Achira News Logo
Achira News
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 06:54 AM
জলদাপাড়া বন এলাকা সংলগ্ন গ্রামগুলিতে হাতিরা হাভোক ধ্বংস করে

জলদাপাড়া বন এলাকা সংলগ্ন গ্রামগুলিতে হাতিরা হাভোক ধ্বংস করে

ফালাকাটা:জলদাপাড়া বনাঞ্চল সংলগ্ন গ্রামগুলিতে হাতির হানা অব্যাহত(Elephant Attack)। বৃহস্পতিবার রাতে ফালাকাটার রাইচেঙ্গা ও খাউচাঁদপাড়া গ্রামে হাতির দল ঢুকে ব্যাপক তছনছ চালায়। বৃষ্টির সুযোগ নিয়ে বনাঞ্চল থেকে লোকালয়ে ঢুকে পড়া হাতিগুলি বিঘার পর বিঘা ভুট্টা খেত নষ্ট করার পাশাপাশি এক গ্রামবাসীর ঘর ও পোলট্রি ফার্মের ক্ষতি করেছে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার মাঝরাতে যখন বৃষ্টি হচ্ছিল, সেই সুযোগে জলদাপাড়া জঙ্গল থেকে দুটি হাতি রাইচেঙ্গা গ্রামে ঢুকে পড়ে। বর্তমানে ওই এলাকায় প্রচুর ভুট্টা চাষ হয়েছে। হাতি দুটি নৃপেন চন্দ ও শ্যামল সিকদারের ভুট্টা খেতে ঢুকে পড়ে এবং ফসল তছনছ করে দেয়। খবর পেয়ে রাতেই বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় হাতি দুটিকে জঙ্গলে তাড়িয়ে দেন। অন্যদিকে, খাউচাঁদপাড়া গ্রামেও হানা দেয় ২-৩টি হাতির একটি দল। সেখানে এক গ্রামবাসীর ঘরের বেড়া ভেঙে দেয় হাতিগুলি। পাশাপাশি একটি পোলট্রি ফার্মেও হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতি করা হয়েছে। এই গ্রামেও দুই কৃষকের ভুট্টা খেত নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ। বারবার হাতির হানায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জলদাপাড়া বন দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাতির হানায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখতে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে গ্রামবাসীদের দাবি, কেবল ক্ষতিপূরণ দিলেই হবে না; হাতি যাতে জঙ্গল থেকে লোকালয়ে বেরিয়ে আসতে না পারে, তার জন্য বন দপ্তরকে স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
31 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:15 AM
কলকাতার সরকারি হাসপাতালে দুজনের রহস্যজনক মৃত্যু

কলকাতার সরকারি হাসপাতালে দুজনের রহস্যজনক মৃত্যু

শুক্রবার সকালে চাঞ্চল্য কলকাতায়। আরজি করের পরে এ বার এসএসকেএম হাসপাতাল (SSKM Hospital) থেকেও এল রহস্যমৃত্যুর খবর। সরকারি হাসপাতাল চত্বর থেকে উদ্ধার হলো এক তরুণের ঝুলন্ত মৃতদেহ।জানা গিয়েছে, মৃত যুবক হাসপাতালের সাফাইকর্মী। এ দিন সকালে হাসপাতালের মেইন ব্লকের উল্টোদিকে গ্যাস্ট্রো ওপিডি-র কাছে চারতলা থেকে ওই যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের নাম ইমরান সর্দার (২২)। তিনি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রো বিভাগে চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে কাজ করতেন।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সকালে SSKM কর্মীরাই প্রথম ঝুলন্ত দেহটি দেখতে পান এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।অন্যদিকে, এ দিন সকালেই শহরের অন্য সরকারি হাসপাতাল আরজি করেও ঘটেছে এক মর্মান্তিক কাণ্ড। সন্তানের চিকিৎসা করাতে এসেRG Kar হাসপাতালেরট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের লিফটে আটকে পড়ে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, লিফট দুর্ঘটনার জেরে ভিতরে আটকে পড়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে।
55 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 05:46 AM
ক্রমবর্ধমান তেলের দাম এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে রুপির রেকর্ড পতন

ক্রমবর্ধমান তেলের দাম এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে রুপির রেকর্ড পতন

আজকাল ওয়েবডেস্ক:শুক্রবার রুপি-র দর সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে। অপরিশোধিত তেলের দামের বৃদ্ধি এবং পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ফলে রুপির ওপর নতুন করে চাপ বেড়েছে। রকের্ড গড়ে এই প্রথমবার ভারতীয় রুপি ৯৩ টাকার সীমা অতিক্রম করেছে। এ দিন মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে রুপি-র দর ৯৩.১৫। উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত তীব্র আকার নেওয়ায় রুপির সাম্প্রতিক দরপতন অব্যাহত রইল। এই সংঘাত জ্বালানি পরিকাঠামোকে ব্যাহত করেছে এবং অপরিশোধিত তেলের দামকে অনেকটা বেড়েছে। দীর্ঘস্থায়ী সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের ওপরেই রয়েছে। যা ভারতের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়, কারণ ভারত নিজস্ব তেলের চাহিদার একটি বিশাল অংশ আমদানি করে থাকে। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায়, ডলারের চাহিদা বাড়ে এবং রুপির ওপর নিম্নমুখী চাপ সৃষ্টি হয়। একই সময়ে, ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে 'ঝুঁকি-বিমুখ' মনোভাব তৈরি করেছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলারের মতো 'নিরাপদ আশ্রয়স্থল' হিসেবে বিবেচিত সম্পদের দিকে ঝুঁকছেন। এর ফলে ডলার শক্তিশালী হয়েছে এবং রুপি-সহ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মুদ্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই অনিশ্চয়তার আবহে বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও ভারতীয় শেয়ার বাজারে তাদের শেয়ার বিক্রি বাড়িয়ে দিয়েছেন, যা রুপির ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি করেছে। যখন বিশ্বের বিভিন্ন তহবিলগুলো বাজার থেকে অর্থ তুলে নেয়, তখন তারা রুপিকে ডলারে রূপান্তর করে, যা রুপির দরপতনের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করে। পাশাপাশি, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সতর্ক অবস্থানও এই চাপের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারতের ক্ষেত্রে, এর প্রভাব কেবল মুদ্রাবাজারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দুর্বল রুপি এবং অপরিশোধিত তেলের চড়া দাম - এই দুইয়ের সংমিশ্রণ আমদানিনির্ভর মুদ্রাস্ফীতিকে উস্কে দিতে পারে (বিশেষ করে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রে), যার ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ ভোক্তাদের খরচ বৃদ্ধি পাবে। বাজার বিশেষজ্ঞরা এখন পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের গতিপ্রকৃতি, অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা এবং রুপিকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে কোনও হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত পাওয়া যায় কি না - সেসব বিষয়ের ওপর নজর রাখছেন।
98 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 05:27 AM
বিধানসভা নির্বাচনের সময় এলপিজি-র ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধিতে কলকাতার রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত

বিধানসভা নির্বাচনের সময় এলপিজি-র ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধিতে কলকাতার রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃকলকাতার রাস্তায় যাতায়াত করাই এখন দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, অন্যদিকে বিধানসভা নির্বাচনের কারণে গণপরিবহন তুলে নেওয়ার তোড়জোড়— এই জোড়া ফলায় বিদ্ধ সাধারণ যাত্রী। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই কলকাতায় অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম লিটার প্রতি ৮ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা(LPG Price Hike)। জ্বালানির এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও জোগানের অভাবে ইতিমধ্যেই শহর থেকে ৩০ শতাংশ অটো উধাও হয়ে গিয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতেই এলপিজির দাম লিটারে ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছিল ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। তার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে লিটার প্রতি এলপিজির দাম এক লাফে ৮ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা হয়ে গেল। ইরান-ইরাক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের জোগানে টান পড়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অটো চালকরা দ্বিগুণ ভাড়া চাইছেন, আবার অনেক রুটে গ্যাস ভরার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকায় রাস্তায় অটোর দেখা মিলছে না। অটোর সংকটের মাঝেই গোদের ওপর বিষফোড়ার মতো দেখা দিয়েছে নির্বাচন। পুলিশ ও আরটিও (RTO)-র পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই ১৬০০-র বেশি বেসরকারি বাস রিকিউজিশন করা হয়েছে। আগামী ৫ এপ্রিল থেকে রাস্তা থেকে বাস কমার হার আরও বাড়বে। বাসমালিকদের সংগঠন জানাচ্ছে, শহরে বর্তমানে প্রায় আড়াই হাজার বেসরকারি বাস চলে, যার মধ্যে অন্তত দু’হাজার বাসই নির্বাচনের কাজে তুলে নেওয়া হবে। ফলে অফিসযাত্রী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে। শুধু সরকারি বা বেসরকারি বাস নয়, নির্বাচনের ডিউটির জন্য স্কুলবাস, অ্যাপ ক্যাব এবং পুলকারও তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এমনকি অসমের নির্বাচনের জন্য উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু বাস সেখানে পাঠানো হতে পারে। সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহা বলেন, “এবার দু’দফায় নির্বাচন হওয়ায় এবং ফোর্সের সংখ্যা বেশি থাকায় একসঙ্গে অনেক গাড়ি তুলে নেওয়া হচ্ছে। তার ওপর অটো সংকট যোগ হওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে চলেছে।” সব মিলিয়ে, এপ্রিলের শুরু থেকেই কলকাতার রাস্তায় যাতায়াত করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে যে চরম নাজেহাল হতে হবে, তা এখন স্পষ্ট। সরকারি বাসও চাহিদার তুলনায় অমিল হওয়ায় বিকল্প যাতায়াতের কোনও উপায়ই অবশিষ্ট থাকছে না শহরবাসীর কাছে।
2 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 05:11 AM
সুস্মিতার বিয়ে নিয়ে বিতর্ক, প্রাক্তন শ্যালক সায়াক চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে তিরস্কার করেছেন

সুস্মিতার বিয়ে নিয়ে বিতর্ক, প্রাক্তন শ্যালক সায়াক চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে তিরস্কার করেছেন

অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীর প্রাক্তন বৌদি সুস্মিতা সম্প্রতি বিয়ে করেছেন৷ সেই বিয়েকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক৷ সায়ক সুস্মিতাকে সমাজমাধ্যমে কটাক্ষ করেন যেন এটাই সুস্মিতার শেষ বিয়ে হয়৷ বাচ্চার জন্য বিয়ে- এই নিয়ে সমাজমাধ্যমে একের পর এক কমেন্টে সুস্মিতার দিকে আঙুল তোলা হতে থাকে৷ এরপরেই সুস্মিতা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে লাইভ করেন৷ যদিও লাইভ করে সব সত্যি জানানোর আগে সায়কের সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়৷ সেই কথোপকথন সুস্মিতা সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেছেন৷ "আমি তোদের কোনও বিষয় কমেন্ট করি না। বহুবার বহু সাংবাদিক জানতে চাইলেও মুখ খুলিনি৷ কিন্তু তোরা যা শুরু করেছিস তার শেষ হওয়া দরকার৷ শেষ ভালভাবে করতে চাইছিস তাহলে ১১.১৫ এর মধ্যে চলে আয়।" ১২ টায় সাংবাদিকদের ডেকেছেন বলেও জানিয়েছেন সুস্মিতা৷ সায়ক সাংবাদিকদের আসতে বারণ করতে বলে সুস্মিতাকে৷ কিন্তু সুস্মিতা জানায়, সায়ক লাইভ লোকেশন শেয়ার না করলে সুস্মিতাও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা স্থগিত রাখবেন না৷ তিনি বলেন, "শেষ সাত বছর আমি তোদের কথাই শুনে এসেছি। সাত বছর ধরে তো ব্ল্যাকমেল করছিস৷ এবার আমি নিজে সেটা জানাব।" সায়ক সুস্মিতাকে নিবৃত করতে চাইলে সুস্মিতা বলে তাদের মধ্যে শুরু থেকেই কথা হয়েছিল কেউ কারও বিরুদ্ধে কোনও কথা বলবে না৷ বাচ্চা প্রসঙ্গে সুস্মিতা জানান, তিনি মা হতে অক্ষম এই অপবাদ শোনার পরেও তিনি মুখ খোলেননি যে সায়কদের পরিবার বাচ্চা চায়নি৷ সায়ক যখন বারবার সুস্মিতাকে থামানোর চেষ্টা করে এবং সায়কের দাদা সব্যসাচী এই বিষয় আর কোনও মন্তব্য করবে না যদি না সুস্মিতা আর কিছু বলে - এমন জানালেও সুস্মিতা বলেন, সমস্যার সমাধান করতে হলে সায়ককে আসতে হবে৷ নয়তো লাইভ করে সুস্মিতা সব সত্যি জানাবেন বলে দাবি করেন। সায়ক অনুনয়ের সুরে বলেন যে তিনি সব ঠিক করে দেবেন। রাগ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন সুস্মিতার বিরুদ্ধে। এমনকি বিয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে ভিডিয়ো বানাবেন সেকথাও বলেন৷ এরপরে সুস্মিতা লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন৷ বলেন, আমি বাঁচতে চেয়েছি, এটা কি অপরাধ? লেখা আর মানুষ এক নয়। আমি যখন সব্যসাচীকে বিয়ে করি তখন ওর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ছিল না। হ্যাঁ সব্যসাচীকে বিয়ের আগে আমার বিয়ে ছিল। সব্যসাচীরও একাধিক সম্পর্ক ছিল। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাচ্চার দায়িত্ব নিতে চাইলেও সুস্মিতাকে বাচ্চা রাখতে দেওয়া হয় না। সায়ক বলেছিল এই যে ফ্যামিলি ড্রামাটা আমরা দেখাই এটা আমাদের বিজনেস৷ এখান থেকে বেরিয়ে যাস না। আমার মা কালো, দেবলীনা নন্দীর গল্পের সঙ্গে সুস্মিতার গল্পের মিল আছে বলেও জানান সুস্মিতা৷ বাচ্চা না হওয়া আর বাচ্চা না চাওয়া দুটো আলাদা বিষয়। ২০১৯ এ আমার বাচ্চা মারা গেছে৷ আমার ডিভোর্স হয়েছে তার অনেক বছর পর৷ আমি থানায় যাব না। কারণ থানায় এর সলিউশন নেই৷ একটা সুন্দর লেখার পিছনে যে কত বড় শয়তান লুকিয়ে থাকতে পারে, তার কোনও ধারণা নেই। " সুস্মিতা লাইভে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন, "চারটে বিয়ে করা অপরাধ নাকি ১০ টা মানুষের সঙ্গে লিভ ইন করা অপরাধ? বউয়ের সামনে অন্য নারীতে আসক্ত হওয়া অপরাধ নাকি বাচ্চা চাওয়া অপরাধ? " লাইভের মধ্যেই ফোনে সায়ক চক্রবর্তী কতবার ফোন করেছেন সেটাও দেখান। সুস্মিতার আগে দুটো বিয়ে ছিল৷ এই ভয় দেখিয়ে তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হত, সুস্মিতা প্রশ্ন করেন, তাঁর দুটো বিয়ে ছিল বলে কি তাঁর সঙ্গে যা খুশি করা যায়? তাঁর টাকা লুট করা যায়? বিবাহিত স্বামী তাঁর সামনে অন্যনারীসঙ্গ করতে পারে? সুস্মিতা বলেছেন, সুন্দরবন থেকে এসে অনেক লড়াই করেছেন৷ অনেক ধাক্কা খেলেও তিনি হেরে যাননি৷ বড়লোক ছেলেকে বিয়ে করেননি বরং একসঙ্গে বড়লোক হচ্ছেন৷
96 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 05:04 AM
2026 আইপিএল মরশুমের আগে অনুশীলনে বিরাট কোহলি

2026 আইপিএল মরশুমের আগে অনুশীলনে বিরাট কোহলি

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃগত আইপিএল মরসুমে ১৪৪ স্ট্রাইক রেটে ৬৫৭ রান করে দলকে প্রথমবার ট্রফি এনে দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। ২০২৬-এর মরসুম(IPL 2026)শুরুর আগে ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সেই একই ছন্দে ধরা দিলেন ‘কিং কোহলি’। বৃহস্পতিবার নেটে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং অনুশীলনে ঘাম ঝরালেন তিনি। স্পিনারদের শাসন করলেও অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমারের মারণ ইয়র্কারে কিছুটা রক্ষণাত্মক মেজাজে দেখা গেল তাঁকে। বৃহস্পতিবার কোহলির অনুশীলনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বেঙ্গালুরুর দুই স্পিনার স্বপ্নিল সিং ও সূযশ শর্মার বলে একের পর এক বিশাল ছক্কা হাঁকাতে দেখা যায় বিরাটকে। কখনও ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে, আবার কখনও দাঁড়িয়ে থেকেই অনায়াসে বল গ্যালারিতে পাঠাচ্ছিলেন তিনি। পেসার বেঙ্কটেশ আইয়ার ও রসিক দারের বিরুদ্ধেও তাঁর ব্যাট থেকে চেনা কভার ড্রাইভ ও লফটেড শট দেখা গিয়েছে। অনুশীলনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুহূর্ত ছিল ভুবনেশ্বর কুমারের স্পেল। ৩৬ বছর বয়সেও ভুবির সুইং ও নিয়ন্ত্রিত বোলিং কোহলিকে কিছুটা সমস্যায় ফেলে। বিশেষ করে বিরাটের পা লক্ষ্য করে করা একটি নিখুঁত ইয়র্কার সামলাতে হিমশিম খান প্রাক্তন আরসিবি অধিনায়ক। শেষ মুহূর্তে কোনওরকমে পা সরিয়ে উইকেট বাঁচান তিনি। বলটি পাশে পড়ে থাকা একটি ব্যাটে লাগলে হাসিমুখে ভুবনেশ্বরের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা বলতে দেখা যায় বিরাটকে। দুই পুরনো সতীর্থের এই লড়াই ভক্তদের নস্টালজিক করে তুলেছে। আগামী মরসুমের প্রথম ম্যাচেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মুখোমুখি হবে চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। জয় দিয়ে মরসুম শুরু করাই এখন প্রধান লক্ষ্য কোহলির। গতবারের পারফরম্যান্স ধরে রেখে দলকে আবারও সাফল্যের শিখরে নিয়ে যেতে অনুশীলনে কোনও খামতি রাখছেন না আধুনিক ক্রিকেটের এই মহাতারকা।
31 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 04:48 AM
2026 আইপিএল মরশুমের আগে ঋষভ পন্থের অধিনায়কত্ব হুমকির মুখে

