Achira News Logo
Achira News
G
Ganashakti Patrika
May 5, 2026, 03:52 PM
রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সিপিআই (এম) সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর

রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সিপিআই (এম) সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর

নির্বাচনী ফল প্রকাশের পর এক সিপিআই(এম) সমর্থকের বাড়ি চড়াও হয়ে মারধোর, বাড়ি ভাঙচুর করল নব্য বিজেপি কর্মীরা। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে গড়িয়া স্টেশনের কাছে শান্তিনগর শিবতলা এলাকায়। অভিযোগ, আক্রমণকারীরা দুপুর পর্যন্ত তৃণমূল ছিল। রাজ্যে বিজেপি জয়ী হওয়ার হাওয়া বুঝে তারা তৃণমূলের ঝান্ডা ছেড়ে বিজেপির ঝান্ডা ধরে। সিপিআই(এম) সমর্থক সঞ্জু মজুমদারের বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী মাম্পি মজুমদারকে মারধর করে। তাঁদের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। রাজপুর সোনারপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের এই ঘটনায় হতবাক স্থানীয় বাসিন্দারাও। তাঁদের কথায়, হামলাকারীরা তৃণমূল করতো। হাওয়া বুঝে পাল্টি খেয়ে সিপিআই(এম) সমর্থকের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।এদিকে এই হামলার ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার আক্রান্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন সোনারপুর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআই(এম) প্রার্থী মোনালিসা সিনহা, অপূর্ব মন্ডল, রঞ্জু চক্রবর্তীসহ স্থানীয় নেতৃত্বরা। তাঁরা ওই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
98 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
May 5, 2026, 03:45 PM
নির্বাচনের ফলাফলের পর বীরভূমে হিংসা, একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত

নির্বাচনের ফলাফলের পর বীরভূমে হিংসা, একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত

রক্তপাতহীন হল না এবারের ভোটপর্বও। ভোটের ফল প্রকাশের পর অশান্ত হল বীরভূম। স্রেফ বদল হল আক্রান্ত ও আক্রমণকারীদের অবস্থানের। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষের প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর। অভিযোগের তীর বিজেপি’র দিকে। নানুরের সন্তোষপুরে এদিন দুপুর থেকে শুরু হয় বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ। অভিযোগ, রাস্তায় ফেলে কোদাল দিয়ে তৃণমূল কর্মী আবির শেখকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও দুজন। তাদের মধ্যে এজন বিজেপি কর্মী। রক্তাক্ত অবস্থায় আহত দুজনকে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ব্যপক উত্তেজনা এলাকায়। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীমোতায়েন করা হয়েছে। চলছে টহল। জখম তৃণমূল কর্মী আলি হোসেনের মা মুশকুরা বিবি জানিয়েছেন, ‘‘আমার ছেলে ও তাঁর বন্ধু আবিরকে কুপিয়ে দিয়েছে রাস্তায় ফেলে। আবির মারা গিয়েছে। বিজেপির লোক মেরেছে।’’রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই রাজ্যের দিকে দিকে শুরু হয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসা। বীরভূমের বিভিন্ন এলাকায় মারধর, অশান্তি, অগ্নিসংযোগের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। সামনে এসেছে একাধিক তৃণমূল কার্যালয় দখলের। সাথে সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক ঘটনাও ঘটেছে। যেমন কঙ্কালীতলা মন্দিরে ‘বিধর্মীদের প্রবেশ নিষেধ’ সংবলিত একটি পোস্টার টাঙিয়ে বিজেপি কর্মীরা সেবাইতদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘হিন্দু ছাড়া কোনো ধর্মের মানুষ যেন মন্দিরে প্রবেশ না করে।’ এর মাঝেই আবার সদ্য নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে দেখা গেছে পথে নেমে বিরোধী দলের কার্যালয়, বিরোধী কর্মীদের বাড়িতে হামলার বিরুদ্ধে ‘সক্রিয়’ হতে। বলেছেন, ‘‘যে হামলাগুলি হয়েছে তার সাথে বিজেপির কোনো যোগ নেই। নতুন হওয়া কিছু বিজেপি এটা করছে। পুলিশকে বলেছে যারা এমন করছে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।’’ কিন্তু সিউড়ি নয়া বিধায়কের এই উদ্যোগে অশান্তির আঁচ দমানো যায় নি। নানুরের সন্তোষপুরের ঘটনা তার প্রমান। এদিন গ্রামে দুপুর থেকে শুরু হয় বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষ। হাতে দা, কাটারি, কোদাল নিয়ে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ চলতে থাকে। দুপক্ষের মধ্যে বোমাবাজিও হয়। অভিযোগ বিজেপি এরা বিজয় মিছিল করে ফেরার পথে রাস্তায় ফেলে দুই তৃণমূল কর্মীকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় আবির শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মীর। আর গুরুতর জখম হন আলি হোসেন নামে আরেক তৃণমূল কর্মী। সংঘর্ষে গুরুত্বর জখম হন সুদেব মাঝি নামে এক বিজেপি কর্মী। বিজেপি কর্মী সুদেব মাঝি জানিয়েছেন, ‘‘আমরা বিজয় মিছিল করে ফিরছিলাম। সেই সময় তৃণমূলের লোকজন হাতে কাটারি নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে, বোমা মারে। আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কোপ মেরেছে, গ্রামে আরও অনেকে আহত হয়েছে।’’
79 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
May 5, 2026, 03:35 PM
জমি সংক্রান্ত অধিকারের দাবিতে মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলায় কৃষকদের ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল

জমি সংক্রান্ত অধিকারের দাবিতে মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলায় কৃষকদের ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল

১৫ হাজার কৃষকের বিশাল প্রতিবাদী মিছিল হলো মহারাষ্ট্রের দাহানুতে। এই বিশাল মিছিলের জন্য পুরো দাহানু শহর লাল রঙে ছেয়ে যায়।এসডিও-র কার্যালয় পর্যন্ত এই মিছিল হয়।সারা ভারত কৃষক সভার নেতৃত্বে এই কৃষকেরা পালঘর জেলার দাহানু এবং তালাসারি, এই দু‘টি মহকুমা থেকে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে বহু নারী ও যুবকও ছিলেন। সিআইটিইউ, মহিলা সমিতি, ডিওয়াইএফআই, এসএফআই কর্মীরাও এই মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে নেতৃত্ব দেন সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো সদস্য অশোক ধাওলে ও মরিয়ম ধাওলে, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিধায়ক বিনোদ নিকোলে সহ নেতৃবৃন্দ।চলতি বছর পালঘর, নাসিক এবং আকোলে কৃষকদের লং মার্চের ফলস্বরূপ, কালেক্টর এবং পরবর্তীতে রাজ্য সরকার লিখিতভাবে জানাতে বাধ্য হয় যে, বন অধিকার আইন, পুরোনো জমিদারদের জমি, বাড়ির জন্য জমি ইত্যাদি সহ সমস্ত ভূমি-সংক্রান্ত দাবি নতুন করে পুনর্বিবেচনা করা হবে এবং এই জমির অধিকার কৃষকদের নামে ন্যস্ত করা হবে। সেই অনুযায়ী, থানে-পালঘর জেলায় কৃষক সভার পক্ষ থেকে হাজার হাজার নতুন ভূমি-সংক্রান্ত দাবি পূরণের জন্য একটি ব্যাপক প্রচার অভিযান চালানো হয়। এদিনের মিছিল থেকে সেই সমস্ত দাবি এসডিও-র কাছে জমা দেওয়া হয়। এসডিও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সব দাবি ফের খতিয়ে দেখা এবং তাড়াতাড়ি সম্ভব জমির অধিকার প্রদান করতে সম্মত হয়েছেন।নেতৃবৃন্দ জল, সেচ, বিদ্যুৎ, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, রাস্তাঘাট ইত্যাদি বিষয়ে জনগণের আরও বেশ কিছু স্থানীয় সমস্যা উত্থাপন করেন। এসডিও সেগুলির বিষয়ে মেটানোর সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন।
69 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 02:10 PM
বড় জাহাজ এবং জাহাজে হান্টাভাইরাস প্রাদুর্ভাব স্বাস্থ্যের উদ্বেগ বাড়িয়েছে

বড় জাহাজ এবং জাহাজে হান্টাভাইরাস প্রাদুর্ভাব স্বাস্থ্যের উদ্বেগ বাড়িয়েছে

সাম্প্রতিক সময়ে বড় বড় ক্রুজ় ও জাহাজগুলিতে হান্টাভাইরাস (Hantavirus ) সংক্রমণের কথা বারবার খবরের শিরোনামে আসছে। যা নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বেশ উদ্বিগ্ন। এখন পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে এই ভাইরাসের সংক্রমের কারণে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ভাইরাস খুবই বিরল এবং মারাত্মক। COVID-19-এর থেকেও ভয়ঙ্কর হতে পারে এই ভাইরাস।Hantavirus হলো এমন এক ধরনের ভাইরাস, যা প্রধানত ইঁদুর বা রোডেন্ট জাতীয় প্রাণীর মাধ্যমে ছড়ায়। ইঁদুরের প্রস্রাব, লালা এসব থেকে এই ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তবে এই ভাইরাস, COVID-19 বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো এটি সহজেই মানুষের মধ্যে ছড়ায় না। সাধারণত রোডেন্ট জাতীয় প্রাণীরা কোনও খাবারে লালা বা প্রস্রাব-মল ত্যাগ করলে সেই খাবার মানুষ খেলে তা থেকে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে।এর প্রাথমিক লক্ষণ অনেকটা ফ্লুর মতো। ফলে অনেকেই প্রাথমিক পর্যায়ে তা ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ জ্বর বলে মনে করেন। এ ছাড়াও পেশিতে ব্যথা, মাথাব্যথা, অল্পেতেই ক্লান্তি, বমি এই লক্ষণগুলি দেখা যায়। তবে অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের সমস্যাও হতে পারে, যাকে বলা হয় Hantavirus Pulmonary Syndrome (HPS)। চিকিৎসকরেরা জানিয়েছেন, মূলত ইঁদুর থেকে ছড়াচ্ছে এই ভাইরাস। কিছু দিনের মধ্যেই ভয়ঙ্কর আকার নিতে পারে এবং মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় বড় জাহাজের কার্গোতে দীর্ঘদিনের জন্য খাবার মজুত থাকে। সেখানে ইঁদুর বা রোডেন্ট জাতীয় প্রাণীরা বাসা বাঁধে এবং ভাইরাস ছড়ায়। ক্রুজ়ের অনেক যাত্রী ও কর্মী একসঙ্গে থাকেন এবং ওই খাবার খাওয়ার ফলে তাঁদের মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা।বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এই রোগ বিরল হলেও অত্যন্ত মারাত্মক। কোভিড ১৯-এর থেকেও HPS-এর মৃত্যুহার বেশি এবং আরও চিন্তার ব্যপার হলো এর নির্দিষ্ট কোনও অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। শ্বাসকষ্ট বা ফুসফুসে এই ভাইরাসের সংক্রমণ হলে অক্সিজেন সাপোর্টই একমাত্র ভরসা, এমনটাই মনে করছেন চিকিৎসকরা। সারা বিশ্বে ভ্রমণের বিষয়েও বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।জাহাজগুলিতে পেস্ট কন্ট্রোল ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে বলা হয়েছে। পরিষ্কার, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং স্টোরেজ খাবারকে সঠিক ভাবে সংরক্ষণ করা উচিত এবং কেউ ভ্রমণের পর যদি ফ্লুর মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
44 shares
😢
A
AajKaal News
May 5, 2026, 02:05 PM
জি বাংলার'কানে দেখা আলো'- তে মোড় আসে

জি বাংলার'কানে দেখা আলো'- তে মোড় আসে

বিরাট চমক আসছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'কনে দেখা আলো'য়। কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল বনলতা সুদেবকে মিথ্যে আত্মহত্যার গুঞ্জন ছড়াতে শেখায়। যাতে লাজু গ্রামে ফেরে, আর তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। বনলতা চেয়েছিল এভাবেই লাজুকে দূরে সরিয়ে অনুভবের কাছাকাছি আসবে। বনলতার প্ল্যান অনুযায়ী সুদেবও তাই-ই করে। কিন্তু এরপর ধারাবাহিকে আসছে বিরাট মোড়। ফাঁস হবে বনলতার কারসাজি। দেখা যাবে, সুদেবের শ্রাদ্ধের দিন তাকে একজন গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে। সুদেবকে দেখে চমকে ওঠে বাড়ির সবাই। এদিন উপস্থিত ছিল বনলতা ও অনুভবও। সুদেব কেন এই কাজ করল? সবাই মিলে তাকে দোষ দিলে সে ভয় পেয়ে বনলতার সব কীর্তি ফাঁস করে দেয়। বনলতা নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চাইলেও লাজু তাকে বাধা দেয়। লাজু জানিয়ে দেয় সুদেবের সঙ্গে সে আর সংসার করবেই না। সুদেবের মা তাকে বলে যে, সিঁথিতে সিঁদুর যেন পড়ে। কিন্তু লাজু সেটাও নাকচ করে দেয়। লাজু জানায়, যে তার সঙ্গে এমন মিথ্যাচার করে তাকে সে কিছুতেই ক্ষমা করবে না। লাজু জানায়, সে কলকাতায় গিয়ে ডাক্তারি পড়াশোনা আবার শুরু করবে। লাজুর পাশে বরাবরের মতোই থাকে অনুভব। এবার কী হবে? বনলতাকে কী শাস্তি দেওয়ার জন্য ডিভোর্স দেবে অনুভব? লাজুর সঙ্গে এবার কি মিল হবে তার? সুদেবেরই বা কী হবে? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক। টিআরপিতে 'কনে দেখা আলো' এখন এক থেকে দশের মধ্যে থাকে। এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক। বনলতা, লাজু, সুদেব ও অনুভবের জীবনে নানা টানাপোড়েন দেখতে দারুণ পছন্দ করেন দর্শক। তাই এই মেগার প্রতিটা পর্ব নিয়েই চর্চা চলে নেটপাড়ায়।
4 shares
😢
A
AajKaal News
May 5, 2026, 01:57 PM
শিবপুর আসনে জয়ী বিজেপি তারকা প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ, টলিউডে যোগ দেওয়ার ডাক

শিবপুর আসনে জয়ী বিজেপি তারকা প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ, টলিউডে যোগ দেওয়ার ডাক

শিবপুরে রীতিমত ঝড় তুলে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতে পদ্ম ফুটিয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ। ১৬ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন। ২০ রাউন্ড গণনার শেষে রুদ্রনীল ঘোষ ১৬,০৫৮ ভোটে জিতলেন। পিছনে ফেললেন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রানা চট্টোপাধ্যায় সহ বাকিদের। শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে রীতিমত চমক দেখালেন বিজেপির তারকা প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ। এরপর থেকেই টলিউডের 'হাওয়া বদল'-এর জন্য রুদ্রনীলের কাছে আর্জি জানাচ্ছেন ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই। সমাজমাধ্যমে রুদ্রনীলের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, এবার যেন টলিউডের হাল ধরেন তিনি। রাজনীতির আড়ালে টলিপাড়ায় যে 'দাদাগিরি' চলে, সেই নিয়ে বহুবার ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন টলিউডের অনেকেই। বাংলায় এই পরিবর্তন আসায় আরও জোরালো হয়েছে এই আর্জি। তবে রুদ্রনীল ঘোষ এখনও পর্যন্ত টলিপাড়ার হাল ধরবেন কিনা তা নিয়ে কিছু জানাননি। যদিও এই একই আর্জি জানানো হয়েছে অন্যান্য জয়ী বিজেপি তারকা প্রার্থীদের কাছে। তালিকায় আছেন রূপা গাঙ্গুলি, পাপিয়া অধিকারী, শর্বরী মুখার্জির নামও। এবার রুদ্রনীলকে নিয়ে সমাজমাধ্যমে সরব হলেন পরিচালক জয়ব্রত দাস। রাজনীতিবিদ, অভিনেতার সপক্ষে পরিচালক লেখেন, 'রুদ্রনীল ঘোষকে নিয়ে এবার সিনেমার তৈরির জোয়ার আসতে চলেছে ! দেখবেন হঠাৎ করে, অসম্মভ দক্ষ এই অভিনেতাকে দীর্ঘ দিন ধরে কাজে না নেয়ার গিল্ট ট্রিপ সব্বাই কে দুম করে হিট করবে!' (পোস্টের সমস্ত বানান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।) জয়ব্রতর প্রথম ফিচার ফিল্ম 'অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস'-এ দেখা গিয়েছিল রুদ্রনীল ঘোষকে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে লড়েছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। কিন্তু ব্যাপক মার্জিনে তৃণমূলের কাছে পরাজিত হন। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির হয়ে শিবপুর কেন্দ্র থেকে লড়াই করছেন। তাঁর এবারের লড়াইয়ের স্লোগান 'জঞ্জালমুক্ত শিবপুর'। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় তাঁকে বিজেপি থেকে টিকিট দেওয়া হয়নি। ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন রুদ্রনীল ঘোষ। প্রথমে তিনি বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ পরিষদের চেয়ারম্যান হন। এরপর তিনি পদ্ম শিবিরে যোগ দেন।
72 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 01:09 PM
পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দিন সহিংসতায় দুই তৃণমূল কর্মী নিহত, দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর

পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দিন সহিংসতায় দুই তৃণমূল কর্মী নিহত, দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর

ভোট মিটতেই আবার হিংসার ঘটনা রাজ্যে। কোথাও গলা কেটে খুন করা হলো তৃণমূল কর্মীকে। কোথাও আবার বিজয় উৎসব সেরে ফেরার পথে খুন হয়ে গেলেন বিজেপি কর্মী।মঙ্গলবার বীরভূমের নানুরের সন্তোষপুরে তৃণমূলের বুথ সভাপতি আবির শেখকে গলা কেটে খুন করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় আরও এক তৃণমূল কর্মীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে। এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই উত্তপ্ত নানুর। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশের বড় বাহিনীও পৌঁছেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হননি।নানুরের তৃণমূল বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাজি বলেন, ‘বিজেপির লোকেরা চারিদিকে তাণ্ডব চালাচ্ছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই বুথ সভাপতির গলা কেটে দিয়েছে। আরও একজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। তার অবস্থাও শোচনীয়। তৃণমূল কর্মীদের ঘরবাড়ি, পার্টি অফিসেও ভাঙচুর চলছে।’ শান্তিনিকেতনে স্টেট ব্যাঙ্কের সামনে তৃণমূলের মুখপাত্র জামশেদ আলি খানকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। সেটির সত্যতা এই সময় অনলাইন যাচাই করেনি। তবে ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, গলায় গেরুয়া উত্তরীয় পরে কয়েক জন ঘিরে ধরে মারধর করছেন জামশেদকে। যদিও, তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজয় উৎসব সেরে বাড়ি ফেরার পথে হাওড়ার এক বিজেপিকর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তারা তৃণমূলের মদতপুষ্ট বলে অভিযোগ। সোমবার রাতে উদয়নারায়ণপুরের দক্ষিণ মানশ্রী গ্রামের ঘটনা। মৃতের নাম যাদব বর। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে উদয়নারায়ণপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।উদয়নারায়ণপুরের বিজেপি নেতা প্রভাকর পণ্ডিত বলেন, ‘যাদব বর আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। সোমবার রাতে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আনন্দ করে বাড়ি ফেরার পথে যাদবকে একা পেয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে হাসপাতালে ওর মৃত্যু হয়।’ যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ভোটের পর দিকে দিকে তাঁদের দলের কর্মীরাই মার খাচ্ছেন। তাই বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন।
84 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
May 5, 2026, 12:38 PM
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের ফলাফলের পর ভুয়ো খবরের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিল কলকাতা পুলিশ।

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের ফলাফলের পর ভুয়ো খবরের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিল কলকাতা পুলিশ।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বিভিন্ন স্থানে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশ বিশেষভাবে সমাজমাধ্যমের উপর নজরদারি বাড়িয়েছে। ভুয়ো বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশের তরফে সমাজমাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়েছে, ফল ঘোষণার পর অনেক বিভ্রান্তিকর পোস্ট ঘুরছে, যেখানে অন্য জায়গার ছবি বা ভিডিও কলকাতার বলে প্রচার করা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের মিথ্যা প্রচারের উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং যারা ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এমন কাজ করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে কলকাতার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সাধারণ নাগরিকদের উদ্দেশে আবেদন করা হয়েছে, কোনও খবর যাচাই না করে তা বিশ্বাস বা শেয়ার না করতে। দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, সোমবার রাজ্যের ২৯৩টি আসনের গণনা সম্পন্ন হয়েছে। তার মধ্যে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয়লাভ করেছে এবং তৃণমূল পেয়েছে ৮০টি আসন। একটি আসনের ফলাফল এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি। এই ফলাফলের ভিত্তিতে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে। তবে ফল ঘোষণার পর থেকেই শহর ও শহরতলির বিভিন্ন এলাকায় হিংসার অভিযোগ উঠছে। বেশ কিছু জায়গায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর বা দখলের অভিযোগ এসেছে। কলকাতার কিছু এলাকাতেও মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনা সামনে এসেছে। শহরের শান্তি বজায় রাখতে এবং গুজব রুখতে পুলিশ এই সতর্কবার্তা জারি করেছে।
31 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 12:25 PM
শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশের বিরোধিতা করা মামলাকারীদের তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের

শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশের বিরোধিতা করা মামলাকারীদের তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের

যে মামলার প্রেক্ষিতে ৮ বছর আগে কেরালার শবরীমালা মন্দিরে সব বয়সি মহিলাদের প্রবেশে ছাড়পত্র দিয়ে রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট, সেই মামলার মূল মামলাকারীই এ বার বিচারপতিদের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন শীর্ষ আদালতের ৯ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ মামলাকারীকে ভর্ৎসনা করে বলল, খ্যাতি-প্রচার পেতেই কি সেই সময়ে জনস্বার্থ মামলা করা হয়েছিল?শবরীমালা মন্দিরে সব বয়সি মহিলাদের প্রবেশে অনুমতি চেয়ে মূল মামলাটি করেছিল আইনজীবীদের একটি সংগঠন ‘ইন্ডিয়ান ইয়ং লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন’। ২০১৮ সালে সেই মামলায় রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পরে তা নিয়ে আপত্তি তুলে বহু পুনর্বিবেচনার আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্ট। এখন সেই সব আবেদন নিয়েই শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে। বিভিন্ন পক্ষ তাদের অবস্থান শীর্ষ আদালতের সামনে তুলে ধরছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারও শবরীমালা মন্দিরে ঋতুযোগ্য নারীদের প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করেছে।এই রায় পুনর্বিবেচনার মামলায় মামলাকারী আইনজীবীদের সংগঠনের উদ্দেশে মঙ্গলবার বিচারপতি বিভি নাগারত্ন বলেন, ‘আপনারা কারা? শবরীমালা মন্দিরের বিষয়টি নিয়ে আপনারা এত কেন চিন্তিত? দয়া করে আমাদের বলুন।’ সংগঠনের আইনজীবী বলেন, ‘আমি ঈশ্বরে বিশ্বাসী।’ পাল্টা প্রধান বিচারপতি কান্ত প্রশ্ন করেন, ‘আপনি কি দেশের প্রধান পুরোহিত?’ বিচারপতি নাগারত্নও প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা এত বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত কেন? নিজেদের কাজে মন দিন।’আইনজীবীদের সংগঠনের তরফে কেন শবরীমালা মন্দিরের মামলা করা হয়েছিল, তা-ও জানতে চান বিচারপতিরা। বিচারপতি নাগারত্নই মামলাকারীর কাছে জানতে চান, ‘আমরা শুধু জানতে চাই, আপনারা ঠিক কী কারণে ওই জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন? আপনারা কী চেয়েছিলেন? এই মামলা করে কী ভালো হলো?’জবাবে মামলাকারী সংগঠনের আইনজীবী বলেন, ‘প্রথমে আমি একজন মহিলা। তার পর আমি একজন হিন্দু। তার পর বাকি সব। আমার নারীত্বকে আক্রমণ করা হয়েছে। আর আপনারা ভগবান আয়াপ্পার নামে কথা বলছেন? যে ভগবান আয়াপ্পা তরুণীদের পছন্দ করেন না?’ পাল্টা বিচারপতি নাগারত্ন বলেন, ‘ইয়ং লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের কি আর কোনও কাজ নেই? তারা কি এই দেশের বার অ্যাসোসিয়েশনের জন্য কাজ করতে পারে না? আইনি ব্যবস্থাকে সাহায্য করার জন্য কাজ করতে পারে না?’ আইনজীবী জবাব দেন, ‘কত তো জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়!’ তার প্রেক্ষিতে বিচারপতি নাগারত্নও বলেন, ‘বারের জন্য কাজ করুন, তরুণ আইনজীবীদের জন্য কাজ করুন, তাঁদের কল্যাণের জন্য কিছু করুন; দেশের গ্রামীণ এলাকা থেকে আসা যে সব তরুণ লড়াই করছেন, যাঁদের শহরে এসে মামলা লড়ার সামর্থ্য বা সুযোগটুকু পর্যন্ত নেই, অথচ তাঁরা অত্যন্ত মেধাবী, সুপ্রিম কোর্টে এসে এই ধরনের কাজ করার চেয়ে, বরং সেই সব মেধাবী তরুণের জন্য কাজ করুন!’
70 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 11:45 AM
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের খ্যাতি বৃদ্ধি এবং অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাঁর অবিস্মরণীয় প্রথম সাক্ষাৎ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের খ্যাতি বৃদ্ধি এবং অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাঁর অবিস্মরণীয় প্রথম সাক্ষাৎ

২০০৬ সালে প্রথম অভিনয় দুনিয়ায় পা রাখেন তিনি। এর পরে একাধিক পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় অভিনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২০১৮ সালে ‘স্ত্রী’ ছবিতে অভিনয় করার পর থেকেই ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিতি পেতে শুরু করেন তিনি। বছর দুয়েক পরে ২০২০ সালে অনুষ্কা শর্মা প্রযোজিত ওটিটি সিরিজ় ‘পাতাললোক’-এ ‘হাতোড়া ত্যাগী’র ভূমিকা তাঁকে সবচেয়ে বেশি করে জনপ্রিয়তা দিয়েছিল। এর পরে বাঙালি এই অভিনেতা ‘সেকশন ৮৪’-এ কাজ করেছিলেন অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে। সেই ছবিতেই কাজ করতে গিয়ে অমিতাভের সঙ্গে তাঁর প্রথম সাক্ষাৎ। যেখানে অমিতাভ নাকি অভিষেকের উপর হঠাৎ করেই খানিক রেগে গিয়েছিলেন।অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে দেখা করবেন বলে কথা। রীতিমতো হাত, পা কাঁপছিল অভিষেকের। তবু মনের জোরেই দেখা করতে যান অভিনেতা। প্রথম সাক্ষাতে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে গিয়েছিলেন অভিষেক। তাতেই নাকি রেগে যান বিগবি।অভিষেকের কথায়, ‘অমিতাভ বচ্চনকে সামনে থেকে দেখেছি, খুব স্বাভাবিক ভাবেই পায়ে হাত দিয়েছিলাম। তবে দেখলাম উনি খুব বিরক্ত হলেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘তুমি কেন এমনটা করছো?’ আমি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। বড়দের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করা তো আমাদের সংস্কৃতি। সেটা ভেবেই করেছি। কিন্তু পা ছুঁয়ে প্রণাম করলে আর কেউ সহ-অভিনেতা থাকেন না। এর ফলে কাজ করার আগেই যেন ঈশ্বরের আসনে বসানো হয়।’অমিতাভের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অভিষেক বুঝতে পেরেছেন, অভিনেতার জীবনে ছোট, বড়-র কোনও ভেদাভেদ নেই। একইসঙ্গে অমিতাভের সঙ্গে অভিনয় করা তাঁর জীবনের সেরা প্রাপ্তি বলেও মনে করেন অভিষেক। তাঁর কথায়, অমিতাভের মতো এমন পেশাদার মানুষ খুব কম দেখেছেন তিনি।
87 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
May 5, 2026, 11:42 AM
প্রযুক্তি ও মানব অগ্রগতিঃ একটি ঐতিহাসিক যোগসূত্র

