Achira News Logo
Achira News
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 02:47 AM
সরকারের দমন-পীড়ন সত্ত্বেও পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশ বিদ্রোহের সঙ্গে লড়াই করছে

সরকারের দমন-পীড়ন সত্ত্বেও পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশ বিদ্রোহের সঙ্গে লড়াই করছে

পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ বালোচিস্তানে বিদ্রোহের আগুনজ্বলছে। দমনপীড়ন চালিয়েও বালোচ বিদ্রোহীদের এখনও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনিইসলামাবাদ। এই পরিস্থিতিতে পাক সেনাবাহিনীর ‘প্রতিবন্ধকতার’ কথা স্বীকার করে নিলেনসে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। কী কারণে বালোচদের বিদ্রোহে লাগাম পরানোযাচ্ছে না, মঙ্গলবার পাকিস্তানের আইনসভায় তা ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। পাক আইনসভার নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে দাঁড়িয়েআসিফ বলেন, “ভৌগোলিক ভাবে বালোচিস্তান পাকিস্তানের ৪০ শতাংশ স্থান জুড়ে রয়েছে। এটাকেনিয়ন্ত্রণ করা একটা জনবহুল শহরকে নিয়ন্ত্রণ করার চেয়ে অনেক বেশি শক্ত। আমাদেরসেনারা সেখানে রয়েছে এবং তারা তাদের (সন্ত্রাসবাদী) বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে। কিন্তুতারা এত বড় একটা এলাকা পাহারা দেওয়ার ক্ষেত্রে শারীরিক ভাবে প্রতিবন্ধী।”প্রসঙ্গত, বালোচিস্তান পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ হলেও এখানকার জনসংখ্যা অন্যপ্রদেশগুলির তুলনায় অনেক কম। বালোচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে দরিদ্র প্রদেশও বটে। গত কয়েক দিনে বারে বারে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তানেরবালোচিস্তান। এই প্রদেশের বিভিন্ন স্কুল, ব্যাঙ্কএবং সামরিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত সপ্তাহে এমন ১২টিজায়গায় হামলার অভিযোগ ওঠে। তাতে উঠে আসে বালোচ বিদ্রোহী গোষ্ঠী বালোচ লিবারেশনআর্মি বা বিএলএ-র নাম। এই প্রদেশে ঘাঁটি রয়েছে আর এক বিদ্রোহীগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এরও। ইসলামাবাদের দাবি, বিএলএ বালোচিস্তানের ১২টি জায়গায় হামলাচালানোর পর নিরাপত্তাবাহিনীর ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন সাধারণনাগরিকও। এর পর গত শনিবার থেকে বালোচ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানচালাচ্ছে পাকিস্তানি সেনা। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই অভিযানে ১৪৫ জন বালোচবিদ্রোহীর মৃত্যুর খবর মিলেছিল। সোমবার তা বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৭ বলে জানানো হয়েছে।তবে সামরিক অভিযান চললেও বালোচিস্তানে পাক সেনার প্রতিবন্ধকতার কথা জানিয়েইসলামাবাদ নিজেদের সীমাবদ্ধতার কথাই জানিয়ে রাখল বলে মনে করা হচ্ছে।
12 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 12:41 AM
একমাত্র অতিথি শিক্ষকের অবসর গ্রহণের কারণে উত্তর দিনাজপুরের স্কুল বন্ধ

একমাত্র অতিথি শিক্ষকের অবসর গ্রহণের কারণে উত্তর দিনাজপুরের স্কুল বন্ধ

বিশ্বরূপ বিশ্বাস, চোপড়াএক অতিথি শিক্ষকের অবসরের জেরে বন্ধ হয়ে গেল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কালিগছ আদিবাসী জুনিয়র হাই স্কুল। ৩১ জানুয়ারি স্কুলের দরজায় তালা ঝোলানো হয়। পরিকাঠামো থাকলেও শিক্ষক না থাকায় বন্ধ হয়ে গেল আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকার এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। স্কুলের পড়ুয়াদের ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২২-এ এই স্কুলের এক স্থায়ী শিক্ষক বদলি হন। এরপরে ২০২৫-এ আরও একজন স্থায়ী শিক্ষক বদলি হয়ে যান। স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে স্কুলটি চালিয়ে আসছিলেন একমাত্র অতিথি শিক্ষক প্রদীপকুমার ঘোষ।শতাধিক ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে একাই স্কুল পরিচালনা করতেন তিনি। পরে অবশ্য পড়ুয়া সংখ্যা কমে ৩৩ জনে এসে পৌঁছায়। তবে ৩১ জানুয়ারি তাঁর অবসর গ্রহণের পরে স্কুলে আর কোনও শিক্ষকই রইল না। তাই বিকাশ ভবন থেকে নির্দেশ আসে, স্কুলে থাকা ৩৩ জন ছাত্রছাত্রীকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দিয়ে অন্যত্র ভর্তি করাতে হবে। নির্দেশ মেনে ওই অতিথি শিক্ষক পড়ুয়াদের টিসি প্রদান করেন। সমস্ত দায়িত্ব শেষ করে ৩১ জানুয়ারি স্কুলে এসে তালা লাগিয়ে বেরিয়ে যান তিনি।জুনিয়র হাইস্কুলের পাশেই থাকা একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিবলাল সিংহ বলেন, 'প্রথম থেকেই দেখেছি, ওই জুনিয়র হাই স্কুলে যে শিক্ষকই আসেন, নানা অজুহাতে বদলি নিয়ে চলে যান। প্রদীপ একাই স্কুল চালাতেন। এমনও দিন গিয়েছে যে, আমরা গিয়ে ওখানে ক্লাস করিয়েছি। শেষ পর্যন্ত স্কুলটা বন্ধই হয়ে গেল। ছাত্রছাত্রীদের কথা ভেবে খুব খারাপ লাগছে।'অবসরপ্রাপ্ত অতিথি শিক্ষক প্রদীপ ঘোষ বলেন, 'আমি একার হাতেই স্কুল সামলাতাম। অবসর নেওয়ার সময়ে নির্দেশ এল পড়ুয়াদের টিসি দিয়ে অন্যত্র ভর্তি করাতে হবে। আমি আমার দায়িত্ব পালন করে অবসর নিয়েছি। কিন্তু স্কুলটা বন্ধ হওয়ায় খুব কষ্ট হচ্ছে। শিক্ষক নিয়োগ করলে স্কুল চালানো যেত। এখন স্কুলের সামনে দিয়ে গেলে মন খারাপ হয়ে যাবে।'গত বছর ওই স্কুল থেকে বদলি নেওয়া শিক্ষক রমিতকুমার দাস বলেন, '২০১৪-তে আমার শিক্ষকতা জীবনের প্রথম স্কুল কালিগছ আদিবাসী জুনিয়র হাই স্কুল। ২০২৫-এ আমি বদলি হই। আমার স্ত্রীর শারীরিক সমস্যা ছিল, তাই আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম, যাতে আমাকে বদলি করানো হয়। শুনলাম স্কুলটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সত্যি খুব খারাপ লাগছে।' শেফালি মুর্মু নামে এক অভিভাবক ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, 'তিন-চার কিলোমিটার পথ পেরিয়ে আমার ছেলে এখন মাঝিয়ালি হাই স্কুলে যায়। রাজ্যে মেলা-খেলা সব হয়। কিন্তু শিক্ষার এমন অবস্থা কেন? আমরা আদিবাসী বলেই কি অবহেলিত?' চোপড়ার অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক ফারুক মণ্ডল বলেন, 'শিক্ষকের অভাব তো ছিলই পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীও কমে যাচ্ছিল। আমি জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শককে বিষয়টি জানিয়েছি, যাতে আবার নতুন ভাবে বিদ্যালয়টি চালু করা যায়।'
42 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 11:10 PM
আর্থিক সংগ্রাম শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় বাধাঃ অ্যাডমিট কার্ড আটকে রাখার গল্প

আর্থিক সংগ্রাম শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় বাধাঃ অ্যাডমিট কার্ড আটকে রাখার গল্প

বুদ্ধদেব বেরা, ঝাড়গ্রামটেস্ট পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে পাশ করেছিল। কিন্তু তিন বছরের হস্টেল ফি বকেয়া থাকায় পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড আটকে রাখে স্কুলহস্টেল কর্তৃপক্ষ। ফলে সোমবার মাধ্যমিকের প্রথম দিন জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষাই দিতে পারল না ঢোলকাট পুকুরিয়া প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্র দিবাকর মুর্মু। যদিও বিষয়টি পরে জানাজানি হওয়ায় অ্যাডমিট কার্ড হাতে পায় সে। তাই নিয়ে মঙ্গলবার ইংরাজি পরীক্ষা দেয় দিবাকর। যদিও পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে, প্রথম পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকার কারণে ওই ছাত্রের একটা বছর নষ্ট হলো।বিনপুর-১ ব্লকের ফুলঝোর গ্রামে দিবাকরের বাড়ি। পরিবারে মা-বাবা ও বোন রয়েছে। বাবা হরেকৃষ্ণ মুর্মু একজন ক্ষুদ্র চাষি। মা গৃহবধূ। বোন পানমণি আউলিয়াতে মামার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে। দিবাকরের বাবা বলেন, 'দুই সন্তানের পড়াশোনার ভার আমার পক্ষে চালানো অসম্ভব। তাই ছেলেকে আশ্রমের হস্টেলে ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু টাকা দিতে পারিনি বলে আমার ছেলে তার জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা দিতে পারবে না, এটা আমার কল্পনার বাইরে ছিল।'জানা গিয়েছে, ঢোলকাট পুকুরিয়া প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দির একটি আশ্রম কর্তৃক পরিচালিত স্কুল। আশ্রম চত্বরে ছাত্রদের জন্য স্কুলের একটি হস্টেল হয়েছে। যেখানে প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়ারদের থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে। ছেলে যাতে ভালো ভাবে পড়াশোনা করতে পারে সে জন্য ষষ্ঠ শ্রেণিতে দিবাকরকে ওই স্কুলের হস্টেলে রাখার ব্যবস্থা করেন হরেকৃষ্ণ। দিবাকর তপসিলি উপজাতিভুক্ত (এসটি) হওয়ায় অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর থেকে তার হস্টেলের খরচ দেওয়া হতো। সেই টাকা হস্টেল কর্তৃপক্ষকে ফি হিসাবে দিত দিবাকর।অভিযোগ, তিন বছর দিবাকরের হস্টেল খরচ বাবদ ফি জমা না পড়ায় বকেয়া দাঁড়ায় প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। গত ২২ জানুয়ারি রেজিস্টারের সই করিয়ে পরীক্ষার্থীদের হাতে অ্যাডমিট কার্ড তুলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোপাল আচার্য। স্কুল সুত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর ১২২ জন পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের মধ্যে দিবাকর-সহ পাঁচজন ছাত্রের হস্টেল ফি বকেয়া থাকায় অ্যাডমিটগুলি হস্টেল কর্তৃপক্ষ জমা রেখে তাদের বকেয়া বিল মিটিয়ে দিতে বলে। দু'জন পরীক্ষার্থী হস্টেলের সম্পূর্ণ বিল এবং দু'জন অর্ধেক বিল মিটিয়ে দিয়ে অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করে। কিন্তু অভিযোগ, দিবাকর অ্যাডমিট কার্ড নিতে আসেনি। হরেকৃষ্ণ দাবি করেন, 'এত টাকা জোগাড় করতে না পেরে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ছেলের পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডের জন্য অনেক বার যোগাযোগ করেছি। ওরা রবিবার দেওয়া হবে বলে আশা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়নি।'দিবাকরের পরীক্ষাকেন্দ্র ঝাড়গ্রাম ননীবালা বিদ্যালয় স্কুলে তার অনুপস্থিতির কারণ সন্ধান করতে গিয়ে বিষয়টি সামনে আসে। পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রধান শিক্ষক মুক্তিপদ বিশুই পরীক্ষার প্রথম দিন দিবাকরের অনুপস্থিতির কারণ সন্ধান করতে গিয়ে জেনেছিলেন তার অ্যাডমিট কার্ড না থাকায় পরীক্ষা দিতে পারেনি। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানালে দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়। মুক্তিপদ বলেন, 'বাংলা পরীক্ষার দিন ওই পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলেও এদিন সে ইংরাজি পরীক্ষা দিয়েছে।' দিবাকর বলে, 'মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করেছিলাম। হস্টেলের ফি দিতে না পারায় অ্যাডমিট পাইনি। আমার সমস্ত বন্ধুরা যখন বাংলা পরীক্ষা দিতে এলো আমি তখন ঘরেই বসেছিলাম। বাবার যদি টাকা থাকতো তাহলে আমিও বাংলা পরীক্ষাটা দিতে পারতাম।'আশ্রমের প্রধান ব্রহ্মচারী রবীন্দ্রনাথ মহারাজ বলেন, 'হস্টেলের বকেয়া ফি জমা দিয়ে পরীক্ষার আডমিট কার্ড নিয়ে যাওয়ার জন্য জানানো হয়েছিল। কিন্তু দিবাকর ছাড়া সকলেই টাকা জমা দিয়ে, কেউ মুচলেকা দিয়ে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে গিয়েছে। বলা হয়েছিল পরীক্ষার আগের দিন সকলকে হস্টেলে আসার জন্য। কারণ তাদের পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা আমাদের পক্ষ থেকেই করা হবে। কিন্তু বাকি চারজন এলেও দিবাকর আসেনি। তবে মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সঙ্গে এসে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে গিয়েছে দিবাকর।' তিনি আরও জানান, ওই ছাত্র যদি সোমবার সকালে এসে যোগাযোগ করত, তাহলে ও প্রথম দিনের পরীক্ষা দিতে পারত।এদিন অ্যাডমিট কার্ড নেওয়ার জন্য দিবাকরের পরিবার ১০ হাজার টাকা জমা দিয়ে মুচলেকা দেয় আশ্রম কর্তৃপক্ষের কাছে। তবে এমন ঘটনায় মাধ্যমিক পরীক্ষার জেলা কনভেনার জয়দীপ হোতা বলেন, 'কোনও পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড কারও আটকে রাখার অধিকার নেই। এটা আইনবিরুদ্ধ। ওই পরীক্ষার্থী একটি বিষয়ে পরীক্ষা না দেওয়ায় তার পুরো বছরটাই নষ্ট হয়ে গেল। এই ধরনের ঘটনা কখনও কাম্য নয়।' জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) জগবন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'বিষয়টি নজরে আসার পরেই স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং আশ্রমের হস্টেলে গিয়ে পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী পরীক্ষাগুলি তার ভালো হোক এই কামনা করি। ছাত্রটির ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা খেলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের ভাবনাচিন্তা রয়েছে।'
89 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 10:11 PM
মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধ করে নতুন সংখ্যালঘু শিক্ষা সংস্থা গঠন করল উত্তরাখণ্ড

মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধ করে নতুন সংখ্যালঘু শিক্ষা সংস্থা গঠন করল উত্তরাখণ্ড

উত্তরাখণ্ডে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মাদ্রাসা বোর্ড। তার বদলে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি পরিচালনার জন্য নতুন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ওই পরিচালন কমিটিই উত্তর ভারতের এই রাজ্যের সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির জন্য পাঠ্যক্রম ঠিক করব। আরও জানা গিয়েছে, সমস্ত সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেই ওই বোর্ডের থেকেই অনুমোদন নিতে হবে। উত্তরাখণ্ডের বিশেষ সচিব পরাগ মধুকর ধাকাতে জানাচ্ছন, চলতি বছরের জুলাই মাসে সে রাজ্যে মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধ হচ্ছে। তার বদলে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে উত্তরাখণ্ড সংখ্যালঘু বোর্ডের আওতায় আনা হবে। ওই পরিচালন সংস্থা আবার রাজ্যের শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন। প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা অধিবেশনের সময়েই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামি মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধের কথা ঘোষণা করেছিলেন। নতুন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুজিত সিংহ গান্ধী। অধ্যাপক রাকেশ জৈন, পেমা তেনজিন, রোবিনা আমন, গুরমীত সিংহ ও সৈয়দ আলি হামিদ, এলবা মেড্রেল থাকছেন সদস্য হিসাবে। প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক চন্দ্র শেখর ভাট ও রেজেন্দ্র সিংহ বিশ্‌তও থাকছেন বোর্ড সদস্য হিসাবে। রাজ্যের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদের (স্টেট কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং) ও সংখ্যালঘু কল্যাণ দফতরের ডিরেক্টর পদাধিকারবলে নতুন বোর্ডের সদস্য হবেন।
69 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 03:08 PM
মালদা শহরে মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য মদ্যপ অবস্থায় ছাত্রের উপস্থিতি

মালদা শহরে মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য মদ্যপ অবস্থায় ছাত্রের উপস্থিতি

এম আনওয়ারউল হক, মালদা:নিয়মশৃঙ্খলাকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মদ্যপ অবস্থায় (Student Drunk) মাধ্যমিকের (Madhyamik Exam 2026) মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা দিতে এল এক পরীক্ষার্থী। মালদা শহরের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার প্রথম দিন এমন ঘটনা ঘটল। বাংলা পরীক্ষার দিনেই এমন কাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়ায়। তিনতলা ভবনের একটি ঘরে পরীক্ষা চলাকালীন এক শিক্ষিকার নাকে তীব্র মদের গন্ধ আসায় ওই পরীক্ষার্থীর ওপর তাঁর সন্দেহ হয়। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আধিকারিকদের জানান। এরপর পরীক্ষার্থীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে স্বীকার করে যে, পরীক্ষা দিতে আসার আগে সে মদ্যপান করেছিল। পরীক্ষার গুরুত্ব বিবেচনা করে ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ওই পরীক্ষার্থীকে তখন ঘরের শেষের দিকে বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে এমন আচরণে কেন ওই ছাত্রটির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হল না সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এলাকায়। ওই পরীক্ষার্থী মালদা (Malda News) শহরেরই বাসিন্দা। শহরের একটি নামী স্কুলের ওই ছাত্র অপর একটি স্কুলে পরীক্ষা দিতে এসেছিল। সেখানেই সে মদ্যপ অবস্থায় আসে। তবে ঘটনার পর ওই পরীক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে এমন আচরণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিষয়টি ওই ছাত্র যে স্কুলে পড়ে সেই স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। সেই স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক ঘটনার পর ওই পরীক্ষাকেন্দ্রে আসেন। পরীক্ষার্থীকে মৃদু বকুনি দিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে নেন। এই ঘটনায় শিক্ষা মহলে এবং অভিভাবকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। মাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় এমন ঘটনা কাম্য নয় বলেই মনে করছেন অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সেক্ষেত্রে আরও কিছুটা সতর্কতা অবলম্বনের দরকার ছিল বলে জানাচ্ছেন সমাজকর্মী হাসিনা পারভিন বানু। তিনি বলেন, ‘মাধ্যমিক পরীক্ষা কোনও তামাশা নয়। পরিবার, স্কুল এবং প্রশাসন নিজের দায়িত্ব এড়ানোর ফলেই এমন ঘটনা ঘটছে।’ অন্যদিকে প্রবীণ শিক্ষক অভিজিৎ আচার্য বলেন, ‘এটি নিছক শৃঙ্খলাভঙ্গ নয়, এটি ওই পরীক্ষার্থীর জন্যও ক্ষতিকর।’
39 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 01:38 PM
পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোনের প্রতিবাদ করায় পরিদর্শককে মারধর

পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোনের প্রতিবাদ করায় পরিদর্শককে মারধর

আজকাল ওয়েবডেস্ক:মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের প্রতিবাদ করায় স্কুল পরিদর্শককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। যে ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন পর্ষদের নিয়ম ভেঙে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের প্রতিবাদ করায় স্কুল পরিদর্শককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন জামালপুর পূর্ব চক্রের স্কুল পরিদর্শক (এসআই) প্রশান্ত কবিরাজ। ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের আঝাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। স্কুল সূত্রে জানা যায়, মাধ্যমিক পরীক্ষা পরিদর্শনে ওই বিদ্যালয়ে যান এসআই প্রশান্ত কবিরাজ। সেই সময় তাঁর উপস্থিতিতেই স্কুলের স্ট্রং-রুমে এক গ্রুপ সি কর্মীর মোবাইল ফোন বেজে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি ওই মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করেন এবং নিয়ম মেনে অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের তল্লাশি নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। অভিযোগ, এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী বাজেয়াপ্ত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন এবং এসআই প্রশান্ত কবিরাজকে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁকে একটি ঘরে আটকে রাখাও হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত স্কুল পরিদর্শককে উদ্ধার করে এবং দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে শুক্রবার আঝাপুর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য স্কুলের শিক্ষকরা আঝাপুরে মেমারি-তারকেশ্বর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। দীর্ঘক্ষণ পথ অবরোধের জেরে যান চলাচল ব্যাহত হয়।ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা শিক্ষা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
98 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 09:18 AM
পলাশবাড়িতে পরীক্ষায় যাওয়ার পথে জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন ছাত্র

পলাশবাড়িতে পরীক্ষায় যাওয়ার পথে জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন ছাত্র

পলাশবাড়ি:শারীরিক অসুস্থতাকে হার মানিয়ে হাসপাতালের বেডে বসেই মাধ্যমিকের ইংরেজি পরীক্ষা(Madhyamik Exam 2026)দিল আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের(Palashbari)অদম্য এক পরীক্ষার্থী। মঙ্গলবার পরীক্ষার শুরুতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল জান্নাতুন ফিরদৌসি নামে ওই ছাত্রী। পরে প্রশাসনিক তৎপরতায় হাসপাতালেই তার পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পলাশবাড়ির ঘাটপাড় এলাকার বাসিন্দা জান্নাতুন শিলবাড়িহাট হাইস্কুলের ছাত্রী। তার পরীক্ষার আসন পড়েছিল যোগেন্দ্রনগর হাইস্কুলে। এদিন সকালে সহপাঠীদের সঙ্গে গাড়িতে করে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানোর পরই জান্নাতুন অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং গাড়িতেই সংজ্ঞা হারায়। ঘটনাটি নজরে আসতেই স্কুল কর্তৃপক্ষ ও সোনাপুর ফাঁড়ির পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে। তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় শিলবাড়িহাট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। চিকিৎসকদের সহায়তায় হাসপাতালে(Hospital)জ্ঞান ফেরার পর পরীক্ষা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে জান্নাতুন। এরপরই জেলা শিক্ষা দপ্তর ও প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে একজন ইনভিজিলেটর ও পুলিশের উপস্থিতিতে হাসপাতালের বেডেই তার পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। জান্নাতুনের মা হাসিনা বানু বিবি জানান, মেয়ে গত এক মাস ধরে রক্তাল্পতা ও জ্বরে ভুগছে। শরীর দুর্বল থাকা সত্ত্বেও সে পরীক্ষা দিতে অনড় ছিল। পরীক্ষা শেষে জান্নাতুন জানায়, মাঝপথে কী হয়েছিল সে বুঝতে পারেনি, তবে হাসপাতালে সুস্থ বোধ করার পর পরীক্ষা দিতে পেরে সে খুশি। শিলবাড়িহাট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক পীযূষকুমার রায় জানান, পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই দ্রুত হাসপাতালে তার পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
16 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 08:29 AM
খোরপোষ বাড়ানোর আবেদন খারিজ করল রাজস্থান হাইকোর্ট

খোরপোষ বাড়ানোর আবেদন খারিজ করল রাজস্থান হাইকোর্ট

আজকাল ওয়েবডেস্ক:স্বামীর মাসিক আয় দেড় লক্ষ টাকার বেশি। কিন্তু, স্ত্রীকে খোরপোশ বাবদ স্বামী প্রতি মাসে দেন মাত্র আট হাজার টাকা করে। লাখ টাকার বেশি আয় সত্ত্বেও মাত্র আট হাজার টাকারখোরপোশের খরচ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে রাজস্থান হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন স্ত্রী। সেই মামলাতেই উচ্চ-আদালত জানিয়েছে, স্বামীর আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ স্ত্রীকে দিতেই হবে - এমন বাঁধাধরা সূত্রের ভিত্তিতে খোরপোশ দাবি করা যায় না। বিচারপতি ফারজান্দ আলী বলেন, "স্বামী বেশি আয় করলেই স্ত্রীকে তার অর্ধেক বা একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দিতেই হবে, আইন এমনটা বলে না। এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি খোরপোশের মামলাকে কার্যত আয় বা সম্পত্তি ভাগাভাগির দাবিতে পরিণত করবে, যা অগ্রহণযোগ্য।" আবেদনকারীমহিলা উচ্চ শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতার বিষয়টিও বিবেচনা করেন বিচারপতি। তাঁর মতে, বর্তমানে বেকার থাকার দাবিই প্রমাণ করে না যে- স্ত্রী নিজের ভরণপোষণ করতে অক্ষম। বিচারপতি ফারজান্দ আলী বলেছেন, "প্রতিষ্ঠিত আইনি অবস্থান হল, উপার্জনের ক্ষমতা থাকলেই একজন স্ত্রী খোরপোশ থেকে বঞ্চিত হন না, তবে খোরপোশের পরিমাণ নির্ধারণের সময় আদালত উপার্জনের সম্ভাবনা, যোগ্যতা এবং পূর্ববর্তী চাকরির বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। পারিবারিক আদালত এই কারণে খোরপোশ অস্বীকার করেনি। বরং, যথাযথ বিবেচনার পর পরিমাণটি নির্ধারণ করেছে, যা অবৈধ বা অযৌক্তিক বলা যায় না।" আবেদনকারী এবং বিবাদী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, যা মাত্র ৫৭ দিন স্থায়ী হয়েছিল। এই সময়ে স্ত্রী, স্বামী এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুরতার অভিযোগ আনেন। তারপরই মামলা করে খোরপোশের জন্য আবেদন করেন। এই খোরপোশের আবেদনটি পারিবারিক আদালত নিষ্পত্তি করে এবং স্ত্রীকে মাসিক ৮০০০ টাকা খোরপোশ মঞ্জুর করে। এই আদেশটিকে উচ্চ-আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল এই যুক্তিতে যে, খোরপোশের পরিমাণ অত্যন্ত অপর্যাপ্ত এবং আবেদনকারীর প্রয়োজনের তুলনায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আবেদনে তুলে ধরা হয় যে, বিবাদী একজন সরকারি কর্মচারী যিনি মাসে ১.৫ লক্ষ টাকার বেশি আয় করেন এবং তাঁর সম্পত্তিও রয়েছে। আরও যুক্তি দেওয়া হয় যে, শুধুমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পারিবারিক আদালত খোরপোশের পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারে না, কারণ উপার্জনের ক্ষমতা বেশি থাকলেই একজন আইনসম্মতভাবে বিবাহিত স্ত্রী বেশি খোরপোশ চাইতে পারেন না বিষয়টি সমসময় তেমন নয়। বেকার স্ত্রী'রা খোরপোষ চাইতে পারেন। কিন্তু, উচ্চ শিক্ষিত, কাজে দক্ষ মহিলাদের জন্য এই আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়াও, আদালত শুনানির সময়ে বিবেচনায় নিয়েছিল যে, বিয়েটা মাত্র ৫৭ দিন স্থায়ী হয়েছিল। বিচারপতি বলেন, “পক্ষগুলোর মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্কটি প্রায় ৫৭ দিনের অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বিদ্যমান ছিল। যদিও বিবাহের সময়কাল নিজে থেকেই ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারা অনুযায়ী প্রাপ্যতার নির্ধারক নয়, তবুও এটা নির্ভরতার প্রকৃতি, জীবনযাত্রার সামঞ্জস্য এবং পক্ষগুলো প্রকৃতপক্ষে কতটা সাধারণ জীবনযাত্রার মান ভাগ করে নিয়েছিল, তা মূল্যায়নের জন্য একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়।” আদালত আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতাও বিবেচনা করে। বলেন যে, বর্তমান বেকারত্ব নিজে থেকেই আবেদনকারীর নিজের ভরণপোষণ করতে অক্ষমতা প্রমাণ করে না। আদালত পর্যবেক্ষণ করেন যে, শুধুমাত্র সক্ষমতাই স্ত্রীকে ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করে না, তবে ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য আদালত তার উপার্জনের সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নিতে পারে। আদালত আরও জানায় যে, বিবাদীর নিয়মিত ভরণপোষণের অর্থ জমা দেওয়ার আচরণকেও হালকাভাবে উপেক্ষা করা যায় না, কারণ এটি তার সদিচ্ছা, ভদ্রতা এবং আদালতের আদেশের প্রতি একটি দায়িত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে। রাজস্থান হাইকোর্টের বিচারপতি বলেছেন, “আদালত পক্ষগুলোর আচরণ সম্পর্কে উদাসীন নয়, কারণ ন্যায়বিচার ও শুভবুদ্ধি বিচার প্রক্রিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেই অনুযায়ী, আবেদনটি খারিজ করা হল।”
52 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 06:58 AM
মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ায় বিপাকে পড়ুয়ারা

মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ায় বিপাকে পড়ুয়ারা

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। আজ, মঙ্গলবার ছিল ইংরেজি পরীক্ষা। সেই পরীক্ষা দিতে গিয়ে বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে কেশপুরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী যশোদা মিদ্যা। অন্যদিকে, সোমবার রাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে মাদপুর গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী রনিতা বেরা। রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মঙ্গলবার হাসপাতালের বেডে শুয়েই পরীক্ষা দিচ্ছে সে।মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার স্বপ্নই কার্যত শেষ হয়ে গেল কেশপুরের যশোদা মিদ্যার। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে বাইকে চড়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কেশপুর ব্লকের আনন্দপুর সন্তোষকুমারী গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী যশোদা।সূত্রের খবর, মাওয়া ইশ্বরচন্দ্র হাইস্কুলে পরীক্ষার সিট পড়েছিল যশোদার। আনন্দপুরের কাছে পাচরা এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়ে বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারান বাবা। রাস্তার উপরেই বাইক থেকে ছিটকে পড়েন বাবা ও মেয়ে দু’জনেই। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।হাসপাতাল সূত্রে খবর, যশোদার ডান পা ভেঙ্গে গিয়েছে। সেই কারণে দ্রুত অস্ত্রোপচার করা প্রয়োজন। তাই এ বছরে তাঁর পক্ষে আর পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের জেলা মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক সুভাষ হাজরা বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।’অন্য দিকে, হাসপাতালের বেডে বসেই পরীক্ষা দিতে বাধ্য হচ্ছে খড়্গপুর-২ ব্লকের মাদপুর গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী রনিতা বেরা। পারিবারিক অশান্তির জেরে মাধ্যমিক শুরুর দু’দিন আগে, শনিবার সে বিষ খায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। তার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল মাওয়া ইশ্বরচন্দ্র হাইস্কুলেই। সোমবার পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে বাংলা পরীক্ষা দেয় সে। কিন্তু,রাতের দিকে সে ফের অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছে। মঙ্গলবার হাসপাতালের বেডে বসেই পরীক্ষা দেয় রনিতা। পর্ষদের মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক সুজয় হাজরা জানিয়েছেন, ছাত্রীর সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।
59 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 04:49 AM
বিশৃঙ্খলার মধ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে কারণ কিছু স্কুল নিয়মিত ক্লাস পুনরায় শুরু করতে ব্যর্থ হয়েছে

বিশৃঙ্খলার মধ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে কারণ কিছু স্কুল নিয়মিত ক্লাস পুনরায় শুরু করতে ব্যর্থ হয়েছে

মাধ্যমিক শুরু হয়েছে সোমবার। যে সব স্কুল মাধ্যমিকের পরীক্ষা কেন্দ্র হয়নি, সেখানে নিয়মিত ক্লাস হওয়ার কথা। কিন্তু অভিযোগ, পরীক্ষা কেন্দ্র না হওয়া সত্ত্বেও এমন বেশ কিছু স্কুলে পরীক্ষার প্রথম দিনেই ক্লাস নিয়মিত হল না। এর কারণ হিসেবে ওই সব স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের অভিযোগ, একে তো স্কুলে শিক্ষকের অভাব। তার মধ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য তাঁদের স্কুল থেকে শিক্ষক নিয়ে নেওয়ায় স্কুল আরও সঙ্কটে ভুগছে। ফলে মাধ্যমিক পরীক্ষার কেন্দ্র না হওয়া সত্ত্বেও ক্লাস ঠিক মতো করা যাচ্ছে না।
84 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 03:13 AM
মাধ্যমিক পরীক্ষার বিশৃঙ্খলাঃ বিদ্যালয়ের অবহেলায় আটকে পড়ছেন ছাত্রছাত্রীরা

মাধ্যমিক পরীক্ষার বিশৃঙ্খলাঃ বিদ্যালয়ের অবহেলায় আটকে পড়ছেন ছাত্রছাত্রীরা

এই সময়:স্কুলের গাফিলতিতে পঞ্চাশেরও বেশি পরীক্ষার্থী সোমবার শুরু হওয়া এ বছরের মাধ্যমিকে বসতেই পারল না! এর ফলে তাদের এক বছর নষ্ট তো হলোই, এমনকী অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু হয়ে যাওয়ায় এ বছরের পরীক্ষায় তারা ‘অকৃতকার্য’ বলেও গণ্য হবে। সেই দাগ এড়াতে স্কুলকেই উদ্যোগী হয়ে এই কার্ড বাতিল করাতে হবে।কেন এই জটিলতা? কারণ, অ্যাডমিট কার্ড বিলির জন্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সময় বাড়ালেও সল্টলেকের অফিসে গিয়ে ঠিকঠাক ভাবে তা সংগ্রহ পর্যন্ত করেনি রাজ্যের ৪৫টি স্কুল। এর মধ্যে কলকাতারও দু’টি স্কুল‍ রয়েছে। অভিযোগ, কোনও কোনও ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক বা তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে স্কুলের সিনিয়র টিচার বা শিক্ষাকর্মীদের বদলে ভাগ্নে বা পুত্র অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে যান!বিষয়টি নিয়ে প্রবল ক্ষুব্ধ পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা মিটলেই স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নেব। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা কখনও না ঘটে।’ অতীতেও এ রকমটা ঘটেছে বলে মনে করতে পারছেন না প্রবীণ শিক্ষাকর্তারা।এ বারের পরীক্ষার জন্য গত বছরের ২–১৯ ডিসেম্বর এবং ২১–২৯ ডিসেম্বর অনলাইনে এনরোলমেন্ট ফর্ম পূরণের দিনক্ষণ নির্দিষ্ট করেছিল পর্ষদ। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ লক্ষা ৭০ হাজার। বেশিরভাগ স্কুল সময়ের মধ্যে কাজ সেরেও ফেলে। কিন্তু ৯৫৪টি স্কুলের ১,৯৬৬ জন পড়ুয়ার এনরোলমেন্ট পূরণ হয়নি। এ নিয়ে প্রবল শোরগোল পড়ে যায়, তার উপরে ভোটের মুখে রাজনৈতিক চাপও তৈরি হয় বলে খবর। রাজ্য প্রশাসনের একাংশও মধ্যস্থতা করে।এই পরিস্থিতিতে বিধি শিথিল করে পরীক্ষার তিনদিন আগে অ্যাডমিট কার্ড তৈরির জন্য এনরোলমেন্ট ফর্ম পূরণের বাড়তি সুযোগ দিয়েছিল পর্ষদ। এ জন্য ২৭–২৮ জানুুয়ারি পোর্টাল খোলা হয়। তা সত্ত্বেও ৩১ জানুয়ারি সন্ধে আটটা পর্যন্ত ৮৬টি স্কুল তাদের ১০৩ জন পড়ুয়ার অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করেনি। এরপর রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি দুপুর দুটো থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ফের অ্যাডমিট বিলি করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। তখনও ৪৫টি স্কুলের পঞ্চাশের বেশি পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট সংগ্রহ করা হয়নি। কাজেই ওই স্টুডেন্টরা সোমবার পরীক্ষায় বসতে পারেনি।এ দিন ছিল প্রথম ভাষার পরীক্ষা। ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনসেনটিভ রিভিশন (সার) প্রক্রিয়ায় বহু শিক্ষক–শিক্ষিকা যুক্ত থাকায় নির্বিঘ্নে পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। সোমবার অবশ্য কোনও সমস্যা হয়নি। পর্ষদ সভাপতি বলেন, ‘কোথাও থেকে কোনও অভিযোগ আসেনি। পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে রাজ্যের নির্বাচন কমিশনারের দপ্তরকে তিনটি চিঠি দিই। সার–এর পাশাপাশি যাতে মাধ্যমিকও সুষ্ঠু ভাবে হতে পারে, তার উপরে জোর দেওয়া হয়েছিল। সেই মতোই এ দিন নির্বিঘ্নে পরীক্ষা হয়েছে।’
72 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 12:11 AM
অকাল জন্ম স্থায়ী প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেয়

