Achira News Logo
Achira News
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 12:49 PM
সহজ দৈনন্দিন অভ্যাসের মাধ্যমে উদ্বেগ পরিচালনা করা

সহজ দৈনন্দিন অভ্যাসের মাধ্যমে উদ্বেগ পরিচালনা করা

আজকের ব্যস্ত জীবনে উদ্বেগ খুবই সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজের চাপ, পারিবারিক দায়িত্ব, আর্থিক চিন্তা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা-সব মিলিয়ে অনেকেই সারাক্ষণ মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে মানুষ মনে করেন, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে ওষুধই একমাত্র উপায়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ দৈনন্দিন অভ্যাস বদলালেই ওষুধ ছাড়াও উদ্বেগ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চিকিৎসকেরা বলেন, আমাদের শরীর ও মন একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই দৈনন্দিন জীবনে ছোট কিছু পরিবর্তন আনলেই মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। *প্রথমত সকালের সূর্যালোক খুব গুরুত্বপূর্ণ। সকালে অন্তত ১০–১৫ মিনিট খোলা জায়গায় সূর্যের আলোয় থাকলে শরীরের ঘুম ও জেগে থাকার ঘড়ি ঠিক থাকে। এতে মুড ভাল হয় এবং অকারণ দুশ্চিন্তা কমে। সকালে হাঁটাহাঁটি করলে এর উপকার আরও বেশি পাওয়া যায়। *সময়ে খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শরীরে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। এর ফলে বুক ধড়ফড় করা, অস্থিরতা বা ভয় লাগার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যাকে অনেক সময় অ্যাংজাইটি বলে ভুল মনে হয়। তাই দিনে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেলে এই সমস্যা কমে। *ভাল ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় ওষুধ। নিয়মিত কম ঘুম হলে মস্তিষ্ক ঠিকভাবে বিশ্রাম পায় না, ফলে উদ্বেগ বাড়ে। প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করা উচিত। রাতে ঘুমানোর আগে মোবাইল বা টিভি এড়িয়ে চললে ঘুম ভাল হয়। *ক্যাফেইন কমানো দরকার। অতিরিক্ত চা বা কফি স্নায়ুকে উত্তেজিত করে তোলে, যার ফলে অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে। যাঁরা খুব বেশি অ্যাংজাইটি অনুভব করেন, তাঁদের ক্যাফেইন সীমিত রাখাই ভাল। *নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি। সারাদিন বসে কাজ করলে শরীরে ও মনে টান তৈরি হয়। দিনে ২০–৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করলে শরীরে ‘ভাল লাগার হরমোন’ নিঃসৃত হয়, যা উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। *স্ক্রিন টাইম কমানো জরুরি। সারাক্ষণ মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা খবর দেখলে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত তথ্য জমে যায়, যা মানসিক চাপ বাড়ায়। বিশেষ করে ঘুমের আগে ফোন ব্যবহার না করাই ভাল। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, অ্যাংজাইটি সবসময় ওষুধের ওপর নির্ভর করে কমাতে হবে, এমন নয়। নিয়মিত জীবনযাপন, সঠিক ঘুম, খাবার ও কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মানসিক চাপ অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে। তবে যদি উদ্বেগ খুব বেশি হয় বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে, সেক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
8 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 10:47 AM
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মিষ্টি ফলঃ কল্পকাহিনী থেকে সত্যকে আলাদা করা

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মিষ্টি ফলঃ কল্পকাহিনী থেকে সত্যকে আলাদা করা

সবেদা অনেকেরই প্রিয় ফল। মিষ্টি স্বাদ, নরম শাঁস আর সহজলভ্য হওয়ার কারণে এই ফল বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু ডায়াবেটিসে ভুগলে মিষ্টি ফল খেতে ভয় পান অনেকেই। বিশেষ করে সবেদা খাওয়া নিয়ে সংশয় থাকে বিস্তর। কিন্তু ডায়াবেটিসে কি সবেদা খাওয়া সত্যি বিপজ্জনক? নাকি আদতে এটি ভুল ধারণা? আসুন জেনে নেওয়া যাক- বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলে সবেদা একেবারে খাওয়া চলবে না, এমনটা নয়। তবে এই ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণ ও সময়ের দিকে খুব সতর্ক থাকতে হবে। কারণ সবেদায় প্রাকৃতিকভাবে চিনি বা শর্করার মাত্রা বেশি থাকে। ফলে বেশি পরিমাণে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। সবেদায় রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এগুলি শরীরের জন্য উপকারী এবং হজমেও সাহায্য করে। ফাইবার থাকায় এটি শর্করা শোষণের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে অল্প পরিমাণে খেলে রক্তে সুগার খুব দ্রুত বাড়ে না। তবে সমস্যা হয় তখনই, যখন পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে না। সবেদার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাঝারি মাত্রার। এর মানে হল, এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ায়। কিন্তু প্রতিদিন বা বেশি পরিমাণে খেলে এই সুবিধা আর থাকে না। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, একবারে কতটা খাওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে সপ্তাহে ২-৩ দিন অর্ধেক বা ছোট একটি সবেদা খাওয়া যেতে পারে। প্রতিদিন পুরো সবেদা খাওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে যাঁদের রক্তে সুগার প্রায়ই ওঠানামা করে, তাঁদের সবেদা এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সময়। সবেদা সকালে বা দুপুরে খাওয়াই ভাল। রাতে বা খালি পেটে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে। অনেক পুষ্টিবিদ পরামর্শ দেন, সবেদা একা না খেয়ে দই, বাদাম বা অন্য আঁশযুক্ত খাবারের সঙ্গে খেলে সুগার বাড়ার ঝুঁকি কিছুটা কমে। যাঁদের ডায়াবেটিস নতুন ধরা পড়েছে বা যাঁরা ইনসুলিন নেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্কতা প্রয়োজন। সবেদা খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করে দেখা ভাল, যাতে শরীরের প্রতিক্রিয়া বোঝা যায়। তাই একথা বলাই যায়, ডায়াবেটিস থাকলেও চিকু পুরোপুরি বাদ দিতে হবে, এমন নয়। কিন্তু প্রতিদিন খাওয়া ঠিক নয়। পরিমাণ কম রাখতে হবে, সময় মেনে খেতে হবে এবং রক্তে শর্করার মাত্রার উপর নজর রাখতে হবে।
97 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 10:08 AM
সর্বোত্তম স্বাস্থ্যের জন্য শণ বীজের 7টি অলৌকিক উপকারিতা খুলে দিন

সর্বোত্তম স্বাস্থ্যের জন্য শণ বীজের 7টি অলৌকিক উপকারিতা খুলে দিন

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:আধুনিক জীবনযাত্রায় সুস্থ থাকাটাই এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই লড়াইয়ে পুষ্টিবিদদের পছন্দের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে ‘ফ্ল্যাক্স সিড’ বা তিসি বীজ (Flax Seeds) । ছোট এই দানাগুলো কেবল খাবার নয়, বরং শরীরের জন্য এক অনন্য রক্ষাকবচ। যারা নিয়মিত এটি ডায়েটে রাখেন, তাদের শরীরে একগুচ্ছ ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। জেনে নিন তিসি বীজের ৭টি জাদুকরী উপকারিতা: ১. ওজন নিয়ন্ত্রণ: দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখার অনুভূতি দেয় এই বীজ, ফলে বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। ২. হরমোনের ভারসাম্য:তিসি বীজে থাকা ‘লিগনান’ উপাদান মহিলাদের পিসিওডি এবং মেনোপজের পরবর্তী শারীরিক সমস্যাগুলো প্রশমিত করতে সাহায্য করে। ৩. সুগার নিয়ন্ত্রণ:টাইপ-২ ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য এটি ওষুধের মতো কাজ করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়তে দেয় না। ৪. ক্যানসার প্রতিরোধ:প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি স্তন ও কোলন ক্যানসারের মতো মারণ রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। ৫. উজ্জ্বল ত্বক ও মজবুত চুল:ওমেগা-৩ ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং চুলের গোড়া শক্ত করে অকালপক্কতা ও চুল পড়া রোধ করে। ৬. হজমে মুক্তি:এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে এবং হজমশক্তি বাড়ায়। ৭. সুস্থ হার্ট:ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ তিসি বীজ রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ কমিয়ে দেয়। খাওয়ার সঠিক নিয়ম:তিসি বীজ সরাসরি আস্ত না খেয়ে সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে খাওয়া সবচেয়ে কার্যকর। প্রতিদিন ১-২ চা চামচ গুঁড়ো তিসি দই, ওটস বা স্মুদির সঙ্গে মিশিয়ে অনায়াসেই খাওয়া যায়। ছোট এই বীজের নিয়মিত অভ্যাস আপনাকে দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতার পথ দেখাবে।
48 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 07:09 AM
ফুসফুসের স্বাস্থ্যঃ দৈনিক প্রাণায়াম অনুশীলনের উপকারিতা

ফুসফুসের স্বাস্থ্যঃ দৈনিক প্রাণায়াম অনুশীলনের উপকারিতা

ব্যস্ততার যুগে সময় নেই জিমে যাওয়ার। অথচ নিজেকে সুস্থ না রাখলেই নয়। তাই ব্যস্ততার মাঝেও সকালবেলা সময় বার করতে পারেন প্রাণায়ামের জন্য। এটি ব্যায়ামের এমন এক পদ্ধতি যা ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট থেকে রেহাই দেয়, অনিদ্রার সমস্যাও দূর করে। প্রাণায়াম নিয়মিত করলে মানসিক স্বাস্থ্যও ভাল থাকে। মনঃসংযোগ বাড়ে ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কমে। রোজ প্রাণায়ামের অভ্যাস ফুসফুস সুস্থ রাখে। ফলে শ্বাসযন্ত্রের নানা সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায় সহজে। দূরে থাকে হাঁপানি-সহ শ্বাসনালির নানা রোগ। এ ছাড়া বাড়ে হজম করার ক্ষমতাও। প্রাণায়ামকে প্রশিক্ষকেরা বলেন অক্সিজেন থেরাপি, যা কোনও যন্ত্রের মাধ্যম ছাড়াই সারা শরীরে অক্সিজেনের প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখতে পারে। বেশ কিছু প্রাণায়ামে জটিল রোগ থেকেও রেহাই পাওয়া যায়। সহজ প্রাণায়ামের কিছু পদ্ধতি কপালভাতি আরামদায়ক কোনও একটি আসনের ভঙ্গিতে বসুন, তা পদ্মাসন, বজ্রাসন বা সুখাসনও হতে পারে। মাথা ও মেরুদণ্ড সোজা রাখুন। দুই হাতকে জ্ঞান মুদ্রার (বুড়ো আঙুল ও তর্জনী জুড়ে হাতের তালুকে উপরের দিকে রাখতে হবে) ভঙ্গিতে রাখুন। স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে শ্বাস নিন। শ্বাস ছাড়ার সময় পেটের পেশির উপর চাপ দিতে হবে। দ্রুত শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে। এই ভাবে দ্রুত লয়ে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে ১০-২০ বার। পাঁচ সেটে এই প্রাণায়াম নিয়মিত করলে সুফল পাওয়া যাবে। ভ্রামরিপ্রাণায়াম ম্যাটের উপরে শিরদাঁড়া সোজা করে পা মুড়ে বসুন। মাথা ও ঘাড় টান টান রাখুন। দু’হাত থাকুক দুই হাঁটুর উপরে। এ বার মুখমণ্ডলের দিকে খেয়াল করুন। ঠোঁট যেন বন্ধ থাকে, কিন্তু দাঁতে দাঁত চেপে রাখবেন না। কনুই ভাঁজ করে হাত কানের কাছে আনুন। মধ্যমা কিংবা মাঝের আঙুল দিয়ে কান বন্ধ করুন। এ বার নাক দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নিন। নাক দিয়ে শ্বাস ছাড়ার সময় গলা থেকে মৌমাছির মতো গুনগুন শব্দ করুন। মুখ খুলবেন না, শব্দ বার হবে গলা থেকে। যত ক্ষণ পারবেন, শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে ধীরে ধীরে গুনগুন শব্দ করবেন। ভস্ত্রিকাপ্রাণায়াম পিঠ সোজা রেখে বসুন। এ বার গভীর ভাবে শ্বাস টানুন। কিছু ক্ষণ ধরে রেখে শ্বাস ছেড়ে দিন। প্রতি ক্ষেত্রে যতটা শ্বাস নেবেন, ততটাই ছাড়তে হবে। তিন থেকে ছ’মিনিট এই প্রাণায়ামটি করা উচিত। শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, সাইনাসের সমস্যা থাকলে এই প্রাণায়াম দারুণ উপকারী। অনুলোম-বিলোম অনুলোমের ক্ষেত্রে এক দিকের নাক বন্ধ থাকবে। প্রথমে ডান দিকের নাকের ছিদ্র চেপে ধরে, বাঁ দিক দিয়ে শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার কাজ করতে হবে। পরে বাঁ দিকের নাকের ছিদ্র চেপে ধরে, ডান দিক দিয়ে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে। এই প্রাণায়ামে শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হবে হবে তিন ধাপে। বিলোমের বেলায় দুই নাসারন্ধ্র দিয়েই একসঙ্গে শ্বাস টানতে হবে। প্রথমে কিছুটা শ্বাস নিয়ে দু’সেকেন্ড থামতে হবে। আবার শ্বাস নিতে হবে। ফের দু’সেকেন্ড থেমে শেষ ধাপে পুরো শ্বাস নিতে হবে। ছাড়তেও হবে একই পদ্ধতিতে থেমে থেমে তিন ধাপে।
33 shares
😊
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 05:20 AM
মুম্বাইয়ে মালাইকা অরোরার বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ'স্কারলেট হাউস': বলিউড তারকাদের জন্য একটি হটস্পট

মুম্বাইয়ে মালাইকা অরোরার বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ'স্কারলেট হাউস': বলিউড তারকাদের জন্য একটি হটস্পট

বলিউড তারকারা অভিনয়ের পাশাপাশি অনেকেই ব্যবসা করেন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের রয়েছে রেস্তরাঁর ব্যবসা। মুম্বইয়ের বান্দ্রায় রয়েছে মলাইকা অরোরারও একটি রেস্তরাঁ। ৯০ বছরের পুরনো পর্তুগিজ় একটি বাংলোয় মলাইকার রেস্তরাঁ। প্রায়ই এখানে ভিড় জমান বলিউডের তারকারা। মলাইকা নিজে স্বাস্থ্যসচেতন। তাই তাঁর রেস্তরাঁতেও রয়েছে এমন সব খাবার যা স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই তৈরি। তবে খাবারের দামও নাকি আকাশছোঁয়া। মেনুতে রয়েছে ৫৫০ টাকার খিচুড়ি থেকে শুরু করে প্রায় ৩০ হাজার টাকার শ্যাম্পেন। জলের দামও নাকি চোখে পড়ার মতো। রেস্তরাঁর নাম ‘স্কারলেট হাউজ়’। ধবন উদেশি ও মলয়া নাগপালের তৈরি এই রেস্তরাঁর অর্ধেক মালিকানা মলাইকা ও তাঁর পুত্র অরহান খানের। আড়াই হাজার বর্গফুট জুড়ে তৈরি এই রেস্তরাঁয় রয়েছে বার, সঙ্গে একটি ক্যাফেও। রেস্তরাঁর অন্দরসজ্জাতেও রয়েছে শিল্পের ছোঁয়া। এই রেস্তরাঁয় যে জল পাওয়া যায়, সেটাও স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা। এক বোতল জলের দাম ৩৫০ টাকা। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে এখানে এক বিশেষ জল সাহায্য করে। ক্লান্তি, ত্বকের বলিরেখা দূর করতেও নাকি এই পানীয়। বিট, বেদানা, তরমুজ, কারি পাতা ও লেবু দিয়ে তৈরি এক বিশেষ পানীয় এই রেস্তরাঁর বিশেষ আকর্ষণ। এই পানীয় নাকি ভাল চুল পাওয়ার জন্য অনেকেই পান করেন। এক গ্লাসের দাম ৪৫০ টাকা। অ্যালকোহলমুক্ত পানীয়ের দাম এই রেস্তরাঁয় ৬৫০ থেকে ৭০০-র মধ্যে। অন্য দিকে সবচেয়ে দামি ককটেলের দাম ২৯ হাজার টাকা। রেস্তরাঁয় রয়েছে ১০০ আসনের ব্যবস্থা। মশলা খিচুড়ি মেলে ৫৫০ টাকায়। অ্যাভোকাডো টোস্ট পাওয়া যায় ৬২৫ টাকায়, অন্য দিকে এক বিশেষ স্যালাডের দাম ৭২০ টাকা। এই রেস্তরাঁর অন্যতম আকর্ষণ লুধিয়ানার বাটার চিকেন, যার দাম ৭৫০ টাকা। মলাইকা নিজে যে ধরনের খাবার খান, তার থেকেই এই রেস্তরাঁর মেনু অনুপ্রাণিত। অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছিলেন।
62 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 04:02 AM
কোভিড-পরবর্তী যুগে সুস্থ থাকাঃ দীর্ঘ জীবনের জন্য সহজ অভ্যাস

কোভিড-পরবর্তী যুগে সুস্থ থাকাঃ দীর্ঘ জীবনের জন্য সহজ অভ্যাস

কোভিড পরবর্তী বিশ্বে মানুষ স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন। কিন্তু তা সত্ত্বেও বেড়েই চলেছে ডায়াবিটিস, কোলেস্টেরলের রোগীর সংখ্যা। বাড়ছে হাড়ের সমস্যা। কম বয়সিরাও ভুগছে জয়েন্টের ব্যথায়। নেপথ্যে দায়ী সেডেন্টারি লাইফস্টাইল। দৈনন্দিন জীবনে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুললে এই ধরনের সমস্যা সহজেই এড়াতে পারবেন। সারাদিন শারীরিক ভাবে সক্রিয় থাকা, এক জায়গায় বসে না থাকা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া—এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। তবে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম ৩০ মিনিট কী করবেন জানেন?৭-৮ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুম একাধিক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আর এই নিরবচ্ছিন্ন ঘুমে আপনি জল খান না। তাই ঘুম থেকে ওঠার পরে শরীর ডিহাইড্রেট থাকে। তাই বিছানা থেকে নামা মাত্র জল পান করুন। এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জল পান করতে পারেন। এ ছাড়া ঈষদুষ্ণ লেবুর জলও খেতে পারেন। বরং, চা-কফি সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলুন।মুখ ধোয়া, স্নান করার মতো প্রাত্যহিক কাজগুলো শুরু করার আগে একটু স্ট্রেচিং করে নিন। হালকা স্ট্রেচিং করতে পারেন। ৫-১০ মিনিট করলেই হবে। এতে শরীরে ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে এবং জয়েন্টের স্টিভনেস বা কঠোর ভাব এড়াতে পারবেন। পাশাপাশি কাজ করার এনার্জি পাবেন।সকালের রোদ স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী। এটি শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ করে। তাই অন্তত ১৫ মিনিট রোদে দাঁড়ান। এই অভ্যাস সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী।একদম ওয়ার্কআউট না করলে স্ট্রেচিং করে নিন। আর ফিট থাকতে হলে সকালবেলাই এক্সারসাইজ় সেরে নিন। ব্রিস্ক ওয়াকিং, সাইকেলিং, সুইমিং করতে পারেন। কিংবা জিমে গিয়েও ঘাম ঝরাতে পারেন। দিনের শুরুতেই শরীরচর্চা করে নেওয়া জরুরি। এতে সারাদিন কাজ করার এনার্জি মেলে এবং মন ভালো থাকে।সারাদিন কী কী করবেন, কী রান্না করবেন, কখন কোথায় যাবেন— সব প্ল্যান সেরে রাখুন। এতে সারাদিন যতই ব্যস্ততা থাকুক, সব কাজ সময় মতো করতে পারবেন।
45 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 1, 2026, 10:21 AM
মেথি রাইতাঃ ডায়াবেটিস এবং ওজন পরিচালনার জন্য একটি সুস্বাদু এবং ঔষধি রেসিপি