2026 আইপিএল মরশুমের আগে ঋষভ পন্থের অধিনায়কত্ব হুমকির মুখে

যদি ২০২৬ সালের IPL-এলখনউ সুপার জায়ান্টস(LSG) ভালো না করে, তা হলে কি তাদের অধিনায়কঋষভ পন্থকেসরিয়ে দেওয়া হবে? এই প্রশ্নটি শুনে অনেকেই চমকে যাবেন। আসলেই, টুর্নামেন্ট শুরুও হয়নি, কিন্তু এখন থেকেই পন্থকে সরানোর কথা উঠতে শুরু করেছে। এর পিছনে বড় কারণ হলো LSG-এর মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কার একটি বিবৃতি, যা ফ্যানদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।২০২৬ সালের IPL-এর সিজন শুরু হবে ২৮ মার্চ থেকে। লখনউ-এর প্রথম ম্যাচ ১ এপ্রিল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে। গত সিজনে সপ্তম স্থানে থাকা লখনউ এ বার ভালো করার আশা নিয়ে নামছে। তাই অধিনায়ক পন্থের উপরও চাপ থাকবে। তিনি ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল খেলোয়াড় হলেও, গত সিজনে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই এই সিজনটা তাঁর জন্য অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার বড় সুযোগ।তবে টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগে LSG-এর কর্ণধারের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। প্রথম ম্যাচের ঠিক ১৩ দিন আগে গোয়েঙ্কা একটি পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি মানুষকে তাদের ফলাফল দিয়ে বিচার করি, কতক্ষণ বসে কাজ করেছেন তা দিয়ে নয়। আউটপুটই একমাত্র সঠিক মানদণ্ড।’নতুন IPL সিজনের এত কাছাকাছি সময়ে এই পোস্ট বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি বিশেষ ভাবে পন্থের জন্যই বলা হয়েছে? অনেকেই মনে করছেন, এটা পন্থকে সতর্কবার্তা— যদি সিজন ভালো না যায়, তা হলে তাঁকে অধিনায়কের পদ থেকে সরানো হবে বা রিলিজ করা হতে পারে। পোস্টে ফ্যানদের প্রতিক্রিয়া ছিল যথেষ্ট তীব্র, অনেকে লিখেছেন, খেলাধুলাকে এমন ভাবে বিচার করা ঠিক নয়।সঞ্জীব গোয়েঙ্কা পরিচিত এমন মালিক হিসেবে, যিনি ক্রিকেটের সিদ্ধান্তে অনেক বেশি মাথা ঘামান। এবং খেলোয়াড়দের প্রকাশ্যে তিরস্কার করেন। লখনউ-এর প্রাক্তন অধিনায়ক কেএল রাহুলের সঙ্গে তাঁর আচরণ এর উদাহরণ। ২০২৪ সালের IPL-এর এক ম্যাচের পর মাঠে রাহুলকে প্রকাশ্যে বাজে ব্যবহার করেছিলেন। গত মরশুমেও পন্থের ব্যর্থতার পর বা টিমের হারের সময় তিনি খোলাখুলিই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আগেও যখন তিনি রাইজিং পুণে সুপারজায়েন্টসের মালিক ছিলেন, মাত্র একটি মরশুমের ব্যর্থতার পর এমএস ধোনিকে অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়েছিলেন, যা তখনও ব্যাপক বিতর্ক তৈরি করেছিল।
82 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 03:53 AM
দমদম হাসপাতালে লিফটে ত্রুটির কারণে রোগীর মৃত্যু

দমদম হাসপাতালে লিফটে ত্রুটির কারণে রোগীর মৃত্যু

আজকাল ওয়েবডেস্ক:হাসপাতালে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। কিন্তু যে ভয়াবহ ঘটনা ঘটল রোগীর সঙ্গে, পরিণতি হল মৃত্যু। তথ্য, আরজি করে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন দমদমের বাসিন্দা। হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টার লিফটে আটকে মৃত্যু হয় তাঁর। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির বয়স চল্লিশ বছর। নাম, অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে চিকিৎসার জন্য পাঁচ তলায় লিফটে করে যাচ্ছিলেন আজ ভোরে। ছেলে এবং স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে। সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তির অপর এক পুত্র ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। তাঁর কাছেই যাচ্ছিলেন তিনজন। তখনই লিফট আটকে পড়ে‌। সেখানে হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তবে বাকি দু'জন সুস্থ রয়েছেন বলেই তথ্য প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় লিফটে কোনও লিফট ম্যান ছিলেন না। ইতিমধ্যেই লিফট ম্যানকে আটক করা হয়েছে। হাসপাতালের মধ্যে কীভাবে এই যান্ত্রিক ত্রুটি, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠছে, এই ধরনের ঘটনা কীভাবে ঘটল না নিয়েও। ঘটনায় উত্তাল হয় এলাকা। অন্যান্য রোগীর পরিজনেরা ক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছে পুলিশ।
13 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 03:38 AM
বলিউড সেলিব্রিটি থেকে বিজয়-রশ্মিকার বিয়েঃ হেয়ারড্রেসার হিসাবে সৌরভ রায়ের যাত্রা

বলিউড সেলিব্রিটি থেকে বিজয়-রশ্মিকার বিয়েঃ হেয়ারড্রেসার হিসাবে সৌরভ রায়ের যাত্রা

কলকাতায় নয়, অসমেই জন্ম ও বড় হওয়া। বাঙালি পরিবারের ছেলে।কাজ করার পরিকল্পনা ছিল টলিউডে, কিন্তু পৌঁছে যান বলিউডে। তব্বু থেকে জাহ্নবীকপূর, শিল্পা শেট্টী থেকে মলাইকা অরোরা— কাকে না সাজিয়েছেন তিনি! গত তিন বছর ধরেনিজের কেশসজ্জার জন্য সৌরভকে ছাড়া আর কাউকে বিশ্বাস করেন না রশ্মিকা মন্দানা।গায়ে হলুদ, মেহন্দি বা বিয়েতে তাই বাঙালি কেশসজ্জাশিল্পীর ছোঁয়া এতটাই স্পষ্ট।আনন্দবাজার ডট কম-এর মুখোমুখি হয়ে নিজের যাত্রা থেকে বিজয়-রশ্মিকার বিয়েরখুঁটিনাটি, সব প্রকাশ করলেন ২৬ বছরের সৌরভ রায়। প্রশ্ন: এখন রশ্মিকার চুলের গোটাদায়িত্ব আপনারই কাঁধে? চারদিকে আপনাকে নিয়ে কত আলোচনা! সৌরভ:সকলের এতভালবাসা পেয়ে সত্যিই আপ্লুত আমি। ‘টিম ব্রাইড’ (কনের দল)-এর সকলেরই কৃতিত্ব আছে এতে। সবচেয়ে বড়কৃতিত্ব রাশুর (রশ্মিকাকে তিনি যে নামে ডাকেন)। ওঁ আসলে বড় সুন্দর মনের মানুষ, সেটার ছাপ ওঁর মুখেই পড়ে। তাই সব অনুষ্ঠানেএত অপূর্ব দেখাচ্ছিল রশ্মিকাকে। প্রশ্ন: আর বিজয় কেমন? সৌরভ:বিজয়েরসঙ্গে কাজ করিনি। রশ্মিকার সঙ্গেই থাকতাম ওই দিনগুলোয়। কিন্তু বিজয়ও দুর্দান্ত এক মানুষ। তাঁর সাজও প্রচুর প্রশংসা পেয়েছে। তারউপরে ওঁদের প্রেমটা ভীষণ মিষ্টি। বিয়ে ও গায়ে হলুদে রশ্মিকার কেশসজ্জা। ছবি: সংগৃহীত প্রশ্ন: উদয়পুরে রশ্মিকা-বিজয়েরবিয়ের ৫ দিনে বিশেষ নিয়মকানুন মানতে হয়েছিল? সৌরভ:সব তারকা-বিয়েতেই এখনঅল্পস্বল্প নিয়ম মেনে চলতে হয়। ফোন লক করা, ক্যামেরা ঢেকে রাখা ইত্যাদি। সকলেরজন্যই এক নিয়ম। এগুলো দরকারি বলেই মনে হয় আমার। আমাদেরও যা ছবি, ভিডিয়ো উঠেছে, তাপেশাদার চিত্রগ্রাহকরাই তুলেছেন। প্রশ্ন: খাবারদাবার কেমন ছিল? সৌরভ:কত রকমের খাবার,তা গুনে শেষ করা যাবে না। (হেসে) অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণই ছিল খাবার। দক্ষিণ থেকেউত্তর, সব জায়গার রান্না ছিল। প্রশ্ন: বিজয়-রশ্মিকাও ডায়েট ভেঙেখাওয়াদাওয়া করছিলেন? সৌরভ:তাঁদেরজীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন। (হেসে) ডায়েটের কথা কে মাথায় রাখে? তবেতার মধ্যেও স্বাস্থ্যের কথা খেয়াল রাখতে হচ্ছিল বটে। ৫ দিনের একটানা পর পর অনুষ্ঠান যে। অত ধকল নেওয়ার জন্য কিছু তো নিয়মমানতেই হবে। তাই কিছু মিষ্টি পদ ছিল চিনি ও গ্লুটেনহীন। আসলে রশ্মিকা মিষ্টি খেতে খুব ভালবাসেন। তিনি ওগুলোই খাচ্ছিলেন। বিজয়ওখুব স্বাস্থ্যসচেতন। তাঁদের পরিবারের লোকজনও তেমন। রিসেপশন ও মেহন্দিতে রশ্মিকার কেশসজ্জা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম প্রশ্ন: তাঁরা যে সম্পর্কেজড়িয়েছেন, সে খবর নিশ্চয়ই আপনাদের কাছে আগেই ছিল? সৌরভ:(হেসে) হ্যাঁ! ওঁরা আসলে বাইরের জগৎকে সব কথা আগে থেকে বলতে চাননি। কিন্তু আমরাতো জানতামই যে, বিয়েটা হবে। আজ, নয়তো কাল। ওঁদের প্রেম কি আর আজকের কথা? ৭ বছরের তুমুল প্রেম। এত দিনের সম্পর্ক, তাও ওঁদের এখন দেখলে মনে হবে, যেননতুন জুটি। বিয়ের দিন রশ্মিকাকে দেখলে বুঝতে পারতেন, কতটা খুশি ছিলেন তিনি। প্রশ্ন: সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তকোনটি ছিল বিজয়-রশ্মিকার? সৌরভ:ওঁদের বাগ্‌দানেরদিনটা ঐশ্বরিক ছিল। যখন বিজয় ওঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন হাঁটু মুড়ে…রশ্মিকাও হাঁটু মুড়ে বসে পড়েন। চোখে হালকা জলও আসে দু’জনের।ওই মুহূর্তটা ভীষণ সুন্দর ছিল। প্রশ্ন: আর বিয়ের প্রস্তুতি? সৌরভ:বিয়ের ৬-৭ মাসআগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু চুপিচুপি। রশ্মিকা নিজের সাজ নিজেইঠিক করেছিলেন। আর এত বছর ধরে রশ্মিকার সঙ্গে কাজ করে ওঁর পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কেধারণা আমার ছিলই। তাই আলাদা করে খুব খাটতে হয়নি। অন্যান্য তারকা-বিয়ের মতো কোনও ‘স্টেটমেন্টলুক’ এখানে করা হয়নি। একেবারেই ওঁর পছন্দের কথা ভেবে সাজগোজঠিক করা হয়েছিল। প্রশ্ন: কোন দিন কী রকম সাজবেনবলেছিলেন রশ্মিকা? সৌরভ:বিয়ের সাজেরশ্মিকা শুরু থেকেই ‘লং মারমেড হেয়ার’চেয়েছিলেন। মানে পিছন থেকে চুলটা পুরো মৎস্যকন্যার মতো দেখতে লাগবে। গায়ে হলুদেরদিন টানটান থাকবে চুল, পিছনে ঝুঁটি। মেহন্দির জন্য চুল একটু হালকা বাঁধতেচেয়েছিলেন। একটু মজাদার কিছু দরকার ছিল। রিসেপশন নিয়ে আমরা একটু ধন্দে ছিলাম।বিনুনি থাকবে, না কি খোঁপা। কারণ, আগের কোনও অনুষ্ঠানে আমরা খোঁপা করিনি। শেষমেশআমরা বিনুনিই করি ওঁর চুলে। রশ্মিকার কেশসজ্জার দায়িত্ব সৌরভের কাঁধেই। ছবি: ইনস্টাগ্রাম প্রশ্ন: সব সাজ কি তবে পরিকল্পনামতোই হল? সৌরভ:তা কি আর হয়!গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান অনেকটা হোলির মতো আয়োজন করা হয়েছিল। হলুদের হোলি। দু’টিকে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সবাই যাতে আনন্দ করতে পারেন। কিন্তু সেটা আমরা আগে থেকে জানতাম না। ফলেসেখানেই বিপাকে পড়তে হয়। জলের সঙ্গে রং মেশানো ছিল। রশ্মিকাও প্রচণ্ড রংখেলেছিলেন। সেই সময়েই ওঁর চুলে লাল রং ধরে যায়। আমরা কেউই বুঝতে পারিনি। তার পরযখন মেহন্দির জন্য সাজানো হচ্ছিল, তখন দেখা যায়, রশ্মিকার চুলে লাল রং ধরে গিয়েছে!প্রচণ্ড দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। কারণ, আমার কাছে যা যা পরচুলা ছিল, চুলেরপিছনে আটকানোর জন্য, তার সঙ্গে রং মিলত না। এ দিকে, পুরো বিয়ের অনুষ্ঠান তখন বাকি। প্রশ্ন: তাই জন্যই কি রশ্মিকারচুলে লাল আভা দেখা যায় বিমানবন্দরের সাজেও? সৌরভ:(হেসে) হ্যাঁ।ওটা সহজে তোলা যায়নি। প্রশ্ন: মেহন্দি আর বিয়েরঅনুষ্ঠান কী ভাবে সামলালেন? সৌরভ:আমি খুবই চিন্তায়পড়ে গিয়েছিলাম। রশ্মিকা ভেবেছিলেন, স্নানের পর উঠে যাবে। কিন্তু সেটা হয়নি। আমিওঁকে বললাম, ‘‘রাশু, তোমার চুল একেবারে ল’রিয়ালেরবিজ্ঞাপনের মতো দেখাচ্ছে। পুরো বারগেন্ডি লাল হয়ে গিয়েছে।’’রশ্মিকা খানিক ক্ষণের মধ্যেই শান্ত হয়ে যায়। আমরাও ধীরে ধীরে পরচুলার সঙ্গে ওঁরচুলের রং মিলিয়ে মিলিয়ে বিষয়টিকে সামলে নিই। বুঝতেই পারবেন না, চুলের কোন অংশ ওঁরনিজের, কোন অংশ নয়। প্রশ্ন: বলিউডের আর পাঁচটা বিয়েরসাজ থেকে কী ভাবে আলাদা বিজয়-রশ্মিকার সাজ? সৌরভ:সাজের থেকেওঅন্য একটা বিষয় কাজ করেছে এখানে। দু’জন যে সাজই বেছে নিন নাকেন, তা ছিল অন্য রকম। কারণ, ওঁরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব এবংঐতিহ্যকে ধরে রাখতে চেয়েছিলেন। কোনটা ট্রেন্ডিং বা লোকে কোনটা নিয়ে বেশি আলোচনাকরবেন, এ সব ভেবে এগোননি। প্রশ্ন: রশ্মিকা আর বিজয় কিতাঁদের সাজে সীতা আর রামের ছাপ রাখতে চেয়েছিলেন? অনেকেইকিন্তু মিল পেয়েছেন। সৌরভ:আমি ঠিকজানি না ওঁদের উদ্দেশ্য সেটা ছিল কি না। কারণ, আমাদের কিছু বলেননি লুক সেট হওয়ারসময়ে বা সাজার সময়ে। তবে এটা ঠিক, রশ্মিকা নিজের সাজে দেবীর ছাপ রাখতে চেয়েছিলেন।আসলে সেটা ওঁর কোডাভা সংস্কৃতির সাজের সঙ্গেই চলে আসে। সেটাকেই অনেকে সীতার সঙ্গেতুলনা করছেন হয়তো। কেশসজ্জাশিল্পী সৌরভ রায়। ছবি: সংগৃহীত প্রশ্ন: রশ্মিকাকে সাজানোরবিশেষত্ব কোথায়? সৌরভ:ওঁরব্যক্তিত্ব। ওঁর এনার্জিটাই খুব পজ়িটিভ। সবাইকে আনন্দে রাখে, হাসিয়ে রাখে। শান্ত,কখনও বিরক্ত হন না। ওঁর মধ্যে ছোট শহরের একটা ছাপ এখনও রয়ে গিয়েছে। এখনও কুর্গথেকে আসা ওই মিষ্টি, সরল মেয়েটা ওঁর ভিতরে রয়েছে। প্রশ্ন: বলিউডে আর কার সঙ্গে কাজকরতে ভাল লাগে? সৌরভ:প্রথমনাম, রশ্মিকাই হবে। দ্বিতীয়, জাহ্নবী কপূর। প্রশ্ন: কোন অভিনেত্রীর চুলসবচেয়ে ভাল? সৌরভ:(হেসে) প্রথম রশ্মিকা, তার পর জাহ্নবী। দু’জনের মধ্যেইদক্ষিণ ভারতীয় রক্ত রয়েছে। তৃতীয় নাম বলতে হলে, শিল্পা শেট্টী। এই বয়সেও প্রচণ্ডঘন ও সুন্দর চুল। প্রশ্ন: কিন্তু নায়িকাদের নাকিপরচুলা পরাতেই হয়? সৌরভ:সে তো সিনেমায়বিভিন্ন চরিত্রের জন্য পরতেই হয়। যেমন ‘মেট্রো ইন দিনো’-তে সারা আলি খানকে বব কাট করা উইগ পরাতে হয়েছিল। সারার সঙ্গে সৌরভ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম প্রশ্ন: কিন্তু এমনি সময়েও তোপরতে হয়? সৌরভ:না, না।সিনেমা ছাড়া তাঁরা পরচুলা পরেন না। প্রশ্ন: বিয়ের জন্য রশ্মিকাকেপরতে হয়েছিল যে? সৌরভ:সেটাও তোপ্রয়োজনে। মৎস্যকন্যার মতো চুল তৈরি করতে হলে যে কারও চুলেই সেটা প্রয়োজন। কেবল ওইদৈর্ঘ্যটা পাওয়ার জন্য পরচুলার দরকার পড়ে। তা-ওঅল্প করে পিছন দিকে। কিন্তু রোজের সাজে একেবারেই নায়িকারা পরচুলা পরেন না। নিজেদেরচুলের সাজই যথেষ্ট। প্রশ্ন: নায়কদের সঙ্গে কাজ করতেচান না? সৌরভ:সত্যি বলতে,পুরুষদের চুলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার অবকাশ বড়ই কম। লম্বা চুল থাকলেও। চরিত্রেরক্ষেত্রেও ৫-৬টির বেশি স্টাইল করা যায় না। তাই পেশা হিসেবেও সুযোগ কম। তা ছাড়া, আমার মহিলাদের সাজাতেই বেশি ভাললাগে। ছোট থেকেই আমি বাড়ির মেয়েদের সাজাতে ভালবাসতাম। প্রশ্ন: বাড়ির পুরুষ মেয়েদেরসাজাতে ভালবাসে, সমাজ তো সোজা চোখে দেখে না এটা। তা নিয়ে সমস্যা হয়নি বা়ড়িতে? সৌরভ:আমার পরিবারেসত্যিই কোনও দিন এ সব নিয়ে কেউ ভাবতেন না। তবে এ-ও ঠিক, কেউ ভাবেননি যে আমি এটাকেইপেশা করে নেব। ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার বা শিক্ষক অথবা ও রকম কিছুই করব বলে ধরেনিয়েছিলেন সকলে। প্রশ্ন: প্রথম দিকে নিশ্চয়ই খুবইকঠিন ছিল মুম্বইয়ের জীবন? সৌরভ:খানিকটা ছিল বটে। কিন্তুআমি ওখানে গিয়েই একটা কোর্স করেছিলাম। সেই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রচুর সাহায্যপেয়েছিলাম। ওরাই প্রথম দিকে সহকারী হিসেবে কাজের সন্ধান দিয়েছিল। প্রথম কাজইপেয়েছিলাম পোশাকশিল্পী সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় ও মণীশ মলহোত্রর ফ্যাশন শো-তে। প্রশ্ন: বলিউডে পা পড়ল কী ভাবে? সৌরভ:একাধিকরূপটানশিল্পীর সঙ্গে যোগাযোগ করি, যাঁরা বলিউডে কাজ করেন। সে ভাবেই এক জনখ্যাতনামী শিল্পীর সহকারী হিসেবে সুযোগ পাই সিনেমায় সাজানোর জন্য। ৬ মাস পর ধীরেধীরে একা কাজ করার পথে এগোই। প্রশ্ন: প্রথম কোন তারকার মূলকেশসজ্জাশিল্পী হিসেবে কাজ করেন? সৌরভ:সহকারী হিসেবে তব্বুম্যাম, মলাইকা অরোরাদের সঙ্গে কাজ করেছি। কিন্তু তারা সুতারিয়ার সঙ্গে প্রথম কাজশুরু আমার। তব্বু এবং তারা সুতারিয়াকে সাজাতে ব্যস্ত সৌরভ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম। প্রশ্ন: কলকাতায় কাজ করার ইচ্ছেআছে? সৌরভ:খুব আছে!কিন্তু কোনও সুযোগ আসেনি এখনও। প্রশ্ন: কোন কোন নায়িকাকে সাজাতেচান? সৌরভ:কোয়েলমল্লিক! ছোটবেলায় ওঁর ছবির গান খুব দেখতাম। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ও খুব সুন্দরী।তাঁর কেশসজ্জা করারও ইচ্ছে আছে। প্রশ্ন: তা হলে তো কলকাতায় আসতেইহবে! সৌরভ:আমি তো যাই। যদিও খুব বেশি না। কাজের জন্য মলাইকা এবংসারার সঙ্গে বহু বার গিয়েছি কলকাতা। প্রতি বার প্রচুর মিষ্টি খেয়ে আসি। মুম্বইয়েরবাঙালি বন্ধুদের জন্য তো কলকাতা থেকে লুচি, কষা মাংস, মিষ্টি দই, রসগোল্লা নিয়েওআসতে হয়।
67 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 03:36 AM
কিংবদন্তি গায়ক আলকাজিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাঃ তাঁদের সঙ্গীত যাত্রার প্রতি শ্রদ্ধা