অকাল জন্ম স্থায়ী প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেয়

বাবলু সাঁতরা, ঘাটালপ্রিম্যাচিওর বা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই জন্ম। মাথায় জল জমে যাওয়ায় জন্মের দুই মাসের মাথায় প্রথম অস্ত্রোপচার করতে হয়। দু'বছর পরে ফের আর এক বার একই অস্ত্রোপচার করতে হয়। সেই থেকে আর সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি চন্দ্রকোণার কালিকাপুর রঘুনাথপুর গ্রামের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী অর্কদীপ জানা।বর্তমানে ঠিকমতো হাঁটা-চলাও করতে পারে না। স্মৃতিশক্তিও দুর্বল। বই পড়ার চেয়ে কেউ তা পড়ে দিলে সহজে মনে রাখতে পারে। কিন্তু পরীক্ষা সে দেবেই। সব বাধা পেরিয়ে সোমবার পরীক্ষাকেন্দ্রে এল অর্কদীপ। নিজের হাতে লিখতে পারে না অর্কদীপ। কারণ, অস্ত্রোপচারের পর অসাড় হয়ে গিয়েছে ডান হাত। চন্দ্রকোণার ব্রাহ্মঝাড়ুল রাখালচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র অর্কদীপের পরীক্ষাকেন্দ্র চন্দ্রকোণার গোবিন্দপুরে কল্যাণশ্রী জ্ঞানদাদেবী উচ্চ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়। বাবা স্নেহাশিস জানা পেশায় কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী। মা সুচিত্রা গৃহবধূ। প্রথম দিন বাবা-মায়ের সঙ্গে পরীক্ষাকেন্দ্রে এসেছিল অর্কদীপ। সঙ্গে ছিলেন একজন রাইটার।পুলিশ ও পরীক্ষাকেন্দ্রের শিক্ষিকারা একটি আলাদা রুমে তার পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। স্নেহাশিস বলেন, 'পরীক্ষার আগের দিন হঠাৎ ছেলের শরীর খারাপ হয়। ভেবেছিলাম হয়তো পরীক্ষা দিতে পারবে না। তবে এ দিন সকাল হতেই আমাকে বলে, পরীক্ষা আমি দেবই। আমায় নিয়ে চলো।' স্নেহাশিস আরও বলেন, 'পরীক্ষার ভালো-মন্দ, প্রত্যাশা এ সব আমাদের নেই। পরীক্ষা দিক, এটাই চাই।' অর্কদীপের বাবা-মা জানান, ২০০৯ সালে অর্কদীপ জন্মানোর তিন মিনিট পরেই জন্ম নেয় কন্যাসন্তান সুমনা। দু'জনে যমজ।এ বছর দু'জনই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। সুমনা চন্দ্রকোণার ভগবন্তপুর হাইস্কুলের ছাত্রী। তার পরীক্ষাকেন্দ্র চন্দ্রকোণার পলাশচাবড়ি নিগমানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়। অর্কদীপের পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রধান শিক্ষিকা শুভ্রা মল্লিক দে বলেন, 'রাইটার দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে ওই পরীক্ষার্থী। এ দিনের পরীক্ষা সুষ্ঠু ভাবে হয়েছে।' পরীক্ষা শেষে অর্কদীপ জানায়, পরীক্ষা ভালোই হয়েছে।
83 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 2, 2026, 03:51 PM
বেলিয়াটোর পুলিশ স্টেশনের বন এলাকার পড়ুয়ারা পরীক্ষার সময় নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের সম্মুখীন

বেলিয়াটোর পুলিশ স্টেশনের বন এলাকার পড়ুয়ারা পরীক্ষার সময় নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের সম্মুখীন

জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিতে যাওয়া বড়জোড়া, বেলিয়াতোড় থানার জঙ্গল এলাকার গ্রামগুলির মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা হাতির হামলার আশঙ্কা নিয়েই প্রথমদিন ৪-৫ কিলোমিটার জঙ্গলপথ পেরিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে পৌঁছাল। অন্য বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার দিন গুলিতে এই সব এলাকায় বনদপ্তর থেকে পরীক্ষার্থীদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু এবছর নজিরবিহীন ভাবেই কোন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করল না বনদপ্তর। ফলে, ক্ষোভ তৈরী হয়েছে বহু পরীক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকদের মনে। এই মুহূর্তে বড়জোড়া, বেলিয়াতোড় জঙ্গল এলাকায় প্রায় ২০টি হাতি রয়েছে। প্রায়ই হাতির পাল লোকালয়ে চলে আসছে। ক্ষয়ক্ষতি করছে মানুষের। সোমবার শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। যেকোন সময় রাস্তায় হাতির পালের আগমন হতেই পারে বলে আশঙ্কা অভিভাবক সহ পড়ুয়াদের ।সোমবার কালপাইনি, ডাকাইসিনি, পাবয়া, বনশোল সহ বড়জোড়া থানার একাধিক জঙ্গল সংশ্লিষ্ট গ্রামে সকাল থেকেই মানুষের মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কারন সকালেই পড়ুয়া এবং অভিভাবকরা জানতে পেরেছেন বনদপ্তর থেকে কোন গাড়ি দেওয়া হবেনা। ফলে ৪-৫ কিলোমিটার গভীর জঙ্গলপথে ছাত্রছাত্রীদের মোটর সাইকেল বা টোটো করে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে যেতে হবে। সেই মতো এই গ্রামগুলি থেকে পরীক্ষার্থীরা কোথাও দল বেঁধে আবার কোথাও পরিবারের লোকজনের মোটরসাইকেলে করে এসে পরীক্ষাকেন্দ্র গুলিতে পৌঁছায়।খুবই ভয় নিয়েই পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে আমরা যাচ্ছি বলে এদিন কালপাইনি গ্রামের একাধিক পরীক্ষার্থী জানায়। তাঁদের পরিবারের অভিভাবকরাও খুবই চিন্তিত। তাঁরা জানান, আগে জঙ্গলপথে হুলাপার্টি থাকত। একটা নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল। এবছর সেটা করা হলনা। ফলে মানসিক অশান্তি নিয়েই ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে যাচ্ছে। কেন এবছর বনদপ্তর কোন নিরাপত্তা দিলনা সে ব্যাপারে বনদপ্তরের কেউ মুখ খোলেননি।
47 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 2, 2026, 01:09 PM
ভুয়ো অ্যাডমিট কার্ড কেলেঙ্কারি পরীক্ষা কেন্দ্র

ভুয়ো অ্যাডমিট কার্ড কেলেঙ্কারি পরীক্ষা কেন্দ্র

পরীক্ষাকেন্দ্রের গেটে দায়িত্বে থাকা শিক্ষক অ্যাডমিট কার্ড দেখতে চাইলে কাগজ দেখান ওই ছাত্র। কার্ডটি দেখে শিক্ষকের সন্দেহ হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে বসিয়ে রাখা হয় প্রধান শিক্ষকের ঘরে। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর শিক্ষকরা নিশ্চিত হন, নকল অ্যাডমিট কার্ড নিয়েই পরীক্ষা দিতে এসেছে ওই প্রাক্তন ছাত্র। মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের জেলা মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক সুভাষ হাজরা জানান, ধৃত পরীক্ষার্থীকে খড়্গপুর টাউন থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। ইন্দা কৃষ্ণলাল শিক্ষা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক পার্থ ঘোষ বলেন, নবম শ্রেণিতে ফেল করার পর ছাত্রটি আর স্কুলে আসেনি। সে দশম শ্রেণিতে ওঠেনি, ফর্ম ফিলআপও করেনি। তাই অ্যাডমিট কার্ড পাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই পরীক্ষাকেন্দ্রে কিছু সময়ের জন্য চাঞ্চল্য ছড়ায়, যদিও দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
54 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 2, 2026, 10:35 AM
নকল পরীক্ষার চেষ্টা ব্যর্থঃ মাধ্যমিক পরীক্ষা কেলেঙ্কারির অভিযোগে প্রাক্তন ছাত্র গ্রেফতার

নকল পরীক্ষার চেষ্টা ব্যর্থঃ মাধ্যমিক পরীক্ষা কেলেঙ্কারির অভিযোগে প্রাক্তন ছাত্র গ্রেফতার

২০২৪ সালে নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ। এর পর থেকেই স্কুলে জ্যানি পড়ুয়া অথচ সোমবার মাধ্যমিকের পরীক্ষা দিতে হাজির হয়ে গেল সেই ছাত্র। পশ্চিম মেদিনীপুরের স্কুলে ধরা পড়ল ‘ভুয়ো’ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।খড়্গপুর শহরের ইন্দা কৃষ্ণলাল শিক্ষা নিকেতনের প্রাক্তন ছাত্র। খড়্গপুর শহরের সাউথ সাইড হাই স্কুলে মাধ্যমিকের সিট পড়েছিল ইন্দা কৃষ্ণলাল শিক্ষা নিকেতনের স্কুলের পড়ুয়াদের। পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতেই ওই পড়ুয়ার অ্যাডমিট কার্ড দেখাতে বলেন গেটে থাকা ইনভিজিলেটর। অ্যাডমিট কার্ড দেখানো হলে ওই শিক্ষকের সন্দেহ হয়। এর পর তাকে বসিয়ে রাখা হয় প্রধান শিক্ষকের রুমে।বেশ কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই শিক্ষকরা বুঝতে পারেন নকল অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছে ওই প্রাক্তন ছাত্র। মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের জেলা মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক সুভাষ হাজরা বলেন, ‘ওকে খড়্গপুর টাউন থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে, তার ভবিষ্যতের কথা ভেবে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।’অন্য দিকে, ইন্দা কৃষ্ণলাল শিক্ষা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক পার্থ ঘোষ বলেন, ‘ওকে এখন আর আমাদের ছাত্র বলা যাবে না। প্রাক্তন ছাত্র বলতে পারেন। নাইনে ফেল করার পর আর স্কুলে আসেনি। এমনকী ওর রেজিস্ট্রেশন কার্ডও স্কুলেই পড়ে আছে। আর সে দশম শ্রেণিতে ওঠেইনি, কাজেই ফর্ম ফিলআপ বা হাতে অ্যাডমিট কার্ড পাওয়ার প্রশ্নই নেই!’
72 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 2, 2026, 06:24 AM
সুরক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার্থীরা পাহাড়ি রাস্তা ও বনাঞ্চলে যাতায়াত করে

সুরক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার্থীরা পাহাড়ি রাস্তা ও বনাঞ্চলে যাতায়াত করে

কোচবিহার থেকে সুন্দরবন, প্রাকৃতিক বৈচিত্রময় রাজ্যে কোথাও পাহাড়ি রাস্তা বেয়ে, কোথাও ঘন জঙ্গল পেরিয়ে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিতে যেতে হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের। সোমবার থেকে শুরু পরীক্ষা। এ দিন বিভিন্ন জেলায় জঙ্গল সংলগ্ন রাস্তায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করল বন দপ্তর। বন্য প্রাণীদের আক্রমণের হাত থেকে বাঁচিয়ে সুরক্ষিত ভাবে পড়ুয়াদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে জেলায় জেলায় দেখা গেল উদ্যোগ।সোমবার মেদিনীপুর গ্রামীণের গুড়গুড়িপাল, নয়াগ্রাম প্রভৃতি জঙ্গল সংলগ্ন রাস্তায় ছিল বন দপ্তরের ‘ঐরাবত’ গাড়ি। হুটার বাজিয়ে এসকর্ট করে পরীক্ষার্থীদের পৌঁছে দেওয়া হয়। হাতির হাত থেকে পরীক্ষার্থীদের নিরাপদে বাঁচিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তৎপর ছিলেন বনকর্মীরা। অন্যদিকে, আনন্দপুর থানার অধীন সাহসপুর ঘোষাল হাইস্কুলের সামনে দেখা গেল সুন্দর দৃশ্য। আগত পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ‘পুলিশকাকু’রা তুলে তাঁদের হাতে তুলে দিলেন ফুল ও কলম।একই ছবি দেখা গিয়েছে উত্তরবঙ্গের জঙ্গল সংলগ্ন এলাকাগুলিতেও। মাধ্যমিক পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এবং পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি জোরদার করে জলপাইগুড়ি বন বিভাগ। কলাবাড়ি, খেরকাটা ও প্রয়াগপুর— এই তিনটি গ্রামে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। কারণ, কলাবাড়ি এলাকায় গত ছয় মাসে লেপার্ডের হামলায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ফলে গোটা এলাকায় লেপার্ড নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক বিরাজ করছে। লেপার্ড ও মানুষের সংঘাত এড়াতে সুন্দরবনের ধাঁচে চা বাগান সংলগ্ন বস্তিগুলিকে জাল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। তবুও শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক পুরোপুরি কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বনদপ্তরের তরফে ওই তিনটি গ্রামের জন্য তিনটি গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে।ডায়না রেঞ্জের বনকর্মীরা জানিয়েছেন, যে সব এলাকায় হাতি, লেপার্ড ও বাইসনের আনাগোনা বেশি এবং অতীতে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সেখানে পরীক্ষা চলাকালীন বাড়তি নজরদারি রাখা হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন থেকেই জঙ্গলের ভিতর দিয়ে যাওয়া রাস্তায় বন দপ্তরের গাড়িতে টহলদারি চলছে। পাশাপাশি হেঁটেও নিয়মিত টহল দিচ্ছেন বনকর্মীরা।মরাঘাট রেঞ্জের অন্তর্গত খট্টিমারি, মোগলকাটা ও খুকলুং বস্তিতেও বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বন্যপ্রাণীর গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
13 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 04:34 AM
পশ্চিমবঙ্গে নবম শ্রেণির পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্রছাত্রী অনুপস্থিত

পশ্চিমবঙ্গে নবম শ্রেণির পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্রছাত্রী অনুপস্থিত

জেলায় নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করা অন্তত চার হাজার ছাত্রছাত্রী আজ, সোমবার, মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসছে না। এ বার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গত বারের থেকেও কমেছে। প্রশ্ন উঠছে, মিড-ডে মিল, পোশাক, সাইকেল, ছাত্রীদের জন্য কন্যাশ্রী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য ঐক্যশ্রী , একাদশে উঠলে ট্যাব কেনার টাকা, পরীক্ষার ফল ভাল করলে স্কলারশিপ— এমন নানা সরকারি প্রকল্প থাকলেও কেন এমন ছবি। শিক্ষিক, শিক্ষিকাদের একাংশ এর পিছনে স্কুলছুটের পাশাপাশি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাশফেল উঠে যাওয়া, শূন্যপদের কারণে পড়াশোনায় সমস্যার কথা বলেছেন। যদিও বিষয়টি উদ্বেগের নয় বলেই দাবি শাসকদলের শিক্ষক সংগঠন ও জেলা শিক্ষা দফতরের।
69 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 2, 2026, 03:46 AM
মধ্যমিক 2026 পরীক্ষা রাজ্য জুড়ে শুরুঃ অভূতপূর্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে

মধ্যমিক 2026 পরীক্ষা রাজ্য জুড়ে শুরুঃ অভূতপূর্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik 2026 Exam)। স্কুল জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় বসতে চলেছে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী। পরীক্ষা চলবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে পর্ষদ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরীক্ষার্থী ও পরিসংখ্যান এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার (Education News) একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো পরীক্ষার্থীর সংখ্যার বিপুল বৃদ্ধি। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯,৭১,৩৪০ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থী বেড়েছে প্রায় দুই লক্ষ। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৪,২৬,৭৩৩ এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৫,৪৪,৬০৬। সময়সূচি ও নির্দেশিকা প্রতিদিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে প্রশ্নপত্র বিতরণ শুরু হবে। পরীক্ষার্থীরা প্রশ্ন পড়ার জন্য ১৫ মিনিট সময় পাবে। মূল পরীক্ষা শুরু হবে বেলা ১১টা থেকে এবং চলবে দুপুর ২টো পর্যন্ত। পর্ষদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনো প্রকার ইলেকট্রনিক গ্যাজেট বা মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। নির্দেশিকা অমান্য করলে পরীক্ষা বাতিলের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বেশকিছু গাইডলাইন জারি করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ৷ পর্ষদের কড়া নির্দেশিকায় এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যা না মানলে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে। ১. পরীক্ষা কক্ষে অবশ্যই আসল অ্যাডমিট কার্ড এবং রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে যেতে হবে।২.পরীক্ষাকেন্দ্রের ভিতরে কোনও অভিভাবকের প্রবেশ নিষিদ্ধ।৩.পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনও ধরনের মুঠোফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না৷ করলে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে।৪. স্মার্ট ওয়াচ, ক্যালকুলেটারের মতো কোনও বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না।৫. পরীক্ষা শেষ হবে দুপুর ২টোয়। তার আগে প্রশ্নপত্র নিয়ে পরীক্ষাকক্ষ থেকে বের হওয়া যাবে না।৬. নকল করতে গিয়ে ধরা পড়লে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে৭.পরীক্ষার খাতায় নির্ধারিত স্থানে রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখতে হবে। পর্ষদের কন্ট্রোল রুম ও হেল্পলাইন (Helpline Numbers) পরীক্ষা চলাকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে এবং পরীক্ষার্থী বা অভিভাবকদের সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুম:০৩৩ ২৩২১ ৩৮১৩ / ০৩৩ ২৩৫৯ ২২৭৭ উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক অফিস:০৩৫ ৩২৯৯ ৯৬৭৭ কলকাতার আঞ্চলিক অফিস:০৩৩ ২৩২১ ৩৮১১ এ ছাড়াও খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন হিসাবে আরও তিনটি নম্বর দেওয়া হয়েছে– ০৩৩ ২৩২১ ৩০৮৯, ০৩৩ ২৩২১ ৩৮১৬, ০৩৩ ২৩২১ ৩২১৬। এই নম্বরগুলিতে সভাপতি, সচিব ও অতিরিক্ত সচিবের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধার্থে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে পর্যাপ্ত পুলিশি প্রহরার পাশাপাশি যাতায়াতের জন্য অতিরিক্ত গণপরিবহনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পর্ষদ সভাপতি ও সচিব জানিয়েছেন, ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে শান্তিতে পরীক্ষা দিতে পারে, তার জন্য সমস্ত রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন।
78 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 2, 2026, 03:37 AM
শেষ মুহূর্তের ব্যবস্থার মধ্যে উত্তরবঙ্গের 2,41,000 শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন

শেষ মুহূর্তের ব্যবস্থার মধ্যে উত্তরবঙ্গের 2,41,000 শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন

আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। তাতে শামিল উত্তরবঙ্গের ন’টি শিক্ষা জেলার প্রায় দুই লক্ষ ৪১ হাজার পড়ুয়া। শেষ বেলাতেও অ্যাডমিট কার্ড মেলেনি এমন পড়ুয়াদের জন্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে পারে সে জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনগুলিও দরকারি পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে। উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের তরফে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত বাস চালানো হচ্ছে পরীক্ষার দিনগুলিতে।
80 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 2, 2026, 02:01 AM
পশ্চিমবঙ্গের মাধ্যমিক পরীক্ষা আজ থেকে শুরু হচ্ছে

পশ্চিমবঙ্গের মাধ্যমিক পরীক্ষা আজ থেকে শুরু হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক। পরীক্ষা চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবার মোট নথিভুক্ত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ লক্ষ ৭১ হাজার ৩৪০। রাজ্যজুড়ে মোট ২,৬৮২টি স্কুলে পরীক্ষাকেন্দ্র হয়েছে। আজ সকাল পৌনে ১১টায় শুরু হবে পরীক্ষা। পর্ষদ পরীক্ষার কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমের তিনটি নম্বর ঘোষণা করেছে। সেগুলি হল ০৩৩-২৩২১৩৮১৩, ০৩৩-২৩৩৭২২৮২ এবং ০৩৩-২৩৫৯২২৭৭। চূড়ান্ত জরুরিকালীন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ইউনিট (০৩৩-২৩২১৩০৮৯), সেক্রেটারি ইউনিট (০৩৩-২৩২১৩৮১৬) এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইউনিটে (০৩৩-২৩২১৩২১৬) ফোন করা যাবে। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে কলকাতায় যান নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে লালবাজার। পরীক্ষা চলাকালীন সমস্ত পণ্যবাহী যান (অত্যাবশ্যকীয় ছাড়া) চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। জরুরি সাহায্যের জন্য ৯৪৩২৬১০০৩৯ নম্বরে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে পরীক্ষার্থীরা।
68 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 2, 2026, 02:00 AM
নির্বাচন কমিশন, শিক্ষা ও বাজারকে কেন্দ্র করে মমতা বৈঠক করেছেন

নির্বাচন কমিশন, শিক্ষা ও বাজারকে কেন্দ্র করে মমতা বৈঠক করেছেন

আজ, সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনেই নজর থাকবে রাজনীতি থেকে শিক্ষা এবং শেয়ার বাজারের দিকে। দেখে নেওয়া যাক আজকের দিনে কোন কোন খবরের দিকে নজর রাখতে হবে।দিল্লি সফরে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বিকেল ৪টেয় তিনি জাতীয় নির্বাচন কমিশনে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ‘SIR’ বা সচিত্র ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে ইতিপূর্বে তিনি কমিশনকে ৬টি চিঠি দিয়েছেন এবং সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছেন। আজকের বৈঠক তাই রাজনৈতিক ভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।আজ থেকে রাজ্যে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ৯ লক্ষ ৭১ হাজার ৩৪০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছেন। এর মধ্যে একজন রূপান্তরকামী পরীক্ষার্থীও রয়েছেন। পরীক্ষা চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিটি কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।রবিবার গত ৬ বছরের মধ্যে বাজেট পেশের দিনে সবচেয়ে বড় ধসের সাক্ষী ছিল সেনসেক্স ও নিফটি। বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় এই পতন। আজ সোমবার বাজার খোলার পরে সূচক ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে লগ্নিকারীরা।আজ পাল্লেকেলেতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু খেলা। বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য এই ম্যাচ দুই দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ।
6 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 2, 2026, 01:39 AM
চিনসুরা ও উলুবেরিয়া মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে

চিনসুরা ও উলুবেরিয়া মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে

এই সময়, চুঁচুড়া ও উলুবেড়িয়া:রাত পোহালেই শুরু হবে জীবনের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমিক পরীক্ষা। তাই, পরীক্ষা শুরুর আগেই রবিবার প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। জেলা শিক্ষা দপ্তর থেকে জানা গিয়েছে, গত বছরের থেকে এ বারে মাধ্যমিক পরীক্ষায় জেলায় ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে স্কুলে ঢোকার গেটেই লাগানো হয়েছে রুম নম্বর ও সিট নম্বর। তা ছাড়াও, অসুস্থদের জন্য আলাদা করে সিক রুম করা হয়েছে।গত বারের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে পরীক্ষার্থী। ছাত্রদের থেকে ছাত্রী বেশি প্রায় পাঁচ হাজার। মোট পরীক্ষার্থী ৫৫,৬৪৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২৫,৩৪৮ জন ও ছাত্রী ৩০,২৯৯ জন। জেলা যুগ্ম মাধ্যমিক পরীক্ষার আহ্বায়ক শুভেন্দু গড়াই বলেন,
71 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 1, 2026, 03:13 PM
কেন্দ্রীয় বাজেটকে দিশাহীন ও ভণ্ডামি বলে সমালোচনা করলেন অমিত মিত্র

কেন্দ্রীয় বাজেটকে দিশাহীন ও ভণ্ডামি বলে সমালোচনা করলেন অমিত মিত্র

সংসদে পেশ হওয়া কেন্দ্রীয় বাজেট দিশাহীন ও ধাপ্পাবাজি বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অমিত মিত্র। রবিবার নবান্নে বাজেট পরবর্তী সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, এবং পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে এই বাজেট কোনো ইতিবাচক ভূমিকা নেবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, বরাদ্দ কমিয়ে সাধারণ মানুষকে আরও সঙ্কটে ফেলবে এই বাজেট। অমিত মিত্র বলেন, ‘বাজেট মানে শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, এটি সরকারের প্রতিশ্রুতি। কিন্তু মোদী সরকার সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ। বাজেটের অনুমান এবং বাস্তব খরচের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। গত কয়েক বছরের প্রবণতাই দেখায়, যা ঘোষণা করা হয়, বছর শেষে তার চেয়ে অনেক কম খরচ হয়। একে আমি ধাপ্পাবাজি বলছি।’ শিক্ষা খাতের বরাদ্দ নিয়ে অমিত মিত্র বলেন, ২০১৫-১৬ সালে কেন্দ্রীয় বাজেটের মোট ব্যয়ের ৩.৮ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ থাকলেও ২০২৪-২৫ সালে তা কমে ২.৬০ শতাংশে নেমেছে। কোঠারি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী জিডিপির ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও বরাদ্দ কমানো হয়েছে। তাঁর মতে, এর ফলে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে এবং সাধারণ পরিবারের ছেলেমেয়েরা শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। কৃষিক্ষেত্রে বরাদ্দ কমানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন অমিত মিত্র। সারের ভর্তুকি কমানোয় কৃষকদের উৎপাদন খরচ বাড়বে এবং খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাবে। ২০১৫-১৬ সালে মোট ব্যয়ের প্রায় ৪ শতাংশ সারের ভর্তুকি হিসেবে দেওয়া হলেও বর্তমানে তা কমে হয়েছে ৩.১৯ শতাংশ। তফশিলি জাতি , উপজাতি , ওবিসি ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কল্যাণেও বরাদ্দ কমানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আগে যেখানে মোট বাজেটের ০.২১ শতাংশ বরাদ্দ থাকত, এবার তা কমে ০.১৯ শতাংশ হয়েছে। শতাংশের বিচারে ফারাক সামান্য হলেও প্রকৃত অর্থে হাজার হাজার কোটি টাকার এই ঘাটতি সমাজের সবচেয়ে দুর্বল মানুষদের জন্য বড় ধাক্কা। অমিত মিত্র প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (শহরাঞ্চল) ও গ্রামীণ আবাস যোজনা এবং স্বচ্ছ ভারত মিশনের বাস্তব খরচের উদাহরণও তুলে ধরেন। তিনি জানান, আবাস যোজনা (শহরাঞ্চল)-এর জন্য ২০২৪-২৫ সালে বাজেট বরাদ্দ ছিল প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা, বাস্তবে খরচ হয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা। গ্রামীণ আবাস যোজনাতেও বরাদ্দ ৫৪ হাজার কোটি টাকা থেকে কমে ৩২ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। স্বচ্ছ ভারত মিশনের ক্ষেত্রে বরাদ্দ ৫ হাজার কোটি টাকা থেকে কমে বাস্তবে হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৮০০ কোটি। বাজেটে বড় অঙ্ক দেখিয়ে হাততালি কুড়োনোর চেষ্টা হলেও দিনের শেষে সাধারণ মানুষের হাতে কিছুই পৌঁছাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন অমিত মিত্র। তিনি বলেন, বিদেশি লগ্নিকারীরা ভারতের বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। শুধু আগস্ট থেকে নভেম্বরের মধ্যে ৪.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ দেশ থেকে বেরিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে অমিত মিত্রের বক্তব্য, এই বাজেট সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষার জন্য নয়, এটি শুধুই পরিসংখ্যানের খেলা, যা দেশের প্রকৃত উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দেবে।
43 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 1, 2026, 08:35 AM
বাজেট 2026: ভারতের ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও শিক্ষার উদ্যোগ

বাজেট 2026: ভারতের ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও শিক্ষার উদ্যোগ

আজকাল ওয়েবডেস্ক:কেবল পুঁথিগত শিক্ষা নয়, বরং পড়াশোনা শেষে যাতে সরাসরি কাজের সুযোগ তৈরি হয় - ২০২৬-এর বাজেটে সে দিকেই নজর দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। দেশের বড় বড় শিল্পাঞ্চলগুলোর পাশেই তৈরি হবে পাঁচটি ‘ইউনিভার্সিটি টাউনশিপ’ বা 'বিশ্ববিদ্যালয় শহর'। এর ফলে শিল্প সংস্থাগুলোর সঙ্গে পড়ুয়াদের যোগাযোগ আরও বাড়বে। পাশাপাশি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেয়েদের আরও উৎসাহিত করতে দেশের প্রতিটি জেলায় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের জন্য আলাদা হোস্টেল তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। পর্যটন ও আতিথেয়তা ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ বাড়াতে তৈরি হচ্ছে ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হসপিটালিটি’। ভবিষ্যতের প্রযুক্তির কথা মাথায় রেখে সরকার এবার বড় পদক্ষেপ করছে। প্রায় ১৫,০০০ স্কুলে এবং ৫০০ কলেজে অ্যানিমেশন, গেমিং ও কমিক্স তৈরির ল্যাব গড়া হবে। এমনকী স্কুলের পাঠ্যক্রমেই যাতে কৃত্রিম মেধা বা এআই অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন সীতারামন। তাঁর লক্ষ্য, ২০৪৭ সালের মধ্যে বিশ্ব বাজারে পরিষেবা ক্ষেত্রে ভারতের অংশীদারি ১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া। চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মানোন্নয়নে ১০টি ক্ষেত্রে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়া হবে। এছাড়া আয়ুর্বেদ চিকিৎসার প্রসারে তিনটি নতুন ‘অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট’ তৈরির ঘোষণা করা হয়েছে। পূর্ব ভারতের জন্য সুখবর দিয়ে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ দিকে একটি নতুন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডিজাইন (NID) তৈরি হবে। প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের ঠিক আগে রবিবাসরীয় ভারতের শেয়ার বাজারে দেখা গেল এক মিশ্র ছবি। সাধারণত রবিবার বাজার বন্ধ থাকে। তবুও আজ বিশেষ লেনদেনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দিনের শুরুতে সূচক কিছুটা নামলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। লগ্নিকারীদের মধ্যে এক ধরণের সাবধানী ও থমথমে ভাব স্পষ্ট। বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সেনসেক্স সকালে ১০০ পয়েন্ট পড়ে গিয়েও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায়। তবে সকাল ৯টা ৪০ মিনিট নাগাদ ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক নিফটি কিছুটা নিম্নমুখী ছিল। এদিন সেনসেক্সের শেয়ারগুলোর মধ্যে সান ফার্মা, ভারত ইলেকট্রনিক্স ও এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক লাভের মুখ দেখেছে। অন্যদিকে, ইনফোসিস ও টাটা স্টিলের মতো বড় সংস্থাগুলির শেয়ার দর কিছুটা কমেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেট ঘোষণার আগে বাজারে এই অস্থিরতা স্বাভাবিক, যে কোনও দিকে বড় সড় পরিবর্তন আসতে পারে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আজ টানা নবমবারের মতো বাজেট পেশ করছেন। সেই কারণেই আজ শেয়ার বাজার খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যদিও বিদেশি মুদ্রা ও ঋণপত্রের বাজার বন্ধ আছে। গত এক বছরে এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের বাজার খুব একটা ভালো ফল করেনি। নিফটি বেড়েছে মাত্র ৭.৮ শতাংশ। বিদেশি লগ্নিকারীদের টাকা তুলে নেওয়া এবং সংস্থাগুলোর মুনাফা কমে যাওয়াই এর প্রধান কারণ। বাজেটে আমদানি শুল্ক কমানোর জল্পনায় ঝপঝপিয়ে দাম কমেছে সোনা ও রুপোর। রাতারাতি বিশ্ব বাজারে বড় পতনের জেরে আজ ঘরোয়া বাজারেও সোনা ও রুপোর দাম প্রায় ৬ শতাংশ পড়ে গিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পেশ হওয়া আর্থিক সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জাতীয় উৎপাদন বা জিডিপি ৭.৪ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে আগামী বছর এই হার কিছুটা কমে ৬.৮ থেকে ৭.২ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে।
87 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 1, 2026, 03:27 AM
শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষার নির্দেশিকাঃ বাতিল এড়ানোর জন্য একটি নির্দেশিকা

শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষার নির্দেশিকাঃ বাতিল এড়ানোর জন্য একটি নির্দেশিকা

রাত পোহালেই শুরু স্কুল জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা। স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে অন্য স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাবে ৯,৭১,৩৪০ পড়ুয়া। এ সময় মাথায় থাকে শুধুমাত্র পরীক্ষার চিন্তাই। কিন্তু পাঠ্যক্রমের বাইরে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। কিন্তু মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কড়া নির্দেশিকায় এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যা না মানলে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় কোন কোন বিষয় নজর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ১। পরীক্ষা কক্ষে অবশ্যই আসল অ্যাডমিট কার্ড এবং রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে যেতে হবে। ২। পরীক্ষাকেন্দ্রের ভিতরে কোনও অভিভাবকের প্রবেশ নিষিদ্ধ। ৩। পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনও ধরনের মুঠোফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। করলে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে। ৪। স্মার্ট ওয়াচ, ক্যালকুলেটারের মতো কোনও বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না। ৫। পরীক্ষা শেষ হবে দুপুর ২টোয়। তার আগে প্রশ্নপত্র নিয়ে পরীক্ষাকক্ষ থেকে বের হওয়া যাবে না। ৬। নকল করতে গিয়ে ধরা পড়লে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে। ৭। পরীক্ষার খাতায় নির্ধারিত স্থানে রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখতে হবে। পর্ষদের দাবি, এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে পরীক্ষার স্বচ্ছতার স্বার্থে। পাশাপাশি, পরীক্ষা ব্যবস্থা সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। যা সচল থাকবে ২৪ ঘণ্টাই। সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে যে নম্বরগুলির মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে, সেগুলি হল— ০৩৩ ২৩২১ ৩৮১৩, ০৩৩ ২৩৫৯ ২২৭৭ এবং ০৩৩ ২৩৩৭ ২২৮২। পর্ষদের কন্ট্রোল রুমের কলকাতার আঞ্চলিক অফিসে ০৩৩ ২৩২১ ৩৮১১, বর্ধমানের আঞ্চলিক অফিসে ০৩৪ ২২৬৬ ২৩৭৭, মেদিনীপুরের আঞ্চলিক অফিসে ০৩২ ২২২৭ ৫৫২৪ এবং উত্তরবঙ্গের আঞ্চলিক অফিসে ০৩৫ ৩২৯৯ ৯৬৭৭ নম্বরের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়াও খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন হিসাবে আরও তিনটি নম্বর দেওয়া হয়েছে— ০৩৩ ২৩২১ ৩০৮৯, ০৩৩ ২৩২১ ৩৮১৬, ০৩৩ ২৩২১ ৩২১৬। এই নম্বরগুলিতে সভাপতি, সচিব ও অতিরিক্ত সচিবের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে জানানো হয়েছে। পরীক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অভিভাবকেরা সংশ্লিষ্ট নম্বরগুলিতে যোগাযোগ করে পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সমস্ত সহযোগিতা পাবেন বলে জানিয়েছে পর্ষদ।
94 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 31, 2026, 03:36 PM
মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য কলকাতা পুলিশের হেল্প লাইন নম্বর চালু

মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য কলকাতা পুলিশের হেল্প লাইন নম্বর চালু

মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর চালু করলো কলকাতা পুলিশ। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে যেই হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে তা হচ্ছে ৯৪৩২৬১০০৩৯। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত চলবে মাধ্যমিক পরীক্ষা।মোট পরীক্ষার্থী – ৯,৭১,৩৪০ ছাত্র- ৪,২৬,৭৩৩ ছাত্রী- ৫,৪৪,৬০৬। গত বছরে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯,৬৯,৪২৫। চলতি বছরে ৯৫৪ টি মেইন ভেন্যু, সাব ভেন্যু ১৭৩৭।গতকাল পর্যদের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয় ২৭ জানুয়ারি দুপুর ১২ টা থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ২৪ ঘন্টার জন্য পুনরায় ফর্ম ফিলআপের জন্য পোর্টাল খুলেছিল পর্ষদ। তাতে নতুন করে ১৯৬৬ জন আবেদন করেছে বলে জানানো হয়।শিক্ষক সংকটের বিষয়ে পর্ষদের নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া চিঠি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গাঙ্গুলি বলেন, ‘পর্ষদের পক্ষ থেকে সমস্ত জেলা পরিষদে জানানো হয়েছে যে শিক্ষকের পরীক্ষার কাজে দায়িত্ব থাকবে তাকে সেই দিনের জন্য এসআইআর’র কাজের দায়িত্ব না দিতে। এসআইআর এবং মাধ্যমিক পরীক্ষা দুটোই গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফলে সমস্তরকম বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া চিঠির কোন উত্তর সরাসরি না এলেও কলকাতা হাইকোর্টে কমিশন জানিয়েছে সমস্যা হবে না। ফলে তার ওপর ভরসা করেই আমরা আছি।’৯ লাখ ৭১ হাজারের কাছাকাছি ছাত্রছাত্রীদের জন্য পরীক্ষক, পর্যবেক্ষক সব মিলিয়ে প্রায় ৫২ হাজারের কাছা কাছি শিক্ষকের প্রয়োজন।
9 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Jan 29, 2026, 03:56 PM
'সি "ও'ডি" গ্রুপের শূন্যপদের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করল এসএসসি

'সি "ও'ডি" গ্রুপের শূন্যপদের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করল এসএসসি

নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশের পরীক্ষা শেষ হতেই এ বার গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি-র কর্মী নিয়োগর তোড়জোড়। বৃহস্পতিবার গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি-র পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। আগামী ১ ও ৮ মার্চ হবে SSC-র গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র কর্মী নিয়োগের পরীক্ষা।এ দিন নোটিফিকেশন জারি করে SSC জানিয়েছে, ১ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে হবে গ্রুপ সি-র পরীক্ষা। ১ ঘণ্টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা পর্ব। অন্যদিকে, ৮ মার্চ নেওয়া হবে গ্রুপ ডি-র নিয়োগের পরীক্ষা। চলবে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট।এসএসসি সূত্রে খবর, মোট ৮ হাজার ৪৭৭ শূন্যপদে হবে নিয়োগের পরীক্ষা। এরমধ্যে গ্রুপ সি-এর শূন্যপদের সংখ্যা ২ হাজার ৯৮৯। গ্রুপ ডি-তে শূন্যপদ রয়েছে ৫ হাজার ৪৮৮। সূত্রের খবর, এই শূন্যপদের জন্য প্রায় ১৬ লক্ষেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০১৬ সালের পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এই নির্দেশের জেরে চাকরি হারান প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদে পরীক্ষা ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হয়েছে ২১ জানুয়ারি। কিন্তু এখনও কাউন্সেলিংয়ের তারিখ প্রকাশ করা হয়নি।
20 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 25, 2026, 02:59 PM
প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের জন্য 131 জন পদ্ম পুরস্কার প্রাপকের তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের জন্য 131 জন পদ্ম পুরস্কার প্রাপকের তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

নয়াদিল্লি, ২৫ জানুয়ারি:আগামীকাল সাধারণতন্ত্র দিবস তার আগে প্রথা অনুযায়ী এবছরের পদ্ম পুরষ্কার প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেযোগ্য অবদানের জন্য এবছর পদ্ম পুরষ্কার পাচ্ছেন মোট ১৩১ জন। যার মধ্যে পদ্মবিভূষণ পাচ্ছেন ৫ জন। ১৩ জন পাচ্ছেন পদ্মভূষণ সম্মান। পদ্মশ্রী দেওয়া হচ্ছে ১১৩ জনকে। এবছর মরণোত্তর পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন ১৬ জন। সাধারণত প্রতি বছর রাষ্ট্রপতি ভবনে বিশেষ অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি। এবছর পদ্মবিভূষণ ও পদ্মভূষণ প্রাপকের তালিকায় বাংলা থেকে কেউ নেই। পদ্মশ্রী পাচ্ছেন ১১ জন বাঙালি। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ পাচ্ছেন অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। পদ্মশ্রী প্রাপকের তালিকায় আছে অভিনেতা প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায় ও ক্রিকেটাররোহিত শর্মার নাম। একঝলকে এবছরের বাঙালি পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকা এবছর বাঙালি পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকা অশোক কুমার হালদার (সাহিত্য এবং শিক্ষা) গম্ভীর সিং ইয়নজন (সাহিত্য এবং শিক্ষা) জ্যোতিষ দেবনাথ (শিল্পকলা) হরিমাধব মুখোপাধ্যায় (শিল্পকলা) কুমার বসু (শিল্পকলা) মহেন্দ্রনাথ রায় (সাহিত্য এবং শিক্ষা) প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায় (শিল্পকলা) রবিলাল টুডু (সাহিত্য এবং শিক্ষা) সরোজ মণ্ডল (চিকিত্সা শাস্ত্র) তরুণ ভট্টাচার্য (শিল্পকলা) ত়ৃপ্তি মুখোপাধ্যায় (শিল্পকলা)
32 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 23, 2026, 03:50 PM
হতাশা এবং প্রতারণাঃ মেডিকেল ভর্তির জন্য স্ব-অঙ্গচ্ছেদের দুটি চমকপ্রদ ঘটনা

হতাশা এবং প্রতারণাঃ মেডিকেল ভর্তির জন্য স্ব-অঙ্গচ্ছেদের দুটি চমকপ্রদ ঘটনা

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃডাক্তার হওয়ার প্রবল ইচ্ছা, কিন্তু প্রতিযোগিতার ইঁদুরদৌড়ে বারবার হোঁচট খাওয়া(Education Stress)। সেই ব্যর্থতার গ্লানি আর ডাক্তার হওয়ার অন্ধ জেদ থেকে এক তরুণ যে চরম পথ বেছে নিতে পারেন, তা কল্পনা করাও কঠিন। উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরে ঠিক তেমনই এক অভাবনীয় ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবন্ধী কোটা(Disabled Quota)ব্যবহার করে এমবিবিএস(MBBS)কোর্সে ভর্তি হওয়ার লক্ষ্যে নিজের পা নিজেই কেটে ফেলেছেন এক যুবক। শুধু তাই নয়, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তিনি রীতিমতো সাজানো এক ‘গল্প’ শুনিয়েছিলেন পুলিশকে। ঘটনাটি ঘটেছে জৌনপুরের লাইন বাজার থানা এলাকার খলিলপুরে। ২৪ বছর বয়সী সুরজ ভাস্কর ডি-ফার্মা পাশ করার পর গত তিন বছর ধরে এমবিবিএস-এর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গত ১৮ জানুয়ারি রাতে তিনি তাঁর নির্মীয়মাণ বাড়িতে একাই ঘুমোচ্ছিলেন। পরদিন সকালে তাঁর বাঁ পায়ের চারটি আঙুল কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। সুরজ দাবি করেন, মাঝরাতে দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি এসে তাঁর ওপর হামলা চালায় এবং তাঁকে মারধর করে অজ্ঞান করে দেয়। জ্ঞান ফিরলে তিনি দেখেন তাঁর পায়ের আঙুল কাটা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এলাকায় আলো জ্বালানো নিয়ে বিবাদের জেরে কিছু লোক তাঁকে হুমকি দিয়েছিল এবং তারাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। পুলিশ প্রথমে খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করলেও তল্লাশিতে নেমে আধিকারিকদের খটকা লাগে। ঘটনাস্থল থেকে কোনো ধস্তাধস্তির চিহ্ন মেলেনি, বরং উদ্ধার হয় একটি করাত মেশিন(Saw Machine), অ্যানাস্থেসিয়ার (Anesthesia) শিশি এবং ব্যবহৃত সিরিঞ্জ। জৌনপুরের সিটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ গোল্ডি গুপ্তা জানান, সুরজের কল ডিটেইলস(CDR)এবং ফরেনসিক পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেই রাতে বাড়িতে কোনো বহিরাগত প্রবেশ করেনি। জেরার মুখে ও পারিপার্শ্বিক তথ্যের ভিত্তিতে অবশেষে আসল সত্য বেরিয়ে আসে। জানা যায়, ডি-ফার্মা পড়ার সুবাদে সুরজের চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রাথমিক জ্ঞান ছিল। সেই জ্ঞান কাজে লাগিয়েই তিনি নিজেই নিজের পা অবশ করে করাত দিয়ে আঙুলগুলো কেটে ফেলেন। তাঁর পরিকল্পনা ছিল, এর ফলে তিনি সরকারিভাবে প্রতিবন্ধী হিসেবে গণ্য হবেন এবং এমবিবিএস-এর সংরক্ষিত কোটায় খুব সহজেই ডাক্তারিতে সুযোগ পাবেন। সুরজের কাছ থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করেছে পুলিশ, যেখানে লেখা ছিল— “২০২৬ সালের মধ্যে যেভাবেই হোক এমবিবিএস-এ ভর্তি হতে হবে।” পুলিশি তদন্তে আরও জানা যায়, এই ভয়ংকর পরিকল্পনার কথা তিনি আগেই তাঁর বান্ধবীকে জানিয়েছিলেন। এমনকি অক্টোবর মাসে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে(BHU)গিয়ে প্রতিবন্ধী কোটার খুঁটিনাটি নথিপত্রও সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। পুলিশের মতে, পড়াশোনার প্রচণ্ড চাপ এবং লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হওয়ার মানসিক অবসাদই সুরজকে এই আত্মঘাতী জালিয়াতির পথে ঠেলে দিয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে এই ঘটনা শিক্ষা ব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার এক অন্ধকার দিক তুলে ধরেছে। সাফল্যের নেশায় একজন মেধাবী ছাত্রও কীভাবে অপরাধের পথে পা বাড়িয়ে নিজের শরীরের অঙ্গহানি ঘটাতে পারেন, তা সমাজ ও বিশেষজ্ঞদের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
75 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 23, 2026, 03:50 PM
হতাশাজনক পদক্ষেপঃ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির জন্য ভুয়ো আঘাত দুই যুবকের

হতাশাজনক পদক্ষেপঃ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির জন্য ভুয়ো আঘাত দুই যুবকের

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃডাক্তার হওয়ার প্রবল ইচ্ছা, কিন্তু প্রতিযোগিতার ইঁদুরদৌড়ে বারবার হোঁচট খাওয়া(Education Stress)। সেই ব্যর্থতার গ্লানি আর ডাক্তার হওয়ার অন্ধ জেদ থেকে এক তরুণ যে চরম পথ বেছে নিতে পারেন, তা কল্পনা করাও কঠিন। উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরে ঠিক তেমনই এক অভাবনীয় ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবন্ধী কোটা(Disabled Quota)ব্যবহার করে এমবিবিএস(MBBS)কোর্সে ভর্তি হওয়ার লক্ষ্যে নিজের পা নিজেই কেটে ফেলেছেন এক যুবক। শুধু তাই নয়, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তিনি রীতিমতো সাজানো এক ‘গল্প’ শুনিয়েছিলেন পুলিশকে। ঘটনাটি ঘটেছে জৌনপুরের লাইন বাজার থানা এলাকার খলিলপুরে। ২৪ বছর বয়সী সুরজ ভাস্কর ডি-ফার্মা পাশ করার পর গত তিন বছর ধরে এমবিবিএস-এর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গত ১৮ জানুয়ারি রাতে তিনি তাঁর নির্মীয়মাণ বাড়িতে একাই ঘুমোচ্ছিলেন। পরদিন সকালে তাঁর বাঁ পায়ের চারটি আঙুল কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। সুরজ দাবি করেন, মাঝরাতে দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি এসে তাঁর ওপর হামলা চালায় এবং তাঁকে মারধর করে অজ্ঞান করে দেয়। জ্ঞান ফিরলে তিনি দেখেন তাঁর পায়ের আঙুল কাটা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এলাকায় আলো জ্বালানো নিয়ে বিবাদের জেরে কিছু লোক তাঁকে হুমকি দিয়েছিল এবং তারাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। পুলিশ প্রথমে খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করলেও তল্লাশিতে নেমে আধিকারিকদের খটকা লাগে। ঘটনাস্থল থেকে কোনো ধস্তাধস্তির চিহ্ন মেলেনি, বরং উদ্ধার হয় একটি করাত মেশিন(Saw Machine), অ্যানাস্থেসিয়ার (Anesthesia) শিশি এবং ব্যবহৃত সিরিঞ্জ। জৌনপুরের সিটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ গোল্ডি গুপ্তা জানান, সুরজের কল ডিটেইলস(CDR)এবং ফরেনসিক পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেই রাতে বাড়িতে কোনো বহিরাগত প্রবেশ করেনি। জেরার মুখে ও পারিপার্শ্বিক তথ্যের ভিত্তিতে অবশেষে আসল সত্য বেরিয়ে আসে। জানা যায়, ডি-ফার্মা পড়ার সুবাদে সুরজের চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রাথমিক জ্ঞান ছিল। সেই জ্ঞান কাজে লাগিয়েই তিনি নিজেই নিজের পা অবশ করে করাত দিয়ে আঙুলগুলো কেটে ফেলেন। তাঁর পরিকল্পনা ছিল, এর ফলে তিনি সরকারিভাবে প্রতিবন্ধী হিসেবে গণ্য হবেন এবং এমবিবিএস-এর সংরক্ষিত কোটায় খুব সহজেই ডাক্তারিতে সুযোগ পাবেন। সুরজের কাছ থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করেছে পুলিশ, যেখানে লেখা ছিল— “২০২৬ সালের মধ্যে যেভাবেই হোক এমবিবিএস-এ ভর্তি হতে হবে।” পুলিশি তদন্তে আরও জানা যায়, এই ভয়ংকর পরিকল্পনার কথা তিনি আগেই তাঁর বান্ধবীকে জানিয়েছিলেন। এমনকি অক্টোবর মাসে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে(BHU)গিয়ে প্রতিবন্ধী কোটার খুঁটিনাটি নথিপত্রও সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। পুলিশের মতে, পড়াশোনার প্রচণ্ড চাপ এবং লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হওয়ার মানসিক অবসাদই সুরজকে এই আত্মঘাতী জালিয়াতির পথে ঠেলে দিয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে এই ঘটনা শিক্ষা ব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার এক অন্ধকার দিক তুলে ধরেছে। সাফল্যের নেশায় একজন মেধাবী ছাত্রও কীভাবে অপরাধের পথে পা বাড়িয়ে নিজের শরীরের অঙ্গহানি ঘটাতে পারেন, তা সমাজ ও বিশেষজ্ঞদের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
19 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 23, 2026, 03:33 PM
ভারতীয় শিক্ষকরা দক্ষিণপন্থী শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন, বিজ্ঞান শিক্ষার পক্ষে সওয়াল করছেন

ভারতীয় শিক্ষকরা দক্ষিণপন্থী শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন, বিজ্ঞান শিক্ষার পক্ষে সওয়াল করছেন

শিক্ষা ব্যবস্থা জুড়ে অশিক্ষা, বিজ্ঞান মনস্কতার উল্টো দিকে অপবিজ্ঞানের চাস হচ্ছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারি অনুদান কমছে। সবার জন্য শিক্ষা, সেই অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষক ছাত্র অভিভাবক শিক্ষা কর্মীদের একত্রে লড়াই করতে হবে। নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির বুক স্টল, শিক্ষা ও সাহিত্য এবং ছাত্র সংগ্রাম পত্রিকার বুক স্টল উদ্বোধনে একথা বলেন, সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। এদিন যুবশক্তি পত্রিকার ও বুক স্টল উদ্বোধন হয়। বৃহস্পতিবার কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার থেকে বইপ্রেমী মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে চলতি বছরের বই মেলা। এদিন এবিটিএ’র শিক্ষা ও সাহিত্য (৫৪৬নম্বর) বুক স্টলের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সাংসদ ও অধ্যাপক মালিনী ভট্টাচার্য ও সুজন চক্রবর্তী। মালিনী ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘দক্ষিণপন্থীরা মস্তিষ্ক দখল করে বিভাজনের বীজ ছড়িয়ে দিচ্ছে। তা রুখতে হবে। তার প্রধান অস্ত্রই হবে বই। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে লাটে তুলে দিচ্ছে সরকার। কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতি তাঁদের প্রধান অস্ত্র। রাজ্যের সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাঁচাতে ছাত্র শিক্ষক শিক্ষা কর্মী অভিভাবকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করতে হবে।"যুবশক্তি বুক স্টলে এদিন উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট অভিনেতা সুপ্রিয় দত্ত সঙ্গে ছিলেন যুব আন্দোলনের প্রাক্তন নেতা জামির মোল্লা সহ যুব নেতৃবৃন্দ। তাঁরা বলেন, রাজ্যের যুব সমাজের কাছে লড়াইয়ের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রধান হাতিয়ার যুবশক্তি। এবছর যুবশক্তি তাঁদের স্টল( ৪০৫ নম্বর) সাজিয়েছে নওজোয়ান ভারত সভার ১০০ বছর ও প্যালেস্টাইনে ইজরাইলের আগ্রাসন বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে। যুব শক্তির এ বছরের স্থল ৪০৫ নম্বর।ছাত্র সংগ্রাম বুকস্টলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক কিন্নর রায়। ছিলেন সুজন চক্রবর্তী, চিত্র পরিচালক সৌরভ পালধীও। এছাড়াও ছিলেন ছাত্র আন্দোলনের প্রাক্তন ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ। সুজন চক্রবর্তী বলেন, "শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হচ্ছে। বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষাকে নিয়ে ব্যবসা করা হচ্ছে। ছাত্র, যুব শিক্ষক সমিতি সবাই একসঙ্গে লড়াই করতে হবে। যৌথ আন্দোলনের বিকল্প নেই। প্রজন্মকে বাঁচাতে হবে। ছাত্রদের ফুল বাঁচাও মুল বাঁচাও এই আন্দোলন প্রভাব তৈরি করেছে গোটা রাজ্যের ছাত্র সমাজের কাছে। একই আরো ব্যাপ্তি করতে হবে রাজ্যের সমস্ত অংশে। পশ্চিমবঙ্গে একদিকে যখন একের পর সরকারি স্কুলই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শিক্ষকের অভাবে, পড়ুয়াদের অভাবে, বেহাল ব্যবস্থাপনার কারণে। সেখানে কেরালায় বিকল্প শিক্ষানীতির ফলে বেসরকারি স্কুল ছেড়ে ঝাঁকে ঝাঁকে পড়ুয়ারা সরকারি স্কুলে ভর্তি হচ্ছে। আর এখানে সরকারি সহায়তায় ফুলে ফেঁপে উঠছে বেসরকারি স্কুল। এই সরকার অসংবেদনশীল, শিক্ষক-ছাত্র বিরোধী, শিক্ষা বিরোধী সরকার।" ছাত্র সংগ্রামের এ বছরের স্টল ছাত্র সংগ্রাম ৪৪৫।
64 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 23, 2026, 03:33 PM
সরকারি অনুদান হ্রাস এবং ডানপন্থী প্রভাবের বিরুদ্ধে ভারতীয় শিক্ষা আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া

