Achira News Logo
Achira News
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:52 AM
নির্বাচনের মরশুমে ঝাড়গ্রামের দেওয়াল-চিত্রশিল্পীদের চাহিদা বেড়েছে

নির্বাচনের মরশুমে ঝাড়গ্রামের দেওয়াল-চিত্রশিল্পীদের চাহিদা বেড়েছে

বুদ্ধদেব বেরা, ঝাড়গ্রামঅন্য সময়ে তাঁদের ডাক পড়ে না। কিন্তু ভোট এলেই হাতে রং-তুলি নিয়ে হাজির হন তাঁরা। বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজনৈতিক দলগুলি আগে থেকেই তাঁদের বুকিং করে নেন। আবার অনেক জায়গায় দেওয়াল আঁকার শিল্পী খুঁজে পাওয়া যায় না বলে জানান রাজনৈতিক কর্মীরা। নির্বাচনের ঘণ্টা বাজতেই পাড়ার অলিগলির ফাঁকা দেওয়ালগুলিতে প্রার্থীর নাম লিখতে ডাক পড়ে শিল্পীদের। তার সঙ্গে আঁকা হয় প্রতীক চিহ্ন। সারা বছর এই সমস্ত শিল্পীর কদর না থাকলেও ভোটের মরশুমে এঁদের কদর বাড়ে। ঝাড়গ্রামের দেওয়াল লিখনের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের তাই ভোট মরশুমে লক্ষ্মীলাভও হয়।সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের হয়েই দেওয়াল লিখনে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন চণ্ডীচরণ মাহাতো ও সঞ্জয় মাণ্ডিরা। রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দলকুলি গ্রামে চণ্ডীচরণের বাড়ি। সঞ্জয় থাকেন ঝাড়গ্রাম শহরের জামদা এলাকায়।শহরের আদিবাসী মার্কেটে সঞ্জয়ের একটি দোকান রয়েছে। যেখানে সঞ্জয় নানা রকম বিজ্ঞাপন, প্রচারমূলক দেওয়াল লিখনের কাজ করেন। এমন দোকান রয়েছে চণ্ডীচরণেরও। অনেকে শিল্পী আবার দোকান ছাড়াই কন্ট্রাক্ট হিসেবে কাজ করে থাকেন। বিধানসভা, লোকসভা, পঞ্চায়েত, পুরসভা যে কোনও ভোটেই অন্য কাজ ভুলে রাজনৈতিক দলগুলির হয়ে রং-তুলি নিয়ে দেওয়াল লিখনের কাজে নেমে পড়েন তাঁরা। চণ্ডীচরণ জানিয়েছেন, ১৫ থেকে ২০ ফুট লম্বা দেওয়াল রং করার জন্য ৩০০ টাকা দেওয়া হয়। দেওয়াল লিখনের সমস্ত রং তাঁদেরই দিতে হয়। তবে যে দেওয়াল জুড়ে দেওয়াল লিখন হবে সেই দেওয়ালটি সাদা রং করার দায়িত্ব থাকে রাজনৈতিক দলের। অনেক ক্ষেত্রে আবার রঙের দাম রাজনৈতিক দলগুলি দিয়ে দেয়। তখন শিল্পীরা ২০০ টাকা করে পান।চণ্ডীচরণ বলেন, 'তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস- সব মিলিয়ে এ বার ২০০টিরও বেশি বরাত পেয়েছি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়াল লিখনের কাজ চলছে।' দু'জন শিল্পী মিলে একদিনে ২০ থেকে ২৫টি দেওয়াল লিখতে পারেন। সঞ্জয় বলেন, 'কুড়ি বছরের বেশি সময় ধরে দেওয়াল লিখছি। চাহিদা বিন্দুমাত্র কমেনি। উল্টে আরও বেড়েছে। সারা বছর রাজনৈতিক দলগুলি আমাদের ভুলে থাকলেও ভোটের সময় ঠিক মনে রাখে। এই সময়ে ভালো উপার্জনও হয়।'
57 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 06:48 AM
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বদলির বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বদলির বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:বিধানসভা নির্বাচনের (WB Assembly Election 2026) মুখে পশ্চিমবঙ্গে আমলা ও পুলিশ আধিকারিকদের দফায় দফায় অপসারণ এবং তাঁদের ভিনরাজ্যে পাঠানো নিয়ে এবার আইনি লড়াই শুরু হলো। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) এই সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta HC on Officer Transfer) মামলা দায়ের হলো। শুক্রবার এই বিষয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলার প্রেক্ষাপট গত রবিবার মধ্যরাত থেকে রাজ্যে প্রশাসনিক রদবদল শুরু করে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার—একের পর এক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। জেলাস্তরেও একাধিক জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে বদল করা হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অপসারিত এই আধিকারিকদের এ রাজ্যে নির্বাচনের কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না। পরিবর্তে তাঁদের অনেককেই ভিনরাজ্যে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে। আইনজীবীদের যুক্তি আদালতে মামলাকারীর পক্ষে সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এভাবে রাজ্যের উচ্চপদস্থ আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের ইচ্ছামতো অন্য রাজ্যে পাঠানোর এক্তিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই। তিনি যুক্তি দেন: রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের ভিনরাজ্যে পাঠিয়ে দিলে পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একযোগে এত সংখ্যক আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার ফলে প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হচ্ছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তটি প্রশাসনিক পরিকাঠামোর ওপর হস্তক্ষেপের সামিল। তৃণমূলের আইনজীবী অর্ক নাগ এই বিষয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে চান। তাঁরা কমিশনের এই অপসারণ ও বদলির নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন। আদালতের অবস্থান আবেদন শোনার পর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি দাখিল করার অনুমতি দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হবে। উল্লেখ্য, কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এখন দেখার, আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টের শুনানিতে কমিশন কী যুক্তি দেয়।
29 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:20 AM
দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে দুর্নীতির অভিযোগ টিএমসি বিধায়কের

দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে দুর্নীতির অভিযোগ টিএমসি বিধায়কের

এই সময়, কালনা:চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন পূর্বস্থলী উত্তরের বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তিনি দাবি করেছেন, দলের প্রার্থী হওয়ার জন্য তাঁর কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা চাওয়া হয়েছিল। তিনি তা দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ঘুরিয়ে তিনি বলতে চেয়েছেন, সেই কারণেই এ বার তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।প্রার্থী না-হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রীতিমতো অভিমানের সঙ্গে তপন জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন। ইতিমধ্যেই তিনি পূর্বস্থলীর স্টেশন রোড লাগোয়া এলাকায় তাঁর কার্যালয়ে 'প্রাক্তন বিধায়কের কার্যালয়' লিখেও দিয়েছেন।তাঁর বৃহস্পতিবারের বক্তব্য সম্পর্কে পূর্বস্থলী উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী বসুন্ধরা গোস্বামী বলেছেন, 'এই অভিযোগটা বোধহয় সর্বৈব মিথ্যা। ' তিনি এ দিন সিপিএম-কে মার্কসীয় মৌলবাদী ও বিজেপি-কে ধর্মীয় মৌলবাদী বলে অভিহিত করেছেন। জবাবে এই কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী প্রদীপ সাহা বলেছেন, 'মৌলবাদ কী বুঝলে মার্কসীয় মৌলবাদ বলতেন না।'
97 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:09 AM
নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের বদলি নিয়ে ভারতীয় রাজ্যে বিতর্ক

নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের বদলি নিয়ে ভারতীয় রাজ্যে বিতর্ক

রাজ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পরেই একের পর এক আমলা, পুলিশকর্তার বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলো কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার কমিশনের এই পদক্ষেপের উপরে স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলা দায়েরের অনুমতি দিল প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী সোমবার মামলার শুনানি।মামলার আবেদনে জানানো হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন সংঘটিত করা। কিন্তু প্রশাসনের সমস্ত বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে পাঠানোর এক্তিয়ার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নেই। তাতে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হয়।উল্লেখ্য, গত ৭২ ঘণ্টায় রাজ্যের ৪৩ জনপুলিশকর্তা–আমলাকে বদলির বেনজির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুধবারই বিধাননগরের সিপি মুরলীধর শর্মা, শিলিগুড়ির সিপি সৈয়দ ওয়াকার রাজা–সহ ১৫ জন পুলিশকর্তাকে তামিলনাড়ুর ভোটে পুলিশ অবজ়ার্ভার করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে মুরলীধর বা ওয়াকারকে কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে অপসারণ করেনি। হঠাৎ দু’টি গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ কমিশনারেটের সিপিকে অন্য রাজ্যে পাঠিয়ে দিলে এই দু’টি কমিশনারেটের আইনশৃঙ্খ‍লার দায়িত্ব কে সামাল দেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।অন্য দিকে, কমিশনের গোটা প্রক্রিয়াটি নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ‘স্বেচ্ছাচারিতা’ বলে অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
59 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 05:44 AM
মার্কিন-ইরান যুদ্ধের খবরকে'ভুয়ো খবর "বলে উড়িয়ে দিলেন নেতানিয়াহু

মার্কিন-ইরান যুদ্ধের খবরকে'ভুয়ো খবর "বলে উড়িয়ে দিলেন নেতানিয়াহু

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আমেরিকাকে জড়িয়েছে ইজ়রায়েল, এমন সব খবরই ভুয়ো বলে দাবি করলেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, 'এই সব ফেক নিউজ। এর কোনও ভিত্তিই নেই'।বৃহস্পতিবার ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু আরও জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আমেরিকাকে জোর করে টেনে এনে জড়ানো হয়েছে বলে যে সব রিপোর্ট প্রকাশিত হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ছাড়া আর কিছু নয়। কেবল তাই-ই নয়, এটা হাস্যকরও বটে। বেঞ্জামিনের কথায়, 'কেউ কি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলতে পারে, কী করতে হবে? কী করলে আমেরিকার ভালো হবে তা বোঝার পরেই ট্রাম্প যে কোনও সিদ্ধান্ত নেন'।ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইজ়রায়েল ও আমেরিকার মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় রয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের লক্ষ্যের দিকে বিদ্যুৎগতিতে এগোচ্ছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২১ দিন ধরে ইজ়রায়েল-আমেরিকার যৌথ বিমান হামলার পরে ইরানের ইউরেনিয়ামকে আরও সমৃদ্ধ করে হাতিয়ার তৈরি বা ব্য়ালেস্টিক মিসাইল বানানোর ক্ষমতাই নেই।ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইজ়রায়েল ও আমেরিকার মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় রয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের লক্ষ্যের দিকে বিদ্যুৎগতিতে এগোচ্ছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২১ দিন ধরে ইজ়রায়েল-আমেরিকার যৌথ বিমান হামলার পরে ইরানের ইউরেনিয়ামকে আরও সমৃদ্ধ করে হাতিয়ার তৈরি বা ব্য়ালেস্টিক মিসাইল বানানোর ক্ষমতাই নেই।সাংবাদিক সম্মেলনে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, 'আমরা জিতছি। ইরান ধ্বংসের পথে। ইরানের মিসাইল ও ড্রোনের গুণগত মান ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। ওদের সব মিসাইল ও ড্রোন আমরা নষ্ট করে দেব'। তবে ইরান আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে না বলে যে দাবি নেতানিয়াহু করেছেন, তার সমর্থনে কোনও প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি।ইরান কিন্তু ইজ়রায়েল লক্ষ্য করে মিসাইল বা ড্রোন হামলা বন্ধ করেনি। নেতানিয়াহুর সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীনই তারা ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল ছুড়েছে ইজ়রায়েলের দিকে।ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডে ইজ়রায়েল একাই হামলা চালিয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু অবশ্য জানিয়েছেন, ওই ধরনের হামলা আর না চালাতে অনুরোধ করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্প অনুরোধ করলে ইজ়রায়েল ফের ইরানের প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডারে হামলা চালাবে। নেতানিয়াহুর কথায়, 'ট্রাম্প হামলা বন্ধ রাখতে বলেছেন। তাই বন্ধ রাখছি'।
82 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 05:23 AM
পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিঃ ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত

পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিঃ ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত

এই সময়, তমলুক:আসন্ন ভোটকে সামনে রেখে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট পরিচালনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর্যালোচনায় ২৫ জন অবজার্ভারকে নিয়ে বৈঠক করল জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার নিমতৌড়িতে জেলাশাসকের কার্যালয়ে ওই বৈঠকে ছিলেন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলাশাসক, ১৬টি বিধানসভার রিটার্নিং অফিসার–সহ পদস্থ আধিকারিকরা। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত জেনারেল অবজার্ভার, পুলিশ অবজার্ভার ও এক্সপেন্ডিচার অবজার্ভারদের সঙ্গে জেলার সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ১৬ জন জেনারেল অবজার্ভার, চারটি মহকুমার জন্য চারজন পুলিশ অবজার্ভার এবং পাঁচ জন এক্সপেনডিচার অবজার্ভার নিযুক্ত হয়েছেন। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রেই একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক থাকবেন, যাঁরা ভোট প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি নজরদারি করবেন।সূচি অনুযায়ী, ৩০ মার্চ গেজেট নোটিফিকেশন হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল। যাচাই ৭ এপ্রিল এবং প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ এপ্রিল। জেলায় ভোটগ্রহণ ২৩ এপ্রিল এবং ভোটগণনা ৪ মে। ৬ মে-র মধ্যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট ভোটার প্রায় ৪০ লক্ষ ৮৫ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২১ লক্ষ ৫ হাজার ১৯২, মহিলা ভোটার ১৯ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮০৭ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৯ জন। ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সী নতুন ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৪৮ হাজার ৯৪৯। জেলায় মোট ৪৪২০টি প্রধান বুথ ও ৬২০টি সহায়ক বুথ রাখা হয়েছে। এ বারে বুথের ভিতরের পাশাপাশি বাইরেও সিসিটিভি–র নজরদারি থাকবে। প্রচারের খরচ এবং রাজনৈতিক গতিবিধির উপরেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।জেলাশাসক ইউনিস ঋষিন ইসমাইল বলেন, ‘জেলায় ২৫ জন অবজার্ভার এসেছেন। আজকের বৈঠকে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি, ম্যানপাওয়ার ও পরিকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাতে অবজার্ভাররা সন্তুষ্ট। জেলায় স্বচ্ছ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বত্র সতর্ক রয়েছে।
23 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 04:46 AM
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বদলি নিয়ে বিতর্ক

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বদলি নিয়ে বিতর্ক

আজকাল ওয়েবডেস্ক:ভোট ঘোষণা হতেই আচমকা ভিনরাজ্যে বদলি করে দেওয়া হচ্ছে রাজ্যের একের পর এক শীর্ষ আমলাদের। এতেই বিতর্ক তুঙ্গে উটেছে। কমিশনের সক্রিয়তাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে তোপ দেগেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। আমলাদের এই রদবদলকে গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে বিপজ্জনক ইঙ্গিত বলে সরব তিনি। আমলা রদবদল নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে মমতা ব্যানার্জির অভিযোগকে সমর্থন করছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কী বলেছেন ওমর আবদুল্লা?'এই ধরনের ব্যাপক রদবদল বা বদলি কেবল অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতেই ঘটে - বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে; তবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। অবশ্য, পশ্চিমবঙ্গ আবারও সেই সত্যটি প্রমাণ করবে যা আমি সর্বদা বিশ্বাস করে এসেছি - রাজনৈতিক দলগুলোর হয়ে নির্বাচনে জয় এনে দেন কর্মকর্তারা নন, বরং সেই দলগুলোর নেতারাই। নির্বাচন কমিশন ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে যতই কারসাজির চেষ্টা করুক না কেন, তাতে ফলাফলের কোনও পরিবর্তন হবে না। ভোট গণনার দিন মমতা দিদি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করবেন।' কেজরিওয়ালের বক্তব্য:'বিজেপি অসৎ উপায়ে নির্বাচনে জেতার জন্য নির্বাচন কমিশনকে তাদের অস্ত্র বানিয়েছে। আজ পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটছে, দিল্লির নির্বাচনেও ঠিক তাই হয়েছিল। ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে ফেলা হয়েছিল, পুলিশ প্রশাসন বিজেপির গুণ্ডামিকে প্রশ্রয় দিয়েছিল এবং পুরো প্রশাসন বিজেপিকে জেতানোর কাজেই ব্যস্ত ছিল। গণতন্ত্রকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। আজ মমতা দিদিও গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য লড়ছেন। এই সংগ্রামে আমরা তাঁর সঙ্গে আছি।' কী অভিযোগ বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর?গত রবিবার নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্য প্রশাসনে একাধিক রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্য ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে সরানোর পর অপসারণ করে হয় রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে। সরিয়ে দেওয়া হয় একাধিক জেলার পুলিশ সুপার ও কমিশনারকেও। বৃহস্পতিবারও রাজ্য কর্মরত ছ'জন আমলাকে ভিন রাজ্যে বদলি করেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের বিরোধিতা করে শুরুতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কড়া চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার আবারও কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হলেন মমতা ব্যানার্জি। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, 'এটি কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটা সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।' কমিশনের পদক্ষেপকে তিনি 'বাংলার প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা' বলেও দাবি করেছেন। কমিশনের কার্যকলাপের মধ্যে স্ববিরোধিতা রয়েছে, যা তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বলে মনে করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। উদাহরণ তুলে তিনি লেখেন, 'তারা (কমিশন) দাবি করে যে, অপসারিত আধিকারিকদের নির্বাচনী দায়িত্ব দেওয়া উচিত নয়; অথচ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই একই আধিকারিকদের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শিলিগুড়ি এবং বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারদের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করার সময় তাঁদের স্থলাভিষিক্ত কাউকে আগে থেকে নিযুক্ত না করায়, এই দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নগরকেন্দ্র কার্যত নেতৃত্বহীন হয়ে পড়েছিল। এই চরম প্রশাসনিক ত্রুটিটি প্রকাশ্যে আসার পরেই কেবল তড়িঘড়ি করে সংশোধনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এটি কোনও সুশাসন বা প্রশাসনিক দক্ষতা নয়; বরং এটি বিশৃঙ্খলা, বিভ্রান্তি এবং চরম অযোগ্যতারই প্রতিফলন—যাকে জোর করে 'কর্তৃত্ব' হিসেবে চালানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে।' মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, 'বাংলা কখনওই ভয়ভীতির কাছে নতি স্বীকার করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। বাংলা লড়াই করবে, বাংলা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে এবং বাংলার মাটিতে বিভেদকামী ও ধ্বংসাত্মক কোনও এজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টাকে বাংলা চূড়ান্তভাবে পরাস্ত করবে।'
29 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 04:43 AM
প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশ আধিকারিকদের বদলি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশ আধিকারিকদের বদলি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃরাজ্যের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও একের পর এক শীর্ষ পুলিশকর্তার বদলি(IPS Transfer)নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঠানো তিন পাতার একটি বিস্ফোরক চিঠিতে তিনি কমিশনের পদক্ষেপকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এবং ‘সংবিধানবিরোধী’ বলে কড়া আক্রমণ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, নির্বাচনী বিধিভঙ্গের কোনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই যেভাবে একতরফা বদলি করা হচ্ছে, তা রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্বল করার এক গভীর ষড়যন্ত্র। চিঠির শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি-সহ জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারদের যেভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাতে তিনি ‘গভীরভাবে মর্মাহত’। তাঁর প্রশ্ন, কোনও আলোচনা বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই ১৫ জন শীর্ষ পুলিশ আধিকারিককে কেন ভিনরাজ্যে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হলো? যাঁদের রাজ্যে দায়িত্ব পালনে ‘অযোগ্য’ মনে করা হচ্ছে, তাঁদেরই আবার অন্য রাজ্যে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করাকে ‘চরম স্বেচ্ছাচারিতা’ ও ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। চিঠিতে বিশেষভাবে উঠে এসেছে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ বা এসআইআর (SIR)-এর প্রসঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এখনও সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। এই সংকটজনক সময়ে জেলাশাসকদের সরিয়ে দিলে নতুন আধিকারিকদের পক্ষে বকেয়া কাজ সামলানো কঠিন হবে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ মানুষের আপিল করার সময় কমিয়ে দিয়ে এটা কি ‘গণতন্ত্রের প্রহসন’ করা হচ্ছে না? মার্চ-এপ্রিল মাসে বাংলায় কালবৈশাখীর প্রকোপ থাকে। মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, স্থানীয় পরিস্থিতি ও ভূপ্রকৃতি সম্পর্কে অভিজ্ঞ আধিকারিকদের সরিয়ে দিলে দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধারকাজ ব্যাহত হতে পারে। বাইরে থেকে আসা আধিকারিকদের পক্ষে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে। এর ফলে কোনও আইনশৃঙ্খলা সমস্যা তৈরি হলে তার দায়ভার নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। চিঠির শেষাংশে মুখ্যমন্ত্রী আরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, সংবিধানের ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদের অপব্যবহার করে রাজ্যে প্রশাসনিক অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। নির্বাচিত সরকারকে দুর্বল করার এই প্রচেষ্টাকে তিনি পরোক্ষ ‘জরুরি অবস্থা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রাজ্য ও কমিশনের এই টানাপড়েন এখন তুঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া চিঠির পর কমিশন পাল্টা কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
23 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 04:26 AM
উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