কিংবদন্তি গায়ক আলকাজিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাঃ তাঁদের সঙ্গীত যাত্রার প্রতি শ্রদ্ধা

আজ অলকাজির (যাজ্ঞিক) জন্মদিন। প্রথমেই ওঁকে আমার তরফ থেকে অনেক শুভেচ্ছা। ওঁর সঙ্গে যে কত স্মৃতি, তা বলে শেষ করা যাবে না। আমাদের ডুয়েট শ্রোতারা গ্রহণও করেছিলেন। একটা কথা ভেবে সত্যিই গর্ব হয়। অলকাজির সঙ্গে কিন্তু সবচেয়ে বেশি গান আমারই। কুমার শানু, অভিজিৎ (ভট্টাচার্য) এবং বাকি সকলের চেয়ে আমার সঙ্গেই বেশি গান উনি গেয়েছিলেন। মানুষ আমাদের ডুয়েটকে ‘জুটি’ হিসাবে দেখত। আমাদের রসায়ন নিয়ে কম হইচই হয়নি। কিন্তু ছয়-সাত মাস আগে একটা খবর পেয়ে খুব মন খারাপ হয়ে গেল। অলকাজির কানে কোনও সমস্যা হয়েছে, জানতে পারলাম। উনি পদ্মভূষণ পেয়েছেন। তাই শুভেচ্ছা জানাতে ওঁকে ফোন করি। ওঁর পরিবারের একজন ফোন তুলেছিলেন। তখনই এই খবরটা পেয়ে মন খারাপ হয়ে যায়। কানের সমস্যার জন্য গলাতেও প্রভাব পড়েছে। অলকার সঙ্গে শুধু ছবির প্লেব্যাক নয়। লাইভ অনুষ্ঠানও কত করেছি আমরা! সে সব মনে করতে গেলে, বলে আর শেষ করা যাবে না। রিয়্যালিটি শো-তেও আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। মঞ্চের অনুষ্ঠানে তো আমাদের মধ্যে রঙ্গ-রসিকতা হতই। ওঁর সঙ্গে বহু মজার ও খুনসুটির স্মৃতি রয়েছে। দর্শকও কিন্তু আমাদের এই রসায়ন পছন্দ করে। আমাদের বয়স হয়েছে ঠিকই। কিন্তু আজও গান গাইলে সেই রসায়নই ধরা পড়বে। আসলে গান গাওয়ার জন্য মনের ভিতরটা পরিষ্কার রাখা খুব জরুরি। সেটা থাকলে তার প্রভাব গানের মধ্যে দেখাই যাবে। তখন শ্রোতারা সেই গান পছন্দ করবেন। কিন্তু ওঁর কান ও গলার সমস্যার খবরটা শুনে মন খারাপ হয়ে যায়। এত গান গেয়েছি আমরা। ওঁকে আবার একটা ভাল গান গাইতে দেখতে চাই আমি। গায়িকা অলকাকে তো সকলেই চেনেন। মানুষ অলকাও কিন্তু খুব ভাল। সেটাই ওঁর গানে বার বার ফুটে উঠেছে। তাই ওঁর সঙ্গীতজীবন এতটা দীর্ঘ। সবচেয়ে বড় কথা, কত খুনসুটি করতাম ওঁর সঙ্গে। উনি কিন্তু কখনও রেগে যেতেন না। স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সবটা গ্রহণ করতেন। মনে আছে, একসঙ্গে রেকর্ডিং থাকলেও উনি আগে গান গাইতে চাইতেন। যদিও পৌঁছোতাম আগে আমিই। কিন্তু রেকর্ডিং স্টুডিয়োয় পৌঁছেই আমি সঙ্গীত পরিচালককে মজা করে বলতাম ‘লেডিজ় ফার্স্ট’। আমাদের একসঙ্গে গাওয়া গান গুনে শেষ করা যাবে না। অনেকেই জানতে চান, কোনটা আমার সবচেয়ে পছন্দের। সকলের আগে ‘কয়ামত সে কয়ামত তক’-এর গানগুলোই মনে পড়ে। আজও সেই গান মানুষ শোনে। ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর গানগুলোও আমার পছন্দের তালিকায় রয়েছে। আমি প্রার্থনা করি, ঈশ্বর যেন ওঁর কণ্ঠ দ্রুত সারিয়ে দেন। আবার যেন আমরা একসঙ্গে গান গাইতে পারি। (সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে অনুলিখিত)
86 shares
😊
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 03:34 AM
নয়াদিল্লির আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে একজনের মৃত্যু

নয়াদিল্লির আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে একজনের মৃত্যু

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃআরজি কর হাসপাতালে(RG Kar Hospital)ফের এক চাঞ্চল্যকর মৃত্যুর ঘটনা সামনে এল। শুক্রবার সকালে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের লিফটে আটকে পড়ে মৃত্যু হল অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তির। অভিযোগ, লিফটটি যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে বেসমেন্টে আটকে গেলেও দীর্ঘ এক ঘণ্টা কোনো উদ্ধারকারী বা লিফট অপারেটরকে পাওয়া যায়নি। সঠিক সময়ে উদ্ধার না হওয়ায় লিফটের ভেতরেই দমবন্ধ হয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দমদমের বাসিন্দা অরূপবাবু এদিন সকালে তাঁর স্ত্রী ও ছেলের সঙ্গে হাসপাতালে এসেছিলেন। তাঁর ছেলের হাতের হাড় ভেঙে যাওয়ায় অস্ত্রোপচারের কথা ছিল। ভোরে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করতে তিনি ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের পাঁচ তলায় যান। সেখান থেকে নিচে নামার সময় লিফটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, লিফটটি গ্রাউন্ড ফ্লোরে না থেমে সরাসরি বেসমেন্টে চলে যায় এবং সেখানে লক হয়ে যায়। মৃতের আত্মীয়দের অভিযোগ, লিফটে কোনো অপারেটর ছিলেন না। অরূপবাবু ভেতর থেকে চিৎকার করে সাহায্যের আবেদন জানালেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রায় এক ঘণ্টা লিফটের ভেতরে ছটফট করার পর যখন দরজা খোলা হয়, তখন দেখা যায় অরূপবাবু নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃতের আত্মীয় ও অন্যান্য রোগীর পরিজনেরা। হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় টালা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। হাসপাতাল চত্বরে বর্তমানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই ঘটনায় হাসপাতালের লিফট রক্ষণাবেক্ষণ এবং জরুরি অবস্থায় উদ্ধারকাজের পদ্ধতি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এক ঘণ্টা ধরে কেন কাউকে পাওয়া গেল না, সেই উত্তর খুঁজছে নিহতের পরিবার।
66 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 03:16 AM
আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে একজনের মৃত্যু

আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে একজনের মৃত্যু

আরজি কর হাসপাতালে লিফ্‌টে আটকে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। ওই ব্যক্তির নাম অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় (৪০)। শুক্রবার ভোরে এই ঘটনার পরেই হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখান রোগীর পরিজনেদের একাংশ। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি দমদমের বাসিন্দা। ভোর ৫টা নাগাদ তিনি হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের লিফ্‌টে চেপে পাঁচ তলায় যাচ্ছিলেন। লিফ্‌ট আটকে মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ঘটনার সময় লিফ্‌ট পরিচালনার (লিফ্‌ট অপারেটর) জন্য কেউ ছিলেন না। তাই কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়েছে টালা থানার পুলিশ। সূত্র মারফত এ-ও জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির এক পুত্র আরজি কর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। পুত্রকে দেখতে চার বছরের কনিষ্ঠ পুত্র এবং স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের পাঁচ তলায় যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু কোনও কারণে লিফ্‌টে আটকে পড়েন তাঁরা। তীব্র ঝাঁকুনির পর লিফ্‌ট উপরে না উঠে, নীচের বেসমেন্টে নেমে আসে। বেশ কিছু সময় কেটে যাওয়ার পরে লিফ্‌ট খুলে তিন জনকে উদ্ধার করা হয়। অরূপ ঘটনাস্থলেই মারা গেলেও তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র এবং স্ত্রী সুস্থ রয়েছেন। যান্ত্রিক গোলযোগের জেরেই এই দুর্ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে টালা থানার পুলিশ। হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা দেখে আরজি করে যান কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যেরা। পরিস্থিতি অবশ্যে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এখন। অরূপের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাচ্ছে পুলিশ। পরিবারের তরফে এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন রোগীর পরিজনেদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, অধিকাংশ সময়েই হাসপাতালের লিফ্‌টগুলিতে কোনও অপারেটর বা চালক থাকেন না। ফলে প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই ওঠানামা করতে হয়। ট্রমা কেয়ার সেন্টারের মতো হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে এই ধরনের গাফিলতি হল কী করে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। এক রোগীর আত্মীয় বলেন, “কোন ভরসায় এ বার লিফ্‌টে উঠব? অধিকাংশ সময়েই সাহায্য করার জন্য কাউকে পাওয়া যায় না।” ২০২৪ সালের ৮ অগস্ট রাতে আরজি কর হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ে ধর্ষণ এবং খুন করা হয় এক চিকিৎসক-ছাত্রীকে। সেই ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। এ বার কলকাতার সেই হাসপাতালেই লিফ্‌ট আটকে মৃত্যু হল এক যুবকের।
63 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 03:12 AM
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্রথম সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে প্রস্তুত

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্রথম সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে প্রস্তুত

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃবৃহস্পতিবার সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশের(Supplementary Voter List)জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা প্রকাশিত হয়নি। তবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে আশা করা হচ্ছে, শুক্রবারই প্রথম অতিরিক্ত বা সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া হতে পারে। মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যে ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম ‘বিচারাধীন’ বা অ্যাডজুডিকেশন অবস্থায় ছিল, তাঁদের নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ শেষ হলেই এই নতুন তালিকা সামনে আসবে। কমিশন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায় ২৫ লক্ষ ৩৪ হাজার বিচারাধীন ভোটারের নথি যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ৭ হাজারের বেশি বুথ থেকে নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা কমিশনের হাতে পৌঁছেছে। তবে বাকি বুথগুলির রিপোর্ট এখনও হাতে না আসায় বৃহস্পতিবার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। শুক্রবারের মধ্যে অবশিষ্ট তালিকা হাতে এলেই প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করবে কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পশ্চিমবঙ্গের এই বিশেষ যাচাই বা SIR (Special Inquiry Report) প্রক্রিয়ায় ৭০০-এর বেশি কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারক যুক্ত রয়েছেন। প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি করছেন এই জুডিশিয়াল অফিসাররা। তবে এই কাজের স্পর্শকাতরতা বিচার করে বিচারকদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে প্রশাসনের। নবান্ন ও কমিশনের তরফে সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা ডিএসপি-দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, এ বছর পশ্চিমবঙ্গে মাত্র দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফার ভোট গ্রহণ ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। ভোটের এই নির্ঘণ্টের আগেই সমস্ত বিচারাধীন ভোটারের নাম চূড়ান্ত করতে চাইছে কমিশন। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির তত্ত্বাবধানে নিয়োগ করা জুডিশিয়াল অফিসাররা যে ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন, তাঁদের নাম ধাপে ধাপে সাপ্লিমেন্টারি লিস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। এখন দেখার, শুক্রবার কতজন ভোটারের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করে কমিশন।
21 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 03:11 AM
কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে লিফটে ত্রুটির কারণে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে লিফটে ত্রুটির কারণে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

আবার সংবাদ শিরোনামে আরজি কর হাসপাতাল। এ বার উত্তর কলকাতার এই সরকারি হাসপাতালের লিফটে আটকে পড়ে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। ঘটনায় শুক্রবার সকালে ব্যাপক শোরগোল হাসপাতাল চত্বরে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃতের আত্মীয়েরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে টালা থানার পুলিশ।জানা গিয়েছে, মৃতের নাম অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বয়স চল্লিশ বছর। এ দিন সকালে হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের লিফটে আটকে মৃত্যু হয় দমদমের ওই বাসিন্দার। চার বছরের সন্তান ও স্ত্রীয়ের সঙ্গে আরজি কর হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। খেলতে গিয়ে শিশুর পায়ে ফ্র্যাকচার হওয়ায় হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের কথা ছিল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এ দিন ভোরে নাবালক সন্তানের অস্ত্রোপচারের জন্য ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের পাঁচ তলায় লিফটে করে যাচ্ছিলেন অরূপ। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও আহত শিশুও। কিন্তু পাঁচ তলায় ওঠার বদলে লিফটটি তিন তলায় উঠে হঠাৎই নীচে নামতে থাকে। গ্রাউন্ডে নামার বদলে সেটি বেসমেন্টে চলে যায়। ভিতরেই অসুস্থ শিশুকে নিয়ে আটকে পড়েন ওই যুবক ও তাঁর স্ত্রী। শত চেষ্টা করেও ভিতর থেকে লিফটের দরজা খোলা যায়নি।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার সময়ে লিফটে কোনও অপারেটর ছিলেন না। বন্ধ লিফটের ভিতর থেকে মহিলা-শিশুর আর্তচিৎকার শুনে ছুটে আসেন আশপাশে থাকা রোগীর পরিজনেরা। সাহায্যের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন অনেকে। কিন্তু অভিযোগ, প্রায় এক ঘণ্টা কেটে গেলেও লিফট থেকে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে উদ্ধারকারীরা এসে লিফটের দরজা খুললে ভিতর থেকে উদ্ধার হয় ওই যুবকের নিথর দেহ।অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার সময়ে লিফটে কোনও লিফট ম্যান ছিল না। ইতিমধ্যেইআরজি কর হাসপাতালেরওই লিফটের দায়িত্বে থাকা লিফটম্যানকে আটক করা হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি অন্য কোনও কারণে এই দুর্ঘটনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছে রোগীর পরিবার। সরব অন্যান্য রোগীর পরিজনেরাও। মৃতের আহত সন্তান এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনার কারণে যুবকের স্ত্রীও ট্রমায়।
29 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 03:07 AM
কলকাতা অটো-রিকশা এলপিজির দাম এক সপ্তাহের মধ্যে 13 টাকা বেড়েছে