প্রযুক্তি ও মানব অগ্রগতিঃ একটি ঐতিহাসিক যোগসূত্র

সাত্যকি রায়একবিংশ শতাব্দীর সূচনায় পৃথিবীর উৎপাদন প্রক্রিয়া গভীরভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। মানুষ তার চারপাশের প্রকৃতিকে ক্রমাগত নিজের প্রয়োজনে পরিবর্তিত করেছে। মানব সভ্যতার অগ্রগতির ইতিহাস এই কারণে প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মানুষ শ্রমসনজাত মেধার মধ্যে দিয়ে নতুন প্রযুক্তি সৃষ্টি করেছে কায়িক শ্রমকে প্রতিস্থাপিত করার জন্যই। প্রযুক্তির প্রয়োগের মধ্যে দিয়ে মানুষ তার কর্মদক্ষতাকে ক্রমাগত বাড়িয়ে তুলেছে। যে সমস্ত জিনিসপত্র সে অতীতে ব্যবহার করত তা অল্প সময় উৎপাদন করার যোগ্যতা অর্জন করেছে। কখনো বা সম্পূর্ণ নতুন জিনিস সৃষ্টি করেছে যার ব্যবহার অতীতে মানুষের জানা ছিল না। আবার প্রযুক্তি পুঁজির চক্রের সময় কালকে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির মাধ্যমে অথবা সংযোগের অন্যান্য খরচগুলিকে ক্রমাগত কমিয়ে এনে। প্রযুক্তির ব্যবহার সাধারণভাবে মানুষের সরাসরি শ্রমকে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে পরিচালিত হলেও তা সর্বদা বেকারত্ব তৈরি করবে এরকম কোনও কথা নেই। প্রাক আধুনিক যুগে রোম শহরে রাস্তাঘাট ও নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজে প্রযুক্তি ব্যবহারের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত করা। প্রযুক্তির ব্যবহার সে ক্ষেত্রে মূলত নাগরিকদের রাজনৈতিক সমর্থন আদায় করার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হতো। যে ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার মানুষকে কর্মচ্যুত করে রাজনৈতিক কারণেই এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করত শাসকেরা। কিন্তু এর ফলে নতুন প্রযুক্তির আবির্ভাব বন্ধ হয়ে যেত তা নয়। কোনও এক জায়গায় সেই প্রযুক্তির বিকাশকে রাজনৈতিক কারণে রুখে দিলে তা অনিবার্যভাবেই পৃথিবীর অন্য কোনও ভূখণ্ডে প্রয়োজনীয় হিসাবে আবির্ভূত হতো। এবং ধীরে ধীরে সেই প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসারিত হওয়ার কারণে প্রতিযোগিতার লক্ষ্যে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা অনিবার্য হয়ে উঠতো। অতএব কোনও একটি সময় স্বল্প মেয়াদি কারণে কোনও দেশে কোনও একটি প্রযুক্তির বিকাশকে বন্ধ রাখলেও দীর্ঘ সময়ের বিচারে কারও পক্ষেই নতুন প্রযুক্তি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।পুঁজিবাদী সমাজে প্রযুক্তি শুধুমাত্র সভ্যতার বিকাশের হাতিয়ার নয় তা অবশ্যই গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে তখনই যখনতা মুনাফা বৃদ্ধির হাতিয়ারে পরিণত হবে। পুঁজিবাদে প্রযুক্তির বিকাশ কিছুটা স্বতঃস্ফূর্ত। ব্যক্তিপুঁজিপতি অন্য পুঁজিপতিকে প্রতিযোগিতায় পরাস্ত করতে নিরন্তর প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করে থাকে। একটি সফল প্রযুক্তির প্রয়োগ কোনও শিল্প ক্ষেত্রের গড় মুনাফার হারের চেয়ে বেশি মুনাফা হার পুঁজিপতিকে এনে দেয়। কিন্তু যখনই নিযুক্ত নতুন প্রযুক্তি ঐ শিল্প ক্ষেত্রের গড় প্রযুক্তিতে পরিণত হয় তখন তা আর বাড়তি মুনাফা এনে দেবে না। ফলে ওই পুঁজিপতিকে অন্যদের চেয়ে বেশি মুনাফা করতে হলে আবার নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে হয়। এই নিরন্তর প্রক্রিয়া চলতে থাকে এবং প্রত্যেক পুঁজিপতি নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনে উৎসাহী হয়। এর মধ্যে দিয়ে উৎপাদনের সাধারণ দক্ষতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। সাধারণভাবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির হার যদি কর্মপ্রার্থী বৃদ্ধির হারের চেয়ে বেশি হয় তাহলে অর্থনীতিতে কাঠামোগত বেকারত্ব তৈরি হবে। পুঁজিবাদে সাধারণভাবে এই ঘটনাই ঘটে থাকে। তার কারণ হলো দক্ষতা বা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সঙ্গে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তার সামঞ্জস্য তৈরি করার কোনও কাঠামোগত ব্যবস্থাপনা পুঁজিবাদে নেই। প্রযুক্তি ব্যবহারে অনিয়ন্ত্রিত বিনিয়োগ এ কারণেই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কর্মহীনতার বিপদ তৈরি করে। প্রযুক্তির ব্যবহারের সঙ্গে মুনাফার স্বার্থ সম্পর্কিত করে দেখতে পারার কারণেই মার্কস দেখাতে পেরেছিলেন শ্রমের মজুত বাহিনী পুঁজিবাদে কেন তৈরি হয় এবং তা মজুরি নিয়ন্ত্রণে কিভাবে পুঁজিপতিদের সাহায্য করে।মনে রাখা দরকার যে যন্ত্রের ব্যবহার অনিবার্যভাবে কর্মহীনতা তৈরি করবে এর কোনও মানে নেই। অনেক যন্ত্রই আবিষ্কৃত হয়েছে পৃথিবীতে যা মানুষের কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি করেছে কিন্তু অনিবার্যভাবেই কর্মহীনতা তৈরি করেনি। ক্যালকুলেটর বা পরবর্তীকালে বিভিন্ন বিশ্লেষণাত্মক সফটওয়্যার কর্মহীনতা তৈরি করেছে একথা বলা যায় না। দ্বিতীয় কথা হলো নতুন প্রযুক্তি যে ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে সেই প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে বেশ কিছু সহযোগী প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয় যা নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে। যেমন ধরুন কম্পিউটারের ব্যবহার হার্ডওয়ারের চাহিদা তৈরি করেছে যা উৎপাদন করতে মানুষের নিয়োগ প্রয়োজন। এর অর্থ হলো নতুন প্রযুক্তি একদিকে যেমন শ্রমের প্রতিস্থাপন করে অন্যদিকে নতুন ধরনের কাজের সুযোগও সৃষ্টি করে। এখন প্রশ্ন হলো মোটের উপর ফলাফল কি হবে তা নির্ভর করে নতুন শিল্পটি কতটা শ্রমনিবিড় তার উপর, এবং অর্থনীতিতে এই অংশের উৎপাদনের অংশীদারত্ব কত? প্রযুক্তির বিকাশের ইতিহাসে এরকম অজস্র উদাহরণ রয়েছে যেখানে দেখা যাবে প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে সামগ্রিক কর্মসঙ্কোচন ঘটিয়েছে আবার অন্যান্য পর্যায়ে যোগ ও বিয়োগ মিলিয়ে মোটের উপরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বাষ্পশক্তিনির্ভর প্রথম প্রযুক্তি বিপ্লবে বিপুল পরিমাণে পুরুষ কারিগররা ছাঁটাই হয় এবং উনবিংশ শতাব্দীতে যে লুডাইট মুভমেন্ট গড়ে উঠে তার পরিপ্রেক্ষিতে এটাই ছিল। গোটা ইউরোপ জুড়ে মেশিন ভাঙার দাঙ্গা চলতে থাকে এবং তাকে দমন করতে বহু শ্রমিককে ফাঁসিতে পর্যন্ত ঝোলানো হয়। মেশিনের ব্যবহারের প্রয়োজনীয় ব্যক্তিশ্রমের দক্ষতা কমাতে সাহায্য করে এবং মহিলা ও শিশু শ্রমিকের নিয়োগ বৃদ্ধি পায়। শিল্প বিপ্লবের সূচনায় ইংল্যান্ডে শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার ভয়ঙ্কর অবনমনের বর্ণনা মার্কস ক্যাপিটালের প্রথম খণ্ডে আলোচনা করেন। এঙ্গেলসও ইংরেজ শ্রমিকদের জীবনযাত্রার নির্মম ইতিহাস তুলে ধরেন। সেই সময়ের বহু উপন্যাস শ্রমজীবীদের দুরবস্থা ও পরিবারের ভাঙনের সঙ্কটকে চিত্রায়িত করে। কিন্তু দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় আমরা অন্য একটা ছবি দেখতে পাই। এই শিল্প বিপ্লব মূলত বিদ্যুতের ব্যবহারের উপরে গড়ে ওঠে। বৈদ্যুতিন যন্ত্রের ব্যবহারও শ্রমকে প্রতিস্থাপিত করেছিল বেশ কিছু ক্ষেত্রে। কিন্তু উৎপাদনের আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে শিল্প ক্ষেত্রে সুপারভাইজার, ক্লার্ক,টাইপিস্ট এবং অন্যান্য সহযোগী পরিষেবা মূলক কাজের সুযোগ তৈরি হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রসার শ্রমের সচলতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। অটোমোবাইল শিল্প এবং তার অনুসারী শিল্প এই সময় বিশেষভাবে বিকশিত হয় যা বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি করে। অন্যদিকে বিদ্যুতের ব্যবহার গৃহস্থালি ক্ষেত্রে যন্ত্রের ব্যবহার বাড়িয়ে তোলে। রেফ্রিজারেটর,ইস্ত্রি, মেশিন, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদির ব্যবহার গৃহস্থালি কাজে প্রয়োজনীয় সময়কে কমিয়ে দেয়। এর ফলস্বরূপ বাইরের কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ বিশেষভাবে বৃদ্ধি পায়। বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ব্যবহার কারখানায় শ্রমের পরিবেশকে অনেক অনুকূল করে তোলে। এসব কিছুর মধ্যে দিয়ে শ্রমজীবী মানুষ বুঝতে পারে যে প্রযুক্তির ব্যবহার দীর্ঘমেয়াদি সময়ে তাদের জীবন মানের উন্নতি ঘটিয়েছে। অতএব লড়াইটা প্রযুক্তির বিরুদ্ধে নয় বরং প্রযুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট লাভের বণ্টনের ব্যাপারে লড়াই নিবিষ্ট করা দরকার। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ জয়েল মকির দেখিয়েছেন যে প্রযুক্তির বিকাশের ইতিহাস আসলে সংঘর্ষের ইতিহাস। প্রযুক্তির কারণে যে মানুষের জীবন-জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সে তার অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করবে এটাই স্বাভাবিক। এবং সেই লড়াইয়ের নিরসন শেষ বিচারে ঘটে। মূলত প্রযুক্তির ব্যবহারে যারা লাভবান তাদের লাভের অংশ থেকে কিছুটা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সমস্যার সুরাহা করার মাধ্যমে। গ্যাসবাতির ব্যবহার বৈদ্যুতিন বাতির দ্বারা প্রতিস্থাপিত হলে গ্যাসবাতি জ্বালানোর কাজে নিযুক্ত মানুষ কাজ হারাবে এটাই স্বাভাবিক। তাদের জীবিকা রক্ষার দাবি তারা স্বাভাবিকভাবেই করবে। কিন্তু এই প্রশ্নটির মীমাংসা এভাবে করা অবাস্তব যে বৈদ্যুতিন বাতির ব্যবহার রুখে দিতে হবে বরং যেটা করা দরকার তা হলো ওই জীবিকা থেকে যারা উৎপাটিত হলো তাদের আয়ের বিকল্প ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা। এই বণ্টনের সংঘাতটা ঠিকমতো নিরসন না হলে প্রযুক্তির বিকাশ রুদ্ধ হওয়াটাই স্বাভাবিক। প্রাক আধুনিক যুগে চীন এবং পরবর্তী সময়ের ফ্রান্স এই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে অতীতে গিয়েছে। পৃথিবীর একাধিক দেশের ইতিহাস এই সত্য তুলে ধরে যে সমাজ কত দক্ষতার সাথে প্রযুক্তির কারণে জয়ী ও পরাজিতদের মধ্যে প্রযুক্তির সাফল্যর বণ্টন ঘটাতে পেরেছে তার উপরে প্রযুক্তির জয়যাত্রা নির্ভর করেছে।আজকের পৃথিবীর নতুন প্রযুক্তি জ্ঞানকেন্দ্রিক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এই প্রযুক্তি প্রবাহের নতুন জেনারেল পারপাস টেকনোলজি হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে।অতীতের প্রযুক্তি সৃষ্টিতেও জ্ঞানের প্রয়োজন ছিল এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই। অতীতের প্রযুক্তি মূলত মানুষের কায়িক শ্রমকে প্রতিস্থাপিত করেছিল। আজকের প্রযুক্তি মানুষের মানসিক শ্রমের একটি অংশকে প্রতিস্থাপিত করছে। আজ থেকে দেড়শো বছরেরও বেশি আগে কাল মার্কস গবুন্ডরিসে এই আলোচনা করেছেন। এই উপস্থাপনা মার্কস করতে পেরেছিলেন এ কারণে নয় যে তিনি ভবিষ্যৎবাণী করতে চেয়েছিলেন— আসলে তিনি সভ্যতার উৎপাদিকা শক্তির বিকাশকে অনুধাবন করেছিলেন। মার্কস বলেছেন যে এমন একটা সময় আসবে যখন মানুষের শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপকভাবে কমে যাবে। যন্ত্রের উপর নজরদারি করাটাই তার প্রধান কাজ হয়ে উঠবে। শুধু তাই নয় জ্ঞান দ্বারা সৃষ্ট যন্ত্রপাতির উপরে শুধু পুঁজির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে তা নয় জ্ঞান-বিজ্ঞান নিজেই প্রধান উৎপাদিকা শক্তি হিসাবে আবির্ভূত হবে। মানুষের মেধাই হবে প্রধান উৎপাদিকা শক্তি আর সেই মগজের উপরে পুঁজি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করবে। মার্কস এই আলোচনায় আরও বলেন যে উৎপাদনে শ্রমের নির্দিষ্ট অবদান এমত অবস্থায় অনেকটাই নির্ভর করবে তার নিজস্ব দক্ষতার উপরে নয় বরং সমাজের সাধারণ বুদ্ধিমত্তার (general intellect) উপরে। ফলে শ্রমিকের অবদান শ্রমঘণ্টা দিয়ে পরিমাপ করার পদ্ধতিটি ক্রমাগত অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে— ধীরে ধীরে মূল্যের ধারণাটিও মানুষের সামাজিক অবদান পরিমাপের মাপকাঠি হিসাবে অকেজো হয়ে পড়বে। বর্তমান প্রযুক্তির যুগে শ্রম ও পুঁজির পরিবর্তিত সম্পর্ক এর চাইতে প্রাঞ্জল অনুধাবন আর কি হতে পারে? নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার জ্ঞানকেন্দ্রিক এ কারণেই যে বস্তুর ব্যবহার মূল্যর পরিবর্তনে তার দৈহিক চেহারার পরিবর্তনের পরিবর্তে বৌদ্ধিক প্রক্রিয়ার অবদান অনেক বেশি। উদাহরণস্বরূপ মোবাইল ফোনের দাম বৃদ্ধি পায় নতুন ফিচার যুক্ত হওয়ার মধ্যে দিয়ে। সেক্ষেত্রে ফোনের যন্ত্রাংশের অথবা কাঁচামালের বিশাল পরিবর্তন ঘটে যায় তা নয়। পরিবর্তন ঘটে সফটওয়্যা রে যা আসলে একটি বৌদ্ধিক উপাদান যার প্রয়োগ ফোনের ব্যবহার মূল্য বাড়িয়ে তোলে। এই জ্ঞানকেন্দ্রিক উৎপাদনে নিযুক্ত শ্রমের অবদান পরিমাপ করতে গেলে কখনোই শ্রমঘণ্টা উপযুক্ত মাপকাঠি নয়। জ্ঞানকেন্দ্রিক শ্রম ক্রমাগত কাজের সময় ও কাজের বাইরের সময়ের প্রাচীরকে ভেঙে দিচ্ছে। কোনও ডিজাইনার বা সফটওয়্যা র ইঞ্জিনিয়ার বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তিতে নিযুক্ত শ্রমিক সে যতক্ষণ অফিসে আছে ততক্ষণই শুধু তার মেধা কাজ করছে এরকম নয়। এই কাজে সে মনোনিবেশ করছে কাজের সময়ের বাইরেও। ভাবনা চিন্তার আধিপত্য শ্রমের প্রয়োগে যত বাড়বে কাজের ঘণ্টা দিয়ে শ্রমের অবদানকে পরিমাপ করা তত কঠিন হয়ে পড়বে। সবচাইতে বড় ব্যাপার হলো জ্ঞানকেন্দ্রিক বিকাশ আসলে উৎপাদনের বিপুল সামাজিকীকরণের উপর নির্ভরশীল। ইন্টারনেটের ব্যবহার করে যখন কেউ এই বিপুল তথ্য ভাণ্ডারকে কাজে লাগাচ্ছে অথবা চ্যাট জিপিটি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল ব্যবহার করছে তখন আসলে আমরা প্রত্যেকে মানব সভ্যতার সম্মিলিত জ্ঞান ভাণ্ডারকে ব্যবহার করছি এবং তার উপরে উৎপাদনের নির্ভরশীলতা প্রতিদিন বেড়ে চলেছে। এই প্রবণতাটি জ্ঞানের স্বাভাবিক প্রবণতা যা অন্যান্য কোনও উৎপাদনের উপকরণ থেকে জ্ঞানকে আলাদা করে দেয়। অন্য সমস্ত উপকরণ অন্যের সঙ্গে বিনিময় করলে কমে যায়। অর্থাৎ কয়লা, লোহা বা প্লাস্টিক বা কাগজ যাই হোক না কেন তা ব্যবহার করার মধ্যে দিয়ে কমে আসে। জ্ঞানের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা উল্টো। জ্ঞান যত অন্য অংশের মানুষের সঙ্গে বিনিময় বা আলোচনা করা যায় তত প্রত্যেকেরই জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। আজকের পৃথিবীতে সমস্ত প্রযুক্তি অনেক বেশি ফিডব্যাক নির্ভর, অনেক বেশি যৌথ দক্ষতা নির্ভর,অনেক বেশি কল্যাবরেটিভ। এইরকম একটি উৎপাদন ব্যবস্থা যা প্রতিদিন মানুষের সৃষ্ট তথ্য ভাণ্ডার ও জ্ঞানের বিনিময়ের উপর নির্ভরশীলতা কখনোই ব্যক্তিগত মালিকানার উপরে গড়ে ওঠা পুঁজিবাদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হতে পারে না। বিশ্বব্যাপী তথ্যের আদান-প্রদান যা মানুষ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রতিনিয়ত করে চলেছে তাই আজকের প্রযুক্তির কাঁচামাল সৃষ্টি করছে। এই তথ্য তৈরি করছি আমরা বিনা পয়সায়। আর এই বিপুল তথ্যই মানুষের পছন্দের প্রকৃতি নির্ধারণে বৃহৎ বহুজাতিক সংস্থাগুলি ব্যবহার করছে। আজকের পৃথিবীতে প্রতিমুহূর্তে সৃষ্ট এই বিপুল তথ্য ভাণ্ডারের উপর মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যত পুঁজিবাদ। অতীতের সমস্ত কাঁচামাল ছিল পৃথিবীর নির্দিষ্ট ভূগোলে সীমিত। তেল, লোহা, কয়লা ইত্যাদির উপরে কর্তৃত্ব স্থাপন করতে গেলে কোনও দেশ বা অঞ্চলের উপরে আধিপত্য স্থাপন করাই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু ভুবন প্রবাহিত তথ্যের উপরে কর্তৃত্ব স্থাপন করতে হলে পৃথিবীব্যাপী একচেটিয়া অধিকার স্থাপন করতে হয়। গুগল, আমাজন, আলিবাবা, ফেসবুক, টেনসেন্ট এরকম গুটিকয়েক সংস্থা পৃথিবীর তথ্য ও জ্ঞানভাণ্ডারের উপরে একাধিপত্য স্থাপনের চেষ্টা করে চলেছে।জ্ঞানকেন্দ্রিক উৎপাদন ব্যবস্থা এ কারণেই পুঁজিবাদী উৎপাদন সম্পর্কের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে চলেছে। একদিকে যেমন জ্ঞানকেন্দ্রিক উৎপাদন মানুষের সঙ্গে মানুষের চিন্তারমুক্ত আদান-প্রদানের উপরে নির্ভর করে। তাই ব্যক্তিমালিকানাধীন তথ্য ও জ্ঞানের ব্যবস্থা আসলে জ্ঞানকেন্দ্রিক উৎপাদনের অগ্রগতিকে সীমিত করে রাখবে। মার্কস একটি বিকল্প সমাজের চিন্তা করেছিলেন স্বর্গ নির্মাণের লক্ষ্যে নয়— এই চিন্তার উৎস হলো প্রচলিত ব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান সংঘাত যা পুঁজিবাদ তার নিজস্ব কাঠামোর মধ্যে নিরসনে ব্যর্থ। দ্বিতীয়ত, একথা ঠিক বর্তমান প্রযুক্তির প্রবাহ সমাজে কি প্রভাব ফেলতে চলেছে এখনই হাত গুনে বলে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে একথা ঠিক যে কারখানা শিল্পে রোবটের ব্যবহার এবং সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রে বিশেষত পরিষেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ ব্যাপকভাবে সরাসরি শ্রমের চাহিদা কমিয়ে আনবে। কিন্তু এর জন্য ব্যাপক কর্মহীনতা তৈরি হওয়ার যে নানা ইঙ্গিত গবেষণায় উঠে আসছে তার জন্য দায়ী প্রযুক্তি নয় তার জন্য দায়ী পুঁজিবাদ। যে কাজটা আগে দশ ঘণ্টায় হতো তা যদি প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে তিন ঘণ্টায় হয় তাহলে কর্মরত শ্রমিক কম ঘণ্টা কাজ করতে পারে কিন্তু তাকে বেকার হতে হবে এর কোনও মানে নেই। অর্থাৎ ধরা যাক ২০২৬ সালে ভারতবর্ষের মানুষের যা যা প্রয়োজনীয়তা তা বর্তমানে কর্মরত শ্রমিকরা দিনে আট ঘণ্টা করে সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করে উৎপাদন করে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করে ওই একই কাজ দিনে আট ঘণ্টা করে সপ্তাহে চার দিনে সম্পন্ন হতে পারে। কিন্তু পুঁজিবাদ এই রাস্তায় হাঁটে না এর কারণ প্রযুক্তির মালিকানা ব্যক্তি পুঁজির এবং সে শ্রমিকের থেকে যতটা সম্ভব উদ্বৃত্ত মূল্য সংগ্রহ করার জন্য সর্বদা সচেষ্ট। এ কারণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে পুঁজিবাদী সমাজে কাজের সময় কমে আসেনি বরং দ্বিমেরু সমাধান পুঁজিবাদ খুজেছে। যারা কাজ করবে তারা প্রযুক্তি ব্যবহারের আগে এবং পরে একই সময় অথবা বর্ধিত সময় কাজ করবে— আর বাকি একটা বড় অংশ সম্পূর্ণভাবে কাজ হারাবে। কিন্তু এই প্রযুক্তির উপরে যদি সামাজিক মালিকানা থাকে অথবা বিপুল তথ্য ভাণ্ডার যা প্রতিনিয়ত মানুষ তৈরি করছে তার উপরে সামাজিক কর্তৃত্ব থাকে তাহলে প্রযুক্তির ব্যবহার মানুষের জীবন-জীবিকার মানের উন্নয়ন ঘটাবে শুধু তাই নয় মানুষের নিজস্ব ব্যবহারের ‘মুক্তসময়’(free time) তত বৃদ্ধি পাবে। মার্কস বলেছিলেন যে আগামী দিনে সম্পদ সৃষ্টির পরিমাপ মানুষ কত ঘণ্টা কাজ করছে তা দিয়ে মাপার দিন শেষ হয়ে আসছে বরং মানুষ কত ঘণ্টা মুক্ত সময় পাচ্ছে সেটাই সভ্যতার বিকাশের মাপকাঠি হবে।আজকের পৃথিবীর নতুন প্রযুক্তি সমাজবাদের বাস্তবতাকে অনেক কাছাকাছি নিয়ে আসছে। উৎপাদনের সামাজিকীকরণ বণ্টনের সামাজিকীকরণকেও অনিবার্য করে তুলছে। শুধু তাই নয় ইন্টারনেট ব্যবহারে সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের চাহিদা ও সেই অনুযায়ী বণ্টনের সামঞ্জস্য রিয়েল টাইমে স্থাপন করা অনেক বেশি সহজ হয়ে গিয়েছে। বাজারের স্বতঃস্ফূর্ততার উপর নির্ভর না করে বিকেন্দ্রীকৃত পরিকল্পনার নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা সমাজে যথাযথ ভাবে রসদ বণ্টনের বাস্তবতা তৈরি করছে। মানুষ শুধুমাত্র সমবেতভাবে উৎপাদন করবে তাই নয়। কোন ধরনের উৎপাদন হবে, কিভাবে তা বণ্টিত হবে এবং কিভাবে অতিরিক্ত রসদ নতুন সম্পদ সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হবে এসব কিছু মানুষ ঠিক করবে সরাসরি আদান-প্রদানের মাধ্যমে। একাজে আজকের প্রযুক্তি বস্তুগত সম্ভাবনা তৈরি করছে। কিন্তু প্রযুক্তি সমাজ বদলায় না। তা নতুন সমাজের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে মাত্র। একে বদলানোর জন্য যা দরকার তা হলো সম্পত্তির মালিকানার আমূল পরিবর্তন যা রসদ,প্রযুক্তি, উৎপাদনও বণ্টনের উপরে সামাজিক মালিকানা স্থাপন করবে।
73 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
May 5, 2026, 11:35 AM
দলত্যাগ সঙ্কটের মধ্যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী

দলত্যাগ সঙ্কটের মধ্যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী

এক সপ্তাহ আগে আম আদমি পার্টি (আপ) ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন পাঞ্জাবের ছয় রাজ্যসভা সাংসদ। এই দলত্যাগের পর উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান।রাষ্ট্রপতি তাদের দলের প্রতি ন্যায়বিচার করবেন,এই আশা নিয়ে এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনের অদূরে রেল ভবনের সামনে জড়ো হন আপ-এর বিধায়করা। দলীয় নেতৃত্বদের মতে,মান এবং রাষ্ট্রপতির মধ্যকার এই বৈঠকে মূলত পাঞ্জাবে আপ-এর ওই ছয় রাজ্যসভা সাংসদের দলত্যাগের বিষয়টি নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।রাষ্ট্রপতি মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে সমাজমাধ্যম'এক্স'-এ একটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান লেখেন,‘পাঞ্জাবের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য আমাদের এই লড়াই অব্যাহত রয়েছে। আজ,পাঞ্জাবের জ্বলন্ত সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা করতে এবং মাননীয়া রাষ্ট্রপতির সামনে রাজ্যের জোরালো কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে আমরা সমস্ত আপ বিধায়কদের সাথে নিয়ে রওনা হয়েছি।’
6 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 11:34 AM
বাংলার নির্বাচনের ফলাফলের পর কলকাতার বাজারে সোনার দাম সামান্য কমেছে।

বাংলার নির্বাচনের ফলাফলের পর কলকাতার বাজারে সোনার দাম সামান্য কমেছে।

বাংলার ভোটের ফল প্রকাশের পরেরদিন কিছুটা কমলো সোনার দাম। ৫মে, যে তালিকা এসেছে, তাতে ৪মে-র তুলনায় কলকাতার বাজারে অল্প হলেও কমেছে সোনা ও রুপোর দাম। ৩০ এপ্রিল থেকে বিচার করলে, টানা দাম কমছে সোনা ও রুপোর।২৪ ক্যারেট পাকা সোনা: ১,৪৮,০৫০ টাকা/ ১০ গ্রাম২৪ ক্যারেট পাকা সোনা (খুচরো): ১,৪৮,৮০০ টাকা/ ১০ গ্রাম২২ ক্যারেট হলমার্ক গয়নার সোনা: ১,৪১,৪৫০ টাকা/ ১০ গ্রামএ দিন রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,৪২,৫০০ টাকা।এর সঙ্গে জিএসটি এবং গয়নার মেকিং চার্জ জুড়বে। ৪-মের তুলনায় বিচার করলে, ২৪ ক্যারাটে প্রতি ১০ গ্রামে দাম কমেছে ৫৫০ টাকা। ২২ ক্যারাটের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ গ্রামে দাম কমেছে ৫০০ টাকা। ৩০ সেপ্টেম্বরের তুলনায় বিচার করলে দাম কমেছে ২২০০ টাকার মতো।২৪ ক্যারেট পাকা সোনা: ১,৪৮,৬০০ টাকা/ ১০ গ্রাম২৪ ক্যারেট পাকা সোনা (খুচরো): ১,৪৯,৩৫০ টাকা/ ১০ গ্রাম২২ ক্যারেট হলমার্ক গয়নার সোনা: ১,৪১,৯৫০ টাকা/ ১০ গ্রামএ দিন রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,৪৩,৯৫০ টাকা।
43 shares
😐
A
AajKaal News
May 5, 2026, 11:14 AM
টলিউড তারকা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বাংলার নির্বাচনের ফলাফলের মধ্যে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার অনুরোধ করেছেন

টলিউড তারকা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বাংলার নির্বাচনের ফলাফলের মধ্যে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার অনুরোধ করেছেন

৪ মে আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাজ্যের মসনদে কে বসবে, কোন দলের শাসন কায়েম হবে বাংলায় সেটা নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে। বিপুল ভোটে জয়লাভ করে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আর তারপর যেখানে টলিউডের শিল্পীরা নবনির্বাচিত সরকারকে শুভেচ্ছা জানাতে ব্যস্ত, সেখানে ইঙ্গিতবহ বার্তা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের। কী লিখলেন? রাজ্যে ভোট গণনা শেষ হতেই এদিন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে লেখেন, 'আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সাথে অভিনয় করে আসছি এবং আগামীদিনেও ঠিক একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ— দয়া করে আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রঙ লাগাবেন না।' টলিউডের 'জ্যেষ্ঠ পুত্র' এদিন আরও লেখেন, 'আমি কাউকে ফোন করিনি; বরং আমার ছোট ভাই ফোন করেছিল আমাকে। বড় দাদা হিসেবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য, আর আমি কেবল সেই টুকুই পালন করেছি। এর সাথে রাজনীতির কোনো যোগসূত্র নেই।' (পোস্টদাতার বানান সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রাখা হল) কেন এমন লিখেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? শিবপুরে বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবারের বিজেপি প্রার্থী হয়েছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন তিনি। তারপরই সেই সুখবর নিজেই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে দেন রুদ্রনীল। কথা হয় দুজনের। এরপরই সেই কথা প্রকাশ্যে আসতে, অনেকেই মনে করতে থাকেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বুঝি এবার রাজনীতিতে নাম লেখাবেন। পদ্মশিবিরে যোগ দেবেন তিনি। সেই ভাবনাকে নস্যাৎ করতে এই পোস্ট 'ইন্ডাস্ট্রি'র। এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, নির্বাচনের আগে জল্পনা শুরু হয়, প্রসেনজিৎ-পুত্র তৃষাণজিৎ গেরুয়া শিবিরে যোগ দিচ্ছেন কিনা সেটা নিয়ে। সেই সময় কয়েকদিন থেকেই নেটপাড়া থেকে অনুরাগীমহল সরগরম ছিল এ জল্পনায়। গুঞ্জনের সূত্রপাত ফেসবুকের একটি পোস্ট। তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ফেসবুক পেজ থেকেই করা হয়েছিল তা। পোস্টে দেখা গিয়েছিল, বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে রাম নাম করেছেন তিনি! এরপরেই শুরু হয় ফিসফাস। প্রসঙ্গত, গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বালিগঞ্জের বাসভবন ‘উৎসব’-এ গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। জল্পনা রটতেই এই ব্যাপারেই মুখ খুলেছিলেন খোদ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “তৃষাণজিতের সমাজমাধ্যমে আবার কে দেখভাল করবে? ও নিজেই করে। তবে ফেসবুকের যে প্রোফাইল থেকে ওই পোস্টটি করা হয়েছে, সেটি তৃষাণজিতের নয়! ওটা ওর নামের একটা ফেক প্রোফাইল! আর আজকাল দিব্যি বোঝা যায় কোন ছবি জাল ছবি। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে এই ছবিটি তৈরি' করা হয়েছে। আর সত্যি কথা বলতে কী, আমার হাসি-ই পাচ্ছে এসব বলতে।অদ্ভুত লাগছে ২০ বছরের একটি ছেলের ছবি নিয়েও ফেক পোস্ট করা হচ্ছে...আর শুধু তাই নয়, এই ব্যাপারটার সঙ্গে আমাকেও জুড়ে দেওয়া হল! ওই ফেক প্রোফাইল থেকে কী করে জানেন তো? ধরুন, আমি কোনও পোস্ট করলাম অথবা কোনও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বর সঙ্গে ছবি দিলাম...এরপর সেই ছবিটাকেই ধরে ওর পাশে এদিক ওদিক মিশুককে বসিয়ে একটা ছবি তৈরি করে পোস্ট করে দিল!” 'বুম্বাদা'র ছেলে এই বছর প্রথম ভোট দিলেন।
58 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 10:45 AM
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার আগে বঙ্গোপসাগরে নোটাম জারি করল ভারত