আজকাল ওয়েবডেস্ক:পাহাড়ের তিন আসন ছেড়ে,একযোগে ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার নজরে নির্বাচনী ইস্তেহার। শুক্রবার, বিকেল চারটেয়, কালীঘাটে তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করবেন দলের সুপ্রিমো। নির্বাচনী ইস্তেহার কী?আসলে ভোটের মুখে, রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি। জনগণের কাছে নিজেদের উদ্দেশ্য, দায়বদ্ধতা নিয়ে বার্তা। অর্থাৎ ভোট জিতলে, ওই দল, সাধারণের জন্য কী কী করার পরিকল্পনা করেছে, একযোগে তা জানানো। তৃণমূল কংগ্রেস, বারে বারে নির্বাচনী ইস্তেহারে চমক রেখেছে। ২০২১ সালের নির্বাচনী ইস্তেহার সেগুলির মধ্যে নজরত কেড়েছিল বিশেষভাবে। যেমন নজর কেড়েছিল একুশের ভোটের আগের স্লোগানগুলিও। এবার ভোটের নির্ঘণ্ট সামনে আসার আগেই তৃণমূল কংগ্রেস যুবসাথী প্রকল্প শুরু করে দিয়েছে। ভোটের আগেই, ১৫ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেছে রাজ্যবাসীর কাছে। সূত্রের খবর, ছাব্বিশের ভোটের মুখেও তৃণমূল মূলত ফোকাস করছে উন্নয়ন এবং নারী-যুব ক্ষমতায়নে। দেড় দশক ক্ষমতার মসনদে বসে থাকার পর, এই ভোট তৃণমূলের কাছে কেবল ফিরে আসার ভোট নয়। ভোট ১৫ বছরের সরকারের হয়ে রাজ্যের সামনে দাঁড়িয়ে, নিজেদের পুনরায় প্রমাণ করার ভোট। সেই কারণেই, গোটা প্রক্রিয়ায় এবার তৃণমূল কংগ্রেস অতি সাবধানী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তেমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। শাসক দলের প্রার্থী তালিকাতেই যদিও তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এবার একযোগে, ৭৪জন বিধায়ককে প্রার্থী তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। ১৫ বিধায়কের আসন বদল করেছেন এক ঝটকায়। ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকায় এবার একেবারে ছেঁটে ফেলা হয়েছে 'স্টার গ্লো'। বদলে যে কথা অভিষেক এর আগেও বারবার বলেছেন, দলে গুরুত্ব দেওয়া হবে পারফম্যান্সকে। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়টিকেও। এবারের প্রার্থী তালিকায় চমক অন্য এক বিষয়েও। ২৩৯ পুরুষ প্রার্থী এবং ৫২ মহিলা প্রার্থীদের যে তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, তাঁদের মধ্যে ১৩ জন মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়েছেন। যেখানে তাবড় তাবড় নামেদের নিয়ে জল্পনায় ছেয়ে গিয়েছিল চতুর্দিক, সেখানে ঠিক সকাল ১১টা থেকে, জেলায় জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস আচমকা যোগদান কর্মসূচি শুরু করে। বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, কলকাতা। জায়গায় জায়গায় শুরু হয় যোগদান। তখনও কেউ আঁচ করতে পারেননি, তাঁরাই তৃণমূলের প্রার্থী। ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেও তাঁরা তৃণমূলের কেউ ছিলেন না। এবার নজর, ইস্তেহারে। চতুর্থবার ফিরে আসার লরাইয়ের আগে, জনগণের মন জিততে কোন কোন বিষয় তুলে ধরবেন মমতা? অপেক্ষা কিছুক্ষণের।
38 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 04:17 AM
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পার্ল হারবার হামলার কথা উল্লেখ করলেন ট্রাম্প

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পার্ল হারবার হামলার কথা উল্লেখ করলেন ট্রাম্প

আজকাল ওয়েবডেস্ক:মার্কিন সফরে গিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সানায়ে তাকাইচি। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ট্রাম্প-তাকাইচি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। পরে একজন জাপানি সাংবাদিক মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে জানতে চান যে, ইরানে হামলা চালানোর আগে আমেরিকা কেন জাপান-সহ ইউরোপ ও এশিয়ার 'বন্ধু'দেশগুলোকে এই বিষয়ে আগেভাগে জানায়নি। জবাবে একঘর কূটনীতিকের সামনে আচমকা ১৯৪১ সালে জাপানের পার্ল হারবার হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প বলে বসেন, "আপনারা তো আচমকাই পার্ল হারবারে হামলা চালিয়েছিলেন। আগে থেকে আমাদের বলেছিলেন?" ভরা সভায় এতেই অস্বস্তিতে পড়েন জাপানি প্রধানমন্ত্রী। তবে ওই সাংবাদিক বৈঠকেই যুদ্ধের আগাম আভাস কেন দেওয়া হয়নি তা ব্যাখ্যা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, "একটা কথা মনে রাখবেন, আপনি চাইবেন না যে আপনার পরিকল্পনার আগাম কোনও ইঙ্গিত বা বার্তা শত্রুপক্ষের কাছে পৌঁছে যাক। আমরা যখন অভিযানে নামি, তখন অত্যন্ত কঠোরভাবেই নামি। আর আমরা কাউকে এ বিষয়ে কিছু জানাইনি, কারণ আমরা শত্রুপক্ষকে চমকে দিতে চেয়েছিলাম।"এরপর তিনি কৌতুকের সুরে যোগ করেন, "চমক বা আকস্মিক আক্রমণের বিষয়টি জাপান ছাড়া আর কে-ই বা ভাল বোঝে? আপনারা পার্ল হারবার হামলার কথা আমাদের কেন আগে জানাননি?" ট্রাম্প আরও বলেন, "আমার মনে হয়, চমক বা আকস্মিক আক্রমণের ওপর আপনাদের বিশ্বাস আমাদের চেয়েও অনেক বেশি।" ট্রাম্প এখানে যে 'চমক'-এর কথা উল্লেখ করেছেন, তা হল ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে জাপানের আকস্মিক বিমান হামলা। ওই হামলায় ২,৩৯০ জন মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছিলেন। এর ঠিক পরদিনই আমেরিকা, জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ শুরু হয়। আমেরিকার ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট সেই দিনটি সমন্ধে বলেছিলেন—"এমন একটি দিন, যা চিরকাল কলঙ্কের দিন হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।" ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আমেরিকার পারমাণবিক বোমা হামলার মধ্য দিয়ে সেই যুদ্ধের অবসান ঘটে। ১৯৫১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আমেরিকা ও জাপান একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে এবং সেই থেকে তারা একে অপরের 'বন্ধু' হিসেবেই অবস্থান করছে। এরপর ট্রাম্প আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানকে আকস্মিকভাবে আক্রমণের সুফল বা ফলাফল সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "ওদের চমকে দেওয়াটা জরুরি ছিল এবং আমরা ঠিক সেটাই করেছি। আর সেই আকস্মিক আক্রমণের সুবাদেই—অভিযানের প্রথম দু'দিনের মধ্যেই—আমরা সম্ভবত আমাদের লক্ষ্যমাত্রার ৫০ শতাংশ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি; যা আমাদের পূর্ব-ধারণার চেয়েও অনেক বেশি ছিল। আর আমি যদি আগেভাগেই সবাইকে এ বিষয়ে জানিয়ে দিতাম, তবে তো সেটা আর 'চমক' হিসেবেই গণ্য হত না।" 'বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা কেবল আপনার দ্বারাই সম্ভব': ট্রাম্পের প্রশংসায় জাপানি প্রধানমন্ত্রী মধ্য এশিয়ায় চলমান সংঘাত বর্তমানে ২১তম দিনে গড়িয়েছে। সে প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জাপানি প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, বিশ্ব বর্তমানে "বিশ্ব অর্থনীতি মারাত্মক এক ধাক্কার সম্মুখীন হতে চলেছে।" তবে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুদায়িত্ব তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপরই ন্যস্ত করেন। বলেন, "আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, একমাত্র আপনিই- ডোনাল্ড - সমগ্র বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। আর তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যটি সম্মিলিতভাবে অর্জনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বহু অংশীদারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে আমি প্রস্তুত।" তাকাইচি প্রতিবেশী অঞ্চলে ইরানের আক্রমণ এবং হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। পাল্টা ট্রাম্প বলেন, "আমি আশা করি জাপান এগিয়ে আসবে, বুঝতেই পারছেন - কারণ আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কটি ঠিক সেই মানেরই।"
62 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 04:05 AM
বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে নিরাপত্তা বাড়াল পুলিশ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে নিরাপত্তা বাড়াল পুলিশ

শিলিগুড়ি:বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই শিলিগুড়ি জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করেছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। নির্বাচনের আগে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ভোরে প্রধান নগর থানার সাদা পোশাকের পুলিশ এক বড়সড় অভিযানে নেমে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করল(Arms Recovery Siliguri)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যে প্রধান নগর থানার পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে যে, দার্জিলিং মোড় এলাকায় এক যুবক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরি করছে। খবর পাওয়া মাত্রই সাদা পোশাকের পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় হানা দেয়। বেশ কিছুক্ষণ ওঁত পেতে থাকার পর ২৪ বছর বয়সী গোপাল কর্মকার নামে এক যুবককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। পুলিশ ওই যুবককে আটক করে তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ হয় তদন্তকারীদের। তল্লাশির সময় গোপালের কোমর থেকে একটি দেশি পিস্তল এবং পকেট থেকে একটি জীবন্ত কার্তুজ উদ্ধার হয়। কোনও বৈধ নথি দেখাতে না পারায় পুলিশ তাকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে (Arms Act) মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, নির্বাচনের আগে নাশকতা চালানো বা পাচারের উদ্দেশ্যেই এই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে কোনও বড় আন্তঃরাজ্য অস্ত্র পাচারকারী চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রধান নগর থানার পুলিশ। ধৃতকে বৃহস্পতিবারই শিলিগুড়ি আদালতে তোলা হবে। ভোটের আগে শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গ বর্তমানে ‘হাই অ্যালার্ট’-এ রয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী দিনেও এ ধরণের তল্লাশি অভিযান ও কড়াকড়ি জারি থাকবে। বিশেষ করে শহরের প্রবেশপথ ও ভিড় এলাকায় সাদা পোশাকের পুলিশের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
49 shares
😊
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 03:48 AM
নির্বাচন কমিশন প্রবীণ নাগরিক এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য হোম ভোটিং সুবিধা চালু করেছে

নির্বাচন কমিশন প্রবীণ নাগরিক এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য হোম ভোটিং সুবিধা চালু করেছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। এবারও ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়স্ক প্রবীণ নাগরিক এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য বাড়িতে বসেই ভোট দেওয়ার(Home voting facility)সুবিধা থাকছে। শুক্রবার এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়েছে, কারা এই সুবিধা পাবেন এবং কীভাবে আবেদন করতে হবে। বাড়িতে বসে ভোটের নিয়মাবলি কমিশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পাঁচ দিনের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ৮৫ ঊর্ধ্ব প্রবীণ বা বিশেষ ভাবে সক্ষম ভোটার অথবা তাঁদের পরিবারের লোককে নির্দিষ্ট বিএলও-র (BLO) মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারের কাছে‘১২ডি’ (12D)ফর্মে আবেদন জানাতে হবে। আবেদন মঞ্জুর হলে রিটার্নিং অফিসাররা ভোটগ্রহণের একটি সময়সূচি স্থির করবেন, যা সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদেরও জানানো হবে। নির্দিষ্ট দিনে ভোটকর্মীরা সরাসরি ভোটারের বাড়িতে গিয়ে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট সংগ্রহ করবেন। পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা পাবেন কারা? জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্য এবারও পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন: এঁদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মনোনীত নোডাল অফিসারের কাছে আবেদন করতে হবে। এ ছাড়াও, ভোটের কাজে নিযুক্ত কর্মীদের জন্য থাকছে ‘ফেসিলিটেশন সেন্টার’, যেখানে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। সেনাবাহিনী ও আধা-সেনাদের জন্য ইটিপিবিএস দেশরক্ষা বা আধা-সেনা বাহিনীর জওয়ানদের জন্য ইলেকট্রনিক ভাবে পোস্টাল ব্যালট সিস্টেমের (ETPBS) ব্যবস্থা করেছে কমিশন। রিটার্নিং অফিসার ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ব্যালট পাঠাবেন এবং জওয়ানরা ডাক পরিষেবার মাধ্যমে তাঁদের ভোট পাঠাতে পারবেন। এর জন্য কোনো ডাক খরচ দিতে হবে না। তবে মনে রাখতে হবে, ৪ মে ভোট গণনার দিন সকাল ৮টার মধ্যে এই ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে পৌঁছানো বাধ্যতামূলক। এই বিশেষ পদক্ষেপের ফলে শারীরিক অসুস্থতা বা কাজের চাপের কারণে কেউ যাতে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন।
23 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 03:06 AM
ইসরায়েলের প্ররোচনায় মার্কিন-ইরান যুদ্ধের অভিযোগ অস্বীকার নেতানিয়াহুর

ইসরায়েলের প্ররোচনায় মার্কিন-ইরান যুদ্ধের অভিযোগ অস্বীকার নেতানিয়াহুর

আজকাল ওয়েবডেস্ক:অশান্ত মধ্য এশিয়া। ইরানে, ইজরায়েল-মার্কিন হানার জের এখনও অব্যাহত। প্রত্যাঘাতে মরিয়া তেহরান। দুনিয়াজুড়ে গুঞ্জন যে, ইজরায়েলের উস্কানিতেই ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছে। তবে, এই অভিযোগ নস্যাৎ করলেন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। যেসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযোগ মাথাচাড়া দিয়েছে, সেগুলোকে নেতানিয়াহু “ভুয়ো খবর” বলে অবিহিত করেছেন। কী বলেছেন নেতানিয়াহু? ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যে, আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই সংঘাতে (ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ) টেনে এনেছি- এটা কেবল একটি অপপ্রচারই নয়, বরং হাস্যকর। কেউ কি সত্যিই মনে করে যে, অন্য কেউ প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্পকে নির্দেশ দিতে পারে যে তাঁকে কী করতে হবে? এও কি সম্ভব?” তিনি আরও যোগ করেন, ট্রাম্প “সর্বদাই সেই সিদ্ধান্তগুলো নেন, যা তিনি আমেরিকার জন্য মঙ্গলজনক বলে মনে করেন।” ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যকার “ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের” প্রশংসাও করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, “আমরা বিদ্যুৎগতিতে আমাদের লক্ষ্যগুলো অর্জন করছি।” ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দাবি, আমেরিকা ও ইজরায়েলের টানা ২০ দিনের বিমান হামলার পর ইরানের এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার কিংবা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কোনও ক্ষমতা অবশিষ্ট নেই। একটি সাংবাদিক বৈঠকে নেতানিয়াহুতিনি বলেন, “যুদ্ধে আমরা জয়ী হচ্ছি, আর ইরান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে।” তিনি জানান, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। বেঞ্জামিন নিতানিয়াহু বলেন, “আমরা এখন যেসব ঘাঁটি ধ্বংস করছি, সেগুলো মূলত সেই কারখানা—যেখানে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এবং তারা যেসব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, সেগুলোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বা উপাদান তৈরি করা হয়।” তবে, ইরানের যে আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের কোনও ক্ষমতা নেই, নিজের সেই দাবির সপক্ষে নেতানিয়াহু কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারেননি। নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেন যে, ইরান এখন “যেকোনও সময়ের চেয়ে দুর্বল”, অন্যদিকে ইজরায়েল একটি আঞ্চলিক শক্তি—এবং “কেউ কেউ তো একে বিশ্বশক্তি হিসেবেও অভিহিত করবেন।” তিনি আরও যোগ করেন যে, তেহরানের বিরুদ্ধে এই অভিযান “যতদিন প্রয়োজন, ততদিনই অব্যাহত থাকবে।” এদিকে, নেতানিয়াহু যখন সাংবাদিক বৈঠকে বক্তব্য রাখছিলেন, ঠিক সেই সময়েই ইরান নতুন করে এক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইজরায়েলি সেনাবাহিনীও নিশ্চিত করেছে যে, তাদের দেশের দিকে লক্ষ্য করে নতুন করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে। নেতানিয়াহু আরও জানান যে, ইরানের ‘সাউথ পার্স’ গ্যাসের ঘাঁটিতে হামলা চালানোর বিষয়টি ইজরায়েল সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবেই করেছে। তবে তিনি এও উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের হামলার ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ইজরায়েল ওই গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক গ্যাস ঘাঁটিতে ভবিষ্যতে আর কোনও হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবে। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাদের অনুরোধ করেছেন যেন আমরা ভবিষ্যতে আর কোনও হামলা না চালাই। আমরা তাঁর অনুরোধ মেনে হামলা থেকে বিরত থাকছি।” প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু হুঙ্কারের সুরে বলেন, “ইরানের সেই ‘মৃত্যু-পূজারি গোষ্ঠী’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পথ- হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে বিশ্বকে ব্ল্যাকমেইল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু তাদের এই অপচেষ্টা কখনোই সফল হবে না।”
7 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:24 AM
বনগাঁতে দলীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন টিএমসি প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস।

