা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। আজ, রবিবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। গতকাল, শনিবার শহরের সর্বাধিক তাপমাত্রা ছিল ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। এদিন শহরের আকাশে সকালে কুয়াশা থাকলেও বেলায় পরিষ্কার হয়ে যাবে, এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। আজ, রবিবার শহরের সর্বাধিক তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। গত ২৪ ঘণ্টায় শহরে কোথাও বৃষ্টি হয়নি। তবে সিকিমে ব্যাপক তুষারপাত হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সান্দাকফুতে এই মুহূর্তে তাপমাত্রা -২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
77 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 4, 2026, 02:58 PM
সিকিম তুষারে ঢাকাঃ নাথু লা এবং জিরো পয়েন্ট ভারী ঢেকে গেছে

সিকিম তুষারে ঢাকাঃ নাথু লা এবং জিরো পয়েন্ট ভারী ঢেকে গেছে

আজ, রবিবার সকাল থেকে প্রবল তুষারপাত সিকিমে। বরফের চাদরে ঢেকেছে নাথুলা। উত্তর সিকিমের জিরো পয়েন্টেও বরফে ঢাকা পড়েছে চারদিক। সান্দাকফুতে এই মুহূর্তে তাপমাত্রা -২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
23 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Jan 4, 2026, 02:52 PM
দুই বছরের আইনি বিচ্ছেদের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ করেছেন অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়।

দুই বছরের আইনি বিচ্ছেদের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ করেছেন অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়।

দীর্ঘদিন ধরেই ছিল বিচ্ছেদের গুঞ্জন। এবার তাতে পড়ল আইনের সিলমোহর। নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্কে ছেদ টেনেছেন অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়। আইনত বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে জয়জিৎ আর শ্রেয়ার। তবে গত দু’বছর ধরেই পরস্পরের থেকে আলাদা থাকছিলেন তাঁরা। তবে এই বিষয়টি নিয়ে কখনওই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি অভিনেতা। এই আইনি বিচ্ছেদ নিয়েও খবর হোক, তাতে ঈষৎ আপত্তি ছিল তাঁর। জানালেন, তাঁদের ছেলে যশোজিৎ এখন কলেজে পড়ছে। সদ্য তরুণ। তাই তিনি চান না, এই খবর ছেলের উপর বা তাঁর আশেপাশের পরিবেশের উপর কোনও প্রভাব ফেলুক। কেন প্রায় দু'দশকের বিয়ের সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁরা?আজকাল ডট ইন-কে জয়জিৎ বললেন, “যে কোনও সম্পর্কে তিক্ত হয়ে গেলে অথবা সেই সম্পর্কে ক্রমাগত তিক্ততা বাড়তে থাকলে তা ছেড়ে বেরিয়ে আসাই সৎ সিদ্ধান্ত। আর আমরা দু’জনেই যেখানে প্রাপ্তবয়স্ক তাই এই সিদ্ধান্ত দু'জন মিলেই নিয়েছি। আর একটা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, একে অপরের বিরুদ্ধে আমাদের কিন্তু কোনও অভিযোগ নেই, রাগ নেই। ” আর তাঁদের ছেলে যশোজিৎ, তিনি এখন কার কাছে থাকবেন? জবাব এল, “আইনত যশোজিৎ এখন প্রাপ্তবয়স্ক। সে নিজেই ঠিক করেছে আমার সঙ্গে ও থাকতে চায়। আরও ভাল করে বললে আমার ও আমার মা-বাবা অর্থাৎ ওর দাদু-ঠাম্মার কাছেই ও থাকতে চায়। আসলে, ছোট থেকেই ওঁদের কোলেপিঠেই তো বড় হয়েছে ও। আমি ও শ্রেয়া দু'জনেই কাজে বেরিয়ে যেতাম। যশোজিতের দাদু-ঠাম্মাই ওকে বড় করেছে। তবে হ্যাঁ, ছেলে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে বলেছি আমার প্রতি তোমার যা যা কর্তব্য তোমার মায়ের প্রতিও যেন সেই কর্তব্য সমানভাবে পালন করো। কারণ আজ তোমার বাবা-মা আলাদা হয়েছে বটে তবে তাতে তিনি যে তোমার মা, আজীবন এই সত্যিটা মুছে যাবে না। যশোজিৎ ওর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। নিয়মিত কথা হয় ওদের মধ্যে। সবাই তাদের মতো করে ভাল থাকুক। ব্যস!” সামান্য থেমে জয়জিৎ ফের বলে উঠলেন, “আর জীবনে প্রেম-সম্পর্কের আমার প্রয়োজন নেই। খুব ভাল আছি। শুধু চাই, ছেলেটা মানুষের মতো মানুষ হোক। আমি নিশ্চিত, ওর মা-ও এটাই চায়।”
29 shares
😢
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Jan 3, 2026, 03:58 PM
প্রাকৃতিক ডিটক্সিফাইং পানীয় দিয়ে আপনার নতুন বছর শুরু করুন।

