Achira News Logo
Achira News
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 11:26 AM
নেতৃত্বের উত্তেজনা ও ঔদ্ধত্যে জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপি ইউনিট জর্জরিত

নেতৃত্বের উত্তেজনা ও ঔদ্ধত্যে জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপি ইউনিট জর্জরিত

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: আদি-নব্যের লড়াইতে জেরবার জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপি। বসে যাওয়া নেতাদের টেনে তুলতে ব্যর্থ ময়নাগুড়ি বিধানসভার বিজেপি নেতারা। আদি বিজেপি নেতা সহ দলের একাধিক দায়িত্বে থাকা নেতারা বর্তমান দলীয় নেতাদের ঔদ্ধত্যের শিকার বলে অভিযোগ। এক সময় জলপাইগুড়ি জেলার সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা অনুপ পাল, প্রাক্তন যুব মোর্চার মণ্ডল সভাপতি অমিত পাল, প্রাক্তন যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক অংশুমান রায় নিজেদের দলীয় কাজ থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, ময়নাগুড়িতে দল নীতি-আদর্শ নিয়ে চলছে না। বর্তমানে যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা নিজেদের মতো করে দল চালাচ্ছেন। সে কারণে তাঁদের উপেক্ষিত হতে হচ্ছে। ময়নাগুড়ি বিধানসভায় হাজারের উপর কর্মী নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ। দলে পরিবারতন্ত্র চলছে বলেও দাবি বিক্ষুব্ধদের। ময়নাগুড়ি বিধানসভায় বিজেপির কিছু নেতা নিজেদের স্বৈরাচারী মনোভাবে দল চালানোর কারণেই পুরনো বিজেপি নেতাকর্মীদের ব্রাত্য করে রাখা হয়েছে। বিক্ষুব্ধদের দাবি, ময়নাগুড়ির বিজেপি বিধায়ক কৌশিক রায়কে বারবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।
1 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 10:52 AM
সুপ্রিম কোর্টে নজিরবিহীন স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

সুপ্রিম কোর্টে নজিরবিহীন স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

SIR নিয়ে নজিরবিহীন ভাবে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সওয়াল (মামলাকারী হিসেবে) করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার মামলার শুনানিতে ‘এ ভাবে SIR পরিচালনা করা যায় না’ বলে পর্যবেক্ষণে জানান দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। প্রয়োজনে SIR-এর সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়। গোটা প্রক্রিয়াটিকে ‘নৈতিক জয়’ হিসেবে দেখছে তৃণমূল কংগ্রেস। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য, ‘অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্যের ভোটার তালিকায় রাখতে চাইছে তৃণমূল। সেই কারণেই এই পদক্ষেপ।’ সিপিএমের বক্তব্য, ‘পুরোটাই লোক দেখানো।’মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলার শুনানির দিকে চোখ ছিল গোটা দেশের। লাইভ স্ট্রিমিংয়ে অনেকেই শুনানি পর্ব চাক্ষুস করেন। যদিও সুপ্রিম কোর্ট থেকে বেরিয়ে মমতা কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই এই শুনানির ভিডিয়ো দিয়ে তৃণমূলের এক্স হ্যান্ডলে লেখা হয়, ‘সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বড় জয়। সুপ্রিম কোর্টে SIR সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কমিশনকে নোটিস দিতে বলেছে। সুপ্রিম কোর্ট কমিশনের অফিসারদের মানবিক হতে বলেছে। মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের প্রয়োজন নাও হতে পারে বলে জানিয়েছে কমিশন।’তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের SIR মামলা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, ‘বাংলার সুপারস্টার উত্তম কুমার একটিই হিন্দি সিনেমা করেছিলেন, ছোটি সি মুলাকাত। সেই সিনেমা ফ্লপ হয়েছিল। দিদির এই দিল্লি সফরও পুরো ফ্লপ।’ একধাপ এগিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘এটা মূলত যাঁরা অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গা তাঁদেরকে একটা বার্তা দেওয়া হয়েছে, আপনাদের আমরা প্রোটেক্ট করছি। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ জনগণের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সম্পর্ক নেই। পশ্চিমবঙ্গে জনগণ ঠিক করে নিয়েছে তারা তৃণমূলকে আর সমর্থন করবে না।’অনেকটা একই কায়দায় SIR নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলা করা এবং নিজে সওয়াল করার বিষয়টিকে আক্রমণ করেছে সিপিএমও। এ দিন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী একটি সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারির পরে যখন SIR প্রায় শেষ পর্যায়ে, তখন ওঁর মনে পড়ছে। মমতা প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে ব্যর্থ। উনি একটি কালো পোশাক পড়ে গিয়েছেন। লোক দেখানোর জন্য এ সব করছেন।’ তবে ২০২৬ সালের ড্রাফট ভোটার লিস্ট অনুযায়ী নির্বাচন হোক বলে দাবি করেছেন সুজন।
57 shares
😢
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 4, 2026, 10:36 AM
মানহানির মামলায় কংগ্রেস নেতাদের সমন দিল্লি আদালতের

মানহানির মামলায় কংগ্রেস নেতাদের সমন দিল্লি আদালতের

সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের শীর্ষ কর্তা রজত শর্মার করা মানহানি মামলায় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল দিল্লির সাকেত আদালত। কংগ্রেস নেত্রী রাগিণী নায়ক এবং দলের দুই প্রবীণ মুখপাত্র পবন খেরা ও জয়রাম রমেশকে আদালতে হাজিরার জন্য সমন পাঠানো হয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, রজত শর্মার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক শুনানির পর বিচারক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, কংগ্রেস নেতাদের প্রকাশ্য মন্তব্য ও রাজনৈতিক বক্তব্যে তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। সেই কারণেই আইনি প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন রজত শর্মা। মামলার নথি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মন্তব্যগুলি সংবাদমাধ্যম ও জনসমক্ষে প্রচারিত হওয়ায় মানহানির মাত্রা আরও বেড়েছে বলে অভিযোগকারীর তরফে দাবি করা হয়েছে। আদালত মনে করেছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য অভিযুক্তদের বক্তব্য শোনা জরুরি। সেই কারণেই তিন কংগ্রেস নেতাকে নির্দিষ্ট দিনে সাকেত আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেস সূত্রে খবর, দল আইনি পথেই এই মামলার মোকাবিলা করবে। দলের এক শীর্ষ নেতা জানান, ‘আমরা আদালতের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখি। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং আদালতেই আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করা হবে।’ অন্যদিকে, আইনজীবী মহলের একাংশের মতে, এই সমন রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি আইনি দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, জনপরিচিত ব্যক্তিত্বদের মন্তব্য কতটা সীমা ছাড়ালে তা মানহানির আওতায় পড়ে, সেই প্রশ্ন ফের একবার সামনে এসেছে। আগামী দিনে এই মামলার শুনানি ঘিরে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম মহলে নজর থাকবে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
12 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 4, 2026, 10:23 AM
নির্বাচন কমিশন ছাড়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে, পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য সংক্ষিপ্ত বৈঠকের নির্দেশ দিয়েছে

নির্বাচন কমিশন ছাড়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে, পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য সংক্ষিপ্ত বৈঠকের নির্দেশ দিয়েছে

কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের ব্রিফিং বৈঠক নিয়ে কোনওরকম আপসের পথে হাঁটল না নির্বাচন কমিশন। নবান্নের তরফে পাঠানো ছাড়ের আবেদন খারিজ করে কমিশন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ মোট ২৫ জন সিনিয়র আধিকারিককেই নির্ধারিত প্রশিক্ষণে উপস্থিত থাকতে হবে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে রাজ্য প্রশাসনের অন্দরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্ধারিত ব্রিফিং বৈঠক আগামী ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। কমিশনের বক্তব্য, আগে জমা পড়া ছাড়ের আবেদনগুলি খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা গ্রহণযোগ্য হয়নি। ফলে যাঁদের নাম দিয়ে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছিল, তাঁদের সকলকেই নির্ধারিত সময়সূচি মেনে বৈঠকে অংশ নিতে হবে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে মোট ২৫ জন সিনিয়র আধিকারিকের নাম রয়েছে। এর মধ্যে রাজ্যের বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনা-সহ ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিককে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে নবান্ন কমিশনের কাছে আবেদন জানায়। রাজ্যের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়, ভোটের মুখে শীর্ষ প্রশাসনিক স্তরের আধিকারিকদের বাইরে পাঠানো হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রশাসনিক কাজকর্মে সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রসচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা আধিকারিককে রাজ্যের বাইরে পাঠানো হলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। সেই কারণ দেখিয়ে বিকল্প নাম প্রস্তাব করে মোট ১৭ জন আধিকারিককে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির আর্জি জানানো হয়েছিল। কমিশনের এই অবস্থানের কথা জানার পর নবান্ন ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ মনোনীত ২৫ জন আধিকারিককে ব্রিফিং ও প্রশিক্ষণের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কমিশন যে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও কঠোর তদারকির বার্তা দিতে চাইছে, এই সিদ্ধান্ত তারই স্পষ্ট ইঙ্গিত।
35 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 4, 2026, 09:32 AM
প্রথমবার সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি, নির্বাচন পর্যবেক্ষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

প্রথমবার সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি, নির্বাচন পর্যবেক্ষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

আজকাল ওয়েবডেস্ক:দেশের ইতিহাসে প্রথমবার সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এসআইআর মামলার শুনানিতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কোর্ট রুমে এদিনের শুনানিতে কী কী হল, তা সাংবাদিকদের জানালেন কল্যাণ। পাশাপাশি এও জানালেন, বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানির সময়সীমাও বাড়তে পারে। এদিন কল্যাণের বক্তব্য, 'মমতা ব্যানার্জি যে পিটিশন ফাইল করেছিলেন, সেই মামলার শুনানি হয়েছে আজ। পাশাপাশি জয় গোস্বামী-সহ আরও অনেকের মামলার শুনানি হয়েছে। এই শুনানিতে মমতা ব্যানার্জি সওয়াল করেছেন। প্রধান বিচারপতি বলেছেন, যতক্ষণ চান মুখ্যমন্ত্রী বলতে পারেন। চাইলে ১৫ মিনিটও বলতে পারেন। যথেচ্ছভাবে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মাইক্রো অবজারভার ও রোল অবজারভারদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেছেন।' তিনি আরও বলেন, 'আইনে কোথাও জায়গা নেই, যে মাইক্রো অবজারভার ও রোল অবজারভারদের দায়িত্ব দেওয়া। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ছোট ছোট ভুল নির্বাচন কমিশনের। তার জন্য ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাচ্ছে। এমনকী ইআরও-দের ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে, মাইক্রো অবজারভাররা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, এটাও বেআইনি। হিয়ারিং-এর জন্য আর চারদিন সময় আছে। এখনও লক্ষাধিক মানুষের হিয়ারিং হয়নি।' কল্যাণ আরও জানিয়েছেন, 'প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, প্রয়োজনে হিয়ারিং-এর সময়সীমা বাড়ানো হবে। এই মামলার হিয়ারিং হবে সোমবার। মমতা ব্যানার্জি যে কারণে এসেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের আপামর মানুষের হয়ে যা বলার, তার অনেকটাই আজ বলেছেন। পরবর্তী শুনানিতে যদি আসতে পারেন, আবারও তিনি বলবেন। মমতা ব্যানার্জি বাংলার মানুষের জন্য যে দাবি করে এসেছেন, সেই দাবি গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে সুপ্রিম কোর্টের কাছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট মনোভাব প্রকাশ করেছে, আরও সময় বাড়ানোর দরকার আছে। এই যে ছোটখাটো ভুলত্রুটিগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। কোর্ট দেখবে, যাঁরা মৃত, তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাক। যাঁরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে চলে গেছেন, তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাক। ছোটখাটো ভুলের জন্য বাকিদের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা মৌখিকভাবে জানিয়েছে আদালত।'
77 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 4, 2026, 08:12 AM
প্রথমবার সুপ্রিম কোর্টে এস. আই. আর মামলা দায়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

প্রথমবার সুপ্রিম কোর্টে এস. আই. আর মামলা দায়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আজকাল ওয়েবডেস্ক: দেশের ইতিহাসে প্রথমবার। সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বুধবার দুপুর ১টার পর সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয় এসআইআর মামলার শুনানি। এদিন সুপ্রিমকোর্টের তিন বিচারপতির কাছে পাঁচ মিনিট বক্তব্য পেশের জন্য আবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানির শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমি পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছি। গোটা পরিস্থিতির ব্যাখা করতে পারি। এসআইআর-এর নামে কী চলছে, বলার জন্য পাঁচ মিনিট সময় চাই। জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে ছ'বার চিঠি দিয়েছি। কোনও উত্তর পাইনি। কোনও বিচার পাইনি। বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনের জন্যেও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই লড়াই দলের জন্য নয়, রাজ্যের জন্য।' প্রধান বিচারপতি বলেন, 'মৃত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকায় থাকুক, নিশ্চয়ই চান না? যাঁরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে চলে গেলেন, তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকুক, নিশ্চয়ই চান না?' মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ জানান, 'বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে মাইক্রো অবজারভার নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁরাই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিচ্ছেন। ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দিয়েছেন। অনেকে জীবিত রয়েছেন। মাইক্রো অবজার্ভার নাম মুছে দিচ্ছেন। অসমে কেন এসআইআর হচ্ছে না? হঠাৎ ভোটের আগে ২৪ বছর পর কেন বাংলায় এসআইআর হচ্ছে?' সওয়ালের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমার কাছে কিছু ছবি রয়েছে। সেটি দেখানোর অনুমতি দেওয়া হোক। সেটি আমার ছবি না। প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমের ছবি। আপনারা আধার কার্ড নিতে বলেছিলেন। কিন্তু নেওয়া হয়নি। অন্য নথি চাওয়া হয়েছে। ১০০ জনের বেশি মারা গিয়েছেন। ভাবতে পারেন! বাংলাকে টার্গেট করা হয়েছে।' মমতা বক্তব্য, 'এসআইআর শুধুমাত্র নাম মোছার একটা প্রক্রিয়া। অপরিকল্পিতভাবে চার মাস ধরে চলছে। বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে লোক আনা হচ্ছে। ৫৮ লক্ষের নাম মোছা হয়েছে। ওঁদের আবেদন জানানোর উপায়ও নেই। শুধুমাত্র বাংলাকে নিশানা করা হচ্ছে। বাংলার মানুষের উপর বুলডোজার চালানো হচ্ছে।' মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, 'বিয়ের পর পদবি বদল, দরিদ্র মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরে গিয়েছেন, সবটাই নাকি লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি। বাংলার মানুষ খুশি যে আদালত আধারকে নথি হিসেবে গ্রাহ্য করতে বলেছে। অন্য রাজ্যে ডমিসাইল সার্টিফিকেট চলছে, জাতি শংসাপত্র চলছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।' মমতা আরও বলেন, 'দু'মাসে ওরা যা করছে, তা করতে দু'বছর সময় লাগে। বিএলও-রা আত্মহত্যা করছেন। শুধুমাত্র বাংলাকেই টার্গেট করা হয়েছে। অসম কেন নয়? ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বহু মানুষকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। এই নির্বাচন কমিশন, সরি, হোয়াটসঅ্যাপ কমিশনের জন্য এগুলো ঘটছে।' সওয়ালের শেষে মমতা বলেন, 'মানুষের অধিকার রক্ষা করুন।' এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। এসআইআর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী সোমবার।
74 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 06:25 AM
কংগ্রেস জোট ছাড়াই 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইঙ্গিত সিপিএম-এর

কংগ্রেস জোট ছাড়াই 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইঙ্গিত সিপিএম-এর

এই সময়:জোটের জন্য কংগ্রেসের দিকে আর তাকিয়ে না–থেকেই ২০২৬–এর বিধানসভা ভোটে লড়াই করার ইঙ্গিত দিয়েছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। আবার একই সঙ্গে নিচু তলায়, বুথস্তরে কংগ্রেসকর্মীদের পাশে টানার জন্য তিনি দলের নেতা–কর্মীদের বার্তাও দিয়েছেন। মঙ্গলবার সেলিম বলেন, ‘আমরা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেখব বলে ঠিক করেছিলাম। কয়েক দিন আগে আমরা জানতে পারলাম, কংগ্রেসের তরফে তৃণমূলের কাছে কিছু ‘ফিলার’ পাঠানো হয়েছে। কয়েকটি আসনে সমঝোতার জন্য। কংগ্রেসের যদি অবস্থান (তৃণমূল ও বিজেপি–বিরোধী) না–থাকে, তা হলে আসন সমঝোতা হবে না।’সেলিমের এই বক্তব্য নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার কোনও মন্তব্য করেননি। উল্টে, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বুথ স্তরে কংগ্রেসকর্মীদের পাশে টানার কথা বলায় বিধান ভবনের কয়েক জন মুখপাত্র এ দিন সেলিমের সমালোচনা করেছেন। যদিও অধীর চৌধুরী কোনও মন্তব্য করেননি। এ দিন অধীর দিল্লি গিয়েছেন। কংগ্রেস হাইকম্যান্ড ২০২৬–এর নির্বাচন নিয়ে বিধান ভবনের কয়েক জন নেতার সঙ্গে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দিল্লিতে বৈঠক করতে পারেন। এআইসিসি–র প্রবীণ এক সদস্যের দাবি, ‘সম্ভবত কংগ্রেস হাইকম্যান্ড থেকে তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে পশ্চিমবঙ্গে আসন সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে চেয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। একই সঙ্গে অধীর চৌধুরী–সহ কয়েক জন নেতাকে ডেকে এ ব্যাপারে তাঁদের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে।’আলিমুদ্দিন স্ট্রিট সূত্রের খবর, তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেস আসন সমঝোতায় আগ্রহী, এমন আঁচ পেয়েই সেলিম বিকল্প পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক এ দিন বলেন, ‘সিপিআই এমএল–লিবারেশন–এর সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। বিজেপি–তৃণমূলকে পরাস্ত করার জ‍ন্য আমরা একসঙ্গে লড়াব। আইএসএফের সঙ্গে কথা হয়েছে। বামেদের সঙ্গে থেকে লড়াই করার বিষয়ে তারা নীতিগত ভাবে সম্মত।’ আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি এ দিন বলেন, ‘জোটের কথা বলতে আমরা আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে গিয়েছি। বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রে কংগ্রেসের কাছ থেকে আমরা সবুজ সঙ্কেত পাইনি।’তৃণমূল এই জোট–জটিলতাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। প্রধান বিরোধী দল বিজেপি–ও বিষয়টাকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার বলেন, ‘দার্জিলিং থেকে দিঘা, সর্বত্র তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির লড়াই হবে। সিপিএমের একটি আসনেও জেতার ক্ষমতা আছে বলে মনে করি না। ২৯০ আসনে বামেদের জমানত যাবে, এটা বলতে পারি। আইএসএফ আছে শুধু ভাঙড়ে।’
42 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 06:06 AM
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সমালোচনার জন্য অস্কার প্রিমিয়ারের আগে ইরানি চিত্রনাট্যকার মেহদি মাহমুদিয়ান গ্রেপ্তার হয়েছেন

সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সমালোচনার জন্য অস্কার প্রিমিয়ারের আগে ইরানি চিত্রনাট্যকার মেহদি মাহমুদিয়ান গ্রেপ্তার হয়েছেন

অস্কারের মঞ্চে যখন তাঁর ছবির জয়গান গাওয়ার প্রস্তুতি চলছে,ঠিক তখনই তেহরানের কারাগারে বন্দি হলেন বিখ্যাত চিত্রনাট্যকার তথা মানবাধিকার কর্মী মেহদি মাহমুদিয়ান। ২০২৬-এর অস্কারের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘পালম দ’র’ জয়ী ছবি ‘ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাকসিডেন্ট’ (It Was Just an Accident)-এর সহ-লেখক মেহদি। আগামী ১৫ মার্চ অস্কারের আসরে সেরা আন্তর্জাতিক ছবি ও সেরা চিত্রনাট্যের দৌড়ে রয়েছে এই ছবি। কিন্তু মেহদির অপরাধ? ইরানের সুপ্রিম লিডার আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে কলম ধরা।সম্প্রতি ইরানে ভয়াবহ সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রায় ৩০০০-এর বেশি মানুষের(বেসরকারি মতে সংখ্যাটা ৩০,০০০ ছাড়াতে পারে)মৃত্যুর জন্য খামেনেইকেই দায়ী করে একটি খোলা চিঠিতে সই করেছিলেন তিনি। চিঠিতে বলা হয়,এই গণহত্যার দায় সরাসরি সুপ্রিম লিডারের। তার পরেই নেমে আসে খাঁড়ার ঘা। মেহদির সঙ্গেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মানবাধিকার কর্মী ভিদা রব্বানি ও আবদুল্লাহ মোমেনি। খোলা চিঠিতে সই করা ১৭ জনের মধ্যে তাঁরাও ছিলেন।ছবিটির পরিচালক তথা প্রখ্যাত ফিল্মমেকার জাফর পানাহি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। জেলবন্দি অবস্থাতেই মেহদির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পানাহি বলেছেন, ‘মেহদি শুধু একজন লেখক নন, তিনি বিবেকের কণ্ঠস্বর।’ অস্কারের আলোয় যখন ছবিটি ভাসছে, তখন তার স্রষ্টার এই পরিণতি প্রমাণ করল, শিল্পীর স্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরতে আজও পিছপা নয় কর্তৃত্ববাদী প্রশাসন।
23 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 06:03 AM
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপি নেতাদের কৌশল

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপি নেতাদের কৌশল

এই সময়:দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা ভোট। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব বোঝাতে তাই মঙ্গলবার দিল্লিতে বাংলার দলীয় সাংসদের সঙ্গে বৈঠক করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। এ দিন একই লক্ষ্য নিয়ে এ রাজ্যের বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গেও বৈঠক করেন বাংলার বিশেষ পর্যবেক্ষক তথা ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। দিল্লির বৈঠকটি হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের বাসভবনে। আর বিপ্লব বৈঠক করেছেন বিধানসভায় বিরোধীদের ঘরে। দুটি বৈঠকেই জোর দেওয়া হয়েছে নিবিড় প্রচারের উপর।ত্রিপুরাতে গেরুয়া শিবির যদি শূন্য থেকে ক্ষমতায় আসতে পারে তা হলে বাংলাতেও ৭৭ থেকে ১৭৭ হতে পারে, বিজেপির পরিষদীয় দলকে এ ভাবেই ভোকাল টনিক দিয়েছেন বিপ্লব। প্রায় ৪৫ মিনিটের বৈঠকে বিজেপির বিধায়করা জনসংযোগ কতটা করছেন, তা বুঝতে কিছু বিষয় তিনি জানতে চেয়েছিলেন। ওই বৈঠকে হাজির ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। বিজেপি বিধায়করা ‘প্রবাস কর্মসূচি’, ‘উঠোন বৈঠক’ কিংবা ‘ভোজন বৈঠক’ কতগুলি করেছেন তা জানতে চাওয়া হয়। বিজেপির জনসংযোগ কর্মসূচিতে ‘উঠোন বৈঠক’ মানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঘরোয়া প্রচার, ‘ভোজন বৈঠক’ হলো নির্দিষ্ট কারও বাড়িতে গিয়ে সেখানে খাওয়াদাওয়া করে প্রচার। পরিষদীয় দলের বৈঠকে উপস্থিত বিধায়কদের অনেকে যে যথেষ্ট সংখ্যায় ‘উঠোন বৈঠক’ কিংবা ‘ভোজন বৈঠক’ করে উঠতে পারেননি তা তাঁদের কথাতেই স্পষ্ট হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রের খবর।একই সঙ্গে ত্রিপুরায় কী ভাবে সিপিএমের সঙ্গে তাঁরা লড়াই করেছিলেন, সেই গল্প শুনিয়ে বঙ্গ বিজেপির বিধায়কদের চাঙ্গা করতে চেয়েছেন বিপ্লব। বৈঠকের পরে শুভেন্দু বলেন, ‘অমিত শাহ, বিএল সন্তোষ সব বিধায়ককে নির্বাচনমুখী করার জন্য কিছু কাজ দিয়ে গিয়েছেন। সেই কাজগুলি উনি বুঝিয়ে দিয়েছেন। বিধায়করা সেই কাজগুলো করবেন। ত্রিপুরায় শূন্য থেকে বিজেপিকে ক্ষমতায় এনেছেন উনি। বিপ্লব দেব যেখানে যান সেখানে সোনা ফলে, এখানেও সোনা ফলবে।’ বিপ্লবের বক্তব্য, ‘আমার কুণ্ডলীতে হার লেখা নেই। এখানে এসেছি যখ‍ন সরকার গড়েই যাব, একশো শতাংশ নিশ্চিত থাকতে পারেন।’বিপ্লবের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ‘বিপ্লবের কুণ্ডলীতে লেখা রয়েছে ত্রিপুরায় বিজেপি ওঁকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে মানিক সাহাকে মুখ্যমন্ত্রী করেছে। বাংলায় বিজেপির কতটা খারাপ অবস্থা যে সেই ঘাড়ধাক্কা খাওয়া বিপ্লব ওদের মাথায় বসেছে। ওর ছোঁয়াতে বাংলায় বিজেপি ৩০ এর নীচে নেমে যাবে।’ ত্রিপুরায় বাম–বধের কাহিনী শুনিয়ে বিপ্লব বঙ্গ বিজেপিকে চাঙ্গা করতে চাওয়ায় সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ড‍লীর সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘ত্রিপুরায় গোটা তৃণমূলকে বিজেপিতে নিয়েছিলেন বিপ্লব। এখানেও সেই রোডম্যাপে বিপ্লব চলতে চাইছেন। কিন্তু দুই ফুল নয়, মানুষ বুঝতে পেরেছে বামেরা বিকল্প।’সূত্রের খবর, বাংলার বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে নীতিন নবীন জানতে চান, সাংসদরা নিজের এলাকার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে নিয়ম করে যান কি না। তিনি সাংসদদের নির্দেশ দেন, তাঁর লোকসভা এলাকার যে বিধানসভা কেন্দ্রগু‍লিতে সাংগঠনিক শক্তি তুলনায় কম, সেখানে আরও বেশি করে সময় দেওয়ার জন্য। পার্টির জেলা সভাপতিদের সঙ্গে সাংসদদের দিনে কতবার কথা হয়, সেটাও এ দিন কিছুটা হালকা চালে নবীন জানতে চেয়েছেন বলে এক সাংসদ ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এ দিনের বৈঠকে সাংসদের আরও বেশি সংখ্যায় স্ট্রিট কর্নার করার নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপি সভাপতি। সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে তিনি বলেন, ‘আপনারা নিজেরা ভোটে লড়লে যেরকম পরিশ্রম করতেন, আগামী তিনমাস সে রকম পরিশ্রম করুন। ২০২৬ বিধানসভা ভোটে বিজেপি বাং‍লায় কেমন রেজাল্ট করবে, তা অনেকটা নির্ভর করছে আপনাদের জনসংযোগ কেম‍ন তার উপর।’
44 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 05:54 AM
নাজিরাবাদের মর্মান্তিক ঘটনায় দমকল মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বিজেপির

নাজিরাবাদের মর্মান্তিক ঘটনায় দমকল মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বিজেপির

এই সময়:আনন্দপুর লাগোয়া নাজিরাবাদের জোড়া গুদামে ভয়াবাহ অগ্নিকাণ্ডের পরে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর পদত্যাগ দাবি করেছিল বঙ্গ–বিজেপি। কিন্তু ওই দাবিতে নির্দিষ্ট ভাবে কোনও কর্মসূচি নিতে দেখা যায়নি তাদের। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মনে করছেন, নাজিরাবাদ নিয়ে দমকলমন্ত্রী এবং সামগ্রিক ভাবে রাজ্য প্রশাসনের উপর চাপ বাড়ানোর আরও সুযোগ রয়েছে। নাজিরাবাদের ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলার গেরুয়া ব্রিগেড কেন মুখ্যমন্ত্রী এবং দমকলমন্ত্রীর বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন চালাচ্ছে না—সেই প্রশ্নও তুলতে শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশ।বিধানসভা ভোটের আর বড়জোর মাস তিনেক দেরি। রাজনৈতিক দলগুলির তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এই আবহে গত রবিবার ভোররাতে নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যুর পরে দমকলমন্ত্রীর ‘উদাসীনতা’ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যে সুজিতের পদত্যাগ দাবি করে বলেছিলেন, ‘দমকলমন্ত্রীর উচিত গলায় গামছা দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া।’ তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কেন আগুন লাগার ৩২ ঘণ্টা পরে দমকলমন্ত্রী ঘটনাস্থলে গেলেন? সুজিত অবশ্য জানিয়েছিলেন, বিরোধীদের সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ঘটনা হলো, সুজিত এখনও বিরোধীদের দাবি মেনে পদত্যাগ তো দূর অস্ত্, সে ভাবে কোনও ‘জবাবদিহি’ও করেননি।বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশের প্রশ্ন, এর পরেও কেন দমকলমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ধর্নায় বসছেন না বাংলার পদ্ম–নেতারা? পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি সামলাতে আসা ভিন রাজ্যের এক বিজেপি নেতার কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সোশ্যাল মিডিয়ায় নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে পোস্ট করেছেন। সম্প্রতি ব্যারাকপুর আর শিলিগুড়ির জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করেছেন। তার পরেও বঙ্গ–বিজেপির নাজিরাবাদ ইস্যুতে যতটা তৎপর হওয়া উচিত ছিল, ততটা হয়ন‍ি।’দিল্লির মনোভাব টের পেয়েই সম্ভবত মঙ্গলবার বঙ্গ–বিজেপি তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নাজিরাবাদ নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে একটি দু’মিনিটের অ্যানিমেশন রিল পোস্ট করেছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘৩২ ঘণ্টা পরে হাসিমুখে ঘটনাস্থলে দমকলমন্ত্রী! মুখ্যমন্ত্রী এখনও নিশ্চুপ। কারণ, মৃত শ্রমিকদের নয়, বাঁচাতে হবে ঘনিষ্ঠ শিল্পপতিকে। এখানে মানুষের জীবন তুচ্ছ, ক্ষমতা আর স্বার্থই শেষ কথা। লাশের উপরে দাঁড়িয়েই চলে শাসন।’ বিজেপির এক রাজ্য নেতার দাবি, ‘কর্মসংস্থান আর অনুপ্রবেশ ইস্যুর মতো নাজিরাবাদের ঘটনাও আমরা ভোটের প্রচারে আনব। দমকলমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়েও আন্দোলনের সুর চড়বে।’
47 shares
😢
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 4, 2026, 04:52 AM
আধার কার্ড গ্রহণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আধার কার্ড গ্রহণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আজকাল ওয়েবডেস্ক:দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এবার আইনজীবীর ভূমিকায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বুধবার দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাংলো থেকে বেরিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। গুরুত্বের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে মমতা ব্যানার্জির করা মামলাকে। এই কারণে এই মামলাটি ক্রমতালিকায় ওপরের দিকে এগিয়ে এসেছে মামলাটি। দুপুর ১২ টা নাগাদ এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যেহেতু নিজে মামলাটি করেছেন তাই তিনি এখানে আইনজীবী হিসেব সওয়াল করতে পারবেন না। তিনি আদালতের সামনে মামলাকারী হিসেবে কিছু কথা বলতে চাইবেন। সেটাই আদালতের কাছে আবেদন করা হবে। তথ্যগত অসঙ্গতির ক্ষেত্রে অন্য নথির উপর জোর না-দিয়ে আধার কার্ডকে পরিচয়পত্র হিসাবে গ্রহণ করার আবেদনও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলের তরফে ডেরেক ও'ব্রায়েন এবং দোলা সেনের মামলা শুনানির তালিকায় প্রথমের দিকে রয়েছে। ১ নম্বর কোর্টের শুনানির তালিকায় ২১ নম্বরে রয়েছে ওই মামলা দু'টি। সুপ্রিম কোর্টের শুনানির অতিরিক্ত তালিকায় রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির করা মামলা। অতিরিক্ত তালিকার ৩৬ নম্বরে রয়েছে কবি জয় গোস্বামীর মামলা। মমতার মামলা রয়েছে ৩৭ নম্বরে। এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে জোরালো সাওয়াল করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এসআইআর ইস্যুতে পথে নেমে আন্দোলনের পাশাপাশি আইনি লড়াই চালাচ্ছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল। খোদ তৃণমূল নেত্রী নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সুপ্রিম কোর্টে। বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চে তাঁর দায়ের করা মামলার শুনানি হবে। সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির কোর্টের শুনানি তালিকায় ৩৭ নম্বরে রয়েছে মমতার দায়ের করা মামলাটি। জানা গিয়েছে, মামলার শুনানিতে স্বয়ং মামলাকারী মমতা উপস্থিত থাকবেন প্রধান বিচারপতির এজলাসে। করবেন সওয়ালও। সূত্রের খবর, আদালতে ইন পারসন উপস্থিত থেকে এসআইআর ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে যুক্তি পেশ করতে পারেন তিনি। সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত আরও একটি মামলা করেছিলেন কবি জয় গোস্বামী। তাঁর দায়ের করা মামলাটিরও শুনানি হবে বুধবার। জয় গোস্বামীর দায়ের করা মামলাটি শুনানির ক্রম তালিকায় ৩৬ নম্বরে রয়েছে। মমতা সুপ্রিম কোর্টে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে মামলা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পান মমতা। কোনও ভিভিআইপি সুপ্রিম কোর্টে গেলে, তার জন্য আগে থেকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ছাড়পত্র নিতে হয়। ইতিমধ্যে সেই ছাড়পত্রও মিলে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চে বুধবার মামলাটির শুনানি হবে। মমতা এর আগে এসআইআর প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছিলেন। তাঁর সর্বশেষ অন্তর্বর্তীকালীন আবেদনে তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন হিসেবে তিনি সুপ্রিম কোর্টের শিষ্টাচার ও পদ্ধতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত। প্রতিষ্ঠিত নিয়ম অনুযায়ী নিজেকে পরিচালিত করার অঙ্গীকার করছেন। আবেদনে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দারা যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন, সে সম্পর্কে তিনি অবগত। তাই এই প্রক্রিয়াটিকে রিট পিটিশনের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। তিনি যুক্তি দিয়েছেন, তাঁর ব্যক্তিগত উপস্থিতি মামলাটির নিষ্পত্তিতে আদালতকে সহায়তা করবে। এছাড়াও, নির্বাচন কমিশনের জারি করা একাধিক নির্দেশ বাতিল করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। তিনি আদালতের কাছে আবেদন করেছেন যাতে আদালত নির্দেশ দেয়, এসআইআর-এর পর সংশোধিত ভোটার তালিকার পরিবর্তে বর্তমান ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।
70 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 4, 2026, 04:47 AM
'স্যার "ইস্যুতে আইনি লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

'স্যার "ইস্যুতে আইনি লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:দেশজুড়ে চর্চিত ‘এসআইআর’ ইস্যুতে এবার সরাসরি আইনি লড়াইয়ের ময়দানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আজ, বুধবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এই মামলার শুনানিতে সশরীরে উপস্থিত থেকে সওয়াল করতে চলেছেন তিনি (SIR Case Hearing), এমনটাই জল্পনা রয়েছে। আর তা সত্যি হলে দেশের বিচারবিভাগীয় ইতিহাসে কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এভাবে আদালতে দাঁড়িয়ে সওয়াল করার ঘটনা কার্যত নজিরবিহীন হতে চলেছে। এদিন সকাল থেকেই শীর্ষ আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রবেশপথে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন থেকে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অন্য আইনজীবীরা। এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় মমতা নিজেই সওয়াল করবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টের তরফে তাঁর নামে একটি বিশেষ ‘গেট পাস’ ইস্যু করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলি এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। রাজনৈতিক ও আইনি মহলে সবথেকে বড় প্রশ্ন— মুখ্যমন্ত্রী কি আইনজীবীদের মতো কালো রোব পরে এজলাসে দাঁড়াবেন? তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলোতে পোস্ট করা একটি গ্রাফিক্স ইমেজে মুখ্যমন্ত্রীকে কালো রোব পরা অবস্থায় দেখা গিয়েছে, যা জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি সাধারণ নাগরিক হিসেবেও নিজের বক্তব্য পেশ করতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। এসআইআর ইস্যুতে শুরু থেকেই সরব তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বারবার চিঠি দিলেও কোনও সদুত্তর মেলেনি, উলটে দিল্লিতে বৈঠকে তাঁদের অপমান করা হয়েছে। এই বঞ্চনার প্রতিবাদেই এবার সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি তৃণমূলের দুই সাংসদের করা এসআইআর সংক্রান্ত মামলারও শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলার কয়েকশো ‘এসআইআর ক্ষতিগ্রস্ত’ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই দিল্লি সফর এবং সরাসরি আইনি লড়াই ভারতের সংসদীয় ও বিচারবিভাগীয় কাঠামোয় এক নতুন মাত্রা যোগ করল।
19 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 04:24 AM
সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি, লিবিয়ার প্রাক্তন স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পুত্র, বন্দুকধারীদের হাতে নিহত

সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি, লিবিয়ার প্রাক্তন স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পুত্র, বন্দুকধারীদের হাতে নিহত

লিবিয়ার স্বৈরাচারী শাসক মুয়াম্মর গদ্দাফির ছেলে সইফ আল-ইসলাম গদ্দাফি (৫৩)-কে বাড়িতে ঢুকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিল দুষ্কৃতীরা। মঙ্গলবার সইফের দপ্তর থেকে একটি বিবৃতিতে এই ঘটনার কথা জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, চার দুষ্কৃতী জিন্তান এলাকায় সৈফের বাড়িতে চড়াও হয়েছিল। কারা এই ঘটনায় জড়িত তা এখনও জানা যায়নি।সৌদি আরবের সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ির সামনের বাগানে হাঁটছিলেন সইফ। সেই সময়েই চার দুষ্কৃতী বাড়িতে ঢুকে সইফকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। যদিও লিবিয়া প্রশাসনের তরফে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। সৈফের রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওথমান ফেসবুক পোস্ট করে সইফের মৃত্যুর ঘটনা জানিয়েছেন।২০১১ সালে লিবিয়ায় NATO সমর্থিত আন্দোলনের জেরে মুয়াম্মর গদ্দাফির শাসন শেষ হলে লিবিয়ার রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন সইফ। গদ্দাফির পরে লিবিয়ায় সইফের মতো শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতা আর কেউ ছিলেন না। এক সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু জিততে পারেননি। তবে, সরকারি পদ না থাকলেও রাজনীতিতে তাঁর যথেষ্ঠ প্রভাব ছিল।পশ্চিম এশিয়ার সঙ্গে লিবিয়ার সুসম্পর্ক স্থাপনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সইফ। বাবার সঙ্গে তাঁর নানা মতপার্থক্য থাকায় নিজেকে পরিবার থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে লিবিয়ার এক পাহাড়ি শহরে নিভৃত জীবনযাপন করতেন তিনি। ১৯৮৮ সালে স্কটল্যান্ডে বিমানে বোমা হামলার ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। গণ আন্দোলন থামানোর জন্য লিবিয়ায় সাধারণ মানুষের উপরে গুলি চালানোর বিরোধিতা করে সরব হয়েছিলেন তিনি। সইফের মৃত্যুতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশের রাজনীতিবিদরা।
82 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:40 AM
সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফির হত্যার তদন্ত করছে লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ

সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফির হত্যার তদন্ত করছে লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ

লিবিয়া গুলি করে হত্যা করা হল মুয়াম্মার গদ্দাফির পুত্র সইফ আল-ইসলাম গদ্দাফিকে। মঙ্গলবার লিবিয়ার উত্তরপশ্চিম প্রান্তে জিনটান শহরে বাড়িতে ঢুকে তাঁকে খুন করেন চার বন্দুকধারী। তাঁদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি। অজ্ঞাতপরিচয় ওই বন্দুকধারীদের প্রত্যেকেরই মুখ মাস্ক দিয়ে ঢাকা ছিল। লিবিয়ার প্রয়াত প্রাক্তন শাসকের ৫৩ বছর বয়সি পুত্রের উপরে কী উদ্দেশ্যে হামলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, লিবিয়ার প্রশাসন এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তবে সরকারি ভাবে কোনও বিবৃতি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সইফের ফরাসি আইনজীবী মার্সেল সেসালডি এএফপি-কে জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময়ে দুপুর ২টো নাগাদ হত্যা করা হয় গদ্দাফিপুত্রকে। চার জন বন্দুকধারী তাঁর জিনটানের বাড়িতে প্রবেশ করেছিলেন বলেও জানান তিনি। সইফের অনুগামীদের দাবি, বন্দুকধারীরা বাড়িতে প্রবেশের আগে সিসি ক্যামেরা বিকল করে দিয়েছিলেন। ফলে বাড়ির ভিতরে কী হয়েছিল, তা-ও স্পষ্ট নয়। অন্য দিকে লিবিয়ার সংবাদমাধ্যমে সইফের বোন দাবি করেছেন, আলজেরিয়া সীমান্তের কাছে হত্যা করা হয়েছে তাঁকে। তবে সইফের রাজনৈতিক উপদেষ্টা-সহ বেশির ভাগ ঘনিষ্ঠেরাই দাবি করছেন, জিনতানের বাড়িতেই হামলা হয়েছে গদ্দাফিপুত্রের উপরে। লিবিয়ায় গদ্দাফির শাসনের আমল থেকেই প্রগতিশীল রাজনীতিক হিসাবে পরিচিতি তৈরি হয়েছিল তাঁর। সইফ ওই সময়ে কোনও ঘোষিত পদে ছিলেন না। তবে পশ্চিমি দেশগুলির সঙ্গে লিবিয়ার সম্পর্ক ফের মসৃণ করার চেষ্টায় তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। গদ্দাফির উত্তরসূরি হিসাবেও অনেকে বিবেচনা করতেন তাঁকে। বাবার শাসনকালে সইফই ছিলেন লিবিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শক্তিধর ব্যক্তিত্ব। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালের বিদ্রোহে গদ্দাফিকে হত্যার পরে বন্দি করা হয় সইফকে। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালে ছাড়া পান তিনি। সেই থেকে জিনতানেই থাকছিলেন তিনি। ২০২১ সালে সইফ ঘোষণা করেছিলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পদপ্রার্থী হবেন তিনি। ভোটে লড়ার ঘোষণা করেছিলেন ঠিকই, কিন্তু সেই নির্বাচন পরে অনির্দিষ্ট কালের জন্য পিছিয়ে যায়।
62 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:40 AM
মোদী চাপের মুখে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি হয়েছেন বলে অভিযোগ গান্ধীর

মোদী চাপের মুখে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি হয়েছেন বলে অভিযোগ গান্ধীর

আমেরিকার ধনকুবের তথা যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের ফাইলে নরেন্দ্র মোদীর নাম এবং ঘুষ কেলেঙ্কারিতে মোদীর ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি গৌতম আদানিকে আমেরিকার সমন— এই দুইয়ের চাপেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শর্ত মেনে বাণিজ্য চুক্তি করতে রাজি হয়েছেন বলে রাহুল গান্ধী আজ অভিযোগ তুললেন। তাঁর দাবি, ‘‘প্রধানমন্ত্রী ভয়ঙ্কর চাপে রয়েছেন। হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে নরেন্দ্র মোদীর ভাবমূর্তির যে বেলুন ফোলানো হয়েছিল, তা ফেটে যেতে পারে। তাই তিনি আপস করে ফেলেছেন।’’ তিনি এ সব কথা সংসদে বলতে চাইছিলেন বুঝেই তাঁকে সংসদে বিতর্কে বলতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে রাহুলের অভিযোগ।
25 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:18 AM
এনডিএ-র সাংসদদের বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি তুলে ধরার আহ্বান মোদীর

এনডিএ-র সাংসদদের বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি তুলে ধরার আহ্বান মোদীর

বাজেট নিয়ে সংশয় রয়েছে মানুষের মধ্যে। তাই জনগণের কাছে বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি তুলে ধরার জন্য এনডিএ সাংসদদের আজ পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
79 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 03:12 AM
বিদেশ নীতির পরিবর্তনের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রথম পর্যায়ের বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে ভারত

বিদেশ নীতির পরিবর্তনের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রথম পর্যায়ের বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে ভারত

: এক বছরেরও বেশি উচ্চাবচ কূটনৈতিক পথ অতিক্রম করে ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির প্রথম পর্যায়ের বোঝাপড়ায় পৌঁছল। কূটনৈতিক শিবির মনে করছে, একই সঙ্গে নরম ও গরম বিদেশনীতির আশ্রয় নিয়েই এই চুক্তির পথে এগিয়েছে সাউথ ব্লক, কয়েক মাস আগেও যা দুঃসাধ্য বলে মনে হচ্ছিল। এক দিকে ভারত রাশিয়া থেকে অশোধিত তেল আমদানি একেবারেই কমিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে আমেরিকার বিভিন্ন দাবি মেনে নিয়েছে। অন্য দিকে ব্রিটেন এবং ইইউ-সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করে পরোক্ষে চাপও বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের উপর। দেশের ভিতরেও যাতে ট্রাম্প কিছুটা চাপে থাকেন, তার জন্য আমেরিকার বিভিন্ন লবি সংস্থাকে টাকা দিয়ে সক্রিয়তা বহাল রেখেছে সাউথ ব্লক।
85 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 02:51 AM
স্বস্তির মধ্যে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

স্বস্তির মধ্যে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত ঘোষণার পরে স্বস্তির সঙ্গে মাথা তুলেছে প্রশ্নও। কেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট চুক্তির কথা জানালেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নন, কাদের মধ্যে চুক্তি সই হল, যৌথ বিবৃতি কোথায় ইত্যাদি। মঙ্গলবারও দিনভর শোনা গিয়েছে সেই ধোঁয়াশা ও ধন্দের কথা। ট্রাম্প ভারতের শুল্ক কমিয়ে ১৮% করায় বহু রফতানি সংস্থা স্বস্তি প্রকাশ করেছে। তবে এই শিল্পের উপদেষ্টা জিটিআরআই-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তবের দাবি, যতক্ষণ না দু’পক্ষ চুক্তির বিষয়গুলি নিয়ে যৌথ বিবৃতি দিচ্ছে, আলোচনার লিখিত তথ্য সামনে আনছে এবং তা কার্যকর হওয়ার খুঁটিনাটি স্পষ্ট করছে, ততক্ষণ ধোঁয়াশা কাটার সম্ভাবনা কম। গোটা ঘটনাটিকে বরং রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা উচিত।
15 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:06 AM
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য তথ্য প্রতিবেদন (এস. আই. আর) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মতামত পেশ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য তথ্য প্রতিবেদন (এস. আই. আর) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মতামত পেশ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলার শুনানি সামনে থেকে শুনবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের প্রধান বিচারপতি সুযোগ দিলে একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে শীর্ষ আদালতে তিনি তাঁর মতও তুলে ধরতে চান। সেই মতো আজ সকাল পৌনে দশটার সময় সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছবেন। আদালত সাধারণত শুরু হয় সাড়ে দশটায়। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার দাবি করে মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন। দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে শুনানি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলাটি শুনানি তালিকার ৩৭ নম্বরে রয়েছে। তারই সঙ্গে ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলাটিও যুক্ত করা হয়েছে। কমিশনের বিরুদ্ধে কবি জয় গোস্বামীর দায়ের করা মামলাটিও শুনানির জন্য তালিকাবদ্ধ। তাই এসআইআর সংক্রান্ত বাংলার সব মামলাই একত্রে শুনানির আবেদন করবেন তৃণমূলের আইনজীবীরা। মামলায় অভিষেক মনু সিংভি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো আইনজীবীরা সওয়াল করার জন্য তৈরি। একইসঙ্গে মমতাও নিজে বাংলায় এসআইআরের বাস্তব চিত্রর কিছু অংশ তুলে ধরতে চান। ‘মুখ্যমন্ত্রী’ হিসাবে নন। কারণ, সাংবিধানিক পদে থাকা কোনও ব্যক্তি পদে থেকে আদালতে সওয়াল করতে পারেন না। পদ থেকে সরে গিয়ে সওয়াল-জবাব করা যায়। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান, সাধারণ একজন নাগরিক হিসাবে তাঁকে বলতে দিক আদালত। ফলে আজ শীর্ষ আদালতে মমতার উপস্থিতির দিকে চোখ গোটা দেশেরই। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আই-প্যাকের মামলাটি শুনানির জন্য উঠলেও এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট (ইডি) মামলা পিছানোর সময় চাইল। বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর আদালতে মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাবদ্ধ ছিল। তবে তার আগেই এদিন সকালে আদালত বসতেই ইডির আইনজীবী তথা কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই মামলায় যে হলফনামা ফাইল করেছে, তা সোমবার অনেক রাতে পেয়েছি। তাই প্রতি হলফনামা ফাইল করার জন্য তা পড়ার সময় দিন। আদালতও আপত্তি করেনি। বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি শুনানি হবে। তৃণমূলের নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রতীক জৈনের বাড়ি-অফিসে গত ৮ জানুয়ারি হানা দিয়েছিল ইডি। সেই খবর পেয়েই তৃণমূলনেত্রী সোজা পৌঁছে যান ঘটনাস্থলে। নিয়ে চলে আসেন কিছু ফাইলপত্র। তাই এভাবে এজেন্সির কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ রাজ্য পুলিশের কয়েকজনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে ইডি। সেই মামলারই শুনানি চলছে।
82 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 4, 2026, 02:06 AM
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধগুলিকে আরও সাশ্রয়ী করে তোলার লক্ষ্যে ভারত সরকার

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধগুলিকে আরও সাশ্রয়ী করে তোলার লক্ষ্যে ভারত সরকার

কম দামে প্রয়োজনীয় ওষুধ মিলবে এ বার থেকে। সেই ব্যবস্থা করল কেন্দ্র সরকার। পাশাপাশি ওষুধ শিল্পে যাতে আরও সম্প্রসারণ ঘটানো যায়, সে দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জেপি নড্ডা। তাঁর দাবি, ওষুধ শিল্পের বৃদ্ধি ও দাম নির্ধারণ নীতির মধ্যেভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে সরকার। এই পদক্ষেপকে ‘শক্তিশালী’ ও ‘স্থায়ী’নীতি বলে দাবি করেছেন নড্ডা। সুস্থ থাকতে কী করতে তাঁর পরামর্শও দেন তিনি। নড্ডার পরামর্শ, সুস্থ থাকতে হলে কম নুন খেতে হবে। মন্ত্রীর দাবি, ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওষুধ সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করার বিষয়ে সরকার জোরদিয়েছে। ওষুধ শিল্পের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলেও দাবিনড্ডার। বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়মিতপরামর্শ দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা আলোচনাও করে থাকেন বলে জানান মন্ত্রী। নড্ডা জানান,জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন কেন্দ্রগুলিতে রোগ নির্ণয় করারপরিষেবার পাশাপাশি বিনামূল্যে ওষুধও বিতরণ করা হয়। ‘জন জন ওষুধ কেন্দ্রের’ মাধ্যমেজেনেরিক ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। দাবি, গত দশ বছরে জনগনের ওষুধের জন্য খরচ ৬২.৬ শতাংশ থেকে কমে ৩৯.৪ শতাংশ হয়েছে। তিনিআরও জানান, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ গবেষণা করে জানিয়েছে অতিরিক্তনুন খাওয়ার ফলেই উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ বাড়ছে। এই বিষয়ে সচেতন করার জন্য ওস্বাস্থ্যকর খাবার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য ‘ইট রাইট ইন্ডিয়া’ বাস্তবায়িত করছেখাদ্য নিয়ামক সংস্থা ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়া’।স্বাস্থ্যকর্মীদের ‘ইট রাইট টুলকিট’ তৈরি ও তা প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।গণমাধ্যম ও সমাজ মাধ্যমে নাগর্কদের নিয়মিত সচেতন করা হয় বলেও দাবি মন্ত্রীর। তিনি জানান,‘আজ থেকে একটু কম’ এই ধরনের প্রচার চালিয়ে নুন, চিনি, চর্বি কম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
49 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:03 AM
মণিপুরের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেইতেই বিধায়ক জুম্নাম খেমচান্দ সিংহের নাম ঘোষণা করল বিজেপি।

মণিপুরের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেইতেই বিধায়ক জুম্নাম খেমচান্দ সিংহের নাম ঘোষণা করল বিজেপি।

নয়াদিল্লি: আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি শাসনের মেয়াদ শেষ। তার আগেই মণিপুরের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বেছে নিল বিজেপি। দিল্লিতে দলীয় বৈঠক শেষে মেইতেই সম্প্রদায়ভুক্ত বিধায়ক জুমনাম খেমচাঁদ সিংকে বিধানসভার দলনেতা ও মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি শাসন শেষ হলে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন সিংজামেইয়ের বিধায়ক খেমচাঁদ। গত কয়েক বছর ধরে জাতি হিংসায় রক্তাক্ত মণিপুর। আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি শাসনের শেষে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের ভবিষ্যৎ কী, তা ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই প্রবল জল্পনা চলছিল। নতুন সরকার গঠনের পরিকল্পনার পাশাপাশি কুকি ও মেইতেই উভয় পক্ষকেই কীভাবে খুশি করা যায়, তা নিয়েও দীর্ঘ চর্চা চলে। ঠিক হয়, নতুন সরকারে মুখ্যমন্ত্রী পদে মেইতেই জনগোষ্ঠীভুক্ত কোনো মুখকে আনা হবে। উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন দু’জন। একজন কুকি সম্প্রদায়ের, অন্যজন নাগা। সূত্রের খবর, এর পরেই গত রবিবার আচমকা সমন পাঠিয়ে মণিপুরের এনডিএ বিধায়কদের দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়। সোমবারের বৈঠকে মণিপুরের জন্য বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুগকে বিশেষ দায়িত্বও দেওয়া হয়। তার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয় সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিয়ে। সূত্রের খবর, সেই সময়েই মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য মেইতেই জনগোষ্ঠীর ছ’জন বিধায়কের নাম উঠে আসে। শেষ পর্যন্ত সিংজামেইয়ের বিধায়ক খেমচাঁদ সিংকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নেওয়া হয়। বিজেপি বিধায়ক থোকচোম রাধেশ্যাম সিং বলেন, ‘আমরা একটা নির্বাচিত ও জনপ্রিয় সরকার পেতে চলেছি। তার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ।’ যদিও কুকিরা সাফ জানিয়েছে, তাঁদের সম্প্রদায় থেকে যথেষ্ট সংখ্যক প্রতিনিধি না থাকলে এই নতুন সরকারকে মানার প্রশ্নই নেই। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব সেই দাবিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে খবর। প্রসঙ্গত, কুকি-মেইতেইদের বিবাদ ঘিরে ২০২৩ সালের মে মাস থেকে উত্তপ্ত মণিপুর। গোষ্ঠী সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন ২৬০ জনেরও বেশি। ঘরছাড়া ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং শেষ পর্যন্ত ইস্তফা দিয়েছিলেন। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরেই ৬২ বছর বয়সি বিজেপি নেতা খেমচাঁদ তাইকোন্ডোতে ফিফথ-ডান ব্ল্যাক বেল্ট পেয়ে নজির গড়েন। এর আগে কোনো ভারতীয় দক্ষিণ কোরিয়ার তাইকোন্ডো ফেডারেশন থেকে ফিফথ-ডান ব্ল্যাক বেল্ট পাননি। প্রসঙ্গত, খেমচাঁদের নির্বাচনী লড়াইয়ের জীবন শুরু হয়েছিল ২০১২ সালে। সেবার তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। কিন্তু, হেরে যান। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। - ফাইল চিত্র
64 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 02:02 AM
পশ্চিমবঙ্গে ভোটারদের নাম মুছে ফেলার অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে

পশ্চিমবঙ্গে ভোটারদের নাম মুছে ফেলার অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে

সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি: ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় লড়াইতে এঁটে উঠতে পারবে না বিজেপি। সেটা বুঝতে পেরেই নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে একতরফাভাবে ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। সেটাও আবার বেছে বেছে তৃণমূলের জেতা আসনগুলিতেই।’ মঙ্গলবার দিল্লিতে বসে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও বললেন, ‘বাংলাকে টার্গেট করেছে ওরা। নাহলে ১২ রাজ্যে যখন এসআইআর (স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন) হচ্ছে, তখন শুধুমাত্র বাংলাতেই কেন ৮১ হাজার মাইক্রো অবর্জাভার? কেন ভোটের মাত্র দু’মাস আগে ভোটার তালিকা শুদ্ধকরণ? বিজেপি কী মনে করে, কেউ কিছুই বোঝে না!’ পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর পর্বে ভোগান্তির শিকার হওয়া পরিবারগুলির একাংশকে দিল্লিতে হাজির করেছে তৃণমূল। তাঁদের মধ্যে ৯০ জনকে নিয়ে এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন দলের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁদের পাশে বসিয়ে বাংলায় তৃণমূলের জেতা আসনে নাম বাদ দেওয়ার ফিরিস্তি পেশ করেন নেত্রী। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনি আসন ভবানীপুরে ৪০ হাজার লোকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা বন্দর বিধানসভা কেন্দ্রে সেই সংখ্যাটা ৭০ হাজার। এই প্রেক্ষিতেই মমতার অভিযোগ, ‘যেখানেই তৃণমূল জিতেছে, সেখানে গড়ে ৪০ হাজার থেকে এক লক্ষ লোকের নাম বাদ দিয়েছে। অথচ বিজেপির জেতা আসনে সেই সংখ্যাটা গড়ে ২ থেকে ১১ হাজার। এটা কেন? কেনই বা প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ যাবে? নাম-পদবির বানানে সামান্য হেরফেরের মতো খুঁত বের করে নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। কমিশনকে দিয়ে তৃণমূলকে বিপদে ফেলাই আসলে বিজেপির টার্গেট।’ এরপরেই তাঁর গলায় প্রত্যয়ের সুর। বললেন, ‘তবে যত চেষ্টাই করো, বাংলায় বিজেপি জিতবে না। জিতবে তৃণমূলই। গতবারের চেয়ে অধিক আসন নিয়ে। এটা আমার চ্যালেঞ্জ। বিজেপিকে বলছি, গণতান্ত্রিকভাবে লড়ুন। কমিশনকে দিয়ে ষড়যন্ত্র করবেন না।’ একইসঙ্গে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভোটে জিতে ফের দিল্লি আসব। আপনাদের মিষ্টি খাওয়াব।’ গত দু’-তিন মাস ধরে প্রকৃত ভোটারদের হেনস্তা, দেড়শোর বেশি মানুষের প্রাণহানি নিয়ে এদিনও গর্জে উঠেছেন মমতা। সাফ জানিয়েছেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এফআইআর হওয়া উচিত! কেন মৃত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেবে না কমিশন? সোমবার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিনও তাঁর ক্ষোভ কমেনি। সুর চড়িয়ে বলেছেন, ‘আপনার ভুলের দায় কে নেবে? কেন আপনার শাস্তি হবে না? জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরানোর জন্য প্রয়োজনে সংসদে ‘মোশন ফর রিমুভাল’ আনা হোক। রিমুভালের জন্য প্রয়োজনীয় সাংসদ সংখ্যা আমাদের কাছে নেই ঠিকই। তবে সংসদের রেকর্ডে তো বিষয়টি লিপিবদ্ধ হবে।’ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকও প্রশ্ন তুললেন, ‘কমিশনের এ কী ব্যবহার! ১০ কোটি মানুষের সমর্থনে জিতে আসা তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী ছ’টি চিঠি লিখেছেন জ্ঞানেশ কুমারকে। উত্তর দেওয়া তো দূর, একটিরও প্রাপ্তিস্বীকার করেননি।’ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা। গত ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত খসড়া তালিকায় বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষ নাম। লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির নামে আরও প্রায় দেড় কোটি মানুষকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তৃণমূলনেত্রীর অভিযোগ, এসব বিজেপির স্বার্থরক্ষার জন্যই। তবে তিনিও জানিয়ে দিয়েছেন, চূড়ান্ত তালিকায় একজনও প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ গেলে ছেড়ে কথা বলবে না তৃণমূল। এক ইঞ্চি জমিও বাংলায় বিজেপিকে ছাড়া হবে না!
5 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 02:00 AM
নির্বাচন কমিশনের বিতর্কে সংসদে বক্তব্য রাখবেন মোদী

নির্বাচন কমিশনের বিতর্কে সংসদে বক্তব্য রাখবেন মোদী

রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের উপরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে লোকসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিকেল ৫টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাখার কথা।নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দায়ের করা সেই মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। এই মামলায় আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেন মমতা। পাশাপাশি, SIR সংক্রান্ত মামলারও শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।৩ ফেব্রুয়ারি, দিল্লির বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার কথা বলেন। এর পরেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি সংসদে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে চলেছে তৃণমূল? বুধবার বিরোধীরা এই ইস্যুতে কী পদক্ষেপ করে, সে দিকে থাকবে নজর।এ দিন বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। বিশ্বজুড়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানা ধরনের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি নেওয়া হবে।
9 shares
😐
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:59 AM
অনির্বাচিত ভোটারদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নতুন প্রয়োজনীয়তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে

অনির্বাচিত ভোটারদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নতুন প্রয়োজনীয়তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে

শুভঙ্কর বসু, কলকাতা: উদ্দেশ্য কি স্রেফ ভোটার হয়রানি? নাকি স্রেফ চূড়ান্ত তালিকা থেকে ‘বৈধ’ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার নয়া কৌশল! কারণ, এসআইআরের শুনানিতে নথি হিসাবে পাসপোর্টের কপি জমা দিলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে না। দেখাতে হবে বাবা-মায়ের নথিও। এই যুক্তিতে এবার কয়েক লক্ষ আনম্যাপড ভোটারকে ফের শুনানির নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় শুনানিতে ডাক পাওয়া ওই ভোটাররা যদি বাবা-মায়ের নথি না দেখাতে পারেন, সেক্ষেত্রে তাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে। এসআইআর বিজ্ঞপ্তি জারির সময় কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছিল, যাঁরা আনম্যাপড ভোটার, অর্থাৎ ২০০২ সালের তালিকায় যাঁদের নিজের ও কোনও আত্মীয়ের নাম নেই, তাঁদের শুনানির সম্মুখীন হতে হবে। কমিশন এও জানিয়েছিল, এই আনম্যাপড ভোটারদের নথি দিয়ে প্রমাণ করতে হবে, তিনি ভারতীয়। সেক্ষেত্রে মোট ১৩টি নথি নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল পাসপোর্ট। কিন্তু সূত্রের খবর, শুনানিতে পাসপোর্টের কপি জমা দেওয়া কয়েক লক্ষ ভোটারকে ফের শুনানিতে ডেকেছে কমিশন। যুক্তি, তাঁরা বাবা-মায়ের কোনো নথি দেখাতে পারেননি। এবার তাঁদের কাছে সেই নথি চাওয়া হচ্ছে। যেসব আনম্যাপড ভোটারের জন্ম ১৯৮৭ সালের এপ্রিলের পর থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে, তাঁদের বাবা অথবা মায়ের কোনো নথি পেশ করা আবশ্যিক। এছাড়াও যেসব ভোটারের জন্মতারিখ ২০০৪ সালের পর, তাঁদের বাবা এবং মা দু’জনের নথিই দিতে হবে। অন্যথায় তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় থাকবে না। যাদবপুর বিধানসভার জয়া সেন, গৌরী সাহা কিংবা মুর্শিদাবাদের ভোটার জিয়াউল শেখ! এই যুক্তিতেই দ্বিতীয়বার নোটিস পেয়েছেন। তাঁদের সকলেরই প্রশ্ন, কমিশনের কথা মতো পাসপোর্টের কপি জমা দেওয়ার পরও তা গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না। এখন বাবা-মায়ের নথি চাওয়া হচ্ছে। তাহলে কি পাসপোর্ট ভারতীয় হওয়ার প্রমাণ নয়? যদিও ইআরওরা জানাচ্ছেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁদের করার কিছু নেই। কমিশনের দেওয়া সিস্টেমে যেমনটা রয়েছে, সেভাবেই কাজ হচ্ছে। অন্যথায় নথি আপলোড করা যাচ্ছে না। তবে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, শুধুই কি হয়রানি? না কি নেপথ্যে অন্য উদ্দেশ্য রয়েছে? কারণ পাসপোর্টকে বৈধ নথি হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে কমিশনই তালিকা স্থির করেছে। তাহলে এখন কেন আনম্যাপড ভোটারদের থেকে বাবা-মায়ের নথি চাওয়া হচ্ছে? তাহলে কি বৈধ ভোটারের নাম বাদ দিতেই এই কৌশল?
86 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:56 AM
মোদীর সিদ্ধান্তে সমালোচনার মুখে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি

মোদীর সিদ্ধান্তে সমালোচনার মুখে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি

সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি: ভারতের কৃষকদের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়েই আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি করেছে ভারত সরকার। আমেরিকার কৃষিপণ্যের ভারতে অবাধ রপ্তানির ছাড় দেওয়া হয়েছে। আবার একই সঙ্গে রাশিয়া থেকে তেলও কেনা যাবে না এবং আমেরিকা থেকেই পেট্রপণ্য ক্রয়ের শর্ত মেনে ভারতের চরম স্বার্থহানি ঘটানো হয়েছে। আমেরিকার কাছে এক নির্লজ্জ আত্মসমর্পণ? এই মর্মে সম্মিলিতভাবে বিরোধীরা আক্রমণ করেছে মোদি সরকারকে। কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী পাটি, শিবসেনা, রাষ্ট্রীয় জনতা দল সহ গোটা ইন্ডিয়া জোট এককাট্টা হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এ ব্যাপারে জবাবদিহি চেয়েছে। বিরোধীদের প্রশ্ন, ভারত সরকারের যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করে দিচ্ছেন কেন? অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন আচমকা যুদ্ধবিরতি, রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণার পর এবার এই বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তি। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই ভারতের সরকারি বিবৃতির তোয়াক্কা না করেই ট্রাম্প বিশ্বকে নিজের মতো করে জানিয়ে দিচ্ছেন যে, কী সিদ্ধান্ত হয়েছে। সোমবার রাতে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, প্রথম বাণিজ্য চুক্তির কথা। এরপর ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান যে, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে এবং বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে মার্কিন কৃষিসচিব ব্রুক রোলিন্সের বিবৃতিতে। রোলিন্স মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির জেরে ভারতের বিপুল বাজারে এবার আমেরিকার কৃষিপণ্য অবাধে প্রবেশ করতে পারবে। ২০২৪ সালে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ১০৩ কোটি ডলার। এবার ভারতের বিরাট জনসংখ্যার বাজারে মার্কিন কৃষিপণ্য বিক্রি করার বৈপ্লবিক সুযোগ করে দেবে এই চুক্তি। আর তার জেরে ভারতের থেকে নগদ অর্থ আমেরিকায় প্রবেশ করবে বহুগুণ বেশি। রোলিন্স বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেছেন, এই প্রথম আমেরিকার কৃষি বাণি঩জ্যে এত বড় জয় পাওয়া গেল। ট্রাম্পের দলের সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এক ধাপ এগিয়ে বলেছেন, ওয়েল প্লেইড প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। আমার মনে হয় এবার বাকি দেশগুলি আপনার বার্তা পেয়ে যাবে। অন্যরাও ভারতের পথে হাঁটবে শীঘ্রই। রাশিয়ার আর্থিক রক্তক্ষরণ শুরু হল বলে। এভাবে মার্কিন প্রশাসন, বাণিজ্যমহল, রাজনৈতিক দল এত উচ্ছ্বসিত কেন? প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। বলেছে, কৃষি পণ্য নিয়ে মার্কিন সরকার দাবি করছে তাদের বিরাট জয় হয়েছে। বিনা শুল্কে কৃষি পণ্য ঢুকবে ভারতে। এর ফলে ভারতের কৃষকদের সর্বনাশ হবে শুধু এমন নয়। ভারতের গরিব ও মধ্যবিত্তকে আগামী দিনে অনেক বেশি দামে নানাবিধ খাদ্যপণ্য কিনতে হবে। কারণ কৃষিপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। আর মার্কিন রপ্তানির কারণে ভারতের উৎপাদন মার খাবে। এদিকে ভারত সরকার বিরোধীদের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেছে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের দাবি, কৃষি ও ডেয়ারি সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। চুক্তিতে কোনো অবাধ ছাড় নেই। ভারতের কৃষকদের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেয় সরকার। আমি সংসদেই চুক্তি নিয়ে বলতে চেয়েছিলাম। বিরোধীরা মিথ্যা প্রচার করছে। এর আগে তাঁর মন্ত্রকও জানিয়েছিল, ভারত চুক্তি নিয়ে কোনও আপস করেনি। যে অনড় মনোভাব আমাদের ছিল, সেই শর্তেই চুক্তি হবে। যদিও বিরোধীদের দাবি, বাণিজ্য চুক্তির শর্তাবলি জনগণকে জানানো হোক। সংসদ চলছে। সেখানেই সব ধোঁয়াশা কাটানো দরকার।
87 shares
😢
Bartaman Patrika logo
Bartaman Patrika
Feb 4, 2026, 01:52 AM
পরিকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে রাজ্য বাজেটের জন্য অপেক্ষা করছে বাংলা

পরিকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে রাজ্য বাজেটের জন্য অপেক্ষা করছে বাংলা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ বাদে কাল রাজ্য বাজেট। আরও নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। কারণ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার ভাগ্যে শিকে ছেঁড়েনি। তাই বঙ্গবাসী এবার তাকিয়ে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই। মুখ্যমন্ত্রী এবারও তাঁর রাজ্যকে নিরাশ করবেন না বলে সূত্রের খবর। সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলিকে সামনে রেখে বাংলার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি চাঙা করার লক্ষ্যেই তিনি বাজেট সাজাচ্ছেন। পরিকাঠামো উন্নয়নে রাস্তাঘাটের কাজ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-বার্ধক্য ভাতার মতো প্রকল্পে জোর—আসন্ন রাজ্য বাজেটে সরকারের নজর এই অভিমুখেই। বিভিন্ন দপ্তরের আনাচে কানাচে যা চর্চা চলছে, তাতে সরকারি কর্মীরাও বাড়তি কিছু সুরাহার আশায় রয়েছেন। গত তিনটি বাজেটের মতো এবারও ডিএ বৃদ্ধির জল্পনায় বুক বাঁধছেন তাঁরা। কেন্দ্রের অপেক্ষায় না থেকে রাজ্যের হাল টেনে নিয়ে যাওয়ার নানাবিধ জল্পনায় ইন্ধন জুগিয়েছে অবশ্যই সম্প্রতি সিঙ্গুরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর হুংকার—‘আমরা কারও ভিক্ষা চাই না। বাংলার মানুষের পাশে দাঁড়াবে রাজ্য সরকারই।’ এই বার্তার ছায়াই বাজেটে পড়তে চলেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। সেক্ষেত্রে রাজ্যের সার্বিক বাজেট বরাদ্দ সাত থেকে আট শতাংশ বৃদ্ধির জোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জানা যাচ্ছে, রাজ্যের সব থেকে বড়ো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাবও বাজেটে পেশ হতে পারে। ২০২১ সালে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে সে বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকেই প্রকল্পটি চালু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। গত পাঁচ বছরে শুধুমাত্র এই প্রকল্পের মাধ্যমেই মহিলাদের হাতে ৭৪ হাজার কোটি টাকার নগদ জোগান নিশ্চিত করেছে রাজ্য। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বরাদ্দ ধরা হয়েছিল ২৭ হাজার কোটি টাকা। এবার এই অঙ্ক কতটা বাড়ে, সেদিকেই নজর সব মহলের। এছাড়াও সামাজিক সুরক্ষা প্রদানের সঙ্গে জড়িত অস্থায়ী কর্মীদের জন্যও বেশ কিছু সুবিধা দেওয়ার চিন্তাভাবনা রাজ্যের রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও কেন্দ্র বাংলার ২ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি আটকে রেখেছে। বাড়ছে না কেন্দ্রীয় করে রাজ্যের ভাগের হারও। ফলে রাজ্যের কোষাগারের উপরে চাপ বাড়াটাই স্বাভাবিক। এই পরিস্থিতিতে রাজস্ব ঘাটতি সামাল দিতে এফআরবিএম আইনের অধীনে থেকেই ঋণের পথে রাজ্য হাঁটছে বলে সূত্রের খবর। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তৃতীয়বার সরকার গঠনের পর, জুলাই মাসের চূড়ান্ত বাজেটে তা দাঁড়িয়েছিল ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৭২৭ কোটি টাকায়। ২০২১ সালেও অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ হয়েছিল ৫ ফেব্রুয়ারি। ছাব্বিশের ভোটের আগেই সেই ৫ ফেব্রুয়ারিই পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। ফলে আগেরবারের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে এবারও বাংলার মানুষকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনমুখী বাজেট উপহার দিতে চলেছেন বলেই মত রাজনৈতিক তথা প্রশাসনিক মহলের।
2 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 01:52 AM
ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনার মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা নিয়ে বিতর্ক

ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনার মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা নিয়ে বিতর্ক

এই সময়, নয়াদিল্লি ও কলকাতা:গুঞ্জন ছিলই। তবে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি চলাকালীন আদালতে দেখা যায়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আজ, বুধবার বাংলার ভোটার লিস্টে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (সার) নিয়ে মমতার দায়ের করা মামলাটির শুনানি নির্ধারিত রয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে। পাশাপাশি কবি জয় গোস্বামীর তরফে ‘সার’ নিয়ে অন্য যে মামলাটি দায়ের হয়েছিল, তারও শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে আজ। ‘সার’ মামলার শুনানিতে আজ শীর্ষ আদালতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হাজির হতে পারেন, এই জল্পনা জোরালো হলো। মমতা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী বা তৃণমূলনেত্রী হিসেবে নন, এক জন সাধারণ নাগরিক হিসেবেই এই মামলাটি দায়ের করেছেন।তবে তিনি যে হেতু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে জ়েড প্লাস নিরাপত্তা পান, তাই সুপ্রিম কোর্টে হাজির হতে হলে শীর্ষ আদালতের রেজিস্ট্রির কাছে আলাদা করে আবেদন জানাতে হতো। তৃণমূল সূত্রের খবর, সেই অনুমতি করা হয়েছিল এবং তা মিলে গিয়েছে।‘সার’ মামলায় তিনি নিজে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করবেন কি না, তা মঙ্গলবার দিল্লিতে বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা স্পষ্ট করেননি। তবে তাঁর নিরাপত্তা সংক্রান্ত অনুমতি মিলে যাওয়ায় আজ সিজেআই সূর্য কান্তের এজলাসে মুখ্যমন্ত্রীর হাজির হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলেই মনে করা হচ্ছে।মমতা এর আগে বহু রাজনৈতিক মিটিংয়েই বলেছেন, তিনি আইনজীবী হিসেবে কালো কোট গায়ে দিয়ে বালুরঘাটের একটি মামলায় দাঁড়িয়েছিলেন। আইন পাশ করলেও অবশ্য সে ভাবে আইনজীবীর পেশায় তিনি থাকেননি। ‘সার’ নিয়ে যে ভাবে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে, তার প্রতিবাদে তিনি নিজে সুপ্রিম কোর্টে লড়বেন বলেও জানিয়েছিলেন। তিনি এ–ও বলেছিলেন, ‘দরকার হলে আমিও সুপ্রিম কোর্টে মানুষের হয়ে আবেদন জানাব, মানুষের হয়ে কথা বলব। আমি আইনজীবী। কিন্তু নাগরিক হিসেবে যাব। আমি আমার কথা বলতেই পারি।’ তবে এক জন মুখ্যমন্ত্রী নিজে শীর্ষ আদালতে শুনানিতে হাজির হলে তা ভারতীয় রাজনীতিতে বিরল ঘটনা হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।সূত্রের দাবি, ‘সার’–এ ক্ষতিগ্রস্ত বাংলার বাসিন্দাদের উদ্দেশে এ দিন মমতা বলেন, ‘বুধবার সুপ্রিম কোর্টে যাব ভেবেছি। তোমাদের সবার দুর্দশার কথা তুলে ধরব দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির কাছে। তোমাদের জন্য ন্যায়বিচার চাইব আমি। আশা করি তোমরা ন্যায়বিচার পাবে।’ মমতা ও জয় গোস্বামীর পাশাপাশি তৃণমূলের দুই সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেনের দায়ের করা বাংলার ‘সার’ নিয়ে দু’টি মামলাও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।১৯৯৪–এর ১০ ফেব্রুয়ারি বালুরঘাট জেলা আদালতে মমতা কালো কোর্ট গায়ে দিয়ে মামলা করেছিলেন। সেখানে জেলার বিশিষ্ট আইনজীবী শঙ্কর চক্রবর্তী, বিপ্লব মিত্র, সুভাষ চাকিরা উপস্থিত ছিলেন। এই মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সওয়াল করেছিলেন। আইনজ্ঞরা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের সদস্য হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টেও কালো কোট গায়ে দিয়ে তাঁর সওয়াল করতে বাধা নেই। তবে শেষমেশ মমতা কী করবেন, তা নিয়ে তীব্র জল্পনা রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে।যদিও এ নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিতে দেরি করেনি রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সিপিএম-এর রাজ্যসভার সাংসদ তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আদালত একটা পাবলিক স্পেস। সেখানে যে কেউ যেতে পারেন। এতে কোনও বাহাদুরি নেই। আবেদনকারী হলে নিজের মামলা নিজে সওয়াল করতে পারেন। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজের সাংবিধানিক পদমর্যাদাকে এমন জায়গায় নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, এর পর আর সাংবিধানিক পদাধিকারীদের প্রতি মানুষের কোনও রকম শ্রদ্ধা থাকবেন না।’ রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘উনি কোথাকার আইনজীবী আমি জানি না। বুধবার সবাই নতুন ড্রামা দেখবে। নতুন উকিল দেখবে। এ সব করে কোনও লাভ হবে না। উনি চাইছেন, এসআইআর প্রক্রিয়া ঘেঁটে দিয়ে ২০২৪–এর লোকসভা ভোটের সময়কার ভোটার তালিকা দিয়ে এ বারের বিধানসভা ভোট করাতে। যেখানে মৃত ভোটারদের নামও থাকবে।’
28 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 4, 2026, 01:26 AM
সংঘাতের অবসানের প্রচেষ্টার মধ্যে মার্কিন-রাশিয়া-ইউক্রেন ত্রিপক্ষীয় বৈঠক পুনরায় শুরু হয়েছে

সংঘাতের অবসানের প্রচেষ্টার মধ্যে মার্কিন-রাশিয়া-ইউক্রেন ত্রিপক্ষীয় বৈঠক পুনরায় শুরু হয়েছে

রাশিয়া এবং ইউক্রনের মধ্যে চলা যুদ্ধ বন্ধ করতে ফের বসতে চলেছে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। বুধবার থেকেই এই লক্ষ্যে আবু ধাবিতে ফের শান্তি বৈঠকে বসছে ইউক্রেন, রাশিয়া এবং আমেরিকা। দ্বিতীয় দফার এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বার্তা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই লড়াই বন্ধ করার জন্য পুতিনের প্রতি আর্জি জানিয়েছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।এ দিকে এই বৈঠক শুরুর আগে ইউক্রেনে ফের ড্রোন এবং মিসাইল নিয়ে পাওয়ার গ্রিডে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া । ৪৫০টির বেশি ড্রোন এবং ৭০টির বেশি মিসাইল নিয়ে পাওয়ার গ্রিডে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া বলে অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি। বিদ্যুৎ কেন্দ্র ছাড়াও কিইভ এবং খারকিভেও হামলা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ। শান্তি বৈঠকের আগে এই হামলা নিয়ে যুদ্ধ বন্ধ করার ব্যাপারে রাশিয়ার সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কিইভ।অন্য দিকে, কিইভের উপর হামলা শুরু হতেই মস্কোতে বার্তা দিয়েছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই পুতিন এই লড়াই বন্ধ করুন।’যদিও পুতিনের প্রতি নরম ভাব দেখিয়েছন ট্রাম্প। এএফপির প্রতিবেদন অনুসারে, ওভাল হাউসে সংবাদিককদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, পুতিন তাঁর কথা রেখেছেন। তাঁর দাবি, আগের রবিবার থেকে গত রবিবার পর্যন্ত ইউক্রেনে কোনও হামলা হবে না বলে কথা দিয়েছিলেন পুতিন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট সেই কথা রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।প্রসঙ্গত, চার বছর ধরে চলা রাশিয়া এবং ইউক্রেনের লড়াই বন্ধ করতে উদ্যোগ নেন ট্রাম্প। এই লক্ষ্য নিয়ে গত বছরেই জ়েলেনস্কি এবং পুতিনের সঙ্গে আলাদা ভাবে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। যুদ্ধ থামানোর জন্য শান্তি প্রস্তাবের খসড়াও দিয়েছিলেন তিনি। যদিও তাঁর কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল কিইভ এবং মস্কো। তবে গত মাসেই ওই যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্য নিয়ে আবু ধাবিতে প্রথম বার ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে কোনও রফা সূত্র বের হয়ে আসেনি। বুধবার থেকেই আবার সেখানেই দু'দিনের ত্রিপাক্ষিক শান্তি বৈঠক বসতে চলেছে। এখন এই বৈঠকের ফল কী হয় তার দিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।
12 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 11:34 PM
নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে কেশপুরে হিংসা

নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে কেশপুরে হিংসা

নির্বাচনের আগে ফের উত্তপ্ত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর। সেখানে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। হামলায় আহত হয়েছেন ১২ জন বলে দাবি বিজেপি নেতাদের। ওই হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসে বিজেপি। যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে কেশপুরের রামকাটা এলাকায়। কেশপুর বিধানসভার আনন্দপুর থানার রামকাটায় একটি বৈঠক করছিলেন বিজেপির কর্মীরা। অভিযোগ, দলীয় ওই অভ্যন্তরীণ বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিজেপির কর্মীদের উপর হামলা চালায় এক দল তৃণমূল কর্মী।বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তন্ময় দাসের দাবি, ঘটনায় আহত হয়েছেন তাঁদের দলের প্রায় ১৫ জন কর্মী। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁর অভিযোগ, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বিজেপির লোকজনকে ঘিরে ধরে মারধর করেন। তাঁদের মোটরসাইকেলে ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ তাঁর।ওই এলাকার বিজেপি নেত্রী সোনালী ওঝার দাবি, দলীয় বৈঠক চলার সময়েই তৃণমূল কর্মীরা এসে ভিডিয়ো করে নিয়ে যায়। বৈঠক শেষ হওয়ার পরই তাঁদের কর্মীদের ঘিরে নির্মমভাবে বাঁশ-লাঠি নিয়ে হামলা চালানো হয়।অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা পরিষদ সদস্য তথা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মহম্মদ রফিকের দাবি, মঙ্গলবার ওই এলাকায় পিকনিক করেছিলেন বিজেপির কর্মীরা। সেখানে মদ্যপান করার পরেই তাঁদের নিজেদের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই হামলার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজন কোনওমতেই যুক্ত নয় বলেও তাঁর দাবি।জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত এই নিয়ে কোনও অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।যদিও বিজেপির দাবি, পুলিশকে এই নিয়ে বলার পরে তাঁদেরকেই হুমকি দেওয়া হয়েছে।
51 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 11:15 PM
মার্কিন-ইরান উত্তেজনার মধ্যে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সৌদি আরব সফর

মার্কিন-ইরান উত্তেজনার মধ্যে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সৌদি আরব সফর

পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি আলোচনার কেন্দ্রে। বিশেষত আমেরিকা ও ইরানের সম্পর্ক এখন বিশ্বের নজরে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরব সফরে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। রাজধানী রিয়াধে সৌদির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবার আরবে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এমনটাই জানিয়েছে সমাজমাধ্যমে। দূতাবাস জানিয়েছে, সরকারি কাজেই রিয়াধে এসেছেন ডোভাল। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন ভারতের দূত সুহেল আজাজ খান ও আরবের রাজনৈতিক উপমন্ত্রী সৌদ আল সাতি। প্রসঙ্গত, সাতি এর আগে ভারতে আরবের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। আরব সাগরে ইতিমধ্যেই ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ’ রণতরী বাহিনী মোতায়েন করেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ইরানকে বার্তা দিয়েছেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে ডোভাল ও তাঁর দলের সদস্যদের আলোচনার বিষয় হতে পারে ভারত ও আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা। কয়েক মাস আগেই প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে পাকিস্তান ও আরবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। তার পরে আরবে পৌঁছে গেলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।
81 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 10:39 PM
দিল্লির বিজেপি সরকার স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

দিল্লির বিজেপি সরকার স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

দিল্লিবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে চলছে বিজেপি। এ বার থেকে প্রতি বছর হোলি এবং দীপাবলিতে বিনামূল্যে একটি করে রান্নার গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার পাবেন তাঁরা। কী ভাবে পাবেন এবং কারা পাবেন তা মঙ্গলবার বিস্তারিত জানিয়ে দিয়েছে পদ্মশিবির। দিল্লিতে গত বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা ক্ষমতায় এলে হোলি এবং দীপাবলিতে বিনামূল্যে একটি করে সিলিন্ডার দেওয়া হবে। এ বার সেই পথেই হাঁটছে তারা। মঙ্গলবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত তাঁর মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকেন। সেখানে এই প্রস্তাবটি তোলা হয় বলে জানা গিয়েছে। প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিক ভাবে অনুমোদিত হওয়ার পরেই দিল্লিবাসীর জন্য এই ঘোষণা করেন বিজেপি নেতৃত্ব। কারা কারা এই সিলিন্ডার পাবেন তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পটি মূলত অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবার এবং নিম্ন আয়ের নারীদের সহায়তার জন্য। বিবৃতিতে বলা আছে, দিল্লির বৈধ রেশন কার্ডধারী সকল পরিবার এবং অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলি এই সুবিধা পাবে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার’ পদ্ধতির মাধ্যমে একটি সিলিন্ডারের মূল্য সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। যাঁদের বাড়িতে পিএনজি সংযোগ রয়েছে, তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বাদ পড়বেন না। বিজেপি সূত্রে খবর, এই প্রকল্পে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ হবে, যার মধ্যে বর্তমানে ২৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে রেখা জানিয়েছেন, তাঁর সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে দায়বদ্ধ।
26 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 06:52 PM
নির্বাচনী তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

নির্বাচনী তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করল রাজধানীতে। মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরাসরি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এর নেপথ্যে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের স্বার্থ। এদিন সাংবাদিক বৈঠকের শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানান মমতা। তাঁর বক্তব্য, ‘এআই দিয়ে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। মানুষ জানতেই পারছে না, কী ভাবে তার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।’ একই সঙ্গে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘দিল্লির সংবাদমাধ্যম তো জানবেই না বাংলায় কী হচ্ছে।’ প্রসঙ্গত, এসআইআরকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরের ক্ষোভ এখন সংসদ পর্যন্ত গড়িয়েছে। সূত্রের খবর, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি শুরু করেছে বিরোধীরা। লোকসভার পাশাপাশি রাজ্যসভাতেও এই প্রস্তাব উত্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই কংগ্রেস-সহ অন্যান্য বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। মমতার অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, ‘ভবানীপুরে ৪০ হাজার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রে কম নাম বাদ যাচ্ছে। কিন্তু তৃণমূলের কেন্দ্রে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’ তাঁর আরও বক্তব্য, ‘মানুষ ভোট দিয়ে ঠিক করে কে শাসক হবে। এখন বিজেপি ঠিক করছে, কে ভোটার হবে।’ সাংবাদিক বৈঠকে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মমতা। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনের কাজে বিজেপির কর্মীদের যুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সীমা খন্না নামে একজন বিজেপি কর্মী এআই ব্যবহার করে নাম বাদ দিচ্ছেন। কমিশন তাঁকে দিয়ে কাজ করাচ্ছে।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘অমর্ত্য সেন, জয় গোস্বামীর মতো ব্যক্তিত্বদেরও এসআইআর নোটিস পাঠানো হয়েছে। ভাবা যায়!’ দিল্লিতে থাকাকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রসঙ্গে সরাসরি সমর্থন জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘আমি চাই ইমপিচমেন্ট হোক। আমাদের সংখ্যা নেই, সেটা ঠিক। কিন্তু সংবিধানে সেই প্রভিশন আছে। অন্তত রেকর্ডে থাকবে। আমরা জনস্বার্থে একজোট হয়ে কাজ করছি।’ তবে বিরোধীদের এই উদ্যোগকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর মন্তব্য, ‘ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব যে কেউ আনতে পারে। কিন্তু সংখ্যা কোথায়? দেশের মানুষ আপনাদের বেছে নেয়নি।’ এসআইআরে ‘ক্ষতিগ্রস্ত’দের নিয়ে চাণক্যপুরীর নতুন বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা। বৈঠকের শেষে রাজধানীর সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আবার দেখা হবে জেতার পরে। তখন ভাল মিষ্টি খাওয়াব। তবে দিল্লির লাড্ডু নয়।’ বিধানসভা নির্বাচনে আসনসংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মমতা বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক জ্যোতিষী নই। তবে আরও বেশি আসন নিয়ে জিতব।’ তাঁর পাশেই ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও বলেন, ‘আমরা এসআইআরের বিরোধী নই। কিন্তু এই অপরিকল্পিত এসআইআর মেনে নেওয়া যায় না।’ কংগ্রেসের সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে এদিন মমতার সাফ কথা, ‘পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল একাই লড়বে।’ এসআইআর নিয়ে ভবিষ্যৎ রণকৌশল সম্পর্কে তিনি জানান, ‘মাঠ ছাড়ব না। এক ইঞ্চি জমিও ছাড়ব না।’ এসআইআর ঘিরে বাংলার রাজনীতিতে যে লড়াই আরও তীব্র হতে চলেছে, তা এ দিনের সাংবাদিক বৈঠকেই স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূলনেত্রী।
12 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:57 PM
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় প্রকৃত ভোটারদের অন্তর্ভুক্তির দাবি সিপিআই (এম)-এর

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় প্রকৃত ভোটারদের অন্তর্ভুক্তির দাবি সিপিআই (এম)-এর

