Achira News Logo
Achira News
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:53 AM
ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিঃ প্রত্যেক নাগরিকের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক

ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিঃ প্রত্যেক নাগরিকের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক

নয়াদিল্লি: বড়ো সিদ্ধান্ত! এর ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিক লাভবান হবে। আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি ও ভারতীয় পণ্যে পালটা শুল্ক হ্রাসের ঘোষণাকে এভাবেই ব্যাখ্যা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে অভিনন্দন জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে মোদি জানান, এই চুক্তি অনুকূল অর্থনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছে। বিরোধী শিবিরকে একহাত নিয়ে মোদির বক্তব্য, ‘শুল্ক নিয়ে সমালোচনা চলছিল। তবে আমরা ধৈর্য ধরেছিলাম। তার ফলাফল এখন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য-সংঘাত চললেও লাভজনক অবস্থায় রয়েছে ভারত।’ সোমবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মোদি। এরপরেই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। ভারতের উপর পালটা শুল্ক ২৫ থেকে ১৮ শতাংশ কমানোর কথাও জানান তিনি। পরে এক্স হ্যান্ডলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। এদিন বাণিজ্য চুক্তির সাফল্য নিয়ে মোদিকে শুভেচ্ছা জানান এনডিএ শিবিরের শরিক দলের নেতারা। সাংসদীয় বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ন’টি বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। সাংসদের মধ্যে এবিষয়ে যথেষ্ট উচ্ছ্বাস রয়েছে। মোট ৩৯টি দেশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। এটা সত্যিই ঐতিহাসিক।’
64 shares
😊
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 11:56 AM
ভারতীয় কেন্দ্রীয় বাজেট 2026: তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া

ভারতীয় কেন্দ্রীয় বাজেট 2026: তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া

ছক ভেঙে রবিবার কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়েছে। চোখ ধাঁধানো বা চমকে দেওয়া কোনও ঘোষণা নেই। গুরুগম্ভীর কিছু ভাষণ আছে। কিন্তু কেন আছে বোঝা গেল না। ২০ বছর পরে ২০৪৭ সালে উন্নত ভারত গড়ার ২০২৬ সালের বাজেটে অনেক স্বপ্নের আলপনা আছে। কিন্তু এই মুহূর্তে মূল্যবৃদ্ধি, বেকারি, আধাবেকারি, নিম্ন মজুরি, ঋণের বোঝা, সঞ্চয় কমে যাবার যে সমস্যায় সাধারণ মানুষ জর্জরিত তার সমাধানে পদক্ষেপ গ্রহণে অর্থ মন্ত্রী নিতান্ত উদাসীন। আজ পেটে গামছা বেঁধে ভাবীকালের সুখের স্বপ্ন দেখাতে চেয়েছে বাজেট। নব্য উদার বাজার অর্থনীতির শর্ত মেনে ‘আর্থিক শৃঙ্খলার’ সাফল্য দাবি করা হয়েছে। অর্থাৎ মোট জিডিপি’র অংশ হিসাবে রাজকোষের কমানো হয়েছে। ঘাটতি কমলে সরকারকে ঋণ কম দিতে হয়। এটা নিঃসন্দেহে ভালো লক্ষ্মণ। কিন্তু আর্থিক শৃঙ্খলা এল কীভাবে?সরকারের আয় অপেক্ষা ব্যয় যত বাড়বে ততই কোষাগারীয় ঘাটতি বাড়বে এবং সেই ঘাটতি সামলাতে ঋণের বোঝা বাড়বে। ঋণ বাড়লে ভবিষ্যতে সুদ গুনতে গিয়ে আয়ের একটা অংশ খরচ হয়ে যাবে। তখন উন্নয়ন খাতে ও সামাজিক খাতে ব্যয় কমে যাবে। তাই ঘাটতি যতটা কম রাখা যায় ততটাই মঙ্গল। যেকোনও বিকাশমান অর্থনীতিতে সরকারের সাফল্য নিছক আর্থিক শৃঙ্খলা নয়, বরং ক্রমাগত আয় বাড়িয়ে যেতে হবে এবং তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খরচও বাড়াতে হবে। সরকারের রাজস্ব আয়ই যদি না বাড়ে তাহলে সেটা কিশের উন্নয়ন। এর অর্থ এই নয় যে যথেচ্ছভাবে আয় বাড়ানো হবে এবং ব্যয় করা হবে। আয় অবশ্যই বাড়ানো হবে তবে সেটা সাধারণ মানুষের উপর পরোক্ষ কর আদায় করে নয়। সমাজে যদি আয় ও সম্পদের বৈষম্য কমাতে হয় তাহলে অতি উচ্চ আয়ের উপর আয়কর বাড়াতে হবে। কর্পোরেট কর বাড়াতে হবে। চালু করতে হবে সম্পদ কর এবং উত্তরাধিকার কর। এই পথে সরকারের রাজস্ব আয় অনেক বাড়বে এবং উপরতলার অল্প মানুষের সম্পদ দ্রুত বাড়তে পারবে না।এইভাবে যে বাড়তি রাজস্ব আদায় হবে সেটা সামাজিক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির কাজে ব্যবহার করতে হবে। শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে, কোটি কোটি অসংগঠিত শ্রমজীবীদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা যাবে। কৃষকে আয় থমকে যাওয়া ও ঋণের বোঝা বৃদ্ধির সমস্যা লাঘবে ব্যবহার হতে পারে।নির্মলা সীতারামন এই পথে হাঁটেন নি। কর্পোরেট ও পুঁজিপতি নির্ভর উন্নয়ন মডেলে আসক্তি থেকে তিনি কর্পোরেট কর বৃদ্ধির বদলে আরও কমানোর চেষ্টা করেছেন। উচ্চবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্তদের কাছ থেকে আয়কর বাড়ানোর চেষ্টা করেননি। উলটে কর্পোরেটকে নানাভাবে আরও বেশি সুবিধা দিয়েছেন। বিদেশি পুঁজি টানতে অনেক ছাড় দিয়েছেন। অর্থাৎ আয় বৃদ্ধির কোনও চেষ্টা করেননি। তবে অতি উৎসাহের সঙ্গে প্রায় সব কটি সামাজিক প্রকল্পে বরাদ্দ ছেঁটেছেন। মূল্যবৃদ্ধিকে হি‍‌সাবে রাখলে যেখানে আপাত দৃষ্টিতে কিঞ্চিৎ বেড়েছে সেটাও অবান্তর হয়ে যায়। দেশে কর্মসংস্থানের সঙ্কট। বাজেটে তার হদিশ নেই। মানুষের আয় বাড়ছে না। বাজেট নীরব। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নেই বাজারে চাহিদা বাড়ছে না। অর্থমন্ত্রী দেখতে পাচ্ছেন না। পারিবারিক সঞ্চয় কমছে এবং ঋণ বাড়ছে। নির্মলা উদাসীন। দেশের কমবেশি দশ কোটি মানুষের জন্য বিস্তর ভেবেছেন। কিন্তু বাকি ১৩০ কোটি মানুষ নিয়ে তাঁর ভাববার সময়ই নেই। ওদের জন্য ভাবতে গেলে আদানি-আম্বানিরা অসন্তুষ্ট হবেন। এটাই পুঁজিবাদ। খেটে খাওয়া মানুষকে শোষণ করে বড়লোকদের তোষণ করা হয়। মোদী সরকার একাজে অতীতের যেকোনও সরকারের থেকে অনেক বেশি দক্ষ।
48 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 10:26 AM
বাজেট উদ্যোগের মাধ্যমে ভারত বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল বিনিয়োগের কেন্দ্র হয়ে ওঠার লক্ষ্য নিয়েছে

বাজেট উদ্যোগের মাধ্যমে ভারত বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল বিনিয়োগের কেন্দ্র হয়ে ওঠার লক্ষ্য নিয়েছে

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৭-২৭ ভারতের ডিজিটাল এবং তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবতনের ইঙ্গিত দিয়েছে। কেন্দ্র চাইছে আর্থিক কাঠামো পুনর্গঠনের মাধ্যমে আগামী দিনে ভারতকে আন্তর্জাতিক ডিজিটাল বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা হোক। সেই লক্ষ্যে বাজেটে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পরিকাঠামোয় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বিশেষ করে ক্লাউড পরিষেবা খাতে বিদেশি সংস্থাগুলোর বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিদেশি সংস্থাগুলি যদি ভারতে তথ্যভান্ডার (ডেটা সেন্টার) তৈরি করে এবং সেখান থেকে বিশ্বব্যাপী ক্লাউড পরিষেবা দেয়, তবে তারা ২০৪৭ সাল পর্যন্ত করছাড় উপভোগ করবে। এই করছাড় শুধুমাত্র বিদেশি গ্রাহকদের জন্য পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে ভারতে তথ্য পরিষেবা দিতে চাইলে বিদেশি সংস্থাগুলোকে অবশ্যই দেশীয় কোনও সংস্থার মাধ্যমে তা দিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ ভারতের ইন্টারনেটভিত্তিক তথ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে হাব হিসেবে গড়ে ওঠার দিকে একটি বড় ধাপ। ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামোকে আধুনিক ও শক্তিশালী করতে দেশের বাইরে থেকে লগ্নি প্রয়োজন। এর ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, সেমিকন্ডাক্টর নকশা, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং এন্টারপ্রাইজ ক্লাউডসহ বিভিন্ন আন্তঃসংযুক্ত ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ সম্ভব হবে। প্রসঙ্গত, আন্তঃসংযুক্ত ক্ষেত্র বা নেটওয়ার্ক হল এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে একাধিক সিস্টেম বা ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তথ্য আদানপ্রদান করতে পারে। আগামী দিনে ভারতে এআই ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বাজার আরও উন্মুক্ত হতে চলেছে। ফলে সেই পরিষেবা প্রতিটি ঘরে পৌছে দিতে চাই পরিকাঠামো এবং বিপুল পরিমাণ লগ্নি। কেন্দ্রের আশা, এই করছাড় বিদেশি সংস্থাগুলোর বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করবে এবং দেশে বিশাল তথ্যভান্ডার গড়ে উঠবে। এর মাধ্যমে ডিজিটাল পরিষেবা ঘরে ঘরে পৌঁছানো সহজ হবে এবং ভারতকে আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তির কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।এই উদ্যোগ ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতির মেরুদণ্ডকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
28 shares
😊
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 09:22 AM
মার্কিন বাজারে ভারতের সুবিধাঃ নতুন শুল্ক ব্যবস্থা প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে

মার্কিন বাজারে ভারতের সুবিধাঃ নতুন শুল্ক ব্যবস্থা প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে

আমেরিকায় পণ্য রফতানিতে কি এ বার আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদেরচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে ভারত? নতুন করে শুল্ক সমঝোতার পরে সেই প্রশ্নইউঁকি মারতে শুরু করেছে। ভারতের উপর শুল্ক ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনার ঘোষণা করেছেনআমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যা এশিয়ার অন্য অনেক দেশের উপর চাপানোশুল্কের তুলনায় কম। বর্তমানে আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনাম উভয় দেশেরপণ্যের উপরেই ২০ শতাংশ করে শুল্ক চাপানো রয়েছে। এই দুই দেশই বস্ত্র রফতানিতেভারতের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী। এত দিন ভারতীয় পণ্যে আমেরিকা ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েরাখার ফলে দুই দেশই কিছুটা সুবিধা পেয়েছে মার্কিন বাজারে। তবে এ বার নতুন শুল্কব্যবস্থায় ফের আমেরিকায় পুরানো বাজার ফিরে পেতে পারে ভারতীয় বস্ত্র। তবে আগামী ৯ফেব্রুয়ারি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি হতে পারে বাংলাদেশের। সে ক্ষেত্রেবাংলাদেশের উপর মার্কিন শুল্ক শেষ পর্যন্ত কত হয়, তার উপরেওপরিস্থিতি অনেকটা নির্ভর করতে পারে। এ ছাড়া বস্ত্র রফতানির বাজারে চিনও ভারতের অন্যতমপ্রতিদ্বন্দ্বী। চিনের উপরে বর্তমানে ৩৭ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে রেখেছে আমেরিকা। তারচেয়ে ভারতের জন্য শুল্ক অনেকটাই কম। ফলে সেই জায়গা থেকেও লাভবান হওয়ার সম্ভাবনারয়েছে ভারতীয় বস্ত্র শিল্পের। পাশাপাশি পাকিস্তান-সহ এশিয়ার আরও কিছু দেশ যেমনমালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া এবং তাইল্যান্ডের উপরেও মার্কিন শুল্ক রয়েছে১৯ শতাংশ। ট্রাম্পের নতুন ঘোষণায় আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে আপাতত কিছুটাসুবিধাজনক জায়গায় থাকছে ভারত। সোমবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ভারতের উপর ‘পারস্পরিক শুল্ক’ (রেসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ) ২৫ শতাংশথেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হচ্ছে। তবে ২৫ শতাংশ ‘জরিমানাশুল্ক’ থাকবে, না প্রত্যাহার করা হবে,তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট করেননি তিনি। পরে হোয়াইট হাউসের আধিকারিকসূত্রে রয়টার্স জানায়, রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতেরউপর চাপানো ২৫ শতাংশ ‘জরিমানা শুল্ক’ প্রত্যাহারকরে নিচ্ছে আমেরিকা। কারণ, এই শুল্কটি ২৫ শতাংশ ‘পারস্পরিক-শুল্ক’-এর উপরে অতিরিক্ত হিসাবে চাপানোহয়েছিল। ভারতের উপর নতুন মার্কিন শুল্কের হার প্রতিবেশী দেশগুলি এবংএশিয়ার বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় কম। কিন্তু তাতে কি আদৌ সুবিধা হবেভারতের? কারণ, ভারতের সকল প্রতিবেশী দেশ এবং এশিয়ায় কিছু প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ আমেরিকাপণ্য রফতানিতে বিশেষ ‘ছাড়’ পায়। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম অনুসারে, উন্নতদেশগুলি উন্নয়নশীল বা স্বল্পোন্নত দেশগুলির কিছু পণ্য আমদানির উপর শুল্কে ছাড়দেয়। এটিকে বলা হয় ‘জেনারালাইজ় সিস্টেম অফ প্রেফারেন্স’ (জিএসপি)। আমেরিকারবাজারে ভারতের প্রতিবেশী এবং এশিয়ার কিছু প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ এই ‘জিএসপি’-র আওতায়এমনিতেই প্রায় পাঁচ শতাংশ ছাড় পায়। অতীতে ভারতও এই ছাড় পেত। কিন্তু ২০১৯ সালেরজুনে ট্রাম্প সরকারের প্রথম মেয়াদে ভারতের থেকে এই সুবিধা প্রত্যাহার করে নেওয়াহয়।
21 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 06:34 AM
ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে আত্মবিশ্বাসী মোদী, বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে ইতিবাচক ফলাফলের কথা উল্লেখ করেছেন

ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে আত্মবিশ্বাসী মোদী, বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে ইতিবাচক ফলাফলের কথা উল্লেখ করেছেন

ধৈর্যের ফল মিলেছে! ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক হ্রাসের ঘোষণাকে এ ভাবেই বর্ণনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার এনডিএ সাংসদের সঙ্গে বৈঠকে মোদী আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান, শুল্ক নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। কিন্তু এখন সেটাই ইতিবাচক ফলাফলের দিকে এগিয়ে গিয়েছে। এনডিএ সংসদীয় দলের বৈঠকে ভাষণ দিতে গিয়ে মোদী বলেন, ‘‘এই চুক্তি একটি অনুকূল অর্থনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছে। বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য আলোচনায় সরকারের অবিচল দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটছে।’’ পরেও প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘মানুষ শুল্কের সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু আমরা ধৈর্য ধরে ছিলাম। তার ফলাফলই এখন দৃশ্যমান।’’ তাঁর মতে, বিশ্বের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটছে। তার গতিপথ ক্রমশ ভারতে দিকে ঝুঁকছে বলে দাবি করেন মোদী। তাঁর কথায়, ‘‘বিশ্ব জুড়ে যে বাণিজ্য-উত্তেজনা চলছে, তার মধ্যেও ভারত লাভজনক জায়গায় পৌঁছোচ্ছে।’’ মোদীর মতে, ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক লাভের সুযোগ রয়েছে। বাণিজ্যচুক্তির ফলে এখন দেশীয় এবং উচ্চমানের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, যা ভারতে শিল্পকে অনেকাংশে এগিয়ে দেবে। আমেরিকা এবং ভারতের বাণিজ্যচুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলেও বর্ণনা করেন মোদী। সোমবার রাতে (ভারতীয় সময়) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তির কথা ঘোষণা করেন। ভারতীয় পণ্য শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে বলে জানান তিনি। ট্রাম্পের দাবি, এই চুক্তি কার্যকর হলে ভারত ৫০০০০ কোটি ডলারেরও (৪৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি) বেশি মূল্যের জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষি, কয়লা এবং অন্যান্য অনেক পণ্য কিনবে। মোদীও তাঁর এক্স হ্যান্ডলে এই চুক্তি নিয়ে দীর্ঘ পোস্ট করেন। সেখানে ট্রাম্পকে ‘বন্ধু’ বলে উল্লেখ করে লেখেন, ‘‘ভারতে তৈরি পণ্যের উপর এখন শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে জেনে আনন্দিত। এই দারুণ ঘোষণার জন্য ১৪০ কোটি ভারতবাসীর পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অনেক ধন্যবাদ। যখন দু’টি বৃহৎ অর্থনীতি এবং বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র একসঙ্গে কাজ করে, তখন তাতে আমজনতা উপকৃত হয়। পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রচুর সুযোগ তৈরি করে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্ব বিশ্ব জুড়ে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তির জন্য তাঁর প্রচেষ্টাকে ভারত পূর্ণ সমর্থন করে।’’
56 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 05:58 AM
আয়কর দফতরের বিরুদ্ধে রিয়েলটারের প্রাক-ময়নাতদন্ত পিটিশন প্রশ্ন তুলেছে