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার আগে বঙ্গোপসাগরে নোটাম জারি করল ভারত

বঙ্গোপসাগরের এক বিশাল এলাকা জুড়ে আকাশ পথে সতর্কতা বা ‘নোটাম’ (NOTAM) জারি করেছে ভারত। আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত বলবৎ থাকবে এই সতর্কতা। বঙ্গোপসাগরের প্রায় ৩,৫৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাকে ‘বিপজ্জনক অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার আগাম প্রস্তুতি। এই ক্ষেপণাস্ত্র সম্ভবত ‘অগ্নি-৪’ (Agni-IV), যা প্রায় ৩,৫০০ থেকে ৪,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এই মিসাইল ১,০০০ কেজি ওজনের পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে এবং ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।অনেকের মতে, ২০২৫ সালের মে মাসের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বর্ষপূর্তির সময়েই এই পরীক্ষা করা হচ্ছে। এটি মূলত ভারতের সামরিক শক্তি ও প্রস্তুতির একটি বড় বার্তা। গত কয়েক মাসে ভারত ধারাবাহিক ভাবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পরীক্ষা বাড়িয়েছে। তবে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে এ প্রসঙ্গে ‘নোটাম’ জারি করার কোনও কারণ জানানো হয়নি।অগ্নি সিরিজ়ের পাশাপাশি কে-৪ এবং হাইপারসনিক LRAShM ভারতের সামরিক শক্তিকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে। এর পাশাপাশি ব্রহ্মস ক্রুজ় মিসাইল তৈরির কাজও দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। ২০২৭ সালের শেষের দিকে উন্নত ব্রহ্মস ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।‘নোটাম’ জারি করার অর্থ, নির্দিষ্ট ওই সময়ে কোনও বেসামরিক বিমান নির্দিষ্ট আকাশ সীমায় প্রবেশ করতে পারবে না। বিশেষ কোনও সামরিক অভিযান বা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময়ে নিরাপত্তার খাতিরেই এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতের সময়েও এই সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। এর ফলে সামরিক বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন চলাচলের পথে কোনও বাধা থাকে না। আকাশ পথে বড় কোনও দুর্ঘটনা এড়াতে এবং সামরিক কার্যক্রমের গোপনীয়তা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
48 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
May 5, 2026, 10:32 AM
টিভি শো ব্যর্থতাঃ শতদ্রু প্রশাসনিক চাপকে দায়ী করে সত্য-প্রকাশ সংবাদ সম্মেলনের পরিকল্পনা করেছে

টিভি শো ব্যর্থতাঃ শতদ্রু প্রশাসনিক চাপকে দায়ী করে সত্য-প্রকাশ সংবাদ সম্মেলনের পরিকল্পনা করেছে

এদিন শতদ্রু দাবি করেছেন, প্রশাসনিক চাপেই তাঁকে একাধিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানের ব্যর্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাঁর কথায়, তাঁকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছিল। এমনকি ৩৮ দিন জেলে কাটানোর কথাও উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন, এতদিন পরিবারকে রক্ষা করতেই চুপ ছিলেন। অরূপ বিশ্বাসের পরাজয়ের প্রসঙ্গ টেনে শতদ্রু লিখেছেন, ‘এবার আর চুপ নয়, সত্য সামনে আনবই।’ খুব শীঘ্রই সাংবাদিক সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের কথাও জানিয়েছেন শতদ্রু।
14 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
May 5, 2026, 10:21 AM
নির্বাচনের ফল খারাপ হওয়ায় তৃণমূল নেতা বিবেক গুপ্তের পদত্যাগ

নির্বাচনের ফল খারাপ হওয়ায় তৃণমূল নেতা বিবেক গুপ্তের পদত্যাগ

বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফলের পর বড় সিদ্ধান্ত নিলেন জোড়াসাঁকোর প্রাক্তন বিধায়ক বিবেক গুপ্ত। সোমবার গভীর রাতে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তিনি তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। নিজের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে দলের নেতৃত্বের পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এবারের নির্বাচনে জোড়াসাঁকো কেন্দ্র থেকে টিকিট পাননি বিবেক। তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে লড়েছিলেন বিজয় উপাধ্যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নেন বিজেপির বিজয় ওঝা। প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি ভোটে এই জয়ের পরই দলের ভিতরে চাপ বাড়তে শুরু করে।তৃণমূলের হিন্দিভাষী সেলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন বিবেক গুপ্ত। তবে পশ্চিম বর্ধমান ও উত্তর দিনাজপুরের মতো হিন্দিভাষী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে দলের ফল আশানুরূপ হয়নি। এই প্রেক্ষিতেই নিজের উপর দায় নিয়ে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে দলের ফলাফলের পূর্ণ দায় তিনি নিচ্ছেন এবং একজন দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করছেন। পাশাপাশি জোড়াসাঁকোর মানুষের উদ্দেশেও আলাদা বার্তায় তিনি বলেন, এলাকার মানুষ তাঁদের রায় স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন এবং নতুন বিধায়ককে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন।
65 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 09:41 AM
শেয়ার বাজারের সংগ্রামঃ নিশ্চিত রিটার্নের জন্য ব্যাঙ্ক ফিক্সড ডিপোজিটের দিকে ঝুঁকছেন অবসরপ্রাপ্তরা

শেয়ার বাজারের সংগ্রামঃ নিশ্চিত রিটার্নের জন্য ব্যাঙ্ক ফিক্সড ডিপোজিটের দিকে ঝুঁকছেন অবসরপ্রাপ্তরা

স্টক মার্কেটে টালমাটাল পরিস্থিতি চলছে। অনেকের লগ্নিতেই নেগেটিভ রিটার্ন এসেছে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে স্টক মার্কেট ও মিউচুয়াল ফান্ডে ধাক্কা লাগায়, অবসরপ্রাপ্ত কর্মী নিশ্চিত রিটার্নের জন্য আপাতত ঝুঁকতে পারেন ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজ়িটের দিকে।রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি ষাটোর্ধ্ব নাগরিক অর্থাৎ সিনিয়র সিটিজ়েনদের জন্য ফিক্সড ডিপোজ়িটে একটু হলেও বেশি রিটার্ন দিচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধি এবং অনিশ্চয়তার বাজারে ফিক্সড ডিপোজ়িটে ৭ শতাংশেরও বেশি রিটার্ন দিচ্ছে বেশ কিছু ব্যাঙ্ক।পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক: ৪৪৪ দিনের জন্য ফিক্সড ডিপোজ়িটে ৭.১০% সুদইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া: ৪৪৪ দিনের জন্য ফিক্সড ডিপোজ়িটে ৭.১০% সুদকানাড়া ব্যাঙ্ক: ৫৫৫ দিনের জন্য ফিক্সড ডিপোজ়িটে ৭.১০% সুদস্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া: ৫-১০ বছরের মেয়াদের জন্য ফিক্সড ডিপোজ়িটে ৭.০৫% সুদব্যাঙ্ক অফ বরোদা: ৫ বছরের বেশি ও ১০ বছরের কম মেয়াদের জন্য ফিক্সড ডিপোজ়িটে ৭% সুদসূত্রের খবর, ৩ কোটি টাকার কম আমানতের জন্য এই সুদ দেওয়া হবেরাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির ক্ষেত্রে সুদের হারে পার্থক্য খুবই কম। গত এক বছরে নিফটির রিটার্ন নেগেটিভে দেখা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমানত সুরক্ষিত রাখতে এবং নিশ্চিত রিটার্ন পেতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির ফিক্সড ডিপোজ়িটে ভরসা করছেন অনেকে।যেহেতু অবসরপ্রাপ্ত নাগরিকদের অধিকাংশ বাজারগত ঝুঁকি নিতে চান না, তাঁদের জন্য ভালো অপশন হতে পারে এগুলি। তবে ব্যাঙ্ক ভেদে সুদের হারে পার্থক্য রয়েছে। কত টাকা FD (Fixed Deposit) করা হচ্ছে, কতদিনের মেয়াদে করা হচ্ছে, যিনি করছেন তাঁদের বয়স কত, এসবের উপর নির্ভর করে সুদের হার।কত দিনের জন্য আমানত রাখা হবে, তা পছন্দমতো বেছে নেওয়া যায়প্রয়োজনে সহজে হাতে নগদ আনা যায়নিয়মিত রোজগার সম্ভব ফিক্সড ডিপোজ়িটের মাধ্যমেনিয়মিত সুদ আসায় সুবিধামতো পরিকল্পনা করা যায়(এই সময় অনলাইন কোথাও বিনিয়োগের জন্য পরামর্শ দেয় না। শেয়ার বাজার বা যে কোনও ক্ষেত্রে লগ্নি ও বিনিয়োগ ঝুঁকি সাপেক্ষ। তার আগে ঠিকমতো পড়াশোনা এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ বাঞ্ছনীয়। এই খবরটি শিক্ষা সংক্রান্ত এবং সচেতন করার জন্য প্রকাশিত।)
81 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
May 5, 2026, 09:32 AM
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়, বিজয়ীদের অভিনন্দন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়, বিজয়ীদের অভিনন্দন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের

২০৭ আসনে এখন পশ্চিমবঙ্গে রাজ করছে গেরুয়া শিবির। ৪ মে খেলা ঘুরিয়ে বাংলার রাজনৈতিক মঞ্চে উঠেছে গেরুয়া ঝড়। এই পরিবর্তনে বিজেপিকে সমর্থন করে বঙ্গে আহ্বান জানিয়েছেন টলিপাড়ার বহু তারকা। বিরোধী দলের রাজনীতির মঞ্চে থেকেও বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উত্তরপাড়ার বিদায়ী বিধায়ক, অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। ২৬-এর বিধানসভায় যদিও টিকিট পাননি কাঞ্চন। সমাজমাধ্যমে কাঞ্চন মল্লিক লেখেন, 'আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা যারা নতুন সরকার গড়তে চলেছেন। এটা মানুষের রায়। হয়তো মানুষের অনেক অভিযোগ অনুযোগ না পাওয়া হতাশা থেকে মানুষ এই পরিবর্তন এনেছে। আমি আশা রাখব নতুন সরকার মানুষের পাশে থেকে কাজে থেকে সাধারণ মানুষের সমস্ত আশা পূরণ করবে। শুধু এটুকুই চাইবো একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে পরিবর্তন হোক শান্তির পথ ধরে হিংসার পথ ধরে নয়।' (পোস্টের সমস্ত বানান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।) কাঞ্চনের এই পোস্টে নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, গত সোমবার ভোটের ফলাফলের উত্তেজনার মাঝে কাঞ্চন ও তাঁর স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজকে নিয়ে তৈরি হয়েছিল জোর গুঞ্জন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল শ্রীময়ীর দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন। শোনা যাচ্ছে, ৫৮ বছর বয়সে নাকি তৃতীয়বার বাবা হতে চলেছেন কাঞ্চন মল্লিক। গুঞ্জনের সত্যতা যাচাই করতে আজকাল ডট ইন-এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল শ্রীময়ী চট্টরাজের সঙ্গে। শ্রীময়ী বলেন, "কৃষভির জন্মের সময় আমার সিজার হয়েছিল। দু'বছর না হলে তো ডাক্তারই পারমিশন দেবেন না দ্বিতীয়বার মা হওয়ার। এসব খবর যারা ছড়াচ্ছে তারা নেহাত বোকা। আর তাছাড়া, আমি যদি দ্বিতীয়বার মা হই, তাতে তো অন্য কারওর অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।" শ্রীময়ী আরও বলেন, "যেখানে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি নিয়ে আজ সকাল থেকে উত্তেজনা তুঙ্গে। সেখানে আমার এই ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ছে। কী অদ্ভুত! এখন তো কাজে আছি, নিয়মিত কাজ করছি, এখন কোনও পরিকল্পনা নেই-ই।"
77 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 08:58 AM
মশার দখলঃ রসুন ও গোলমরিচ তেল বিকল্প প্রতিরোধী সমাধান প্রদান করে

মশার দখলঃ রসুন ও গোলমরিচ তেল বিকল্প প্রতিরোধী সমাধান প্রদান করে

গরম পড়তেইমশারউপদ্রব শুরু হয়েছে। রান্নাঘর থেকে শোয়ার ঘর, কোথাও বাদ নেই। সব জায়গার মশার রাজত্ব। তাই অনেকেই মশা তাড়ানোর কয়েল বা তেল ব্যবহার করেন। কিন্তু এগুলোর ধোঁয়া ও গন্ধ কোনওটাই মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এগুলো বাড়ায় শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা। তাই মশারি টাঙিয়ে ঘুমোন এবং কিছু অব্যর্থ টোটকা মেনে চলুন।রসুনের কড়া গন্ধে মশা-মাছি পালিয়ে যায়। এক পাত্রে কয়েক কাপ জল নিন। তাতে কয়েক কোয়া রসুন দিয়ে ফুটিয়ে নিন। জল ঠান্ডা করে স্প্রে বোতলে ঢেলে দিন। এটি ঘরের কোণায় কোণায় স্প্রে করুন। বিশেষ করে রান্নাঘর ও বাথরুমে। এতে মশা-মাছি আর ঘরে উড়বে না।পিপারমিন্ট অয়েল-ও মশা-মাছি তাড়াতে উপযোগী। একটি স্প্রে বোতলে পর্যাপ্ত জল নিন। তার মধ্যে কয়েক ফোঁটা পিপারমিন্ট অয়েল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিয়ে ঘরে কোণে কোণে স্প্রে করুন। এর কড়া গন্ধে মশা-মাছি দূর পালাবে।লেবুর অ্যাসিডিক গন্ধ এবং লবঙ্গের সুবাস মশা সহ্য করতে পারেন। লেবুর রসের সঙ্গে লবঙ্গের গুঁড়ো বা তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ঘরে ছড়িয়ে দিন। কিংবা একটি বাটিতে মিশ্রণটি নিয়ে ঘরের কোণায় রেখে দিন। এতেই মশা মরবে।এই এসেনশিয়াল অয়েলও মশা তাড়াতে উপযোগী। যে ঘরে মশার বাড়বাড়ন্ত বেশি, সেখানে টি ট্রি অয়েল ছড়িয়ে দিতে পারেন। কিংবা জলের সঙ্গে টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে ঘরের কোণায় স্প্রে করতে দিতে পারেন। এর পরে আর একটাও মশা চোখে পড়বে না।
22 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
May 5, 2026, 08:05 AM
সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তেল স্থাপনায় হামলার নিন্দা ভারতের, আলোচনার আহ্বান

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তেল স্থাপনায় হামলার নিন্দা ভারতের, আলোচনার আহ্বান

আজকাল ওয়েবডেস্ক:সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে তেলের খনিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাল ভারত। ঘটনার জেরে তিন ভারতীয় শ্রমিক আহত হয়েছেন। এই হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান। সম্প্রতি সেখানে আটকে পড়া জাহাজ উদ্ধারে আমেরিকা ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু করতেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। সোমবার আমিরশাহির ফুজাইরা তেল খনিতে আছড়ে পড়ে একের পর এক ড্রোন ও মিসাইল। সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আমি এই হামলার তীব্র নিন্দা করছি। সাধারণ মানুষ ও পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।” তিনি স্পষ্ট জানান, ভারত এই বিপদে আমিরশাহির পাশে আছে। আলোচনার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে-অবিলম্বে এই 'যুদ্ধংদেহি' মনোভাব ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা বন্ধ হোক। হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতে অবাধে জাহাজ চলাচল করতে পারে, তার জন্য আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা জরুরি। বিশ্বজুড়ে তেলের জোগান স্বাভাবিক রাখতে এই এলাকায় শান্তি ফেরানো প্রয়োজন। আমিরশাহি এই হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করলেও, মোদি সরকার সরাসরি ইরানের নাম নেয়নি। জানা গিয়েছে, গত ৮ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর এটাই ছিল প্রথম বড় হামলা। অন্যদিকে, ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে যে, আমেরিকা গায়ের জোরে ওই জলপথে জাহাজ চালানোর চেষ্টা করছে বলেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে। ওই তেল খনিতে কোনও হামলার পরিকল্পনা তাদের ছিল না বলেই দাবি তেহরানের।
55 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
May 5, 2026, 07:53 AM
নির্বাচনের ফলাফলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের ফলাফলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার রাত পর্যন্ত যে পথে কড়া নিরাপত্তা ছিল, মঙ্গলবার সকাল হতেই সেই রাস্তাই হয়ে উঠল সম্পূর্ণ অবাধ। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির দিকে যাওয়ার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গলির মুখে এত দিন ‘সিজারস ব্যারিকেড’ বসানো ছিল। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের আগে জিজ্ঞাসাবাদ ছিল বাধ্যতামূলক—কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে দেখা করবেন, এমন নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে হত। এমনকি এলাকার বাসিন্দাদেরও পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা জরুরি ছিল। বাড়ি থেকে বেরোতে গেলেও আধার কার্ড দেখাতে হত অনেক সময়। কিন্তু বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর পরিস্থিতি হঠাৎই বদলে গেল। মঙ্গলবার সকালে দেখা যায়, সেই কড়াকড়ি আর নেই। গলির মুখে নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও তাঁরা আর কাউকে আটকাচ্ছেন না। ‘সিজারস ব্যারিকেড’ সরিয়ে রাখা হয়েছে এক পাশে, ফলে পথ এখন পুরোপুরি খোলা। দক্ষিণ কলকাতার ‘কড়াকড়ি গলি’ এখন অবাধ। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, আগে পাড়ার দোকানে যেতেও পরিচয় যাচাই হত। নিজের বাড়িতে ফিরতে গেলেও নিজের নাম, বাবার নাম জানাতে হত। সোমবার রাতে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গলির মুখে একই রকম ভাবে ছিল ‘সিজ়ারস ব্যারিকেড’। দুটো গার্ডরেল কাঁচির মতো করে রাস্তার মুখে রাখা থাকত। পথচারীরা কেউ ওই গলি দিয়ে যেতে চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করে তবেই ছাড়পত্র দিতেন নিরাপত্তারক্ষীরা। ফাঁক হত ব্যারিকেড। গলিতে ঢুকলেই আবার বন্ধ হত ‘সিজারস ব্যারিকেড’। এলাকায় থাকতেন সাদা পোশাকের পুলিশও। গলিতে ঢোকা যে কোনও আগন্তুকের দিকে নজর থাকত তাঁদের। এক রাতেই ঘটে গিয়েছে পালাপদল। গলির বাসিন্দা রাজু মাহাতো জানান, ‘এখন যাতায়াতে কোনও বাধা নেই, সবাই স্বাভাবিকভাবে আসা-যাওয়া করছেন।‘ একদিকে তৃণমূলের ভরাডুবি অন্যদিকে কালীঘাটজুড়ে বিজয় মিছিল হয়। মোটরবাইক নিয়ে বিজেপির সমর্থকরা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির অদূরে রাস্তায় বাইক মিছিল করে। তবে সেই সময়েও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গলির মুখে একই রকম ভাবে ছিল ‘সিজারস ব্যারিকেড’। কিন্তু পরদিন সকালে তার সম্পূর্ণ বিপরীত ছবি সামনে আসে। এই আকস্মিক পরিবর্তন নিয়ে এক পুলিশকর্তা মন্তব্য করেন, ‘মনে হচ্ছে যেন বার্লিন প্রাচীর ভেঙে গেল।‘ অর্থাৎ, দীর্ঘদিনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে এলাকাটি এখন স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছে।
18 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 07:50 AM
পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার মধ্যে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় টাকার পতন

পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার মধ্যে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় টাকার পতন

