Achira News Logo
Achira News
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:53 AM
আর্থিক সংকট এবং নেতৃত্বের অভাবের মধ্যে হাওড়া পৌর কর্পোরেশনের সংগ্রাম

আর্থিক সংকট এবং নেতৃত্বের অভাবের মধ্যে হাওড়া পৌর কর্পোরেশনের সংগ্রাম

আক্ষরিক অর্থেই চরম আর্থিক সঙ্কটে ভুগছে হাওড়া পুরসভা। এক দিকে পুরসভার নিজস্ব আয় প্রায়তলানিতে ঠেকেছে। অন্য দিকে, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসারের অভাবে প্রতিটি দফতর ধুঁকছে। পুর পরিষেবা কাকে বলে, কার্যত সেটাই ভুলতে বসেছেন সাধারণ মানুষ। যার ফলে ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, যত্রতত্র পড়ে থাকা আবর্জনা, জঞ্জাল উপচে পড়া ভ্যাট, অপরিষ্কার নর্দমা, বেআইনি পার্কিং এবং অবাধে গড়ে ওঠা বেআইনি বহুতলই হয়ে উঠেছে গত সাত বছর ধরে নির্বাচন না-হওয়া হাওড়া শহরের প্রধান পরিচয়।
25 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:49 AM
জয়া আহসানের আসন্ন ছবি'ওসিডি'এবং শিশু নির্যাতনের বিষয়ে কলকাতায় কথা বলেছেন

জয়া আহসানের আসন্ন ছবি'ওসিডি'এবং শিশু নির্যাতনের বিষয়ে কলকাতায় কথা বলেছেন

এক সপ্তাহ পার হলেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে কলকাতায় জয়া আহসান। শহরের এক রেস্তরাঁয় আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় নায়িকার কথায় উঠে এল তাঁর আগামী ছবি, আট ঘণ্টার কাজ নিয়ে তাঁর বক্তব্য। সেই সঙ্গে বিশ্ব জুড়ে শিশুদের উপর নানা ধরনের নির্যাতনের প্রসঙ্গও। মতৃত্ব নিয়ে তাঁর একান্ত ভাবনা ঠিক কী, সেটাও অকপটে শোনালেন জয়া। প্রশ্ন: এ বার অনেকটা লম্বা সময় পরে কলকাতায় এলেন। জয়া:হ্যাঁ, মাঝে একটু বেশি সময় ঢাকায় ছিলাম। এ বার নিজের আসন্ন ছবি ‘ওসিডি’-র জন্য কলকাতায় এলাম। আমার অভিনীত অন্যতম প্রিয় কাজ বলতে পারেন এটা। প্রশ্ন: জয়া আহসান তা হলে এ বার ‘বাতিক’-এর জ্বালায় নাজেহাল, তাই তো? জয়া:হ্যাঁ, একেবারে তাই। এই ছবিটা করতে করতে আমি খুঁজতে শুরু করি, আমার মধ্যে কিসের বাতিক রয়েছে। ছবিটা করার সময় আমাদের পরিচালক সৌকর্যকে একাধিক বার জিজ্ঞেস করতাম, ‘‘আমার কিসে ওসিডি আছে?’’ প্রশ্ন: খুঁজে পেলেন সেটা আপনি? জয়া: হ্যাঁ, আমি বুঝতে পেরেছি, নিখুঁত অভিনয় নিয়ে আমার ‘ওসিডি’ রয়েছে। খালি মনে হয় সব (অভিনয়) যেন এক রকম হয়ে যাচ্ছে। তার পর নিজেকেই যেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে ফেলি, আবার বিরক্ত হয়ে যাই নিজের উপরেই। নিজেকে বলি, ‘‘আরে বাবা, আমি তো মানুষ! কিন্তু মন বোঝে না। খালি মনে হয়, আমি কি ভাল করতে পারছি? এটা ভাবতে ভাবতে মানসিক অসুস্থতার জায়গায় চলে যাই। আরও নিখুঁত, আরও নিখুঁত হতে গিয়ে নিজের উপর বাড়তি চাপ দিয়ে ফেলি। প্রশ্ন: এটা থেকে মুক্তির পথ ভাবলেন কিছু? জয়া:নাহ্! ঠিক মুক্তি নয়। তবে ভেবে দেখেছি, কোনও কিছু সুন্দর ভাবে মন দিয়ে করলেই চাপমুক্ত থাকা যায়। প্রশ্ন: কোনও চরিত্র হয়ে ওঠার জন্য জয়া আহসান কী ভাবে তৈরি করেন নিজেকে? জয়া:আমি যখন যে বিষয়ে কাজ করি, সেটা নিয়ে কিছুটা পড়াশোনা করি। ‘ওসিডি’ ছবিটা করার সময় ‘পিডোফিলিয়া’ নিয়ে রীতিমতো চর্চা করেছি। শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ কোন মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ, কী থেকে হয়— এগুলো না জানলে এমন বিষয় নিয়ে কাজ করাটা মুশকিল। এই ছবি সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। তাই প্রস্তুতিটা জরুরি। আসলে যেখানে শিশুরা জড়িয়ে থাকে, দায়িত্বটা অনেক বেড়ে যায়। তাই না? প্রশ্ন: এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে ‘এপস্টিন ফাইল’ নিয়ে আলোচনা চলছে। তাবড় সব ব্যক্তিত্বদের নাম উঠে আসছে ওই বিতর্কে। জয়া:হ্যাঁ, আসলে এটা তো একটা মানসিক ব্যাধি। একটা বাচ্চা দেখলে সাধারণ মানুষের মনে মায়া জন্মায়, স্নেহ জন্মায়। কিন্তু, কিছু মানুষের শিশুদের দেখলে যৌন আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। তাঁরা ওই শরীরের ভিতরটা দেখতে চায়। আসলে এটা তো একটা অসুস্থতা। এই ‘পিডোফিলিয়া’ বিষয়টা নিয়ে কিন্তু বাংলা ছবিতে এখনও পর্যন্ত কোনও কাজ হয়নি। সেটাও কিন্তু খুব দুর্ভাগ্যজনক। প্রশ্ন: শৈশবের সঙ্গে মিশে রয়েছে হিংসা, এই ধরনের বিষয় নিয়ে কাজ করতে গেলে মনের উপর কতটা চাপ পড়ে? জয়া:‘ওসিডি’ ও ‘পিডোফিলিয়া’— দুটোই স্পর্শকাতর বিষয়। এই ছবিতে আমার করা চরিত্রটা শৈশবে যৌন শোষণের শিকার এবং তার পরিণাম কী ভয়ঙ্কর হতে পারে, অভিনয় করতে গিয়ে সেটার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। তাই চাপ তো পড়েই। প্রশ্ন: বাস্তব জীবনে জয়ার সঙ্গে এমন কোনও ঘটনা ঘটেছে? জয়া:আমি আসলে শুনেছি। এই ধরনের যৌন শোষণের ঘটনা পরিবারের মধ্যেই বেশি হয়। তাই এই বিষয়টা নিয়ে সব সময় ঢাকাচাপা দিয়ে রাখতেই দেখেছি। আমি আমার অনেক ঘনিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ‘ওসিডি’ও দেখেছি। প্রশ্ন: শিশুদের প্রতি মায়া প্রসঙ্গে মনে হল, জয়া আহসান কখনও মা হতে চাননি? জয়া:আমি তো নিজেকে মা-ই মনে করি। হয়তো আমি কাউকে জন্ম দিইনি। কিন্তু আমার সঙ্গে আমার পোষ্যদের যে সম্পর্ক কিংবা আমার বাড়ির গাছেদের, তাতে আমি নিজেকে মা বলেই ভাবি। ওদের সঙ্গে আমি কথা বলি, আমার সঙ্গে সময় না কাটালে গাছেরা মরে যায়, পোষ্যেরা কষ্ট পায়। আমি ওদের কথা বুঝতে পারি। আমার কলকাতার বাড়িতে এলে গাছগুলোর নতুন পাতা গজাতে দেখেছি। ওরা আমাকে দেখলে খুশিতে ঝলমল করে। জন্ম দিতে পারলেই কি সন্তানেরা মায়ের কাছে থাকে? আমি জগতের সকলের মা হয়ে থাকতে চাই, তার মধ্যেই আনন্দ, সারদাদেবীর মতো। প্রশ্ন: শিশুদের জন্য কতটা নিরাপদ এই পৃথিবী? জয়া:অসম্ভব অনিরাপদ। আমি চাইলে কিন্তু সন্তান দত্তক নিতে পারি। তার জন্য সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু বাধা একটাই। একটা শিশুকে পৃথিবীতে আনলে তার জন্য একটা নিরাপদ জায়গা করে দিতে হবে। কিন্তু মানুষ প্রতিনিয়ত ‘আমি আমি’ করে চলছে। প্রশ্ন: দুটো ব্যাধির কথা হচ্ছে। আরও একটা সামাজিক ব্যাধি ‘হোমোফোবিয়া’। আপনার এই প্রসঙ্গে অবস্থান কী? জয়া:আমার চারপাশে এমন মানুষও দেখেছি। আমি মনে করি, সম্পর্ক মনের মিলন, লিঙ্গের নয়। আসলে সবটাই ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। শারীরিক ভাবে স্ত্রী-পুরুষের এই পার্থক্যটা একটা অবয়ব। সবটাই মনের যোগাযোগ। প্রশ্ন: পর্দায় সমলিঙ্গের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে কী কোনও ছুতমার্গ রয়েছে জয়ার? জয়া:নাহ্, ওটা তো অভিনয়। যদি আমি দেখি, কোনও বিষয় অহেতুক উদ্দেশ্যে দেখানো হচ্ছে, তা হলে আপত্তি রয়েছে। এমন কিছু করতে চাই না, যেখানে মনে হবে আমাকে ভুল ভাবে ব্যবহার করা হল। প্রশ্ন: অনেকগুলো ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন, ৮ ঘণ্টার কাজের দাবির সঙ্গে কি একমত আপনি? জয়া:দেখুন, অভিনয়টা শুধু শারীরিক নয়। এই পেশায় শরীর ও মনকে সঙ্গে নিয়ে একাগ্রচিত্তে কাজটা করতে হয়। আর এই কাজটা কিন্তু সহজ নয়। আমি মনে করি, কাজের একটা নির্ধারিত সময় থাকা দরকার। ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্য থাকলে তবেই একজন অভিনেতার কর্মজীবন সফল হয়। এই আট ঘণ্টার মধ্যে কিন্তু ভাল কাজ করা সম্ভব। আট ঘণ্টা কাজ করা মানে কোনও ভাবেই গুণগত মানের সঙ্গে আপোস করা নয়। প্রশ্ন: আপনি নিজে কখনও প্রযোজক-পরিচালকের কাছে এই দাবি রেখেছেন? জয়া:হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রেই বলে দিয়েছি, আমার কাজের শিফ্‌ট কিন্তু আট ঘণ্টার। আবার যখন প্রয়োজন হয়, তখন আট ঘণ্টার বেশিও কাজ করি। আমি কখনওই প্রযোজক, পরিচালককে বিপদে ফেলি না। আমি কাজের ক্ষেত্রে জেদাজেদিতে বিশ্বাসী নই। বরং গুণগত মানের দিকটা বজায় থাকল কি না সেই বিষয়টা নিয়ে চিন্তিত। প্রশ্ন: আপনি কখনও নাচগানের মশলা মার্কা ছবিতে কাজ করবেন? জয়া:আমি তো স্বার্থপর! অভিনয় থেকে যত রকমের রস নিতে পারব সব করব। অভিনয় করাটা আমার কাছে একটা নেশার মতো। একটা জীবনে কতগুলো চরিত্র হয়ে বাঁচা যায় বলুন তো? এটা তো সবাই পারবে না, আমি পারি। মানে অভিনেতারা এই যাপনটা করতে পারে। আর এটার যে কি নেশা, যে করে সে-ই জানে। প্রশ্ন: কিন্তু এই যে যাপন, তা থেকে মোহাবিষ্ট হতে হতে আত্মকেন্দ্রিকও হয়ে যান কেউ কেউ? জয়া:হ্যাঁ, তা হয়। যে কোনও অভিনেতা কিন্তু নিজেকে নিয়ে মোহাবিষ্ট। আসলে অভিনয়টা আমার কাছে একটা অ্যাড্রিনালিন রাশ-এর মতো, সেটাই আমাকে আকর্ষণ করে। প্রশ্ন: আপনি নিজেকে নিয়ে গুগল করে দেখেন? জয়া:না, দেখি না। সময় হয় না, ইচ্ছে হয় না। লোকে বলে অনেক কথা। প্রশ্ন: লোকের তো জয়া আহসানের বয়স নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই, আপনি কী বলবেন? জয়া:কেউ বলে আমার ৪০, কারও কাছে আমি ৫০, কেউ পৌঁছে দিয়েছে ষাটের দরজায়। আসলে আমি ছোট বয়স থেকে কাজ করছি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি, খুব ভারী ভারী চরিত্রে কাজ করেছি আর অনেক বছর ধরে কাজ করছি। তাই যে যার মতো করে আমার বয়স ধরে নিয়েছে। প্রশ্ন: সমাজে কি সফল নারীদের বিড়ম্বনা বেশি? জয়া: আসলে মানুষ আজকাল মন্তব্য করতে ভালবাসে। আর সমাজমাধ্যম তো প্রতিদিন যেন হাস্যকর জায়গায় চলে গিয়েছে। তবে ‘সফল’ শব্দাটা বড্ড স্বার্থপর মনে হয়। আমি সার্থকতায় বিশ্বাসী। প্রশ্ন: এখন তারকারা ডিটক্স করছেন, জয়া কী ভাবে ডিটক্স করেন? জয়া:গাছের পরিচর্যা আমার কাছে থেরাপির মতো। তবে আমি মাঝেমধ্যে ‘মোবাইল ফাস্টিং’ করি। মোবাইল থেকে দূরে থাকি। এটা খুব ভাল ভাবে করতে পারি। সে সময় কেউ আমাকে পায় না। ইচ্ছাকৃত ভাবেই আড়ালে চলে যাই।
72 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:41 AM
সমঝোতার দাবির মধ্যে মার্কিন সেনা ড্রোন ভূপাতিত করায় ইরান-মার্কিন উত্তেজনা

সমঝোতার দাবির মধ্যে মার্কিন সেনা ড্রোন ভূপাতিত করায় ইরান-মার্কিন উত্তেজনা

এক দিকে সংঘাত। অপর দিকে বোঝাপড়া চলার দাবি। আপাততআমেরিকা-ইরান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নির্যাস তেমনই। মঙ্গলবার আরব সাগরে ইরানেরএকটি ড্রোনকে গুলি করে নামিয়েছে মার্কিন সেনা। তার পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ডট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে তাঁদের বোঝাপড়া চলছে। তবে কোন বিষয়ে এইবোঝাপড়়া, তা খোলসা করেননি ট্রাম্প। ইরানের উপর নজরদারি চালানোর জন্য আরব সাগরে রণতরী ‘ইউএসআব্রাহাম লিঙ্কন’-কে মোতায়েন করে রেখেছে আমেরিকা। আমেরিকার সেনাবাহিনীর সেন্ট্রালকমান্ড মঙ্গলবার জানিয়েছে, ইরানের একটি ড্রোন ওই রণতরীর দিকে ধেয়ে আসে। তার পরেইএফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান থেকে গুলি করে ওই ড্রোনটিকে নামানো হয়। মার্কিন সেনার দাবি, ড্রোনটি‘আগ্রাসী আচরণ’ করছিল। কোনও কারণ ছাড়াই মার্কিন রণতরীর চার দিকে ঘুরে বেড়াচ্ছিল! এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরেই হোয়াইট হাউসে ইরান প্রসঙ্গে মুখখোলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ওরা বোঝাপড়ায় আসছে।” তার পরেই ইরানে সাম্প্রতিকমার্কিন অভিযানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “এর আগেও ওদের (ইরান) কাছেকিছু করার (বোঝাপড়ায় আসার) সুযোগ ছিল। কিন্তু সেটা আর কার্যকর হয়নি।” তার পরেইট্রাম্পের সংযোজন, “আমার মনে হয় ওরা ওই ঘটনার (ইরানে আমেরিকার সামরিক অভিযান) পুনরাবৃত্তিচাইবে না। তাই ওরা বোঝাপড়া চাইছে। আমরা এখন ওদের সঙ্গে বোঝাপড়া করছি।”
58 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:31 AM
বালিগঞ্জ স্টেশনে ফুটব্রিজ থেকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু, যান চলাচলে ব্যাঘাত

বালিগঞ্জ স্টেশনে ফুটব্রিজ থেকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু, যান চলাচলে ব্যাঘাত

সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে বালিগঞ্জ স্টেশনের ফুট ওভারব্রিজ থেকে নীচে পড়ে গুরুতর আহত হলেন বছর পঞ্চাশের এক প্রৌঢ়। সঙ্কটজনক অবস্থায় ওই প্রৌঢ়কে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে রাত পর্যন্ত তাঁর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। মঙ্গলবারের এই ঘটনার জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা ওই পথে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। রাত আটটা নাগাদ ফের ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
75 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 02:26 AM
কলকাতার ডেঙ্গু মহামারী নির্মাণ সাইট এবং বহুতল ফ্ল্যাটগুলির সঙ্গে যুক্ত

কলকাতার ডেঙ্গু মহামারী নির্মাণ সাইট এবং বহুতল ফ্ল্যাটগুলির সঙ্গে যুক্ত

শ্যামগোপাল রায়বিপদের উৎস বার বার আঙুল তুলে দেখিয়ে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কলকাতায় ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তের অন্যতম কারণ হলো, নির্মীয়মাণ আবাসন ও বহুতল ফ্ল্যাটবাড়ি। নির্মাণস্থলে জমে থাকা জল এবং খোলা ড্রাম ও পরিত্যক্ত পাত্রে জমা জলে এডিস ইজিপ্টাই প্রজাতির মশার বংশবিস্তার হচ্ছে দ্রুত। একই ছবি অনেক বহুতল আবাসনেও। ছাদে বৃষ্টির জল জমে থাকা, জলের খোলা ট্যাঙ্ক, এসি ও ফ্রিজের ট্রে-তে জমা জল-এ সবের পরিণামে ফি বছর বাড়ে ডেঙ্গি-আক্রান্তের সংখ্যা।সেই সমস্যা ঠেকাতে এ বার ডেঙ্গির পিক সিজন বলে যে সময়টাকে (জুলাই থেকে অক্টোবর) ধরে নেওয়া হয়, সেটা শুরু হওয়ার আগেই নতুন গাইডলাইন তৈরি করেছে পুর দপ্তর। যা মানতে হবে নির্মীয়মাণ আবাসনের প্রোমোটার এবং ফ্ল্যাটের মালিকদের। তাঁরা নিয়ম মানছেন কি না, সে দিকে নজর রাখতে হবে পুরসভাগুলোকে। পুর দপ্তর সূত্রের খবর, ওই গাইডলাইনে বলা হয়েছে, আবাসনে নিকাশির সুষ্ঠু ব্যবস্থা রাখতে হবে। ছাদের কোথাও জল জমতে দেওয়া যাবে না। জলের ট্যাঙ্ক সব সময়ে ঢেকে রাখা এবং ফুলদানি-টব-এসি মেশিন-ফ্রিজের ট্রে-জলের ড্রাম সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করা বাধ্যতামূলক।লিফ্ট, বেসমেন্ট ও আবাসন চত্বরের কোনও পরিত্যক্ত পাত্রে জল জমে থাকছে কি না, তার উপর নিয়মিত নজরদারির নির্দেশ রয়েছে। নির্মাণস্থলের ক্ষেত্রেও পুরসভার গাইডলাইনে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, লিফ্ট বেসমেন্টে জল জমতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে সেখানে লার্ভিসাইডের মতো কীটনাশক কিংবা কেরোসিন ছড়ানোর কথা বলা হয়েছে। জলের ড্রাম ও পাত্র ঢেকে রাখা, নালা বা গর্তে জল জমতে না-দেওয়া এবং ত্রিপল বা পলিথিনের ছাউনিতে জল জমছে কি না, সেটা নিয়মিত দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের অফিসারদের কয়েক জনের বক্তব্য, 'নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের সচেতনতা না-বাড়লে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।'বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ক্ষেত্রে বহুতলের আবাসিকদের সংগঠনগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আবাসনের বাসিন্দাদের নিয়ে নিয়মিত সচেতনতা বৈঠক, ভিতরে ঢুকে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখা এবং জল জমার জায়গা চিহ্নিত করাই ডেঙ্গি প্রতিরোধের সব চেয়ে কার্যকর উপায়। কলকাতা পুরসভার মুখ্য পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাস বলছেন, 'ডেঙ্গির বাহক এডিস মশা মূলত পরিষ্কার, স্থির জলে জন্মায়। সে রকম অবস্থা সহজেই তৈরি হয় বহুতল আবাসন ও নির্মীয়মাণ বাড়িতে। ছাদের কোণে জমে থাকা সামান্য বৃষ্টির জল, জলের খোলা ট্যাঙ্ক, এসি বা ফ্রিজের ট্রে- এ সব জায়গাই এডিস মশার জন্য আদর্শ প্রজনন ক্ষেত্র। মাত্র ৭-১০ দিনের মধ্যেই লার্ভা থেকে পূর্ণাঙ্গ মশা তৈরি হয়।'সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে অন্তত একবার জল ফেলে পরিষ্কার না-করলে ডেঙ্গির ঝুঁকি বেশি। তার জন্যই ডেঙ্গি প্রতিরোধে কেবলই পুরসভার অভিযান যথেষ্ট নয় বলে বিশেষজ্ঞদের মত। তাঁদের বক্তব্য, আবাসিকদের সংগঠন, নির্মাণ সংস্থা এদের মধ্যে সমন্বয় জরুরি। কলকাতা পুরসভার মুখ্য পতঙ্গবিদের মতে, জল জমতে না-দেওয়াই এডিস নিয়ন্ত্রণের একমাত্র কার্যকর উপায়।
29 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:04 AM
ভারত সরকার প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়া সত্ত্বেও জল ও বিদ্যুৎ উদ্যোগের জন্য বরাদ্দ হ্রাস করেছে