আয়কর দফতরের বিরুদ্ধে রিয়েলটারের প্রাক-ময়নাতদন্ত পিটিশন প্রশ্ন তুলেছে

মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে আয়করদফতরের বিরুদ্ধে পিটিশন দাখিল করেছিলেন বেঙ্গালুরুর রিয়্যাল এস্টেট কর্তা সিজে রয়।তাঁর বেঙ্গালুরুর অফিসে তল্লাশি অভিযান নিয়ে আয়কর দফতরের সঙ্গে আইনি ‘লড়াই’ শুরু হয়।সূত্রের খবর, পিটিশন দাখিল করার পরেও তা তিনি তুলে নেন। কেন পিটিশন তুলে নিলেন, এই সময়ের মধ্যেকী হয়েছিল, তা নিয়ে রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে। গত ৩০ জানুয়ারি রয়ের বেঙ্গালুরুরঅফিসে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিলেন আয়কর আধিকারিকেরা। সেই তল্লাশির মাঝেই নিজেরঅফিসের কেবিনে গিয়ে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। রিয়্যাল এস্টেট কর্তার মৃত্যুর পর নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। সেই জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছেআয়কর হানার বিরুদ্ধে রয়ের করা পিটিশন এবং তার আবার তুলে নেওয়ার বিষয়টি। সূত্রের খবর, গত ১৬ ডিসেম্বররয়ের বেঙ্গালুরুর সংস্থা-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। তার পরই তিনিএই তল্লাশি অভিযানের বিরুদ্ধে কর্নাটক হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। এনডিটিভি-রপ্রতিবেদন বলছে, ওই পিটিশনে রয় দাবি করেছিলেন,এই আয়কর হানা সম্পূর্ণ বেআইনি। কারণ এইঅভিযান চালাচ্ছেন কেরলের কোচির আয়কর আধিকারিকেরা। যদিও তাঁর ব্যবসার সব কিছুইবেঙ্গালুরুকে কেন্দ্র করে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি সমনকে ব্যবহার করে একাধিকঠিকানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়,সাক্ষী হিসাবে স্থানীয় কাউকে কাজে লাগানোহচ্ছে না। এই তল্লাশির যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পিটিশন দাখিল করেন রয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৬ ডিসেম্বরপ্রাথমিক শুনানি ছিল। সেই সময় আয়কর দফতর আদালতের কাছে আরও কিছুটা সময় চেয়ে নেয়।তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের বিষয়টি খারিজ করে আদালত। কিন্তু ১৮ ডিসেম্বরপিটিশন তুলে নেন রয়। কিন্তু কেন তিনি পিটিশন তুলে নিচ্ছেন, সেই কারণসম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানাননি। সিট তদন্ত শুরু করতেই মানসিক চাপের মধ্যে পড়ে যানরয়। কিন্তু কেন তিনি পিটিশন তুলে নিয়েছিলেন,সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে।
77 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 2, 2026, 03:53 PM
ভারতের 2026 সালের বাজেটঃ কর্তব্য ও উদ্বেগের কথা প্রকাশিত

ভারতের 2026 সালের বাজেটঃ কর্তব্য ও উদ্বেগের কথা প্রকাশিত

ঈশিতা মুখার্জি২০২৬ সালের বাজেট পেশ করার সময়ে তাঁর এক ঘণ্টা অতিক্রান্ত বক্তৃতায় অর্থ মন্ত্রী কয়েকটি “কর্তব্য” পালনের কথা বলেছেন। সেই কর্তব্যগুলি একটি একটি করে দেখলে বোঝা যায় এই কর্তব্যগুলি ঠিক কি দিক নির্দেশ করছে আমাদের দেশের অর্থনীতিতে। অর্থ মন্ত্রী যাকে কর্তব্য বলে মনে করেন, নিশ্চয়ই তা দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ, অন্তত দেশের সরকার সেই ক্ষেত্রগুলি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। বাজেট পেশের ঠিক আগেই পেশ হয়েছে আর্থিক সমীক্ষা। সেই আর্থিক সমীক্ষায়ও দেশের কয়েকটি উদ্বেগের বিষয়ের কথা আছে। খটকা এখানেই লাগে যখন এই দুটি দলিলের উদ্বেগের বিষয়ের মধ্যে মিল থাকে না। আর্থিক সমীক্ষায় বলা রয়েছে যে দেশের মোট উৎপাদনে শিল্প কারখানার উৎপাদন ১৭-১৮%, প্রায় একই জায়গায় রয়েছে। যে কোনও উন্নত অর্থনীতির পক্ষে এই অবস্থা খুব সন্তোষজনক নয়। এ ছাড়াও প্রাক-বাজেট অর্থনীতির খতিয়ান আমাদের দেখিয়েছে যে দেশে মোট বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়নি। গত বাজেটে কর্পোরেটকে কর ছাড় দিয়েও দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে সক্ষম হয়নি দেশের সরকার। এই পরিপ্রেক্ষিতে বাজেটে কর্তব্য পালনের কথা বলেন অর্থ মন্ত্রী।প্রথম তিনি বলেন দেশের বৃদ্ধির হার বাড়াতে হবে। দেশে রাজস্ব আয়ের মধ্যে কর বাবদ আয়ের ক্ষেত্রে কর্পোরেট করের থেকে আয়করের সংগ্রহ অনেক বেশি। দেশের সাধারণ মানুষ যে পরিমাণ কর দিয়ে থাকেন, কোটিপতি কর্পোরেট তার থেকে কম কর দিয়ে থাকেন। কেন এই ব্যবস্থা? তার কারণ সরকার আশা করে যে এই কর ছাড় তাঁদের আরও বিনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করবে। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই বিনিয়োগ বাড়েনি। এই প্রবণতা চলে আসছে বেশ কয়েক বছর ধরে। এই বছরের পেশ করা বাজেটে রাজস্ব সংগ্রহ সম্পর্কে কি বলা আছে? গত বছরের কর্পোরেট করের সংগ্রহ হয়েছিল ১১ লক্ষ কোটি টাকা আর আয় কর থেকে সংগ্রহ হয়েছিল ১৩.১ কোটি টাকা। এ বছরও পরিকল্পনায় তার ব্যতিক্রম নেই। কর্পোরেট কর ধার্য করা হয়েছে ১২.৩ কোটি টাকা, আর আয়কর ধার্য করা হয়েছে ১৪.৬ কোটি টাকা। জিডিপি’র অংশে করের সগ্রহ ১২%, যা সর্বোচ্চ। কিন্তু এই করের বেশির ভাগ দিয়ে চলেছেন দেশের সাধারণ মানুষ প্রত্যক্ষ এবং জিএসটি সহ পরোক্ষ করের মাধ্যমে। অর্থাৎ মুনাফাকে ছাড় দিয়ে রোজগার থেকে রাজস্ব আয় বেশি। কোথায় কর্তব্য পালন করলেন অর্থ মন্ত্রী? যারা এই সরকারকে নির্বাচনী বন্ড দিয়ে ক্ষমতায় রাখতে সাহায্য করেছে, তাঁদের প্রতি কর্তব্যই পালন করলেন অর্থ মন্ত্রী।দ্বিতীয় কর্তব্যের যে কথা তিনি বলেন তা হলো মানুষের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাতে দেশের বৃদ্ধির অংশীদার তাঁরা হতে পারেন। এর জন্য এই বাজেট কি করল? দেশে বহুদিন ধরেই কৃষক আন্দোলন চাষের খরচ কমানোর কথা বলেছিল। দেনার ভারে জর্জরিত কৃষক আত্মহত্যার কথা আমরা সকলে জানি। সেখানে সার এবং চাষের পরিকাঠামোয় বাজেট বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হলো। বহুল বিজ্ঞাপিত প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় বরাদ্দ ছিল ১২২৪২.২৭ কোটি টাকা, তা এই বছর কমিয়ে দিয়ে করা হলো ১২২০০.০০ কোটি টাকা। এ ছাড়াও গত বাজেটে ডাল, সবজি, ফল, শঙ্কর বীজ, মাখানা ইত্যাদি নানা প্রকল্প ঘোষণা করেছিল সরকার। সেই প্রকল্পগুলি একেবারেই শূন্য বরাদ্দ করেছে সরকার।কৃষি পরিকাঠামো এবং উন্নয়ন ফান্ডে এ বছর কোনও বরাদ্দ হয়নি। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনায় বরাদ্দ ২০,৩০০ কোটি টাকা থেকে সামান্য বেড়ে হয়েছে ২২,৭৪২৯ কোটি টাকা। সংখ্যাগুলি এই কারণেই উল্লেখ করা প্রয়োজন কারণ বরাদ্দ যৎসামান্য বাড়লেও যদি আর্থিক সমীক্ষায় ঘোষিত মুদ্রাস্ফীতির হার ১.৮% ধরি তাহলে আসল বরাদ্দ অনেকটাই কমে যায়। এই প্রকল্পগুলির উল্লেখ করা হলো কারণ এগুলি বারেবারে সরকারি বিজ্ঞাপনে ফলাও করে বলা হয়। অর্থ মন্ত্রীর ভাষণে শ্রমিকদের কথা একবারও উল্লেখ করা নেই। তাই বাধ্য হয়ে শ্রম দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ দেখতে হয়। শ্রম এবং কর্মসংস্থান দপ্তরে গত বাজেটে বরাদ্দ ছিল ৩২৬০৬.৯২ কোটি টাকা। কিন্তু আসলে ব্যয় হয়েছে ১২৬৫৯.৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ শ্রমজীবী মানুষদের দেশের বৃদ্ধির হারের অংশীদার করা হয়নি। এই বাজেটে এই দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ টাকার অঙ্কে প্রায় একই জায়গায় দাঁড়িয়ে হয়েছে ৩২৬২৫.৩৩ কোটি টাকা। এইভাবেই বাজেট বরাদ্দগুলি আগের বাজেটের অঙ্কেই প্রায় থমকে রয়েছে বা কমে গেছে। বাড়েনি আশা, অঙ্গনওয়াড়ি, মিড ডে মিলের মতো প্রকল্পেও। তাহলে শ্রমিক কৃষকদের প্রতিও সরকার কর্তব্য পালন করল না।তৃতীয় কর্তব্য ছিল সবকা সাথ সবকা বিকাশ। সবকার অর্থ কী তা গোটা বাজেটে খুব স্পষ্ট করে দিয়েছেন অর্থ মন্ত্রী। তিনি তথ্য সংগ্রহের উপর খুব জোর দিয়েছেন এবং এই বিষয়ে এআই ব্যবহারকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন। তথ্য সংগ্রহের কথা বারে বারে এসেছে তাঁর বক্তৃতায়। এই তথ্য সংগ্রহ কাদের স্বার্থে? নিঃসন্দেহে বাজারের স্বার্থে। মৎস্যজীবী মহিলাদের বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার কথা তিনি বলেছেন- এরকম অজস্র উদাহরণ রয়েছে যেখানে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে দেশের মানুষের পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য জেনে তা বেসরকারি বাজারের কাছে তাদের স্বার্থে ব্যবহার করা হবে। দেশের রেশন ব্যবস্থা জোরদার করতে কেন তথ্য ব্যবহার করা হবে না, তার কোনও সদুত্তর নেই। রেশন ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য বাজেট বরাদ্দ নেই। গণবণ্টন ব্যবস্থার কোনও সংস্থান বৃদ্ধির কোনও সম্ভাবনা নেই এই বাজেটে যদিও বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে দেশ পিছিয়ে যাচ্ছে। কাদের প্রতি কর্তব্য পালন করছে এই সরকার?শিল্পে যে ক্ষেত্রগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হলো তা হলো বায়োফার্মা, সেমিকন্ডাক্টর ইত্যাদি এমন কিছু ক্ষেত্র, যা ইতিমধ্যেই গুটিকয়েক কর্পোরেটের দখলে রয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলি কোনোভাবেই শিল্প কারখানার উৎপাদনের মৌলিক ক্ষেত্র নয়। ঠিক সেইরকম আমরা দেখলাম কৃষিতে গুরুত্ব দেওয়া হলো নারকেল, বাদাম, চন্দনকাঠ এইরকম কয়েকটি উৎপাদনে। এগুলিও কোনোভাবেই কৃষির মুল উৎপাদনের মধ্যে পড়ে না। তাই এই বাজেটের পরিধি ক্ষুদ্র। দেশের উৎপাদনের মৌলিক ক্ষেত্রগুলি বাদ দিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কয়েকটি ক্ষেত্রকে বাছাই করে ব্যয় বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বাজেটে তাই দেশের বেশির ভাগ মানুষের কোনও কথাই নেই।বাজেটে অধিকাংশ ব্যয় বরাদ্দ হয় গত বছরের জায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছে, নয়ত বরাদ্দ কমে গেছে। ১.৮% মুদ্রাস্ফীতি ধরলে বরাদ্দ কমে গেছে। তাই এই বাজেট সঙ্কীর্ণ বাজেট। দেশের বেশির ভাগ মানুষকে বাদ দিয়ে এই বাজেট লেখা হয়েছে। তফসিলি জাতি ও উপজাতি বাজেট বরাদ্দ কমেছে। মহিলাদের জন্য বাজেট বরাদ্দ কমে গেছে। যে সব প্রকল্প শুধুমাত্র মহিলাদের তাতে বরাদ্দ গত বছরের চেয়ে কমে গেছে। জেন্ডার বাজেট যা নির্দিষ্ট করে মহিলাদের জন্য বরাদ্দ তা মোট জিডিপি’র ১.৬% থেকে ১.৩% এ নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিশু ও মহিলাদের মন্ত্রকের বরাদ্দ মোট বাজেট বরাদ্দের ০.০৫% এ নেমেছে। মহিলাদের প্রতি নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গেলেও বেটি পড়াও বেটি বাঁচাও সহ নারী আদালত, নির্ভয়া ফান্ড ইত্যাদিতে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইরকম ভাবে শিক্ষার বাজেটে প্রায় মন্ত্রক চালানো ছাড়া আর বিশেষ বরাদ্দ নেই।সমস্ত ব্যয় বরাদ্দ কমিয়ে দিয়ে বাজেটকেই প্রায় অর্থহীন করে দিলেন অর্থ মন্ত্রী। প্রতি মন্ত্রকে, প্রতি প্রকল্পেই প্রকৃত বরাদ্দ কমে গেছে। এমনিতেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে রাজ্য সরকারগুলিকে কেন্দ্রীয় সরকার বরাদ্দ অর্থ প্রদান করে না। এর উপর বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাজেটের খতিয়ানে কয়েকটি প্রকল্প বাবদ অর্থ বরাদ্দ কিছুটা বাড়লেও দেখা যাচ্ছে তা গত বছরের না দেওয়া বরাদ্দ। অর্থাৎ আদৌ এই বছর বরাদ্দ বাড়েনি। এটি শুধুই এক অঙ্কের হিসাব। এই বাজেট দেশের মানুষের স্বার্থ দেখবে কি করে? এই বাজেট তো মুনাফা রক্ষা বেসরকারি সংস্থা ও কর্পোরেটের মুনাফা বৃদ্ধির স্বার্থে তৈরি এক বাজেট। ঠিক সেই কারণেই কর্পোরেটের হাতের পুতুল এই সরকার নির্বাচনের আগেও মনোমোহিনী বাজেট করতে পারল না। এমনকি সাধারণ বিনিয়োগকারীকেও উৎসাহ দান করতে পারল না। তাই সেনসেক্সের পতন ঘটল। এই সরকার কিভাবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা অর্থাৎ গদিতে থাকবে তা নিয়েই সবচেয়ে বেশি চিন্তিত। তাই ট্রাম্পের হুমকি থেকে দেশকে কিভাবে বাঁচাবে, সে নিয়েও বাজেটে কোনও দিক নির্দেশ নেই। এই বাজেট দিশাহীন নয়, নির্দিষ্ট দিশা রয়েছে। তা হলো মুনাফা বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রীয় ব্যয় বরাদ্দ যতটা সম্ভব কমিয়ে দিয়ে সরকারি দায় ঝেড়ে ফেলা। এই সরকার কি আদৌ দেশের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ? বাজেট ২০২৬ কিন্তু এর বিপরীত কথাই বলছে।
83 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 2, 2026, 11:38 AM
ডলারের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ইউয়ানকে বিশ্ব মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য চীনের

ডলারের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ইউয়ানকে বিশ্ব মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য চীনের

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:বিশ্ব বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে মার্কিন ডলারের (US Dollar) একচ্ছত্র আধিপত্য শেষ করতে এবার কোমর বেঁধে নামলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। চিনা মুদ্রা ‘ইউয়ান’কে (Yuan) বৈশ্বিক মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ডাক দিলেন তিনি। সম্প্রতি জিনপিং স্পষ্ট জানিয়েছেন, চিনকে (China) একটি ‘আর্থিক শক্তিকেন্দ্র’ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে ইউয়ান-কে বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমানে আমেরিকার পর চিন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। তা সত্ত্বেও জিনপিংয়ের মতে, ব্যাংকিং সম্পদ ও বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারে চিন ‘বিশাল’ হলেও প্রকৃত অর্থে এখনও ‘শক্তিশালী’ নয়। এই খামতি মেটাতেই গত এক বছরে চিনের মোট ৬.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ স্থানীয় মুদ্রায় সম্পন্ন হয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের লেনদেনেও ইউয়ানের ব্যবহার বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। ডলারের বিকল্প হিসেবে চিন ও রাশিয়া যৌথভাবে ‘সিআইপিএস’ (CIPS) ব্যবস্থার প্রচার চালাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক ‘সুইফট’-এর (SWIFT) প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হচ্ছে। এছাড়া প্রায় ৫০টি দেশের সঙ্গে মুদ্রা বিনিময় চুক্তি করেছে বেজিং। ব্রিকস (BRICS) গোষ্ঠীর মধ্যেও একটি সাধারণ মুদ্রা চালুর ভাবনা রয়েছে, যা নিয়ে আগামীতে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনেও আলোচনার সম্ভাবনা প্রবল। তবে এই পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন হুঁশিয়ারি। ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ব্রিকস দেশগুলি ডলারকে চ্যালেঞ্জ জানালে চড়া শুল্কের মুখে পড়তে হবে। তা সত্ত্বেও জিনপিং তাঁর ‘চিনা বৈশিষ্ট্যের আর্থিক উন্নয়ন’ মডেলে অনড়। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং শক্তিশালী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর ভিত্তি করে ইউয়ান-কে ডলারের সমকক্ষ করে তোলাই এখন বেজিংয়ের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য।
39 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 11:17 AM
এআই বিনিয়োগের মধ্যে হাজার হাজার মানুষকে ছাঁটাই করতে চলেছে ওরাকল

এআই বিনিয়োগের মধ্যে হাজার হাজার মানুষকে ছাঁটাই করতে চলেছে ওরাকল

অ্যামাজ়নের পর ওরাকল। ই-কমার্স সাইটের পাশাপাশি এ বার বিপুল কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে এই মার্কিন টেক জায়ান্ট। সূত্রের খবর, অচিরেই সেখানে কাজ হারাবেন অন্তত ৩০ হাজার জন। বর্তমানে কৃত্রিম মেধা বা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) প্রযুক্তির জন্য তথ্যভান্ডার (ডেটা সেন্টার) নির্মাণে বিপুল লগ্নি করেছে ওরাকল। সেই কারণেই কি কর্মী সঙ্কোচন করতে চলেছে ওই মার্কিন টেক জায়ান্ট? তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা। সম্প্রতি, ওরাকলের ব্যাপারে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে বিনিয়োগকারী ব্যাঙ্ক টিডি কাওয়েন। সেখানেই মার্কিন টেক জায়ান্টটি তথ্যভান্ডার সম্প্রসারণে বিপুল খরচ করতে চলেছে বলে খবর প্রকাশ্যে আসে। যদিও ওই রিপোর্টে ওরাকলের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে ওই বিনিয়োগকারী ব্যাঙ্ক। টিডি কাওয়েনের দাবি, এই সিদ্ধান্ত টেক জায়ান্টটির গ্রাহক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে। উল্লেখ্য, গত বছর (২০২৫ সাল) স্যাম অল্টম্যানের কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তি ওপেনএআইয়ের জন্য তথ্যভান্ডার তৈরির প্রকল্পে যুক্ত হয় ওরাকল। এর জন্য টিডি কাওয়েনের থেকে ১৫ হাজার ৬০০ কোটি ডলার নিয়েছিল তারা। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে তথ্যভান্ডার সম্প্রসারণ প্রকল্পে মার্কিন টেক জায়ান্টটিকে ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে আমেরিকার একাধিক ব্যাঙ্ক। ফলে ওরাকলের আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়ার ষোলো আনা আশঙ্কা রয়েছে। টিডি কাওয়েনের রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই কারণেই বিপুল কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওই টেক জায়ান্ট। এতে ৮০০ থেকে ১,০০০ কোটি ডলারের প্রবাহ তাদের কোষাগারে বহাল থাকবে বলে মনে করছে ওই বিনিয়োগকারী ব্যাঙ্ক। তবে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত কর্মী ছাঁটাইয়ের ব্যাপারে প্রকাশ্যে মুখে রা কাটেননি ওরাকল কর্তৃপক্ষ। বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, তথ্যভান্ডার সম্প্রসারণের যে কাজ মার্কিন টেক জায়ান্টটি হাতে নিয়েছে, তাতে আরও টাকা ধার করতে হতে পারে তাদের। বর্তমানে সেটাই জোগাড় করার চেষ্টা করছে তারা। পাশাপাশি, কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তির জন্য কিছু তথ্যভান্ডার লিজ়ে নিয়েছিল ওরাকল। সেগুলির ব্যবহারও আপাতত বন্ধ রেখেছে সংশ্লিষ্ট মার্কিন টেক জায়ান্ট। ২০১৫ সালের শেষের দিকে এক ধাক্কায় ১০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করে ওরাকল। এতে ১৬০ কোটি ডলার বাঁচাতে সক্ষম হয়েছিল তারা। ১১ বছরের মাথায় মার্কিন টেক জায়ান্টটি যে আরও বড় ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। এ বছরের জানুয়ারিতে প্রায় ১৬ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করে অ্যামাজ়ন। ই-কমার্স সংস্থাটির ওই পদক্ষেপের নেপথ্যেও ছিল কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি।
7 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 2, 2026, 06:34 AM
এআই ডেটা সেন্টার প্রকল্পের জন্য তহবিল সংকটের মধ্যে ওরাকল ব্যাপক ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করেছে