মেথি রাইতাঃ ডায়াবেটিস এবং ওজন পরিচালনার জন্য একটি সুস্বাদু এবং ঔষধি রেসিপি

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:ডায়াবিটিস ধরা পড়লেই রসনাতৃপ্তিতে একপ্রকার দাঁড়ি পড়ে যায়। বেশি নোনতা, মিষ্টি কিংবা তেল-ঝাল মশলা সবকিছুতেই চলে আসে হাজারো বিধিনিষেধ। কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য কি স্বাদের সঙ্গে সবসময় আপস করতেই হয়? পুষ্টিবিদরা বলছেন একদমই নয়। এমন কিছু খাবার আছে যা যেমন সুস্বাদু, তেমনই শরীরের জন্য মহৌষধ। ‘মেথির রায়তা’ তেমনই এক অব্যর্থ পদ (Recipe)। কেন খাবেন মেথির রায়তা? মেথি প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণে ভরপুর। এটি শরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে ওস্তাদ। ইনসুলিন রক্তে উপস্থিত শর্করাকে ভেঙে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে, ফলে গ্লুকোজের মাত্রা বিপদসীমার নিচে থাকে। শুধু ডায়াবিটিস নয়, যাঁরা ওজন কমাতে চাইছেন বা বাড়তি মেদ নিয়ে চিন্তিত, তাঁদের জন্যও এই রায়তা দারুণ উপকারী। দুপুরে বা সকালে এক বাটি মেথির রায়তা শরীরকে যেমন চনমনে রাখে, তেমনই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধ করে মেদ জমতে দেয় না। উপকরণ: আধ কাপ টাটকা মেথি শাক ১ কাপ দই ২ চা চামচ রসুনকুচি ১টি কাঁচা লংকাকুচি সামান্য জিরে স্বাদমতো বিট নুন প্রয়োজনমতো তেল সামান্য চাট মশলা প্রণালী: প্রথমে একটি প্যানে সামান্য তেল গরম করে তাতে জিরে ফোড়ন দিন। এবার রসুনকুচি দিয়ে হালকা ভাজুন। রসুনের কাঁচা গন্ধ চলে গেলে কুচোনো মেথি শাক দিয়ে দিন। আঁচ বাড়িয়ে মিনিট খানেক নাড়াচাড়া করে কাঁচা লংকা মিশিয়ে নিন। শাক নরম হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। অন্য একটি পাত্রে দই ও বিট নুন দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এবার আগে থেকে তৈরি করে রাখা মেথির মিশ্রণটি দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে দিন। পরিবেশনের আগে উপর থেকে সামান্য চাট মশলা ছড়িয়ে দিলেই তৈরি জিভে জল আনা পুষ্টিকর মেথি রায়তা। প্রতিদিনের ডায়েটে এই সহজ পদটি রাখলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ে দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমবে।
78 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 1, 2026, 10:21 AM
মাইন্ডফুল ইটিং-এর পরিপাক উপকারিতাঃ পোস্ট-মিল গ্যাস হ্রাস করার জন্য একটি গাইড

মাইন্ডফুল ইটিং-এর পরিপাক উপকারিতাঃ পোস্ট-মিল গ্যাস হ্রাস করার জন্য একটি গাইড

খাওয়ার পর গ্যাস, পেট ফোলা বা অস্বস্তি হওয়া খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। তবে অনেক ক্ষেত্রেই জীবনযাপনের পরিবর্তনেই বড় পার্থক্য দেখা যায়। সাধারণত খাবার ঠিকমতো হজম না হলে বা অজান্তেই কিছু অভ্যাসে গ্যাস তৈরি হয়, যা হজম প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। কী খাচ্ছেন এবং কীভাবে খাচ্ছেন, এই বিষয়ে একটু সচেতন হলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল থাকে এবং খাবারের পর শরীর অনেক হালকা অনুভব হয়। ধীরে খান এবং ভাল করে চিবিয়ে নিন খাবারের পর গ্যাস হওয়ার অন্যতম কারণ হল খুব দ্রুত খাওয়া। তাড়াহুড়ো করে খেলে বড় বড় খাবারের টুকরো পাকস্থলীতে পৌঁছে যায়। এরপর সেগুলোকে ছোট কণায় ভাঙতে পাকস্থলীর বেশি পরিশ্রম করতে হয়, যা গ্যাস্ট্রিক এম্পটিং ধীর করে দেয় এবং গ্যাস ও ভারীভাবের সৃষ্টি করে। ভালভাবে চিবোলে খাবার যান্ত্রিকভাবে ভাঙে এবং লালার সঙ্গে মিশে যায়, যেখানে থাকা এনজাইম হজম প্রক্রিয়া শুরু করে দেয়। পাশাপাশি ধীরে খেলে অতিরিক্ত বাতাস গেলার সম্ভাবনাও কমে। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার কমান, কারণ এগুলো হজম ধীর করে ভাজাভুজি, অতিরিক্ত তেল, মাখন, চিজ বা ক্রিমজাত খাবার হজম করা তুলনামূলকভাবে কঠিন। কার্বোহাইড্রেট বা প্রোটিনের তুলনায় ফ্যাট হজমে বেশি সময় লাগে, ফলে ভারী ও তৈলাক্ত খাবার পাকস্থলীতে দীর্ঘক্ষণ থেকে যায়। এর ফলেই পেটে টান লাগা, ফোলা ভাব বা গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়।ভাপানো, গ্রিল করা বা হালকা ভাজা খাবার হজমের পক্ষে সহজ। অল্প করে বারবার খান একবারে খুব বেশি খাবার খেলে হজমতন্ত্রের উপর হঠাৎ চাপ পড়ে। দিনে দু’বার ভারী খাবার খাওয়ার বদলে খাবারকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নেওয়া ভাল। এতে অতিরিক্ত খাওয়া এড়ানো যায়, হজম প্রক্রিয়া মসৃণ থাকে এবং গ্যাস জমার সম্ভাবনাও কমে। কম পরিমাণ খাবার পাকস্থলী সহজে সামলাতে পারেষ এবং এতে অ্যাসিড রিফ্লাক্স ও পেট ফোলার মতো ঝুঁকিও কমে। যেসব খাবার সাধারণত গ্যাস তৈরি করে, সেগুলোর পরিমাণে সতর্ক থাকুন কিছু খাবার তাদের ফাইবারের মাত্রা ও অন্ত্রে ফারমেন্ট হওয়ার স্বভাবের কারণে স্বাভাবিকভাবেই বেশি গ্যাস তৈরি করে। ডাল, বাঁধাকপি, ব্রোকলি ও ফুলকপি স্বাস্থ্যকর হলেও অনেকের ক্ষেত্রে গ্যাসের কারণ হয়। কার্বনেটেড পানীয় শরীরে অতিরিক্ত বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। এই ধরনের খাবার খাওয়ার পর অস্বস্তি হলে পরিমাণ কমিয়ে দিন বা আদা, জিরার মতো হজম সহায়ক উপাদানের সঙ্গে খান।খাদ্যতালিকায় প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক রাখুন ভাল ব্যাকটেরিয়া হজম সুস্থ রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টক দই ও ঘোলের মতো প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক অন্ত্রে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, হজম প্রক্রিয়া মসৃণ করে এবং গ্যাস ও পেট ফোলা কমায়। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে প্রোবায়োটিক খেলে দীর্ঘমেয়াদে হজমের ভাল উপকার পাওয়া যায়। খাওয়ার পরেই শুয়ে পড়বেন না খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে হজমের গতি কমে যায়। গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়তে পারে। বিশেষ করে রাতে খাবারের পর ঘুমোতে যাওয়ার আগে অন্তত দু’ঘণ্টার বিরতি রাখা উচিত। খাওয়ার পর ১০–১৫ মিনিট হালকা হাঁটাহাঁটি করলে হজমে উদ্দীপনা তৈরি হয়, পাকস্থলী দ্রুত খালি হতে সাহায্য করে এবং গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকটাই কমে।
100 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 1, 2026, 07:30 AM
ব্রাউন রাইস কেকঃ ওজন কমানোর জন্য একটি অপরাধ-মুক্ত জলখাবার

ব্রাউন রাইস কেকঃ ওজন কমানোর জন্য একটি অপরাধ-মুক্ত জলখাবার

চিনিই সবচেয়ে বড় শত্রু, এমনই মনে করছেন চিকিৎসকেরা। স্থূলত্ব থেকে ডায়াবিটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল থেকে হাইপারটেনশন— সবের জন্যই চিনিকে দোষী করা হয়েছে। তার সঙ্গেই যোগ হয়েছে ময়দা। এখনকার সময়ে খাওয়াদাওয়ার যে ধারা চলছে, তাতে চিনি-ময়দাকে বাতিলের খাতাতেই ফেলা হয়েছে। সে জায়গায় উঠেএসেছে রাগি, বাজরা, ডালিয়া, কিনোয়ার নাম। সাদা চালের বদলে বাঙালি হেঁশেলেও রাঁধাহচ্ছে বাদামি চালের ভাত বা ব্রাউন রাইস। ময়দা দিয়ে বানানো পেস্ট্রির বদলে রাগি বাওট্‌সের কেক এখন খুব জনপ্রিয়। ব্রাউন রাইস কেক ইদানীংকালে স্বাস্থ্যকর ডায়েটেরখাতায় নাম লিখিয়ে ফেলেছে। কমবয়সিরা বেশ পছন্দ করছেন এই কেক। এটি কি আদৌ ওজন কমাতেপারে? রোজ খাওয়া কি ভাল? ব্রাউন রাইস কেকের ভালমন্দ কম ক্যালোরি এবং ফাইবারে ভরপুরে ব্রাউন রাইস কেক ওজন কমাতে কার্যকর। একটিরাইস কেকে মাত্র ৩০-৬০ কিলোক্যালোরি থাকে যা একটি ময়দা দিয়ে তৈরি বিস্কুট বাপাউরুটির তুলনায় কম। ব্রাউন রাইস কেক হালকা, ফাইবারে ভরপুর হওয়ায় অনেক ক্ষণ পেটওভর্তি রাখবে। তবে রোজ এটি বেশি পরিমাণে খেতে থাকলে মুশকিল। কম ক্যালোরি থাকলেও এতেকার্বোহাইড্রেট আছে, তা ছাড়া গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব একটা কম নয়, তাই পরিমিতপরিমাণেই খেতে হবে। ডায়াবিটিসে কি রাইস কেক খাওয়া যাবে? এতে প্রোটিন কম, ফাইবার বেশি। ডায়াবিটিস থাকলে রাইস কেক খেতে হবে পরিমিত।এতে ফাইবার বেশি থাকায় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বাড়বে না। তবে ডায়াবিটিসেররোগীরা খুব বেশি পরিমাণে খেতে পারবেন না। বিকেলের টিফিনে বা সকালের জলখাবারেপরিমিত পরিমাণে খেলে উপকার পাবেন। ব্রাউন রাইস কেক আসলে ‘লো-ক্যালোরি স্ন্যাকিং’। চিপ্‌সবা ভাজাভুজির বদলে এখন স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স খাওয়ার ঝোঁকই বেড়েছে। এমন খাবারবেছে নেওয়া হচ্ছে যা সুস্বাদু অথচ পুষ্টিকর। সে দিক দিয়ে ব্রাউন রাইস কেক আদর্শ।জাঙ্ক ফুডের বদলে এই খাবার পুষ্টির চাহিদাও মেটাবে আবার মনও ভরাবে। কী ভাবে তৈরি করবেন? উপকরণ: ২ কাপ সেদ্ধ করা ব্রাউন রাইস ১টি ডিম ২ চামচকর্নফ্লাওয়ার স্বাদমতো নুন ও গোলমরিচ ২ চামচ অলিভ অয়েলবা সাদা তেল অলিভ অয়েল: সামান্য প্রণালী: একটি পাত্রে সেদ্ধ ব্রাউন রাইস, ডিম, নুন ও গোলমরিচ ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতেকর্নফ্লাওয়ার দিয়ে ফেটিয়ে নিন। অভেন ট্রে-তে সামান্য তেল ব্রাশ করে নিন। মিশ্রণটি ছোট ছোট গোল চ্যাপ্টা বিস্কুটের আকারে ট্রে-তে সাজান। ১৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় অভেন আগে প্রি-হিট করে নিন। তার পর ১৫-২০ মিনিট কেকগুলি বেক করুন যত ক্ষণ না মুচমুচে হচ্ছে।
82 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Jan 31, 2026, 09:00 PM
ক্রীড়া ও আঞ্চলিক পরিচয়ের প্রসারে জঙ্গলমহল প্রথম মেগা ম্যারাথনের আয়োজন করেছে

ক্রীড়া ও আঞ্চলিক পরিচয়ের প্রসারে জঙ্গলমহল প্রথম মেগা ম্যারাথনের আয়োজন করেছে

সবুজের বার্তা ও সুস্থ জীবনের আহ্বানকে সামনে রেখে জঙ্গলমহলে অনুষ্ঠিত হল ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা। পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের উদ্যোগে এবং আউশগ্রাম থানার সহযোগিতায় এই প্রথম জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় আয়োজন করা হল এমন বৃহৎ দৌড় প্রতিযোগিতার। শনিবার আউশগ্রামের কালিকাপুর রাজবাড়ির মাঠ থেকে শুরু হয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মিনি ম্যারাথন শেষ হয় বারাসতের বইমেলা মাঠে। জঙ্গলমহলে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ এবং উন্মাদনা ছিল সাধরাণ মানুষের মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন এই ধরনের উদ্যোগ শুধুমাত্র খেলাধুলোর প্রসার ঘটাবে না, পাশাপাশি জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পরিচিতিও আরও বিস্তৃত হবে। মিনি ম্যারাথনের সূচনা করেন জেলাশাসক আয়েশা রানি। তিনি ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সায়ক দাস, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম এবং পুলিশ ও এবং জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা। প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে প্রথম হন পঞ্চানন বেরা, দ্বিতীয় আরিফ আলি এবং তৃতীয় অভিষেক। মহিলা বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন রেণু সিং, দ্বিতীয় পূজা বর্মা, তৃতীয় শম্পা গায়েন। মিনি ম্যারাথনে মোট ১,০৫০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। যাঁদের মধ্যে মহিলা প্রতিযোগীর সংখ্যা ছিল দেড়শোর বেশি।
60 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 28, 2026, 02:50 PM
উত্তর খুট্টিমারি এলাকায় সরিষা খাওয়ার সময় কৃষকের ওপর চিতাবাঘের হামলা

উত্তর খুট্টিমারি এলাকায় সরিষা খাওয়ার সময় কৃষকের ওপর চিতাবাঘের হামলা

ধূপগুড়ি:ডুয়ার্সের জঙ্গল লাগোয়া জনপদে ফের বন্যপ্রাণের হানা। বুধবার বিকেলে ধূপগুড়ি ব্লকের উত্তর খূট্টিমারি এলাকায় নিজের সরষে খেতে গিয়ে চিতাবাঘের অতর্কিত আক্রমণের(Leopard Attack)শিকার হলেন কৃষক প্রসেনজিৎ রায়। চিতাবাঘের নখের আঘাতে তাঁর মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। বর্তমানে তিনি মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেলে প্রসেনজিৎবাবু একাই নিজের সরষে খেতে গিয়েছিলেন তদারকি করতে। সেই সময় খূট্টিমারি জঙ্গল থেকে একটি চিতাবাঘ আচমকা বেরিয়ে তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রসেনজিতের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে চিতাবাঘটি জঙ্গলে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বনকর্মীদের পরামর্শে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আহত প্রসেনজিৎ মণ্ডল বানারহাট থানার সিভিক ভলান্টিয়ার অঞ্জনা রায়ের স্বামী। অঞ্জনাদেবী ডিউটি চলাকালীন এই খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং চিকিৎসার তদারকি করেন। ঘটনার খবর পেয়েই উত্তর খূট্টিমারি এলাকায় পৌঁছান মোরাঘাট রেঞ্জ ও বিন্নাগুড়ি ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডের বনকর্মীরা। চিতাবাঘটি কোন দিক থেকে এসেছিল এবং বর্তমানে কোথায় লুকিয়ে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে ‘ট্র্যাকিং’। মোরাঘাট রেঞ্জের রেঞ্জার চন্দন ভট্টাচার্য বলেন, “ঘটনাস্থলের খুব কাছেই লক্ষ্মীকান্তপুর চা বাগান ও খূট্টিমারি জঙ্গল। চিতাবাঘটি লোকালয়েই লুকিয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা খাঁচা পাতার বিষয়ে ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডের সঙ্গে আলোচনা করছি।” ঘন জঙ্গল লাগোয়া এই জনপদে হাতি ও চিতাবাঘের উপদ্রব দিন দিন বাড়ছে। আহতের আত্মীয় মতিলাল রায়ের অভিযোগ, খাবারের অভাবেই বন্যপ্রাণীরা বারবার লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। দিনের বেলাতেও খেতে কাজ করতে যেতে ভয় পাচ্ছেন কৃষকরা। বনদপ্তর দ্রুত খাঁচা পেতে চিতাটিকে বন্দি না করলে আরও বড় বিপদের আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।
11 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 19, 2026, 02:47 PM
খেজুরের উদ্ভাবনী ব্যবহারঃ মাঝিয়ান কেন্দ্রের পাতিরামশিত নারকেল গুড় উদ্যোগ

খেজুরের উদ্ভাবনী ব্যবহারঃ মাঝিয়ান কেন্দ্রের পাতিরামশিত নারকেল গুড় উদ্যোগ

পতিরাম:শীত মানেই বাঙালির খাদ্যতালিকায় নলেন গুড়ের বিশেষ কদর। সেই চিরাচরিত শীতের স্বাদকে এবার আরও স্বাস্থ্যসম্মত ও আধুনিক রূপে তুলে ধরতে অভিনব উদ্যোগ নিল দক্ষিণ দিনাজপুরের পতিরাম সংলগ্ন মাঝিয়ানে অবস্থিত কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খেজুরের রস থেকে খাঁটি নলেন গুড় তৈরির পাশাপাশি তা অনলাইন ও বিভিন্ন শপিং মলে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মাঝিয়ান কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র চত্বরে প্রায় সত্তর থেকে আশি বিঘা জমি রয়েছে। এই জমির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া একটি প্রাকৃতিক ক্যানালের ধারে দীর্ঘদিন ধরেই স্বাভাবিক নিয়মে জন্ম নিয়েছে বিপুল সংখ্যক খেজুর গাছ। একসময় এই গাছগুলি কেটে ফেলার কথাও ভাবা হয়েছিল। কিন্তু প্রায় এক বছর আগে কর্তৃপক্ষ নতুন করে ভাবনাচিন্তা শুরু করেন—এই খেজুর গাছগুলির রস সংগ্রহ করে যদি খাঁটি নলেন গুড় তৈরি করা যায়, তাহলে একদিকে যেমন সম্পদের সদ্ব্যবহার হবে, তেমনই তৈরি হবে নতুন সম্ভাবনা। কেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে মাঝিয়ান ক্যাম্পাসে মোট ১৫০টিরও বেশি খেজুর গাছ রয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ পরিচর্যার মাধ্যমে আপাতত ১০০টিরও বেশি গাছ থেকে নিয়মিত রস সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই রস সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রক্রিয়ায় প্রক্রিয়াকরণ করে তৈরি হচ্ছে উন্নতমানের নলেন গুড়। কোনও ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার না করায় এই গুড় স্বাদ ও গুণমান—দু’দিক থেকেই বাজারের প্রচলিত গুড়ের তুলনায় আলাদা বলে দাবি উদ্যোক্তাদের। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র একটি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। প্রথমে পারদর্শী রস সংগ্রাহক ও কারিগরের খোঁজ করা হয়। উপযুক্ত লোক পাওয়ার পরই শুরু হয় উৎপাদন। বর্তমানে ৫০০ টাকা কিলো দরে এই খাঁটি নলেন গুড় বিক্রি হচ্ছে এবং তৈরির শুরুতেই সাধারণ ক্রেতা থেকে পাইকারি বিক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গিয়েছে। মাঝিয়ান কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের সম্প্রসারণ অধিকর্তা প্রভাত কুমার পাল জানান, ‘কেন্দ্রের অব্যবহৃত জমি ও খেজুর গাছের রসকে কাজে লাগিয়ে মূল্য সংযোজনের দিকেই আমাদের মূল লক্ষ্য।’ কেন্দ্রের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ডঃ শিবানন্দ সিনহা জানান, ‘খুব শীঘ্রই এই খাঁটি নলেন গুড় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন শপিং মলেও পাওয়া যাবে।’ এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ যেমন বাড়ছে, তেমনই কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এটি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
26 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 5, 2026, 02:44 PM
উত্তরবঙ্গে শীতের আগমনঃ বাসিন্দারা ঠান্ডা আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেন

উত্তরবঙ্গে শীতের আগমনঃ বাসিন্দারা ঠান্ডা আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেন

শিলিগুড়ি:পৌষের শেষলগ্নে উত্তরবঙ্গ জুড়ে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। ভোরের কুয়াশা আর কনকনে উত্তুরে হাওয়ায় জীবনযাত্রায় বড়সড় পরিবর্তন এসেছে। সকালের চেনা ব্যস্ততায় কিছুটা ভাটা পড়লেও, শীতকে জয় করতে খাদ্যাভ্যাস থেকে পোশাকে এখন নতুনত্বের ছোঁয়া। খাদ্যাভ্যাসে বদল:শীতের সকালে চায়ের দোকানে ভিড় বাড়ার পাশাপাশি ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে ভেষজ পানীয়ের চল। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তুলসী, আদা ও মধুর মিশ্রণ এখন অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। পুষ্টিবিদদের মতে, এই সময় শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত জল পান এবং মরসুমি ফল ও শাকসবজি পাতে রাখা জরুরি। বিশেষ করে গুড়, তিল এবং গরম গরম স্যুপ শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করছে। ফ্যাশনে শীতের ছোঁয়া:বাজারগুলিতে এখন উলের সোয়েটার, স্টাইলিশ জ্যাকেট আর বাহারি মাফলারের রমরমা। তরুণ প্রজন্মের কাছে ওভারসাইজড হুডি আর ডেনিম জ্যাকেট যেমন জনপ্রিয়, তেমনই বয়স্কদের কাছে আজও ভরসা কাশ্মীরি শাল। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ, হঠাৎ ঠান্ডা লাগা এড়াতে কানটুপি এবং মোজা ব্যবহার করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ত্বকের যত্ন:শীতের শুষ্ক হাওয়ায় ত্বকের টান ধরা কমাতে ময়েশ্চারাইজার ও কোল্ড ক্রিমের ব্যবহার বেড়েছে। ঘরোয়া উপায়ে নারকেল তেল বা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে ত্বকের সজীবতা ধরে রাখার চেষ্টা করছেন অনেকেই। ভ্রমণ ও বিনোদন:শীত মানেই চড়ুইভাতি আর ছোট সফর। ছুটির দিনে পার্ক বা নদীসংলগ্ন এলাকায় ভিড় জমাচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা। তবে কোভিড-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রোদে পিঠ দিয়ে বসে সময় কাটানোই এখন মধ্যবিত্তের সেরা বিলাসিতা। আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, আগামী কয়েক দিন শীতের এই দাপট অব্যাহত থাকবে। তাই মনোরম এই আবহাওয়া উপভোগ করার পাশাপাশি শরীরকে চাঙ্গা রাখাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।
4 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Dec 27, 2025, 02:50 PM
প্রাতঃরাশের জাদুঃ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারগুলি কীভাবে রক্তে শর্করার পরিমাণ এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে

প্রাতঃরাশের জাদুঃ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারগুলি কীভাবে রক্তে শর্করার পরিমাণ এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:ব্যস্ত জীবন আর অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি এবং পেটের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের প্রথম খাবার অর্থাৎ প্রাতরাশ বা ব্রেকফাস্ট যদি সঠিক হয়, তবে এই দুই সমস্যাকেই কাবু করা সম্ভব। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্থির রাখতে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রাতরাশে কিছু বিশেষ বদল আনার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ফাইবারের ম্যাজিক: ওটস ও ডালিয়া:শর্করার শত্রু হলো ফাইবার। ওটস বা ডালিয়ায় থাকা দ্রবণীয় ফাইবার রক্তে শর্করার শোষণ ধীর করে দেয়, ফলে খাওয়ার পর হঠাৎ করে সুগার বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। চিনি মেশানো দুধ-ওটসের বদলে সবজি দিয়ে তৈরি ওটসের খিচুড়ি বা উপমা পেটের মেদ কমাতেও সাহায্য করে। প্রোবায়োটিকের গুণ: টক দই:অন্ত্রের সুস্বাস্থ্যের জন্য টক দইয়ের বিকল্প নেই। এটি একটি প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক যা হজম ক্ষমতা বাড়ায়। প্রাতরাশে লাল চিঁড়ের সঙ্গে টক দই খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং শরীরে গ্লাইসেমিক লোড কম পড়ে। যা পরোক্ষভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। প্রোটিন ও শক্তি: ছাতু ও ডিম:যাঁদের সকালে ভারী কাজের অভ্যাস, তাঁদের জন্য ছাতুর শরবত বা সেদ্ধ ডিম আদর্শ। ছাতু শরীরের ‘কুল্যান্ট’ হিসেবে কাজ করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। অন্যদিকে, ডিমের প্রোটিন শরীরের ইনসুলিন হরমোনকে কার্যকর রাখতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ:সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো জল খাওয়ার অভ্যাস ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতে সাহায্য করে। প্রাতরাশে ময়দার তৈরি খাবারের বদলে হোল গ্রেইন বা দানাশস্য জাতীয় খাবার রাখলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেক সহজ হয়।
11 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Dec 22, 2025, 03:34 PM
স্বাস্থ্যবান মানুষের জন্য ওজন কমানোর সহজ কৌশল

স্বাস্থ্যবান মানুষের জন্য ওজন কমানোর সহজ কৌশল

ওবেসিটি বা স্থূলতা কেবল শারীরিক সমস্যা নয়। একই সঙ্গে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরেও প্রভাব ফেলে। হতাশা, উদ্বেগ, আত্মবিশ্বাসের অভাব, অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার মতোও নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই সময় থাকতেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। তা ছাড়া ওজন কমানো মানেই যে বিশাল ঝক্কির ব্যাপার তা নয়। অনেক টাকা খরচ করতে হবে, জিমে যেতে হবে বা কঠিন ডায়েট করতে হবে তাও নয়। খুব সাধারণ জীবনযাত্রার মধ্যে দিয়েই ওজন ঝড়ানো সম্ভব। তাও ১০ থেকে ২০ কিলোগ্রাম। তার জন্য কাউকে প্রয়োজন হবে না। নিজেই ঠিক করতে পারেন কী ভাবে ওজন কমবে। শুধু চাই ওজন কমানোর ইচ্ছা। মানতে হবে সহজ কিছু নিয়ম...অনেকেই সারাদিনের কাজের চাপে ব্যয়াম করার সুযোগ পান না। সে ক্ষেত্রে কিন্তু ওজন কমানোর জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনাটাই একমাত্র পথ। এখানেই ভয় পেয়ে পিছিয়ে যাবেন না। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন মানেই কেবল সেদ্ধ আর শাকসব্জি খাওয়া নয়। প্রতিদিনের সাধারণ খাবার খেয়েও রোগা হওয়া সম্ভব।প্রথমেই বুঝতে হবে ক্যালোরি, প্রোটিন, ফাইবার, ফ্যাট এগুলি কী? প্রতিদিনের ডায়েটে কতটা প্রয়োজন, এই সব উপাদানের। কোনটা আপনার ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী, কোনটি ওজন নিয়ন্ত্রনে আনতে সহায়ক। প্রতিদিন যে সব খাবার আপনি খান, তাতে কতটা পরিমাণে ক্যালোরি বা অনান্য উপাদান থাকে। এই ক্ষেত্রে প্রয়োজনে কোনও বিশেষজ্ঞ বা পরিচিত কারও সাহায্য নিতে পারেন।একটি বিষয়, জাঙ্ক ফুড, কাচা চিনি, অতিরিক্ত নুন ও প্রসেসড খাবার খাওয়া একদম বন্ধ করতে হবে। না হলে রোগা হওয়া সম্ভব নয়। সাধারণ সাদা ভাত বা ময়দায় কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি। এগুলি বদলে আনতে পারেন ব্রাউন রাইস, কিনোয়া ও মাল্টিগ্রেন আটার মতো বিকল্প। এতে পেট ভরবে, স্বাস্থ্যকর খাওয়া হবে।জলখাবার গুরুত্বপূর্ণ। কোনও অবস্থাতেই তা মিস করলে চলবে না। প্যাকেটজাত খাবারের বদলে ঘরে হালকা তেলে ভাজা মাখানা, ছোলা, বাদাম খেতে পারেন। সেদ্ধ ডিম, ওটস খেতে পারেন। পাউরুটি এড়িয়ে চলাই ভালো। চিকেন স্যালাড খেতে পারেন।ধীরে ধীরে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শুরু করতে পারেন। অবশ্যই শরীর বুঝে। অল্প অল্প করে ফাস্টিং -এর সময় বাড়ান। প্রথমে ৬ ঘণ্টা, তার পরে ৮ ঘণ্টা, ১০ ঘণ্টা, ১৬ ঘণ্টা। খুব বেশি হলে ১৮ ঘণ্টা। তবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া ভালো। আর সুগারের রোগী হলে, এই পদ্ধতি ভুলেও মানবেন না। প্রথম দিকে কষ্ট হবে, বার বার ক্রেভিংস হবে খাওয়ার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে অভ্যাস হয়ে যাবে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্যালোরির হিসাব বোঝা। ক্যালোরি ছাড়া আমরা অচল। আবার এটা বেশি হলেই যত গোলমাল। তাই একটি জিনিস সব সময় মনে রাখবেন, সারাদিনে যতটা ক্যালোরি খরচ করছেন, ক্যালোরি ইনটেক যেন সব সময় তার থেকে বেশ খানিকটা কম থাকে। তা হলেই কমবে ওজন। খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফাইবার রাখা জরুরি, যাতে পেট ভরা থাকে।তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই। এই কটি নিয়ম মেনে চলতে পারলেই দেখবেন, ধীরে ধীরে কমছে ওজন। এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই নিজে তফাত বুঝতে পারবেন।
74 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Dec 22, 2025, 03:20 PM
এড শিরানের র্যাডিক্যাল ট্রান্সফর্মেশনঃ পার্টি অ্যানিমেল থেকে ফিট ফাদার

এড শিরানের র্যাডিক্যাল ট্রান্সফর্মেশনঃ পার্টি অ্যানিমেল থেকে ফিট ফাদার

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:মঞ্চ কাঁপানো গায়ক এড শিরানকে চেনেন না এমন সংগীতপ্রেমী খুঁজে পাওয়া দায়। কিন্তু গত পাঁচ বছরে তাঁর জীবনে যে আমূল পরিবর্তন এসেছে, তা কেবল সুরের জগতেই সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘ পাঁচ বছরের লড়াইয়ে প্রায় ১৪ কেজি ওজন কমিয়ে এক নতুন লুকে ধরা দিলেন ‘শেপ অফ ইউ’ খ্যাত এই তারকা। সম্প্রতি ‘মেন’স হেলথ ইউকে’ ম্যাগাজিনের কভারে তাঁর সুঠাম মেদহীন শরীর দেখে চমকে গিয়েছেন ভক্তরা। ‘বিয়ার-কাবাব’ থেকে শৃঙ্খলার জীবনএক দশক আগের নিজের জীবনযাত্রার কথা বলতে গিয়ে শিরান অকপটে স্বীকার করেন, “দশ বছর আগে আমি ছিলাম বিয়ার আর কাবাবে আসক্ত এক চেইন স্মোকার।” কিন্তু ২০২০ সালে অতিমারির সময় এবং বাবা হওয়ার অনুভূতি তাঁর চিন্তাধারা বদলে দেয়। দুই কন্যাসন্তান লাইরা এবং জুপিটারের আগমনের পর তিনি অনুভব করেন, সন্তানদের জন্য নিজেকে সুস্থ রাখা জরুরি। কেবল ভালো দেখানোর জন্য নয়, একজন দায়িত্বশীল বাবা হওয়ার তাগিদ থেকেই তাঁর এই রূপান্তর। শরীরচর্চায় বৈচিত্র্য: ওজন কমানোর রহস্যএড শিরান জানান, তাঁর এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম এবং বৈচিত্র্যময় শরীরচর্চা। তিনি কেবল দৌড়ানো বা জিম নয়, বরং ওজন প্রশিক্ষণ (Weight Training), সাঁতার, যোগব্যায়াম এবং রিফর্মার পাইলেটস (Reformer Pilates)-কে নিজের রুটিনের অংশ করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, “পাইলেটস আমাকে জীবনের সেরা শেপ-এ আসতে সাহায্য করেছে, আর ওয়েট ট্রেনিং শরীরকে পেশিবহুল না করেও মেদহীন ও সুঠাম করতে সাহায্য করেছে।” স্ত্রীর অনুপ্রেরণা ও মানসিক স্বাস্থ্যএই লড়াইয়ে এড শিরান একা ছিলেন না। স্ত্রী চেরি সিবর্ন (Cherry Seaborn)-এর অ্যাথলেটিক জীবনযাত্রা তাঁকে দারুণভাবে উৎসাহিত করেছে। লকডাউনের সময় চেরি যখন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, তখন দুজনে মিলে একসঙ্গে জগিং শুরু করেন। শিরানের মতে, “শারীরিক সুস্থতা আসলে মানসিক স্বাস্থ্যেরই প্রতিফলন। শরীর ভালো থাকলে মনও ফুরফুরে থাকে।”
49 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Dec 17, 2025, 04:01 PM
ত্বক, চুল এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য স্টার্চ খাওয়ার উপকারিতা এবং বিবেচনা

ত্বক, চুল এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য স্টার্চ খাওয়ার উপকারিতা এবং বিবেচনা

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:শীতকাল বলে আর টকদই খাচ্ছেন না? কিন্তু চাইলে গরমকালের পাশাপাশি শীতেও অনায়াসে খাওয়া যেতে পারে এটি। তবে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। অল্পেই ঠান্ডা লাগার সমস্যা থাকলে কখনই সরাসরি ফ্রিজ থেকে বের করা দই খাবেন না (Curd)। অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে খালি পেটে কখনও টকদই খাবেন না। আর রাতে টকদই খাওয়া এড়িয়ে চলুন। নিয়মিত তবে অল্প করে টকদই খেলে শরীরের কী কী উপকার হবে, তা জেনে নিন। ১.টকদই খেলে ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। কারণ টকদই খাওয়ার অভ্যাস চুল এবং ত্বকে সঠিক মাত্রায় পুষ্টির জোগান দেয়। তাই চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো হয়ে যায়। ২.হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখে টকদই। রোজ অল্প করে খেলে বাড়বে ইমিউনিটি। দূর হবে হজমের যাবতীয় সমস্যা। ৩.প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে টকদইয়ের মধ্যে। যাঁরা নিরামিষভোজী, তাঁরা রোজ অল্প করে টকদই খেলে শরীরে প্রোটিনের অভাব হবে না। এমনিতেও শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হওয়া উচিত নয়। এতে নানাবিধ সমস্যা দেখে দিতে পারে। ৪.টকদইতে থাকে ক্যালশিয়াম। এই উপকরণ আমাদের হাড়ের গঠন মজবুত করে। শরীরে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি দূর হয় টকদই খেলে।
4 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Dec 15, 2025, 03:07 PM
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য 5টি সহজ অভ্যাসঃ পুষ্টিবিদ রায়ান ফার্নান্দো দ্বারা একটি গাইড

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য 5টি সহজ অভ্যাসঃ পুষ্টিবিদ রায়ান ফার্নান্দো দ্বারা একটি গাইড

বেঙ্গালুরুরপুষ্টিবিদ রায়ান ফার্নান্ডোর মতে, এইচবিএ১সি-র মাত্রা অর্থাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাসকরার জন্য জটিল নিয়ম মানার দরকার নেই। যাপনেরপাঁচটি অভ্যাস বদল করলেই রক্তেশর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এই অভ্যাসগুলি একত্রে এইচবিএ১সি-র মাত্রা হ্রাসকরতে পারে। বিজ্ঞানসম্মত ৫টি অভ্যাসের ফলে ইনসুলিনসেনসিটিভিটি, শর্করা জমিয়ে রাখা এবং খাওয়ার পর শর্করা হঠাৎঅতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া— এই সমস্ত প্রবণতাকে ঠিক করা যায়। ব্লাড সুগার কমানোর উপায়। ছবি: সংগৃহীত। পুষ্টিবিদ নতুন কোনকোন অভ্যাস রপ্ত করতে বলছেন? ১. শরীরচর্চার বিশেষনিয়ম:শরীরের সবচেয়ে বড়অঙ্গ, যাগ্লুকোজ় জমিয়ে রাখতে পারে, তা হল পেশি। পেশি যত বেশি সক্রিয় থাকবে, তত বেশি নিয়ন্ত্রণেথাকবে সুগার। রায়ান বলছেন, এর জন্য অ্যরোবিক এবংশক্তিবৃদ্ধির ব্যায়াম করতে হবে। প্রথমটি প্রতি সপ্তাহে ১৫০ মিনিট ধরে অভ্যাস করুন।দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে ২-৩টি সেশন প্রয়োজন। ২. নির্দিষ্ট পরিমাণওজন হ্রাস:দেহের ওজনের ৭-১০শতাংশ হ্রাস করা দরকার। যার ফলে ইনসুলিনের সঙ্কেত প্রেরণের ক্ষমতা বাড়ে এবং লিভারেগ্লুকোজ়ের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় ও সেখানে রক্ত সরবরাহ করার ক্ষমতা বাড়ে বলে মতচিকিৎসকের। তাতেই নিয়ন্ত্রণে থাকে শর্করা। ৩. খাওয়ার নতুন নিয়ম:১০-১২ ঘণ্টার মধ্যে দিনের খাওয়াসম্পন্ন করঅভ্যাস করুন। মধ্যরাতে খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। অগ্ন্যাশয়কেবিশ্রাম দেওয়ার দরকার, যাতে অঙ্গটি ভাল ভাবে কাজ করার শক্তি অর্জন করতে পারে।উপবাসের সময় নির্দিষ্ট থাকলে তা সম্ভব। আর মধ্যরাতে খাওয়াদাওয়া করে গেলে সারা রাতধরে রক্তে শর্করার মাত্রায় হেরফের ঘটতে থাকে। ৪. বিশেষখাদ্যাভ্যাস:কম কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার বা মেডিটেরেনিয়ান ডায়েট শুরু করার পরামর্শদিচ্ছেন চিকিৎসক। পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে ফাইবার, চর্বিহীন প্রোটিন,বাদাম এবং মাছ বেশি খেতে হবে। এর ফলে খাওয়ার পর আকস্মিক ভাবে রক্তেশর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পাবে এবং ইনসুলিন সেনসিটিভিটি উন্নতহবে। ৫. শরীর সক্রিয়রাখার নিয়ম:সিঁড়ি ব্যবহার, হেঁটে যাতায়াত করা,খাওয়ার পর অল্প হেঁটে নেওয়ার (১০ মিনিট মতো) অভ্যাস রপ্ত করা দরকারবলে মনে করেন রায়ান। ছোট পরিসরে অথচ ঘন ঘন হাঁটাচলা করলে রক্তে শর্করার মাত্রানিয়ন্ত্রণে থাকে।
64 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Dec 11, 2025, 02:51 PM
করোনারি আর্টারি ডিজিজ কোভিড-19 কে অতিক্রম করে বিশ্বের এক নম্বর ঘাতক হয়ে উঠেছেঃ গ্লোবাল বর্ডন অফ ডিজিজ রিপোর্ট

করোনারি আর্টারি ডিজিজ কোভিড-19 কে অতিক্রম করে বিশ্বের এক নম্বর ঘাতক হয়ে উঠেছেঃ গ্লোবাল বর্ডন অফ ডিজিজ রিপোর্ট

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বের এক নম্বর ঘাতক কে? উত্তর একটাই। করোনারি আর্টারির ডিজিজ বা হার্টের ধমনির অসুখ। যে লাইফস্টাইল ডিজিজে হার্টের প্রধান রক্তবাহী নালীগুলিতে প্লাক জমে জমে সরু হয়ে একসময় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।সদ্য প্রকাশ পেয়েছে বিশ্বের অসুখবিসুখের পরিসংখ্যান সংক্রান্ত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রিপোর্ট গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজেজ (জিবিডি)। সেখানে জানিয়েছে, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বের এক নম্বর ঘাতকের নাম ছিল করোনা বা কোভিড ১৯। প্রায় ১ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ মারা গিয়েছে করোনায়। কিন্তু ২০২৩ সালে তাকে স্থানচ্যুত করে জায়গার দখল নিয়েছে ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ বা করোনারি আর্টারি ডিজিজ। ঘাতক রোগের তালিকা পরপর দুই থেকে পাঁচ নম্বর পর্যন্ত স্থান দখল করেছে যেসব অসুখ-বিসুখ বা সমস্যা, সেগুলি হল স্ট্রোক, সিওপিডি, শ্বাসনালির নীচের অংশের সংক্রমণ বা লোয়ার রেসপিরেটরি ইনফেকশনস এবং সদ্যোজাতদের সমস্যা। এদিকে উল্কার বেগে তাদের স্থানগুলি দখল করতে ছুটছে আরও চারটি সমস্যা। সেগুলি হল ডায়াবেটিস, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সমস্যা, হিংসা-সংঘর্ষ-সন্ত্রাসবাদে মৃত্যু এবং তাপপ্রবাহ বা হিট ওয়েভে মৃত্যুমিছিল!বিশিষ্ট হার্ট সার্জন ডাঃ সত্যজিৎ বসু বলেন, ‘গত কিছুদিনের মধ্যে ২৮, ৩৫ এবং ৪০—এই তিন অল্পবয়সি রোগীর বাইপাস সার্জারি করলাম। যতদিন যাচ্ছে, কমছে হার্টের ধমনির অসুখের কবলে পড়বার বয়স। মৃত্যুও বাড়ছে।’ বিশিষ্ট কার্ডিয়োলজিস্ট ডাঃ সরোজ মণ্ডল বলেন, ‘ক্যানসার আর হার্টের ধমনির অসুখের মধ্যে যেন মানুষ মারবার প্রতিযোগিতা চলছে। এখনই সাবধান হন। কায়িক পরিশ্রম, হাঁটাহাঁটি, ব্যায়ামে ফিরুন। মুখরোচক খাদ্যাভ্যাস পালটান।’এমন আশ্চর্য আশ্চর্য আরও বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে এই রিপোর্টে। যেমন—করোনাকালে মানুষের নিম্নগামী আয়ু আবার করোনার পূর্ববর্তী অবস্থা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। জিবিডি রিপোর্টে ২০১৩ থেকে ২০২৩-এর পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের আয়ুর গ্রাফ প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, করোনা পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি আয়ু এখন উচ্চআয়ের দেশগুলিতে। আশিরও উপর! সেখানে প্রায় ৭৮ বছর অবধি বাঁচছেন ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়া ও ওশিয়নিয়ার মানুষ। সর্বনিম্ন আয়ু সাব সাহারান আফ্রিকা অংশের।বিশ্বের বিভিন্ন অংশে মানুষের অকালমৃত্যু এবং ভগ্নস্বাস্থ্যেরই বা কারণ কী? এমন ১০ কারণও জানানো হয়েছে রিপোর্টে। সেগুলি হল হার্টের ধমনির অসুখ, সদ্যোজাতদের সমস্যা, স্ট্রোক, শ্বাসনালির নীচের অংশের অসুখ, সুগার, পথ দুর্ঘটনা, সিওপিডি, পতন বা ফল বা পড়ে যাওয়া, কোমরের ব্যথা এবং ডায়ারিয়াজনিত অসুখ। ২০১৩-২৩—এই ১০ বছরে বিশ্ববাসীর অকালমৃত্যু ও ভগ্নস্বাস্থ্যের জন্য দায়ী পাঁচ ঝুঁকিকেও চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলি হল, উচ্চ রক্তচাপ, দূষণকণার উৎপাত, ধূমপান, হাই ব্লাড সুগার এবং উচ্চমাত্রার বিএমআই। এছাড়াও দুটি সিরিয়াস সমস্যা ঝড়ের গতিতে মানুষের স্বাস্থ্য নষ্ট করছে। মৃত্যুও ত্বরান্বিত করছে। সে-দুটি বিষয় হল, অবসাদ ও উৎকণ্ঠা। দুটিরই গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী।
69 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Dec 9, 2025, 02:41 PM
বাজরা রুটির পুষ্টিকর উপকারিতাঃ শীতকালীন প্রধান খাদ্য