ভারত সরকার প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়া সত্ত্বেও জল ও বিদ্যুৎ উদ্যোগের জন্য বরাদ্দ হ্রাস করেছে

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কথা ছিল ২০২২ সালের মধ্যে সব ঘরে পানীয় জলের সংযোগ হয়ে যাবে। সকলের মাথার উপর হবে ছাদ। সকলের জন্য হবে বিদ্যুৎ। কোনও প্রতিশ্রুতিই পূরণ হয়নি। উলটে ২০২৬ সালের বাজেটে দেখা গেল জল জীবন মিশনের বরাদ্দ কমানো হয়েছে। আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের বাজেট বরাদ্দও কমে গিয়েছে। এবার বিদ্যুৎ নিয়েও নতুন সিদ্ধান্ত হচ্ছে। বাজেট বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছিলেন যে, পাওয়ার ফিনান্স কর্পোরেশন এবং রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন কর্পোরেশন নিয়ে বড়োসড়ো কোনো সিদ্ধান্ত হবে। রিভিউ করা হবে এই দু‌ই সংস্থাকেই। দুদিনের মধ্যেই সরকারি সূত্রের খবর গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগমকে আর পৃথকভাবে রাখা‌ই হবে না। এই সংস্থার অস্তিত্ব মিশিয়ে দেওয়া হবে পাওয়ার ফিনান্স কর্পোরেশনের সঙ্গে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার ফিনান্স কর্পোরেশন ২০২০ সাল থেকেই ধীরে ধীরে গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগমের কিছু কিছু অংশিদারিত্ব গ্রহণ করতে শুরু করে। পাওয়ার ফিনান্সের ৫৬ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে ভারত সরকারের কাছে। আবার এই কর্পোরেশনের হাতেই চলে এসেছে গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগমের ৫২ শতাংশ শেয়ার। প্রশ্ন উঠছে, কেন এমন সংযুক্তির পরিকল্পনা? এই দুটি সংস্থাই সরকারের নবরত্ন প্রতিষ্ঠান। দুটির কাজ আলাদা। তাহলে আগামী দিনে গ্রামে বিদ্যুতের যে প্রকল্পগুলি এই সংস্থা দেখভাল করে এবং এদের অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি কী হবে? সরকারি সূত্রের খবর, এই দুই সংস্থাই শুধু নয়, এপ্রিল মাস থেকে আরও বেশি সরকারি সংস্থার বেসরকারিকরণ হতে চলেছে। বিভিন্ন সেক্টরের জন্য যেসব ক্ষেত্রে একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলির পৃথক সত্তা আর রাখা হবে না। যথাসম্ভব সংযুক্তিকরণ ও বেসরকারিকরণ হবে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থাগুলির সিংহভাগের মাথায় ডিরেক্টর পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। তাহলে কি সরকারি সংস্থার সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হবে বলেই ধীরে ধীরে নতুন নিয়োগও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? পাওয়ার কর্পোরেশন ও রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন কর্পোরেশনের সংযুক্তিকরণ নিয়ে ক্যাবিনেট নোট তৈরি হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হবে। শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। নতুন আর্থিক বছরেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তার আগে রিভিউ কমিটি নিয়োগ করা হচ্ছে।
49 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:00 AM
রেস্তোরাঁর কর্মচারী অর্ডার করা খাবারের পরিবর্তে গরুর মাংস পরিবেশন করছেনঃ ইনফ্লুয়েন্সার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দেয়

রেস্তোরাঁর কর্মচারী অর্ডার করা খাবারের পরিবর্তে গরুর মাংস পরিবেশন করছেনঃ ইনফ্লুয়েন্সার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দেয়

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অর্ডার মাফিক খাবারের পরিবর্তে গো-মাংস পরিবেশন করেছিলেন পার্ক স্ট্রিটের এক নামী রেস্তরাঁর কর্মী। গ্রাহকের কাছে তা নিয়েও ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’ বলে স্বীকারও করে নেন সেই কর্মী। কিন্ত, তাতেও ক্ষান্ত হননি নেটদুনিয়ায় ‘ইনফ্লুয়েন্সার’। সেই ‘লঘু দোষে গুরু শাস্তি’ মাথায় নিয়ে চারদিন শ্রীঘরে থাকতে হল রেস্তরাঁ কর্মীকে। মঙ্গলবার জেল হেফাজত শেষে অভিযুক্তকে ফের ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক অভিযুক্ত রেস্তরাঁ কর্মীকে একহাজার টাকার বন্ডে জামিনের আর্জি মঞ্জুর করেছেন। ৩০ জানুয়ারি পার্ক স্ট্রিটের একটি নামী রেস্তরাঁয় খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। অর্ডার মাফিক খাবার পরিবেশন করতে ভুল হয় রেস্তরাঁ কর্মীর। গোমাংস পরিবেশন করায় ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় গোটা ঘটনাটির ভিডিও করে পোস্ট করেন। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার নেশায় এখানেই ঘটনা শেষ করেননি তিনি। ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’-এর স্বীকারোক্তিকে পাত্তা না দিয়ে রেস্তরাঁ কর্মীর ধর্ম খুঁজে বিষয়টিকে ‘ইচ্ছাকৃত’ বলে নেটদুনিয়ায় প্রমাণের চেষ্টা করেন সায়ক। এমনটাই দাবি, নেটিজেনদের একাংশের। সেই ঘটনার পর পার্ক স্ট্রিট থানায় রেস্তরাঁ কর্মীর নামে লিখিত অভিযোগ করেন ইনফ্লুয়েন্সার। তার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার হন তিনি। রেস্তরাঁ কর্মী গ্রেপ্তার হওয়ার পরই প্রতিবাদে গর্জে ওঠে নেট দুনিয়ারই একাংশ। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ তুলে পার্ক স্ট্রিট থানায় সায়ক চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ৪টি অভিযোগ জমা পড়ে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু করেছে পুলিশ। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এই ঘটনাটি নিয়ে সরব রাজনৈতিক মহলও। এপ্রসঙ্গে, তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘একটা ডেপো ছেলে। বড় বড় কথা বলে প্রচার জোগাড়ের চেষ্টা করছে। যে রেস্তরাঁ আগে থেকেই গো-মাংস পরিবেশন করে বলে পরিচিত রয়েছে, সেখানে ওই ছেলেটি কেন খেতে গিয়েছে? সব জেনে ওই রেস্তরাঁতেই খেতে যাওয়ার পিছনে কোনও কারণ রয়েছে। এ থেকে প্রশ্ন উঠছে, ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করতে বিজেপির কোনও নেতার কথায় কি চলছিলেন ওই ইনফ্লুয়েন্সার?’
89 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:53 AM
কলকাতা ও আশেপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প

কলকাতা ও আশেপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভূমিকম্পে কাঁপল কলকাতা সহ সংলগ্ন এলাকা। দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি সহ রাজ্যের বিভিন্ন অংশে কম্পন অনুভূত হয়েছে। জানা গিয়েছে, মায়ানমারের ইয়াঙ্গন শহরের ৯৫ কিমি পশ্চিমে ভূমিকম্পের উৎসস্থল। মঙ্গলবার রাত ৯টা বেজে ৪মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৭ কিমি গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল। মায়ানমার থেকে বাংলাদেশ হয়ে এর প্রভাব পড়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণবঙ্গে। ৯টা ২২ মিনিটে ফের কম্পন অনুভূত হয়। আপটার শকের মাত্রা ছিল ৫.৩।
28 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:53 AM
বর্ধিত উপস্থিতি ও বিক্রয় সহ কলকাতা বইমেলা শেষ হয়েছে

বর্ধিত উপস্থিতি ও বিক্রয় সহ কলকাতা বইমেলা শেষ হয়েছে

সোহম কর ও অলকাভ নিয়োগী, কলকাতা: কলকাতা বইমেলা ৪৯ রানে ব্যাট করছে। হাফ সেঞ্চুরি করতে আবার মাঠে নামবে আগামী বছর। মঙ্গলবার মেলার শেষ দিন। গিল্ড হাউজের সামনে সমাপ্তি অনুষ্ঠানের মঞ্চ। সেখানে দুপুর থেকে ভিড়। আর দিনভর রোদ পিঠে মেখে ভিড় পায়ে হেঁটে ঘুরল এ স্টল থেকে ও স্টল। শেষ মুহূর্তের লাগামছেঁড়া কেনাকাটায় ব্যস্ত রইল অধিকাংশ পাঠক। রাত ন’টায় সমাপ্তি অনুষ্ঠান। বিকেল থেকে চলল তার অপেক্ষা। অপেক্ষার অবসান। সমাপ্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজের পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। মঞ্চে বসে বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী। গিল্ডের সভাপতি সুধাংশুশেখর দে ও সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় বললেন, ‘গতবছরের তুলনায় ভিড় ও বই বিক্রি ১৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। গতবার এসেছিলেন ২৭ লক্ষ। এবার ৩২ লক্ষ মানুষ মেলায় এসেছেন। গতবছর ২৩ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবছর সে সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৬ কোটি।’ অন্যদিকে মঙ্গলবার দিনভর যে ভিড় স্টলে স্টলে দৌড়চ্ছিল, সে ভিড় ভূত-পেত্নির বই দেখলেই থমকে দাঁড়িয়েছে। এবছর নাকি অপদেবতাদের বই-ই ট্রেন্ড লিস্টের প্রথমে। মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া, চীনের স্টল খোলেনি। তা জন্য একাংশ হতাশ। প্রায় সব স্টলে পাঠকদের অনুরোধ, ‘শেষ দিনে একটু কম দেবেন না?’ কোনও প্রকাশক গম্ভীর হয়ে বলেছেন, ‘না’। কেউ ক্যাশিয়ারের দিকে তাকিয়ে বলেছেন, ‘একেবারে রাউন্ড ফিগার করে দে।’ কোনও প্রকাশক ‘আসুন আসুন’ বলে নিয়ে গিয়েছেন নিজের স্টলে। কেউ কেউ বলেছেন, ‘বিক্রি ভালোই হয়েছে।’ জনাকয়েক গলায় আক্ষেপ নিয়ে বললেন, ‘তন্ত্র, ভূত আর কমিক্স, এগুলিই হিট। সিরিয়াস বিষয়ের পাঠক কই?’ চায়ের কাপে তুফান তোলা এসব আলোচনা একটানা চলল লিটল ম্যাগাজিন প্যাভিলিয়নের আশপাশে। মেলার বাইরেও চলল তর্ক। সাসপেন্স রইল ৫০ বছরের বইমেলা কেমন হবে তা ঘিরে। নিশ্চয়ই অন্যরকম কিছু হবে। এই অন্যরকম যে কীরকম হতে চলেছে তা এখনই জানার কথা নয় কারও। ‘বইতীর্থ’ হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আগেই ঘোষণা করেছিলেন। তা নিয়েই আগ্রহ সবার। তবে সব কিছুর মধ্যেই শেষ দিনের বিষন্নতা এল ফিরে ফিরে। বইয়ের স্টলের ফাঁকা হতে থাকা তাক, প্রকাশকদের শেষ মুহূর্তের হিসেবনিকেশ, টুকরো টুকরো মনখারাপের ছবির মধ্যে ইতি ঘোষণা হল এবছরের বইমেলার। বাজল শেষের ঘণ্টা। যে যেখানে ছিলেন সেখানে দাঁড়িয়ে পড়লেন। করতালিতে ভরালেন মেলামাঠ। তারপর বাঙালির চেনা শব্দ, ‘আসছে বছর আবার হবে।’ সে যে বইমেলার সুবর্ণ জয়ন্তী!
29 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:52 AM
গোপনীয়তা নীতি নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের তীব্র সমালোচনা ভারতের প্রধান বিচারপতির

গোপনীয়তা নীতি নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের তীব্র সমালোচনা ভারতের প্রধান বিচারপতির

নয়াদিল্লি: ‘কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনারা ছেলেখেলা করতে পারেন না। আমাদের এক বিন্দু তথ্যও ফাঁস করতে দেব না। দেশের আইন-সংবিধান না মানতে পারলে, ভারত ছেড়ে চলে যান।’ গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতি নিয়ে মঙ্গলবার হোয়াটসঅ্যাপের বিরুদ্ধে এই ভাষাতেই তোপ দাগলেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। মার্কিন এই মেসেজিং অ্যাপের নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেটা। তাদেরই মঙ্গলবার কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শুনানিতে মার্কিন এই সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাকে তিরস্কার করে দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের সাফ বক্তব্য—ভারতীয়দের উপর কোনও ধরনের শোষণ বরদাস্ত করা হবে না। ২০২১ সালে নতুন ‘প্রাইভেসি পলিসি’ কার্যকর করে হোয়াটসঅ্যাপ। নতুন সেই নীতিতে জানানো হয়, ‘এই অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে মেটার অন্যান্য প্ল্যাটফর্মেও তথ্য শেয়ারে সম্মতি দিতে হবে। নাহলে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না।’ তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে আপত্তি উঠতে শুরু করে। অভিযোগ ওঠে, ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশনে’র কথা বলা হলেও হোয়াটসঅ্যাপ থেকে দেদার তথ্য এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যবহারকারীর গোপন তথ্য আদান-প্রদান করা হচ্ছে ব্যবসায়িক স্বার্থে। আর তা শত্রু দেশের হাতেও চলে যাচ্ছে। এর জেরে সংকটে পড়তে পারে জাতীয় সুরক্ষা। বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে কম্পিটিশন কমিশন অব ইন্ডিয়া (সিসিআই)। ২০২৪ সালের নভেম্বরে শেষ হয় তদন্ত। সিসিআই সাফ জানায়, নিজেদের একচেটিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ওই সুরক্ষাবিধি মেনে নিতে বাধ্য করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। এর জেরে ২১৩ কোটি টাকার জরিমানা করা হয় মেটাকে। হোয়াটসঅ্যাপের নয়া ‘প্রাইভেসি পলিসি’র উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করে সিসিআই। গত নভেম্বরে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (এনসিএলটি)। কিন্তু জরিমানা বহাল রাখা হয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মেটা। এদিন সেই মামলার শুনানিতে মেটা ও হোয়াটসঅ্যাপকে একযোগে ভর্ৎসনা করেছে শীর্ষ আদালত। হোয়াটসঅ্যাপের আইনজীবী অবশ্য সওয়ালে জানান, সমস্ত নিয়ম মেনেই গোপনীয়তার নীতি তৈরি করা হয়েছে। তখনই কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলে ওঠেন, সাধারণভাবে বোঝা না গেলেও বাণিজ্যিক স্বার্থে সাধারণ মানুষের তথ্য আদানপ্রদান করা হচ্ছে। সেকথা শোনার পর প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ‘বিষয়টিকে কোনোভাবেই মান্যতা দেওয়া যায় না। যদি আপনারা আমাদের সংবিধান মানতে না পারেন, তাহলে ভারত ছেড়ে চলে যান। জনসাধারণের গোপনীয়তা নিয়ে আপস করা যাবে না।’ শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে— ‘হোয়াটসঅ্যাপের গোপনীয়তা নীতির অনেক বিষয় স্পষ্ট নয়। অনেক সময় আমরাই বুঝতে পারি না। তাহলে গ্রামাঞ্চলের গরিব, অশিক্ষিত সাধারণ মানুষ, বিহারের প্রত্যন্ত এলাকার কোনো বাসিন্দা কীভাবে সবটা বুঝবেন? এই সুযোগেই ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়ে যাচ্ছে। এটা কোনোভাবেই হতে দেওয়া যায় না। এমনকি এই প্রসঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন দেশের প্রধান বিচারপতি। বলেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপে ডাক্তার কোনো ওষুধ প্রেসক্রাইব করলে... সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞাপন আসা শুরু হয়ে যায়!’
47 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:51 AM
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ভারতে গবেষণা ও শিক্ষা কেন্দ্রের সূচনা করেছে

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ভারতে গবেষণা ও শিক্ষা কেন্দ্রের সূচনা করেছে

নিজস্ব প্রতিনিধি, লন্ডন: ভারতে নতুন গবেষণা ও শিক্ষাকেন্দ্র চালু করল কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। নাম কেমব্রিজ-ইন্ডিয়া সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ (সিএএস)। গবেষণা, প্রযুক্তি থেকে শুরু করে ক্রিকেট। বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার সুযোগ পাবে ভারতীয় পড়ুয়ারা। চলতি সপ্তাহে ভারত সফরে এসেছে কেমব্রিজের প্রতিনিধি দল। টিমের অন্যতম সদস্য ব্রিটেনের এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য প্রফেসর ডেবোরা প্রেন্টিস। কেমব্রিজের নতুন উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ও ভারতের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এই অত্যাধুনিক সেন্টারের মাধ্যমে ভারতের শ্রেষ্ঠ গবেষকদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ মিলবে। আমাদের ক্রিকেটাররা ভারতে এসে খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন।’ প্রসঙ্গত, মার্চ মাসে ভারতে অনুশীলনের জন্য আসছে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরুষ ক্রিকেট দল। ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার লিন্ডি ক্যামেরন বলেন, ‘কেমব্রিজ ভারতের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভারতের মাটিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি।’ দিল্লি, মুম্বই ও বেঙ্গালুরু সফরকারী এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন কেমব্রিজের শিক্ষা ও পরিবেশ সংক্রান্ত সহ উপাচার্য প্রফেসর ভাস্কর ভিরা। তাঁর কথায়, ‘ভারত-কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় অংশিদারিত্বের এই নয়া অধ‌্যায়ের জন্য মুখিয়ে রয়েছি। সিএএস নিয়ে আমার সহকর্মীদের পাশাপাশি ভারতীয় অংশীদারদের উৎসাহ দেখে খুব ভালো লাগছে।’
5 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 11:24 PM
মেলবোর্নে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি ভাঙচুরের নিন্দা ভারতের

মেলবোর্নে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি ভাঙচুরের নিন্দা ভারতের

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি ভাঙচুর এবং অবমাননার তীব্র নিন্দা করল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। অস্ট্রেলিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি পোস্ট করেন। লেখেন, “মেলবোর্নে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি ভাঙার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে ভারত। আমরা বিষয়টি অস্ট্রেলীয় প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি। দ্রুত পদক্ষেপ করে মূর্তি উদ্ধার ও দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থার আর্জিও জানানো হয়েছে।” জানা গিয়েছে, মেলবোর্নের রোভিলে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান ইন্ডিয়ান কমিউনিটি সেন্টারের সামনে মহাত্মা গান্ধীর একটি ব্রোঞ্জের মূর্তি ছিল। গত ১২ জানুয়ারি অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা ওই গান্ধীমূর্তিটি চুরি করে নিয়ে যায়। অভিযোগ, চুরি করার সময় মূর্তিটির পায়ের উপরের অংশ থেকে কেটে নেওয়া হয়। শুধু পড়ে রয়েছে ব্রোঞ্জের মূর্তিটির পা। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১২ নভেম্বর তৎকালীন অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন মূর্তিটি উন্মোচন করেছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়াতেই মহাত্মা গান্ধীর ব্রোঞ্জের মূর্তি ভাঙা পড়েছিল মেলবোর্নে। ঘটনার পর পালটা গুজরাতে নাথুরাম গডসের একটি মূর্তিও ভাঙা হয়।
47 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 04:05 PM
পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগে আজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিদর্শককে মারধর

পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগে আজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিদর্শককে মারধর