এআই ডেটা সেন্টার প্রকল্পের জন্য তহবিল সংকটের মধ্যে ওরাকল ব্যাপক ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করেছে

বিশ্বের অন্যতম বড় টেক সংস্থা ওরাকল (Oracle) প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করছে। সংস্থার AI ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের জন্য অর্থ জোগাড় করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।CIO–র রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্ক TD Cowen-এর গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ওরাকল প্রায় ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করতে পারে। একই সঙ্গে কিছু ব্যবসায়িক কার্যক্রম বিক্রি করার দিকেও এগোচ্ছে সংস্থাটি। কারণ মার্কিন ব্যাঙ্কগুলি ওরাকলের AI ডেটা সেন্টার প্রকল্পে অর্থায়ন থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে।TD Cowen জানিয়েছে, ‘ইক্যুইটি এবং ডেট– দুই ধরনের বিনিয়োগকারীরাই ওরাকলের এই বিশাল প্রকল্পের অর্থ জোগাড়ের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।’ এর প্রভাব ইতিমধ্যেই গ্রাহক সম্পর্কেও পড়তে শুরু করেছে।এর আগে ওরাকল Sam Altman-এর OpenAI-এর জন্য ডেটা সেন্টার তৈরির বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। TD Cowen-এর মতে, এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১৫৬ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে একাধিক মার্কিন ব্যাঙ্ক ওরাকলকে ঋণ দিতে পিছিয়ে এসেছে। ফলে ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা বাধার মুখে পড়েছে।এই ছাঁটাই কার্যকর হলে, তা ওরাকলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কর্মী সংকোচন হতে পারে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে সংস্থাটি আগেই প্রায় ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছিল, যা ছিল ১.৬ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন পরিকল্পনার অংশ।উল্লেখ্য, ওরাকলের এই খবর এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন কিছুদিন আগেই অ্যামাজ়ন AI পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে প্রায় ১৬ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা করেছে। এতে স্পষ্ট, AI বিনিয়োগের চাপ বিশ্বজুড়ে বড় টেক সংস্থাগুলোর কর্মসংস্থানের উপর বড় প্রভাব ফেলছে।
61 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 04:44 AM
কেন্দ্রীয় বাজেটের সমর্থনের অভাবে হতাশ আসানসোল-রানিগঞ্জ শিল্প অঞ্চল

কেন্দ্রীয় বাজেটের সমর্থনের অভাবে হতাশ আসানসোল-রানিগঞ্জ শিল্প অঞ্চল

কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট শিল্প ক্ষেত্রের জন্য আশানুরূপ কিছু নিয়ে এল না, মনে করছেন আসানসোল-রানিগঞ্জ শিল্পাঞ্চলের বণিক মহল থেকে শ্রমিক সংগঠনগুলি। তাঁরা জানান, এ রাজ্যে এ বছরেই বিধানসভা নির্বাচন থাকায়, রাজ্যের জন্য বিশেষ কোনও বার্তা থাকবে বলে তাঁরা আশা করেছিলেন। আদতে তেমন কিছু মিলল না কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের কাছ থেকে।
3 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 03:20 AM
দানকুনি থেকে সুরাট পর্যন্ত নতুন মালবাহী করিডরের ঘোষণা, পুরোনো পরিকল্পনা এখনও অসম্পূর্ণ

দানকুনি থেকে সুরাট পর্যন্ত নতুন মালবাহী করিডরের ঘোষণা, পুরোনো পরিকল্পনা এখনও অসম্পূর্ণ

দেড় দশক আগে ঘোষিত হয়েছিল ডানকুনি থেকে পঞ্জাবের লুধিয়ানা পর্য়ন্ত ফ্রেট করিডর। সেই প্রকল্প বাস্তবায়িত হওয়া এখনও অনেক দূর। তার মধ্যেই রবিবার কেন্দ্রীয় বাজেটে এই জেলা থেকে আরও এক ফ্রেট করিডরের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। প্রস্তাবিত নতুন ফ্রেট করিডর হবে ডানকুনি থেকে গুজরাতের সুরাত পর্যন্ত।
83 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 02:18 AM
অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেঃ একজন বিজেপি-পন্থী অর্থনীতিবিদের দৃষ্টিভঙ্গি

অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেঃ একজন বিজেপি-পন্থী অর্থনীতিবিদের দৃষ্টিভঙ্গি

বাজেট-বক্তৃতা শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ফোন করলেন বিজেপি-পন্থী এক খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ। বললেন, অতি চমৎকার বাজেট। কেন, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা শোনার পর জানতে চাইলাম, কর্মসংস্থানের ব্যাপারটা কী হল তবে? বললেন, আর্থিক উদারীকরণের পর বামপন্থীরা অভিযোগ করতেন, জবলেস গ্রোথ হচ্ছে। তার পর, ইউপিএ-র আমলে কর্মসংস্থান যোজনা-টোজনার মাধ্যমে আরম্ভ হল গ্রোথলেস জব। এত দিনে একটা দিশা পাওয়া গিয়েছে, যেখানে আর্থিক বৃদ্ধিই কর্মসংস্থানকে টেনে নিয়ে চলবে। আর্থিক সংস্কার হচ্ছে, পরিকাঠামোর দিকে সরকার নজর দিচ্ছে— শিল্প আসবে, বিনিয়োগ হবে, নিজে থেকেই তৈরি হবে অনেক কাজ। তার জন্য আর আলাদা প্রকল্প লাগবে না।
49 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 01:59 AM
ভারতের বাজেটে যুব-নেতৃত্বাধীন সংস্কার এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

ভারতের বাজেটে যুব-নেতৃত্বাধীন সংস্কার এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

বক্তৃতার একেবারে গোড়াতেই নির্মলা সীতারামন জানিয়ে দিলেন, এ বছরের বাজেটের দিক নির্ধারণ করেছে ‘যুবশক্তি’। অর্থাৎ, যুবকদের জন্য যা ভাল, এই বাজেট সে পথেই হাঁটবে। তার অন্যতম স্তম্ভ আর্থিক সংস্কার। সীতারামন জানালেন, গত বছর সরকার সাড়ে তিনশোরও বেশি সংস্কারমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। তাঁর এই বাজেটে অবশ্য বড় মাপের কোনও সংস্কার-প্রস্তাব নেই। থাকার কারণও নেই— সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, বাজেটে ঘোষণা করার বস্তু নয়। সত্য বলতে, অতীতের তুলনায় বর্তমান বছরের বাজেটটি বহুলাংশে ‘ঘোষণা’র বোঝা থেকে মুক্ত। বাজেটের অভিমুখ স্পষ্ট করেছেন অর্থমন্ত্রী— এক দিকে আর্থিক সংস্কার, বাহ্যিক ও অর্থনৈতিক পরিকাঠামো নির্মাণ; অন্য দিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল দোলাচলকে সামাল দিতে অভ্যন্তরীণ অর্থব্যবস্থার দিকে জোর দেওয়া। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের কথা ভাবলে এই নীতির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন নেই। একটি কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য: গত বাজেটে অর্থমন্ত্রী বিহারের ঝুলি ভরে দিয়েছিলেন, সম্ভবত সে রাজ্যের নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই; এ দফায় কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ শূন্য। বারাণসী থেকে শিলিগুড়ি অবধি একটি ট্রেন লাইন, ডানকুনি থেকে একটি পণ্য করিডর— এর বাইরে পশ্চিমবঙ্গের আলাদা কিছু জোটেনি। কেন, তার পৃথক রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সম্ভব, কিন্তু বাজেটের এই অবস্থানটি তার সার্বিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ— আর্থিক উন্নতির পরিকাঠামো তৈরি করতে পারলে উন্নতি নিজে থেকেই হবে, তার জন্য আলাদা ভাবে টাকা ধরে দিতে হবে না। তবে, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এসেই কেন এই সার্বিক নীতিটি এমন প্রবল হয়ে উঠল, সে প্রশ্ন পৃথক। সে উত্তরও অবশ্যই খুঁজতে হবে।
57 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 2, 2026, 01:21 AM
বাজেট সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হওয়ায় চা শিল্প হতাশ

বাজেট সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হওয়ায় চা শিল্প হতাশ

অনিমেষ দত্ত ও পিনাকী চক্রবর্তীবাজেটে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির মেরুদন্ড চা শিল্পের জন্য একটিও শব্দ খরচ করেননি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। আর এতেই হতাশ চা শিল্প মহল। রবিবার টানা নবম বারের জন্য বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। অন্য শিল্পের পাশাপাশি রাজ্যের চা বলয়ও এ দিনের বাজেটের দিকে তাকিয়েছিল। আশা ছিল, ধুঁকতে থাকা চা শিল্পের জন্য কোনও বিশেষ প্যাকেজ, ভর্তুকি, কর ছাড়ের ঘোষণা আসবে। কিন্তু সব আশায় জল ঢেলে চায়ের ভাঁড়ারে প্রাপ্তি শূন্যই।উত্তরবঙ্গে বর্তমানে ৩৩৪টি চালু চা বাগান রয়েছে, যেখানে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ শ্রমিক কর্মরত। বছরে প্রায় ৩০ কোটি কিলো চা উৎপাদিত হয়। চা শিল্পপতিরা আশা করেছিলেন, চায়ের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ, কর মকুব, রপ্তানিতে ভর্তুকি ও নেপাল থেকে অবৈধ ভাবে আমদানিকৃত চায়ের উপরে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। কিন্তু বাজেটে সে সবের কোনও উল্লেখই না-থাকায় আশাহত চা শিল্পপতিরা। ক্ষুদ্র চা চাষিদের সর্বভারতীয় সংগঠন 'সিস্টা'-র সভাপতি বিজয়গোপাল চক্রবর্তী বলেন, 'উত্তরবঙ্গের প্রায় ৫০,০০০ ক্ষুদ্র চাষিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। গত দু'বছর ধরে চা শিল্প ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন। সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সঙ্কট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। বাজেটে ক্ষুদ্র চা চাষিদের জন্য কোনও সহায়তা দেওয়া হয়নি।'বাজেটের আগে সিস্টা-র তরফে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকে 'মেমোরান্ডাম' দিয়ে গুচ্ছ প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ছিল ক্ষুদ্র চা চাষিদের 'কৃষক' হিসেবে মর্যাদা দেওয়া। বর্তমানে গোটা দেশে মোট যত পরিমাণ চা উৎপাদিত হয়, তার মধ্যে ৫০-৫৫ শতাংশই আসে ক্ষুদ্র চা বাগান থেকে। বিজয়গোপালের মতে, ক্ষুদ্র চা চাষিদের 'কৃষক' হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হলে ক্ষুদ্র চা চাষিরা কৃষিজীবীদের জন্য কেন্দ্রের যে ১৮টি প্রকল্প রয়েছে, তার সুযোগ-সুবিধা পেতেন। এ ছাড়াও জগদ্বিখ্যাত দার্জিলিং চায়ের জন্য বিশেষ কোনও প্যাকেজের ব্যবস্থা করা যায় কি না, সেই প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু বাজেটে সে সবের কোনও উল্লেখ না-থাকায় হতাশা সর্বত্র।বিষয়টিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চা শ্রমিক সংগঠনগুলিও। তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের (টিসিবিএসইউ) চেয়ারম্যান নকুল সোনার বলেন, 'পূর্বের বেশ কয়েকটি প্রতিশ্রুতি অপূর্ণ রয়ে গিয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের স্টাইপেন্ড বন্ধ হয়ে গিয়েছে। জলপাইগুড়িতে কেন্দ্রীয় ভাবে অধিগ্রহণ করা চারটি চা বাগানের শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে মজুরি এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডের বকেয়া পাননি।' উত্তরের চা বলয়ের প্রবীণ নেতা জিয়াউল আলম এই বাজেটকে 'বোগাস' বলে মন্তব্য করে বলেন, '২০১৪-তে ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিজেপি সরকার চা শিল্প এবং শ্রমিকদের জন্য কিছুই করেনি। এ বারের বাজেটেও তারই প্রতিফলন পাওয়া গিয়েছে।'সম্প্রতি উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের এমপ্লয়িজ স্টেট ইনশিওরেন্স কর্পোরেশন (ইএসআইসি)-এর আওতায় আনার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। চা শ্রমিকরা এর আওতায় এলে ইএসআই হাসপাতাল কিংবা রেফারেল নার্সিংহোমগুলি থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। আজ, সোমবার চা বণিকসভাগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক ডেকেছে রাজ্যের শ্রম দপ্তর। ঠিক তার আগের দিন কেন্দ্রীয় বাজেটে চা শ্রমিকদের কোনও প্রাপ্তি না-হওয়ার বিষয়টি সামনে রেখে বিজেপিকে খোঁচা দিয়েছে তৃণমূল। দলের রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিকবরাইক বলেন, 'চা শ্রমিকরা রাজনৈতিক ভাবে এর জবাব দেবেন। কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার চা শিল্পকে ঘোর অনিশ্চয়তার সামনে দাঁড় করিয়েছে।' পাল্টা আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিপ্পা বলেন, 'বাজেটে চা শিল্প নিয়ে কোনও কথা না-বলা হলেও, বঞ্চনার অভিযোগ ঠিক নয়। আসলে তৃণমূল মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।'
79 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 1, 2026, 03:42 PM
2026-27-এর জন্য ভারতের আর্থিক ঘাটতি এবং ঋণের অনুমানঃ মূল পরিসংখ্যান

2026-27-এর জন্য ভারতের আর্থিক ঘাটতি এবং ঋণের অনুমানঃ মূল পরিসংখ্যান

২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে কোষাগারীয় ঘাটতি মোট জাতীয় উৎপাদন বা জিডিপি’র ৪.৩% হবে বলে অনুমান করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেটে।বাজেট অনুমান অনুযায়ী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৫৫.৬ শতাংশ দাঁড়াবে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে এই অনুপাত ৫৬.১ শতাংশ। যার অর্থ মোট জাতীয় উৎপাদনের অর্ধের বেশি ঋণ।ঋণ বাদে সরকারি আদায় ৩৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা ২৬-২৭।মোট ব্যয় ৫৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা হবে বলে অনুমান করা হয়েছে বাজেটে। গত বাজেটে ৫০.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য জানানো হয়েছিল। গতবারের বাজেট অনুমানের তুলনায় সরকারি ব্যয়ের অনুমান আগামী অর্থবর্ষে ৫ শতাংশের কম।সরকারের নিট কর বাবদ আদায় ২৬-২৭ অর্থবর্ষে ২৮.৭ লক্ষ কোটি টাকা হবে বলে বাজেটে অনুমান করা হয়েছে।
72 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 1, 2026, 03:37 PM
ভারত সরকারের বাজেট অনুমানঃ ক্ষেত্রগত ব্যয়ের একটি বিভাজন

ভারত সরকারের বাজেট অনুমানঃ ক্ষেত্রগত ব্যয়ের একটি বিভাজন

বলেছেন খরচ করবেন কিন্তু করছেন না। নরেন্দ্র মোদীর সরকারের সেই রীতি স্পষ্ট বাজেটের নথিতে। সারের ক্ষেত্রে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৪৬০ কোটি খরচ হবে বলে অনুমান করেন সীতারামন, অথচ ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য বরাদ্দ করেছেন ১লক্ষ ৭০ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা এই তুলনায় বরাদ্দ কমেছে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা।খাদ্যে চলতি অর্থবর্ষে ২ লক্ষ ২৮ হাজার ১৫৪ কোটি টাকা খরচ হবে বলে অনুমান করা হয়েছে বাজেটে অথচ বরাদ্দ প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ২ লক্ষ ২৭ হাজার ৬২৯ কোটিতে বেধে রেখেছে সীতারামন।পেট্রোলিয়ামে ১৫ হাজার ১২১ কোটি টাকা খরচ হলেও বরাদ্দ ১২ হাজার ৮৫ কোটি টাকা।কৃষি এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে গতবার বরাদ্দ করেছিলেন ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। কিন্তু খরচ করে উঠতে পারেননি। খরচ দেখানো হয়েছে ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা। আগামী অর্থবর্ষের বরাদ্দ ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা। কিন্তু আদও কতটা খরচ হবে উঠছে সেই প্রশ্ন।শিক্ষা ক্ষেত্রে ২০২৪-২৫ অর্তবর্ষে খরচ হয়েছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ সালে বাজেট বরাদ্দ ছিল ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। কিন্তু ১ লক্ষ ২১ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা খরচ হবে বলে অনুমান। স্কুলে শিক্ষক নেই, স্কুল উঠে যাচ্ছে কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা নেই অথচ দেশের সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে বরাদ্দেরও ৯ হাজার কোটি টাকা কম খরচ করছে। আগামী অর্থবর্ষে শিক্ষা ক্ষেত্রে বরাদ্দ করেছেন ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা।স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সেই ছবি দেখা যাচ্ছে। গত বাজেটে বরাদ্দ হয়েছিল ৯৮ হাজার ৩১১ কোটি টাকা। অথচ খরচ আটকে গিয়েছে ৯৪ হাজার ৬২৫ কোটি টাকায়। এমনিতেই বরাদ্দ অত্যন্ত কম। কিন্তু তারও চার হাজার কোটি টাকা খরচই করা হয়নি। এবার বাজেটে বরাদ্দ হয়েছে ১ লক্ষ ৪ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা।গ্রামোন্নয়নের ক্ষেত্রে আগের অধিবেশনেই ১০০ দিনের কাজ বাতিল করে বিকত শিত ভারত জি রাম জি আইন পাশ করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এমনিতেই কাজ চাইলে সরকার আগের আইনের মতো দিতে বাধ্য থাকছে না। মোবাইল অ্যাপ আধারের সঙ্গে মিল দেখা এমন না না কৌশলে দাবিদারের সংখ্যাই কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেই গ্রামোন্নয়নের ক্ষেত্রে গতবার বারদ্দ ছিল ২ লক্ষ ৬৫ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা। অথচ খরচ হচ্ছে ২ লক্ষ ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। ভারতের মতো দেশে গ্রামোন্নয়নে নরেন্দ্র মোদির সরকার প্রায় ৫৩ হাজার কোটি টাকা কম খরচ করেছে বরাদ্দের তুলনায়। এবার বারদ্দ হয়েছে ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ১০৮ কোটি টাকা।
77 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 1, 2026, 03:34 PM
কেন্দ্রীয় সরকারের বিনিয়োগে পশ্চিমবঙ্গের অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ ক্ষেত্রের উন্নতি হচ্ছে