বাজরা রুটির পুষ্টিকর উপকারিতাঃ শীতকালীন প্রধান খাদ্য

আটা বা ময়দার রুটির মতো সাদা, গোল, ফুলকো রুটি হবে না বাজরা দিয়ে। বরং এ রুটির রং হবে লালচে। বেলার অসুবিধার জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেও আকারে গোলও হবে না। দেখলে মনে হতে পারে খারাপ ভাবে বানানো রুটি। খানিকটা পাঁপড়ের মতো কড়কড়ে। তবে এ রুটির গুণ জানলে আটা ছেড়ে বাজরার রুটিই খেতে চাইবেন স্বাস্থ্য সচেতনেরা। বিশেষ করে, শীতে বাজরার রুটি শরীরে বাড়তি উষ্ণতার জোগান দিতে সমর্থ। পুষ্টিতে ভরপুর বাজরায় রয়েছে নানা ধরনের পুষ্টিগুণ, যেমন— প্রোটিন, ফাইবার, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন এবং ‌‌জ়িঙ্কের পাশাপাশি এতে রয়েছে ত্বক-চুল এবং স্নায়ুর স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি বিভিন্ন ধরনের বি ভিটামিন। গ্লুটেন মুক্ত যাঁরা গ্লুটেন সহ্য করতে পারেন না, বা সিলিয়াক রোগে ভুগছেন, তাঁদের জন্য বাজরার রুটি গ্লুটেন মুক্ত বিকল্প হতে পারে। কারণ বাজরায় প্রাকৃতিক ভাবেই গ্লুটেন থাকে না। হজম স্বাস্থ্যের উন্নতি বাজরাতে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার থাকে, যা হজম প্রক্রিয়াকে ভাল রাখতে সাহায্য করে। ফাইবার বেশি থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। ফলে অন্ত্রের স্বাস্থ্যও ভাল থাকে। অন্ত্রের উপকারী ব্যাক্টেরিয়াগুলিকেও ভাল রাখতে সাহায্য করে বাজরা। ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক বাজরার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকার কারণে, এটি রক্তে শর্করার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকখানি বাড়তে দেয় না। বাজরা খাওয়ার পরে রক্তে শর্করা মেশে ধীরে ধীরে। যা ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। ওজন কমাতে সাহায্য করে ফাইবার দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরিয়ে রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে। পাশাপাশি, এটি বিপাকের হার বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে বলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করতে পারে। হার্টের স্বাস্থ্য বাজরায় থাকা ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ফাইবার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এ ছাড়া এতে থাকা ওমেগা ২ হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। ফলে নিয়মিত বাজরার রুটি খেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কম থাকে। রক্তাল্পতা কমায় বাজরার রুটিতে থাকা আয়রন রক্তাল্পতার সমস্যায় ভোগা রোগীদের জন্যও উপকারী। হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখে বাজরার রুটিতে আছে ক্যালশিয়াম এবং ফসফরাসের মতো খনিজ। যা হাড় এবং পেশির স্বাস্থ্য ভাল রাখে। যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য শরীরচর্চা করছেন, তাঁরা নিয়মিত খেতে পারেন বাজরার রুটি। ত্বক এবং চুলের জন্য ভাল এ তে থাকা আয়রন, জ়িঙ্ক এবং বি ভিটামিন ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখথেও সাহায্য করে। শরীর উষ্ণ রাখে শীতে বাজরার রুটি খেলে শরীর গরম থাকে। বাজরায় রয়েছে শরীরকে প্রাকৃতিক ভাবে উষ্ণ রাখার উপাদান। তা ছাড়া এতে থাকা কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট ধীরে ধীরে শক্তি সংশ্লেষ করে। দীর্ঘ ক্ষণ ধরে শরীরে শক্তির জোগান দিতে থাকে।
53 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Dec 5, 2025, 03:09 PM
জাভেদ জাফরীর 62 বছর বয়সে সুস্থ থাকার রহস্যঃ একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং জীবনধারা

জাভেদ জাফরীর 62 বছর বয়সে সুস্থ থাকার রহস্যঃ একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং জীবনধারা

তিনি নাকি প্রবীণনাগরিকের দলে! চকচকে ত্বক, সুঠাম দেহ! ঝুলন্ত চামড়া খুঁজে বার করা মুশকিল। ৬২ বছরের জাভেদ জাফরি আজওযেন তাঁর যৌবন ধরে রেখেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর খাওয়াদাওয়া, যাপন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলেজাভেদপুত্র মীজ়ান জাফরি জানালেন, তাঁর বাবা সারা জীবন ধরে কেবল ঘরোয়া খাবারই খেয়ে চলেছেন। বাইরের খাবার নাকিছুঁয়েও দেখেন না। মীজ়ানের কথায়, ‘‘সারা জীবন বাবা যে এতনাচ, এত শরীরচর্চা ইত্যাদি করেছেন, এখন মিলছে তারই সুফল। সেই কারণেই আজ এত ফিট তিনি।’’ সকাল থেকে রাতপর্যন্ত সময় মেপে খাবার খান জাভেদ। তবে তা প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজন, নৈশভোজেভাগাভাগি করার দরকার পড়ে না। অল্প অল্প খেতে থাকলে তাঁর পেট ভরে যায়। কখন কী খানজাভেদ? সকালে ঘুম থেকে উঠেইএক গ্লাস গরম জল পান করেন জাফরি। তার পর এক বাটি ফল খেয়ে নেন। তাতে থাকেঅ্যাভোকাডো, পেঁপে, আপেল, ব্লুবেরি, কখনও কখনও কলা। তার পর খানিক ক্ষণেরবিরতির পর চারটি ডিম খান জাভেদ। তা সে সেদ্ধ হোক, বা অর্ধেক সেদ্ধ। কুসুম বাদ দিয়ে ডিমখাওয়ার ধারণায় বিশ্বাসী নন জাভেদ। সঙ্গে কখনও সখনও একখানি মোটা রাগি রুটি থাকে।সেদ্ধ ডিমের সঙ্গে রুটি খান না জাভেদ, অর্ধেক সেদ্ধ হলে থকথকে কুসুমে রুটি ভিজিয়ে খেতেপছন্দ করেন তিনি। খানিক পরে বেশ কয়েকটি বাদাম (আমন্ড এবং আখরোট) খান অভিনেতা। তবেবাদামগুলি আগের রাতে জলে ভেজানো থাকে। এর পর আর কিছু খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।দুপুরে খিদে পেলে হালকা স্যালাড মাঝে মধ্যে খান। তার পর একেবারে রাতে ঘরে বানানোখাবার খান। মীজ়ানের কথায় জানাগেল, অ্যালকোহল, ধূমপান, ইত্যাদি জাভেদের জীবনে নেই। আর তারইদৌলতে আজও তিনি আগের মতো ফিট থাকতে সক্ষম হয়েছেন।
75 shares
😢
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Dec 1, 2025, 03:19 PM
পালকের দ্বিমুখী তলোয়ারঃ স্বাস্থ্য উপকারিতা বনাম লুকানো বিপদ

পালকের দ্বিমুখী তলোয়ারঃ স্বাস্থ্য উপকারিতা বনাম লুকানো বিপদ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:পুষ্টিগুণের বিচারে পালং শাকের দারুণ স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে! এটি ভিটামিন, মিনারেল আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর, যা ক্যানসার এবং ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগেও দারুণ উপকারী। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, এই উপকারী শাকটিও কিছু রোগের ক্ষেত্রে মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই চিকিৎসকরা কিছু বিশেষ শারীরিক অবস্থায় পালং শাককে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। কোন কোন রোগে পালং শাক খাবেন না?১) কিডনিতে পাথর:এটিই সবচেয়ে বড় বিপদ। পালং শাকে অক্সালেট নামক একটি উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকে। অক্সালেট শরীরে ক্যালসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথর তৈরি করে। যাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা আছে বা একবার হয়ে গিয়েছে, তাদের জন্য পালং শাক বিষের সমান। ২) গেঁটে বাত বা গাউট:এই রোগে শরীরের জয়েন্টগুলিতে ইউরিক অ্যাসিড জমা হয়ে অসহ্য যন্ত্রণা হয়। পালং শাকে পিউরিন নামক উপাদান থাকে। শরীরে পিউরিনের পরিমাণ বাড়লে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাও বাড়ে, যা বাতের যন্ত্রণা আরও বাড়িয়ে তোলে। ৩) রক্ত পাতলা করার ওষুধ চললে:যদি কেউ রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ (যেমন ওয়ারফারিন) খান, তবে পালং শাক খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। পালং শাকে প্রচুর ভিটামিন K থাকে। ভিটামিন K রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, যা রক্ত পাতলা করার ওষুধের কার্যকারিতাকে মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়। এর ফলে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।৪) থাইরয়েডের সমস্যা:পালং শাকে ‘গয়ট্রোজেন’ নামক যৌগ থাকে, যা থাইরয়েড গ্রন্থির কাজে বাধা তৈরি করে। বিশেষ করে যাদের আয়োডিনের অভাবজনিত থাইরয়েডের সমস্যা আছে, তাদের এটি কম খাওয়া উচিত। ৫) হজমের সমস্যা:কিছু মানুষের ক্ষেত্রে পালং শাকে থাকা ফাইবার বা ফ্রুক্টোজ হজমের সমস্যা বাড়াতে পারে, যেমন পেট ফাঁপা বা গ্যাস অম্বল। হজমের সমস্যায় পালং শাক এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। তাই সুস্থ থাকতে পালং শাক খান, কিন্তু নিজের শরীরের অবস্থা বুঝে। কারণ, মহৌষধও ক্ষেত্রবিশেষে ক্ষতিকর হতে পারে। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
14 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Nov 29, 2025, 03:59 PM
ডিমের শক্তিকে উন্মুক্ত করুনঃ 4টি আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রকাশিত হয়েছে

ডিমের শক্তিকে উন্মুক্ত করুনঃ 4টি আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রকাশিত হয়েছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:দেহে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে ডিম (Egg)। কেউ নিয়মিত ডিম খান, আবার কেউ সপ্তাহে দু’-তিনদিন ডিম খান। তবে নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে কী কী পরিবর্তন আসতে পারে, তা বোঝা যাবে প্রথম দু’সপ্তাহেই। এই পরিবর্তনগুলি কী কী, তা জেনে নিন। ১.ডিম মস্তিষ্ক এবং লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ডিমের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে কোলিন থাকে। এই উপাদানটি মস্তিষ্কের চাপ কমাতে সাহায্য করে। আবার কোলিন ফ্যাটি লিভারের সমস্যাও দূর করতে পারে। ২.চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ডিম শুধুমাত্র ভালো কোলেস্টেরলের (এইচডিএল) মাত্রা বৃদ্ধি করে। তাই নিয়মিত ডিম ডায়েটে রাখলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও ডিম উপকারী। ৩.চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও ডিম উপকারী। চোখের ছানি পড়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে ডিম। চোখের রেটিনার মাঝে থাকে ম্যাকুলা। এই অংশটিক কার্যক্ষমতা কমে গেলে কাছের জিনিস স্পষ্ট দেখতে সমস্যা হতে পারে। নিয়মিত ডিম খেলে ম্যাকুলার কার্যকারিতা বজায় থাকে।
71 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Nov 29, 2025, 02:56 PM
হলুদ-ঘি-কালো গোলমরিচ পানীয়ঃ প্রদাহ এবং ডিটক্সিফিকেশনের জন্য একটি প্রাকৃতিক প্রতিকার

হলুদ-ঘি-কালো গোলমরিচ পানীয়ঃ প্রদাহ এবং ডিটক্সিফিকেশনের জন্য একটি প্রাকৃতিক প্রতিকার

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:হাঁচি-কাশির সমস্যায় ভোগেন অনেকে। এমন সমস্যায় খালি পেটে ঈষদুষ্ণ জলে এক চামচ ঘি, এক চিমটে হলুদ ও গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে দারুণ কাজে দেয়। শুধু হাঁচি-কাশির সমস্যাই নয়, বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে এই পানীয় (Health Tips)। প্রদাহ কমাতে সহায়ক হলুদের মধ্যে কারকিউমিন রয়েছে, যা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান হিসেবে কাজ করে। শরীরে এই কারকিউমিন শোষণে সাহায্য করে গোলমরিচে থাকা পিপারিন নামের যৌগ। এই দুই উপাদানই শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক। শীতকালে বাতের ব্যথা, যে কোনও সংক্রমণের হাত থেকে শরীরকে সুস্থ রাখে এই পানীয়। ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে ঈষদুষ্ণ জলে এক চামচ ঘিয়ের সঙ্গে হলুদ ও গোলমরিচের গুঁড়ো মেশাতে হবে। রোজ সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি খেলে শরীরে জমে থাকা সমস্ত দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়। এই পানীয় লিভার ও কিডনি ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। পেট সাফ করে দেয়। এর জেরেও একাধিক রোগ ও সংক্রমণের ঝুঁকি এড়ানো যায়। বিপাক হার বাড়িয়ে তোলে ঘি, হলুদ ও গোলমরিচের সংমিশ্রণ বিপাক হার বাড়ায় এবং হজমে সহায়তা করে। এটি মিশ্রণটি খাবার থেকে পুষ্টি শোষণে সাহায্য করে। পাশাপাশি অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে। ফলে বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সহজেই এড়ানো যায়।
18 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Nov 7, 2025, 03:42 PM
মার্কিন ভিসা নির্দেশিকা কঠোরঃ স্বাস্থ্য ও আর্থিক সংস্থান এখন মূল কারণ

মার্কিন ভিসা নির্দেশিকা কঠোরঃ স্বাস্থ্য ও আর্থিক সংস্থান এখন মূল কারণ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:স্থূলত্ব থাকলে কিংবা মধুমেহ হয় আক্রান্ত হলে ভিসা মিলবে না আমেরিকায় থাকার! ট্রাম্প প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, এই ধরনের সমস্যা থাকলে ধরে নেওয়া হবে তিনি মার্কিন সম্পদের অপচয় করতে পারেন। বলে রাখা ভালো, এতকাল ভিসার নিয়মে ছোঁয়াচে অসুখ হয়েছে কিনা, টিকাকরণের ইতিহাস, মানসিক স্বাস্থ্য ইত্যাদি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হত মার্কিন ভিসার ক্ষেত্রে। কিন্তু এবার পরিবর্তন গাইডলাইনে। সেখানে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর স্বাস্থ্যের কথা অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে। হৃদরোগ, শ্বাসযন্ত্রের রোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, বিপাকীয় রোগ, স্নায়বিক রোগ এবং মানসিক অসুখ রয়েছে কিনা তা দেখা হবে। এই ধরনের অসুখের চিকিৎসায় লক্ষ লক্ষ ডলার মূল্যের যত্নের প্রয়োজন হতে পারে। তাই আবেদনকারীর এই ধরনের চিকিৎসার ব্যয় বহনের আর্থিক সংস্থান আছে কিনা তাও দেখতে হবে। এমনিতে মার্কিন ভিসার খরচ আগের থেকে অনেক বাড়ানো হয়েছে। গত জুলাইয়ে মার্কিন ভিসায় ‘ইন্টিগ্রিটি ফি’ যুক্ত করা হয়। যার মাধ্যমে ভিসার আবেদন করলে এই ফি বাবদ দিতে হবে বাড়তি ২৫০ মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২১ হাজার টাকা। যার জেরে আগে যেখানে মার্কিন ভিসা পেতে মাথাপিছু খরচ হত মাত্র ১৬ হাজার টাকা। ২০২৬ সাল থেকে সেটাই গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় ৪০ হাজার টাকা। ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর হয়ে যাবে নয়া এই নীতি। বলার অপেক্ষা রাখে না এই নিয়মের জেরে আমেরিকা যেতে গেলে বিপাকে পড়বেন ভারতীয়রা। আসলে বিদেশিদের আমেরিকায় আসা একেবারেই ‘নাপসন্দ’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। হোয়াইট হাউসের অধীশ্বর হওয়ার পর বিদেশি আটকাতে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাম্প সরকার। শুরুতেই অবৈধ অভিবাসীদের দেশছাড়া করার পাশাপাশি বিদেশি পড়ুয়াদের ভিসা বাতিল, গ্রিন কার্ড হোল্ডারদের উপর চাপ বাড়িয়ে তা আত্মসমর্পণ করানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
29 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Nov 6, 2025, 02:39 PM
ভিটামিন ডি-এর মাত্রা বৃদ্ধিঃ প্রাকৃতিক পরিপূরকগুলির জন্য একটি নির্দেশিকা

ভিটামিন ডি-এর মাত্রা বৃদ্ধিঃ প্রাকৃতিক পরিপূরকগুলির জন্য একটি নির্দেশিকা

ভিটামিন ডি-র অভাব হতে পারে যে কোনও মানুষেরই।এটি এমন এক ভিটামিন, যার মাত্রা কমে গেলে সমস্যা একাধিক। ভিটামিনডি-র অভাবে হাড় দুর্বল হয়ে যায়, অস্থিসন্ধিতে ব্যথা হতে পারে। এমনকি,অবসাদেরনেপথ্যেও থাকতে পারে এই ভিটামিনের অভাব। এ ছাড়া শরীরবৃত্তীয় নানা কাজেই দরকারপড়ে ভিটামিনটির। সাধারণত সূর্যালোকের সংস্পর্শে শরীরে ভিটামিনডি তৈরি হয়। বাকি ভিটামিন মেলে দুধ, দই, কড লিভার অয়েল, তৈলাক্ত মাছ এবংবিশেষ কিছু খাবার থেকে। এর পরেও শরীরে ভিটামিনের অভাব হলে চিকিৎসকেরা সাপ্লিমেন্টবা ওষুধ দেন। তবে ওষুধ ছাড়াই ভিটামিন ডি-র মাত্রা ঠিক রাখতেনিয়মিত চুমুক দিতে পারেন বিশেষ স্মুদিতে। এক নয়, ভিটামিন ডি-মিলবে এমন তিন ধরনের স্মুদি তৈরির পদ্ধতি জেনে নিন। দুধ-কলার স্মুদি:সাধারণ দুধ নয়। ফর্টিফায়েডমিল্ক বেছে নিন। সয়া দুধও বেছে নিতে পারেন। তবে তাতে যেন আলাদা ভাবে ভিটামিন ডিযোগ করা থাকে। কলায় ভিটামিন ডি নয়, থাকে ম্যাগনেশিয়াম। এই খনিজটি ভিটামিনডি শোষণে সাহায্য করে। এই স্মুদিতে বিভিন্ন রকম বাদাম যোগ করতে পারেন। বাদামেস্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং প্রোটিন মিলবে। ইয়োগার্ট এবং ফলের স্মুদি:ফর্টিফায়েড ইয়োগার্টলাগবে এই স্মুদি তৈরির জন্য। ভিটামিন ডি যেহেতু নিরামিষ খাবারে কম মেলে তাইফর্টিফায়েড খাবার দরকার, যেখানে বাইরে থেকে পুষ্টিগুণ যোগহয়। ইয়োগার্টের সঙ্গে কলা, আম বা মরসুমি ফল দিয়ে স্মুদি বানিয়েনিতে পারেন। টোফু এবং ফলের স্মুদি:টোফুতেও ভিটামিন ডি মেলে।তবে ফর্টিফায়েড হলে মাত্রা আরও বেশি হয়। টোফুর সঙ্গে কলা বা স্ট্রবেরি, কাঠাবাদাম,খেজুরদিয়ে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। এই ধরনের স্মুদি খেলে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হবেনা। যদি ঘাটতি হয় সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে সাপ্লিমেন্ট বা দৈনন্দিনডায়েটে বদল আনা যেতে পারে।
74 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Nov 4, 2025, 02:44 PM
শীতকালীন ঠোঁটের যত্নঃ নরম ঠোঁটের জন্য মৃদু স্ক্রাবিংয়ের সাথে আর্দ্র লিপ বাল্মের ভারসাম্য বজায় রাখা