কলকাতা অটো-রিকশা এলপিজির দাম এক সপ্তাহের মধ্যে 13 টাকা বেড়েছে

এই সময়:সাত দিন যেতে পারল না, তার মধ্যে ফের বাড়ল কলকাতায় অটোরিকশার এলপিজি–র দাম। বৃহস্পতিবার রাতের সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, আজ, শুক্রবার থেকে অটোরিকশার এলপিজির লিটার প্রতি দাম ৮ টাকা বেড়ে হচ্ছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা। সাত দিন আগে, ১২ মার্চ ওই অটোরিকশার এলপিজি–র দাম কলকাতায় লিটার প্রতি ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে ৫ টাকা বেড়ে হয় ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। অর্থাৎ, এক সপ্তাহের মধ্যে অটোরিকশার এলপিজি–র দাম কলকাতায় ১৩ টাকা বাড়ল। সে ক্ষেত্রে যে সব রুটের অটোরিকশার ভাড়া ১২ তারিখের পরেও বাড়েনি, সে সব রুটে আজ বা কাল থেকে ভাড়া বাড়বে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। তার উপর অটোরিকশার এলপিজি নিতে পাম্পগুলিতে পড়ছে দীর্ঘ লাইন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে এলপিজি নিয়ে পথের মতো গৃহস্থের হেঁশেলেও স্বস্তি নেই। কেন্দ্রীয় সরকার যা–ই দাবি করুক, গৃহস্থের ঘরে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার সরবরাহে এখনও যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে বলে কলকাতা ও শহরতলির এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন।কেন্দ্রের তরফে এর জন্য মূলত দায়ী করা হচ্ছে প্যানিক বুকিংকে অর্থাৎ প্রয়োজন না–থাকলেও সাধারণ মানুষের একাংশের আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে এলপিজি বুক করাকে। সমস্যার অন্যতম কারণ হিসেবে প্যানিক বুকিংকে মেনে নিলেও সমস্যার জন্য শুধুই ওই ফ্যাক্টরের দিকে আঙুল তুলতে নারাজ কলকাতা ও লাগোয়া এলাকায় তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার এলপিজি সরবরাহ করা ডিস্ট্রিবিউটররা।গৃহস্থালির ওই এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহকদের বক্তব্য, আগে যেখানে গড়ে দিনে ৫০০টি সিলিন্ডার বুকিং হতো, এখন সেই জায়গায় দিনে ১০০০–১২০০ সিলিন্ডার বুকিং হচ্ছে। অথচ বাড়তি সিলিন্ডার পাওয়া দূরের কথা, আগের যে রোজকার চাহিদা, সেই ৫০০ সিলিন্ডারের ৩০ শতাংশ সরবরাহই কমে গিয়েছে। স্বভাবতই, এলপিজি সিলিন্ডারের চাহিদা ও সরবরাহে একেবারেই ভারসাম্য নেই। ডিস্ট্রিবিউটরদের বক্তব্য, ১ মার্চের আগে অনলাইনে গ্যাস বুকিংয়ের পরে ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড (ডিএসি) জেনারেটেড হলেই গ্রাহকরা দু’দিনের মধ্যে বাড়িতে সিলিন্ডার পেতেন। সেখানে এখন ডিএসি জেনারেট হওয়ার পরে গ্রাহকদের বাড়িতে সিলিন্ডার পৌঁছতে লেগে যাচ্ছে ৮–১০ দিন।কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, গৃহস্থালির অর্থাৎ ডোমেস্টিক এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহে সে রকম কোনও ঘাটতি নেই। কিন্তু অল ইন্ডিয়া এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিজন বিশ্বাসের বক্তব্য, ‘কেন্দ্রীয় সরকার একদিকে দাবি করছে যে, গ্যাস সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। অথচ তারাই বিকল্প জ্বালানি হিসেবে পিএনজি (পাইপ্‌ড ন্যাচারাল গ্যাস) এবং ইনডাকশন কুকটপের মতো বিভিন্ন বৈদ্যুতিক উনুন ব্যবহার করতে বলে প্রচার চালাচ্ছে। যদি সব কিছু ঠিকই থাকে, তা হলে এই বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলা হচ্ছে কেন?’ তাঁর দাবি, আসলে আমাদের দেশে পিএনজি আমদানি করে একটি মাত্র সংস্থা। সম্ভবত সেই সংস্থার কথা ভেবেই কেন্দ্রীয় সরকার পিএনজি ব্যবহার করার উপর জোর দিচ্ছে।’ শহরতলির এলপিজি ডিলারদের দাবি, এখন শহরাঞ্চলে একবার সিলিন্ডার পাওয়ার ২৫ দি‍ন পরে গ্যাস বুক করা যাচ্ছে। ডিএসি জেনারেটেড হওয়ার ১০ দিন পরে সাধারণ মানুষের ঘরে সিলিন্ডার পৌঁছচ্ছে। সব মিলিয়ে, সময় লাগছে ৩৫ দিন।কেন্দ্রীয় সরকারের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, এখনও দিনে ৭০ হাজার প্যানিক বুকিং হচ্ছে। এলপিজি সিলিন্ডারের বেআইনি মজুতদারি ও কালোবাজারি রুখতে রাজ্য সরকারগুলিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছে কেন্দ্র। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজ্যে ১২ হাজারের বেশি তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে। তাতে ১৬ হাজারের বেশি এলপিজি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
50 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 03:03 AM
হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধঃ ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক নৌপরিবহন পথ ব্যাহত

হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধঃ ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক নৌপরিবহন পথ ব্যাহত

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃইরান ও ইজরায়েলের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের প্রভাবে কার্যত রুদ্ধ হয়ে পড়েছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ‘হরমুজ প্রণালী’(Strait of Hormuz)। তেহরানের লাগাতার হুমকির মুখে এই জলপথে জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ায় বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট। তেলের দাম আকাশছোঁয়া, গ্যাসের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে বিভিন্ন দেশে। এই অচলাবস্থা কাটাতে এবার জোটবদ্ধ হয়ে ময়দানে নামল ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস এবং জাপান। বিশ্বের এই প্রথম সারির ছয়টি দেশ এক মিলিত বিবৃতিতে ইরানের ‘অবিবেচনামূলক’ হামলার কড়া নিন্দা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে এই জরুরি সমুদ্রপথে বাধা সৃষ্টি করছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে। এই ছয় দেশ স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি বোঝাই জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তারা সামরিক ও কূটনৈতিকভাবে প্রস্তুত। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই জোট কেবল হরমুজ প্রণালী রক্ষা নয়, বরং কাতার ও সৌদি আরবের তেল-গ্যাস প্ল্যান্টে ইরানের হামলারও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কাতার এনার্জি জানিয়েছে, ইরানের এই আক্রমণের ফলে তাদের এলএনজি (LNG) রপ্তানি ক্ষমতা ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখে দাঁড়িয়েছে তারা। সৌদি আরবের খনিগুলিতেও হামলার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। আমেরিকা ও ইজরায়েল বনাম ইরান— এই ত্রিমুখী লড়াইয়ের জেরে হরমুজ প্রণালীতে বর্তমানে শতাধিক জ্বালানি বোঝাই জাহাজ আটকে রয়েছে। ইরান এই জাহাজগুলির ওপর ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। এমন পরিস্থিতিতে ৬ দেশের এই জোট জানিয়েছে: হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। জ্বালানি সংকটের প্রভাবে ইউরোপ ও এশিয়ার একাধিক দেশে মুদ্রাস্ফীতি চরমে পৌঁছানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শান্তি বজায় রাখার পরামর্শ দিয়ে এই ৬ দেশ দাবি করেছে, বিশ্ব অর্থনীতিকে বাঁচাতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
70 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:55 AM
ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলি এটিএম থেকে নগদ তোলার নিয়ম ও সীমার পরিবর্তন আনবে

ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলি এটিএম থেকে নগদ তোলার নিয়ম ও সীমার পরিবর্তন আনবে

এই সময়:আগামী মাসের শুরু থেকে এটিএম থেকে নগদ তোলার নিয়ম, চার্জ এবং সীমা সংক্রান্ত একগুচ্ছ বদল আনতে চলেছে এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এবং বন্ধন ব্যাঙ্ক। এর ফলে গ্রাহকদের দৈনন্দিন লেনদেনের অভ্যাসে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কাজেই গ্রাহকদের এখনই এই নতুন নিয়মগুলি সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি।এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক এটিএম থেকে ইউপিআই-ভিত্তিক নগদ তোলার ক্ষেত্রে বদল আনতে চলেছে। যা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন অনেক গ্রাহক ইউপিআই-এর মাধ্যমে এটিএম থেকে টাকা তুললেও তা আলাদা সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু ১ এপ্রিল থেকে ইউপিআই ব্যবহার করে এটিএম থেকে নগদ তোলার বিষয়টি মাসিক নিখরচায় এটিএম লেনদেনের সীমার মধ্যেই ধরা হবে। অর্থাৎ, নির্ধারিত ফ্রি লিমিট পার হয়ে গেলে প্রতিটি লেনদেনের জন্য ২৩ টাকা এবং তার উপরে প্রযোজ্য কর ধার্য করা হবে। ফলে যাঁরা নিয়মিত ইউপিআই ব্যবহার করে এটিএম থেকে টাকা তোলেন, তাঁদের জন্য খরচ কিছুটা বাড়তে পারে।অন্যদিকে, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক তাদের একাধিক ডেবিট কার্ডে দৈনিক নগদ উত্তোলনের সীমা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমাতে চলেছে। আগে যেখানে নির্দিষ্ট কিছু কার্ডে দিনে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তোলা যেত, তা কমিয়ে ৫০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। আবার কিছু প্রিমিয়াম কার্ডের ক্ষেত্রে এই সীমা ১.৫ লক্ষ টাকা থেকে কমিয়ে ৭৫ হাজার টাকা করা হচ্ছে। ব্যাঙ্কের এই সিদ্ধান্তের ফলে বড় অঙ্কের নগদ লেনদেন করতে অভ্যস্ত গ্রাহকদের নতুন করে পরিকল্পনা সাজাতে হবে।বন্ধন ব্যাঙ্কও এটিএম লেনদেনের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করছে। এখন থেকে নিজেদের এটিএম-এ গ্রাহকরা প্রতি মাসে নিখরচায় পাঁচটি আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন, যদিও নন-ফিনানশিয়াল লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনও সীমা থাকবে না। তবে অন্য ব্যাঙ্কের এটিএম ব্যবহার করলে মেট্রো শহরে মাসে তিনটি এবং নন-মেট্রো শহরে পাঁচটি বিনামূল্যের লেনদেনের সুযোগ মিলবে। এই সীমার মধ্যে আর্থিক ও নন-ফিনানশিয়াল—দুই ধরনের লেনদেনই ধরা হবে। সীমা অতিক্রম করলে প্রতিটি আর্থিক লেনদেনে ২৩ টাকা এবং নন-ফিনানশিয়াল লেনদেনে ১০ টাকা করে চার্জ ধার্য হবে। এমনকি অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় লেনদেন ব্যর্থ হলেও ২৫ টাকা জরিমানা দিতে হবে।কাজেই আগামী দিনে গ্রাহকদের আরও সচেতন ও পরিকল্পিত ভাবে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা ব্যবহার করতে হবে বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
54 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 02:32 AM
কেরালা হাইকোর্ট মহিলাদের চরিত্র হত্যার নিন্দা করেছে, এটিকে'অশুভ সামাজিক সহিংসতা'বলে অভিহিত করেছে

কেরালা হাইকোর্ট মহিলাদের চরিত্র হত্যার নিন্দা করেছে, এটিকে'অশুভ সামাজিক সহিংসতা'বলে অভিহিত করেছে

ভিত্তিহীন ভাবে কোনও মহিলার চরিত্র কালিমালিপ্ত করাকে ‘ক্ষতিকর সামাজিক হিংসা’ বলে চিহ্নিত করল কেরালা হাই কোর্ট। বিচারপতি সি এস ডায়াস গত ১১ মার্চ একটি মামলার রায়ে বলেছেন, সমাজ যখন কোনও মহিলার কাজের চেয়ে তাঁর ভাবমূর্তিতে বেশি মনোযোগ দেয়, তখন সেই সমাজ নিজের মানসিক দৈন্যকেই প্রকাশ করে ফেলে।
88 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Mar 20, 2026, 02:17 AM
আইএসএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মোহনবাগান ও মুম্বাই সিটি এফসি মুখোমুখি

আইএসএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মোহনবাগান ও মুম্বাই সিটি এফসি মুখোমুখি

আইএসএলে আজ ফের একবার মাঠে নামছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। ঘরের মাঠে তাদের প্রতিপক্ষ মুম্বাই সিটি এফসি। মূলত, লিগ টেবিলে শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে এই ম্যাচ দুই দলের জন্যই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম চার ম্যাচে দুরন্ত জয় তুলে নেওয়ার পর মরসুমের প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে গোলশুন্য ড্র করেছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। তা স্বতেও, পয়েন্ট তালিকায় এখনও নিজেদের শীর্ষস্থান বজায় রেখেছে লোবেরো’র দল। অন্যদিকে, শেষ ম্যাচে ইন্টার কাশীর বিপক্ষে দুরন্ত জয় তুলে নিয়েছে মুম্বাই সিটি এফসি। যারফলে স্বাভাবিকভাবেই এই ম্যাচে নামার আগে কিছুটা হলেও আত্মবিশ্বাসী তারা। তার উপর ঘরের মাঠে মোহনবাগানকে হারাতে পারলেই লিগ শীর্ষে উঠে আসবে পিটার ক্র্যাটকির দল। যা এই ম্যাচের আগে নিঃসন্দেহে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাবে তাদের। তবে, বিষয়টি নিয়ে বিশেষ ভাবতে রাজি নন মোহনবাগান কোচ সার্জিও লোবেরো। ম্যাচের আগেরদিন তাঁর স্পষ্ট জবাব, ফিফা বিরতির আগে এই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে দলের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করতে চান তিনি। আগের ম্যাচে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে পয়েন্ট নষ্ট করায় বেশ হতাশ বাগান কোচ। জানালেন, ম্যাচটা তাঁদের জেতা উচিত ছিল। খেলার শুরু থেকে দাপট বজায় রেখেও জিততে না পারায় কিছুটা হলেও আক্ষেপ রয়েছে লোবেরো’র। যদিও, আপাতত সেসব ভুলে মুম্বাই ম্যাচে ফোকাস করতে চান তিনি। চলতি আইএসএলে মুম্বাই অন্যতম শক্তিশালী দল। মোহনবাগানের মতো এবারের লিগে তারাও এখনও অপরাজিত রয়েছে। ফলে, এই ম্যাচে একটা তুল্যমূল্য লড়াই হতে চলেছে বলে মনে করছেন সবুজ-মেরুন কোচ। তবে, মুম্বাইকে সমীহ করলেও এই ম্যাচে জয় ছাড়া অন্যকিছু ভাবতে চান না তিনি। লোবেরো’র স্পষ্ট জবাব, তিন পয়েন্ট পাওয়ার জন্যই একটা ম্যাচ খেলা হয়। কিন্তু যখন ম্যাচ ড্র হয়, তখন দু’পয়েন্ট নষ্ট হয়। সেই ভুল কোনওভাবেই আজ ফের একবার করতে চান না বাগান কোচ। পাশাপাশি, এই ধরণের চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ খেলতে যে তিনি ভালোবাসেন, সেকথাও এদিন জানাতে ভুললেন না লোবেরো। এদিকে, মুম্বইকে সমীহ করলেও তাদের বাড়তি গুরুত্ব দিতে রাজি নন তিনি। বরং, পিটার ক্র্যাটকির দলের বিরুদ্ধে নিজেদের ভারসাম্য রাখা ঠিক রাখাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। এই প্রসঙ্গে বলা যায়, মোহনবাগানের আক্রমণভাগ টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা। তাই, জেমি ম্যাকলারেন, দিমিত্রি পেত্ৰাতোসদের আটকাতে প্রায় প্রতি ম্যাচেই প্রতিপক্ষ দল রক্ষণে লোক বাড়িয়ে খেলছে। ফলে, একাধিক সুযোগ তৈরী করলেও বারবার গোলমুখে এসে আটকে যাচ্ছে বাগানের স্ট্রাইকাররা। বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে শেষ ম্যাচেও সে কারণেই জয় হাতছাড়া হয়েছে তাদের। যা নজর এড়ায়নি কোচ লোবেরো’র। আর সেজন্য যে মুম্বইয়ের বিপক্ষে তাঁর আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে তাও এদিন জানিয়ে দেন তিনি। তবে, এই ম্যাচের আগে বাগান কোচকে স্বস্তি দিচ্ছে স্ট্রাইকার রবসন রবিনহো এবং ডিফেন্ডার আলবার্তো রদ্রিগেজের সুস্থ হয়ে ওঠা। এই ম্যাচে নামার জন্য এই দুই ফুটবলারই ম্যাচ খেলার জন্য পুরোপুরি ফিট। আর তাই আগের ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে নিজের প্রাক্তন দলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে ফিফা বিরতির আগে লিগ টেবিলে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করতে চাইছেন মোহনবাগান কোচ লোবেরো।
52 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 01:32 AM
মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কলকাতা পুলিশের'পিঙ্ক বুথ "উদ্যোগ

মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কলকাতা পুলিশের'পিঙ্ক বুথ "উদ্যোগ