ভারতীয় মুদ্রার দামে ফের পতন। সপ্তাহ খানেক ধরেই এই ছবি দেখা যাচ্ছে, মঙ্গলবারেও তার অন্যথা হলো না। ডলারের তুলনায় প্রায় ২০ পয়সা পড়ে গেল ভারতীয় মুদ্রার দাম। মঙ্গলবার সকাল নাগাদ সেটা এসে দাঁড়িয়েছে ডলার প্রতি ৯৫.৪৩ টাকায়।একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, Forex ট্রেডারদের মতে পশ্চিম এশিয়ার দোলাচলের কারণে বিনিয়োগকারীরা চিন্তায় রয়েছেন। এর জন্য বিপুল অঙ্কের মূলধন তুলনায় নিরাপদ জায়গায় (Safe Heaven Asset) নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর ফলে সুবিধা পেয়েছে আমেরিকার ডলার। তার সঙ্গে তেলের দামে টালমাটাল পরিস্থিতি থাকার কারণে এবং ডলার শক্তিশালী হওয়ায় ভারতীয় মুদ্রার দাম কমেছে।আন্তঃব্যাঙ্ক বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, মঙ্গলবার বাজার খোলার সময়ে ডলার প্রতি ৯৫.৩০ টাকা ছিল দাম। তার পরে দাম পড়ে ডলার প্রতি দাম দাঁড়িয়ে ৯৫.৪৩ টাকা। সোমবার টাকার দাম ডলার প্রতি ৩৯ পয়সা পড়ে গিয়েছিল।(এই সময় অনলাইন কোথাও বিনিয়োগের জন্য পরামর্শ দেয় না। শেয়ার বাজার বা যে কোনও ক্ষেত্রে লগ্নি ও বিনিয়োগ ঝুঁকি সাপেক্ষ। তার আগে ঠিকমতো পড়াশোনা এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ বাঞ্ছনীয়। এই খবরটি শিক্ষা সংক্রান্ত এবং সচেতন করার জন্য প্রকাশিত।)
46 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
May 5, 2026, 07:37 AM
বিজেপির নজর পশ্চিমবঙ্গে সরকারের দিকে, রাজ্যের উন্নয়নে মনোনিবেশ

বিজেপির নজর পশ্চিমবঙ্গে সরকারের দিকে, রাজ্যের উন্নয়নে মনোনিবেশ

ফলপ্রকাশের পরের সকালেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সম্ভাব্য নতুন সরকারকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে রাজ্যবাসীকে প্রণাম জানিয়ে স্পষ্ট ভাষায় নতুন সরকারের লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ পশ্চিমবঙ্গ গড়ে তোলাই তাঁদের প্রধান অঙ্গীকার। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়েছেন—রাজ্যবাসীর সেবাই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য এবং সকলকে সঙ্গে নিয়েই গড়ে তোলা হবে একটি সুস্থ ও সুন্দর রাজ্য। এর আগেই বিজয় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে দিক নির্দেশনা দেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্য পূরণে ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ অপরিহার্য। তাঁর মতে, দেশের সার্বিক উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোবে রাজ্যও। তবে এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি কোনও নির্দিষ্ট মুখ সামনে না আনলেও, কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহ একাধিকবার বলেছেন, রাজ্যেরই একজন ‘ভূমিপুত্র’ এই দায়িত্ব পাবেন—যিনি বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। রাজ্য রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে শুভেন্দু অধিকারী নিজের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। পাশাপাশি রাজ্য বিজেপির সংগঠনে নতুন মুখ হিসেবে শমীক ভট্টাচার্যের নামও উঠে আসছে আলোচনায়। উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব নিয়েও দলের ভিতরে নানা জল্পনা রয়েছে। ২০০-র বেশি আসনে জয়ের মাধ্যমে বিজেপি তৃণমূলকে পরাস্ত করে এক বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। শুভেন্দু এই জয়কে ‘প্রত্যেক দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রবাদী ও বিজেপি কর্মীর জয়’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত সকলকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
41 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 07:25 AM
ভারতীয় কারিগররা মেট গালা রেড কার্পেটে জাদু বুনছেন

ভারতীয় কারিগররা মেট গালা রেড কার্পেটে জাদু বুনছেন

রেড কার্পেট, কিন্তু গল্পটা অন্যরকমমেট গালার রেড কার্পেট মানেই তারকাদের গ্ল্যামারাস উপস্থিতি। কিন্তু অনেকেই জানেন না, সেই কার্পেটের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে ভারতের গল্প। যে কার্পেটে হাঁটেন বিশ্বের তাবড় সেলেবরা, সেটি তৈরি হয় ভারতীয় কারিগরদের হাতে।কেরল থেকে নিউইয়র্ক, এক দীর্ঘ যাত্রাএই কার্পেট তৈরি করে কেরল-ভিত্তিক সংস্থা নেইট বাই এক্সট্রাউইভ। আলাপ্পুঝার এই সংস্থা ঐতিহ্যবাহী বুননশিল্পকে আধুনিক ডিজ়াইনের সঙ্গে মিলিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরেছে।শুধু ডিজ়াইন নয়, সম্পূর্ণ কারিগরি ভারতেরকার্পেট তৈরির পুরো প্রক্রিয়াই শুরু হয় ভারতে। সিসাল ফাইবার দিয়ে হাতে বোনা হয় বিশাল আকারের এই কার্পেট, যা পরে বিদেশে নিয়ে গিয়ে থিম অনুযায়ী রং আর ফিনিশ দেওয়া হয়।হাজারো হাতের পরিশ্রমএকটি মেট গালা কার্পেট তৈরি করতে সময় লাগে প্রায় ৬০ থেকে ৯০ দিন। শতাধিক কারিগরের পরিশ্রমে তৈরি হয় হাজার হাজার বর্গমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই কার্পেট।একটি কার্পেট, বিশ্বজোড়া মঞ্চএই কার্পেটের উপর দিয়েই হাঁটেন আন্তর্জাতিক সেলিব্রিটিরা। ফ্যাশন, সিনেমা, সঙ্গীতের সবচেয়ে বড় নামগুলো। ফলে এই কাজ শুধু কারিগরি নয়, এটি ভারতের প্রতিনিধিত্বও বটে।সাস্টেনেবল ভাবনাও সমান গুরুত্বপূর্ণএই সংস্থা ইকো–ফ্রেন্ডলি উপায়ে কার্পেট তৈরি করে। প্রাকৃতিক ফাইবার ব্যবহার এবং প্রক্রিয়াজুড়ে সাস্টেনেবল পদ্ধতি বজায় রাখাই তাদের বিশেষত্ব।চার বছর ধরে দায়িত্ব ভারতেরএটি একবারের ঘটনা নয়। চার বছর ধরে মেট গালার কার্পেট তৈরি করছে এই ভারতীয় সংস্থা, যা বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় ক্রাফ্টের ধারাবাহিক উপস্থিতির প্রমাণ।গ্ল্যামারের আড়ালে কারিগরদের গল্পরেড কার্পেটে হাঁটা তারকারা নজর কাড়েন ঠিকই, কিন্তু সেই কার্পেট তৈরির পেছনে থাকা শ্রম, দক্ষতা এবং ঐতিহ্য প্রায় অদেখাই থেকে যায়। মেট গালার আলো ঝলমলে ছবিতে হয়তো কারিগরদের দেখা যায় না, কিন্তু তাঁদের কাজই তৈরি করে সেই মুহূর্ত। কেরলের ছোট শহর থেকে তৈরি হয়ে নিউইয়র্কের বিশ্বমঞ্চে পৌঁছনো এই কার্পেট আসলে প্রমাণ করে, ভারতীয় হাতের কাজ আজও বিশ্ব ফ্যাশনের কেন্দ্রে নিজের জায়গা ধরে রেখেছে।
36 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
May 5, 2026, 07:23 AM
বাঘের আক্রমণে দু "জনের মৃত্যুর পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কালাগড় ব্যাঘ্র প্রকল্প

বাঘের আক্রমণে দু "জনের মৃত্যুর পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কালাগড় ব্যাঘ্র প্রকল্প

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ জিম করবেট এবং কালাগড় টাইগার রিজ়ার্ভের মোহন সাফারি জ়োন। গত এক মাসে বাঘের হামলায় মৃত্যু হয়েছে জঙ্গল সংলগ্ন তাদাম গ্রামের দুই বাসিন্দার। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন দপ্তর। রবিবার সন্ধ্যায় তাদাম গ্রামের বাসিন্দা মহীপাল সিং মেহরার (৫৫) মৃত্যু হয় বাঘের হামলায়। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। তাঁরা পর্যটন বন্ধের দাবি তোলেন। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, সাফারি চলাকালীন মানুষের যাতায়াত বাড়ে টাইগার রিজ়ার্ভে। সে কারণে বন্যপ্রাণীরা ক্রমশ লোকালয়ের দিকে চলে আসছে। যার জেরেই ঘটছে বিপত্তি।গ্রামবাসীদের দাবি, একটি বাঘ এখনও ওই এলাকাতেই ঘোরাফেরা করছে। সেই কারণে DFO দীপক সিং নির্দেশ দিয়েছেন ওই এলাকায় বন দপ্তরের টহলদারি বাড়ানোর। বাঘটিকে ধরার জন্য ঘটনাস্থল এবং তার আশেপাশের এলাকায় একাধিক খাঁচা বসানো হয়েছে। এ ছাড়াও, ড্রোন এবং ট্র্যাপ ক্যামেরা ব্যবহার করে ক্রমাগত তল্লাশি চালাচ্ছে বন দপ্তর। একটি ট্রাঙ্কুলাইজ়ার টিমও তৈরি রাখা হয়েছে, যাতে বাঘটিকে দ্রুত ঘুমপাড়ানি গুলি করে ধরা যায়।ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের দাবি, এক মাস আগেও ওই গ্রামে বাঘের হামলায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময় SDM কুঁমেরিয়া থেকে তাদাম পর্যন্ত চার কিলোমিটার জঙ্গলের পথে সোলার লাইট বসানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনও সেই কাজ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।DFO এবং SDO আশ্বাস দিয়েছেন, পাহাড়ি রাস্তায় দ্রুত আলোর ব্যবস্থা করা হবে। রেঞ্জ অফিসার গঙ্গাশরণের নেতৃত্বে একটি দল বর্তমানে জঙ্গল ও সংলগ্ন এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। বাঘটি ধরা না পড়া পর্যন্ত মোহন সাফারি জ়োন আপাতত বন্ধ রাখা হবে জানিয়েছে বন দপ্তর।
27 shares
😢
E
EI Samay
May 5, 2026, 06:33 AM
বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর ভারতের শেয়ার বাজারে ধস

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর ভারতের শেয়ার বাজারে ধস

চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের রেজ়াল্ট বেরনোর পরদিনই শেয়ার বাজারে ধস। মঙ্গলবার বাজার খুলতেই পড়েছে সেনসেক্স ও নিফটির সূচক। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববাজারে ধাক্কা লাগায় এবং পশ্চিম এশিয়ায় জটিলতা না কাটায় তার প্রভাব পড়েছে ভারতের স্টক মার্কেটে।এ দিন নীচে নেমেই সেনসেক্স খুলেছে। একই ছবি নিফটিতেও। সকাল ১১টা ১৫ মিনিট নাগাদ BSE Sensex ৫৩৪.১১ পয়েন্টের মতো নেমে দাঁড়িয়েছে ৭৬,৭৪৩ পয়েন্টে আশেপাশে। অন্যদিকে Nifty 50 সূচক ১৬১.৯০ পয়েন্টের মতো কমে দাঁড়িয়েছে ২৩,৯৫৫ পয়েন্টে। ব্যাঙ্ক নিফটিতেও ধাক্কা লেগেছে, ৪০৪ পয়েন্ট নেমে ৫৪,৪৬৬ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে।একাধিক সেক্টরে এ দিন ধাক্কা দেখা গিয়েছে। নিফটি অটো, নিফটি মেটালস, নিফটি প্রাইভেট ব্যাঙ্কের সূচক নেমেছে। অন্যদিকে নিফটি আইটি, নিফটি এফএমসিজি, নিফটি ফার্মা বেড়েছে। এশিয়ার অন্য মার্কেটেও পতন দেখা গিয়েছে।আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। চার সপ্তাহের সংঘর্ষ বিরতি শেষ হতে চলেছে। ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে এই পরিস্থিতি, এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে।আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেশ খানিকটা পড়েছে। সম্প্রতি ৬ শতাংশ দাম বৃদ্ধি হয়েছিল। সোমবার দাম বাড়লেও, মঙ্গলবার ব্রেন্ট অয়েল ফিউচার্সে দাম কমেছে। WTI ক্রুডের দামও কমেছে।
53 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
May 5, 2026, 06:20 AM
রাজ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরকার গঠনের পথে তৃণমূল কংগ্রেস

রাজ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরকার গঠনের পথে তৃণমূল কংগ্রেস

আজকাল ওয়েবডেস্ক:রাজ্য জুড়ে গেরুয়া-সুনামি। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে তৃণমূল কংগ্রেস অস্তমিত। বিজেপি গড়তে চলেছে সরকার। এরাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় সড় পরিবর্তন ঘটল। কী কারণে বিজেপির জয়জয়কার? কেনই বা হারল তৃণমূল কংগ্রেস? রাজনৈতিক বিশ্লেষণের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি হয়েছে ভিন্নধর্মী চর্চাও। অপ্রত্যাশিতভাবে উঠে এসেছে আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির নাম। নেটিজেনদের একাংশ মজার ছলে দাবি করছেন, মেসির কলকাতা সফরই নাকি রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পিছনের কারণ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া নানা পোস্টে কেউ লিখেছেন, ''২০১১ সালে মেসি কলকাতায় এসে সরকার বদলেছিলেন, ২০২৫-এ এসে আবারও বদলে দিলেন।'' কেউ আবার মজা করে বলেন, ''মেসি বিজেপির এজেন্ট হয়ে দিদির পতন ত্বরান্বিত করেছেন।'' এই রসিকতার সূত্রপাত ২০২৫ সালে কলকাতার মেসির বহুল আলোচিত সফরকে কেন্দ্র করে। বিশাল প্রত্যাশা নিয়ে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান দ্রুত বিশৃঙ্খলায় পরিণত হয়। মাঠে মেসির উপস্থিতি ছিল মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য, ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন দর্শকরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দর্শকরা যুবভারতী ভাঙচুরে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। গোটা ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। মেসির ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর হয়। মেসিকে নিয়ে এই থিওরি নেহাতই রসিকতার। কিন্তু কাকতালীয়ভাবে মেসির কলকাতা সফর আর সরকার পড়ে যাওয়ার মধ্যে মিল রয়েছে। Remember how TMC brought international shame to the City of Joy by driving away Lionel Messi. Mahajungle Raj spared no one. Bengal’s great Sports culture needs to be brought back.pic.twitter.com/POdMXBOhjz
34 shares
😢
E
EI Samay
May 5, 2026, 06:12 AM
রাজস্থানের পথভ্রষ্ট কুকুরের আক্রমণে তরুণীর মৃত্যু

রাজস্থানের পথভ্রষ্ট কুকুরের আক্রমণে তরুণীর মৃত্যু

রাজস্থানের বুন্দি জেলায় এক পাল পথকুকুরের কামড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু এক কিশোরীর। মৃতের নাম রিঙ্কু ভিল (৯)। সোমবার ভোরে তালেরা থানার আলকোডিয়া গ্রামে ওই ঘটনাটি ঘটে। এ দিন ভোরে ওই কিশোরী বাড়ির পাশের মাঠে শৌচকর্ম করতে গিয়েছিল। সেই সময়েই তাকে ঘিরে ধরে একদল পথকুকুর। কিশোরীর চিৎকার শুনে ছুটে আসেন পরিবারের লোকজন। তাঁরা কিশোরীকে উদ্ধার করে তালেরা কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হাসপাতাল সূত্রে খবর, কুকুরের পাল কিশোরীর শরীরের একাধিক অংশে কামড়ে বসিয়েছে। এমনকী, তার শরীরের বেশ কয়েকটি অংশের মাংস খুবলে নিয়েছে কুকুরের দল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন লোকসভার স্পিকার ও এলাকার সাংসদ ওম বিড়লা। তিনি মৃত কিশোরীর পরিবারকে এক লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করেছেন। এ ছাড়া জনহিতকর তহবিল থেকে আরও এক লক্ষ টাকা সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন, ওই পরিবারকে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় নিয়ে আসার। ঘটনায় পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে ওই কিশোরীর মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না।এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তালেরা থানার সীতাপুরা এলাকার একটি স্কুলে কুকুরের কামড়ে এক পড়ুয়া গুরুতর জখম হয়েছিল। সেই কিশোরী এখনও চিকিৎসাধীন। ওম বিড়লা জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন, এলাকায় পথকুকুরের উপদ্রব কমাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের কাছে পথকুকুরের উপদ্রব নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন।
66 shares
😢
E
EI Samay
May 5, 2026, 06:11 AM
আরামবাগের কাউন্টিং হল থেকে বেরোনোর সময় বিজেপি এজেন্টরা নির্মল মাঝিকে হয়রানি করে

আরামবাগের কাউন্টিং হল থেকে বেরোনোর সময় বিজেপি এজেন্টরা নির্মল মাঝিকে হয়রানি করে

এই সময়, আরামবাগ:'ও নির্মলদা, চলে যাচ্ছেন কোথায়? দু'টো হাতি ছেড়ে দিয়ে যান। দু'টো হরিণ দিন গো। চলে যাচ্ছেন কেন? চোর চোর, চোরের দল চলে যাচ্ছে। জয় শ্রীরাম!' আরামবাগ নেতাজি মহা বিদ্যালয়ের কাউন্টিং হলের মধ্যে থেকে বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টদের গলায় এমনই চিৎকার শোনা গেল নির্মল মাজিকে দেখে। কিন্তু এ সব শুনেও শান্ত, ধীর, স্থির নির্মল তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে হেঁটে হেঁটে বাইরে বেরিয়ে যান। আরামবাগের কালীপুর রাস্তায় যাওয়ার সময়ে নির্মল মাজি ও তাঁর অনুগামীদের উদ্দেশে 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দেওয়া হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। এর পরেই 'চোর চোর' স্লোগান চলে। তাতেও কোনও কথাই বলেননি নির্মল মাজি।সোমবার সকালে নিত্যদিনের মতো পুজো করে গোঘাটের অস্থায়ী বাসা থেকে আরামবাগের গণনাকেন্দ্রে হাজির হন নির্মল। সেখানেই ছিলেন। কিন্তু ট্রেন্ড বিজেপি দিকে ক্রমশই এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুপুর দুটোর পর থেকে ধীরে ধীরে ফাঁকা হতে থাকে গণনাকেন্দ্র। নির্মলও তাঁদের সঙ্গে চলে যান। বাইরে বেরিয়েও তিনি সেই একই দৃশ্যের মুখোমুখি হন। তবে কোনও গন্ডগোল হয়নি। এ দিন নির্মল মাজি 'এই সময়'-কে বলেন, 'মানুষের রায় মেনে নিতেই হবে। মেনে নিলাম। এ বারে ধর্মীয় মেরুকরণের ভোট হয়েছে। মানুষ ধর্মীয় আবেগে ভোট দিয়েছেন। উন্নয়নকে দেননি।' কিন্তু সেই হরিণ আর হাতির কথায় তিনি প্রথমে নির্বাক। পরে এক সময়ে তিনি বলেই ফেলেন, 'হরিণ ও হাতি তো ছাড়বই।'তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই কি আপনার এই বিপুল সংখ্যক ভোটে পরাজয়? এই প্রশ্ন শুনে তিনি শুধু একটু হাসলেন।উলুবেড়িয়ায় দু'বারের বিধায়ক পদে ছিলেন নির্মল। কিন্তু এ বারে গোঘাটে তাঁকে পাঠায় দল। কিন্তু গোঘাটজুড়ে যে ভাবে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল, তা সামাল দিতেই সময় চলে যায়। শেষ পর্যন্ত এই দলীয় কোন্দল মেটাতে পারেননি তিনি। ভোটের ফলাফলই তার প্রমাণ।
32 shares
😢
D
Dainik Statesman
May 5, 2026, 05:59 AM
পরাজয় স্বীকার করে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদের

পরাজয় স্বীকার করে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদের

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর দলের সাংসদসায়নী ঘোষজানালেন, তিনি বিনম্রভাবে জনতার রায় মেনে নিচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, লড়াই থামছে না—বরং আরও জোরদার হবে। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তায় সায়নী লেখেন, ‘বাংলার মানুষের রায় আমি বিনম্রভাবে গ্রহণ করছি। মা-মাটি-মানুষের যে সমর্থন আমরা এতদিন পেয়েছি, তার জন্য কৃতজ্ঞ।’ তিনি আরও জানান, যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘নির্ভয়ে, মাথা উঁচু করে আমি আমার নেত্রীমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর পাশে থাকব। গণতন্ত্র ও দেশের ঐক্য রক্ষায় আমরা একসঙ্গে লড়ব।’ এই নির্বাচনেভারতীয় জনতা পার্টিস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে রাজ্যে সরকার গঠনের পথে এগিয়েছে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা ১৯৬। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৬টি আসন, যেখানেতৃণমূল কংগ্রেসপেয়েছে ৮১টি আসন। সায়নী ঘোষ অভিযোগ করেন, এই নির্বাচনে তাঁদের দলকে নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার চাপ, আর্থিক অবরোধ, মিথ্যা মামলা এবং অদৃশ্য কারচুপির মতো অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘সব বাধা পেরিয়ে আমরা লড়াই করেছি।’ তাঁর দাবি, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়। বরং আগামী দিনে আরও তীব্রভাবে মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াই চালাবে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটের নিরিখে বিজেপি পেয়েছে প্রায় ৪৬ শতাংশ ভোট, তৃণমূল কংগ্রেস ৪১ শতাংশ। বামফ্রন্ট ৪ শতাংশ, কংগ্রেস ৩ শতাংশ এবং অন্যান্য দল মিলিয়ে ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং পূর্ব মেদিনীপুর-সহ একাধিক জেলায় তৃণমূল একটি আসনও জিততে পারেনি। আদিবাসী ও মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাতেও বড় ধাক্কা খেয়েছে দলটি। সব মিলিয়ে, পরাজয়ের পরেও সায়নী ঘোষের বার্তায় উঠে এসেছে একদিকে জনতার রায় মেনে নেওয়ার সুর, অন্যদিকে আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রস্তুতি।
49 shares
😊
AajKaal News logo
AajKaal News
May 5, 2026, 05:52 AM
ঋষভ পন্থের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব চাপের দ্বারা প্রভাবিত নয়ঃ জাস্টিন ল্যাঙ্গার