কেন্দ্রীয় সরকারের বিনিয়োগে পশ্চিমবঙ্গের অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ ক্ষেত্রের উন্নতি হচ্ছে

রাজ্যে নতুন কোনও বড় শিল্প গড়ে ওঠেনি বলে অভিযোগ তোলে বিরোধীরা। তবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান কিন্তু অন্য কথা বলছে। বিগত কয়েকবছর রাজ্যে MSME ইউনিটের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দেশের প্রথমসারির রাজ্যগুলির তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। সেই ক্ষেত্রেই প্রযুক্তিগত উন্নতি থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীদের ঋণ সঙ্কট দূর করার জন্য বিপুল বিনিয়োগ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।বাজেট বক্তৃতায় নির্মলা রবিবার ঘোষণা করেছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ব্যবসায়ীদের ঋণ সঙ্কটের মধ্যে সরকার ১০,০০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও, মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ়গুলিকে সহায়তা করার জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আত্মনির্ভর ভারত তহবিলে আরও ২,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে। সার্বিক ভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের MSME সেক্টরের উন্নতিতে সাহায্য করবে বলেই মনে করছে বণিক মহল।স্টার্ট আপ মেন্টর কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, ‘দেশের জিডিপি-র ৩০ শতাংশ জোগান দেয় MSME সেক্টর। যা রপ্তানি হচ্ছে তার ৪৫ শতাংশ MSME সেক্টর থেকে আসে। এই সেক্টর দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতির প্রভাব বা ভারত যে ট্রেড এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করছে ইউকে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে তার জন্য বিদেশের বাজার খুলে যাচ্ছে। সেখানে যে জিনিসপত্র ভারত পাঠাবে, সেটা দেবে কিন্তু এই MSME। এই বরাদ্দ করা হলো কারণ এই সেক্টর যাতে নতুনত্ব বৃদ্ধি ও রপ্তানিতে এগিয়ে আসতে পারে।’ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প মন্ত্রকের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই মন্ত্রকের অধীনে ২.২১ কোটি এমএসএমই 'উদ্যম' অ্যাসিস্ট পোর্টালের মাধ্যমে রেজিস্টার্ড হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরই ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প নিয়ে কেন্দ্রের রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ছোট-মাঝারি উৎপাদন শিল্পে গোটা দেশে বাংলার অবদানই সবচেয়ে বেশি। মোট উৎপাদিত পণ্যের ১৬.০২ শতাংশ হয় বাংলা থেকে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। এমনকী, রাজ্যে শ্রমিকদের অংশগ্রহণের হার ১৩.৮১ শতাংশ, যা গোটা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।বণিক মহলের দাবি, এই বরাদ্দ শুধু এই সেক্টরের মানোন্নয়ন বা ব্যাপ্তি বৃদ্ধি নয়, কর্মসংস্থানের উপরেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। MSME সেক্টরে পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশের মতো এগিয়ে থাকা রাজ্যগুলির জন্য লাভজনক বলেই মনে করা হচ্ছে।
96 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 1, 2026, 03:33 PM
আর্থিক কৌশলের অভাবের জন্য কেন্দ্রীয় বাজেটের সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম।

আর্থিক কৌশলের অভাবের জন্য কেন্দ্রীয় বাজেটের সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম।

রবিবার প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম বলেছেন, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এদিন সংসদে যে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেছেন, তা "অর্থনৈতিক কৌশল এবং অর্থনৈতিক দূরদর্শিতার পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।’’ এদিন এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী চিদাম্বরম বলেন, অর্থমন্ত্রী এবং সরকার ২০২৫-২৬ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষাটি পড়েছেন কিনা, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং যদি পড়েও থাকেন, তবে তারা চ্যালেঞ্জগুলো উপেক্ষা করে মানুষের দিকে কথার ফুলঝুরি ছোড়ার অভ্যাসে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।চিদাম্বরম বলেছেন, বাজেট-পূর্ববর্তী প্রতিটি ভাষ্যকার ও লেখক এবং অর্থনীতির প্রতিটি পড়ুয়া আজ সংসদে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে যা শুনেছেন, তাতে তারা বিস্মিত হতে বাধ্য।আমি স্বীকার করি যে একটি বাজেট কেবল বার্ষিক আয় ও ব্যয়ের বিবরণীর চেয়েও বেশি কিছু। বর্তমান পরিস্থিতিতে, বাজেট বক্তৃতায় এমন একটি আখ্যান তুলে ধরতে হবে যা কয়েক দিন আগে প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বর্ণিত প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোকে মোকাবেলা করে। আমি নিশ্চিত নই যে সরকার এবং অর্থমন্ত্রী ২০২৫-২৬ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষাটি পড়েছেন কিনা। যদি তারা পড়েও থাকেন, তবে মনে হচ্ছে তারা এটিকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং জনগণের দিকে শব্দ—বিশেষ করে সংক্ষিপ্ত রূপ—ছুঁড়ে মারার তাদের প্রিয় অভ্যাসে ফিরে গেছেন। বাজেট বক্তৃতার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, এই বাজেট অর্থনৈতিক কৌশল এবং অর্থনৈতিক রাষ্ট্রনায়কের পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। অর্থমন্ত্রী কেবলমাত্র পরিকল্পনা, কর্মসূচি, মিশন, তহবিল এবং কমিটির সংখ্যা বৃদ্ধির উপর মনোনিবেশ করেছেন। তিনি দাবি করে বলেন, আগামী বছরের মধ্যে এই প্রকল্পগুলির মধ্যে কতগুলি ভুলে যাবে। পরোক্ষ করের বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন যে বাজেট বক্তৃতার মাত্র কয়েকটি অনুচ্ছেদ সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এতে প্রদত্ত ছাড়গুলিও খুবই সামান্য। চিদাম্বরম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক, চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি, এফডিআই সম্পর্কিত অনিশ্চয়তা এবং এফপিআই’র মতো গুরুতর বিষয়গুলির কথা উল্লেখ করে বলেছেন বাজেট বক্তৃতা এগুলির কোনও সুনির্দিষ্ট সমাধান দেয়নি এদিনের বাজেট।
41 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 1, 2026, 02:15 PM
ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট 2023: মূল উদ্যোগ এবং বরাদ্দ প্রকাশ করা হয়েছে

ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট 2023: মূল উদ্যোগ এবং বরাদ্দ প্রকাশ করা হয়েছে

রবিবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এদিন দেশজুড়ে সাতটি হাইস্পিড রেল করিডর তৈরির ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। তার মধ্যে একটি করিডর পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তরপ্রদেশকে যুক্ত করবে বলে জানান সীতারমন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কেন্দ্র বারাণসীর সঙ্গে শিলিগুড়িকে জুড়বে ওই হাইস্পিড রেল করিডর। এছাড়া গুজরাতের সঙ্গে বাংলাকে জুড়ে একটি নতুন পণ্য করিডর গড়ার কথাও ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। হুগলির ডানকুনি থেকে সুরাতকে যুক্ত করবে এই পণ্য করিডর। শিল্প করিডর তৈরি হবে দুর্গাপুরে। রবিবার লোকসভা বাজেট ভাষণে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতের কথা ভেবে সাতটি হাইস্পিড রেল করিডর তৈরি করার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। সাতটি হাইস্পিড রেল করিডরের তালিকায় রয়েছে মুম্বই-পুণে, পুণে-হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ-চেন্নাই, চেন্নাই-বেঙ্গালুরু, দিল্লি-বারাণসী এবং বারাণসী-শিলিগুড়ি। তিনি জানিয়েছেন, সাতটি রেল করিডরের মাধ্যমে অর্থনৈতিক হাব, তথ্যপ্রযুক্তি হাব, পরিকাঠামো ক্লাস্টার, উন্নয়নশীল শহরগুলিকে জোড়া হবে। এতে এই শহরগুলির মধ্যে যাতায়াতের সময় কমবে। যার ফলে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে মত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর। এ ছাড়া ডানকুনি থেকে সুরাতকে যুক্ত করবে একটি পণ্য করিডর। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে নতুন ২০টি জাতীয় জলপথ খোলা হবে বলেও জানান নির্মলা। তা জোড়া হবে সড়ক পরিবহণের সঙ্গে। এর ফলে পণ্য পরিবহণ আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিকাঠামোগত উন্নয়নের অঙ্গ হিসাবে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। পরিবহণের সঙ্গে বিনিয়োগ অনেকটাই যুক্ত। পণ্য পরিবহণ সহজ এবং নির্বিঘ্নে হলে বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি পায়। সেই দিকটি লক্ষ্য রাখেন বিনিয়োগকারীরা। ছোট শহরে পণ্য পরিবহণ পরিকাঠামো তৈরির কথাও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এছাড়া পাঁচটি শিল্পতালুকের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকাও বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র।
65 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 1, 2026, 02:01 PM
ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট 2026: আয়কর আইনে মূল পরিবর্তন

ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট 2026: আয়কর আইনে মূল পরিবর্তন

২০২৬-এর কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে কোনও পরিবর্তন না আনলেও করদাতাদের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তিদায়ক ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি জানিয়েছেন, নতুন আয়কর আইন আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে এবং এর বিস্তারিত বিধি ও আয়কর রিটার্ন অর্থাৎ আইটিআর ফর্ম শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। সরকারের লক্ষ্য কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ এবং সহজ করে তোলা। কর ফাঁকির ক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির বদলের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এতদিন আয় গোপন বা অনিয়ম ধরা পড়লে ফৌজদারি মামলা ও কারাদণ্ডের আশঙ্কা থাকত। নতুন আইনে সেই কঠোরতা অনেকটাই শিথিল করা হচ্ছে। এখন থেকে অনিয়ম ধরা পড়লে জরিমানার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তির সুযোগ থাকবে। এই ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কর আরোপ করে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশে অঘোষিত সম্পদ থাকা করদাতাদের জন্যও একটি সুযোগ রাখা হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে তারা একটি বিশেষ ডিসক্লোজার স্কিমের আওতায় স্বেচ্ছায় নিজেদের সম্পদের বিবরণ জানাতে পারবেন। পাশাপাশি বিদেশ ভ্রমণ, শিক্ষা ও চিকিৎসার খরচে এতদিন ৬ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত টিসিএস অর্থাত (ট্যাক্স কালেক্টেড অ্যাট সোর্স) কাটা হত, যা খরচ বাড়িয়ে দিত। এবার সেই হার কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে বিদেশে পড়াশোনা, চিকিৎসা বা ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে আর্থিক চাপ তুলনামূলকভাবে কমবে। আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রেও করদাতাদের স্বস্তি দেওয়া হয়েছে। রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ছোটখাটো ভুল হয়ে গেলে তা সংশোধনের প্রক্রিয়া আগে বেশ জটিল ছিল। এখন সংশোধিত রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য আরও সময় দেওয়া হবে এবং নামমাত্র ফি দিয়ে তা করা যাবে। সরকার রিটার্ন দাখিলের সময়সীমাও স্পষ্ট করা হয়েছে। আইটিআর-১ ও আইটিআর-২ এর করদাতারা ৩১ জুলাই পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিতে পারবেন, আর অডিটবিহীন ব্যবসা ও ট্রাস্টের ক্ষেত্রে শেষ তারিখ ৩১ আগস্ট। ছোট করদাতাদের জন্য কম বা শূন্য টিডিএস সার্টিফিকেট পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় করা হয়েছে, ফলে কর অফিসে বারবার যেতে হবে না। এনআরআইদের কাছ থেকে সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রেও জটিলতা কমানো হয়েছে। এতদিন ক্রেতাদের টিডিএস কাটার জন্য আলাদা টিএএন নম্বর নিতে হত, এখন তা ছাড়াই সরাসরি টিডিএস কাটা যাবে। বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রেও কিছু প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে। একাধিক কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীরা এখন ফর্ম ১৬জি ও ১৬এইচ সরাসরি সংশ্লিষ্ট সংস্থায় পাঠাতে পারবেন, ফলে প্রশাসনিক ঝামেলা কমবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আয়কর স্ল্যাব অপরিবর্তিত থাকলেও প্রক্রিয়া সরলীকরণ, শাস্তি শিথিল করা এবং বিদেশ সংক্রান্ত লেনদেনে চাপ কমানো—এই সব মিলিয়ে সরকার করদাতাদের সঙ্গে আরও আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে।
34 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 1, 2026, 01:36 PM
ভারতের 2026-27 কেন্দ্রীয় বাজেটঃ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ব্যয়ের চাপ হ্রাস করা

ভারতের 2026-27 কেন্দ্রীয় বাজেটঃ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ব্যয়ের চাপ হ্রাস করা

২০২৬-২৭ কেন্দ্রীয় বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দেশীয় উৎপাদনকে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের খরচের চাপ কিছুটা কমানোর লক্ষ্যে আমদানি শুল্ক কাঠামোয় একাধিক পরিবর্তনের ঘোষণা করেছেন। যদিও আয়কর স্ল্যাবে কোনও বদল আনা হয়নি, বিভিন্ন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস বা বৃদ্ধি সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বাজারদরে। উল্লেখযোগ্য হল, এই বাজেট এমন এক সময়ে পেশ করা হয়েছে, যখন ভারত মার্কিন শুল্কের চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি। সরকারি ঘোষণায় স্পষ্ট, এই বাজেটে একদিকে চিকিৎসা, ইলেকট্রনিক্স ও বৈদ্যুতিক যানবাহন খাতে স্বস্তি দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে বিলাসপণ্য, তামাকজাত দ্রব্য ও কিছু বিনিয়োগ ক্ষেত্রে খরচ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চিকিৎসা খাতে বড় ঘোষণা হিসেবে ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ১৭টি ওষুধ এবং বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ৭টি ওষুধকে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য আমদানি করা ওষুধের উপর শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স খাতে ক্যামেরা মডিউল, ডিসপ্লে প্যানেলসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হয়েছে। এর ফলে দেশীয়ভাবে তৈরি স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও কিছু ইলেকট্রনিক পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। মাইক্রোওয়েভ ওভেনের কিছু যন্ত্রাংশেও শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে। বৈদ্যুতিক যানবাহন খাতে ইভি ব্যাটারি এবং লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি তৈরিতে ব্যবহৃত লিথিয়াম, কোবাল্টের মতো কাঁচামালের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে ইভির খরচ কমাতে সহায়ক হতে পারে। চামড়ার জুতো ও পোশাক রপ্তানি উৎসাহিত করতে তাদের কাঁচামাল আমদানির উপর শুল্ক কমানো হয়েছে। এর প্রভাবে দেশীয় বাজারেও দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকতে পারে। ‘খেলো ইন্ডিয়া’ মিশনের আওতায় ক্রীড়া সরঞ্জামেও ছাড় দেওয়ায় তা আরও সাশ্রয়ী হতে পারে। অসামরিক বিমান শিল্পে খুচরো যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত কাঁচামালের উপর শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিমান সংস্থাগুলির খরচ কমাতে পারে। বাজেটে কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধির কথাও জানানো হয়েছে। খনিজ পদার্থ, স্ক্র্যাপ এবং মদের উপর শুল্ক বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে এই সব পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তামাকজাত দ্রব্য, সিগারেট ও পান মশলার উপর নতুন আবগারি শুল্ক এবং ‘পাপ কর’ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এই পণ্যগুলির দাম বাড়ার সম্ভাবনা। বিদেশি মদের উপর আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে, যার প্রভাব বাজারদরে পড়তে পারে। বিদেশ থেকে আমদানি করা বিলাসবহুল সুগন্ধি, দামি জুতো, পোশাক ও ঘড়ির উপর শুল্ক বাড়ায় এগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। সোনা ও রুপোর মতো মূল্যবান ধাতুর আমদানি শুল্ক পরিবর্তনের ফলে দেশীয় বাজারে দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শেয়ার বাজারে ফিউচার ও অপশন, লেনদেনে নিরাপত্তা লেনদেন কর বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ধরনের লেনদেন আরও খরচসাপেক্ষ হয়ে উঠতে পারে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই বাজেটে একদিকে জনস্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও বিশেষ পরিবহন খাতে স্বস্তি দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে বিলাসজাত পণ্য ও ক্ষতিকারক ভোগ্যপণ্যে কর বৃদ্ধি করে রাজস্ব বাড়িয়ে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে।
19 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 1, 2026, 09:58 AM
কেন্দ্রীয় বাজেট 2020: নির্মলা সীতারমনের মূল বিষয় ও প্রস্তাবগুলি

কেন্দ্রীয় বাজেট 2020: নির্মলা সীতারমনের মূল বিষয় ও প্রস্তাবগুলি

আজকাল ওয়েবডেস্ক:রবিবার লোকসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ৮৫ মিনিট ভাষণ দেন তিনি। বক্তৃতা শেষ হতেই সংসদের টেবিলে পেশ করা হয় বার্ষিক অর্থবিল। এ বারের বাজেটে অর্থমন্ত্রীর পাখির চোখ মূলত তিনটি লক্ষ্যে - দেশের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি, আমজনতার দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রত্যেকের কাছে সমান সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। কর ব্যবস্থা থেকে শুরু করে জনকল্যাণ, পরিকাঠামো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক প্রযুক্তি - সব খাতেই গুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। নিজের রেকর্ড ভেঙে ২০২০ সালে ২ ঘণ্টা ৪২ মিনিটের দীর্ঘতম বক্তৃতা দিয়েছিলেন সীতারামন। সেই তুলনায় রবিবারের ভাষণ ছিল অনেকটাই সংক্ষিপ্ত। গত বছর তিনি ১ ঘণ্টা ১৪ মিনিট এবং ২০১৯ সালে ২ ঘণ্টা ১৭ মিনিট বক্তব্য রেখেছিলেন। তাঁর সবচেয়ে ছোট বাজেট বক্তৃতা ছিল ২০২৪ সালের- ঠিক এক ঘণ্টা। বাজেট ২০২৬: এক নজরে বড় ঘোষণা। এবারের বাজেটের মূল আকর্ষণগুলি জেনে নিন - বায়োফার্মা শক্তি: ওষুধ শিল্পে ভারতকে বিশ্বসেরা করতে আগামী ৫ বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০: দেশে চিপ বা সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। আমদানি শুল্কে ছাড়: লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি তৈরির যন্ত্রপাতির ওপর কর ছাড়ের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ক্লাউড সার্ভিসে ছাড়: যে সব বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ভারতীয় ডেটা সেন্টার ব্যবহার করবে, ২০৪৭ সাল পর্যন্ত তারা কর ছাড়ের সুবিধা পাবে। পরিকাঠামোয় বিপুল খরচ: দেশের রাস্তাঘাট ও পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা খরচের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ৫টি বড় মেডিক্যাল হাব তৈরি হবে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের কাছে ৫টি ইউনিভার্সিটি টাউনশিপ এবং ছাত্রীদের বিজ্ঞানে উৎসাহ দিতে জেলায় জেলায় 'স্টেম' (STEM) হস্টেল গড়া হবে। দ্রুতগামী ট্রেন: যোগাযোগ ব্যবস্থাকে গতি দিতে দেশে ৭টি হাই-স্পিড রেল করিডর তৈরি করা হবে। এগুলোর পাশাপাশি পুরনো আয়কর রিটার্ন সংশোধনের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া অনাবাসীদের থেকে সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে কর জমা দেওয়ার নিয়মও আগের চেয়ে সহজ করা হয়েছে।
88 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 1, 2026, 09:47 AM
কেন্দ্রীয় বাজেট 2026: মধ্যবিত্ত করদাতাদের জন্য পর্যায়ক্রমে স্বস্তি ও নীতিগত ধারাবাহিকতা