সরকারি অনুদান হ্রাস এবং ডানপন্থী প্রভাবের বিরুদ্ধে ভারতীয় শিক্ষা আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া

শিক্ষা ব্যবস্থা জুড়ে অশিক্ষা, বিজ্ঞান মনস্কতার উল্টো দিকে অপবিজ্ঞানের চাস হচ্ছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারি অনুদান কমছে। সবার জন্য শিক্ষা, সেই অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষক ছাত্র অভিভাবক শিক্ষা কর্মীদের একত্রে লড়াই করতে হবে। নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির বুক স্টল, শিক্ষা ও সাহিত্য এবং ছাত্র সংগ্রাম পত্রিকার বুক স্টল উদ্বোধনে একথা বলেন, সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। এদিন যুবশক্তি পত্রিকার ও বুক স্টল উদ্বোধন হয়। বৃহস্পতিবার কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার থেকে বইপ্রেমী মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে চলতি বছরের বই মেলা। এদিন এবিটিএ’র শিক্ষা ও সাহিত্য (৫৪৬নম্বর) বুক স্টলের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সাংসদ ও অধ্যাপক মালিনী ভট্টাচার্য ও সুজন চক্রবর্তী। মালিনী ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘দক্ষিণপন্থীরা মস্তিষ্ক দখল করে বিভাজনের বীজ ছড়িয়ে দিচ্ছে। তা রুখতে হবে। তার প্রধান অস্ত্রই হবে বই। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে লাটে তুলে দিচ্ছে সরকার। কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতি তাঁদের প্রধান অস্ত্র। রাজ্যের সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাঁচাতে ছাত্র শিক্ষক শিক্ষা কর্মী অভিভাবকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করতে হবে।"যুবশক্তি বুক স্টলে এদিন উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট অভিনেতা সুপ্রিয় দত্ত সঙ্গে ছিলেন যুব আন্দোলনের প্রাক্তন নেতা জামির মোল্লা সহ যুব নেতৃবৃন্দ। তাঁরা বলেন, রাজ্যের যুব সমাজের কাছে লড়াইয়ের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রধান হাতিয়ার যুবশক্তি। এবছর যুবশক্তি তাঁদের স্টল( ৪০৫ নম্বর) সাজিয়েছে নওজোয়ান ভারত সভার ১০০ বছর ও প্যালেস্টাইনে ইজরাইলের আগ্রাসন বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে। যুব শক্তির এ বছরের স্থল ৪০৫ নম্বর।ছাত্র সংগ্রাম বুকস্টলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক কিন্নর রায়। ছিলেন সুজন চক্রবর্তী, চিত্র পরিচালক সৌরভ পালধীও। এছাড়াও ছিলেন ছাত্র আন্দোলনের প্রাক্তন ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ। সুজন চক্রবর্তী বলেন, "শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হচ্ছে। বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষাকে নিয়ে ব্যবসা করা হচ্ছে। ছাত্র, যুব শিক্ষক সমিতি সবাই একসঙ্গে লড়াই করতে হবে। যৌথ আন্দোলনের বিকল্প নেই। প্রজন্মকে বাঁচাতে হবে। ছাত্রদের ফুল বাঁচাও মুল বাঁচাও এই আন্দোলন প্রভাব তৈরি করেছে গোটা রাজ্যের ছাত্র সমাজের কাছে। একই আরো ব্যাপ্তি করতে হবে রাজ্যের সমস্ত অংশে। পশ্চিমবঙ্গে একদিকে যখন একের পর সরকারি স্কুলই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শিক্ষকের অভাবে, পড়ুয়াদের অভাবে, বেহাল ব্যবস্থাপনার কারণে। সেখানে কেরালায় বিকল্প শিক্ষানীতির ফলে বেসরকারি স্কুল ছেড়ে ঝাঁকে ঝাঁকে পড়ুয়ারা সরকারি স্কুলে ভর্তি হচ্ছে। আর এখানে সরকারি সহায়তায় ফুলে ফেঁপে উঠছে বেসরকারি স্কুল। এই সরকার অসংবেদনশীল, শিক্ষক-ছাত্র বিরোধী, শিক্ষা বিরোধী সরকার।" ছাত্র সংগ্রামের এ বছরের স্টল ছাত্র সংগ্রাম ৪৪৫।
15 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 22, 2026, 03:38 PM
স্কুল সার্ভিস কমিশন কলকাতা, ঝাড়গ্রাম এবং শিলিগুড়িতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সাক্ষাৎকারের সময়সূচী ঘোষণা করেছে

স্কুল সার্ভিস কমিশন কলকাতা, ঝাড়গ্রাম এবং শিলিগুড়িতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সাক্ষাৎকারের সময়সূচী ঘোষণা করেছে

কলকাতার পাশাপাশি ঝাড়গ্রাম ও শিলিগুড়িতে হবে একাদশ-দ্বাদশে শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ।একাদশ-দ্বাদশে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পরীক্ষার্থীদের ইন্টারভিউয়ের সূচি ঘোষণা করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। রাজ্যের সরকার পোষিত স্কুলগুলির একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষকপদে নিয়োগ পরীক্ষার মেধা তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। একাদশ ও দ্বাদশের জন্য ১২,৪৪৫টি পদে নিয়োগের জন্য পরীক্ষা নেয় কমিশন।কমিশন জানিয়েছে, জানুয়ারির ২৭ ও ২৮ তারিখে কলকাতায়, ২৮ ও ২৯ তারিখে ঝাড়গ্রামে এবং ২৯ ও ৩০ তারিখে শিলিগুড়িতে এই ইন্টারভিউ নেওয়া হবে।২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ক্লাসগুলির সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য দ্বিতীয় দফা এসএলএসটি পরীক্ষা নেয় কমিশন। সেখানে মাধ্যমিক স্তরে ২৩,২১২ টি এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ১২, ৪৪৫ টি শূন্যপদের জন্য নিয়োগের বা বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন।কমিশনের তরফে গত বুধবার প্রকাশিত মেধা তালিকায় ১৮, ৯০০ জনের নাম প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি একটি ওয়েটিং লিস্ট প্রকাশ করা হয়েছে। অনুত্তীর্ণ প্রার্থীদেরও একটি তালিকা প্রকাশ করা হয় কারণ জানিয়ে।দুর্নীতির জেরে আগের বছর ৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নিয়োগ বাতিল হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নিয়োগের চলতি পর্ব চলছে।যোগ্য শিক্ষক ফোরামের এক সদস্য রূপা কর্মকার সংবাদসংস্থাকে বলেছেন, মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক উভয় মেধাতালিকাতে তাঁর নাম থাকলেও অনেক যোগ্য সহকর্মীর নামই ওয়েটিং লিস্টে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, "আমরা আশা করি কমিশন এই বিষয়টি বিবেচনা করবে, কারণ আমরা সকলেই প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির শিকার হয়েছি।"
68 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Jan 21, 2026, 03:59 PM
এস. এস. সি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষকদের জন্য মেধা তালিকা প্রকাশ করেছেঃ 18,900 জন প্রার্থীর নাম

এস. এস. সি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষকদের জন্য মেধা তালিকা প্রকাশ করেছেঃ 18,900 জন প্রার্থীর নাম

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে একাদশ-দ্বাদশের মেধা তালিকা প্রকাশ করল SSC। বুধবার রাত ৮টা নাগাদ তালিকা প্রকাশিত হয়। SSC সূত্রে খবর, মেধা তালিকায় প্রায় ১৮ হাজার ৯০০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে থেকে ১২ হাজার ৪৪৫ শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। উল্লেখ্য এ দিন সফল বা এমপ্যানেলড, ওয়েটিং বা অপেক্ষমাণের সঙ্গে অসফল বা অনুর্ত্তীর্ণদের তালিকাও প্রকাশ করেছে SSC।একাদশ-দ্বাদশের ৩৫টি বিষয়ে মোট শূন্যপদ ছিল ১২,৪৪৫। প্রায় ১৯ হাজার ৯২১ জন প্রার্থী ডাক পেয়েছিলেন। তারপর হাইকোর্টের নির্দেশে আরও ১৫৬ জনকে নথি যাচাইয়ের জন্য ডাকা হয়। সব মিলিয়ে ২০ হাজার ৭৭ জন নথি যাচাই প্রক্রিয়ায় অংশ নেন। ১৮ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে এই প্রক্রিয়া।নথি যাচাইয়ে ১,২৮৭ জন প্রার্থী বাদ যান। মূলত বয়স, জাতিগত শংসাপত্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতায় গরমিলের কারণেই তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়া নবম–দশমের শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ‘দাগি’ হওয়ায় আরও ২৬৯ জনকে বাদ দেওয়া হয়। ইন্টারভিউ দেওয়ার পরেও ৩০৩ জনকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরে সফল এবং ওয়েটিং লিস্টে থাকা প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে SSC।এখন প্রশ্ন হলো, কাউন্সেলিং শুরু হবে কবে? কমিশনের এক কর্তার কথায়, বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত টানা সরকারি ছুটি। ২৭ জানুয়ারি, মঙ্গলবার সরকারি দপ্তর খুললে কাউন্সেলিংয়ের দিনক্ষণ জানানো হবে। তবে বিকাশ ভবনের কর্তাদের ইঙ্গিত, বিধানসভা ভোট আসন্ন। তাই চলতি মাসের শেষ থেকেই কাউন্সেলিং শুরু হয়ে যেতে পারে।গত ৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেপ্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়ে যায়। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। চাকরি খুইয়ে যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজপথ।এ সবের মধ্যেই গত সেপ্টেম্বরে নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নেয় SSC। ‘যোগ্য’ বা আনটেন্টড-সহ ‘ইনসার্ভিস’ শিক্ষকদের অভিজ্ঞতার জন্য ১০ নম্বর দেওয়া হয়েছে। তার পরেও কয়েকশ যোগ্য শিক্ষক ডাক পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। আবার অনেক যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকার নাম ওয়েটিং লিস্টে চলে গিয়েছে বলেও অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের।
89 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Jan 21, 2026, 03:59 PM
এস. এস. সি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য মেধা তালিকা প্রকাশ করেছে, 18,900 জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে

এস. এস. সি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য মেধা তালিকা প্রকাশ করেছে, 18,900 জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে একাদশ-দ্বাদশের মেধা তালিকা প্রকাশ করল SSC। বুধবার রাত ৮টা নাগাদ তালিকা প্রকাশিত হয়। SSC সূত্রে খবর, মেধা তালিকায় প্রায় ১৮ হাজার ৯০০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে থেকে ১২ হাজার ৪৪৫ শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। উল্লেখ্য এ দিন সফল বা এমপ্যানেলড, ওয়েটিং বা অপেক্ষমাণের সঙ্গে অসফল বা অনুর্ত্তীর্ণদের তালিকাও প্রকাশ করেছে SSC।একাদশ-দ্বাদশের ৩৫টি বিষয়ে মোট শূন্যপদ ছিল ১২,৪৪৫। প্রায় ১৯ হাজার ৯২১ জন প্রার্থী ডাক পেয়েছিলেন। তারপর হাইকোর্টের নির্দেশে আরও ১৫৬ জনকে নথি যাচাইয়ের জন্য ডাকা হয়। সব মিলিয়ে ২০ হাজার ৭৭ জন নথি যাচাই প্রক্রিয়ায় অংশ নেন। ১৮ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে এই প্রক্রিয়া।নথি যাচাইয়ে ১,২৮৭ জন প্রার্থী বাদ যান। মূলত বয়স, জাতিগত শংসাপত্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতায় গরমিলের কারণেই তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়া নবম–দশমের শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ‘দাগি’ হওয়ায় আরও ২৬৯ জনকে বাদ দেওয়া হয়। ইন্টারভিউ দেওয়ার পরেও ৩০৩ জনকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরে সফল এবং ওয়েটিং লিস্টে থাকা প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে SSC।এখন প্রশ্ন হলো, কাউন্সেলিং শুরু হবে কবে? কমিশনের এক কর্তার কথায়, বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত টানা সরকারি ছুটি। ২৭ জানুয়ারি, মঙ্গলবার সরকারি দপ্তর খুললে কাউন্সেলিংয়ের দিনক্ষণ জানানো হবে। তবে বিকাশ ভবনের কর্তাদের ইঙ্গিত, বিধানসভা ভোট আসন্ন। তাই চলতি মাসের শেষ থেকেই কাউন্সেলিং শুরু হয়ে যেতে পারে।গত ৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেপ্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়ে যায়। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। চাকরি খুইয়ে যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজপথ।এ সবের মধ্যেই গত সেপ্টেম্বরে নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নেয় SSC। ‘যোগ্য’ বা আনটেন্টড-সহ ‘ইনসার্ভিস’ শিক্ষকদের অভিজ্ঞতার জন্য ১০ নম্বর দেওয়া হয়েছে। তার পরেও কয়েকশ যোগ্য শিক্ষক ডাক পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। আবার অনেক যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকার নাম ওয়েটিং লিস্টে চলে গিয়েছে বলেও অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের।
38 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 21, 2026, 03:14 PM
পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত প্যানেল প্রকাশ করেছে

পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত প্যানেল প্রকাশ করেছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:সরস্বতী পুজোর ঠিক আগেই রাজ্যের হবু শিক্ষকদের জন্য বড়সড় উপহার নিয়ে এল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC Results)। দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত হল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত প্যানেল। শুধুমাত্র তালিকা প্রকাশই নয়, এই পদক্ষেপে ফুটে উঠেছে রাজ্য সরকারের তড়িঘড়ি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রশাসনিক তৎপরতা। সুপ্রিম কোর্ট ২০২৬ সালের অগস্ট মাস পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিলেও, বিধানসভা ভোটের আগেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে বদ্ধপরিকর রাজ্য। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই তালিকা আপলোড করা হয়। চূড়ান্ত মেধাতালিকার (Final Merit List) পাশাপাশি ওয়েটিং লিস্ট বা অপেক্ষমান তালিকা এবং বাতিল বা অনুত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করেছে কমিশন।মোট ১২,৪৪৫টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য এই প্যানেল তৈরি করা হয়েছে।কমিশন সূত্রে খবর, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে সরস্বতী পুজোর জন্য সরকারি ছুটি শুরু হয়ে যাচ্ছে। ছুটি কাটলেই, অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি থেকে সুপারিশপত্র বিতরণের কাজ শুরু করার জোরদার প্রস্তুতি চলছে। গত ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বরের মধ্যেই ৩৫টি বিষয়ের নথি যাচাই বা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ করেছিল এসএসসি। সেখানে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি প্রার্থী ডাক পেয়েছিলেন। যদিও আইনি সময়সীমা হাতে ছিল, তবুও পরীক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তা কমাতে এবং ভোটের আগে ভাবমূর্তি স্বচ্ছ রাখতে দ্রুত গতিতে কাজ শেষ করল কমিশন।
50 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 21, 2026, 03:14 PM
পশ্চিমবঙ্গ এস. এস. সি নির্বাচনের সময়সীমার মধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত প্যানেল প্রকাশ করেছে

পশ্চিমবঙ্গ এস. এস. সি নির্বাচনের সময়সীমার মধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত প্যানেল প্রকাশ করেছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:সরস্বতী পুজোর ঠিক আগেই রাজ্যের হবু শিক্ষকদের জন্য বড়সড় উপহার নিয়ে এল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC Results)। দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত হল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত প্যানেল। শুধুমাত্র তালিকা প্রকাশই নয়, এই পদক্ষেপে ফুটে উঠেছে রাজ্য সরকারের তড়িঘড়ি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রশাসনিক তৎপরতা। সুপ্রিম কোর্ট ২০২৬ সালের অগস্ট মাস পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিলেও, বিধানসভা ভোটের আগেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে বদ্ধপরিকর রাজ্য। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই তালিকা আপলোড করা হয়। চূড়ান্ত মেধাতালিকার (Final Merit List) পাশাপাশি ওয়েটিং লিস্ট বা অপেক্ষমান তালিকা এবং বাতিল বা অনুত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করেছে কমিশন।মোট ১২,৪৪৫টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য এই প্যানেল তৈরি করা হয়েছে।কমিশন সূত্রে খবর, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে সরস্বতী পুজোর জন্য সরকারি ছুটি শুরু হয়ে যাচ্ছে। ছুটি কাটলেই, অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি থেকে সুপারিশপত্র বিতরণের কাজ শুরু করার জোরদার প্রস্তুতি চলছে। গত ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বরের মধ্যেই ৩৫টি বিষয়ের নথি যাচাই বা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ করেছিল এসএসসি। সেখানে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি প্রার্থী ডাক পেয়েছিলেন। যদিও আইনি সময়সীমা হাতে ছিল, তবুও পরীক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তা কমাতে এবং ভোটের আগে ভাবমূর্তি স্বচ্ছ রাখতে দ্রুত গতিতে কাজ শেষ করল কমিশন।
14 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 17, 2026, 03:30 PM
আলিপুরদুয়ারে চাকরি বাতিলের মধ্যে কন্যাশ্রী প্রকল্প চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন

আলিপুরদুয়ারে চাকরি বাতিলের মধ্যে কন্যাশ্রী প্রকল্প চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন

প্রণব সূত্রধর, আলিপুরদুয়ার:গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি চাকরি বাতিলের প্রভাব পড়ল কন্যাশ্রী প্রকল্পের (Kanyashree Prakalpa) কাজে। ২০ জানুয়ারি কাজ শেষ করে ২৭ জানুয়ারি তার রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেক স্কুলে গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি’র চাকরি বাতিল হয়েছে। কর্মীর অভাবে জানুয়ারি মাসের মধ্যে কাজ শেষ করা নিয়ে নাজেহাল জেলার বেশিরভাগ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ (Alipurduar)। সামনেই ভোট, তার আগে কন্যাশ্রী প্রকল্পে পড়ুয়াদের নাম নথিভুক্ত করতে চাইছেন প্রশাসনের কর্তারা। কন্যাশ্রী প্রকল্পের ডেপুটি ডিরেক্টর অ্যান্ড ডেপুটি কালেক্টর সব্যসাচী রায় বলেন, ‘কন্যাশ্রীর কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেইভাবে কাজ করছে।’ এই পরিস্থিতিতে অধিকাংশ স্কুলে কাজ শেষের দিকে হলেও শিক্ষাকর্মীর অভাবে বাকি স্কুলগুলিতে কী হবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সেরকমই একটি স্কুল আলিপুরদুয়ার বালিকা শিক্ষামন্দির। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কাকলি ভৌমিক বলেন, ‘কন্যাশ্রী প্রকল্প সহ অন্যান্য অফিশিয়াল কাজ একজন ক্লার্ক দক্ষভাবে সামলাতেন। তাঁর চাকরি বাতিল হতেই আমরা সমস্যায় পড়েছি। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ কতটা শেষ করা সম্ভব, সেটা বুঝে উঠতে পারছি না।’ বালিকা শিক্ষামন্দিরের মতো আলিপুরদুয়ার শান্তিদেবী হাইস্কুলেও কাজ সামলাচ্ছেন নোডাল শিক্ষকরা। তবে সেই বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের সংখ্যা কম থাকায় তেমন সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষিকা রূপা ঘোষ বলেন, ‘দুই ক্লার্কের চাকরি বাতিল হতেই প্রথমে অফিশিয়াল কাজকর্ম করা নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়।’ পড়ুয়ার সংখ্যা বেশি হলেই বিদ্যালয়গুলিতে সমস্যা বেশি। অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের নতুন করে নাম নথিভুক্ত করতে হয়। আর বাকিদের নাম রিনিউয়াল হয়। তবে অনেক পড়ুয়া মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের পর বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হয়। অনেকে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থায় পড়াশোনা করার জন্য ভিনরাজ্যেও চলে যায়। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। নিউটাউন গার্লস স্কুলের টিচার ইনচার্জ শ্রেয়সী দত্ত বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত আটশোরও বেশি ছাত্রী। কন্যাশ্রী পোর্টালে তাদের নাম নথিভুক্ত করার কাজ চলছে। তবে কয়েকজনের কাগজপত্রজনিত সমস্যার জন্য অনেক সময় দেরি হয়ে থাকে।’ সমস্যা আরও রয়েছে। কোথাও সার্ভারের সমস্যা, কোথাও একাংশের ব্যাংকের বই নেই। এছাড়া অনেকের ব্যাংকের সঙ্গে মোবাইলের লিংক করা নেই। প্রান্তিক এবং চা বাগান এলাকার অনেকে আবার পরিবারের সঙ্গে ভিনরাজ্যে কাজে চলে যায়। তাদের খোঁজ পাওয়াটাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে। অভিযোগ, অনেকসময় কন্যাশ্রীর ফর্ম নিলেও অনেকে তা নির্দিষ্ট সময়ে পূরণ করে জমা দেওয়া হয় না।
35 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Jan 17, 2026, 02:40 PM
সহপাঠীকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে ছাত্র গ্রেপ্তার

সহপাঠীকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে ছাত্র গ্রেপ্তার

গোপন ছবি প্রকাশ্যে আনার হুমকি। সঙ্গে চলত শারীরিক নির্যাতন। প্রেমিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের প্রেমিকার। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে শনিবার অভিযুক্ত প্রেমিক গৌতম গায়েনকে গ্রেপ্তার করে সোনারপুর থানার পুলিশ। তদন্ত এগোতেই বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ধৃত যুবকের থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র। যুবক অস্ত্র পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত কি না সে ব্যাপারে তদন্ত করছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনারপুর থানা এলাকার বাসিন্দা তরুণীর সঙ্গে একই কলেজে পড়াশোনা করতেন অভিযুক্ত গৌতম গায়েন। তাঁর বাড়ি জয়নগর থানা এলাকায়। কলেজ পড়ুয়া অবস্থায় দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে মাঝেমধ্যেই প্রেমিকার কাছ থেকে টাকা নিতেন গৌতম। সম্প্রতি ব্যবসার জন্য ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন গৌতম। টাকা দিতে অস্বীকার করায় দু’জনের মধ্যে বিবাদ শুরু হয় এবং সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন তরুণী।ওই তরুণী অভিযোগ করেছেন, দু’জনের গোপন ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেয় অভিযুক্ত। এমনকী শারীরিক নির্যাতন ও মারধরের ঘটনাও ঘটে। বাড়িতে এসে মারধর করার অভিযোগও তোলেন নির্যাতিতা। এমনকী যুবকের কাছে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। এর পরেই পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই তরুণী।সোনারপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে গৌতম গায়েনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হাসু রহমান লস্কর ও মণিরুল শেখ নামে আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তল্লাশি অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হয় একটি ৭ মিমি ইমপ্রোভাইজড সেমি-অটোমেটিক পিস্তল (ম্যাগাজিনসহ), একটি ইমপ্রোভাইজড দেশি ওয়ান শুটার আগ্নেয়াস্ত্র এবং তিন রাউন্ড ৭ মিমি লাইভ গুলি। এই ঘটনায় আর্মস অ্যাক্টে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র কোথা থেকে এল এবং তারা কোনও অস্ত্র পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখছে সোনারপুর থানার পুলিশ।
71 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Jan 15, 2026, 03:31 PM
প্রায় দুই দশক ধরে টোল সংস্কৃত কলেজে স্থগিত পরীক্ষাঃ একটি রহস্য উন্মোচিত

প্রায় দুই দশক ধরে টোল সংস্কৃত কলেজে স্থগিত পরীক্ষাঃ একটি রহস্য উন্মোচিত

প্রণব সূত্রধর, আলিপুরদুয়ার:স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে সিমেস্টার, বার্ষিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। অথচ প্রায় ১৮ বছর ধরে পরীক্ষা বন্ধ আলিপুরদুয়ারের টোলে (সংস্কৃত কলেজ)। ২০০৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদ শেষ পরীক্ষা হয়েছিল। তারপর থেকে সরকারিভাবে টোলগুলিতে পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ। আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশবাড়িতে দ্বারিকানাথ চতুষ্পাঠী’র ছাত্রছাত্রীরা এখনও পরীক্ষার আশায় বসে রয়েছেন। কেন পরীক্ষা বন্ধ, সদুত্তর নেই কারও কাছে। এই দীর্ঘ সময়ে টোলে পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি মেলেনি বলে খবর। পড়ুয়াদের অনেকেই আশাহত হয়ে বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। এবিষয়ে স্কুল পরিদর্শক (প্রাথমিক) লক্ষণা গোলে বলেন, ‘টোলে পরীক্ষার বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা হবে। পরীক্ষার বিষয়ে কোনও নির্দেশিকা আসেনি।’ কলকাতা সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের টোল বিভাগের সম্পাদক পলাশ বিশ্বাস জানালেন, টোলে ফের পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। একসময় দ্বারিকানাথ চতুষ্পাঠী প্রায় তিন বিঘা জমির উপর গড়ে ওঠে। কয়েক বছর চলার পর এই সংস্কৃত কলেজ ১৯৩৬ সালে সরকারি অনুমোদন পায়। তবে কালজানি নদীর বাঁধ নির্মাণ সহ একাধিক উন্নয়নমূলক কাজের জন্য টোলের জমির পরিমাণ কমে যায়। এখন অবশ্য টোলের একাংশ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এ বিষয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছে টোল কর্তৃপক্ষ। বাম আমলের শেষের দিকে টোলের জন্য সরকারি উন্নয়নমূলক অনুদান আসা একরকম বন্ধ হয়ে পড়ে। এখন পর্যন্ত অধ্যক্ষরা মাসিক সাত হাজার টাকা সাম্মানিক পান। সমস্যা মেটাতে টোলের অধ্যক্ষরা শিক্ষামন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তবে সমস্যা সেই তিমিরেই। দ্বারিকানাথ চতুষ্পাঠীর অধ্যক্ষ নিত্যানন্দ নন্দী বলেন, ‘টোলে পরীক্ষা পদ্ধতির অনুমতি মিললে ফের নতুন ছাত্রছাত্রী ভর্তি হবে। এখনও অনেক ছাত্রছাত্রী পরীক্ষার আশায় রয়েছে। টোলগুলিকে স্বমহিমায় ফেরাতে সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।’ টোলে মাধ্যমিক পাশের পর থেকেই ভর্তির সুযোগ রয়েছে। ব্যাকরণ (পাণিনি, সারস্বত, চন্দ্রিকা, কলাপ ব্যাকরণ) সাহিত্য, স্মৃতি শাস্ত্র, ন্যায়শাস্ত্র, বেদান্ত দর্শন, শাঙ্খ দর্শন, ষড়দর্শন, বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, জ্যোতিষ শাস্ত্র ছাড়াও পৌরহিত্য শেখানো হয়। প্রতিটি বিষয় তিন বছরের কোর্স। অদ্য (প্রথম বর্ষ ) মধ্য ( ২য় বর্ষ) এবং তীর্থ (তৃতীয় বর্ষ) এই তিন বছর পর পড়ুয়ারা সেই বিষয়ে ডিগ্রি অর্থাৎ তীর্থ পদ লাভ করতে পারেন। তাঁরা কাব্য তীর্থ, শাস্ত্র তীর্থ ইত্যাদি উপাধিতে ভূষিত হন। একজন একাধিক বিষয়ে তীর্থ হতে পারেন। বিনয় মিশ্র, ময়াঙ্ক লাহিড়ির মতো ছাত্ররা বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত হলেও তাঁরা পরীক্ষা দেওয়ার প্রতীক্ষা করছেন। এক ছাত্রের কথায়, ‘এক সময় টোলে পড়াশোনা করেছি কিন্তু পরীক্ষা আর হয়নি। পরবর্তীতে কাজে জড়িয়ে পড়ি। তবে এখনও সময় পেলে পড়াশোনা করি। অনুমতি মিললে অবশ্যই পরীক্ষা দেব।’
90 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 15, 2026, 03:15 PM
নেতাজির জন্মদিনের ছুটির দাবিতে বিক্ষোভের মধ্যে জে. ই. ই মেইন পরীক্ষা স্থগিত করল কেন্দ্র

নেতাজির জন্মদিনের ছুটির দাবিতে বিক্ষোভের মধ্যে জে. ই. ই মেইন পরীক্ষা স্থগিত করল কেন্দ্র

নয়াদিল্লি, ১৫ জানুয়ারি:পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিবাদের মুখে শেষপর্যন্ত জয়েন্ট এন্ট্রান্স (জেইই মেইন) পরীক্ষা পিছিয়ে দিতে বাধ্য হল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। নতুন তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি দীর্ঘদিনের। তার মধ্যে এই বছর ২৩ জানুয়ারি সরস্বতী পুজোও রয়েছে। অথচ ওই দিনেই জেইই মেইন পরীক্ষা ফেলেছিল এনটিএ। যা নিয়ে সৃষ্টি হয় বিতর্ক। কেন্দ্রের এহেন মনোভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে নবান্নও। পরীক্ষার দিনক্ষণ পরিবর্তন চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি পাঠান রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি বিনোদ কুমার। কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও ওই দিন পরীক্ষা না নেওয়ার অনুরোধ করেন। তাতেই কাজ হয়েছে। ২৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে ওই পরীক্ষা হচ্ছে না। কথা জানিয়েছে এনটিএ। গত বছর নভেম্বরে প্রাথমিকভাবে জেইই মেইনসের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে ৯ জানুয়ারি সেই দিনক্ষণ পরিবর্তন করা হয়। জেইই মেইনের প্রথম পত্রের বিই ও বি-টেক পরীক্ষা হবে ২১, ২২, ২৩, ২৪ ও ২৮ জানুয়ারি। দ্বিতীয় পর্বের দিন পূর্ববর্তী সূচি অনুযায়ী ২ থেকে ৯ এপ্রিল রাখা হয়েছে।
77 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Jan 14, 2026, 03:11 PM
প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে বীরভূমের স্কুলছাত্রীরা উজ্জ্বল

প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে বীরভূমের স্কুলছাত্রীরা উজ্জ্বল

প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথে দেশের সেরা কৃতীদের তালিকায় জায়গা করে নিয়ে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকতে চলেছে বীরভূমের দুই স্কুলছাত্রী, প্রত্যুষা পাল ও আয়রা হোসেন। নলহাটির এই দুই পড়ুয়ার সাফল্যে গর্বিত দুই পরিবার সহ এলাকার বাসিন্দারা। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বীরগাঁথা ৫.০’ প্রতিযোগিতায় দেশের প্রায় দুই লক্ষ প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে ভারতের সেরা ১০০ জনের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে তারা। প্রত্যুষা নলহাটির আটগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। অন্যদিকে আয়রা হোসেন পড়াশোনা করে নলহাটিরই একটি বেসরকারি স্কুলে। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা ও শিক্ষা মন্ত্রকের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার মূল বিষয় ছিল দেশের বীর সেনানীদের আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার কাহিনী। পড়ুয়াদের কবিতা, প্রবন্ধ বা ছবির মাধ্যমে সেই গল্প তুলে ধরতে হয়েছিল প্রতিযোগিতায়। সেই মঞ্চেই নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে প্রত্যুষা ও আয়রা। বিভাগ অনুযায়ী ফলাফলেও নজর কেড়েছে তাদের সাফল্য। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির বিভাগে সারা দেশের মধ্যে সেরা ২৫ জনের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে আয়রা। অন্যদিকে নবম-দশম শ্রেণির বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছে প্রত্যুষা। সম্প্রতি শিক্ষা দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাদের কাছে এই সাফল্যের খবর পৌঁছায়। এই কৃতিত্বের পুরস্কার হিসেবে ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথে আয়োজিত কুচকাওয়াজে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, সামনে বসে কুচকাওয়াজ দেখার সুযোগও পাচ্ছে দুই ছাত্রী ও তাদের পরিবার। আয়রার মা শিরিন সুলতানা ও প্রত্যুষার বাবা বিশ্বজিৎ পাল আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা কখনও দিল্লি যাইনি। রাজপথের কুচকাওয়াজ দেখা আমাদের কাছে স্বপ্নের মত ছিল। আজ সেই স্বপ্ন মেয়েদের হাত ধরেই পূর্ণ হতে চলেছে।‘ বীরভূমের দুই কন্যার এই সাফল্যে গর্বিত গোটা জেলা।
59 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 14, 2026, 02:51 PM
কলকাতা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচী ঘোষণা করেছে

কলকাতা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচী ঘোষণা করেছে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উচ্চ মাধ্যমিকের প্রোজেক্ট এবং প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষাগুলি নেওয়া হবে ২ মার্চ থেকে ২৩ মার্চের মধ্যে। সেমেস্টার পদ্ধতি এবং পুরানো বার্ষিক পদ্ধতি—দুইয়ের ক্ষেত্রেই এক নিয়ম। তবে, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ নির্দিষ্টভাবে জানিয়েছে, স্ট্যাটিসটিকসের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা নিতে হবে ৬ মার্চ। ২৮ জানুয়ারি প্র্যাকটিক্যালের সাদা উত্তরপত্র বিলি করবে সংসদ। শুধুমাত্র স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষার প্র্যাকটিক্যালে কোনও উত্তরপত্র থাকবে না। পুরানো সিলেবাস অনুযায়ী যে ছাত্রছাত্রীরা আগের বছর প্র্যাকটিক্যালে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন, তাঁদের নতুন করে আর পরীক্ষায় বসতে হবে না। ৫ মার্চ থেকে ২৮ মার্চের মধ্যে প্র্যাকটিক্যালের প্রাপ্ত নম্বর পাঠিয়ে দিতে হবে সংসদে।অন্যদিকে, বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের রাইটার বা অনুবাদক নেওয়া এবং বাড়তি সময় চাওয়ার নিয়মাবলীও প্রকাশ করেছে সংসদ। স্কুলের মাধ্যমেই অনলাইনে সেই আবেদন জানাতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের অন ডিউটি লিভও সর্বোচ্চ কত থাকবে, তাও জানিয়েছে সংসদ। প্রধান পরীক্ষক সর্বোচ্চ ২১ দিন, পরীক্ষকরা ৩ দিন, স্ক্রুটিনাইজাররা ১০ দিন, জেলা উপদেষ্টা কমিটির শিক্ষকরা ১৬ দিন এবং সংসদের মনোনীত প্রতিনিধি বা কাউন্সিল নমিনিরা সর্বোচ্চ ১৩ দিন অন ডিউটি ছুটি পাবেন।
80 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 9, 2026, 03:58 PM
এস. এফ. আই জলপাইগুড়ি অফিসে অভিযান চালিয়ে শিক্ষা সংস্কারের দাবি জানিয়েছে