পর্ষদের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলে মোবাইল ব্যবহার করছেন এক শিক্ষাকর্মী। বিষয়টি সামনে আসতেই মোবাইল বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেখানে হাজির ছিলেন অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক (SI)। অভিযোগ, এর পরেই SI-কে মারধর করা হয়। অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষক পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন SI-এর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের আঝাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের। গুরুতর আহত অবস্থায় স্কুল থেকে পরিদর্শককে উদ্ধার করে জামালপুর থানার পুলিশ। আহত সরকারি অফিসার বর্তমানে চিকিৎসাধীন।আহত জামালপুর পূর্ব চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রশান্ত কবিরাজের অভিযোগ, পর্ষদের নিয়ম না মেনে পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলে মোবাইল ব্যবহার করা হচ্ছিল। মোবাইল বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করতেই প্রধান শিক্ষকের সামনেই তার উপর চড়াও হন স্কুলেরই বেশ কয়েকজন শিক্ষক। তাঁকে ঘিরে ধরে চলে কিল, চড়, ঘুষি। জোর করে তাঁকে স্কুলে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার আকস্মিকতা কাটিয়ে তিনি বিডিওকে ফোন করেন। পরে স্কুল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে জামালপুর থানার পুলিশ।যদিও আঝাপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অসীমকুমার বিশ্বাস দাবি করেছেন, ‘আমার স্কুলের একজন গ্রুপ ডি ভুল করে মোবাইল ফোন নিয়ে এসেছিলেন। তিনি ফোনটা সুইচড অফ করে দেননি। আমি তা পাশের ঘরের টেবিলে রেখে দিয়েছিলাম। সুষ্ঠু ভাবে পরীক্ষা হচ্ছিল। ওই ফোনটা বেজে উঠেছিল পরিদর্শকদের সামনেই। তা কেউ ব্যবহার করছিল না। এই অভিযোগ সত্য নয়।’তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় মোবাইলটি অজুহাত। তিনি আমাদের স্কুলে সুষ্ঠু ভাবে পরীক্ষা হোক, তা চাননি। বাদানুবাদ হলেও তাঁকে মারধর করা হয়নি। বরং আমার স্কুলের একজন শিক্ষক সিদ্ধার্থ বন্দ্যোপাধ্যায় গুরুতর আহত হয়ে বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি।’ প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় লিখিত কোনও অভিযোগ এখনও পুলিশে দায়ের হয়নি। পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে।এই ঘটনায় জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (DI) দেবব্রত পাল বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি বোর্ডকে জানানো হয়েছে। বোর্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে, তাই চূড়ান্ত।’
59 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 03:54 PM
কলকাতা ও আশেপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প, বাংলাদেশের মতোই দূরে অনুভূত

কলকাতা ও আশেপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প, বাংলাদেশের মতোই দূরে অনুভূত

কলকাতায় ভূমিকম্প। শুধু কলকাতা নয় মঙ্গলবার রাত ৯টা বেজে ৪ মিনিট নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অংশে এবং বাংলাদেশের কয়েকটি এলাকায় মাঝারি থেকে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিশেষ করে বহুতল ভবনগুলিতে জোরালো ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে। কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত কম্পন অনুভব করেছেন বলে অনেকেই জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভূমিকম্পটির উৎসস্থল ছিল মিয়ানমারের মাগওয়ে রিজিয়ন (Magway Region)।‘ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার’ বা ‘EMSC’ এবং ‘Volcano Discovery’-এর তথ্য অনুসারে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.০। এপিকেন্টার ছিল ইয়েনাঙ্গিয়াং থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে। জায়গাটি কলকাতা থেকে প্রায় ৬২৪ কিলোমিটার দূরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫৭ কিলোমিটার গভীরে ছিল এই কম্পনের উৎস। মাঝারি গভীরতার কারণে এই কম্পন অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন ভূবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞরা।কলকাতায় বহু মানুষ কম্পন অনুভব করেছেন বলে জানিয়েছেন। অনেকে জানিয়েছেন,বিছানা কাঁপছে,দরজা-জানালা নড়ছে এবং হালকা থেকে মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়েছে। হাওড়া,পানিহাটি,দুই ২৪ পরগণা-সহ অন্যান্য এলাকাতেও কম্পন টের পেয়েছেন মানুষ। বাংলাদেশের ঢাকা,টাঙ্গাইল-সহ বিভিন্ন স্থানেও মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।এই মাত্রার ভূমিকম্পে সাধারণত আসবাবপত্র নড়াচড়া,জানালা ভাঙা ইত্যাদি ঘটে। তবে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকে। এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়াও যায়নি। তবে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলার বাসিন্দাদের মধ্যে সাময়িক ভাবে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল।
62 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 03:53 PM
কয়লা ব্যবসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আসানসোলে বনসল পরিবারের বাড়িতে ইডি-র তল্লাশি

কয়লা ব্যবসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আসানসোলে বনসল পরিবারের বাড়িতে ইডি-র তল্লাশি

সুশান্ত বণিকপরিবারের প্রথমে ছিল সাবানের ব্যবসা। এর পরে তাঁরা হার্ডওয়্যার ও আসবাবের ব্যবসা শুরু করে। পারিবারিক ‘ইমেজ’-ও ‘সফেদ’। তাতেই কি না ‘দাগ’ পড়ল! আসানসোলের জামুড়িয়ায় বনসল পরিবার সমৃদ্ধশালী হিসেবেই পরিচিত। মঙ্গলবার সেই বনসলদের বাড়িতেই ED হানা। প্রথমে খবরটা চাউর হতেই হকচকিয়ে গিয়েছিলেন অনেকেই। তার পরে ধীরে ধীরে শুরু হয় ফিসফাস। অভিযোগ, গত তিন চার বছর ধরেই সাবানের সঙ্গে সঙ্গে কয়লা ব্যবসাতেও হাত পাকাতে শুরু করেছিলেন বনসল পুত্র অমিত। সঙ্গে পেয়েছিলেন বাবা, জেঠু এবং জেঠতুতো ভাইকেও। আর সেই জন্যই ED-র নজরে এসেছে এই পরিবার। যে টুকু জানা গিয়েছে সবটাই যদিও অভিযোগ।মঙ্গলবার সকাল ৬টা নাগাদ ইডি–র ১৬ জন আধিকারিক তিনটি গাড়িতে পৌঁছয় পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের চার নম্বর ওয়ার্ডের জামুড়িয়া হাটতলা এলাকার সাবান ফ্যাক্টরির গলিতে। সেখানেই রয়েছে বনসলদের বাড়ি। ED সূত্রে খবর, বনসলের বাড়ি থেকে নগদ সমেত প্রায় দেড় কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেগুলি জামুড়িয়ার স্টেট ব্যাঙ্কে জমা করে ফের তল্লাশির কাজ শুরু করে ED। একইসঙ্গে রানিগঞ্জে বনসলের যে দোকান ও গুদাম রয়েছে, সেখানেও চলে অভিযান।যদিও বিষয়টি নিয়ে তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও অনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি।জামুড়িয়ার বনসল পরিবারের ব্যবসায়িক ভিত তৈরি হয়েছিল পূর্ব পুরুষের হাত ধরেই। যৌথ পরিবারের পূর্ববর্তী প্রজন্ম রাজেশ বনসল এবং রমেশ বনসল শুরু করেছিলেন সাবানের ব্যবসা। এর পরে তারা হার্ডওয়্যার ও আসবাবের ব্যবসা শুরু করে। অভিযোগ, বনসল পরিবারের অমিত হাত পাকান কয়লা ব্যবসায়। আর এই বাণিজ্য বিস্তারে তিনি পাশে পেয়েছিলেন গোটা পরিবারকে।ED সূত্রের খবর, কয়লা কারবারে যে টাকার লেনদেন হয়েছে, তার জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়েছে অমিতের জেঠু রমেশ বনসলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। যদিও তাঁরা নিজেদের কাছে কখনও ‘অবৈধ কয়লা’ মজুত রাখেননি বলে দাবি। ED-র একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, রানিগঞ্জ জামুড়িয়া-সহ আশপাশের এলাকায় যে ছোটো ইস্পাত কারখানা ও ইস্পাত কারখানায় ব্যবহৃত তাপ নিরোধক ইট তৈরির চুল্লি রয়েছে, সেখানে কয়লা সরবরাহ করতেন অমিত। এই কারখানাগুলিতে অবৈধ ভাবে কয়লা সরবরাহের একছত্র অধিপতি হয়ে উঠেছিলেন তিনি, অভিযোগ এমনটাই। শুধু তাই নয়, অমিত ছাড়া অন্য কারও কাছে কয়লা কিনতে পারতেন না মালিকরা, এই অভিযোগও রয়েছে।এই কয়লা কোথা থেকে জোগাড় করতেন অমিত? ED-র একটি সূত্রের দাবি, আসানসোল রানিগঞ্জ, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং বীরভূমের কয়লা মাফিয়াদের তৈরি করা সিন্ডিকেট থেকে কয়লা নেন অমিত। তাঁর ‘সিগনেচার স্টাইল’ ছিল নিজের হেফাজতে কয়লা মজুত না রাখা। যতটুকু সরবরাহ করা প্রয়োজন, সেই মতো কয়লা কিনতেন তিনি। সিন্ডিকেটের থেকে যে দামে তিনি কয়লা কিনতেন, তার থেকে বেশি দামে বিক্রি করতেন। ব্যবসার সহজ ফর্মুলা ব্যবহার করেই তিনি ‘সফল’ হয়ে উঠেছিলেন।ED সূত্রে খবর, অবৈধ কয়লার কেনা-বেচার জন্য যে টাকার লেনদেন হতো, সে জন্য ব্যবহার করা হতো রমেশ বনসলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। অতীতে এই পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই। অবৈধ কয়লার ব্যাবসায় আগে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে কুলটির ডুবুরডিহি চেকপোস্ট এলাকায় একটি কয়লা মাফিয়ার সিন্ডিকেটে অভিযান চালানোর সময়ে রমেশ বনসলের অ্যাকাউন্টে অবৈধ কয়লার লেনদেনের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।অভিযান চলার পরে বনসল পরিবারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও দেওয়া হয়নি।
83 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:52 PM
শ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে চার মাসের অচলাবস্থার পর দেওপাড়া চা বাগান পুনরায় খোলা হয়েছে

শ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে চার মাসের অচলাবস্থার পর দেওপাড়া চা বাগান পুনরায় খোলা হয়েছে

দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা অচলাবস্থার অবসান ঘটতে চলেছে। অবশেষে খুলছে বানারহাট ব্লকের দেবপাড়া চা বাগান। শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ ও লাগাতার আন্দোলনের চাপে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হলো মালিকপক্ষ।আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের বাগানে কাজ শুরু হবে, বাজবে সাইরেন। সোমবার জলপাইগুড়িতে ইন্ডিয়ান টি প্ল্যান্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ভবনে আয়োজিত ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।উল্লেখ্য, বোনাস ও বকেয়া মজুরি সংক্রান্ত দাবিকে কেন্দ্র করে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে দেবপাড়া চা বাগানে কাজ বন্ধ করে দেয় মালিকপক্ষ। এর জেরে প্রায় ১১৭২ জন শ্রমিক ও তাঁদের পরিবার ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়ে। মাসের পর মাস কাজ বন্ধ থাকায় শ্রমিক পরিবারগুলির দিন কেটেছে অনাহার-অর্ধাহারে। শিক্ষা, চিকিৎসা ও ন্যূনতম জীবনযাপনের মতো মৌলিক প্রয়োজন মেটানোও হয়ে উঠেছিল কঠিন।তবে সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও শ্রমিকরা মাথা নত করেননি। লালঝান্ডার পতাকাতলে সংগঠিত হয়ে তাঁরা আন্দোলন জারি রাখেন। সিআইটিইউ অনুমোদিত চা বাগান মজদুর ইউনিয়ন-সহ বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠনের নেতৃত্বে একের পর এক কর্মসূচির মাধ্যমে প্রশাসন ও মালিকপক্ষের উপর চাপ বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত শ্রমিকদের এই ঐক্যবদ্ধ লড়াইই জয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়।ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—৫ ফেব্রুয়ারি দেবপাড়া চা বাগান পুনরায় খুলবে। ৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফার বকেয়া মজুরি প্রদান করা হবে। পরবর্তী পর্যায়ে ধাপে ধাপে বাকি তিন দফার বকেয়া মজুরি মেটাতে হবে মালিকপক্ষকে। এছাড়া, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সমস্ত বকেয়া বোনাস পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।চা বাগান মজদুর ইউনিয়নের নেতা তিলক ছেত্রীর বক্তব্য, ‘‘এই জয় শ্রমিক ঐক্যের জয়। দীর্ঘ টালবাহানার পর মালিকপক্ষ আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে। তবে শুধু প্রতিশ্রুতিতে ভরসা করা হবে না। সমস্ত পাওনা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মেটানো হচ্ছে কি না, তার উপর কড়া নজরদারি চলবে।’’দীর্ঘদিন পর কাজ ফেরার খবরে দেবপাড়া চা বাগান এলাকায় স্বস্তি ও খুশির আবহ তৈরি হয়েছে। তবে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে শ্রমিকরা এখনও সতর্ক। বকেয়া মজুরি ও বোনাস পুরোপুরি হাতে না পাওয়া পর্যন্ত তাঁদের লড়াই যে নজরদারির মধ্যেই থাকবে, তা শ্রমিকদের চোখেমুখেই স্পষ্ট।
61 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:52 PM
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি মার্কিন কৃষি পণ্যের বাজার প্লাবিত করবে বলে ভারতীয় কৃষকদের আশঙ্কা

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি মার্কিন কৃষি পণ্যের বাজার প্লাবিত করবে বলে ভারতীয় কৃষকদের আশঙ্কা

কৃষি ক্ষেত্রে মার্কিন অর্থনীতির অবাধ প্রবেশের ফলে বিপন্ন হবে ভারতীয় কৃষকরা বাজার মার্কিন কৃষিপণ্যে ভরে যাবে। মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কে একথা জানিয়েছে সংযুক্ত কিসান মোর্চা। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে মোদী সরকার আত্মসমর্পণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কৃষকদের যৌথ মঞ্চ। গোটা দেশ জুড়ে গ্রাম সভা ও মোদী-ট্রাম্পের কুশপুতুল পুড়িয়ে বিক্ষোভে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশ জুড়ে ধর্মঘটে সামিল হওয়ার কথাও জানিয়েছে তারা।সংযুক্ত কিসান মোর্চার আশঙ্কা সয়াবিন, ভুট্টা, তুলা এবং দুগ্ধজাত পণ্যের উপর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়বে। কোটি কোটি কৃষকের জীবিকা বিপন্ন হবে। মোদী গত স্বাধীনতা দিবস লালা কেল্লা থেকে বলেছিলেন, "কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য তিনি যে কোনও মূল্য দিতে প্রস্তুত।" কিন্তু বর্তমানে তিনি মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের কাছে মাথা নত করছেন। ভারতীয় বাজারে মার্কিন কৃষিপণ্যের অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করার জন্য আমদানি কর শূন্য করে দেওয়া হয়েছে। কৃষকরা এই ঐতিহাসিক বিশ্বাসঘাতকতার জন্য মোদীকে কখনও ক্ষমা করবেন না। এই সিদ্ধান্তের ফলে কোটি কোটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকের পরিবারকে ধ্বংস করে দেবে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার গ্রামীণ অর্থনীতিকে রক্ষা করার সময়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলার জন্য আত্মসমর্পণ করছেন, এটি লজ্জাজনক।
26 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 03:51 PM
মায়ানমারে মৃদু ভূমিকম্প, ভারত ও বাংলাদেশ জুড়ে অনুভূত

মায়ানমারে মৃদু ভূমিকম্প, ভারত ও বাংলাদেশ জুড়ে অনুভূত

আজকাল ওয়েবডেস্ক:মঙ্গলবার ভারতীয় সময় রাত ৯টার কিছু পরে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা। ভূমিকম্পের উৎসস্থল মায়ানমার। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬। কম্পন অনুভূত হয়েছে কলকাতা-সহ ভারতের বেশ কিছু এলাকায় এবং পড়শি দেশ বাংলাদেশেও। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি এখনও। বেশ কয়েকজন সমাজ মাধ্যমে তাঁদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এবং অন্যদের কাছেও জানতে চেয়েছেন যে তাঁরাও কম্পন অনুভব করেছেন কি না। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি)-র তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি মায়ানমারের আকিয়াবের ৭০ মাইল পূর্বে আঘাত হানে। কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অংশ থেকে কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গিছে। ইএমএসসি-র তথ্য অনুযায়ী, গত ৭১ ঘণ্টায় এটি মিয়ানমারে অনুভূত হওয়া তৃতীয় ভূমিকম্প। প্রসঙ্গত, সোমবার রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভারতের জাতীয় ভূতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ বা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৭। কাশ্মীরে ভূমিকম্প হয়েছে সোমবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ। জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র গুলমার্গ থেকে উত্তর-পূর্বে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে পত্তন এলাকায় ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে কম্পনের কেন্দ্র ছিল। (বর্তমান যুগে খুব দ্রুত মানুষের কাছে খবর পৌঁছে যায়। কিন্তু এই দ্রুততার কারণে অনেক সময় সঠিক খবর পৌঁছনো যায় না। দ্রুত খবর পৌঁছতে গিয়ে অনেক সময় ভুল খবর বিভিন্ন গোষ্ঠী বা মানুষের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। আমরা চাই না দ্রুততার কারণে আপনার কাছে ভুল খবর পৌঁছক। তাই সময় নিয়ে সঠিক খবর পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। তাই নির্ভরযোগ্য খবরের মাধ্যম হিসেবে নজর রাখুন আজকাল ডট ইনে। এই খবরটি দ্রুত আপডেট করা হবে।)
31 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 03:49 PM
ট্র্যাপ ক্যামেরার অভাবে গোরুমারা ও চাপরামারিতে ব্যাঘ্র গণনা বিলম্বিত

ট্র্যাপ ক্যামেরার অভাবে গোরুমারা ও চাপরামারিতে ব্যাঘ্র গণনা বিলম্বিত

পূর্ণেন্দু সরকার, জলপাইগুড়ি:ট্র্যাপ ক্যামেরার অভাবে গরুমারা জাতীয় উদ্যান (Gorumara National Park) ও চাপড়ামারি অভয়ারণ্যে বাঘ শুমারি শুরুই করতে পারল না বন দপ্তর। সুন্দরবনে বাঘ শুমারি (Tiger Census) শেষ হলে সেখান থেকে ক্যামেরা আসার পর বাঘ শুমারি শুরু হবে। পাহাড়ি এলাকায় এখনও অত্যধিক ঠান্ডা থাকায় এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের প্রথমে নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যানে বাঘ শুমারি করবে বন দপ্তর (Forest Department)। নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যানের পাশাপাশি এবার সমতলের গরুমারা জাতীয় উদ্যান ও চাপড়ামারি অভয়ারণ্যেও বাঘ শুমারি যৌথভাবে করবে ন্যাশনাল টাইগার প্রোজেক্ট কনজারভেশন এবং ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া এবং রাজ্য বন দপ্তর। গরুমারা ও চাপড়ামারিতে চলতি মাসের ১৮ থেকে ২০ তারিখের মধ্যেই বাঘ শুমারি নির্ধারিত ছিল। তাছাড়া নেওড়াভ্যালিতে ফেব্রুয়ারি মাসে একটু ঠান্ডা কমলে বাঘ শুমারি শুরু করা হবে বলে প্রথমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ক্যামেরায় বাঘের ছবি, হেঁটে পলিগ্যান পদ্ধতি মেনে চোখে দেখা এবং গাছে বাঘের নখের আঁচড় ও বাঘের মলের নমুনা ও পায়ের ছাপ নিয়ে বাঘ শুমারি করা হবে। শুমারির জন্য বনকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল জানুয়ারির শুরুতেই। বাঘের বাসস্থান ও বাঘের খাদ্যশৃঙ্খলের পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করা হবে। নেওড়াভ্যালিতে ২০১৭ সাল থেকে ট্র্যাপ ক্যামেরায় একাধিকবার বাঘের ছবি উঠলেও এমনকি বাঘের মলের নমুনা পরীক্ষার জন্য ডব্লিউএলআইআই-র কাছে পাঠানো হলেও ২০২২ সালে দেশের বাঘশুমারি রিপোর্টে নেওড়ায় একটিও বাঘের উল্লেখ ছিল না। গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের ডিএফও দ্বিজপ্রতিম সেন বলেন, ‘নেওড়াভ্যালিতে এখন তাপমাত্রা মাইনাসের নীচে রয়েছে। তাছাড়া হিমালয়ান ব্ল্যাক ভালুকের উপদ্রব বিপজ্জনকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ঠান্ডার প্রকোপ কমলে নেওড়ার সাড়ে দশ হাজার ফুট উচ্চতায় ট্র্যাপ ক্যামেরা বসিয়ে এবং ট্রেকিং করে বাঘ শুমারি করা হবে। তবে নেওড়ায় এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের প্রথম দিকে শুমারি করা হবে।’ বাঘ শুমারির জন্য নেওড়ার গহন পাহাড়ি জঙ্গলে ঠান্ডা পড়ার আগেই ৮০টি ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সমতলের গরুমারা ও চাপড়ামারিতে ৬০টি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে। জলদাপাড়া থেকে আরও ৪৫টি ক্যামেরা আসার কথা থাকলেও তা আসেনি। তাই সুন্দরবন থেকে ৪৫টি ক্যামেরা আনা হচ্ছে। তাই সুন্দরবনের ক্যামেরা আসার পর গরুমারা ও চাপড়ামারিতে বাঘ শুমারি করা হবে বলে ডিএফও জানান। এদিকে, নেওড়ার জঙ্গলে ২০০ সমীক্ষক এবং গরুমারা ও চাপড়ামারিতে ২৫০ সমীক্ষককে বাঘ শুমারিতে যুক্ত করা হবে। যেদিন থেকে বাঘ শুমারি শুরু হবে সেদিন থেকে সক্রিয়ভাবে ট্র্যাপ ক্যামেরাগুলিকে আগামী ৪৫ দিন পর্যন্ত চালু রাখা হবে। ট্র্যাপ ক্যামেরায় ওঠা বাঘের ছবি ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার গবেষণাগারে বিশ্লেষণ করে বাঘের সংখ্যা বের করা হবে।
65 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 03:45 PM
কলকাতায় মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প, ভবন ধসে আতঙ্ক