কেন্দ্রীয় বাজেট 2026: মধ্যবিত্ত করদাতাদের জন্য পর্যায়ক্রমে স্বস্তি ও নীতিগত ধারাবাহিকতা

আজকাল ওয়েবডেস্ক:ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬ হয়তো গড় মধ্যবিত্ত বেতনভোগী করদাতাদের তাৎক্ষণিক খুশি করতে পারেনি। আয়কর স্ল্যাবে বড় কোনও পরিবর্তন বা সরাসরি করছাড়ের ঘোষণা না থাকলেও, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের নবম বাজেট বক্তৃতার সূক্ষ্ম দিকগুলি বিশ্লেষণ করলে মধ্যবিত্ত ও ছোট বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছু ইতিবাচক সুযোগ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই সরকার ধীরে ধীরে স্বস্তি দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছে। আয়কর: পুরনো কাঠামোই বহালচলতি বছরে বেতনভোগী মধ্যবিত্তের জন্য নতুন কোনও আয়কর ছাড় ঘোষণা করা হয়নি। বাজেটে আগের কর কাঠামোই বজায় রাখা হয়েছে, যার ফলে বার্ষিক আয় ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত থাকছে। এর সঙ্গে ৭৫,০০০ টাকা স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন যোগ হওয়ায় মোট করমুক্ত আয়ের সীমা দাঁড়াচ্ছে ১২.৭৫ লক্ষ টাকা। কর স্ল্যাবেও কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি, যা সরকারের স্থিতিশীল নীতির ইঙ্গিত দেয়। কর যুক্তিকরণবাজেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল কর প্রদানের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং অতিরিক্ত বোঝা কমানো। মধ্যবিত্তের জন্য স্বস্তির খবর হল বিদেশে টাকা পাঠানো ও বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ট্যাক্স কালেক্টেড অ্যাট সোর্স হ্রাস। বিদেশি ট্যুর প্যাকেজ কেনার ক্ষেত্রে এই হার ৫ শতাংশ ও ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে। একইভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য লিবারালাইজড রেমিট্যান্স স্কিমের আওতায় পাঠানো টাকার উপর টিসিএস ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে। কর রিটার্ন দাখিলে সময় বাড়লবাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা ধাপে ধাপে নির্ধারণ করা হবে। সাধারণ ব্যক্তিগত করদাতারা আগের মতোই ৩১ জুলাই পর্যন্ত ITR-1 ও ITR-2 জমা দিতে পারবেন। তবে নন-অডিট ব্যবসা ও ট্রাস্টগুলির জন্য সময় বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট করা হয়েছে। এতে করদাতাদের উপর চাপ কিছুটা কমবে। ছোট বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষাছোট ও সংখ্যালঘু বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে শেয়ার বাইব্যাককে ডিভিডেন্ড না ধরে ক্যাপিটাল গেইন হিসেবে কর ধার্য করা হবে। এর ফলে খুচরো বিনিয়োগকারীদের কর বোঝা তুলনামূলকভাবে কমবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে করছাড় ও সস্তা পণ্যমোটর অ্যাক্সিডেন্ট ক্লেমস ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রাপ্ত সুদের উপর আর আয়কর লাগবে না এবং এর উপর টিডিএসও কাটা হবে না। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও স্বস্তির খবর রয়েছে—প্রায় ১৭টি ক্যানসারের ওষুধের উপর শুল্ক মকুব করা হয়েছে। পাশাপাশি, আরও সাতটি বিরল রোগের ওষুধ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। টিভি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, চামড়াজাত পণ্য ও জুতোর উৎপাদনে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশও সস্তা হতে পারে। কর্মসংস্থানে জোরমধ্যবিত্তের জন্য পরোক্ষভাবে সবচেয়ে বড় স্বস্তি আসতে পারে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে। সরকার ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার বাড়িয়ে ১২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি করেছে। রেল, পর্যটন, লজিস্টিক্স ও প্রযুক্তি খাতে বাড়তি বরাদ্দ নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬-এ মধ্যবিত্তের জন্য সরাসরি করছাড় না থাকলেও ধাপে ধাপে স্বস্তি ও ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির পথ তৈরি করার চেষ্টা স্পষ্ট।
49 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 1, 2026, 09:01 AM
কেন্দ্রীয় বাজেটকে'দিশাহীন "এবং'দরিদ্র বিরোধী" বলে সমালোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কেন্দ্রীয় বাজেটকে'দিশাহীন "এবং'দরিদ্র বিরোধী" বলে সমালোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কেন্দ্রীয় বাজেটকে ‘সম্পূর্ণ দিশাহীন বাজেট’ বলে কটাক্ষ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ‘বাংলা কিছুই পেল না’ বলে দাবি তাঁর। রবিবারই দিল্লির উদ্দেশে উড়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলার বাজেট নিয়ে মমতা বলেন, ‘শুধুই মিথ্যা কথার ফুলঝুরি। এটা হাম্পটি ডাম্পটি বাজেট’।মমতা বলেন, ‘এটা কৃষক, মহিলা, গরিব, যুবসমাজ, আদিবাসী বিরোধী বাজেট। শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষায় বিনিয়োগ কমানো হয়েছে, কৃষিক্ষেত্রে সারের উপরে ভর্তুকি কমানো হয়েছে। পুরোটাই মিথ্যার জঞ্জাল। অর্থনীতির অবক্ষয় হয়েছে।’ এর পরেই উঠে আসে বাংলার প্রাপ্তির কথা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে বাংলার কপালে কী জুটল? মমতা বললেন, ‘বাংলার জন্যে এরা কিছুই দিল না। শুধু বড় বড় কথা বলা হয়।… বাংলার ভোটে এঁরা কিছুই দেয়নি।’উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার জন্য একটি হাই-স্পিড রেল করিডর এবং নতুন একটি ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর তৈরির ঘোষণা করা হয়েছে। সুরাট থেকে ডানকুনি পর্যন্ত একটি নতুন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর হবে। এর পাশাপাশি বারাণসী থেকে শিলিগুড়ি হাই স্পিড রেল করিডর হচ্ছে বলে ঘোষণা করেন নির্মলা। মমতা বলেন, ‘আমি যখন রেলমন্ত্রী ছিলাম, তখন যে বাজেট পেশ করেছিলাম, সেখানেই ডানকুনি থেকে অমৃতসর পর্যন্ত ফ্রেড করিডরের কথা বলা ছিল। এই কাজ ১৫ বছর ধরে কিছু করেনি। উল্টে আমরা রাজ্যে ছয়টি নতুন ইকোনমিক করিডর করছি। যেখানে যুক্ত হচ্ছে ডানকুনি থেকে বর্ধমান, বাঁকুড়া, দুর্গাপুর, পুরুলিয়া। আরেকটি কল্যাণী থেকে বর্ধমান, বীরভূম, মালদা, শিলিগুড়ি, কোচবিহার।’বাজেট নিয়ে চূড়ান্ত সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অভিষেক বলেন, ‘বাংলায়, তারা হেরে যাচ্ছে, তাই বিজেপি, তার বিমাতৃসুলভ মনোভাব নিয়ে বাংলার জনগণকে শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু গণতন্ত্রে এটি উল্টোভাবে কাজ করে। আসন্ন নির্বাচনে, জনগণ বিজেপিকে উপযুক্ত জবাব দেবে।’ বেঙ্গালুরুর মতো আরও দু’টি NIMHANS ইনস্টিটিউট করার কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা। অভিষেক বলেন, ‘এই দু’টি করা হবে একটি ঝাড়খণ্ডে এবং অন্যটি অসমে। বাংলার পূর্বে অসম, পশ্চিমে ঝাড়খণ্ড। অর্থাৎ, বাংলার মানুষের অসুবিধা হলে হয় অসম, নয় ঝাড়খণ্ড যাও। বাংলায় আমরা করব না। বাংলার মানুষকে অত্যাচারিত করে রাখ। এটি এদের পরিচপয়।’ রেল করিডরের ঘোষণার প্রসঙ্গেও অভিষেকের কটাক্ষ, ‘ওটা পুরোনো বোতলে নতুন মদ’।৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতায় নির্মলা একবারও বাংলার নাম নেননি বলে অভিযোগ করেন অভিষেক। নির্মলার বাজেট পেশের পরেই দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তায় এই বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিশেষত মহিলা ও যুব সম্প্রদায়ের উন্নতিতে এই বাজেট দিশা দেখাচ্ছে বলেই দাবি করেন মোদী। পাল্টা অভিষেক বলেন, ‘নিজেদের বাজেট নিয়ে তাঁরা এটা বলবেই। আমার কাছে এই বাজেট সেল্ফ অ্যাপ্রাইজাল রিপোর্ট, যেটা সরকারের পিআর ডিপার্টমেন্ট তৈরি করে দিয়েছে।’
43 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 1, 2026, 08:57 AM
আগামী আর্থিক বছরের জন্য ভারতের বাজেটঃ মূল বিষয় ও উদ্যোগ

আগামী আর্থিক বছরের জন্য ভারতের বাজেটঃ মূল বিষয় ও উদ্যোগ

রবিবার অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি সকালে আগামী অর্থবছরের জন্য আর্থিক বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। দীর্ঘ বাজেট বক্তব্যে বাংলার জন্য তেমন কিছুই ঘোষণা করা হয়নি বলে অনেকের মত। ছাব্বিশে রং বাজেট নিয়ে ত কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বছরের বাজেটকে ‘হাম্পটি ডাম্পটি’ বলে নিশানা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার জন্য কিছুই ঘোষণা করা হয়নি বলেও তোপ প্রশাসনিক প্রধানের। ছাব্বিশের ভোটে বাংলা থেকে ভোট পাবে না গেরুয়া শিবির। সেই কারণেই বাংলাকে বঞ্চনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
97 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 1, 2026, 08:45 AM
ভারতের বাজেট 2026: কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজতর করা, আয়কর স্ল্যাবগুলিতে কোনও পরিবর্তন নেই

ভারতের বাজেট 2026: কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজতর করা, আয়কর স্ল্যাবগুলিতে কোনও পরিবর্তন নেই

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ২০২৬ সালের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের জন্য বেশ কয়েকটি পরিবর্তনের ঘোষণা করলেন। কর দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপগুলি করা হয়েছে। নতুন সময়সীমা, কম TCS হার, কর-মুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং বিদেশে থাকা সম্পদের জন্য বিশেষ ডিসক্লোজ়ার উইন্ডো চালুর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ইনকাম ট্যাক্স স্ল্যাবে কোনও পরিবর্তনের ঘোষণা করেননি নির্মলা। অর্থাৎ গত বছর যে আয়কর স্ল্যাব ছিল, তাই বজায় থাকবে আগামী দিনে।বাজেট ঘোষণায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন ইনকাম ট্যাক্স অ্যাক্ট ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। ITR‑1 ও ITR‑2 ফাইল করার শেষ তারিখ আগের মতোই ৩১ জুলাই থাকবে। নন-অডিট ব্যবসা ও ট্রাস্টের ক্ষেত্রে সময় দেওয়া হবে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত। সামান্য ফি দিয়ে সংশোধিত রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে প্রতি বছর ৩১ মার্চ করা হচ্ছে। অ্যাসেসমেন্ট শুরু হওয়ার পরেও আপডেটেড রিটার্ন দেওয়া যাবে, তবে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ কর দিতে হবে।বিদেশ ভ্রমণের ট্যুর প্যাকেজে TCS (Tax Collected at Source) উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। আগে এই কর ৫ শতাংশ ও ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছিল। এখন তা ২ শতাংশ করা হলো। TCS ধার্য হবে কোনও থ্রেশহোল্ড ছাড়াই। শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য রিবারেলাইজ়স রেমিট্যান্স স্কিম (LRS)-এর অধীনে পাঠানো টাকায় TCS ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে।দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণে করছাড়মোটর অ্যাক্সিডেন্ট ক্লেমস ট্রাইবুনাল (MACT) থেকে প্রাপ্ত সুদের উপর আর কোনও কর দিতে হবে না। এই সুদের উপর TDS-ও কাটা হবে না।ছোট বিনিয়োগকারীদের জন্য সহজ TDSCDSL ও NSDL এখন Form 15G এবং 15H গ্রহণ করবে এবং তা কোম্পানিগুলিকে পাঠাবে। এতে যোগ্য কম আয়ের বিনিয়োগকারীদের অপ্রয়োজনীয় TDS কাটার সমস্যা কমবে।ছোট করদাতা, ছাত্র এবং NRI-দের জন্য ছয় মাসের এককালীন বিদেশি সম্পদ প্রকাশ সংক্রান্ত স্কিম আনা হচ্ছে।ক্যাটাগরি A: অঘোষিত সম্পদ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত হলে মোট ৬০ শতাংশ কর ও জরিমানা।ক্যাটাগরি B: আয় ঘোষিত কিন্তু সম্পদ জানানো হয়নি— এ রকম ঘটনা ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত হলে ১ লক্ষ টাকা ফি।দু’ক্ষেত্রেই মামলা ও জরিমানা থেকে সুরক্ষা মিলবে।অ্যাসেসমেন্ট ও পেনাল্টি প্রসিডিং একসঙ্গে করা হবে। স্টে পিটিশনের ক্ষেত্রে প্রি-ডিপোজ়িট ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হচ্ছে। কিছু ছোট অপরাধ ডিক্রিমিনালাইজ় করে জরিমানায় রূপান্তর করা হবে।২০২৬-এর বাজেটের এই পরিবর্তনগুলি কর ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, সহজ এবং করদাতা-বান্ধব করার দিকেই বড় পদক্ষেপ বলে মনে করছে কেন্দ্র।
97 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 1, 2026, 07:31 AM
ভারতের নতুন আয়কর আইনঃ মূল পরিবর্তন এবং সময়সীমা বৃদ্ধি

ভারতের নতুন আয়কর আইনঃ মূল পরিবর্তন এবং সময়সীমা বৃদ্ধি

আজকাল ওয়েবডেস্ক:নয়া আয়কর আইন কার্যকর হচ্ছে চলচি বছরের ১লা এপ্রিল থেকে। রবিবার বাজেট বক্ততায় তা ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। নির্মলা সীতারমনের ঘোষণা অনুসারে, আয়কর রিটার্নের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ জুলাই করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের কর জমা দিতে সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও জানানো হয়েছে যে, কর ফাঁকিতে শাস্তির নয়, জরিমানা দিলেই মিলবে ছাড়। বাজেট ভাষণের ঘোষণা মোতাবেক, ছোটমাপের আয়কর ফাঁকিতে এবার শুধুই জরিমানা দিলে চলবে। ছোট অঙ্কের কর ফাঁকিতে জেলের বদলে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ জরিমানা দিলেই হবে। নির্মলা সীতারমণ বাজেট ভাষণে বলেছেন, নতুন আয়কর আইন ১লা এপ্রিল, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। বাজেটে শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য টিসিএস-এর হার পাঁচ শতাংশ থেকে কমিয়ে দুই শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হল। বাজেটে ঘোষণা:আয়করের রিটার্ন জমা করার সময় ৩১ ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে ৩১ মার্চ করা হচ্ছে। এর জন্য ন্যূনতম ফি দিতে হবে। ট্যাক্স রিটার্নের নিয়মেও ছাড়। যারা আইটিআর-১, আইটিআর-২ জমা দেন, তারা ৩১ জুলাই পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। নন-অডিট বিজনেস বা ট্রাস্ট ৩১ অগস্ট পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। করদাতাদের সুবিধার্থে আয়কর আইনের ফর্ম ১৫জি বা ফর্ম ১৫এইচ গ্রহণ করা হবে। অনাবাসী বা বিদেশিরা যদি স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করেন, তবে তাতে টিডিএসে ছাড় দেওয়া হবে। যে নাগরিক বা বাসিন্দা কিনবেন, তাদের প্যান ভিত্তিক চালানের মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে, টেম্পোরারি অ্যাকাউন্টিং নম্বর বা ট্যানের প্রয়োজন পড়বে না। পড়ুয়া, কর্মীদের, অনাবাসীদের জন্য এককালীন ৬ মাসের ‘ফরেন অ্যাসেট ডিসক্লোজার স্কিম’ ঘোষণা। দুই ধরনের করদাতাদের জন্য এই সুবিধা দেওয়া হবে। প্রথম, যারা ওভারসিজ আয় ডিসক্লোজ করেননি। দ্বিতীয়, যারা ওভারসিজ আয় ডিসক্লোজ করেছেন, কর দিয়েছেন, কিন্তু অ্যাসেট ডিসক্লোজ করেননি। প্রথম শ্রেণির জন্য ১ কোটি টাকা পর্যন্ত আনডিসক্লোজড অ্যাসেটের জন্য সম্পত্তির মূল্যের ৩০ শতাংশ বা আনডিসক্লোজড অ্যাসেটের ৩০ শতাংশ দিতে হবে আয়কর বাবদ এবং আলাদাভাবে ৩০ শতাংশ আয়কর জরিমানা বাবদ দিলে কোনও শাস্তি হবে না। দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সম্পত্তিতে জরিমানা ও শাস্তি থেকে বাঁচতে ১ লক্ষ টাকা দিতে হবে।
100 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 1, 2026, 07:05 AM
ভারত আয়কর ব্যবস্থার সরলীকরণ করেছে এবং ছোট প্রতারকদের জন্য জরিমানা হ্রাস করেছে

ভারত আয়কর ব্যবস্থার সরলীকরণ করেছে এবং ছোট প্রতারকদের জন্য জরিমানা হ্রাস করেছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃদেশের সাধারণ করদাতা থেকে শুরু করে বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান—সকলের জন্যই আয়কর ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তনের বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ১ এপ্রিল থেকে বলবৎ হতে যাওয়া এই নতুন আইনের লক্ষ্য হল ‘জটিলতা’ কমিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে কর দেওয়াকে আরও সহজ করে তোলা। সময়সীমার ক্যালেন্ডার: জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলোরিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রী নির্দিষ্ট কিছু সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন:• আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩১ জুলাই।• অডিট হয়নি এমন ব্যবসায়িক মামলা বা ট্রাস্টের ক্ষেত্রে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত সময় পাওয়া যাবে। জরিমানায় বড় ছাড়: ভয় নয়, বরং ভরসাএবারের বাজেটের একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হলো ছোটখাটো কর ফাঁকির ক্ষেত্রে শাস্তির ধরনে বদল। আগে ছোট ভুলের জন্য আইনি জটিলতার যে ভয় থাকত, অর্থমন্ত্রী তা অনেকটাই দূর করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ছোট মাপের আয়কর ফাঁকির ক্ষেত্রে এখন আর দীর্ঘ আইনি লড়াই বা জেল নয় বরং শুধুমাত্র ১০ শতাংশ অতিরিক্ত জরিমানা দিলেই মিলবে মুক্তি। এতে ছোট ব্যবসায়ীরা অনেকটা চাপমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারবেন। কাঠামোয় সরলীকরণ: জটিলতা কমছেপুরানো জটিল ধাঁধা থেকে বেরিয়ে এসে আয়কর কাঠামোকে আরও ইউজার-ফ্রেন্ডলি করার আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। সরকারি প্রক্রিয়ায় গতি আনতে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
66 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 1, 2026, 07:05 AM
ভারতের নতুন আয়কর আইনঃ মূল পরিবর্তন এবং সময়সীমা