ঋষভ পন্থের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব চাপের দ্বারা প্রভাবিত নয়ঃ জাস্টিন ল্যাঙ্গার

আজকাল ওয়েবডেস্ক:আইপিএলে ঋষভ পন্থের পারফরম্যান্স নিয়ে বাড়ছে সমালোচনা। বিশেষ করে লখনউ সুপার জায়ান্টসের ধারাবাহিক ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে। তবে দলের প্রধান কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অধিনায়কের উপর চাপ নিয়ে অতিরঞ্জিত আলোচনা করার কোনও প্রয়োজন নেই।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হারের পর ল্যাঙ্গার বলেন, পন্থের দামের সঙ্গে তাঁর পারফরম্যান্সের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর মতে, অধিনায়কত্ব চাপের জায়গা এবং পন্থ সেই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তিনি বলেন, ''অধিনায়ক হিসেবে চাপ থাকে, কিন্তু পন্থ বেশিরভাগ সময়ে হাসিমুখেই দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।'' এই ম্যাচে পন্থ নিজের ব্যাটিং পজিশন পরিবর্তন করে চার নম্বরে নেমেছিলেন। ওপেনিংয়ে সুযোগ দেওয়া হয় জশ ইংলিশকে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মিচেল মার্শ। তিন নম্বরে ওঠেন নিকোলাস পুরান। এই সিদ্ধান্তকে নিঃস্বার্থ বলে উল্লেখ করেছেন কোচ। চলতি মরশুমে পন্থ ৯ ইনিংসে ২০৪ রান করেছেন। শুরু ভাল হলেও বড় ইনিংসের অভাবই এখন বড় চিন্তার বিষয়। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচেও তিনি ১০ বলে ১৫ রান করে আউট হন। যখন দল তাঁর কাছ থেকে বড় ইনিংসের প্রত্যাশা করছিল। তবে ল্যাঙ্গার আশাবাদী। তিনি জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক একটি অনুশীলন ম্যাচে পন্থ ৯৫ রান করেন, যা তাঁর ফর্মে ফিরে আসার ইঙ্গিত।ম্যাচে নিকোলাস পুরানের ঝোড়ো ৬৩ (২১ বলে) এবং মিচেল মার্শের ৪৪ (২৫ বলে) রানে ভর করে লখনউ দ্রুত ১২০ পেরিয়ে যায়। কিন্তু দ্রুত উইকেট হারানোয় ১২৩/১ থেকে লখনউ হয়ে যায় ১৬০/৫। পরে মার্করাম ও হিম্মত সিং দলকে নিয়ে যান ২২৮ রানে। তবুও জয় আসেনি। মুম্বইয়ের হয়ে ওপেনিংয়ে রোহিত শর্মা(৮৪) ও রায়ান রিকেলটন (৮৩) ১৪৩ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন। শেষদিকে নমন ধীর ও উইল জ্যাকস সহজেই জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ে মুম্বই স্বস্তি পেলেও, লখনউ ও তাদের অধিনায়ক পন্থের উপরে চাপ আরও বাড়ল।
35 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
May 5, 2026, 05:52 AM
পশ্চিমবঙ্গে জয়ের জন্য বিজেপিকে অভিনন্দন জানিয়ে পরাজয় মেনে নিলেন তৃণমূল নেতা

পশ্চিমবঙ্গে জয়ের জন্য বিজেপিকে অভিনন্দন জানিয়ে পরাজয় মেনে নিলেন তৃণমূল নেতা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের একদিন পর দলের লোকসভা সাংসদ মহুয়া মৈত্র জানালেন, অসম লড়াইয়ের ময়দানেও তাঁরা সম্মানের সঙ্গে লড়েছেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, জনতার রায়ই শেষ কথা। মহুয়া মৈত্র সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তায় বলেন, ‘জনতার ইচ্ছাই সর্বোচ্চ। যদি বাংলা বিজেপিকে চেয়ে থাকে, তবে বাংলা বিজেপিকেই পেয়েছে। আমরা সেই রায়কে সম্মান জানাই। অসমান পরিস্থিতিতে, কঠিন প্রতিকূলতার মধ্যেও আমরা ভালো লড়াই করেছি—এ জন্য আমি আমার নেতা ও দলের উপর গর্বিত।’ এই নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে রাজ্যে সরকার গঠনের পথে এগিয়েছে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৪৮টি আসন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, বিজেপি ২০৬টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮১টি আসন। সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ক্ষেত্রে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী-র কাছে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন। মহুয়া মৈত্র আরও বলেন, ‘আমরা লড়াই চালিয়ে যাব—একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশের জন্য, যেখানে সংবিধানই শেষ কথা, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোর নয়।’ তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, পরাজয়ের পরেও রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিচ্ছে তৃণমূল শিবির। ভোটের অঙ্কের দিক থেকেও বিজেপি এগিয়ে। তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার প্রায় ৪৬ শতাংশ, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৪১ শতাংশ। বামফ্রন্ট ৪ শতাংশ, কংগ্রেস ৩ শতাংশ এবং অন্যান্য দল মিলিয়ে প্রায় ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং পূর্ব মেদিনীপুর-সহ মোট দশটি জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস একটি আসনও পায়নি। আদিবাসী ও মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাতেও দলের ভরাডুবি হয়েছে। সব মিলিয়ে, পরাজয়ের পরেও মহুয়া মৈত্রের বক্তব্যে উঠে এসেছে আত্মসমালোচনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি আস্থা—যেখানে জনতার রায়কেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
84 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
May 5, 2026, 05:49 AM
'সেকশন 84 "-এর সেটে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা স্মরণ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

'সেকশন 84 "-এর সেটে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা স্মরণ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

‘স্ত্রী’ ছবিতে ‘জানা’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেওয়া অভিনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি ‘বিগ বি’ অর্থাৎ অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতার এক চমকপ্রদগল্প শেয়ার করেছেন। ‘সেকশন ৮৪’ ছবির সেটে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাঁর প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি জানান, কেন ‘বিগ বি’ তাঁর পা ছুঁয়ে প্রণাম করার সিদ্ধান্তে রেগে গিয়েছিলেন। বলিউডের 'শাহেনশাহ' অমিতাভ বচ্চনের সামনে গেলে শ্রদ্ধাবশত অনেকেরই পা ছুঁয়ে প্রণাম করতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু এই প্রথাগত সম্মান প্রদর্শন করতে গিয়েই 'বিগ বি'-র কাছে বকা খেয়েছিলেন অভিনেতা অভিষেক ব্যানার্জি। সম্প্রতি ‘সেকশন ৮৪’ ছবির সেটে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তাঁর প্রথম কাজের অভিজ্ঞতার এমনই এক চমকপ্রদ গল্প ফাঁস করেছেন ‘স্ত্রী’ ছবি খ্যাত এই অভিনেতা। ঘটনার বিবরণ দিয়ে অভিষেক জানান, ‘সেকশন ৮৪’-এর সেটে প্রথমবার অমিতাভ বচ্চনকে সামনাসামনি দেখে তিনি এতটাই আপ্লুত ছিলেন যে তাঁর গায়ে কাঁটা দিচ্ছিল। সেই বিশেষ মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “স্বাভাবিকভাবেই আমি তাঁর পায়ের দিকে ঝুঁকেছিলাম। কিন্তু তিনি এতে খুব রেগে যান এবং আমাকে ধমক দিয়ে বলেন, ‘এসব কী করছ? কেন করছ?’” পুরো ব্যাপারটায় স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন অভিষেক। ভারতীয় পরিবারে গুরুজনদের যেভাবে সম্মান জানানোর শিক্ষা দেওয়া হয়, অমিতাভের এই ব্যবহারে তিনি অবাক হন। পরে ছবির পরিচালক ঋভু দাশগুপ্তের সঙ্গে কথা বলে তিনি আসল বিষয়টি বুঝতে পারেন। পরিচালক তাঁকে জানান, অমিতাভ বচ্চন পছন্দ করেন না কেউ তাঁকে আলাদা কোনও উচ্চাসনে বসাক। অমিতাভ বচ্চনের কড়া পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে অভিষেক আরও বলেন, “তিনি চান সবাইকে একজন সমান স্তরের সহ-অভিনেতা বা সহকর্মী হিসেবে দেখতে, যাতে অভিনয়ে বা পারফরম্যান্সে কোনও ঘাটতি না পড়ে। তাঁর মধ্যে কোনও অহংকার নেই, তবে তাঁর মতো পেশাদার অভিনেতা ইন্ডাস্ট্রিতে আর কেউ নেই।” পরিচালক ঋভু দাশগুপ্ত পরিচালিত ‘সেকশন ৮৪’ ছবিতে অমিতাভ ও অভিষেকের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন রিয়া ভিজ, নিমরত কৌর এবং ডায়ানা পেন্টি। ছবির শুটিং সম্পন্ন হলেও মুক্তির তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।প্রসঙ্গত, বিগ বি বর্তমানে নাগ অশ্বিন পরিচালিত ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ সিক্যুয়েলের শুটিংয়ে ব্যস্ত। এই ছবিতে প্রভাস ও কমল হাসানের সঙ্গে তিনি আবারও অশ্বত্থামার চরিত্রে ফিরছেন। তবে এই পর্বে থাকছেন না দীপিকা পাড়ুকোন। অন্যদিকে, অভিষেক ব্যানার্জিকে সম্প্রতি দেখা গেছে বিবেক দাশচৌধুরী পরিচালিত ‘টোস্টার’ ছবিতে, যা বর্তমানে নেটফ্লিক্সে উপলব্ধ। এছাড়া আগামী ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে মুক্তি পেতে চলেছে গুরমীত সিং পরিচালিত তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’।
57 shares
😐
E
EI Samay
May 5, 2026, 05:24 AM
সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে ইরানি হামলায় তিন ভারতীয় আহত, কূটনৈতিক উত্তেজনা

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে ইরানি হামলায় তিন ভারতীয় আহত, কূটনৈতিক উত্তেজনা

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে নতুন করে বাড়ল উত্তেজনা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ফুজাইরাহ অঞ্চলে ইরানের হামলায় আহত তিন ভারতীয়। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে নয়াদিল্লি। ঘটনাটিকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে বিবৃতি জারি করে কড়া ভাষায় নিন্দা করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।জানা গিয়েছে, সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ফুজাইরাহর পেট্রলিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ়-এ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। তার জেরে সেখানে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। এই ঘটনায় তিনজন ভারতীয় নাগরিক আহত হন। এ ছাড়া বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে বলে খবর।ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই ধরনের হামলা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’ আবুধাবিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে যে, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করার জন্য তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।UAE জানিয়েছে, সোমবারের এই হামলায় ইরান চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম দ্বারা প্রতিহত করা হয় এবং চতুর্থটি সমুদ্রে পড়ে যায়। কিন্তু লক্ষ্যভেদে সফল হয় ইরানের পাঠানো একটি ড্রোন। সেই হামলায় দেশের জ্বালানি রপ্তানির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ফুজাইরাহ তেল শোধনাগারে আগুন লেগে যায়।ফুজাইরাহ-এর এই হামলাকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পরে প্রথম বড় হামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে পশ্চিম এশিয়ায় ফের সংঘাত বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।Our statement on the attack on Fujairah ⬇️🔗https://t.co/01Nz7g06FRpic.twitter.com/KQAr8R9ciQবিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ় প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণের পথ। এই এলাকায় সংঘাত বাড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই এই হামলার কারণে পরিস্থিতি যথেষ্ট উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এবং বিভিন্ন দেশ উদ্বেগও প্রকাশ করেছে। সব মিলিয়ে, ফুজাইরাহ হামলার ঘটনায় শুধু ভারতীয়দের নিরাপত্তাই নয়, গোটা পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও বিশ্ব অর্থনীতির উপরও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
59 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
May 5, 2026, 05:17 AM
নেইমারের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ চলাকালীন সতীর্থ রবিনহো জুনিয়রকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

নেইমারের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ চলাকালীন সতীর্থ রবিনহো জুনিয়রকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

আজকাল ওয়েবডেস্ক:ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের সময়টা ভাল যাচ্ছে না। ফিটনেস সমস্যা ও জাতীয় দলে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। স্যান্টোসের অনুশীলনে সতীর্থকে শারীরিকভাবে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে, যার প্রেক্ষিতে শুরু হয়েছে অভ্যন্তরীণ তদন্ত। ব্রাজিলের গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার অনুশীলনের সময়ে ১৮ বছর বয়সী তরুণ ফরোয়ার্ড রবিনহো জুনিয়র নেইমারকে ড্রিবল করে বেরিয়ে গেলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ঘটনাটিকে ব্যক্তিগত অপমান হিসেবে নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানান স্যান্টোস অধিনায়ক। ক্লাবের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিজেদের দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে শারীরিক সংঘর্ষের অভিযোগ সম্পর্কে তারা অবগত এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্লাবের আইন বিভাগকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, রাগের মাথায় নেইমার পা দিয়ে ঠেলে ফেলে দেন রবিনিও জুনিয়রকে। পরে দু'জনের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। সতীর্থরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে তরুণ এই ফুটবলার। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রবিনিও জুনিয়র নেইমারের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ তুলেছেন। অপমানজনক ভাষা ব্যবহার, ল্যাং মারা এবং মুখে চড় মারার। একই সঙ্গে ক্লাবে নিরাপত্তার ঘাটতির অভিযোগ তুলে তিনি চুক্তি বাতিলের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে নেইমারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না। তবে ঘটনার পর পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন তিনি। রবিনিও জুনিয়রকে ফোন করার পাশাপাশি তাঁর পরিবারের কাছেও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, নেইমার একসময়ে রবিনিও জুনিয়রের বাবা রবিনিওর সঙ্গে ব্রাজিল জাতীয় দলে খেলেছেন। গত গ্রীষ্মে স্যান্টোসের মূল দলে জায়গা পান রবিনিও জুনিয়র। চলতি মরশুমে এখন পর্যন্ত আটটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
23 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
May 5, 2026, 03:38 AM
অসম ও পশ্চিমবঙ্গে ভোট চুরির অভিযোগ রাহুল গান্ধীর।

অসম ও পশ্চিমবঙ্গে ভোট চুরির অভিযোগ রাহুল গান্ধীর।

আজকাল ওয়েবডেস্ক:বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০৬টি আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলায় সরকার গড়েছে বিজেপি। সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তর থেকে বদলের বার্তাও দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তবে বাংলায় বিজেপির বিপুল আসন পেয়ে জয়ের পর ফের তাদের বিরুদ্ধে ভোটচুরির অভিযোগ তুললেন কংগ্রেস সাংসদ। রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, অসম ও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট ‘চুরি’ করে জিতেছে বিজেপি। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, এতে নির্বাচন কমিশনেরও সমর্থন ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে রাহুল বলেন, তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে তিনি একমত। তিনি দাবি করেন, মমতা ভোট গণনায় যে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন, তিনি তার সঙ্গে একমত। তাঁর দাবি, রাজ্যে ‘১০০-রও বেশি আসন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে’। রাহুলের অভিযোগ, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে বিজেপি জয়ী হয়েছিল। উল্লেখ্য, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসকে কার্যত ধূলিসাৎ করে দিয়েছে বিজেপি। ফল প্রকাশের পরই মমতা ব্যানার্জি নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একহাত নেন। গণনায় কারচুপি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি দাবি করেন, বিজেপি ‘১০০-রও বেশি আসন লুট করেছে’। তৃণমূল নেত্রী আরও অভিযোগ করেন, গণনা কেন্দ্রে তাঁকে ‘হেনস্থা’ করা হয়েছে। বাংলায় ২৯৪ আসনের বিধানসভায় ২০৬টি আসন জিতেছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে ৮১টি আসন। অন্যদিকে, অসমে ১২৬ আসনের বিধানসভায় বিজেপি ৮২টি আসন জিতে টানা তৃতীয়বার সরকার গঠন করতে চলেছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট মোট ১০২টি আসন পেয়েছে। উল্লেখ্য, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব সোমবার বাংলার নির্বাচনের এই ফলাফলকে ‘ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য এক কালো দিন’ বলে অভিহিত করেন। ভোট গণনায় ব্যাপক অনিয়ম এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে অপব্যবহারের অভিযোগ এনেছেন সপা সুপ্রিমো। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘শাসক রাজনীতি কি এখন গণতন্ত্রকে আরও নিচে নামাবে? আজ গোটা দেশ ক্ষুব্ধ, গণতন্ত্র ব্যথিত।’ অখিলেশ আরও দাবি করেন, ২০২২ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ লোকসভা ভোটেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তাঁর দাবি, সেখানেও মানুষের রায়কে ‘প্রকাশ্যে লুট করা হয়েছে’। অন্যদিকে, কপিল সিব্বলও মমতার বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে বিজেপি নয়, বরং নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ভোটারদের বঞ্চনার মাধ্যমে ভোটে হারানো হয়েছে।
11 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
May 5, 2026, 03:27 AM
রাজ্য নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেসির উন্মাদনার ঝড়

রাজ্য নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেসির উন্মাদনার ঝড়

আজকাল ওয়েবডেস্ক:রাজ্যে গেরুয়া ঝড়। বিধানসভা নির্বাচনে পরাস্ত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। এই আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায়, লোকমুখে উঠে এসেছেন লিওনেল মেসি। সমাজ মাধ্যমে টীপ্পনী কেটে বলা লেখা হয়েছে, 'সরকার ফেলে দিলেন মেসি।' আর মেসিকে এই দেশে আনার 'ভগীরথ' যিনি, সেই শতদ্রু দত্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যত বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন টালিগঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অরূপ বিশ্বাস হারতেই। বিজেপি-র পাপিয়া অধিকারীর কাছে হার মানতে হয় অরূপকে। সোশ্যাল মিডিয়ার স্টোরিতে অরূপ ও পাপিয়া অধিকারীর ফলাফলের ছবি পোস্ট করে শতদ্রু লিখেছেন, ''খেলা শেষ তোমার, এবার আমার শুরু।'' আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি এই রাজ্যে আসার সময়ে অরূপ বিশ্বাস ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী। ১৩ ডিসেম্বর মেসি যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। মাঠে ঢুকে পড়ে অসংখ্য লোক। মহানায়কের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত ছিলেন তারা। এমনকী অরূপ বিশ্বাসকেও দেখা যায় মেসির সঙ্গে ছবি তুলতে। তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও মেসির সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা যায়। পরিস্থিতি অন্যরকম হতে দেখে দ্রুত যুবভারতী ছেড়ে চলে যান এলএম ১০। মেসি যুবভারতী ছাড়তেই শুরু হয় ধ্বংসলীলা। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাঙালির বড় আপন যুবভারতী। আয়োজক শতদ্রু দত্তকে যেতে হয় জেলে। মেসি-কাণ্ডের ৩৭ দিন পরে শর্তসাপেক্ষে জামিন পান শতদ্রু। সোমবার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পরে মৌনতা ভাঙেন মেসিকে আনার কারিগর। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ছবি সম্বলিত স্টোরি পোস্ট করেন তিনি। সেগুলোর মধ্যে একটি পোস্টে লেখা, ''তুমি আমাকে বলির পাঁঠা করেছো। কিন্তু ঈশ্বর রয়েছেন।'' সেই পোস্টটিতে আরও লেখা, বিশ্বাস রাখো, শেষ কথা বলবেন ঈশ্বর। আরেকটি পোস্টে দেখা যাচ্ছে সেই বিতর্কিত দিনের ছবি। যেখানে শতদ্রু লিখেছেন, ''সাদা কুর্তা পরিহিত ব্যক্তিটি হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক অরূপ বিশ্বাস, যিনি তাঁর লোকজনের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য মেসিকে চাপ দিচ্ছেন। আর কালো হুডি পরা লোকটা আয়োজক যাকে দৃশ্যতই মনে হচ্ছে অসন্তুষ্ট।'' আরেকটি ছবি-সহ পোস্ট করেন শতদ্রু। সেখানে লেখা, ''কর্মা। প্রতিশোধ নেওয়ার কোনও প্রয়োজনই নেই। কেবল অপেক্ষা করে থাকো। যারা একদিন তোমাকে আঘাত করেছিল, নিজেদের কাজে তারাই একদিন বিপন্ন হবে। আর তুমি যদি ভাগ্যবান হও তাহলে ঈশ্বরের দয়ায় সেই দিন তুমি দেখতে পাবে।'' মেসিকে আনার পর যেভাবে ঘটনাপ্রবাহ বয়ে গিয়েছে, তা ভোলার নয়। পুরনো ঘটনা ক্ষতবিক্ষত করে শতদ্রুকে। তাই তিনি পোস্ট করেছেন, ''ক্ষমা নাকি ভুলে যাব? আমি প্রভু যিশু নই আবার আমার অ্যালঝাইমার্সও হয়নি।'' শতদ্রু আরেকটি পোস্ট তাঁর স্টোরিতে দিয়েছেন। সেটি তাঁর সঙ্গে অন্য ব্যক্তির কথোপকথনের। সেখানে লেখা, ''আমার মতে আজ তোমার জয়ের দিন। আমিও কর্মা-তে আস্থাশীল। আমি তোমাকে ভুলিনি। পেশায় আমি জাহাজের ক্যাপ্টেন। এখন জাহাজের কাজের মধ্যে নির্বাচনের ফলাফল দেখছি আর তোমার কথা মনে পড়ছে। কীভাবে তোমাকে ফাঁসানো হয়েছিল? আমি আজ খুব খুশি। যেমন কর্ম, তেমন ফল। তুমি নিজেও বুঝতে পারবে না কখন তোমার দরজায় এসে কখন কড়া নেড়ে যাবে। মেসিকে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে ওভাবে অসম্মান করা....।'' মেসিকে আনার পরে যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলা, মন্ত্রী, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মেসিকে নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া, মহানায়কের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য হ্যাংলামি, এই সব নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা হলেও শতদ্রু এতদিন নীরব ছিলেন। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হতেই এবং অরূপ বিশ্বাস হারতেই পুরনো প্রসঙ্গ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্ট করেন।
92 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
May 4, 2026, 08:57 PM
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের পর ভবানীপুরের মানুষকে অভিনন্দন অমিত শাহের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের পর ভবানীপুরের মানুষকে অভিনন্দন অমিত শাহের