কলকাতায় মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প, ভবন ধসে আতঙ্ক

মঙ্গলবার রাত প্রায় ৯টা ১০ নাগাদ আচমকা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা ও হাওড়া-সহ আশপাশের একাধিক এলাকা। প্রায় ১৫ সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পনে মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শহরজুড়ে। উত্তর কলকাতা থেকে দক্ষিণ কলকাতা, পাশাপাশি হাওড়ার বিস্তীর্ণ অংশে একই সঙ্গে কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। আচমকা দুলে ওঠে বাড়িঘর, অফিস, আবাসন ও বাজার এলাকা। কয়েক সেকেন্ডের এই কম্পনেই বহু মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং নিরাপত্তার কথা ভেবে ঘর-বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণ— সর্বত্রই কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। বহু অফিসে কাজ বন্ধ রেখে কর্মীরা নীচে নেমে আসেন। আবাসনে থাকা বয়স্ক মানুষ ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কোথাও কোথাও আসবাবপত্র নড়ে ওঠার কথাও জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। প্রাথমিক ভাবে কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। তবে কলকাতা পুরসভা ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। দমকল ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোথাও ভাঙন বা হতাহতের খবর নেই। তবুও নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভূমিকম্পের পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল ফোনে একে অপরের খোঁজ নিতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে কম্পনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন বহু মানুষ। অনেকেই জানান, আগে এমন কম্পন কলকাতায় খুব কমই অনুভূত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের বাইরে থাকলেও কলকাতা মাঝেমধ্যে দূরবর্তী কম্পনের প্রভাব অনুভব করে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে খোলা জায়গায় সরে যাওয়া এবং লিফট ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। কম্পনের জেরে জনজীবনে কিছুক্ষণের জন্য অস্থিরতা তৈরি হলেও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। প্রশাসনের তরফে কোনও জরুরি নির্দেশিকা জারি করা হলে তা দ্রুত জানানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
70 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:41 PM
12ই ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী ধর্মঘটে যোগ দেবে বাঁকুড়ার মুতিয়া শ্রমিকরা

12ই ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী ধর্মঘটে যোগ দেবে বাঁকুড়ার মুতিয়া শ্রমিকরা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সঙ্গে বাঁকুড়ার মুটিয়া শ্রমিকরাও ধর্মঘটের পথে নামবেন। মঙ্গলবার বাঁকুড়া শহরের হাজরা মিলে শ্রমিকরা সিআইটিইউ’র ঝান্ডা নিয়ে এক সভায় সেই অঙ্গীকারই নিলেন। দেশ ও রাজ্যের খেটে খাওয়া মানুষের একাধিক দাবিতে যখনই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয় সেই প্রতিটি ধর্মঘটে সামনের সারিতে থেকে বাঁকুড়া রেলওয়ে ও বাজারের মুটিয়া শ্রমিকরা অকুতোভয়ে লড়াই আন্দোলনে থাকেন। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সামগ্রি তাঁরা রেলের রেক থেকে নামান এবং লরিতে তোলেন। ধর্মঘটের দিনে যদি সেই রেক আসেন মুটিয়া শ্রমিকরা সেই কাজ করেন না। এমনিতেই বাঁকুড়ায় মুটিয়া শ্রমিকদের কাজ তলানীতে গিয়ে পৌঁছেছে। মাসে এক দুবার রেক আসছে। প্রায় ৫০০ শ্রমিক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু কাজের অভাবে চুড়ান্ত আর্থিক সংকটের মধ্যে তাঁদের দিন কাটছে। অসুস্থ হলেও কেউ দেখার নেই। যেখানে কাজ করেন সেই রেলের ওয়াগেন সেডে পর্যাপ্ত জল, আলো নেই। আছে রেল পুলিশের নানা অজুহাতে হায়রানি। কিন্তু বাঁকুড়ার মুটিয়া শ্রমিকদের আন্দোলনের ধারাবাহিকায় কোনদিন ছেদ পড়েনি। লড়াই এর মধ্যে দিয়েই তাঁরা নানা সময়ে তাঁদের দাবি আদায় করেছেন।এদিনও হাজরা মিলে বহু শ্রমিক জড়ো হন। তাঁরা তাঁদের নানা সংকটের কথা তুলে ধরেন। দেশ ব্যাপী সংকটে শ্রমিকরা যে জর্জরিত সেই কথাও উল্লেখিত হয়। তাই ১২তারিখের সাধারণ ধর্মঘটে তাঁরা সামিল হবেন বলে জানান। এদিন তাঁদের সভায় বক্তব্য রাখেন বাঁকুড়া জেলা মুটিয়া মজদুর ইউনিয়নের জেলা সম্পাদক তপন দাস, অশোক ব্যানার্জি। সভা পরিচালনা করেন সোহরাব মন্ডল।
42 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:39 PM
কলকাতা পুলিশ বোমা ও গুলিচালনার ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে; প্রধান অভিযুক্ত এখনও পলাতক

কলকাতা পুলিশ বোমা ও গুলিচালনার ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে; প্রধান অভিযুক্ত এখনও পলাতক

গোলপার্কের পঞ্চাননতলা এলাকায় বোমা ও গুলি চালানোর ঘটনায় আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় মোট ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করলেও মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা। মূল অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় কাউকে জনকেও ছাড়া হবে না বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার।মঙ্গলবার ভোররাতে তল্লাশি করে আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে এই ৪ জনের মধ্যে ২জন কসবা থানা এলাকা ১জন আনন্দপুর থানা এলাকা ও একজন লেক থানা এলাকার বাসিন্দা। বাবলু শ ওরফে চিনি, ইন্দ্রজিৎ মাঝি ওরফে ছোটবাবু, জয়ন্ত নস্কর ওরফে সোনু ও দেবাশিস মন্ডল ওরফে ভুটু এই চার জনকে গুলি চালানো, বোমাবাজি, ধারালো অস্ত্র হাতে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে তদন্তকারীরা। যদিও মূল অভিযুক্ত সোনাপাপ্পু এখনও অধরা। তোর খোঁজে তল্লাশি চলছে।রবিবার রাতে রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার গোলপার্কের পঞ্চাননতলার কাঁকুলিয়া রোড দুই গোষ্ঠীর বিবাদে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয় ব্যাবসায়ী বাপি হালদারের গোষ্ঠীর সাথে সোনা পাপ্পুর গোষ্ঠীর এলাকা দখল ঘিরে বিবাদ তৈরী হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ ১৫০থেকে ২০০ জন দুষ্কৃতী মুখে রুমাল বেঁধে এলাকায় চড়াও হয়। চলে বোমাবাজি, গুলিবর্ষণ, ভাঙ্গচুর। পুলিশের গাড়িতের কাচও ভেঙে দেয় দুষ্কৃতীরা। আহত হয় বেশ কিছু জন। এই ঘটনায় পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে আগেই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার সোমবার বলেন, "এই ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। ঘটনার পর থেকে তল্লাশি চলছে। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে কাউকে ছাড়া হবে না।"
4 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:33 PM
পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে টোটো দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী আহত

পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে টোটো দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী আহত

মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে টোটো দুর্ঘটনায় আহত হল দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। মঙ্গলবার সকালে চালসা–মেটেলি রাজ্য সড়কের চালসা রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহত পরীক্ষার্থীদের একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও অপরজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালেই তার পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।জানা গেছে, এদিন মেটেলি থেকে চালসা গয়ানাথ বিদ্যাপীঠের পরীক্ষা কেন্দ্রে টোটোতে করে যাচ্ছিল দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী অনন্যা তালুকদার ও মৃত্তিকা মজুমদার। তাঁদের সঙ্গে টোটোতেই ছিলেন কয়েকজন অভিভাবক। চালসা রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছনোর পর হঠাৎই টোটোটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় টোটোয় থাকা সকলেই আহত হন।স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে চালসার মঙ্গলবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছয় মেটেলি থানার পুলিশ ও মাধ্যমিক পরীক্ষার কর্তব্যরত আধিকারিকেরা। জানা যায়, আহত দুই পরীক্ষার্থীই মেটেলি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী।চিকিৎসকদের মতে, অনন্যা তালুকদারের আঘাত তুলনামূলক কম হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর সে চালসা গয়ানাথ বিদ্যাপীঠেই নির্ধারিত কেন্দ্রে পরীক্ষা দেয়। অন্যদিকে মৃত্তিকা মজুমদারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালেই তার পরীক্ষায় বসার ব্যবস্থা করা হয়।মেটেলির অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক বিজয় চন্দ্র রায় জানান, আহত পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা যাতে ব্যাহত না হয়, তার জন্য হাসপাতালেই যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়ায়। পরীক্ষার মরসুমে রাস্তাঘাটে যানবাহনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি উঠেছে।
40 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:31 PM
কেন্দ্রীয় বাজেট উদ্বেগের সমাধান করতে ব্যর্থ হওয়ায় উত্তরবঙ্গের চা শিল্প অচল হয়ে পড়েছে

কেন্দ্রীয় বাজেট উদ্বেগের সমাধান করতে ব্যর্থ হওয়ায় উত্তরবঙ্গের চা শিল্প অচল হয়ে পড়েছে

কৌশিক দামআরও একবার চরম বঞ্চনার মুখে পড়ল উত্তরবঙ্গের চা শিল্প। রবিবার লোকসভায় পেশ হওয়া কেন্দ্রীয় বাজেটে উত্তরবঙ্গের ‘জীবনরেখা’ হিসেবে পরিচিত চা শিল্পের জন্য কোনও সুনির্দিষ্ট ঘোষণা তো দূরের কথা, একটি শব্দও খরচ করা হয়নি। কাজু, নারকেল কিংবা পশুপালনের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রের জন্য বিশেষ প্যাকেজের ঘোষণা থাকলেও কয়েক লক্ষ মানুষের জীবিকা নির্বাহের সঙ্গে যুক্ত এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করায় তরাই-ডুয়ার্স জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার আবহ তৈরি হয়েছে।বাজেটে চা শিল্পের ভবিষ্যৎ ও চা শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত কোনও দিশা না থাকায় গোটা চা বলয় জুড়ে নেমে এসেছে অনিশ্চয়তা। চা বাগান মজদুর ইউনিয়ন-সহ একাধিক বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন কেন্দ্রের এই উদাসীনতার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে। চা বাগান মজদুর ইউনিয়ন নেতা তিলক ছেত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘‘এই বাজেট আবারও প্রমাণ করল বিজেপি সরকার চা শ্রমিকদের উন্নয়ন নিয়ে আদৌ চিন্তিত নয়। উন্নয়নের বড় বড় কথা শোনা গেলেও বাস্তবে চা বাগানের শ্রমিকরা বারবার ব্রাত্যই থেকে যাচ্ছেন। গোটা অঞ্চলের অর্থনীতি চা শিল্পের ওপর দাঁড়িয়ে থাকলেও শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের কোনও রূপরেখা এই বাজেটে নেই।’’পরিসংখ্যান বলছে, দেশের মোট চা উৎপাদনের প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ আসে উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলি থেকে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলার কয়েক লক্ষ পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। কোভিড-পরবর্তী সময়ে বহু চা বাগান রুগ্ন অবস্থায় থাকলেও সেগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার কোনও পরিকল্পনা বা আর্থিক সহায়তার কথা এবারের বাজেটে উল্লেখ করা হয়নি। এমনকি বিশ্বখ্যাত ‘দার্জিলিং টি’র মানোন্নয়ন, ব্র্যান্ডিং বা বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও কেন্দ্র কোনও বিশেষ বরাদ্দ ঘোষণা করেনি।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে চা বলয়ে বিজেপি নেতৃত্ব যে দীর্ঘ প্রতিশ্রুতির তালিকা তুলে ধরেছিল, এবারের বাজেট তার সম্পূর্ণ বিপরীত ছবি তুলে ধরেছে। দীর্ঘদিন ধরেই চা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, সামাজিক সুরক্ষা ও বন্ধ বাগান খোলার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনগুলি। কিন্তু বাজেটে সেই দাবিগুলিকে কার্যত উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ।চা বাগানের শ্রমিক অজয় মহালি বলেন,‘‘চাতক পাখির মতো আমরা বাজেটের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। ভেবেছিলাম এবার হয়তো আমাদের জন্য কিছু হবে। কিন্তু হতাশা ছাড়া কিছুই জুটল না। এখন আলাদা কোনও বিশেষ প্যাকেজের দাবিতে আন্দোলন ছাড়া আর পথ নেই।’’উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি মূলত চা, কাঠ ও পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। পরিবেশগত কারণে কাঠ শিল্প ক্রমশ সংকুচিত হওয়ায় চা শিল্পই ছিল এই অঞ্চলের প্রধান ভরসা। সেই ভরসার জায়গায় বারবার আঘাত আসায় শ্রমিক সংগঠনগুলি এবার আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে আগামী দিনে আন্দোলন আরও তীব্র হবে বলে জানিয়েছে চা বাগান মজদুর ইউনিয়ন-সহ বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনগুলি।
43 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 03:26 PM
পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনে 1240 জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত

পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনে 1240 জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত

প্রথম দিনের মাধ্যমিক পরীক্ষায় পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান মিলিয়ে মোট ১২৪০ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। মাধ্যমিকের প্রথম পরীক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির এরূপ হার দেখে অবাক মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। প্রথম দিনে পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৮৫ জন অনুপস্থিত ছিল। তার মধ্যে ১২৫ জন ছাত্র ও ৬৬০ ছাত্রী। আবার পশ্চিম বর্ধমানে পরীক্ষা দিতে আসেনি ৪৫৫ জন পরীক্ষার্থী। তার মধ্যে ১১৩ জন ছাত্র ও ৩৪২ জন ছাত্রী। এর আগে মাধ্যমিক পরীক্ষায় এই বিপুল সংখ্যায় অনুপস্থিতি দেখা যায়নি বলে জানান শিক্ষা মহল। মাধ্যমিকের প্রথম দিনে ছাত্রছাত্রীদের এই অনুপস্থিত থাকার প্রসঙ্গে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পূর্ব বর্ধমান জেলার আহ্বায়ক অমিতকুমার ঘোষ বলেন, ‘এ দিন পরীক্ষায় কোনও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কোনও পরীক্ষা কেন্দ্রে কেউ মোবাইল বা অন্য কোনও বৈদ্যুতিন জিনিস নিয়ে যায়নি। এমন সাধারণত হয় না। কেন হল সেটা আমরাও দেখছি।’
48 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 03:21 PM
দিশা পাটানির বোনের রহস্যময় বয়সঃ অকাল জন্মের একটি কৌতূহলী ঘটনা?

দিশা পাটানির বোনের রহস্যময় বয়সঃ অকাল জন্মের একটি কৌতূহলী ঘটনা?

আবারও শিরোনামে দিশা পাটানি। তবে এবার কোনও ছবি, ফিটনেস বা গ্ল্যামার লুকের জন্য নয়। কিংবা তাঁর চর্চিত প্রেমিকের জন্যেও নয়। আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে অভিনেত্রীর বোন খুশবু পাটানির সঙ্গে তাঁর বয়সের অদ্ভুত ফারাক। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের নজরে পড়তেই শুরু হয়ে যায় কৌতূহলী আলোচনা, সঙ্গে খানিকটা মজা আর বেশ কিছু প্রশ্নচিহ্ন। গুগলে পাওয়া জন্মতারিখ অনুযায়ী, দিশা পাটানি ও তাঁর বোন খুশবুর বয়সের ফারাক মাত্র ২০৩ দিন, অর্থাৎ মাত্র ছ’মাসের একটু বেশি!‘এক ভিলেন রিটার্নস’ ছবি খ্যাত অভিনেত্রী দিশা পাটানির জন্ম ১৩ জুন, ১৯৯২, আর খুশবু পাটানির জন্মতারিখ দেখানো হচ্ছে ২৩ নভেম্বর, ১৯৯১। দুই সহোদরার বয়সের এমন সামান্য ফারাক দেখেই নেটদুনিয়া একদিকে যেমন অবাক, তেমনই বিভ্রান্ত। কেউ প্রশ্ন তুলেছেন তথ্যের সত্যতা নিয়ে, কেউ আবার ভাবছেন, এর নেপথ্যে কি রয়েছে সময়ের আগেই সন্তান জন্মানোর গল্প?একজন নেটিজেন লিখেছেন,“আইরিশ টুইনস সম্ভব, কিন্তু সেখানে বয়সের ফারাক ১০ মাসের মধ্যে হয়। ২০৩ দিন তো অসম্ভব! নিশ্চয়ই এদের মধ্যে কারও জন্মের তারিখবদলানো হয়েছে।” আরেকজনের যুক্তি,“এত কম বয়সের ফারাক খুব অস্বাভাবিক, যদি না কেউ প্রিম্যাচিওর সন্তান হয়। আমার তুতো ভাই-বোনদের বয়সের ফারাক ১১ মাস, আর একজন একজন ১১ অগাস্ট, আরেকজন ৩০ জুনে জন্মেছিল।” আরও এক জন মন্তব্য করেন,“আইরিশ টুইনস হলেও অন্তত ৯ মাসের গ্যাপ থাকে। এটা তো প্রায় অসম্ভবই। দিশা কি সময়ের আগেই জন্মানো সন্তান ছিল? ” একজন দিশা-ভক্ত এক্স -এ লিখেছেন,“বয়স কম দেখানোর জন্য জন্মের তারিখ বদলান অনেকেই। গুগলে যেটা আমরা দেখি, সেটা আসল জন্মতারিখ তো নাও হতে পারে।” আরেকজন ব্যাখ্যা দিয়েছেন, “প্রিম্যাচিওর ডেলিভারি হতে পারে। ৭–৮ মাসে ডেলিভারি এখন তো খুবই কমন, তখনও হতো।” কেউ আবার পুরনো সময়ের কথা মনে করিয়ে লিখেছেন,“আগে তো নথিপত্রে এমন ভুল থাকতই।”আর কারও মতে,“নিশ্চয়ই তথ্যের কোথাও গণ্ডগোল আছে।” তবে কেউ কেউ পুরো বিষয়টাকে নিয়েছেন একেবারে হালকা মেজাজে। একজন লিখেছেন, “অন্য কোনও ব্রম্ভান্ডে-এ সব সম্ভব!”আরেকজনের রসিকতা, “উত্তরটা নামেই আছে, ‘পাটানি’!” এই নিয়ে যতই আলোচনা চলুক না কেন, এখনও পর্যন্ত দিশা পাটানি বা খুশবু পাটানির কেউই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। ফলে বয়সের এই রহস্য আপাতত নেটদুনিয়ার জল্পনাতেই রয়ে গেল।
47 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 02:52 PM
ভারত ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য অ-বৈদ্যুতিন নির্দেশিত শক্তি অস্ত্র ব্যবস্থা'কালি "তৈরি করেছে

ভারত ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য অ-বৈদ্যুতিন নির্দেশিত শক্তি অস্ত্র ব্যবস্থা'কালি "তৈরি করেছে