ভারতের নতুন আয়কর আইনঃ মূল পরিবর্তন এবং সময়সীমা

চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে নতুন আয়কর আইন কার্যকর করবে কেন্দ্র। রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে দেওয়া বাজেট ভাষণে এ কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। নতুন নিয়মে সামান্য টাকা জমা দিয়ে আয়কর রিটার্ন সংশোধনের সুযোগ থাকছে। এ ছাড়া রিটার্ন জমার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। আয়করে ছোটখাটো ফাঁকিতে জেল নয়, অতিরিক্ত ১০ শতাংশ জরিমানার প্রস্তাব। এ দিন বাজেট ভাষণে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা জানিয়েছেন,যাঁরা এক ও দু’নম্বর ফর্মে আয়কর রিটার্ন জমা করেন, নতুন নিয়মে তাঁরা ৩১ জুলাইপর্যন্ত সেটা ফাইল করতে পারবেন। নন-অডিট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং ট্রাস্টগুলিরক্ষেত্রে রিটার্ন জমা করার শেষ তারিখ হল ৩১ অগস্ট। এ ছাড়া অনাবাসী ভারতীয়ের থেকে কোনওস্থাবর সম্পত্তি কিনলে ক্রেতাকে টিডিএস (ট্যাক্স ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স) দিতে হবে। আগেযা বিক্রেতাদের থেকে আদায় করা হত। এ বারের বাজেটে মোট কর রাজস্ব ২৮.৭ লক্ষ কোটি টাকা এবংবাজেটের আকার ৫৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা অনুমোদন করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা। কোনওবিদেশি সংস্থা ভারতে ক্লাউড ডেটা সেন্টার তৈরি করলে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত তাদের কোনও করদিতে হবে না বলে ঘোষণা করেছেন তিনি।
79 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 1, 2026, 07:00 AM
ভারতীয় রেল বিপ্লবঃ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য 7টি উচ্চগতির করিডরের ঘোষণা

ভারতীয় রেল বিপ্লবঃ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য 7টি উচ্চগতির করিডরের ঘোষণা

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:ভারতীয় রেলের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। রবিবার ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2026) পেশ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) দেশের রেল পরিকাঠামোয় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ঘোষণা করেছেন। দেশের অর্থনৈতিক গতি ত্বরান্বিত করতে মোট ৭টি হাইস্পিড রেল করিডর বা ‘গ্রোথ কানেক্টর’ তৈরির কথা জানান তিনি (High-speed rail corridors)। যার মধ্যে উত্তরবঙ্গের জন্য সবচেয়ে বড় খবর— শিলিগুড়ি-বারাণসী হাইস্পিড রেল করিডর (Siliguri-Varanasi High-Speed Rail Corridor)। অর্থমন্ত্রীর এই ঘোষণা উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে এক বিরাট পাওনা। শিলিগুড়িকে দীর্ঘকাল ধরেই উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার বলা হয়। এবার বারাণসীর সঙ্গে দ্রুতগতির এই রেল সংযোগ শুধু যে যাতায়াতের সময় কমাবে তা নয়, বরং পর্যটন, বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও এক নতুন জোয়ার আনবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বারাণসী-শিলিগুড়ি করিডরটি যুক্ত হলে উত্তর ও পূর্ব ভারতের মধ্যে যোগাযোগের সংজ্ঞা বদলে যাবে। বাজেটে ঘোষিত ৭টি ‘গ্রোথ কানেক্টর’ হল শিলিগুড়ি–বারাণসী, মুম্বই–পুনে, পুনে-হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ–বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ–চেন্নাই, চেন্নাই – বেঙ্গালুরু, দিল্লি-বারাণসী। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, এই করিডরগুলি মূলত আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করতে এবং লজিস্টিক খরচ কমাতে সাহায্য করবে। আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা ও উন্নত ট্র্যাক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় রেল এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে। রেল সূত্রে খবর, এই প্রকল্পগুলির নির্মাণ পর্যায় থেকেই স্থানীয় স্তরে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে শিলিগুড়ির মতো ব্যবসায়িক কেন্দ্রে হাইস্পিড ট্রেনের উপস্থিতি উত্তর-পূর্ব ভারতের সামগ্রিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
57 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 1, 2026, 06:53 AM
ভারতের 2023 সালের বাজেটঃ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রকে উৎসাহিত করা

ভারতের 2023 সালের বাজেটঃ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রকে উৎসাহিত করা

আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন রবিবার তাঁর ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই) এবং উৎপাদন খাতের জন্য একটি বড় পদক্ষেপের ঘোষণা করেছেন। তিনি ‘চ্যাম্পিয়ন’ এসএমই তৈরির জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার একটি তহবিল এবং 'আত্মনির্ভর ভারত' তহবিলের জন্য ৪,০০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত সহায়তার কথা ঘোষণা করেন। বাজেট পেশ করার সময় সীতারামন ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগকে (এমএসএমই) “অর্থনৈতিক বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি” হিসেবে বর্ণনা করেন এবং সেগুলোকে উন্নত করতে ও বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার জন্য একটি ত্রিস্তরীয় কৌশলের রূপরেখা তুলে ধরেন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “ভবিষ্যতের চ্যাম্পিয়ন তৈরির জন্য আমি একটি ১০,০০০ কোটি টাকার ডেডিকেটেড এসএমই গ্রোথ ফান্ড চালু করার প্রস্তাব করছি।” যোগ করেন, নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে উদ্যোগগুলোকে নির্বাচন করা হবে। তিনি প্রতিশ্রুতিশীল এমএসএমই-গুলোর জন্য ঝুঁকি মূলধনের ধারাবাহিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত 'আত্মনির্ভর ভারত' তহবিলের জন্য অতিরিক্ত ৪,০০০ কোটি টাকার সহায়তারও ঘোষণা করেন। শিল্প ক্লাস্টারগুলোর পুনরুজ্জীবনঐতিহ্যবাহী উৎপাদন কেন্দ্রগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য অর্থমন্ত্রী পরিকাঠামোগত উন্নয়ন এবং প্রযুক্তির আধুনিকীকরণের মাধ্যমে ২০০টি পুরোনো শিল্প ক্লাস্টারকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তাব করেছেন। বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক একটি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য কন্টেইনার তৈরির একটি প্রকল্পেরও ঘোষণা করা হয়েছে। বস্ত্র, ক্রীড়া সামগ্রী এবং গ্রামীণ শিল্পবাজেটে টেকনিক্যাল টেক্সটাইলের উপর মনোযোগ দিয়ে মেগা টেক্সটাইল পার্ক তৈরি এবং পাঁচটি উপ-অংশ-সহ একটি সমন্বিত বস্ত্র কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সীতারামন উচ্চ-মানের, সাশ্রয়ী ক্রীড়া সামগ্রীর জন্য ভারত বিশ্বের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন এবং এই খাতকে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপের রূপরেখা দেন। গ্রামীণ ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পের জন্য তিনি খাদি ও হস্তশিল্প কার্যক্রমকে শক্তিশালী 'মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ' উদ্যোগের ঘোষণা করেন। এমএসএমই-র জন্য অর্থ এবং ঋণ সহায়তাএমএসএমই-র জন্য অর্থের জোগান বাড়াতে সীতারামন বলেন, ট্রেড রিসিভেবলস ডিসকাউন্টিং সিস্টেম (TReDS)-এর মাধ্যমে ইতিমধ্যেই সাত লক্ষ কোটি টাকার বেশি অর্থ সরবরাহ করা হয়েছে। নতুন পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে: - কেন্দ্রীয় সরকারি খাতের উদ্যোগগুলোর দ্বারা এমএসএমই-এর কেনাকাটার জন্য টিআরইডিএস-কে সেটেলমেন্ট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বাধ্যতামূলক করা- ইনভয়েস ডিসকাউন্টিংয়ের জন্য ক্রেডিট গ্যারান্টি সহায়তা চালু করা- দ্রুত অর্থায়নের জন্য গভর্নমেন্ট ই-মার্কেটপ্লেস (GeM)-কে টিআরইডিএস-এর সঙ্গে সংযুক্ত করা- টিআরইডিএস-এর প্রাপ্য অর্থকে অ্যাসেট-ব্যাকড সিকিউরিটিজ হিসেবে ইস্যু করার সুযোগ দেওয়া নির্মলা সীতারমন বলেন, “এই পদক্ষেপগুলো একটি সেকেন্ডারি মার্কেট বিকাশে এবং লেনদেনের অর্থ ও নিষ্পত্তিতে সহায়তা করবে।” ‘কর্পোরেট মিত্র’-এর মাধ্যমে পেশাদার সহায়তাসীতারামন দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্তরের শহরগুলিতে ‘কর্পোরেট মিত্র’ব নামের ক্যাডার তৈরির ঘোষণাও করেছেন। এদেরকে আইসিএআই, আইসিএসআই এবং আইসিএমএআই-এর মতো পেশাদার প্রতিষ্ঠান দ্বারা প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা সাশ্রয়ী মূল্যে এমএসএমই-গুলোকে কমপ্লায়েন্সের প্রয়োজনীয়তা পূরণে সহায়তা করতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বাজেট সরকারের ‘তিনটি কর্তব্য’ দ্বারা পরিচালিত: অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা এবং ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
19 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 1, 2026, 05:39 AM
ভারতের 2026-2027 কেন্দ্রীয় বাজেটঃ বিশ্ব বাণিজ্যের অস্থিরতার মধ্যে দিকনির্দেশনা

ভারতের 2026-2027 কেন্দ্রীয় বাজেটঃ বিশ্ব বাণিজ্যের অস্থিরতার মধ্যে দিকনির্দেশনা

২০২৬-২০২৭ অর্থবর্ষের ইউনিয়ন বাজেট ১ ফেব্রুয়ারি পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই বাজেটের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। কারণ বিশ্ব বাণিজ্যের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের অর্থনীতি কোন পথে এগিয়ে যাবে, তার দিশা দেওয়ার চেষ্টা করা হতে পারে এ বছরের বাজেটে। দেশের বাজেট তৈরির জন্য নির্মলার সঙ্গে থাকেন অর্থ মন্ত্রকের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। দেখে নিন নির্মলার পাওয়ার টিমে প্রধান মুখ কারা?ডিপার্টমেন্ট অফ ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্সের প্রধান হিসেবে অনুরাধা ঠাকুর বাজেটের কাঠামো তৈরি করেন। বাজেট ডিভিশনের মাধ্যমে তিনি মূল নথি প্রস্তুত এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কৌশল ঠিক করেন। ২০২৫ সালের ১ জুলাই দায়িত্ব নিয়ে এটি তাঁর প্রথম বাজেট। রাজস্ব নির্ধারণ ও বৃদ্ধির অগ্রাধিকার স্থির করাই তাঁর মূল কাজ।পার্ট বি–তে থাকা কর সংক্রান্ত প্রস্তাব অরবিন্দ শ্রীবাস্তবের অধীনে পড়ে। আয়কর, কর্পোরেট ট্যাক্স, জিএসটি ও কাস্টমস শুল্কের কাঠামো তিনি দেখভাল করেন। রেভিনিউ সেক্রেটারি হিসেবে এটি তাঁর প্রথম বাজেট। রাজস্ব বাড়ানো ও টিডিএস সহজ করার দিকে তাঁর ফোকাস থাকে।কেন্দ্রীয় সরকারের খরচের দায়িত্বে রয়েছেন ভুয়ালনাম। ভর্তুকি সংস্কার ও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বরাদ্দ তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন। রাজস্ব সংক্রান্ত শৃঙ্খলা বজায় রাখা তাঁর মূল কাজ। বাজেটে কোন খাতে কত খরচ হবে, তার কাঠামো তিনি তৈরি করেন।পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্ক, বিমা ও পেনশন সংস্থা দেখভাল করেন এম নাগরাজু। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ঋণ সম্প্রসারণ তাঁর দায়িত্ব। ডিজিটাল ফিন্যান্স ও ব্যাঙ্কিং স্থিতিশীলতা তাঁর কাজের অংশ। বাজেটের মাধ্যমে আর্থিক ব্যবস্থাকে শক্ত করা তাঁর লক্ষ্য।
76 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 1, 2026, 03:14 AM
2022-23 আর্থিক বছরের জন্য জিডিপি গণনা পদ্ধতির সংস্কার করবে ভারত

2022-23 আর্থিক বছরের জন্য জিডিপি গণনা পদ্ধতির সংস্কার করবে ভারত

দেশের মোট আর্থিক উৎপাদন বা জিডিপি-র হিসাব বদলে যাচ্ছে। নতুন হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থ বছরকে ভিত্তিবর্ষ ধরে জিডিপি-র হিসাব হবে। সেই হিসেবে নতুন জিডিপি প্রকাশিত হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। রবিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের বাজেট পেশের ২৬ দিন পরে।
82 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 1, 2026, 02:41 AM
শক্তিকান্ত দাসঃ অর্থনৈতিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টা

শক্তিকান্ত দাসঃ অর্থনৈতিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টা

অর্থমন্ত্রকে সচিব থাকাকালীন তিনিই নোট বাতিলের ধাক্কা সামলেছিলেন। পরে হন রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর। এখন প্রধানমন্ত্রীর ‘প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি-২’ শক্তিকান্ত দাস বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিষয়ে তাঁর ‘বস’-এর সবচেয়ে বিশ্বস্ত ব্যক্তি হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছেন। সরকারি মহলে প্রভাব, ফাইল ও পরিসংখ্যান নিয়ে তাঁর দক্ষতা বাকিদের চেয়ে অনেক বেশি বলে সবাই টের পাচ্ছেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, তাঁর ভূমিকা আরও বড় হতে চলেছে, বিশেষ করে দেশে ও বিদেশে ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ ও সমন্বয় তৈরিতে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর এবং তামিলনাড়ু ক্যাডারের ১৯৮০ ব্যাচের আইএএস অফিসার শক্তিকান্ত গত এক দশকের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ঘটনার সাক্ষী। জিএসটি বাস্তবায়ন থেকে অতিমারি, জি২০, আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাঙ্কের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চ— শক্তিকান্তের শক্তি নীরবে বেড়ে চলেছে।
19 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 29, 2026, 03:37 PM
ভারতের অর্থনৈতিক সমীক্ষায় গ্রামীণ স্কুল ড্রপআউটদের উদ্বেগজনক বৃদ্ধি তুলে ধরা হয়েছে

ভারতের অর্থনৈতিক সমীক্ষায় গ্রামীণ স্কুল ড্রপআউটদের উদ্বেগজনক বৃদ্ধি তুলে ধরা হয়েছে

আর্থীক সমীক্ষা রিপোর্টে স্কুল ছুটের কথা মেনে নিলো কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সংসদে যে 'আর্থিক সমীক্ষা ২০২৫-২৬ পেশ করেছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে অষ্টম শ্রেণির পর পড়ুয়াদের মধ্যে ড্রপ আউটের প্রবনতা দেখা দিচ্ছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশে মাধ্যমিক স্তরে নির্দিষ্ট বয়স-ভিত্তিক নিট এনরোলমেন্ট রেট মাত্র ৫২.২ শতাংশ। বলা হয়েছে ‘ওপেন স্কুলের’ কথাও।সমীক্ষায় মাধ্যমিক স্তরে এই পিছিয়ে পড়ার পেছনে মূল কারণ হিসেবে পরিকাঠামোগত অসাম্যকে দায়ী করা হয়েছে। গ্রামের মাত্র ১৭.১ শতাংশ স্কুলে মাধ্যমিক স্তরের পঠনপাঠনের সুবিধা রয়েছে। অথচ ৫৪ শতাংশ স্কুল শুধুমাত্র প্রাথমিক ও বুনিয়াদি শিক্ষা প্রদান করা হয়।শহরের চিত্র কিছুটা ভালো, সেখানে মাধ্যমিক স্কুলের হার প্রায় ৩৮.১ শতাংশ। সরকারের দাবি এই বৈষম্যের ফলে গ্রামের পড়ুয়াদের শহরের স্কুলে আসতে হয় লেখা পড়ার জন্য। আর এই যাতাযাতের সমস্যার জন্য অনেকে আর লেখা পড়া করছেন না।আর্থিক সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রামীণ এলাকায় বুনিয়াদি স্তর থেকে মাধ্যমিক স্তরে পড়ুয়াদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে মাধ্যমিক স্তরে এনরোলমেন্টের হার ঊর্ধ্বমুখী।সরকারি স্কুলের সংখ্যা বৃদ্ধি বা পরিকাঠামো গত উন্নয়নের বদলে ‘ওপেন স্কুল’ তৈরি করার ওপর জোড় দেওয়া হয়েছে। নয়া জাতীয় শিক্ষা নীতিতে ক্লাস্টার স্কুল তৈরির কথা বলা হয়েছে। এই রাজ্যেও সেই নীতি চালু হয়েছে।উল্লেখ্য বিভিন্ন রিপোর্ট বলছে গোটা দেশে স্কুলমুখি পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে প্রায় ৩৭ লক্ষ। আমাদের রাজ্য তার থেকে কোন ভাবে ব্যাতিক্রম নয়। করোনা পরবর্তী সময় থেকেই এই রাজ্যে ড্রপ আউট বাড়ছে। গোটা দেশে ৫৭ শতাংশ স্কুলে কম্পিউটার রয়েছে, ৫৪ শতাংশ স্কুলে রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।২০১৪-১৫ থেকে ২০২৩-২৪ প্রায় দশ বছরে গোটা দেশে সরকারি স্কুলের সংখ্যা কমেছে আট শতাংশ। বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা দেশে বেড়েছে ১৪.৯ শতাংশ। কোন সংস্থার তথ্য নয়, সরকারি তথ্য। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এই পরিসংখ্যান সংসদে পেশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি তথ্য বলছে এই সময়কালে দেশে ১১,০৭,১০১ থেকে সরকারি স্কুলের সংখ্যা কমে হয়েছে ৮৯,৪৪১। সেই জায়গায় বেসরকারি স্কুল ৪২,৯৪৪ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩,৩১,১০৮।
53 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 27, 2026, 03:45 PM
রপ্তানি বৃদ্ধি এবং শুল্ক হ্রাস করতে ইইউ ও ভারত দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে

রপ্তানি বৃদ্ধি এবং শুল্ক হ্রাস করতে ইইউ ও ভারত দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে

ভারতের সাথে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি সাক্ষর করলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপীয় রপ্তানিকারকদের জন্য ভারতের বাজারের দরজা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্মুক্ত হবে বলে দাবি করেছে দুই পক্ষ।বর্তমানে ইউরোপীয় গাড়ির ওপর ভারতকে যেই ৭০ শতাংশ পর্যন্ত চড়া শুল্ক দিতে হয়, তা কমিয়ে মাত্র ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে চুক্তিতে। তবে একটি নির্দিষ্ট সীমা বা কোটা রাখা হয়েছে, বছরে সর্বোচ্চ ২.৫ লক্ষ গাড়ি এই সুবিধার আওতায় আসবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন মনে করছে, এর ফলে ভারতের ‘প্রিমিয়াম কার’ বা বিলাসবহুল গাড়ির বাজার সম্পূর্ণ বদলে যাবে।ইউরোপ থেকে ভারতে রপ্তানি হওয়া ৯০ শতাংশেরও বেশি পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক হয় তুলে নেওয়া হবে বলে চুক্তিতে বলা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দাবি ২০৩২ সালের মধ্যে ভারতে ইউরোপীয় রপ্তানি দ্বিগুণ হবে। প্রতি বছর প্রায় ৪ বিলিয়ন ইউরো শুল্ক সাশ্রয় হবে। চুক্তি অনুযায়ী ওষুধ এবং রাসায়নিকের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ২২ এবং ১১ শতাংশ শুল্ক আর থাকছে না।অপটিক্যাল ও সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতির ৯০ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত হবে, যা ভারতের হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের খরচ কমাতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু শুল্ক কমলেও ভারত সরকারের জিএসটি মানুষের ওপর চাপ প্রতি মুহুর্তে তৈরি করছে।এই নতুন চুক্তির ফলে ইউরোপীয় খাদ্য ও পানীয় ভারতের বাজারে এখন আরও সুলভে মিলবে বলে দাবি করা হচ্ছে। ওয়াইনের ওপর শুল্ক কমে হবে ২০-৩০ শতাংশ, স্পিরিটের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং বিয়ারের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ। ইউরোপীয় অলিভ অয়েল এবং মার্জারিনের ওপর থেকেও শুল্ক প্রত্যাহার করা হচ্ছে।পণ্য ছাড়াও ভারত প্রথমবার আর্থিক পরিষেবা এবং সামুদ্রিক পরিবহনের মতো ক্ষেত্রে ইউরোপীয় সংস্থাগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পাশাপাশি, এই সময় ভারতকে পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগে সহায়তা করতে ইইউ আগামী দুই বছরে ৫০০ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে এই চুক্তির ফলে ভারতের গ্রাহকরা বিশ্বমানের পণ্য সস্তায় পেলেও, দেশীয় গাড়ি এবং রাসায়নিক শিল্পকে এখন থেকেই কঠিন প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত হতে হবে।ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য এই চুক্তি বিশ্ববাজারে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
9 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 27, 2026, 03:23 PM
পশ্চিমবঙ্গের শিল্পোন্নতিতে বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গের শিল্পোন্নতিতে বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা:সিঙ্গুরের সভার আগের দিন শিল্প-বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ নবান্নে তিনি বলেন, ‘যাঁরা বলছেন বাংলা থেকে শিল্প চলে যাচ্ছে, তাঁরা ভুল বলছেন। হাওড়া থেকে দুর্গাপুর যান। রাস্তার দুই ধারে দেখবেন কী কী কাজ হয়েছে। কত শিল্প সংস্থা এসেছে।’ রাজ্যে বিনিয়োগকারীদের সমস্ত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোনও সমস্যা হলে মুখ্যসচিব আছেন। এছাড়া শিল্পসচিব আছেন। হিডকো আছে। আমিও আছি।’ তৃণমূল সরকারের আমলে এরাজ্যে পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘একবার পুরুলিয়ার দিকে চেয়ে দেখুন। এছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় কাজ হচ্ছে।’ রাজ্যে কর্মসংস্থানে জোর দেওয়া হয়েছে বলেও এদিন মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রতি তাঁর বার্তা, ‘আপনারা ফিরে আসুন।’
21 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 27, 2026, 02:53 PM
ভারত ও ইইউ'মাদার অফ অল ট্রেড ডিলস "-এ স্বাক্ষর করেছে, যা ফার্মাসিউটিক্যাল ক্ষেত্রকে উৎসাহিত করছে

ভারত ও ইইউ'মাদার অফ অল ট্রেড ডিলস "-এ স্বাক্ষর করেছে, যা ফার্মাসিউটিক্যাল ক্ষেত্রকে উৎসাহিত করছে

নয়াদিল্লি, ২৭ জানুয়ারি: দেড় যুগ ধরে চলা টানাপড়েনের অবসান। অবশেষে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। যাকে ‘মাদার অব অল ট্রেড ডিলস’ আখ্যা দিয়েছেন ইইউ-র প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি ঘিরে উচ্ছ্বসিত শিল্প মহল। তাদের বক্তব্য, এর ফলে ভবিষ্যতে ইইউ’র অন্তর্গত ২৭টি দেশের বাজার উন্মুক্ত হবে ভারতীয় পণ্যের জন্য। পাশাপাশি এদেশেও বহু ইউরোপীয় পণ্য সস্তা হবে। যার মধ্যে অন্যতম হল একাধিক জীবনদায়ী ওষুধ। এছাড়াও তালিকায় আছে বিলাসবহুল গাড়ি এবং পানীয়। অত্যাধুনিক স্বাস্থ্য প্রযুক্তির জন্য ইউরোপ সুপরিচিত। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে ভারতে ক্যান্সার এবং অন্যান্য জটিল রোগের ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রে শুল্কের বোঝা কমবে। ফলে এগুলির দাম সস্তা হবে। পাশাপাশি ইউরোপ থেকে ভারতে আমদানি করা চিকিৎসা সরঞ্জামের দামও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চুক্তির ফলে লাভবান হবে ভারতীয় ওষুধ ক্ষেত্র। কারণ, ২৭টি ইউরোপীয় দেশের বাজারে নিজেদের পায়ের জমি শক্ত করার সুযোগ পাবে তারা। শিল্প মহলের মতে, দ্বিপাক্ষিক এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে ভবিষ্যতে ভারতে মার্সিডিজ, বিএমডব্লিউ, অডির মতো বিলাসবহুল গাড়ির দাম কমার সম্ভাবনা। এই সমস্ত গাড়ি আমদানিতে বর্তমানে ১০০ শতাংশেরও বেশি শুল্ক আরোপ করা হয়। নয়া চুক্তি কার্যকর হলে ভারতীয় মুদ্রায় ১৬ লক্ষ টাকার বেশি দামের গাড়ির উপর শুল্ক কমে দাঁড়াবে ৪০ শতাংশ। ভবিষ্যতে আরও কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাবও আছে। এছাড়া এখন ইউরোপ থেকে আমদানি করা ওয়াইনের উপর ১৫০ শতাংশ শুল্ক চাপায় নয়াদিল্লি। কিন্তু নতুন চুক্তি অনুযায়ী তাও এক ধাক্কায় অনেকটা কমবে।
100 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 23, 2026, 03:33 PM
ষড়যন্ত্রের ফলে 100 দিনের গ্রামীণ কর্মপরিকল্পনা বন্ধ হয়ে যায়, গ্রামবাসীরা নিচু জলসীমায় চলে যায়

ষড়যন্ত্রের ফলে 100 দিনের গ্রামীণ কর্মপরিকল্পনা বন্ধ হয়ে যায়, গ্রামবাসীরা নিচু জলসীমায় চলে যায়

তৃণমূল-বিজেপি ষড়যন্ত্র করে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে রেখেছে। যারা চুরি করলো মোদীর সিবিআই, ইডি তাদের ধরলো না, গরিবদের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হলো। ১০০ দিনের কাজ এক সময় গ্রামীণ মানুষের জীবিকার অন্যতম ভরসা ছিল। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ষড়যন্ত্রে এখনও চালু হয়নি ১০০ দিনের কাজ। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে গ্রামীণ অর্থনীতিতে। কাজের অভাবে গ্রামের মানুষ আজ চরম সংকটের মুখে। শুক্রবার কুমারগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত ভাটিবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০/২৭২ নম্বর বুথের মধ্য কলোনি পাড়ায় এক বৈঠকি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী সাধারণ মহিলারা। সেই বৈঠকি সভায় যোগ দিয়েছিলেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখার্জি। তিনি বলেন, গরিবদের পেটে লাথি মারতে চাইছে বিজেপি। এখন গরিব মানুষ না খেয়ে মরছে আর বড়লোকদের পা চাটছে তৃণমূল ও বেজিপে। এখন রাজ্যে কাজ নেই ধর্ম নিয়ে মেতে রয়েছে দুই ফুল। মন্দির তৈরি সরকারের কাজ না, সরকারের কাজ শিল্প, কল কারখানা তৈরি করা। এখন শিল্প, কলকারখানা তো হচ্ছেই না, উলটে যেগুলি আছে তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। চা বাগান মালিকদের তাদেদারি করছে তৃণমূল সরকার। ধুকছে চা বাগানগুলি। বিপাকে পড়ছেন চা শ্রমিকরা। কাজ নেই, সংসার চালাতে না পেরে বহু যুবক ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে পাড়ি দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ আবার কাজের সন্ধানে গিয়ে কফিনবন্দী হয়ে গ্রামে ফিরছেন। তিনি বলেন, রাজ্যের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতির কারণেই একশো দিনের কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে। অথচ এই ইস্যুতে বিজেপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বিজেপি কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে এবং বিভাজনের রাজনীতিতে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। শুধু তাই নয়, গ্রামীণ এলাকায় পানীয় জলের তীব্র সংকট, বিভিন্ন সামাজিক ভাতা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে থাকা এই সব সমস্যা নিয়েও প্রশাসন উদাসীন। এই সব দাবিদাওয়া ও বঞ্চনার প্রতিবাদে আলিপুরদুয়ার জেলার গ্রামাঞ্চলে পাড়ায় পাড়ায় বৈঠকি সভায় সরব হয়ে উঠেছেন গ্রামের মহিলারা। তাদের বক্তব্য তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ একাধিক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু বিজেপি-তৃণমূল আঁতাতের ফলে কোনও দুর্নীতিগ্রস্তেরই শাস্তি হচ্ছে না। পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন কৌশলে তৃণমূল তাদের দুর্নীতিকে আড়াল করছে। বামফ্রন্টকেই ভোট দিতে হবে, কারণ ওরা জিতলে গরিবের কাজ থাকে, দুর্নীতি বন্ধ হয়। ফসলেরও দাম থাকে। তারা ভাবে চা শ্রমিকদের কথা। মীনাক্ষী বলেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিটি বুথে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই গড়ে তুলে লালঝান্ডাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
59 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 23, 2026, 03:33 PM
গ্রামীণ অর্থনীতি সংকটেঃ কেন্দ্রীয়-রাজ্য ষড়যন্ত্রের মধ্যে 100 দিনের কর্মসূচী স্থগিত

গ্রামীণ অর্থনীতি সংকটেঃ কেন্দ্রীয়-রাজ্য ষড়যন্ত্রের মধ্যে 100 দিনের কর্মসূচী স্থগিত

তৃণমূল-বিজেপি ষড়যন্ত্র করে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে রেখেছে। যারা চুরি করলো মোদীর সিবিআই, ইডি তাদের ধরলো না, গরিবদের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হলো। ১০০ দিনের কাজ এক সময় গ্রামীণ মানুষের জীবিকার অন্যতম ভরসা ছিল। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ষড়যন্ত্রে এখনও চালু হয়নি ১০০ দিনের কাজ। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে গ্রামীণ অর্থনীতিতে। কাজের অভাবে গ্রামের মানুষ আজ চরম সংকটের মুখে। শুক্রবার কুমারগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত ভাটিবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০/২৭২ নম্বর বুথের মধ্য কলোনি পাড়ায় এক বৈঠকি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী সাধারণ মহিলারা। সেই বৈঠকি সভায় যোগ দিয়েছিলেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখার্জি। তিনি বলেন, গরিবদের পেটে লাথি মারতে চাইছে বিজেপি। এখন গরিব মানুষ না খেয়ে মরছে আর বড়লোকদের পা চাটছে তৃণমূল ও বেজিপে। এখন রাজ্যে কাজ নেই ধর্ম নিয়ে মেতে রয়েছে দুই ফুল। মন্দির তৈরি সরকারের কাজ না, সরকারের কাজ শিল্প, কল কারখানা তৈরি করা। এখন শিল্প, কলকারখানা তো হচ্ছেই না, উলটে যেগুলি আছে তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। চা বাগান মালিকদের তাদেদারি করছে তৃণমূল সরকার। ধুকছে চা বাগানগুলি। বিপাকে পড়ছেন চা শ্রমিকরা। কাজ নেই, সংসার চালাতে না পেরে বহু যুবক ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে পাড়ি দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ আবার কাজের সন্ধানে গিয়ে কফিনবন্দী হয়ে গ্রামে ফিরছেন। তিনি বলেন, রাজ্যের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতির কারণেই একশো দিনের কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে। অথচ এই ইস্যুতে বিজেপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বিজেপি কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে এবং বিভাজনের রাজনীতিতে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। শুধু তাই নয়, গ্রামীণ এলাকায় পানীয় জলের তীব্র সংকট, বিভিন্ন সামাজিক ভাতা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে থাকা এই সব সমস্যা নিয়েও প্রশাসন উদাসীন। এই সব দাবিদাওয়া ও বঞ্চনার প্রতিবাদে আলিপুরদুয়ার জেলার গ্রামাঞ্চলে পাড়ায় পাড়ায় বৈঠকি সভায় সরব হয়ে উঠেছেন গ্রামের মহিলারা। তাদের বক্তব্য তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ একাধিক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু বিজেপি-তৃণমূল আঁতাতের ফলে কোনও দুর্নীতিগ্রস্তেরই শাস্তি হচ্ছে না। পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন কৌশলে তৃণমূল তাদের দুর্নীতিকে আড়াল করছে। বামফ্রন্টকেই ভোট দিতে হবে, কারণ ওরা জিতলে গরিবের কাজ থাকে, দুর্নীতি বন্ধ হয়। ফসলেরও দাম থাকে। তারা ভাবে চা শ্রমিকদের কথা। মীনাক্ষী বলেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিটি বুথে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই গড়ে তুলে লালঝান্ডাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
31 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Jan 23, 2026, 03:09 PM
অনলাইন পরিষেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার মধ্যে আরও কর্মচারী ছাঁটাই করবে অ্যামাজন

অনলাইন পরিষেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার মধ্যে আরও কর্মচারী ছাঁটাই করবে অ্যামাজন

নতুন বছরের শুরুতেই ফের আতঙ্কের পরিবেশ আইটি ও ই-কমার্স দুনিয়ায়। বছর বদলালেও কর্মী ছাঁটাইয়ের ধারা যে থামছে না, তারই আরও এক নজির তৈরি করতে চলেছে বিশ্বের বৃহত্তম ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজন। সংস্থা সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহেই ফের এক দফা কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে চলেছে তারা। এই খবরে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে কর্মী মহলে।অ্যামাজনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংস্থার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কর্মী সংখ্যা কমানো হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (এডব্লিউএস) খুচরো বিক্রেতা বিভাগ, প্রাইম ভিডিও এবং মানবসম্পদ সংক্রান্ত শাখা যা ‘পিপল এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ নামে পরিচিত। এই সব ইউনিটে কর্মরত বহু কর্মীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে ২০২২ সালে প্রায় ২৭ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছিল অ্যামাজন। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালেও এক ধাক্কায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীকে বসিয়ে দেয় সংস্থাটি। টানা দু’বছর বিপুল সংখ্যক কর্মী ছাঁটাইয়ের পরও যে পরিস্থিতির বিশেষ পরিবর্তন হয়নি, ফের ছাঁটাইয়ের খবরে তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা অতিমারির সময় অনলাইন পরিষেবার চাহিদা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় বিপুল সংখ্যক কর্মী নিয়োগ করেছিল অ্যামাজন। ই-কমার্স, ক্লাউড সার্ভিস এবং ডিজিটাল বিনোদনের ক্ষেত্রে তখন অভূতপূর্ব ব্যবসায়িক লাভ দেখা গিয়েছিল। কিন্তু অতিমারির পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সেই অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ এখন সংস্থার কাছে ‘বোঝা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খরচ কমানো এবং লাভ বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই কর্মী সংকোচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে সংস্থার তরফ থেকে ইঙ্গিত মিলেছে। অ্যামাজনই একমাত্র সংস্থা নয়। গত কয়েক বছরে ফ্লিপকার্ট-সহ একাধিক বড় ই-কমার্স ও প্রযুক্তি সংস্থা কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হেঁটেছে। এমনকি ভারতের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস বিভিন্ন সময়ে কর্মী সংখ্যা কমিয়েছে। এর ফলে গোটা আইটি সেক্টরেই চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।একদিকে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি, অন্যদিকে বিশ্ব অর্থনীতির টালমাটাল অবস্থা, এই দুইয়ের চাপেই কর্মসংস্থানের বাজার ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নতুন বছরের শুরুতেই ফের অ্যামাজনের ছাঁটাইয়ের খবরে সেই আশঙ্কাই আরও গভীর হল।
94 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Jan 23, 2026, 03:09 PM
অনলাইন পরিষেবার চাহিদা পরিবর্তনের মধ্যে আমাজন আরও এক দফা ছাঁটাইয়ের ঘোষণা করেছে

অনলাইন পরিষেবার চাহিদা পরিবর্তনের মধ্যে আমাজন আরও এক দফা ছাঁটাইয়ের ঘোষণা করেছে

নতুন বছরের শুরুতেই ফের আতঙ্কের পরিবেশ আইটি ও ই-কমার্স দুনিয়ায়। বছর বদলালেও কর্মী ছাঁটাইয়ের ধারা যে থামছে না, তারই আরও এক নজির তৈরি করতে চলেছে বিশ্বের বৃহত্তম ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজন। সংস্থা সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহেই ফের এক দফা কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে চলেছে তারা। এই খবরে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে কর্মী মহলে।অ্যামাজনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংস্থার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কর্মী সংখ্যা কমানো হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (এডব্লিউএস) খুচরো বিক্রেতা বিভাগ, প্রাইম ভিডিও এবং মানবসম্পদ সংক্রান্ত শাখা যা ‘পিপল এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ নামে পরিচিত। এই সব ইউনিটে কর্মরত বহু কর্মীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে ২০২২ সালে প্রায় ২৭ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছিল অ্যামাজন। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালেও এক ধাক্কায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীকে বসিয়ে দেয় সংস্থাটি। টানা দু’বছর বিপুল সংখ্যক কর্মী ছাঁটাইয়ের পরও যে পরিস্থিতির বিশেষ পরিবর্তন হয়নি, ফের ছাঁটাইয়ের খবরে তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা অতিমারির সময় অনলাইন পরিষেবার চাহিদা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় বিপুল সংখ্যক কর্মী নিয়োগ করেছিল অ্যামাজন। ই-কমার্স, ক্লাউড সার্ভিস এবং ডিজিটাল বিনোদনের ক্ষেত্রে তখন অভূতপূর্ব ব্যবসায়িক লাভ দেখা গিয়েছিল। কিন্তু অতিমারির পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সেই অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ এখন সংস্থার কাছে ‘বোঝা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খরচ কমানো এবং লাভ বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই কর্মী সংকোচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে সংস্থার তরফ থেকে ইঙ্গিত মিলেছে। অ্যামাজনই একমাত্র সংস্থা নয়। গত কয়েক বছরে ফ্লিপকার্ট-সহ একাধিক বড় ই-কমার্স ও প্রযুক্তি সংস্থা কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হেঁটেছে। এমনকি ভারতের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস বিভিন্ন সময়ে কর্মী সংখ্যা কমিয়েছে। এর ফলে গোটা আইটি সেক্টরেই চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।একদিকে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি, অন্যদিকে বিশ্ব অর্থনীতির টালমাটাল অবস্থা, এই দুইয়ের চাপেই কর্মসংস্থানের বাজার ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নতুন বছরের শুরুতেই ফের অ্যামাজনের ছাঁটাইয়ের খবরে সেই আশঙ্কাই আরও গভীর হল।
45 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 20, 2026, 03:14 PM
আত্মহত্যার প্রচেষ্টায় ব্লু লাইনে মেট্রো পরিষেবা ব্যাহত

