Achira News Logo
Achira News
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 21, 2026, 02:11 PM
বরোদা বিধানসভা কেন্দ্রঃ বামপন্থী আরএসপি পার্টির একটি ঐতিহাসিক শক্তি

বরোদা বিধানসভা কেন্দ্রঃ বামপন্থী আরএসপি পার্টির একটি ঐতিহাসিক শক্তি

আজকাল ওয়েবডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলায় বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রটি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরেই বামেদের শরিক আরএসপির শক্ত খাটি হিসেবে জেলায় পরিচিত ছিল। মুর্শিদাবাদ জেলায় অধীর চৌধুরী যখন 'দোর্দন্ড প্রতাপশালী' নেতা ছিলেন সেই সময়ও তাঁর প্রাক্তন শ্যালক অরিত মজুমদার এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সুবিধা করে উঠতে পারেননি। মা কালীর শরণাপন্ন হলেন মুর্শিদাবাদের জেলা সভাপতি! রাজ্যের এই বিধানসভা ধরে রাখতে 'জামাই'-এর উপরেই ভরসা ১৯৬৭ সাল থেকে ২০১১ পর্যন্ত এই আসনটি (মাঝে ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত আসনটি কংগ্রেসের দখলে ছিল) একটানা আরএসপি-র দখলে ছিল। সেই আসনই কংগ্রেসের মহিলা প্রার্থী প্রতিমা রজক ২০১১-এর বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের হাত থেকে ছিনিয়ে নেন। পরপর দু'বার প্রতিমা রজক ওই আসন থেকে কংগ্রেসের প্রতীকে জিতেছিলেন । যদিও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বড়ঞা কেন্দ্রে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি শিলাদিত্য হালদারকে দাঁড় করিয়েছিল কংগ্রেস। গত বিধানসভা নির্বাচনে বড়ঞা আসনে শিলাদিত্য হালদারকে তৃতীয় স্থানে ঠেলে দিয়ে বিজেপি প্রার্থী অমিয় কুমার দাস দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছিলেন। তৃণমূল প্রার্থী জীবনকৃষ্ণ সাহা জিতলেও তাঁর জয়ের ব্যবধান ৩০০০-এরও কম ভোট ছিল। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে বর্তমানে জেল বন্দি রয়েছেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। সিবিআই এই মামলার তদন্ত শুরু করতেই জীবন কৃষ্ণ সাহা কীভাবে নিজের মোবাইল ফোন পুকুরে ফেলে দিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন তা সংবাদমাধ্যমের পর্দায় অনেকেই দেখেছেন। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় যেমন তৃণমূলের টিকিট পাননি তেমনই এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত জীবনকৃষ্ণ সাহাকে টিকিট দেয়নি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। জীবনকৃষ্ণের পরিবর্তে সংরক্ষিত এই আসনে শাসক দল এবার প্রার্থী করেছে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়া প্রাক্তন বিধায়ক প্রতিমা রজককে। একজন সাধারণ আইসিডিএস কর্মী প্রতিমা রজকের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য এই নির্বাচনে বড় ভরসা হতে চলেছে। এর পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী নিয়ে বড়ঞা-র নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ থাকায় ,তার সুবিধাও পেতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপির তরফ থেকে এবছর তাদের দলের প্রার্থী সুখেন কুমার বাগদিকে বড়ঞা কেন্দ্রে প্রতিমা রজকের বিরুদ্ধে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছিল। সেবারের নির্বাচনে প্রতিমা রজক ৪৭ শতাংশের বেশি ভোট পেলেও বিজেপি প্রার্থী হিসেবে সুখেন কুমার বাগদি মাত্র সাড়ে ছয় শতাংশ ভোটও পাননি। প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর থেকেই প্রতিমা রজক দলের ব্লক সভাপতি মাহে আলম সহ অন্যান্য নেতা কর্মীদেরকে নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে চষে বেড়ানো শুরু করেছেন। কংগ্রেসের বিধায়ক হিসেবে দশ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁকে যে আলাদা' অ্যাডভান্টেজ' দেবে তা মেনে নিয়েছেন প্রতিমাদেবী। তিনি বলেন,"আমাদের দলের বিদায়ী বিধায়কের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ ছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজ্য জুড়ে যে উন্নয়নের কাজ করছেন তার সুফল বড়ঞার মানুষ পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই বড়ঞার রাস্তাঘাট, হাসপাতাল সব কিছুরই প্রভূত উন্নতি হয়েছে।" প্রতিমাদেবীর অভিযোগ,"কেন্দ্র সরকার প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা, আবাস যোজনার মতো প্রকল্পের টাকা বন্ধ করে রেখেছে। রাজ্য সরকারই নিজের কোষাগার থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে গ্রামীণ এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ করছে। যার ফলে বড়ঞার মত প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকাতেও এখন রাস্তাঘাট আগের থেকে অনেক ভালো হয়েছে।" তিনি বলেন,"আমি নিজে একজন আইসিডিএস কর্মী। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দীর্ঘ বহু বছর ধরে এই প্রকল্পে টাকা বাড়াচ্ছে না। তার ফলে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সাম্মানিক বেতন বাড়ছে না। আশা এবং আইসিডিএস কর্মীদের যতটুকু বেতন বেড়েছে তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির জন্যই। তিনিই রাজ্যের কোষাগার থেকে আমাদের জন্য বর্ধিত সম্মানিকের ব্যবস্থা করেছেন।" ইদের সকালে বড়ঞার ডাকবাংলো মোড়, পাঁচথুপি এলাকায় নির্বাচনী প্রচার সারতে সারতে প্রতিমাদেবী বলেন,"বড়ঞা এখন তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি। আমরা নিশ্চিত এবারের নির্বাচনেও বড়ঞার মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষেই তাঁদের রায় দেবেন। বড়ঞা বিধানসভার প্রত্যেকটি বুথে আমাদের কমিটি রয়েছে, যা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে আমাদের দলের একটা বড় শক্তি।" এবারের নির্বাচনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিজেপির প্রার্থীর সঙ্গে হলেও প্রতিমাদেবী আশাবাদী ২০১১ সালে তিনি যেভাবে বিজেপি প্রার্থীকে পেছনে ফেলেছিলেন, ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনেও একই ফলের পুনরাবৃত্তি হবে। তিনি বলেন,"কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে আমি যেমন জিতেছিলাম, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবেও জিতব।"
94 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 21, 2026, 12:49 PM
কামদুনি গণধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে রাজনীতিতে আসতে পারেন বিক্ষোভকারী নেত্রী টুম্পা কয়েল

কামদুনি গণধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে রাজনীতিতে আসতে পারেন বিক্ষোভকারী নেত্রী টুম্পা কয়েল

আজকাল ওয়েবডেস্ক:২০১৩ সালে কামদুনির এক কলেজ গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজ্য। সেই কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম মুখ টুম্পা কয়াল, মৌসুমী কয়াল। রাজনীতি ছাড়া আন্দোলন করা অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার বলে মনে করছেন প্রতিবাদী টুম্পা কয়াল। সেই কারণেই কি রাজনীতির ময়দানে পা রাখতে চলেছেন টুম্পা? কামদুনির অন্যতম প্রতিবাদী তাঁর রাজনীতি-যোগ জল্পনা উস্কে দিয়ে বলেন, "ভোটে লড়তে চেয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর দ্বারস্থ হয়েছি। ১২ বছর হয়ে গিয়েছে। এখন আমি ভাবছি যেকোনও একটা রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এসে আন্দোলন করব এবং মানুষের পাশে দাঁড়াব। সেই কারণে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম বিজেপিতে যোগদান করব। ব্যক্তিগত দিক থেকে আমি অনেকটাই দেরি করে ফেলেছি। এখন জানি না দল কী করবে। দল যে সিদ্ধান্ত নেবে সেই সিদ্ধান্তই আমাকে মেনে নিতে হবে। কারণ, আমি তো অনেক শেষে এসেছি। সেটা দল যেটা মনে করবে সেই সিদ্ধান্ত হবে।" টুম্পা আরও বলেন, "আমরা, কামদুনির প্রতিবাদীরা ২০১৩ থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। রাজ্য পুলিশের কথা আমাদের কিছু বলার নেই। যারা দোষী, যারা ধর্ষণকারী তাদের সাপোর্ট ও সুরক্ষা দিত ওরা। যারা প্রতিবাদী তাঁদের কখনও সুরক্ষা রাজ্যের পুলিশ দেয়নি।" উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৭ জুন, রাজারহাটের ডিরোজিও কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী বাড়ি ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হন। গ্রাম থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে এক জমিতে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। ঘটনার পর ৯ জন গ্রেপ্তার হয়। যদিও দশ বছর পর ২০২৩ সালে আসামীদের ফাঁসির সাজা রদ করে কলকাতা হাইকোর্ট। দু'জনের যাবজ্জীবন এবং চারজনকে বেকসুর খালাস করা হয়। এরপরই রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছে রাজ্য সরকার ও কামদুনির নির্যাতিতার পরিবার।
77 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Mar 21, 2026, 12:44 PM
বিধানসভা নির্বাচনের আগে 4 কোটি টাকার সম্পত্তির কথা প্রকাশ করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমাংতা বিশ্ব শর্মা।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে 4 কোটি টাকার সম্পত্তির কথা প্রকাশ করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমাংতা বিশ্ব শর্মা।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নিজের ও পরিবারের সম্পদের বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ্যে এলো। এই মুহূর্তে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৫.১৬ কোটি টাকা। জলুকবাড়ি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে জমা দেওয়া হলফনামায় বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর নিজের নামে মূলত অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। ২০২১ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে তাঁর সম্পদের পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে তাঁর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২.৩৬ কোটি টাকা। নগদ অর্থ হিসেবে তাঁর কাছে রয়েছে প্রায় ২ লক্ষ টাকার কিছু বেশি, এবং বিভিন্ন ব্যাঙ্কে জমা রয়েছে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের টাকা। তিনি কোনও শেয়ার বা অন্য বিনিয়োগ মাধ্যমে অর্থ রাখেননি বলেও জানিয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রী রিনিকি ভূঞা শর্মার সম্পদের পরিমাণ অনেক বেশি। তিনি একটি সংবাদমাধ্যম সংস্থার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য প্রায় ১৩.৫৪ কোটি টাকা। স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১৯.২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে নিজস্ব ও উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বিনিয়োগ মাধ্যমেও তাঁর প্রায় ৫.১০ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। এছাড়াও তাঁর নামে নগদ ৩ লক্ষ টাকার কিছু বেশি এবং ব্যাঙ্কে প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা জমা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুই জনের নামেই ঋণ রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নিজের নামে প্রায় ৯৫ লক্ষ টাকার ঋণ রয়েছে, যা মূলত ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া। অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রীর নামে ঋণের পরিমাণ অনেক বেশি, প্রায় ১৫.৯১ কোটি টাকা। এদিকে, আসামের ১২৬টি আসনে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমার প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। ইতিমধ্যেই বহু প্রার্থী তাঁদের মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তা যাচাই করা হবে। পরবর্তী ধাপে প্রার্থী পদ প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ এখন স্বচ্ছতার গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে। এই তথ্য সামনে আসার পর তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
69 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 21, 2026, 12:18 PM
হুগলিতে প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ

হুগলিতে প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ

মিল্টন সেন, হুগলি: বহিরাগত প্রার্থীকে চাইছেন না দলের কর্মীরাই। হুগলির চাঁপদানিতে বিজেপি প্রার্থী নিয়ে অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভের ব্যানার টাঙানো হলো বিভিন্ন জায়গায়। লেখা হয়েছে, "বহিরাগত প্রার্থী, দিলীপ সিংকে মানছি না মানবো না"। সল্টলেক কার্যালয়ে ফের বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের নাম করে মোদি-শাহকে বিঁধলেন মমতা এই ব্যানারে ছেয়ে ফেলা হয়েছে চাঁপদানী। একদিকে বলাগড়ের বিজেপি প্রার্থী সুমনা সরকারকে মানতে না পেরে বিজেপি কর্মীরা হুগলি জেলা বিজেপি অফিসে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। অন্যদিকে শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত চাঁপদানি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সিংকে নিয়ে বিজেপি কর্মীদের ক্ষোভ প্রকাশ্যে। প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফ্লেক্স ব্যানার লাগনোকে কেন্দ্র করে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতিও দেখলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। চাঁপদানি বিধানসভায় প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ সিংকে। ২০২১ সালেও তাঁকে টিকিট দিয়েছিল বিজেপি। এবারে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অরিন্দম গুইনের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। সম্প্রতি বিজেপির প্রার্থী ঘোষণার পরে প্রচার শুরু করেছেন দিলীপ সিং। কিন্তু প্রচারের শুরুতেই বাঁধার মুখে পড়লেন। দেখলেন দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধেই ব্যানার ঝোলাচ্ছেন দলের কর্মীরা। আর সেই ব্যানারে লেখা রয়েছে “বহিরাগত প্রার্থী দিলীপ সিং কে মানছি না, মানবো না”। নীচে লেখা রয়েছে চাঁপদানী বিধানসভা বিজেপি কর্মীবৃন্দ। সেই ব্যানার একদল টাঙিয়ে দেওয়ার পর একদল খুলে দিতে গেলে শুরু হয় তীব্র বাকবিতণ্ডা। চলতে থাকে অশ্রাব্য গালিগালাজ সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি। উত্তপ্ত হয়ে উঠে গোটা এলাকা। দিলীপ বিরোধী বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের টাকা খেয়ে তাঁরা এই কাজ করছেন। পরে দুই পক্ষই পুলিশের দ্বারস্থ হয়। এই প্রসঙ্গে চাঁপদানীর তৃণমূল প্রার্থী অরিন্দম গুইন বলেন, "বিজেপির যিনি প্রার্থী তাঁর বিরুদ্ধে শহর জুড়ে ৪০টা ব্যানার লাগানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ বিক্ষোভ এটা সাধারণ ব্যাপার। কারণ তাঁকে সারা বছর খুঁজে পাওয়া যায় না। যে কথাটা আমরা বলি সেটা আজ তাঁরাই বলছেন। সাধারণ মানুষ দেখছেন রাস্তায় তাঁদের মধ্যে ঝামেলা হচ্ছে। ওই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে কোনও শৃঙ্খলা নেই। সবসময় ঝামেলা, গালাগাল, মারামারি করছেন। সাধারণ মানুষ কি ওদের ঝামেলা মেটাতে আসবেন। এদের নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মানুষ প্রকাশ্যে দেখতে পাচ্ছে। বিজেপির এক কর্মী প্রকাশ্যেই জানিয়েছেন বিজেপির তরফ থেকে দেওয়া প্রার্থী দিলীপ সিংকে তাঁরা মানছেন না। এই প্রার্থীকে ২০২১ সালেও দেওয়া হয়েছিল। এই প্রার্থী হেরে যাওয়ার পরে সাধারণ মানুষ দূরের কথা, কর্মীদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রাখেন না। তাঁরা এই প্রার্থীকে বয়কট করেছেন। পরিবর্তে তাঁরা ভূমিপুত্র প্রার্থীর দাবি তুলেছেন।" ছবি পার্থ রাহা।
33 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Mar 21, 2026, 12:11 PM
অসম বিধানসভার 17টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল টিএমসি