বনগাঁতে দলীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন টিএমসি প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস।

এই সময়, হাবরা ও বনগাঁ:ভোট প্রচারের রণকৌশল ঠিক করতে বৃহস্পতিবার বনগাঁর নীলদর্পণ প্রেক্ষাগৃহে কর্মী বৈঠক করলেন বনগাঁ উত্তরের তৃণমূলের প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। এ দিন বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, কাউন্সিলার–সহ কেন্দ্রের সাত পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান এবং বুথ ও অঞ্চলের সভাপতি ও কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক থেকেই বিশ্বজিৎ দ্বন্দ্ব ভুলে জয়ের লক্ষ্যে একজোট হয়ে প্রচারে নামার নির্দেশ দিয়েছেন। এ দিনই হাবরায় এসে দেওয়াল লিখনের মধ্যে দিয়ে ভোটের প্রচার শুরু করে দিলেন প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।বনগাঁ পুরসভার ২২টি ওয়ার্ড ও সাতটি পঞ্চায়েত এলাকা নিয়ে বনগাঁ উত্তর কেন্দ্র। এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। তিনি জেলার সাংগঠনিক সভাপতিও। গত লোকসভা নির্বাচনের পুরসভা ভিত্তিক প্রতিটি ওয়ার্ডেই পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। দলের অন্দরে দ্বন্দ্বের কারণে ফলাফল তৃণমূলের বিপক্ষে গিয়েছে বলে রিপোর্ট। জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী। এ বার তাই অনেকটা সতর্ক হয়ে মাঠে নেমেছেন বিশ্বজিৎ। এ দিন পুরসভা ও সাতটি পঞ্চায়েতের সংগঠনের নেতা–কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। বিশ্বজিৎ বলেন, ‘বনগাঁ উত্তরের মাটি তৃণমূলের। খুব দ্রুত বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার শুরু করা হবে। তার আগে প্রচারের রণকৌশল থেকে সাংগঠনিক সব বিষয় নিয়ে বৈঠক হয়েছে। বনগাঁর চার কেন্দ্রেই এ বার তৃণমূল জিতবে।’অন্যদিকে, এ দিনই হাবরার নির্বাচনী সমীকরণে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। উন্নয়নকেই হাতিয়ার করে চতুর্থ বারের জন্য এই কেন্দ্র থেকে তিনি জয়ী হবেন বলে জানিয়েছেন বালু। তাঁর মতে, ‘এখানে লড়াই মূলত সংগঠন ও উন্নয়নের উপর ভিত্তি করে। সেখানে তৃণমূল অনেক এগিয়ে।’ হাবরা শহরের পাশাপাশি রাউতারা, পৃথিবা, কুমড়া, মছলন্দপুর-সহ অন্যান্য পঞ্চায়েত এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন তিনি। হাবরা হাসপাতালকে ১০০০ শয্যায় উন্নীত করা, নিকাশি ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন, জল জমা রুখতে একাধিক পাম্পিং স্টেশন, রাস্তা ও পানীয় জলের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার কথা তুলে ধরেই প্রচারের ঝাঁজ বাড়াতে চাইছেন জ্যোতিপ্রিয়।
65 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:20 AM
মার্কিন রাষ্ট্রপতির অনুরোধে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে সম্মত ইউরোপীয় দেশগুলি

মার্কিন রাষ্ট্রপতির অনুরোধে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে সম্মত ইউরোপীয় দেশগুলি

হরমুজ়(Strait of Hormuz) দিয়ে নিরাপদে তেলের ট্যাঙ্কার পারাপার করাতে বিভিন্ন দেশকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (American President Donald Trump)। প্রায় এক সপ্তাহ পরে তাতে সাড়া দিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ইটালি-সহ ইউরোপের একাধিক দেশ। রাজি হয়েছে জাপানও (Japan)। বৃহস্পতিবার যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘হরমুজ় স্বাভাবিক করতে আমেরিকার সঙ্গে যোগ দিতে আমরা প্রস্তুত।’ তবে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করা হয়নি বিবৃতিতে।পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। শুধু তাই নয়, তেল নিয়ে কোনও জাহাজ বেরনোর চেষ্টা করলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ড কর্পস। তার পর থেকেই বাজারে দেখা দিয়েছে তেলের সংকট। দাম ছাড়িয়ে গিয়েছে ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার।এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক জাহাজের উপরে ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা করে বিবৃতি জারি করেছে জাপান ও ইউরোপের দেশগুলি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিরস্ত্র বাণিজ্যিক জাহাজের উপরে ইরানের হামলা, তেল ও গ্যাসের পরিকাঠামোয় আক্রমণ এবং হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার তীব্র নিন্দা জানাই।’ ইরানকে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে। বলা হয়েছে, ‘ইরানের এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বের সবাইকে ভুগতে হবে।’এর পরেই হরমুজ় খুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘হরমুজ দিয়ে তেলবাহি জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে যা যা করা প্রয়োজন, আমরা করতে প্রস্তুত।’ একই সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে তেল ছাড়ার সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।এর মধ্যেই ইরানের তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেনআমেরিকার অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট। Fox নিউজ়ের ‘মর্নিং উইথ মারিয়া’ শো-তে যোগ দেন স্কট। সেখানে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে।’ নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি করতে পারে না। অনেক তেল জাহাজে জমিয়ে রাখা হয়। পরে সেগুলো বিক্রি করার জন্য অপেক্ষা করে। এই তেলের উপর থেকেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
12 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:13 AM
পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সাংসদ ও প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বিজেপির চমক

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সাংসদ ও প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বিজেপির চমক

এই সময়, ব্যারাকপুর: বিজেপির দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকায় সবচেয়ে বেশি চমক ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে। সোমবার বিজেপির প্রথম তালিকায় ব্যারাকপুর লোকসভার বেশ কয়েকটি বিধানসভায় প্রার্থীর নাম ছিল না। মঙ্গলবার তৃণমূল পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতেই চিন্তা বাড়তে থাকে বিজেপি শিবিরে। বৃহস্পতিবার পদ্ম শিবিরের ১১৩ জনের নাম জানা যেতেই চমকের সঙ্গে বিতর্কও বেড়েছে।ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংকে নোয়াপাড়ায় পাঠানো হয়েছে। তবে তাঁকে নোয়াপাড়ায় প্রার্থী করায় এই কেন্দ্রের একদা কাউন্সিলার ও তৃণমূল নেতা বিকাশ বসু খুনের বিতর্ক নতুন করে মাথাচাড়া দেবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। জগদ্দল কেন্দ্রের প্রার্থী রাজেশ কুমারের নামও বড় চমক। কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজেশ কুমার এ বার তৃণমূল প্রার্থী তথা গতবারের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে বিজেপির টিকিটে লড়বেন। রাজেশ কুমার গত ৩১ জানুয়ারি অবসর নিয়েছেন। কেন বিজেপি'তে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'মানুষের জন্য কাজ করে বিজেপি। তাই বিজেপিতে যোগ দিয়ে মানুষের হয়ে কাজ করতে চাই।'বীজপুরের বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস আগে তৃণমূল করতেন। ২০১৯-এ লোকসভা নির্বাচনে অর্জুন সাংসদ হতেই তিনি পদ্মশিবিরে যোগ দেন। মাঝখানে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না। তৃণমূল কর্মী রাজু কুড়মি খুনের অভিযোগেও তাঁর নাম ছিল। এ বার তাঁকেই বীজপুরের প্রার্থী করে স্থানীয় অঙ্ককে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। যদিও তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক সুবোধ অধিকারী বলেন, 'বীজপুরে আমাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএম। বিজেপিকে প্রতিপক্ষই মনে করছি না।'ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচিকে। তাঁর লড়াই তৃণমূলের তারকা বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে। বৃহস্পতিবার তাঁর নাম ঘোষণা পর কৌস্তুভবলেন, 'তোলাবাজদের হাত থেকে ব্যারাকপুরকে মুক্ত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।' আর রাজ বলছেন, 'আমি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অর্জুন সিংকে চেয়েছিলাম। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হবে না।' কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী অরূপ চৌধুরী ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। পেশায় ব্যবসায়ী অরূপ বিজেপি কিষাণ মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদক। তাঁকে প্রার্থী করায় কামারহাটির বিজেপি নেতৃত্ব যে খুব একটা খুশি নন তা তাঁরা হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন।খড়দহের বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চক্রবর্তী অধ্যাপক। আরএসএসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। বিজেপির তালিকা প্রকাশ হতেই ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, 'আমি অর্জুনকে হারিয়েছি। ব্যারাকপুরে সাতে সাত করবে তৃণমূল।'
19 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:03 AM
নির্বাচনের আগে বনগাঁতে অভিজ্ঞ প্রার্থীকে মাঠে নামিয়েছে বিজেপি।

নির্বাচনের আগে বনগাঁতে অভিজ্ঞ প্রার্থীকে মাঠে নামিয়েছে বিজেপি।

এই সময়, বনগাঁ:প্রার্থী বাছাইয়ে পুরোনোদের উপরেই মতুয়া গড়ে ভরসা রাখলেন বিজেপি নেতৃত্ব। বনগাঁ উত্তর, দক্ষিণ ও গাইঘাটা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়কদের একই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে। তবে, মতুয়া অধ্যুষিত বাগদা কেন্দ্রে এ দিন প্রার্থী ঘোষণা হয়নি। বনগাঁর প্রাক্তন জেলা সভাপতি দেবদাস মণ্ডল হাবরা কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন।বনগাঁ উত্তরে বিজেপির বিধায়ক ছিলেন অশোক কীর্তনিয়া। ২০২১–এ ১০ হাজারের কিছু বেশি ভোটে জিতে বিধায়ক হন।এ বারেও ফের তাঁকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। অশোকের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বাজি বিশ্বজিৎ দাস। অশোক বলেন, ‘দল আমার উপর ফের আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ। জিতে বনগাঁ উত্তরের মর্যাদা রাখব।’ বিশ্বজিৎ বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে বিধায়ক হিসেবে কোনও কাজ করেননি উনি।’ বনগাঁ দক্ষিণে বিদায়ী বিধায়ক স্বপন মজুমদারকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। সন্ধ্যায় গোপালনগরের পল্লা বাজার ও চাঁদপাড়ায় মিছিল করেন স্বপন। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য। প্রার্থী হওয়ার পরেই স্বপন মজুমদারের চরিত্র নিয়ে মুখ খুলেছিলেন তিনি। এ দিন স্বপন বলেন, ‘অন্যের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ করার আগে তৃণমূল প্রার্থী যেন নিজের এবং তাঁর বাবা শঙ্কর আঢ্যর বিষয়টি ভাবেন।’বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডলের বাড়িও বনগাঁর মতিগঞ্জে। তাঁকে হাবরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। দেবদাসের বিরুদ্ধে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দেবদাস বলেন, ‘হাবরায় তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত।’ জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ‘গণনার দিন পরিষ্কার হয়ে যাবে, হাবরার মানুষ তৃণমূলের পক্ষেই থেকেছেন।’ অশোকনগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী চিকিৎসক সুময় হীরা। বারাসতে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়।
4 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 02:01 AM
প্রার্থী বাছাই নিয়ে সিপিআই (এম) অফিসে ভাঙচুর

প্রার্থী বাছাই নিয়ে সিপিআই (এম) অফিসে ভাঙচুর

তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনকে কালীগঞ্জে আসনে প্রার্থী করায় সিপিএমের পলাশি এরিয়া কমিটির অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছিলেন দলের কিছু কর্মী। পরে, দলের জেলা স্তরের নেতারা এই নিয়ে কথা বলতে গেলে, তাঁদের শারীরিক ভাবে হেনস্থা করা হয় বলেও অভিযোগ। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এরিয়া কমিটির সম্পাদক-সহ সাত জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সিপিএম সূত্রের খবর।
25 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 01:33 AM
টিএমসি-র সাসপেন্ডেড ছাত্রনেতা রজনী হালদার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দুটি আসনে নির্দলভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

টিএমসি-র সাসপেন্ডেড ছাত্রনেতা রজনী হালদার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দুটি আসনে নির্দলভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

সোনারপুর দক্ষিণ এবং আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রথেকে নির্দল হিসাবে লড়ার কথা জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের নিলম্বিত ছাত্র নেত্রীরাজন্যা হালদার। সোনারপুর দক্ষিণে তৃণমূল ফের প্রার্থী করেছে বিধায়ক-অভিনেত্রী অরুন্ধতী মৈত্রকে (লাভলি)। প্রাক্তন সাংসদ ও অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে বৃহস্পতিবার ওই আসন থেকেপ্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি-ও। বিজেপির প্রার্থী ঘোষণার পরেই এ দিন নির্দল হিসাবেদাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন রাজন্যা। প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগে বিজেপিতে রাজন্যার যোগদেওয়া নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’ গড়ে নানা কর্মসূচিকরছিলেন রাজন্যা। সেই মঞ্চের হয়েই নির্দল প্রার্থী হিসাবে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেনতিনি। রাজন্যার বক্তব্য, “সোনারপুরেকোনও দল স্থানীয়দের প্রার্থী হিসাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। উন্নয়নের প্রশ্নে ক্রমেপিছিয়ে পড়ছে এলাকা। তাই আমার ভোটে দাঁড়ানো।” জনসংগ্রাম মঞ্চের হয়ে আরও কয়েকটিকেন্দ্রেও প্রার্থী দেওয়া হচ্ছে।
98 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 01:03 AM
ভবানীপুর আসনের জন্য পৃথক স্লোগান প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

ভবানীপুর আসনের জন্য পৃথক স্লোগান প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

শুধু ভবানীপুর কেন্দ্রের জন্য আলাদা স্লোগান তৈরি করে বাড়ি বাড়ি যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। তাতে লেখা হবে, ‘উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে’। মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার দলের প্রস্তুতি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
21 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:49 AM
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে'প্রতিজ্ঞা "-র নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে'প্রতিজ্ঞা "-র নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

রাজ্যবাসীর কাছে একগুচ্ছ ‘প্রতিজ্ঞা’ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের নির্বাচনী ইস্তাহারের নামকরণ করেছেন ‘প্রতিজ্ঞা’। চলতি বছরে রাজ্য বাজেটে সরকারের যে লক্ষ্য তিনি স্পষ্ট করেছেন, তাকেই আগামী পাঁচ বছরের প্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট করে দলের এই ইস্তাহার তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দিন কয়েকের মধ্যেই তার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ সেরে পূর্ণোদ্যমে প্রচারে নেমে পড়বেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
94 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 12:31 AM
সরবরাহ বাড়াতে এবং দাম কমাতে ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

সরবরাহ বাড়াতে এবং দাম কমাতে ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ় প্রণালী(Strait of Hormuz) বন্ধ। তেলের বাজারে গেল গেল রব উঠেছে। এক দিকে জোগান নেই। অন্য দিকে, লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ইরানের (Iran) তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ইঙ্গিত দিলেনআমেরিকার অর্থ সচিব স্কট বেসেন্ট(Treasury Secretary Scott Bessent)। তিনি বলেন, ‘জোগান বাড়াতে এবং দাম কমাতে ইরানের তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।’ তবে পুরোপুরি নয়, সমুদ্রে থাকা তেলের উপর থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা তোলা হতে পারে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।এ দিন Fox নিউজ়ের ‘মর্নিং উইথ মারিয়া’ শো-তে যোগ দেন স্কট। সেখানে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে।’ নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি করতে পারে না। অনেক তেল জাহাজে জমিয়ে রাখা হয়। পরে সেগুলো বিক্রি করার জন্য অপেক্ষা করে।আমেরিকার হিসেব অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানের একাধিক জাহাজে ১৪০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। সমুদ্রে থাকা সেই সব তেলের ট্যাঙ্কার থেকেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্কট। তিনি বলেন, ‘এর ফলে দশ দিন থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত তেলের জোগান নিয়ে ভাবতে হবে না। তেলের দামও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’ গত দুই সপ্তাহে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে কিছুটা সুরাহা হতে পারে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।এর আগে রাশিয়ার তেলের উপর থেকেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল আমেরিকা। স্কটের কথায়, ‘তেলের জোগান ঠিক রাখতে এই ধরনের পদক্ষেপ আরও করা হবে।’ একই সঙ্গে জরুরি পরিস্থিতির জন্য জমিয়ে রাখা মজুত তেলও এ বার ধীরে ধীরে ছাড়া হবে বলে জানিয়েছেন আমেরিকার অর্থসচিব। তিনি বলেন, ‘এই নিয়ে G-7 দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’ তবে আমেরিকা তেলের ফিউচার মার্কেটে কোনও ভাবেই হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। স্কটের কথায়, ‘আমরা শুধু বাস্তব বাজারে জোগান বাড়ানোর চেষ্টা করছি।’এ দিন হোয়াইট হাউসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ়ে জাহাজ চলাচলের জন্য জাপানের নৌবাহিনীকে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি। জাপানের অধিকাংশ তেল ওই পথেই আসে। ট্রাম্প বলেন, ‘খুব ভালো আলোচনা হয়েছে।’ জাপান তাদের রিজার্ভ থেকে আরও তেল ছাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
38 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:24 AM
বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের সহকারী শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের সহকারী শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদ

অভিযোগ, খোদ মুখ্যমন্ত্রীর তরফে দেওয়া কোনও প্রতিশ্রুতিই রক্ষা হয়নি। আট বছর পরে ভাতা বেড়েছে মাত্র এক হাজার টাকা। এ বারের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাই পার্শ্ব শিক্ষকদের একাংশ রাস্তায় নেমে জনসাধারণকে মনে করাবেন তাঁদের বঞ্চনার কথা। পার্শ্ব শিক্ষক ঐক্য মঞ্চের সভাপতি ভগীরথ ঘোষ বলেন, ‘‘আমাদের বঞ্চনার কথা সাধারণ মানুষকে মনে করাব। আমাদের আবেদন, যে এলাকায় যে বিরোধী দল শক্তিশালী, তাদের ভোট দিন। আমরা কলকাতার ভবানীপুর-সহ বেশ কিছু এলাকায় স্ট্রিট কর্নার করছি।’’
27 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:21 AM
কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্মীরা ভারতে নির্বাচনী নজরদারি দলে যোগ দিয়েছেন

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্মীরা ভারতে নির্বাচনী নজরদারি দলে যোগ দিয়েছেন

এ বার থেকে ভোটের নজরদারির জন্য গঠিত ফ্লাইং স্কোয়াড টিম (এফএসটি) এবং স্ট্যাটিক সার্ভেল্যান্স টিম (এসএসটি)-এর অঙ্গ হবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। আপাতত ঠিক হয়েছে, প্রতিটি দলে হাফ সেকশন, অর্থাৎ চার জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থাকবেন। তবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের কর্মীদের দেখা গিয়েছে এফএসটি ও এসএসটি দলে।
43 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:02 AM
উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে কিম জং উনের বিপুল জয়

উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে কিম জং উনের বিপুল জয়

ফের বিপুল ভোটে জয়ী হলেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন। পেলেন ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট। তবে বিরোধী শূন্য উত্তর কোরিয়ায় ০.০৭ শতাংশ ভোট কিম না পাওয়ায় শুরু হয়েছে চর্চা।
99 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 11:30 PM
কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর অনুব্রত মন্ডলের প্রথম বিধানসভা নির্বাচন সভা

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর অনুব্রত মন্ডলের প্রথম বিধানসভা নির্বাচন সভা

নির্বাচনের দিনক্ষণ (West Bengal Election 2026) ঘোষণার পরেই স্বমেজাজে ধরা দিলেনঅনুব্রত মণ্ডল(Anubrata Mondal)। গরু পাচার মামলায় জেলমুক্তির পরে এটাই তাঁর প্রথম বিধানসভা নির্বাচন। এই নিয়ে বৃহস্পতিবার বীরভূমের (Birbhum) ২২ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের (TMC) নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা বসেছিলেন তিনি। সেখানেই স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, তাঁর লিড চাই। অনুব্রতর কথায়, ‘লিড না দিতে পারলে কোনও সাহায্য মিলবে না। এটা যেন মাথায় থাকে।’ ওয়ার্ডে ২৫ জনের একটি টিম তৈরি করে দেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।বোলপুর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে অনুব্রতর বাড়ি। কিন্তু গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটে এই ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। এই নিয়ে মাঝে মধ্যেই আক্ষেপ করেন অনুব্রত। এ দিন বোলপুরের তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের কাছে প্রচারের রূপরেখা ছকে দেন তিনি। সেখানেই অনুব্রত বলেন, ‘যদি কোনও অন্যায় করে থাকি, ক্ষমা করে দিন। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে রাগ করবেন না।’এর পরেই কিছুটা সুর চড়ান বীরভূমে তৃণমূলের কোর কমিটির কনভেনর অনুব্রত। স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘আপনি যদি আমাকে না দেখেন, আমি কেন দেখব? আপনি যদি আমার পাশে না থাকেন, আমি কেন আপনার পাশে থাকব?’ ২২ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য ১৫ জন ছেলে এবং ১০ জন মেয়েকে নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। অনুব্রতর কথায়, ‘লিড চাই। না হলে ফিরেও তাকাব না। ওই ডিএম-কে (জেলাশাসক) ফোন করো, ওকে ফোন করো, সব বন্ধ করে দেব।’মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক প্রকল্পের কথাও এ দিন তুলে ধরেন অনুব্রত। তিনি বলেন, ‘বাংলায় এমন অনেক প্রকল্প হয়েছে যা রাজস্থানে, উত্তর প্রদেশে হয়নি। ৩৪ বছর অন্ধকারে ছিল বাংলা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবাইকে আলোতে এনেছেন। আর ভুল করবেন না।’ NRC-র ফর্ম চলে এসেছে বলেও দাবি করেন অনুব্রত। সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আবার এনআরসি-র জন্য ডাক পড়বে।’ পাল্টা অনুব্রতকে ‘অশিক্ষিত’ বলে তোপ দাগেন স্থানীয় বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, ‘তাঁর ওয়ার্ডে রাষ্ট্রবাদী মানুষ বাস করেন। তাঁরা কখনওই তৃণমূলকে ভোট দেবেন না।’উল্লেখ্য গরু পাচার মামলায় ২০২২-এর ১১ অগস্ট বোলপুরের বাড়ি থেকে অনুব্রতকে গ্রেপ্তার করেছিল CBI। প্রথমে আসানসোল সংশোধনাগারে রাখা হয় তাঁকে। পরে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিরতিহাড় জেলে। ২০২৩-এর ২১ মার্চ থেকে সেখানেই বন্দি ছিলেন তিনি। ওই বছরের নভেম্বরে গরু পাচার মামলাতে ED-ও গ্রেপ্তার করে তাঁকে। একাধিকবার জামিনের আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে গিয়েছিল আদালতে। শেষ পর্যন্ত ২০২৪-এর সেপ্টেম্বরে জামিন পান অনুব্রত। তবে সেই মামলা এখনও চলছে।
1 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 09:45 PM
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন 2026: ভাড়া বিরোধের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের কার্যালয় বন্ধ

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন 2026: ভাড়া বিরোধের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের কার্যালয় বন্ধ

ভোট ঘোষণা(West Bengal Election 2026) হয়ে গিয়েছে। কোমর বেঁধে প্রচারে নেমে পড়েছে তৃণমূল (TMC), বিজেপি (BJP)-সহ রাজনৈতিক দলগুলি। এর মধ্যেই চুক্তি মোতাবেক টাকা না দেওয়ার অভিযোগে শাসক দলের পার্টি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিলেন বাড়ির মালিক। বৃহস্পতিবারবীরভূমের (Birbhum) মহম্মদ বাজারের রামপুর গ্রামের এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি। যদিও টাকা না দিতে পারায় তারাই পার্টি অফিসে তালা ঝোলাতে বলেছিল বলে দাবি করেছে তৃণমূল।সিউড়ির মুরালপুরের বড় রাস্তার বাঁ দিকে একটি একতলা ঘর রয়েছে। এর মালিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক গঙ্গাধর মণ্ডল। এই ঘরে রোগী দেখতেন তিনি। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ঘরটি বিক্রির জন্য আড়াই লক্ষ টাকায় তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তি করেন তিনি। সেই মতো ঘর ছেড়ে দেন গঙ্গাধর। তার দখল নেয় তৃণমূল। ঘরের সামনে বড় বড় করে লিখে দেওয়া হয় ‘রামপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়’। নেতা-কর্মীরা কাজ শুরু করেন।তার পরে প্রায় ২০ মাস কেটে গিয়েছে। কিন্তু অভিযোগ, তৃণমূল না দিয়েছে বাড়ি কেনার টাকা, না দিয়েছে ভাড়া। এর পরেই এ দিন সকালে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন গঙ্গাধর। তবে তৃণমূলের দাবি, টাকা দিতে না পায়ায়, তাঁরাই পার্টি অফিসে তালা দিতে বলেছিলেন গঙ্গাধরকে। এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কালীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা টাকা দিতে পারিনি। তাই সম্মান রক্ষার্থে নিজেরাই তালা ঝুলিয়ে দিতে বলেছিলাম। যতদিন না টাকা দিতে পারছি, ততদিন এটা তালাবন্ধ অবস্থায় থাকবে।’রামপুর পঞ্চায়েত এখন বিজেপির দখলে। এই নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেছে পদ্মশিবির। তাদের দাবি, টাকা না দিয়ে জোর করে সম্পত্তির দখল নেওয়াই শাসক দলের অভ্যাস। শুধু রামপুরে নয়, বাংলার অনেক গ্রামেই তৃণমূল এই ধরনের কাজ করে চলেছে দাবি করেছেন বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সহসভাপতি কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভোটের মুখে এভাবে পার্টি অফিস বন্ধ করে দেওয়ায় জনমানসে প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
9 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 19, 2026, 07:11 PM
যাদবপুরে কোর কমিটির বৈঠকে তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য

যাদবপুরে কোর কমিটির বৈঠকে তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য

বিধানসভা ভোটের আবহে যাদবপুরে তৃণমূলের অন্দরেই প্রকাশ্যে এল মতানৈক‍্য। বুধবার রাতে যাদবপুরের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাঁপুইপাড়ার পার্টি অফিসে কোর কমিটির বৈঠক চলাকালীন তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদারের সঙ্গে একাধিক কাউন্সিলরের তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা বাধে। ঘটনাকে ঘিরে যাদবপুরের তৃণমূলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যাদবপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। বৈঠকের এক পর্যায়ে প্রার্থী দেবব্রত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বার্তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, অভিষেকের নির্দেশ অনুযায়ী এ বারের নির্বাচনে কাউন্সিলরদের কাজের পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখা হবে এবং সেই ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা হবে। যার অর্থ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা পুরসভার যে নির্বাচন হবে তাতে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরকে টিকিট দেওয়া হবে কি না তা বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর ওয়ার্ডের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। এই মন্তব্য শোনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন কাউন্সিলর তারকেশ্বর চক্রবর্তী, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায়রা। বৈঠকের মাঝেই তাঁরা উঠে দাঁড়িয়ে প্রার্থীর মন্তব‍্যের তীব্র আপত্তি জানান। উত্তেজিত সুরে তাঁদের অভিযোগ, “আমাদের অবিশ্বাস করা হচ্ছে। এই ভাবে অপমান করার কোনও মানে হয় না। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।” পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন প্রার্থী দেবব্রত পাল্টা মন্তব্য করেন, “সেই কারণেই তো কাউন্সিলর হয়ে বিধায়ক হওয়ার জন্য সিভি পাঠিয়েছিলেন।” এই মন্তব্যে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায় এবং বৈঠকের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেবব্রত জানান, তিনি কেবল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তাই পৌঁছে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রস্তাব দেন, কাউন্সিলররা চাইলে তাঁদের ক্ষোভ ও বক্তব্য সরাসরি অভিষেকের কাছে তুলে ধরতে পারেন। এমনকি, ফোনে বিষয়টি জানাতেও তিনি প্রস্তুত বলে জানান। এর পরেই পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং বৈঠক স্বাভাবিক ছন্দে ফেরে। যদিও ঘটনার পর দলীয় অন্দরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের একাংশের নেতার মতে, ভোটের মুখে এ ধরনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল যাদবপুরে দলের নির্বাচনী সম্ভাবনায় প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধীরা ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছে। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে যাদবপুরে তৃণমূলের এই অন্দরকলহ নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণে চাপ বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছে তথ‍্যাভিজ্ঞ মহল।
89 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 04:35 PM
ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম।

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম।

গায়ে সুতোর কাজ করা পাঞ্জাবি, মাথার ফেজ। একেবারে ধোপদুরস্ত হয়ে বেরিয়েছিলেন বাড়ি থেকে। গন্তব্য হুগলির ফুরফুরায় ISF দপ্তর। বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়ে ISF-এ যোগ দিলেন ভাঙড়ে তৃণমূলের দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা এবং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আরাবুল ইসলাম। ISF-র রাজ্য কমিটির সভাপতি সামসুর আলি মল্লিক তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন।১৬ মার্চ ফুরফুরায় এসেছিলেন আরাবুল। পীরজাদা হোসেন সিদ্দিকীর সামনে তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন আরাবুল। সে দিন তিনি জানিয়েছিলেন কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জীবন শুরু করবেন। কিন্তু ISF-এ যোগ দেবেন কি না, তা সেদিন স্পষ্ট করেননি তিনি। এ দিন তিনি যোগ দিলেন আইএসএফ-এ। ভাঙড়ে তৃণমূল সওকত মোল্লাকে গুরুত্ব দেওয়ার পর থেকেই বিক্ষোভের সুর শোনা গিয়েছিল আরাবুলের গলায়।শেষ পর্যন্ত ভাঙড়ে তৃণমূল সওকত মোল্লাকে প্রার্থী করে। এই ভাঙড়েই এক সময়ে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন আরাবুল। এই ভাঙড়ের রাজনৈতিক মাটি দখল নিয়েই এক সময়ে আইএসএফ নেতৃত্বকে তোপ দেগেছিলেন আরাবুল ইসলাম। ভাঙড়ে লাগাতার আইএসএফ ও তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষও হয়েছে।আরাবুল বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাঙড়ে একজন কুখ্যাত লোককে দায়িত্ব দিয়েছেন। যাঁর হাত রক্তে লাল হয়ে গিয়েছে, সেই রকম লোককে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথায় তুলেছেন। কুখ্যাত খুনিকে ভাঙড়ে দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন। এই কারণে আজ ISF-এ যোগ দিলাম।’আরাবুলের দাবি, ‘অনেক দিন ধরে আলোচনা চলছিল। এ বার যোগদান করলাম।’ সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘এটা আমার গর্ব যে, আব্বাস সিদ্দিকী, নৌশাদ সিদ্দিকী কে আমি নেতা হিসাবে পেয়েছি।’
41 shares
😐
G
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 04:00 PM
বামফ্রন্ট আগামী নির্বাচনে বাকি 32টি আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে

বামফ্রন্ট আগামী নির্বাচনে বাকি 32টি আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে

বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলো বামফ্রন্ট। এদিন সিপিআই(এম) রাজ্য সদর দপ্তর মজুফ্‌ফর আহমেদ ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে বাকি প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন প্রবীণ বামফ্রন্ট নেতা মিহির বাইন।৩২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট। শারিরীক অসুস্থতার কারণে সাংবাদিক সম্মেলনে ছিলেন না বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। প্রবীন বামপন্থী নেতা মিহির বাইন প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।এদিন বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে যেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে ভবানীপুর থেকে সিপিআই(এম) প্রার্থী হচ্ছেন আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাস, টালিগজ্ঞ থেকে সিপিআই(এম) প্রার্থী হচ্ছেন পার্থ প্রতিম বিশ্বাস, বালিগজ্ঞ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন আফরিন বেগম (শিল্পী), রানিনগর কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী জামাল হোসেন, চাঁচল কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী আনোয়ারুল হক, কৃষ্ণগজ্ঞ কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী অর্চনা বিশ্বাস, জয়নগর কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী অপূর্ব প্রামানিক, বারুইপুর পশ্চিম কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী লাহেক আলি, নয়াগ্রাম কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী পুলিন বিহারি বাস্কে।সোমবার ১৯২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্টের সহযোগী হিসাবে লড়াই করছে সিপিআই(এম-এল) লিবারেশন। তারা দশটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন।এদিন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘বড় অংশের মানুষকে বিবেচনাধীন রাখা হয়েছে, মানুষের ভোটাধিকর হরণ করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে।’সেলিম বলেন, ‘নির্দিষ্ট কারণের ভিত্তিতে এসআইআর করা হয়। কমিশন কোন করাণ দেখাতে পারেনি। জ্ঞানেশ কুমারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন ওয়েবসাইটে সব দেওয়া আছে।’ উল্লেখ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দারস্থ হয়েছিল সিপিআই(এম)। এদিন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক জানিয়েছেন হাইকোর্টের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী এক সপ্তাহের জানাতে কোন কারণে এসআইআর এবং কিসের ভিত্তিতে তাও কমিশনকে স্পষ্ট করতে হবে। হাইকোর্টের এই নির্দেশকে নৈতিক জয় হিসাবেই দেখছে সিপিআই(এম)। সেলিম জানিয়েছেন মানবাধিকার এবং ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই চলবে।অভয়ার মা বিজেপির প্রার্থী হতে পারে এই জল্পনা প্রশ্নে সেলিম বলেন, প্রশাসন যখন দেহটাকে পুড়িয়ে দিয়ে প্রমাণ লোপাট করতে চাইছিল তখন কলতান, মীনাক্ষী, ধ্রুবরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে শববাহী গাড়িটা আটকেছিল। রাজ্যের মানুষ দেখেছেন এই অপরাধের বিরুদ্ধে কারা লড়াই করেছিল। কোন বিজেপি আর এস এস সেদিন ছিল না। নির্যাতিতার বাবা মাকে নিয়ে দিল্লি গিয়েছিল কিন্তু প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে দেখা করাতে পারেনি। এটাও মনে রাখতে হবে যে কলকাতা পুলিশ যেই মিথ্যা তদন্ত করেছিল তাকে মান্যতা দিয়েছে সিবিআই।
8 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 03:54 PM
দলের বিক্ষোভের মধ্যে তারকেশ্বরে বিজেপি প্রার্থীকে আক্রমণ, গাড়ি ভাঙচুর