নিজের গড়েই হেরেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেই ভবানীপুরের বাসিন্দাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরই সঙ্গে ভবানীপুর নিয়ে বার্তাও দিয়েছেন তিনি। সোমবার রাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন অমিত শাহ। তাতে তিনি লিখেছেন, এক জন অরাজক শাসকের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে তা দেখিয়ে দিয়েছে ভবানীপুর বলেও জানিয়েছেন তিনি।নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও (Bhabanipur) জিতছেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরের ‘ঘরের মেয়ে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ১৫,১০৫ ভোটে হারিয়েছেন শুভেন্দু। আর সোমবার রাতেই এই এলাকার বাসিন্দাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ। তাদের রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে, একজন অরাজক শাসকের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।’Hats off to the people of Bhabanipur.Their mandate has made it clear what fate awaits an anarchic ruler.ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ।তাদের রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে, একজন অরাজক শাসকের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।প্রসঙ্গত, গত ২ এপ্রিল ভবানীপুর কেন্দ্রের জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সে দিন ভবানীপুরে হাজির ছিলেন অমিত শাহ। শুভেন্দুর মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময়েও ছিলেন তিনি। এলাকায় রোড শো এবং সভাও করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই দিনই অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, নন্দীগ্রামেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন শুভেন্দু। তবে তিনিই তাঁকে ভবানীপুর থেকেও লড়াই করে নিজের গড়ে মমতাকে হারানোর জন্য বলেছিলেন। এই আসনে শুভেন্দু যে জিতবেনই তা নিয়ে নিশ্চিত ছিলেন তিনিও।২০২১ সালে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। ওই আসনেওমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। এ বার জেতার পরে তিনি বলেন, ‘ভবানীপুরে আমাকে যাঁরা জিতিয়েছেন তাঁদের আমি প্রণাম জানাই।’ ‘হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ ধর্মের লোকজন তাঁকে ভোট দিলেও ভবানীপুরে মুসলিমরা তাঁকে ভোট দেননি বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু। ভবানীপুরে না জিতলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নপূরণ হতো না বলেও জানিয়েছেন তিনি। এরই সঙ্গে শুভেন্দু জানান, ভবানীপুর আসনে লড়াই করার জন্য তাঁকে উৎসাহিত করেছিলেন অমিত শাহ।তবে, এই কেন্দ্রে ভোটচুরি করে জিতেছেন শুভেন্দু বলে দাবি করেছেন মমতার কাউন্টিং এজেন্ট তথা ফিরহাদ হাকিমের কন্যা প্রিয়দর্শিনী হাকিম।
22 shares
😊
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
May 4, 2026, 06:50 PM
মোদী পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের'ঐতিহাসিক'রায়কে জনগণের শক্তি এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা বলে অভিহিত করেছেন

মোদী পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের'ঐতিহাসিক'রায়কে জনগণের শক্তি এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা বলে অভিহিত করেছেন

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সামাজিক মাধ্যমে এক বিস্তৃত বার্তা দেন। সেখানে তিনি এই জনাদেশকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেন এবং জানান, এই ফলাফল মানুষের শক্তি, আস্থা ও পরিবর্তনের ইচ্ছার স্পষ্ট প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় বলেন, ‘বাংলায় পদ্ম ফুটেছে’, এবং ২০২৬ সালের এই নির্বাচন দীর্ঘদিন ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মতে, জনশক্তির জোরেই এই সাফল্য এসেছে এবং উন্নয়নমুখী রাজনীতি শেষপর্যন্ত মানুষের সমর্থন পেয়েছে। তিনি বঙ্গবাসীর প্রতি প্রণাম জানিয়ে বলেন, এই বিপুল জনাদেশ শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং গণতন্ত্রের শক্তিকে আরও দৃঢ় করেছে। মানুষ যে আস্থা নিয়ে বিজেপিকে সমর্থন করেছেন, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। মোদী আশ্বাস দিয়ে বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে বিজেপি সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করবে। তিনি জানান, এমন একটি সরকার গঠন করা হবে, যা সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য সমান সুযোগ ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে এবং উন্নয়নের পথকে আরও গতিশীল করবে। একই সঙ্গে তিনি দলের কর্মীদের অবদানও বিশেষভাবে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অগণিত কর্মীর নিরলস পরিশ্রম ও সংগ্রামের ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তাঁরা মাঠে থেকে মানুষের কাছে উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এই কর্মীরাই দলের প্রকৃত শক্তি। তাঁদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা এবং ত্যাগই আজকের এই রেকর্ড সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছে। সেই কারণে এই জয় শুধু দলের নয়, প্রতিটি কর্মীরও জয়। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী একদিকে যেমন ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তেমনই ভবিষ্যতের প্রশাসনিক রূপরেখার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। এখন নজর, এই জনাদেশের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় কীভাবে গড়ে ওঠে।
35 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
May 4, 2026, 06:31 PM
পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে বিজেপির বিপুল জয়, দলের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ রাহুল গান্ধীর

পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে বিজেপির বিপুল জয়, দলের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ রাহুল গান্ধীর

পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে বিপুল জয় পেয়েছে BJP। অসমে জয়ের হ্যাটট্রিক, আর বাংলায় TMC-র ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রথমবার সরকার গঠনের পথে BJP। পরাজয় স্বীকার করে প্রকাশ্যে কোনও বিবৃতি দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তিনি এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করবেন। তবে তার আগেই মমতা পাশে পেলেন ইন্ডিয়া জোটের প্রধান শরিক কংগ্রেসকে। সোমবার রাতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুললেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মদতেই বাংলা ও অসমে ‘ভোট চুরি’ করেছে BJP।তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যে ১০০টিরও বেশি আসনে জনাদেশ ‘লুট’ হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন, সেন্ট্রাল ফোর্স, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যোগসাজশে এই কাজ হয়েছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতার সেই দাবিকেই কার্যত মান্যতা দিয়েছেন রাহুল। মমতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। রাহুল লিখেছেন, ‘বাংলা ও অসম ভোট চুরির স্পষ্ট উদাহরণ। আমরা মমতাজির সঙ্গে একমত।’ তাঁর দাবি, এর আগে মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র ও ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনেও একই কৌশলে ভোট চুরি করা হয়েছিল।এ দিন ভবানীপুরে গণনা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ফলাফলকে ‘অনৈতিক’ আখ্যা দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন। এরপরেই তৃণমূল নেত্রী এবং তামিলনাড়ুর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের সঙ্গে আলাদা আলাদা ভাবে ফোনে কথা বলেন রাহুল গান্ধী।সূত্রের খবর, দুই নেতার সঙ্গে টেলিফোনিক কথোপকথনে রাহুল সাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং নির্বাচনের সময়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার উপর জোর দিয়েছেন। হার-জিত গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অঙ্গ, এই কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষায় বিরোধী জোটকে অবিচল থাকার বার্তা দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের অনুমান ক্ষমতার হাতবদল হওয়ার পরে বাংলায় কংগ্রেসের পুনরুত্থানের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলায় ভোট প্রচারে এসেও তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধেই প্রচার করেছিলেন রাহুল। তবে, বাংলায় তৃণমূলের ভরাডুবির পরে রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্যে রাজ্য কংগ্রেসের লড়াই-ই ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের। বাংলায় কিন্তু সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে বিরোধীদের কেউ, ভোট চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেননি।
86 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
May 4, 2026, 02:31 PM
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়

আজকাল ওয়েবডেস্ক:এবারের নির্বাচনে প্রধান ইস্যু ছিল এসআইআর। যেভাবে এই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যে শোরগোল পড়েছিল তাতে অনেকেই ভেবেছিলেন যে এখানে ব্যাকফুটে যাবে বিজেপি শিবির। তবে সোমবার রাজ্যের ভাগ্যে ছিল অন্যকিছু। যত বেলা গড়িয়েছে ততই দেখা গিয়েছে রাজ্যবাসী বিজেপির হাতেই পরবর্তী ৫ বছরের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে। একের পর এক গণনাকেন্দ্র থেকে বিজেপির উত্থানের খবর সামনে আসতে থাকে। ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়তে থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। বিরাট ব্যবধানে নিজের খেলা দেখায় বিজেপি। এদিন দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী ফের একবার উন্নয়নের বাংলার খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘দেশের বেশিরভাগ রাজ্যেই বিজেপির সরকার চলছে। জনতার সেবা করাই প্রধান কাজ। তাই মানুষ ভরসা করে। ডা. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আত্মা এবার শান্তি পেল। তিনি রাষ্ট্রকে সবার আগে রেখেছিলেন। তিনি পশ্চিমবাংলার জন্য বিরাট লড়াই করেছিলেন। ৪ মে ২০২৬ সালে বাংলার জনতা বিজেপিকে সুযোগ দিয়েছে। বাংলার ভাগ্যে আজ থেকে নতুন অধ্যায় জুড়ে গেল। বাংলা ভয়মুক্ত হল। বিকাশের পথে যুক্ত হল। বাংলার পরিবর্তন হয়েছে। সেখানকার মানুষরা নিজের মতো করে ভোট দিয়েছে। বাংলার মানুষের ওপর অনেক অত্যাচার হয়েছে। বাংলায় বিজেপি উন্নয়নের জোয়ার এনে দেবে। রাজ্যজুড়ে গেরুয়া ঝড়, যাদবপুরে জিতলেন শর্বরী মুখার্জি পদ্মঝড়ে সোনারপুর দক্ষিণে জেতা আসনে হারলেন লাভলি তিনি আরও বলেন, 'বিজেপি যত আসন জিতেছে তা সংখ্যা নয় এটি হিংসা-ভয়-তুষ্টিকরণের রাজনীতিকে উত্তর দিয়েছে। প্রতি বাংলাবাসীর জন্য বিজেপি দিনরাত এক করে কাজ করবে। বাংলায় মহিলাদের সুরক্ষা মিলবে। যুবদের রোজগার মিলবে। প্রথম ক্যাবিনেটই আয়ুষ্মান ভারত শুরু হবে। অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের সংকল্প সেটাই হবে। বাংলার ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হবে। বাংলায় নতুন ভোর হবে। প্রথমবার ভোটে কারও প্রাণহানি হয়নি। মানুষ ভয়মুক্ত হয়ে ভোট দিয়েছেন। বাংলার প্রতি রাজনৈতিক দল যেন মিলেমিশে কাজ করেন। বদলা নয় বদল হবে। কে কাকে ভোট দিয়েছে তার ওপরে উঠে মানুষের সেবা করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজকের দিন ঐতিহাসিক। অভূতপূর্ব। বহু বছরের সাধনা পূরণ হয়েছে। এটা দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিক। এটা ভরসার দিন। ভারতের লোকতন্ত্রের ওপর ভরসার দিন। এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতের ভরসার দিন। বাংলা, অসম, পুদুচেরি, তামিলনাড়, কেরলের মানুষকে প্রণাম করছি। বিজেপির কোটি কোটি সদস্যদের অভিনন্দন। এরা সকলে মিলে কামাল করে পদ্মফুট ফুটিয়েছেন। নতুন ইতিহাস রচিত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এই ভোটে দলের কর্মীরা দারুণ কাজ করেছে। বিভিন্ন উপ নির্বাচনের ফলও ভাল হয়েছে। সাধারণ মানুষকে এজন্যে ধন্যবাদ। পাঁচ রাজ্যের মানুষ গোটা বিশ্বকে দেখিয়েছে ভারত গণতন্ত্রের পীঠস্থান।’ রাজ্যের ভোটের হার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে ৯৩ শতাংশ ভোট হওয়া এক ঐতিহাসিক ঘটনা। মহিলাদের ভোটদান সকলের নজর কেড়েছে। এটাই সকলের নজরে পড়েছে। নির্বাচন কমিশনকে এজন্য ধন্যবাদ জানাই। বাংলা জয়ের সঙ্গে গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগরে পদ্মফুল ফুটল।’২০১১ সালে রাজ্যে বামেদের পালাবদল ঘটিয়ে ক্ষমতা এসেছিল ঘাসফুল শিবির। তারপর টানা তিনবার জয়ের হ্যাটট্রিক করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। তবে ২০২৬ সালে ভোট দেবতার ভাবনায় হয়তো অন্যকিছু ছিল। তাই এবার আর নিজের মুখ্যমন্ত্রী পদ ধরে রাখতে পারলে না তিনি। পশ্চিমবঙ্গের রাশ এবার চলে গেল বিজেপির হাতে।
75 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
May 4, 2026, 02:17 PM
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়

আজকাল ওয়েবডেস্ক:তিনি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। কিন্তু ফল হল না তাতে। ২৬-এর ভোটে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস। দুপুরে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সন্ধে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেছিলেন। কিন্তু সেই সন্ধের পর তিনি নিজে যখন সাখাওয়াত মেমোরিয়াল থেকে বেরোলেন, তখন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো বিধ্বস্ত। বললেন, 'আমাকে মেরেছে, ধাক্কা দিয়েছে।' গণনার সন্ধের মুখেই সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে গিয়েছিলেন মমতা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল, তিনি গণনা কেন্দ্রে ঢোকার সময় বাধার মুখোমুখি হন। গণনা কেন্দ্র থেকে বেরিয়া মমতা বললেন, তাঁকে ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তিনি প্রার্থী হওয়ার পরেও, তাঁকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো অভিযোগ করেম অন্তত ১০০ আসনে লুঠ হয়েছে। এর আগে, সোমবার দুপুরে সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তায় মমতা বলেন, 'দয়া করে কাউন্টিং এজেন্ট, প্রার্থীরা এলাকা ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান। আমি আগেই বলেছিলাম প্রথম দু-তিন রাউন্ডে ওদের গুলো আগে দেখাবে। অনেক জায়গায় কাউন্টিং বন্ধ করে রেখেছে। কল্যাণীতে সাতটা মেশিন পাওয়া গেছে, যেখানে কোনও মিল নেই। এসআইআরে ভোট লুঠ করেছে। ৭০-১০০ টা সিটে আমরা এগিয়ে, সেগুলো প্রকাশ করছে না। পুরোটাই নির্বাচন কমিশন করছে। মিডিয়ায় মিথ্যে খবর খাওয়াচ্ছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর অধীনে কাজ করছে আমাদের পুলিশ। আম দলীয় কর্মীদের বলব, ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ। ভয় পাবেন না, মনখারাপের কারণ নেই, সূর্যাস্তের পর তৃণমূলই জিতবে। ১৪-১৮ রাউন্ডের পরই আপনারা জিতবেন, আমি পাশে আছি, বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করুন।'
99 shares
😢
E
EI Samay
May 4, 2026, 01:59 PM
আইপিএল ম্যাচে অস্বাভাবিক বিয়ের প্রশ্নের মুখোমুখি শুভমান গিল

আইপিএল ম্যাচে অস্বাভাবিক বিয়ের প্রশ্নের মুখোমুখি শুভমান গিল

IPL-এ দারুণ ছন্দে রয়েছে শুবমান গিলের দল গুজরাট টাইটান্স। টানা তিন ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে খেতাবি লড়াই জমিয়ে দিয়েছে তারা। রবিবার লিগ শীর্ষে থাকা পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে দিয়েছে GT। তবে ম্যাচের বাইরের এক ঘটনায় চর্চায় উঠে এসেছেন শুবমান গিল। রবিবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচে টসের সময়ে অপ্রস্তুত পরিস্থিতির মুখে পড়েন শুবমান। একেবারে অপ্রত্যাশিত ভাবে শুবমানকে ব্যক্তিগত প্রশ্ন করে বসেন নিউ জ়িল্যান্ডের প্রাক্তন পেসার ও ধারাভাষ্যকার ড্যানি মরিসন। বিয়ে নিয়ে এক প্রশ্নে অস্বস্তিতে পড়েন গিল। চর্চা চলছে সেই ঘটনা নিয়ে।পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে টস জিতে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান গিল। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই এগোচ্ছিল, কিন্তু হঠাৎই কথোপকথনের মাঝখানে গিলের বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করে বসেন মরিসন। এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত টস বা ম্যাচের মাঝে আলোচনায় দেখা যায় না, ফলে গিল কিছুটা থমকে যান।মরিসনের প্রশ্ন ছিল, ‘এখনও কি বিয়ের কোনও পরিকল্পনা নেই? আমাদের কিছু জানার প্রয়োজন রয়েছে?’ চমকে যান গিল। তবে কিছুটা সময় নিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে উত্তর দেন, ‘না, না, এখনও পর্যন্ত কিছুই জানানোর নেই।’উল্লেখ্য, মরিসনের গিলকে এ ভাবে অপ্রস্তুতে ফেলার ঘটনা করেছেন। গত মরশুমের IPL-এও একই ধরনের প্রশ্ন করেছিলেন তিনি। তবে ২০২৫ সালে এক সাক্ষাৎকারে গিল নিজেই জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সিঙ্গল এবং কেরিয়ারের উপরেই সম্পূর্ণ ফোকাস রয়েছে তাঁর। তিনি বলেছিলেন, ‘তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আমি সিঙ্গল। নানা রকম গুজব শোনা যায়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেটা অবাস্তব হয়।’গিল আরও জানান, পেশাদার ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচির কারণে সম্পর্কের জন্য সময় বের করাও কঠিন। তবে এই প্রশ্নে যে মাঠে নামার আগেই ‘ক্লিন বোল্ড’ হয়েছিলেন শুবমান, সেটা স্পষ্ট।
18 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
May 4, 2026, 01:42 PM
ঐতিহ্যবাহী পোশাকে বাংলার নির্বাচনে বিজেপির জয় উদযাপন মোদীর