অসম বিধানসভার 17টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল টিএমসি

আসন্ন আসাম বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম দফায় ১৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ে নামতে কৌশলী প্রার্থী বাছাই করেছে দল। প্রকাশিত তালিকায় অন্যতম বড় মুখ দুলু আহমেদ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নির্দল হিসেবে লড়াই করার পর তিনি তৃণমূলে যোগ দেন এবং বর্তমানে আসামে দলের অন্যতম ভরসা হিসেবে উঠে এসেছেন। কাছাড়, কোকরাঝাড়, তিনসুকিয়া, কামরূপ, গোয়ালপাড়া এবং ধুবরির মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলায় প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। কামরূপ জেলায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে চামারিয়া কেন্দ্রে দুলু আহমেদ, বকো-ছায়গাঁও (এসটি) কেন্দ্রে ভোগলাল রাভা এবং পলাশবাড়িতে বিকাশ নাথ যোগীকে প্রার্থী করা হয়েছে। কোকরাঝাড়ের বাওখুংরি কেন্দ্রে উদাংশ্রী নার্জারি, ধুবরির বিলাসীপাড়া কেন্দ্রে মোমিনুর ইসলাম এবং গোয়ালপাড়ার জলেশ্বর কেন্দ্রে আরিফ আখতার আহমেদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এছাড়াও অভয়াপুরীতে কৌশিক রঞ্জন দাস, বাজালিতে কল্যাণী কলিতা এবং বরক্ষেত্রীতে আমিরুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন। জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় সংগঠন বাড়াতে ধেমাজি (এসটি) আসনে নরেন্দ্র কুমার পাওকে প্রার্থী করা হয়েছে। উচ্চ অসমে ডিগবয় কেন্দ্রে জিতেন নাগ এবং মাকুম কেন্দ্রে দিলীপ মোরান লড়বেন। বরাক উপত্যকায় সংগঠন শক্তিশালী করতে উধারবন্দে তাপস দাস, কাটিগাড়ায় ফজলুর রহমান লস্কর এবং সোনাই কেন্দ্রে শাহজাহান লস্করকে প্রার্থী করেছে দল। প্রসঙ্গত, তৃণমূল ৫১টি আসনে লড়াই করার লক্ষ্য নিলেও, বিরোধী ভোট বিভাজন এড়াতে প্রয়োজনে আসন সংখ্যা কমানোর কথাও জানানো হয়েছে। দলের রাজ্য নেত্রী সুস্মিতা দেব স্পষ্ট করেছেন, বিজেপিই প্রধান প্রতিপক্ষ। অন্যদিকে, বিজেপি ইতিমধ্যেই ৮৮টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জালুকবাড়ি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন।আগামী ৯ এপ্রিল এক দফায় ভোটগ্রহণ হবে আসামে। এই নির্বাচনে বাঙালি ও সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ককে গুরুত্ব দিয়ে প্রচারে নামছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই দলের তারকা প্রচারকদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তর-পূর্ব ভারতে তৃণমূলের এই লড়াই ভবিষ্যতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
42 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 21, 2026, 11:56 AM
2026 সালের নির্বাচনের আগে কংগ্রেসে যোগ দিলেন টিএমসি-র প্রবীণ নেতা খোকন মিয়া

2026 সালের নির্বাচনের আগে কংগ্রেসে যোগ দিলেন টিএমসি-র প্রবীণ নেতা খোকন মিয়া

কোচবিহার:নির্বাচনের(Election 2026)মুখে কোচবিহার(Cooch Behar)জেলা তৃণমূলে বড়সড় ভাঙন। শাসকদলের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে যুক্ত থাকা বলিষ্ঠ নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ খোকন মিঞাঁ(Khokan Miya)শনিবার তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। এদিন কোচবিহার জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে ধীরাজ কুমার সাহু ও প্রদীপকুমার বালমুচুর হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নেন তিনি। যোগদানের আগে ও পরে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় এই প্রবীণ নেতাকে। ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূলের ঝাণ্ডা ধরা খোকন মিঞাঁ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “তৃণমূল আর দল নেই, ওটা এখন কর্পোরেট সংস্থা হয়ে গিয়েছে। যারা ছেঁড়া জুতো পরে দেওয়াল লিখেছে, দলের জন্য মার খেয়েছে, আজ তাদের কোনও সম্মান নেই।” তাঁর দাবি, দলের পুরনো মুখ যেমন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, জীতেন বর্মণ বা বিনয়কৃষ্ণ বর্মণদের টিকিট না দিয়ে ভোটের এক ঘণ্টা আগে মাঠ থেকে খেলোয়াড় (নিশানা স্বপ্না বর্মণ) ধরে এনে প্রার্থী করা হচ্ছে। এই অপমান সহ্য করতে না পেরেই দীর্ঘ ২৮ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তৃণমূলের যুব সভাপতি থেকে ব্লক সভাপতি এবং জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলানো খোকন মিঞাঁর দলত্যাগ কোচবিহারে শাসক শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, কংগ্রেস তাঁকে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করতে পারে। খোকনের দলত্যাগ প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ জানান, ক্ষোভ থাকতেই পারে, তবে তা দলে থেকে আলোচনা করা উচিত ছিল। অন্যদিকে জেলা চেয়ারম্যান গিরিন্দ্রনাথ বর্মণ খোকন মিঞাঁকে বলিষ্ঠ নেতা হিসেবে স্বীকার করলেও সবাইকে দলনেত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার অনুরোধ জানান। শুধু কোচবিহার নয়, প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর পুরুলিয়া থেকে পূর্ব মেদিনীপুর— সর্বত্রই তৃণমূল ও বিজেপির অন্দরে টিকিট নিয়ে অসন্তোষ ও দলবদলের হিড়িক দেখা যাচ্ছে।
57 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 21, 2026, 11:26 AM
প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ

প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ

আজকাল ওয়েবডেস্ক: শুক্রবারের পর শনিবার আবারও সল্টলেক বিজেপি কার্যালয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভ। তাঁদের দাবি, বজবজ থেকে শুরু করে একাধিক জায়গায় প্রার্থী বদল করতে হবে। দিলীপ সিংকে বয়কটের দাবি বিজেপি কর্মীদের বাংলায় দু'দফায় ভোট, কবে, কোথায়? এই প্রার্থী বদলের দাবি নিয়েই বিজেপি দপ্তরে বিক্ষোভ। রাজ্যে একাধিক প্রার্থীদের উপর ক্ষোভ প্রকাশ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। শনিবার সল্টলেকে গেরুয়া শিবিরের কার্যালয়ে রাজ্য নেতৃত্ব থেকে শুরু করে একাধিক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার একই পরিস্থিতি হয়েছিল। অবিলম্বে প্রার্থী বদল করতে হবে এই দাবি নিয়ে এদিন আবার বিজেপি দপ্তরে কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। প্রসঙ্গত কলকাতার একটি কেন্দ্রের প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিব্রেওয়াল-এর প্রার্থীপদ বদলের দাবিতে শুক্রবার সল্টলেকের কার্যালয়েই দীর্ঘক্ষণ বসে বিক্ষোভ দেখান তাঁর বিধানসভা এলাকার বিজেপি কর্মীরা। যদিও এই গোটা বিষয় নিয়ে এদিন এখনও পর্যন্ত মুখে কুলুপ এঁটেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। কর্মীদের দাবি, তাঁদের বিধানসভা প্রার্থী পছন্দ নয়। প্রার্থীবদল করতে হবে। তাঁদের অভিযোগ, যাঁরা কোনওভাবেই এলাকায় জনসংযোগে ছিলেন না তাঁদেরকেও প্রার্থীপদ দেওয়া হয়েছে। এদিন শ্রীরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রেও প্রার্থী বদল করতে হবে বলে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত জেলা বিজেপি। প্রথম দফা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই শোরগোল জেলা বিজেপিতে। দ্বিতীয় দফার পরেও জেলায় ফাঁকা রয়েছে পাঁচ কেন্দ্র। কারণ ফাঁকা প্রত্যেক কেন্দ্রে একাধিক প্রার্থী পদের দাবিদার। তাই, অনেকেই সন্তুষ্ট নন, ছুটেছেন দিল্লিতে। কেউ আবার দৌরচ্ছেন রাজ্য বিজেপি দপ্তরে। তার মধ্যেই বলাগড় কেন্দ্রে ঘোষিত প্রার্থীকে মানতে নারাজ দলীয় কর্মীরা। শুক্রবার দল বেঁধে তাঁরা চড়াও হলেন দলের জেলা কার্যালয়ে। প্রার্থী মানছেন না কর্মীরা এই মর্মে স্লোগান দিতে দিতে চলল ভাঙচুর। কর্মীদের দাবি, তাঁরা বলাগড়ের বিজেপি প্রার্থী সুমনা সরকারকে কোনও ভাবেই মেনে নেবেন না। জেলা সদর শহর চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী পদের দাবিদার একাধিক। প্রার্থী পদের সরাসরি দাবিদার বর্তমান জেলা বিজেপি সভাপতি গৌতম চ্যাটার্জী, প্রাক্তন জেলা বিজেপি সভাপতি সুবীর নাগ, বর্তমান বিজেপি রাজ্য সম্পাদক দীপাঞ্জন গুহ। প্রাক্তন জেলা বিজেপি সভাপতি এবং বিজেপি রাজ্য সম্পাদকের বিবাদ সর্বজন বিদিত। তাই নিজেদের টিকিট ফাইনাল করতে তাই চলতি সময় তাঁরা দিল্লিতেই বাসা বেঁধেছেন। তবে প্রার্থী পদের দৌড়ে না থাকলেও শোনা যাচ্ছে চুঁচুড়া জেলা সদরের বিখ্যাত শিশু চিকিৎসক ইন্দ্রনীল চৌধুরী এবং আইনজীবী স্বপন পালের নাম। তবে এই দুজনকে তেমনভাবে রাজ্য বা কেন্দ্রে দরবার করতেও দেখা যায়নি। ওদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিজেপি প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি জেলা সদর চুঁচুড়া, চন্দননগর, উত্তরপাড়া, সিঙ্গুর এবং হরিপাল কেন্দ্রে। বিজেপি সূত্রে খবর, আর এস এসের তরফে চুঁচুড়া কেন্দ্রে শিশু বিশেষজ্ঞ ইন্দ্রনীল চৌধুরীকে পছন্দ করছেন। কারণ রাজনৈতিক আবহে তাঁকে দেখা না গেলেও ব্যক্তিগত ইমেজ ভাল। ওদিকে আইনজীবী স্বপন পাল দীর্ঘ দিনের বিজেপি কর্মী। নানা সময়ে থেকেছেন জেলা এবং রাজ্য বিজেপির নানা পদে। গত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে চন্দননগর কেন্দ্রে প্রায় চল্লিশ হাজার ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেনের কাছে পরাজিত হয়েছেন বিজেপি রাজ্য সম্পাদক দীপাঞ্জন গুহ। তাই এবারের নির্বাচনে তিনি চন্দননগরে যেতে নারাজ। তাঁর নজর চুঁচুড়া কেন্দ্রের দিকে। গত নির্বাচনে বিজেপি সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি নিজেই প্রার্থী হয়েছিলেন চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রে। তাই টিকিট না পেয়ে এক প্রকার বসেই ছিলেন প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুবীর নাগ। তাই এবারের নির্বাচনে তিনি চুঁচুড়া আসন ছাড়তে একেবারেই রাজি নন। এই নিয়ে প্রকাশ্যে একাধিকবার বচসায় জরাতেও দেখা গেছে এই দুই বিজেপি নেতার অনুগামীদের। তাই এই দুই গোষ্ঠীর লড়াইকে কেন্দ্র করে কার্যত ধন্ধে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পাশাপাশি অভিযোগ উঠেছে, এখনও পর্যন্ত বিজেপির প্রকাশিত তালিকায় মহিলা কর্মীদের তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে ক্ষুব্ধ বিজেপির মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। যখন রাজ্যের শাসক দলের প্রার্থীরা জেলা জুড়ে একপ্রস্ত নির্বাচনী প্রচার সেরে ফেলেছেন। সেই সময়ে দাঁড়িয়েও বিজেপি দলের প্রার্থী হওয়া নিয়ে সংকট অব্যাহত। একদিকে ঘোষিত প্রার্থীকে মানতে পারছেন না কর্মীরা। কোথাও আবার কে দাঁড়াবে সেটা নিয়ে লড়াই চলছে দলের অন্দরে।
3 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 21, 2026, 11:14 AM
ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আরও একটি হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আরও একটি হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে উত্তেজনা তুঙ্গে। যুদ্ধের চতুর্থ সপ্তাহে পদার্পণ করে শনিবার ইরানের (Iran) অন্যতম প্রধান নাতানজ পরমাণুকেন্দ্রে (Natanz Nuclear Facility) ফের হামলা চালাল ইজরায়েল ও আমেরিকা (US-Israel)। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, এই হামলায় কোনও তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায়নি। এর আগে যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহেও এই কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছিল। সেবার যদিও একাধিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এই হামলা এমন এক সময়ে ঘটল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। একদিকে ট্রাম্প সামরিক তৎপরতা কমানোর কথা বলছেন, অন্যদিকে আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে আরও তিনটি যুদ্ধজাহাজ এবং প্রায় ২,৫০০ অতিরিক্ত নৌসেনা মোতায়েন করছে। বর্তমানে এই অঞ্চলে মার্কিন সেনার সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। কংগ্রেসের কাছে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত ২০০ বিলিয়ন ডলারের আবেদনও করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী। অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৬ ডলারে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প প্রশাসন একটি আকস্মিক সিদ্ধান্তে ইরানি তেলের ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। জাহাজীকৃত তেলের ওপর এই ছাড় ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এতে বাজারে খুব একটা বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম। ইরানের শীর্ষ সামরিক মুখপাত্র জেনারেল আবুলফজল শেকার্চি পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, বিশ্বের কোথাও পর্যটন কেন্দ্র বা বিনোদনমূলক স্থানগুলো তাঁদের শত্রুদের জন্য নিরাপদ হবে না। এর ফলে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে নাশকতার আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এদিকে, ইজরায়েলি বিমানবাহিনী লেবাননের বেইরুটে হেজবোল্লার আস্তানা লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। লেবানন সরকারের হিসেবে এই হামলায় ইতিমধ্যে ১,০০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ঘরছাড়া হয়েছেন প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ। ইরানে যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ১,৩০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। পারস্য নববর্ষ ‘নওরোজ’-এর আনন্দ এখন বিষাদে পরিণত হয়েছে। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ মোজতবা খামেনেইকে দীর্ঘ দিন প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়ায় ইরানের শাসনক্ষমতার রাশ কার হাতে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ কেবল ভূ-রাজনীতি নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতিকেও এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
3 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Mar 21, 2026, 11:08 AM
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারে নেমেছে টিএমসি

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারে নেমেছে টিএমসি

আর মাত্র একমাস পরেই শুরু হতে চলেছে রাজ্যের বিধানসভা ভোট। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণের আগে জোরকদমে প্রচারে নামতে চলেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় সূত্রে খবর, উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ দুই প্রান্তেই আলাদা কৌশলে প্রচার চালাবেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। অন্যদিকে, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দক্ষিণবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করবেন ২৪ মার্চ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় তাঁর প্রথম জনসভা হওয়ার কথা। পরের দিন, ২৫ মার্চ নন্দীগ্রাম-সহ পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক এলাকায় সভা ও কর্মীসভা করবেন তিনি। দাসপুর, কেশিয়াড়ি ও নারায়ণগড়ে জনসভা করার পাশাপাশি নন্দীগ্রামে কর্মীসভায় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও জানা গিয়েছে, ২৬, ২৮ ও ৩১ মার্চ উত্তরবঙ্গের একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে সভা ও রোড শো করবেন অভিষেক। গোটা মাস জুড়েই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় জনসংযোগ কর্মসূচি চালাবেন তিনি। ভোটের আগে সংগঠনকে চাঙ্গা করতে এবং বিরোধীদের চাপে রাখতে দুই প্রান্তে সমান্তরাল প্রচারেই ভরসা রাখছে তৃণমূল শিবির।
85 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 21, 2026, 10:47 AM
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বাকি আসনগুলির জন্য প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বের বৈঠক

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বাকি আসনগুলির জন্য প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বের বৈঠক

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের(West Bengal Assembly Election 2026)বাকি ৩৯টি আসনের প্রার্থী তালিকা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনার জন্য দিল্লির দরবারে হাজির বঙ্গ বিজেপি(BJP)নেতৃত্ব। শনিবারই রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। মূলত, ইতিপূর্বে প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে কর্মী অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, তা মাথায় রেখেই বাকি আসনগুলির ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক পদক্ষেপ নিতে চাইছে দল। সূত্রের খবর, শমীক ভট্টাচার্য প্রাথমিকভাবে আরএসএস(RSS)নেতৃত্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বে থাকা ভূপেন্দ্র যাদব ও অমিত মালব্যের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তবে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি হতে পারে রবিবার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শায়ের উপস্থিতিতে জেপি নাড্ডার বাসভবনে ওই বৈঠকে প্রার্থী তালিকার চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মতামতের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সমীক্ষকদের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একাধিক আসনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই শেষ কথা হিসেবে গণ্য হচ্ছে। দল চাইছে না যে, প্রার্থী নিয়ে কোনো অভ্যন্তরীণ বিবাদ নির্বাচনের সামগ্রিক ঐক্যের ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলুক। ইতিমধ্যেই বিজেপি প্রথম দফায় ১৪২ জন এবং দ্বিতীয় দফায় ১৩৯ জনের নাম প্রকাশ করেছে। তৃণমূলের মতোই বিজেপির তালিকাতেও অনেক পুরনো মুখ বদলে নতুনদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে দলের অন্দরে চাপানউতোর চলছে। প্রসঙ্গত, এবার বাংলায় দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে। প্রথম দফার ভোট আগামী ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। সব কটি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে। এখন দেখার, বাকি ৩৯টি আসনে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন কোনো চমক দেয় কি না।
79 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 21, 2026, 09:40 AM
উত্তরপাড়া নির্বাচনী প্রচারের সময় কোন্নগরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।