সুপ্রকাশ মণ্ডলফাঁকা হয়ে এসেছে হয়তো, তবুও শ্যামবাজার পাঁচমাথা মোড় বলে কথা। রাত সাড়ে ১১টাতেও সব রাস্তাতেই কমবেশি ভিড়। সবাই কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছেন। সেই ভিড়ে মহিলাও ছিলেন কয়েক জন। ভিড় থাকলে কী হবে, বাস তো হাতেগোনা। বিকল্প যানবাহন নেই বললেই চলে। সোদপুরের মাধবী হালদার কোনও বাসই পাচ্ছিলেন না। তখন তাঁকে একজন সন্ধান দেন অদূরের ‘পিঙ্ক বুথ’-এর। কলকাতা পুলিশ রাত-পথে মহিলাদের সাহায্যে যে ‘অ্যাসিস্ট্যান্স বুথ’ চালু করেছে, সেগুলিই পিঙ্ক বুথ। মাধবী সেই বুথে গেলেন এবং ফিরে এলেন। কারণ, বুথ ফাঁকা। শেষ পর্যন্ত কোনও রকমে ডানলপে পৌঁছে সেখান থেকে সোদপুরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন একলা মহিলা। আর কোনও উপায়ও ছিল না। ততক্ষণে ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছুঁই–ছুঁই।কলকাতা পুলিশ আপাতত শহরে পাঁচটি ব্যস্ত জায়গায় পিঙ্ক বুথ তৈরি করেছে। শ্যামবাজার ছাড়াও, কাঁকুড়গাছি মোড়, উল্টোডাঙা হাডকো মোড়, বেহালা চৌরাস্তা এবং গড়িয়াহাট মোড়ে তৈরি হয়েছে এই বুথগুলি। এ ছাড়াও রাতের রাস্তায় থাকার কথা প্যাট্রোলিং কারের। নাম ‘শাইনিং’। রাতের রাস্তায় মহিলাদের সাহায্য করার পাশাপাশি তাঁদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করার কথা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অপসারিত কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার এই ‘পিঙ্ক বুথ’ এবং ‘শাইনিং’-এর সূচনা করেছিলেন মাত্র কয়েক দিন আগেই।বুধবার রাত সওয়া ১১টা নাগাদ দেখা গেল, শ্যামবাজার মোড়ের পিঙ্ক বুথের সামনে এসে দাঁড়াল পুলিশের একটি গাড়ি। বুথ থেকে দু’জন মহিলা পুলিশকর্মী উঠলেন সেই গাড়িতে। গাড়ি চলে গেল। মাধবী এসেছিলেন আরও খানিক পরে। তারও পরে এসেছিলেন দু’জন। তাঁরা দেখলেন, পিঙ্ক বুথে এক জন সিভিক ভলান্টিয়ার বসে। তিনি বিশেষ কিছু বলতে পারলেন না। এই যদি শ্যামবাজারের ছবি হয়, তা হলে কাঁকুড়গাছির ছবিটা উজ্জ্বল নয়। রাত তখন সবে ১২টা ছাড়িয়েছে। কাঁকুড়গাছি থেকে বাগমারি যাওয়ার রাস্তার পাশের পিঙ্ক বুথ খাঁ–খাঁ করছে।শ্যামবাজারে তবুও রাত ১২টার কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত রাস্তায় টহলদারি পুলিশের ভ্যান ছিল। ছিলেন জনাকয়েক পুলিশকর্মী। সেই পুলিশকর্মীরা জানান, পিঙ্ক বুথে মহিলা পুলিশকর্মীরা দুপুর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত থাকেন। কাঁকুড়গাছিতে কোনও পুলিশকর্মীই চোখে পড়ল না। যদিও রাস্তায় লোকজন আছেন, তার মধ্যে জনাকয়েক মহিলাও ছিলেন। তাঁদের এক জনের গন্তব্য এয়ারপোর্ট ১ নম্বর গেট, আর এক জনের বিরাটি। দু’জনই হা পিত্যেশ করে দীর্ঘক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে রইলেন। ক্যাব ভাড়া করার সামর্থ্য তাঁদের নেই। শেষ পর্যন্ত ৪৬ নম্বর রুটের একটি বাস এলে দু’জন তাতেই চড়লেন। সে বাসের গন্তব্য এয়ারপোর্ট ১ নম্বর গেট। বিরাটির বাসিন্দা সেখান থেকে কী ভাবে যাবেন, জানেন না।শ্যামবাজার থেকে হাতিবাগান, সেখান থেকে উল্টোডাঙা হয়ে কাঁকুড়গাছি। সেখান থেকে বেলেঘাটা হয়ে ইএম বাইপাস ধরে যেতে গিয়ে অনেক মহিলাকেই দেখা গেল পথে। তাঁদের কেউ বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে, কাউকে দেখা গেল হাঁটতে। কিন্তু কোথাও চোখে পড়ল না ‘শাইনিং’ টিমের গাড়ির। শ্যামবাজারের মোড়ে পিঙ্ক বুথের সাহায্য চেয়ে ফিরে যাওয়া এক তরুণীর মন্তব্য, ‘রাত ১১টায় কলকাতায় তাও কিছু যানবাহন মেলে। অসুবিধাটা হয় আরও বেশি রাতের দিকে। সেই সময়ে যদি পিঙ্ক বুথে পুলিশই না থাকে, তা হলে কী লাভ!’
53 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 01:31 AM
বিক্ষোভ উস্কে দেওয়ার দায়ে ইরানের কুস্তিগীর সালেহ মোহাম্মাদির প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

বিক্ষোভ উস্কে দেওয়ার দায়ে ইরানের কুস্তিগীর সালেহ মোহাম্মাদির প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

সালেহ মোহাম্মদি (Saleh Mohammadi)। ইরানের (Iran) প্রতিভাময় কুস্তিগীর (Wrestler)। মাত্র ১৯ বছর বয়স। এর মধ্যেই দেশ-বিদেশে একাধিক খেতাব জিতেছিলেন। কিন্তু আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধেপ্রতিবাদেপা মেলানোর অভিযোগে বৃহস্পতিবার তাঁকে প্রকাশ্যেফাঁসি(Iran executes 19-year-old wrestler Saleh Mohammadi) দিল ইরান সরকার। দাবি, বিক্ষোভের সময়ে দু’জন পুলিশ কর্মীকে খুন করেছিলেন তিনি। তবে ইরানের মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, এই অভিযোগ নেহাতই অজুহাত।সালেহকে ফাঁসি দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাস্টিং (IRIB)। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ দিন কুম শহরে ‘একদল মানুষের উপস্থিতিতে’ সালেহ মোহাম্মদিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। সালেহর সঙ্গেই ফাঁসির দড়িতে ঝোলানো হয়েছে সৈয়দ দাভোদি ও মেহদি ঘাসেমি নামে আরও দুই প্রতিবাদীকে।ফাঁসির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইরানের মানবাধিকার সংগঠন IHRNGO। সংগঠনের পরিচালক মাহমুদ আমিরি মোঘাদ্দম বলেন, ‘লাগাতার নির্যাতন ও জোর করে স্বীকারোক্তি আদায়ের পরে তিন জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।’ ভবিষ্যতে এ ভাবে আরও ফাঁসি দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। মোঘাদ্দম বলেন, ‘এই ঘটনাকে আমরা বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখছি। বিরোধী স্বর দমন করতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।’কার্যত বিনা বিচারে তিন জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও। একটি বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘কোনও বিচার হয়নি। গায়ের জোরে স্বীকারোক্তি আদায় করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন ইরানের কমব্যাট অ্যাথলিট এবং মানবাধিকার কর্মী নিমা ফার। তাঁর কথায়, ‘এটা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক হত্যা। সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টি করাই মূলত লক্ষ্য।’উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের সময়ে এক নিরাপত্তা কর্মীকে খুনের অভিযোগে নাভিদ আফকারি নামে এক ইরানি কুস্তিগীরকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। সালেহর ফাঁসির সঙ্গে সেই ঘটনার মিল পাচ্ছেন অনেকেই। ইরানকে সমস্ত রকম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবিও জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলি। মোঘাদ্দমের কথায়, ‘ইরান এখন ইসলামিক প্রজাতন্ত্র টিকিয়ে রাখার লড়াই লড়ছে। তারা জানে, সরকারের কাছে সবচেয়ে বড় হুমকি হলো সাধারণ মানুষ। তাই ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা চলছে।’
25 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:28 AM
পশ্চিম এশিয়ার এলপিজি সংকট পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহে ছড়িয়ে পড়েছে

পশ্চিম এশিয়ার এলপিজি সংকট পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহে ছড়িয়ে পড়েছে

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে অটো এবং রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি-র সঙ্কট এখনও কাটেনি। এ বার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, এলপিজি-র জোগানের ক্ষেত্রে সমস্যার আঁচ কি পেট্রল এবং ডিজ়েলের উপরেও পড়তে চলেছে? এই প্রশ্নের মূলে রয়েছে রাজ্যের একাধিক পেট্রল পাম্প থেকে জ্বালানি বিক্রির ক্ষেত্রে জারি হওয়া নিয়ন্ত্রণ এবং বিধিনিষেধ।যার জেরে পাম্প মালিকদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সম্ভাব্য ক্ষতির ঝুঁকি এড়াতে তাঁরা নিয়মিত পরিবহণ এবং জরুরি ক্ষেত্রে পরিষেবা স্বাভাবিক রেখে তেল বিক্রির পরিমাণ কমাতে বাধ্য হচ্ছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি অবশ্য বৃহস্পতিবারেও এক্স হ্যান্ডলে তেলের জোগান মসৃণ রাখার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে।
13 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:26 AM
ঈদ উদযাপন কালোবাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের চাহিদা

ঈদ উদযাপন কালোবাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের চাহিদা

ইদের সময়ে বাড়তি বিরিয়ানির চাপ কী করে সামলাবেন, ভেবে দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন শহরের এক নামী বিরিয়ানি-স্রষ্টা। তাঁর আকুল এসওএস-এ শেষ বেলায় গ‍্যাস সিলিন্ডারের কালোবাজারের দরজা খুলেছে। সেই রেস্তরাঁ-কর্তা বলছেন, “মনে হচ্ছে, ইদের চাহিদা সামলানো যাবে। তবে, শুধু বিরিয়ানি, চাঁপ। তন্দুরে কাবাব সেঁকছি। কোর্মা, কালিয়া এখন হচ্ছে না।” তন্দুরের সুবিধার জন‍্য অনেক রেস্তরাঁ তাদের কর্মীদের জন্যও ভাতের বদলে শুধু রুটি সেঁকছে।
12 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:13 AM
পাঞ্চ-কুন-এর অপ্রত্যাশিত গল্পঃ প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠার গল্প

পাঞ্চ-কুন-এর অপ্রত্যাশিত গল্পঃ প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠার গল্প

পাঞ্চ-কুন। বিশ্ব জুড়ে পাঞ্চ নামেই পরিচিত সে। জন্মের পরে মায়ের ভালবাসা না পেলেও পৃথিবী জুড়ে মানুষের জয় করেছিল সে। মোমো চান, যে ‘মোমো’ নামেই পরিচিত সে নাকি পাঞ্চের প্রেমিকা। নেটাগরিকেদের দাবি এমনটাই। কিন্তু মোমো তো পাঞ্চের দিদি। মায়ের থেকে দূরে সরতে বাধ্য হওয়া পাঞ্চের সর্বক্ষণের সঙ্গী ছিল ‘নরম খেলনা’ ওরাং ওটাং। বিশ্বাসযোগ্য আরও এক জন ছিলেন। তিনি জাপানের ইচিকাওয়া শহরের চিড়িয়াখানার কর্মী কোসুকে শিকানো। তাঁকে দেখলেই গায়ে ঝাঁপ দিয়ে পড়ত খুদে বাঁদর। পাঞ্চকে পুতুলটি উপহার দিয়েছিলেন কোসুকেই। বেশ কয়েক মাস পরে চিড়িয়াখানার বাঁদরকুল কাছে টেনে নিয়েছিল খুদে পাঞ্চকে। পাঞ্চকে জল পান করতে সাহায্য করছে মোমো। ছবি: সংগৃহীত। মোমো ও পাঞ্চ বেশ কয়েক দিন ধরেই ধীরে ধীরে কাছে এসেছিল। তাদের দেখা যায় একসঙ্গে ছুটতে, মারামারি, আদর ও খুনসুটি করতে। স্নেহ চুম্বন করতে। দু’জনেই একসঙ্গে থাকে এখন। পাঞ্চের মতোই মোমোও ম্যাকাক প্রজাতির বাঁদর। দু’জনের ঠিকানা একই চিড়িয়াখানা। পার্থক্য বলতে পাঞ্চ ছেলে আর মোমো মেয়ে। পাঞ্চের বয়স প্রায় সাত মাস। মোমোর বয়স প্রায় পাঁচ বছর। পাঞ্চের প্রিয় খেলনার সঙ্গে দিদি ও ভাই। ছবি: সংগৃহীত। ম্যাকাক প্রজাতির বাঁদর সাধারণত ‘সাবালক’ বা ‘সাবালিকা’ হয় সাড়ে তিন থেকে পাঁচ বছরে। সেক্ষেত্রে পাঞ্চ অনেকটাই ছোট। তাই এই বসন্তে খুদে পাঞ্চ ‘দিদি’ পেল, ‘প্রেমিকা’ নয়। নতুন সম্পর্কের মাঝেও সে ভুলে যায়নি তার একাকীত্বের সময়ের ‘ওরাং ওটাং’কে। অন্য কারও সঙ্গে এক সময়ের ‘একমাত্র সম্বল’কে ভাগ করতে না চাইলেও মোমোর সঙ্গে নির্দ্বিধায় তা ভাগ করে নিয়েছে আদুরে পাঞ্চ।
19 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:11 AM
পশ্চিম এশিয়ার উদ্বেগের মধ্যে বিকল্প রান্নার গ্যাসের উৎস চায় ভারত

পশ্চিম এশিয়ার উদ্বেগের মধ্যে বিকল্প রান্নার গ্যাসের উৎস চায় ভারত

পরিস্থিতি ঘোরালো হচ্ছে পশ্চিম এশিয়ায়। যার জেরে ভারতে রান্নার গ্যাস নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। দেশে জোগান অব্যাহত রাখতে কেন্দ্র এলপিজি এবং এলএনজি আনার জন্য আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, মেক্সিকোর মতো দেশের উপরেও নির্ভর করছে। বৃহস্পতিবার পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা বলেন, ‘‘এ কথা ঠিক যে, এলপিজি-তে আমাদের চাহিদার ৯০% এবং এলএনজির ৪৭% আমদানি করতে হয়। যার সিংহভাগ আসে পশ্চিম এশিয়া থেকেই। তবে আমরা আরও বিকল্পের সন্ধানে রয়েছি।’’ তিনি জানান, গত বছর আমেরিকার সঙ্গে ভারতে এলপিজি আমদানি নিয়ে চুক্তি হয়েছিল। সেই অনুসারে কেনা হচ্ছে সেখান থেকে। দেশেও উৎপাদন ৪০% পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে সমস্যা মূলত বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ঘিরেই। গৃহস্থালির সিলিন্ডার নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে। যে কারণে বুকিং-এরসংখ্যা কমেছে।
23 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:00 AM
ট্রমাটিক ডে-র পরেও ভয় ও ভয় থেকে যায়

ট্রমাটিক ডে-র পরেও ভয় ও ভয় থেকে যায়

“ঘুম ভেঙে গেল ফোনের শব্দে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি, ৬টা, আলোও ফোটেনি ভাল করে। কয়েক ঘণ্টা আগেই ঘুমোতে গিয়েছিলাম, ভয় আর আতঙ্কে ভরা একটি দিন শেষ করে।
83 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 19, 2026, 10:57 PM
মাইনাকের নতুন ওয়েব সিরিজ'গুডবাই'- তে অনুষা বিশ্বনাথন এবং শন চক্রবর্তী প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

মাইনাকের নতুন ওয়েব সিরিজ'গুডবাই'- তে অনুষা বিশ্বনাথন এবং শন চক্রবর্তী প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

মৈনাকের নতুন ওয়েব সিরিজ়ে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী অনুষা বিশ্বনাথন এবং শাওন চক্রবর্তীকে। এ কথা আগেই জানিয়েছিল আনন্দবাজার ডট কম। প্রেমের গল্পের সঙ্গে ‘ফ্যান্টাসি’র মোড়ক। ইতিমধ্যেই শুটিং হয়ে গিয়েছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে হয়েছে শুটিং। এ বার প্রকাশ্যে সিরিজ়ের লুক। সিরিজ়ে চরিত্রগুলোকে দেখলে কখনও মনে হওয়ার জো নেই যে সেগুলো সাধারণের থেকে আলাদা। একে বারে সাদামাঠা লুকে দেখা গেল নায়ক-নায়িকাকে। অনুষা জানালেন, আলাদা করে যে সিরিজ়ে লুক-কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে তেমনটা একেবারেই নয়। অভিনেতা শাওনকে দেখলেও মনে হবে পাশের বাড়ির চেনা ছেলেটি। কাহিনির সঙ্গে যে কেউ সহজে সংযোগ করতে পারবেন। অভিনেত্রী বললেন, “মৈনাকদার সঙ্গে কাজ করলে এক অন্য ধরনের স্বাধীনতা পাওয়া যায়। অন্যের সৃজনশীল ভাবনকেও গুরুত্ব দেয়। তাই কাজটা আরও সহজ হয়ে যায়।” তাঁদের এই নতুন সিরিজ়ের নাম ‘বিদায়’। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে প্রেম। কলকাতার এক জন ছেলে। যে পেশায় চিত্রগ্রাহক। প্রাক্তন প্রেমিকার সঙ্গে দেখা হয় তার। কথা হয়, সেই প্রেমিকার পুরনো বাড়িতে একটা রাত কাটাবে তারা। সেখান থেকেই গল্পের শুরু। এই সিরিজ় প্রসঙ্গে শাওন বলেন, “এই সিরিজ়কে কোনও একটি নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া যাবে না। বিভিন্ন ধরনের স্বাদ রয়েছে। অনুষার সঙ্গে আবার কাজ করলাম সেটা একটা প্রাপ্তি।” এই সিরিজ় দেখা যাবে নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘সবসময়’-অ্যাপে।
33 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 10:36 PM
ইরানের গুলিতে মার্কিন এফ-35 যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

ইরানের গুলিতে মার্কিন এফ-35 যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

আমেরিকার (America) F-35 Lightning IIযুদ্ধবিমানে(F-35 stealth fighter jet ) হামলা চালাল ইরান। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ইরানে (Iran) স্পেশাল মিশনে যাচ্ছিল F-35। সেই সময়েই হামলা হয়। সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার একটি সামরিক ঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হন পাইলট।আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলির মধ্যে F-35 অন্যতম। এটা ফিফথ জেনারেশনের স্টেলথ যুদ্ধবিমান। দাম প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯০০ কোটির টাকা। ওয়াকিবহাল মহল সূত্রে দাবি, এ দিন ইরানে এয়ার স্ট্রাইক করতে যাচ্ছিল F-35 যুদ্ধবিমান। পাল্টা গুলি চালায় ইরানের সেনা। ফলে মাঝপথেই অবতরণ করে যুদ্ধবিমান। তবে পাইলটের কোনও ক্ষতি হয়নি বলেই বলে জানা গিয়েছে।যুদ্ধবিমানের জরুরি অবতরণের কথা স্বীকার করে নিয়েছে আমেরিকা। তবে ইরানের হামলার জেরেই অবতরণ কি না, সেই নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি তারা। এই প্রসঙ্গে আমেরিকান সেন্ট্রাল কম্যান্ডের মুখপাত্র টিম হকিন্স বলেন, ‘মিশনের মাঝপথেই জরুরি অবতরণ করে F-35 যুদ্ধবিমান। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’তবে ইরানের সেনার গুলিতেই যুদ্ধবিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে CNN। পরে একই দাবি করেইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসও। একটি বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘আমেরিকার F-35 যুদ্ধবিমানকে রুখে দিয়েছে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। বিমানটির ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল।’ ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই প্রথম কোনও আমেরিকার যুদ্ধবিমানে আঘাত হানল ইরান। ইরানের মিসাইল সিস্টেম ধ্বংস করতে F-35 যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে আমেরিকা।যদিও পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে আমেরিকার তিনটি F-15E Strike Eagle যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। যদিও সেটা ইরানের হামলায় নয়। কুয়েতের সেনা ভুল করে মিত্র দেশের ইরানের উপরে হামলা চালিয়েছিল। এছাড়া আমেরিকার একটি পাইলট এবং ক্রুদের নিয়ে পশ্চিম ইরানে ভেঙে পড়েছিল KC-135 Stratotanker নামে একটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান। তবে সেটা ইরানের হামলায় কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
66 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 04:23 PM
বাবার মৃত্যুর পর হাসপাতালে বি. এস. এফ জওয়ানের আত্মহত্যা