আজকাল ওয়েবডেস্ক:নিজের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাচ্ছে ভারত। দেশীয় প্রযুক্তি এবং আমদানি করা প্রযুক্তির সংমিশ্রণে সেই কাজ এগিয়ে চলেছে। রাশিয়ার এস-৪০০ এবং দেশে তৈরি আকাশ মিসাইল সিস্টেম ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে। সারা দেশে বায়ু প্রতিরক্ষা সুরক্ষা জোরদার করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্পে কাজ চলছে। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হল ‘কালি’ (KALI)। দীর্ঘদিন ধরে গোপন গবেষণার অংশ এই প্রকল্পটি ‘নির্দেশিত শক্তি প্রযুক্তি’র উপর কাজ করছে। ‘কিলো অ্যাম্পিয়ার লিনিয়ার ইনজেক্টর’ (Kilo Ampere Linear Injector)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ কালি। এটি একটি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ইলেকট্রন অ্যাক্সিলারেটর, যা প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীরা উচ্চ-শক্তির রশ্মি এবং উচ্চ-ক্ষমতার মাইক্রোওয়েভের সামরিক প্রয়োগ পরীক্ষা করে দেখার জন্য তৈরি করেছেন। ডিরেক্টেড এনার্জি ওয়েপনস (DEW)-কে ভবিষ্যতের যুদ্ধের একটি মূল উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যার মধ্যে লেজার এবং মাইক্রোওয়েভ-ভিত্তিক সিস্টেমও রয়েছে। এগুলি প্রচলিত অস্ত্রের মতো নয়, এই অস্ত্রগুলিকে শত্রু পক্ষের ইলেকট্রনিক সিস্টেমকে অকেজো করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ১৯৮৫ সালে ‘কালি’ তৈরি শুরু করে ভারত। প্রথমে এর কর্মক্ষমতা সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানানো হয়নি। শিল্পের প্রয়োজনে ভারত নতুন প্রযুক্তির লিনিয়ার ইনজেক্টর তৈরি করছে বলে জানানো হয়েছিল। ভারতের সশস্ত্র বাহিনীতে কালির অন্তর্ভুক্তি হওয়ার পর গোটা বিশ্বের টনক নড়ে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রতিপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্রকে আকাশেই ঝলসে দেওয়ার অস্ত্র তৈরি করে ফেলেছে ভারত। মার্ক্স জেনারেটরের মতো বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে ইলেকট্রন কণার শ্রোতকে উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভ পালসে রূপান্তরিত করা যায়। নানা সূত্র অনুযায়ী, এই সিস্টেমটির একাধিক সংস্করণ রয়েছে, যার মধ্যে কালি-৫০০০ এবং কালি-১০০০০ রয়েছে। প্রতিটি সংস্করণ অপরটির চেয়ে শক্তিশালী। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, এই ধরনের সিস্টেম আধুনিক যুদ্ধবিমানের ইলেকট্রনিক্স, যার মধ্যে রাডার সিস্টেম, অ্যাভিওনিক্স এবং ফ্লাইট-কন্ট্রোল কম্পিউটারকে অকেজো করে দিতে পারে। কিছু বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিয়েছেন যে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে উন্নত স্টিলথ যুদ্ধবিমানগুলি উচ্চ-ক্ষমতার মাইক্রোওয়েভ আক্রমণে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তবে, কার্যরত যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে কালি-কে পরীক্ষা করার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং এটি কোনও সামরিক মহড়া বা সংঘাতেও ব্যবহৃত হয়নি। অনেকের দাবি, চিনও একই প্রযুক্তির উপর কাজ করছে। অনেক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, কালি সিস্টেমটি কার্যক্ষমতা উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধ। জানা গিয়েছে, এর বড় সংস্করণগুলি ভারী, এক জায়গায় স্থির থাকে, প্রচুর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এবং এগুলিকে ঠান্ডা রাখতে খরচ অনেক। এগুলির পাল্লা সীমিত, দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত দ্রুতগতির লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে এটি কম উপযোগী। এছাড়াও, দু’টি পালসের মধ্যবর্তী রিচার্জের সময় অনেক বেশি। বিজ্ঞানীরা এই অস্ত্রটিকে আরও সচল এবং আরও কার্যকরী করা বিষয়ে কাজ করে চলেছেন।
72 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 02:20 PM
নাগরাকাটার ফাতু লাইন এলাকায় 40 বছর বয়সী এক মহিলাকে হত্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

নাগরাকাটার ফাতু লাইন এলাকায় 40 বছর বয়সী এক মহিলাকে হত্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

নাগরাকাটাবিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের(Nagrakata Murder Case)অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে নাগরাকাটার সুলকাপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ফাতু লাইন এলাকায় এই হাড়হিম করা ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত স্বামী সুরেশ ওরাওঁ-কে গ্রেপ্তার করেছে। মৃতার নাম সরস্বতী সরকার ওরাওঁ (৪০)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে দুই মহিলা প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে গ্রামের একটি নির্জন জায়গায় সরস্বতী দেবীর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নাগরাকাটা থানার পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। মৃতার মাথায় গভীর ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। জলপাইগুড়ির জেলা পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী জানিয়েছেন, এটি একটি নিশ্চিত হত্যাকাণ্ড। ইতিমধ্যেই খুনের মামলা রুজু করে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযুক্ত সুরেশ ওরাওঁ-এর সঙ্গে অন্য এক মহিলার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। গত প্রায় এক বছর ধরে এই বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত। সরস্বতী দেবী বারবার স্বামীকে ওই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার অনুরোধ করলেও সুরেশ কর্ণপাত করেনি। সরস্বতী দেবীর ভাই হরিপদ সরকার জানান, “জামাইবাবুর এই পরকীয়া নিয়ে দিদি খুব কষ্টে ছিল। ওদের দুটি প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান থাকা সত্ত্বেও কারো কথা শুনত না সুরেশ। আমরা এই জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।” পুলিশ ধৃত সুরেশকে বুধবার জলপাইগুড়ি আদালতে পেশ করবে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রহস্য উদঘাটন করতে এবং খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করতে পুলিশ ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে (রিমান্ড) নেওয়ার আবেদন জানাবে।
91 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 02:10 PM
রহস্যময় পরিবেশে মীরাটের একটি শিশু নালায় পড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে

রহস্যময় পরিবেশে মীরাটের একটি শিশু নালায় পড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে

একটি বড় নালায় একটি শিশু পড়ে গিয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছিলেন প্রশাসন ও পুলিশের কর্তারা। তিনটি আর্থ মুভার যন্ত্র এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে আট ঘণ্টা ধরে চলে রুদ্ধশ্বাস তল্লাশি। কিন্তু তার পরেও কোনও শিশুর হদিস মেলেনি। তবে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে দীর্ঘদিন ধরে নরককুণ্ড হয়ে থাকা নালাটি। আর এখানেই দানা বাঁধছে রহস্য। তা হলে কি নালা পরিষ্কারের জন্য ইচ্ছা করেই রটানো হয়েছিল শিশু পড়ে যাওরার গুজব?চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার, উত্তরপ্রদেশের মিরাটে, দিল্লি রোডের নবীন মান্ডির কাছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, টিপি নগর থানা এলাকার এই বিশাল নালাটি দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনায় বুজে ছিল। পচা গন্ধে এলাকায় টেকা দায় হয়ে পড়েছিল। বারবার পুরসভাকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। কিন্তু সোমবার এক মহিলা নালায় শিশু পড়ে গিয়েছে বলে দাবি করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে গিয়েছে ছবিটা।প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নালা পরিষ্কার করে তন্নতন্ন করে খোঁজা হয়। ঘটনাস্থলে হাজির হন এসপি (সিটি) আয়ুষ বিক্রম এবং নগর কমিশনার সৌরভ গাঙ্গওয়ারও। কাদায় নেমে পড়েন খোদ থানার বড়বাবু, অরুণ মিশ্র। আশেপাশের বস্তিগুলিতে মাইকিং করে জানতে চাওয়া হয়, কারও বাড়ির বাচ্চা নিখোঁজ কি না।তবে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও নালা থেকে কোনও প্রাণের হদিস মেলেনি। এমনকি কোনও পরিবারের পক্ষ থেকে শিশু নিখোঁজের অভিযোগে থানায় ডায়েরিও করেনি। এর পরেই সন্দেহ হয় পুলিশের। আদৌ নালায় কোনও শিশু পড়ে গিয়েছিল তো?এর পরে জানা যায়, গীতা নামে এক মহিলা মন্দিরে যাওয়ার পথে এক শিশুকে নালার ধারে বোতল কুড়োতে দেখেছিলেন। ফেরার পথে তাকে আর দেখতে না পেয়ে ওই মহিলা ধরেই নেন শিশুটি নালায় পড়ে গিয়েছে। সেই থেকেই এই হুলুস্থুল কাণ্ড। শেষ পর্যন্ত পুলিশ জানায় শিশু পড়ে যাওয়ার খবরটি একেবারেই ‘গুজব’।তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজ়েনদের একাংশ দাবি করছেন,এটি কোনও সাধারণ গুজব নয়। তাঁদের দাবি এটা ওই মহিলার নালাটি পরিষ্কার করানোর ‘মাস্টারপ্ল্যান’। তাঁদের মতে পুরসভাকে দিয়ে নালা পরিষ্কার করানোর অন্য কোনো উপায় না দেখে ওই মহিলা সম্ভবত ইচ্ছা করেই এই খবর রটিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্তক কোনও শিশু নিখোঁজ হওয়ার খবর না মেলায় এই সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে। যদিও পুলিশের মতে এটা নিছক ‘ভুল বোঝাবুঝি’। ঘটনা যাই হোক,এলাকাবাসীর বক্তব্য,অন্তত নালাটা তো পরিষ্কার হলো!
11 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 02:08 PM
ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান ন্যায্য শর্ত চায়

ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান ন্যায্য শর্ত চায়

আমেরিকার সঙ্গে উত্তেজনার আবহেই আলোচনার দরজা খুলে রাখল ইরান। তবে ন্যায্য, নিরপেক্ষ এবং হুমকিমুক্ত স্পষ্ট শর্তে এই সমঝোতা হতে হবে। মঙ্গলবার তেহরান থেকে এই বার্তা দেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তাঁর নির্দেশেই বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত এক মাস ধরে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন ফের তীব্র হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে যে বিক্ষোভ চলছে, তাতে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই অবস্থানে ক্ষুব্ধ তেহরান। একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে ধারাবাহিক চাপ এবং সামরিক হুমকির জেরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডলে ফার্সি ও ইংরেজি ভাষায় দেওয়া বার্তায় পেজেশকিয়ান জানান, ট্রাম্পের তরফে আলোচনার ইঙ্গিত এবং পশ্চিম এশিয়ার কয়েকটি বন্ধুরাষ্ট্রের অনুরোধ বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায়, ‘আলোচনা যদি ন্যায্য ও পক্ষপাতহীন হয়, তা হলে সেই পথে এগোনো যেতে পারে। তবে এমন পরিবেশ থাকতে হবে, যেখানে ইরানের উপর কোনও হুমকি থাকবে না এবং অযৌক্তিক শর্ত চাপানো হবে না।’ তিনি আরও বলেন, সমঝোতার ভিত্তি হতে হবে ‘পারস্পরিক মর্যাদা, বিচক্ষণতা ও নীতিনিষ্ঠতা’। ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, চাপের কাছে নতিস্বীকার করে কোনও আলোচনায় বসবে না তারা। তেহরানের বক্তব্য, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই তারা এই সতর্কতা অবলম্বন করেছে। বিশেষ করে পরমাণু চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পরে আমেরিকার উপর ইরানের আস্থা যে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা ফের একবার ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে জানিয়ে দিল প্রেসিডেন্টের দপ্তর। ঘটনাচক্রে, রবিবারই আয়াতোল্লা খামেনেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের উপর কোনও সামরিক হামলা হলে গোটা অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে। তার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন বক্তব্য প্রত্যাশিতই। তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, শেষ পর্যন্ত তেহরানের সঙ্গে সমঝোতার পথ খোলা রাখতে চান তিনি। যদিও চুক্তি না হলে আমেরিকা যে বিকল্প পথেও প্রস্তুত, সেই বার্তাও দেন ট্রাম্প। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক উত্তেজনার আবহে এই প্রথম এত স্পষ্টভাবে আলোচনার শর্ত ঘোষণা করল ইরান। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অশান্ত পরিস্থিতিতে এই বার্তা কতটা বরফ গলাতে পারে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।
52 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 02:06 PM
মার্কিন-ভারত বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণার পর ভারতের শেয়ার বাজারে রেকর্ড-ব্রেকিং র্যালি দেখা যাচ্ছে

মার্কিন-ভারত বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণার পর ভারতের শেয়ার বাজারে রেকর্ড-ব্রেকিং র্যালি দেখা যাচ্ছে

বাজেটের দিনে ভারতের স্টক মার্কেট যে ভাবে ধাক্কা খেয়েছে, সেই ছবি একেবারে উল্টে গেল ৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার। সোমবার রাতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য সমঝোতা হয়ে গিয়েছে। ভারতের উপর ট্যারিফ কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনা হচ্ছে বলে ঘোষণাও করে দিয়েছিলেন নিজের পোস্টে। বাণিজ্য সমঝোতার বিষয়টি ভারত সরকারের তরফেও মেনে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও। আর মঙ্গলবার থেকেই রকেট গতিতে বেড়েছে সেনসেক্স, নিফটি এবং ব্যাঙ্ক নিফটি।মঙ্গলবার সকালে ২৫০০ পয়েন্ট উঠে গিয়েছিল সেনসেক্স। তারপর দিনভর ২০০০ থেকে ২৫০০-এর মধ্যে উঠেই ঘোরাফেরা করেছে এই সূচক। শেষ পর্যন্ত দিনভর ট্রেডিংয়ের পরে BSE Sensex ২০৭২.৬৭ পয়েন্ট উঠে শেষ হয়েছে ৮৩,৭৩৯.১৩ পয়েন্টে। অন্যদিকে NSE Nifty 50 সূচক ৬৩৯.১৫ পয়েন্ট উঠে শেষ করেছে ২৫৭২৭.৫৫ পয়েন্টে। ২০২৫ সালের মে মাসের পরে এটাই নিফটি একদিনে রেকর্ড উত্থান। ব্যাঙ্ক নিফটি-তেও ব্যাপক উত্থান দেখা গিয়েছে। ১৪২২.৩০ পয়েন্ট উঠে এই সূচক শেষ করেছে ৬০,০৪১.৩০ পয়েন্টে। নির্দিষ্ট কোনও স্টক নয়, এ দিন একাধিক সেক্টর জুড়ে বহু স্টকেই ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছে।সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, আর্লি ট্রেডে বায়িং প্রেশার এত ছিল যে, বাজার খোলার ১৫ মিনিটের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের মূলধন বেড়ে গিয়েছে ১৩ লক্ষ কোটি টাকা। BSE-তে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির মোট মার্কেট ক্যাপিটালাইজ়েশন দাঁড়ায় ৪৬৮.৩২ কোটি টাকায়।শুধু বাণিজ্য সমঝোতার বিষয় নয়, টাকার দাম বৃদ্ধির কারণও স্টক মার্কেটে গতি পাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের পরে দৈনিক বৃদ্ধিতে রেকর্ড গড়েছে ভারতীয় মুদ্রা। ১.৩৬ শতাংশ বেড়ে, প্রতি ডলারে ভারতীয় মুদ্রার দাম হয়েছে ৯০.২৬৫০ টাকা। এলকেপি সিকিউরিটিজ়ের তরফে ভিপি রিসার্চ অ্যানালিস্ট যতীন ত্রিবেদী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাণিজ্য সমঝোতার বিষয়টি সামনে আসার পরেই টাকার দাম বেড়েছে।রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ় এবং একাধিক প্রথমসারির লার্জ ক্যাপ স্টকে প্রবল গতি দেখা গিয়েছে এ দিন। রপ্তানি করে এমন সংস্থার স্টকের দামেও বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। জিওজিট ইনভেস্টমেন্টের রিসার্চ হেড বিনোদ নায়ার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য সমঝোতার কথা সামনে আসা মাত্র এই দৌড় দেখা গিয়েছে। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই সমঝোতার দিকেই তাকিয়ে ছিলেন বিনিয়োগকারীরা। সেই বিষয়ে পজ়িটিভ খবর পাওয়া মাত্র স্বস্তি ফিরেছে দালাল স্ট্রিটে।একাধিক স্টকে বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। আদানি গ্রুপের একাধিক সংস্থার স্টকের দামে ব্যাপক বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। তার মধ্যে আদানি পোর্টস ৯ শতাংশেরও বেশি বেড়ে দৌড় শেষ করেছে আদানি গ্রিন এনার্জি বেড়েছে ১০ শতাংশের বেশি। বাজাজ ফিনান্স, পাওয়ার গ্রিড, জিও ফিনানশিয়াল-সহ একাধিক স্টকে বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে।(এই সময় অনলাইন কোথাও বিনিয়োগের জন্য পরামর্শ দেয় না। শেয়ার বাজার বা যে কোনও ক্ষেত্রে লগ্নি ও বিনিয়োগ ঝুঁকি সাপেক্ষ। তার আগে ঠিকমতো পড়াশোনা এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ বাঞ্ছনীয়। এই খবরটি শিক্ষা সংক্রান্ত এবং সচেতন করার জন্য প্রকাশিত।)
20 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 02:02 PM
আব্দুলের পরিচয় সংকটঃ সামাজিক পরিচয় নিবন্ধনের সাথে একদিনের শ্রমিকের সংগ্রাম

আব্দুলের পরিচয় সংকটঃ সামাজিক পরিচয় নিবন্ধনের সাথে একদিনের শ্রমিকের সংগ্রাম

‘রেশন কার্ড দেখবেন স্যর, নাকি ভোটার কার্ড? কোনটা লাগবে খালি বলুন।’ হাত জোড় করে হাসি হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আব্দুল মালেক। তাঁর বুকে, পিঠে সেফটিপিন দিয়ে আটকানো বার্থ সার্টিফিকেট, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড। কাঁধে আবার একটা বাঁক। তাতে জমির দলিল-সহ অন্য কাগজপত্র। SIR-এর শুনানিতে ডাক পড়েছিল। মঙ্গলবার মালদার কালিয়াচক-২ ব্লকের শুনানি কেন্দ্রে এ ভাবেই হাজির হলেন তিনি। আশপাশের লোকজন থ।আব্দুল হামিদপুরে থাকেন। পেশায় দিনমজুর। দিন আনি দিন খাইয়ের সংসারে SIR যেন উটকো ঝামেলা। ২৭ বছরের আব্দুলের কথায়, ‘খালি ডাকছে। একবার বলে, বাবার নাম ভুল আছে, একবার বলে পদবিতে গণ্ডগোল। এ ভাবে সহ্য করা যায়? কাগজপত্র নিয়ে ছুটোছুটি মানে একদিনের কাজ নষ্ট। রোজগার না হলে গরিব মানুষ খাবে কী?’ প্রশ্ন আব্দুলের।বাড়িতে যত নথিপত্র ছিল এ দিন সব টেনে বের করেছেন তিনি। তার পরে হয়ে উঠেছেন নথিপত্রের ফেরিওয়ালা। বুকে, পিঠে, জামার হাতায় একটা একটা করে নথি আটকেছেন সেফটিপিন দিয়ে। কিন্তু তাতেও সব কুলোয়নি। দুটো পিচবোর্ডের বাক্স নিয়ে, তাতেও ভরেছেন নথিপত্র। তার পরে বাঁকের মতো করে কাঁধে ঝুলিয়ে হাজির হয়েছেন শুনানি কেন্দ্রে।আব্দুলের নথিপিত্রের ফেরিওয়ালা অবতার দেখে আশপাশের লোকজন অবাক। এমন ব্যতিক্রমী দৃশ্য রোজ রোজ দেখা যায় না। আব্দুলের খবর শুনেই কালিয়াচক ২-এর BDO অফিসে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা। শুনানি কেন্দ্রের আধিকারিকরাও এর-ওর মুখ চাওয়া-চাওয়ি করতে থাকেন। আব্দুল নির্বিকার। এই সব নথিপত্র ফাইলে আনা যেত না? কে যেন পাশ থেকে বলে ওঠেন। ঘাড় নাড়েন আব্দুল, ‘১৯৫০-এর পর থেকে যত নথিপত্র ছিল, সব এনেছি। ফাইলে ধরবে না।’বাড়ির দলিল, ইলেকট্রিক বিল, জমির পর্চা সব রয়েছে আব্দুলের বাঁকে। উদ্বিগ্ন মুখে বললেন, ‘কোনটা চেয়ে বসবে, বলা তো যায় না। তাই সব নিয়ে এসেছি।’ বাঁকে একটা ভারতের জাতীয় পতাকাও উড়ছে পতপত করে। আব্দুলের কথায়, ‘আমিও ভারতীয় নাগরিক। এ সব তারই প্রমাণ।’ আব্দুলের এহেন বেশে শোরগোল পড়ে গেলেও কোনও মন্তব্য করতে চাননি মালদার জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল। তাঁর একটাই কথা, ‘কিছু বলব না।’
32 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 01:54 PM
চা বাগানের কন্যার দারিদ্র্য থেকে জাতীয় সেবায় যাত্রা