দলের বিক্ষোভের মধ্যে তারকেশ্বরে বিজেপি প্রার্থীকে আক্রমণ, গাড়ি ভাঙচুর

হুগলির তারকেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সন্তু পানের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ। তৃণমূলের কর্মী, সমর্থকেরা গাড়ি ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও অভিযোগ করেছে তৃণমূল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। এ দিন তারকেশ্বর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।তারকেশ্বর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সন্তু পানের অভিযোগ, তারকেশ্বরের গুড়েভাটা এলাকায় গাড়ি রেখে মিটিং করছিলেন তিনি। সেই সময়ে তৃণমূলের কয়েকজন কর্মী বিজেপির বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। থানায় খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থল আসে পুলিশ এবং একজনকে আটক করে। সন্তু বলেন, ‘তৃণমূলের কয়েকজন নেতা এসে কাদের গাড়ি দাঁড়িয়ে জানতে চায়। কথা বলার মাঝেই ইট দিয়ে একটি গাড়িতে মারে।’ একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।এর পরেইবিজেপি প্রার্থীসন্তু পান এবং স্থানীয় বিজেপি নেতা, কর্মীরা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি স্বপন সামন্তের দাবি, ‘এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়, বিজেপি নিজেরাই নিজেদের উপর আক্রমণ করে প্রচারের আওতায় আসার চেষ্টা করছে। তবে দলের কেউ জড়িত থাকলে ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে।’উল্লেখ্য, ২০১১ সাল থেকে এই আসন তৃণমূলের দখলে। ২০১১ ও ২০১৬ সালে এই আসন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী রচপাল সিং। ২০২১ সালে এই আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হন রামেন্দু সিনহা রায়। এ বারেও তাঁর উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল। অন্য দিকে, এই আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন সাংবাদিক সন্তু পান।
68 shares
😢
G
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:53 PM
পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সিপিআই (এম) প্রার্থী অম্বর মিত্রের

পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সিপিআই (এম) প্রার্থী অম্বর মিত্রের

ইংলিশ বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থী অম্বর মিত্রের সমর্থনে চলল প্রচার।ইংলিশ বাজার শহরের মালঞ্চ পল্লী এলাকায় এলাকায় ঘুরে প্রচারের পাশাপাশি হয় মিছিলও।অম্বর মিত্র সিপিআই(এম)’র মালদহ জেলা সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা তাঁর।বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ ও ভোটে নিবিড় প্রচার চালিয়েছেন তিনি। সিপিআই(এম) কর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন মহল্লায় কথা বলছেন।তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপিকে পরাস্ত করতে মানুষের ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের আহ্বান জানান তিনি।
14 shares
😐
G
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:53 PM
কোচবিহার জেলায় টিকিটবিহীন প্রার্থীরা আশীর্বাদ চাওয়ায় উত্তেজনা বেড়েছে

কোচবিহার জেলায় টিকিটবিহীন প্রার্থীরা আশীর্বাদ চাওয়ায় উত্তেজনা বেড়েছে

জয়ন্ত সাহা, কোচবিহারজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে তৃনমুল আর বিজেপির টিকিট পাওয়া প্রার্থীরা ভোট প্রচারে না বেড়িয়ে টিকিট না পাওয়া নেতাদের আশীর্বাদ নিতে ছুটছেন। আসলে চোরাস্রোতে হারতে হবে তাই জেলাজুড়ে চলছে তৃনমুল আর বিজেপির 'আশীর্বাদের' নয়া রাজনীতি।ভোটের মুখে বিজেপি প্রার্থী তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে রীতিমত বেকায়দায়! তুফানগঞ্জের পদ্ম শিবিরে এখন পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে। আবার পাশের কেন্দ্র নাটাবাড়িতে বেকায়দায় তৃনমুল। এখানে রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে দল টিকিট দেয়নি। বদলে টিকিট পেয়েছেন শৈলেন বর্মন। রবীন্দ্রনাথ অনুগামীরা দলের কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। ক্ষোভ ফুঁসছে তাঁর অনুগামীরা। এদিকে তুফানগঞ্জে গতবার জিতেছিলেন, বিজেপির মালতী রাভা। এবার প্রার্থীর নাম ঘোষনার পর দলের ছন্নছাড়া দশায় প্রার্থী বেসামাল।তুফানগঞ্জের বামফ্রন্টের সিপিআই(এম) প্রার্থী ধনঞ্জয় রাভা বলেন, "বিজেপির নেতারা তৃনমুলের মতই কাটমানি আদায় করে চলে। এই বিবাদ আসলে বখরার ভাগাভাগি নিয়ে। শুধু শহরে নয়, বিজেপিতে বড় ভাঙ্গন আসছে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।"কোচবিহার দক্ষিন কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েও অস্বস্তিতে পার্থপ্রতিম রায়। কারন ক্ষোভের চোরাস্রোত তিনি টের পাচ্ছেন বিধানসভা এলাকায় পা রেখেই।এমনিতে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের অনুগামী। জেলার রাজনীতিতে তারা "কাকা-ভাইপো" নামেই পরিচিত। দল রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে টিকিট না দিয়ে সেই আসনে "ভাইপো" পার্থকে টিকিট দেওয়ায় কাকা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ প্রকাশ্যে "ভাইপো" পার্থর প্রশাংসা করলেও রবি অনুগামীরা পুরোপুরি বেঁকে বসেছে।স্বস্তিতে নেই মাথাভাঙা কেন্দ্রে তৃনমুলের টিকিট পাওয়া সাবলু বর্মনও। তিনি প্রাক্তন বনমন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন, দলের যুব সভাপতিকে টপকে টিকিট পেয়েছেন। তিনিও টিকিট পেয়ে প্রচারে নয় যাচ্ছেন যারা টিকিট পায় নি তাদের আশীর্বাদ নিতে। একই দশা শিতলকুচির বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মনেরও। বিধায়ক বরেন বর্মনকে টিকিট না দিয়ে দল তাকে টিকিট দিয়েছে। কিন্তু বিধানসভা এলাকায় দলের নিয়ন্ত্রন বরেন বর্মন অনুগামীদের হাতে। সাবিত্রী বর্মন স্পষ্ট জানেন বরেন বর্মনের আশীর্বাদ না পেলে ভোটে জেতা অসম্ভব।
61 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:42 PM
দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে 111টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি।

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে 111টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি।

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী ঘোষণা করলো বিজেপি। ১১১ আসনে বিজেপি প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দিল্লীর কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে বৃহস্পতিবার প্রার্থী ঘোষনা হয়েছে। ১৬ মার্চ প্রথম ধাপে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল বিজেপি। ১৪৪টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে তারা।রাজারহাট গোপালপুর থেকে প্রার্থী করে হয়েছে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তেওয়ারি। এগরা থেকে প্রার্থী করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারির দাদা দিব্যেন্দু অধিকারিকে। শ্যামপুরে হিরণকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি। নোয়াপাড়ায় প্রার্থী হয়েছেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং কে। মানিকতলা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। হিঙ্গলগঞ্জে রেখা পাত্র। ব্যারাকপুরে কৌস্তভ বাগচী, বেহালা পশ্চিমে বিজেপির প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ, গাইঘাটায় সুব্রত ঠাকুর, বনগাঁ দক্ষিণ স্বপন মজুমদার, বনগাঁ উত্তর অশোক কীর্তনিয়াকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। সোনারপুর দক্ষিণে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, টালিগঞ্জে পাপিয়া অধিকারী, যাদবপুরে শর্বরী মুখোপাধ্যায়, মাথাভাঙায় প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।প্রথম তালিকায় ১৪৪ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। দ্বিতীয় দফায় ১১১ জনের নাম ঘোষণা করল। ফলে মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি রইল। এছাড়াও প্রথম তালিকার বিষ্ণুপুর আসনে প্রার্থী করেছিল অগ্নিস্বর নস্করকে। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় এই আসনে প্রার্থী বদল করে বিজেপি। প্রার্থী করা হয়েছে বিশ্বজিৎ খানকে। বিশ্বজিৎ মাহাতোকে জয়পুর আসনে সমর্থন করেছে বিজেপি । এখনও বিজেপি পানিহাটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। যে আসনে আর জি করের নির্যাতিতার মা প্রার্থী হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।
50 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:39 PM
মালবাজারে প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর

মালবাজারে প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর

আলিপুরদুয়ারের পর এবার জলপাইগুড়ির মালবাজার। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই গেরুয়া শিবিরের আদি ও নব্য সংঘাত এবার আছড়ে পড়ল রাজপথে। ‘বহিরাগত’ ও ‘দলবদলু’ প্রার্থী মানা হবে না— এই দাবিতে বৃহস্পতিবার মালবাজারে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালালেন ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্বকে।এদিন মালবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে শুক্রা মুন্ডার নাম ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, দলের জন্য পুরনো দিনে লড়াই করা ভূমিপুত্রদের গুরুত্ব না দিয়ে বারবার ‘দলবদলু’ ও ‘বহিরাগত’দের সাধারণ কর্মীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।উত্তেজিত কর্মীরা পার্টি অফিসের ভেতরে ঢুকে চেয়ার, টেবিল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। অফিসের বাইরে থাকা বিজেপির ফেস্টুন ও পোস্টার ছিঁড়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারীদের প্রধান নিশানা প্রার্থী শুক্রা মুন্ডা। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে তিনি তৃণমূলের টিকিটে নাগরাকাটা থেকে বিধায়ক হয়েছিলেন। এরপর ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। পুরনো বিজেপি কর্মীদের দাবি, যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে একসময় দলবদল করেছে, তাদের প্রার্থী হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না।​খবর পেয়ে তড়িঘড়ি মালবাজার ও জেলা স্তরের বিজেপি নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গে গেরুয়া শিবিরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন আর শুধু অন্দরের বিষয় নয়। আলিপুরদুয়ারের পর মালবাজারের এই ঘটনা প্রমাণ করে দিল যে, নিচুতলার কর্মীদের ক্ষোভ সামলাতে ব্যর্থ নেতৃত্ব।বামপন্থীদের দাবি, মানুষের স্বার্থে লড়ার বদলে পদ ও প্রার্থী হওয়া নিয়ে দক্ষিণপন্থী দলগুলোর এই লড়াই আসলে ক্ষমতার নির্লজ্জ আস্ফালন। ‘দলবদলু’দের ওপর ভরসা করে বিজেপি যে কতটা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, মালবাজারের ভাঙচুর তারই জলজ্যান্ত প্রমাণ।
3 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:34 PM
দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বামফ্রন্ট 32টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বামফ্রন্ট 32টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে

বামফ্রন্ট দ্বিতীয় দফায় ৩২ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করল। প্রথম তালিকায় ১৯২ আসনে নাম ঘোষণা করা হয় এর আগে। মোট ২২৪ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট।১. কালচিনি (এসটি) আরএসপি পাসং শেরপা, ২. করনদিঘি সিপিআই(এম) এমডি সাহাবুদ্দিন, ৩. হাবিবপুর সিপিআই(এম) বাসুদেব মুর্মু৪. চাঁচোল সিপিআই(এম) আনোয়ারুল হক, ৫. ভগবানগোলা সিপিআই(এম) মাহমুদল হাসান ৬. রানিনগর সিপিআই(এম) জামাল হোসেন৭. নবগ্রাম (এসসি) সিপিআই(এম) পূর্ণিমা দাস৮. জলঙ্গি সিপিআই(এম) ইউনুস আলি সরকার ৯. কৃষ্ণনগর উত্তর সিপিআই(এম) অদ্বৈত বিশ্বাস ১০. কৃষ্ণগঞ্জ (এসসি) সিপিআই(এম) অর্চনা বিশ্বাস ১১. কল্যাণী (এসসি) সিপিআই(এম) সবুজ দাস ১২. বসিরহাট দক্ষিণ সিপিআই(এম) আইনুল আরফিন (রাজু আহমেদ) ১৩. কুলতলি (এসসি) সিপিআই(এম) রামশঙ্কর হালদার ১৪. জয়নগর (এসসি) সিপিআই(এম) অপূর্ব প্রামানিক ১৫. বারুইপুর পশ্চিম সিপিআই(এম) লায়েক আলি১৬. ডায়মন্ড হারবার সিপিআই(এম) সমরেন্দ্র নাথ নাইয়া ১৭. টালিগঞ্জ সিপিআই(এম) অধ্যাপক অধ্যাপক পার্থ প্রতিম বিশ্বাস ১৮. মেটিয়াবুরুজ সিপিআই(এম) আইনজীবী মনিরুল ইসলাম১৯ ভবানীপুর সিপিআই(এম) আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাস ২০.বালিগঞ্জ সিপিআই(এম) আফরিন বেগম (শিল্পী) ২১. চাঁপদানি সিপিআই(এম) আইনজীবী চন্দ্রনাথ ব্যানার্জি ২২. জাঙ্গিপাড়া সিপিআই(এম) সুদীপ্ত সরকার২৩. পুরশুড়া সিপিআই(এম) সন্দীপ কুমার সামন্ত ২৪. পাঁশকুড়া পূর্ব সিপিআই(এম) ইব্রাহিম আলি ২৫. পাঁশকুড়া পশ্চিম সিপিআই(এম) নিরঞ্জন সিহি ২৬. নন্দীগ্রাম সিপিআই শান্তি গিরি ২৭. খেজুরি (এসসি) সিপিআই(এম) হিমাংশু দাস২৮. নয়াগ্রাম (এসটি) সিপিআই(এম) ডাঃ পুলিন বিহারি বাস্কে ২৯. গোপীবল্লভপুর সিপিআই বিকাশ সারেঙ্গী৩০. মন্তেশ্বর সিপিআই(এম) অনুপম ঘোষ ৩১. আসানসোল উত্তর সিপিআই অখিলেশ কুমার সিং ৩২. মুরারই সিপিআই(এম) মহম্মদ আলি রেজা মন্ডল
6 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:33 PM
পাঁচ আইপিএস আধিকারিকের বদলির সিদ্ধান্ত স্থগিত করল নির্বাচন কমিশন

পাঁচ আইপিএস আধিকারিকের বদলির সিদ্ধান্ত স্থগিত করল নির্বাচন কমিশন

পাঁচ আইপিএস-কে বদলির সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখল নির্বাচন কমিশন। সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, এই পাঁচ পুলিশ আধিকিরককে বদলি করা হবে কিনা তা ফের খতিয়ে দেখবে কমিশন।রাজ্যের এই পাঁচ আইপিএস আধিকারিককে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে আগেই অন্যান্য রাজ্যে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। বৃহস্পতিবার সেই সিদ্ধান্তকেই স্থগিত রাখা হয়েছে।গত বুধবার নির্বাচন কমিশন একটি নির্দেশিকা জারি করে ওই ১৫ আইপিএস অফিসারের বদলির ঘোষণা করে। ওই ১৫ জন আইপিএস অফিসারের মধ্যে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুরালিধর শর্মা এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার ওয়াকার রেজাও রয়েছেন। যাঁদের নির্বাচনের পর্যবেক্ষক হিসাবে রাজ্যের বাইরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।তবে, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁদের মধ্যে পাঁচজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে শর্মা এবং রেজা সহ যাদের ক্ষেত্রে বদলির নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করা হবে তাঁরা হলেন আমন দীপ, আকাশ মাঘারিয়া এবং প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠি।নয়াদিল্লি থেকে নির্বাচন কমিশনের জারি করা আগের নির্দেশিকা অনুযায়ী, শর্মা এবং রেজাকে তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের পর্যবেক্ষক হিসাবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।তালিকায় ছিলেন অলোক রাজোরিয়া, ইন্দিরা মুখার্জি, ধৃতিমান সরকার, সি সুধাকর, অভিজিৎ ব্যানার্জি, ভাস্কর মুখার্জি, রশিদ মুনির খান এবং প্রিয়ব্রত রায়ও।কমিশনের একটি সূত্র সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছে যে বাকি ১০ আধিকারিক নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে তাঁদের দায়িত্ব পালনের জন্য অন্যান্য রাজ্যে যাবেন।নির্বাচন কমিশনের ওই আধিকারিক জানিয়েছেন যে পাঁচ পুলিশ আধিকারিকের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে তাঁদের এখনই কোথাও পাঠানো হচ্ছে না।
44 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 03:12 PM
পাকিস্তানের কথিত আই. সি. বি. এম উন্নয়ন মার্কিন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে

পাকিস্তানের কথিত আই. সি. বি. এম উন্নয়ন মার্কিন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে

আমেরিকার মিসাইল সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কিত আমেরিকা। বুধবারই এই নিয়ে মার্কিন সেনেটে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আমেরিকার স্পাই চিফ, তুলসী গ্যাবার্ড। তাদের দাবি, সরাসরি আমেরিকার বুকেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষমতা অর্জন করতে চলেছে পাকিস্তান। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা বিশ্বে তৈরি হয়েছে একটি বিশেষ প্রশ্ন: গোপনে এমন কোন মিসাইল তৈরি করল পাকিস্তান, যা নিয়ে চিন্তায় ঘুম উড়তে বসেছে পাকিস্তানের? সত্যি কি বহু দূরের দেশ আমেরিকায় আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে তাদের?তুলসী গ্যাবার্ডের পেশ করা রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান অত্যন্ত গোপনে একটি ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল বা ICBM তৈরি করছে। যা পুরোপুরি তৈরি হয়ে গেলে এটি আমেরিকায় আঘাত করতে পারবে।আমেরিকা থেকে পাকিস্তানের দূরত্ব প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার। সাধারণত কোনও ICBM-এর পল্লা হয় ৫,৫০০ কিলোমিটারের মতো। অর্থাৎ, এই মিসাইল প্রযুক্তি তৈরি হয়ে গেলে এই ক্ষেত্রে বাজিমাৎ করবে পাকিস্তান।ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ বা IISS-এর স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জানা গিয়েছে, ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পাক পাঞ্জাব প্রদেশের অ্যাটক জেলার ‘কালা চিট্টা রেঞ্জ’-এর পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স কমপ্লেক্সে’ একটি বিশাল আকারের ‘সলিড রকেট-মোটর টেস্ট স্ট্যান্ড’ তৈরি করেছে পাকিস্তান।এই অতি-গোপনীয় সামরিক গবেষণা, ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে তৈরি করা অত্যাধুনিক রকেট মোটরই ভবিষ্যতে পাকিস্তানের ICBM-কে আমেরিকা পর্যন্ত পৌঁছে দেবে বলে আশঙ্কা ওয়াশিংটনের।বর্তমানে পাকিস্তানের হাতে থাকা সবচেয়ে শক্তিশালী মিসাইল হলো ‘শাহিন ৩’, যার পাল্লা ২,৭৫০ কিমি। এ ছাড়া তাদের হাতে রয়েছে ‘আবাবিল’, যার পাল্লা ২,২০০ কিমি। ‘MIRV’ প্রযুক্তির এই মিসাইল একসঙ্গে একাধিক নিশানায় আঘাত হানতে পারে। সেই পাকিস্তান কী করে ১০,০০০ কিমি পাল্লার মিসাইল তৈরি করছে?ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, চিনের মদতেই পাকিস্তানের এই অত্যাধুনিক মিসাইল তৈরি করছে। তাদের এই ICBM তৈরির নেপথ্যে রয়েছে চিনা সংস্থা ‘বেজিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট অফ অটোমেশন ফর মেশিন বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রি’ (RIAMB)-র প্রযুক্তিগত সাহায্য। আর এই কারণেই জো বাইডেনের আমলে একাধিক চিনা ও পাকিস্তানি সংস্থার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিল আমেরিকা।ঐতিহাসিক ভাবে পাকিস্তানের মিসাইল প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য ভারত। তাদের ‘শাহিন ৩’ মিসাইল আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে। কিন্তু ‘ফরেন অ্যাফেয়ার্স’ ম্যাগাজিনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, পাকিস্তানের এই নতুন ICBM তৈরির মূল লক্ষ্য ভারত নয়, আমেরিকা।এই মিসাইল দিয়ে তারা হয়তো আমেরিকায় হামলা করবে না। তবে আমেরিকাকে ভয় দেখানোর কাজে লাগাবে। ভবিষ্যতে ভারত-পাক যুদ্ধ বাধলে আমেরিকা যাতে ভারতের পক্ষ না নেয়, পাকিস্তানের পরমাণু ঘাঁটিতে ‘প্রিভেন্টিভ স্ট্রাইক’ না চালায়, মূলত সেই কারণেই আমেরিকাকে সরাসরি নিজেদের মিসাইলের আওতায় আনতে চাইছে ইসলামাবাদ।২০২৬ সালের মার্কিন থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্টে চিন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া এবং ইরানের পাশাপাশি এ বার পাকিস্তানের নামও সবচেয়ে বড় পরমাণু হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক কিছুটা উন্নত হওয়ার আভাস মিললেও, এই রিপোর্ট থেকে স্পষ্ট, ইসলামাবাদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের মনে গভীর সন্দেহ ও আতঙ্ক রয়েছে।
65 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 02:43 PM
নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর উদ্যোগ ভারতে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে

নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর উদ্যোগ ভারতে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে

২৩ বছর বাদে দেশের ১০ রাজ্য ও ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের আয়োজন। ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় জাতীয় রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে তড়িঘড়ি এই আয়োজনে সরব হন বিরোধীরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ভোটার তালিকায় এই নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। বিভিন্ন রাজ্যে বহু যোগ্য ভোটার এই প্রক্রিয়ায় বাদ গিয়েছেন বলে অভিযোগ। জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্টেও। SIR নিয়ে একাধিক মামলা বিচারাধীন আদালতে।মূলত, ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করতেই SIR বলে জানায় নির্বাচন কমিশন। নাম নথিভুক্ত করতে প্রথম পর্যায়ে ১২টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৩টি নথির কথা উল্লেখ করে কমিশন। সেই ১৩ নথির একটি প্রমাণ হিসেবে দেখালেই ভোটার তালিকায় থাকবে নাম। এই প্রক্রিয়াতে নথি পরীক্ষা করে যাচাইয়ের মাধ্যমে ১০ রাজ্য ও ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকায় ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া। সেই যাচাই প্রক্রিয়ায় একাধিক রাজ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়ার তথ্য সামনে এসেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী সবথেকে বেশি মানুষের নাম বাদ পড়েছে যোগী রাজ্যেই। পিছিয়ে নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাটও।ভোটার তালিকায় নাম বাদ গিয়েছে চার কারণে-মৃত্যু (deceased voters)স্থানান্তর (migration)ডুপ্লিকেট নামঅযোগ্য বা অনুপস্থিত ভোটার২০২৫ সালের জুন মাসে বিহারে প্রথম শুরু হয় ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনী অর্থাৎ Special Intensive Revision (SIR)-এর কাজ। এই প্রক্রিয়া চলে গত বছরের জুলাই-অগস্ট পর্যন্ত। প্রায় ৭৭,৮৯৫ জন Booth Level Officers (BLOs) বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করেন। সেই তথ্য যাচাইয়ের পরে ৯৯.৮% এর বেশি ভোটারকে এই প্রক্রিয়া আওতায় আনা হয়। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরে দেখা যায়, বাদ গিয়েছে ৬৫ লক্ষ মানুষের নাম। যা মোট ভোটারের ৭.৯%। নতুন তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭.৪২ কোটিতে। বিশেষ করে মহিলাদের নাম তুলনামূলক বেশি বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এই রাজ্যে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন।SIR-এর দ্বিতীয় পর্যায়শুরু হয় ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর। এই পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কেরালা, গুজরাট, ছত্তিসগড়, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, গোয়া, পুদুচেরি, আন্দামান ও নিকোবর এবং লাক্ষাদ্বীপে শুরু হয় ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনীর কাজ। খসড়া তালিকা (draft roll) পর্যায়ে দেখা যায় ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে প্রায় ৬.৫ কোটিরও বেশি নাম বাদ পড়েছে। এ ছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ৩.৫ কোটি ভোটারকে ডিলিশনের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই বাদ পড়া নামগুলির বেশিরভাগই মৃত ব্যক্তি, অন্যত্র স্থানান্তরিত ভোটার, ডুপ্লিকেট এন্ট্রি বা দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ভোটার।SIR-এ উত্তরপ্রদেশে পরিস্থিতি আরও চমকপ্রদ। খসড়া তালিকা পর্যায়ে প্রায় ২.৮৯ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। যদিও চূড়ান্ত তালিকায় এই সংখ্যা কিছুটা কমেছে, তবুও এই রাজ্যে SIR-এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। এ রাজ্যেও বিপুল পরিমাণে মহিলা ভোটারের নাম বাদ পড়ার তথ্য সামনে এসেছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রভনীত রিনওয়া জানান, মোট ১ কোটি ৫৪ লক্ষ মহিলার নাম বাদ পড়েছে খসড়া তালিকা থেকে। হিসাব বলছে পুরুষদের তুলনায় প্রায় ২০ লক্ষ বেশি নাম বাদ পড়েছে মহিলাদেরই। খসড়া ভোটার তালিকায় থাকা ১২ কোটি ৫৫ লক্ষের মধ্যে ৫.৬৭ কোটি মহিলা ভোটার। পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৬.৮৮ কোটি।১৭ ফেব্রুয়ারি গুজরাটে প্রকাশিত হয় SIR-এর পরে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। সেখানে রয়েছে ৪ কোটি ৪০ লক্ষ ৩০ হাজার ৭২৫ জন নাগরিকের নাম। মোদীর রাজ্যে বাদ পড়েছেন ৭৩.৭ লক্ষ ভোটার। মোট ভোটারের ১৮.৭% এই সংখ্যা বাকি রাজ্যের নিরিখে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।"Pure electoral rolls bedrock of any democracy."- CEC Gyanesh Kumar explains objective behind SIRpic.twitter.com/IUZl6YZUO1বাংলায় SIR প্রক্রিয়া নিয়ে সবথেকে বেশি অভিযোগ সামনে এসেছে। এ রাজ্যের শাসক দল এই প্রক্রিয়ায় একাধিক ক্রুটির অভিযোগ তুলে বার বার কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। এমনকী সুপ্রিম কোর্টেও বিচারাধীন এই মামলা। কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা থেকে ৬৩ লক্ষেরও বেশি নাম বাদ পড়েছে। পাশাপাশি আরও ৬০ লক্ষের বেশি নাম এখনও ‘under adjudication’, অর্থাৎ যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। SIR-এর আগে যেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৬ কোটি, তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬.৪৪ কোটিতে। ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪৪ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়ায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। সাপ্লিমেন্টারি লিস্টের মাধ্যমে বিচারাধীন তালিকা আরও কিছু নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা।রাজস্থানে চূড়ান্ত তালিকায় ৩১.৩৬ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫.১৫ কোটিতে। একই ভাবে মধ্যপ্রদেশে ৩৪.২৫ লক্ষ ভোটারের নাম মুছে ফেলা হয়েছে, ফলে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা ৫.৭৪ কোটি থেকে কমে ৫.৩৯ কোটিতে নেমে এসেছে। এই দুই রাজ্যেই শহরাঞ্চল ও নতুন বসতি এলাকায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে।তামিলনাড়ুতে SIR-এর পরে চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী প্রায় ৯৭.৩৭ লক্ষ ভোটারের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। খসড়া পর্যায়েও প্রায় একই সংখ্যক নাম বাদ পড়েছিল। বিশেষ করে স্থানান্তরের কারণে বহু ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে।মধ্যপ্রদেশে চূড়ান্ত তালিকায় বাদ গিয়েছে ৪২.৭৪ লক্ষ ভোটারের নাম। বিশেষ নিবিড় সংশোধনের পরে এই রাজ্যে মূলত ডুপ্লিকেট ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার হার বেশি। কমিশন সূত্রে খবর, ইন্দোর ও ভোপাল জেলায় নাম বাদের হার সবচেয়ে বেশি। মোট ভোটার সংখ্যা কমে ৫.৭৪ কোটি থেকে ৫.৩৯ কোটিতে নেমেছে।VIDEO | Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar, says "The Special Intensive Revision (SIR) is among the Election Commission of India’s 30 new initiatives and is being conducted to ensure that no eligible voter is excluded and no ineligible person is included in the electoral…pic.twitter.com/B4PTxRJwL0ছত্তিসগড়ে বাদ পড়েছে প্রায় ২৫ লক্ষ ভোটারের নাম। বর্তমানে এ রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১.৮৭ কোটি।দক্ষিণের এই রাজ্যে ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার হার তুলনামূলক ভাবে কম। এ রাজ্যে চূড়ান্ত তালিকায় বাদ গিয়েছে ২৪.০৮ লক্ষ ভোটারের নাম, যা মোট ভোটারের ৩.২২ শতাংশএই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এনিউমারেশন ফর্ম না ফেরত দেওয়ার কারণে বাদ গিয়েছে প্রচুর নাম। SIR-এর পরে চূড়ান্ত তালিকায় বাদ গিয়েছে ১.০৩ লক্ষ ভোটারের নাম।কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুসারে কেন্দ্র শাসিত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে মোট ভোটার সংখ্যা ২,৫৮,০৪০ জন, যার মধ্যে ১,৩০,৪১৫ জন পুরুষ, ১,২৭,৬২২ জন মহিলা এবং ৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। নাম বাদ পড়েছে ৫,২৬৯ জনের।সামগ্রিক ভাবে, SIR ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ভোটার তালিকা সংশোধন অভিযান। বহু ক্ষেত্রে এখনও নাম যাচাইয়ের কাজ চলছে, ফলে চূড়ান্ত তালিকায় আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
84 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 19, 2026, 02:27 PM
পশ্চিমবঙ্গের আই. এ. এস আধিকারিকদের তামিলনাড়ুতে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের আই. এ. এস আধিকারিকদের তামিলনাড়ুতে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

আজকাল ওয়েবডেস্ক:ভোটের কাজে ভিনরাজ্যে পাঠানো হল পশ্চিমবঙ্গের আরও ছয় আইএএস অফিসারকে। বৃহস্পতিবারই ওই ছ'জনকে তামিলনাড়ুর সংশ্লিষ্ট জায়গায় কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই ছ'জন আইএএস অফিসারের তালিকা: - রানি এ আয়েশা- অরবিন্দ কুমার মিনা- সিয়াদ এন- সামা পারভিন- পি উলাগানাথন- প্রীতি গোয়েল এই ছ'জনের মধ্যে পি উলাগানাথন ও সামা পারভিন রাজ্যের সচিব হিসাবে কর্মরত ছিলেন। পঞ্চায়েত এবং গ্রামীণ দপ্তরের সচিব ছিলেন পি উলাগানাথন। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ ইলেকট্রনিক্স টেস্টিং এবং স্ট্যান্ডার্ড বিভাগের সচিবের দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের সচবি ছিলেন সামা পারভিন, সঙ্গে সামলেছেন জিটিএ-র প্রধান সচিবের দায়িত্বও। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের এই ছ’জন আইএএস অফিসারকে তামিলনাড়ুতে পাঠানো হয়েছে। এঁরা তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জেলায় ভোট পর্যবেক্ষকের কাজের দায়িত্ব সামলাবেন। গত রবিবার ভোট ঘোষমার পর মধ্যরাতেই বাংলার মুখ্য ও স্বরাষ্ট্রসচিব পদ থেকে যতাক্রমে নন্দিনী চক্রবর্তী এবং জগদীশপ্রসাদ মিনাকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। এরপর গত তিন দিনে আরও চারজন আইএএস-কে সরানো হয়েছে। অর্থাৎ এখনও পর্যন্ত বাংলার মোট ১২ আইএএস-কে সরিয়ে দিল কমিশন। ভোটের মুখে কমিশনের এ হেন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কড়া চিঠি দিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার ফের একবার কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। পুরো বিষয়টিকে গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে বিপজ্জনক ইঙ্গিত বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
37 shares
😐
E
EI Samay
Mar 19, 2026, 02:24 PM
পশ্চিমবঙ্গ সরকার নাগরিক স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য অ্যাড-হক বোনাস বাড়িয়েছে

পশ্চিমবঙ্গ সরকার নাগরিক স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য অ্যাড-হক বোনাস বাড়িয়েছে

কলকাতা ও রাজ্য পুলিশের অধীনে কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য অ্যাড-হক বোনাস বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি জারি করল নবান্ন। বৃহস্পতিবার এই মর্মে একটি সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, সিভিক ভলান্টিয়াররা এতদিন ৬,৮০০ টাকা ভাতা পেতেন। সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সিভিক ভলান্টিয়াররা ৭,০০০ টাকা (বর্ধিত ৬০০ টাকা) ভাতা পাবেন। ভিলেজ পুলিশদের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।উল্লেখ্য, সরকারি কর্মচারীদের জন্য অ্যাড-হক বোনাস বৃদ্ধির ঘোষণা আগেই করে রেখেছিল। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার দিনে পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনদের ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি পুজোর আগে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য এবং ইদের আগে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য বোনাস বৃদ্ধির কথাও জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার।নির্বাচনের আগেঅর্ন্তবর্তিকালীন বাজেটেসিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য মাসিক পারিশ্রমিক ১০০০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সিভিক ভলান্টিয়ার ছাড়াও গ্রিন পুলিশ ও ভিলেজ পুলিশদের জন্যেও এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।রাজ্যে পালাবদলের পরে মূলত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মেলা-পার্বণে ভিড় সামাল দেওয়ার জন্যে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। বর্তমানে দেড় লক্ষেরও বেশি সিভিক ভলান্টিয়ার রাজ্যে কর্মরত আছেন।
65 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 19, 2026, 02:07 PM
নির্বাচনী জ্বরের মধ্যে বাংলার রাজনীতিতে কেন্দ্রবিন্দুতে পানিহাটি কেন্দ্র

নির্বাচনী জ্বরের মধ্যে বাংলার রাজনীতিতে কেন্দ্রবিন্দুতে পানিহাটি কেন্দ্র

ভোটের দামামা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলার রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে তরতরিয়ে। প্রার্থী ঘোষণার পর সেই উত্তাপ যে আরও চড়বে, তা ছিল প্রত্যাশিত আর বাস্তবও হল তেমনই। এই আবহেই হঠাৎ করে নজরের কেন্দ্রে উঠে এসেছে পানিহাটি কেন্দ্র। বাংলায় রাজনীতির পারদ চড়ছে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই। প্রার্থী নাম ঘোষণার পর, পারদ যে আরও চড়বে, তা বোঝা গিয়েছিল বিলক্ষণ। হলও তাই। তবে কোন দলে কে প্রার্থী হচ্ছেন, এই প্রসঙ্গে, সবথেকে নজর কাড়ছে পানিহাটি কেন্দ্র। বিজেপি এখনও ওই কেন্দ্রের প্রার্থী নাম ঘোষণা না করলেও, আরজি কর কাণ্ডের নির্যাতিতা, নিহত অভয়ার বাবা জানিয়েছেন, অভয়ার মা প্রার্থী হচ্ছেন। প্রার্থী হচ্ছেন, মেয়ের বিচার ছিনিয়ে নিতে, প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যের নারীদের সুরক্ষায়। অন্যদিকে পানিহাটিতেই প্রার্থী কলতান। বাম নেতা কলতান দাশগুপ্ত। আরজি কর কাণ্ডে পথে থেকেছেন দিনের পর দিন। তবে বিষয় এতটুকু নয়। অভয়ার বাবা রীতিমতো আক্রমণ শানিয়েছেন বাম নেতাদের উদ্দেশে। আরজি কর কাণ্ডের সময়, এই বাম নেতারাই সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত রাস্তায় থেকেছেন, জনজোয়ার পথে নামিয়ে স্লোগান তুলেছেন। বিচার ছিনিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু একেবারে ভোটের মুখে দাঁড়িয়ে কী বলছেন খোদ অভয়ার বাবা? সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, 'রাজ্যের বিজেপি ছাড়া বাকি বিরোধী দলগুলির অবস্থা এত দুর্বল, তাদের নির্দিষ্ট কোনও গাইডলাইন নেই। তাদের কেবল ক্ষমতা দখলের পরিকল্পনা।' তারপরেই বামেদের সরাসরি নিশানা করে অভয়ার বাবা বলেন, 'কলতান যখন এসেছিল, বারবার বলেছি, আমার মেয়ের মৃত্যুর উপর দাঁড়িয়ে রাজনীতি করতে দেব না। কিন্তু তারা সেই এই জায়গাটাই তুলে ধরার চেষ্টা করছে। সেই জায়গাটার বিরোধিতা করতে গিয়েই আমরা রাজনীতিতে আসতে বাধ্য হলাম।' সঙ্গেই তিনি বলেন, 'বামপন্থী দলগুলি আন্দোলন করেছে। বিচারের জন্য কী করেছে। বিচার যাতে আমরা না পাই, সেই কাজটা করেছে। বিচার যাতে সহজ হয়, আমরা পাই, সেই কাজটা করেনি। এখনও তারা বিরোধিতা করে যাচ্ছে, বাধা দিয়ে যাচ্ছে। বিচার যাতে না মেলে। ৩৪ বছর ধরে বামপন্থীরা রাজ্যকে যে পরিস্থিতি দিয়ে গিয়েছে, পরবর্তীকালে তারাই ভোটকাটাকাটির অঙ্কে, তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনে রাজ্যকে সেই অবস্থায় রেখেছে।' এহেন আবহে আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করেছিল ছাত্র-চিকিৎসক এবং অভিনেতা কিঞ্জল নন্দের সঙ্গে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নির্যাতিতা চিকিৎসকের মৃত্যুর প্রতিবাদে জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনের প্রধান মুখ ছিলেন কিঞ্জল। আজকাল ডট ইন-এর কাছে নির্যাতিতার বাবা-মার প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুনেই খানিক থমকালেন তিনি। তারপর স্পষ্টভাবে ছোট্ট করে বলে উঠলেন, “এই বিষয়ে আমি একটাও কথাও বলতে চাই না। কোনও মন্তব্য করতে চাই না! শুধু এটুকু বলব, আমি বর্তমানে বাঁচছি, বর্তমানেই থাকতে চাই। অতীতে নয়। আর কিচ্ছুটি বলার নেই আমার। কোনও অভিব্যক্তি মন্তব্য, কিচ্ছু নেই। ব্যস এটুকুই!”
30 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 02:03 PM
আসন্ন নির্বাচনে অপ্রচলিত প্রার্থীদের উপর বাজি ধরছে টিএমসি