বাবার মৃত্যুর পর হাসপাতালে বি. এস. এফ জওয়ানের আত্মহত্যা

হাসপাতালের শৌচালয়ে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী বিএসএফের এক জওয়ান। মৃতের নাম অরুণ মুখোপাধ্যায় (৪১)। বাড়ি রঘুনাথগঞ্জ থানার জঙ্গিপুরের বাজারপাড়া এলাকায়। তিনি কৃষ্ণনগরে বিএসএফ ব্যাটেলিয়নে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের ঘটনা।পরিবার জানিয়েছে, চার দিন আগে অরুণের বাবা মারা গিয়েছেন। তিনি অসু্স্থ ছিলেন। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন অরুণ। বাড়ির লোকজন জানিয়েছেন, বাবার মৃত্যুর পর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি অস্বাভাবিক আচরণও করছিলেন বলে জানিয়েছেন বাড়ির লোকজন।অসুস্থতার কারণে পরিবারের লোকজন বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরিবারের দাবি, এ দিন বিকালের দিকে শৌচালয় যাওয়ার নাম করে তিনি তাঁর বোনের কাছ থেকে একটি ওড়না চেয়ে নেন। এর পর সেখানে গলায় ওই ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। তাঁর বোন টুম্পা দাস বলেন, ‘ওড়না দিতে রাজি ছিলাম না। কিন্তু এক প্রকার জোর করে ওড়না নিয়ে শৌচালয়ে যায়। তখন কিছু বুঝিনি। এর পরে বেশ কিছু সময় হয়ে গেলে ফিরছে না দেখে শৌচালয়ের দিকে যাই। দেখি দরজা বন্ধ।’তিনি জানান, তারপরে এক জন উঁকি মেরে দেখেন অরুণ গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে। তখন লোকজন এসে ধাক্কা মেরে দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। চিকিৎসক এসে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ওই ঘটনায় হাসপাতালে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পুলিশ জানায়, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত চলছে।
42 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 04:08 PM
দিল্লির বাওয়ানা এলাকায় আবাসিক বাড়িতে বন্দুকধারীদের হামলা, গ্যাং ওয়ারের সন্দেহ

দিল্লির বাওয়ানা এলাকায় আবাসিক বাড়িতে বন্দুকধারীদের হামলা, গ্যাং ওয়ারের সন্দেহ

খাস রাজধানীতে ফের বন্দুকবাজের তাণ্ডব। বৃহস্পতিবার দিল্লির বাওয়ানা এলাকার এক আবাসিক বাড়িতে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করে সশস্ত্র হামলাকারীরা বলে অভিযোগ। এই ভয়ঙ্কর হামলায় নিহত হয়েছেন একজন। এ ছাড়া গুলিবিদ্ধ আরও দুইজন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন, মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কুখ্যাত কোনও দুষ্কৃতী দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বা ‘গ্যাং ওয়ার’।পুলিশ সূত্রে খবর, এ দিন আচমকাই বাওয়ানা এলাকার ওই বাড়িটিতে হানা দেয় একদল সশস্ত্র দুষ্কৃতী। মোটরসাইকেলে করে এসেছিল তারা। জোর করে বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়ে। বাড়ির লোকজন কিছু বোঝার আগেই আগ্নেয়াস্ত্র বের করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। গুলির শব্দ এবং বাসিন্দাদের আর্তনাদ শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। তবেে তার আগেই চম্পট দেয় হামলাকারীরা।হামলাকারীদের ছোড়া গুলির আঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় রবি নামে ২৮ বছরের এক যুবকের। বাড়ির মালিক অর্থাৎ, মৃত যুবকের বাবার গায়েও একাধিক গুলি লেগেছে। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আহত এক ১০ বছরের শিশু বলেও জানা গিয়েছে। এ ছাড়াও, বাড়ির পাশে একটি দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবকও আততায়ীদের লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়া গুলিতে আহত হয়েছেন।দিল্লি পুলিশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ঘটনার ধরন দেখে মনে হচ্ছে এটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা। গ্যাং ওয়ারের জেরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়েই বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন আউটার নর্থ দিল্লির ডিসিপি হরেশ্বর স্বামী-সহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তারা। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। অপরাধীদের শনাক্ত করতে ওই এলাকার CCTV ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রকাশ্য দিবালোকে বাড়িতে ঢুকে এমন হামলায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাওয়ানা এলাকায়।
17 shares
😢
G
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:56 PM
সৌদি তেল শোধনাগার ও কাতারের এলএনজি কমপ্লেক্সে ইরান সমর্থিত হামলা ব্যাপক ক্ষতির কারণ

সৌদি তেল শোধনাগার ও কাতারের এলএনজি কমপ্লেক্সে ইরান সমর্থিত হামলা ব্যাপক ক্ষতির কারণ

সৌদি আরবের ইয়ানবুতে এই সময়ে সবচেয়ে চালু তেল পরিশোধনাগারে হামলা হয়েছে। অনুমান সৌদি আরবের এই ‘আরামকো’-র এই পরিকাঠামোয় হামলার পিছনে রয়েছে ইরান।কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সেও ক্ষেপণাস্ত্র হানা হয়েছে। কারখানাটি জ্বলতে দেখা গিয়েছে। জ্বালানি গ্যাস সরবরাহে এই পরিকাঠামো বিশ্বে অন্যতম বড়।ইজরায়েলের সংবাদমাধ্যমেও এই হামলার খবর দেওয়া হয়েছে।এর আগে ইরান পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার সঙ্গী দেশগুলিতে সতর্ক করেছে। জানানো হয়েছে যে আমেরিকার সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন কোনও পরিকাঠামো নিরাপদ নয়।২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর আমেরিকা-ইজরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বৃহস্পতিবার পড়েছে কুড়ি দিনে।সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রধান জলপথ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ। পশ্চিম এশিয়ার বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে যে ইরান জরুরি পরিস্থিতিতে শুল্ক নেওয়ার বিনিময়ে জাহাজ ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা করছে।তবে হরমুজ প্রণালির বন্ধ থাকার পর্বে সৌদি আরবের ইয়ানবুতে আরামকো-র এই পরিশোধনাগার থেকে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় তেল রপ্তানি হচ্ছে। এক্সন মোবিলের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সৌদির আরামকো এই চালায় এই পরিশোধনাগার। সৌদি যদিও দাবি করেছে যে আঘাতের অভিঘাত খুব বড় নয়। তবে একাধিক দেশই নিজের নিজের এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে। সৌদি আরবের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কাতার রয়েছে এই তালিকায়।এদিকে আমেরিকা-ইজরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের জেরে সারা বিশ্বে তেলের সঙ্কট তীব্র হচ্ছে। ব্রিটেনের তেলের দাম ১৪০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩’র জানুয়ারির পর এত দাম বাড়েনি তেলের।
84 shares
😢
G
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:51 PM
ইরানের গ্যাস স্থাপনায় হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করলেন ট্রাম্প

ইরানের গ্যাস স্থাপনায় হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করলেন ট্রাম্প

ইরানের গ্যাস ভাণ্ডারে হামলার দায় ইজরায়েলের ওপর ঠেলে দিলেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প।বৃহস্পতিবার সোশাল মিডিয়ায় তিনি বলেছেন, ‘‘রাগের বশে ইজরায়েল সাউথ পারস গ্যাস খনিতে বোমা ফেলেছে।‘‘ তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, ‘‘আমেরিকা ইজরায়েলের এই আক্রমণের পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছুই জানত না। কাতারও কিছু জানে না।’’ইরানে হামলার কুড়ি দিন পরও ইরানকে কাবু করতে পারেনি আমেরিকা-ইজরায়েল অক্ষ। ইজরায়েলের তেল ও গ্যাসের খনিতে বোমা ফেলার পালটা জবাব দিয়েছে। মধ্য প্রাচ্যে আমেরিকার সহযোগী সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব এবং কাতারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্রে আছড়ে পড়েছে ক্ষেপণাস্ত্র। ফলে মিত্র দেশগুলি এখন দায়ী করছে আমেরিকা এবং ইজরায়েলকে।এই অবস্থায় ট্রাম্প দায় এড়ালেও ইজরায়েলের পক্ষে যুক্তি খোঁজার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘ইরান হামলা চালাচ্ছে বলেই ইজরায়েল বোমা ফেলেছে।’’ এরপরই ইরানকে হুমকি দেওয়ার সুরে তিনি বলেছেন, ‘‘এরপর পারস গ্যাস খনি বোমা ফেলে উড়িয়ে দেবে আমেরিকা। ইজরায়েল সমর্থন করুন বা না করুক, আমেরিকা পিছিয়ে আসবে না।’’যুদ্ধ শুরু করেছেন ট্রাম্প। ইজরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধে আগাম হিসেব সব উলটে গিয়েছে। দেশ এবং বিশ্বকে জবাব দিতে হচ্ছে যুদ্ধ আরও কতদিন চলবে। বাণিজ্য সঙ্কট তীব্র, জ্বালানি সঙ্কটের প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। কারণ ইরান পালটা আঘাত হেনেই চলেছে।কাতারের রাস লাফান গ্যাস কেন্দ্রে ইরান বোমা ফেলেছে। কোনও সুরক্ষা দিতে পারেনি আমেরিকা-ইজরায়েল। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস বলেছে যে তাদের দেশে জ্বালানি ক্ষেত্রে আক্রমণের জবাব দেওয়া হলো। আরও হবে। ফলে মধ্য প্রাচ্যে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের পাশে থাকে এমন শক্তিগুলি ভয় পাচ্ছে। এদিন হামলার পর কাতারের সরকারি সংস্থা কাতার এনার্জি বিবৃতিতে বলেছে যে শিল্পকেন্দ্রের গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।
17 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 19, 2026, 03:48 PM
অনুপম খেরঃ টাক পড়া একটি স্বতন্ত্র পরিচয় হিসাবে গ্রহণ করা

অনুপম খেরঃ টাক পড়া একটি স্বতন্ত্র পরিচয় হিসাবে গ্রহণ করা

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অনুপম খের বরাবর স্পষ্ট ভাষায় নিজের অভিমত প্রকাশ করেন৷ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর চুল পড়ে যাওয়া নিয়ে কথা বলেন। অভিনেতা জানান, জীবনের বিভিন্ন সময়ে তাঁকে হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করানোর জন্য বহুবার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এমনকি টাক ঢেকে ফেলার জন্য মোটা অঙ্কের টাকার প্রস্তাবও এসেছিল৷ কিন্তু সেই সব প্রলোভনকে একেবারেই পাত্তা দেননি অভিনেতা। মজার ছলে অভিনেতার সংযোজন, “আমি তো প্রতিটা হেয়ার উইভিং কোম্পানির স্বপ্ন! কিন্তু আমি ওদের সেই সুযোগ দিইনি।” অনুপম খের মনে করেন, চুল না থাকাই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে৷ টাক মাথাই ‘ব্র্যান্ড’। যদিও অভিনেতা জানিয়েছেন, অভিনয় জীবনের শুরুতে তাঁর টাক মাথার জন্য বহু প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল৷ অনেকেই ভেবেছিলেন, এই টাক থাকার কারণে ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা কঠিন হবে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই টাক মাথাই হয়ে ওঠে তাঁর স্বতন্ত্র পরিচয়। অভিনেতার মতে, বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ নিজের আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্ব। তাই নিজের স্বাভাবিক চেহারা বদলানোর প্রয়োজন তিনি কখনও অনুভব করেননি। বরং তাঁর কাজকে প্রাধান্য দিয়েছেন৷ অনুপম খেরের এই মন্তব্য যেন এক বিশেষ বার্তা, নবীন প্রজন্মের মধ্যে যেখানে বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে মাতামাতি, এবং কখনও কখনও মনের মতো চেহারা না পাওয়ায় হতাশা কাজ করে সেখানে নিজের চেহারাকে সহজভাবে গ্রহণ করার বার্তা দিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা৷ ট্রেন্ড বা সামাজিক চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে নিজের কাজ, নিজের গুণকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাই যেন বললেন অনুপম খের৷
82 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:44 PM
বিড়ি ওয়ার্কার্স নেতা হাজী শাহাবুদ্দিনকে করান্দিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে সিপিআই (এম)।

বিড়ি ওয়ার্কার্স নেতা হাজী শাহাবুদ্দিনকে করান্দিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে সিপিআই (এম)।

উত্তর দিনাজপুর জেলার করনদিঘীতে বৃহস্পতিবার বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছে। সিপিআই(এম) প্রার্থী হয়েছেন হাজি সাহাবুদ্দিন।বিড়ি শ্রমিকদের জনপ্রিয় নেতা হাজি সাহাবুদ্দিনের নাম ঘোষণা হতেই করণদিঘী বিধানসভা এলাকায় বিড়ি শ্রমিকদের মধ্যে বিকেল থেকেই উচ্ছাস দেখা যায়। রসাখোয়া করণদিঘী, টুঙ্গিদিঘি, বিলাসপুর, লাহুতাড়া থেকে শুরু করে ডালখোলা বিড়ি শ্রমিকরা রাস্তায় নামেন। এই বিধানসভায় প্রায় ২ লক্ষ বিড়ি শ্রমিকদের বসবাস। ন্যায্য মজুরির জন্য লড়াই করেছে সিপিআই(এম)। বৃহস্পতিবার নাম ঘোষণার পর কয়েক হাজার মানুষের ভীড় জমে উঠলো করণদিঘী সিপিআই(এম) পার্টি অফিসে। মানুষের ভীড়ে জাতীয় সড়ক যানজট সামলাতে হিমসীম খেতে হয় পুলিশকে। প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়েই সন্ধায় বিশাল মিছিল শুরু হয়। এদিন সিপিআই(এম) প্রার্থী হাজি সাহাবুদ্দিন ছাড়াও উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আশিষ ঘোষ, সুরজিত কর্মকার ছাড়াও বামফ্রন্ট এর দরদী ও সমর্থকরা ছিলেন।বিড়ি শ্রমিকদের একাংশ রাজ্য বামফ্রন্ট এর সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, "করণদিঘী থেকে ডাকাতকে হটাতে বামফ্রন্ট এর সিন্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। এতদিনে বিড়ি শ্রমিকদের প্রতিনিধিকে ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে।"
77 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:42 PM
মায়ানগুড়ি ব্লকে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে যুবক নিহত

মায়ানগুড়ি ব্লকে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে যুবক নিহত

কালবৈশাখীর ঝোড়ো হাওয়া আর প্রবল শিলাবৃষ্টির কবলে পড়ে অকালে প্রাণ হারালেন এক যুবক। বুধবার গভীর রাতে ময়নাগুড়ি ব্লকের খাগড়াবাড়ি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের দ্বারিকামারি এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। মৃত যুবকের নাম সুজন দাস (২২)। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর এক বন্ধুও।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে এলাকায় প্রবল ঝড় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। সেই সময় সুজন দাস তাঁর নিজের গালামাল দোকানে বন্ধু কাজল দাসকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। ঝড়ের দাপট এতটাই ছিল যে, দোকানের পাশে থাকা একটি বিশালাকার প্রাচীন বটগাছ উপড়ে সরাসরি দোকানের ওপর পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে দোকানটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন দুই বন্ধু।প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে হাত লাগান। সুজন ও কাজলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা সুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত কাজল দাসের চিকিৎসা চলছে ওই হাসপাতালেই।মৃতের কাকা অনিল দাস শোকস্তব্ধ কণ্ঠে জানান, "ঝড়ের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ঘর থেকে বেরোনোর বা সতর্ক হওয়ার কোনও সুযোগই পাওয়া যায়নি।" বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাগুড়ি থানার আইসি-সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী নিহতের বাড়িতে যান এবং শোকাতুর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি মর্গে পাঠানো হয়েছে।এই আকস্মিক বিপর্যয়ে গোটা দ্বারিকামারি এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি এক তরতাজা প্রাণের অকাল মৃত্যুতে প্রশাসনের ভূমিকা ও ত্রাণ নিয়ে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
100 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:36 PM
সমালোচকদের সমালোচনার মুখে ভারত সরকারের ঋণ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া

সমালোচকদের সমালোচনার মুখে ভারত সরকারের ঋণ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া

বকেয়া ঋণ মিটমাটের বন্দোবস্ত আইবিসি চালু হয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকারের সময়ে। ব্যাঙ্কে বকেয়া ঋণের সামান্য অংশ দিয়েই হয়ে যাচ্ছে ‘নিষ্পত্তি‘। এই ব্যবস্থা নিয়েই প্রশ্ন তুলল বম্বে হাইকোর্ট।বম্বে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, ঋণখেলাপিরা এই ইনসলভেন্সি অ্যান্ড ব্যাঙ্করাপ্সি কোড (আইবিসি)-র অপব্যবহার করছে। ঋণ শোধের দায় থেকে মুক্তি পেতে চাইছে। অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিপজ্জনক হচ্ছে এই বন্দোবস্ত।ব্যাঙ্কে ঋণের দায় ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি টাকার। মাত্র ৫ হাজার ১০০ কোটি টাকার বিনিময়ে দায় মুক্ত হতে চলেছেন নীতীন এবং চেতন সন্দেশারা।সুপ্রিম কোর্টে দেশ ছেড়ে পালানো সন্দেশারা ভাইদের বিরুদ্ধে দায়ের ফৌজদারি অপরাধের দায় তুলে নেওয়া হয়েছে।সন্দেশারাদের থেকে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক পেয়েছে দু’দফায় ৩৫০৭ কোটি এবং ১১৯২ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদী সরকারের সময়ে চালু ঋণ মিটমাটের বন্দোবস্ত আইবিসি-কে ব্যবহার করে হয়েছে এই লেনদেন।দেউলিয়া সংস্থার বকেয়া ঋণের দায় নিষ্পত্তির নামে চালু হয়েছে এই আইবিসি। জাতীয় কোম্পানি আইন ট্রাইবুনালে আইবিসি সংক্রান্ত মামলার বিচার হয়। আইবিসি-র বিধি অনুযায়ী ঋণের দায় ছেঁটে, পরিভাষায় যা ‘হেয়ারকাট‘, দেওয়া যায়। যার অর্থ ব্যাঙ্ক বকেয়ার অংশমাত্র পাবে। কিন্তু ঋণখেলাপি কর্পোরেট দায়মুক্ত হয়ে যাবে।স্টেট ব্যাঙ্কের সঙ্গে রিলায়েন্স কমিউনিকেশনের মামলায় ৪৭ হাজার ২৫১ কোটি টাকা ঋণের দায়ের মিটমাট হয়েছিল মাত্র ৪৫৫ কোটি টাকায়। ৫৩টি আর্থিক সংস্থার থেকে এই বিপুল ঋণ নিয়েছিল অনিল আম্বানির রিলায়েন্স। রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্টেট ব্যাঙ্ককেও বিপুল লোকসানের মাশুল গুনতে হয়েছে।ভিডিওকনের সঙ্গে মামলায় ঋণদাতা আর্থিক সংস্থাগুলিকে দিতে হয়েছিল ৯৫.৮৫ শতাংশ ছাড়।২০১৬-তে চালু হয়েছিল আইবিসি। ২০১৯’র মার্চে ব্যাঙ্কে টাকার ফেরার হার ছিল ঋণের ৪৩ শতাংশ। ২০২৩ সালে এই হার কমে গিয়েছে ৩২ শতাংশ।
28 shares
😢
E
EI Samay
Mar 19, 2026, 02:42 PM
'যুব সাথী "প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা দিতে বিলম্বের প্রতিবাদে দক্ষিণ দিনাজপুরে যুবকদের বিক্ষোভ