চা বাগানের কন্যার দারিদ্র্য থেকে জাতীয় সেবায় যাত্রা

নাগরাকাটা:চা গাছের শুকনো ডাল কাটতে গিয়ে একসময় হাত কেটে রক্তাক্ত হয়েছিল, ফ্যাকাশে হয়ে এসেছিল দেশসেবার স্বপ্ন। কিন্তু পাহাড়-জঙ্গল ঘেরা ডুয়ার্সের মেয়ের জেদ হার মানেনি। দারিদ্র্য আর প্রতিবন্ধকতাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে অবশেষে স্বপ্ন ছুঁলেন নাগরাকাটার (Nagrakata News) ভগতপুর চা বাগানের শ্রমিক কন্যা বিদ্যা লাকড়া ওরাওঁ (Tea Garden Daughter ITBP)। কেন্দ্রীয় বাহিনী ‘ইন্দো টিবেটান বর্ডার পুলিশ’ (ITBP)-এর প্রশিক্ষণ শেষে মঙ্গলবার ঘরে ফিরতেই রাজকীয় সংবর্ধনায় ভাসলেন এই নতুন জওয়ান। মায়ের মাথায় জওয়ানের টুপি হরিয়ানার পঞ্চকুলা থেকে দীর্ঘ ১১ মাসের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষ করে এদিন গ্রামে ফেরেন বিদ্যা। বীর কন্যাকে দেখতে ভগতপুরের জাহাদি লাইনে জনস্রোত আছড়ে পড়ে। আবেগঘন মুহূর্তে বিদ্যা নিজের জওয়ানের টুপিটি পরিয়ে দেন বাবা বলরাম ও মা ললিতার মাথায়। মেয়ের সাফল্য দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি চা বাগানের এই দুই দিনমজুর। বিদ্যার কথায়, “স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে খুব ভালো লাগছে। সমস্যা থাকবেই, কিন্তু হাল ছাড়লে চলবে না।” লড়াইয়ের নেপথ্যে জেদ বাবা-মা দুজনেই বাগানে কাঁচা পাতা তোলার কাজ করেন। ছোট থেকেই অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী। নাগরাকাটা হিন্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর থেকে চলত কঠোর শারীরিক কসরত। দু-তিনবার ব্যর্থ হলেও ২০২৪ সালে আইটিবিপিতে সুযোগ পান তিনি। এরপর ২০২৫-এ শুরু হয় প্রশিক্ষণ। এক সময় চা গাছের ডাল কাটতে গিয়ে হাত জখম হওয়া সত্ত্বেও তিনি পিছু হটেননি। আর কয়েকদিন পরেই ঘাড়ের ওপর দুর্জয় রাইফেলের ভার নিয়ে উত্তরাখন্ডের দুর্গম সীমান্তে দেশরক্ষায় মোতায়েন হবেন বিদ্যা। বাগানের নতুন ‘আইকন’ ভগতপুর গ্রাম থেকে বিদ্যার হাত ধরেই প্রথম কেউ আধা সামরিক বাহিনীতে সুযোগ পেল। তাঁর এই সাফল্য ডুয়ার্সের (Dooars News) চা বাগান অঞ্চলের হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিদের মতে, বিদ্যা প্রমাণ করেছেন যে সদিচ্ছা থাকলে চা বাগানের কুঁড়েঘর থেকেও হিমালয়ের সীমান্ত জয় করা সম্ভব।
77 shares
😊
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 01:26 PM
হুগলির মিল্টন সেন-এ অঙ্কুর হাসপাতাল অত্যাধুনিক হার্ট ট্রিটমেন্ট সুবিধার উদ্বোধন করেছে

হুগলির মিল্টন সেন-এ অঙ্কুর হাসপাতাল অত্যাধুনিক হার্ট ট্রিটমেন্ট সুবিধার উদ্বোধন করেছে

মিল্টন সেন, হুগলি:হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য আর কলকাতার বড় হাসপাতালে ছুটতে হবে না। এবার থেকে হৃদরোগের অত্যাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা মিলবে ভদ্রেশ্বর পুরসভা পরিচালিত অঙ্কুর হাসপাতালে। সেটাও আবার স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে অথবা ইএসআই কার্ডে। অর্থাৎ নিখরচায় হবে হৃদরোগের চিকিৎসা। ধুমধাম করে হল হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অথচ আওয়াজ পৌঁছলো না রাস্তা পর্যন্ত। কারণ জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠান হলেও, বাজলো না কোনও লাউড স্পিকার। অনুষ্ঠান পরিচালনা থেকে ঘোষণা, বক্তৃতা সবই হল খালি গলায়। উপস্থিত শতাধিক মানুষ মন দিয়ে সেটা শুনলেনও। মঙ্গলবার কলকাতার চার্নক হাসপাতালের সহযোগিতায় অঙ্কুর হাসপাতালে স্থাপন করা অত্যাধুনিক ক্যাথল্যাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। উপস্থিত ছিলেন ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রলয় চক্রবর্তী, সদস্য প্রকাশ গোস্বামী, চার্ণক হাসপাতালের এমডি প্রশান্ত শর্মা, চন্দননগর পুর নিগমের মেয়র রাম চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়াল, মহকুমা শাসক আশুতোষ কুমার, এসিপি সোমনাথ ব্যানার্জি প্রমুখ। প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি অত্যাধুনিক হাসপাতালে উপভক্তাদের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এবং ইএসআই কার্ডের মাধ্যমে নিখরচায় চিকিৎসার সুবিধে মিলবে। অনুষ্ঠানের পরিচালক তথা ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রলয় চক্রবর্তী বলেছেন, এতদিন অঙ্কুর হাসপাতাল মূলত অর্থপেডিক চিকিৎসার জন্য বিখ্যাত ছিল। অন্যান্য চিকিৎসাও হত। তবে হৃদরোগের চিকিৎসার তেমন কোনও বিশেষ ব্যবস্থা হাসপাতালে ছিল না। তাই রোগীদের কলকাতায় স্থানান্তর করা ছাড়া উপায় ছিল না। আশেপাশে রয়েছে একাধিক জুটমিল। শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকায় এই হাসপাতালের অবস্থান। ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রলয় চক্রবর্তী আশাবাদী ইএসআই এবং স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে, নিখরচায় চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকায় উপকৃত হবেন সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষ। চার্ণক হাসপাতালের এমডি প্রশান্ত শর্মা বলেছেন, অত্যাধুনিক ক্যাথল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। যে ক্যথল্যাবের সুবিধে সাধারণত কলকাতার প্রথমসারির হাসপাতালগুলিতে পাওয়া যায়। এবার থেকে আইসিইউ কার্ডিওলজির যাবতীয় সুবিধে পাওয়া যাবে অঙ্কুর হাসপাতালে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন বলেছেন, একটা অবাস্তবকে বাস্তব রূপ দিয়েছে ভদ্রেশ্বর পুরসভা। কার্যত যেটা মাত্র পাঁচ মাসে অসম্ভব, সেটাকেই বাস্তব রূপ দেওয়ায় পুরসভাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হাসপাতালের উদ্বোধন। বিষয়টা যথেষ্টই বড় ব্যাপার। সাধারণত এই ধরনের অনুষ্ঠান মাইক বাজিয়ে লোকজন জড়ো করে ধুমধাম করে হয়ে থাকে। আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা এভাবেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করে থাকি না করতে ভালবাসি। এখানে সবই হল। উদ্বোধনের আড়ম্বর কমল না। কিন্তু আওয়াজ হাসপাতাল। চত্বরের বাইরে পৌঁছলনা। মাইক ছাড়াই গোটা অনুষ্ঠান হয়ে গেল। মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে। রাজ্যের মুখ্য মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নিদের্শ কোনও ভাবেই পরীক্ষার্থীরা বিরক্ত হয় এমন কাজ করা যাবে না। লাউড স্পিকারের আওয়াজে অসুবিধে সৃষ্টি হতে পারে, তাই সেটাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানুষের সুবিধে অসুবিধের কথা ভাবেন। তাই গত ১৫ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে রাজ্য জুড়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত। ২০১১ সালের ২০ মে প্রথমবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। দ্বিতীয়বার তিনি শপথ নিয়েছিলেন ২০১৬ সালের ২৭ মে। এবং তৃতীয়বার তিনি মুখ্য মন্ত্রী হয়েছিলেন ২০২১ সালের ৫ মে। এবার চতুর্থবার তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। আগামী মে মাসে পুনরায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। তার পরে আবার সকলকে নিয়ে মাইক বাজিয়ে বড় করে এই হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে।
37 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 01:23 PM
ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ, মোদী সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল কংগ্রেস

ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ, মোদী সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল কংগ্রেস

ভারত-আমেরিকার সম্ভাব্য বাণিজ্যচুক্তি ঘিরে মোদী সরকারের ভূমিকা ও স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলল কংগ্রেস। কেন এত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তির ঘোষণা ভারত সরকার বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তরফে না এসে একতরফাভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করলেন— এই প্রশ্নে সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। একই সঙ্গে চুক্তির সম্পূর্ণ বিস্তারিত প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার রাতে ভারতীয় সময় অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল মাধ্যমে ভারত-আমেরিকার মধ্যে একটি নিশ্চিত বাণিজ্যচুক্তি বা শুল্ক সমঝোতায় পৌঁছনোর কথা ঘোষণা করেন। সেই পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রতি বন্ধুত্ব ও শ্রদ্ধার কারণে তাঁর অনুরোধে আমরা ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে অবিলম্বে একটি বাণিজ্যচুক্তি করতে সম্মত হয়েছি।’ এই বক্তব্যকে সামনে রেখেই কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে— ভারতের সার্বভৌম বাণিজ্যনীতির মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে ঘোষণা কেন বিদেশি রাষ্ট্রনেতার মুখে? কংগ্রেসের দাবি, এই চুক্তির প্রভাব সরাসরি পড়বে দেশের কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও শিল্পক্ষেত্রের উপর। অথচ এখনও পর্যন্ত ভারত সরকার এই বিষয়ে সংসদ বা দেশবাসীর সামনে কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি। বিরোধীদের আশঙ্কা, শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কার্যত ‘শূন্যে’ নামিয়ে এনে মার্কিন পণ্যের জন্য ভারতের বাজার উন্মুক্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে মোদী সরকার। তার ফল ভোগ করতে হবে দেশীয় উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের। এই প্রসঙ্গে কংগ্রেস গত বছর মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতির ঘটনাও টেনে এনেছে। সে সময়ও ভারত সরকারের আগে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কংগ্রেসের বক্তব্য, ‘সংঘর্ষবিরতির মতো এবার বাণিজ্যচুক্তির ঘোষণাও করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এটা কি কাকতালীয়, না কি ভারতের কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনও দুর্বলতার ইঙ্গিত?’ কৃষিক্ষেত্র নিয়েও কংগ্রেসের উদ্বেগ তীব্র। ট্রাম্পের বক্তব্যে আমেরিকার জন্য ভারতের কৃষিক্ষেত্র উন্মুক্ত করার ইঙ্গিত রয়েছে বলে দাবি করেছে তারা। কংগ্রেসের প্রশ্ন, ‘চুক্তিটি আসলে কী? ভারতীয় কৃষকদের স্বার্থ ও সুরক্ষা কী ভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে? সরকার কী পরিকল্পনা করেছে, তা দেশবাসীর সামনে স্পষ্ট করতে হবে।’ রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়েও বিতর্ক উসকে দিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছেন মোদী এবং তার বদলে আমেরিকা থেকে বেশি করে তেল কিনবে ভারত। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ভারত সরকারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কংগ্রেসের সরাসরি প্রশ্ন, ‘মোদী সরকার কি সত্যিই এই শর্তে সম্মতি দিয়েছে?’ এখানেই শেষ নয়। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, আমেরিকা থেকে প্রায় ৪৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৬২২ কোটি টাকার পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মোদী। কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে, তা হলে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ভবিষ্যৎ কী? দেশীয় উৎপাদন ও আত্মনির্ভরতার স্বপ্ন কি বাণিজ্যচুক্তির নামে বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে? সব মিলিয়ে কংগ্রেসের স্পষ্ট দাবি, এই বাণিজ্যচুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার অধিকার সংসদ ও দেশের প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে। অবিলম্বে সরকারকে সব তথ্য প্রকাশ করে দেশবাসীর কাছে জবাবদিহির দাবিতেই চাপ বাড়াচ্ছে বিরোধীরা।
62 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 01:10 PM
মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ান ইন্ডিয়ান কমিউনিটি সেন্টার থেকে গান্ধী মূর্তি চুরি

মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ান ইন্ডিয়ান কমিউনিটি সেন্টার থেকে গান্ধী মূর্তি চুরি

আজকাল ওয়েবডেস্ক:ভারত উপহার দিয়েছিল অষ্ট্রেলিয়াকে। সেই গান্ধী মূর্তি রাতের অন্ধকারে গোড়ালি থেকে কেটে ছুরি করে নিয়ে পালাল কয়েকজন। ঘটনায় হইচই। অষ্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের অষ্ট্রেলিয়ান ইন্ডিয়ান কমিউনিটি সেন্টার। আর সেখান থেকেই আচমকা উধাও গান্ধী মূর্তি। আর তা ঘিরেই হইচই। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সোমবার রাত ১২টা ৫০ মিনিট নাগাদ ওই ব্রোঞ্জ মুর্তিটি ছুরি হয়েছে বলে জানা যায়। জানা গিয়েছে, কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতি ওই বিপুল ওজনের মূর্তি কেটে চুরি করে নিয়ে যায়। ওই মূর্তি প্রসঙ্গে প্রথমেই যা উল্লেখ্য, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস ওই ৪২৬ কেজি ওজনের গান্ধী মূর্তি উপহার দিয়েছিল অষ্ট্রেলিয়ান ইন্ডিয়ান কমিউনিটি সেন্টারকে। ২০২১ সালের ১২ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন মূর্তিটি উদ্বোধন করেন এবং প্রথম ২৪ ঘন্টার মধ্যে অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজন ব্যক্তি ওই মূর্তিটি ভাঙচুর করে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার বেশ কিছু ছবি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ব্যাপকহারে। যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি আজকাল ডট ইন। যদিও তাতে দেখা গিয়েছে, যেখানে মূর্তিটি স্থাপিত ছিল, সেখানে মূর্তির গোড়ালি পর্যন্ত অংশ রয়েছে। কেটে নেওয়া হয়েছে তার উপরের অংশ। অস্ট্রেলিয়া টুডের এক প্রতিবেদন অনুসারে, সোমবার রাত আনুমানিক ১২.৫০ মিনিটে চুরির ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। তথ্য, তিনজন অজ্ঞাত অপরাধী একটি অ্যাঙ্গেল গ্রাইন্ডার ব্যবহার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভিক্টোরিয়া পুলিশ নক্স ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিটের কর্মকর্তারা মামলাটি তদন্ত করছেন এবং স্ক্র্যাপ মেটাল ডিলারদের ব্রোঞ্জ মূর্তিটি বিক্রি করার চেষ্টাকারী যে কেউ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। মূর্তি প্রসঙ্গে যেকোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে অবিলম্বে রিপোর্ট করার কথা বলা হয়েছে। সর্বভারতীয় সংবামাধ্যম সূত্রে খবর, অস্ট্রেলিয়ান ইন্ডিয়ান কমিউনিটি চ্যারিটেবল ট্রাস্টের কমিটির সদস্য জানিয়েছেন, ভবনের সিসিটিভিতে ওই ঘটনার কিছুটা দেখা গিয়েছে, যদিও গোটা ঘটনাটি সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েনি বলেই তথ্য। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এর আগে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে, মেলবোর্নের পূর্ব উপকণ্ঠে বোরোনিয়ায় শ্রী স্বামীনারায়ণ মন্দিরের গ্রাফিতি ভাঙচুর করা হয়েছিল, সেই সময় ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে অশান্তি ছড়ায় সেখানে। প্রায় একই সময়ে, সেখানে এশীয় দুটি রেস্তোরাঁয় মন্তব্য এবং তার প্রেক্ষিতে অশান্তি ছড়ানোর ঘটনা ঘটে।
22 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 01:01 PM
মুম্বইয়ে স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারের সঙ্গে সানি লিওন

মুম্বইয়ে স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারের সঙ্গে সানি লিওন

সম্প্রতি মুম্বইয়ের এক অনুষ্ঠানে দেখা যায় সানি লিওনিকে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবার। লাল গালিচায় হেঁটে আসছেন। হঠাৎই ক্যামেরার সামনেই ঘটে গেল বিপত্তি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামতে হল সানির স্বামীকে। সোমবার রাতে স্বামীর হাত ধরেই অনুষ্ঠানস্থলে ঢোকেন। অভিনেত্রীর পরনে ছিল বাদামি রঙের গাউন। সেই গাউনের বেশ কিছুটা অংশ আলগা হয়ে উন্মোচিত হয়ে পড়ে। যার ফলে শরীরের বেশ কিছুটা অংশ উন্মক্ত হয়ে যায়। ক্যামেরার সামনে বুকের একটা অংশ উন্মুক্ত হয়ে যেতেই সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রীকে সর্তক করেন ড্যানিয়েল। ক্যামেরায় পোজ় দেওয়ার আগে সানিকে আড়াল করে দাঁড়িয়ে পড়েন তিনি। লাল গালিচায় পোশাক ঠিক করেন অভিনেত্রী। তার পর ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে পোজ় দেন। পোশাক নিয়ে অস্বস্তিতে সানি। ছবি: সংগৃহীত। সানিকে নিয়ে এমন তৎপরতা দেখে নেটাগরিকরা প্রশংসায় ভরিয়ে দেন ড্যানিয়েলকে। কেউ তাঁর স্বামীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘‘একেবারে যোগ্য সঙ্গী পেয়েছেন সানি।’’ কারও কথায়, এমন স্বামী পেতেই নাকি চান মেয়েরা।
30 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 12:47 PM
সোনার কানের দুল কেলেঙ্কারিতে মহিলার জীবনের সঞ্চয় হারিয়েছে

সোনার কানের দুল কেলেঙ্কারিতে মহিলার জীবনের সঞ্চয় হারিয়েছে

মাত্র কয়েক মিনিটের আলাপ। আর তার কথায় বিশ্বাস করে জীবনের সঞ্চয় খুইয়ে বসলেন এক মহিলা। জানা গিয়েছে, সোনার কানের দুলের বিনিময়ে ৭২ হাজার টাকা— এই ‘সুবর্ণ সুযোগ’ হাতছাড়া করতে চাননি হরিণঘাটার বাসিন্দা তারকদাসী মাঝি। কিন্তু সেই সুযোগই শেষ পর্যন্ত নির্মম প্রতারণায় পরিণত হল। হাবড়া স্টেশনের পথে দুই যুবকের ফাঁদে পড়ে নিজের সোনার দুল খুইয়ে সর্বস্বান্ত হলেন ওই মহিলা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারকদাসী মাঝির বাড়ি হরিণঘাটার হাঁপানিয়া মধ্যপাড়া এলাকায়। মঙ্গলবার তিনি হাঁপানিয়া বাজার থেকে অটো করে হাবড়া বাজারের দিকে আসছিলেন। সেখান থেকে ট্রেন ধরার উদ্দেশ্যে হাবড়া স্টেশনের দিকে এগোচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় দুই অপরিচিত যুবক তারকদাসীর সঙ্গে আলাপ জমায়। কথোপকথনের সময় তারা খবরের কাগজে মোড়া একটি মোটা টাকার বান্ডিল দেখিয়ে তাঁকে প্রলোভন দেখায়। যুবকদের দাবি ছিল, তারকদাসীর কানে থাকা সোনার দুলের বদলে তাঁকে ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। প্রতারণার কৌশলে বিশ্বাস করে তারকদাসী ওই দুই যুবকের সঙ্গে হাবড়ার তবলা পট্টি এলাকায় যান। সেখানে পৌঁছে প্রতারকদের কথায় নিজের সোনার কানের দুল খুলে তাঁদের হাতে তুলে দেন। পরিবর্তে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় খবরের কাগজে মোড়া একটি বান্ডিল। বান্ডিলের উপরের দিকে ছিল একটি ১০০ টাকার নোট। তারকদাসী মনে করেছিলেন, পুরো বান্ডিলটাই ১০০ টাকার নোটে ভর্তি। কিন্তু তিনি গুনে দেখার আগেই দুই যুবক দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে সন্দেহ হওয়ায় বান্ডিল খুলে দেখেন তারকদাসী। তাতে উপরে একটি মাত্র ১০০ টাকার নোট, আর তার নীচে নোটের মাপে কাটা খবরের কাগজের স্তূপ। তখনই বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তড়িঘড়ি হাবড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তারকদাসী মাঝি। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। স্টেশন সংলগ্ন এলাকা ও তবলা পট্টি এলাকার নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, ফুটেজে দুই যুবককে দেখা গিয়েছে। তাঁদের চিহ্নিত করে তল্লাশি শুরু হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটি একটি সংগঠিত প্রতারণা চক্রের কাজ। সাধারণ মানুষকে সোনার গহনার বিনিময়ে মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে ঠকানোর ঘটনা আগেও ঘটেছে। তদন্তকারীরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।
9 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 12:35 PM
সার্ভিসেসের কাছে কোয়ার্টার-ফাইনালের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলার টাইটেল ডিফেন্স শেষ হয়