উত্তরপাড়া নির্বাচনী প্রচারের সময় কোন্নগরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:ইদের সকালে কোন্নগরে সৌজন্য বিনিময়ের মধ্যেই শুরু হলো রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ। শনিবার সকালে উত্তরপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী তথা নিজের ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে প্রচারে বেরিয়েছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়(Kalyan Banerjee)। সেখানে বাম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের(Minakshi Mukherjee)সঙ্গে দেখা হলে দু’জনের মধ্যে সৌজন্য বিনিময় হলেও, পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দিলেন কল্যাণ। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে নাম না করে ‘পরিযায়ী প্রার্থী’ বলে বিঁধলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘একবার এখানে দাঁড়াচ্ছে, একবার ওখানে দাঁড়াচ্ছে এবং হারছে। এবার উত্তরপাড়ায় হারলে পরের বারের জন্য আগেভাগেই জায়গা ঠিক করে রাখুন।’ বাম আমলের ৩৪ বছরের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন যে, সিপিএমের আর মুখ দেখানোর জায়গা নেই। এখনও উত্তরপাড়ায়(Uttarpara Assembly Election)বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হওয়া নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কল্যাণপুত্র শীর্ষণ্য। তবে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তোপ দাগেন নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন(ECI)নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নির্দেশে অগণতান্ত্রিকভাবে কাজ করছে এবং সংবিধানের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে আঘাত করছে। নির্বাচন কমিশনারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি জ্ঞানেশ কুমারকে ইনভাইট করছি আপনি উত্তরপাড়ার প্রার্থী হন, আপনাকেও হারিয়ে দেব।” তৃণমূল প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য বিষয়টিকে ব্যক্তিগত লড়াই হিসেবে দেখতে নারাজ। মীনাক্ষীর সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পর তিনি জানান, “ইদের দিনে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলাম। এটা ব্যক্তিগত লড়াই নয়, লড়াইটা আসলে মতাদর্শের।”
18 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 21, 2026, 09:09 AM
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের আগে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিজেপি নেতার স্ত্রীর

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের আগে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিজেপি নেতার স্ত্রীর

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে(West Bengal Assembly Election 2026)প্রার্থী তালিকা নিয়ে এবার আড়াআড়ি বিভক্ত বঙ্গ বিজেপি(BJP)। দলের দীর্ঘদিনের কর্মী এবং মেদিনীপুরের দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষের(Dilip Ghosh)স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদারকে(Rinku Majumdar)কোনও আসনেই প্রার্থী করেনি বিজেপি। এর ফলেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তিনি। সরাসরি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশ এবং মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন রিঙ্কুদেবী। রিঙ্কু মজুমদারের দাবি, রাজারহাট-নিউটাউন এবং বীজপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বিজেপি যাঁদের প্রার্থী করেছে, তাঁদের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ নয়। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, রাজারহাট-নিউটাউনের প্রার্থী পীযূষ কানোরিয়া আর্থিক তছরুপে অভিযুক্ত। অন্যদিকে, বীজপুরের প্রার্থী সুদীপ্ত দাসের বিরুদ্ধে রয়েছে খুনের মামলা। রিঙ্কুদেবীর প্রশ্ন, “কোন সমীক্ষার ভিত্তিতে এমন ‘দাগি’ ব্যক্তিদের টিকিট দিল দল?” দলের অন্দরে গুঞ্জন ছিল, পরিবারতন্ত্র এড়াতেই দিলীপ-জায়াকে টিকিট দেওয়া হয়নি। এর পাল্টায় রিঙ্কুদেবী প্রশ্ন তুলেছেন, অর্জুন সিং এবং তাঁর ছেলে পবন সিং যদি একইসঙ্গে টিকিট পেতে পারেন, তবে তাঁর ক্ষেত্রে কেন এই নিয়ম খাটছে? তিনি জানান, “আমি তো মিসেস ঘোষ হয়েছি কয়েক মাস আগে, কিন্তু দলের কাজ করছি বহু বছর ধরে। আজ টিকিট দেওয়ার সময় কেন আমাকে ব্রাত্য করা হলো?” রিঙ্কু মজুমদার জানান, তিনি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশালকে সমস্ত তথ্য জানিয়েছেন। বনশালজি প্রথমে প্রমাণ পেলে প্রার্থী বদলের আশ্বাস দিলেও পরে তা এড়িয়ে যান। এই ঘটনায় মানসিকভাবে আহত রিঙ্কুদেবী এখন নিজেকে দলের মধ্যে ব্রাত্য বলেই মনে করছেন।
52 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 21, 2026, 08:53 AM
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2026-এ বড় সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টিএমসি

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2026-এ বড় সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টিএমসি

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) মহাপ্রস্তুতি শুরু করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee’s Election Campaign)। রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে এক মেগা কর্মীসভার ডাক দিয়েছেন তিনি। নিজের নির্বাচনি কেন্দ্র থেকেই প্রচারের সুর বেঁধে দিয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নামছেন ‘ঘরের মেয়ে’। এই সভায় উপস্থিত থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং ভবানীপুর এলাকার সমস্ত দলীয় কাউন্সিলাররা। কেন নজর কাড়ছে ভবানীপুর? ভবানীপুর এবার রাজ্যের সবথেকে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র। একদিকে তৃণমূলের প্রার্থী খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে তাঁর বিপরীতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ফলে এই কেন্দ্রে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ ঘাসফুল শিবির। রবিবারের এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুথ স্তরের কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট রণকৌশল স্থির করে দিতে পারেন বলে খবর। তুরুপের তাস ‘এসআইআর’ ও জনসংযোগ সূত্রের খবর, ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের নাম ‘এসআইআর’ (SIR) তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এই স্পর্শকাতর বিষয়টিকে হাতিয়ার করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রচারের রূপরেখা তৈরি করতে পারেন। ইতিমধ্যেই রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি স্থানীয় নেতৃত্বকে নির্দেশ দিয়েছেন ‘দুয়ারে জনসংযোগ’-এ জোর দিতে। প্রয়োজনে এক এক বাড়িতে দশবার যাওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে কর্মীদের। বিরোধীদের প্ররোচনায় পা না দিয়ে কেবল উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে নিজস্ব ছন্দে প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকেই জেলা সফর রবিবার ভবানীপুরের ঘরোয়া বৈঠক সেরে সোমবার থেকেই জেলায় জেলায় ঝোড়ো প্রচার শুরু করবেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণার পর থেকেই ভবানীপুরে ‘উন্নয়ন ঘরে ঘরে/ ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে’ স্লোগান আছড়ে পড়ছে। আগামীকালে কর্মীসভা থেকে মমতা কী বিশেষ টোটকা দেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
98 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 21, 2026, 08:12 AM
2026 সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারে টিএমসি নেতারা

2026 সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারে টিএমসি নেতারা

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:ভোটের বাদ্যি বেজে উঠেছে বাংলায়। হাতে গোনা আর মাত্র একটা মাস, তারপরই গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হবেন বঙ্গবাসী। আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৫২ টি আসনে প্রথম দফায় বিধানসভা ভোট(West Bengal Assembly Election 2026)। এই নির্বাচনের ঠিক একমাস আগে থেকেই ঝোড়ো প্রচারে নামছে রাজ্যের শাসক দল(TMC)। বিজেপিকে রুখতে এবং দলের মনোবল বাড়াতে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ময়দানে নামছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজ্যের দুই প্রান্ত থেকেই প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(CM Mamata Banerjee)এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। আগামী মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ উত্তরবঙ্গ থেকে প্রচার অভিযান শুরু করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওইদিন তিনি আলিপুরদুয়ার(Alipurduar)প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি জনসভা করবেন। জানা যাচ্ছে, সেদিন আরও দুটি সভা করার কথা তাঁর – মাটিগাড়া ও ময়নাগুড়ি। একই দিনে দক্ষিণবঙ্গেও প্রচার শুরু করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় তাঁর প্রথম জনসভাটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। এই প্রচার অভিযানের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের প্রতিটি কোণায় নিজেদের বার্তা পৌঁছাতে এবং বিজেপির মোকাবিলা করতে প্রস্তুত হচ্ছে। সূত্রের খবর, রবিবার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে কর্মীসভা শেষ করেই সরাসরি উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৩ এপ্রিল উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলায় নির্বাচন, তাই হাতে মাসখানেক সময় রেখেই জোরকদমে প্রচারে নামছেন তিনি। আগামী মঙ্গলবার একই দিনে তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করার কথা রয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকা এখনও বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর সেখানে ঘাসফুল শিবির নিজেদের জমি অনেকটাই পুনরুদ্ধার করেছে। সেই ধারা বজায় রেখে বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে এবার খোদ নেত্রীই ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গ থেকে প্রচারের ঝড় তুলবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৪ মার্চ দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় জনসভার মধ্য দিয়ে তাঁর প্রচার শুরু হচ্ছে। পরদিন, ২৫ মার্চ মেদিনীপুর ও নন্দীগ্রামে তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। ওইদিন প্রথমে দাসপুর, তারপর কেশিয়াড়ি ও নারায়ণগড়ে প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সেরে নন্দীগ্রামে কর্মিসভা করবেন তিনি। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামে এবার লড়াই সরাসরি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের, যিনি সম্প্রতি অভিষেকের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের উপকেন্দ্র নন্দীগ্রামের এই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে বিশেষ নজর দিচ্ছেন অভিষেক। এছাড়াও উত্তরবঙ্গের জন্যও পৃথক প্রচারসূচি তৈরি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, আগামী ২৬, ২৮ এবং ৩১ মার্চ উত্তরের মোট নয়টি বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা ও রোড-শো করবেন তিনি। সব মিলিয়ে গোটা মাস জুড়েই রাজ্যজুড়ে ব্যাপক জনসংযোগে নামছেন তৃণমূলের এই শীর্ষ নেতৃত্ব।
83 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:52 AM
নির্বাচনের মরশুমে ঝাড়গ্রামের দেওয়াল-চিত্রশিল্পীদের চাহিদা বেড়েছে

নির্বাচনের মরশুমে ঝাড়গ্রামের দেওয়াল-চিত্রশিল্পীদের চাহিদা বেড়েছে

বুদ্ধদেব বেরা, ঝাড়গ্রামঅন্য সময়ে তাঁদের ডাক পড়ে না। কিন্তু ভোট এলেই হাতে রং-তুলি নিয়ে হাজির হন তাঁরা। বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজনৈতিক দলগুলি আগে থেকেই তাঁদের বুকিং করে নেন। আবার অনেক জায়গায় দেওয়াল আঁকার শিল্পী খুঁজে পাওয়া যায় না বলে জানান রাজনৈতিক কর্মীরা। নির্বাচনের ঘণ্টা বাজতেই পাড়ার অলিগলির ফাঁকা দেওয়ালগুলিতে প্রার্থীর নাম লিখতে ডাক পড়ে শিল্পীদের। তার সঙ্গে আঁকা হয় প্রতীক চিহ্ন। সারা বছর এই সমস্ত শিল্পীর কদর না থাকলেও ভোটের মরশুমে এঁদের কদর বাড়ে। ঝাড়গ্রামের দেওয়াল লিখনের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের তাই ভোট মরশুমে লক্ষ্মীলাভও হয়।সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের হয়েই দেওয়াল লিখনে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন চণ্ডীচরণ মাহাতো ও সঞ্জয় মাণ্ডিরা। রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দলকুলি গ্রামে চণ্ডীচরণের বাড়ি। সঞ্জয় থাকেন ঝাড়গ্রাম শহরের জামদা এলাকায়।শহরের আদিবাসী মার্কেটে সঞ্জয়ের একটি দোকান রয়েছে। যেখানে সঞ্জয় নানা রকম বিজ্ঞাপন, প্রচারমূলক দেওয়াল লিখনের কাজ করেন। এমন দোকান রয়েছে চণ্ডীচরণেরও। অনেকে শিল্পী আবার দোকান ছাড়াই কন্ট্রাক্ট হিসেবে কাজ করে থাকেন। বিধানসভা, লোকসভা, পঞ্চায়েত, পুরসভা যে কোনও ভোটেই অন্য কাজ ভুলে রাজনৈতিক দলগুলির হয়ে রং-তুলি নিয়ে দেওয়াল লিখনের কাজে নেমে পড়েন তাঁরা। চণ্ডীচরণ জানিয়েছেন, ১৫ থেকে ২০ ফুট লম্বা দেওয়াল রং করার জন্য ৩০০ টাকা দেওয়া হয়। দেওয়াল লিখনের সমস্ত রং তাঁদেরই দিতে হয়। তবে যে দেওয়াল জুড়ে দেওয়াল লিখন হবে সেই দেওয়ালটি সাদা রং করার দায়িত্ব থাকে রাজনৈতিক দলের। অনেক ক্ষেত্রে আবার রঙের দাম রাজনৈতিক দলগুলি দিয়ে দেয়। তখন শিল্পীরা ২০০ টাকা করে পান।চণ্ডীচরণ বলেন, 'তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস- সব মিলিয়ে এ বার ২০০টিরও বেশি বরাত পেয়েছি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়াল লিখনের কাজ চলছে।' দু'জন শিল্পী মিলে একদিনে ২০ থেকে ২৫টি দেওয়াল লিখতে পারেন। সঞ্জয় বলেন, 'কুড়ি বছরের বেশি সময় ধরে দেওয়াল লিখছি। চাহিদা বিন্দুমাত্র কমেনি। উল্টে আরও বেড়েছে। সারা বছর রাজনৈতিক দলগুলি আমাদের ভুলে থাকলেও ভোটের সময় ঠিক মনে রাখে। এই সময়ে ভালো উপার্জনও হয়।'
57 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 06:48 AM
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বদলির বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বদলির বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:বিধানসভা নির্বাচনের (WB Assembly Election 2026) মুখে পশ্চিমবঙ্গে আমলা ও পুলিশ আধিকারিকদের দফায় দফায় অপসারণ এবং তাঁদের ভিনরাজ্যে পাঠানো নিয়ে এবার আইনি লড়াই শুরু হলো। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) এই সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta HC on Officer Transfer) মামলা দায়ের হলো। শুক্রবার এই বিষয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলার প্রেক্ষাপট গত রবিবার মধ্যরাত থেকে রাজ্যে প্রশাসনিক রদবদল শুরু করে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার—একের পর এক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। জেলাস্তরেও একাধিক জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে বদল করা হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অপসারিত এই আধিকারিকদের এ রাজ্যে নির্বাচনের কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না। পরিবর্তে তাঁদের অনেককেই ভিনরাজ্যে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে। আইনজীবীদের যুক্তি আদালতে মামলাকারীর পক্ষে সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এভাবে রাজ্যের উচ্চপদস্থ আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের ইচ্ছামতো অন্য রাজ্যে পাঠানোর এক্তিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই। তিনি যুক্তি দেন: রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের ভিনরাজ্যে পাঠিয়ে দিলে পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একযোগে এত সংখ্যক আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার ফলে প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হচ্ছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তটি প্রশাসনিক পরিকাঠামোর ওপর হস্তক্ষেপের সামিল। তৃণমূলের আইনজীবী অর্ক নাগ এই বিষয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে চান। তাঁরা কমিশনের এই অপসারণ ও বদলির নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন। আদালতের অবস্থান আবেদন শোনার পর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি দাখিল করার অনুমতি দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হবে। উল্লেখ্য, কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এখন দেখার, আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টের শুনানিতে কমিশন কী যুক্তি দেয়।
29 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:20 AM
দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে দুর্নীতির অভিযোগ টিএমসি বিধায়কের

দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে দুর্নীতির অভিযোগ টিএমসি বিধায়কের

এই সময়, কালনা:চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন পূর্বস্থলী উত্তরের বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তিনি দাবি করেছেন, দলের প্রার্থী হওয়ার জন্য তাঁর কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা চাওয়া হয়েছিল। তিনি তা দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ঘুরিয়ে তিনি বলতে চেয়েছেন, সেই কারণেই এ বার তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।প্রার্থী না-হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রীতিমতো অভিমানের সঙ্গে তপন জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন। ইতিমধ্যেই তিনি পূর্বস্থলীর স্টেশন রোড লাগোয়া এলাকায় তাঁর কার্যালয়ে 'প্রাক্তন বিধায়কের কার্যালয়' লিখেও দিয়েছেন।তাঁর বৃহস্পতিবারের বক্তব্য সম্পর্কে পূর্বস্থলী উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী বসুন্ধরা গোস্বামী বলেছেন, 'এই অভিযোগটা বোধহয় সর্বৈব মিথ্যা। ' তিনি এ দিন সিপিএম-কে মার্কসীয় মৌলবাদী ও বিজেপি-কে ধর্মীয় মৌলবাদী বলে অভিহিত করেছেন। জবাবে এই কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী প্রদীপ সাহা বলেছেন, 'মৌলবাদ কী বুঝলে মার্কসীয় মৌলবাদ বলতেন না।'
97 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 06:09 AM
নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের বদলি নিয়ে ভারতীয় রাজ্যে বিতর্ক

নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের বদলি নিয়ে ভারতীয় রাজ্যে বিতর্ক

রাজ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পরেই একের পর এক আমলা, পুলিশকর্তার বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলো কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার কমিশনের এই পদক্ষেপের উপরে স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলা দায়েরের অনুমতি দিল প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী সোমবার মামলার শুনানি।মামলার আবেদনে জানানো হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন সংঘটিত করা। কিন্তু প্রশাসনের সমস্ত বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে পাঠানোর এক্তিয়ার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নেই। তাতে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হয়।উল্লেখ্য, গত ৭২ ঘণ্টায় রাজ্যের ৪৩ জনপুলিশকর্তা–আমলাকে বদলির বেনজির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুধবারই বিধাননগরের সিপি মুরলীধর শর্মা, শিলিগুড়ির সিপি সৈয়দ ওয়াকার রাজা–সহ ১৫ জন পুলিশকর্তাকে তামিলনাড়ুর ভোটে পুলিশ অবজ়ার্ভার করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে মুরলীধর বা ওয়াকারকে কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে অপসারণ করেনি। হঠাৎ দু’টি গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ কমিশনারেটের সিপিকে অন্য রাজ্যে পাঠিয়ে দিলে এই দু’টি কমিশনারেটের আইনশৃঙ্খ‍লার দায়িত্ব কে সামাল দেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।অন্য দিকে, কমিশনের গোটা প্রক্রিয়াটি নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ‘স্বেচ্ছাচারিতা’ বলে অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
59 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 05:44 AM
মার্কিন-ইরান যুদ্ধের খবরকে'ভুয়ো খবর "বলে উড়িয়ে দিলেন নেতানিয়াহু

মার্কিন-ইরান যুদ্ধের খবরকে'ভুয়ো খবর "বলে উড়িয়ে দিলেন নেতানিয়াহু

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আমেরিকাকে জড়িয়েছে ইজ়রায়েল, এমন সব খবরই ভুয়ো বলে দাবি করলেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, 'এই সব ফেক নিউজ। এর কোনও ভিত্তিই নেই'।বৃহস্পতিবার ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু আরও জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আমেরিকাকে জোর করে টেনে এনে জড়ানো হয়েছে বলে যে সব রিপোর্ট প্রকাশিত হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ছাড়া আর কিছু নয়। কেবল তাই-ই নয়, এটা হাস্যকরও বটে। বেঞ্জামিনের কথায়, 'কেউ কি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলতে পারে, কী করতে হবে? কী করলে আমেরিকার ভালো হবে তা বোঝার পরেই ট্রাম্প যে কোনও সিদ্ধান্ত নেন'।ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইজ়রায়েল ও আমেরিকার মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় রয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের লক্ষ্যের দিকে বিদ্যুৎগতিতে এগোচ্ছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২১ দিন ধরে ইজ়রায়েল-আমেরিকার যৌথ বিমান হামলার পরে ইরানের ইউরেনিয়ামকে আরও সমৃদ্ধ করে হাতিয়ার তৈরি বা ব্য়ালেস্টিক মিসাইল বানানোর ক্ষমতাই নেই।ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইজ়রায়েল ও আমেরিকার মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় রয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের লক্ষ্যের দিকে বিদ্যুৎগতিতে এগোচ্ছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২১ দিন ধরে ইজ়রায়েল-আমেরিকার যৌথ বিমান হামলার পরে ইরানের ইউরেনিয়ামকে আরও সমৃদ্ধ করে হাতিয়ার তৈরি বা ব্য়ালেস্টিক মিসাইল বানানোর ক্ষমতাই নেই।সাংবাদিক সম্মেলনে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, 'আমরা জিতছি। ইরান ধ্বংসের পথে। ইরানের মিসাইল ও ড্রোনের গুণগত মান ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। ওদের সব মিসাইল ও ড্রোন আমরা নষ্ট করে দেব'। তবে ইরান আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে না বলে যে দাবি নেতানিয়াহু করেছেন, তার সমর্থনে কোনও প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি।ইরান কিন্তু ইজ়রায়েল লক্ষ্য করে মিসাইল বা ড্রোন হামলা বন্ধ করেনি। নেতানিয়াহুর সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীনই তারা ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল ছুড়েছে ইজ়রায়েলের দিকে।ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডে ইজ়রায়েল একাই হামলা চালিয়েছে দাবি করে নেতানিয়াহু অবশ্য জানিয়েছেন, ওই ধরনের হামলা আর না চালাতে অনুরোধ করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্প অনুরোধ করলে ইজ়রায়েল ফের ইরানের প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডারে হামলা চালাবে। নেতানিয়াহুর কথায়, 'ট্রাম্প হামলা বন্ধ রাখতে বলেছেন। তাই বন্ধ রাখছি'।
82 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 05:23 AM
পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিঃ ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত

পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিঃ ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত

এই সময়, তমলুক:আসন্ন ভোটকে সামনে রেখে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট পরিচালনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর্যালোচনায় ২৫ জন অবজার্ভারকে নিয়ে বৈঠক করল জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার নিমতৌড়িতে জেলাশাসকের কার্যালয়ে ওই বৈঠকে ছিলেন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলাশাসক, ১৬টি বিধানসভার রিটার্নিং অফিসার–সহ পদস্থ আধিকারিকরা। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত জেনারেল অবজার্ভার, পুলিশ অবজার্ভার ও এক্সপেন্ডিচার অবজার্ভারদের সঙ্গে জেলার সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ১৬ জন জেনারেল অবজার্ভার, চারটি মহকুমার জন্য চারজন পুলিশ অবজার্ভার এবং পাঁচ জন এক্সপেনডিচার অবজার্ভার নিযুক্ত হয়েছেন। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রেই একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক থাকবেন, যাঁরা ভোট প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি নজরদারি করবেন।সূচি অনুযায়ী, ৩০ মার্চ গেজেট নোটিফিকেশন হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল। যাচাই ৭ এপ্রিল এবং প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ এপ্রিল। জেলায় ভোটগ্রহণ ২৩ এপ্রিল এবং ভোটগণনা ৪ মে। ৬ মে-র মধ্যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট ভোটার প্রায় ৪০ লক্ষ ৮৫ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২১ লক্ষ ৫ হাজার ১৯২, মহিলা ভোটার ১৯ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮০৭ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৯ জন। ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সী নতুন ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৪৮ হাজার ৯৪৯। জেলায় মোট ৪৪২০টি প্রধান বুথ ও ৬২০টি সহায়ক বুথ রাখা হয়েছে। এ বারে বুথের ভিতরের পাশাপাশি বাইরেও সিসিটিভি–র নজরদারি থাকবে। প্রচারের খরচ এবং রাজনৈতিক গতিবিধির উপরেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।জেলাশাসক ইউনিস ঋষিন ইসমাইল বলেন, ‘জেলায় ২৫ জন অবজার্ভার এসেছেন। আজকের বৈঠকে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি, ম্যানপাওয়ার ও পরিকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তাতে অবজার্ভাররা সন্তুষ্ট। জেলায় স্বচ্ছ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বত্র সতর্ক রয়েছে।
23 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 04:46 AM
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বদলি নিয়ে বিতর্ক

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বদলি নিয়ে বিতর্ক

আজকাল ওয়েবডেস্ক:ভোট ঘোষণা হতেই আচমকা ভিনরাজ্যে বদলি করে দেওয়া হচ্ছে রাজ্যের একের পর এক শীর্ষ আমলাদের। এতেই বিতর্ক তুঙ্গে উটেছে। কমিশনের সক্রিয়তাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে তোপ দেগেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। আমলাদের এই রদবদলকে গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে বিপজ্জনক ইঙ্গিত বলে সরব তিনি। আমলা রদবদল নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে মমতা ব্যানার্জির অভিযোগকে সমর্থন করছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কী বলেছেন ওমর আবদুল্লা?'এই ধরনের ব্যাপক রদবদল বা বদলি কেবল অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতেই ঘটে - বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে; তবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। অবশ্য, পশ্চিমবঙ্গ আবারও সেই সত্যটি প্রমাণ করবে যা আমি সর্বদা বিশ্বাস করে এসেছি - রাজনৈতিক দলগুলোর হয়ে নির্বাচনে জয় এনে দেন কর্মকর্তারা নন, বরং সেই দলগুলোর নেতারাই। নির্বাচন কমিশন ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে যতই কারসাজির চেষ্টা করুক না কেন, তাতে ফলাফলের কোনও পরিবর্তন হবে না। ভোট গণনার দিন মমতা দিদি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করবেন।' কেজরিওয়ালের বক্তব্য:'বিজেপি অসৎ উপায়ে নির্বাচনে জেতার জন্য নির্বাচন কমিশনকে তাদের অস্ত্র বানিয়েছে। আজ পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটছে, দিল্লির নির্বাচনেও ঠিক তাই হয়েছিল। ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে ফেলা হয়েছিল, পুলিশ প্রশাসন বিজেপির গুণ্ডামিকে প্রশ্রয় দিয়েছিল এবং পুরো প্রশাসন বিজেপিকে জেতানোর কাজেই ব্যস্ত ছিল। গণতন্ত্রকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। আজ মমতা দিদিও গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য লড়ছেন। এই সংগ্রামে আমরা তাঁর সঙ্গে আছি।' কী অভিযোগ বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর?গত রবিবার নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্য প্রশাসনে একাধিক রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্য ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে সরানোর পর অপসারণ করে হয় রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে। সরিয়ে দেওয়া হয় একাধিক জেলার পুলিশ সুপার ও কমিশনারকেও। বৃহস্পতিবারও রাজ্য কর্মরত ছ'জন আমলাকে ভিন রাজ্যে বদলি করেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের বিরোধিতা করে শুরুতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কড়া চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার আবারও কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হলেন মমতা ব্যানার্জি। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, 'এটি কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটা সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।' কমিশনের পদক্ষেপকে তিনি 'বাংলার প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা' বলেও দাবি করেছেন। কমিশনের কার্যকলাপের মধ্যে স্ববিরোধিতা রয়েছে, যা তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বলে মনে করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। উদাহরণ তুলে তিনি লেখেন, 'তারা (কমিশন) দাবি করে যে, অপসারিত আধিকারিকদের নির্বাচনী দায়িত্ব দেওয়া উচিত নয়; অথচ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই একই আধিকারিকদের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শিলিগুড়ি এবং বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারদের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করার সময় তাঁদের স্থলাভিষিক্ত কাউকে আগে থেকে নিযুক্ত না করায়, এই দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নগরকেন্দ্র কার্যত নেতৃত্বহীন হয়ে পড়েছিল। এই চরম প্রশাসনিক ত্রুটিটি প্রকাশ্যে আসার পরেই কেবল তড়িঘড়ি করে সংশোধনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এটি কোনও সুশাসন বা প্রশাসনিক দক্ষতা নয়; বরং এটি বিশৃঙ্খলা, বিভ্রান্তি এবং চরম অযোগ্যতারই প্রতিফলন—যাকে জোর করে 'কর্তৃত্ব' হিসেবে চালানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে।' মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, 'বাংলা কখনওই ভয়ভীতির কাছে নতি স্বীকার করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। বাংলা লড়াই করবে, বাংলা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে এবং বাংলার মাটিতে বিভেদকামী ও ধ্বংসাত্মক কোনও এজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টাকে বাংলা চূড়ান্তভাবে পরাস্ত করবে।'
29 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 04:43 AM
প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশ আধিকারিকদের বদলি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশ আধিকারিকদের বদলি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃরাজ্যের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও একের পর এক শীর্ষ পুলিশকর্তার বদলি(IPS Transfer)নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঠানো তিন পাতার একটি বিস্ফোরক চিঠিতে তিনি কমিশনের পদক্ষেপকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এবং ‘সংবিধানবিরোধী’ বলে কড়া আক্রমণ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, নির্বাচনী বিধিভঙ্গের কোনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই যেভাবে একতরফা বদলি করা হচ্ছে, তা রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্বল করার এক গভীর ষড়যন্ত্র। চিঠির শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি-সহ জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারদের যেভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাতে তিনি ‘গভীরভাবে মর্মাহত’। তাঁর প্রশ্ন, কোনও আলোচনা বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই ১৫ জন শীর্ষ পুলিশ আধিকারিককে কেন ভিনরাজ্যে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হলো? যাঁদের রাজ্যে দায়িত্ব পালনে ‘অযোগ্য’ মনে করা হচ্ছে, তাঁদেরই আবার অন্য রাজ্যে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করাকে ‘চরম স্বেচ্ছাচারিতা’ ও ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। চিঠিতে বিশেষভাবে উঠে এসেছে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ বা এসআইআর (SIR)-এর প্রসঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এখনও সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। এই সংকটজনক সময়ে জেলাশাসকদের সরিয়ে দিলে নতুন আধিকারিকদের পক্ষে বকেয়া কাজ সামলানো কঠিন হবে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ মানুষের আপিল করার সময় কমিয়ে দিয়ে এটা কি ‘গণতন্ত্রের প্রহসন’ করা হচ্ছে না? মার্চ-এপ্রিল মাসে বাংলায় কালবৈশাখীর প্রকোপ থাকে। মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, স্থানীয় পরিস্থিতি ও ভূপ্রকৃতি সম্পর্কে অভিজ্ঞ আধিকারিকদের সরিয়ে দিলে দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধারকাজ ব্যাহত হতে পারে। বাইরে থেকে আসা আধিকারিকদের পক্ষে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে। এর ফলে কোনও আইনশৃঙ্খলা সমস্যা তৈরি হলে তার দায়ভার নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। চিঠির শেষাংশে মুখ্যমন্ত্রী আরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, সংবিধানের ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদের অপব্যবহার করে রাজ্যে প্রশাসনিক অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। নির্বাচিত সরকারকে দুর্বল করার এই প্রচেষ্টাকে তিনি পরোক্ষ ‘জরুরি অবস্থা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রাজ্য ও কমিশনের এই টানাপড়েন এখন তুঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া চিঠির পর কমিশন পাল্টা কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
23 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 04:26 AM
উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