আসন্ন নির্বাচনে অপ্রচলিত প্রার্থীদের উপর বাজি ধরছে টিএমসি

রুপোলি পর্দার ঝকঝকে তারকা নন, সংগঠনের ছোট-বড় কোনও নেতাও নন। ভোটের ময়দানে আনকোরা হলেও মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষদের উপরেই বাজি ধরেছে মা-মাটি-মানুষের দল। ১৭ মার্চতৃণমূলের প্রকাশিত ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকায় রাজনীতির ময়দানে পরিচিত প্রার্থীর পাশাপাশি উঠে এসেছে বেশ কিছু ‘নতুন’ প্রার্থীর নামও। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি কেন্দ্রে সামনে এসেছে এমনই চমক। সেখানে এ বারের নির্বাচনের জন্য তৃণমূলের তুরুপের তাস রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত বর্ণালী ধাড়া। সংগঠনের দুঁদে কোনও নেতা নন, ২৬-এর বাজি জিততে কুলপি কেন্দ্রে জোড়ফুল শিবির আস্থা রেখেছে পরিচিত এই মহিলা মুখের উপরে।২০২৫ সালে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পান তিনি। গৃহবধূ থেকে মহিলাদের চাষের জমিতে স্বনির্ভরতার দিশা দেখানো ৫১ বছর বয়সি বর্ণালীকে 'বিশিষ্ট চাষি' হিসেবে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে সম্মানিত হন। সেই বর্ণালীই জোড়াফুল শিবিরের হাত ধরে নামলেন ভোট ময়দানে।কাকদ্বীপ ব্লকের উত্তর চন্দ্রনগরের বাসিন্দা বর্ণালী পড়াশোনা করেছেন নিশ্চিন্দিপুর আরডি হাইস্কুলে এবং পরে প্রাইভেটে স্নাতক সম্পন্ন করেন। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরেই তাঁর বিয়ে হয় মলয় কুমার ধাড়ার সঙ্গে, যিনি একসময়ে সারের দোকান চালাতেন। শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। একটা সময়ে সার-কীটনাশক বিক্রির প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে বর্ণালী পরিচিত হন আরও বিপুল সম্ভাবনার সঙ্গে।বর্ণালীর রাজনীতির সঙ্গে এর আগে যোগ না থাকলেও তাঁর পরিবারের রাজনৈতিক পটভূমিও যথেষ্ট শক্তিশালী। তাঁর শ্বশুর দিলীপ কুমার ধাড়া, দীর্ঘদিন কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং দাদাশ্বশুর হংসরাজ ধাড়া ছিলেন কংগ্রেসের বিধায়ক। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বর্ণালীর দুই শ্বশুরমশাইয়ের।অন্যদিকে, বর্ণালীর বাবা-মা দুজনেই শিক্ষক ছিলেন। তাঁর দুই পুত্র—একজন মেকানিক্যাল এবং অন্যজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক ডিগ্রিধারী। সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত না থাকলেও, এলাকার মহিলাদের নিয়ে মিটিং-মিছিলে অংশগ্রহণ করতেন তিনি।মহিলাদের নিয়ে বর্ণালী শুরু করেন অশ্বত্থতলা মহিলা জনকল্যাণ নামের একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীও। এখন তার সেক্রেটারি পদে রয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে এই স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি করে মহিলাদের আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেন। চাষবাস থেকে শুরু করে হস্তশিল্প—বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তিনি বহু মহিলাকে স্বনির্ভর করে তুলেছেন। তাঁর সব থেকে উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে হলো সূর্যমুখীর বীজ উৎপাদন। এই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৮ সালে পান মহিলা কিষাণ পুরস্কার এবং ২০২৫ সালে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে কৃষক সম্মান লাভ করেন। বর্তমানে শুধু সূর্যমুখীর বীজই নয়, জমিতে দাঁড়িয়ে শাকসব্জি-সহ একাধিক চাষের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।কুলপির তৃণমূল প্রার্থী বর্ণালী জানিয়েছেন, ভোটে দাঁড়ানোর কোনও পরিকল্পনা তাঁর আগে ছিল না। তবে নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় কাজের ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে মনে করেন বর্ণালী। তাঁর লক্ষ্য, কুলপি ব্লককে আরও সবুজ করে তোলা, কৃষির প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানো এবং চাষবাসের মাধ্যমে স্বনির্ভরতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।
15 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 19, 2026, 01:57 PM
দলের তালিকা থেকে খাগেশ্বর রায়কে বাদ দিল তৃণমূল কংগ্রেস

দলের তালিকা থেকে খাগেশ্বর রায়কে বাদ দিল তৃণমূল কংগ্রেস

আজকাল ওয়েবডেস্ক:হাত শিবিরে তখন। তখন থেকেই পরিচয় মমতা ব্যানার্জি আর খগেশ্বর রায়ের। পরে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম। উত্তরের এক জেলার জন্য গোড়া থেকেই মমতা ভরসা রেখেছিলেন 'খগেশ্বর দা'র উপরে। তারপর বাংলার রাজনীতিতে জল বয়েছে বিপুল। প্রথমদিকের ভোটে পরাজয় এলেও, তারপর থেকে টানা ভোট জিতে গিয়েছেন খগেশ্বর রায়। তবে এবার ছবি কিছুটা আলাদা। তৃণমূল কংগ্রেস রাজগঞ্জ আসনের জন্য, চারবারের বিধায়ককে টিকিট দেয়নি। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ঘাসফুল শিবির এবার একযোগে ৭৪ বিধায়ককে এবার প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। তাঁদের মধ্যেই একজন খগেশ্বর। তাঁর জায়গায় তৃণমূল প্রার্থী করেছে সোনার মেয়ে স্বপ্নাকে। তারপরেই বেঁকে বসেন খগেশ্বর। বলেন, তিনিই ফাটল ধরিয়েছিলেন বাম দুর্গে। আর তাঁকেই প্রার্থী করল না দল। মঙ্গল দুপুরে তালিকা ঘোষণা হতেই, দলীয় পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। তবে একদিনেই পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত। খগেশ্বর অভিমানী হতেই, তাঁকে ফোন করেন খোদ মমতা ব্যানার্জি। তেমনটাই জানিয়েছেন খগেশ্বর রায়। আজকাল ডট ইন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বুধবার, রাতে মমতা ব্যানার্জি তাঁকে ফোন করেন। বলেন, 'হুট করে ২০২৬-এর তালিকায় নিজের নাম নেই দেখলাম। বহুদিন ধরে দল করেছি। বাম দুর্গে ফাটল বসিয়েছি। নাম না দেখে, আমি দুঃখ পেয়েছিলাম, তাছাড়া সমর্থকেরাও ভেঙে পড়ে। তাতে আমিও আবেগতাড়িত হয়ে ঘোষণা করি দলত্যাগ করার।' তারপরেই বলেন, 'দিদি গতকাল পৌণে দশটা নাগাদ ফোন করেন। বলেন ভোট মিটে যাক, দেখব দলে কোন পদে দায়িত্ব দেওয়া যায়। আমি বলেছি, আমি দল ছাড়িনি। জলপাইগুড়ির তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। আমি বলেছি, আপনি যতদিন আছেন, ততদিন আমি তৃণমূলে আছি। জীবন দিয়ে লড়াই করব।' এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকায় এবার একেবারে ছেঁটে ফেলা হয়েছে 'স্টার গ্লো'। বদলে যে কথা অভিষেক এর আগেও বারবার বলেছেন, দলে গুরুত্ব দেওয়া হবে পারফম্যান্সকে। দেওয়া হলও তাই। দল বাদ দিল ৭৪ জন সিটিং বিধায়ককে। মমতা কি জানতেন না, এক ধাক্কায় ভোটের মুখে এতজন বিধায়ককে টিকিট না দিলে তাঁরা ক্ষোভ দেখাতে পারেন? তাঁদের অনুরাগী, অনুগামীরা বিক্ষুব্ধ হলে সমস্যা হতে পারে? জানতেন বিলক্ষণ। এই প্রসঙ্গে মনে করিয়ে দেওয়া যেতে পারে একটি প্রসঙ্গ। দলের সুপ্রিমো, জনগণের কাছে ভোট চাইতে গিয়ে, বলেন, বিধায়ক প্রার্থী আসনে আসনে পৃথক, দলের মুখ কিন্তু তিনি। তিনিই। অর্থাৎ মমতা জানেন, দলের যে 'খেলা'র কথা বলেন নেতা কর্মীরা, তা ঘোরান তিনি নিজেই। সেক্ষেত্রে এক যোগে ৭৪ বিধায়ককে টিকিট না দিতে, বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি তিনি। কেন্দ্র বদল করে দিয়েছেন ১৫ বিধায়কেরও।
66 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 19, 2026, 01:49 PM
সোনারপুর দক্ষিণ থেকে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে মনোনীত রূপা গাঙ্গুলি, পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের সুরক্ষার উপর জোর দিয়েছেন

সোনারপুর দক্ষিণ থেকে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে মনোনীত রূপা গাঙ্গুলি, পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের সুরক্ষার উপর জোর দিয়েছেন

বিজেপির দ্বিতীয় দফার প্রার্থিতালিকায় নাম রয়েছে রুপা গাঙ্গুলির৷ সোনারপুর দক্ষিণ থেকে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী রূপা গাঙ্গুলি৷ আজকাল ডট ইন কে অভিনেত্রী জানালেন, তিনি সদ্যই জানতে পেরেছেন বিজেপির প্রার্থীতালিকায় সোনারপুর দক্ষিণ থেকে তাঁকে মনোনীত করা হয়েছে৷ ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর নির্বাচনী কৌশল ঠিক কী, এই প্রশ্নের জবাবে রূপা বলেন, "নির্বাচনী কৌশল ইত্যাদি ঠিক বুঝি না৷ জেতাটাও আমার কাছে মনে হয় যেন একটা দায়িত্ব। প্রার্থী হওয়াটাও একটা দায়িত্ব৷ আমি সেই দায়িত্বটুকু পালন করব৷ মানুষের কাছে যাব৷ " এই সময় পশ্চিমবঙ্গে নারীসুরক্ষা নিয়ে নানা কথা নানা অভিযোগ উঠে আসছে৷ এই বিষয় রূপার অভিমত এবং আগামী পদক্ষেপ কী হতে পারে, জানতে চেয়েছিল আজকাল ডট ইন। রূপা বলেন, "পশ্চিমবঙ্গে বেঁচে থাকাটাই একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ শুধু নারী কেন? আজকে পুরুষরাই কি সুরক্ষিত? যে কোনও পার্টির হোক, মতের অমিল হলে তাকে কুপিয়ে কাটতে হচ্ছে? রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে৷ বিরোধিতা হবে, ঝগড়া হবে, কিন্তু সেই বিবাদ এমন জায়গায় পৌঁছোবে যে তাকে হাত পা কেটে ফেলতে হবে! এটা কি কোনও সভ্য সমাজে হতে পারে? এতে কি বিজেপির মানুষ খুশি হয়ে যাবে তৃণমূলের লোক মারা গেছে ভেবে নাকি সিপিএম আনন্দ পাবে যে একটা ভোট কমল, কোনটা? এই রাজনৈতিক সংঘর্ষ থেকে মানুষ মুক্তি চায়, মানুষ শান্তিতে বাঁচতে চায়, আমি সেই বার্তাই মানুষকে দেব।" জেতার বিষয় রূপা গাঙ্গুলি কতটা আশাবাদী? এই প্রশ্নের জবাবে অভিনেত্রীর সংযোজন, মানুষ যা চাইবে তাই হবে৷ মানুষ আমাকে বহু বছর দেখেছে৷ বহু আন্দোলন বহু ঘটনা, সোনারপুর, রাজপুর অঞ্চলে আমি একসময় থাকতাম। আমি ওখানের ভোটার ছিলাম একসময়৷ আমার বাবা মা বহু বছর আছেন৷ আমরা তো উদ্বাস্তু তাই আমি রোজগার করার পরে বাবা মাকে একটা থাকার জায়গা তো করে দিতে হবে৷ মা চেয়েছিলেন একটু ফাঁকা জায়গা যেখানে গাছ লাগাতে পারবেন৷ সেজন্য সোনারুপুর রাজপুরে বাড়ি কিনেছিলাম৷ আমি কাজের সুবিধার জন্য টালিগঞ্জে পরবর্তীকালে এলেও আমার ওই অঞ্চলে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। তাই মানুষ আমাকে যেমন মেয়ে হিসাবে দেখেছেন, তেমনি ওখানের বাসিন্দা, ওই অঞ্চলের ভোটার সব ভাবেই দেখেছেন৷ তাই মানুষের উপর সবটা নির্ভর করছে৷ "রূপা গাঙ্গুলি ২০১৫ সালে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-তে যোগ দেন। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে দলটি নিজেদের ভিত্তি শক্ত করার চেষ্টা করছিল, এবং জনপ্রিয় মুখ হিসেবে রূপাকে সামনে আনা হয়।২০১৬ সালে রূপা গাঙ্গুলি রাজ্যসভা-র সদস্য হিসেবে মনোনীত হন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ BJP-র অন্যতম পরিচিত মহিলা মুখ। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটের আবহে রূপা গাঙ্গুলির প্রার্থী হওয়া শাসক-বিরোধী শিবিরে কতটা প্রভাব ফেলবে সেটাই দেখার অপেক্ষা৷
42 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 19, 2026, 01:22 PM
সাধারণ মানুষ হলেন সিপিআই (এম)-এর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

সাধারণ মানুষ হলেন সিপিআই (এম)-এর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

আজকাল ওয়েবডেস্ক:তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বা বিজেপির ডঃ শতরূপা, কাউকেই হেভিওয়েট মনে করছেন না তিনি। বালিগঞ্জ বিধানসভায় সিপিএমের প্রার্থী আফরিন বেগমের মতে সবচেয়ে হেভিওয়েট সেখানকার সাধারণ মানুষ। আমজনতার মন জয় করাই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন তিনি। উল্টোদিকে কে লড়ছে, সেদিকে মন দিচ্ছেন না। টিকিট পাওয়ার পর আজকাল ডট ইনকে ফোনে আফরিন জানালেন, ‘নির্বাচনে যখন নেমেছি, তৈরি হয়েই নেমেছি। আমরা বাংলা বাঁচানোর লড়াইয়ে নেমেছি। বাংলার মানুষকে রক্ষা করার লড়াইয়ে নেমেছি, তাদের রুটি রুজি, শিক্ষা-স্বাস্থ্য অন্ন, বাসস্থান সমস্ত কিছুর লড়াইয়ে আমরা নেমেছি। বাংলার অন্যান্য এলাকার মতো বালিগঞ্জ বিধানসভার মানুষও যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে সেটার বিরুদ্ধেই লড়াই।’ বিশেষ কোনও ইস্যুকে কেন্দ্র করে প্রচার চালাবেন? আফরিনের সাফ জবাব, ‘বিশেষ ইস্যু বলতে এসআইআরটা একটা ভয়ঙ্কর বড় ইস্যু এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে। যাঁদের ১৮ বছর বয়স হয়ে গিয়েছে, তরুণ ভোটার, তাঁদের নামও এবারে বাদ পড়েছে। ভোটদান করার তাদের যে অধিকার সেটাই তারা পাবে কি না, সেটাই অনিশ্চয়তার মুখে।’ তবে এসআইআরের পাশাপাশি, আফরিন যেখান থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছেন সেই বালিগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত বিভিন্ন স্কুল যেভাবে বন্ধের মুখে তার বিরুদ্ধে সরব হবেন বলে জানালেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘বালিগঞ্জ বিধানসভার ক্ষেত্রে যেভাবে স্কুলগুলো, গোটা পশ্চিম বাংলা জুড়ে স্কুলগুলো উঠে যাচ্ছে, বালিগঞ্জ গভমেন্ট থেকে শুরু করে আরও যে সমস্ত স্কুল, সেগুলোর যে পরিকাঠামোগত ক্ষতি সেগুলো যেভাবে হয়েছে দিনের পর দিন, শিক্ষক নেই বলে বিষয় বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। তাছাড়া, যাঁরা বস্তিতে থাকেন তাঁদের শৌচালয়ের ইস্যু নিয়েও আমরা লড়াই করব।’ পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলার বাইরে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনাকেও বড় ইস্যু বলে জানালেন আফরিন। বললেন, ‘পরিযায়ী শ্রমিকরা যারা এই রাজ্যে কাজ না পেয়ে ভিন্ন রাজ্যে যাচ্ছেন, কিন্তু বাংলা ভাষা বলার জন্য তাদের অত্যাচারিত হয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। আবার সেই কেন্দ্রীয় সরকারের যে বিজেপি দল তারাই আবার এই বাংলায় ভোট চাইতে আসছে।’ এর আগে এই বিধানসভা থেকে বামেদের হয়ে লড়েছেন ফুয়াদ হালিম, সায়রা শাহ হালিমের মতো ব্যক্তিত্বরা। আফরিন জানালেন, ‘আমাদের গুরুজন এবং বয়োজ্যেষ্ঠ তাঁদের কাছ থেকে আমি পরামর্শ নেব। যাঁরা আমাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে আসছেন তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলে আলোচনা করে লড়াইতে নামব। এই লড়াইটা লড়া বাংলাকে বাঁচানোর লড়াই। জনগণের স্বার্থে জনগণের জন্য বামপন্থীরা যে লড়াইটা লড়ছে সেই লড়াইয়ের আমিও একজন কর্মী।’
94 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Mar 19, 2026, 01:14 PM
সংবেদনশীল সম্পর্কের মধ্যে চীনে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করল ভারত