শীতকালীন ঠোঁটের যত্নঃ নরম ঠোঁটের জন্য মৃদু স্ক্রাবিংয়ের সাথে আর্দ্র লিপ বাল্মের ভারসাম্য বজায় রাখা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:শীত আসছে। আর শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের একটু বাড়তি যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে বইকি। মুখ ও শরীরের ত্বকের সঙ্গে ঠোঁটের যত্নেও বেশ কিছুটা নজর দিতে হয়। কিন্তু সেজন্য ঘন ঘন লিপবাম ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। বেশি লিপবাম ব্যবহারের কী কী অসুবিধা রয়েছে জানেন? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মাঝেমাঝেই লিপবাম ব্যবহার করলে ঠোঁট হয়ে পড়ে আরও বেশি শুস্ক। তাই যখন প্রয়োজন তখনই শুধু লিপবাম ব্যবহার করুন। লিপ বাম নির্বাচনের সময় সচেতন হন। শিয়া বাটার ও কোকো বাটার সমৃদ্ধ লিপবাম আপনার ঠোঁটকে অনেকক্ষণ ধরে আদ্র রাখে। এবং শুষ্ক হওয়া থেকে আটকায় ও ঠোঁটের ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। তবে শুধু লিপবাম ব্যবহার করলেই হবে না। একইসঙ্গে ঠোঁটের রুক্ষতা দূর করতে সপ্তাহে এক বা দু’দিন সঠিক স্ক্রাবার দিয়ে ঠোঁটে স্ক্রাবিং করুন। এতে ঠোঁটের শুষ্কতা উধাও হবে এবং ঠোঁটের কোমলতা বজায় থাকবে। মুখ বা শরীরের মতো ঠোঁটের ত্বকেও ট্যান পরার সম্ভবনা থাকে। তাই চেষ্টা করুন এসপিএফ সমৃদ্ধ লিপবাম ব্যবহার করতে। এটি আপনার ঠোঁটের ত্বক ভালো রাখবে। সূর্যের প্রখর তাপ থেকেও রক্ষা করবে। ঘন ঘন ঠোঁট চাটেন? আপনার এই অভ্যাসও কিন্তু আপনার ঠোঁট মারাত্মকভাবে শুষ্ক করে দিতে পারে। তাই এই অভ্যাস পালটান। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
81 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Oct 28, 2025, 02:32 PM
সূর্যালোকের গুরুত্বঃ স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বৃদ্ধি

সূর্যালোকের গুরুত্বঃ স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বৃদ্ধি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:মানুষের হাতে সময় কম। ব্যস্ততা তার নিত্যসঙ্গী। দিনের বেশির ভাগ সময়টাই কাটে অফিসে। বাকি সময়টুকু নিত্য প্রয়োজনীয় কাজেই কেটে যায়। ফলে, প্রকৃতির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ হয় না বললেই চলে। অথচ গাছ যেমন সূর্যালোক ছাড়া বাঁচে না, মানবদেহেরও তেমনি রোদের প্রয়োজন রয়েছে। একদিকে যেমন মানব্দেহে হরমোনের ক্ষরণ, উৎপাদন, ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতিতে রোদের ভূমিকা রয়েছে। ঠিক তেমনই মানসিক অবসাদ কমাতেও রোদ অপরিহার্য। এমনকী অনিদ্রাজনিত সমস্যাতেও রোদের ভূমিকা অপরিহার্য। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিন বিশেষত সকালের হালকা রোদে থাকলে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি সংশ্লেষণ করে। ভিটামিন ডি-এর এই উৎপাদন এবং সূর্যের অন্যান্য প্রভাবের কারণে অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। (১) রিকেট ও অস্টিওম্যালেসিয়া:সূর্যের আলো ভিটামিন ডি-এর প্রধান উৎস। ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে, যা হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে। ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেট এবং প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওম্যালেসিয়া বা অস্টিওপোরোসিস রোগ হতে পারে। নিয়মিত রোদে থাকলে এই হাড়ের রোগগুলি প্রতিরোধ করা সম্ভব। (২) বিষণ্ণতা ও মন খারাপ:সূর্যের আলো মস্তিষ্কে সেরোটোনিন নামক একটি হরমোনের উৎপাদন বাড়ায়, যা আমাদের মন ভালো রাখতে, মনোযোগ বাড়াতে এবং মানসিক স্থিরতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত রোদ পেলে বিষণ্নতা এবং ঋতুজনিত বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে। (৩) দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জনিত রোগ:ভিটামিন ডি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত রোদের সংস্পর্শে থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ফলে সর্দি-কাশি, ফ্লু এবং বিভিন্ন সংক্রমণ জনিত রোগের বিরুদ্ধে শরীর ভালোভাবে লড়াই করতে পারে। (৪) উচ্চ রক্তচাপ:কিছু গবেষণা অনুসারে, সূর্যের আলো ত্বকের রক্তনালীগুলিকে প্রসারিত করতে সাহায্য করে এবং নাইট্রিক অক্সাইডের উৎপাদন বাড়ায়, যা রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। (৫) ঘুমের সমস্যা:সকালের সূর্যের আলো আমাদের শরীরের জৈবিক ঘড়ি নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত সকালে রোদে থাকলে মেলাটোনিন হরমোনের সঠিক ক্ষরণ নিশ্চিত হয়, যা রাতে ভালো ঘুম আনতে সাহায্য করে এবং অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। ভিটামিন ডি-এর জন্য সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যবর্তী রোদ সবচেয়ে কার্যকর, তবে ত্বককে অতিরিক্ত ইউভি (UV) রশ্মি থেকে বাঁচাতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা বা সরাসরি প্রখর রোদ এড়িয়ে চলা আবশ্যক। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
35 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Oct 14, 2025, 04:47 PM
আখরোটঃ একটি স্বাস্থ্যকর হৃদয় এবং মস্তিষ্কের জন্য আপনার পূজা মরসুমের ডায়েটে একটি পুষ্টিকর সংযোজন

আখরোটঃ একটি স্বাস্থ্যকর হৃদয় এবং মস্তিষ্কের জন্য আপনার পূজা মরসুমের ডায়েটে একটি পুষ্টিকর সংযোজন

আজকালওয়েবডেস্ক: পুজোর মরসুম মানেই দেদার খাওয়াদাওয়া। মিষ্টি থেকে ভাজাভুজি, বাদ যায় না কিছুই। কিন্তু উৎসবের এই আবহেও শরীরকে অবহেলা করলে চলবে না। আর শরীরকে ভিতর থেকে শক্তিশালী রাখতে প্রকৃতিতে এমন অনেক উপাদান রয়েছে, যা আমাদের রোজের পাতে থাকা প্রয়োজন। তেমনই এক আশ্চর্য ফল হল আখরোট। দেখতে অবিকল মস্তিষ্কের মতো এই বাদামটি যে কেবল মস্তিষ্কের জন্যই উপকারী, তা কিন্তু নয়। এর পুষ্টিগুণ জানলে যে কেউ অবাক হতে বাধ্য। হৃদয়ের যত্ন নেয় আধুনিক জীবনযাত্রায় হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, আখরোটে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা এক প্রকার ‘ভাল ফ্যাট’। এই উপাদানটি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং ভাল কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে ধমনীর ভিতরে চর্বি জমার আশঙ্কা কমে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। নিয়মিত আখরোট খেলে তাই হৃদযন্ত্র থাকে সতেজ ও সুরক্ষিত। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় ছোটবেলা থেকেই বড়রা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে আখরোট খাওয়ার পরামর্শ দেন। এর কারণ, এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের কোষকে সজীব রাখে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত আখরোট খেলে স্মৃতিশক্তি উন্নত হয় এবং বয়সজনিত মস্তিষ্কের ক্ষয় বা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমে। পড়ুয়া থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ, সকলের জন্যই আখরোট অত্যন্ত উপকারী। প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে শরীরের অভ্যন্তরে নানা কারণে প্রদাহ বা ‘ইনফ্ল্যামেশন’ হতে পারে, যা থেকে ডায়াবিটিস, আর্থারাইটিস বা ক্যানসারের মতো রোগের আশঙ্কা বাড়ে। আখরোটে থাকা পলিফেনল নামক যৌগ এই প্রদাহ কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। তাই রোজ ডায়েটে কয়েকটি আখরোট রাখলে দীর্ঘমেয়াদী রোগের ঝুঁকি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক অনেকেই ভাবেন, বাদাম খেলে ওজন বাড়ে। এই ধারণা কিন্তু সম্পূর্ণ ঠিক নয়। আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকায় অল্প কয়েকটি খেলেই পেট ভরে যায়। ফলে বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও, হজমশক্তি উন্নত করতে, হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতেও আখরোটের জুড়ি মেলা ভার। তাই আর দেরি কেন? প্রতিদিন সকালে খালি পেটে বা বিকালের জলখাবারে দু-তিনটি ভেজানো আখরোট যোগ করুন আপনার খাদ্যতালিকায়। শরীর আর মন, দুই-ই থাকবে চনমনে। তবে শুধু একটি কথা মাথায় রাখবেন, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভাল নয়, তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই শ্রেয়।
83 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Oct 14, 2025, 03:08 PM
ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরে ফুসফুসের স্বাস্থ্যের উন্নতিঃ ব্যায়াম এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের শক্তি

ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরে ফুসফুসের স্বাস্থ্যের উন্নতিঃ ব্যায়াম এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের শক্তি

আজকালওয়েবডেস্ক: ধূমপান ছেড়ে দেওয়া জীবনের অন্যতম সেরা এবং কঠিন সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে একটি। ধূমপান ছাড়ার পরমুহূর্ত থেকেই শরীর নিজেকে মেরামত করতে শুরু করে দেয়। হৃদ্‌রোগ এবং ক্যানসারের ঝুঁকি কমতে শুরু করে। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিকের প্রভাব থেকে ফুসফুসকে মুক্ত করা এবং তার কার্যক্ষমতা বাড়ানো একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। তবে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চললে ফুসফুসকে আগের চেয়ে অনেক বেশি সতেজ ও কর্মক্ষম করে তোলা সম্ভব। প্রাক্তন ধূমপায়ীদের ফুসফুসের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে কয়েকটি জরুরি পদক্ষেপ- ১। শরীরচর্চা হোক নিত্যসঙ্গী ধূমপান ছাড়ার পর ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ব্যায়ামের কোনও বিকল্প নেই। নিয়মিত শরীরচর্চা করলে শ্বাস-প্রশ্বাসের পেশিগুলি শক্তিশালী হয় এবং ফুসফুসের অক্সিজেন গ্রহণ করার ক্ষমতা বাড়ে। অ্যারোবিক ব্যায়াম: হাঁটা, জগিং, সাঁতার বা সাইক্লিং-এর মতো অ্যারোবিক ব্যায়াম ফুসফুসের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি গতির ব্যায়াম করুন। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম: প্রাণায়াম বা ডিপ বেলি ব্রেদিং-এর মতো গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম ফুসফুসের গভীরে জমে থাকা দূষিত পদার্থ বের করতে এবং ফুসফুসের প্রসারণ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট এই ধরনের ব্যায়াম করুন। ২। খাদ্যাভ্যাসে আনুন পরিবর্তন সঠিক খাবার ফুসফুসের প্রদাহ কমাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলিকে পুনর্গঠনে সাহায্য করে। আপনার খাদ্যতালিকায় কোন কোন খাবার যোগ করবেন? অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার: জাম, স্ট্রবেরি, সবুজ শাকসবজি (পালং, ব্রকোলি) এবং গাজরের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল ও সবজি ফুসফুসকে দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। প্রদাহরোধী খাবার: হলুদ, আদা, রসুন, এবং গ্রিন টি-র মতো খাবার ফুসফুসের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত জল পান: সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করলে ফুসফুসে জমে থাকা শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে বেরিয়ে যেতে সুবিধা হয়, যা ফুসফুসকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। ৩। দূষণ থেকে দূরে থাকুন আপনি ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু আপনার চারপাশের বাতাস এখনও আপনার ফুসফুসের ক্ষতি করতে পারে। পরোক্ষ ধূমপান এড়িয়ে চলুন: যে সমস্ত জায়গায় অন্যেরা ধূমপান করছেন, সেই স্থানগুলি সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন। পরোক্ষ ধূমপানও ফুসফুসের জন্য সমান ক্ষতিকর। বায়ু দূষণ থেকে সাবধান: বাড়ির বাইরে বেরোলে, বিশেষ করে অতিরিক্ত দূষণযুক্ত এলাকায়, মাস্ক ব্যবহার করুন। বাড়িতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করতে পারলে তা ফুসফুসের জন্য খুবই উপকারী। বাড়ির অন্দরে ধূপ বা মশা তাড়ানোর ধোঁয়া থেকেও দূরে থাকুন। ৪। নিয়মিত ডাক্তারি পরামর্শ ধূমপান ছাড়ার পর একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা অত্যন্ত জরুরি। কোনও রকম সমস্যা, যেমন দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা হলে তা কখনই অবহেলা করবেন না। চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে পালমোনারি ফাংশন টেস্ট বা অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার ফুসফুসের বর্তমান অবস্থা নিরীক্ষা করতে পারেন। মনে রাখবেন, ধূমপান ছেড়ে আপনি ফুসফুসকে সারিয়ে তোলার প্রথম এবং সবচেয়ে জরুরি পদক্ষেপটি নিয়ে ফেলেছেন। রাতারাতি হয়তো সব ক্ষতি পূরণ হবে না, কিন্তু ধৈর্য ধরে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা মেনে চললে আপনার ফুসফুস ধীরে ধীরে অনেকটাই সেরে উঠবে এবং আপনি এক নতুন, সতেজ জীবন ফিরে পাবেন।
61 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Oct 10, 2025, 03:48 PM
পাইলসঃ কারণ, লক্ষণ এবং প্রতিরোধের টিপস

পাইলসঃ কারণ, লক্ষণ এবং প্রতিরোধের টিপস

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃপায়ুপথ দিয়ে রক্তপাতের কারণই হল পাইলস। ছোট থেকে বড় অনেকেই ভোগেন এই সমস্যায়। পাইলস হলো পায়ুর রক্তনালি ফুলে যাওয়া। রক্তনালিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণ রক্ত জমা হলে রক্তনালি তখন ফুলে যায়। সাধারণত পায়ুপথে অতিরিক্ত চাপ পড়লে এমনটা ঘটে।এই পাইলস থেকে সুস্থ(Health tips) থাকার জন্য কি করনীয়(Health tips) জেনে নিন কেন হয় ১।মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া, দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য। ২।লম্বা সময় বসে থাকা, বিশেষত টয়লেটে। ৩।দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া। যেসব উপসর্গ দেখা দেয় ১।পায়ুপথে রক্তপাত। মলের সঙ্গে রক্ত যেতে পারে কিংবা রক্ত দেখা যেতে পারে টয়লেট পেপারে। ২।পায়ুপথে চুলকানি, অস্বস্তি। ৩।পায়ুপথে ব্যথা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যথা প্রচণ্ড তীব্র হয়ে উঠতে পারে। ৪।পায়ুপথের আশপাশে ফুলে যায় কিংবা ছোট গোটা হতে পারে। সুস্থতার জন্য যা করনীয় ১।রোজ পর্যাপ্ত পানি খাবেন। ২।আঁশসমৃদ্ধ খাবার, যেমন শাকসবজি এবং ফলমূল খেতে হবে, যাতে কোষ্ঠকাঠিন্য না হয়। ৩।যেসব ফলমূল খোসাসহ খাওয়া যায়, সেসবের খোসা ফেলবেন না। ৪।বিভিন্ন সবজির খোসা দিয়েও নানা পদ তৈরি করা ভালো। ৫।লাল মাংস এড়িয়ে চলা ভালো। ৬।দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকবেন না। টয়লেটে বসা অবস্থায় মুঠোফোন দেখতে গিয়ে বাড়তি সময় বসে থাকবেন না। ৭।শরীরচর্চার অভ্যাস করুন। ৮।ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ৯।প্রয়োজনে কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন।
40 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Oct 10, 2025, 03:34 PM
ডায়াবেটিসের নীরব লক্ষণগুলি উন্মোচন করাঃ ভারতে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ

ডায়াবেটিসের নীরব লক্ষণগুলি উন্মোচন করাঃ ভারতে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ

ভারতে বর্তমানে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডায়াবেটিস হঠাৎ হয় না, এটি নীরবে আক্রমণ করে। রোগ নিশ্চিত হওয়ার আগে অনেক ক্ষেত্রে শরীর কিছু সূক্ষ্ম লক্ষণ প্রকাশ করে, যা সাধারণত চোখে পড়ে না। কিন্তু সেগুলি লক্ষ্য করেই শর্করার মাত্রা ঠিক রাখার চেষ্টা করা যেতে পারে। যাতে স্বাস্থ্য সমস্যা আরও বাড়ার আগে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।শারীরিক সঙ্কেত হল শরীরের সাহায্যের আহ্বান। তবে এগুলো প্রায়ই উপেক্ষিত থাকে বা কেবল ক্লান্তি বা মানসিক চাপ মনে করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এই লক্ষণগুলো শনাক্ত করলে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নেওয়া যায়, যা বড় অসুস্থতার সম্ভাবনা কমাতে সাহায্য করে।হঠাৎ ওজন পরিবর্তনবিশেষ কোনও কারণ ছাড়াই ওজন হঠাৎ বাড়া বা কমা, উভয়ই রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রাথমিক সঙ্কেত হতে পারে। অতিরিক্ত ইনসুলিনের ফলে শরীরের চর্বি জমা হয়, বিশেষ করে পেটের অংশে। অন্য দিকে, কারও কারও মাংসপেশী কমে যায় কারণ শরীর সঠিকভাবে গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে না। এই দুই ক্ষেত্রে শরীরের আকৃতির পরিবর্তন হঠাৎ করে প্রথম মেটাবলিক সমস্যার ইঙ্গিত দেয়।ত্বকের পরিবর্তনঘাড়, বাহুমূল এবং লিঙ্গের আশেপাশে ত্বক গাঢ়, মোটা এবং ভেলভেটের মতো হয়ে যাওয়া। এটি কেবল চেহারার সমস্যা নয়। রক্তে ইনসুলিনের উচ্চ মাত্রার লক্ষণ, যা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। এই ধরনের ত্বকের পরিবর্তন দ্রুত চিকিৎসা পরীক্ষা করানোর জন্য সতর্কতা দেয়।পা এবং গোড়ালি ফুলে যাওয়াপায়ের বা গোড়ালির আশেপাশের এলাকা ফুলে যাওয়া প্রথমে চোখে পড়তে নাও পারে, তবে এটি সাধারণত সন্ধ্যার দিকে বা দীর্ঘ সময় বসার পরে আরও বেশি দেখা যায়। রক্তে শর্করার ওঠা-নামা কিডনির কার্যকারিতা প্রভাবিত করে, যার ফলে শরীরে তরল জমে। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ শর্করা রক্তনালীর ক্ষতি করতে পারে, যা রক্তপ্রবাহ কমিয়ে ফেলে এবং ফোলাভাব সৃষ্টি করে।ঘাড়ের চর্বি এবং পিঠের উপরের দিকে গাঁটঘাড়ে অতিরিক্ত চর্বি জমা বা সেই অংশটি মোটা হয়ে যাওয়া ইনসুলিন প্রতিরোধের চিহ্ন হতে পারে। একই ভাবে পিঠের উপরের দিকে ছোট উঁচু কুঁজের মতো অংশ দেখা দেয়, যাকে অনেক সময় ‘বাফেলো হাম্প’ বলা হয়, হরমোনজনিত ও অতিরিক্ত কর্টিসলজনিত সমস্যা থেকে হতে পারে। ডায়াবেটিস একটি নীরব শত্রু। এর প্রাথমিক সঙ্কেতগুলি চিহ্নিত করা হলে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব এবং বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়। হঠাৎ ওজন পরিবর্তন, ত্বকের রঙ বদল, পায়ের ফোলা বা ঘাড় ও পিঠে চর্বি জমা—এসব ছোট লক্ষণকে অবহেলা না করে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাই সুস্থ থাকার চাবিকাঠি। শরীরের সতর্কবার্তাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে জীবনধারায় পরিবর্তন আনা এবং সঠিক চিকিৎসা নেওয়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
38 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Oct 10, 2025, 02:57 PM
অ্যালার্জি প্রতিরোধে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার দিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান

অ্যালার্জি প্রতিরোধে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার দিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃযাদেরই অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে সেখান থেকে রেহাই পাওয়া মুশকিল। অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগতে পারেন যে-কেউ। ত্বকের অ্যালার্জির সঙ্গে আমরা পরিচিত। কিন্তু খাদ্যনালী, শ্বাসনালী বা চোখের মতো স্পর্শকাতর অঙ্গে অ্যালার্জি দেখা দিলে তার পরিনাম মারাত্মক হতে পারে। অ্যালার্জির সঠিক কারণ জানা গেলে তবেই তার চিকিৎসা সম্ভব। তবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক থাকলে অ্যালার্জি থেকে দূরে থাকা যায়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই ৩ ধরনের খাবার রাখলে সহজেই সুস্থ(Health tips) থাকবেন আপনি। ১. ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি:ভিটামিন-সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই হিস্টামিনই অ্যালার্জির উপসর্গ(Health tips) তৈরি করে। খাবার:আমলকী, কমলালেবু, স্ট্রবেরি, কিউই, পেঁপে, ক্যাপসিকাম, ব্রকোলি প্রভৃতি। ২. ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত মাছ:ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, বিশেষ করে EPA এবং DHA, শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এটি অ্যালার্জির উপসর্গ কমাতেও কার্যকর। খাবার:স্যালমন, টুনা, ম্যাকেরেল বা অন্যান্য তৈলাক্ত সামুদ্রিক মাছ এবং উদ্ভিজ্জ উৎস হিসেবে আখরোট ও ফ্ল্যাক্সসিড (তিসি বীজ)। ৩. হলুদ:হলুদে থাকা প্রধান সক্রিয় উপাদান কারকিউমিন। এটি শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টি-অ্যালার্জিক। এটি অ্যালার্জির প্রদাহ কমাতে বিশেষভাবে পরিচিত। খাবার:কাঁচা হলুদের সঙ্গে চারটি গোলমরিচের দানা মিশিয়ে খালিপেটে খান। এই খাবারগুলি অ্যালার্জির উপসর্গ কমাতে সহায়ক। তবে এগুলি কোনও চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বেছে নেবেন না। যদি আপনার গুরুতর অ্যালার্জির সমস্যা থাকে, তাহলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
39 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Oct 9, 2025, 03:00 PM
পালস ডাইজেশনঃ আরামদায়ক ব্যবহারের সহজ সমাধান

পালস ডাইজেশনঃ আরামদায়ক ব্যবহারের সহজ সমাধান

প্রোটিন, ফাইবার, খনিজে ভরপুর ডাল খাওয়াঅত্যন্ত ভাল।নিরামিষ বা আমিষ যে খাবারেই অভ্যস্ত হন না কেন চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিদেরাডাল খেতে বলেন। কিন্তু মুশকিল হল কারও কারও ডাল হজম করতে সমস্যা হয়। ডাল খেলেই পেটভার হয়, পেট ফুলে যায়। এই সমস্যার সমাধানের উপায় বাতলেছেন পুষ্টিবিদখুশি ছাবড়া। সমাজমাধ্যমে সহজ দু’টি উপায় বলেছেন তিনি। সেই কৌশল মানলে হজমেরসমস্যা যেমন দূর হবে তবে রক্তে শর্করার মাত্রাও হঠাৎ করে বাড়বে না। ডালেরপুষ্টিগুণও সঠিকমাত্রায় শোষণ করতে পারবে শরীর। পুষ্টিবিদের কথায়, নানা ধরনেরডালের মধ্যে হলুদ মুগডাল হজম করা অপেক্ষাকৃত সহজ। যাঁদের ডাল খেলে সমস্যা হয়পুষ্টিবিদের পরামর্শ সবুজ মুগ, অড়হর ডাল বাদ দেওয়ার। বদলে সপ্তাহে এক বা দু’দিনমুগ ডাল খাওয়ার। তাঁর কথায়, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ধীরে ধীরে ঠিক করতে হবে। একেবারেবেশি ডাল না খেয়ে অল্প করে খেয়ে শরীরকে সওয়াতে হবে। রান্নার আগে ডাল ধুয়ে নেওয়াই নিয়ম। এর ফলে ডালে থাকাধুলোবালি দূর হয়। খুশি জানাচ্ছেন, ডাল ভিজিয়ে খেলে এতে থাকা লেকটিনস কমে যায়, ফলেহজমের সমস্যাও কমে। লেকটিনস হল এক ধরনের প্রোটিন যা হজম করতে কারও কারও সমস্যা হয়। পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক জানাচ্ছেন রান্নার আগে কিছু ক্ষণডাল ভিজিয়ে রাখলে অনেক সমস্যারই সমাধান সম্ভব। ডাল ভিজিয়ে রেখে তার পর রান্না করেখেলে বদহজমের সমস্যা কমানো যেতে পারে। কারণ, এতেবদহজমের কারণ, অলিগোস্যাকারাইডস (শর্করা) বাদ চলে যায়। তাছাড়া, ডালের পুষ্টিগুণ শোষণ করা শরীরের পক্ষে সহজ হয়। রক্তে শর্করা বশেরাখতে ডালেও কার্বোহাইড্রেট থাকে। ফলে নিয়ম মেনে না খেলে রক্তেশর্করার মাত্রা বাড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে ডাল সেদ্ধ করার সময় ১ টেবিল চামচ অ্যাপেলসাইডার ভিনিগার মিশিয়ে দিতে বলছেন পুষ্টিবিদ খুশি। তিনি জানাচ্ছেন, এতে রক্তেশর্করার মাত্রা বশে থাকবে, ডালের পুষ্টি উপাদান শরীরের পক্ষে শোষণ করা সহজ হবে।ফোড়নে আদা এবং হিং ব্যবহার করলেও তা হজমে সহায়ক হতে পারে।
37 shares
😢
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Sep 24, 2025, 04:00 PM
কলকাতার অনন্য পূজা উদ্যোগঃ অপ্রচলিত সামগ্রী থেকে তৈরি মূর্তি

কলকাতার অনন্য পূজা উদ্যোগঃ অপ্রচলিত সামগ্রী থেকে তৈরি মূর্তি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:খড়ের উপর মাটির ছোঁয়ায় প্রতিমা তৈরি হয়েই থাকে। অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে প্রতিমা তৈরিও নতুন নয়। তবে এবার পুজোয় কলকাতায় বিশেষ চমক। আটা দিয়ে তৈরি হচ্ছে প্রতিমা। কাজে লাগানো হয়েছে গমের বীজও। সৌজন্যে ইমামি হেলদি অ্যান্ড টেস্টি। ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগে অংশ নিলেন ইস্টবেঙ্গল মেনস এবং উইমেন্স টিমের প্রতিনিধিরা। বুধবার রাজাডাঙ্গা নবউদয় সংঘ চক্রবর্তী পাড়ার সেক্টর-এ তে এই আটার দুর্গা প্রদর্শিত হয়। এর আগে এই অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারও এই উদ্যোগে শামিল হন। বেশ কয়েকদিন আগে অভিনব এই উদ্যোগের সূচনা। টানা ১৫ দিন ধরে চলবে প্রতিমা তৈরি। আগামী ২ অক্টোবর হবে সিঁদুরখেলা। বলে রাখা ভালো, খাদ্যরসিক মানুষের হেঁশেল মানেই এতদিন ইমামি ভোজ্য তেল ও মশলা। ক্রায়োজেনিক গ্রাইন্ডিং প্রযুক্তিতে তৈরি এই তেল ও মশলায় প্রকৃতিক পুষ্টিগুণ ধরে রাখা হয়। সম্প্রতি পণ্য উৎপাদন বাড়িয়ে ইমামি অ্যাগ্রোটেক নিয়ে এল তাদের নতুন পণ্য ইমামি হেলদি অ্যান্ড টেস্টি ফ্রেশ চাক্কি আটা। খাঁটি গমের তৈরি এই ফ্রেশ চাক্কি আটায় কোনও কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ নেই। ​এই আটা প্রোটিন, ফাইবার ও ভিটামিন বি সমৃদ্ধ। এই আটা দিয়ে তৈরি রুটি অনেকক্ষণ নরম ও টাটকা থাকে। আটার দুর্গা তৈরির অনুষ্ঠানে প্রথমদিনে অংশ নেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা। তিনি বলেন, “প্রতি বছর পুজোয় নতুন কিছু করার চেষ্টা করে ইমামি হেলদি অ্যান্ড টেস্টি। এবার তারা আটা দিয়ে প্রতিমা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। যা খুবই ভালো।” ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শুধু খেলোয়াড় কিংবা অভিনেত্রীর নয়, মন ছুঁয়েছে সকলের। চাইলে যে কেউ এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে অংশ নিতে পারেন। আপনিও আটার দুর্গা তৈরির শরিক হতে পারেন। তাই আর দেরি কীসের? ইমামি হেলদি অ্যান্ড টেস্টির ব্যতিক্রমী উদ্যোগে অংশ নিন আপনিও। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
14 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 21, 2025, 04:42 PM
কোষ্ঠকাঠিন্যকে বিদায় বলুনঃ সুস্থ অন্ত্রের জন্য প্রাকৃতিক প্রতিকার

কোষ্ঠকাঠিন্যকে বিদায় বলুনঃ সুস্থ অন্ত্রের জন্য প্রাকৃতিক প্রতিকার

আজকাল ওয়েবডেস্ক:জীবনযাত্রায় অনিয়ম, অপর্যাপ্ত জল পান, ভাজাভুজির প্রতি আসক্তি এবং মানসিক চাপের মতো নানান কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। সকালে উঠে পেট পরিষ্কার না হওয়ার অস্বস্তিটা গোটা দিনটাই মাটি করে দেয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ওষুধ বা চূর্ণ খেয়ে থাকেন, যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জীবনযাত্রায় কিছু সাধারণ পরিবর্তনের পাশাপাশি রাতে ঘুমানোর আগে কয়েকটি ঘরোয়া পানীয় পান করলেই এই অস্বস্তিকর সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।আসুন জেনে নেওয়া যাক, রাতে ঘুমানোর আগে কোন কোন পানীয় পান করলে সকালে পেট পরিষ্কার হতে পারে। ১। ঘি মেশানো গরম দুধএটি বহু প্রাচীন এবং অত্যন্ত কার্যকর একটি ঘরোয়া টোটকা। এক গ্লাস সামান্য গরম দুধে এক চামচ খাঁটি গব্য ঘৃত (গাইয়ের ঘি) মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, ঘি অন্ত্রের প্রাচীরকে মসৃণ করে এবং প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট হিসেবে কাজ করে। ফলে জমে থাকা মল শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সুবিধা হয়। অন্যদিকে, গরম দুধ স্নায়ুকে শান্ত করে এবং ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে, যা হজম প্রক্রিয়াকেও উন্নত করে। ২। ত্রিফলার জলকোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে আয়ুর্বেদে ত্রিফলার ব্যবহার বহু যুগ ধরে প্রচলিত। আমলকী, হরিতকী এবং বহেড়া, এই তিনটি ফলের মিশ্রণ হজমশক্তি বাড়াতে এবং শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস সামান্য গরম জলে এক চামচ ত্রিফলার গুঁড়ো মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। তারপর সেই জল ছেঁকে পান করুন। ত্রিফলা মৃদু রেচক পদার্থ হিসেবে কাজ করে এবং অন্ত্রের পেশী সঞ্চালনকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ৩। মৌরি ভেজানো জলমৌরি শুধুমাত্র মুখশুদ্ধি হিসেবেই কাজ করে না, এটি হজমের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। মৌরিতে থাকা তেল পেটের পেশীকে শিথিল করতে, গ্যাস এবং অম্বলের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। এক চামচ মৌরি এক গ্লাস জলে ফুটিয়ে নিন। জল ঠান্ডা হলে রাতে ঘুমানোর আগে চায়ের মতো পান করুন। এটি শুধু কোষ্ঠকাঠিন্যই কমাবে না, পেটের ফাঁপা ভাব কমাতেও দারুণ কাজ করবে।আরও পড়ুন: প্রজনন নিশ্চিত করতে দিনে ৪০ বার সঙ্গম! রাজা ক্লান্ত হলেও জোর করে বাধ্য করেন রানি, কোন রাজ্যের ঘটনা? ৪। অ্যালোভেরার রসঅ্যালোভেরার ঔষধি গুণ সম্পর্কে আমরা সকলেই অবগত। অ্যালোভেরার রসে থাকা বিভিন্ন যৌগ অন্ত্রে জলের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে, যা মলকে নরম করে এবং শরীর থেকে সহজে বেরিয়ে যেতে সহায়তা করে। বাজারে উপলব্ধ অ্যালোভেরার রস (চিনি ছাড়া) কিনে আনতে পারেন। রাতে ঘুমানোর আগে দুই চামচ অ্যালোভেরার রস এক গ্লাস জলে মিশিয়ে পান করুন। এটি অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘরোয়া টোটকাগুলি সাধারণ কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। তবে সমস্যা যদি দীর্ঘদিনের বা গুরুতর হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই পানীয়গুলির উপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করে, সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা, খাদ্যতালিকায় ফাইবারযুক্ত খাবার (শাকসবজি, ফল, ডাল) রাখা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করাও সমানভাবে জরুরি। সামগ্রিক জীবনযাত্রায় বদল আনলেই এই অস্বস্তিকর সমস্যা থেকে দীর্ঘমেয়াদী মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
29 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 15, 2025, 02:34 PM
সর্বোত্তম স্বাস্থ্যের জন্য লেবু এবং আঙুরের রসের ক্ষমতা খুলে দিন

সর্বোত্তম স্বাস্থ্যের জন্য লেবু এবং আঙুরের রসের ক্ষমতা খুলে দিন

সুস্থতার জন্য খাদ্যাভ্যাসে চাই কিছু পরিবর্তন। তারই সঙ্গে ডায়েটে লাউয়ের রস রাখলে উপকার পাবেন হাতেনাতে। শরীরের যে কোনও সমস্যার সমাধান করতে পারে লাউ। পুষ্টিতে ভরপুর লাউয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৩, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি৯, ভিটামিন বি৬। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত লাউয়ের রস পান করলে শরীর যেমন সতেজ থাকে, তেমনি নানা রোগ প্রতিরোধেও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। *ওজন কমাতে সহায়কঃ লাউয়ের রসে ক্যালোরি প্রায় নেই বললেই চলে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা শরীরকে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে অকারণে বারবার খিদে পায় না। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছেন, তাঁদের জন্য লাইয়ের জুস হতে পারে এক প্রাকৃতিক সমাধান। *কোলেস্টেরল কমায়ঃ হার্টের সমস্যার একটি বড় কারণ ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, লাউয়ের রস এই খারাপ কোলেস্টেরলকে বাগে আনতে পারে। আসলে এই পানীয়ে রয়েছে অত্যন্ত উপকারী কিছু ফাইটো কেমিক্যালস। আর এইসব উপাদান কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সিদ্ধহস্ত। তাই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত খেতে পারেন লাউয়ের রস। আরও পড়ুনঃশুধু ক্লান্তি-দুর্বলতা নয়, শরীরে আয়রনের ঘাটতি জানান দেয় ৫ অচেনা লক্ষণও! সতর্ক না হলেই বিপদ *হৃদপিণ্ডের যত্ন নেয়ঃ লাউয়ে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নিয়মিত লাউয়ের জুস খেলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কিছুটা হলেও কমতে পারে। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে এবং হৃদপিণ্ড থাকে সুস্থ। *ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখেঃ ব্লাড সুগার বেড়ে গেলে প্রথমেই লাউয়ের জুসের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে পারেন। কারণ, একাধিক উপকারী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে এই পানীয়তে। যা ব্লাড সুগারকে বশে রাখার কাজে একাই *হজমশক্তি বাড়ায়ঃ অম্বল, গ্যাস বা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? লাউয়ের জুস এক্ষেত্রে বেশ উপকারী। এটি হজম প্রক্রিয়া বাড়ায় এবং অন্ত্র পরিষ্কার রাখে। ফলে খাবার সহজে হজম হয় এবং পেট থাকে স্বস্তিতে। *শরীরকে করে ডিটক্স, ত্বকে আনে উজ্জ্বলতাঃ লাউয়ের জুস শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বার করে দিতে সহায়তা করে। এর ফলে ত্বকে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে, ত্বক হয় মসৃণ ও সতেজ। যারা ব্রণ বা দাগছোপের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্যও এটি কার্যকর। *শরীর ঠান্ডা রাখেঃ গরমকালে লাউয়ের জুস একপ্রকার প্রাকৃতিক ‘কুলিং ড্রিঙ্ক’। এটি শরীরকে ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখে এবং জলশূন্যতার ঝুঁকি কমায়। ফলে গ্রীষ্মের দাবদাহে শরীর থাকে হাইড্রেটেড ও সক্রিয়। কখন খাওয়া উচিত লাউয়ের জুস খাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হল সকাল। খালি পেটে এটি পান করলে পাচন প্রক্রিয়া উন্নত হয় এবং সারাদিন শরীর থাকে হালকা ও সতেজ। অনেকে রাতে ঘুমানোর আগে লাউয়ের রস খেয়ে থাকেন। এটি শরীরকে আরাম দেয় এবং ঘুমের মান ভাল রাখতে সহায়তা করে। পুষ্টিবিদেরা গরমের দিনে লাউ আর করলা দিয়ে ডাল খাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে শরীর ঠান্ডা থাকে। অ্যাসিডিটির সমস্যাও কমে। স্যুপ কিংবা স্যালাড হিসেবেও লাউ ব্যবহার করতে পারেন। তবে সকলের শরীরের জন্য সবকিছু ঠিক নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে খান।
57 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 14, 2025, 04:06 PM
কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছেঃ সচেতনতা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ

কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছেঃ সচেতনতা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ

আজকাল ওয়েবডেস্ক:আধুনিক জীবনযাত্রার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে বদলে গিয়েছে আমাদের খাদ্যাভ্যাস, কমেছে শারীরিক পরিশ্রম। ফলে ক্রমশ নিঃশব্দে শরীরে বাসা বাঁধছে একাধিক অসুখ। কোলন বা মলাশয়ের ক্যানসার তার মধ্যে অন্যতম। চিকিৎসকদের মতে, প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগের লক্ষণগুলি এতটাই অল্প থাকে যে, অনেকেই সেগুলিকে বদহজম বা পেটের সাধারণ গোলযোগ ভেবে উপেক্ষা করেন। আর এই অবহেলাই পরবর্তীকালে মারাত্মক বিপদ ডেকে আনে। সচেতনতা এবং জীবনযাত্রায় কিছু জরুরি পরিবর্তনই পারে এই রোগের ঝুঁকি কমাতে।আরও পড়ুন:৩ মিনিটে ভাঙা হাড় জুড়ে যাবে! যুগান্তকারী ‘আঠা’ আবিষ্কার চীনের বিজ্ঞানীদের, বদলে যাবে চিকিৎসাশাস্ত্রের রূপরেখা? কোন কোন উপসর্গে হবেন সতর্ক?কোলন ক্যানসারের উপসর্গগুলি একেকজনের ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।১। মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন:কোনও আপাত কারণ ছাড়াই যদি দীর্ঘ দিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়ারিয়ার সমস্যা চলতে থাকে, তবে তা চিন্তার বিষয়। মলত্যাগের পরেও পেট পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি, এমন অনুভূতি হওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।২। মলের সঙ্গে রক্তপাত:মলের সঙ্গে তাজা লাল বা কালচে রঙের রক্ত বের হওয়া কোলন ক্যানসারের অন্যতম প্রধান উপসর্গ। যদিও অর্শ বা অন্য কারণেও এমনটা হতে পারে, তবুও বিষয়টিকে অবহেলা করা একেবারেই অনুচিত।৩। পেটে অস্বস্তি:একটানা পেটে ব্যথা, গ্যাস, পেট ফাঁপা বা ক্র্যাম্পের মতো সমস্যা যদি চলতেই থাকে, তবে তা মলাশয়ের কোনও সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।৪। অকারণে ওজন হ্রাস:খাদ্যাভ্যাসে কোনও পরিবর্তন না আনা সত্ত্বেও যদি দ্রুত ওজন কমতে শুরু করে, তবে তা শরীরের অভ্যন্তরে কোনও বড় রোগের লক্ষণ হতে পারে, যার মধ্যে কোলন ক্যানসারও অন্যতম।৫। দুর্বলতা এবং ক্লান্তি:শরীরে আয়রনের ঘাটতি বা অ্যানিমিয়ার কারণে অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। মলাশয়ে রক্তক্ষরণের ফলে এই অ্যানিমিয়া হতে পারে, যা ক্যানসারের একটি পরোক্ষ লক্ষণ। জীবনযাত্রায় কোন বদল জরুরি?বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কোলন ক্যানসার অনেকাংশে একটি ‘লাইফস্টাইল ডিজিজ’। অর্থাৎ, জীবনযাপনে কিছু স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন এনে এর ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।১। খাদ্যাভ্যাসে বদল:খাদ্যতালিকা থেকে লাল মাংস (রেড মিট) এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস (সসেজ, সালামি) বাদ দিন বা পরিমাণে কমান। পরিবর্তে ফাইবার বা খাদ্য আঁশযুক্ত খাবার, যেমন- তাজা ফল, শাকসবজি, বিনস এবং গোটা শস্য (হোল গ্রেন) বেশি করে খান। ফাইবার হজমশক্তিকে উন্নত করে এবং মলাশয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।২। নিয়মিত শরীরচর্চা:সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের শরীরচর্চা করুন। যেমন- দ্রুত হাঁটা বা সাইকেল চালানো। শারীরিক পরিশ্রম ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হজম প্রক্রিয়াকেও সক্রিয় রাখে।৩। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা:শরীরের অতিরিক্ত ওজন, বিশেষত পেটের মেদ, কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও শরীরচর্চার মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।আরও পড়ুন:৩ মিনিটে ভাঙা হাড় জুড়ে যাবে! যুগান্তকারী ‘আঠা’ আবিষ্কার চীনের বিজ্ঞানীদের, বদলে যাবে চিকিৎসাশাস্ত্রের রূপরেখা?৪। ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ:ধূমপান এবং অতিরিক্ত মদ্যপান শুধু ফুসফুস বা লিভার নয়, মলাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকিও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এই বদভ্যাসগুলি ত্যাগ করা অপরিহার্য।৫। নিয়মিত পরীক্ষা:পঞ্চাশ বছর বয়সের পর প্রত্যেকেরই চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত কোলন ক্যানসারের জন্য স্ক্রিনিং বা পরীক্ষা করানো উচিত। পরিবারে কারও এই রোগের ইতিহাস থাকলে আরও আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে।চিকিৎসকদের মতে, কোলন ক্যানসার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। তাই উপসর্গকে অবহেলা না করে সচেতন হওয়াই এই রোগ প্রতিরোধের সেরা উপায়।
18 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 14, 2025, 03:52 PM
ফ্যাটি লিভার রোগ নিরাময়ঃ শৃঙ্খলা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের শক্তি