ভোটার তালিকায় প্রকৃত ভোটারের নাম সুরক্ষিত করার দাবিতে লালবাগ মহকুমা শাসকের কাছে ডেপুটেশন দিল সিপিআই(এম)।মঙ্গলবার লালবাগের অবস্থানে অংশ নেন সিপিআই(এম) নেতা বদরুদ্দোজা খান। অংশ নেন কৃষ্ণা রায় চ্যাটার্জি, মনু সেখ, কামাল হোসেনও।পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর’র শুনানিতে বিভিন্ন এলাকায় বেছে বেছে যাচ্ছে বড় সংখ্যায় নোটিশ। এর আগে সিইও দপ্তর রাজ্যে আনম্যাপড বা ২০০২’র তালিকার সঙ্গে সংযোগ নেই, এমন নাম চিহ্নিত করেছিল। দেখা যাচ্ছে ২০০২’র তালিকার সঙ্গে অসঙ্গতি অত্যন্ত কম থাকলেও শুনানি পর্বে যাচ্ছে ভুরি ভুরি নোটিশ।শুনানিতে নোটিশের পিছনে কমিশন যুক্তিসঙ্গত অসঙ্গতি বা ‘লজিক্যাল ডিক্রেপান্সি’-র তত্ত্ব খাড়া করেছে। সিপিআই(এম) এর আগে দফায় দফায় চিঠি পাঠিয়েছে সিইও দপ্তরে। ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি বিহারে না হলেও পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে কেন তুলেছে সে প্রশ্ন। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনে এই প্রক্রিয়া মাঝপথে চালু হলো কেন তুলেছে সে প্রশ্নও। মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে সংখ্যালঘু প্রধান এলাকায় নোটিশ পাঠানোর হার বেশি।এদিন লালবাগে মহকুমা শাসকের দপ্তরে বিশদে অভিযোগ জানান সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ। প্রকৃত ভোটারদের নাম যাতে কোনোভাবে বাদ না পড়ে তোলা হয়েছে সেই দাবি।
47 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:50 PM
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল সংসদীয় নির্বাচন ও গণভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল সংসদীয় নির্বাচন ও গণভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বর্জনের জন্য দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)।জাসদ নেতারা বলেছেন, অসাংবিধানিক গণভোট ও একতরফা, একপাক্ষিক সংসদ নির্বাচনে দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকটের সমাধান হবে না। সে কারণেই জাসদ এই গণভোট ও সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছে। জনগণকেও বর্জনের আহ্বান জানাচ্ছে।মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাসদ আয়োজিত এক স্মরণসভা ও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে নেতারা এসব কথা বলেন। ১৯৭৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি যশোরে নিজ বাসভবনে রাজনৈতিক গুপ্তহত্যার শিকার জাসদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেনের ৫২তম হত্যা দিবস উপলক্ষে এই স্মরণসভা ও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাসদের সহ-সভাপতি শফি উদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
75 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:47 PM
বিক্ষোভ-সম্পর্কিত ভাঙচুরের অভিযোগে জেএনইউ-এর ছাত্র নেতাদের বহিষ্কার

বিক্ষোভ-সম্পর্কিত ভাঙচুরের অভিযোগে জেএনইউ-এর ছাত্র নেতাদের বহিষ্কার

প্রতিবাদ বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার জন্য ছাত্র সংসদের চার পদাধিকারীকে বহিষ্কার করল কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ)। বহিষ্কার করা হয়েছে ছাত্র সংসদের প্রাক্তন সভাপতিকেও।দু’টি সেমেস্টারে বসতে পারবেন না এই ছাত্রনেতৃত্ব। দিতে হবে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও।কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিআর আম্বেদকর লাইব্রেরির সামনে অবস্থানের সময় মুখাবয়ব চিহ্নিতকরণ সরঞ্জাম বা ‘ফেসিয়াল রেকগনিশন টেকনলজি’-র ক্ষতি করা হয়েছিল।গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ‘গুরুতর মাত্রায় ভাঙচুর, হামলায় জড়িত এই ছাত্রছাত্রীরা।‘বিজেপি কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সরকারে আসার পর থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী ছাত্র আন্দোলন বারবার শাস্তির মুখে পড়েছে। অথচ, উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের আক্রমণ করলেও শাস্তি দেওয়া হয় না।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সভাপতি নীতীশ কুমারের পাশাপাশি পদাধিকারী গোপিকা বাবু, অদিতি মিশ্র, সুনীল যাদব এবং দানিশ আলি শাস্তির মুখে পড়েছেন। তাঁদের আপাতত ক্যাম্পাস ছেড়ে যেতে বলা হয়েছে।২০২৫’র নির্বাচনে সঙ্ঘ পরিবারের অনুগামী এবিভিপি আগ্রাসী প্রয়াস চালালেও ছাত্র সংসদনির্বাচনে বিপুল জয় পায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি।
15 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:41 PM
মার্কিন-ভারত বাণিজ্য চুক্তিঃ শুল্ক ও সুবিধার দাবি নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত

মার্কিন-ভারত বাণিজ্য চুক্তিঃ শুল্ক ও সুবিধার দাবি নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত

প্রতিবেশীদের তুলনায় কম শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। আমেরিকা-ভারত বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীকে তোষণে ব্যস্ত সংবাদমাধ্যম এই দাবির সপক্ষে যুক্তি দিয়েছে যে পাকিস্তানের ওপর আমেরিকা ১৯ শতাংশ আমদানি শুল্ক চাপিয়েছে। ভারতের ওপর ১৮ শতাংশ শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করেছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প।মঙ্গলবার বিরোধীরা সংসদে দাবি তোলেন যে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কে বিশদে জানাতে হবে। সংসদে চুক্তির বয়ান পেশ করেনি সরকার। সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন গয়াল।তাঁর দাবি, ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে দেশের পক্ষে ‘সবচেয়ে ভাল’ চুক্তি করেছেন প্রধানমন্ত্রী।এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ আবার দাবি করেছেন যে চুক্তি ভারতের মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের সামনে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সুযোগ খুলে দেবে।আমেরিকা ভারতের ওপর একতরফা ‘পালটা শুল্ক’ চাপায় ২৫ শতাংশ হারে। তার ওপর ‘জরিমানা’ চাপে রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য। ভারতীয় পণ্যে মোট ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক চাপায় আমেরিকা। এবার তাকে ১৮ শতাংশ করায় ‘জয়’ দেখছেন মোদীর সঙ্গীরা।গয়ালের দাবি, কৃষি ও ডেয়ারি ক্ষেত্রে ভারতের স্বার্থ রক্ষা করেই হয়েছে চুক্তি।ট্রাম্প সোশাল মিডিয়ায় চুক্তি সম্পর্কে যা লিখেছেন তার সঙ্গে যদিও গয়াল বা শাহের দাবি একেবারেই মিলছে না। তিনি বলেছেন ৫০০ বিলিয়ন ডলার আমদানি করতে বাধ্য থকবে ভারত। আমেরিকার পণ্যে কোনও আমদানি শুল্কই থাকবে না। জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষি সহ একাধিক ক্ষেত্রে আমদানি করতে রাজি হয়েছে ভারত।গয়াল বলেছেন, আমেরিকা প্রথমে টুইট করেছে কারণ ওরাই শুল্ক কমাতে রাজি হয়েছে। তিনি বলেছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির ঘোষণা হবে বিধি অনুযায়ী বাকি কয়েকটি কাজ সেরে ফেলার পরই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কৃষি ও ডেয়ারি শিল্পকে রক্ষা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেসকে দেশকে আরও কঠিন বাণিজ্য চুক্তির পথে ঠেলে দিতে চাইছিল।কিন্তু ভারত কি আমেরিকার পণ্যে আমদানি শুল্ক শূন্য করবে? ৫০০ বিলিয়ন ডলার আমদানি করতে বাধ্য থাকবে? এমন প্রশ্নের জবাব দেননি গয়াল।
94 shares
😢
Ganashakti Patrika logo
Ganashakti Patrika
Feb 3, 2026, 03:37 PM
হুগলি জেলায় জনসংযোগ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিপিআই (এম) নেতারা

হুগলি জেলায় জনসংযোগ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিপিআই (এম) নেতারা

চন্দননগর হাসপাতাল মোড় থেকে অর্থ সংগ্রহের সুসজ্জিত মিছিল শুরু হয় মিছিল লক্ষীগঞ্জ বাজার হয়ে উদ্দি বাজার পরিক্রম করে চন্দননগর স্টেশনে শেষ হয়।জনসংযোগ ও গণপথ্য সংগ্রহ ও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এম) রাজ্য কমিটির সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, হুগলি জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ, রাজ্য কমিটির সদস্য মনোদীপ ঘোষ, অরিন্দম ভট্টাচার্য, ঐকতান দাশগুপ্ত ও পিনাকী চক্রবর্তী সহ অন্যান্য কমরেডরা।রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন , সারা জেলা জুড়ে অর্থ সংগ্রহ ও জনসংযোগ কর্মসূচি চলছে। ফেব্রুয়ারি মাসে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবেই মাইক যেখানে বাজানো যাবে না সেখানে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্যই এই কর্মসূচি। আমরা প্রতিনিয়ত মানুষের বিভিন্ন দাবি দাবার লড়াইয়ের জন্য রাস্তায় রয়েছি। আন্দোলন করছি আমাদের কাছে কোনরকম গরু চুরি, কয়লা চুরির ও ইলেকট্রনাল বন্ডে টাকা নেই তাই মানুষের কাছে হাত পেতেই এই অর্থ সংগ্রহের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।অর্থ সংগ্রহ কর্মসূচিকে ঘিরে মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতন উদ্দি বাজার এলাকা থেকে শুরু করে হসপিটাল রোড, স্টেশন রোড সমস্ত জায়গাতেই দেখা যায় মানুষ এগিয়ে এসে লাল সালুতে সিপিআই(এম)কে সাহায্য করার জন্য অর্থ দিচ্ছেন।কোন্নগরে জনসংযোগ ও গন অর্থ সংগ্রহ কর্মসূচিতে মিনাক্ষী মুখার্জি। ছবি - শুভ্রজ্যোতি মজুমদার।এদিন উত্তরপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত কোন্নগরের তিনটে বুথ ৪৭, ৪৮, ৪৯ তিনটে বুথে জনসংযোগ ও গণঅর্থসংগ্রহ অনুষ্ঠানে ছিলেন পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যা মিনাক্ষী মুখার্জি। কোন্নগর নবগ্রাম এলাকা উত্তরপাড়া বিধানসভা ঘেঁষা এমন একটি জায়গা যা পঞ্চায়েত হলেও তার আর্থ সামাজিক অবস্থান শহরের মতো। এই তিনটে বুথ মিলিয়ে ৬৫০০-৭০০০ মানুষের বাস যাদের মধ্যে ১৫-২০% ১৮ থেকে ৩০ বছরের কম বয়সের যুবক যুবতী কর্মহীন বা বেকার। পশ্চিমবঙ্গে কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত। মিনাক্ষী মুখার্জি কে দেখে তারা তাদের সমস্যার কথা জানান। স্থানীয় বেকার যুবক হাবিব সরকার ও বেকার যুবতি রুবি বর্মন জানান আমরা আশা করেছিলাম প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গুরের মাটিতে শিল্প গড়ার কথা বলবেন। কিন্তু তিনি হতাশ করলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন সিঙ্গুরে ওয়্যার হাউস হবে। তিনি বেকারদের ব্যাপারে কিছুই ভাবলেন না। তাই আমরা মনে করছি শিল্পের দাবিতে কাজের দাবিতে বামপন্থীরা খুব ই প্রাসঙ্গিক।এদিন সত্তরোর্ধ মঞ্জু চক্রবর্তী, অশিতিপর সনাতন বাগ, নবতীপর সবিতা রায় মিনাক্ষী মুখার্জি কে আশীর্বাদ করেন। এদিন কোন্নগর বিধানসভা জুড়ে উৎসাহী মানুষের সারি ছিলো চোখে পড়ার মতো। শ্রমজীবী মানুষ তাদের সামর্থ মতো দান করেন তাহবিলে।এদিন মিনাক্ষী মুখার্জি বলেন কাজের দাবি এরাজ্যের মূল দাবি। মানুষ তো সরল তারা ভেবেছিলেন মোদী কিছু বলবে সিঙ্গুরের জমিতে শিল্পের কথা বলবে। তারা তো আর জানেনা মোদী মমতার সেটিং আছে বাংলার মাটিতে শিল্পের কথা তারা বলবে না। শিল্পের দাবিতে একমাত্র যদি কেউ সরব থাকে সেটা কেবল লালঝান্ডা আর কেউ না। কোন্নগরে কি অবস্থা জোর করে জুলুম করে পঞ্চায়েতগুলো দখল করলো তৃণমূল শুধু লুট করার জন্য। কি অবস্থা মেয়েদের এখানে মেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়। দিনের বেলাতেও মেয়েদের নিরাপত্তা নেই। আমরা আজ মানুষের কথা শুনতে এসেছি গণ অর্থ সংগ্রহ কর্মসূচি হলেও এটা মানুষের কথা যোগাযোগ করার কর্মসূচি। মানুষ আসছেন আমাদের মধ্যে মতের বিনিময় হচ্ছে আমরা জানতে পারছি নতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে আমাদের। গণ অর্থ সংগ্রহ শেষে বোসপুকুর এলাকায় একটি পাড়া বৈঠকে সামিল হন মীনাক্ষী মুখার্জি। সেখানে নবগ্রাম এলাকার মানুষ তাদের মত বিনিময় করেন নেত্রীর সঙ্গে। মিনাক্ষী ছাড়াও কর্মসূচিতে ছিলেন পার্টির জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য শ্রুতিনাথ প্রহরাজ, অভিজিৎ চক্রবর্তী, তীর্থঙ্কর রায়, এরিয়া সম্পাদক আশীষ দে প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
49 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 03:35 PM
মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে পশ্চিমবঙ্গ কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ সহযোগিতা করছে

মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে পশ্চিমবঙ্গ কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ সহযোগিতা করছে

সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। বহু পড়ুয়া তাঁদের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে দিতে পারে সেই উদ্দেশে এবার সক্রিয়ভাবে পাশে দাঁড়াল পুলিশ প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন। যাতায়াতের সমস্যা যাতে পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে তারা। এ বছর ভাঙড় বালিকা বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষাকেন্দ্র পড়েছে ভাঙড়-১ ব্লকের চণ্ডীপুর রাংসারা হাইস্কুলে। ভাঙড় বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী কোয়েল সর্দার, সুস্মিতা কর্মকার, তৃষা কর্মকার ও তানিয়া পারভিনের বাড়ি পানাপুকুর ও চকবড়ালি এলাকায়। বাড়ি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার হলেও ওই সব এলাকা থেকে সরাসরি পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোর মতো কোনও গণপরিবহন ব্যবস্থা নেই। এই সমস্যার কথা পড়ুয়ারা স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানায়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেছেন ভাঙড় বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নূপুর শিকদার। তিনি যোগাযোগ করেন ভাঙড় ট্র্যাফিক গার্ডের ওসি মিদ্দা ইমামুদ্দিনের সঙ্গে। এরপর পরীক্ষার দিনগুলিতে পরীক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া এবং পরীক্ষা শেষে নিরাপদে বাড়ি ফেরানোর জন্য পুলিশের তরফ থেকে একটি গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। অন্যদিকে, ব্যারাকপুর স্টেশন থেকে পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুলে পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নেয় তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি। পরীক্ষার্থীদের হাতে বিশেষ পাস তুলে দেওয়া হয়, যা দেখিয়ে পরীক্ষা চলাকালীন তারা বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারবে। পরীক্ষার প্রথম দিনেই বিপাকে পড়ে ব্যারাকপুর হিন্দি হাইস্কুলের পরীক্ষার্থী স্মৃতি সাহানি। টিটাগড় আর্য বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে ঢোকার মুখে সে বুঝতে পারে, অ্যাডমিট কার্ড বাড়িতে ফেলে এসেছে। কান্নায় ভেঙে পড়া ছাত্রীকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন টিটাগড় থানার এক পুলিশ আধিকারিক। তিনি বাইক নিয়ে স্মৃতির বাড়ি গিয়ে অ্যাডমিট কার্ড এনে দেন। এদিন ব্যারাকপুরের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সেন্ট্রাল) ইন্দ্রবদন ঝায়ের নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিকরা পরীক্ষার্থীদের হাতে গোলাপ ফুল তুলে দিয়ে তাদের উৎসাহ দেন। ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের একাধিক জনপ্রতিনিধিও পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানান। সব মিলিয়ে, পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত গড়ল প্রশাসন।
72 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 03:16 PM
বাজেট বাদ দেওয়াঃ কেন্দ্রীয় বাজেটে 9ম শতাব্দীর বৌদ্ধ স্থান উপেক্ষা করা হয়েছে