'যুব সাথী "প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা দিতে বিলম্বের প্রতিবাদে দক্ষিণ দিনাজপুরে যুবকদের বিক্ষোভ

রাজ্যের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে ‘যুব সাথী’ প্রকল্পের ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। ১ এপ্রিল থেকে এই প্রকল্পের অধীনে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা থাকলে মার্চ মাস থেকেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হয়েছে। তবে আবেদন করে অনেকেই টাকা পাননি বলে অভিযোগ উঠল দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডি ব্লকে। এ দিন বিক্ষোভও দেখান উপভোক্তাদের একাংশ।অভিযোগ, প্রথম দিকে আবেদন করেও অনেকেই এখনও টাকা পাননি। এমনকী মোবাইলে টাকা পাওয়ার এসএমএস এলেও সেই অর্থ অ্যাকাউন্টে জমা পড়েনি। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার কুশমণ্ডি ব্লক অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান শতাধিক বেকার যুবক। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিডিও নয়না দে এবং কুশমণ্ডি থানার আইসি তরুণ সাহা। তাঁরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে দ্রুত‘যুব সাথী’ প্রকল্পেটাকা না পেলে বড় আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেন বিক্ষোভকারীরা।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে সকল আবেদনকারীই টাকা পাচ্ছেন, তাই কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সমস্যাও সামনে এসেছে। দ্রুত সমস্যা দেখে তা সমাধান ও ভাতার অর্থ দ্রুত পান তার দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।বিক্ষোভকারী সাইদুর ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রথমে আবেদন করেও এখনও টাকা পাইনি। অথচ পরের আবেদনকারীরা অনেক দিন আগেই যুব সাথীর টাকা পেয়ে গিয়েছেন।’ এ বিষয়ে বিডিও নয়না দে বলেন, ‘কুশমণ্ডি ব্লক থেকে প্রায় ১৩ হাজার আবেদন আপলোড করা হয়েছে। যার মধ্যে ৩ হাজার বাতিল হয়েছে। যারা এখনও টাকা পাননি, তাঁদের তথ্য জেলায় পাঠিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে।’
95 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 19, 2026, 01:53 PM
মধ্য এশিয়ায় গরমের মধ্যে রাশিয়ার তেল ট্যাঙ্কার ভারতের জন্য গতিপথ পরিবর্তন করেছে

মধ্য এশিয়ায় গরমের মধ্যে রাশিয়ার তেল ট্যাঙ্কার ভারতের জন্য গতিপথ পরিবর্তন করেছে

আজকাল ওয়েবডেস্ক:চিনের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু মাঝপথেই মুখ ঘুরিয়ে ভারতের দিকে ছুটছে একটি বিশাল রুশ তেলের ট্যাঙ্কার। দক্ষিণ চিন সাগরে গতিপথ বদলে ‘অ্যাকোয়া টাইটান’ নামের ওই জাহাজটি এখন ভারতের নিউ ম্যাঙ্গালোর বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার জাহাজ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব রাজেশ সিনহা এই খবর জানিয়েছেন। ক্যামেরুনের পতাকাবাহী ওই জাহাজটি গত ১৮ জানুয়ারি রাশিয়ার বন্দর থেকে ৭.৭ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্র অনুযায়ী, আগামী ২১ মার্চ এটি ভারতে এসে পৌঁছনোর কথা। মূলত মধ্য এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে অনুমান করা হচ্ছে। ইরান ও ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের জেরে বর্তমানে গালফ্ অঞ্চলে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি কার্যত লাটে উঠেছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে উৎপাদনও। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তিন সপ্তাহে তেল ও গ্যাস নিয়ে চারটি ভারতীয় জাহাজ ইতিমধ্যেই দেশে ফিরেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিপাকে পড়েছে আরও বহু ভারতীয় জাহাজ। জাহাজ মন্ত্রক জানিয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর পশ্চিম দিকে ২২টি ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ আটকে রয়েছে। এই প্রণালীটি দিয়েই বিশ্বের মোট তেলের পাঁচ ভাগের এক ভাগ যাতায়াত করে।প্রণালীর পূর্ব দিকেও আটকে রয়েছে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারসহ দু’টি ভারতীয় জাহাজ। পশ্চিম এশিয়ার এই অস্থিরতা বিশ্ববাজারে তেলের জোগানে বড় টান ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, এহেন যুদ্ধের আবহে স্বস্তি দিল দুই ভারতীয় জাহাজ। রান্নার গ্যাস বোঝাই ‘নন্দাদেবী’ ও ‘শিবালিক’ গুজরাটের বন্দরে নিরাপদে পৌঁছেছে। এই দুই জাহাজে যে পরিমাণ গ্যাস এসেছে, তা ভারতের এক দিনের চাহিদার সমান। তবে হরমুজ প্রণালীতে এখনও আটকে রয়েছেন আরও ৬১১ জন ভারতীয় নাবিক। তাঁদের ফেরাতে তৎপর দিল্লি। প্রসঙ্গত, যুদ্ধ শুরু হতেই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৩ ডলার ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, যুদ্ধের জেরে মার্কিন প্রশাসনের অন্দরেও বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের ইরান নীতির প্রতিবাদে ইস্তফা দিয়েছেন সে দেশের সন্ত্রাসদমন শাখার প্রধান জো কেন্ট। তাঁর অভিযোগ, ইজরায়েলি লবির চাপে অকারণ এই যুদ্ধ শুরু করেছে ট্রাম্প সরকার। এরই মধ্যে বুধবার ভোরে লেবাননের রাজধানী বেইরুটেও ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। কোনও সতর্কতা ছাড়াই সাধারণ মানুষের বাসস্থানে বোমা পড়ার খবর মিলেছে।
68 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 01:40 PM
রণবীর সিং-এর'ধুরন্ধর 2 "-এ মোদীর বিমুদ্রাকরণের ঘোষণা পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে।

রণবীর সিং-এর'ধুরন্ধর 2 "-এ মোদীর বিমুদ্রাকরণের ঘোষণা পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে।

রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর ২’ ছবি নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। রণবীর সিংয়ের অ্যাকশন এবং দেশপ্রেমের মাঝে সবচেয়ে বেশি যে দৃশ্যটি নিয়ে চর্চা হচ্ছে, তা হলো ৮ নভেম্বরের সেই ঐতিহাসিক রাত। ২০১৬ সালের ওই দিনেই নোটবন্দি ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই দৃশ্যই কায়দা করে পর্দায় তুলে ধরেছেন পরিচালক আদিত্য ধর। পর্দায় যখন মোদী নোটবন্দির ঘোষণা শোনা-দেখা যাচ্ছে, ঠিক তখনই প্রেক্ষাগৃহের ভিতরে দর্শকের বাঁধভাঙা উল্লাস আর জয়ধ্বনির ছবি রেকর্ড করা হয়েছে মুঠোফোনে।পরিচালক আদিত্য ধর এই ছবিতে নোটবন্দিকে ‘অপারেশন গ্রিন লিফ’ (Operation Green Leaf) হিসেবে দেখিয়েছেন। ছবিতে দেখানো হয়েছে কী ভাবে এই একটি সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সীমান্ত পেরিয়ে আসা জাল নোটের উৎসে কার্যত বিষ প্রয়োগ করেছিল। যার ফলে নাশকতামূলক কাজে যে পরিমাণ অর্থ জোগানের (Terror Funding) ঘাঁটিগুলো নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ছবির একটি বিশেষ দৃশ্যে দেখানো হয়েছে, এক কুখ্যাত গ্যাংস্টার-নেতা টিভিতে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেখে রীতিমতো ঘামতে শুরু করেছেন। তিনি বুঝতে পারছেন তাঁর কোটি কোটি টাকার জাল নোটের নেটওয়ার্ক মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে যাবে। দিশেহারা হয়ে তিনি আইএসআই (ISI) প্রধান মেজর ইকবালকে (অর্জুন রামপাল অভিনীত চরিত্র) ফোন করে নিজের অসহায়তার কথা প্রকাশ করে ফেলেন।এক্স এবং ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে বেশ কিছু ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে পর্দায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরু হতেই দর্শক আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছেন এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিচ্ছেন। দেশপ্রেম আর বাস্তবের কঠিন সিদ্ধান্তের এমন মেলবন্ধন এই স্পাই-থ্রিলারটিকে সাধারণ দর্শকদের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।প্রথম দিনের পেইড প্রিভিউতেই ৭৫ কোটি টাকা আয় করে রেকর্ড গড়া ‘ধুরন্ধর ২’ সমালোচকদের কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে।রণবীর সিংয়ের অভিনয় এবং আদিত্য ধরের নিখুঁত পরিচালনায় এই ছবিটি ২০২৬ সালের অন্যতম সেরা এবং গুরুত্বপূর্ণ ছবি হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
51 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 12:56 PM
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুদ্ধঃ 200 বিলিয়ন ডলারের বোঝা নাকি'ইসরায়েল-প্রথম কর'?

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুদ্ধঃ 200 বিলিয়ন ডলারের বোঝা নাকি'ইসরায়েল-প্রথম কর'?

আমেরিকার অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিতে চলেছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ? ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের খরচ জোগাতে হোয়াইট হাউসের কাছে ২০০ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয মুদ্রায় ১৬ লক্ষ কোটি টাকার বেশি) চেয়েছে পেন্টাগন। যা ইরানের মোট জিডিপির প্রায় অর্ধেক! যুদ্ধ শুরুর মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই এই বিপুল ফান্ডের দাবিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মার্কিন মুলুকে।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই আমেরিকাকে তীব্র কটাক্ষ করেছে তেহরান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, এই বিশাল অর্থের বোঝা আদতে আম আমেরিকানদের উপরে ট্রাম্পের চাপানো ‘ইজ়রায়েল-ফার্স্ট ট্যাক্স’।ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ট্রাম্প সমর্থকদের মধ্যে যে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ অর্থাৎ, আমেরিকাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি উঠতে শুরু করেছে, তাকেই আরও উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আরাগচি।আল-জাজ়িরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচির দাবি, ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশেই আমেরিকা এই যুদ্ধে জড়াতে বাধ্য হয়েছে। আর তার মাশুল গুনছেন সাধারণ আমেরিকান নাগরিকরা।বৃহস্পতিবার ভোরে বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র ইরানের ‘সাউথ পার্স’-এ আকাশপথে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইজ়রায়েল। পাল্টা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলির তেল ও গ্যাসক্ষেত্রে আঘাত হেনেছে ইরানও।এতে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কায় নড়েচড়ে বসেছে গোটা পৃথিবীই। বেগতিক বুঝে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেছেন, ‘ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ইজ়রায়েল এই হামলা চালিয়েছে। এর সঙ্গে আমেরিকা বা কাতারের কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা এ ব্যাপারে বিন্দুবিসর্গও জানতাম না।’যদিও হোয়াইট হাউসের এক সূত্রের দাবি, ট্রাম্প সবই জানতেন। এমনকী তিনি ইজ়রায়েলকে এই হামলার অনুমতিও দিয়েছিলেন। ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পরিস্থিতি প্রতিকূল দেখেই এখন তিনি দায় ঝেড়ে ফেলছেন।
62 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Mar 19, 2026, 12:00 PM
নীতিগত মতবিরোধের কারণে এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অতনু চক্রবর্তী।

নীতিগত মতবিরোধের কারণে এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অতনু চক্রবর্তী।

দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাঙ্ক এইচডিএফসির আংশিক সময়ের চেয়ারম্যান পদ থেকে আচমকাই ইস্তফা দিয়েছেন অতনু চক্রবর্তী। তাঁর পদত্যাগের কারণ হিসেবে সামনে এসেছে ‘নীতিগত’ মতবিরোধের প্রসঙ্গ, যা ঘিরে আর্থিক মহলে তীব্র জল্পনা তৈরি হয়েছে। ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৭ মার্চ কর্তৃপক্ষের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন অতনু। চিঠিতে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, গত প্রায় ২ বছর ধরে ব্যাঙ্কের একাধিক সিদ্ধান্ত ও কার্যপদ্ধতির সঙ্গে তিনি নীতিগতভাবে একমত হতে পারছিলেন না। এই নৈতিক দ্বন্দ্বের জেরেই তিনি চেয়ারম্যান পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ঠিক কোন সিদ্ধান্ত বা বিষয় নিয়ে এই মতভেদ, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তিনি উল্লেখ করেননি। অতনু চক্রবর্তীর এই মন্তব্য ঘিরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে — ব্যাঙ্কের শীর্ষস্তরে এমন কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল, যার সঙ্গে চেয়ারম্যান নিজেই সায় দিতে পারছিলেন না ? যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ বা অতনু— কেউই বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি। প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে অতনু অবশ্য বিষয়টিকে ‘রুটিন’ বলেই উল্লেখ করেছেন। পদত্যাগপত্রে সহকর্মী ও বোর্ড সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অতনু চক্রবর্তী। একই সঙ্গে ব্যাঙ্কের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেছেন তিনি। উল্লেখযোগ্য, তাঁর নেতৃত্বের সময়েই একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্তির ফলে ব্যাঙ্কের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটে এবং বাজারে অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়। অতনুর ইস্তফার পর রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অন্তর্বর্তী আংশিক সময়ের চেয়ারম্যান হিসেবে কেকি মিস্ত্রির নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে। ১৯ মার্চ থেকে তিন মাসের জন্য এই দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর মিস্ত্রি জানিয়েছেন, গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা অটুট রাখা এবং তাঁদের স্বার্থ সুরক্ষিত করাই ব্যাঙ্কের প্রধান অগ্রাধিকার হবে। অন্যদিকে, এই পদত্যাগের প্রভাব পড়েছে বাজারেও। খবর প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাঙ্কের শেয়ারের দাম প্রায় ৪ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়। ফলে বিনিয়োগকারী মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।উল্লেখ্য, গুজরাত ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক অতনু চক্রবর্তী কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তিনি অর্থ মন্ত্রকের অর্থনৈতিক বিষয়ক দপ্তরের সচিব ছিলেন। ২০২১ সালে এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের বোর্ডে যোগ দিয়ে আংশিক সময়ের চেয়ারম্যান ও স্বাধীন অধিকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।সব মিলিয়ে, তাঁর আকস্মিক পদত্যাগে ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং নীতিগত অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঠিক কী কারণে এই মতবিরোধ তৈরি হল তা স্পষ্ট না হওয়ায় জল্পনা আরও বাড়ছে।
36 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 11:57 AM
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে

তেল-গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তো ছিলই। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হবে ইন্টারনেট পরিষেবাও। আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে পড়তেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সংঘাত থামার লক্ষণ নেই কোনও পক্ষের তরফেই। হরমুজ় প্রণালী এবং লোহিত সাগরের নিচ দিয়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা চালানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেবল নেটওয়ার্ক রয়েছে। সেটির উপরে আঘাত এলে বিশ্বজুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ইন্টারনেট পরিষেবাও।হরমুজ প্রণালী এবং লোহিত সাগরের নীচে থাকা এই কেবলগুলির মাধ্যমেই ভিডিয়ো কল, ই-মেল, ব্যাঙ্কিং লেনদেন থেকে শুরু করে ডেটা পরিষেবা চালিত হয়ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার মধ্যে ইন্টারনেট সংযোগের বড় অংশ এই পথেই যায়।একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, লোহিত সাগরে অন্তত ১৭টি সাবমেরিন কেবল রয়েছে। হরমুজ় প্রণালীতেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেবল রয়েছে। এই কেবলগুলির কোনও বড় ক্ষতি হলে ‘গ্লোবাল কমিউনিকেশন ক্রাইসিস’ তৈরি হতে পারে।টেলিজিওগ্রাফি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরে বর্তমানে সক্রিয় সাব-সি বা সমুদ্রগর্ভস্থ কেবলগুলো হলো— AAE-1, FALCON, Gulf Bridge International Cable System এবং Tata-TGN Gulf। এই সংযোগ লাইনগুলো ভারতের বৈদেশিক ডেটা সংযোগকে সরাসরি সহায়তা প্রদান করে।অ্যামাজন, মাইক্রোসফট এবং গুগলের মতো টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলো সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) ও সৌদি আরবের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোতে বিশাল আকারের AI ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রচুর টাকা বিনিয়োগ করেছে। সমুদ্রগর্ভস্থ এই কেবলগুলোই এই সব ডেটা সেন্টারগুলোকে এশিয়া ও আফ্রিকা—এই দুই মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত বাজার এবং ব্যবহারকারীদের সঙ্গে সংযুক্ত করে।কোনও দুর্ঘটনা বা কোনও মাইন বা বিস্ফোরকের আঘাত, কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে কেবল কেটে ফেলার মতো কোনও ঘটনা ঘটলে— সংযোগ লাইনগুলো কয়েক সপ্তাহ বা মাসের পর মাস অচল হয়ে পড়ে থাকতে পারে। বর্তমানে উভয় জলপথই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলত মেরামতের কাজ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কেবলগুলো সারিয়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ জাহাজগুলো এখন আর ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারছে না।বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এক দিকে জ্বালানি সংকট বিশ্বের একাধিক দেশে আর্থিক ভারসাম্য নষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর পরে ইন্টারনেট পরিষেবার কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হলে বড় ধরনের আর্থিক বির্পযয় ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
16 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 19, 2026, 11:17 AM
2026 আইপিএল-এর আগে রাজস্থান রয়্যালসের যুব প্রতিভা