সার্ভিসেসের কাছে কোয়ার্টার-ফাইনালের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলার টাইটেল ডিফেন্স শেষ হয়

খেতাব ধরে রাখতেপারল না বাংলা। সন্তোষ ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে গেল সঞ্জয় সেনের দল।টাইব্রেকারে সার্ভিসেসের কাছে ২-৩ ব্যবধানে হেরে ছিটকে গেল গত বারেরচ্যাম্পিয়নেরা। গোল করার ব্যর্থতাতেই ডুবল বাংলা। টাইব্রেকারেও গোল করতে পারলেন নাবাংলার একাধিক ফুটবলার। টাইব্রেকারেবাংলার পরিবর্ত গোলরক্ষক গৌরব শ প্রতিপক্ষের দু’টিশট আটকেও বাংলাকে সেমিফাইনালে তুলতে পারলেন না। সঞ্জয়ের দল ডুবল ফুটবলারদের জঘন্যফুটবলের জন্য। নির্ধারিত সময়ে গোল করতে পারেনি কোনও দলই। টাইব্রেকারেও গোল করতেব্যর্থ হন বাংলার একাধিক ফুটবলার। ফলে কাজে এল না গৌরবের চেষ্টা। সার্ভিসেসপ্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে কেরলের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়েশেষ আটে উঠেছিল। বাংলার কোচ জানতেন কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই সহজ হবে না। ম্যাচেরশুরু থেকেই রবি হাঁসদাদের চাপে রেখেছিলেন সার্ভিসেসের ফুটবলারেরা। গোল না পেলেওতাঁরা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে যান একটানা। খেলার গতির কিছুটা বিপরীতে ১৯ মিনিটেরমাথায় গোল করার সুযোগ পেয়েছিল বাংলা। কিন্তু লাভ হয়নি। মাঝমাঠের দখল শুরু থেকেইনিয়ে নেন সার্ভিসেসের ফুটবলারেরা। চাপে পড়ে একের পর এক ভুল পাস করতে শুরু করেনবাংলার ফুটবলারেরা। সুবিধা কাজে লাগিয়ে গোল করার জায়গায় চলে যাচ্ছিল সার্ভিসেস।প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলও করে ফেলে তারা। অফসাইড হওয়ায় সেই গোল বাতিল করে দেনরেফারি। দ্বিতীয়ার্ধেরশুরুতেই আকাশ হেমব্রমকে বসিয়ে বিজয় মুর্মুকে নামান সঞ্জয়। তাতে উইং কিছুটা সচল হয়।তবে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভাঙতে পারেননি রবিরা। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে গোলের সহজসুযোগ নষ্ট করেন সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অন্য দিকে, বাংলারপ্রথম গোলরক্ষক সোমনাথ দত্ত বেশ কয়েক বার দলের পতন রোখেন। ফাঁকা পোস্ট পেয়েও গোলকরতে পারেননি তিনি। অতিরিক্ত সময়ওসার্ভিসেসের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে চাপে ছিল বাংলা। একেক সময় বাংলাকে দেখেদিশাহারা, অসহায় মনে হয়েছে। ১০০ মিনিটের মাথায়চাকু মান্ডি গোললাইন সেভ না করলে, ম্যাচ তখনই শেষ হয়ে যেত।
51 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 12:28 PM
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে আংশিকভাবে কৃষি ক্ষেত্র উন্মুক্ত করবে ভারত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে আংশিকভাবে কৃষি ক্ষেত্র উন্মুক্ত করবে ভারত

বাণিজ্যচুক্তির শর্ত হিসাবে এ বার ভারতের কৃষিক্ষেত্রেরদরজাও ‘আংশিক’ ভাবে খুলে দিতে চলেছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। মঙ্গলবার এক ভারতীয়আধিকারিককে উদ্ধৃত করে এমনটাই দাবি করেছিল সংবাদসংস্থা রয়টার্স। কেন্দ্রের শাসকদলবিজেপির তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কিছু বলা না-হলেও দেশের প্রাক্তন বিদেশসচিবতথা রাজ্যসভার রাষ্ট্রপতি মনোনীত সাংসদ হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা খবরে সিলমোহর দিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীংলা বলেন, “কিছু জিনিস আমেরিকা থেকে আসবে।কিন্তু সেগুলি আমাদের কৃষিক্ষেত্রের জন্য ক্ষতিকারক হবে না। এর মধ্যে কোনওস্ববিরোধিতা নেই। এর ফলে দেশের কৃষকেরা কোনও সমস্যায় পড়বেন না।” এক ভারতীয় আধিকারিককে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, আমেরিকাথেকে পেট্রোলিয়াম দ্রব্য, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, বিমানবহর কিনতে রাজি হয়েছে নয়াদিল্লি।টেলিকম সংক্রান্ত সামগ্রী, ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রেও সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে ভারত। এরপাশাপাশি আমেরিকার নির্দিষ্ট কয়েকটি কৃষিজ পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও ছাড়পত্র দেওয়াহয়েছে বলে দাবি ওই আধিকারিকের। প্রসঙ্গত সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলিরজন্যও দেশের কৃষিক্ষেত্রের দরজা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এর আগে কেন্দ্রের একাধিক সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল, আমেরিকাতার ভুট্টা, সয়াবিন, দুগ্ধজাত পণ্যে শুল্ক কমানোর দাবি তুলেছে। জিএম(জেনেটিক্যালি মডিফায়েড) শস্যের জন্যও ভারতের বাজার খুলতে বলছে তারা। ওই সব সূত্র মারফতই জানা গিয়েছিল, আমেরিকার আর্জিসত্ত্বেও এই বিষয়ে অবস্থানে অনড় ছিল নয়াদিল্লি। শোনা গিয়েছিল, কৃষিপণ্য নিয়ে দু’পক্ষ বোঝাপড়ায় আসতে না-পারার জন্যই বাণিজ্যচুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েও থমকেগিয়েছে। মার্কিন কৃষিজাত পণ্যের বাজার ‘আংশিক’ খুলে দিয়ে ভারত আগের অবস্থান থেকেখানিক সরে এল কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সোমবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ভারতেরউপর ‘পারস্পরিক শুল্ক’ (রেসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ) ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করাহচ্ছে। তবে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য আরোপিত ২৫ শতাংশ ‘জরিমানা শুল্ক’ থাকবে, না প্রত্যাহার করা হবে, তাপ্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট করেননি তিনি। পরে হোয়াইট হাউসের আধিকারিক সূত্রে রয়টার্সজানায়, রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের উপর চাপানো ২৫ শতাংশ‘জরিমানা শুল্ক’ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে আমেরিকা। কারণ, এই শুল্কটি ২৫ শতাংশ ‘পারস্পরিক-শুল্ক’-এর উপরে অতিরিক্তহিসাবে চাপানো হয়েছিল। সোমবার ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধকরতে রাজি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পরিবর্তে আমেরিকা থেকে বেশি করেতেল কিনবে ভারত। এ ছাড়া আমেরিকা থেকে ৪৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৬২২ কোটি টাকার পণ্যও কেনারবিষয়েও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আশ্বাস দিয়েছেন বলে দাবি করেন ট্রাম্প। ভারতীয়পণ্যে শুল্ক কমানোর নেপথ্যে এগুলিই অন্যতম কারণ বলে ব্যাখ্যা করেন তিনি। ট্রাম্পের ঘোষণার পরেই সমাজমাধ্যমেপোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। শুল্ক কমানোর জন্য ১৪০ কোটি ভারতবাসীর পক্ষ থেকেট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে রাশিয়া থেকে ভারত তেল কেনা বন্ধ করে ‌দিচ্ছেকি না, সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি মোদী। যেমন মন্তব্য করেননিট্রাম্পের দাবি মতো আমেরিকা থেকে বেশি করে তেল কেনা নিয়েও।
93 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 12:24 PM
মাইক্রোওয়েভ ম্যাজিকঃ সিরামিক বা প্লাস্টিকের বাটিতে হলুদ দাগ অপসারণের কার্যকর উপায়

মাইক্রোওয়েভ ম্যাজিকঃ সিরামিক বা প্লাস্টিকের বাটিতে হলুদ দাগ অপসারণের কার্যকর উপায়

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:ব্যস্ত জীবনে মাইক্রোওয়েভ এখন আমাদের রান্নাঘরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু সমস্যা বাধে যখন প্লাস্টিক বা সিরামিকের সাদা বাটিতে রান্নার ঝোলের বা হলুদের জেদি ছোপ পড়ে যায়। সাধারণ লিকুইড সোপ দিয়ে ঘষলেও অনেক সময় এই দাগ উঠতে চায় না। আপনার পছন্দের পাত্রটি কি হলদেটে হয়ে উজ্জ্বলতা হারিয়েছে? চিন্তা নেই, রান্নাঘরে থাকা সাধারণ কিছু উপাদানেই ফিরবে বাটির জেল্লা। হলুদ ছোপ তোলার কার্যকর উপায়: ১. বেকিং সোডা ও জল:একটি বাটিতে বেকিং সোডা ও সামান্য জল মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এবার বাটির যে অংশে হলুদের দাগ রয়েছে, সেখানে এই পেস্টটি মেখে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন। এরপর একটি স্পঞ্জ দিয়ে হালকা ঘষে ধুয়ে ফেললেই দেখবেন দাগ উধাও। ২. লেবুর রস ও গরম জল:অর্ধেক লেবুর রস এবং এক কাপ জল বাটিতে নিয়ে মাইক্রোওয়েভে ১-২ মিনিট গরম করুন। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড হলুদের দাগ আলগা করতে সাহায্য করে। এরপর সাধারণ ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নিন। ৩. সাদা ভিনিগার:একটি বড় পাত্রে সমপরিমাণ জল ও সাদা ভিনিগার মিশিয়ে তার মধ্যে দাগ ধরা বাটিটি ডুবিয়ে রাখুন। ঘণ্টাখানেক পর ধুয়ে নিলে হলুদের দাগের পাশাপাশি খাবারের দুর্গন্ধও চলে যাবে। ৪. সূর্যালোকে রাখা:যদি দাগ খুব পুরনো হয়, তবে ভিনিগার বা লেবু দিয়ে ধোয়ার পর বাটিটি সরাসরি কড়া রোদে কয়েক ঘণ্টা রেখে দিন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি প্লাস্টিক থেকে হলুদের রঞ্জক পদার্থ তুলে দিতে বিস্ময়কর কাজ করে।
91 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 12:24 PM
চিকিৎসায় বিলম্বের অভিযোগে কোয়েক চিকিৎসককে চেম্বারে নৃশংসভাবে হত্যা

চিকিৎসায় বিলম্বের অভিযোগে কোয়েক চিকিৎসককে চেম্বারে নৃশংসভাবে হত্যা

চেম্বারের ভিতরেই নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন এক কোয়াক ডাক্তার। খুনের পর কোমরে রক্তমাখা ধারালো অস্ত্র ঝুলিয়ে সোজা থানায় হাজির অভিযুক্ত যুবক। মঙ্গলবার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় তোলপাড় বর্ধমান শহর। মৃত চিকিৎসকের নাম রাজা ভৌমিক। বয়স ৫৫ বছর। বর্ধমান শহরের বাসিন্দা রাজা দীর্ঘদিন ধরে কোয়াক চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বর্ধমান গ্রামীণ ব্যাঙ্কের নীচে অন্যান্য চিকিৎসকদের সঙ্গে একটি চেম্বারে বসতেন তিনি। স্থানীয়দের কাছে পরিচিত মুখ ছিলেন রাজা ভৌমিক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শক্তিগড়ের আমড়া এলাকার বাসিন্দা জীবন রুইদাস তাঁর ঠাকুমার চিকিৎসার জন্য নিয়মিত রাজা ভৌমিকের কাছে যেতেন। কিছুদিন আগে ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। সেই মৃত্যুকে ঘিরে ক্ষোভ জমছিল জীবনের মনে। অভিযোগ, সেই ক্ষোভ থেকেই ভয়ংকর পরিণতি। মঙ্গলবার প্রতিদিনের মতো সময়মতো চেম্বার খুলেছিলেন রাজা ভৌমিক। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, চেম্বার খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই জীবন চেম্বারের ভিতরে ঢোকে। এরপর চেম্বারের ভিতর থেকে তীব্র বচসার শব্দ শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই চিৎকার থেমে যায়। অভিযোগ, ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাজা ভৌমিককে এলোপাথাড়ি কোপ মেরে খুন করে জীবন। এরপর চেম্বার থেকে বেরিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায় অভিযুক্ত। কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা চেম্বারের ভিতরে ঢুকে চিকিৎসকের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর কিছু সময় পরই আরও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। জীবন নিজেই কোমরে ঝোলানো রক্তমাখা ধারালো অস্ত্র নিয়ে থানায় হাজির হয়। ডিউটিতে থাকা পুলিশ আধিকারিকদের সে জানায়, বাদামতলা এলাকায় এক চিকিৎসককে সে খুন করেছে। নিজের হাতেই ব্যবহৃত অস্ত্র তুলে দেয় পুলিশের হাতে। খবর পেয়ে দ্রুত বাদামতলার ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। চেম্বার থেকে রাজা ভৌমিকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃতের মাথার পিছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত জীবন রুইদাসকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের কাছে জীবনের দাবি, রাজা ভৌমিকের ভুল চিকিৎসার কারণেই তাঁর ঠাকুমার মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই দাবি কতটা সত্য, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের পিছনে আর কোনও ব্যক্তি যুক্ত আছে কি না, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল কি না—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিনের আলোয় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় বর্ধমান শহর জুড়ে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
24 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 12:23 PM
মৃণাল ঠাকুর প্রেমের শক্তিঃ শৈশবের ক্ষত মেরামত করা এবং আরও ভাল মানুষ হওয়া

মৃণাল ঠাকুর প্রেমের শক্তিঃ শৈশবের ক্ষত মেরামত করা এবং আরও ভাল মানুষ হওয়া

ধনুষের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন মৃণাল ঠাকুরের। খবর ছড়িয়েছিল, শীঘ্রই নাকি তাঁরা বিয়েও করছেন। এর মধ্যেই প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। প্রেমে পড়লে ঠিক কী হয় জানালেন মৃণাল। প্রেমে পড়ার অনুভূতি কেমন? প্রশ্ন করতেই মৃণাল বলেন, “ভালবাসার অনুভূতি সত্যিই খুব সুন্দর। সকলের অন্তত একবার এমন প্রেম হওয়া উচিত। আমাদের ভিতরে অনেক সময়ে শৈশবের কিছু সমস্যা থেকে যায়। সেগুলি মেরামত করার জন্য এমন একটা প্রেম হওয়া উচিত। এমন প্রেম আমাদের মানুষ হিসাবে আরও ভাল করে তুলতে পারে। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতি হল প্রেম।” চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ প্রেম দিবসে নাকি বিয়ের আসর বসবে ধনুষ ও মৃণালের। সেই গুঞ্জনে অবশ্য সায় দেননি অভিনেত্রী। আগেও এক সাক্ষাৎকারে নিজেকে ধনুষের অনুরাগী ও ভাল বন্ধু বলেই দাবি করেছেন তিনি। প্রেমে সিলমোহর দেননি তিনি। তবে প্রেমে পড়লে মহিলারা কি বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন, এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন মৃণাল। তাঁর কথায়, “প্রেমে পড়লে যে কেউ আবেগপ্রবণ হয়ে যায়। তবে সবচেয়ে জরুরি হল, ভালবাসাকে স্বীকৃতি দেওয়া। যদিও প্রেমের সংজ্ঞা ক্রমশ বদলে যাচ্ছে। ভালবাসাই একমাত্র স্থির বিষয়। ভালবাসলে যে কেউ তাঁর প্রিয় মানুষের জন্য যা খুশি করতে পারেন। ভালবাসায় নিজেকে সঁপে দেওয়াই স্বাভাবিক নারীপুরুষ নির্বিশেষে।” ‌উল্লেখ্য, দক্ষিণী চলচ্চিত্রজগতের তারকা রজনীকান্তের মেয়ের সঙ্গে ধনুষের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে ২০২৪ সালের নভেম্বরে। এর মধ্যেই গুঞ্জন, মৃণালের প্রেমে পড়েছেন অভিনেতা। গুঞ্জনের সূত্রপাত সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিয়ো। সেখানে ধনুষের দিকে মুগ্ধদৃষ্টিতে মৃণালকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। অন্য দিকে, কথাবার্তার মাঝে বেখেয়ালেই বার বার অভিনেত্রীর হাত ধরতে দেখা যায় ধনুষকে।
46 shares
😊
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 12:16 PM
মদ্যপ ব্যক্তিকে রেললাইনে পড়ে থাকতে দেখে হায়দরাবাদ পুলিশ জনসাধারণকে সতর্ক করেছে

মদ্যপ ব্যক্তিকে রেললাইনে পড়ে থাকতে দেখে হায়দরাবাদ পুলিশ জনসাধারণকে সতর্ক করেছে

আজকাল ওয়েবডেস্ক:রেললাইনের মাঝে শুয়ে মরণঝাঁপ! ভাইরাল হওয়ার নেশায় মত্ত এক যুবকের এই দুঃসাহসিক কীর্তিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে নেটপাড়ায়। সম্প্রতি শিউরে ওঠা সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ মানুষ। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হায়দরাবাদের পুলিশ কমিশনার ভি সি সজ্জনার। গোটা বিষয়টিকে ‘চরম বোকামি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, ট্রেন ধেয়ে আসার মুহূর্তে লাইনের ঠিক মাঝখানে শুয়ে পড়লেন এক যুবক। তাঁর শরীরের ওপর দিয়েই প্রবল গতিতে বেরিয়ে গেল আস্ত একটি ট্রেন। ট্রেনের চাকা আর শরীরের মধ্যে দূরত্ব ছিল যৎসামান্য। সামান্য এদিক-ওদিক হলেই চরম পরিণতি হতে পারত। ট্রেনটি চলে যাওয়ার পরই ওই যুবক অক্ষত অবস্থায় উঠে দাঁড়িয়ে আবার পোজ দিতে শুরু করেন। পাশে দাঁড়িয়ে এক বন্ধু পুরো ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করছিলেন। লক্ষ্য একটাই, ইন্টারনেটে রাতারাতি জনপ্রিয় হওয়া। কমিশনার সজ্জনার স্পষ্ট জানিয়েছেন, এক সেকেন্ডের ভুলেও মৃত্যু হতে পারত ওই যুবকের। তথাকথিত ‘ইনফ্লুয়েন্সার’দের সতর্ক করে তিনি বলেন, “ভাইরাল হওয়ার নেশায় এই ধরনের কাজ করা বীরত্ব নয়, বরং নিছকই বোকামি। মুহূর্তের ভুলে জীবন শেষ হয়ে যেতে পারে। দায়িত্বশীল হোন, বেপরোয়া হবেন না।” এই ভিডিও দেখে নেটপাড়ায় বিপুল প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। কেউ কড়া শাস্তির দাবি তুলেছেন, কেউ বা মোবাইল ব্যবহারের আসক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এই ধরনের কাজ দণ্ডনীয় অপরাধ। রেল সুরক্ষা বাহিনীকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এমন রিল বা ভিডিও তৈরির বিরুদ্ধে যেন কড়া পদক্ষেপ করা হয়। অন্যদিকে, চলন্ত ট্রেনে তরুণীকে শ্লীলতাহানি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ব্যাপক শোরগোল। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে রবিবার রাতে রীতিমত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল নাগদা স্টেশন চত্বর। জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে নামাতে হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আহমেদাবাদ থেকে এক আত্মীয়ের অস্থি বিসর্জন দিতে সপরিবারে উজ্জয়িনী যাচ্ছিলেন অভিযোগকারীরা। অভিযোগ, রাতলাম স্টেশন থেকে চার যুবক ওই কামরায় ওঠে। জানা গিয়েছে, তারা ট্রেনের ভিতরেই ধূমপান করছিল৷ এমনকী তরুণীর মুখের সামনে সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে এক তাকে উত্যক্ত করছিল। এই অশালীন ব্যবহারের প্রতিবাদ করতেই অভিযুক্তরা তরুণীর শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। এর পরেই কামরার ভিতরে বচসা ও হাতাহাতি শুরু হয়। যাত্রীরা ওই যুবকদের কয়েকজনকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে রেল পুলিশের হাতে তুলে দেন। কিন্তু অভিযোগ, পরে খাচরোদ স্টেশন থেকে আরও জনা ষাটেক যুবক দলবল নিয়ে ট্রেনে চড়াও হয়। তরুণীর পরিবারের দাবি, মহিলা ও শিশুদেরও বেল্ট দিয়ে বেধড়ক মারা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই নাগদা স্টেশনের বাইরে দুই পক্ষ জড়ো হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। উত্তেজনা চরমে পৌঁছলে আশপাশের সাতটি থানার পুলিশ এসে লাঠি উঁচিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টার পর রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে। উজ্জয়িনীর পুলিশ সুপার প্রদীপ শর্মা জানিয়েছেন, বর্তমানে সিসিটিভি ফুটেজ ও ভাইরাল ভিডিও খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশি টহল চলছে। বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িক রং না দেওয়ার জন্য প্রশাসনের তরফে আবেদন জানানো হয়েছে।
73 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 12:13 PM
শীতকালীন আনন্দ উপভোগ করাঃ গুড় সন্দেশের জন্য একটি সহজ রেসিপি