ফ্যাটি লিভার রোগ নিরাময়ঃ শৃঙ্খলা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের শক্তি

আজকাল ওয়েবডেস্ক:আধুনিক জীবনযাত্রার দৌলতে যে অসুখগুলি প্রায় মহামারির আকার ধারণ করেছে, ফ্যাটি লিভার তার মধ্যে অন্যতম। একটা সময় পর্যন্ত মনে করা হত, শুধুমাত্র মদ্যপানের কারণেই লিভারে চর্বি জমে। কিন্তু বর্তমানে ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ’-এ আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে, যার মূল কারণ অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। চিকিৎসকেরা এই রোগকে ‘নীরব ঘাতক’ বলে থাকেন, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে এর নির্দিষ্ট কোনও উপসর্গ থাকে না। তবে আশার কথা হল, এই রোগের নিরাময়ের চাবিকাঠি লুকিয়ে রয়েছে আপনার দৈনন্দিন অভ্যাসের মধ্যেই। শুধু ওষুধ নয়, জীবনযাত্রায় পাঁচটি জরুরি পরিবর্তন আনলেই এই বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যাটি লিভার সারিয়ে তোলার জন্য কোনও ম্যাজিক পিল নেই। এর একমাত্র পথ হলো অনুশাসন। আর পঞ্চবান মন্ত্র সেই অনুশাসনের পাঁচটি ধাপ, যা নিয়মিত মেনে চললে লিভার আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে।আরও পড়ুন:৩ মিনিটে ভাঙা হাড় জুড়ে যাবে! যুগান্তকারী ‘আঠা’ আবিষ্কার চীনের বিজ্ঞানীদের, বদলে যাবে চিকিৎসাশাস্ত্রের রূপরেখা? ১। খাদ্যাভ্যাসে আনুন বিপ্লব:লিভারকে সুস্থ রাখার প্রথম শর্তই হল সঠিক খাবার বেছে নেওয়া। খাদ্যতালিকা থেকে চিনি এবং সরল শর্করা (যেমন - ময়দার রুটি, সাদা ভাত, মিষ্টি, নরম পানীয়) বাদ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত ভাজাভুজি, ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার (প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, ফাস্ট ফুড) এবং লাল মাংস (রেড মিট) লিভারের ওপর চাপ বাড়ায়। পরিবর্তে খাদ্যতালিকায় যোগ করুন ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার, যেমন- প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি, মরসুমি ফল এবং গোটা শস্য (হোল গ্রেন)। মাছ, ডিমের সাদা অংশ, ডালের মতো প্রোটিন এবং বাদাম, অ্যাভোকাডো, অলিভ অয়েলের মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাট লিভারের বন্ধু।আরও পড়ুন:বাবা ভাঙ্গা আর নস্ত্রাদামুস দু’জনেই সাবধান করেছিলেন! ২০২৫-এর ভয়ঙ্কর ভবিষ্যদ্বাণী শুনে কাঁপছে গোটা বিশ্ব ২। ওজন কমানো অত্যন্ত জরুরি:ফ্যাটি লিভার কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল ওজন নিয়ন্ত্রণ। চিকিৎসকদের মতে, শরীরের মোট ওজনের মাত্র ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমালেই লিভারের চর্বি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে এবং প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর জন্য ডায়েটের পাশাপাশি কায়িক পরিশ্রম অপরিহার্য। ৩। শরীরচর্চাকে করুন নিত্যসঙ্গী:লিভারে জমা ফ্যাট ঝরিয়ে ফেলতে ব্যায়ামের কোনও বিকল্প নেই। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা শরীরচর্চা, যেমন- দ্রুত হাঁটা, জগিং, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটার চেষ্টা করুন। এর সঙ্গে সপ্তাহে দু’দিন পেশি মজবুত করার ব্যায়াম বা ওয়েট ট্রেনিং করলে আরও ভাল ফল মেলে। শরীরচর্চা শুধু ওজন কমায় না, ইনসুলিনের কার্যকারিতাও বাড়ায়, যা ফ্যাটি লিভারের মোকাবিলায় সহায়ক। ৪। মদ্যপানে ইতি:অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে মদ্যপান সম্পূর্ণ বন্ধ করা ছাড়া আর কোনও পথ নেই। নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রেও মদ্যপান লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাই এই অভ্যাস বর্জন করাই শ্রেয়। ৫। অন্যান্য রোগের নিয়ন্ত্রণ:ফ্যাটি লিভারের সঙ্গে ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরলের মতো রোগগুলির গভীর যোগ রয়েছে। তাই লিভারকে সুস্থ রাখতে হলে এই রোগগুলিকেও নিয়ন্ত্রণে রাখা আবশ্যক। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে নিয়মিত ওষুধ খাওয়া এবং পরীক্ষা করানো জরুরি। লিভারে মেদ জমলে, শরীর সতর্কবার্তা পাঠায়। তাই আতঙ্কিত না হয়ে, যত দ্রুত সম্ভব জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনুন। সুস্থ লিভার নীরোগ জীবনের চাবিকাঠি।
16 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 11, 2025, 04:33 PM
স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার দিকে রণবীর কাপুরের যাত্রাঃ জীবনের একটি নতুন পথ

স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার দিকে রণবীর কাপুরের যাত্রাঃ জীবনের একটি নতুন পথ

বলি অভিনেতা রণবীর কাপুর বর্তমানে বলিউডের অন্যতম সফল তারকা। কিন্তু সম্প্রতি তিনি জীবনের কিছু বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন পথে হাঁটছেন। তাঁর আসন্ন ছবি 'রামায়ণ'-এ 'রাম'-এর চরিত্রে অভিনয় করার প্রস্তুতি শুরু করার আগে রণবীর নিজের জীবনযাপনে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন। ধূমপান, মদ্যপান ছেড়ে তিনি এখন সম্পূর্ণ নিরামিষভোজী। এই সিদ্ধান্ত শুধু ছবির জন্য নয়, বরং ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার এবং স্বাস্থ্যকে কেন্দ্র করে নেওয়া। সম্প্রতি রণবীর কাপুর এক সাক্ষাৎকারে জানান, জীবনের চল্লিশের কোঠায় এসে তিনি বুঝেছেন সুস্থ থাকা কতটা জরুরি। মেয়ে রাহার জন্ম তাঁর জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। রাহার প্রতি দায়িত্ববোধ তাঁকে আরও পরিণত করেছে। তিনি বলেন, এখন তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হল পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং নিজের শরীর-মন ভাল রাখা। তাই তিনি ধূমপান ও মদ্যপান একেবারে ছেড়ে দিয়েছেন এবং যোগব্যায়াম, ধ্যানকে নিয়মিত জীবনের অংশ করে নিয়েছেন। বলিউডে চরিত্রে ডুবে থাকার জন্য অনেক তারকাই জীবনযাত্রায় অস্থায়ী পরিবর্তন আনেন। কিন্তু রণবীর কাপুরের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একেবারেই ভিন্ন। তিনি শুধু সিনেমার চরিত্রের জন্য নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা ও মানসিক শান্তির জন্য এই অভ্যাস গড়ে তুলেছেন। ধূমপান ও মদ্যপানের মতো ক্ষতিকর আসক্তি থেকে মুক্ত হয়ে তিনি নিজেকে এক নতুন যাত্রার পথে নিয়ে গেছেন। রণবীর স্বীকার করেছেন, আগের জীবনযাপনে তিনি অনেকটা অবহেলা করতেন। কিন্তু বাবা হওয়ার পর তাঁর মধ্যে এক ধরনের ভয় কাজ করেছে—সময়ের মূল্য, স্বাস্থ্যের গুরুত্ব এবং পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধ তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন। এজন্যই তিনি একদিকে ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো ত্যাগ করেছেন, অন্যদিকে নিরামিষ খাবার গ্রহণ শুরু করেছেন। এর ফলে শরীর যেমন হালকা লাগছে, তেমনই মানসিকভাবে তিনি আরও স্থির হচ্ছেন। আরও পড়ুন:শুধু পরিচালক নয়, এবার গায়ক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করছেন আরিয়ান! জানেন কতটা সুরেলা শাহরুখ-পুত্রের কণ্ঠ? 'রামায়ণ' ছবিতে রামের চরিত্রে অভিনয়ের দায়িত্বও এই পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রেখেছে। পবিত্র ও প্রতীকী চরিত্রটিকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে রণবীর চান নিজের ভিতর ও বাইরে একধরনের শুদ্ধতা বজায় রাখতে। ফলে চরিত্রের প্রস্তুতি এবং ব্যক্তিগত জীবন—দুটোই যেন একসঙ্গে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। সব মিলিয়ে বলাই যায়, রণবীর কাপুর এখন শুধু একজন অভিনেতা নন, বরং একজন দায়িত্বশীল বাবা ও পরিণত মানুষ। তাঁর এই জীবনযাত্রার পরিবর্তন বলিউডে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ধূমপান-মদ্যপান ত্যাগ, নিরামিষভোজ, যোগ-ধ্যান—সবকিছু মিলিয়ে তিনি এক স্বাস্থ্যকর, ভারসাম্যপূর্ণ ও ইতিবাচক জীবনের পথে পা বাড়িয়েছেন। আর এই পরিবর্তন নিঃসন্দেহে তাঁর অভিনয়জীবন ও ব্যক্তিগত জীবনে সমানভাবে প্রভাব ফেলবে।
47 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 11, 2025, 02:42 PM
হঠাৎ করে মস্তিষ্কের স্ট্রোক বৃদ্ধি পাচ্ছেঃ তরুণদের জন্য একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ

হঠাৎ করে মস্তিষ্কের স্ট্রোক বৃদ্ধি পাচ্ছেঃ তরুণদের জন্য একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ

একেবারে সুস্থসবল, ছিল না কোনও শারীরিক অসুস্থতা। আচমকা কয়েক দিন আগে বাড়িতে টিভি দেখতে দেখতে অস্বস্তিবোধ করেন অভিনেত্রী সায়ন্তনী মল্লিক। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর জানা যায় ব্রেক স্ট্রোকে আক্রান্ত তিনি। আপাতত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি মাইল্ড ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলও। শুধু সায়ন্তনী কিংবা অগ্নিমিত্রা নন, শরীরে তেমন কোনও সমস্যা না থাকলেও আচমকা ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা আজকাল আকছার শোনা যায়। কয়েক বছর আগেও সাধারণত বয়স ৬০-এর কাছাকাছি না পৌঁছলে ব্রেন স্ট্রোকের প্রকোপ খুব একটা দেখা যেত না। এখন কমবয়সিদের জন্যও প্রাণঘাতীও হয়ে উঠছে এই অসুখ৷ এবিষয়ে খুঁটিনাটি জানালেন রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের কনস্যালট্যান্ট নিউরোলজিস্ট তথা বাঙ্গুর ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সর প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক ডাঃ গৌতম গঙ্গোপাধ্যায়। ঠিক কী এই অসুখ সাধারণত দু’ধরনের স্ট্রোক হতে পারে। মস্তিষ্কের কোনও অংশে রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হলে বা বন্ধ হয়ে গেলে ইস্কেমিক স্ট্রোক এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে হ্যামারেজ স্ট্রোক। যে ধরনের স্ট্রোকই হোক না কেন, মারণ রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার অন্যতম দাওয়াই হল সঠিক সময়ে লক্ষণ শনাক্ত করে চিকিৎসা করা। আরও পড়ুনঃচিনি খাওয়া ছাড়লেও চা-কফিতে মিষ্টি চাই? 'নো সুগার' ডায়েটে বিকল্প কী মেশাতে পারেন? কেন বাড়ছে স্ট্রোকের প্রকোপ • এমনিতেই হাই প্রেশার, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস বেশি থাকলে কিংবা হার্টের বিভিন্ন সমস্যায় ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ইদানীং অল্প বয়সেই অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে এই সব রোগ বাড়ার প্রবণতা বাড়ছে। • কমবয়সিদের অনিয়ন্ত্রিত ধূমপান, মদ্যপান, নানা রকম মাদকের নেশা ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।• ওজন বেশি থাকলে ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।• স্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে বেশি ফাস্ট ফুড খাওয়া ব্রেন স্ট্রোকের কারণ।• তরুণ-তরুণীদের শরীরে কোনও অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে তা অবহেলা করার প্রবণতা রয়েছে। নিজের প্রতি সচেতনতার অভাব স্ট্রোকের বিপদ ডেকে আনছে। • শরীরে কোনও প্রদাহ বা ইনফেকশন থেকেও স্ট্রোক হতে পারে। • ছোট বয়স থেকে দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ অল্প বয়সে স্ট্রোকের অন্যতম কারণ। • জিনগত কারণেও কমবয়সিদের মধ্যে হতে পারে স্ট্রোক। • গর্ভনিরোধক কিংবা হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখার ওষুধ খেলে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা থাকে। • কাজের চাপে হোক কিংবা অলসতায় কমবয়সিদের মধ্যে ‘বডি মুভমেন্ট’ কমে গিয়েছে। যা অল্প বয়সে স্ট্রোক ডেকে আনছে। • যার প্রচন্ড নাক ডাকেন অর্থাৎ যাঁদের অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ আপনিয়া রয়েছে তাঁদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকে। • পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়াও স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। • শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি কিংবা অপুষ্টির কারণে স্ট্রোক হতে পারে।
60 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 11, 2025, 02:38 PM
চিনির লুকানো বিপদঃ একটি মিষ্টি কিন্তু মারাত্মক আসক্তি

চিনির লুকানো বিপদঃ একটি মিষ্টি কিন্তু মারাত্মক আসক্তি

শারীরিক হোক কিংবা মানসিক, এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা-কফিতে চুমুক দিলেই চাঙ্গা লাগে। সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে বেশ ফুরফুরে থাকে মনও। আজকাল স্বাস্থ্য সচেতনতা বেড়েছে। অনেকেই ‘নো সুগার’ ডায়েটের দিকে ঝুঁকেছেন। দুধ ছেড়ে ব্ল্যাক কফি কিংবা লিকার চায়ে চুমুক দেন। কিন্তু তাতেও মিষ্টি ছাড়তে পারেন না। এদিকে চিনি যে শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর তা বর্তমানে কম-বেশি সকলেরই জানা। চিনি খাওয়ার অভ্যাসে শরীরে জাঁকিয়ে বসে ডায়াবেটিস, চড়চড়িয়ে বাড়ে ওজন, হানা দেয় একাধিক জটিল রোগ। এমনকী বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালকোহল ও তামাকের মতো চিনিও আসক্তিকর। গবেষণায় প্রমাণিত, অতিরিক্ত চিনি খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। কিন্তু চিনি 'বিষ' জেনেও ক'জনই বা লোভ সামলাতে পারেন! আসলে রোজকার জীবনের খাদ্যতালিকায় কোনও না কোনওভাবে চিনি থাকেই। বিশেষ করে মিষ্টি ছাড়া চা-কফি খাওয়া ভাবতেই পারেন না অনেকে। এদিকে স্বাস্থ্যের কথা ভেবে চিনি খাওয়াও চলবে না। তাহলে উপায়? মিষ্টির স্বাদ আনতে চিনির বিকল্প কী কী ব্যবহার করতে পারেন, রইল হদিশ- * গুড়- চিনির বদলে গুড় খেতেও অনেকে পছন্দ করেন। এটি একটি অপরিশোধিত চিনি, যা ক্যালশিয়াম এবং আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, পটাশিয়াম সমৃদ্ধ। এই খনিজগুলি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিভিন্ন সংক্রমণ থেকেও রক্ষা করে। গুড় খেলে হজমশক্তিও ভাল হয়। গুড়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং ফোলেট রয়েছে যা শরীরে হিমোগ্লোবিনের চাহিদা মেটায়। ফলে গুড় খেলে অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতার সমস্যা দেখা দেয় না। আরও পড়ুনঃস্বাস্থ্যকর ভেবে রোজই ডাবের জল খান? উপকার হচ্ছে নাকি ‘বিষ’ যাচ্ছে শরীরে! জানলে শিউরে উঠবেন * ম্যাপল সিরাপ- চিনির অন্যতম বিকল্প হল ম্যাপল সিরাপে। স্বাদে তো বটেই, স্বাস্থ্যগুণেও ম্যাপল সিরাপ বেশ এগিয়ে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদানে ভরপুর ম্যাপল সিরাম যা শরীরের প্রদাহ দূর করে। একই সঙ্গে প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে। চিনির বদলে চা-কফিতে ম্যাপল সিরাপ মেশাতে পারেন। * মধু- অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ইনফ্লেমেটরি উপাদান সমৃদ্ধ মধুও চা-কফিতে মেশাতে পারেন। এটি মিষ্টির ছোঁয়া আনা ছাড়াও শরীর সুস্থ রাখতেও সাহায্য করবে। মধুতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ঠান্ডা, কাশি, জ্বরের মতো বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়ক মধু। * স্টেভিয়া- একটি গাছের পাতা হল স্টেভিয়া। এর অনেকগুলো পাতা একসঙ্গে মেশালে তা চিনির থেকেও মিষ্টি হয়। এই পাতায় ক্যালোরি নেই আর স্বাদে মিষ্টি। বাজারে এই স্টেভিয়ার ট্যাবলেট বা পাউডার আকারে পাওয়া যায়। চা, কফি, মিষ্টি, দই, বেকারি ফুড, আইসক্রিম, কোমল পানীয়সহ এ জাতীয় নানা খাদ্যপণ্য তৈরিতে স্টেভিয়া ব্যবহার করা যায়। এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। অনেকেই আজকাল চিনির বিকল্প হিসেবে এই পাতা ব্যবহার করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দেহের ওজন অনুযায়ী আপনি প্রতিদিন ৪ মিলিগ্রাম স্টেভিয়া গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু উপকারিতা থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেভিয়াকে রোজের ডায়েটে যোগ করা উচিত নয়। * কোকোনাট সুগার- নারকেল থেকে তৈরি কোকোনাট সুগারে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। ফলে ডায়াবেটিস থাকলে চিনির অন্যতম বিকল্প হল কোকোনাট সুগার। চিনির বদলে সামান্য পরিমাণে এই সুগার ব্যবহার করলেই চা-কফি মিষ্টি হয়।
44 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Sep 7, 2025, 03:42 PM
ফোঁড়ার সংক্রমণ প্রতিরোধঃ স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন এবং পরিষ্কার রাখুন

ফোঁড়ার সংক্রমণ প্রতিরোধঃ স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন এবং পরিষ্কার রাখুন

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃগরমে এমনিতেই নাজেহাল অবস্থা। তাছাড়া ঘামে, শরীরের দুর্গন্ধে শরীরে ফোঁড়া হচ্ছে। যেমন যন্ত্রণাদায়ক তেমনি সারতেও সময় লাগে। কিন্তু এই ফোঁড়ার উৎস হল শরীরে জমে থাকা ব্যাকটিরিয়া এবং নোংরা। ত্বকে, লোমকূপে স্ট্যাফাইলোকক্কাস নামক ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমণে ফোঁড়া, লোমফোঁড়া ইত্যাদি হয় ফোঁড়া হলেই অনেকে ভাবেন ফাটিয়ে দিলেই বুঝি মুক্তি। হাত নিশপিশ করে ফোঁড়া ফাটানোর জন্য। তবে এমনটা করা একেবারেই উচিত নয়। ফোঁড়া হলে একটু চুলকানির অনুভূতিও আসে। কিন্তু ফোঁড়াতে বারবার হাত দিলে বা ফোঁড়াকে অযথা টেপাটিপি করলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। তাই ফোঁড়া উঠলে সেখানে বারবার হাত দেবেন না বা ফাটানোর চেষ্টা করবেন না। ফোঁড়াকে নিজে নিজে ফেটে যেতে দিন। কোনও ভাবেই হাত দেবেন না। ফোঁড়ার জায়গায় ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমণ কমাতে (Health tips) মাঝে মাঝে হালকা গরম সাবান জল দিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন। ফোঁড়া নিজে থেকে ফেটে গেলে ও পুঁজ বের হয়ে গেলে ভালো ভাবে সাবান, গরম জল দিয়ে পরিষ্কার করুন। ফোঁড়া হলে কি করণীয় নিমের পাতা বেটে নিয়ে ফোড়ার ওপর লাগালে ফোড়া সেরে যায়। ফোড়াতে যদি পুঁজ হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে নিমের পাতার সঙ্গে সম পরিমাণ গোলমরিচ গুঁড়ো করে দিয়ে ফোড়াতে লাগান। এইসময় সুগন্ধিযুক্ত কোনও সাবান ব্যবহার না করাই ভাল। তাছাড়া বাজারচলতি কোনও ক্রিম, সুগন্ধিও এড়িয়ে চলুন। নিমজলে স্নান করতে পারেন। স্নানের জলে এক ফোঁটা ডেটলও (Health tips) ফেলে দিতে পারেন।
19 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Sep 5, 2025, 02:57 PM
কিডনির স্বাস্থ্যের গুরুত্বঃ সুস্থ দেহের জন্য জল পান করা এবং সঠিক খাবার খাওয়া