সংবেদনশীল সম্পর্কের মধ্যে চীনে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করল ভারত

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি ও পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভারত-চিন সম্পর্ক যখন সংবেদনশীল পর্যায়ে, সেই সময়ই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। অভিজ্ঞকূটনীতিক বিক্রম দোরাইস্বামীকে বেজিংয়ে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।বর্তমানে বিক্রম দোরাইস্বামী যুক্তরাজ্যে ভারতের হাই কমিশনার হিসেবে কর্মরত। তিন দশকেরও বেশি সময়ের কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই তিনি বেজিংয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। তিনি স্থলাভিষিক্ত হবেন প্রদীপ রাওয়াতের, যিনি পূর্ব লাদাখের দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। দোরাইস্বামীর নিয়োগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতির সমীকরণ দ্রুত বদলাচ্ছে। সীমান্ত উত্তেজনা, বাণিজ্যিক স্বার্থ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল— সব মিলিয়ে ভারত ও চিনের সম্পর্ক এখন এক জটিল পর্যায়ে দাঁড়িয়ে। এই পরিস্থিতিতে চিন-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন কূটনীতিককে বেছে নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, কর্মজীবনের শুরুতেই হংকংয়ে দায়িত্ব পালন করেন দোরাইস্বামী এবং সেখানে তিনি ম্যান্ডারিন ভাষাও শেখেন। পরবর্তীতে বেজিংয়ে ভারতীয় দূতাবাসেও কাজ করেছেন, যা চিন-সংক্রান্ত কূটনীতিতে তাঁকে বিশেষ দক্ষ করে তুলেছে। দোরাইস্বামীর কূটনৈতিক জীবনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনার হিসেবে ২০২০-২০২২ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন এবং শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া এবং উজবেকিস্তানে রাষ্ট্রদূত হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। কূটনৈতিক দায়িত্বের বাইরে তাঁর কর্মজীবনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে কাজ করা। পাশাপাশি সদর দপ্তরে সার্ক ও ইন্দো-প্যাসিফিক বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। সম্প্রতি লন্ডনে দায়িত্বে থাকাকালীন ভারত-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন দোরাইস্বামী। বিশেষ করে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং চরমপন্থী কার্যকলাপ সংক্রান্ত উদ্বেগ মোকাবিলায় তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেজিংয়ে তাঁর নিয়োগ কেবল কূটনৈতিক রদবদল নয়, বরং একটি কৌশলগত বার্তা। সীমান্ত ইস্যু থেকে বাণিজ্য—সব ক্ষেত্রেই ভারত-চিন সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষায় বিক্রম দোরাইস্বামীর ভূমিকা আগামী দিনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
85 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 19, 2026, 01:10 PM
বহরমপুর নির্বাচনী লড়াইঃ কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নাদুগোপাল মুখার্জিকে আক্রমণ করেছেন

বহরমপুর নির্বাচনী লড়াইঃ কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নাদুগোপাল মুখার্জিকে আক্রমণ করেছেন

আজকাল ওয়েবডেস্ক:রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের শুরু হয়েছে এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক 'যুদ্ধ'। রাজ্যের অন্যতম উল্লেখযোগ্য এই বিধানসভা কেন্দ্রে এবার লড়াই শুধু দলীয় নয় বরং 'গুরু' বনাম 'শিষ্য'। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্রে এবার মূল লড়াই হতে চলেছে কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তথা দলের বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জির মধ্যে। যদিও গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি-র প্রতীকে জয়ী হয়েছিলেন অধীরের অপর এক 'প্রাক্তন শিষ্য' সুব্রত মৈত্র কাঞ্চন। তবে অধীর চৌধুরীকে সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটি বহরমপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়াই অনেকেই মনে করছেন লড়াই এবার সরাসরি কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে।তবে তৃণমূল নেতৃত্ব এই লড়াইকে গুরু বনাম শিষ্যের লড়াই বলে মানতে রাজি নন। তাঁদের বক্তব্য এই লড়াই পুরনো সিস্টেমকে চ্যালেঞ্জ করে নতুন প্রজন্মের লড়াই। 'স্ত্রীর জায়গায় কার নাম দেবে?' বিস্ফোরক অনিন্দিতা নতুন দলের নাম ঘোষণা রাজন্যার, কোন আসন থেকে লড়বেন? তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে নাড়ুগোপাল মুখার্জির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হলেও এআইসিসির তরফ থেকে এখনও অধীর চৌধুরীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের তরফ থেকে ইতিমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে অধীর চৌধুরী বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রেই লড়াই করবেন। বিধানসভা নির্বাচনের লড়াইয়ের জন্য ইতিমধ্যেই বহরমপুর শহরে পৌঁছে গিয়েছেন অধীর চৌধুরী। সূত্রের খবর ,নিজের 'পয়া' চৌধুরী ভিলা থেকে ফের একবার নির্বাচনী যুদ্ধে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। বৃহস্পতিবারও সাংবাদিকদের সঙ্গে 'চৌধুরী ভিলা'য় বসে কথা বলেছেন অধীরবাবু। ১৯৯১ সালে নবগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের প্রতীকে প্রথমবার লড়ে পরাজিত হয়েছিলেন অধীর চৌধুরী। ঠিক পাঁচ বছর আগে ২০২১ সালে জীবনের প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জি। তবে ৫ বছর আগে হওয়া 'ভুল ত্রুটি' শুধরে নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জি এবার অধীর চৌধুরীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানোর জন্য প্রস্তুত। তৃণমূল কংগ্রেস যে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে কংগ্রেসকেই তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে মনে করছেন তা দলের ভোট কৌশলে মোটামুটি পরিষ্কার। ইতিমধ্যেই নাড়ুগোপাল মুখার্জি তাঁর একাধিক বক্তব্যে কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তৃণমূল প্রার্থীর অভিযোগ, অধীর চৌধুরীর আমলে বহরমপুর শহরে যে দুর্নীতি হয়েছে তার জন্যই উন্নয়ন স্তব্ধ হয়েছিল। রাজ্যে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে বহরমপুর শহরের চেহারা আমূল পাল্টে গিয়েছে।। শহরে তৃণমূল কর্মীরা এখন ২৪ ঘন্টা মানুষকে পরিষেবা দিচ্ছেন। অন্যদিকে বহরমপুরের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, বহরমপুর পুরসভায় ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে এবং তৃণমূল নেতারা বিভিন্ন রকমের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অধীরবাবু বলেন ,"আমি বহরমপুরে বহিরাগত নই। আমি এখানকার সাংসদ ছিলাম। বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি বহরমপুর লোকসভার অধীনেই পড়ে। সাধারণ মানুষ যদি আমাকে চায় ,এটা আমার কাছে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার মতো।" তবে মুর্শিদাবাদ জেলার রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞ মহলের মত, গত পাঁচ বছরে বহরমপুর শহরে তৃণমূল কংগ্রেস যে উন্নয়নের কাজ করেছে তার 'সুফল' এবার ঘরে তুলতে চলেছে শাসক দলের প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জি। পাশাপাশি অধীর চৌধুরীর 'রবিনহুড ইমেজ'ও বহরমপুরবাসী ভুলতে বসেছে। কংগ্রেসকে যে নতুন প্রজন্মের ভোটাররা খুব একটা ভালো চোখে দেখেন না তার প্রমান দেশ জুড়ে বিভিন্ন রাজ্যে হওয়া একাধিক নির্বাচনে পাওয়া গিয়েছে। তাই তৃণমূল নেতৃত্ব 'অচল' অধীরকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ। দলের নেতারা ভোটের সমীকরণ বিশ্লেষণ করে জানান, বহরমপুর পুরসভা এলাকায় কংগ্রেস ,বিজেপি এবং তৃণমূল প্রায় সমান সমান ভোট পেলেও বহরমপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত যে গ্রামীণ অংশগুলো রয়েছে সেখানে তৃণমূল কংগ্রেস অনেকটাই 'অ্যাডভান্টেজিয়াস' জায়গায় থাকবে। গ্রামীণ এলাকা থেকে পাওয়া 'লিড' চূড়ান্ত পর্যায়ে তৃণমূল প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করবে। জেলা তৃণমূলের এক নেতা বলেন ,একসময় মনে করা হত অধীর চৌধুরীকে লোকসভা নির্বাচনে হারানো সম্ভব নয়। সেই 'মিথ' ২০২৪-এর নির্বাচনে ইউসুফ পাঠান ভেঙে দিয়েছেন। দলের সমস্ত কর্মীরা আশাবাদী আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নাড়ুগোপাল মুখার্জি ফের একবার সেই 'মিথ' ভেঙে দেবেন। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য- 'গুরুমারা বিদ্যাতেই' পরাজিত হবেন অধীর। তবে অধীর চৌধুরীকে নিজের গুরু বলেই স্বীকার করতে রাজি নন তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জি। তিনি বলেন,"বহরমপুর পুরসভার একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে একসময় আমি কংগ্রেস করতাম ঠিকই কিন্তু তা চাপে পড়ে করতাম। অধীর চৌধুরী কোনওদিনই আমার 'গুরু' ছিলেন না। তাঁকে আমার কখনই ভালো লাগত না।"তিনি বলেন, "এই লড়াই আদৌ গুরু-শিষ্যের লড়াই নয়,এই লড়াই তারুণ্যের সঙ্গে বার্ধক্যের লড়াই।"
74 shares
😢
D
Dainik Statesman
Mar 19, 2026, 01:09 PM
সিপিআই (এম) নেতা ভোটদানের অধিকার এবং মানবাধিকার সুরক্ষার উপর জোর দিয়েছেন

সিপিআই (এম) নেতা ভোটদানের অধিকার এবং মানবাধিকার সুরক্ষার উপর জোর দিয়েছেন

বামফ্রন্টের দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ভোটাধিকার ও মানবাধিকার রক্ষার প্রশ্নে সরব হলেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। বৃহস্পতিবার সিপিআই(এম)-এর রাজ্য সদর দপ্তর মুজফ্ফর আহমেদ ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে ৩২টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন প্রবীণ নেতা মিহির বাইন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।
48 shares
😐
E
EI Samay
Mar 19, 2026, 01:08 PM
বিভিন্ন আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি

বিভিন্ন আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি

দ্বিতীয় দফায় ১১১ জনের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি (BJP Second List)। দলের একাধিক পুরোনো কর্মীকে প্রার্থী তালিকায় আনা হয়েছে। যেমন রীতেশ তিওয়ারি, ধ্রুব সাহা। আবার বহু প্রার্থীর আসন রীতিমতো অবাক করা। মেদিনীপুর থেকে হাওড়ার শ্যামপুরে আনা হয়েছে হিরণকে। অর্জুন সিং লড়ছেন নোয়াপাড়ায়। জগদ্দলে IPS রাজেশ কুমার। হিঙ্গলগঞ্জে রেখা পাত্র। রইল ১১১ জনের নামের তালিকা—মেখলিগঞ্জ (SC): দধিরাম রায়, মাথাভাঙা (SC): নিশীথ প্রামাণিক, মাদারিহাট (ST): লক্ষ্মণ লিম্বু, ধূপগুড়ি (SC): নরেশচন্দ্র রায়, ময়নাগুড়ি (SC): কৌশিক রায়, জলপাইগুড়ি (SC): অনন্ত দেব অধিকারী, মাল (ST): সুকরা মুণ্ডা, কালিম্পং: ভরত ছেত্রী, দার্জিলিং: নোমান রায়, কার্শিয়াং: সোনম লামা, চোপড়া: শঙ্কর অধিকারী, ইটাহার: সবিতা বর্মন, হরিশ্চন্দ্রপুর: রতন দাস, বৈষ্ণবনগর: রাজু কর্মকারফরাক্কা সুনীল চৌধুরী, শামসেরগঞ্জ: ষষ্ঠীচরণ ঘোষ, জঙ্গিপুর: চিত্ত মুখোপাধ্যায়, সাগরদিঘি: তাপস চক্রবর্তী, রানিনগর: রানা প্রতাপ সিং রায়, নবগ্রাম (SC): দিলীপ সাহা, খড়গ্রাম (SC): মিতালী মল, বড়ঞা (SC): সুখেনকুমার বাগদী, কান্দি: গার্গী দাস ঘোষ, ভরতপুর: অনামিকা ঘোষতেহট্ট: সুব্রত কবিরাজ, নাকাশিপাড়া: শান্তনু দে, চাপড়া: সৈকত সরকার, নবদ্বীপ: শ্রুতিশেখর গোস্বামী, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ: সাধন ঘোষ, কৃষ্ণগঞ্জ (SC): সুকান্ত বিশ্বাস, রানাঘাট দক্ষিণ (SC): অসীমকুমার বিশ্বাস, বনগাঁ উত্তর (SC): অশোক কীর্তনিয়া, বনগাঁ দক্ষিণ (SC): স্বপন মজুমদার, গাইঘাটা (SC): সুব্রত ঠাকুর, স্বরূপনগর (SC): তারক সাহা, হাবরা: দেবদাস মণ্ডল, অশোকনগর: সুময় হীরাবীজপুর: সুদীপ্ত দাস, জগদ্দল: রাজেশ কুমার (আইপিএস), নোয়াপাড়া: অর্জুন সিং, ব্যারাকপুর: কৌস্তভ বাগচী, খড়দহ: কল্যাণ চক্রবর্তী, কামারহাটি: অরূপ চৌধুরী, দমদম: অরিজিৎ বক্সী, রাজারহাট নিউটাউন: পীযূষ কানোরিয়া, বিধাননগর: শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, রাজারহাট গোপালপুর: তরুণজ্যোতি তিওয়ারি, বারাসত: শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়, হাড়োয়া: ভাস্কর মণ্ডল, মিনাখাঁ (SC): রুদ্রেন্দ্র পাত্র, সন্দেশখালি (ST): সনৎ সর্দার, বসিরহাট দক্ষিণ: সুরজ (শৌর্য) বন্দ্যোপাধ্যায়, হিঙ্গলগঞ্জ (SC): রেখা পাত্র, গোসাবা (SC): বিকর্ণ নস্কর, সাগর: সুমন্ত মণ্ডল, কুলপি: অবনী নস্কর, মন্দিরবাজার (SC): মল্লিকা পাইকজয়নগর (SC): অলোক হালদার, বারুইপুর পূর্ব (SC): টুম্পা সর্দার, ক্যানিং পশ্চিম (SC): প্রশান্ত বায়েন, বারুইপুর পশ্চিম: বিশ্বজিৎ পাল, মগরাহাট পশ্চিম: গৌরসুন্দর ঘোষ, সাতগাছিয়া: অগ্নিশ্বর নস্কর, সোনারপুর দক্ষিণ: রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, ভাঙড়: জয়ন্ত গায়েন, কসবা: সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, যাদবপুর: শর্বরী মুখোপাধ্যায়, টালিগঞ্জ: পাপিয়া (দে) অধিকারীবেহালা পূর্ব: সুনীল মহারাজ, বেহালা পশ্চিম: ইন্দ্রনীল খাঁ, মহেশতলা: তমোনাথ ভৌমিক, বালিগঞ্জ: শতরূপা, এন্টালি: প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল, বেলেঘাটা: পার্থ চৌধুরী, জোড়াসাঁকো: বিজয় ওঝা, শ্যামপুকুর: পূর্ণিমা চক্রবর্তী, মানিকতলা: তাপস রায়, কাশীপুর-বেলগাছিয়া: রিতেশ তিওয়ারি, বালি: সঞ্জয় সিং, সাঁকরাইল (SC): বর্ণালী ঢালি, উলুবেড়িয়া উত্তর (SC): চিরন বেরা, শ্যামপুর: হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়বাগনান: প্রেমাংশু রানা, উদয়নারায়ণপুর: প্রভাকর পণ্ডিত, জগৎবল্লভপুর: অনুপম ঘোষ, শ্রীরামপুর: ভাস্কর ভট্টাচার্য, চাঁপদানি: দিলীপ সিং, বলাগড় (SC): সুমনা সরকার, পাণ্ডুয়া: তুষারকুমার মজুমদার, চণ্ডীতলা: দেবাশিস মুখোপাধ্যায়, জাঙ্গিপাড়া: প্রসেনজিৎ বাগ, ধনেখালি (SC): বর্ণালী দাস, ২০৭-নন্দকুমার: নির্মল খাঁড়া, ভগবানপুর: শান্তনু প্রামাণিক, খেজুরি (SC): সুব্রত পাইকএগরা: দিব্যেন্দু অধিকারী, পিংলা: স্বাগতা মান্না, বাঘমুণ্ডি: রহিদাস মাহাতো, পুরুলিয়া: সুদীপকুমার মুখোপাধ্যায়, বাঁকুড়া: নীলাদ্রিশেখর দানা, বিষ্ণুপুর: শুক্লা চট্টোপাধ্যায়, খণ্ডঘোষ (SC): গৌতম ধাড়া, বর্ধমান দক্ষিণ: মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, কালনা (SC): সিদ্ধার্থ মজুমদার, পূর্বস্থলী উত্তর: গোপাল চট্টোপাধ্যায়, মঙ্গলকোট: শিশির ঘোষ, গলসি (SC): রাজু পাত্র, রানিগঞ্জ: পার্থ ঘোষ, লাভপুর: দেবাশিস ওঝা, রামপুরহাট: ধ্রুব সাহা, মুরারই: রিঙ্কি ঘোষ
97 shares
😐