বাজেট বাদ দেওয়াঃ কেন্দ্রীয় বাজেটে 9ম শতাব্দীর বৌদ্ধ স্থান উপেক্ষা করা হয়েছে

স্বপনকুমার চক্রবর্তী, হবিবপুর:২০২৬-’২৭ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় বাজেটে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির বৌদ্ধ তীর্থস্থল নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কথা ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু সেই তালিকায় স্থান পায়নি পশ্চিমবঙ্গের মালদা (Malda) জেলার হবিবপুর (Habibpur) ব্লকে জগজীবনপুরে আবিষ্কৃত নবম শতাব্দীর বৌদ্ধ মহাবিহার। ‘বৌদ্ধ সার্কিট’ উন্নয়নে বাংলাকে পরিকল্পনামাফিক বঞ্চিত করা হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে সরব তৃণমূল কংগ্রেস। পালটা বিজেপির কটাক্ষ, তৃণমূল সরকার জগজীবনপুরকে পর্যটনকেন্দ্র হিসাবে জনপ্রিয় করে তুলতে বিন্দুমাত্র উদ্যোগ নেয়নি। শাসকদলের হবিবপুর ব্লক সভাপতি স্বপন সরকার বলেন, ‘জগজীবনপুরের বৌদ্ধ মহাবিহার আমাদের গর্ব। এই আবিষ্কার পাল যুগের ইতিহাস বদলে দিয়েছে। অথচ এত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যকে বাজেটে উপেক্ষা করা হয়েছে। বিজেপির বাংলা বিরোধী মনোভাব এর দৃষ্টান্ত।’ রাজ্য সরকার এই মহাবিহারকে যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছে বলেও তাঁর দাবি। অভিযোগ অস্বীকার করে হবিবপুরের বিজেপি (BJP) বিধায়ক জুয়েল মুর্মু বলেন, ‘কেন্দ্র বাংলাকে বঞ্চিত করছে, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রচুর নতুন ট্রেন পরিষেবা চালু থেকে শুরু করে দুর্গাপুর শিল্পতালুকের উন্নয়ন সহ একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্র এগিয়ে এসেছে। অথচ পরিকল্পনা থাকলেও আয়ুষ্মান ভারত সহ অনেক কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্য সরকার বাস্তবায়ন করেনি।’ তাঁর সংযোজন, ‘রাজ্যের পর্যটন বিভাগ থাকা সত্ত্বেও জগজীবনপুরে আজ পর্যন্ত একটি অতিথি নিবাস বা সংগ্রহশালা গড়ে ওঠেনি। তাই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’ এবারের বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন উত্তর-পূর্ব ভারতকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করেন। অরুণাচলপ্রদেশ, সিকিম, অসম, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরাকে নিয়ে একটি নতুন বৌদ্ধ সার্কিট উন্নয়ন প্রকল্প চালুর বিষয়ে জানানো হয়। ওই প্রকল্পের আওতায় প্রাচীন বৌদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণ, মঠ ও বিহার সংস্কার, তথ্য ও ব্যাখ্যাকেন্দ্র নির্মাণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের জন্য আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। এই ঘোষণার পর প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে জগজীবনপুরের বৌদ্ধ মহাবিহার কেন বাজেটে স্থান পেল না? তৃণমূলের দাবি, ১৯৮৭ সালে আবিষ্কৃত ওই মহাবিহার থেকে পাওয়া তাম্রলিপি প্রমাণ করে যে, দেবপাল পাল বংশের শেষ রাজা ছিলেন না। তার পরেও মহেন্দ্র পাল নামে পাল বংশের এক শাসকের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা যায়। দেশ-বিদেশের বহু ইতিহাসবিদ ও পর্যটক ওই মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষ দেখতে আসেন।
6 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 03:06 PM
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসির জরিমানা এড়াতে নতুন কৌশলের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসির জরিমানা এড়াতে নতুন কৌশলের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট(T20 World Cup Boycott)করে বিশ্ব ক্রিকেটে প্রবল চাপের মুখে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)(Pakistan Cricket Board)। তবে আইসিসি-র সম্ভাব্য কড়া শাস্তি ও আর্থিক জরিমানা এড়াতে এবার একটি অভিনব কৌশল নিতে চলেছে মহসিন নকভিরা। পাক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডন’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইসিসি-র শাস্তি থেকে বাঁচতে পিসিবি ২০১৮ সালের একটি পুরোনো আইনি লড়াইয়ের সিদ্ধান্তকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে। ঘটনার সূত্রপাত ২০১৮ সালে। ২০১৪ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারতের সঙ্গে সাতটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ার কারণে বিসিসিআই-এর কাছে প্রায় ৫৬৮ কোটি টাকা (৬৩ মিলিয়ন ডলার) ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল পাকিস্তান। সে সময় আইসিসি-র ‘ডিসপুট রেজোলিউশন কমিটি’(DRC 2018)-তে ভারত যুক্তি দিয়েছিল যে, কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি না থাকায় তারা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে পারছে না। আইসিসি ভারতের সেই ‘অপারগতা’ মেনে নিয়ে পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে দেয়। এবার পাকিস্তান সরকার নির্দেশ দিয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ম্যাচ বয়কট করার। পিসিবি-র যুক্তি হলো—যদি ভারত সরকারের দোহাই দিয়ে সেবার শাস্তি এড়াতে পারে, তবে পাকিস্তান কেন পারবে না? নিজেদের অপারগতার কথা আইসিসি-কে জানিয়ে তারা বলতে চায় যে, সরকারের নির্দেশ অমান্য করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়োজনে আইসিসি-র সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালত(CAS)-এর দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন নকভিরা। পিসিবি-র এই যুক্তিতে বড় একটি ফাঁক দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের বিষয়টি ছিল দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়ে, যেখানে বিসিসিআই নিরপেক্ষ দেশে খেলার কথাও বলেনি। কিন্তু বর্তমান বিশ্বকাপে আইসিসি ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের দাবি মেনে ‘হাইব্রিড মডেল’ কার্যকর করেছে এবং তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া, আইসিসি-র ইভেন্টে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রতিটি দেশ চুক্তিবদ্ধ থাকে। ফলে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের যুক্তি দিয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট করাকে কতটা আইনি বৈধতা দেওয়া যাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
11 shares
😢
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 02:40 PM
রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসানের মধ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত মণিপুর

রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসানের মধ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত মণিপুর

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। নয়া মুখ্যমন্ত্রী পেতে চলেছে মণিপুর। মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন BJP নেতা যুমনাম খেমচাঁদ সিং। মঙ্গলবার দিল্লিতে বিজেপি-র পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে রাজ্যে প্রায় এক বছর ধরে চলা রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান ঘটতে চলেছে।২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি ছিল। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক সঙ্কটের জেরে নির্বাচিত এন বীরেন সিংয়ের সরকার ভেঙে দিয়েছিল কেন্দ্র। অবশেষে দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সবুজ সঙ্কেত মেলায় সরকার গঠনের দাবি জানাতে চলেছেBJP।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েBJPবিধায়ক থোকচম রাধেশ্যাম সিং বলেছেন, ‘জনগণের নির্বাচিত সরকারের ফেরাটা অত্যন্ত জরুরি ছিল। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে এবং খেমচাঁদ সিংয়ের নেতৃত্বে আমরা মণিপুরের সমস্ত সমস্যার সমাধান করব।’সিংজামেয়ি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ২০১৭ এবং ২০২২ সালে পরপর দু’বার জয়ী হয়েছেন খেমচাঁদ সিং। মণিপুর বিধানসভার স্পিকার হিসেবে সফল ভাবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি, এন বীরেন সিং সরকারের মন্ত্রিসভায় শিক্ষা, গ্রামোন্নয়ন ও আবাসন দপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। পোড়খাওয়া এই রাজনীতিবিদের কাঁধেই এবার মণিপুরে শান্তি ও স্থিতাবস্থা ফেরানোর গুরুদায়িত্ব দিল পদ্ম শিবির।
40 shares
😐
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 02:19 PM
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিঃ শ্রম-নিবিড় শিল্পের জন্য'সমস্ত চুক্তির জনক'

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিঃ শ্রম-নিবিড় শিল্পের জন্য'সমস্ত চুক্তির জনক'

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিকে (India-US Trade Deal 2026) এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রাক্তন বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা (Harsh Vardhan Shringla)। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এই চুক্তিকে ‘ফাদার অফ অল ডিল’ (Father of All Deals) বলে অভিহিত করেন। শুল্কের লড়াইয়ে এগিয়ে ভারত: শ্রিংলা জানান, এই চুক্তির ফলে বিশ্বের ৬০ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল রপ্তানি বাজারে ভারতের অবাধ প্রবেশের পথ সুগম হলো। বর্তমানে ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ১৮ শতাংশে নেমে এসেছে, যা চিন, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামের মতো প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। এর ফলে ভারতের শ্রমনিবিড় শিল্পজাত পণ্য মার্কিন বাজারে বাড়তি সুবিধা পাবে। বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ও ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’: পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, বর্তমানে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ২১২ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের শেষে এটি ৩০০ বিলিয়ন এবং আগামী দুই বছরের মধ্যে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলবে। শ্রিংলার দাবি, আন্তর্জাতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও সরকার ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’ নীতি থেকে সরে আসেনি এবং দেশের স্বার্থ অটুট রেখেই এই চুক্তি সম্পন্ন করেছে। রুশ তেল ও জ্বালানি নীতি:রাশিয়া থেকে তেল (Russian Oil Import) কেনা প্রসঙ্গে শ্রিংলা স্পষ্ট করেন যে, ভারত সরকার সর্বদা জ্বালানি সুরক্ষায় ভারসাম্য বজায় রাখে। গত কয়েক মাসে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির পরিমাণ কিছুটা কমেছে। তেল সংস্থাগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের সেরা দাম দেখেই তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেয় যাতে কোনো একক অঞ্চলের ওপর নির্ভরতা না থাকে এবং সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন থাকে।
33 shares
😐
Dainik Statesman logo
Dainik Statesman
Feb 3, 2026, 01:35 PM
চাপের মুখে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি মোদী, রাহুল গান্ধীর অভিযোগ

চাপের মুখে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি মোদী, রাহুল গান্ধীর অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘চাপে পড়েই’ আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে সই করতে সম্মত হতে হয়েছেন। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত বিতর্ক এবং নিউ ইয়র্কের আদালতে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে চলা মামলার জেরে আন্তর্জাতিক স্তরে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তার ফলেই ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তিতে দ্রুত সায় দিতে বাধ্য হয়েছে মোদী সরকার। সংসদের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল বলেন, ‘আমেরিকায় আদানিজির বিরুদ্ধে মামলা চলছে। এই মামলা আসলে মোদিজির বিরুদ্ধেও। তার সঙ্গে এপস্টেইন ফাইলসের বিষয়টিও রয়েছে। এখনও অনেক তথ্য প্রকাশ পায়নি। এই দু’টি কারণেই প্রবল চাপ তৈরি হয়েছে।’ তাঁর দাবি, এই চাপের ফলেই দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বাণিজ্যচুক্তিতে হঠাৎ করেই সই হয়ে গেল। কংগ্রেসের বক্তব্য, এপস্টেইন সংক্রান্ত আমেরিকান আইন দপ্তরের নথিতে প্রধানমন্ত্রীর নাম থাকার অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও বিদেশ মন্ত্রক আগেই জানিয়ে দিয়েছে, এই ধরনের সব অভিযোগই ‘ভিত্তিহীন ও অবমাননাকর’। কিন্তু তাতেও বিরোধীদের আক্রমণ থামেনি। রাহুলের অভিযোগ, এই আন্তর্জাতিক চাপের জেরেই মোদীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাহুল আরও বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে এই বাণিজ্যচুক্তি আটকে ছিল। হঠাৎ করে রাতারাতি তাতে সই হয়ে গেল। এটা স্পষ্ট যে, মোদিজি ফ্যাসাদে পড়েছেন। দেশের মানুষকে এই সত্যটা বুঝতে হবে।’ তাঁর দাবি, ভারতীয় স্বার্থ কতটা রক্ষা পেল, সে বিষয়ে এখনও কোনও স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেয়নি সরকার। প্রসঙ্গত, সোমবার গভীর রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভারত-আমেরিকার মধ্যে দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। তার আগে ভারতে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোর জানান, মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে। এরপরই ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে ঘোষণা করেন, ভারতের উপর আরোপিত ২৫ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পরেই প্রধানমন্ত্রী মোদী সমাজমাধ্যমে জানান, তাঁর ‘প্রিয় বন্ধু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প’-এর সঙ্গে কথা হয়েছে এবং শুল্ক কমানোর জন্য তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে চুক্তির খুঁটিনাটি নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই গিয়েছে। কারা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, কী কী বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে, সেই প্রশ্নগুলিই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। এই পরিস্থিতিতেই এপস্টেইন বিতর্ক ও আদানি মামলার প্রসঙ্গ টেনে কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক চাপের কাছে মাথা নত করেই বাণিজ্যচুক্তিতে সই করেছে মোদী সরকার।
86 shares
😐
EI Samay logo
EI Samay
Feb 3, 2026, 01:25 PM
তহবিলের অভাবে পশ্চিমবঙ্গের এম. জি. এন. আর. ই. জি. এ-র অর্থায়ন কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছেঃ মন্ত্রী

তহবিলের অভাবে পশ্চিমবঙ্গের এম. জি. এন. আর. ই. জি. এ-র অর্থায়ন কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছেঃ মন্ত্রী

একশো দিনের প্রকল্পে বাংলাকে বঞ্চনা করা হচ্ছে, বহু দিন ধরেই এই অভিযোগ করে এসেছে তৃণমূল। MGNREGS অর্থাৎ একশো দিনের কাজের প্রকল্পে দীর্ঘ দিন ধরে বাংলাকে বরাদ্দ দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ করেছেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সংসদে সেই প্রকল্পের পরিস্থিতি এবং বাংলার জন্য বরাদ্দের হিসাব চেয়ে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল সাংসদ মালা রায়।১. মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম (MGNREGS)-এর অধীনে ২০২৫ সালের ১ অগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে কত শ্রম দিবস তৈরি হয়েছে?২. MGNREGS-এর অধীনে গত ৬ মাসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কেন্দ্র কত টাকা দিয়েছে?৩. যদি না দিয়ে থাকে তাহলে তার কারণ কী?এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী কমলেশ পাসোয়ান। তিনটি প্রশ্নের উত্তর একবারে দিয়েছেন তিনি। কী বলা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে?মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম (MGNREGS)-এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে টাকা দেওয়া বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। ২০২২ সালের ৯ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল টাকা দেওয়া।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০০৫ সালের MGNREGS আইনের ২৭ নম্বর সেকশন অনুযায়ী টাকা বন্ধ রাখা হয়েছিল। কেন্দ্রের তরফে যা যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলি না মানায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।এটাও জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের ১৮ জুন কলকাতা হাইকোর্টের তরফে যে রায় দেওয়া হয়েছে, সেই রায় মেনে পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজ শুরুর পদক্ষেপ করা হয়েছে। সেই জন্য গত বছরের ৬ ডিসেম্বর অর্ডার জারি করা হয়েছে। এই কারণে রাজ্য সরকারের কাছে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য লেবার বাজেট প্রোপোজ়াল চাওয়া হয়েছে। যদিও সেটা এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
28 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 01:04 PM
বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় জোটের দিকে নজর জেইউপি প্রধান হুমায়ুন কবিরের

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় জোটের দিকে নজর জেইউপি প্রধান হুমায়ুন কবিরের

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:বঙ্গ রাজনীতিতে ফের এক নতুন মেরুকরণের সংকেত। জনতা উন্নয়ন পার্টি(JUP)-র প্রধান হুমায়ুন কবীরকে(Humayun Kabir)ঘিরে উত্তাল রাজ্যের রাজনৈতিক মহল। একদিকে মহম্মদ সেলিমের(Md Selim)সঙ্গে বৈঠক এবং অন্যদিকে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তুতি— সব মিলিয়ে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে(Assembly Election)বড়সড় সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছেন এই নেতা। এবারের নির্বাচনে তাঁর অন্যতম বড় চমক হতে চলেছে আকাশপথে প্রচার। এক একান্ত সাক্ষাৎকারে হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, আগামী দু’মাস তিনি হেলিকপ্টারে চেপে রাজ্যজুড়ে প্রচার চালাবেন। বেলডাঙায় তৈরি হচ্ছে তাঁর স্থায়ী হেলিপ্যাড, থাকবে স্ট্যান্ড বাই হেলিকপ্টারও। তবে এই বিশাল খরচের উৎস নিয়ে রহস্য বজায় রেখেছেন তিনি। ২০১১ সালে তৃণমূল-কংগ্রেস জোটের হেলিকপ্টার রাজনীতির স্মৃতি উস্কে দিয়ে তিনি বলেন, ‘টাকা কোথা থেকে আসছে সেটা এখনই বলব না।’ ইতিমধ্যেই সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে বৈঠক করেছেন হুমায়ুন। তাঁর স্পষ্ট দাবি, ‘কংগ্রেস ও সিপিএম যারা এখন শূন্যে দাঁড়িয়ে আছে, তারা আমার হাত ধরলে আগামী দিনে শাসকদলে পরিণত হবে।’ আইএসএফ-এর সঙ্গে আলোচনার ভারও তিনি সেলিমের ওপরেই ছেড়েছেন। তবে বাম শিবিরের একাংশের ‘ছুতমার্গ’ নিয়ে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি। সুজন চক্রবর্তীর নাম না নিলেও তিনি ইঙ্গিত দেন যে, এক কমিউনিস্ট নেতা কথা বলতে চাইলে অন্যজনের ‘গোঁসা’ হচ্ছে। হুমায়ুন কবীর জানান, তিনি মহম্মদ সেলিমকে মুর্শিদাবাদের একটি আসনে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। এমনকি তিনি বলেন, ‘আমি রানিনগরে প্রার্থী দিয়েছি, কিন্তু সেলিম সাহেব দাঁড়ালে আমি সেই আসন ছেড়ে দিতেও প্রস্তুত।’ যদিও মহম্মদ সেলিম এখনও এই বিষয়ে কোনও সবুজ সংকেত দেননি। ছাব্বিশের নির্বাচনে ১০০-র বেশি আসন পাওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন হুমায়ুন। খুব শীঘ্রই তিনি মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসির সঙ্গে দেখা করতে হায়দ্রাবাদ যাচ্ছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, মুর্শিদাবাদ ও মালদার সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতেই ওয়েইসি ও বামেদের সঙ্গে নিয়ে নতুন এই ‘ফ্রন্ট’ গড়ার চেষ্টা করছেন তিনি।
84 shares
😐
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 12:30 PM
রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বাংলাদেশের বিতর্কিত র্যাব বাহিনী নাম পরিবর্তন করতে চলেছে

রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বাংলাদেশের বিতর্কিত র্যাব বাহিনী নাম পরিবর্তন করতে চলেছে

মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে রাজনৈতিক খুন, শেখ হাসিনার দেড় দশকের প্রধানমন্ত্রিত্বে বারে বারেই বিতর্কে জড়িয়েছে বাংলাদেশের সন্ত্রাসদমন বাহিনী র‌্যাব (র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন)। জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই সনদ নিয়ে ভোটের ঠিক আগে সেই বাহিনীকে কার্যত বিলুপ্ত করার ঘোষণা করল মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী মঙ্গলবার জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত কোর কমিটির সুপারিশ মেনে নাম বদলাচ্ছে র‌্যাব। তিনি বলেন, ‘‘র‌্যাবের নতুন নাম হবে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ বা এসআইএফ।’’ ইউনূস সরকার শীঘ্রই এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী নির্বাহী আদেশনামা জারি করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সন্ত্রাসদমন বাহিনী হিসাবে র‌্যাবের প্রতিষ্ঠা ২০০৪ সালে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে তখন ছিলেন প্রয়াত বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়া। সে সময় থেকেই রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগ উঠতে শুরু করেছিল ওই বাহিনীর বিরুদ্ধে। তা চরমে পৌঁছোয় ২০০৮-এ হাসিনা দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখল করার কয়েক বছর পর থেকে। আওয়ামী লীগের বিরোধীদের অনেকে এই বাহিনীকে ‘মুজিবুর রহমানের জমানার রক্ষীবাহিনীর নতুন সংস্করণ’ বলে চিহ্নিত করতেন! সন্ত্রাসদমন, মাদক চোরাচালান রোধ, আপৎকালীন পরিস্থিতিতে অভিযানের জন্য গড়া এই বাহিনীকে শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনে মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিরোধীদের দমনপীড়ন, অবৈধ ভাবে আটক করে রাখা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, এমনকি গুপ্তহত্যার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে বারে বারেই! শুধু বাংলাদেশের অন্দরে নয়, হাসিনার জমানায় মানবাধিকার লঙ্ঘন আর গুপ্তহত্যার জন্য আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচিত হয়েছে র‌্যাবের নাম। ২০২০ সালে র‍্যাবের সিনিয়র কর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছিল আমেরিকার কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সেনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটি। সে সময় তাদের রিপোর্টে বলা হয়েছিল, হাসিনা জমানায় ২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশে ৪০০-র বেশি মানুষের বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে র‍্যাব ‘প্রত্যক্ষ ভাবে’ জড়িত! প্রসঙ্গত, হাসিনার পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিব ক্ষমতায় থাকার সময়ও তাঁর হাতে গড়া জাতীয় রক্ষীবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে গুমখুনের অভিযোগ উঠেছিল ভূরি ভূরি। প্রাক্তন মুক্তিযোদ্ধা এবং মুজিব বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গড়া ওই বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের নির্মূল করতে ব্যবহার করা হত বলে সত্তরের দশকে অভিযোগ তুলেছিল ওয়াশিংটন। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগস্ট সেনার একাংশের অভ্যুত্থানে মুজিব সপরিবারে নিহত হওয়ার পরে ভেঙে দেওয়া হয় রক্ষীবাহিনীকে। অধিকাংশ অফিসার এবং জওয়ানকে পুনর্বাসিত করা হয় বাংলাদেশ সেনায়। বাংলাদেশ সেনা, বিডিআর (বর্তমানে নাম বদলে বিজিবি), ব্যাটেলিয়ন আনসার এবং বাছাই করা সদস্যদের নিয়ে গড়া র‌্যাব অবশ্য সন্ত্রাস দমনে অনেকবারই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। ২০০৬ সালে তদারকি সরকারের জমানায় সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী জাগ্রত মুসলিম জনতার কুখ্যাত নেতা বাংলা ভাই ওরফে সিদ্দিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছিল তারা। জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বহু সফল অভিযানেরও নজির রয়েছে এই বাহিনীর। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পিলখানা বিদ্রোহ এবং গণহত্যাকাণ্ডের পরে বাংলাদেশ রাইফেল্‌স (বিডিআর) বাহিনীর নাম বদলে বাংলাদেশে বর্ডার গার্ড (বিজিবি) করা হয়েছিল। এ বার আর এক ফেব্রুয়ারিতে নাম বদল হল র‌্যাবের।
48 shares
😢
Uttarbanga Sambad logo
Uttarbanga Sambad
Feb 3, 2026, 12:28 PM
পশ্চিমবঙ্গে এস. আই. আর ইস্যুতে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের তীব্র সমালোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গে এস. আই. আর ইস্যুতে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের তীব্র সমালোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃরাজধানী দিল্লিতে এসআইআর(SIR)ইস্যুতে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে রণংদেহি মেজাজে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee Delhi Protest)। সোমবার বঙ্গভবনে ‘ক্ষতিগ্রস্ত’দের পরিজনদের দিল্লি পুলিশ কর্তৃক হেনস্থার অভিযোগে মঙ্গলবার কালো পোশাক পরে অবস্থানে বসেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখান থেকেই তিনি সুর চড়িয়ে বলেন, “মনে রাখবেন চেয়ার পার্মানেন্ট নয়, মানুষ পার্মানেন্ট!” তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ওপর ‘সুপার এমার্জেন্সি’ চালানো হচ্ছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্ফোরক অভিযোগ করে জানান, সোমবারের বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে কার্যত ‘থ্রেট’ বা হুমকি দিয়েছিলেন। পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি টেবিল চাপড়ে বলেছি ওভাবে চিৎকার করবেন না। এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না।” ভোটার তালিকায় কোনো রকম গোলমাল হলে যে তিনি ছেড়ে কথা বলবেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা। তাঁর দাবি, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল আরও বেশি আসনে জয়লাভ করবে। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ার নামে বাংলায় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ব্যবহার করে জীবিত মানুষকে মৃত বানিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। মমতার প্রশ্ন, “দু’বছরের কাজ কেন দু’মাসে করার তাড়াহুড়ো হচ্ছে? লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সির নামে যোগ্য ভোটারদের কেন হয়রানি করা হচ্ছে?” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, বিএলও-দের প্রাপ্য টাকা কমিশন আটকে রেখেছে। দিল্লির বঙ্গভবন বাংলার সম্পত্তি, সেখানে দিল্লি পুলিশের তল্লাশি চালানোর অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহার ও বাংলার বকেয়া টাকা আটকে রাখা নিয়ে সরব হন। মমতা বলেন, “বাঙালিদের বাংলাদেশি সন্দেহে নিপীড়ন করা হচ্ছে। অথচ সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রের।” সবশেষে রসিকতার সুরে তিনি বলেন, ২৬-এ জিতে আবার দিল্লিতে আসবেন এবং সবাইকে মিষ্টি খাওয়াবেন, তবে সেটা ‘দিল্লির লাড্ডু’ নয়।
58 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 12:27 PM
চীন ও সেনাপ্রধানের মামলা নিয়ে লোকসভায় ফের বাধা রাহুল গান্ধীর

চীন ও সেনাপ্রধানের মামলা নিয়ে লোকসভায় ফের বাধা রাহুল গান্ধীর

লোকসভায় চিন প্রসঙ্গ তুলে বক্তৃতায় ফের ‘বাধা’ পেলেন রাহুলগান্ধী। সোমবারের পর মঙ্গলবারও প্রাক্তন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নরবণের ‘অপ্রকাশিত’ বই ‘ফোর স্টারস অফডেস্টিনি’ থেকেচিন প্রসঙ্গ উত্থাপন করার চেষ্টা করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল। কিন্তু স্পিকারওম বিড়লা তাঁকে থামিয়ে সোমবারের নির্দেশের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। প্রসঙ্গত, সোমবাররাহুল ওই বইয়ের একাংশ পড়া শুরু করার পর রাহুলের উদ্দেশে স্পিকার বলেছিলেন, “নিয়মঅনুযায়ী সংবাদপত্রের প্রতিবেদন, বইবা এমন কিছু জিনিস যা প্রমাণিত নয়, তাসংসদে পাঠ করা যায় না।” রাহুলের বক্তৃতা থামানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কংগ্রেসসাংসদেরা। শুরু হয় শোরগোল। সংসদে ‘খারাপ আচরণের’ জন্য গোটা বাজেট অধিবেশনের জন্যসাসপেন্ড করা হয় মানিকম টেগোর, অমরিন্দর সিংহ রাজা ওয়ারিং-সহ মোট আট জন কংগ্রেসসাংসদকে। আগামী ২ এপ্রিল সংসদের বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার কথা। তত দিন পর্যন্তঅধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন না এই সাংসদেরা। সেই সময় স্পিকারের আসনে ছিলেন অসমের বিজেপি সাংসদ দিলীপ শইকীয়া। তিনিই ওই সাংসদদের সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেন। দুপুরে সাসপেন্ড হওয়া আট সাংসদকে সংসদ বাইরে বিক্ষোভ দেখান রাহুল।তিনি বলেন, “এই প্রথম বিরোধী দলনেতাকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর বক্তৃতা করতে দেওয়াহল না।” ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানাকরেন রাহুল। তিনি বলেন, “ভারত-মার্কিন) বাণিজ্যচুক্তি গত কয়েক মাস ধরে আটকে ছিল।গত রাতে নরেন্দ্র মোদী তাতে স্বাক্ষর করেছেন। ওঁর উপর প্রচুর চাপ ছিল।” একই সঙ্গে রাহুলেরসংযোজন, “মূল বিষয় হল আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপস করেছেন। নরেন্দ্র মোদীজি এই বাণিজ্যচুক্তিতেআপনার কঠোর পরিশ্রমকে বিক্রি করে দিয়েছেন। উনি দেশকে বিক্রি করছেন।”
38 shares
😢
Ananda Bazar logo
Ananda Bazar
Feb 3, 2026, 12:20 PM
বিজেপির আঞ্চলিক পরিচয় পরিবর্তনঃ পশ্চিমবঙ্গে একটি নতুন বক্তৃতা?

বিজেপির আঞ্চলিক পরিচয় পরিবর্তনঃ পশ্চিমবঙ্গে একটি নতুন বক্তৃতা?

তাঁর সম্পর্কে নানাবিধ উপমাএবং বিশেষণ দেওয়া হল। ত্রিপুরায় ‘বিপ্লব’ করা থেকে মুখ্যমন্ত্রিত্ব সামলানো এবংতার পরে রাজ্যসভা ও লোকসভায় যাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হল যথাযথ ভাবেই। কিন্তু সেসবের মধ্যেও নজর কাড়ল দু’টি শব্দ। ‘বাঙালিভাষী’ এবং ‘বাঙালি নেতা’। ত্রিপুরারপ্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে এ ভাবেই পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গেপরিচয় করিয়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নজর কাড়ার কারণ, প্রথমত,বাংলা এবং বাঙালির ভাষ্যেই বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচারকে শানিত করছে তৃণমূল। ২০২১,২০২৪ সালের নির্বাচনের পরে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের লক্ষ্যেও সেই অভিমুখেইস্লোগান তৈরি করেছে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল। সেই সূত্রেই অনেকের কৌতূহলী প্রশ্ন,অবচেতন মনে রাজ্য বিজেপির নেতারাও কি তৃণমূলের ভাষ্যের চক্রব্যূহে প্রবেশ করেছেন?দ্বিতীয়ত, বিজেপির মতো সর্বভারতীয় দলে আঞ্চলিক ভাষা বা আঞ্চলিক পরিচয় সাধারণত ফলাওকরে তুলে ধরা হয় না। কিন্তু মঙ্গলবার বিধানসভায় পরিষদীয় দলের বৈঠকের শুরুতেবিপ্লবের নানা পরিচয় উল্লেখ করতে গিয়ে ‘বাঙালিভাষী, বাঙালি নেতা’ বলে তাঁকে অভিহিতকরেছেন শুভেন্দু। স্বভাবতই বিষয়টি নিয়ে বিজেপির ঘরে-বাইরে আলোচনা এবং জল্পনা শুরুহয়েছে। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্রতরুণজ্যোতি তিওয়ারির অবশ্য বক্তব্য, ‘‘মনে হয় না বিরোধী দলনেতা সেই অর্থে(তৃণমূলের ভাষ্যের সঙ্গে তাল মেলাতে) ওই পরিচয় বলতে চেয়েছেন। বিপ্লব দেব ত্রিপুরারনেতা। এই রাজ্যের সঙ্গে ত্রিপুরার সংস্কৃতির মিল রয়েছে। সেই সূত্রে বলে থাকতেপারেন। তৃণমূল মনে করে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের বাইরে। আর বিজেপি সব সময় ‘এক দেশ’ নীতিতেবিশ্বাস করে।’’ যদিও পদ্মশিবিরের অনেকেই একান্ত আলোচনায় বলছেন, শুভেন্দুর ভিন্নউদ্দেশ্যও থাকতে পারে। তা হল, রাজ্যের বাইরে থেকে বিজেপির কোনও নেতা এলেই তৃণমূল‘বহিরাগত’ বলে দাগিয়ে দেয়। বিপ্লব সম্পর্কে যাতে রাজ্যের শাসকদল সে কথা বলতেনা-পারে, সেই সলতেই তিনি পাকিয়ে রাখলেন। তাঁদের ব্যাখ্যা, এর পরে যদি বিপ্লবকেতৃণমূল ভোটের ময়দানে কটাক্ষ করে, তা হলে দলের তরফে বলা যাবে ‘বাংলাভাষী এবংবাঙালি’ নেতাকে অপমান করছে তারা। আবার অনেকের বক্তব্য, ভিন্‌রাজ্যেবাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতারা প্রচারে গেলে তাঁদের ‘বাঙালি’পরিচয় তুলে ধরা হয়। দিল্লির বিধানসভা ভোটের সময়ে চিত্তরঞ্জন পার্কে বাঙালি জনতারসামনে শুভেন্দু যখন গিয়েছিলেন, তখন তাঁর সম্পর্কেও এ-হেন বিশেষণই ব্যবহার করাহয়েছিল। যেমন হয়েছিল ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা ভোটেরসময়ে বাঙালি অধ্যুষিত ধানবাদ এলাকায় বিজেপির বিধায়ক তথা মহিলা নেত্রী অগ্নিমিত্রাপালের ক্ষেত্রেও। সে দিক থেকে বিপ্লব সম্পর্কে এই বিশেষণের মধ্যে তেমন কোনও‘তাৎপর্য’ খুঁজতে যাওয়া অর্থহীন বলেই দাবি তাঁদের। কিন্তু পাশাপাশিই এ-ও বলা হচ্ছেযে, নির্দিষ্ট এলাকায় ভোটের প্রচার আর পরিষদীয় দলের সঙ্গে পরিচয় করানোর মধ্যেমৌলিক ফারাক আছে। সে দিক থেকে শুভেন্দুর ‘বিশেষণ’ অর্থবহ বইকি। প্রত্যাশিত ভাবেই পাল্টাকটাক্ষ করেছে তৃণমূল। রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন,‘‘বাংলাভাষায় কথা বললেই বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙালিদের পেটানো হচ্ছে, খুন করাহচ্ছে। বিজেপির গায়ে বাংলা-বিরোধী স্ট্যাম্প লেগে গিয়েছে। এখন সেই স্ট্যাম্প তোলারচেষ্টা করছেন শুভেন্দু। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হবে না।’’ শোভনদেব এ-ও বলেন,‘‘বাঙালিভাষী বলে কোনও কথা হয় না। এটাই বিজেপি জানে না।’’
7 shares
😐
AajKaal News logo
AajKaal News
Feb 3, 2026, 11:58 AM
বাংলাদেশ চৌরাস্তায়ঃ গণতন্ত্র, অর্থনীতি এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনার জন্য জাতীয় নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশ চৌরাস্তায়ঃ গণতন্ত্র, অর্থনীতি এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনার জন্য জাতীয় নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ

আজকাল ওয়েবডেস্ক:বাংলাদেশ আবারও ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। প্রায় ১২ কোটি ৭০ লাখ ভোটার, ৩০০টি সংসদীয় আসন এবং তিনটি সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমীকরণ—সব মিলিয়ে এই জাতীয় নির্বাচনকে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোট বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বহু নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু এবারের ভোট দেশের গণতন্ত্র, অর্থনীতি এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশ ঠিক করে দিতে পারে বলেই উত্তেজনা তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম এত বড় সংখ্যক ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চলেছেন। তরুণ ভোটারদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী নতুন প্রজন্মের ভোটাররাই এবার ‘কিংমেকার’ হতে পারেন বলে ধারণা। কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং দুর্নীতির মতো ইস্যুগুলিই তাঁদের ভোটের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলবে। ৩০০ আসনের এই লড়াইয়ে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্ষমতাসীন দল, প্রধান বিরোধী জোট এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে। রাজনৈতিক মহলের মতে, তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল সামনে আসতে পারে। প্রথমত, ক্ষমতাসীন দল আবারও স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে, যা ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। দ্বিতীয়ত, হাং পার্লামেন্ট বা ঝুলন্ত সংসদ—যেখানে কোনও দল এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে না, ফলে জোট রাজনীতি এবং দরকষাকষির যুগ শুরু হতে পারে। তৃতীয়ত, বিরোধীদের বড় উত্থান—যা দেশে বড় রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত দেবে। এই নির্বাচনে নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। দেশ-বিদেশের পর্যবেক্ষকরাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি ডিজিটাল নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ভুয়ো খবর ও অপপ্রচার রুখতেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক দিক থেকেও এই ভোট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং বিস্ব বাজারের অস্থিরতা দেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করেছে। নতুন সরকারকে এই চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলা করতে হবে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছেন, কারণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই বিনিয়োগের মূল শর্ত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভোট শুধু সরকার গঠনের লড়াই নয়—এটি গণতন্ত্রের শক্তি পরীক্ষারও মুহূর্ত। ভোটারদের অংশগ্রহণ, স্বাধীনভাবে ভোটদান এবং ফলাফল গ্রহণ—এই তিনটি বিষয়েই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। এবার বাংলাদেশে ভোট হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। ভোটের প্রচার শুরু হয়েছে ২২ জানুয়ারি থেকে এবং শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। সকাল সাতটা তিরিশ মিনিট থেকে শুরু করে ভোটদান পর্ব চলবে বিকেল চারটে তিরিশ মিনিট পর্যন্ত। এবারে সেখানে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১,৯৮১ জন। মোট ৪২ হাজার ৭৬১ টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র করা হবে। পোলিং বুথ থাকবে ২ লাখ ৪৫ হাজারটি। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ৯২ হাজার ৫০০ জন সেনা। থাকছে পুলিশ এবং আধাসেনা। সব মিলিয়ে মানুষের সিদ্ধান্তই ঠিক করে দেবে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ কোন পথে এগোবে। তাই এবারের নির্বাচন শুধু একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়, বরং সেদেশের ভবিষ্যৎ গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়।
33 shares
😐