প্রাকৃতিক ডিটক্সিফাইং পানীয় দিয়ে আপনার নতুন বছর শুরু করুন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:উৎসবের মরসুমে আমাদের শরীরের ওপর অনেক ধকল যায়। তেল-মশলাযুক্ত খাবার, অনিয়মিত ঘুম এবং অতিরিক্ত চিনি আমাদের অন্ত্রকে দুর্বল করে তোলে। নতুন বছরে জিম বা কঠিন ডায়েটের চাপে না গিয়ে সহজ কিছু পানীয় দিয়ে শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার করুন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একেই ‘ডিটক্স’ বলা হয়। এটি শরীরকে হালকা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।১) কমলালেবু, পাতিলেবু ও শসার জুস:এটি শরীরের অতিরিক্ত জল বের করে দেয়। লবণাক্ত খাবার খাওয়ার পর শরীরে যে ফোলা ভাব দেখা দেয়, তা কমাতে এটি দারুণ কার্যকর। সকালে এটি খেলে সারাদিন সতেজ থাকতে পারবেন। ২) গাজর ও কমলালেবুর জুস:গাজর ও কমলালেবুর মিশ্রণ হজম শক্তি বাড়ায়। এতে প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি থাকে, যা চিনি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দেয়। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতাও বৃদ্ধি করে। ৩) আদা ও কমলালেবুর ডিটক্স:যাদের শরীর খুব অলস লাগে, তাদের জন্য এটি সেরা। আদা শরীরের মেটাবলিজম বাড়ায় এবং উৎসবের পর পেট ফাঁপা বা ভারী ভাব দূর করে।৪) সৈন্ধব লবণ ও আদা জল:এটি শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ঠিক রাখে। শরীরে জলের অভাব পূরণ করতে এবং ক্লান্তি দূর করতে এই পানীয়টির তুলনা নেই। ৫) ডিটক্স হলুদ চা:শীতের সকালে বা রাতে এটি খুবই উপকারী। হলুদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণ শরীরকে ভেতর থেকে সারিয়ে তোলে এবং মানসিক প্রশান্তি দেয়। সুস্থ থাকা কোনও কঠিন কাজ নয়, শুধু প্রয়োজন সঠিক অভ্যাস। আজ থেকেই এই ছোট ছোট অভ্যাস তৈরি করুন। নতুন বছরকে করে তুলুন স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
74 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
Jan 3, 2026, 03:28 PM
তুষারপাত সান্দাকফু এবং আশেপাশের অঞ্চলে আনন্দ এবং পর্যটন বৃদ্ধি করে

তুষারপাত সান্দাকফু এবং আশেপাশের অঞ্চলে আনন্দ এবং পর্যটন বৃদ্ধি করে

প্রতীক্ষার অবসান! বছরের প্রথম তুষারপাত দার্জিলিংয়ের সান্দাকফুতে। শনিবার বিকেল থেকেই সান্দাকফুতে স্নোফল শুরু হয় বলে খবর। তুষারপাত শুরু হতেই উচ্ছ্বাস দেখা যায় পর্যটকদের মধ্যে। ফালুটেও স্নোফল চলছে বলে খবর।এর আগে গোটা উত্তর সিকিমের লাচুং, লাচেন, জিরো পয়েন্ট, কাটাওয়ে স্নোফলের জেরে গোটা এলাকা সাদা চাদরে ঢেকে যায়। পূর্ব সিকিমের ছাঙ্গু এবং নাথুলায় স্নোফল উপভোগ করতে হাজির ছিলেন বহু পর্যটক। এ বার তুষারপাত হলো বঙ্গেও। অ্যাসোসিয়েশন অব কনজারভেশন অ্যান্ড ট্যুরিজ়মের কর্ণধার রাজ বসু বলেন, ‘স্নোফলের জেরে পর্যটক বাড়বে বলে আশা করছি।’আবহাওয়া দপ্তর আগেই জানিয়েছিল, উইকএন্ডে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিন বিকেলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল বহরমপুরে ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের সমতলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আগামী দু’দিন দার্জিলিংয়ের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে বলে পূর্বাভাস। দু’-একটি স্থানে হালকা বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী কিছুদিন ভোরের দিকে ঘন কুয়াশার প্রভাব থাকবে। উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি কমতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। সান্দাকফুর পরে এ বার কি দার্জিলিংয়ে তুষারপাত? প্রহর গুনছেন পর্যটকরা।
32 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 3, 2026, 03:04 PM
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় কলকাতায় মৃদু শীতের ঢেউ

তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় কলকাতায় মৃদু শীতের ঢেউ

কলকাতা, ৩ জানুয়ারি: কয়েকদিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা। যার ফলে গায়েব কনকনে শীতের আমেজ। ব্যতিক্রম নয় কলকাতা। গত চারদিনে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রির বেশি বেড়েছে। আজ, শনিবার তা ফের পৌঁছে গিয়েছে ১৪ ডিগ্রির ঘরে। আগামী দু’দিনে তা আরও ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনা। যদিও বাংলা থেকে এখনই শীত বিদায়ের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। আগামী বুধবার থেকে তাপমাত্রা ফের নামতে শুরু করবে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছেন তাঁরা।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ কলকাতার আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ২৪ ডিগ্রি থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। আজ সকালে শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৯ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিক।
52 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 2, 2026, 03:49 PM
দক্ষিণবঙ্গে শীতল ঢেউ থেকে স্বস্তি, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা

দক্ষিণবঙ্গে শীতল ঢেউ থেকে স্বস্তি, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা

অবশেষে প্রবল ঠান্ডার কবল থেকে স্বস্তি পাচ্ছে দক্ষিণবঙ্গবাসী। শুক্রবার দুই ডিগ্রি বৃদ্ধি পেলো কলকাতার দিনের তাপমাত্রা। তবে আগামী দুই দিনে দার্জিলিঙের তুষারপাত সহ উত্তরবঙ্গের চার জেলায় জারি বৃষ্টির সম্ভাবনা ।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই শুস্ক আবহাওয়া থাকবে। আগামী দুইদিনে কলকাতা সহ শহরতলীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রি ঘরে পৌঁছতে পারে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরেই এই আবহাওয়ার পরিবর্তন। ওডিশার উপকূলে বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত থাকায় রাজ্যে জলীয় বাষ্পের প্রবেশ ঘটবে। ফলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার জেলার কয়েকটি জেলায় হতে পারে বৃষ্টিপাত। পাশাপাশি দার্জিলিঙ জেলাতেও রয়েছে বৃষ্টি বা তুষারপাতের সম্ভাবনা। জেলাগুলিতে শুস্ক আবহাওয়া থাকলেও কুয়াশার সতর্কতা জারি থাকছে। দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ সহ নদীয়তেও ঘন কুয়াশার দৃশ্যমানতা হ্রাস পেতে পারে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও জারি ঘন কুয়াশার সতর্কতা।শুক্রবার সকালে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৫ ডিগ্রি কম। এদিন দার্জিলিঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা রাজ্যের মধ্যে সর্বনিম্ন। কালিম্পঙে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কোচবিহারে ১০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জলপাইগুড়িতে ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আলিপুরদুয়ারে তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দার্জিলিঙের পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বীরভূমের সিউড়ি। সেখানের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ব্যারাকপুরে ৯.৬ ডিগ্রি, বর্ধমানে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং এদিন দমদমের তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
4 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 2, 2026, 03:21 PM
পশ্চিমা ঝঞ্ঝা কলকাতায় তাপমাত্রার সামান্য বৃদ্ধি ঘটায়

পশ্চিমা ঝঞ্ঝা কলকাতায় তাপমাত্রার সামান্য বৃদ্ধি ঘটায়

কলকাতা, ২ জানুয়ারি: পশ্চিম হিমালয়ে সৃষ্টি হওয়া নতুন একটি পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে নতুন বছরের দ্বিতীয় দিনে ব্যাক গিয়ার শীতের! শুক্রবার প্রায় দেড় ডিগ্রি বাড়ল কলকাতার তাপমাত্রা। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়েছে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও। অব্যাহত কুয়াশার দাপট। অন্যদিকে, দার্জিলিং-সহ উত্তরবঙ্গের চার জেলায় আজ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। সেইসঙ্গে দার্জিলিংয়ের উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য বলছে, এদিন সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছে ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে যা ১.১ ডিগ্রি কম হলেও গতকালের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। গতকাল শহরের তাপমাত্রা ছিল ১১.৬ ডিগ্রি। আজ শহরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৪ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা যে ফের বাড়বে সেই ইঙ্গিত আবহাওয়াবিদরা অবশ্য আগেই দিয়েছিলেন। এর কারণ হিসেবে তাঁরা জানিয়েছেন, পশ্চিম হিমালয়ে ফের একটি পশ্চিমি ঝঞ্ঝা সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে উত্তুরে হাওয়া কমজোরি হয়ে পড়বে। তবে আগামী ৬-৭ জানুয়ারির পর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ফের নিম্নমুখী হবে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। ফলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীতের আমেজ মোটামুটি বজায় থাকবে বলেই আশা করা হচ্ছে।এদিকে, শুক্রবার ও শনিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা। সেইসঙ্গে সান্দাকফু, ঘুম, ধোত্রে, মানেভঞ্জন, চটকপুরের মতো দার্জিলিংয়ের পার্বত্য উঁচু এলাকায় তুষারপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
66 shares
😐