Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 02:47 AM


সরকারের দমন-পীড়ন সত্ত্বেও পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশ বিদ্রোহের সঙ্গে লড়াই করছে
পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ বালোচিস্তানে বিদ্রোহের আগুনজ্বলছে। দমনপীড়ন চালিয়েও বালোচ বিদ্রোহীদের এখনও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনিইসলামাবাদ। এই পরিস্থিতিতে পাক সেনাবাহিনীর ‘প্রতিবন্ধকতার’ কথা স্বীকার করে নিলেনসে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। কী কারণে বালোচদের বিদ্রোহে লাগাম পরানোযাচ্ছে না, মঙ্গলবার পাকিস্তানের আইনসভায় তা ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। পাক আইনসভার নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে দাঁড়িয়েআসিফ বলেন, “ভৌগোলিক ভাবে বালোচিস্তান পাকিস্তানের ৪০ শতাংশ স্থান জুড়ে রয়েছে। এটাকেনিয়ন্ত্রণ করা একটা জনবহুল শহরকে নিয়ন্ত্রণ করার চেয়ে অনেক বেশি শক্ত। আমাদেরসেনারা সেখানে রয়েছে এবং তারা তাদের (সন্ত্রাসবাদী) বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে। কিন্তুতারা এত বড় একটা এলাকা পাহারা দেওয়ার ক্ষেত্রে শারীরিক ভাবে প্রতিবন্ধী।”প্রসঙ্গত, বালোচিস্তান পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ হলেও এখানকার জনসংখ্যা অন্যপ্রদেশগুলির তুলনায় অনেক কম। বালোচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে দরিদ্র প্রদেশও বটে। গত কয়েক দিনে বারে বারে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তানেরবালোচিস্তান। এই প্রদেশের বিভিন্ন স্কুল, ব্যাঙ্কএবং সামরিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত সপ্তাহে এমন ১২টিজায়গায় হামলার অভিযোগ ওঠে। তাতে উঠে আসে বালোচ বিদ্রোহী গোষ্ঠী বালোচ লিবারেশনআর্মি বা বিএলএ-র নাম। এই প্রদেশে ঘাঁটি রয়েছে আর এক বিদ্রোহীগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এরও। ইসলামাবাদের দাবি, বিএলএ বালোচিস্তানের ১২টি জায়গায় হামলাচালানোর পর নিরাপত্তাবাহিনীর ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন সাধারণনাগরিকও। এর পর গত শনিবার থেকে বালোচ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানচালাচ্ছে পাকিস্তানি সেনা। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই অভিযানে ১৪৫ জন বালোচবিদ্রোহীর মৃত্যুর খবর মিলেছিল। সোমবার তা বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৭ বলে জানানো হয়েছে।তবে সামরিক অভিযান চললেও বালোচিস্তানে পাক সেনার প্রতিবন্ধকতার কথা জানিয়েইসলামাবাদ নিজেদের সীমাবদ্ধতার কথাই জানিয়ে রাখল বলে মনে করা হচ্ছে।
12 shares
😢





