এস. এফ. আই জলপাইগুড়ি অফিসে অভিযান চালিয়ে শিক্ষা সংস্কারের দাবি জানিয়েছে

ছাত্রের অভাবে বন্ধ হয়ে বসা সমস্ত স্কুল পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নেওয়া, অবিলম্বে সমস্ত শুন্য পদে নির্দিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ, স্কুলের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, বিনা রসিদে ভর্তি ফি নিয়ে স্কুল পরিচালনার খরচ অকারনে ছাত্রছাত্রীদের ওপর চাপানো বন্ধ করার দাবি সহ ১১ দফা দাবিতে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কার্যালয়ে অভিযান করলো এসএফআই জলপাইগুড়ি জেলা কমিটি। জলপাইগুড়ির সমাজ পাড়া মোড় থেকে মিছিল করে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কার্যালয়ে মিছিল পৌঁছায়।জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের দপ্তরের ভেতরে ঢুকে প্রতিবাদ করতে গেলে পথ আটকায় পুলিশ। এরপর ডিআই অফিসের গেট থেকে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ শুরু করে মিছিলে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ছাত্রছাত্রীরা। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক না থাকায় এক আধিকারিক স্মারকলিপি গ্রহন করে বলেন তিনি কাজে যোগ দিলে বিষয়গুলি তার কাছে তুলে ধরা হবে। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে এসএফআই জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি সাব্বির হোসেন জানান যে জেলা শহর থেকে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল, বনবস্তি,চা বাগান, কৃষি এলাকার বেশ কিছু স্কুল আজ সরকারি নীতির কারণে বন্ধের মুখে, নতুন শিক্ষক নিয়োগ নেই উপরন্তু শহরের বিভিন্ন স্কুলে ছাত্রাভাব অথচ শিক্ষক উপচে পড়ছে শাষক দলের মদতে। অথচ রাজ্যের সরকার স্কুলগুলিকে পরিকাঠামগত ও পরিষেবাগত পরিচালনার খরচ করার মতন অর্থ প্রদান করছে না। ফলে বাধ্য হয়ে স্কুল চালাতে ফি বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন অনৈতিক পথে হাঁটছে স্কুলগুলি। এসএফআই দাবি করেছে অবিলম্বে স্কুল পরিচালনার খরচ সরকারকে প্রদান করতে হবে। ২৪০ টাকা বেশি কোনও ছাত্রের থেকে স্কুল ফিস নেওয়া যাবে না।রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ধীরে ধীরে বেহাল হচ্ছে। বিক্ষোভ চলাকালীন এক প্রাক্তন ছাত্রী বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বলেন, আসলে সরকার চাইছে সকলের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে উঠিয়ে দিয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিকে জায়গা করে দিতে। এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে আছে এসএফআই। বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে জানানো দাবি গুলি পূরণ না হলে লাগাতার আন্দোলনের পথে নামবে এসএফআই। সকলের জন্য শিক্ষাকে পুনরায় ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করবে বলে জানিয়েছে তারা।অতিরিক্ত স্কুল ফি নেওয়া বন্ধ করা, বন্ধ হতে বসা সমস্ত স্কুল গুলোর পুনরুজ্জীবনের দাবিতে ডি আই অফিস অভিযান এসএফআই'র।
22 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Jan 7, 2026, 03:12 PM
ধর্ম বা আঞ্চলিকতার নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ মোদী সরকারের বিরুদ্ধে

ধর্ম বা আঞ্চলিকতার নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ মোদী সরকারের বিরুদ্ধে

ধর্ম বা আঞ্চলিকতার নামে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে টার্গেট করছে মোদি সরকার: জম্মু-কাশ্মীরের মন্ত্রী জাভেদ আহমেদ রানা
10 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 6, 2026, 03:36 PM
অর্থের অভাবে মুর্শিদাবাদের স্কুলগুলি সংকটে

অর্থের অভাবে মুর্শিদাবাদের স্কুলগুলি সংকটে

মুর্শিদাবাদের স্কুলে স্কুলে ভর্তির জন্য নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ফি। বিড়ি শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকার স্কুল থেকে আদিবাসী নিবিড় এলাকার স্কুল। ছবিটা একই। এর প্রতিবাদে জেলায় স্কুলে স্কুলে বিক্ষোভও দেখাচ্ছে এসএফআই। কিন্তু অধিকাংশ স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্যমিলছে না কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা। ফলে স্কুল চালানো কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই বাড়তি টাকা চাপানো হচ্ছে পড়ুয়াদের উপর। এর প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদ জেলার ডিআই’এর অফিস ঘিরে বিক্ষোভ দেখাল এসএফআই। এদিন বহরমপুরে এসএফআই জেলা দপ্তর থেকে মিছিল করে বহরমপুর রবীন্দ্রসদনের পিছনে ডিআই অফিসে যান ছাত্রছাত্রীরা। অফিসের মধ্যে ঢুকে পরে পড়ুয়াদের মিছিল। অফিসের মধ্যেই বসে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পরে ডিআই’এর দপ্তরে দেওয়া হয় ডেপুটেশন। অফিসের মধ্যেই বিক্ষোভ সভা থেকে এসএফআই জেলা সভাপতি অদিতি নন্দী বলেছেন, "এই বাড়তি ফি অভিভাবকদের উপর বাড়তি বোঝা তৈরী করছে। রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর ব্যর্থ। ডিআই অফিসকে তৃণমূলের অফিস বানানো হয়েছে। স্কুলের মাথায় তৃণমূল নেতাদের বসানো হয়েছে। স্কুলের পরিচালকরা পড়ুয়াদের কথা শুনতে চাইছেন না। অভিভাবকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে ডিআই অফিসকে নির্দেশ দিতে হবে যে ২৪০ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না।"এদিন বিক্ষোভে এসএফআই জেলা সম্পাদক এনজামুল হক বলেছেন, "এই অতিরিক্ত ফি গরীব পড়ুয়াদের উপর বাড়তি বোঝা। এতে পড়ুয়াদের স্কুল থেকে দুরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। ড্রপ আউটের সম্ভাবনা বাড়ছে। স্কুল শিক্ষা দপ্তর নিজেদের ভূমিকা এড়িয়ে যেতে পারে না। দ্রুত নির্দেশ জারি না হলে ডিআই অফিসে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনে নামবে এসএফআই।এদিন এসআইএফ নেতৃত্ব বলেন যে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার সাধারণের শিক্ষাকে ধ্বংস করতে চাইছে। সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে যে কোনও স্কুল ২৪০ টাকারও বেশি টাকা নিতে পারবে না। স্কুল চালানোর খরচ সরকারকে বহন করতে হবে। শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
54 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Jan 4, 2026, 03:41 PM
জলপাইগুড়ি জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষা সহায়তা শিবিরের আয়োজন করেছে এবিটিএ

জলপাইগুড়ি জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষা সহায়তা শিবিরের আয়োজন করেছে এবিটিএ

দীপশুভ্র সান্যালরাজ্যে চলতি বছরে প্রায় ৯ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে চলেছে। জলপাইগুড়ি জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩৫ হাজারের কাছাকাছি। করোনা পরবর্তী সময়ে স্কুলছুটের হার বৃদ্ধি এবং পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা ভেঙে যাওয়ার ফলে গত কয়েক বছরে জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ফলাফল ও প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি (এবিটিএ)।প্রবল ঠান্ডা উপেক্ষা করে রবিবার এবিটিএ-র জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি আঞ্চলিক শাখার উদ্যোগে পানবাড়ি ভবানী উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং দক্ষিণ আঞ্চলিক শাখার ব্যবস্থাপনায় নন্দনপুর হাই স্কুলে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সহায়তা শিবির অনুষ্ঠিত হয়। দুটি শিবিরেই শতাধিক ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়। বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পরীক্ষার প্রস্তুতি, উত্তর লেখার কৌশল ও সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে পরামর্শ দেন। অভিভাবকরাও এই উদ্যোগে অংশ নেন।নন্দনপুরের শিবিরে উপস্থিত ছিলেন এবিটিএ-র প্রাক্তন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মৌসুমী বোস, দক্ষিণ আঞ্চলিক শাখার সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি রায় সরকার, শিক্ষক নেতা তপন সাহা ও আশিস সরকার সহ অন্যান্যরা। পানবাড়ির শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান নেতৃত্ব প্রদীপ চ্যাটার্জি, কানাই লাল গোপ, কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য প্রদীপ্ত দাস, ময়নাগুড়ি আঞ্চলিক শাখার সম্পাদক তথা জেলা শাখার সহ-সভাপতি সৌমেন কাঠাম প্রমুখ।দুটি শিবিরেই উপস্থিত ছিলেন সদর মহকুমা শাখার সম্পাদক দেবাশিস রায় ও জেলা শাখার সম্পাদক কৌশিক গোস্বামী। তিনি জানান, সাধারণের বিদ্যালয় রক্ষা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে এবিটিএ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতি বছর জেলার বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় এমন শিবিরের আয়োজন করা হয়, যাতে পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীরা উপকৃত হয়।
99 shares
😐
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Jan 4, 2026, 03:39 PM
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ কেলেঙ্কারিঃ অনিয়মের প্রতিবাদে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ কেলেঙ্কারিঃ অনিয়মের প্রতিবাদে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ

দেব গোস্বামী, বোলপুর:ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ শান্তিনিকেতনের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বভারতীতে নন-একাডেমিক ও প্রশাসনিক স্থায়ী পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ। ইতিমধ্যেই একাধিক চাকরিপ্রার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে মেল মারফত অভিযোগ জানিয়েছেন। চাকুরী প্রার্থীদের অভিযোগ, নন একাডেমিক ও প্রশাসনিক স্থায়ী পদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। নিয়ম না মেনে ব্যক্তিগত মেলে নিয়োগপত্র পাঠানো হয়েছে। কর্মসচিব, অধ্যায়ন পরিচালক, পরিচালক গ্রন্থন বিভাগসহ বেশ কয়েকটি নন একাডেমিক পদের নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য ওয়েবসাইটে থাকলেও, উপ-কর্মসচিব ও সহকারি কর্ম সচিব সাধারণ পদে নিয়োগের মেধা তালিকার কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। চাকরিপ্রার্থীদের আরও দাবি, শিক্ষা মন্ত্রকের নির্দেশ অনুসারে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি দ্বারা লিখিত পরীক্ষা নিলেও তাঁর প্রাথমিক ফলাফল এজেন্সি ওয়েবসাইটে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ করেনি। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ তাঁর ওয়েবসাইটে ২৭ অক্টোবর ২০২৫ পেশাগত চূড়ান্ত মেধাতালিকা কীভাবে প্রকাশিত করল। আর সেই তালিকা এজেন্সি চূড়ান্ত না দিলে বিশ্বভারতী পেল কীভাবে। সুতরাং মেধা তালিকা আইনগত অবৈধ এবং পদ্ধতিগত ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে বলেই মনে করছেন পরীক্ষার্থীরা। সুতরাং নিয়োগের ক্ষেত্রেও অস্পষ্টতা এবং বিশেষ ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার জন্যই নিয়ম বহিভূতভাবে নিয়োগ পদ্ধতি বলেই অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্বভারতীর জনৈক্য এক আধিকারিক দাবি করেন, “প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী আমলে এজেন্সি মারফত নিয়োগে অস্বচ্ছতা দেখা যায়নি। বর্তমানে একটি দুষ্টুচক্র একের পর এক চাকরি প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে এবং অপেক্ষাকৃত অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়ম না মেনে চাকুরির সুযোগ দিচ্ছেন। যা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেতে শুরু করেছে।” এ বিষয়ে প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী জানান, “ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি পরিচালিত কোনও নিয়োগে দুর্নীতির কোনও প্রশ্ন নেই। আর সারা ভারতবর্ষের মানুষ তা ওয়েবসাইটে দেখতে পান। এজেন্সিকে বাদ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত মেধা তালিকা প্রকাশ এবং তা নিয়োগ পত্র প্রদান কখনও কাম্য নয়।” যদিও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্বভারতীর কর্মসচিব ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রককে লিখিত জবাবে জানায়, ১৭ এপ্রিল ২০২৩ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থীদের নিয়ম মেনেই নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ৫ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল থেকে অনুমোদনও নেওয়া হয়েছে। তবে চাকরিপ্রার্থীদের প্রশ্ন, প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরসহ চূড়ান্ত মেধা তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ না করেই কীভাবে সহকারি কর্মসচিব পদে যোগদান সম্ভব। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রককে স্পষ্ট জবাব দিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলেই অভিযোগ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা সত্ত্বেও সহকারি কর্মসচিব পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরমহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। চাকুরী প্রার্থীদের দাবি, উচ্চপর্যায় তদন্ত হওয়া উচিত। এবং সত্য প্রকাশিত হওয়া প্রয়োজন। নচেৎ ভবিষ্যতে প্রায় ৪০০ টি নন একাডেমিক পদে নিয়োগ হতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে যা কর্তৃপক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়া করতে চলেছে বেসরকারি একটি এজেন্সিকে দিয়েই। ফলে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ আরোও জোরালো হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, “সমস্ত নিয়ম মেনে নিয়োগ হয়েছে। অভিযোগকারীদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।” খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
94 shares
😢
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Jan 2, 2026, 04:25 PM
রেজার বার্নকে বিদায় বলুনঃ উদ্ধারের জন্য অ্যালোভেরা এবং বরফ

রেজার বার্নকে বিদায় বলুনঃ উদ্ধারের জন্য অ্যালোভেরা এবং বরফ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:সুন্দর মোলায়েম ত্বক পেতে কার না ভালো লাগে? তবে ত্বক সুন্দর দেখাতে যেমন নানা ‘এক্সপেরিমেন্ট’ করা হয় তারপর ত্বকের সঠিক যত্নও প্রয়োজন। সেভাবেই রোমহীন সুন্দর পা পেতে অনেকেই চটজলদি সমাধান হিসেবে ভরসা রাখেন রেজারের উপর। কিন্তু ত্বকে রেজার চালানোর পর নানা সমস্যা দেখা দেওয়ার মতো ঘটনার শিকার হন অনেকেই। জেনে নিন কীভাবে মুক্তি পাবেন এই সমস্যা থেকে। ত্বকের যে কোনও সমস্যা মেটাতে ভরসা অ্যালোভেরা। ত্বকে রেজার চালনোর পর যে কোনও সমস্যা দেখা দিলে চটজলদি সমস্যা দেখা দিলে তার সমাধান করুন এই উপায়ে। এতে থাকা ভিটামিন এ, সি এবং ই ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। যা রেজার ব্যবহারের পর ত্বকে ১৫-২০ মিনিট রাখলেই মিলবে সমাধান। অনেকেরই ত্বকে রেজার চালানোর পর র‍্যাশ ও ত্বক জ্বালা করার মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যার খুব সহজ সমাধান হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন বরফ। বাড়িতে থাকা বরফ শুকনো কাপড়ে মুড়ে নিয়ে ত্বকের যে অংশে প্রদাহ ও র‍্যাশ দেখা দিচ্ছে সেখানে বরফ দিলে অনায়াসেই সমাধান পাবেন। আরও এক সহজ সমাধান হল এক্ষেত্রে নারকেল তেল। ত্বকে রেজর চালানোর পর প্রদাহ বা র‍্যাশে নারকেল তেল ম্যাজিকের মতো কাজ করে। তাই এই সমস্যার সমাধানে দিনে ২-৩ বার নারকেল তেল ব্যবহার করলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। মধু এমনিতেই ত্বকের জন্য উপকারী। আর ত্বকে রেজর ব্যবহারের পর যে কোনও সমস্যার সমাধানে মধু ব্যবহার করতে পারেন। রেজর ব্যবহার করতে গিয়ে ছোটখাটো ক্ষত হলে তাতেও সমানভাবে উপকার দেবে মধু। ত্বকে আরাম পেতে শশা বিশেষভাবে উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন কে-সহ নানা উপাদান ত্বকে রেজর ব্যবহারের পরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। তাই আপনি এই সমস্যায় পড়লে অনায়াসে শশা কেটে ব্যবহার করতে পারেন। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
20 shares
😢
Sangbad Pratidin logo
Sangbad Pratidin
Jan 2, 2026, 02:31 PM
নিরাপত্তাজনিত কারণে কলকাতার স্কুলে সিআইএসএফ কর্মী মোতায়েন

নিরাপত্তাজনিত কারণে কলকাতার স্কুলে সিআইএসএফ কর্মী মোতায়েন

গোবিন্দ রায়:২০২৪ সালের আগস্টে আর জি কর হাসপাতালে জুনিয়র চিকিৎসকের ধর্ষণ, খুনের পর শহরের নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মোতায়েন করা হয়েছিল অতিরিক্ত সিআইএসএফ জওয়ানদের। সেই থেকে জওয়ানরা রয়ে গিয়েছেন ট্যাংরার চিনেপাড়ার একমাত্র স্কুল পেই মে ক্যাম্পাসে।আগে থেকেই এখানে পড়াশোনা থমকে গিয়েছিল। এবার দীর্ঘদিন ধরে সিআইএসএফ জওয়ানদের জন্য স্কুলের পড়াশোনাও চালু করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে সুরাহা চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল স্কুল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে মামলাটি ওঠে। এ বিষয়ে রাজ্যের কাছে নথি চাইল উচ্চ আদালত। পরবর্তী শুনানি ১৫ জানুয়ারি। কলকাতার চিনেপাড়া বলে পরিচিত ট্যাংরা, তপসিয়ার একটা বড় এলাকা। এখানকার রেস্তরাঁই শুধু বিখ্যাত নয়। এখানে বসবাসকারী চিনা মানুষজনও নিজেদের মতো জীবন কাটান। ছোটদের জন্য এখানে রয়েছে একটি চিনে স্কুলও। তার নাম পেই মে চাইনিজ স্কুল। এমনকী মাস খানেক আগে পর্যন্ত এখান থেকে একমাত্র চিনে সংবাদপত্রটিও প্রকাশিত হতো। কিন্তু সম্প্রতি তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যেমন ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি – এত দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ পেই মে স্কুলটিও। এতদিন ধরে এখানে রয়েছেন সিআইএসএফ জওয়ানরা। আর জি করের ঘটনার পর নিরাপত্তার জন্য তাঁদের মোতায়েন করা হয়েছিল। থাকার জায়গা হিসেবে ঠিক করা হয়েছিল ট্যাংরার একমাত্র চিনে স্কুলটিকেই। কারণ, সেসময় স্কুলে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ১৮টি শ্রেণিকক্ষে তাঁরা রয়েছেন। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? ছেলেমেয়েদের শিক্ষাই যে থমকে গিয়েছে। তাই স্কুল খুলতে চেয়ে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল কর্তৃপক্ষ। স্কুল ক্যাম্পাসের ১৮ টি ক্লাসরুম খালি করতে চেয়ে আবেদন জানানো হল হাই কোর্টে। শুক্রবার শুনানিতে আদালতে রাজ্যের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই সিআইএসএফ জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে এবং তাঁদের থাকার জায়গা হিসেবে সেসময় বেছে নেওয়া হয়েছিল বন্ধ থাকা এই স্কুলটিকে। এনিয়ে রাজ্যের কাছে কী নথি রয়েছে, তা দেখতে চান বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। ১৫ জানুয়ারি এনিয়ে পরবর্তী শুনানি। কবে স্কুল খুলে আবার পড়াশোনা শুরু হবে? তা নিয়ে চিন্তা কাটছেই না চিনেপাড়ার মা-বাবাদের। খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
21 shares
😢