ঐতিহ্যবাহী পোশাকে বাংলার নির্বাচনে বিজেপির জয় উদযাপন মোদীর

ঘিয়ে রঙের তসর সিল্কের পাঞ্জাবি, সঙ্গে ঘিয়ে রঙেরই তসর সিল্কের কোঁচা দেওয়া ধুতি। কোঁচাটা আবার গোঁজা পাঞ্জাবির পকেটে। গলায় উত্তরীয়। দেখে মনে হতে পারে কোনও বাঙালি বাবু। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় আশাতীত ফলাফলের পরে সোমবার সন্ধ্যায় ঠিক এই রূপেই নয়াদিল্লির BJP সদর দপ্তরে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। কোঁচা সামলে হাঁটতে একটু অসুবিধা হচ্ছিল, তবে বাংলার নির্বাচনে যে মসৃণ জয় এসেছে, সেই মসৃণতা ধরা পড়েছে তাঁর মুখের হাসিতে।মোদী যখন বাঙালি বেশে মঞ্চে, সেই সময়ে আবির মাখামাখি হয়ে দর্শকাসনে প্রথম সারিতে বসে শমীক ভট্টাচার্য-সহ বঙ্গ BJP-র নেতৃত্ব। তাঁদের সামনেই BJP-র কার্যকর্তাদের ভুয়সী প্রশংসা করলেন নরেন্দ্র মোদী।তিনি বললেন, 'দীর্ঘদিনের সাধনা যখন সিদ্ধ হয়, তখন যে খুশি আসে, তা আজ দেশের সকল BJP সমর্থকের মুখে দেখছি। আমিও তাদের খুশিতে সামিল। আজকের দিন দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ঘোষণার দিন, ভরসার দিন। আমি বাংলা, অসম, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও কেরালার জনতাকে প্রণাম জানাই। BJP-র কোটি-কোটি কার্যকর্তাকে হৃদয় থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা নতুন ইতিহাস রচনা করলেন।'তিনি আরও জানালেন, বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই তিনি জানিয়েছিলেন, গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত পদ্ম ফুটবে। আজ তাই-ই হয়েছে। বিহার, উড়িশ্য়ার হয়ে আজ পশ্চিমবঙ্গেও ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কথাও। তিনি বলেন, 'শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়েরআত্মা আজ শান্তি পেলেন। ১৯৫১ সালে জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠা করে দেশের যুবকদের দেশপ্রেমের বার্তা দিয়েছিলেন। তিনি যে সশক্ত ও সম্বৃদ্ধ বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা কয়েক দশক ধরে পূরণ হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। আজ বাংলার জনতা আমাদের কার্যকর্তাদের সেই সুযোগ দিয়েছিলেন। আজ বাংলার ইতিহাসে এক নয়া অধ্যায় যুক্ত হলো।'ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র, ষোগীরাজ অরবিন্দ ঘোষকে শ্রদ্ধা জানালেন বাংলার মানুষ বলে দাবি করেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি আরও জানান, বাংলা এবং কেরালায় BJP-র কার্যকর্তাদের, বিশেষ করে মহিলাদের অনেক অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। নির্বাচনী সাফল্য সকল শহিদ কার্যকর্তাদের পরিবারবর্গকে উৎসর্গ করেন তিনি। তিনি বলেন, 'বাংলার পবিত্র ভূমিতে আজ এক নতুন সূর্যোদয় হলো। বাংলার মানুষ তোষণ এবং ভয়ের রাজনীতিকে ছুঁড়ে ফেলেছে। আজ থেকে বাংলা ভারতের উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে, পা মিলিয়ে চলবে।''সকল বঙ্গবাসী'কে আশ্বাস দেন, বাংলার ভবিষ্যতের জন্য সকল BJP কার্যকর্তা রাত-দিন এক করে কাজ করবে। তিনি আরও আশ্বাস দেন, মহিলাদের নিরাপত্তা, যুবকদের কাজ, বাংলা, অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই আয়ুষ্মান বারত চালু করা হবে।রবীন্দ্রনাথকেও স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী। ২৫ বৈশাখ অর্থাৎ আগামী ৯ মে বাংলায় BJP সরকার শপথ নেবে বাংলায় বলে ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানালেন, রবীন্দ্রনাথ য়েমন ভয়মুক্ত মন এবং পরিবেশ চেয়েছিলেন, BJP-র শাসনে বাংলায় সেই পরিবেশ তৈরি হবে।বাংলায় বিগত নির্বাচনে যে হিংসা হয়েছে, তার কথাও স্মরণ করালেন তিনি। তিনি বলেন, 'তবে এ বারের নির্বাচনে বন্দুকের আওয়াজ নয়, জনতা-জনার্দনের আওয়াজ শোনা গিয়েছে।' এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, 'বদলা নয়, বদলের কথা বলতে হবে। কে ভোট দিয়েছে, কে ভোট দেয়নি, তা ভুলে বাংলার জন্য কাজ করতে হবে।'
62 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
May 4, 2026, 01:42 PM
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় উদযাপন করছেন মোদী

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় উদযাপন করছেন মোদী

সাদা রঙের পাঞ্জাবি, সঙ্গে ঘিয়ে রঙের তসর সিল্কের কোঁচা দেওয়া ধুতি। কোঁচাটা আবার গোঁজা পাঞ্জাবির পকেটে। গলায় উত্তরীয়। দেখে মনে হতে পারে কোনও বাঙালি বাবু। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় আশাতীত ফলাফলের পরে সোমবার সন্ধ্যায় ঠিক এই রূপেই নয়াদিল্লির BJP সদর দপ্তরে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। কোঁচা সামলে হাঁটতে একটু অসুবিধা হচ্ছিল, তবে বাংলার নির্বাচনে যে মসৃণ জয় এসেছে, সেই মসৃণতা ধরা পড়েছে তাঁর মুখের হাসিতে।মোদী যখন বাঙালি বেশে মঞ্চে, সেই সময়ে আবির মাখামাখি হয়ে দর্শকাসনে প্রথম সারিতে বসে শমীক ভট্টাচার্য-সহ বঙ্গ BJP-র নেতৃত্ব। তাঁদের সামনেই BJP-র কার্যকর্তাদের ভুয়সী প্রশংসা করলেন নরেন্দ্র মোদী।তিনি বললেন,‘দীর্ঘদিনের সাধনা যখন সিদ্ধ হয়, তখন যে খুশি আসে, তা আজ দেশের সকল BJP সমর্থকের মুখে দেখছি। আমিও তাদের খুশিতে সামিল। আজকের দিন দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ঘোষণার দিন, ভরসার দিন। আমি বাংলা, অসম, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও কেরালার জনতাকে প্রণাম জানাই। BJP-র কোটি-কোটি কার্যকর্তাকে হৃদয় থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা নতুন ইতিহাস রচনা করলেন।’তিনি আরও জানালেন, বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই তিনি জানিয়েছিলেন, গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত পদ্ম ফুটবে। আজ তাই-ই হয়েছে। বিহার, উড়িশ্য়ার হয়ে আজ পশ্চিমবঙ্গেও ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কথাও। তিনি বলেন,‘শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়েরআত্মা আজ শান্তি পেলেন। ১৯৫১ সালে জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠা করে দেশের যুবকদের দেশপ্রেমের বার্তা দিয়েছিলেন। তিনি যে সশক্ত ও সম্বৃদ্ধ বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা কয়েক দশক ধরে পূরণ হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। আজ বাংলার জনতা আমাদের কার্যকর্তাদের সেই সুযোগ দিয়েছিলেন। আজ বাংলার ইতিহাসে এক নয়া অধ্যায় যুক্ত হলো।’ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র, ষোগীরাজ অরবিন্দ ঘোষকে শ্রদ্ধা জানালেন বাংলার মানুষ বলে দাবি করেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি আরও জানান, বাংলা এবং কেরালায় BJP-র কার্যকর্তাদের, বিশেষ করে মহিলাদের অনেক অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। নির্বাচনী সাফল্য সকল শহিদ কার্যকর্তাদের পরিবারবর্গকে উৎসর্গ করেন তিনি।তিনি বলেন,‘বাংলার পবিত্র ভূমিতে আজ এক নতুন সূর্যোদয় হলো। বাংলার মানুষ তোষণ এবং ভয়ের রাজনীতিকে ছুঁড়ে ফেলেছে। আজ থেকে বাংলা ভারতের উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে, পা মিলিয়ে চলবে।’'সকল বঙ্গবাসী'কে আশ্বাস দেন, বাংলার ভবিষ্যতের জন্য সকল BJP কার্যকর্তা রাত-দিন এক করে কাজ করবে। তিনি আরও আশ্বাস দেন, মহিলাদের নিরাপত্তা, যুবকদের কাজ, বাংলা, অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই আয়ুষ্মান বারত চালু করা হবে।রবীন্দ্রনাথকেও স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী। ২৫ বৈশাখ অর্থাৎ আগামী ৯ মে বাংলায় BJP সরকার শপথ নেবে বাংলায় বলে ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানালেন, রবীন্দ্রনাথ য়েমন ভয়মুক্ত মন এবং পরিবেশ চেয়েছিলেন, BJP-র শাসনে বাংলায় সেই পরিবেশ তৈরি হবে।বাংলায় বিগত নির্বাচনে যে হিংসা হয়েছে, তার কথাও স্মরণ করালেন তিনি। তিনি বলেন,‘তবে এ বারের নির্বাচনে বন্দুকের আওয়াজ নয়, জনতা-জনার্দনের আওয়াজ শোনা গিয়েছে।’এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন,‘বদলা নয়, বদলের কথা বলতে হবে। কে ভোট দিয়েছে, কে ভোট দেয়নি, তা ভুলে বাংলার জন্য কাজ করতে হবে।’
54 shares
😊
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
May 4, 2026, 01:30 PM
নির্বাচনের ফলাফলের জন্য অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন

নির্বাচনের ফলাফলের জন্য অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তাপের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সামাজিক মাধ্যমে বঙ্গবাসীর উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে এই ফলাফলকে তিনি মানুষের ‘বিশ্বাসের জয়’ হিসেবে দেখছেন। অমিত শাহ তাঁর বার্তায় বলেন, বঙ্গবাসী যে বিপুল জনসমর্থন দিয়েছেন, তা ভয়, তুষ্টিকরণ এবং অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থনকারী রাজনীতির বিরুদ্ধে শক্ত বার্তা। তাঁর দাবি, এই রায় এমন এক শিক্ষা, যা ভবিষ্যতে এই ধরনের রাজনীতি করা দলগুলি সহজে ভুলতে পারবে না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মানুষ যে আশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন, তা পূরণ করতে বিজেপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর কথায়, এই ফলাফল কেবল রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত নয়, বরং রাজ্যের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পথও প্রশস্ত করবে। বঙ্গের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার প্রসঙ্গেও তিনি বক্তব্য রাখেন। চৈতন্য মহাপ্রভু, স্বামী বিবেকানন্দ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিত্বদের স্মরণ করে তিনি বলেন, এই পবিত্র ভূমির হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং ‘সোনার বাংলা’ গড়ার লক্ষ্যে বিজেপি সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করবে। অমিত শাহ আরও বলেন, গঙ্গার উৎস থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত আজ বিজেপির পতাকা উড়ছে—এটি দলের প্রতিটি কর্মীর কাছে গর্বের মুহূর্ত। তিনি বঙ্গবাসীকে প্রণাম জানিয়ে এই সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব রাজ্যের ভোটারদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্ট করতে চাইছে।
70 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
May 4, 2026, 01:14 PM
পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমানে নির্বাচনী সহিংসতায় বিজেপি এগিয়ে

পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমানে নির্বাচনী সহিংসতায় বিজেপি এগিয়ে

গণনা শেষ হয়নি এখনও। তার আগেই শুরু হয়ে গেল ‘ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস’ (Post Poll Violence)? পশ্চিম বর্ধমানের বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল কার্যালয় (TMC Party Office) ভাঙচুরের অভিযোগ উঠলবিজেপির বিরুদ্ধে। সোমবার বিকেলে জামুড়িয়া, বারাবনি, কেন্দ্রা থেকে মিলছে এমনই খবর। শুধু তাই নয়, বারাবনির তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অসিত সিংহের বাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছে।পশ্চিম বর্ধমানে ৯টি কেন্দ্র। বিকেল ৬টা পর্যন্ত যা ট্রেন্ড, তাতে ৯-০-তে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে তৃণমূল। অভিযোগ, পুরো জেলায় ‘জয়ের’ ইঙ্গিত মিলতেই বাঁশ, লাঠি হাতে বেরিয়ে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। শুরু হয় ভাঙচুর। ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো (সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় অনলাইন)ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।জামুড়িয়া বিধানসভার চুরুলিয়া গ্রামেতৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, আচমকাই লাঠিসোঁটা নিয়ে কার্যালয়ে ঢুকে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। টেনে টেনে বাইরে ফেলে দেয় চেয়ার, টেবিল। তৃণমূলের পোস্টার, ব্যানার ছিঁড়ে গোটা কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, দাউ দাউ করে জ্বলছে গোটা কার্যালয়। সামনে স্তূপাকার হয়ে পড়ে রয়েছে ভাঙা চেয়ার-টেবিল।একই ভাবে কেন্দ্রাতেও তৃণমূলের একটি দলীয় কার্যালয় ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের বারাবনির পার্টি অফিসেও। শুধু তাই নয়, বারাবনির তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অসিত সিংহের বাড়িতেও ব্যাপক ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে।ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছেন জামুড়িয়ার তৃণমূল নেতা সুব্রত অধিকারী। তিনি বলেন, ‘বিজেপি কর্মীরা আমাদের পার্টি অফিস ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চাইছে।’ তবে জামুড়িয়ার সদ্যজয়ী বিজেপি প্রার্থী বিজন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা কোনও ভাবেই এমন ঘটনা সমর্থন করি না। কর্মীদের অনুরোধ করব, যেন এমন ঘটনা না ঘটে।’
64 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
May 4, 2026, 01:11 PM
অসম ও পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের জন্য মোদী ভোটারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন

অসম ও পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের জন্য মোদী ভোটারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন

আজকাল ওয়েবডেস্ক:অসম, পুদুচেরিতে বিরাট জয় পেয়েছে বিজেপি। প্রত্যাবর্তন ঘটেছে গেরুয়া বাহিনীর। উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী মোদি। অভিনন্দন জানিয়েছেন এই দুই রাজ্যের ভোটারদের। পাশাপাশি, প্রতিশ্রুতি রক্ষার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও কেরল ও তামিলনাড়ুর ভোটারদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। অসমের জয় সম্পর্কে মোদি: 'এক্স' হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, 'আসাম আবারও বিজেপি-এনডিএ-কে আশীর্বাদ করেছে! আসাম বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-এনডিএ-এর এই বিজয় আমাদের জোটের উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টার প্রতি জনগণের অটল সমর্থনেরই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিপুল জনরায়ের জন্য আমি আসামের আমার সকল ভাই ও বোনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি তাঁদের এ আশ্বাসও দিচ্ছি যে, রাজ্যের সামগ্রিক রূপান্তরের লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব।' অসমের বিজেপি নেতা, কর্মীদের পরিশ্রমকে কুর্নিশ জানিয়েছেন মোদি। লিখেছেন, 'আসামের জনগণের মাঝে দিন-রাত এক করে অক্লান্ত পরিশ্রম করার জন্য আমি বিজেপি-এনডিএ-এর সকল কার্যকর্তাকে সাধুবাদ জানাই। গত এক দশকে আমাদের দল এবং জোট যেভাবে বিকশিত হয়েছে, তা সত্যিই অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাঁদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলেই আমাদের ইতিবাচক কর্মসূচি ও এজেন্ডাগুলো সাধারণ মানুষের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটতে সক্ষম হয়েছে।' পদুচেরি প্রসঙ্গে মোদি: 'পুদুচেরির আমাদের এনডিএ কার্যকর্তারা তৃণণূলস্তরে যে অসাধারণ প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, তা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। তাঁরা প্রতিনিয়ত মানুষের মাঝে অবস্থান করেছেন এবং আমাদের রূপকল্প ও কাজের খতিয়ান মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। আর এ কারণেই মানুষ আবারও আমাদের আশীর্বাদ করেছেন।' তামিলনাড়ু প্রসঙ্গে মোদি: দক্ষিণী এই রাজ্যে এনডিএ ধরাশায়ী। তবুও মোদি লিখেছেন, 'তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ-কে সমর্থন জানানোর জন্য তামিলনাড়ুর ভোটারদের জানাই কৃতজ্ঞতা। জনগণের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে এবং তাঁদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আমরা সর্বদা অগ্রভাগে থাকব। টিভিকে-কে তাদের চমৎকার ফলাফলের জন্য জানাই অভিনন্দন। তামিলনাড়ুর অগ্রগতি এবং সেখানকার জনগণের কল্যাণ সাধনে কেন্দ্রীয় সরকার কোনো প্রচেষ্টাই বাকি রাখবে না।' কেরল প্রসঙ্গে মোদি: কেরলে পালাবদল ঘটেছে। ক্ষমতায় ফিরেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট। তবুও প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি, 'বিকশিত কেরল-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করে যাব।' মোদি লিখেছেন, 'কেরলে যারা বিজেপি-এনডিএ-কে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের সকলকে আমি ধন্যবাদ জানাই। কেরলের অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আমরা ক্রমাগত তুলে ধরব এবং একটি ‘বিকশিত কেরল’-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করে যাব। কেরল বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের জন্য আমি ইউডিএফ-কে অভিনন্দন জানাই। কেরলের জনগণের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কেন্দ্র সরকার সর্বদা সহায়তা প্রদান করে যাবে।'
27 shares
😊
E
EI Samay
May 4, 2026, 12:56 PM
অভিনেতা বিজয় এবং তামিলনাড়ুর রাজনীতির প্রতি ক্রিকেট তারকা বরুণ চক্রবর্তীর অপ্রত্যাশিত ভালবাসা

অভিনেতা বিজয় এবং তামিলনাড়ুর রাজনীতির প্রতি ক্রিকেট তারকা বরুণ চক্রবর্তীর অপ্রত্যাশিত ভালবাসা

কলকাতা নাইট রাইডার্সের(KKR) স্পিনারবরুণ চক্রবর্তী(Varun Chakravarthy) এ বার মাঠের বাইরেও চর্চার কেন্দ্রে। ক্রিকেট নয়, তামিলনাড়ুর রাজনীতি ঘিরেই উঠে এল তাঁর নাম। অভিনেতা বিজয় (Vijay) ও তাঁর দল তামিলাগা ভেটরি কাজ়াগমের (Tamilaga Vettri Kazhagam) দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আবেগঘন শুভেচ্ছা জানালেন বরুণ। সামাজিক মাধ্যমে বিজয়ের সঙ্গে নিজের একটি পুরনো ছবি শেয়ার করে তিনি শুধু লেখেন— ‘আন্না’। ছোট এই শব্দেই যেন ফুটে উঠল তাঁর গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। আগেই বরুণ জানিয়েছিলেন, বিজয় এবং কিংবদন্তি অভিনেতা রজনীকান্তের তিনি বড় ভক্ত। এ বার সেই ভালোবাসাই যেন আরও একবার প্রকাশ পেল সবার সামনে।প্রসঙ্গত, নির্বাচনে ঝড় তুলছে বিজয়ের দল। তামিলনাড়ু নির্বাচনে TVK দারুণ ফল করেছে। যার ফলে বিজয় রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন— এমন জল্পনাও জোরদার।এর আগে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (SRH) বিরুদ্ধে ম্যাচে সেরা খেলোয়াড় হন বরুণ চক্রবর্তী। ম্যাচের পর তিনি বলেন, শুরুতে পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ থাকায় স্পিনারদের সমস্যায় পড়তে হয়। তাঁর দাবি, ‘আমি প্রতি বছরই বলি, আইপিএল শুরু হলে প্রথম চারটি ম্যাচে পিচ খুব ব্যাটিং সহায়ক থাকে। স্পিনারদের জন্য খেলা কঠিন হয়ে যায়। এটা সব স্পিনারের ক্ষেত্রেই ঘটে।’SRH-এর বিরুদ্ধে ম্যাচে বরুণ ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। এটি ছিল তাঁর টানা চতুর্থ ম্যাচ, যেখানে তিনি অন্তত ২টি উইকেট পেয়েছেন। তিনি এ দিন ট্র্যাভিস হেডকে (Travis Head) ৬১ রানে আউট করেন, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। প্রতিপক্ষকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘ট্র্যাভিস হেড খুব আক্রমণাত্মক ব্যাট করছিল। ও খুলে খেলছিল। তবে আমি চাইনি ও সেটা করুক, তাই ওর ছন্দ ভাঙার চেষ্টা করেছি।’জয়ের হ্যাটট্রিক করে কলকাতা টিমের আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। বরুণ বলেন, দলের মধ্যে বোঝাপড়া ক্রমশ বাড়ছে। তাঁর মতে, ‘আমাদের দল ধীরে ধীরে একসঙ্গে ভালো খেলতে শুরু করেছে। ব্যাটিং ও বোলিং— দুই বিভাগই তাল মিলিয়ে এগোচ্ছে। আমরা যদি এই ধারাটা বজায় রাখতে পারি, তা হলে IPL-এ বড় প্রভাব ফেলতে পারব।’
27 shares
😊