আত্মহত্যার প্রচেষ্টায় ব্লু লাইনে মেট্রো পরিষেবা ব্যাহত

ফের মেট্রোতে আত্মহত্যার চেষ্টা। ব্লু লাইন অর্থাৎ শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর রুটে বিপর্যস্ত পরিষেবা। মাস্টারদা সূর্য সেন (বাঁশদ্রোণী) স্টেশনে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক ব্যক্তি। এমনটাই জানা গিয়েছে মেট্রো সূত্রে। শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে টালিগঞ্জ(মহানায়ক উত্তম কুমার) পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ। অফিস ফেরত টাইমে ভোগান্তি যাত্রীদের।
83 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 20, 2026, 02:38 PM
ইইউ এবং ভারত ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে

ইইউ এবং ভারত ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:সুইজারল্যান্ডের দাভোসে আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম’ (WEF)-এর মঞ্চ থেকে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন। মঙ্গলবার তিনি জানান, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি ঐতিহাসিক ‘মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’ বা ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (FTA) স্বাক্ষরের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এই চুক্তিকে তিনি “মাদার অফ অল ডিলস” (India-EU Trade Deal) বা সমস্ত চুক্তির জননী হিসেবে অভিহিত করেছেন। উরসুলা ভন ডার লিয়েন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এখনও কিছু কাজ বাকি আছে, তবে আমরা একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছি। কেউ কেউ একে ‘মাদার অফ অল ডিলস’ বলছেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে তা ২০০ কোটি মানুষের এক বিশাল বাজার তৈরি করবে, যা বিশ্ব জিডিপির প্রায় এক-চতুর্থাংশ।” দীর্ঘদিন ধরে চলা এই আলোচনা মাঝখানে থমকে থাকলেও ২০২২ সালে তা নতুন করে শুরু হয়। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই চুক্তি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের বাণিজ্যিক অংশীদারদের বৈচিত্র্যময় করতে চাইছে এবং চিনের ওপর নির্ভরতা কমাতে চাইছে। অন্যদিকে, ভারতও তার রপ্তানি বাণিজ্যে গতি আনতে ইউরোপের মতো বড় বাজারের দিকে তাকিয়ে আছে। উরসুলা ভন ডার লিয়েন আরও জানান, দাভোস সম্মেলনের পরেই আগামী সপ্তাহে তিনি ভারত সফরে আসবেন। ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি এই বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কথা রয়েছে। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও এর আগে এই চুক্তিকে ‘মাদার অফ অল ডিলস’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এই চুক্তি কেবল শুল্ক কমানো বা বাণিজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি প্রযুক্তি, শক্তি নিরাপত্তা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
48 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 20, 2026, 02:38 PM
ইইউ এবং ভারত ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে

ইইউ এবং ভারত ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:সুইজারল্যান্ডের দাভোসে আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম’ (WEF)-এর মঞ্চ থেকে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন। মঙ্গলবার তিনি জানান, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি ঐতিহাসিক ‘মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’ বা ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (FTA) স্বাক্ষরের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এই চুক্তিকে তিনি “মাদার অফ অল ডিলস” (India-EU Trade Deal) বা সমস্ত চুক্তির জননী হিসেবে অভিহিত করেছেন। উরসুলা ভন ডার লিয়েন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এখনও কিছু কাজ বাকি আছে, তবে আমরা একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছি। কেউ কেউ একে ‘মাদার অফ অল ডিলস’ বলছেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে তা ২০০ কোটি মানুষের এক বিশাল বাজার তৈরি করবে, যা বিশ্ব জিডিপির প্রায় এক-চতুর্থাংশ।” দীর্ঘদিন ধরে চলা এই আলোচনা মাঝখানে থমকে থাকলেও ২০২২ সালে তা নতুন করে শুরু হয়। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই চুক্তি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের বাণিজ্যিক অংশীদারদের বৈচিত্র্যময় করতে চাইছে এবং চিনের ওপর নির্ভরতা কমাতে চাইছে। অন্যদিকে, ভারতও তার রপ্তানি বাণিজ্যে গতি আনতে ইউরোপের মতো বড় বাজারের দিকে তাকিয়ে আছে। উরসুলা ভন ডার লিয়েন আরও জানান, দাভোস সম্মেলনের পরেই আগামী সপ্তাহে তিনি ভারত সফরে আসবেন। ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি এই বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কথা রয়েছে। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও এর আগে এই চুক্তিকে ‘মাদার অফ অল ডিলস’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এই চুক্তি কেবল শুল্ক কমানো বা বাণিজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি প্রযুক্তি, শক্তি নিরাপত্তা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
89 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 17, 2026, 03:52 PM
অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে মোট নিয়োগ কমেছে

অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে মোট নিয়োগ কমেছে

নতুন কিছু নিয়োগ হয়েছে। কিন্তু বিপুল হারে হয়েছে ছাঁটাই। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ৯ মাসে নিট নিয়োগ মিলেছে ১৭ কর্মীর। নরেন্দ্র মোদীর সরকারের শাসনে এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে দেশের তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে।গত অর্থবর্ষ, ২০২৪-২৫’র প্রথম ৯ মাসে নিট নিয়োগের সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৯৪। বিশেষজ্ঞদের মতে এই সংখ্যাও যথেষ্ট উদ্বেগের। কিন্তু চলতি অর্থবর্ষ, ২০২৫-২৬’র প্রথম ৯ মাসে সেটুকুও নেই।কেন এই হ্রাস? বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন অন্যতম কারণ এআই মডেল। কিন্তু কেবল এটিই একমাত্র কারণ নয়। সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থবিরতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কে অনিশ্চয়তাও দায়ী।ভারতে তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্র পরিষেবা দেয় বিদেশে, বিশেষ করে, পশ্চিমের বিভিন্ন অর্থনীতিতে।তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে শীর্ষ থাকা পাঁচ সংস্থা, যার মধ্যে রয়েছে টিসিএস এবং ইনফোসিস, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম তিন ত্রৈমাসিকে উদ্বেগজনক ফল দেখিয়েছে। টিসিএস’র ছাঁটাই নিয়োগকে ছাপিয়ে গিয়েছে। নিট ছাঁটাই ২৫ হাজার ৮১৬। ইনফোসিসের নিট নিয়োগ ১৩ হাজার ৪৫৬। তবে শীর্ষস্থানীয় বাকি তিন সংস্থার হাল খুবই শোচনীয়।এইচসিএলটেকের নিট নিয়োগ ১, ৮৮৫। উইপ্রোর ৯ হাজার ৭৪০। টেক মাহিন্দ্রার ৭৫২
31 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Jan 9, 2026, 03:02 PM
ইরানের অর্থনৈতিক বিপর্যয় খামেনি সরকারের বিরুদ্ধে নতুন করে বিক্ষোভের সূত্রপাত করেছে

ইরানের অর্থনৈতিক বিপর্যয় খামেনি সরকারের বিরুদ্ধে নতুন করে বিক্ষোভের সূত্রপাত করেছে

২০২২ সাল। মাহসা আমিনির মৃত্যুর পরে বাধ্যতামূলক ভাবে হিজাব পরার আইনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল ইরান। একের পর এক মহিলা হিজাব ছুড়ে ফেলে, কাঁচি দিয়ে মাথার চুল কেটে আলি খামেনেই নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। ৫৫১টি প্রাণ বলি দিলেও দমন-পীড়নে সেই বিক্ষোভের আগুন ধামাচাপা দিয়েছিল ইরানের সরকার। সেই ছা্ই চাপা আগুন এখন ফের দাউদাউ করে জ্বলে উঠেছে সেই দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা, ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে। গত ১৩ দিন ধরে একটু একটু করে গোটা ইরান জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদের আগুন। আর মাথার চুল কেটে হিজাব প্রতিবাদের মতোই এ বারের প্রতিবাদও পেয়েছে এক নতুন ভাষা।সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ভাইরাল একটি দৃশ্য— ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের ছবিতে আগুন ধরিয়ে, সেই আগুনেই সিগারেট ধরাচ্ছেন ইরানি তরুণীরা। ইরান বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দৃশ্য শুধুমাত্র একটি ভিডিয়ো নয়। একে খামেনেই সরকারের উপরে দ্বিমুখী চপেটাঘাত বলা যেতে পারে।ইরানে খামেনেইয়ের অবমাননা করা গুরুতর অপরাধ। অন্যদিকে, মহিলাদের প্রকাশ্যে ধূমপানকেও সেখানে ‘অশালীন’ ও সমাজবিরোধী কাজ হিসেবে দেখা হয়। খামেনেইয়ের জ্বলন্ত ছবি দিয়ে সুখটানে, ইরানি মহিলারা একই সঙ্গে রাজনৈতিক স্বৈরতন্ত্র এবং কট্টর ধর্মীয় অনুশাসন— উভয়কেই একযোগে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছেন।মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং খাদ্যের আকাশছোঁয়া দামে ধুঁকছে ইরান। সেটাই বছর খানেক আগের চাপা পড়া বিক্ষোভকে ফের উস্কে দিয়েছে। রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বে বদল চাইছেন সেই দেশের সাধারণ মানুষ। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে ছড়িয়ে পড়া সিগারেট ধরানোর এই ভিডিয়োগুলিই বলে দিচ্ছে ডান্ডা দিয়ে যতই ক্ষোভ-বিক্ষোভ ঠান্ডা করার চেষ্টা হোক, তাতে বিশেষ কাজ হচ্ছে না।🇮🇷 Las mujeres de Irán vuelven tendencia fotografiarse prendiendo un cigarrillo con la foto en llamas del líder supremo, Ali Jamenei.pic.twitter.com/ufYLoNaphUখামেনেই প্রশাসন অবশ্য চুপ করে বসে নেই। গত বারের মতো এই বারও দমন-পীড়নের আশ্রয় নিয়েছে ইরান সরকার। ১৩ দিন ধরে চলা এই বিক্ষোভে ইতিমধ্যেই ৪২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন করা হয়েছে বিক্ষোভে সামিল দুই হাজারের বেশি মানুষকে।শুক্রবার খামেনেই নিজেই আন্দোলনকারীদের ‘বিদেশি চর’, ‘বর্বর দাঙ্গাবাজ’ এবং ‘ইজ়রায়েল-আমেরিকার এজেন্ট’ বলে দাগিয়ে দিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে পেলেট ছুড়ছে সেখানকার পুলিশ। কিছু মহিলার অভিযোগ, ইচ্ছে করে মহিলাদের চোখ লক্ষ্য করে পেলেট ছোড়া হচ্ছে।তবে এতে ভয় পাওয়ার বদলে তেহরান থেকে রাশত— ক্রমে রাজপথের দখলে নিচ্ছে সাধারণ মানুষ। তাদের সাফ কথা, ‘ওরা আমাদের গাড়ি পোড়ায়, মা-বোনদের তুলে নিয়ে যায়। এ বার আমরাই ওদের ভ্যান পোড়াব। এই দেশ আমাদের।’ মাহসা আমিনির মৃত্যুতে যে স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়েছিল, তা এখন দাবানল হয়ে গ্রাস করতে চাইছে ইরানের বর্তমান শাসনকে।
91 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 8, 2026, 03:45 PM
ভারত থেকে 1,80,000 মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশের অনুমোদন

ভারত থেকে 1,80,000 মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশের অনুমোদন

ভারত থেকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার মেট্রিক টনের জ্বালানি তেল কিনতে চলেছে বাংলাদেশের ইউনুস সরকার। ব্যয় হবে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। একটি অংশ দেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন(বিপিসি) বাকি অর্থ দেওয়া হবে ব্যাংকঋণের মাধ্যমে। এই ডিজেল আমদানির প্রস্তাব চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেড’র কাছ থেকে এই বিপুল পরিমাণ তেল কিনবে ঢাকা। মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চুড়ান্ত অনুমোদন হয় বুধবার। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ভারত থেকে এই ডিজেল আমদানি করা হবে। গত ২২ অক্টোবর অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের জন্য ২০২৬ সালে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তে এবার নির্দিষ্টভাবে এনআরএল থেকে ডিজেল আমদানির প্রস্তাব চূড়ান্ত করল।একটি সূত্র জানা গেছে, অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এনআরএলের সঙ্গে দর-কষাকষির ভিত্তিতেই এই আমদানির ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে মোট খরচ ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৯১ লক্ষ ৩৩ হাজার ২১৬ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৪৬১ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা। প্রতি ব্যারেল ডিজেলের প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে ৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার এবং ভিত্তিমূল্য ৮৩ দশমিক ২২ মার্কিন ডলার। আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আমদানি চুক্তির শর্ত ও বিশ্ব বাজারের ওঠানামার ওপর নির্ভরশীল। ফলে এটি কোনো স্থায়ী বা নির্দিষ্ট একক দাম নয় বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী এ মূল্য বাড়তে বা কমতে পারে। জ্বালানি কিনতে ভারতেরই দ্বারস্থ কেন ইউনুস সরকার সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানান, ‘‘ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে ১৫ বছরের একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির ভিত্তিতে। এই চুক্তি বর্তমান সরকারের সময়ে করা হয়নি, আগের সরকারের সঙ্গে করা চুক্তির ধারাবাহিকতাতেই আমদানির কাজ চলছে। গত বছরের জানুয়ারি মাসেও নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল সরকারি ক্রয় কমিটি। সে সময়ও প্রতি ব্যারেল ডিজেলের প্রিমিয়াম নির্ধারিত ছিল ৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার। তিনি বলেন, ভারত ছাড়াও চিন, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, আরব আমিরাত থেকে জিটুজি মেয়াদি চুক্তির ভিত্তিতে জ্বালানি তেল কিনছে বাংলাদেশ সরকার।’’এনআরএলের পরিশোধনাগার রয়েছে আসামে। সেখান থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে শিলিগুড়ি শহরের এনআরএলের বিপণন টার্মিনালে ডিজেল পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে ওই টার্মিনাল থেকে ডিজেল সরবরাহ করা হয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন’র পার্বতীপুর ডিপোতে। ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে দীর্ঘদিন ধরে রেল পথে এই ডিজেল পরিবহন করা হয়ে আসছিল।
91 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Jan 7, 2026, 04:05 PM
বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধনের সময় উত্তরপ্রদেশের বুথ স্তরের আধিকারিকরা কাজের চাপে অভিভূত

বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধনের সময় উত্তরপ্রদেশের বুথ স্তরের আধিকারিকরা কাজের চাপে অভিভূত

বাড়ি বাড়ি গিয়ে SIR-এর এনিউমারেশন ফর্ম বিলি, ভোটারদের ফর্ম পূরণে সাহায্য করা এবং সময়ের মধ্যে সেটির ডিজিটাইজ়েশন করার কাজের চাপ নিয়ে অভিযোগ তুলেছিল রাজ্যের BLO-দের একাংশ বলে অভিযোগ। অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণ দেখিয়ে আত্মহননের পথও বেছে নিয়েছেন একাধিক BLO। SIR-এর শুনানি চলাকালীন ভোটারদের তথ্য যাচাই ও সংশোধন পর্বে বড় ভূমিকা রয়েছে ERO ও AERO-দের। একাধিক বিষয়ে অসঙ্গতি থাকায় রাজ্যের CEO মনোজ কুমার আগরওয়ালকে চিঠি দিল ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম অফিসার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন।’চিঠিতে জানানো হয়েছে, একেক জন AERO-কে সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার ‘সন্দেহজনক ভোটার’-এর কেস সামলাতে হচ্ছে। ৭ ফেব্রুয়ারির আগে শুনানি সংক্রান্ত এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এই সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করাটা প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করছে এই সংগঠন।১) এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কী ভাবে নির্ভুল ও ত্রুটিমুক্ত নথি যাচাইকরণ সংক্রান্ত কাজ করা সম্ভব? সে ক্ষেত্রে হয় সময়সীমা বাড়ানো হোক অথবা একজন আধিকারিকের কাছে ৩৫০০-৪০০০ কেসের দায়িত্ব না দিয়ে অনেকের মধ্যে এই কাজ ভাগ করে দেওয়া হোক।২) কোনও লিখিত বিজ্ঞপ্তি জারি না করেই হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বা ভার্চুয়ালি নথি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বার্তা পাঠানো হচ্ছে। এই জাতীয় বার্তা লিখিত আকারে নোটিস জারি করে দেওয়া হোক।৩) পর্যাপ্ত যাচাইকরণ না করে অটোমেটিক ফর্ম ৭ জেনারেট করা হচ্ছে। তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় ERO/AERO সংগঠনের তরফে।৪) আরপিএ অ্যাক্ট, ১৯৫০-এর সেকশন ২৮ অনুযায়ী গতবারের SIR-এর তথ্যের সঙ্গে ম্যাপিং সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট রুল রয়েছে? থাকলে সেই বিষয়ে স্পষ্ট জানানো হোক।৫) ‘সন্দেহজনক ভোটার’ সঠিক নথি না দেখাতে পারলে ঠিক কোন লিগ্যাল গ্রাউন্ডে তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে, সেই বিষয়টি নিয়েও বিস্তারিত জানানো হোক।চিঠিতে ওই সংগঠনের তরফে পরিষ্কার ভাবে জানানো হয়েছে, ‘আমরা সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বিপুল সংখ্যক ভোটার যাদের পূর্ববর্তী SIR-এর সঙ্গে সংযোগ রয়েছে বলে দেখা গিয়েছে, তাঁদের এখন সিইও পোর্টালে ‘সন্দেহজনক ভোটার’ সংক্রান্ত কেস-এ শুনানির জন্য বাছাই করা হচ্ছে। বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ, ভার্চুয়াল সভা এবং ECI/CEO অফিস থেকে মৌখিক নির্দেশের মাধ্যমে আমাদের জানানো হয়েছে যে এই ধরনের নির্বাচকদের ‘নো ম্যাপিং’ মামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং তাদের জন্য নতুন শুনানি পরিচালনা করা উচিত। এই নির্বাচকদের পূর্ববর্তী SIR-এর সঙ্গে তাদের সংযোগ স্থাপনের জন্য কিছু নির্ধারিত নথি জমা দিতে হবে, অন্যথায় তাদের নাম মুছে ফেলার প্রস্তাব করা হচ্ছে।’যদিও এই চিঠি সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্যের CEO দপ্তরের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক CEO দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই সংগঠনের তরফে যে বিষয়গুলি জানানো হয়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখা হবে।
30 shares
😢