2026 আইপিএল-এর আগে রাজস্থান রয়্যালসের যুব প্রতিভা

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ২০২৬ আইপিএল শুরু হতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। তার আগেই রাজস্থান রয়্যালস (RR) শিবিরে বইছে তারুণ্যের হাওয়া। যে রাজস্থান ২০০৮ সালে প্রয়াত কিংবদন্তি শেন ওয়ার্নের হাত ধরে প্রথম ট্রফি জিতেছিল, দীর্ঘ ১৮ বছর পর ফের সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে মরিয়া তারা। আর এই অভিযানে রাজস্থানের তুরুপের তাস হয়ে উঠেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের নায়ক বৈভব সূর্যবংশী। সম্প্রতি নেটে অনুশীলনের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের বেগে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সিএসকে-র ১২ বছরের সোনালী অধ্যায় শেষ করে রাজস্থানে ফেরা অভিজ্ঞ স্পিনার রবীন্দ্র জাদেজাকে কার্যত পাড়ার বোলারে পরিণত করেছেন বৈভব। জাদেজার একের পর এক ডেলিভারি মাঠের বাইরে পাঠাতে দেখা যায় এই বাঁহাতি ব্যাটারকে। জাদেজার একটি ওভারের প্রায় সবকটি বলেই বাউন্ডারি বা ওভার-বাউন্ডারি হাঁকান তিনি, যার মধ্যে মাত্র একটি বল অফ-স্টাম্পের একটু বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। pic.twitter.com/02GTC3hCcr — Rajasthan Royals (@rajasthanroyals)March 19, 2026 কেন বিশেষ এই বৈভব? হারারেতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ৮০ বলে ১৭৫ রানের এক অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলে ভারতকে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন করেছেন বৈভব। তার সেই বিধ্বংসী মেজাজ এখন রাজস্থান রয়্যালসের নেটেও অব্যাহত। অভিজ্ঞ জাদেজা, যিনি আইপিএল-এর অন্যতম সফল বোলার, তাকেও রেয়াত করলেন না এই ১৪ বছর বয়সী বিস্ময় বালক। দলবদলের বড় চাল এবারের আইপিএল-এর আগে রাজস্থান ও চেন্নাই সুপার কিংসের (CSK) মধ্যে এক হাই-প্রোফাইল ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর মহানায়ক সঞ্জু স্যামসন পাড়ি দিয়েছেন চেন্নাই শিবিরে, আর তার পরিবর্তে রাজস্থানে ফিরেছেন ঘরের ছেলে রবীন্দ্র জাদেজা। রাজস্থান রয়্যালস ভক্তদের প্রত্যাশা, অভিজ্ঞ জাদেজার মগজ আর বৈভবের পেশীশক্তির মিশেলে এবার ঘুচবে ট্রফি খরা। শেন ওয়ার্নের সেই ‘রকস্টার’ জাদেজা কি পারবেন নতুন প্রজন্মের ‘স্টারবয়’ বৈভবের সাথে মিলে রাজস্থানকে ফের চ্যাম্পিয়ন করতে? উত্তর দেবে মাঠের লড়াই।
26 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 10:58 AM
দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠি বিয়ের 10 বছর পর গর্ভাবস্থার কথা ঘোষণা করেছেন

দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠি বিয়ের 10 বছর পর গর্ভাবস্থার কথা ঘোষণা করেছেন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে মা হতে চলেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় ‘ইশিতা মা’ ওরফে দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠী (Divyanka Tripathi)। স্বামী বিবেক দহিয়ার (Vivek Dahiya) সঙ্গে জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ‘প্লট টুইস্ট’-এর কথা ঘোষণা করলেন অভিনেত্রী। বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে বেবিবাম্পের একগুচ্ছ মিষ্টি ছবি পোস্ট করে এই সুখবর জানিয়েছেন তাঁরা।ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বিবেক সস্নেহে দিব্যাঙ্কার বেবিবাম্প ছুঁয়ে রয়েছেন। অন্য একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে একজোড়া ছোট্ট জুতো হাতে একে অপরের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তারকা-দম্পতি। ক্যাপশনে দিব্যাঙ্কা লিখেছেন, ‘১০ বছর পর এক অদ্ভুত প্লট টুইস্ট! কিছু জার্নি তাড়াহুড়ো করে হয় না। সেগুলো একসঙ্গে প্রস্তুত হওয়ার জন্য। যখন মনে হয় গল্পটা সম্পূর্ণ, ঠিক তখনই জীবন এক সুন্দর অধ্যায় যোগ করে। আমরা ধন্য।’এক সাক্ষাৎকারে দিব্যাঙ্কা জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যেই ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এতদিন এই খবরটি তাঁরা গোপন রাখতে পেরেছিলেন কারণ দিব্যাঙ্কা গত কয়েক মাস জনসমক্ষে খুব একটা আসেননি। অভিনেত্রী জানান, তাঁদের পরিবারের সবাই এই খবরে উচ্ছ্বসিত। ছেলে হবে না মেয়ে— তা নিয়ে তাঁদের কোনও বিশেষ পছন্দ নেই। জুন মাসের মাঝামাঝি নাগাদ তাঁদের প্রথম সন্তান আসতে চলেছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।দিব্যাঙ্কা ও বিবেকের প্রেমের শুরু ‘ইয়ে হ্যায় মহব্বতেঁ’ ধারাবাহিকের সেট থেকে। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে ভোপালে ধুমধাম করে বিয়ে করেন তাঁরা। এরপর ‘নাচ বলিয়ে সিজন ৮’-এ অংশ নিয়ে চ্যাম্পিয়নও হয়েছিলেন এই জুটি। গত এক দশক ধরে তাঁদের রসায়ন দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।
47 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 19, 2026, 10:41 AM
হরিশচন্দ্রপুরে যুবসাথী প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বিক্ষোভ

হরিশচন্দ্রপুরে যুবসাথী প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বিক্ষোভ

হরিশ্চন্দ্রপুর:‘যুবসাথী’ নিয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ। মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর (Harishchandrapur)-২ নম্বর ব্লক অফিসে বৃহস্পতিবার প্রকল্পের টাকা না পাওয়া এবং দুর্নীতির অভিযোগে বিডিও অফিসের (BDO Office) ভেতরেই ধর্নায় বসেন স্থানীয় যুবকরা। তবে সেই আন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী হতে দেয়নি প্রশাসন। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী বিক্ষোভকারী যুবকদের ধর্না তুলে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নাবালক ও বৃদ্ধের অ্যাকাউন্টে টাকা! বিস্ফোরক অভিযোগ বিক্ষোভকারী যুবকদের দাবি, হরিশ্চন্দ্রপুরে যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির জাল বহুদূর বিস্তৃত। তাঁদের অভিযোগ, একদিকে প্রকৃত শিক্ষিত বেকাররা মাসের পর মাস ফর্ম ফিলাপ করে বসে থাকলেও টাকা পাচ্ছেন না, অন্যদিকে সাত বছরের নাবালক এবং ৬০ বছরের বৃদ্ধের অ্যাকাউন্টে অনায়াসে ঢুকে যাচ্ছে সরকারি ভাতার টাকা। যোগ্যদের বঞ্চিত করে অযোগ্যদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার এই ঘটনায় সরগরম ব্লক চত্বর। দালাল রাজ ও সরকারি পোর্টালের তথ্য ফাঁস বিক্ষোভকারীদের আরও একটি চাঞ্চল্যকর দাবি হলো, ব্লকের সরকারি পোর্টালের আইডি এবং পাসওয়ার্ড বাইরে দালালদের হাতে ঘুরছে। ফর্ম জমা দেওয়ার পর থেকেই দালালদের ফোন আসছে বলে অভিযোগ। দাবি করা হচ্ছে, টাকা না দিলে যুবসাথীর টাকা ছাড়া হবে না। অর্থাৎ সরকারি সাহায্য পেতেও এখন কাটমানি দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় যুবকরা। প্রশাসনের ভূমিকা ও পুলিশের অ্যাকশন এদিন যুবকরা বিডিও-র ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এরপরই মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেয়। এই প্রসঙ্গে চাঁচলের মহকুমাশাসক ঋত্বিক হাজরা জানান, “অনলাইনে ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হয়েছে, যা প্রশাসনের তরফে দ্রুত খতিয়ে দেখে ঠিক করা হবে। অনিয়মের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তাও গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।”
44 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Mar 19, 2026, 10:25 AM
সুরাটের ভারুচা এলাকায় জরি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুজন নিহত, নয়জন আহত

সুরাটের ভারুচা এলাকায় জরি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুজন নিহত, নয়জন আহত

সুরাতের ভারাচহা এলাকার একটি জরি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। আগুনে ঝলসে মৃত্যু দুই জনের। অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর জখম অন্তত ৯ জন। বৃহস্পতিবার সকালে ভারাচহার ভারত নগর গোশালা এলাকার ওই কারখানায় প্রথমে আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে মজুত থাকা একাধিক গ্যাস সিলিন্ডারে পরপর বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, যে ভবনে কারখানাটি চলত, তার ছাদেই শ্রমিকরা বসবাস করতেন। আগুন লাগার পর তাঁরা বেরোতে না পেরে ভিতরেই আটকে পড়েন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। উদ্ধারকর্মীরা ছাদের টিনের শেড কেটে শ্রমিকদের বাইরে বের করেন। এখনও পর্যন্ত মোট ১১ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের মধ্যে দু’জন গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন। আরও অন্তত ৯ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থাও উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কারখানায় মোট ৮টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল। এতগুলো সিলিন্ডার সেখানে কীভাবে রাখা হয়েছিল এবং সেগুলির প্রয়োজনীয়তা কী ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণেই আগুন এত দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ ও ফরেনসিক দল। কে বা কারা এত বিপুল পরিমাণ গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার রিফিলের বিরুদ্ধে প্রশাসন কড়াকড়ি শুরু করেছে। ইতিমধ্যে শহরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কারখানায় এতগুলো সিলিন্ডার মজুত থাকা নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
58 shares
😢
U
Uttarbanga Sambad
Mar 19, 2026, 10:24 AM
আপনার টমেটোর পিছনে লুকানো বিপদঃ পরিষ্কার খাওয়ার আহ্বান

আপনার টমেটোর পিছনে লুকানো বিপদঃ পরিষ্কার খাওয়ার আহ্বান

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:মুরগির কষা মাংস হোক কিংবা স্বাস্থ্যকর স্যালাড— বাঙালির রান্নাঘরে টমেটো ছাড়া যেন স্বাদ ঠিক জমে না। চাল, ডাল বা আলুর মতোই এটি আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় তালিকার শীর্ষে। তবে যে টমেটোটি আপনি পরম তৃপ্তিতে খাচ্ছেন, তা কি সত্যিই পরিষ্কার? আপাতদৃষ্টিতে মসৃণ খোলসটি কলের জলে ধুলে ঝকঝকে মনে হলেও, এর আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে প্রাণঘাতী রাসায়নিক ও কীটনাশক (Tomato Cleaning)। টমেটো চাষের সময় পোকামাকড় দমনে প্রচুর পরিমাণে কীটনাশক এবং ফলন বাড়াতে রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয়। যেহেতু টমেটোর খোলস অত্যন্ত পাতলা এবং নরম, তাই এই বিষাক্ত উপাদানগুলো খুব সহজেই ফলের ভেতরে প্রবেশ করে। বিশেষ করে স্যালাড বা ভর্তার ক্ষেত্রে, যেখানে টমেটো কাঁচা বা আধপোড়া খাওয়া হয়, সেখানে সরাসরি শরীরে বিষ ঢোকার ঝুঁকি থেকে যায়। মুক্তির উপায় কী? কেবল সাধারণ জলে ধুলে ধুলোবালি পরিষ্কার হলেও রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ দূর হয় না। এর সহজ সমাধান রয়েছে আপনার রান্নাঘরের একটি সাধারণ উপাদানেই— আর তা হল নুন। কীভাবে পরিষ্কার করবেন? প্রথমে একটি বড় পাত্রে টমেটো ডোবে এমন পরিমাণে জল নিন। প্রতি লিটার জলে ১ চা চামচ টেবিল সল্ট বা নুন দিয়ে ভালো করে গুলে নিন। এই মিশ্রণে টমেটোগুলো ১৫-২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এতে খোসায় লেগে থাকা কীটনাশক আলগা হয়ে আসবে। সময় শেষে জল ফেলে দিয়ে পরিষ্কার কলের তলায় হাত দিয়ে ঘষে টমেটোগুলো ধুয়ে নিন। সামান্য এই সচেতনতা আপনার পরিবারকে ক্যানসার বা হজমের সমস্যার মতো জটিল রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই আজ থেকেই রান্নার আগে নুন জলে টমেটো ভেজানোর অভ্যাস করুন।
69 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 19, 2026, 10:18 AM
কোচবিহার জেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের ফলে ক্ষয়ক্ষতি

কোচবিহার জেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের ফলে ক্ষয়ক্ষতি

নিশিগঞ্জ ও জামালদহ:বুধবার গভীর রাতে উত্তরবঙ্গের আকাশ চিরে নেমে এল প্রকৃতির রুদ্ররূপ। আচমকা শুরু হওয়া শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় কার্যত বিপর্যস্ত কোচবিহার (Cooch Behar Hailstorm)জেলার একাধিক ব্লক। কোচবিহার ১, মাথাভাঙ্গা ১ ও ২, শীতলকুচি এবং মেখলিগঞ্জ বিধানসভার জামালদহ ও উছলপুকুরী অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রকৃতির তাণ্ডবে তছনছ গ্রামের পর গ্রাম বুধবার রাত বাড়তেই হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে। ঝড়ের দাপটের সঙ্গে শুরু হয় তীব্র শিলাবৃষ্টি। নিশিগঞ্জ ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের কোদালধোয়া, শীতলকুচির পূর্ব কুর্শামারি, জোড়পাটকি এবং চান্দামারির বৈরাতি ও শোলমারি এলাকায় মুহূর্তের মধ্যে ঘরবাড়ি ও ফসল নষ্ট (Crop Damage) হয়ে যায়। শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় অসংখ্য বাড়ির টিনের ছাউনি ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছে। বহু মানুষ রাতারাতি গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। চাষিদের চরম বিপর্যয়: তামাক ও তরমুজে ব্যাপক ক্ষতি এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জেলার অন্নদাতারা। তামাক, ভুট্টা ও আলুর খেত কার্যত মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছে। বিশেষ করে মানসাই নদীর চরাঞ্চলে তরমুজ চাষিদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। চরাঞ্চলে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছিলেন স্থানীয় কৃষকেরা। এক রাতের বৃষ্টিতে সেই ফসল নষ্ট হওয়ায় এখন তাঁদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের মুখে। চরাঞ্চল হওয়ায় সরকারি বিমা বা ক্ষতিপূরণ মিলবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। মাঠে বিধায়ক পরেশ অধিকারী (Paresh Chandra Adhikary), দ্রুত ত্রাণের আশ্বাস বৃহস্পতিবার সকালেই মেখলিগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শনে যান বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী। জামালদহ ও উচলপুকুরী অঞ্চলের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। বিধায়ক জানান, “বিপর্যয়ের এই মুহূর্তে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছি। কোচবিহারের জেলাশাসকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।” ইতিমধ্যেই কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে ব্লকভিত্তিক ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। তবে সরকারি সাহায্য দ্রুত না পৌঁছোলে চরম আর্থিক সংকটে পড়বেন কোচবিহারের কয়েক হাজার কৃষক পরিবার।
56 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 10:15 AM
আল্লু অর্জুন'ধুরন্ধর 2'কে সোয়াগের সাথে একটি দেশাত্মবোধক চলচ্চিত্র হিসাবে প্রশংসা করেছেন

আল্লু অর্জুন'ধুরন্ধর 2'কে সোয়াগের সাথে একটি দেশাত্মবোধক চলচ্চিত্র হিসাবে প্রশংসা করেছেন

বক্স অফিসে ঝোড়ো ইনিংস শুরু করার পর এ বার সহকর্মীদের প্রশংসায় ভাসছে‘ধুরন্ধর ২’। বুধবার সন্ধ্যায় ছবিটির স্পেশ্যাল প্রিভিউ দেখার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি সম্বন্ধে তাঁর মতামত ভাগ করেছেন অল্লু অর্জুন। ছবিতে দেশপ্রেম আর সোয়্যাগ-এর যে মেলবন্ধন পরিচালক আদিত্য ধর দেখিয়েছেন, তাতেই মজেছেন এই দক্ষিণী মহাতারকা।নিজের পোস্টে অল্লু অর্জুন রণবীর সিংকে ‘ব্রিলিয়ান্ট’ ও ‘ভার্সাটাইল’ অভিনেতা বলেও উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি পরিচালক আদিত্য ধরের প্রশংসা করে তিনি লিখেছেন, ‘আদিত্য বল একেবারে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছেন। আর মাধবন-সহ বাকি অভিনেতারাও দুর্দান্ত কাজ করেছেন। ছবিটির টেকনিক্যাল দিক এবং এর ‘ইন্টারন্যাশনাল সোয়্যাগ’ উপভোগ করার মতো।’Just Watched#Dhurandhar2⁰Patriotism with swag 🇮🇳A film that will make every patriot proud 🇮🇳⁰Many clap-trapping moments 👏🏽BLAST! 💥Congratulations to the entire team.⁰Fine performances by@ActorMadhavangaru & all actors . Technical brilliance .So proud to have a…অল্লু অর্জুনের এই প্রশংসায় আপ্লুত আর মাধবন। এক্স হ্যান্ডল-এ পালটা জবাবে তিনি লিখেছেন, ‘তোমার মতো একজনের কাছ থেকে এই প্রশংসা পাওয়া আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার। আমি তোমার সব ছবি মন দিয়ে দেখি এবং তোমার অভিনয়ের গুণমুগ্ধ। আমার কেরিয়ারের এই সন্ধিক্ষণে তোমার এই রিভিউ আমার কাছে সত্যিই স্পেশ্যাল।’
52 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 10:15 AM
ভুয়ো খবর এবং বিভ্রান্তিকর বিষয়বস্তুর জন্য গৌতম গম্ভীরের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মামলা

ভুয়ো খবর এবং বিভ্রান্তিকর বিষয়বস্তুর জন্য গৌতম গম্ভীরের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মামলা

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নামে ছড়ানো ভুয়ো খবর ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে বড় পদক্ষেপ করললেনগৌতম গম্ভীর।টিম ইন্ডিয়ারহেড কোচ সরাসরি দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিত ভাবে তাঁর নাম ও পরিচয় অপব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এই ঘটনার জেরে ১৬টি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি, পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন।অভিযোগ পত্রে গম্ভীর জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকেই ইউটিউব, এক্স, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে তাঁর নাম ব্যবহার করে পরিকল্পিত ভাবে ভুয়ো কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। AI, ফেস সুয়াপিং ও ভয়েস ক্লোনিং প্রযুক্তির সাহায্যে এমন সব ভিডিয়ো বানানো হয়েছে, যেখানে তাঁকে এমন মন্তব্য করতে দেখা যাচ্ছে, যা তিনি কখনও করেননি। এর মধ্যে একটি ভুয়ো ইস্তফার ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই লাখ লাখ ভিউ পেয়েছে। পাশাপাশি আরও একটি ক্লিপে তাঁকে সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়ে মন্তব্য করতে দেখানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।গম্ভীর একাধিক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে JanKey Frames, Bhupendra Paintola, Legends Revolution, gustakhedits, cricket_memer45, GemsOfCrickets, Crickaiith, Sunny Upadhyay এবং @imRavY_। তিনি ২.৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন এবং ওই অ্যাকাউন্টগুলিকে ভুয়ো কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।গম্ভীরের দাবি, তাঁর নাম, মুখ, কণ্ঠস্বর ও পরিচয় ব্যবহার করে অজ্ঞাত অ্যাকাউন্টগুলি মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে এবং সেখান থেকে আর্থিক লাভও করেছে। এই কারণেই তিনি আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন।
86 shares
😢