শীতকালীন আনন্দ উপভোগ করাঃ গুড় সন্দেশের জন্য একটি সহজ রেসিপি

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:কনকনে ঠান্ডার বিকেলে এক টুকরো নলেন গুড়ের মিষ্টি বাঙালির কাছে যেন এক টুকরো স্বর্গ। বর্তমানে বাজারে নানা ধরণের মিষ্টি পাওয়া গেলেও বাড়ির তৈরি খাবারের স্বাদই আলাদা। শীতের বিদায়বেলা আসার আগেই বাঙালির রসনাবিলাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে আজ রইল জিভে জল আনা নলেন গুড়ের সন্দেশ-এর অতি সহজ এক রেসিপি। উপকরণ:সন্দেশ তৈরি করতে আপনার হাতের কাছে রাখতে হবে ১ লিটার দুধের ছানা, আধ কাপ নলেন গুড় (ঝোল গুড়), সামান্য এলাচ গুঁড়ো এবং সাজানোর জন্য পেস্তা বা কাজু কুচি। প্রণালী: প্রথম ধাপ:প্রথমে দুধ থেকে টাটকা ছানা কাটিয়ে নিন। ছানাটি মসলিন কাপড়ে বেঁধে জল ঝরিয়ে নিতে হবে ভালো করে। দ্বিতীয় ধাপ:এবার একটি থালায় ছানা নিয়ে হাতের তালু দিয়ে মিনিট পাঁচেক খুব ভালো করে মেখে নিন, যাতে ছানা একেবারে নরম বা ‘স্মুথ’ হয়ে যায়। তৃতীয় ধাপ:কড়াইতে ছানা ও নলেন গুড় দিয়ে হালকা আঁচে নাড়তে থাকুন। খেয়াল রাখবেন যেন তলায় লেগে না যায়। মিশ্রণটি ঘন হয়ে কড়াই থেকে ছেড়ে আসতে শুরু করলে নামিয়ে নিন। চতুর্থ ধাপ:এবার নামানো মিশ্রণে সামান্য এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে আপনার পছন্দের ছাঁচে ফেলে অথবা হাতে গোল করে সন্দেশের আকার দিন। ওপরে একটু পেস্তা কুচি ছড়িয়ে দিলেই তৈরি খাঁটি নলেন গুড়ের সন্দেশ। শীতের এই মিঠে রোদে বাড়ির সকলকে নিয়ে এমন ঘরোয়া মিষ্টির স্বাদ নেওয়াই যায়। অতিথি আপ্যায়নেও এই সন্দেশ হতে পারে আপনার সেরা তুরুপের তাস।
87 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 12:07 PM
দিল্লিতে 14 বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেফতার

দিল্লিতে 14 বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেফতার

আজকাল ওয়েবডেস্ক:বাবার যৌন লালসার শিকার মেয়ে। শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রী যাওয়ার পরেই মেয়েকে যৌন নির্যাতন করতে শুরু করেন বাবা। ফাঁকা বাড়িতে দিনের পর দিন চলত এই যৌন অত্যাচার। শেষমেশ অভিযুক্ত যুবকের কীর্তি ফাঁস হল। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লিতে। মঙ্গলবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট্রাল দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকা থেকে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৪ বছর বয়সি কিশোরী মেয়েকে লাগাতার ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। দু'সপ্তাহ আগেই বিহারে বাপের বাড়িতে যান নির্যাতিতা কিশোরীর মা। গত ১৫ দিনে ফাঁকা বাড়িতে কমপক্ষে চার থেকে পাঁচবার কিশোরীকে ধর্ষণ করেন তার বাবা। পয়লা ফেব্রুয়ারিতেও ফাঁকা বাড়িতে বাবার যৌন লালসার শিকার হয় সে। শেষমেশ বাড়িওয়ালার সঙ্গে থানায় পৌঁছে বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায় কিশোরী। পুলিশকে নির্যাতিতা জানিয়েছে, ধর্ষণে বাধা দিতেই আরও শারীরিক নির্যাতন করতেন বাবা। গত ১৫ দিনে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন তাঁকে। মুখে কুলুপ এঁটে থাকার জন্য হুমকিও দিতেন। মা বাড়িতে ফিরে আসার আগেই থানায় অভিযোগ জানিয়েছে সে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরীর মেডিক্যাল টেস্ট করা হয়। অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় এবং পকসো ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশি জেরায় তিনি স্বীকার করেছেন, নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করে হুমকি দিয়েছেন তিনি। গত বছর এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল যোগীরাজ্যে। বাড়িতে ছিলেন না কেউ। নির্জনতার সুযোগে নিজের মেয়েকেই ধর্ষণের চেষ্টা করেন বাবার। যৌন নির্যাতনের পর মেয়েকে প্রাণে মারার হুমকিও দেন তিনি। হাড়হিম এই ঘটনার বর্ণনা শুনে শিউরে ওঠে খোদ পুলিশও। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছিল উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জে। পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছিল। ১১ বছর বয়সি নির্যাতিতার মা জানিয়েছিলেন, সেদিন তিনি বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। বাবার কাছে মেয়ে রয়েছে, এটা জেনে নিশ্চিন্তেই ছিলেন। বাপের বাড়ি থেকে ফিরে জানতে পারেন, ফাঁকা বাড়িতে মেয়েকে ধর্ষণ করেন বাবা। বাড়ি ফিরেই তিনি বিষয়টি মেয়ের থেকে জানতে পারেন। এরপরই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। নাবালিকার মা আরও জানিয়েছিলেন, মেয়েকে ধর্ষণের পর তাকে খুনের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। ধর্ষণের বিষয়টি বাইরে ফাঁস করলে খুনের হুমকিও দিয়েছিল। নির্যাতিতা তার মাকে জানিয়েছে, বিষ খাইয়ে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছিল বাবা। নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে নাবালিকাকে মেডিক্যাল টেস্টের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায় তারা। ঘটনার তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ।
34 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 12:00 PM
গাজোলে মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় ছেলেকে হাতুড়ি দিয়ে আক্রমণ

গাজোলে মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় ছেলেকে হাতুড়ি দিয়ে আক্রমণ

গাজোল:মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন কড়া পুলিশি পাহারার মধ্যেই দিনেদুপুরে এক নাবালকের ওপর চাকুর হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল গাজোলের(Gazol)বিদ্রোহী মোড় এলাকায়। মঙ্গলবার বেলা পৌনে দুটো নাগাদ গাজোল হাইস্কুল মাঠের এক প্রান্তে দুই নাবালকের বচসা থেকে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আক্রান্ত নাবালককে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে(Malda Medical College)স্থানান্তর করা হয়েছে। আক্রান্ত নাবালকের নাম দেবাশীষ বর্মন (১৫), সে হরিদাস গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ, সাহাজাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষীপুর গ্রামের বাসিন্দা গৌর রায় (১৬) নামের এক নাবালক পকেট থেকে ধারালো চাকু বের করে আচমকাই দেবাশীষের গলায় চালিয়ে দেয়। ঘটনার সময় মাধ্যমিক পরীক্ষার কারণে এলাকায় প্রচুর অভিভাবক ও পুলিশ মোতায়েন ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় গলা চেপে ধরে দেবাশীষ সাহায্য চাইতে গিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। স্থানীয়রাই তাকে উদ্ধার করে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়েই গাজোল থানার আইসি আশিস কুন্ডুর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী তদন্তে নামে। কিছুক্ষণের মধ্যেই নয়াপাড়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত গৌর রায়কে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত তিন দিন ধরে তাদের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে বিবাদ চলছিল। হামলার কারণ কি প্রেমঘটিত নাকি অন্য কোনও পুরনো শত্রুতা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে, তাতে নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট আতঙ্কে রয়েছেন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা।
50 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 11:58 AM
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের অপরিকল্পিত ভোটার তালিকা সংশোধনের সমালোচনা করেছে টিএমসি

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের অপরিকল্পিত ভোটার তালিকা সংশোধনের সমালোচনা করেছে টিএমসি

নোটবন্দি, লকডাউনের মতোই অপরিকল্পিত ভাবে SIR হচ্ছে। বাংলার ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ দিতে নতুন নতুন নিয়ম তৈরি করছে কমিশন। মঙ্গলবার দিল্লির চাণক্যপুরীর বঙ্গভবন থেকে উদাহরণ তুলে ধরে আক্রমণ শানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, মাইক্রো অবজার্ভারদের ব্যবহার করে ইচ্ছে মতো নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে কমিশনের সিস্টেমেরও ‘ত্রুটি’ তুলে ধরেন তিনি এবং দাবি করেন এর অকাট্য প্রমাণও তাঁর কাছে রয়েছে।এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক স্পষ্ট ভাবে আবারও জানান, বাংলার সরকার বা তৃণমূল কংগ্রেস SIR-এর বিপক্ষে নয়। কিন্ত যে ভাবে বর্তমানে কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ চলছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন,'আমরা SIR-এর বিরুদ্ধে নই। আমরা এই অপরিকল্পতি ভাবে SIR-এর বিরুদ্ধে। এটা যদি করার ছিল তা হলে ২০২৪-এর জুন থেকে কাজ শুরু করলেন না কেন? তখন তো আর কোনও নির্বাচন ছিল না! সময় নিয়ে অ্যাপ তৈরি করে এটা করাই যেত। কিন্তু নোটিফিকেশন এল ২৫-এর সেপ্টেম্বরে। ফর্ম দেওয়া হলো আরও পরে।’এখানেই শেষ নয় অভিষেকের মতে, বাংলায় টার্গেট করে নাম বাদ দেওয়ার কাজ চলছে। তিনি বলেন, ‘বাংলায় যে রুল রয়েছে, তা অন্য ১১টা জায়গায় যেখানে SIR চলছে, সেখানে নেই। বাংলার জন্য স্পেশাল শতাধিক মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। SIR নোটিফিকেশনে স্পষ্ট লেখা ছিল, ERO-ই ফাইনাল অথরিটি। তা হলে মাইক্রো অবজার্ভার কোথা থেকে এল! এরা নাকি ERO-দের কাজ দেখবে। এখন ERO-দের বসিয়ে মাইক্রো অবজার্ভাররা ব্যাকএন্ডে লগ ইন করছেন। নিজেদের ইচ্ছে মতো কাজ করছেন। কেস ডিসমিস করে দিচ্ছেন।’এর পরেই কমিশনের সিস্টেমের একটি ক্রুটি ধরে অভিষেক ব্যাখ্যা করেছেন কী ভাবে ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকরা যদি খুঁজে দেখেন তা হলে দেখবেন মাইক্রো অবজার্ভার অবজারভেশন আর রোল অবজার্ভার অবজারভেশন-এর জন্য আলাদা কলাম রয়েছে পোর্টালে। এ বার যদি এদের অবজার্ভেশন আলাদা হয়, মানে ERO-এর অবজার্ভেশনের সঙ্গে যদি এক না হয়, তা হলে ERO-এর কাছে একটা আলাদা পেজ খুলে যাচ্ছে। সেখানে আবার আসছে দুটো অপশন। একটা—আমি মাইক্রো অবজার্ভারের সঙ্গে সহমত এবং দ্বিতীয়— মাইক্রো অবজার্ভারের সঙ্গে সহমত নই। এ বার কেউ যদি মাইক্রো অবজার্ভারের সঙ্গে সহমত নই-অপশনের চেকবক্সে ক্লিক করেন তা হলে কেস ক্লোজ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যদি কেউ ভুল করে দ্বিতীয় বক্সে ক্লিক করে ফেলেন, তা হলে ওই ভোটারের নাম আপনাআপনি ডিলিট হয়ে যাচ্ছে। আমার কাছে এর প্রমাণ আছে।’মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরেই কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করারও অভিযোগ করেছেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর অভিযোগ,‘আদালত স্পষ্ট করে বলেছিল, আনম্যাপড এবং লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির লিস্ট পৃথক ভাবে প্রকাশ করতে হবে। কিন্ত কমিশন এখন তার নামই বদলে ফেলে ডিসক্রিপেন্সি ম্যাপ করে দিয়েছে। কিন্তু তা শুধুই ERO পোর্টালেই আপলোড হয়েছে। প্রকাশ্যে আসেনি।’ কমিশনের বিরুদ্ধে ক্রমশই সুর চড়াচ্ছেন তৃণমূলে
14 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 11:51 AM
বেঙ্গালুরুতে অষ্টম তলা থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

বেঙ্গালুরুতে অষ্টম তলা থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

আজকাল ওয়েবডেস্ক:বন্ধুদের সঙ্গে দেদার মদ্যপান। তুমুল হুল্লোড় শেষে বাড়ি ফিরেই ঘটল অঘটন। আবাসনের ব্যালকনি থেকে মত্ত অবস্থায় নীচে পড়ে যায় এক কিশোর। ঘটনাস্থলেই মর্মান্তিক পরিণতি হল তার। যে ঘটনায় এলাকা জুড়ে তুমুল শোরগোল পড়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। মঙ্গলবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে মত্ত অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবাসনের আটতলা থেকে নীচে পড়ে যায় এক কিশোর। মাটিতে ধপ করে পড়েই মৃত্যু হয়েছে ১৫ বছরের কিশোরের। জানা গেছে, সেই রাতেই বন্ধুদের সঙ্গে শহরের এক নামী পানশালায় মদ্যপান করতে গিয়েছিল ওই কিশোর। মদ্যপান করে বাড়ি ফেরার পরেই অঘটন ঘটে। কিশোরদের মদ্যপানের ঘটনা ঘিরে ওই নামী পানশালার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করতে চলেছে পুলিশ। ড. বিষ্ণুবর্ধন রোডের মাতৃ আলপাইন অ্যাপার্টমেন্টে ঘটনাটি ঘটেছে। ওই আবাসনেই থাকত কিশোর। পানশালায় বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপানের পর বাড়ি ফিরেছিল সে। বাড়ির ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ছিল সেই সময়। আচমকাই ব্যালকনি থেকেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীচে পড়ে যায় দশম শ্রেণির ছাত্র। এই ঘটনার পরেই রাজারাজেশ্বরী থানায় অভিযোগ দায়ের করে কিশোরের পরিবার। ঘটনাটি ঘিরে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। কীভাবে কিশোর ব্যালকনি থেকে পড়ে যায়, আদৌ এ ঘটনায় পানশালার কোনও ভূমিকা রয়েছে কিনা, ১৮ বছরের নীচে কেন ওই পানশালায় মদ্যপানের চল রয়েছে, সবটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গত মাসেই এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। বাবা-মায়ের বাড়িতেই সর্বনাশ তরুণ ইঞ্জিনিয়ারের। আবাসনের ১৭তলা থেকে ঠাস করে মাটিতে পড়ে মৃত্যু ২৬ বছরের ইঞ্জিনিয়ারের। যে ঘটনায় শোকের ছায়া পরিবারে। ঘটনায় হতবাক প্রতিবেশীরাও। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। বুধবার পুলিশ জানিয়েছে, এক আবাসনের ১৭তলা থেকে পড়ে গিয়ে ২৬ বছরের এক ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু হয়েছে। মৃত তরুণের নাম, নিকশাপ। ইউরোপে ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে ফিরে এক নামী কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। তিনি থাকতেন হসরঘাট্টা এলাকার গৌড়ীয় মঠে। বুধবার বেঙ্গালুরুর শেট্টিহাল্লি এলাকায় প্রিন্স টাউন অ্যাপার্টমেন্টে বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেই অ্যাপার্টমেন্টের ১৭তলা থেকে পড়েই তরুণ ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। মামলা রুজু করে শুরু হয়েছে তদন্ত। ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশকে মৃত তরুণের বাবা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় ভুগছিলেন। চিকিৎসাও চলছিল তাঁর। অসুস্থতার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ১৭ তলা থেকে পড়ে গিয়েছিলেন নাকি কেউ ধাক্কা দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেলে দিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
20 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 11:50 AM
রণবীর সিং-এর ছবি'ধুরন্ধর 2'উস্কানিমূলক সংলাপ নিয়ে আইনি স্যুপে অবতরণ করেছে

রণবীর সিং-এর ছবি'ধুরন্ধর 2'উস্কানিমূলক সংলাপ নিয়ে আইনি স্যুপে অবতরণ করেছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:পর্দার ‘হামজা আলি’ ওরফে রণবীর সিং (Ranveer Singh) যখন তাঁর বিধ্বংসী সংলাপ—“এটা নতুন হিন্দুস্থান, ঘরে ঢুকে মারতেও পিছপা হয় না”—দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় উন্মাদনা তৈরি করছেন, ঠিক তখনই বাস্তবের মাটিতে আইনি বিপাকে পড়ল তাঁর নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর ২’ (Dhurandhar 2 Legal Trouble)। টিজার মুক্তির আনন্দ ফিকে করে দিয়ে পরিচালক আদিত্য ধরের টিমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল মুম্বই পুলিশ। কোনো বিতর্কিত সংলাপ নয়, বরং বিনা অনুমতিতে ড্রোন উড়িয়ে শুটিং করার অভিযোগে বিদ্ধ এই বলিউড প্রজেক্ট। ঘটনার সূত্রপাত গত ৩০ জানুয়ারি থেকে দক্ষিণ মুম্বইয়ের ফোর্ট এলাকায় চলছে ‘ধুরন্ধর ২’-এর শুটিং। পাকিস্তানের লিয়ারি শহরের আদলে তৈরি করা হয়েছে এক বিশাল সেট। এই ব্যস্ততম এলাকায় সঞ্জয় দত্ত ও রণবীর সিংকে নিয়ে চলছিল ধুন্ধুমার অ্যাকশন দৃশ্যের চিত্রায়ন। অভিযোগ উঠেছে, এই শুটিং চলাকালীন ড্রোন ব্যবহার করার জন্য প্রশাসনের থেকে কোনো আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি। কড়া নিরাপত্তায় শিথিলতা ও এফআইআর দক্ষিণ মুম্বইয়ের এই ফোর্ট এলাকাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর এবং একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে আকাশযান বা ড্রোন ব্যবহারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ জারি থাকে। মুম্বই পুলিশের দাবি, নিয়ম লঙ্ঘন করে বিনা অনুমতিতে ড্রোন উড়িয়ে আকাশসীমা সংক্রান্ত সুরক্ষা বিধি ভেঙেছে ‘ধুরন্ধর ২’-এর টিম। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করারয় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২২৩ ধারা অনুযায়ী লোকেশন ম্যানেজার রিঙ্কু রাজপাল বাল্মীকির বিরুদ্ধে এমআরএ মার্গ থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এই ধরণের সংবেদনশীল এলাকায় ড্রোন ওড়ানোর আগে পুলিশের ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, যা নির্মাতারা করেননি। ছবির ভবিষ্যৎ ও উন্মাদনা আইনি জটিলতা থাকলেও ছবিটিকে (Bollywood News) ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা তুঙ্গে। আদিত্য ধরের পরিচালনায় এই স্পাই-থ্রিলারে রণবীর সিংয়ের লুক ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে। তবে শুটিংয়ের মাঝপথে পুলিশের এই পদক্ষেপ এবং মামলা দায়ের হওয়াতে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়েছেন প্রযোজক ও কলাকুশলীরা। এখন দেখার, এই আইনি লড়াই সামলে কবে বড় পর্দায় হাজির হয় ‘ধুরন্ধর ২’।
70 shares
😢