আজকাল ওয়েবডেস্ক:পাহাড়ের তিন আসন ছেড়ে,একযোগে ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার নজরে নির্বাচনী ইস্তেহার। শুক্রবার, বিকেল চারটেয়, কালীঘাটে তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করবেন দলের সুপ্রিমো। নির্বাচনী ইস্তেহার কী?আসলে ভোটের মুখে, রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি। জনগণের কাছে নিজেদের উদ্দেশ্য, দায়বদ্ধতা নিয়ে বার্তা। অর্থাৎ ভোট জিতলে, ওই দল, সাধারণের জন্য কী কী করার পরিকল্পনা করেছে, একযোগে তা জানানো। তৃণমূল কংগ্রেস, বারে বারে নির্বাচনী ইস্তেহারে চমক রেখেছে। ২০২১ সালের নির্বাচনী ইস্তেহার সেগুলির মধ্যে নজরত কেড়েছিল বিশেষভাবে। যেমন নজর কেড়েছিল একুশের ভোটের আগের স্লোগানগুলিও। এবার ভোটের নির্ঘণ্ট সামনে আসার আগেই তৃণমূল কংগ্রেস যুবসাথী প্রকল্প শুরু করে দিয়েছে। ভোটের আগেই, ১৫ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেছে রাজ্যবাসীর কাছে। সূত্রের খবর, ছাব্বিশের ভোটের মুখেও তৃণমূল মূলত ফোকাস করছে উন্নয়ন এবং নারী-যুব ক্ষমতায়নে। দেড় দশক ক্ষমতার মসনদে বসে থাকার পর, এই ভোট তৃণমূলের কাছে কেবল ফিরে আসার ভোট নয়। ভোট ১৫ বছরের সরকারের হয়ে রাজ্যের সামনে দাঁড়িয়ে, নিজেদের পুনরায় প্রমাণ করার ভোট। সেই কারণেই, গোটা প্রক্রিয়ায় এবার তৃণমূল কংগ্রেস অতি সাবধানী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তেমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। শাসক দলের প্রার্থী তালিকাতেই যদিও তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এবার একযোগে, ৭৪জন বিধায়ককে প্রার্থী তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। ১৫ বিধায়কের আসন বদল করেছেন এক ঝটকায়। ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকায় এবার একেবারে ছেঁটে ফেলা হয়েছে 'স্টার গ্লো'। বদলে যে কথা অভিষেক এর আগেও বারবার বলেছেন, দলে গুরুত্ব দেওয়া হবে পারফম্যান্সকে। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়টিকেও। এবারের প্রার্থী তালিকায় চমক অন্য এক বিষয়েও। ২৩৯ পুরুষ প্রার্থী এবং ৫২ মহিলা প্রার্থীদের যে তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, তাঁদের মধ্যে ১৩ জন মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়েছেন। যেখানে তাবড় তাবড় নামেদের নিয়ে জল্পনায় ছেয়ে গিয়েছিল চতুর্দিক, সেখানে ঠিক সকাল ১১টা থেকে, জেলায় জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস আচমকা যোগদান কর্মসূচি শুরু করে। বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, কলকাতা। জায়গায় জায়গায় শুরু হয় যোগদান। তখনও কেউ আঁচ করতে পারেননি, তাঁরাই তৃণমূলের প্রার্থী। ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেও তাঁরা তৃণমূলের কেউ ছিলেন না। এবার নজর, ইস্তেহারে। চতুর্থবার ফিরে আসার লরাইয়ের আগে, জনগণের মন জিততে কোন কোন বিষয় তুলে ধরবেন মমতা? অপেক্ষা কিছুক্ষণের।
38 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 04:17 AM
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পার্ল হারবার হামলার কথা উল্লেখ করলেন ট্রাম্প

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পার্ল হারবার হামলার কথা উল্লেখ করলেন ট্রাম্প

আজকাল ওয়েবডেস্ক:মার্কিন সফরে গিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সানায়ে তাকাইচি। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ট্রাম্প-তাকাইচি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। পরে একজন জাপানি সাংবাদিক মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে জানতে চান যে, ইরানে হামলা চালানোর আগে আমেরিকা কেন জাপান-সহ ইউরোপ ও এশিয়ার 'বন্ধু'দেশগুলোকে এই বিষয়ে আগেভাগে জানায়নি। জবাবে একঘর কূটনীতিকের সামনে আচমকা ১৯৪১ সালে জাপানের পার্ল হারবার হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প বলে বসেন, "আপনারা তো আচমকাই পার্ল হারবারে হামলা চালিয়েছিলেন। আগে থেকে আমাদের বলেছিলেন?" ভরা সভায় এতেই অস্বস্তিতে পড়েন জাপানি প্রধানমন্ত্রী। তবে ওই সাংবাদিক বৈঠকেই যুদ্ধের আগাম আভাস কেন দেওয়া হয়নি তা ব্যাখ্যা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, "একটা কথা মনে রাখবেন, আপনি চাইবেন না যে আপনার পরিকল্পনার আগাম কোনও ইঙ্গিত বা বার্তা শত্রুপক্ষের কাছে পৌঁছে যাক। আমরা যখন অভিযানে নামি, তখন অত্যন্ত কঠোরভাবেই নামি। আর আমরা কাউকে এ বিষয়ে কিছু জানাইনি, কারণ আমরা শত্রুপক্ষকে চমকে দিতে চেয়েছিলাম।"এরপর তিনি কৌতুকের সুরে যোগ করেন, "চমক বা আকস্মিক আক্রমণের বিষয়টি জাপান ছাড়া আর কে-ই বা ভাল বোঝে? আপনারা পার্ল হারবার হামলার কথা আমাদের কেন আগে জানাননি?" ট্রাম্প আরও বলেন, "আমার মনে হয়, চমক বা আকস্মিক আক্রমণের ওপর আপনাদের বিশ্বাস আমাদের চেয়েও অনেক বেশি।" ট্রাম্প এখানে যে 'চমক'-এর কথা উল্লেখ করেছেন, তা হল ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে জাপানের আকস্মিক বিমান হামলা। ওই হামলায় ২,৩৯০ জন মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছিলেন। এর ঠিক পরদিনই আমেরিকা, জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ শুরু হয়। আমেরিকার ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট সেই দিনটি সমন্ধে বলেছিলেন—"এমন একটি দিন, যা চিরকাল কলঙ্কের দিন হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।" ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আমেরিকার পারমাণবিক বোমা হামলার মধ্য দিয়ে সেই যুদ্ধের অবসান ঘটে। ১৯৫১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আমেরিকা ও জাপান একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে এবং সেই থেকে তারা একে অপরের 'বন্ধু' হিসেবেই অবস্থান করছে। এরপর ট্রাম্প আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানকে আকস্মিকভাবে আক্রমণের সুফল বা ফলাফল সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "ওদের চমকে দেওয়াটা জরুরি ছিল এবং আমরা ঠিক সেটাই করেছি। আর সেই আকস্মিক আক্রমণের সুবাদেই—অভিযানের প্রথম দু'দিনের মধ্যেই—আমরা সম্ভবত আমাদের লক্ষ্যমাত্রার ৫০ শতাংশ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি; যা আমাদের পূর্ব-ধারণার চেয়েও অনেক বেশি ছিল। আর আমি যদি আগেভাগেই সবাইকে এ বিষয়ে জানিয়ে দিতাম, তবে তো সেটা আর 'চমক' হিসেবেই গণ্য হত না।" 'বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা কেবল আপনার দ্বারাই সম্ভব': ট্রাম্পের প্রশংসায় জাপানি প্রধানমন্ত্রী মধ্য এশিয়ায় চলমান সংঘাত বর্তমানে ২১তম দিনে গড়িয়েছে। সে প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জাপানি প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, বিশ্ব বর্তমানে "বিশ্ব অর্থনীতি মারাত্মক এক ধাক্কার সম্মুখীন হতে চলেছে।" তবে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুদায়িত্ব তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপরই ন্যস্ত করেন। বলেন, "আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, একমাত্র আপনিই- ডোনাল্ড - সমগ্র বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। আর তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যটি সম্মিলিতভাবে অর্জনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বহু অংশীদারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে আমি প্রস্তুত।" তাকাইচি প্রতিবেশী অঞ্চলে ইরানের আক্রমণ এবং হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। পাল্টা ট্রাম্প বলেন, "আমি আশা করি জাপান এগিয়ে আসবে, বুঝতেই পারছেন - কারণ আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কটি ঠিক সেই মানেরই।"
62 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 04:05 AM
বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে নিরাপত্তা বাড়াল পুলিশ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে নিরাপত্তা বাড়াল পুলিশ

শিলিগুড়ি:বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই শিলিগুড়ি জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করেছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। নির্বাচনের আগে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ভোরে প্রধান নগর থানার সাদা পোশাকের পুলিশ এক বড়সড় অভিযানে নেমে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করল(Arms Recovery Siliguri)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যে প্রধান নগর থানার পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে যে, দার্জিলিং মোড় এলাকায় এক যুবক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরি করছে। খবর পাওয়া মাত্রই সাদা পোশাকের পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় হানা দেয়। বেশ কিছুক্ষণ ওঁত পেতে থাকার পর ২৪ বছর বয়সী গোপাল কর্মকার নামে এক যুবককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। পুলিশ ওই যুবককে আটক করে তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ হয় তদন্তকারীদের। তল্লাশির সময় গোপালের কোমর থেকে একটি দেশি পিস্তল এবং পকেট থেকে একটি জীবন্ত কার্তুজ উদ্ধার হয়। কোনও বৈধ নথি দেখাতে না পারায় পুলিশ তাকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে (Arms Act) মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, নির্বাচনের আগে নাশকতা চালানো বা পাচারের উদ্দেশ্যেই এই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে কোনও বড় আন্তঃরাজ্য অস্ত্র পাচারকারী চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রধান নগর থানার পুলিশ। ধৃতকে বৃহস্পতিবারই শিলিগুড়ি আদালতে তোলা হবে। ভোটের আগে শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গ বর্তমানে ‘হাই অ্যালার্ট’-এ রয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী দিনেও এ ধরণের তল্লাশি অভিযান ও কড়াকড়ি জারি থাকবে। বিশেষ করে শহরের প্রবেশপথ ও ভিড় এলাকায় সাদা পোশাকের পুলিশের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
49 shares
😊
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Mar 20, 2026, 03:48 AM
নির্বাচন কমিশন প্রবীণ নাগরিক এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য হোম ভোটিং সুবিধা চালু করেছে

নির্বাচন কমিশন প্রবীণ নাগরিক এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য হোম ভোটিং সুবিধা চালু করেছে

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। এবারও ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়স্ক প্রবীণ নাগরিক এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য বাড়িতে বসেই ভোট দেওয়ার(Home voting facility)সুবিধা থাকছে। শুক্রবার এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়েছে, কারা এই সুবিধা পাবেন এবং কীভাবে আবেদন করতে হবে। বাড়িতে বসে ভোটের নিয়মাবলি কমিশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পাঁচ দিনের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ৮৫ ঊর্ধ্ব প্রবীণ বা বিশেষ ভাবে সক্ষম ভোটার অথবা তাঁদের পরিবারের লোককে নির্দিষ্ট বিএলও-র (BLO) মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারের কাছে‘১২ডি’ (12D)ফর্মে আবেদন জানাতে হবে। আবেদন মঞ্জুর হলে রিটার্নিং অফিসাররা ভোটগ্রহণের একটি সময়সূচি স্থির করবেন, যা সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদেরও জানানো হবে। নির্দিষ্ট দিনে ভোটকর্মীরা সরাসরি ভোটারের বাড়িতে গিয়ে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট সংগ্রহ করবেন। পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা পাবেন কারা? জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্য এবারও পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন: এঁদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মনোনীত নোডাল অফিসারের কাছে আবেদন করতে হবে। এ ছাড়াও, ভোটের কাজে নিযুক্ত কর্মীদের জন্য থাকছে ‘ফেসিলিটেশন সেন্টার’, যেখানে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। সেনাবাহিনী ও আধা-সেনাদের জন্য ইটিপিবিএস দেশরক্ষা বা আধা-সেনা বাহিনীর জওয়ানদের জন্য ইলেকট্রনিক ভাবে পোস্টাল ব্যালট সিস্টেমের (ETPBS) ব্যবস্থা করেছে কমিশন। রিটার্নিং অফিসার ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ব্যালট পাঠাবেন এবং জওয়ানরা ডাক পরিষেবার মাধ্যমে তাঁদের ভোট পাঠাতে পারবেন। এর জন্য কোনো ডাক খরচ দিতে হবে না। তবে মনে রাখতে হবে, ৪ মে ভোট গণনার দিন সকাল ৮টার মধ্যে এই ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে পৌঁছানো বাধ্যতামূলক। এই বিশেষ পদক্ষেপের ফলে শারীরিক অসুস্থতা বা কাজের চাপের কারণে কেউ যাতে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন।
23 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Mar 20, 2026, 03:06 AM
ইসরায়েলের প্ররোচনায় মার্কিন-ইরান যুদ্ধের অভিযোগ অস্বীকার নেতানিয়াহুর

ইসরায়েলের প্ররোচনায় মার্কিন-ইরান যুদ্ধের অভিযোগ অস্বীকার নেতানিয়াহুর

আজকাল ওয়েবডেস্ক:অশান্ত মধ্য এশিয়া। ইরানে, ইজরায়েল-মার্কিন হানার জের এখনও অব্যাহত। প্রত্যাঘাতে মরিয়া তেহরান। দুনিয়াজুড়ে গুঞ্জন যে, ইজরায়েলের উস্কানিতেই ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছে। তবে, এই অভিযোগ নস্যাৎ করলেন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। যেসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযোগ মাথাচাড়া দিয়েছে, সেগুলোকে নেতানিয়াহু “ভুয়ো খবর” বলে অবিহিত করেছেন। কী বলেছেন নেতানিয়াহু? ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যে, আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই সংঘাতে (ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ) টেনে এনেছি- এটা কেবল একটি অপপ্রচারই নয়, বরং হাস্যকর। কেউ কি সত্যিই মনে করে যে, অন্য কেউ প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্পকে নির্দেশ দিতে পারে যে তাঁকে কী করতে হবে? এও কি সম্ভব?” তিনি আরও যোগ করেন, ট্রাম্প “সর্বদাই সেই সিদ্ধান্তগুলো নেন, যা তিনি আমেরিকার জন্য মঙ্গলজনক বলে মনে করেন।” ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যকার “ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের” প্রশংসাও করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, “আমরা বিদ্যুৎগতিতে আমাদের লক্ষ্যগুলো অর্জন করছি।” ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দাবি, আমেরিকা ও ইজরায়েলের টানা ২০ দিনের বিমান হামলার পর ইরানের এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার কিংবা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কোনও ক্ষমতা অবশিষ্ট নেই। একটি সাংবাদিক বৈঠকে নেতানিয়াহুতিনি বলেন, “যুদ্ধে আমরা জয়ী হচ্ছি, আর ইরান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে।” তিনি জানান, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। বেঞ্জামিন নিতানিয়াহু বলেন, “আমরা এখন যেসব ঘাঁটি ধ্বংস করছি, সেগুলো মূলত সেই কারখানা—যেখানে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এবং তারা যেসব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, সেগুলোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বা উপাদান তৈরি করা হয়।” তবে, ইরানের যে আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের কোনও ক্ষমতা নেই, নিজের সেই দাবির সপক্ষে নেতানিয়াহু কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারেননি। নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেন যে, ইরান এখন “যেকোনও সময়ের চেয়ে দুর্বল”, অন্যদিকে ইজরায়েল একটি আঞ্চলিক শক্তি—এবং “কেউ কেউ তো একে বিশ্বশক্তি হিসেবেও অভিহিত করবেন।” তিনি আরও যোগ করেন যে, তেহরানের বিরুদ্ধে এই অভিযান “যতদিন প্রয়োজন, ততদিনই অব্যাহত থাকবে।” এদিকে, নেতানিয়াহু যখন সাংবাদিক বৈঠকে বক্তব্য রাখছিলেন, ঠিক সেই সময়েই ইরান নতুন করে এক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইজরায়েলি সেনাবাহিনীও নিশ্চিত করেছে যে, তাদের দেশের দিকে লক্ষ্য করে নতুন করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে। নেতানিয়াহু আরও জানান যে, ইরানের ‘সাউথ পার্স’ গ্যাসের ঘাঁটিতে হামলা চালানোর বিষয়টি ইজরায়েল সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবেই করেছে। তবে তিনি এও উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের হামলার ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ইজরায়েল ওই গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক গ্যাস ঘাঁটিতে ভবিষ্যতে আর কোনও হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবে। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাদের অনুরোধ করেছেন যেন আমরা ভবিষ্যতে আর কোনও হামলা না চালাই। আমরা তাঁর অনুরোধ মেনে হামলা থেকে বিরত থাকছি।” প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু হুঙ্কারের সুরে বলেন, “ইরানের সেই ‘মৃত্যু-পূজারি গোষ্ঠী’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পথ- হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে বিশ্বকে ব্ল্যাকমেইল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু তাদের এই অপচেষ্টা কখনোই সফল হবে না।”
7 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:24 AM
বনগাঁতে দলীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন টিএমসি প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস।