কিডনির স্বাস্থ্যের গুরুত্বঃ সুস্থ দেহের জন্য জল পান করা এবং সঠিক খাবার খাওয়া

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃরক্তে যতরকম দূষিত পদার্থ থাকে তা মুত্রের মাধ্যমে বের করতে সাহায্য করে কিডনি। কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে তার প্রভাব পড়বে সমগ্র শরীরে। বিকল হয়ে যেতে পারে শরীরের অন্য প্রত্যঙ্গও। সারা বিশ্বজুড়ে শরীরে কিডনির সমস্যা বাড়ছে। নিজেকে ভালো রাখতে গেলে সুস্থতা সবার আগে প্রয়োজন। আর তার জন্যে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গটিকে ভালো রাখা জরুরি (Health tips)। আর কিডনিকে ভালো রাখতে গেলে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করতে হবে। কেন জল প্রয়োজন? শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করার জন্যে জলের গুরুত্ব অপরিসীম। অতিরিক্ত জল খেলেও যেমন সমস্যা হয় ঠিক তেমনই জলের পরিমাণ কম হলে কিডনির ওপর প্রভাব পরে। জল কম খাওয়ার কারণে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করা দরকার। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে গড়ে ৩-৪ লিটার জল পান করা দরকার। প্রসূতিদের ক্ষেত্রে বাড়তি ৭০০ মিলিলিটার এবং স্তন্যদায়ী মায়েদের অতিরিক্ত ৯৫০ মিলিলিটার জল শরীরে দরকার। কাঠবাদাম, ওটস এবং নারকেল কিডনি ভালো (Health tips) রাখতে সাহায্য করে। চিনি জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। মুসম্বি, বাতাবি, কমলা, যে কোনও রকম লেবুই কিডনির স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য ভালো। লেবুর রস, আপলের স্মুদি, টাটকা সব্জির রস খাওয়া যেতে পারে জলের ঘাটতি মেটাতে। সোডা, এনার্জি ড্রিঙ্ক, চিনি দেওয়া শরবত, অ্যালকোহল কিডনির পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। তবে চিনি ছাড়া চা, ডিটক্স পানীয়ে চুমুক দেওয়া যেতে পারে।
94 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Sep 3, 2025, 02:33 PM
কাজের চাপঃ কর্টিসলের মাত্রা কমাতে হাইড্রেশন, ব্যায়াম এবং ঘুমের গুরুত্ব

কাজের চাপঃ কর্টিসলের মাত্রা কমাতে হাইড্রেশন, ব্যায়াম এবং ঘুমের গুরুত্ব

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:দিনভর বাইরে পরিশ্রম। সে আপনি সরকারি- বেসরকারি যেমন সংস্থাতেই কাজ করুন না কেন, মানসিক টানাপোড়নের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় কমবেশি সকলকেই। তার উপর বাড়ি ফিরেও কাজের শেষ নেই। সংসার ও অফিস এই দুই সামলাতে গিয়ে যেন নাজেহাল অবস্থা। দুশ্চিন্তা তো বাড়েই, তবে এইসব কারণেই যে মানসিক চাপ (Mental stress) বাড়ছে, তা কিন্তু নয়। আরও এক শারীরিক সমস্যাও রয়েছে নেপথ্যে। পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, যারা দিনে দেড় লিটারের কম জল পান করেন, তাঁদের ‘স্ট্রেস হরমোন’ কর্টিসলের ক্ষরণ প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি হয়। আর যারা দিনে আড়াই থেকে তিন লিটার বা তার বেশি জল পান করেন, তাঁদের মানসিক চাপ তুলনামূলক ভাবে কম। শুধু জল নয় এছাড়াও রয়েছে দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক কিছু অভ্যাস। যেমন নিয়মিত শরীরচর্চা করলে তা মন ভালো রাখতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা না ঘুমোলে মানসিক চাপ কমবে না। সারাদিন কাজের চাপে শরীর ও মনকে বিরাম দেওয়ার জন্যে ঘুম প্রয়োজন। মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খাবারের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। প্রতিদিনের খাবারে টাটকা শাক-সবজি, ফল, দানা শস্য, মাছ, ডিম, দুধ এসব রাখাই ভালো। ক্যাফিন জাতীয় খাবার, অতিরিক্ত চিনি এসব এড়িয়ে যান। সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পর নিজেকে সময় দেওয়া বা নিজেকে ভালো রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। একটা ভালো বই পড়তে পারেন। এতে মানসিক চাপ (Mental stress) অনেকটাই কমবে।
13 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Sep 2, 2025, 02:47 PM
তেঁতুলের জলঃ ওজন হ্রাস এবং সুস্থতার জন্য একটি কম-ক্যালোরি, ফাইবার সমৃদ্ধ পানীয়

তেঁতুলের জলঃ ওজন হ্রাস এবং সুস্থতার জন্য একটি কম-ক্যালোরি, ফাইবার সমৃদ্ধ পানীয়

মশলা দিয়ে মাখা ঝাল আলু। সেই পুর সহ ফুচকা তেতুঁল জলে দিয়ে মুখে দিলেই গলে যায় মন। আট থেকে আশি, এই স্বর্গীয় স্বাদ উপভোগ করেন না এমন মানুষ কমই রয়েছেন। ফুচকা ছাড়াও ঘুগনি কিংবা আলুকাবলির সঙ্গেও তেতুঁল জলের বেশ কদর। শুধু স্বাদে নয়, স্বাস্থ্যগুণেও অতুলনীয় তেতুঁল জল। তবে ফুচকার জলের মতো সেই জলে মেশানো যাবে না নানা মশলা, নুন, লঙ্কাগুঁড়ো। কেবল তেতুঁল গোলা জলেই মিলবে স্বাস্থ্যের উপকারিতা। • তেতুঁল জলে মাত্র ৫-৬ ক্যালোরি থাকে। এতে চিনি বা মিষ্টি যোগ না করলে ক্যালোরি বাড়ার আশঙ্কাও থাকে না। একইসঙ্গে মেটাবলিজম বাড়াতে তেতুঁল জলের ভূমিকা রয়েছে। তেতুঁল জলের প্রচুর ফাইবার থাকায় দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি থাকে। তাই ওজন কমাতেও সাহায্য করে এই টক জল। * রোদ থেকে এসে তেঁতুলের টক-মিষ্টি সরবত খেতে পারেন, আরাম পাবেন। স্কার্ভি রোগের প্রতিরোধে তেঁতুল অত্যন্ত কার্যকরী। ঋতু পরিবর্তনের সময়ে ঠান্ডা লাগা বা সর্দিকাশি থেকে সর্দিকাশি থেকে রেহাই পেতে গোলমরিচ মেশানো তেঁতুলের পানীয় উষ্ণ করে খান। দারুণ উপকার পাবেন। • নিয়মিত তেঁতুলের জল খেলে এটি শরীর থেকে টক্সিন বার করে দেয়। শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বার হয়ে যাওয়ায় লিভারের স্বাস্থ্য ভাল থাকে। * তেঁতুলের মধ্যে থাকা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, যা খাবার থেকে আয়রন সংগ্রহ করে বিভিন্ন কোষে তা পরিবহণ করে, এটি মস্তিষ্কের জন্য খুব দরকার। আয়রনের সঠিক পরিমাণ মস্তিষ্কে পৌঁছলে চিন্তা ভাবনার গতি আগের থেকে অনেক বেশি বেড়ে যায়। • তেঁতুলে রয়েছে টারটারিক অ্যাসিড। আপাতভাবে এই অ্যাসিড শরীরে অম্লত্বের ভাব বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে হলেও পুষ্টিবিদদের মতে, পরিমিত পরিমাণে তেতুঁল জল হজমে সাহায্য করে, পেট ফাঁপা কমায়। টারটারিক অ্যাসিড অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও কাজ করে। * তেঁতুলে থাকা নির্দিষ্ট কিছু প্রোটিন কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। তেঁতুলের পটাশিয়াম এবং আয়রন ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। তেঁতুল, শরীরে অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধের কাজে বাঁধা তৈরি করে থাকে। আয়ুর্বেদে তেঁতুল পাতা ডায়েরিয়া সারাতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া তেঁতুল গাছের ছাল এবং শিকড় পেটের ব্যথা সারাতে ব্যবহার করা হয়। • ত্বকের জেল্লা বাড়াতেও সহায়ক তেতুঁল জল। এই পানীয় ব্রণ কমাতে, মুখের কালো দাগ দূর করতে করে এবং ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
43 shares
😊
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Aug 20, 2025, 03:46 PM
স্বাদ ত্যাগ না করে ওজন কমানঃ স্বাস্থ্যকর খাবারের টিপস

স্বাদ ত্যাগ না করে ওজন কমানঃ স্বাস্থ্যকর খাবারের টিপস

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:ওজন কমাতে হলেই সর্বপ্রথম রাশ টানা হয় পছন্দের খাবারে। মিষ্টি, ভাজাভুজি, মাটন ছেড়ে তখন মনযোগ দেওয়া হয় দই, শসা, ওটস, ডালিয়া এসব খাবারের উপর। কিন্তু সুস্বাদু খাবার খেয়েও ওজন কমানো সম্ভব। এই ধরনের সুস্বাদু খাবারের মধ্যে পড়ে পরোটা। বিভিন্ন ধরনের পরোটা খেয়েও ওজন কমাতে পারবেন। কীভাবে সেই পরোটা বানাবেন, তা জেনে নিন (Paratha for Weight Loss)। ছানার পরোটা বাড়িতে তৈরি ছানার সঙ্গে জোয়ান, গোলমরিচ মিশিয়ে তার সঙ্গে মেশান রোস্ট করা তিসির বীজের গুঁড়ো। সেই পুর দিয়ে লাল আটা বা জোয়ারের আটার পরোটা বানিয়ে নিলেই তৈরি হবে প্রোটিনে ভরপুর পরোটা। যা ওজন কমাতে সাহায্য করবে। ছাতুর পরোটা ছাতুর পরোটাও অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ। ছাতুকে মশলা, তেল, নুন, পেঁয়াজ, রসুন, লংকা দিয়ে মেখে, দরকার হলে তার মধ্যে মেথি পাতা কুচিয়ে মেখে তৈরি করুন পুর। তারপরে আটার লেচিতে পুর ভরে বেলে সেঁকে নিয়ে ঘি দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিলেই তৈরি ছাতুর পরোটা। লাউয়ের পরোটা লাউকে কুরিয়ে নিয়ে জিরে, কাঁচা লংকা, ধনেপাতা দিয়ে ভেজে নিয়ে তার সঙ্গে লাল আটা বা জোয়ারের আটা মিশিয়ে পরোটা বানালে তা যেমন স্বাস্থ্যকর হবে, তেমনই সুস্বাদুও হবে। ডালের পরোটা আগের দিনের বেঁচে যাওয়া ডাল দিয়েও বানিয়ে নিতে পারেন পরোটা। অথবা সবুজ মুগ ভিজিয়ে তা বেটে নিয়ে সেটি পেঁয়াজ, রসুন, আমচুর দিয়ে কষিয়ে আটার সঙ্গে মেখে নিয়ে বানিয়ে ফেলুন পরোটা। সবজির পরোটা আগের দিনের বেঁচে যাওয়া তরকারি দিয়ে পরোটার পুর বানাতে পারেন। অথবা গাজর, বিট, ক্যাপসিকাম, ফুলকপি কুচি করে কেটে তা আদাবাটা, জিরে, লংকা ইত্যাদি মশলা দিয়ে কষিয়ে পুর তৈরি করুন। তা পরে তা দিয়ে তৈরি করুন আটার পরোটা।
82 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Aug 17, 2025, 02:59 PM
ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার জন্য পেয়ারা পাতার চায়ের শক্তিকে কাজে লাগানো

ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার জন্য পেয়ারা পাতার চায়ের শক্তিকে কাজে লাগানো

ডায়াবেটিস আজ কেবল একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা নয়। এটি একটি বিশ্বব্যাপী মহামারী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, বিশ্বব্যাপী ৮৩ কোটিরও বেশি মানুষ বর্তমানে ডায়াবেটিস নিয়ে জীবনযাপন করছে। ওষুধ গুরুত্বপূর্ণ হলেও, সচেতন খাদ্যাভ্যাসের উপরও অনেক কিছু নির্ভক করে। আর ঠিক সেখানেই পেয়ারা পাতার চায়ের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিকারের প্রয়োজন। জেনে নেওয়া যাক ঠিক কী করতে হবে। পেয়ারা পাতা ফ্ল্যাভোনয়েড, ট্যানিন এবং পলিস্যাকারাইড সমৃদ্ধ। এই যৌগগুলি তাদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রদাহ-বিরোধী এবং ডায়াবেটিস-বিরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। মলিকিউলস জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, পেয়ারা পাতা থেকে নিষ্কাশিত পলিস্যাকারাইড ডায়াবেটিস রোগীদের মোট কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে পারে। সেই একই গবেষণায় এই পাতার কারণে উন্নত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইম কার্যকলাপ এবং লিভার, কিডনি এবং অগ্ন্যাশয়ের জটিলতা হ্রাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্যতালিকায় পেয়ারা পাতা কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করবেন? ফলটি যদিও সাধারণত কাঁচা এবং তাজা খাওয়া হয়, পাতাগুলি চা তৈরি করে আপনার দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। পেয়ারা পাতার চা তৈরির রেসিপি ছ’সাতটি তাজা পেয়ারা পাতা ভালো করে পরিষ্কার করুন। একটি সসপ্যানে ১.৫ কাপ জলে এগুলো দিয়ে দিন। তারপর প্রায় ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। সেইচা ছেঁকে একটি কাপে ঢেলে চুমুক দিন। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এক কাপ পেয়ারা পাতার চা নিরাপদে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে, বিশেষ করে খাবারের পরে। তবে যে কোনও ভেষজ প্রতিকারের মতো, এটিও পরিমিত পরিমাণে পান করা গুরুত্বপূর্ণ।কারণ অতিরিক্ত সেবনের ফলে হালকা হজমের সমস্যা হতে পারে। আপনার রুটিনে পেয়ারা পাতার চা যোগ করার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা ভাল। বিশেষ করে যদি আপনি কোনও ধরনের ওষুধ খেয়ে থাকেন। ডায়াবেটিস রোগীদের জীবনযাত্রার জন্য পেয়ারা পাতার চা একটি দুর্দান্ত প্রাকৃতিক সংযোজন। এটি তৈরি করা সহজ, উপকারী যৌগগুলিতে সমৃদ্ধ এবং রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। পেয়ারা পাতায় ট্যানিন, ফ্ল্যাভোনয়েড এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে যা পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং অন্ত্রে উপস্থিত ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দূর করে। ডায়রিয়ার সময় এই পাতার কাথ পান করলে বুকজ্বালা, ঘন ঘন মলত্যাগ এবং পেট ফাঁপার মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই ঘরোয়া প্রতিকারটি খুবই কার্যকর এবং নিরাপদ বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া, পেয়ারা পাতা বিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, যার কারণে শরীর আরও বেশি ক্যালোরি পোড়াতে শুরু করে।পেয়ারা পাতা কার্বোহাইড্রেটকে গ্লুকোজে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে না এবং ফ্যাট জমা রোধ করতে পারে। সকালে খালি পেটে পেয়ারা পাতা খাওয়া হলে, এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ক্ষুধাও ভারসাম্যপূর্ণ রাখে। পেয়ারা পাতায় প্রাকৃতিক অ্যান্টিহাইপারগ্লাইসেমিক এজেন্ট থাকে, যা শরীরে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এটি শরীরে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। পাতা ফুটিয়ে পানি পান করলে গ্লুকোজ ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে। এই পদ্ধতিটি কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই কাজ করে।
61 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Aug 13, 2025, 03:56 PM
আপনার সন্তানের চোখের পুষ্টিঃ স্বাস্থ্যকর দৃষ্টিশক্তির জন্য প্রয়োজনীয় খাবার

আপনার সন্তানের চোখের পুষ্টিঃ স্বাস্থ্যকর দৃষ্টিশক্তির জন্য প্রয়োজনীয় খাবার

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:গেম খেলা বা ভিডিও দেখার জন্যই হোক না কেন, স্ক্রিন টাইম বাড়ছে ছোটদেরও। আর যার ফলে এখন তাদের মধ্যেই দেখা দিতে শুরু করেছে চোখের সমস্যা। তাই সন্তানের চোখের যত্ন (Kids Eye Health) নিতে হলে অবশ্যই পাতে রাখতে কিছু খাবার। যা চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করবে। সেগুলি কী কী তা জেনে নিন। শাকপাতা সবুজ শাকপাতায় রয়েছে লুটেইন এবং জেক্সানথিন। যা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট জুগিয়ে চোখের রেটিনার স্বাস্থ্য ভালো রাখে। মাছ যেকোনও মাছেই রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা রেটিনার স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। এছাড়া ছোট মাছও চোখের জন্য ভালো। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ছাড়াও থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, প্রোটিন, ক্যালশিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন, ফসফরাস এবং ভিটামিন ডি যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ডিম ডিমেও রয়েছে লুটেইন, জেক্সানথিন, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন ডি। এই সবক’টি উপাদানই চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। গাজর এবং রাঙা আলু গাজর এবং রাঙা আলু এই দুই সবজিই বিটা-ক্যারোটিনে সমৃদ্ধ, যা শরীরে যাওয়ার পরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি উন্নত করার জন্য অতি জরুরি। বাদাম বাদামে রয়েছে ভিটামিন ই এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। সন্তানের সারা দিনের খাবারের তালিকায় এক মুঠো চিনেবাদাম বা আমন্ড রাখলে তা চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি যুক্ত ফল লেবু, আপেল, পেঁপে, পেয়ারার মতো ফলে রয়েছে ভিটামিন সি। যা চোখের রক্তনালীগুলি ভালো রাখে। চোখে রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে।
65 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Aug 2, 2025, 03:58 PM
দুধের সঙ্গে এড়িয়ে চলার খাবারঃ পরিপাকজনিত সমস্যা ছাড়াই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

দুধের সঙ্গে এড়িয়ে চলার খাবারঃ পরিপাকজনিত সমস্যা ছাড়াই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:দুধ খেলে দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি মেলে। দুধে রয়েছে ল্যাকটোজ, প্রোটিন, খনিজ ও ভিটামিন। শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে দুধ। কিন্তু এই উপকারী পানীয়র সঙ্গে কয়েকটি জিনিস খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। কোন খাবারগুলি দুধের সঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়, তা জেনে নিন (Health Tips)। ১.দুধের সঙ্গে একাধিক প্রোটিন জাতীয় খাবার কখনওই একসঙ্গে খাবেন না। অনেকেই মাছ-মাংসের সঙ্গে দুধের পদ আয়েস করে খান। কিন্তু এমনটা করলে হজমে গুরুতর ব্যাঘাত ঘটতে পারে। ২.অনেকেই ব্রেকফাস্টে দুধ ও কলা একসঙ্গে খেয়ে থাকেন। এতে কিন্তু শরীরের উপকারের চেয়ে অপকারই হচ্ছে। দুধ ও কলা একসঙ্গে খেলে হজমে সমস্যা হয়। ৩.লেবু ও দুধ কখনওই একসঙ্গে খাবেন না। লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড দুধের সঙ্গে বিক্রিয়া ঘটায়। ফলে, পেট ব্যথা থেকে শুরু করে বমিও হতে পারে। আপনি যদি দুধ খাওয়ার ১ ঘন্টা পর লেবু খান তাহলে অবশ্য খুব একটা সমস্যা হবে না। ৪.অনেকেই মাঝেমধ্যে ডিনারে পিৎজ্জা, বার্গার, বিরিয়ানি খেয়ে নেন। আর তারপরই ঢক করে এক গ্লাস দুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু এতে শরীরের বারোটা বাজানো ছাড়া আর কিছুই হয় না। দুধের পুষ্টিমূল্য তো পাওয়া যায় না, উপরন্তু বদহজমের সমস্যা দেখা দেয়।
41 shares
😐