বনগাঁতে দলীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন টিএমসি প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস।

এই সময়, হাবরা ও বনগাঁ:ভোট প্রচারের রণকৌশল ঠিক করতে বৃহস্পতিবার বনগাঁর নীলদর্পণ প্রেক্ষাগৃহে কর্মী বৈঠক করলেন বনগাঁ উত্তরের তৃণমূলের প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। এ দিন বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, কাউন্সিলার–সহ কেন্দ্রের সাত পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান এবং বুথ ও অঞ্চলের সভাপতি ও কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক থেকেই বিশ্বজিৎ দ্বন্দ্ব ভুলে জয়ের লক্ষ্যে একজোট হয়ে প্রচারে নামার নির্দেশ দিয়েছেন। এ দিনই হাবরায় এসে দেওয়াল লিখনের মধ্যে দিয়ে ভোটের প্রচার শুরু করে দিলেন প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।বনগাঁ পুরসভার ২২টি ওয়ার্ড ও সাতটি পঞ্চায়েত এলাকা নিয়ে বনগাঁ উত্তর কেন্দ্র। এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। তিনি জেলার সাংগঠনিক সভাপতিও। গত লোকসভা নির্বাচনের পুরসভা ভিত্তিক প্রতিটি ওয়ার্ডেই পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। দলের অন্দরে দ্বন্দ্বের কারণে ফলাফল তৃণমূলের বিপক্ষে গিয়েছে বলে রিপোর্ট। জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী। এ বার তাই অনেকটা সতর্ক হয়ে মাঠে নেমেছেন বিশ্বজিৎ। এ দিন পুরসভা ও সাতটি পঞ্চায়েতের সংগঠনের নেতা–কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। বিশ্বজিৎ বলেন, ‘বনগাঁ উত্তরের মাটি তৃণমূলের। খুব দ্রুত বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার শুরু করা হবে। তার আগে প্রচারের রণকৌশল থেকে সাংগঠনিক সব বিষয় নিয়ে বৈঠক হয়েছে। বনগাঁর চার কেন্দ্রেই এ বার তৃণমূল জিতবে।’অন্যদিকে, এ দিনই হাবরার নির্বাচনী সমীকরণে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। উন্নয়নকেই হাতিয়ার করে চতুর্থ বারের জন্য এই কেন্দ্র থেকে তিনি জয়ী হবেন বলে জানিয়েছেন বালু। তাঁর মতে, ‘এখানে লড়াই মূলত সংগঠন ও উন্নয়নের উপর ভিত্তি করে। সেখানে তৃণমূল অনেক এগিয়ে।’ হাবরা শহরের পাশাপাশি রাউতারা, পৃথিবা, কুমড়া, মছলন্দপুর-সহ অন্যান্য পঞ্চায়েত এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন তিনি। হাবরা হাসপাতালকে ১০০০ শয্যায় উন্নীত করা, নিকাশি ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন, জল জমা রুখতে একাধিক পাম্পিং স্টেশন, রাস্তা ও পানীয় জলের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার কথা তুলে ধরেই প্রচারের ঝাঁজ বাড়াতে চাইছেন জ্যোতিপ্রিয়।
65 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:20 AM
মার্কিন রাষ্ট্রপতির অনুরোধে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে সম্মত ইউরোপীয় দেশগুলি

মার্কিন রাষ্ট্রপতির অনুরোধে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে সম্মত ইউরোপীয় দেশগুলি

হরমুজ়(Strait of Hormuz) দিয়ে নিরাপদে তেলের ট্যাঙ্কার পারাপার করাতে বিভিন্ন দেশকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (American President Donald Trump)। প্রায় এক সপ্তাহ পরে তাতে সাড়া দিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ইটালি-সহ ইউরোপের একাধিক দেশ। রাজি হয়েছে জাপানও (Japan)। বৃহস্পতিবার যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘হরমুজ় স্বাভাবিক করতে আমেরিকার সঙ্গে যোগ দিতে আমরা প্রস্তুত।’ তবে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করা হয়নি বিবৃতিতে।পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। শুধু তাই নয়, তেল নিয়ে কোনও জাহাজ বেরনোর চেষ্টা করলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ড কর্পস। তার পর থেকেই বাজারে দেখা দিয়েছে তেলের সংকট। দাম ছাড়িয়ে গিয়েছে ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার।এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক জাহাজের উপরে ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা করে বিবৃতি জারি করেছে জাপান ও ইউরোপের দেশগুলি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিরস্ত্র বাণিজ্যিক জাহাজের উপরে ইরানের হামলা, তেল ও গ্যাসের পরিকাঠামোয় আক্রমণ এবং হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার তীব্র নিন্দা জানাই।’ ইরানকে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে। বলা হয়েছে, ‘ইরানের এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বের সবাইকে ভুগতে হবে।’এর পরেই হরমুজ় খুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘হরমুজ দিয়ে তেলবাহি জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে যা যা করা প্রয়োজন, আমরা করতে প্রস্তুত।’ একই সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে তেল ছাড়ার সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।এর মধ্যেই ইরানের তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেনআমেরিকার অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট। Fox নিউজ়ের ‘মর্নিং উইথ মারিয়া’ শো-তে যোগ দেন স্কট। সেখানে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে।’ নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি করতে পারে না। অনেক তেল জাহাজে জমিয়ে রাখা হয়। পরে সেগুলো বিক্রি করার জন্য অপেক্ষা করে। এই তেলের উপর থেকেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
12 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:13 AM
পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সাংসদ ও প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বিজেপির চমক

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সাংসদ ও প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বিজেপির চমক

এই সময়, ব্যারাকপুর: বিজেপির দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকায় সবচেয়ে বেশি চমক ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে। সোমবার বিজেপির প্রথম তালিকায় ব্যারাকপুর লোকসভার বেশ কয়েকটি বিধানসভায় প্রার্থীর নাম ছিল না। মঙ্গলবার তৃণমূল পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতেই চিন্তা বাড়তে থাকে বিজেপি শিবিরে। বৃহস্পতিবার পদ্ম শিবিরের ১১৩ জনের নাম জানা যেতেই চমকের সঙ্গে বিতর্কও বেড়েছে।ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংকে নোয়াপাড়ায় পাঠানো হয়েছে। তবে তাঁকে নোয়াপাড়ায় প্রার্থী করায় এই কেন্দ্রের একদা কাউন্সিলার ও তৃণমূল নেতা বিকাশ বসু খুনের বিতর্ক নতুন করে মাথাচাড়া দেবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। জগদ্দল কেন্দ্রের প্রার্থী রাজেশ কুমারের নামও বড় চমক। কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজেশ কুমার এ বার তৃণমূল প্রার্থী তথা গতবারের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে বিজেপির টিকিটে লড়বেন। রাজেশ কুমার গত ৩১ জানুয়ারি অবসর নিয়েছেন। কেন বিজেপি'তে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'মানুষের জন্য কাজ করে বিজেপি। তাই বিজেপিতে যোগ দিয়ে মানুষের হয়ে কাজ করতে চাই।'বীজপুরের বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস আগে তৃণমূল করতেন। ২০১৯-এ লোকসভা নির্বাচনে অর্জুন সাংসদ হতেই তিনি পদ্মশিবিরে যোগ দেন। মাঝখানে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না। তৃণমূল কর্মী রাজু কুড়মি খুনের অভিযোগেও তাঁর নাম ছিল। এ বার তাঁকেই বীজপুরের প্রার্থী করে স্থানীয় অঙ্ককে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। যদিও তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক সুবোধ অধিকারী বলেন, 'বীজপুরে আমাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএম। বিজেপিকে প্রতিপক্ষই মনে করছি না।'ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচিকে। তাঁর লড়াই তৃণমূলের তারকা বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে। বৃহস্পতিবার তাঁর নাম ঘোষণা পর কৌস্তুভবলেন, 'তোলাবাজদের হাত থেকে ব্যারাকপুরকে মুক্ত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।' আর রাজ বলছেন, 'আমি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অর্জুন সিংকে চেয়েছিলাম। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হবে না।' কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী অরূপ চৌধুরী ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। পেশায় ব্যবসায়ী অরূপ বিজেপি কিষাণ মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদক। তাঁকে প্রার্থী করায় কামারহাটির বিজেপি নেতৃত্ব যে খুব একটা খুশি নন তা তাঁরা হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন।খড়দহের বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চক্রবর্তী অধ্যাপক। আরএসএসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। বিজেপির তালিকা প্রকাশ হতেই ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, 'আমি অর্জুনকে হারিয়েছি। ব্যারাকপুরে সাতে সাত করবে তৃণমূল।'
19 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 02:03 AM
নির্বাচনের আগে বনগাঁতে অভিজ্ঞ প্রার্থীকে মাঠে নামিয়েছে বিজেপি।

নির্বাচনের আগে বনগাঁতে অভিজ্ঞ প্রার্থীকে মাঠে নামিয়েছে বিজেপি।

এই সময়, বনগাঁ:প্রার্থী বাছাইয়ে পুরোনোদের উপরেই মতুয়া গড়ে ভরসা রাখলেন বিজেপি নেতৃত্ব। বনগাঁ উত্তর, দক্ষিণ ও গাইঘাটা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়কদের একই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে। তবে, মতুয়া অধ্যুষিত বাগদা কেন্দ্রে এ দিন প্রার্থী ঘোষণা হয়নি। বনগাঁর প্রাক্তন জেলা সভাপতি দেবদাস মণ্ডল হাবরা কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন।বনগাঁ উত্তরে বিজেপির বিধায়ক ছিলেন অশোক কীর্তনিয়া। ২০২১–এ ১০ হাজারের কিছু বেশি ভোটে জিতে বিধায়ক হন।এ বারেও ফের তাঁকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। অশোকের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বাজি বিশ্বজিৎ দাস। অশোক বলেন, ‘দল আমার উপর ফের আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ। জিতে বনগাঁ উত্তরের মর্যাদা রাখব।’ বিশ্বজিৎ বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে বিধায়ক হিসেবে কোনও কাজ করেননি উনি।’ বনগাঁ দক্ষিণে বিদায়ী বিধায়ক স্বপন মজুমদারকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। সন্ধ্যায় গোপালনগরের পল্লা বাজার ও চাঁদপাড়ায় মিছিল করেন স্বপন। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য। প্রার্থী হওয়ার পরেই স্বপন মজুমদারের চরিত্র নিয়ে মুখ খুলেছিলেন তিনি। এ দিন স্বপন বলেন, ‘অন্যের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ করার আগে তৃণমূল প্রার্থী যেন নিজের এবং তাঁর বাবা শঙ্কর আঢ্যর বিষয়টি ভাবেন।’বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডলের বাড়িও বনগাঁর মতিগঞ্জে। তাঁকে হাবরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। দেবদাসের বিরুদ্ধে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দেবদাস বলেন, ‘হাবরায় তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত।’ জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ‘গণনার দিন পরিষ্কার হয়ে যাবে, হাবরার মানুষ তৃণমূলের পক্ষেই থেকেছেন।’ অশোকনগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী চিকিৎসক সুময় হীরা। বারাসতে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়।
4 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 02:01 AM
প্রার্থী বাছাই নিয়ে সিপিআই (এম) অফিসে ভাঙচুর

প্রার্থী বাছাই নিয়ে সিপিআই (এম) অফিসে ভাঙচুর

তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনকে কালীগঞ্জে আসনে প্রার্থী করায় সিপিএমের পলাশি এরিয়া কমিটির অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছিলেন দলের কিছু কর্মী। পরে, দলের জেলা স্তরের নেতারা এই নিয়ে কথা বলতে গেলে, তাঁদের শারীরিক ভাবে হেনস্থা করা হয় বলেও অভিযোগ। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এরিয়া কমিটির সম্পাদক-সহ সাত জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সিপিএম সূত্রের খবর।
25 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 01:33 AM
টিএমসি-র সাসপেন্ডেড ছাত্রনেতা রজনী হালদার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দুটি আসনে নির্দলভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

টিএমসি-র সাসপেন্ডেড ছাত্রনেতা রজনী হালদার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দুটি আসনে নির্দলভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

সোনারপুর দক্ষিণ এবং আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রথেকে নির্দল হিসাবে লড়ার কথা জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের নিলম্বিত ছাত্র নেত্রীরাজন্যা হালদার। সোনারপুর দক্ষিণে তৃণমূল ফের প্রার্থী করেছে বিধায়ক-অভিনেত্রী অরুন্ধতী মৈত্রকে (লাভলি)। প্রাক্তন সাংসদ ও অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে বৃহস্পতিবার ওই আসন থেকেপ্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি-ও। বিজেপির প্রার্থী ঘোষণার পরেই এ দিন নির্দল হিসাবেদাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন রাজন্যা। প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগে বিজেপিতে রাজন্যার যোগদেওয়া নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’ গড়ে নানা কর্মসূচিকরছিলেন রাজন্যা। সেই মঞ্চের হয়েই নির্দল প্রার্থী হিসাবে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেনতিনি। রাজন্যার বক্তব্য, “সোনারপুরেকোনও দল স্থানীয়দের প্রার্থী হিসাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। উন্নয়নের প্রশ্নে ক্রমেপিছিয়ে পড়ছে এলাকা। তাই আমার ভোটে দাঁড়ানো।” জনসংগ্রাম মঞ্চের হয়ে আরও কয়েকটিকেন্দ্রেও প্রার্থী দেওয়া হচ্ছে।
98 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 01:03 AM
ভবানীপুর আসনের জন্য পৃথক স্লোগান প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

ভবানীপুর আসনের জন্য পৃথক স্লোগান প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস

শুধু ভবানীপুর কেন্দ্রের জন্য আলাদা স্লোগান তৈরি করে বাড়ি বাড়ি যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। তাতে লেখা হবে, ‘উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে’। মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার দলের প্রস্তুতি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
21 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:49 AM
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে'প্রতিজ্ঞা "-র নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে'প্রতিজ্ঞা "-র নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

রাজ্যবাসীর কাছে একগুচ্ছ ‘প্রতিজ্ঞা’ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের নির্বাচনী ইস্তাহারের নামকরণ করেছেন ‘প্রতিজ্ঞা’। চলতি বছরে রাজ্য বাজেটে সরকারের যে লক্ষ্য তিনি স্পষ্ট করেছেন, তাকেই আগামী পাঁচ বছরের প্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট করে দলের এই ইস্তাহার তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দিন কয়েকের মধ্যেই তার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ সেরে পূর্ণোদ্যমে প্রচারে নেমে পড়বেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
94 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 20, 2026, 12:31 AM
সরবরাহ বাড়াতে এবং দাম কমাতে ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

সরবরাহ বাড়াতে এবং দাম কমাতে ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ় প্রণালী(Strait of Hormuz) বন্ধ। তেলের বাজারে গেল গেল রব উঠেছে। এক দিকে জোগান নেই। অন্য দিকে, লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ইরানের (Iran) তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ইঙ্গিত দিলেনআমেরিকার অর্থ সচিব স্কট বেসেন্ট(Treasury Secretary Scott Bessent)। তিনি বলেন, ‘জোগান বাড়াতে এবং দাম কমাতে ইরানের তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।’ তবে পুরোপুরি নয়, সমুদ্রে থাকা তেলের উপর থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা তোলা হতে পারে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।এ দিন Fox নিউজ়ের ‘মর্নিং উইথ মারিয়া’ শো-তে যোগ দেন স্কট। সেখানে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের তেলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে।’ নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি করতে পারে না। অনেক তেল জাহাজে জমিয়ে রাখা হয়। পরে সেগুলো বিক্রি করার জন্য অপেক্ষা করে।আমেরিকার হিসেব অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানের একাধিক জাহাজে ১৪০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। সমুদ্রে থাকা সেই সব তেলের ট্যাঙ্কার থেকেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্কট। তিনি বলেন, ‘এর ফলে দশ দিন থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত তেলের জোগান নিয়ে ভাবতে হবে না। তেলের দামও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’ গত দুই সপ্তাহে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে কিছুটা সুরাহা হতে পারে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।এর আগে রাশিয়ার তেলের উপর থেকেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল আমেরিকা। স্কটের কথায়, ‘তেলের জোগান ঠিক রাখতে এই ধরনের পদক্ষেপ আরও করা হবে।’ একই সঙ্গে জরুরি পরিস্থিতির জন্য জমিয়ে রাখা মজুত তেলও এ বার ধীরে ধীরে ছাড়া হবে বলে জানিয়েছেন আমেরিকার অর্থসচিব। তিনি বলেন, ‘এই নিয়ে G-7 দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’ তবে আমেরিকা তেলের ফিউচার মার্কেটে কোনও ভাবেই হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। স্কটের কথায়, ‘আমরা শুধু বাস্তব বাজারে জোগান বাড়ানোর চেষ্টা করছি।’এ দিন হোয়াইট হাউসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ়ে জাহাজ চলাচলের জন্য জাপানের নৌবাহিনীকে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি। জাপানের অধিকাংশ তেল ওই পথেই আসে। ট্রাম্প বলেন, ‘খুব ভালো আলোচনা হয়েছে।’ জাপান তাদের রিজার্ভ থেকে আরও তেল ছাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
38 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:24 AM
বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের সহকারী শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের সহকারী শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদ

অভিযোগ, খোদ মুখ্যমন্ত্রীর তরফে দেওয়া কোনও প্রতিশ্রুতিই রক্ষা হয়নি। আট বছর পরে ভাতা বেড়েছে মাত্র এক হাজার টাকা। এ বারের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাই পার্শ্ব শিক্ষকদের একাংশ রাস্তায় নেমে জনসাধারণকে মনে করাবেন তাঁদের বঞ্চনার কথা। পার্শ্ব শিক্ষক ঐক্য মঞ্চের সভাপতি ভগীরথ ঘোষ বলেন, ‘‘আমাদের বঞ্চনার কথা সাধারণ মানুষকে মনে করাব। আমাদের আবেদন, যে এলাকায় যে বিরোধী দল শক্তিশালী, তাদের ভোট দিন। আমরা কলকাতার ভবানীপুর-সহ বেশ কিছু এলাকায় স্ট্রিট কর্নার করছি।’’
27 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:21 AM
কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্মীরা ভারতে নির্বাচনী নজরদারি দলে যোগ দিয়েছেন

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্মীরা ভারতে নির্বাচনী নজরদারি দলে যোগ দিয়েছেন

এ বার থেকে ভোটের নজরদারির জন্য গঠিত ফ্লাইং স্কোয়াড টিম (এফএসটি) এবং স্ট্যাটিক সার্ভেল্যান্স টিম (এসএসটি)-এর অঙ্গ হবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। আপাতত ঠিক হয়েছে, প্রতিটি দলে হাফ সেকশন, অর্থাৎ চার জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থাকবেন। তবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের কর্মীদের দেখা গিয়েছে এফএসটি ও এসএসটি দলে।
43 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 20, 2026, 12:02 AM
উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে কিম জং উনের বিপুল জয়

উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে কিম জং উনের বিপুল জয়

ফের বিপুল ভোটে জয়ী হলেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন। পেলেন ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট। তবে বিরোধী শূন্য উত্তর কোরিয়ায় ০.০৭ শতাংশ ভোট কিম না পাওয়ায় শুরু হয়েছে চর্চা।
99 shares
😊
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 11:30 PM
কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর অনুব্রত মন্ডলের প্রথম বিধানসভা নির্বাচন সভা

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর অনুব্রত মন্ডলের প্রথম বিধানসভা নির্বাচন সভা

নির্বাচনের দিনক্ষণ (West Bengal Election 2026) ঘোষণার পরেই স্বমেজাজে ধরা দিলেনঅনুব্রত মণ্ডল(Anubrata Mondal)। গরু পাচার মামলায় জেলমুক্তির পরে এটাই তাঁর প্রথম বিধানসভা নির্বাচন। এই নিয়ে বৃহস্পতিবার বীরভূমের (Birbhum) ২২ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের (TMC) নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা বসেছিলেন তিনি। সেখানেই স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, তাঁর লিড চাই। অনুব্রতর কথায়, ‘লিড না দিতে পারলে কোনও সাহায্য মিলবে না। এটা যেন মাথায় থাকে।’ ওয়ার্ডে ২৫ জনের একটি টিম তৈরি করে দেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।বোলপুর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে অনুব্রতর বাড়ি। কিন্তু গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটে এই ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। এই নিয়ে মাঝে মধ্যেই আক্ষেপ করেন অনুব্রত। এ দিন বোলপুরের তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের কাছে প্রচারের রূপরেখা ছকে দেন তিনি। সেখানেই অনুব্রত বলেন, ‘যদি কোনও অন্যায় করে থাকি, ক্ষমা করে দিন। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে রাগ করবেন না।’এর পরেই কিছুটা সুর চড়ান বীরভূমে তৃণমূলের কোর কমিটির কনভেনর অনুব্রত। স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘আপনি যদি আমাকে না দেখেন, আমি কেন দেখব? আপনি যদি আমার পাশে না থাকেন, আমি কেন আপনার পাশে থাকব?’ ২২ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য ১৫ জন ছেলে এবং ১০ জন মেয়েকে নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। অনুব্রতর কথায়, ‘লিড চাই। না হলে ফিরেও তাকাব না। ওই ডিএম-কে (জেলাশাসক) ফোন করো, ওকে ফোন করো, সব বন্ধ করে দেব।’মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক প্রকল্পের কথাও এ দিন তুলে ধরেন অনুব্রত। তিনি বলেন, ‘বাংলায় এমন অনেক প্রকল্প হয়েছে যা রাজস্থানে, উত্তর প্রদেশে হয়নি। ৩৪ বছর অন্ধকারে ছিল বাংলা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবাইকে আলোতে এনেছেন। আর ভুল করবেন না।’ NRC-র ফর্ম চলে এসেছে বলেও দাবি করেন অনুব্রত। সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আবার এনআরসি-র জন্য ডাক পড়বে।’ পাল্টা অনুব্রতকে ‘অশিক্ষিত’ বলে তোপ দাগেন স্থানীয় বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, ‘তাঁর ওয়ার্ডে রাষ্ট্রবাদী মানুষ বাস করেন। তাঁরা কখনওই তৃণমূলকে ভোট দেবেন না।’উল্লেখ্য গরু পাচার মামলায় ২০২২-এর ১১ অগস্ট বোলপুরের বাড়ি থেকে অনুব্রতকে গ্রেপ্তার করেছিল CBI। প্রথমে আসানসোল সংশোধনাগারে রাখা হয় তাঁকে। পরে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিরতিহাড় জেলে। ২০২৩-এর ২১ মার্চ থেকে সেখানেই বন্দি ছিলেন তিনি। ওই বছরের নভেম্বরে গরু পাচার মামলাতে ED-ও গ্রেপ্তার করে তাঁকে। একাধিকবার জামিনের আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে গিয়েছিল আদালতে। শেষ পর্যন্ত ২০২৪-এর সেপ্টেম্বরে জামিন পান অনুব্রত। তবে সেই মামলা এখনও চলছে।
1 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 09:45 PM
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন 2026: ভাড়া বিরোধের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের কার্যালয় বন্ধ

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন 2026: ভাড়া বিরোধের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের কার্যালয় বন্ধ

ভোট ঘোষণা(West Bengal Election 2026) হয়ে গিয়েছে। কোমর বেঁধে প্রচারে নেমে পড়েছে তৃণমূল (TMC), বিজেপি (BJP)-সহ রাজনৈতিক দলগুলি। এর মধ্যেই চুক্তি মোতাবেক টাকা না দেওয়ার অভিযোগে শাসক দলের পার্টি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিলেন বাড়ির মালিক। বৃহস্পতিবারবীরভূমের (Birbhum) মহম্মদ বাজারের রামপুর গ্রামের এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি। যদিও টাকা না দিতে পারায় তারাই পার্টি অফিসে তালা ঝোলাতে বলেছিল বলে দাবি করেছে তৃণমূল।সিউড়ির মুরালপুরের বড় রাস্তার বাঁ দিকে একটি একতলা ঘর রয়েছে। এর মালিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক গঙ্গাধর মণ্ডল। এই ঘরে রোগী দেখতেন তিনি। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ঘরটি বিক্রির জন্য আড়াই লক্ষ টাকায় তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তি করেন তিনি। সেই মতো ঘর ছেড়ে দেন গঙ্গাধর। তার দখল নেয় তৃণমূল। ঘরের সামনে বড় বড় করে লিখে দেওয়া হয় ‘রামপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়’। নেতা-কর্মীরা কাজ শুরু করেন।তার পরে প্রায় ২০ মাস কেটে গিয়েছে। কিন্তু অভিযোগ, তৃণমূল না দিয়েছে বাড়ি কেনার টাকা, না দিয়েছে ভাড়া। এর পরেই এ দিন সকালে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন গঙ্গাধর। তবে তৃণমূলের দাবি, টাকা দিতে না পায়ায়, তাঁরাই পার্টি অফিসে তালা দিতে বলেছিলেন গঙ্গাধরকে। এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কালীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা টাকা দিতে পারিনি। তাই সম্মান রক্ষার্থে নিজেরাই তালা ঝুলিয়ে দিতে বলেছিলাম। যতদিন না টাকা দিতে পারছি, ততদিন এটা তালাবন্ধ অবস্থায় থাকবে।’রামপুর পঞ্চায়েত এখন বিজেপির দখলে। এই নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেছে পদ্মশিবির। তাদের দাবি, টাকা না দিয়ে জোর করে সম্পত্তির দখল নেওয়াই শাসক দলের অভ্যাস। শুধু রামপুরে নয়, বাংলার অনেক গ্রামেই তৃণমূল এই ধরনের কাজ করে চলেছে দাবি করেছেন বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সহসভাপতি কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভোটের মুখে এভাবে পার্টি অফিস বন্ধ করে দেওয়ায় জনমানসে প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
9 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Mar 19, 2026, 07:11 PM
যাদবপুরে কোর কমিটির বৈঠকে তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য

যাদবপুরে কোর কমিটির বৈঠকে তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য

বিধানসভা ভোটের আবহে যাদবপুরে তৃণমূলের অন্দরেই প্রকাশ্যে এল মতানৈক‍্য। বুধবার রাতে যাদবপুরের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাঁপুইপাড়ার পার্টি অফিসে কোর কমিটির বৈঠক চলাকালীন তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদারের সঙ্গে একাধিক কাউন্সিলরের তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা বাধে। ঘটনাকে ঘিরে যাদবপুরের তৃণমূলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যাদবপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। বৈঠকের এক পর্যায়ে প্রার্থী দেবব্রত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বার্তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, অভিষেকের নির্দেশ অনুযায়ী এ বারের নির্বাচনে কাউন্সিলরদের কাজের পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখা হবে এবং সেই ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা হবে। যার অর্থ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা পুরসভার যে নির্বাচন হবে তাতে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরকে টিকিট দেওয়া হবে কি না তা বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর ওয়ার্ডের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। এই মন্তব্য শোনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন কাউন্সিলর তারকেশ্বর চক্রবর্তী, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায়রা। বৈঠকের মাঝেই তাঁরা উঠে দাঁড়িয়ে প্রার্থীর মন্তব‍্যের তীব্র আপত্তি জানান। উত্তেজিত সুরে তাঁদের অভিযোগ, “আমাদের অবিশ্বাস করা হচ্ছে। এই ভাবে অপমান করার কোনও মানে হয় না। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।” পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন প্রার্থী দেবব্রত পাল্টা মন্তব্য করেন, “সেই কারণেই তো কাউন্সিলর হয়ে বিধায়ক হওয়ার জন্য সিভি পাঠিয়েছিলেন।” এই মন্তব্যে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায় এবং বৈঠকের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেবব্রত জানান, তিনি কেবল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তাই পৌঁছে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রস্তাব দেন, কাউন্সিলররা চাইলে তাঁদের ক্ষোভ ও বক্তব্য সরাসরি অভিষেকের কাছে তুলে ধরতে পারেন। এমনকি, ফোনে বিষয়টি জানাতেও তিনি প্রস্তুত বলে জানান। এর পরেই পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং বৈঠক স্বাভাবিক ছন্দে ফেরে। যদিও ঘটনার পর দলীয় অন্দরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের একাংশের নেতার মতে, ভোটের মুখে এ ধরনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল যাদবপুরে দলের নির্বাচনী সম্ভাবনায় প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধীরা ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছে। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে যাদবপুরে তৃণমূলের এই অন্দরকলহ নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণে চাপ বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছে তথ‍্যাভিজ্ঞ মহল।
89 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 04:35 PM
ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম।

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম।

গায়ে সুতোর কাজ করা পাঞ্জাবি, মাথার ফেজ। একেবারে ধোপদুরস্ত হয়ে বেরিয়েছিলেন বাড়ি থেকে। গন্তব্য হুগলির ফুরফুরায় ISF দপ্তর। বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়ে ISF-এ যোগ দিলেন ভাঙড়ে তৃণমূলের দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা এবং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আরাবুল ইসলাম। ISF-র রাজ্য কমিটির সভাপতি সামসুর আলি মল্লিক তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন।১৬ মার্চ ফুরফুরায় এসেছিলেন আরাবুল। পীরজাদা হোসেন সিদ্দিকীর সামনে তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন আরাবুল। সে দিন তিনি জানিয়েছিলেন কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জীবন শুরু করবেন। কিন্তু ISF-এ যোগ দেবেন কি না, তা সেদিন স্পষ্ট করেননি তিনি। এ দিন তিনি যোগ দিলেন আইএসএফ-এ। ভাঙড়ে তৃণমূল সওকত মোল্লাকে গুরুত্ব দেওয়ার পর থেকেই বিক্ষোভের সুর শোনা গিয়েছিল আরাবুলের গলায়।শেষ পর্যন্ত ভাঙড়ে তৃণমূল সওকত মোল্লাকে প্রার্থী করে। এই ভাঙড়েই এক সময়ে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন আরাবুল। এই ভাঙড়ের রাজনৈতিক মাটি দখল নিয়েই এক সময়ে আইএসএফ নেতৃত্বকে তোপ দেগেছিলেন আরাবুল ইসলাম। ভাঙড়ে লাগাতার আইএসএফ ও তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষও হয়েছে।আরাবুল বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাঙড়ে একজন কুখ্যাত লোককে দায়িত্ব দিয়েছেন। যাঁর হাত রক্তে লাল হয়ে গিয়েছে, সেই রকম লোককে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথায় তুলেছেন। কুখ্যাত খুনিকে ভাঙড়ে দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন। এই কারণে আজ ISF-এ যোগ দিলাম।’আরাবুলের দাবি, ‘অনেক দিন ধরে আলোচনা চলছিল। এ বার যোগদান করলাম।’ সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘এটা আমার গর্ব যে, আব্বাস সিদ্দিকী, নৌশাদ সিদ্দিকী কে আমি নেতা হিসাবে পেয়েছি।’
41 shares
😐
G
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 04:00 PM
বামফ্রন্ট আগামী নির্বাচনে বাকি 32টি আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে

বামফ্রন্ট আগামী নির্বাচনে বাকি 32টি আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে

বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলো বামফ্রন্ট। এদিন সিপিআই(এম) রাজ্য সদর দপ্তর মজুফ্‌ফর আহমেদ ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে বাকি প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন প্রবীণ বামফ্রন্ট নেতা মিহির বাইন।৩২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট। শারিরীক অসুস্থতার কারণে সাংবাদিক সম্মেলনে ছিলেন না বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। প্রবীন বামপন্থী নেতা মিহির বাইন প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।এদিন বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে যেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে ভবানীপুর থেকে সিপিআই(এম) প্রার্থী হচ্ছেন আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাস, টালিগজ্ঞ থেকে সিপিআই(এম) প্রার্থী হচ্ছেন পার্থ প্রতিম বিশ্বাস, বালিগজ্ঞ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন আফরিন বেগম (শিল্পী), রানিনগর কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী জামাল হোসেন, চাঁচল কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী আনোয়ারুল হক, কৃষ্ণগজ্ঞ কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী অর্চনা বিশ্বাস, জয়নগর কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী অপূর্ব প্রামানিক, বারুইপুর পশ্চিম কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী লাহেক আলি, নয়াগ্রাম কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী পুলিন বিহারি বাস্কে।সোমবার ১৯২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্টের সহযোগী হিসাবে লড়াই করছে সিপিআই(এম-এল) লিবারেশন। তারা দশটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন।এদিন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘বড় অংশের মানুষকে বিবেচনাধীন রাখা হয়েছে, মানুষের ভোটাধিকর হরণ করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে।’সেলিম বলেন, ‘নির্দিষ্ট কারণের ভিত্তিতে এসআইআর করা হয়। কমিশন কোন করাণ দেখাতে পারেনি। জ্ঞানেশ কুমারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন ওয়েবসাইটে সব দেওয়া আছে।’ উল্লেখ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দারস্থ হয়েছিল সিপিআই(এম)। এদিন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক জানিয়েছেন হাইকোর্টের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী এক সপ্তাহের জানাতে কোন কারণে এসআইআর এবং কিসের ভিত্তিতে তাও কমিশনকে স্পষ্ট করতে হবে। হাইকোর্টের এই নির্দেশকে নৈতিক জয় হিসাবেই দেখছে সিপিআই(এম)। সেলিম জানিয়েছেন মানবাধিকার এবং ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই চলবে।অভয়ার মা বিজেপির প্রার্থী হতে পারে এই জল্পনা প্রশ্নে সেলিম বলেন, প্রশাসন যখন দেহটাকে পুড়িয়ে দিয়ে প্রমাণ লোপাট করতে চাইছিল তখন কলতান, মীনাক্ষী, ধ্রুবরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে শববাহী গাড়িটা আটকেছিল। রাজ্যের মানুষ দেখেছেন এই অপরাধের বিরুদ্ধে কারা লড়াই করেছিল। কোন বিজেপি আর এস এস সেদিন ছিল না। নির্যাতিতার বাবা মাকে নিয়ে দিল্লি গিয়েছিল কিন্তু প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে দেখা করাতে পারেনি। এটাও মনে রাখতে হবে যে কলকাতা পুলিশ যেই মিথ্যা তদন্ত করেছিল তাকে মান্যতা দিয়েছে সিবিআই।
8 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Mar 19, 2026, 03:54 PM
দলের বিক্ষোভের মধ্যে তারকেশ্বরে বিজেপি প্রার্থীকে আক্রমণ, গাড়ি ভাঙচুর

দলের বিক্ষোভের মধ্যে তারকেশ্বরে বিজেপি প্রার্থীকে আক্রমণ, গাড়ি ভাঙচুর

হুগলির তারকেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সন্তু পানের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ। তৃণমূলের কর্মী, সমর্থকেরা গাড়ি ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও অভিযোগ করেছে তৃণমূল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। এ দিন তারকেশ্বর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।তারকেশ্বর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সন্তু পানের অভিযোগ, তারকেশ্বরের গুড়েভাটা এলাকায় গাড়ি রেখে মিটিং করছিলেন তিনি। সেই সময়ে তৃণমূলের কয়েকজন কর্মী বিজেপির বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। থানায় খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থল আসে পুলিশ এবং একজনকে আটক করে। সন্তু বলেন, ‘তৃণমূলের কয়েকজন নেতা এসে কাদের গাড়ি দাঁড়িয়ে জানতে চায়। কথা বলার মাঝেই ইট দিয়ে একটি গাড়িতে মারে।’ একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।এর পরেইবিজেপি প্রার্থীসন্তু পান এবং স্থানীয় বিজেপি নেতা, কর্মীরা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি স্বপন সামন্তের দাবি, ‘এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়, বিজেপি নিজেরাই নিজেদের উপর আক্রমণ করে প্রচারের আওতায় আসার চেষ্টা করছে। তবে দলের কেউ জড়িত থাকলে ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে।’উল্লেখ্য, ২০১১ সাল থেকে এই আসন তৃণমূলের দখলে। ২০১১ ও ২০১৬ সালে এই আসন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী রচপাল সিং। ২০২১ সালে এই আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হন রামেন্দু সিনহা রায়। এ বারেও তাঁর উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল। অন্য দিকে, এই আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন সাংবাদিক সন্তু পান।
68 shares
😢
G
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:53 PM
পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সিপিআই (এম) প্রার্থী অম্বর মিত্রের

পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সিপিআই (এম) প্রার্থী অম্বর মিত্রের

ইংলিশ বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থী অম্বর মিত্রের সমর্থনে চলল প্রচার।ইংলিশ বাজার শহরের মালঞ্চ পল্লী এলাকায় এলাকায় ঘুরে প্রচারের পাশাপাশি হয় মিছিলও।অম্বর মিত্র সিপিআই(এম)’র মালদহ জেলা সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা তাঁর।বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ ও ভোটে নিবিড় প্রচার চালিয়েছেন তিনি। সিপিআই(এম) কর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন মহল্লায় কথা বলছেন।তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপিকে পরাস্ত করতে মানুষের ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের আহ্বান জানান তিনি।
14 shares
😐
G
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:53 PM
কোচবিহার জেলায় টিকিটবিহীন প্রার্থীরা আশীর্বাদ চাওয়ায় উত্তেজনা বেড়েছে

কোচবিহার জেলায় টিকিটবিহীন প্রার্থীরা আশীর্বাদ চাওয়ায় উত্তেজনা বেড়েছে

জয়ন্ত সাহা, কোচবিহারজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে তৃনমুল আর বিজেপির টিকিট পাওয়া প্রার্থীরা ভোট প্রচারে না বেড়িয়ে টিকিট না পাওয়া নেতাদের আশীর্বাদ নিতে ছুটছেন। আসলে চোরাস্রোতে হারতে হবে তাই জেলাজুড়ে চলছে তৃনমুল আর বিজেপির 'আশীর্বাদের' নয়া রাজনীতি।ভোটের মুখে বিজেপি প্রার্থী তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে রীতিমত বেকায়দায়! তুফানগঞ্জের পদ্ম শিবিরে এখন পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে। আবার পাশের কেন্দ্র নাটাবাড়িতে বেকায়দায় তৃনমুল। এখানে রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে দল টিকিট দেয়নি। বদলে টিকিট পেয়েছেন শৈলেন বর্মন। রবীন্দ্রনাথ অনুগামীরা দলের কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। ক্ষোভ ফুঁসছে তাঁর অনুগামীরা। এদিকে তুফানগঞ্জে গতবার জিতেছিলেন, বিজেপির মালতী রাভা। এবার প্রার্থীর নাম ঘোষনার পর দলের ছন্নছাড়া দশায় প্রার্থী বেসামাল।তুফানগঞ্জের বামফ্রন্টের সিপিআই(এম) প্রার্থী ধনঞ্জয় রাভা বলেন, "বিজেপির নেতারা তৃনমুলের মতই কাটমানি আদায় করে চলে। এই বিবাদ আসলে বখরার ভাগাভাগি নিয়ে। শুধু শহরে নয়, বিজেপিতে বড় ভাঙ্গন আসছে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।"কোচবিহার দক্ষিন কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েও অস্বস্তিতে পার্থপ্রতিম রায়। কারন ক্ষোভের চোরাস্রোত তিনি টের পাচ্ছেন বিধানসভা এলাকায় পা রেখেই।এমনিতে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের অনুগামী। জেলার রাজনীতিতে তারা "কাকা-ভাইপো" নামেই পরিচিত। দল রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে টিকিট না দিয়ে সেই আসনে "ভাইপো" পার্থকে টিকিট দেওয়ায় কাকা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ প্রকাশ্যে "ভাইপো" পার্থর প্রশাংসা করলেও রবি অনুগামীরা পুরোপুরি বেঁকে বসেছে।স্বস্তিতে নেই মাথাভাঙা কেন্দ্রে তৃনমুলের টিকিট পাওয়া সাবলু বর্মনও। তিনি প্রাক্তন বনমন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন, দলের যুব সভাপতিকে টপকে টিকিট পেয়েছেন। তিনিও টিকিট পেয়ে প্রচারে নয় যাচ্ছেন যারা টিকিট পায় নি তাদের আশীর্বাদ নিতে। একই দশা শিতলকুচির বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মনেরও। বিধায়ক বরেন বর্মনকে টিকিট না দিয়ে দল তাকে টিকিট দিয়েছে। কিন্তু বিধানসভা এলাকায় দলের নিয়ন্ত্রন বরেন বর্মন অনুগামীদের হাতে। সাবিত্রী বর্মন স্পষ্ট জানেন বরেন বর্মনের আশীর্বাদ না পেলে ভোটে জেতা অসম্ভব।
61 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:42 PM
দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে 111টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি।

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে 111টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি।

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী ঘোষণা করলো বিজেপি। ১১১ আসনে বিজেপি প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দিল্লীর কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে বৃহস্পতিবার প্রার্থী ঘোষনা হয়েছে। ১৬ মার্চ প্রথম ধাপে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল বিজেপি। ১৪৪টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে তারা।রাজারহাট গোপালপুর থেকে প্রার্থী করে হয়েছে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তেওয়ারি। এগরা থেকে প্রার্থী করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারির দাদা দিব্যেন্দু অধিকারিকে। শ্যামপুরে হিরণকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি। নোয়াপাড়ায় প্রার্থী হয়েছেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং কে। মানিকতলা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। হিঙ্গলগঞ্জে রেখা পাত্র। ব্যারাকপুরে কৌস্তভ বাগচী, বেহালা পশ্চিমে বিজেপির প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ, গাইঘাটায় সুব্রত ঠাকুর, বনগাঁ দক্ষিণ স্বপন মজুমদার, বনগাঁ উত্তর অশোক কীর্তনিয়াকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। সোনারপুর দক্ষিণে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, টালিগঞ্জে পাপিয়া অধিকারী, যাদবপুরে শর্বরী মুখোপাধ্যায়, মাথাভাঙায় প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।প্রথম তালিকায় ১৪৪ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। দ্বিতীয় দফায় ১১১ জনের নাম ঘোষণা করল। ফলে মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি রইল। এছাড়াও প্রথম তালিকার বিষ্ণুপুর আসনে প্রার্থী করেছিল অগ্নিস্বর নস্করকে। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় এই আসনে প্রার্থী বদল করে বিজেপি। প্রার্থী করা হয়েছে বিশ্বজিৎ খানকে। বিশ্বজিৎ মাহাতোকে জয়পুর আসনে সমর্থন করেছে বিজেপি । এখনও বিজেপি পানিহাটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। যে আসনে আর জি করের নির্যাতিতার মা প্রার্থী হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।
50 shares
😐
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:39 PM
মালবাজারে প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর

মালবাজারে প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর

আলিপুরদুয়ারের পর এবার জলপাইগুড়ির মালবাজার। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই গেরুয়া শিবিরের আদি ও নব্য সংঘাত এবার আছড়ে পড়ল রাজপথে। ‘বহিরাগত’ ও ‘দলবদলু’ প্রার্থী মানা হবে না— এই দাবিতে বৃহস্পতিবার মালবাজারে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালালেন ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্বকে।এদিন মালবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে শুক্রা মুন্ডার নাম ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, দলের জন্য পুরনো দিনে লড়াই করা ভূমিপুত্রদের গুরুত্ব না দিয়ে বারবার ‘দলবদলু’ ও ‘বহিরাগত’দের সাধারণ কর্মীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।উত্তেজিত কর্মীরা পার্টি অফিসের ভেতরে ঢুকে চেয়ার, টেবিল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। অফিসের বাইরে থাকা বিজেপির ফেস্টুন ও পোস্টার ছিঁড়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারীদের প্রধান নিশানা প্রার্থী শুক্রা মুন্ডা। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে তিনি তৃণমূলের টিকিটে নাগরাকাটা থেকে বিধায়ক হয়েছিলেন। এরপর ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। পুরনো বিজেপি কর্মীদের দাবি, যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে একসময় দলবদল করেছে, তাদের প্রার্থী হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না।​খবর পেয়ে তড়িঘড়ি মালবাজার ও জেলা স্তরের বিজেপি নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গে গেরুয়া শিবিরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন আর শুধু অন্দরের বিষয় নয়। আলিপুরদুয়ারের পর মালবাজারের এই ঘটনা প্রমাণ করে দিল যে, নিচুতলার কর্মীদের ক্ষোভ সামলাতে ব্যর্থ নেতৃত্ব।বামপন্থীদের দাবি, মানুষের স্বার্থে লড়ার বদলে পদ ও প্রার্থী হওয়া নিয়ে দক্ষিণপন্থী দলগুলোর এই লড়াই আসলে ক্ষমতার নির্লজ্জ আস্ফালন। ‘দলবদলু’দের ওপর ভরসা করে বিজেপি যে কতটা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, মালবাজারের ভাঙচুর তারই জলজ্যান্ত প্রমাণ।
3 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Mar 19, 2026, 03:34 PM
দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বামফ্রন্ট 32টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বামফ্রন্ট 32টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে

বামফ্রন্ট দ্বিতীয় দফায় ৩২ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করল। প্রথম তালিকায় ১৯২ আসনে নাম ঘোষণা করা হয় এর আগে। মোট ২২৪ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট।১. কালচিনি (এসটি) আরএসপি পাসং শেরপা, ২. করনদিঘি সিপিআই(এম) এমডি সাহাবুদ্দিন, ৩. হাবিবপুর সিপিআই(এম) বাসুদেব মুর্মু৪. চাঁচোল সিপিআই(এম) আনোয়ারুল হক, ৫. ভগবানগোলা সিপিআই(এম) মাহমুদল হাসান ৬. রানিনগর সিপিআই(এম) জামাল হোসেন৭. নবগ্রাম (এসসি) সিপিআই(এম) পূর্ণিমা দাস৮. জলঙ্গি সিপিআই(এম) ইউনুস আলি সরকার ৯. কৃষ্ণনগর উত্তর সিপিআই(এম) অদ্বৈত বিশ্বাস ১০. কৃষ্ণগঞ্জ (এসসি) সিপিআই(এম) অর্চনা বিশ্বাস ১১. কল্যাণী (এসসি) সিপিআই(এম) সবুজ দাস ১২. বসিরহাট দক্ষিণ সিপিআই(এম) আইনুল আরফিন (রাজু আহমেদ) ১৩. কুলতলি (এসসি) সিপিআই(এম) রামশঙ্কর হালদার ১৪. জয়নগর (এসসি) সিপিআই(এম) অপূর্ব প্রামানিক ১৫. বারুইপুর পশ্চিম সিপিআই(এম) লায়েক আলি১৬. ডায়মন্ড হারবার সিপিআই(এম) সমরেন্দ্র নাথ নাইয়া ১৭. টালিগঞ্জ সিপিআই(এম) অধ্যাপক অধ্যাপক পার্থ প্রতিম বিশ্বাস ১৮. মেটিয়াবুরুজ সিপিআই(এম) আইনজীবী মনিরুল ইসলাম১৯ ভবানীপুর সিপিআই(এম) আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাস ২০.বালিগঞ্জ সিপিআই(এম) আফরিন বেগম (শিল্পী) ২১. চাঁপদানি সিপিআই(এম) আইনজীবী চন্দ্রনাথ ব্যানার্জি ২২. জাঙ্গিপাড়া সিপিআই(এম) সুদীপ্ত সরকার২৩. পুরশুড়া সিপিআই(এম) সন্দীপ কুমার সামন্ত ২৪. পাঁশকুড়া পূর্ব সিপিআই(এম) ইব্রাহিম আলি ২৫. পাঁশকুড়া পশ্চিম সিপিআই(এম) নিরঞ্জন সিহি ২৬. নন্দীগ্রাম সিপিআই শান্তি গিরি ২৭. খেজুরি (এসসি) সিপিআই(এম) হিমাংশু দাস২৮. নয়াগ্রাম (এসটি) সিপিআই(এম) ডাঃ পুলিন বিহারি বাস্কে ২৯. গোপীবল্লভপুর সিপিআই বিকাশ সারেঙ্গী৩০. মন্তেশ্বর সিপিআই(এম) অনুপম ঘোষ ৩১. আসানসোল উত্তর সিপিআই অখিলেশ কুমার সিং ৩২. মুরারই সিপিআই(এম) মহম্মদ আলি রেজা মন্ডল
6 shares
😐